<![CDATA[Forums.Likebd.Com - Seo Tips]]> http://forums.likebd.com/ Sat, 07 Nov 2026 18:42:03 +0000 MyBB <![CDATA[গুগলে ব্যাক লিষ্ট চলে আসার কারন কি জেনে নিন?]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3088 Sun, 25 Jun 2017 02:25:06 +0000 bdyousufctg]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3088
যে কোন শব্দ লিখতে গেলেই গুগল তার সাজেশন দেখালেও সেসব শব্দে তা দেখায় না ও সার্চে সাধারন নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল না দেখিয়ে বাছাই করে করে পলাফল দেখায়। আর যারা গুগলের এই নীতিব্যাক লিংক হবার কারন ও সমাধান গুগলে ব্যাক লিষ্ট হবার কারন ও সমাধান সম্পর্কে না জেনে ব্লগ ও কীওয়ার্ড দিয়ে পোষ্ট করে তাদের প্যাজ র‌্যাংক পেতে সমস্যা হতেই পারে।

গুগল ব্লাক লিষ্ট করার কারন কি?

গুগল সাধারনতঃ পর্নোগ্রাফীর কথা মাথায় রেখে সার্চে অনেকগুলোকে বাছাই করে করে প্রকাশ করা হয়। সার্চের ব্লাক লিষ্টের বেপারে গুগলের ভাষ্য হলো “একটি টপিকের সার্চ ফলাফল অনেকগুলো বিষয়ের উপরে নির্ভর করে। আর কয়েকটি শব্দ বা শব্দ সমষ্টির উপরে সয়ংক্রিয়ভাবে আলাদা নজরদারী করা ও ফলাফল বাদ দিয়ে প্রকাশ করা একটা ঝামেলার কাজ। প্রতিদিন মিলিয়নের বেশি সার্চ হচ্ছে এবং সার্চ ফলাফলে জটিল এলগরিদমও দিন দিন উন্নত থেকে উন্নত করা হচ্ছে। সেইসাথে ব্লাক লিষ্টের ফরাফলে কি কি বাদ পরবে তার এলগরিদম ভিজিটরদের মতামত নিয়ে আরও উন্নয়ন করা হবে। আমাদের এলগরিদম শুধু মাত্র কোন একটি শব্দের জন্যই নয় বেশ কিছু শব্দ সমষ্টির জন্যও কাজ করে। তাছাড়া ভিন্ন ভিন্ন ভাষার দিকেও খেয়াল রাখতে হয়। একই শব্দ এক এক এলাকায় এক এক অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটা আরও ঝামেলার যা দিন দিন আরও উন্নত হবে.]]>

যে কোন শব্দ লিখতে গেলেই গুগল তার সাজেশন দেখালেও সেসব শব্দে তা দেখায় না ও সার্চে সাধারন নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল না দেখিয়ে বাছাই করে করে পলাফল দেখায়। আর যারা গুগলের এই নীতিব্যাক লিংক হবার কারন ও সমাধান গুগলে ব্যাক লিষ্ট হবার কারন ও সমাধান সম্পর্কে না জেনে ব্লগ ও কীওয়ার্ড দিয়ে পোষ্ট করে তাদের প্যাজ র‌্যাংক পেতে সমস্যা হতেই পারে।

গুগল ব্লাক লিষ্ট করার কারন কি?

গুগল সাধারনতঃ পর্নোগ্রাফীর কথা মাথায় রেখে সার্চে অনেকগুলোকে বাছাই করে করে প্রকাশ করা হয়। সার্চের ব্লাক লিষ্টের বেপারে গুগলের ভাষ্য হলো “একটি টপিকের সার্চ ফলাফল অনেকগুলো বিষয়ের উপরে নির্ভর করে। আর কয়েকটি শব্দ বা শব্দ সমষ্টির উপরে সয়ংক্রিয়ভাবে আলাদা নজরদারী করা ও ফলাফল বাদ দিয়ে প্রকাশ করা একটা ঝামেলার কাজ। প্রতিদিন মিলিয়নের বেশি সার্চ হচ্ছে এবং সার্চ ফলাফলে জটিল এলগরিদমও দিন দিন উন্নত থেকে উন্নত করা হচ্ছে। সেইসাথে ব্লাক লিষ্টের ফরাফলে কি কি বাদ পরবে তার এলগরিদম ভিজিটরদের মতামত নিয়ে আরও উন্নয়ন করা হবে। আমাদের এলগরিদম শুধু মাত্র কোন একটি শব্দের জন্যই নয় বেশ কিছু শব্দ সমষ্টির জন্যও কাজ করে। তাছাড়া ভিন্ন ভিন্ন ভাষার দিকেও খেয়াল রাখতে হয়। একই শব্দ এক এক এলাকায় এক এক অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটা আরও ঝামেলার যা দিন দিন আরও উন্নত হবে.]]>
<![CDATA[ভিজিটর খুব সহজে নিন। তাও আবার নিজের ইচ্ছা মত।]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3006 Sun, 04 Jun 2017 15:11:27 +0000 nazmul530]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3006
.png   AddTextToPhoto_4-6-2017-9-10-24.png (Size: 433.68 KB / Downloads: 0) ]]>

.png   AddTextToPhoto_4-6-2017-9-10-24.png (Size: 433.68 KB / Downloads: 0) ]]>
<![CDATA[বাংলা আর্টিকেল এসইও ফ্রেন্ডলী করুন গুগল থেকে বেশি ভিজিটর নিন]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2331 Fri, 24 Feb 2017 04:51:53 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2331
সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। সার্চ

ইঞ্জিন থেকে বেশি ভিজিটর পেতে হলে দরকার

এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল। আমরা অনেকেই

মনে করি শুধুমাত্র ইংরেজি সাইটের জন্যই কি

ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়। আমি আপনার সাথে

একমত। কিন্তু তাই বলে কি বাংলা কি ওয়ার্ড

খুজে পাব না? আমার কাছে সহজ একটা উপায়

আছে, গুগলে গিয়ে কিছু একটা লিখুন দেখবেন

কিছু কিওয়াড সাজেষ্ট করছে। যেগুলা সাজেষ্ট

করে সেগুলা নিয়ে কাজ করে দেখুন। আশা করি

খুব ভালো রেজাল্ট পাবেন। আজকের

আলোচনার বিষয় বাংলাতে কি করে এসইও

ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখবেন তার টিপস এন্ড

ট্রিকস। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।

এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখতে যে

বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

১। কিওয়ার্ড (যে বিষয়ে ভিজিটর বেশি গুগলে

সার্চ দেয়)।

২। আর্টিকেল (কমপক্ষে ৩০০ শব্দের লেখা

নির্বাচন করতে হবে)।

৩। এস ই ও টাইটেল (SEO Title) হেডলাইন।

(৫-৬ শব্দ)

৪। ফোকাস কি ওয়ার্ড (Focus Keyword)

নির্বাচিত কিওয়ার্ড।

৫। মেটা ডিসক্রিপশন (156 worsd Meta

description) লেখার সুচনা থেকে।

৬। ট্যাগস (Tags) কমপক্ষে ৩টি ট্যাগ রাখা

জরুরী।

কপি পেস্ট করে ইডিট করে যেভাবে এসইও

ফ্রেন্ডলী করবেন

১। কিওয়ার্ড প্রথমে রেখে হেডলাইন ইডিট

করতে হবে।

২। সূচনা এবং উপসংহার ইডিট করতে হবে।

৩। লেখার বিভিন্ন জায়গায় কিওয়ার্ড বসাতে

হবে।

৪। h1,h2,h3,h4,h5 ইত্যাদি html ট্যাগ

যুক্ত করতে হবে।

৫। ছবিতে Alt text দিতে হবে।

৬। Seo Goods দেখে নিতে হবে।

৭। ফটোশপ দিয়ে ছবি রিসাইজ ও রিনেম করতে

হবে।

৮। লেখার যে কোন জায়াগায় একটা হাইপার

লিংক দিতে হবে।

৯। কপি করা লেখা Notpad এ পেষ্ট করে

নিতে হবে।]]>

সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। সার্চ

ইঞ্জিন থেকে বেশি ভিজিটর পেতে হলে দরকার

এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল। আমরা অনেকেই

মনে করি শুধুমাত্র ইংরেজি সাইটের জন্যই কি

ওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়। আমি আপনার সাথে

একমত। কিন্তু তাই বলে কি বাংলা কি ওয়ার্ড

খুজে পাব না? আমার কাছে সহজ একটা উপায়

আছে, গুগলে গিয়ে কিছু একটা লিখুন দেখবেন

কিছু কিওয়াড সাজেষ্ট করছে। যেগুলা সাজেষ্ট

করে সেগুলা নিয়ে কাজ করে দেখুন। আশা করি

খুব ভালো রেজাল্ট পাবেন। আজকের

আলোচনার বিষয় বাংলাতে কি করে এসইও

ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখবেন তার টিপস এন্ড

ট্রিকস। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।

এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখতে যে

বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

১। কিওয়ার্ড (যে বিষয়ে ভিজিটর বেশি গুগলে

সার্চ দেয়)।

২। আর্টিকেল (কমপক্ষে ৩০০ শব্দের লেখা

নির্বাচন করতে হবে)।

৩। এস ই ও টাইটেল (SEO Title) হেডলাইন।

(৫-৬ শব্দ)

৪। ফোকাস কি ওয়ার্ড (Focus Keyword)

নির্বাচিত কিওয়ার্ড।

৫। মেটা ডিসক্রিপশন (156 worsd Meta

description) লেখার সুচনা থেকে।

৬। ট্যাগস (Tags) কমপক্ষে ৩টি ট্যাগ রাখা

জরুরী।

কপি পেস্ট করে ইডিট করে যেভাবে এসইও

ফ্রেন্ডলী করবেন

১। কিওয়ার্ড প্রথমে রেখে হেডলাইন ইডিট

করতে হবে।

২। সূচনা এবং উপসংহার ইডিট করতে হবে।

৩। লেখার বিভিন্ন জায়গায় কিওয়ার্ড বসাতে

হবে।

৪। h1,h2,h3,h4,h5 ইত্যাদি html ট্যাগ

যুক্ত করতে হবে।

৫। ছবিতে Alt text দিতে হবে।

৬। Seo Goods দেখে নিতে হবে।

৭। ফটোশপ দিয়ে ছবি রিসাইজ ও রিনেম করতে

হবে।

৮। লেখার যে কোন জায়াগায় একটা হাইপার

লিংক দিতে হবে।

৯। কপি করা লেখা Notpad এ পেষ্ট করে

নিতে হবে।]]>
<![CDATA[খুব সহজেই ওয়েবসাইট এর লোডিং টাইমকে SEO করুন]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2330 Fri, 24 Feb 2017 04:51:30 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2330
301 Redirects:

কখনো কখনো নতুন URL Location এর জন্য , একাধিক ডোমেইন এর জন্য আমাদেরকে এক URL থেকে অন্য URLএ ৩০১ redirect করতে হয়। এই redirect এর জন্য পেজ লোড হতে বেশি সময় লাগে। তাই শুধু মাত্র খুব প্রয়োজনীয় URL কে redirect করতে হবে।

Magnify your codes:

এসটিএমল কমেন্ট, CDATA সেকশন হোয়াট স্পেস, আপ্রয়োজনীয় ট্যাগ এবং খালি এলিমেন্টস গুলি কমাতে হবে।এতে পেজ এর সাইজ কমে লোড হয় তাড়াতাড়ি। কন্টেন্ট বেশি বেশি থাকতে হবে এতে করে ওয়েবসাইট এর সাদা অংশ বা খালি স্থান কম থাকে ওয়েবসাইট তাড়াতাড়ি লোড হয়।

Remove broken Link:

ওয়েবসাইট থেকে broken লিঙ্ক মছে ফেলতে হবে। এটার জন্য ওয়েবসাইট সার্চ হয়। শুধু শুধু ওয়েবসাইটে চাপ পরে, ওয়েবসাইট কে slow করে ফেলে।এছাড়া এই broken Link এর কোড গুলির জন্য এও ওয়েবসাইট লোড হতে সময় বাসি লাগে।

Optimize Images

এটা সত্য কথা একটা ছবি এক হাজার শব্দের চেয়ে বেশি কাজ করে।সুতরাং কোন কিছু বর্ণনা করতে ছবি ব্যাবহার করা খুবি উত্তম। কিন্তূ ছবি সার্ভার এর জন্য সমসসার কারন হয়ে দারাতে পারে। তাই বেশি রকম গ্রাফিক্স ব্যাবহার এর চেয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ব্যাবহার করা উছিত।সবসময় ছবি ওয়েব ফরমেটে সেভ করা উচিত।এতে ছবির সাইজ অনেক কমে যায়। ছবির উচ্চতা এবং প্রস্থ নির্ধারন করা উচিত। যদি ভাল মানের ছবি প্রয়োজন হয় তাহলে JPEG ফরমেট এর ছবি ব্যাবহার করা যেতে পারে। এবং ভাল মানের logoএর ক্ষেত্রে PNG ফরমেট এর ছবি ব্যাবহার করা উচিত । যদি কোন jpeg ফরমেট এর ছবি হয় তাহলে সেটাকে JPEG Compressor tools ব্যাবহার করে সাইজ কমাতে হবে।

Optimize all large files:

ফ্ল্যাশ ফাইল, ভিডিও, বড় স্ক্রিপ্ট ইত্যাদি অপটিমাইযড করা উচিত। এর জন্য এডিটর প্রোগ্রাম ব্যাবহার করা উচিত। এতে অনেক অপশন্স আছে যা দিয়ে ফাইল এর সাইজ কমানু যায়। এছাড়া প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট দেখা উচিত তাড়া কিভাবে সাইজ কমিইয়েছে।

Keep Design and Interface Simple:

ওয়েবসাইটে খুব সাধারণ ডিজাইন ব্যাবহার করা উচিত। এতে ওয়েবসাইট এর সাইজ কম হয়। অল্প সময়ে ওয়েবসাইট লোড হই।

এগুলি ছাড়াও আরও কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেগুলি আপনারা অনলাইন ঘাটাঘাটি করলে পাবেন। আপনার এসইও কে সফল করতে অবশ্যই ওয়েবসাইট লোদিং সময় এর দিকে লক্ষ রাখতে হবে।]]>

