<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - ইসলামিক]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Fri, 23 Oct 2026 12:47:34 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[অনেক আঁধার পেরিয়ে লেখক : মুহাম্মাদ জাভেদ কায়সার (রহ)]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3350</link>
			<pubDate>Sat, 18 Jan 2020 12:23:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1026">mirahasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3350</guid>
			<description><![CDATA[মুহাম্মাদ জাভেদ কায়সার ভাইকে বই লেখার কথা বলেছিলাম গত বছর। সম্ভবত বছরের এ সময়টাতেই। কিন্তু সরাসরি না করে দিলেন। মানুষের প্রশংসা ও মনযোগের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া থেকে দূরে থাকতে চেয়েছিলেন। আল্লাহর ইচ্ছায় আজ তাঁর অবর্তমানে তাঁর লেখাগুলো সংকলন ও সম্পাদনা করতে হল।<br />
.<br />
জাভেদ ভাই লিখেছেন প্রচুর। নানা বিষয়ে, নানা উপলক্ষে। এতো লেখার মধ্য থেকে কেবল একটা বইয়ের জন্য লেখা বাছাই করার কাজটা সহজ ছিল না। তবে আমার মনে হয়েছে তাঁর সব লেখালেখির মধ্যে অন্তর্নিহিত মূল সুরটা ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে বদলানোর। পাশাপাশি তাঁর লেখায় ফুটে উঠতো চারপাশের মানুষের ব্যাপারে দায়িত্ববোধ, তাদের ভুলগুলো সংশোধন করার, সৎ কাজে উৎসাহ, মন্দ কাজে বাধা দেয়ার সহজাত ইচ্ছে। অনেক আঁধার পেরিয়ে যে সত্যের খোঁজ তিনি পেয়েছিলেন, তার আলো অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আন্তরিক আকাংক্ষা তাঁর মধ্যে কাজ করতো। এ অর্থে বলা যায় যে তাঁর সব লেখার মূল সূর ছিল পরিবর্তনের - নিজের চিন্তা, জীবন ও পারিপার্শ্বিকতাকে প্রতিনিয়ত আরো বেশি করে ইসলামের ছাঁচে সাজানোর।<br />
<br />
Onek Adhar Periye PDF Download <br />
<br />
<br />
.<br />
পরিবর্তনের এ স্রোতের শক্ত উপস্থিতি ছিল মুহাম্মাদ জাভেদ কায়সারের জীবনেও। যারা তাঁকে চিনতেন; বাস্তব জীবনে কিংবা লেখালেখির মাধ্যমে, তারা জানেন যে তাঁর জীবনে বড় ধরনের একটা পরিবর্তন এসেছিল, এবং এ পরিবর্তনের কারণ ছিল ইসলাম। কিংবা বলা যায়, ধর্ম ও ধর্মপালনের ব্যাপারে সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি ও লোকজ চিন্তা থেকে বের হয়ে এসে মূল উৎস থেকে যখন তিনি ইসলামকে জানতে শুরু করলেন, যখন চেষ্টা করলেন সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজন্মের মুসলিমদের উদাহরণ অনুযায়ী ইসলাম মানার - তখন তাঁর চিন্তা-চেতনা, জীবন ও জীবনদর্শন আমূল বদলে গেলো। তাঁর জীবনের মতোই এ পরিবর্তন প্রতিফলিত হল তাঁর লেখায়ও। জাভেদ কায়সারের লেখাগুলো একইসাথে তাঁর পরিবর্তনের অংশ এবং ফসল।<br />
.<br />
<br />
Bangla Islamic Books Free PDF Download<br />
<br />
<br />
নিজেকে ভেঙ্গে আবার গড়ার এ অভিজ্ঞতা জাভেদ কায়সারের একার না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময় থেকে যুগেযুগে এধরনের পরিবর্তন হয়ে এসেছে। আজো আমাদের মাঝে এমন অনেক পরিবর্তনের গল্প আছে, এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে জাভেদ কায়সারের পরিবর্তনের গল্পটার কিছু বিশেষত্ব আছে, যে কারণে তাঁর লেখা নিয়ে এই আয়োজন। পরিবর্তনের আগে ও পরে তিনি সমান তালে লিখে গেছেন। যার ফলে অন্ধকার থেকে আলোতে ফেরার এ যাত্রার অনানুষ্ঠানিক এক ধরনের দিনলিপি তাঁর লেখায় পাওয়া যায়। খুব কাছ থেকে পরিবর্তনের এ পথচলা দেখার একটি সুযোগ পাওয়া যায় তাঁর লেখা থেকে।<br />
.<br />
Bangla Islamic Boi<br />
<br />
আরেকটি বিশেষত্ব হল তাঁর গল্পটা আমাদের সময়ের, আমাদেরই গল্প। আমাদের সামনে আজ সবদিক থেকে ক্রমাগত তুলে ধরা হয় জীবন ও সফলতার গৎবাঁধা এক সংজ্ঞা। এখানে মানব অস্তিত্বের সাফল্য মাপা হয় ডিগ্রি, চাকরি, স্যালারি, গাড়ি, বাড়ি, স্ট্যাটাস, ক্যারিয়ার, সামাজিকতা, প্রথা-প্রচলন, টাকা আর তাক লাগানোর এক যান্ত্রিক সমীকরণে। এ সংজ্ঞা, এ সমীকরণ প্রত্যাখ্যান করলে কপালে জোটে উন্মাদ, উগ্র কিংবা অবুঝ হবার অপবাদ। কিন্তু বহুল চর্চিত, চেনা, চকচকে এবং অন্তসারশুণ্য এ সংস্করণের বাইরেও যে সাফল্যের অন্য এক ব্যাখ্যা আছে, বেঁচে থাকার ভিন্ন পথ আছে তা আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায়। কিংবা কখনো চোখের সামনে চলে আসলেও তড়িঘড়ি করে আবার আমরা সেটাকে আড়ালে পাঠিয়ে দেই। আড়ালে থাকা কিংবা আড়াল করে রাখা সেই জীবনের কিছু ছবি, কিছু টুকরো টুকরো বর্ণনা পাঠক পাবেন পরিবর্তিত জাভেদ কায়সারের লেখাগুলোতে।<br />
<br />
<br />
Onek Adhar Periye  By Javed Kaisar (Rahimahullah)<br />
.<br />
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হল, এ গল্পের শেষটুকু আমাদের জানা। অসমাপ্ত কোন পথের অভিযাত্রীকে আমরা অনুসরণীয় হিসেবে উপস্থাপন করছি না। বরং আঁধার পেরিয়ে আসার স্বপ্ন দেখা মানুষদের অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে তাদেরই সময়ের, তাদেরই মত একজন মানুষের রূপান্তরের গল্পগুলো তুলে ধরছি। আল্লাহ চাইলে জাভেদ কায়সারের লেখাগুলো আরো অনেকের পরিবর্তনের উপলক্ষ হবে।<br />
.<br />
সম্পাদনার সময় লেখাগুলোকে অপরিবর্তিত রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করে হয়েছে। বইয়ের উপযোগী করে তোলার জন্য একই বিষয়ের বিভিন্ন ছোট ছোট লেখাকে আনা হয়েছে এক শিরোনামের অধীনে। বইয়ের সম্পাদনা এবং বিন্যাসের পুরো প্রক্রিয়ায় আমরা চেষ্টা করেছি লেখাগুলোকে এমনভাবে সাজাতে যাতে করে পরিবর্তনের পথে লেখকের যাত্রায় পাঠক নিজেকে আবিষ্কার করতে পারেন লেখকের সহযাত্রী হিসেবে। এবং অনুভব করতে পারেন এ পথের সুখদুঃখ, চড়াই-উৎড়াইয়ের অভিজ্ঞতাগুলো।<br />
.<br />
এ বইয়ের পেছনে অনেক ভাইবোনের সময়, শ্রম ও আবেগ জড়িয়ে আছে। আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়ের পরিবারকে যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছেন। আল্লাহ ‘আয্যা ওয়া জাল তাঁদের অন্তরগুলোকে প্রশান্ত করুন, উত্তম প্রতিদান দিন।<br />
.<br />
ইন শা আল্লাহ্ জাভেদ ভাই উত্তম অবস্থায় পৃথিবী ছেড়ে তাঁর মালিকের কাছে গেছেন। আল্লাহ্ আমাদের ভাইকে জান্নাত দান করুন, তাঁর ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ্ আর-রাহমানুর রাহীম তাঁর কবরকে জান্নাতের টুকরো বানিয়ে দিন। আমরা আমাদের রবের ব্যাপারে সুধারণাই রাখি, আমরা আমাদের রবের কাছ থেকে সর্বোত্তমটাই আশা করি। আল্লাহ ভাইয়ের কাজগুলো তাঁর জন্য আমলে যারিয়াহ হিসেবে কবুল করুন। তাঁর কবরকে জান্নাতের টুকরো বানিয়ে দিন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মুহাম্মাদ জাভেদ কায়সার ভাইকে বই লেখার কথা বলেছিলাম গত বছর। সম্ভবত বছরের এ সময়টাতেই। কিন্তু সরাসরি না করে দিলেন। মানুষের প্রশংসা ও মনযোগের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া থেকে দূরে থাকতে চেয়েছিলেন। আল্লাহর ইচ্ছায় আজ তাঁর অবর্তমানে তাঁর লেখাগুলো সংকলন ও সম্পাদনা করতে হল।<br />
.<br />
জাভেদ ভাই লিখেছেন প্রচুর। নানা বিষয়ে, নানা উপলক্ষে। এতো লেখার মধ্য থেকে কেবল একটা বইয়ের জন্য লেখা বাছাই করার কাজটা সহজ ছিল না। তবে আমার মনে হয়েছে তাঁর সব লেখালেখির মধ্যে অন্তর্নিহিত মূল সুরটা ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে বদলানোর। পাশাপাশি তাঁর লেখায় ফুটে উঠতো চারপাশের মানুষের ব্যাপারে দায়িত্ববোধ, তাদের ভুলগুলো সংশোধন করার, সৎ কাজে উৎসাহ, মন্দ কাজে বাধা দেয়ার সহজাত ইচ্ছে। অনেক আঁধার পেরিয়ে যে সত্যের খোঁজ তিনি পেয়েছিলেন, তার আলো অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আন্তরিক আকাংক্ষা তাঁর মধ্যে কাজ করতো। এ অর্থে বলা যায় যে তাঁর সব লেখার মূল সূর ছিল পরিবর্তনের - নিজের চিন্তা, জীবন ও পারিপার্শ্বিকতাকে প্রতিনিয়ত আরো বেশি করে ইসলামের ছাঁচে সাজানোর।<br />
<br />
Onek Adhar Periye PDF Download <br />
<br />
<br />
.<br />