301 Redirects:

কখনো কখনো নতুন URL Location এর জন্য , একাধিক ডোমেইন এর জন্য আমাদেরকে এক URL থেকে অন্য URLএ ৩০১ redirect করতে হয়। এই redirect এর জন্য পেজ লোড হতে বেশি সময় লাগে। তাই শুধু মাত্র খুব প্রয়োজনীয় URL কে redirect করতে হবে।

Magnify your codes:

এসটিএমল কমেন্ট, CDATA সেকশন হোয়াট স্পেস, আপ্রয়োজনীয় ট্যাগ এবং খালি এলিমেন্টস গুলি কমাতে হবে।এতে পেজ এর সাইজ কমে লোড হয় তাড়াতাড়ি। কন্টেন্ট বেশি বেশি থাকতে হবে এতে করে ওয়েবসাইট এর সাদা অংশ বা খালি স্থান কম থাকে ওয়েবসাইট তাড়াতাড়ি লোড হয়।

Remove broken Link:

ওয়েবসাইট থেকে broken লিঙ্ক মছে ফেলতে হবে। এটার জন্য ওয়েবসাইট সার্চ হয়। শুধু শুধু ওয়েবসাইটে চাপ পরে, ওয়েবসাইট কে slow করে ফেলে।এছাড়া এই broken Link এর কোড গুলির জন্য এও ওয়েবসাইট লোড হতে সময় বাসি লাগে।

Optimize Images

এটা সত্য কথা একটা ছবি এক হাজার শব্দের চেয়ে বেশি কাজ করে।সুতরাং কোন কিছু বর্ণনা করতে ছবি ব্যাবহার করা খুবি উত্তম। কিন্তূ ছবি সার্ভার এর জন্য সমসসার কারন হয়ে দারাতে পারে। তাই বেশি রকম গ্রাফিক্স ব্যাবহার এর চেয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ব্যাবহার করা উছিত।সবসময় ছবি ওয়েব ফরমেটে সেভ করা উচিত।এতে ছবির সাইজ অনেক কমে যায়। ছবির উচ্চতা এবং প্রস্থ নির্ধারন করা উচিত। যদি ভাল মানের ছবি প্রয়োজন হয় তাহলে JPEG ফরমেট এর ছবি ব্যাবহার করা যেতে পারে। এবং ভাল মানের logoএর ক্ষেত্রে PNG ফরমেট এর ছবি ব্যাবহার করা উচিত । যদি কোন jpeg ফরমেট এর ছবি হয় তাহলে সেটাকে JPEG Compressor tools ব্যাবহার করে সাইজ কমাতে হবে।

Optimize all large files:

ফ্ল্যাশ ফাইল, ভিডিও, বড় স্ক্রিপ্ট ইত্যাদি অপটিমাইযড করা উচিত। এর জন্য এডিটর প্রোগ্রাম ব্যাবহার করা উচিত। এতে অনেক অপশন্স আছে যা দিয়ে ফাইল এর সাইজ কমানু যায়। এছাড়া প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট দেখা উচিত তাড়া কিভাবে সাইজ কমিইয়েছে।

Keep Design and Interface Simple:

ওয়েবসাইটে খুব সাধারণ ডিজাইন ব্যাবহার করা উচিত। এতে ওয়েবসাইট এর সাইজ কম হয়। অল্প সময়ে ওয়েবসাইট লোড হই।

এগুলি ছাড়াও আরও কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেগুলি আপনারা অনলাইন ঘাটাঘাটি করলে পাবেন। আপনার এসইও কে সফল করতে অবশ্যই ওয়েবসাইট লোদিং সময় এর দিকে লক্ষ রাখতে হবে।]]>
<![CDATA[আপনার সাইটে ভিসিটর নেই,, নিয়ে নিন ভিসিটর ধরে রাখার বা বাড়ানোর কিছু টিপস]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2329 Fri, 24 Feb 2017 04:51:03 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2329


আজ আমি কিভাবে

ভিজিটর বাড়াবেন তা নিয়ে পুস্ট

করছি। অনেকই মনে করেন টাকা দিয়ে

সাইট বানাব আর হাজার হাজার

টাকা ইকাম! আরে ভাই আপনি ১০০% ভুল

পথে যাচ্ছেন। সাইট বানালেই কপি

পুস্ট করে সাইট থেকে ইকামের কথা

আর আকাশের চাদ আনা একই কথা। এর

জন্য চাই ভিজিটর। ভিজিটর হচ্ছে যে

কোন ব্লগের প্রান। ভিজিটর নাই, তো

প্রান নাই। সুতরাং, আপনি যদি আসলেই

ব্লগিং করতে চান, তাহলে আপনাকে

অবশ্যই ভিজিটর বাড়ানোর দিকে

মনোযোগ দিতে হবে। ভাবছে

বেশিকরে স্পাম করব আর হুট করেই

সাইটে ভিজিটর বেড়ে যাবে। হুট

করে ভিজিটর মানে এখন আছে কাল

নেই স্পাম করলেই এমনই। তাই এখনই ভাবুন

কিভাবে স্থায়ীভাবে ভিজিটর

বাড়াবেন। কিন্তু কিভাবে? নিচের

গাইডলাইন্স অনুসরন করুন, বুঝতে পারবেন

কিভাবে আপনি আপনার ব্লগের

ট্রাফিক বাড়াতে পারবেন।

১) নিয়মিত আপনার লেখা প্রকাশ করুন:

আপনাকে অবশ্যই নিয়মিতভাবে

আপনার ব্লগে লিখতে হবে, তা

প্রতিদিন ১ বার হোক, অথবা সপ্তাহে।

কিন্তু এমন যেন না হয়, একদিন ৪-৫ টা

লিখলেন আর অন্য ৪-৫ দিন বসে

থাকলেন। (কপি করে ১০টা করা আর

নিজে ১টা পুস্ট করার সমান কথা তাই

কপির দান্ধা বাদ দিন। কপি করা

একধরনের অপরাধ সুতরাং এটা করবেন

না। কপিরাইট বংগ করার জন্য

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শাস্তি

আছে। )

২) কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখুন:

আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটি

কন্টেন্টের উপর জোর দিতে হবে তা

সপ্তাহে এক্টাই হোক না কেন। আপনি

প্রতিদিন লিখলেন কিন্তু একটা ও

কোয়ালিটি কন্টেন্ট নয়, কোন লাভ

নাই।

৩) আপনার ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনে

সাবমিট করুন: আপনাকে প্রতিটি ব্লগ

অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে

হবে, অন্যথায় কোন লাভ নাই। আপনার

কন্টেন্ট সার্চ করে পেতে হলে অবশ্যই

সেগুলো সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট

করতে হবে।

৪) আপনার ব্লগকে সোশ্যাল

মিডিয়াতে প্রমোট করুন: আপনি যখনি

কোন ব্লগ লিখবেন অবশ্যই তা আপনার

সোশ্যাল মিডিয়াতে (ফেসবুক, টুইটার

ইত্যাদি) প্রচার করবেন। এটা আপনার

ব্লগের ভিজিটর কে সাংঘাতিক

ভাবে বাড়াতে সাহাজ্য করবে। আর,

সার্চ ইঞ্জিন গুলো ও এখন খুব মুল্য দেয়

এটাকে।

৫) কোয়ালিটি ব্যাক-লিঙ্ক তৈরি

করুন: আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটি

ব্যাক-লিঙ্ক তৈরি করতে হবে। ফালতু

ব্যাক্-লিঙ্ক তৈরি করে কোন লাভ

নাই। আপনাকে অবশ্যই ভাল পেজ

র্যাঙ্কের ব্লগে আপনার ব্লগের লিঙ্ক

তৈরি করতে হবে। ভাল ব্লগে একটা

ব্যাক-লিঙ্ক ফালতু ব্লগে ১০০০ টা

ব্যাক-লিঙ্কের চেয়ে ভাল।

৬) ভিডিও মার্কেটিং: ভিডিও

মার্কেটিং আপনাকে বেশ হেল্প

করবে আপনার সাইটের ভিজিটর

বাড়াতে। এ ক্ষেত্রে আপনি

ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন।

ইউটিউবে আপনার কোন ভিডিও প্রকাশ

করে সেখানে আপনার ব্লগের লিঙ্ক

দিয়ে দিতে পারেন। ৭) ইয়াহু Answer এ

সক্রিয় থাকুন : ইয়াহু Answer খুবই উপকারি

আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর

ক্ষেত্রে। এখানে আপনি আপনার

সাইটের লিঙ্ক দিলে আপনার ব্যাক-

লিঙ্কের তেমন কোন ভেল্যু নাই, কিন্তু

আপনি ভিজিটর ভাল পাবেন। তবে,

আপনাকে ইংলিশ জানতে হবে।

৮) ফোরামে সক্রিয় থাকুন: সর্বদা

বিভিন্ন ফোরামে সক্রিয় থাকুন, এটা

আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়াতে

খুবই হেল্প করবে। কিন্তু স্প্যামিং

করবেন না, অর্থাৎ প্রথম দিন থেকেই

ফোরামে আপনার সাইটের লিঙ্ক

দিবেন না।

৯) সঠিক কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন: অবশ্যই

আপনাকে সঠিক কি-ওয়ার্ড ব্যবহার

করতে হবে। সঠিক কি- ওয়ার্ড নির্বাচন

Liketipser24.tk

খুবই গুরত্ত পূর্ণ ব্যাপার। এটা আপনার

সাইটের অরাগানিক ভিজিটর

বাড়াতে হেল্প করবে।

১০) ডিরেক্টরি সাবমিশন: আপনার

সাইটকে অবশ্যই বিভিন্ন

ডিরেক্টরিতে সাবমিট করতে হবে।

এটা ভিজিটর বাড়ানোর এক অনন্য

উপায়। গুগলে সার্চ দিলে অনেক গুলো

ফ্রী সাইট পাবেন ডিরেক্টরি

সাবমিশনের জন্য।

আশা করি, উপরুক্ত গাইডলাইন্স

আপনাকে সাহায্য করবে আপনার

সাইটের ভিজিটর বাড়াতে]]>



আজ আমি কিভাবে

ভিজিটর বাড়াবেন তা নিয়ে পুস্ট

করছি। অনেকই মনে করেন টাকা দিয়ে

সাইট বানাব আর হাজার হাজার

টাকা ইকাম! আরে ভাই আপনি ১০০% ভুল

পথে যাচ্ছেন। সাইট বানালেই কপি

পুস্ট করে সাইট থেকে ইকামের কথা

আর আকাশের চাদ আনা একই কথা। এর

জন্য চাই ভিজিটর। ভিজিটর হচ্ছে যে

কোন ব্লগের প্রান। ভিজিটর নাই, তো

প্রান নাই। সুতরাং, আপনি যদি আসলেই

ব্লগিং করতে চান, তাহলে আপনাকে

অবশ্যই ভিজিটর বাড়ানোর দিকে

মনোযোগ দিতে হবে। ভাবছে

বেশিকরে স্পাম করব আর হুট করেই

সাইটে ভিজিটর বেড়ে যাবে। হুট

করে ভিজিটর মানে এখন আছে কাল

নেই স্পাম করলেই এমনই। তাই এখনই ভাবুন

কিভাবে স্থায়ীভাবে ভিজিটর

বাড়াবেন। কিন্তু কিভাবে? নিচের

গাইডলাইন্স অনুসরন করুন, বুঝতে পারবেন

কিভাবে আপনি আপনার ব্লগের

ট্রাফিক বাড়াতে পারবেন।

১) নিয়মিত আপনার লেখা প্রকাশ করুন:

আপনাকে অবশ্যই নিয়মিতভাবে

আপনার ব্লগে লিখতে হবে, তা

প্রতিদিন ১ বার হোক, অথবা সপ্তাহে।

কিন্তু এমন যেন না হয়, একদিন ৪-৫ টা

লিখলেন আর অন্য ৪-৫ দিন বসে

থাকলেন। (কপি করে ১০টা করা আর

নিজে ১টা পুস্ট করার সমান কথা তাই

কপির দান্ধা বাদ দিন। কপি করা

একধরনের অপরাধ সুতরাং এটা করবেন

না। কপিরাইট বংগ করার জন্য

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শাস্তি

আছে। )

২) কোয়ালিটি কন্টেন্ট লিখুন:

আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটি

কন্টেন্টের উপর জোর দিতে হবে তা

সপ্তাহে এক্টাই হোক না কেন। আপনি

প্রতিদিন লিখলেন কিন্তু একটা ও

কোয়ালিটি কন্টেন্ট নয়, কোন লাভ

নাই।

৩) আপনার ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনে

সাবমিট করুন: আপনাকে প্রতিটি ব্লগ

অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে

হবে, অন্যথায় কোন লাভ নাই। আপনার

কন্টেন্ট সার্চ করে পেতে হলে অবশ্যই

সেগুলো সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট

করতে হবে।

৪) আপনার ব্লগকে সোশ্যাল

মিডিয়াতে প্রমোট করুন: আপনি যখনি

কোন ব্লগ লিখবেন অবশ্যই তা আপনার

সোশ্যাল মিডিয়াতে (ফেসবুক, টুইটার

ইত্যাদি) প্রচার করবেন। এটা আপনার

ব্লগের ভিজিটর কে সাংঘাতিক

ভাবে বাড়াতে সাহাজ্য করবে। আর,

সার্চ ইঞ্জিন গুলো ও এখন খুব মুল্য দেয়

এটাকে।

৫) কোয়ালিটি ব্যাক-লিঙ্ক তৈরি

করুন: আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটি

ব্যাক-লিঙ্ক তৈরি করতে হবে। ফালতু

ব্যাক্-লিঙ্ক তৈরি করে কোন লাভ

নাই। আপনাকে অবশ্যই ভাল পেজ

র্যাঙ্কের ব্লগে আপনার ব্লগের লিঙ্ক

তৈরি করতে হবে। ভাল ব্লগে একটা

ব্যাক-লিঙ্ক ফালতু ব্লগে ১০০০ টা

ব্যাক-লিঙ্কের চেয়ে ভাল।

৬) ভিডিও মার্কেটিং: ভিডিও

মার্কেটিং আপনাকে বেশ হেল্প

করবে আপনার সাইটের ভিজিটর

বাড়াতে। এ ক্ষেত্রে আপনি

ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন।

ইউটিউবে আপনার কোন ভিডিও প্রকাশ

করে সেখানে আপনার ব্লগের লিঙ্ক

দিয়ে দিতে পারেন। ৭) ইয়াহু Answer এ

সক্রিয় থাকুন : ইয়াহু Answer খুবই উপকারি

আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর

ক্ষেত্রে। এখানে আপনি আপনার

সাইটের লিঙ্ক দিলে আপনার ব্যাক-

লিঙ্কের তেমন কোন ভেল্যু নাই, কিন্তু

আপনি ভিজিটর ভাল পাবেন। তবে,

আপনাকে ইংলিশ জানতে হবে।

৮) ফোরামে সক্রিয় থাকুন: সর্বদা

বিভিন্ন ফোরামে সক্রিয় থাকুন, এটা

আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়াতে

খুবই হেল্প করবে। কিন্তু স্প্যামিং

করবেন না, অর্থাৎ প্রথম দিন থেকেই

ফোরামে আপনার সাইটের লিঙ্ক

দিবেন না।

৯) সঠিক কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন: অবশ্যই

আপনাকে সঠিক কি-ওয়ার্ড ব্যবহার

করতে হবে। সঠিক কি- ওয়ার্ড নির্বাচন

Liketipser24.tk

খুবই গুরত্ত পূর্ণ ব্যাপার। এটা আপনার

সাইটের অরাগানিক ভিজিটর

বাড়াতে হেল্প করবে।

১০) ডিরেক্টরি সাবমিশন: আপনার

সাইটকে অবশ্যই বিভিন্ন

ডিরেক্টরিতে সাবমিট করতে হবে।

এটা ভিজিটর বাড়ানোর এক অনন্য

উপায়। গুগলে সার্চ দিলে অনেক গুলো

ফ্রী সাইট পাবেন ডিরেক্টরি

সাবমিশনের জন্য।

আশা করি, উপরুক্ত গাইডলাইন্স

আপনাকে সাহায্য করবে আপনার

সাইটের ভিজিটর বাড়াতে]]>
<![CDATA[নতুনদের জন্য সহজ ফুল এস ই ও টেকনিক নিয়ে আসলাম । ভাল ফলদায়ক ।]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2328 Fri, 24 Feb 2017 04:50:39 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2328
প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন?

বেশী কথা না বলে শুরু করা যাক

১

WHAT IS SEO?

SEO হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন

কোম্পানীর ওয়েভ সাইট ও তার প্রোডাক্ট

প্রচার করা। প্রচারের ফলে গুগল সার্চ প্রথম

পেইজ এ চলে আসে এবং প্রচুর ভিজিটর

আনাগোনা হয়। যার ফলে কোম্পানীর

প্রোডাক্ট ব্রিক্রি বেড়ে যায় এবং প্রচুর

ইনকাম হয় (ভিডিও দেখে বিস্তারিত জানুন)

২

এজন্য জানতে হবে গুগল সার্চ কি এটা কিভাবে

কাজ করে ?

Search Engine?

গুগল সার্চ হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যেখানে

ভিজিটর তার প্রয়োজনীয় তথ্য খোজে পায়

keyword (আমরা গুগলে যা লিখে সার্চ দেই

তাইkeyword)

Search Engine Spider (কোন keyword

দিয়ে সার্চ দেওয়ার পর Search Engine

Spider এই keyword কোথায় কোথায়

আছে

তা খোজে বের করে আনাই এর কাজ, যাকে

বলা হয় Crawl আর Search Engine

যেখানে যেখানে কাজ করতে পারে তাকে বলে

Navigation)

Search Engine Algorithm এর কাজ

হচ্ছে কোন সাইট কে আগে দেখাবে আর কোন

সাইট কে পরে দেখাবে। আর এটা করার জন্য

Search Engine Algorithm যে বিষয়টা

দেখে তা হল প্রচুর ভিজিটর এবং ওয়েব সাইট

কনেটেন্ট এর উপর ভিত্তি করে কোন সাইট

কে আগে দেখাবে আর কোন সাইট কে পরে

দেখাবে।

(ভিডিও দেখে বিস্তারিত জানুন)

৩

Objectives of SEO?

কোন সাইট কে SEO করার উদ্দেশ্য হচ্ছে

SERPs উপরে আনা সেই সাথে প্রচুর ভিজিটর

বাড়ানো

(ভিডিও দেখে বিস্তারিত জানুন)

৪

ON Page SEO & OFF Page SEO?

আমরা কোন সাইটকে SEO করতে চাইলে দু

রকম SEO করতে পারি

ON Page SEO : কোন সাইটের Content

Rich আনার জন্য আমরা ON Page SEO

করে থাকি। উদাহরন সরুপ কোন দোকানের

আর্কষনীয় ডেকোরেশন করা হয় যাতে

কাস্টমার আসে ঠীক একই রকম ভাবে কোন

সাইটে ভিতরগত আর্কষনীয় পরিবর্ত আনার

জন্য আমরা ON Page SEO করে থাকি যাতে

ভিজিটর আসে।

OFF Page SEO :কো্ন ওয়েভ সাইট বাইরে

প্রচার করার জন্য আমরা OFF Page SEO

করে থাকি।উদাহরন সরুপ কোন দোকানের

নাম ও প্রোডাক্ট প্রচারের জন্য আমরা

টিউনার বা বিল বোর্ড দিয়ে থাকি, ঠীক একই

রকম ভাবে কোন সাইট কে প্রচার করার জন্য

আমরা ভিভিন্ন সাইটে প্রচার করে থাকি আর

এই প্রচারই হচ্ছে OFF Page SEO। এটা দু

ভাবে প্রচার হয় টাকার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে

আরেকটা টাকা ছারা প্রচার করে। টাকা ছারা

প্রচার করাই হচ্ছেOFF Page SEO এর কাজ।

৫

Technical trams of SEO

1. Link/url/ domain name

2. Do Follow Link / No Follow Link

3. Internal Link / External Link

4. Inbound Link / Outbound Link

5. Link building/ back lick crate

6. Page Rank

7. Angkor Text Link

8. white hat Seo/ black hat seo

9. keywords

মুলত ওয়েব সাইটে Link building/ back

link crate করাই আমাদের OFF Page SEO

এর কাজ।

সেক্ষেত্রে শুধৃ খেয়াল রাখতে হবে কিওয়াড যেন

ওয়েবপেইজ এ বেশী বেশী থাকে। কেননা

ওয়েভসাইট কন্টেন এ যত বেশী কিওয়াড থাকবে

তত সার্চ রেজাল্ট এ আগে দেখাবে

৬

Basic Step of link building/ back

link crate

website & product> costumer

identify> Article writing with Link >

Url collect> posting with ankor text

link > collect url with buyer > send

weekly report in mail

Note: Angkor Text Link দেওয়ার অপশন

না থাকে তাহলে নিচের কোড টি তে আপনার

লিংক টি বসিয়ে দিন

কোন সাইটে সাইটম্যাপ করার জন্য এ সাইটে

যান, লিংক দিন,

সাইটমাপ টি ডাওনলোড করুন পরে সাবমিট

করতে হবে

http://www.xml-sitemaps.com/

সাইটম্যাপ সাবমিট করার জন্য নিচের গুগল

লিংক এ যান আবার

http://www.google.com/webmaster/

tools

গুগলে সাইট ইনডেক্স করানোর জন্য নিচের

লিংক কে ক্লিক করুন

http://google.com/addurl]]>

প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন?

বেশী কথা না বলে শুরু করা যাক

১

WHAT IS SEO?

SEO হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন

কোম্পানীর ওয়েভ সাইট ও তার প্রোডাক্ট

প্রচার করা। প্রচারের ফলে গুগল সার্চ প্রথম

পেইজ এ চলে আসে এবং প্রচুর ভিজিটর

আনাগোনা হয়। যার ফলে কোম্পানীর

প্রোডাক্ট ব্রিক্রি বেড়ে যায় এবং প্রচুর

ইনকাম হয় (ভিডিও দেখে বিস্তারিত জানুন)

২

এজন্য জানতে হবে গুগল সার্চ কি এটা কিভাবে

কাজ করে ?

Search Engine?

গুগল সার্চ হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যেখানে

ভিজিটর তার প্রয়োজনীয় তথ্য খোজে পায়

keyword (আমরা গুগলে যা লিখে সার্চ দেই

তাইkeyword)

Search Engine Spider (কোন keyword

দিয়ে সার্চ দেওয়ার পর Search Engine

Spider এই keyword কোথায় কোথায়

আছে

তা খোজে বের করে আনাই এর কাজ, যাকে

বলা হয় Crawl আর Search Engine

যেখানে যেখানে কাজ করতে পারে তাকে বলে

Navigation)

Search Engine Algorithm এর কাজ

হচ্ছে কোন সাইট কে আগে দেখাবে আর কোন

সাইট কে পরে দেখাবে। আর এটা করার জন্য

Search Engine Algorithm যে বিষয়টা

দেখে তা হল প্রচুর ভিজিটর এবং ওয়েব সাইট

কনেটেন্ট এর উপর ভিত্তি করে কোন সাইট

কে আগে দেখাবে আর কোন সাইট কে পরে

দেখাবে।

(ভিডিও দেখে বিস্তারিত জানুন)

৩

Objectives of SEO?

কোন সাইট কে SEO করার উদ্দেশ্য হচ্ছে

SERPs উপরে আনা সেই সাথে প্রচুর ভিজিটর

বাড়ানো

(ভিডিও দেখে বিস্তারিত জানুন)

৪

ON Page SEO & OFF Page SEO?

আমরা কোন সাইটকে SEO করতে চাইলে দু

রকম SEO করতে পারি

ON Page SEO : কোন সাইটের Content

Rich আনার জন্য আমরা ON Page SEO

করে থাকি। উদাহরন সরুপ কোন দোকানের

আর্কষনীয় ডেকোরেশন করা হয় যাতে

কাস্টমার আসে ঠীক একই রকম ভাবে কোন

সাইটে ভিতরগত আর্কষনীয় পরিবর্ত আনার

জন্য আমরা ON Page SEO করে থাকি যাতে

ভিজিটর আসে।

OFF Page SEO :কো্ন ওয়েভ সাইট বাইরে

প্রচার করার জন্য আমরা OFF Page SEO

করে থাকি।উদাহরন সরুপ কোন দোকানের

নাম ও প্রোডাক্ট প্রচারের জন্য আমরা

টিউনার বা বিল বোর্ড দিয়ে থাকি, ঠীক একই

রকম ভাবে কোন সাইট কে প্রচার করার জন্য

আমরা ভিভিন্ন সাইটে প্রচার করে থাকি আর

এই প্রচারই হচ্ছে OFF Page SEO। এটা দু

ভাবে প্রচার হয় টাকার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে

আরেকটা টাকা ছারা প্রচার করে। টাকা ছারা

প্রচার করাই হচ্ছেOFF Page SEO এর কাজ।

৫

Technical trams of SEO

1. Link/url/ domain name

2. Do Follow Link / No Follow Link

3. Internal Link / External Link

4. Inbound Link / Outbound Link

5. Link building/ back lick crate

6. Page Rank

7. Angkor Text Link

8. white hat Seo/ black hat seo

9. keywords

মুলত ওয়েব সাইটে Link building/ back

link crate করাই আমাদের OFF Page SEO

এর কাজ।

সেক্ষেত্রে শুধৃ খেয়াল রাখতে হবে কিওয়াড যেন

ওয়েবপেইজ এ বেশী বেশী থাকে। কেননা

ওয়েভসাইট কন্টেন এ যত বেশী কিওয়াড থাকবে

তত সার্চ রেজাল্ট এ আগে দেখাবে

৬

Basic Step of link building/ back

link crate

website & product> costumer

identify> Article writing with Link >

Url collect> posting with ankor text

link > collect url with buyer > send

weekly report in mail

Note: Angkor Text Link দেওয়ার অপশন

না থাকে তাহলে নিচের কোড টি তে আপনার

লিংক টি বসিয়ে দিন

কোন সাইটে সাইটম্যাপ করার জন্য এ সাইটে

যান, লিংক দিন,

সাইটমাপ টি ডাওনলোড করুন পরে সাবমিট

করতে হবে

http://www.xml-sitemaps.com/

সাইটম্যাপ সাবমিট করার জন্য নিচের গুগল

লিংক এ যান আবার

http://www.google.com/webmaster/

tools

গুগলে সাইট ইনডেক্স করানোর জন্য নিচের

লিংক কে ক্লিক করুন

http://google.com/addurl]]>
<![CDATA[Google SEO এর প্রথম এবং আসল ধাপটি সফল করে প্রতিদিন নিন হাজার হাজার ভিজ]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2327 Fri, 24 Feb 2017 04:49:04 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2327
সাইট গুগল এ Index করতে পারে না তাই

আজ টিউটোয়িয়াল দিচ্ছি ।

প্রথম Google.com/webmasters এ গিয়ে

আপনার সাইট এড করুন । এখন তারা

আপনাকে একটা কোড দিবে ওটা কপি করে

wapka তে লগইন করে Head tag এ বসান

এবং Verify করুন ।

এখন আপনার Wapka তে Head tag অপশন

এ গেলে নিচের দিকে দেখবেন Sitemap.xml

লেখা আছে ওখানে ক্লিক করুন ।

এখন এই ফাকা বক্সে আপনার যতো Site id

এবং Forum id আছে সেগুলা বসান ।

উদাহরনঃ

1, 4, 8, 10, f1125465, f118645

এভাবে সব বসানোর পরে set এ ক্লিক করুন

। তাহলে আপনার Sitemap টা হলো ।

এখন Robots.txt তে ক্লিক করুন ।

এবং নিচের কোড টা কপি করে বসান ।
Code:
User-agent: Mediapartners-

Google

User-agent: Googlebot

User-agent: Alexabot

User-agent: googlebot-image

User-agent: googlebot-mobile

User-agent: MSNBot

User-agent: Slurp

User-agent: Teoma

User-agent: twiceler

User-agent: Gigabot

User-agent: Scrubby

User-agent: Robozilla

User-agent: Nutch

User-agent: ia_archiver

User-agent: baiduspider

User-agent: naverbot

User-agent: yeti

User-agent: yahoo-mmcrawler

User-agent: psbot

User-agent: asterias

User-agent: yahoo-blogs/v3.9

User-agent: *

Disallow:

Sitemap: http://sitename.com/

sitemap.xml

Sitemap: http://

www.sitename.com/sitemap.xml

Sitemap: http://

sitename.wapka.mobi/

sitemap.xml


নোটঃ এখানে Sitename এর যায়গায় আপনার

সাইট এর নাম লিখুন ।

এখন set এ ক্লিক করুন ।

ব্যাস 50% কাজ শেষ ।

এখন আপনার Google webmastes এ গিয়ে

Sitemap.xml এবং Robots.txt টা সাবমিট

করে দিন ।

আশা করি আপনার Google search ভিজিটর

বাড়বে ।]]>

সাইট গুগল এ Index করতে পারে না তাই

আজ টিউটোয়িয়াল দিচ্ছি ।

প্রথম Google.com/webmasters এ গিয়ে

আপনার সাইট এড করুন । এখন তারা

আপনাকে একটা কোড দিবে ওটা কপি করে

wapka তে লগইন করে Head tag এ বসান

এবং Verify করুন ।

এখন আপনার Wapka তে Head tag অপশন

এ গেলে নিচের দিকে দেখবেন Sitemap.xml

লেখা আছে ওখানে ক্লিক করুন ।

এখন এই ফাকা বক্সে আপনার যতো Site id

এবং Forum id আছে সেগুলা বসান ।

উদাহরনঃ

1, 4, 8, 10, f1125465, f118645

এভাবে সব বসানোর পরে set এ ক্লিক করুন

। তাহলে আপনার Sitemap টা হলো ।

এখন Robots.txt তে ক্লিক করুন ।

এবং নিচের কোড টা কপি করে বসান ।
Code:
User-agent: Mediapartners-

Google

User-agent: Googlebot

User-agent: Alexabot

User-agent: googlebot-image

User-agent: googlebot-mobile

User-agent: MSNBot

User-agent: Slurp

User-agent: Teoma

User-agent: twiceler

User-agent: Gigabot

User-agent: Scrubby

User-agent: Robozilla

User-agent: Nutch

User-agent: ia_archiver

User-agent: baiduspider

User-agent: naverbot

User-agent: yeti

User-agent: yahoo-mmcrawler

User-agent: psbot

User-agent: asterias

User-agent: yahoo-blogs/v3.9

User-agent: *

Disallow:

Sitemap: http://sitename.com/

sitemap.xml

Sitemap: http://

www.sitename.com/sitemap.xml

Sitemap: http://

sitename.wapka.mobi/

sitemap.xml


নোটঃ এখানে Sitename এর যায়গায় আপনার

সাইট এর নাম লিখুন ।

এখন set এ ক্লিক করুন ।

ব্যাস 50% কাজ শেষ ।

এখন আপনার Google webmastes এ গিয়ে

Sitemap.xml এবং Robots.txt টা সাবমিট

করে দিন ।

আশা করি আপনার Google search ভিজিটর

বাড়বে ।]]>
<![CDATA[কোনরকম ব্যাকলিংক ছাড়াই গুগলে সার্চে ১ নাম্বারে কিভাবে?]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2325 Fri, 24 Feb 2017 04:37:18 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2325
যে ব্যাপার কি,কিভাবে সম্ভব? মাথা ঠিক আছে তো?

জি জনাব আছে, সমস্যা নেই এটা আসলে ই সম্ভব,

এবার প্রশ্ন কিভাবে? উত্তর আসুন দেখি কিভাবে

সম্ভব।

আলোচনার শুরুতে আপনাদের কাছে প্রশ্ন আচ্ছা

প্রকৃতি নিয়মে উৎপন্ন হওয়া জিনিস টা ভাল না যেটা

কৃত্রিম ভাবে তৈরী হয়েছে সেটা??? আপনাদের

উত্তর আমার মনে হয় প্রথমটা। তাহলে আপনাদের

কাছে আমার আবার প্রশ্ন তাহলে আপনি কোনটা

বেছে নেবেন নিশ্চয়ই প্রথম টা, তাহলে আপনি

এসইও এর ক্ষেত্রে কেন দ্বিতীয়টা নিবেন।

আপনি চায়লে কোন ধরণের ব্যাংঙ্ক লিংঙ্ক না করে

ই গুগলে প্রথম পেজে আসতে সক্ষম।

কয়েকটা ধাপে আপনি আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের

সাইটের জন্য একটা করতে পারবেন। আর আমি

একজন ওয়েব সাইট ডিজাইনার ও এসইও এক্সপার্ট

হিসাবে এটা সব সময় করে থাকি যখন আমার হাতে

কোন ওয়েব সাইট ডিজাইনের প্রোজেক্ট

আসে, আসুন তাহলে শুরু করি আজকের

আলোচনা…………..

উন্নত মানের আর্টিকেল লেখাঃ – গুগলের ভিডিও

অপটিমাইজ করাঃ – আপনি যখন আপনার সাইটকে আর ও

ভাল মানের করতে চান বা আপনি আপনার সাইটকে

গুগল সার্চে আর ও আগে নিয়ে আসতে চায়

তাহলে আপনাকে অব্যশই আপনার সাইটে ভিডিও

যোগ করতে হবে। তবে এর জন্য আপনাকে

অব্যশই ভিডিও টি ভাল মানের করতে হবে। আমরা

অনেক সময় যখন গুগলে কোন তথ্য সার্চ দিলে

হয়ত বা ৬ কিংবা ৭ নাম্বার সার্চে আমাদের কে একটা

ভিডি ও দেওয়া হয়।

তাহলে আমরা যদি আমাদের সাইটে কোন ভিডিও দিই

তাহলে সেটা গুগল সার্চে কেন ১ম পেজে

আসবে না? আর আমরা যদি কোন ভিডিও আমাদের

সাইটে যোগ করি তাহলে সেটা আমাদের সাইটে

XML সাইট ম্যাপ হিসাবে কাজ করে।

গুগল অথরশিপঃ– এটা একটা ওয়েব সাইটের জন্য বড়

প্লাস পয়েন্ট কারন গুগল অব্যশই চাইবে যে প্রতিটা

সাইট ই যেন বা তাদের প্রধানরা যেন তাদের সাথে

যুক্ত থাকে, আর তার জন্য ই এই গুগল অথরশিপ। আমরা

যখন গুগল সার্চ করি তখন দেখি যে অনেক

সাইটের নিচে তাদের মালিক দের ছবি চলে

আসছে। তার কারণ ঐ সমস্ত ওয়েব সাইটের মালিকরা

গুগল প্লাসে তাদের একটা এ্যাকাউন্ট আছে। তবে

এই ক্ষেত্রে আপনাকে অব্যশই খেয়াল রাখতে

হবে যে, আপনি যখন এই ছবি ব্যবহার করবেন তখন

আপনাকে অব্যশই আপনার ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার

করতে হবে কোন ধরণের লোগো বা কার্টুন

ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

ওয়েব সাইট স্পিডঃ– এবার একটু ঠান্ডা মাথাতে ভাবুন

যে আপনি একটা বাইক চালাচ্ছেন তার গতি ঘন্টায় ৬০

কি.মি আর একজন চালাচ্ছে ঘন্টা মাত্র ৪০ কি.মি।

তাহলে আগে পৌছাবে কে? নিশ্চয়ই আপনি।

এখানে ও ঠিক তাই আপনার ওয়েব সাইটের লোড

হবার ক্ষমতা যদি অন্য সাইটের চেয়ে কম হয়

তাহলে নিশ্চয়ই আপনার সাইট অন্য সাইট থেকে

পিছিয়ে পড়বে। তাই আপনার উচিত হবে আপনার সাইট

লোড হবার সময় কমিয়ে রাখা আর এর জন্য আপনি

FTP সারভার ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে আপনি

আপনার সাইটের স্পিড বাড়াতে কমাতে পারবেন।

স্মার্টফোন এসইওঃ– বর্তমান সময়ে আমরা দেশসহ

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন স্মার্ট ফোনের

সংখ্যা বেড়ে চলেছে। তার তাই আমাদের

প্রয়োজন হয় রিসপনসিভ ওয়েব সাইট , যেখানে

একজন ভিজিটার তার ফোন দিনে ওয়েব সাইটে

প্রবেশ করে আর তার তখন যদি সে অনুভব করে

যে তার ফোন এই সাইটটা ভাল ভাবে দেখা যাচ্ছে

না তাহলে সে এই সাইটে ভিজিট করার আগ্রহ হারিয়ে

ফেলবে।

আর তাই আমাদের ওয়েব সাইট যখন তৈরী করতে

হবে তখন অব্যশই খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট

টা যেন স্মার্ট ফোন রিসপনসিভ হয়। দুঃখজনক হলেন

সত্য যে অ্যাপেলের মতন একটা ওয়েব সাইট

স্মার্টফোন রিসপনসিভ না।

আর্ন্তজাতিক ভাষাঃ – অনেক সময় দেখা যায় একটা

তথ্য আমার দরকার কিন্তু আমি যদি দেখি সেই তথ্য

অন্য ভাষাতে আছে কিন্তু আমার প্রয়োজন

বেশী।

আপনার সাইট কে আপনি প্রতিটা ভাষার জন্য উমুক্ত

করে দিলেন তাহলে আপনার সাইট আগে সার্চে

আগে আসার সম্ভবনা আছে।

গুগল প্লাসঃ– বর্তমান সময়ে গুগল বেশী প্রাধান্য

দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া আমি আমার নিজের

চোখে দেখেছি যে গুগল প্লাসে যাদের

এ্যাকাউন্ট আছে তাদের সাইট সার্চ রেজাল্টে

আগে আচ্ছে।

স্পিনিং অপটিমাইজেশনঃ– আপনাকে অব্যশই এই

বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে যে, আপনার

ওয়েব সাইটের মেটা ট্যাগের দিকে আপনাকে

এমন কিছু মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে যেখানে

আপনি আপনার সাইটকে গুগলে না চাইলে আগে

নিয়ে আসতে পারবেন। তবে এই ক্ষেত্রে

আপনাকে অব্যশই বড় মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে

হতে।

তবে সেটা লিমিট যেন ৬০-৮০ শব্দের ভিতরে হয়।

নতুন নতুন আর্টিকেল আপডেট করাঃ – আপনাকে

প্রতিনিয়ত

আপনার সাইটে নতুন নতুন আর্টিকেল আপডেট

করতে হবে, অন্তত কিছু না হউক সপ্তাহে একটা

করে আর্টিকেল দিতে হবে তাহলে গুগল

রোবট আপনার ওয়েব সাইটে বারবার আসবে তথ্য

সংগ্রহ করার জন্য আর সেটা আপনাকে সার্চ

রেজাল্টে আগে নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।

চলমান ধারা বজায় রাখাঃ – আপনাকে অনপেজ এসইও

করার ক্ষেত্রে অব্যশই চলমান ধারা বজায় রাখতে

হবে, কারণ এটা প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকে।

আপনি আপনার সাইটে ছবি দিলেন তার জন্য আপনাকে

অনপেজের কাজ করতে হবে আপনি নতুন

কনটেন্ট দিলেন তার জন্য আপনাকে নতুন

আপডেট দিতে হবে গুগলে। এক কথায় আপনাকে

সব সময় আপনার সাইটে চলমান কিছু কাজ রাখতে

হবে ই।

আশা করি এই পদ্ধিত গুলো আপনি যদি মেনে

চলেন তাহলে আপনার মনে যে সমস্ত প্রশ্ন ছিল

যে ব্যাংঙ্ক লিংঙ্ক ছাড়া কিভাবে একটা সাইট গুগল সার্চে

প্রথম পেজে আসে তা হয়ত বা দূর হয়ে

গেছে। ভাল লাগলে লেখটা শেয়ার করুন সবার

সাথে। কারণ আনন্দ শেয়ার করলে কমে না বরং

বাড়ে।]]>

যে ব্যাপার কি,কিভাবে সম্ভব? মাথা ঠিক আছে তো?

জি জনাব আছে, সমস্যা নেই এটা আসলে ই সম্ভব,

এবার প্রশ্ন কিভাবে? উত্তর আসুন দেখি কিভাবে

সম্ভব।

আলোচনার শুরুতে আপনাদের কাছে প্রশ্ন আচ্ছা

প্রকৃতি নিয়মে উৎপন্ন হওয়া জিনিস টা ভাল না যেটা

কৃত্রিম ভাবে তৈরী হয়েছে সেটা??? আপনাদের

উত্তর আমার মনে হয় প্রথমটা। তাহলে আপনাদের

কাছে আমার আবার প্রশ্ন তাহলে আপনি কোনটা

বেছে নেবেন নিশ্চয়ই প্রথম টা, তাহলে আপনি

এসইও এর ক্ষেত্রে কেন দ্বিতীয়টা নিবেন।

আপনি চায়লে কোন ধরণের ব্যাংঙ্ক লিংঙ্ক না করে

ই গুগলে প্রথম পেজে আসতে সক্ষম।

কয়েকটা ধাপে আপনি আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের

সাইটের জন্য একটা করতে পারবেন। আর আমি

একজন ওয়েব সাইট ডিজাইনার ও এসইও এক্সপার্ট

হিসাবে এটা সব সময় করে থাকি যখন আমার হাতে

কোন ওয়েব সাইট ডিজাইনের প্রোজেক্ট

আসে, আসুন তাহলে শুরু করি আজকের

আলোচনা…………..