পরিবর্তনের এ স্রোতের শক্ত উপস্থিতি ছিল মুহাম্মাদ জাভেদ কায়সারের জীবনেও। যারা তাঁকে চিনতেন; বাস্তব জীবনে কিংবা লেখালেখির মাধ্যমে, তারা জানেন যে তাঁর জীবনে বড় ধরনের একটা পরিবর্তন এসেছিল, এবং এ পরিবর্তনের কারণ ছিল ইসলাম। কিংবা বলা যায়, ধর্ম ও ধর্মপালনের ব্যাপারে সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি ও লোকজ চিন্তা থেকে বের হয়ে এসে মূল উৎস থেকে যখন তিনি ইসলামকে জানতে শুরু করলেন, যখন চেষ্টা করলেন সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজন্মের মুসলিমদের উদাহরণ অনুযায়ী ইসলাম মানার - তখন তাঁর চিন্তা-চেতনা, জীবন ও জীবনদর্শন আমূল বদলে গেলো। তাঁর জীবনের মতোই এ পরিবর্তন প্রতিফলিত হল তাঁর লেখায়ও। জাভেদ কায়সারের লেখাগুলো একইসাথে তাঁর পরিবর্তনের অংশ এবং ফসল।<br />
.<br />
<br />
Bangla Islamic Books Free PDF Download<br />
<br />
<br />
নিজেকে ভেঙ্গে আবার গড়ার এ অভিজ্ঞতা জাভেদ কায়সারের একার না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময় থেকে যুগেযুগে এধরনের পরিবর্তন হয়ে এসেছে। আজো আমাদের মাঝে এমন অনেক পরিবর্তনের গল্প আছে, এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে জাভেদ কায়সারের পরিবর্তনের গল্পটার কিছু বিশেষত্ব আছে, যে কারণে তাঁর লেখা নিয়ে এই আয়োজন। পরিবর্তনের আগে ও পরে তিনি সমান তালে লিখে গেছেন। যার ফলে অন্ধকার থেকে আলোতে ফেরার এ যাত্রার অনানুষ্ঠানিক এক ধরনের দিনলিপি তাঁর লেখায় পাওয়া যায়। খুব কাছ থেকে পরিবর্তনের এ পথচলা দেখার একটি সুযোগ পাওয়া যায় তাঁর লেখা থেকে।<br />
.<br />
Bangla Islamic Boi<br />
<br />
আরেকটি বিশেষত্ব হল তাঁর গল্পটা আমাদের সময়ের, আমাদেরই গল্প। আমাদের সামনে আজ সবদিক থেকে ক্রমাগত তুলে ধরা হয় জীবন ও সফলতার গৎবাঁধা এক সংজ্ঞা। এখানে মানব অস্তিত্বের সাফল্য মাপা হয় ডিগ্রি, চাকরি, স্যালারি, গাড়ি, বাড়ি, স্ট্যাটাস, ক্যারিয়ার, সামাজিকতা, প্রথা-প্রচলন, টাকা আর তাক লাগানোর এক যান্ত্রিক সমীকরণে। এ সংজ্ঞা, এ সমীকরণ প্রত্যাখ্যান করলে কপালে জোটে উন্মাদ, উগ্র কিংবা অবুঝ হবার অপবাদ। কিন্তু বহুল চর্চিত, চেনা, চকচকে এবং অন্তসারশুণ্য এ সংস্করণের বাইরেও যে সাফল্যের অন্য এক ব্যাখ্যা আছে, বেঁচে থাকার ভিন্ন পথ আছে তা আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায়। কিংবা কখনো চোখের সামনে চলে আসলেও তড়িঘড়ি করে আবার আমরা সেটাকে আড়ালে পাঠিয়ে দেই। আড়ালে থাকা কিংবা আড়াল করে রাখা সেই জীবনের কিছু ছবি, কিছু টুকরো টুকরো বর্ণনা পাঠক পাবেন পরিবর্তিত জাভেদ কায়সারের লেখাগুলোতে।<br />
<br />
<br />
Onek Adhar Periye  By Javed Kaisar (Rahimahullah)<br />
.<br />
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হল, এ গল্পের শেষটুকু আমাদের জানা। অসমাপ্ত কোন পথের অভিযাত্রীকে আমরা অনুসরণীয় হিসেবে উপস্থাপন করছি না। বরং আঁধার পেরিয়ে আসার স্বপ্ন দেখা মানুষদের অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে তাদেরই সময়ের, তাদেরই মত একজন মানুষের রূপান্তরের গল্পগুলো তুলে ধরছি। আল্লাহ চাইলে জাভেদ কায়সারের লেখাগুলো আরো অনেকের পরিবর্তনের উপলক্ষ হবে।<br />
.<br />
সম্পাদনার সময় লেখাগুলোকে অপরিবর্তিত রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করে হয়েছে। বইয়ের উপযোগী করে তোলার জন্য একই বিষয়ের বিভিন্ন ছোট ছোট লেখাকে আনা হয়েছে এক শিরোনামের অধীনে। বইয়ের সম্পাদনা এবং বিন্যাসের পুরো প্রক্রিয়ায় আমরা চেষ্টা করেছি লেখাগুলোকে এমনভাবে সাজাতে যাতে করে পরিবর্তনের পথে লেখকের যাত্রায় পাঠক নিজেকে আবিষ্কার করতে পারেন লেখকের সহযাত্রী হিসেবে। এবং অনুভব করতে পারেন এ পথের সুখদুঃখ, চড়াই-উৎড়াইয়ের অভিজ্ঞতাগুলো।<br />
.<br />
এ বইয়ের পেছনে অনেক ভাইবোনের সময়, শ্রম ও আবেগ জড়িয়ে আছে। আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়ের পরিবারকে যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছেন। আল্লাহ ‘আয্যা ওয়া জাল তাঁদের অন্তরগুলোকে প্রশান্ত করুন, উত্তম প্রতিদান দিন।<br />
.<br />
ইন শা আল্লাহ্ জাভেদ ভাই উত্তম অবস্থায় পৃথিবী ছেড়ে তাঁর মালিকের কাছে গেছেন। আল্লাহ্ আমাদের ভাইকে জান্নাত দান করুন, তাঁর ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ্ আর-রাহমানুর রাহীম তাঁর কবরকে জান্নাতের টুকরো বানিয়ে দিন। আমরা আমাদের রবের ব্যাপারে সুধারণাই রাখি, আমরা আমাদের রবের কাছ থেকে সর্বোত্তমটাই আশা করি। আল্লাহ ভাইয়ের কাজগুলো তাঁর জন্য আমলে যারিয়াহ হিসেবে কবুল করুন। তাঁর কবরকে জান্নাতের টুকরো বানিয়ে দিন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অজু নিয়ে কিছু হাদিস]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3349</link>