উন্নত মানের আর্টিকেল লেখাঃ – গুগলের ভিডিও

অপটিমাইজ করাঃ – আপনি যখন আপনার সাইটকে আর ও

ভাল মানের করতে চান বা আপনি আপনার সাইটকে

গুগল সার্চে আর ও আগে নিয়ে আসতে চায়

তাহলে আপনাকে অব্যশই আপনার সাইটে ভিডিও

যোগ করতে হবে। তবে এর জন্য আপনাকে

অব্যশই ভিডিও টি ভাল মানের করতে হবে। আমরা

অনেক সময় যখন গুগলে কোন তথ্য সার্চ দিলে

হয়ত বা ৬ কিংবা ৭ নাম্বার সার্চে আমাদের কে একটা

ভিডি ও দেওয়া হয়।

তাহলে আমরা যদি আমাদের সাইটে কোন ভিডিও দিই

তাহলে সেটা গুগল সার্চে কেন ১ম পেজে

আসবে না? আর আমরা যদি কোন ভিডিও আমাদের

সাইটে যোগ করি তাহলে সেটা আমাদের সাইটে

XML সাইট ম্যাপ হিসাবে কাজ করে।

গুগল অথরশিপঃ– এটা একটা ওয়েব সাইটের জন্য বড়

প্লাস পয়েন্ট কারন গুগল অব্যশই চাইবে যে প্রতিটা

সাইট ই যেন বা তাদের প্রধানরা যেন তাদের সাথে

যুক্ত থাকে, আর তার জন্য ই এই গুগল অথরশিপ। আমরা

যখন গুগল সার্চ করি তখন দেখি যে অনেক

সাইটের নিচে তাদের মালিক দের ছবি চলে

আসছে। তার কারণ ঐ সমস্ত ওয়েব সাইটের মালিকরা

গুগল প্লাসে তাদের একটা এ্যাকাউন্ট আছে। তবে

এই ক্ষেত্রে আপনাকে অব্যশই খেয়াল রাখতে

হবে যে, আপনি যখন এই ছবি ব্যবহার করবেন তখন

আপনাকে অব্যশই আপনার ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার

করতে হবে কোন ধরণের লোগো বা কার্টুন

ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

ওয়েব সাইট স্পিডঃ– এবার একটু ঠান্ডা মাথাতে ভাবুন

যে আপনি একটা বাইক চালাচ্ছেন তার গতি ঘন্টায় ৬০

কি.মি আর একজন চালাচ্ছে ঘন্টা মাত্র ৪০ কি.মি।

তাহলে আগে পৌছাবে কে? নিশ্চয়ই আপনি।

এখানে ও ঠিক তাই আপনার ওয়েব সাইটের লোড

হবার ক্ষমতা যদি অন্য সাইটের চেয়ে কম হয়

তাহলে নিশ্চয়ই আপনার সাইট অন্য সাইট থেকে

পিছিয়ে পড়বে। তাই আপনার উচিত হবে আপনার সাইট

লোড হবার সময় কমিয়ে রাখা আর এর জন্য আপনি

FTP সারভার ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে আপনি

আপনার সাইটের স্পিড বাড়াতে কমাতে পারবেন।

স্মার্টফোন এসইওঃ– বর্তমান সময়ে আমরা দেশসহ

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন স্মার্ট ফোনের

সংখ্যা বেড়ে চলেছে। তার তাই আমাদের

প্রয়োজন হয় রিসপনসিভ ওয়েব সাইট , যেখানে

একজন ভিজিটার তার ফোন দিনে ওয়েব সাইটে

প্রবেশ করে আর তার তখন যদি সে অনুভব করে

যে তার ফোন এই সাইটটা ভাল ভাবে দেখা যাচ্ছে

না তাহলে সে এই সাইটে ভিজিট করার আগ্রহ হারিয়ে

ফেলবে।

আর তাই আমাদের ওয়েব সাইট যখন তৈরী করতে

হবে তখন অব্যশই খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট

টা যেন স্মার্ট ফোন রিসপনসিভ হয়। দুঃখজনক হলেন

সত্য যে অ্যাপেলের মতন একটা ওয়েব সাইট

স্মার্টফোন রিসপনসিভ না।

আর্ন্তজাতিক ভাষাঃ – অনেক সময় দেখা যায় একটা

তথ্য আমার দরকার কিন্তু আমি যদি দেখি সেই তথ্য

অন্য ভাষাতে আছে কিন্তু আমার প্রয়োজন

বেশী।

আপনার সাইট কে আপনি প্রতিটা ভাষার জন্য উমুক্ত

করে দিলেন তাহলে আপনার সাইট আগে সার্চে

আগে আসার সম্ভবনা আছে।

গুগল প্লাসঃ– বর্তমান সময়ে গুগল বেশী প্রাধান্য

দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া আমি আমার নিজের

চোখে দেখেছি যে গুগল প্লাসে যাদের

এ্যাকাউন্ট আছে তাদের সাইট সার্চ রেজাল্টে

আগে আচ্ছে।

স্পিনিং অপটিমাইজেশনঃ– আপনাকে অব্যশই এই

বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে যে, আপনার

ওয়েব সাইটের মেটা ট্যাগের দিকে আপনাকে

এমন কিছু মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে যেখানে

আপনি আপনার সাইটকে গুগলে না চাইলে আগে

নিয়ে আসতে পারবেন। তবে এই ক্ষেত্রে

আপনাকে অব্যশই বড় মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে

হতে।

তবে সেটা লিমিট যেন ৬০-৮০ শব্দের ভিতরে হয়।

নতুন নতুন আর্টিকেল আপডেট করাঃ – আপনাকে

প্রতিনিয়ত

আপনার সাইটে নতুন নতুন আর্টিকেল আপডেট

করতে হবে, অন্তত কিছু না হউক সপ্তাহে একটা

করে আর্টিকেল দিতে হবে তাহলে গুগল

রোবট আপনার ওয়েব সাইটে বারবার আসবে তথ্য

সংগ্রহ করার জন্য আর সেটা আপনাকে সার্চ

রেজাল্টে আগে নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।

চলমান ধারা বজায় রাখাঃ – আপনাকে অনপেজ এসইও

করার ক্ষেত্রে অব্যশই চলমান ধারা বজায় রাখতে

হবে, কারণ এটা প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকে।

আপনি আপনার সাইটে ছবি দিলেন তার জন্য আপনাকে

অনপেজের কাজ করতে হবে আপনি নতুন

কনটেন্ট দিলেন তার জন্য আপনাকে নতুন

আপডেট দিতে হবে গুগলে। এক কথায় আপনাকে

সব সময় আপনার সাইটে চলমান কিছু কাজ রাখতে

হবে ই।

আশা করি এই পদ্ধিত গুলো আপনি যদি মেনে

চলেন তাহলে আপনার মনে যে সমস্ত প্রশ্ন ছিল

যে ব্যাংঙ্ক লিংঙ্ক ছাড়া কিভাবে একটা সাইট গুগল সার্চে

প্রথম পেজে আসে তা হয়ত বা দূর হয়ে

গেছে। ভাল লাগলে লেখটা শেয়ার করুন সবার

সাথে। কারণ আনন্দ শেয়ার করলে কমে না বরং

বাড়ে।]]>
<![CDATA[সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজশন ১oটা কৌশল যা ২০১7 তে আপনার জানা জরুরী]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2324 Fri, 24 Feb 2017 04:36:49 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2324
আপডেট হচ্ছে তাই মার্কেটারদের এর সাথে

চলতে হলে অবশ্যই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী লিঙ্ক সার্চ করে ব্যবহার কারীর

ক্লিকের ৭০% আসে SEO থেকে! আবার,

inbound leads (SEO) এর খরচ outbound leads

(বিজ্ঞাপন) থেকে ৬১% কম।

এখন আপনি বুঝতে পারছেন SEO হলো সাফল্যের

চাবি, এখানে ১১ টি SEO কৌশল দেয়া হলো যা

আপনাকে ২০১৫ তে অবশ্যই জানতে হবে।

১। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে যা লিঙ্ক

অর্জন করবেঃ সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমের সাথে সব

কিছু পরিবর্তনের পরও সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সব

চেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে ইনবাউন্ড SEO

লিঙ্কে। অপরদিকে লিঙ্ক অর্জনের অন্য

পদ্ধতিগুলো পরিবর্তিত হয়েছে। কোন উঁচু

মানের প্রাসঙ্গিক ওয়েব সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়া

শুধু আপনার SEO এর সাহায্যে সম্ভব হবেনা। এর

সাথে দরকার হবে রেফারেল ট্রাফিক, যা আরো

বেশি বিক্রি ও ব্র্যান্ড এর পরিচিতি বাড়াবে।

অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি যা মানুষ শেয়ার করতে

চাইবে তা এখনও লিঙ্ক আয়ের প্রধান উপায় আছে।

২। Co-Citation লিঙ্কঃ প্রতিবার সার্চ ইঞ্জিন আপনার

ওয়েবসাইট কে আপনার প্রতদ্ধন্ধির পরেই পায়।

এটা তাদের বলে যে আপয়ান্র কোম্পানি একই

কুলঙ্গি বা বিষয়ের উপর। Co-Citation লিঙ্ক পেতে

হলে “best” অথবা “top 10” দিয়ে আপনার সাইটের

বিষয়ের উপর সার্চ করুন।

যেমনঃ টপ টেন ব্লু উইজেড আপনি যদি এই সার্চ

করেন আর রিজাল্টে আপনার ব্যবসা না পান তাহলে

পাবলিশারের সাথে যোগাযোগ করুন, এবং লিস্টে

আপনার কোনপানি কে যোগ করার জন্য বলুন,

কেন এবং কোথায় আপনার কোম্পানি এখানে

যোগ হবে তার জন্য তৈরি হোন। কোন লিঙ্কের

সাথে যেতে হলে তাদেরকে সারমর্ম দিন।

৩। এডিটোরিয়াল লিঙ্কঃ এডিটোরিয়াল লিঙ্ক গুলো

আপনার SEO এর জন্য অনেক শক্তিশালি হয়ে আসে

কারণ এগুলো অন্য পাবলিকেশন থেকে আপনার

কোম্পানি উল্লেখ করে আপনার সাইটের

বিষয়ের ভিত্তিতে আসে। তারা আবার লীডারশিপ

গেস্ট টিউন থেকেও আসতে পারে, যা আপনি

লিখে কোন তৃতীয় পক্ষের সাইটে পাবলিশ

করেন।

এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি

হলো এমন সব উন্নতমানের কন্টেন্ট তৈরি করা যা

অন্যরা তাদের পাঠকের সাথে শেয়ার করবে। অন্য

উপায় হলো উচুমানের আকারে গেস্ট টিউন করা

আপনার সাইটের বিষয়ের উপর।

অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে প্রস্তুত হোন যা

কঠিণভাবে পাবলিশের পূর্বে ভোট পরীক্ষিত

হবে।

ইন্টারভিউ হলো এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার

আরেকটি পদ্ধতি।

৪। ব্রোকেন লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতিঃ এখানে আরেকটি

হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডীং পদ্ধতি যা অনেক

কার্যকরি হয়। এখানে আপনি আসলে পাবলিশারকে

সাহায্য করছেন ব্রোকেন লিঙ্ক তৈরি করাতে, যা

তাদের পাঠকের জন্য সাহায্যকারী হবে। এখানে

তখনই কাজ হবে যখন আপনার কন্টেন্ট হারিয়ে যাওয়া

কন্টেন্ট থেকেও অনেক শক্তিশালি হবে।

এই কাজের জন্য কোন সাইটের এমন ব্রোকেন

লিঙ্ক খুজে বের করতে হবে যা আপনার সাইটের

বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর আপনি

ব্রোকেন লিঙ্ক নিয়ে ওয়েবমাস্টারের সাথে

যোগাযোগ করে সুপারিশ করবেন যে আপনার

সাইট বিকল্প এই ব্রোকেন লিঙ্ক এর। আরো

জানতে মজ ব্লগ থেকে broken link-building

Bible পড়ুন।

৫। Link Reclamation এটি আপনাকে ব্রোকেন

লিঙ্ক খুজে বের করে ফ্রেশ লিঙ্ক পেতে

সাহায্য করবে এবং পাবলিশারকে দিয়ে এগুলো সমাধান

করাবে।

উদাহরণঃ আপনার সাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা ব্র্যান্ড

খুজে বের করুন, এবং পাবলিশারকে লিঙ্ক যোগ

করতে বলুন।

এমন জায়গা খুজে বের করুন যেখানে আপনার

কন্টেন্ট এট্রিবিউশন ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে, এবং

সেই ব্যক্তির নিকট লিঙ্ক রিকুয়েস্ট করুন।

একে স্বয়ংক্রিয় করতে আপনি Google Alert চালু

করতে পারেন, যখনই আপনার কোম্পানি নাম

উল্লেখ করবে তা ইমেইল করে জানানোর

জন্য। এর পর আপনি চেক করে দেখতে পারেন

তারা আপনার সাইটের সাথে লিঙ্ক দিয়েছে কি না।

৬। লিঙ্ক আউটরিচঃ এটি অনেকটা “old school” এর মত

কিন্তু এখনো অনেক শক্তিশালি। এটি করতে এমন

ওয়েবসাইট বের করুন যা আপনার ওয়েবসাইটের

সাথে প্রাসঙ্গিক, এবং তাদের সাইট থেকে তাদের

যোগাযোগ এর তথ্য সংগ্রহ করুন।

তাদেরকে কল করুন বা ইমেইল করে ভদ্রভাবে

লিঙ্ক এর জন্য বলুন। এটা ভালো কাজ করে যদি

তাদের ব্যবসা আপনার ব্যবসা থেকে কিছুটা আলাদা হয়

কিন্তু একই পাঠক শেয়ার করা যায়।

৭। প্রতিদ্বন্ধি বিশ্লেষণ করাঃ এটা নতুন কিছু নয়।

কোম্পানিরা তাদের প্রতিদ্বন্ধির ওয়েবসাইট অনেক

বছর থেকে গবেষণা করে আসছে। অধিকন্তু

প্রতিদ্বন্ধির সাইটের ব্যাকলিঙ্ক এবং ম্যানুয়ালি রিভিউ করা

যেসব লিঙ্ক রাখা অনেক মূল্যবান। এরপর আপনি

লিঙ্ক আউটরিচ করতে পারেন একই সাইট থেকে

লিঙ্ক পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

৮। কী-ওয়ার্ড রেঙ্কিং এর পরিবর্তে ROI এ

মনযোগ দেয়া যদিও আমরা সবাই সার্চ রিজাল্ট রেঙ্কিং

এ কী- ওয়ার্ড এর ফল উপভোগ করি এর দ্বারা এটা

প্রমাণ হয়না যে আপনার SEO সফল হয়ে গেছে।

অনেক কী- ওয়ার্ডের জন্য এটা সম্ভব কোন

ROI না থাকা সত্ত্বেও নাম্বার এক এ যাওয়া। আপনাকে

সেই মেট্রিক্স এ মনযোগ দিতে হবে যা

কনভার্সেষন আনে।

৯। একটি SEO কৌশল তৈরি করুন যা শ্রোতাকে ম্যাপ

করবেঃ গত কয়েক বছর ধরে আমরা গুগল এনালিটিক

ও অন্যান্য টুল থেকে অধিকাংশ কীওয়ার্ড হারিয়ে

ফেলেছি। এর জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে SEO

এর পুরণো সিস্টেম থেকে বেরিয়ে এসে

শ্রোতাকে আকর্ষিত করার নতুন পদ্ধতি বের করা।

এর জন্য আমাদের অবশ্যই নতুন কী- ওয়ার্ডে

মনযোগী হতে হবে। নতুন পদ্ধতিতে

মার্কেটারদের প্রতিবেশি করা, এবং বের করা

কোথায় SEO দিয়ে আমাদের মার্কেটিং সফল

হচ্ছে এবং কীভাবে একে আরো ভালো করে

তোলা যায়।

বাজে কন্টেন্টে কী-ওয়ার্ডের গাদাগাদি করে

একে রেঙ্কে রাখার দিন অনেক আগেই

ফুরিয়েছে। এখন আপনার কন্টেন্ট এর জন্য

জরুরী এর টার্গেট করা ব্যক্তিরা, কীওয়ার্ড হতে

হবে কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক। এজন্যই বলা

হয় কন্টেন্ট ও SEO একে অন্যের সাথে বাঁধা।

১০। Yahoo, Bing ও অন্যান্যের জন্য অপটিমাইজ করা

Yahoo, Bing, এবং DuckDuckGo এর মত সার্চ ইঞ্জিনরা

কম কম করে গুগলের অনেক বড় টুকরো ২০১৬

তে নিয়ে নিতে পারে। Yahoo হলো

ফায়ারফক্সের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন, Safari গুগলের