			<pubDate>Sat, 18 Jan 2020 12:21:52 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1026">mirahasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3349</guid>
			<description><![CDATA[বাংলা হাদিস ঃ অজু<br />
<br />
<br />
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ، فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعَرِهِ ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثَ غُرَفٍ بِيَدَيْهِ، ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ‏.‏<br />
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু'টো ধুয়ে নিতেন। অতঃপর সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। অতঃপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি ঢেলে দিতেন।<br />
<br />
(২৬২, ২৭২; মুসলিম ৩/৯, হাঃ ৩১৬, আহমাদ ২৫৭০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৬)<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
০২।<br />
<br />
ঋতুকালীন ঋতুবতী মহিলাদের প্রতি নির্দেশ।<br />
২৯৪<br />
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ، قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ خَرَجْنَا لاَ نَرَى إِلاَّ الْحَجَّ، فَلَمَّا كُنَّا بِسَرِفَ حِضْتُ، فَدَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبْكِي قَالَ ‏"‏ مَا لَكِ أَنُفِسْتِ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنَّ هَذَا أَمْرٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَاقْضِي مَا يَقْضِي الْحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ وَضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ‏.<br />
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আমরা হজ্জের উদ্দেশেই (মদীনা হতে) বের হলাম। ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর আমার হায়েয আসলো। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন এবং বললেনঃ এ তো আল্লাহ্‌ তা’আলাই আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং তুমি বাইতুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ ছাড়া হজ্জের বাকী সব কাজ করে নাও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে গাভী কুরবানী করলেন।<br />
<br />
(৩০৫, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৯, ৩২৮, ১৫১৬, ১৫১৮, ১৫৫৬, ১৫৬০, ১৫৬১, ১৫৬২, ১২৩৮, ১৬৫০, ১৭০৯, ১৭২০, ১৭৩৩, ১৭৫৭, ১৭৬২, ১৭৭১, ১৭৭২, ১৭৮৩, ১৭৮৬, ১৭৮৭, ১৭৮৮, ২৯৫২, ২৯৮৪, ৪৩৯৫, ৪৪০১, ৪৪০৮, ৫৩২৯, ৫৫৪৮, ৫৫৫৯, ৬১৫৭,৭২২৯; মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১) (আধুনিক প্রকাশনী- ২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৯০)<br />
<br />
<br />
<br />
০৩<br />
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ تَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ غَيْرَ رِجْلَيْهِ، وَغَسَلَ فَرْجَهُ، وَمَا أَصَابَهُ مِنَ الأَذَى، ثُمَّ أَفَاضَ عَلَيْهِ الْمَاءَ، ثُمَّ نَحَّى رِجْلَيْهِ فَغَسَلَهُمَا، هَذِهِ غُسْلُهُ مِنَ الْجَنَابَةِ‏.‏<br />
মাইমূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করলেন, পা দুটো ব্যতীত এবং তাঁর লজ্জাস্থান ও যে যে স্থানে নোংরা লেগেছে তা ধুয়ে নিলেন। অতঃপর নিজের উপর পানি ঢেলে দেন। অতঃপর সেখান হতে সরে গিয়ে পা দু'টো ধুয়ে নেন। এই ছিল তাঁর জানাবাতের গোসল।<br />
<br />
(২৫৭, ২৫৯, ২৬০, ২৬৬, ২৭৪, ২৭৬, ২৮১; মুসলিম ৩/৯, হাঃ ৩১৭, আহমাদ ২৬৮৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৭)<br />
<br />
<br />
০৪<br />
গোসলের সময় ডান হাত থেকে বাম হাতের উপর পানি ঢালা ৷<br />
২৬৬<br />
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، قَالَتْ وَضَعْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غُسْلاً وَسَتَرْتُهُ، فَصَبَّ عَلَى يَدِهِ، فَغَسَلَهَا مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ ـ قَالَ سُلَيْمَانُ لاَ أَدْرِي أَذَكَرَ الثَّالِثَةَ أَمْ لاَ ـ ثُمَّ أَفْرَغَ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ، فَغَسَلَ فَرْجَهُ، ثُمَّ دَلَكَ يَدَهُ بِالأَرْضِ أَوْ بِالْحَائِطِ، ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ، وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، وَغَسَلَ رَأْسَهُ، ثُمَّ صَبَّ عَلَى جَسَدِهِ، ثُمَّ تَنَحَّى فَغَسَلَ قَدَمَيْهِ، فَنَاوَلْتُهُ خِرْقَةً، فَقَالَ بِيَدِهِ هَكَذَا، وَلَمْ يُرِدْهَ<br />
মাইমূনাহ্ বিনতু হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য গোসলের পানি রেখে পর্দা করে দিলাম। তিনি পানি দিয়ে দু’বার কিংবা তিনবার হাত ধুলেন৷ সুলায়মান (রাঃ) বলেন, তৃতীয়বারের কথা বলেছেন কিনা আমার মনে পড়ে না। তখন তিনি ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতে ঢাললেন এবং ‍লজ্জাস্থান‍ ধুয়ে নিলেন৷ তারপর তাঁর হাত মাটিতে বা দেওয়ালে ঘষলেন৷ পরে তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং তাঁর চেহারা ও দু’হাত ধুলেন এবং মাথা ধুয়ে ফেললেন। তারপর তাঁর শরীরে পানি ঢেলে দিলেন৷ পরে সেখান হতে সরে গিয়ে তাঁর দু’পা ধুয়ে নিলেন৷ অবশেষে আমি তাঁকে একখণ্ড কাপড় দিলাম; কিন্তু তিনি হাতের ইঙ্গিতে নিষেধ করলেন এবং তা নিলেন না।<br />
<br />
(২৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪)<br />
<br />
<br />
<br />
০৫<br />
নির্জনে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা এবং পর্দা করে গোসল করা। পর্দা করে গোসল করাই উত্তম<br />
বাহায (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লজ্জা করার ব্যাপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ্‌ তা’আলাই হকদার।<br />
২৭৮<br />
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ كَانَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ يَغْتَسِلُونَ عُرَاةً، يَنْظُرُ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ، وَكَانَ مُوسَى يَغْتَسِلُ وَحْدَهُ، فَقَالُوا وَاللَّهِ مَا يَمْنَعُ مُوسَى أَنْ يَغْتَسِلَ مَعَنَا إِلاَّ أَنَّهُ آدَرُ، فَذَهَبَ مَرَّةً يَغْتَسِلُ، فَوَضَعَ ثَوْبَهُ عَلَى حَجَرٍ، فَفَرَّ الْحَجَرُ بِثَوْبِهِ، فَخَرَجَ مُوسَى فِي إِثْرِهِ يَقُولُ ثَوْبِي يَا حَجَرُ‏.‏ حَتَّى نَظَرَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ إِلَى مُوسَى، فَقَالُوا وَاللَّهِ مَا بِمُوسَى مِنْ بَأْسٍ‏.‏ وَأَخَذَ ثَوْبَهُ، فَطَفِقَ بِالْحَجَرِ ضَرْبًا ‏"‏‏.‏ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاللَّهِ إِنَّهُ لَنَدَبٌ بِالْحَجَرِ سِتَّةٌ أَوْ سَبْعَةٌ ضَرْبًا بِالْحَجَرِ‏.<br />
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের লোকেরা নগ্ন হয়ে একে অপরকে দেখা অবস্থায় গোসল করতো। কিন্তু মূসা (‘আঃ) একাকী গোসল করতেন। এতে বানী ইসরাঈলের লোকেরা বলাবলি করছিল, আল্লাহর কসম, মূসা (‘আঃ) ‘কোষবৃদ্ধি’ রোগের কারণেই আমাদের সাথে গোসল করেন না। একবার মূসা (‘আঃ) একটা পাথরের উপর কাপড় রেখে গোসল করছিলেন। পাথরটা তাঁর কাপড় নিয়ে পালাতে লাগল। তখন মূসা (‘আঃ) “পাথর! আমার কাপড় দাও,” “পাথর! আমার কাপড় দাও”, বলে পেছনে পেছনে ছুটলেন। এদিকে বাণী ইসরাঈল মূসার দিকে তাকাল। তখন তারা বলল, আল্লাহর কসম মূসার কোন রোগ নেই। মূসা (‘আঃ) পাথর থেকে কাপড় নিয়ে পরলেন এবং পাথরটাকে পিটাতে লাগলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, পাথরটিতে ছয় কিংবা সাতটা পিটুনীর দাগ পড়ে গেল।<br />
وَقَالَ بَهْزٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُسْتَحْيَا مِنْهُ مِنَ النَّاسِ».<br />
<br />
বাহায (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লজ্জা করার ব্যাপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ্‌ তা’আলাই হকদার।<br />
<br />
<br />
তায়াম্মুম<br />
<br />