সাথে ডিল করে যা মনে করা হচ্ছে ২০১৬ তে

শেষ হয়ে যাবে। এবং ইয়াহু ও বিং চাচ্ছে এখানে

ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ার জন্য।

যেহেতু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পরিবর্তে

ডিফল্ট হয়ে যাচ্ছে তাই সেইসব সার্চ ইঞ্জিনের

জন্যও অপটিমাইজ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

উপসংহারঃ SEO কৌশল তৈরি আপনার কোম্পনি ও

ব্র্যান্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে উন্নতি দিতে পারে,

কেন আপনার ROI আজই উন্নত করছেন না?]]>

আপডেট হচ্ছে তাই মার্কেটারদের এর সাথে

চলতে হলে অবশ্যই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী লিঙ্ক সার্চ করে ব্যবহার কারীর

ক্লিকের ৭০% আসে SEO থেকে! আবার,

inbound leads (SEO) এর খরচ outbound leads

(বিজ্ঞাপন) থেকে ৬১% কম।

এখন আপনি বুঝতে পারছেন SEO হলো সাফল্যের

চাবি, এখানে ১১ টি SEO কৌশল দেয়া হলো যা

আপনাকে ২০১৫ তে অবশ্যই জানতে হবে।

১। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে যা লিঙ্ক

অর্জন করবেঃ সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমের সাথে সব

কিছু পরিবর্তনের পরও সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সব

চেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে ইনবাউন্ড SEO

লিঙ্কে। অপরদিকে লিঙ্ক অর্জনের অন্য

পদ্ধতিগুলো পরিবর্তিত হয়েছে। কোন উঁচু

মানের প্রাসঙ্গিক ওয়েব সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়া

শুধু আপনার SEO এর সাহায্যে সম্ভব হবেনা। এর

সাথে দরকার হবে রেফারেল ট্রাফিক, যা আরো

বেশি বিক্রি ও ব্র্যান্ড এর পরিচিতি বাড়াবে।

অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি যা মানুষ শেয়ার করতে

চাইবে তা এখনও লিঙ্ক আয়ের প্রধান উপায় আছে।

২। Co-Citation লিঙ্কঃ প্রতিবার সার্চ ইঞ্জিন আপনার

ওয়েবসাইট কে আপনার প্রতদ্ধন্ধির পরেই পায়।

এটা তাদের বলে যে আপয়ান্র কোম্পানি একই

কুলঙ্গি বা বিষয়ের উপর। Co-Citation লিঙ্ক পেতে

হলে “best” অথবা “top 10” দিয়ে আপনার সাইটের

বিষয়ের উপর সার্চ করুন।

যেমনঃ টপ টেন ব্লু উইজেড আপনি যদি এই সার্চ

করেন আর রিজাল্টে আপনার ব্যবসা না পান তাহলে

পাবলিশারের সাথে যোগাযোগ করুন, এবং লিস্টে

আপনার কোনপানি কে যোগ করার জন্য বলুন,

কেন এবং কোথায় আপনার কোম্পানি এখানে

যোগ হবে তার জন্য তৈরি হোন। কোন লিঙ্কের

সাথে যেতে হলে তাদেরকে সারমর্ম দিন।

৩। এডিটোরিয়াল লিঙ্কঃ এডিটোরিয়াল লিঙ্ক গুলো

আপনার SEO এর জন্য অনেক শক্তিশালি হয়ে আসে

কারণ এগুলো অন্য পাবলিকেশন থেকে আপনার

কোম্পানি উল্লেখ করে আপনার সাইটের

বিষয়ের ভিত্তিতে আসে। তারা আবার লীডারশিপ

গেস্ট টিউন থেকেও আসতে পারে, যা আপনি

লিখে কোন তৃতীয় পক্ষের সাইটে পাবলিশ

করেন।

এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি

হলো এমন সব উন্নতমানের কন্টেন্ট তৈরি করা যা

অন্যরা তাদের পাঠকের সাথে শেয়ার করবে। অন্য

উপায় হলো উচুমানের আকারে গেস্ট টিউন করা

আপনার সাইটের বিষয়ের উপর।

অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে প্রস্তুত হোন যা

কঠিণভাবে পাবলিশের পূর্বে ভোট পরীক্ষিত

হবে।

ইন্টারভিউ হলো এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার

আরেকটি পদ্ধতি।

৪। ব্রোকেন লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতিঃ এখানে আরেকটি

হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডীং পদ্ধতি যা অনেক

কার্যকরি হয়। এখানে আপনি আসলে পাবলিশারকে

সাহায্য করছেন ব্রোকেন লিঙ্ক তৈরি করাতে, যা

তাদের পাঠকের জন্য সাহায্যকারী হবে। এখানে

তখনই কাজ হবে যখন আপনার কন্টেন্ট হারিয়ে যাওয়া

কন্টেন্ট থেকেও অনেক শক্তিশালি হবে।

এই কাজের জন্য কোন সাইটের এমন ব্রোকেন

লিঙ্ক খুজে বের করতে হবে যা আপনার সাইটের

বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর আপনি

ব্রোকেন লিঙ্ক নিয়ে ওয়েবমাস্টারের সাথে

যোগাযোগ করে সুপারিশ করবেন যে আপনার

সাইট বিকল্প এই ব্রোকেন লিঙ্ক এর। আরো

জানতে মজ ব্লগ থেকে broken link-building

Bible পড়ুন।

৫। Link Reclamation এটি আপনাকে ব্রোকেন

লিঙ্ক খুজে বের করে ফ্রেশ লিঙ্ক পেতে

সাহায্য করবে এবং পাবলিশারকে দিয়ে এগুলো সমাধান

করাবে।

উদাহরণঃ আপনার সাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা ব্র্যান্ড

খুজে বের করুন, এবং পাবলিশারকে লিঙ্ক যোগ

করতে বলুন।

এমন জায়গা খুজে বের করুন যেখানে আপনার

কন্টেন্ট এট্রিবিউশন ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে, এবং

সেই ব্যক্তির নিকট লিঙ্ক রিকুয়েস্ট করুন।

একে স্বয়ংক্রিয় করতে আপনি Google Alert চালু

করতে পারেন, যখনই আপনার কোম্পানি নাম

উল্লেখ করবে তা ইমেইল করে জানানোর

জন্য। এর পর আপনি চেক করে দেখতে পারেন

তারা আপনার সাইটের সাথে লিঙ্ক দিয়েছে কি না।

৬। লিঙ্ক আউটরিচঃ এটি অনেকটা “old school” এর মত

কিন্তু এখনো অনেক শক্তিশালি। এটি করতে এমন

ওয়েবসাইট বের করুন যা আপনার ওয়েবসাইটের

সাথে প্রাসঙ্গিক, এবং তাদের সাইট থেকে তাদের

যোগাযোগ এর তথ্য সংগ্রহ করুন।

তাদেরকে কল করুন বা ইমেইল করে ভদ্রভাবে

লিঙ্ক এর জন্য বলুন। এটা ভালো কাজ করে যদি

তাদের ব্যবসা আপনার ব্যবসা থেকে কিছুটা আলাদা হয়

কিন্তু একই পাঠক শেয়ার করা যায়।

৭। প্রতিদ্বন্ধি বিশ্লেষণ করাঃ এটা নতুন কিছু নয়।

কোম্পানিরা তাদের প্রতিদ্বন্ধির ওয়েবসাইট অনেক

বছর থেকে গবেষণা করে আসছে। অধিকন্তু

প্রতিদ্বন্ধির সাইটের ব্যাকলিঙ্ক এবং ম্যানুয়ালি রিভিউ করা

যেসব লিঙ্ক রাখা অনেক মূল্যবান। এরপর আপনি

লিঙ্ক আউটরিচ করতে পারেন একই সাইট থেকে

লিঙ্ক পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

৮। কী-ওয়ার্ড রেঙ্কিং এর পরিবর্তে ROI এ

মনযোগ দেয়া যদিও আমরা সবাই সার্চ রিজাল্ট রেঙ্কিং

এ কী- ওয়ার্ড এর ফল উপভোগ করি এর দ্বারা এটা

প্রমাণ হয়না যে আপনার SEO সফল হয়ে গেছে।

অনেক কী- ওয়ার্ডের জন্য এটা সম্ভব কোন

ROI না থাকা সত্ত্বেও নাম্বার এক এ যাওয়া। আপনাকে

সেই মেট্রিক্স এ মনযোগ দিতে হবে যা

কনভার্সেষন আনে।

৯। একটি SEO কৌশল তৈরি করুন যা শ্রোতাকে ম্যাপ

করবেঃ গত কয়েক বছর ধরে আমরা গুগল এনালিটিক

ও অন্যান্য টুল থেকে অধিকাংশ কীওয়ার্ড হারিয়ে

ফেলেছি। এর জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে SEO

এর পুরণো সিস্টেম থেকে বেরিয়ে এসে

শ্রোতাকে আকর্ষিত করার নতুন পদ্ধতি বের করা।

এর জন্য আমাদের অবশ্যই নতুন কী- ওয়ার্ডে

মনযোগী হতে হবে। নতুন পদ্ধতিতে

মার্কেটারদের প্রতিবেশি করা, এবং বের করা

কোথায় SEO দিয়ে আমাদের মার্কেটিং সফল

হচ্ছে এবং কীভাবে একে আরো ভালো করে

তোলা যায়।

বাজে কন্টেন্টে কী-ওয়ার্ডের গাদাগাদি করে

একে রেঙ্কে রাখার দিন অনেক আগেই

ফুরিয়েছে। এখন আপনার কন্টেন্ট এর জন্য

জরুরী এর টার্গেট করা ব্যক্তিরা, কীওয়ার্ড হতে

হবে কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক। এজন্যই বলা

হয় কন্টেন্ট ও SEO একে অন্যের সাথে বাঁধা।

১০। Yahoo, Bing ও অন্যান্যের জন্য অপটিমাইজ করা

Yahoo, Bing, এবং DuckDuckGo এর মত সার্চ ইঞ্জিনরা

কম কম করে গুগলের অনেক বড় টুকরো ২০১৬

তে নিয়ে নিতে পারে। Yahoo হলো

ফায়ারফক্সের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন, Safari গুগলের

সাথে ডিল করে যা মনে করা হচ্ছে ২০১৬ তে

শেষ হয়ে যাবে। এবং ইয়াহু ও বিং চাচ্ছে এখানে

ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ার জন্য।

যেহেতু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পরিবর্তে

ডিফল্ট হয়ে যাচ্ছে তাই সেইসব সার্চ ইঞ্জিনের

জন্যও অপটিমাইজ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

উপসংহারঃ SEO কৌশল তৈরি আপনার কোম্পনি ও

ব্র্যান্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে উন্নতি দিতে পারে,

কেন আপনার ROI আজই উন্নত করছেন না?]]>
<![CDATA[ব্লগে বা সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সেরা ১০টি অফ-পেজ এস.ই.ও টিপস !]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2323 Fri, 24 Feb 2017 04:36:14 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2323
[Image: off-page-seo.jpg?zoom=1.5&resize=505%2C176]

১. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করুন



সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক পরিমান ট্রাফিক এবং ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রিয় কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি সাইটগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই অনেক রেফারেল ট্রাফিক পাওয়া যায়। আপনি শুধু মাত্র এই সাইটগুলাতে ভালোভাবে প্রোফাইল তৈরী করুন এবং আপনার প্রোফাইলকে ভালোভাবে সাজান। অন্যান্য ব্লগারদের সাথে যুক্ত হোন এবং তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তাদের মতামত জানার চেষ্টা করুন। প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ এর নতুন নতুন পোষ্ট এর লিঙ্কগুলো শেয়ার করুন।



২. ব্লগ কমেন্টিং

মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য ব্লগ কমেন্টিং একটি কার্যকর উপায়। আপনি খুব সহজেই ব্লগ কমেন্টিং এর মাধ্যমে অনেক মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক করতে পারবেন যা আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করতে অনেক সাহায্যে করবে। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ এর সিমিলার কিছু ব্লগ খুঁজে বের করুন যাদের পেজ র‍্যাঙ্ক, এলেক্সা রেঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি ভালো; তারপর নিয়মিত সেই ব্লগ গুলাতে কমেন্ট করুন। মনে রাখবেন, কমেন্ট করার সময় স্পাম করবেন না, সবসময় গঠনমূলক কমেন্ট করবেন, তাহলেই আপনার কমেন্ট এপ্রুভ হবে।