“এবং তোমরা পানি না পেলে পাক মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে এবং তা তোমরা তোমাদের মুখ ও হাতে বুলাবে” (৪ : ৪৩)<br />
৩৩৪<br />
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ، حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ ـ أَوْ بِذَاتِ الْجَيْشِ ـ انْقَطَعَ عِقْدٌ لِي، فَأَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْتِمَاسِهِ، وَأَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، فَأَتَى النَّاسُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فَقَالُوا أَلاَ تَرَى مَا صَنَعَتْ عَائِشَةُ أَقَامَتْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسِ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ‏.‏ فَجَاءَ أَبُو بَكْرٍ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاضِعٌ رَأْسَهُ عَلَى فَخِذِي قَدْ نَامَ فَقَالَ حَبَسْتِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسَ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ‏.‏ فَقَالَتْ عَائِشَةُ فَعَاتَبَنِي أَبُو بَكْرٍ، وَقَالَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ، وَجَعَلَ يَطْعُنُنِي بِيَدِهِ فِي خَاصِرَتِي، فَلاَ يَمْنَعُنِي مِنَ التَّحَرُّكِ إِلاَّ مَكَانُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى فَخِذِي، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ أَصْبَحَ عَلَى غَيْرِ مَاءٍ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ آيَةَ التَّيَمُّمِ فَتَيَمَّمُوا‏.‏ فَقَالَ أُسَيْدُ بْنُ الْحُضَيْرِ مَا هِيَ بِأَوَّلِ بَرَكَتِكُمْ يَا آلَ أَبِي بَكْرٍ‏.‏ قَالَتْ فَبَعَثْنَا الْبَعِيرَ الَّذِي كُنْتُ عَلَيْهِ، فَأَصَبْنَا الْعِقْدَ تَحْتَهُ‏.‏<br />
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সফরে বের হয়েছিলাম যখন আমরা ‘বায়যা’ অথবা ‘যাতুল জায়শ’ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন একখানা হার হারিয়ে গেল। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-সেখানে হারের খোঁজে থেমে গেলেন আর লোকেরাও তাঁর সঙ্গে থেমে গেলেন, অথচ তাঁরা পানির নিকটে ছিলেন না। তখন লোকেরা আবূ বকর (রাঃ) এর নিকট এসে বললেনঃ ‘আয়িশা কী করেছেন আপনি কি দেখেন নি? তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও লোকদের আটকিয়ে ফেলেছেন, অথচ তাঁরা পানির নিকটে নেই এবং তাঁদের সাথেও পানি নেই। আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট আসলেন, তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-আমার উরুর উপরে মাথা রেখে ঘুমিয়েছিলেন। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ তুমি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর লোকদের আটকিয়ে ফেলেছ! অথচ আশেপাশে কোথাও পানি নেই। এবং তাঁদের সাথেও পানি নেই। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আবূ বক্‌র আমাকে খুব তিরস্কার করলেন আর, আল্লাহ্‌র ইচ্ছা, তিনি যা খুশি তাই বললেন। তিনি আমার কোমরে আঘাত দিতে লাগলেন। আমার উরুর উপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাথা থাকায় আমি নড়তে পারছিলাম না। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ভোরে উঠলেন, কিন্তু পানি ছিল না। তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর সবাই তায়াম্মুম করে নিলেন। উসায়দ ইব্‌নু হুযায়্‌র (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকরের পরিবারবর্গ! এটাই আপনাদের প্রথম বরকত নয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর আমি যে উটে ছিলাম তাকে দাঁড় করালে দেখি আমার হারখানা তার নীচে পড়ে আছে।<br />
<br />
(৩৩৬, ৩৬৭২, ৩৭৭৩, ৪৫৮৩, ৪৬০৭, ৪৬০৮, ৫১৬৪, ৫২৫০, ৫৮৮২, ৬৮৪৪, ৬৮৪৫; মুসলিম ৩/২৮, হাঃ ৩৬৭, আহমাদ ২৫৫১০) (আ.প্র. ৩২২, ই.ফা. ৩২৭)<br />
<br />
<br />
০৭<br />
<br />
পানি ও মাটি না পাওয়া গেলে।<br />
৩৩৬<br />