৩. ডিরেক্টরি সাবমিশন

আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য এবং মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ডিরেক্টরি সাবমিশন এখনো অনেক গুরুত্ব বহন করে। ডিরেক্টরি সাবমিট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে ডিরেক্টরি গুলার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক, পেজ র‍্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি যাতে ভালো হয় (ডোমেইন অথরিটি যাতে ২০ এর কম না হয়)। যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রতিটা ডিরেক্টরি এর জন্য ভিন্ন-ভিন্ন মেটা-ডিসক্রিপসন, মেটা কীওয়ার্ড আর ডিসক্রিপশন ব্যবহার করবেন। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনার লিঙ্ক এপ্রুভ হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে দ্রুত ভালো ভিজিটর পাবেন।



৪. সোশ্যাল বুকমার্কিং

ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং আরেকটি জনপ্রিয় উপায়। এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত আপনে কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সাথে সাথে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন। ভালোমানের কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট এর রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সম্ভব হলে আপনার ব্লগ এর প্রতিটা পোষ্ট শেয়ার করুন।



৫. ফোরাম পোষ্টিং

ফোরাম পোষ্টিং একটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। ফোরাম পোষ্ট এবং সিগনেচার থেকে খুব সহজেই ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া যায় যা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই বলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে গণ্য করা হয়, কিন্তু আপনি যদি গঠনমূলক পোষ্ট এবং ফোরামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন তাহলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে ধরা হয় না।



৬. আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন

আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন ও একটি পুরাতন টেকনিক, এটি যদি আপনি ঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে এখনো ভালো কাজে দেয়। আর্টিকেল সাবমিশন এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন।



৭. গেষ্ট পোষ্টিং

গেষ্ট পোষ্টিং নতুনদের জন্য কিছুটা কঠিন হলেও একটি অনেক কার্যকরী একটি উপায়। এই সাহায্যে অনেক ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে অনেক রেফারেল ভিজিটর পাওয়া যায়। গেষ্ট পোষ্টিং এর সময় অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনে যে ব্লগে গেষ্ট পোষ্ট করবেন সেই ব্লগ যাতে আপনার ব্লগ নিচে এর অনুরূপ হয়।



৮. আর.এস.এস. ফিড

ডিরেক্টরি সাবমিশন

আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি ভালোমানের ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য ভালো একটি উৎস। সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্যে ভালো পেজ র‍্যাঙ্ক এবং এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কিছু ফিড ডিরেক্টরি খুঁজে বের করুন তারপর সেই ডিরেক্টরিগুলোতে আপনার ব্লগ এর ফিড লিঙ্ক অথবা ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন। আপনার ব্লগে যখন নতুন পোষ্ট প্রকাশ করবেন তখন ফিড ডিরেক্টরি সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পোষ্ট তাদের ডিরেক্টরিতে প্রকাশ করবে।



৯. লিঙ্ক এক্সচেঞ

লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ আরেকটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো কার্যকরি যদি আপনি ঠিকমত করতে পারেন। কিছু থার্ড-পার্টি সাইট আছে যেগুলার সাহায্যে আপনি অন্যান্য ব্লগ/সাইট এর সাথে লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ এর সময় মনে রাখবেন, আপনে যেই সাইট/ব্লগ এর সাথে লিঙ্ক একচেঞ্জ করতেছেন সেটা যাতে আপনার ব্লগ এর সিমিলার হয়।



১০. ভিডিও মার্কেটিং

ভিডিও মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা দিয়ে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানো সম্ভব। আপনার ব্লগ রিলেটেড কিছু ভিডিও তৈরি করুন তারপর সেইগুলা ইউটিউভ, ভিমো বা অন্যান্য ভিডিও শেয়ারিং সাইট এ পাবলিশ করুন। এতে করে আপনে মান-সম্মত ব্যাকলিঙ্ক ও পাবেন সাথে সাথে রেফারেল ভিজিটর ও পাবেন।]]>

[Image: off-page-seo.jpg?zoom=1.5&resize=505%2C176]

১. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করুন



সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক পরিমান ট্রাফিক এবং ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রিয় কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি সাইটগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই অনেক রেফারেল ট্রাফিক পাওয়া যায়। আপনি শুধু মাত্র এই সাইটগুলাতে ভালোভাবে প্রোফাইল তৈরী করুন এবং আপনার প্রোফাইলকে ভালোভাবে সাজান। অন্যান্য ব্লগারদের সাথে যুক্ত হোন এবং তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তাদের মতামত জানার চেষ্টা করুন। প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ এর নতুন নতুন পোষ্ট এর লিঙ্কগুলো শেয়ার করুন।



২. ব্লগ কমেন্টিং

মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য ব্লগ কমেন্টিং একটি কার্যকর উপায়। আপনি খুব সহজেই ব্লগ কমেন্টিং এর মাধ্যমে অনেক মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক করতে পারবেন যা আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করতে অনেক সাহায্যে করবে। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ এর সিমিলার কিছু ব্লগ খুঁজে বের করুন যাদের পেজ র‍্যাঙ্ক, এলেক্সা রেঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি ভালো; তারপর নিয়মিত সেই ব্লগ গুলাতে কমেন্ট করুন। মনে রাখবেন, কমেন্ট করার সময় স্পাম করবেন না, সবসময় গঠনমূলক কমেন্ট করবেন, তাহলেই আপনার কমেন্ট এপ্রুভ হবে।



৩. ডিরেক্টরি সাবমিশন

আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য এবং মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ডিরেক্টরি সাবমিশন এখনো অনেক গুরুত্ব বহন করে। ডিরেক্টরি সাবমিট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে ডিরেক্টরি গুলার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক, পেজ র‍্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি যাতে ভালো হয় (ডোমেইন অথরিটি যাতে ২০ এর কম না হয়)। যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রতিটা ডিরেক্টরি এর জন্য ভিন্ন-ভিন্ন মেটা-ডিসক্রিপসন, মেটা কীওয়ার্ড আর ডিসক্রিপশন ব্যবহার করবেন। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনার লিঙ্ক এপ্রুভ হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে দ্রুত ভালো ভিজিটর পাবেন।



৪. সোশ্যাল বুকমার্কিং

ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং আরেকটি জনপ্রিয় উপায়। এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত আপনে কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সাথে সাথে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন। ভালোমানের কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট এর রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সম্ভব হলে আপনার ব্লগ এর প্রতিটা পোষ্ট শেয়ার করুন।



৫. ফোরাম পোষ্টিং

ফোরাম পোষ্টিং একটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। ফোরাম পোষ্ট এবং সিগনেচার থেকে খুব সহজেই ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া যায় যা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই বলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে গণ্য করা হয়, কিন্তু আপনি যদি গঠনমূলক পোষ্ট এবং ফোরামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন তাহলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে ধরা হয় না।



৬. আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন

আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন ও একটি পুরাতন টেকনিক, এটি যদি আপনি ঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে এখনো ভালো কাজে দেয়। আর্টিকেল সাবমিশন এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন।



৭. গেষ্ট পোষ্টিং

গেষ্ট পোষ্টিং নতুনদের জন্য কিছুটা কঠিন হলেও একটি অনেক কার্যকরী একটি উপায়। এই সাহায্যে অনেক ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে অনেক রেফারেল ভিজিটর পাওয়া যায়। গেষ্ট পোষ্টিং এর সময় অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনে যে ব্লগে গেষ্ট পোষ্ট করবেন সেই ব্লগ যাতে আপনার ব্লগ নিচে এর অনুরূপ হয়।



৮. আর.এস.এস. ফিড

ডিরেক্টরি সাবমিশন

আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি ভালোমানের ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য ভালো একটি উৎস। সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্যে ভালো পেজ র‍্যাঙ্ক এবং এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কিছু ফিড ডিরেক্টরি খুঁজে বের করুন তারপর সেই ডিরেক্টরিগুলোতে আপনার ব্লগ এর ফিড লিঙ্ক অথবা ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন। আপনার ব্লগে যখন নতুন পোষ্ট প্রকাশ করবেন তখন ফিড ডিরেক্টরি সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পোষ্ট তাদের ডিরেক্টরিতে প্রকাশ করবে।



৯. লিঙ্ক এক্সচেঞ

লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ আরেকটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো কার্যকরি যদি আপনি ঠিকমত করতে পারেন। কিছু থার্ড-পার্টি সাইট আছে যেগুলার সাহায্যে আপনি অন্যান্য ব্লগ/সাইট এর সাথে লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ এর সময় মনে রাখবেন, আপনে যেই সাইট/ব্লগ এর সাথে লিঙ্ক একচেঞ্জ করতেছেন সেটা যাতে আপনার ব্লগ এর সিমিলার হয়।



১০. ভিডিও মার্কেটিং

ভিডিও মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা দিয়ে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানো সম্ভব। আপনার ব্লগ রিলেটেড কিছু ভিডিও তৈরি করুন তারপর সেইগুলা ইউটিউভ, ভিমো বা অন্যান্য ভিডিও শেয়ারিং সাইট এ পাবলিশ করুন। এতে করে আপনে মান-সম্মত ব্যাকলিঙ্ক ও পাবেন সাথে সাথে রেফারেল ভিজিটর ও পাবেন।]]>
<![CDATA[Ultimate SEO Tutorial শুধু মাত্র ইউটিউবারদের জন্য]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2221 Wed, 22 Feb 2017 10:38:27 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2221
Main Keyword বিহীন ৫০ ওয়ার্ডের টাইটেল আর ৫০০ ওয়ার্ডের ডেস্ক্রিপশন কোনো কাজে আসে না। কিওয়ার্ড বসাতে হবে আপনার টাইটেলের শুরুর দিকে আর ডেস্ক্রিপশনের প্রথম ২-৩ লাইনের মধ্যেই। আর পূরো ডেস্ক্রিপশনে ৩-৪ বার মেইন কি ওয়ার্ড উল্লেখ করুন। (কপিরাইটারদের জন্য কোনো কাজে আসবে না) এবার পৃথিবীর বড় বড় যেকোনো দুইটা সাইটের লিঙ্ক দিন ডেস্ক্রিপশনে গুগল আপনাকে priority দিবে। যেমন Wikipedia, wikihow etc (গুগলে সার্চ করুন Youtube wikipedia, youtube wikihow) প্রথম যে সাইট দেখাবে ঐটাতে ঢুকে লিঙ্ক কপি করে দিন ঠিক এই ভাবে। ==================

http://sdlfjslfjsldfj.com

==================

যারা ব্লগার তারা ব্যাপার অবশ্যই জানেন যে কিভাবে অ্যাংকর টেক্সটের মধ্যে বড় বড় সাইটগুলির লিঙ্ক দিতে হয়। (শুধুমাত্র ব্লগারদের জন্য)

ট্যাগ গুলি কিওয়ার্ড রিসার্চ করে দিতে হবে। (এই নিয়ে বেশ কয়েকটা পোস্ট আগে করেছিলাম অনেকেই বলেছে এগুলি অনেক দিছি লাভ হয় না… তারা বসে বসে আঙ্গুল চুষুন, কিওয়ার্ড দিয়ে লাভ না হলে ভিডিও দিয়ে লাভ নাই)

ব্লগ পোস্টিংঃ-

এবার ভিডিও এর লিঙ্ক নিয়ে বাংলা টেকনোলজী ব্লগ সাইট গুলিতে পাবলিশ করুন (সেক্ষেত্রে অবশ্যই টেকনোজী বিষয়ক হতে হবে এবং বাংলা ডেস্ক্রিপশন লিখতে হবে) ব্যাপারটা পরিশ্রমের হলেও Instant view পাবেন। দেখে চোখ কপালে উঠতে পারে।

সোস্যাল শেয়ারঃ-

ফেইসবুকে কিভাবে শেয়ার করবেন এইটা নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করে লাভ নাই। কারণ এইটা এখন সবাই পারেন। গুগল প্লাস নিয়ে বলি। প্রথমে জিমেইল দিয়ে গুগল প্লাসে প্রোফাইল তৈরী করুন এরপর কমিউনিটিতে জয়েন করুন লাখ লাখ মেম্বার আছে এমন। (অবশ্যই চ্যানেল রিলেটেড কমিউনিট হতে হবে নইলে আপনাকে ফেইসবুক গ্রুপের মত ব্যান করবে।) কিছু ডেস্ক্রিপশন দিয়ে তারপর লিঙ্ক শেয়ার করবেন। কমিউনিটিতে কিভাবে জয়েন করবেন বা কিভাবে পোস্ট করবেন অথবা কিভাবে জিমেইল দিয়ে গুগল প্লাসে যাবেন এই টিউটোরিয়াল টা ইউটিউবে থেকে দেখে নিয়েন। অ্যাডভান্স দিব না। আগে স্প্যামার বুঝে নিই তারপর। (আগামীতে পাবেন)।

ভিডিও সাবমিশনঃ-

আপনার ভিডিও গুলি ব্লগিং প্লাটফর্মের মত বিভিন্ন সাইটে লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। article submission লিখে গুগল সার্চ কইরেন হাজার হাজার পেয়ে যাবেন। এতে করে আপনার ভিডিও ইউটিউব সহ গুগলের প্রথম পেইজেই চলে আসবে।

সবচেয়ে বড় টিপ্সঃ-

আপনার কোনো কিওয়ার্ডের সার্চ যদি ১০০ হয় আর আপনি যদি ১০০০০০ এর আসায় বসে থাকেন তাহলে পান বিড়ির দোকান দিয়ে বসে থাকেন ইউটিউবের চেয়ে বেশি লাভ হবে। সার্চ ভ্যালু কম্পিটিশন চেকিং এর উপর হাজার হাজার ইউটিউব ভিডিও আছে পারলে দেখে নিয়েন। লাভবান হবেন]]>

Main Keyword বিহীন ৫০ ওয়ার্ডের টাইটেল আর ৫০০ ওয়ার্ডের ডেস্ক্রিপশন কোনো কাজে আসে না। কিওয়ার্ড বসাতে হবে আপনার টাইটেলের শুরুর দিকে আর ডেস্ক্রিপশনের প্রথম ২-৩ লাইনের মধ্যেই। আর পূরো ডেস্ক্রিপশনে ৩-৪ বার মেইন কি ওয়ার্ড উল্লেখ করুন। (কপিরাইটারদের জন্য কোনো কাজে আসবে না) এবার পৃথিবীর বড় বড় যেকোনো দুইটা সাইটের লিঙ্ক দিন ডেস্ক্রিপশনে গুগল আপনাকে priority দিবে। যেমন Wikipedia, wikihow etc (গুগলে সার্চ করুন Youtube wikipedia, youtube wikihow) প্রথম যে সাইট দেখাবে ঐটাতে ঢুকে লিঙ্ক কপি করে দিন ঠিক এই ভাবে। ==================

http://sdlfjslfjsldfj.com

==================

যারা ব্লগার তারা ব্যাপার অবশ্যই জানেন যে কিভাবে অ্যাংকর টেক্সটের মধ্যে বড় বড় সাইটগুলির লিঙ্ক দিতে হয়। (শুধুমাত্র ব্লগারদের জন্য)

ট্যাগ গুলি কিওয়ার্ড রিসার্চ করে দিতে হবে। (এই নিয়ে বেশ কয়েকটা পোস্ট আগে করেছিলাম অনেকেই বলেছে এগুলি অনেক দিছি লাভ হয় না… তারা বসে বসে আঙ্গুল চুষুন, কিওয়ার্ড দিয়ে লাভ না হলে ভিডিও দিয়ে লাভ নাই)

ব্লগ পোস্টিংঃ-

এবার ভিডিও এর লিঙ্ক নিয়ে বাংলা টেকনোলজী ব্লগ সাইট গুলিতে পাবলিশ করুন (সেক্ষেত্রে অবশ্যই টেকনোজী বিষয়ক হতে হবে এবং বাংলা ডেস্ক্রিপশন লিখতে হবে) ব্যাপারটা পরিশ্রমের হলেও Instant view পাবেন। দেখে চোখ কপালে উঠতে পারে।

সোস্যাল শেয়ারঃ-

ফেইসবুকে কিভাবে শেয়ার করবেন এইটা নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করে লাভ নাই। কারণ এইটা এখন সবাই পারেন। গুগল প্লাস নিয়ে বলি। প্রথমে জিমেইল দিয়ে গুগল প্লাসে প্রোফাইল তৈরী করুন এরপর কমিউনিটিতে জয়েন করুন লাখ লাখ মেম্বার আছে এমন। (অবশ্যই চ্যানেল রিলেটেড কমিউনিট হতে হবে নইলে আপনাকে ফেইসবুক গ্রুপের মত ব্যান করবে।) কিছু ডেস্ক্রিপশন দিয়ে তারপর লিঙ্ক শেয়ার করবেন। কমিউনিটিতে কিভাবে জয়েন করবেন বা কিভাবে পোস্ট করবেন অথবা কিভাবে জিমেইল দিয়ে গুগল প্লাসে যাবেন এই টিউটোরিয়াল টা ইউটিউবে থেকে দেখে নিয়েন। অ্যাডভান্স দিব না। আগে স্প্যামার বুঝে নিই তারপর। (আগামীতে পাবেন)।

ভিডিও সাবমিশনঃ-

আপনার ভিডিও গুলি ব্লগিং প্লাটফর্মের মত বিভিন্ন সাইটে লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। article submission লিখে গুগল সার্চ কইরেন হাজার হাজার পেয়ে যাবেন। এতে করে আপনার ভিডিও ইউটিউব সহ গুগলের প্রথম পেইজেই চলে আসবে।

সবচেয়ে বড় টিপ্সঃ-

আপনার কোনো কিওয়ার্ডের সার্চ যদি ১০০ হয় আর আপনি যদি ১০০০০০ এর আসায় বসে থাকেন তাহলে পান বিড়ির দোকান দিয়ে বসে থাকেন ইউটিউবের চেয়ে বেশি লাভ হবে। সার্চ ভ্যালু কম্পিটিশন চেকিং এর উপর হাজার হাজার ইউটিউব ভিডিও আছে পারলে দেখে নিয়েন। লাভবান হবেন]]>
<![CDATA[ইউটিউব অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ লাগবে ? খুব সহজেই নিয়ে নিন]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1703 Sun, 19 Feb 2017 09:09:36 +0000 Maghanath Das]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1703 নিয়ে নিন
Basic info
১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার
সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে
নিন।
২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি
ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ-
Advance:
1. Click On Your Avatar>Creator
Studio>Channel>Advanced এ যান। আপনার Country
বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করুন।
2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল
ভেরিফাই করুন।
3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে
Enable করে নিন।
4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer
Videos Enable করে নিতে পারেন।
5. Channel>Monetization>How will be i get paid
এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার
সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট
তৈরি 5. Channel>Monetization>How will be i get
paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং
আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স
অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।
এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে
ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।]]>
নিয়ে নিন
Basic info
১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার
সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে
নিন।
২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি
ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ-
Advance:
1. Click On Your Avatar>Creator
Studio>Channel>Advanced এ যান। আপনার Country
বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করুন।
2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল
ভেরিফাই করুন।
3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে
Enable করে নিন।
4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer
Videos Enable করে নিতে পারেন।
5. Channel>Monetization>How will be i get paid
এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার
সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট
তৈরি 5. Channel>Monetization>How will be i get
paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং
আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স
অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।
এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে
ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।]]>
<![CDATA[ইউটিউব অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ লাগবে ? খুব সহজেই নিয়ে নিন]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1687 Sun, 19 Feb 2017 08:23:52 +0000 Maghanath Das]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1687 নিয়ে নিন:
Basic info
১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার
সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে
নিন।
২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি
ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ-
Advance:
1. Click On Your Avatar>Creator
Studio>Channel>Advanced এ যান। আপনার Country
বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করুন।
2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল
ভেরিফাই করুন।
3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে
Enable করে নিন।
4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer
Videos Enable করে নিতে পারেন।
5. Channel>Monetization>How will be i get paid
এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার
সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট
তৈরি 5. Channel>Monetization>How will be i get
paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং
আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স
অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।
এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে
ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।]]>
নিয়ে নিন:
Basic info
১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার
সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে
নিন।
২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি
ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ-
Advance:
1. Click On Your Avatar>Creator
Studio>Channel>Advanced এ যান। আপনার Country
বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করুন।
2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল
ভেরিফাই করুন।
3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে
Enable করে নিন।
4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer
Videos Enable করে নিতে পারেন।
5. Channel>Monetization>How will be i get paid
এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার
সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট
তৈরি 5. Channel>Monetization>How will be i get
paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং
আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স
অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।
এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে
ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।]]>
<![CDATA[কেন করবেন keyword research?]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1686 Sun, 19 Feb 2017 08:21:13 +0000 Maghanath Das]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1686 কারণ মানুষ kewword ব্যবহার করে তাদের
প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে
SE চায় সবসময় best result দেখাতে
আপনার জানা উচিৎ কোন ধরনের keyword বেশি
খোজা হচ্ছে
সবথেকে প্রধান কারণ হল, keyword research
tools আপনাকে সাহায্য করে এটা জানার জন্য যে,
ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না
keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools আছে।
তার মধ্যে wordtracker, keyword discovery, google
Adwords etc অন্যতম।
অধিকাংশ মানুষ google adwords ব্যবহার করে – এটা
অনেক দ্রুত ও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
Keyword Research এর নিয়ম:
আসলে এটার কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই, বাজারে অনেক paid
tool পাওয়া যায়, যা দিয়ে খুব সহজ ভাবে সঠিক keyword
select করা যায়। কিন্তু
আমরা যেহেতু ঐসব paid tools ব্যবহার করব না, তাই
আমাদের keyword researchএর basic procedure জানা
উচিৎ। Keyword
Research এর সময় ৭টা জিনিস বিবেচনা করা উচিৎ
Brainstorming (কোন বিষয়ে চিন্তা করা)
আমার Target Market কে এবং ঐ বিষয়ের উপর
কোন keyword নিয়ে চিন্তা করা এবং লক্ষ করা যে,
আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের ভিতরে, নাকি সারা
বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার
target market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের
Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে
এটা কিভাবে আমার desired keyword এর উপর
প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন: আপনার যদি একটি
Furniture এর দোকান থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে
তাহলে আপনার keyword হতে পারে “Khulna
Furniture” আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি
প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশের
প্রেক্ষাপটে চিন্তা করতে হবে।সঠিক keyword
selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে
পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer,
sales people, friendand relatives দের জিজ্ঞাসা
করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন
wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে
technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা
নাও মিলতে পারে। আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত
বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন।
আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit
করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন
ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর
আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।
keyword গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা
আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের
অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই
step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন
আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন,
ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন
ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক
সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন
যেভাবে সুবিধা হয়।
Research করাkeyword research করার জন্য
আপনি keyword research tools ব্যবহার করতে
পারেন।যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase
পছন্দ করুন ।অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট
থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword
research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ
করান।
Compile বা সংকলন করা এখন keyword research
tools থেকে Export spreadsheet করুন।যদি
প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-
categorize করতে পারেন
Remove বা অপসারণ করা spreadsheet খোলা
থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ
দিতে পারেন।
যেসব keyword এর search count low সেগুলো
বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন।
দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।
highly competitive
fairly competitive
non-competitive Determine Competitiveness
এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি
অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা
Phrase এর একটি আলাদা আলাদা
competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে
phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে
গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে
যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে
প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার
প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।Competitiveness
অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়:
number of searches
relevancy to your web site
(ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
competitiveness level সঠিক
keyword select করুন এই ধাপগুলো
শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই
আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে
পারবেন। keyword select করার সময়
নিচের বিষয়গুলোর
উপর লক্ষ্য রাখুন:]]>
কারণ মানুষ kewword ব্যবহার করে তাদের
প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে
SE চায় সবসময় best result দেখাতে
আপনার জানা উচিৎ কোন ধরনের keyword বেশি
খোজা হচ্ছে
সবথেকে প্রধান কারণ হল, keyword research
tools আপনাকে সাহায্য করে এটা জানার জন্য যে,
ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না
keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools আছে।
তার মধ্যে wordtracker, keyword discovery, google
Adwords etc অন্যতম।
অধিকাংশ মানুষ google adwords ব্যবহার করে – এটা
অনেক দ্রুত ও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
Keyword Research এর নিয়ম:
আসলে এটার কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই, বাজারে অনেক paid
tool পাওয়া যায়, যা দিয়ে খুব সহজ ভাবে সঠিক keyword
select করা যায়। কিন্তু
আমরা যেহেতু ঐসব paid tools ব্যবহার করব না, তাই
আমাদের keyword researchএর basic procedure জানা
উচিৎ। Keyword
Research এর সময় ৭টা জিনিস বিবেচনা করা উচিৎ
Brainstorming (কোন বিষয়ে চিন্তা করা)
আমার Target Market কে এবং ঐ বিষয়ের উপর
কোন keyword নিয়ে চিন্তা করা এবং লক্ষ করা যে,
আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের ভিতরে, নাকি সারা
বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার
target market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের
Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে
এটা কিভাবে আমার desired keyword এর উপর
প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন: আপনার যদি একটি
Furniture এর দোকান থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে
তাহলে আপনার keyword হতে পারে “Khulna
Furniture” আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি
প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশের
প্রেক্ষাপটে চিন্তা করতে হবে।সঠিক keyword
selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে
পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer,
sales people, friendand relatives দের জিজ্ঞাসা
করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন
wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে
technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা
নাও মিলতে পারে। আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত
বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন।
আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit
করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন
ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর
আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।
keyword গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা
আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের
অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই
step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন
আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন,
ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন
ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক
সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন
যেভাবে সুবিধা হয়।
Research করাkeyword research করার জন্য
আপনি keyword research tools ব্যবহার করতে
পারেন।যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase
পছন্দ করুন ।অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট
থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword
research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ
করান।
Compile বা সংকলন করা এখন keyword research
tools থেকে Export spreadsheet করুন।যদি
প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-
categorize করতে পারেন
Remove বা অপসারণ করা spreadsheet খোলা
থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ
দিতে পারেন।
যেসব keyword এর search count low সেগুলো
বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন।
দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।
highly competitive
fairly competitive
non-competitive Determine Competitiveness
এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি
অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা
Phrase এর একটি আলাদা আলাদা
competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে
phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে
গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে
যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে
প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার
প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।Competitiveness
অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়:
number of searches
relevancy to your web site
(ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
competitiveness level সঠিক
keyword select করুন এই ধাপগুলো
শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই
আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে
পারবেন। keyword select করার সময়
নিচের বিষয়গুলোর
উপর লক্ষ্য রাখুন:]]>
<![CDATA[ইউটিউব অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ লাগবে ? খুব সহজেই নিয়ে নিন]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=166 Tue, 10 Jan 2017 02:43:56 +0000 Hasan]]> http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=166 ১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে নিন।
২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ-
Advance:
1. Click On Your Avatar>Creator Studio>Channel>Advanced এ যান। আপনার Country বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করুন।
2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল ভেরিফাই করুন।
3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে Enable করে নিন।
4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer Videos Enable করে নিতে পারেন।
5. Channel>Monetization>How will be i get paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি 5. Channel>Monetization>How will be i get paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।

এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।]]>
১. প্রথমেই আপনার একটি Gmail Account লাগবে। আপনার সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করে নিন।
২. ইউটিউব.কম গেলে আপনার জিমেইল এর নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি হয়ে যাবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ-
Advance:
1. Click On Your Avatar>Creator Studio>Channel>Advanced এ যান। আপনার Country বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করুন।
2. Channel>Status and Features এ আপনার চ্যানেল ভেরিফাই করুন।
3. Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে Enable করে নিন।
4. ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer Videos Enable করে নিতে পারেন।
5. Channel>Monetization>How will be i get paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি 5. Channel>Monetization>How will be i get paid এ ক্লিক করুন। স্টেপসগুলো অবলম্বন করুন এবং আপনার সঠিক বেক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।

এখন আপনার নিজের ভিডিও বানান এবং তা মনেটাইজ করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।]]>