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا اسْتَعَارَتْ مِنْ أَسْمَاءَ قِلاَدَةً فَهَلَكَتْ، فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً، فَوَجَدَهَا فَأَدْرَكَتْهُمُ الصَّلاَةُ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ فَصَلَّوْا، فَشَكَوْا ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ آيَةَ التَّيَمُّمِ‏.‏ فَقَالَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ لِعَائِشَةَ جَزَاكِ اللَّهُ خَيْرًا، فَوَاللَّهِ مَا نَزَلَ بِكِ أَمْرٌ تَكْرَهِينَهُ إِلاَّ جَعَلَ اللَّهُ ذَلِكِ لَكِ وَلِلْمُسْلِمِينَ فِيهِ خَيْرًا‏.‏<br />
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি একদা (তাঁর বোন) আসমা (রাঃ) এর হার ধার করে নিয়ে গিয়েছিলেন। (পথিমধ্যে) হারখানা হারিয়ে গেল। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-সেটির অনুসন্ধানে লোক পাঠালেন। তিনি হারটি এমন সময় পেলেন, যখন তাঁদের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল অথচ তাঁদের কাছে পানি ছিল না। তাঁরা সালাত আদায় করলেন। তারপর বিষয়টি তাঁরা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করেন। তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ করেন। সেজন্য উসায়দ ইব্‌নু হুযায়র (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেনঃ আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন। আল্লাহ্‌র কসম! আপনি যে কোন অপছন্দনীয় অবস্থার মুখোমুখী হয়েছেন, তাতেই আল্লাহ্‌ তা’আলা আপনার ও সমস্ত মুসলমানের জন্য মঙ্গল রেখেছেন।<br />
<br />
(৩৩৪) (আ.প্র. ৩২৪, ই.ফা. ৩২৯)]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বাংলা হাদিস ঃ অজু<br />
<br />
<br />
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ، فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعَرِهِ ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثَ غُرَفٍ بِيَدَيْهِ، ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ‏.‏<br />
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু'টো ধুয়ে নিতেন। অতঃপর সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। অতঃপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি ঢেলে দিতেন।<br />
<br />
(২৬২, ২৭২; মুসলিম ৩/৯, হাঃ ৩১৬, আহমাদ ২৫৭০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৬)<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
০২।<br />
<br />
ঋতুকালীন ঋতুবতী মহিলাদের প্রতি নির্দেশ।<br />
২৯৪<br />
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ، قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ خَرَجْنَا لاَ نَرَى إِلاَّ الْحَجَّ، فَلَمَّا كُنَّا بِسَرِفَ حِضْتُ، فَدَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبْكِي قَالَ ‏"‏ مَا لَكِ أَنُفِسْتِ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنَّ هَذَا أَمْرٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَاقْضِي مَا يَقْضِي الْحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ وَضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ‏.<br />
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আমরা হজ্জের উদ্দেশেই (মদীনা হতে) বের হলাম। ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর আমার হায়েয আসলো। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন এবং বললেনঃ এ তো আল্লাহ্‌ তা’আলাই আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং তুমি বাইতুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ ছাড়া হজ্জের বাকী সব কাজ করে নাও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে গাভী কুরবানী করলেন।<br />
<br />
(৩০৫, ৩১৬, ৩১৭, ৩১৯, ৩২৮, ১৫১৬, ১৫১৮, ১৫৫৬, ১৫৬০, ১৫৬১, ১৫৬২, ১২৩৮, ১৬৫০, ১৭০৯, ১৭২০, ১৭৩৩, ১৭৫৭, ১৭৬২, ১৭৭১, ১৭৭২, ১৭৮৩, ১৭৮৬, ১৭৮৭, ১৭৮৮, ২৯৫২, ২৯৮৪, ৪৩৯৫, ৪৪০১, ৪৪০৮, ৫৩২৯, ৫৫৪৮, ৫৫৫৯, ৬১৫৭,৭২২৯; মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১১) (আধুনিক প্রকাশনী- ২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৯০)<br />
<br />
<br />
<br />
০৩<br />
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ تَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ غَيْرَ رِجْلَيْهِ، وَغَسَلَ فَرْجَهُ، وَمَا أَصَابَهُ مِنَ الأَذَى، ثُمَّ أَفَاضَ عَلَيْهِ الْمَاءَ، ثُمَّ نَحَّى رِجْلَيْهِ فَغَسَلَهُمَا، هَذِهِ غُسْلُهُ مِنَ الْجَنَابَةِ‏.‏<br />
মাইমূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করলেন, পা দুটো ব্যতীত এবং তাঁর লজ্জাস্থান ও যে যে স্থানে নোংরা লেগেছে তা ধুয়ে নিলেন। অতঃপর নিজের উপর পানি ঢেলে দেন। অতঃপর সেখান হতে সরে গিয়ে পা দু'টো ধুয়ে নেন। এই ছিল তাঁর জানাবাতের গোসল।<br />
<br />
(২৫৭, ২৫৯, ২৬০, ২৬৬, ২৭৪, ২৭৬, ২৮১; মুসলিম ৩/৯, হাঃ ৩১৭, আহমাদ ২৬৮৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৭)<br />
<br />
<br />
০৪<br />
গোসলের সময় ডান হাত থেকে বাম হাতের উপর পানি ঢালা ৷<br />
২৬৬<br />
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، قَالَتْ وَضَعْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غُسْلاً وَسَتَرْتُهُ، فَصَبَّ عَلَى يَدِهِ، فَغَسَلَهَا مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ ـ قَالَ سُلَيْمَانُ لاَ أَدْرِي أَذَكَرَ الثَّالِثَةَ أَمْ لاَ ـ ثُمَّ أَفْرَغَ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ، فَغَسَلَ فَرْجَهُ، ثُمَّ دَلَكَ يَدَهُ بِالأَرْضِ أَوْ بِالْحَائِطِ، ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ، وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، وَغَسَلَ رَأْسَهُ، ثُمَّ صَبَّ عَلَى جَسَدِهِ، ثُمَّ تَنَحَّى فَغَسَلَ قَدَمَيْهِ، فَنَاوَلْتُهُ خِرْقَةً، فَقَالَ بِيَدِهِ هَكَذَا، وَلَمْ يُرِدْهَ<br />
মাইমূনাহ্ বিনতু হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য গোসলের পানি রেখে পর্দা করে দিলাম। তিনি পানি দিয়ে দু’বার কিংবা তিনবার হাত ধুলেন৷ সুলায়মান (রাঃ) বলেন, তৃতীয়বারের কথা বলেছেন কিনা আমার মনে পড়ে না। তখন তিনি ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতে ঢাললেন এবং ‍লজ্জাস্থান‍ ধুয়ে নিলেন৷ তারপর তাঁর হাত মাটিতে বা দেওয়ালে ঘষলেন৷ পরে তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং তাঁর চেহারা ও দু’হাত ধুলেন এবং মাথা ধুয়ে ফেললেন। তারপর তাঁর শরীরে পানি ঢেলে দিলেন৷ পরে সেখান হতে সরে গিয়ে তাঁর দু’পা ধুয়ে নিলেন৷ অবশেষে আমি তাঁকে একখণ্ড কাপড় দিলাম; কিন্তু তিনি হাতের ইঙ্গিতে নিষেধ করলেন এবং তা নিলেন না।<br />
<br />
(২৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬৪)<br />
<br />
<br />
<br />
০৫<br />
নির্জনে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা এবং পর্দা করে গোসল করা। পর্দা করে গোসল করাই উত্তম<br />
বাহায (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লজ্জা করার ব্যাপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ্‌ তা’আলাই হকদার।<br />
২৭৮<br />
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ كَانَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ يَغْتَسِلُونَ عُرَاةً، يَنْظُرُ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ، وَكَانَ مُوسَى يَغْتَسِلُ وَحْدَهُ، فَقَالُوا وَاللَّهِ مَا يَمْنَعُ مُوسَى أَنْ يَغْتَسِلَ مَعَنَا إِلاَّ أَنَّهُ آدَرُ، فَذَهَبَ مَرَّةً يَغْتَسِلُ، فَوَضَعَ ثَوْبَهُ عَلَى حَجَرٍ، فَفَرَّ الْحَجَرُ بِثَوْبِهِ، فَخَرَجَ مُوسَى فِي إِثْرِهِ يَقُولُ ثَوْبِي يَا حَجَرُ‏.‏ حَتَّى نَظَرَتْ بَنُو إِسْرَائِيلَ إِلَى مُوسَى، فَقَالُوا وَاللَّهِ مَا بِمُوسَى مِنْ بَأْسٍ‏.‏ وَأَخَذَ ثَوْبَهُ، فَطَفِقَ بِالْحَجَرِ ضَرْبًا ‏"‏‏.‏ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاللَّهِ إِنَّهُ لَنَدَبٌ بِالْحَجَرِ سِتَّةٌ أَوْ سَبْعَةٌ ضَرْبًا بِالْحَجَرِ‏.<br />
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের লোকেরা নগ্ন হয়ে একে অপরকে দেখা অবস্থায় গোসল করতো। কিন্তু মূসা (‘আঃ) একাকী গোসল করতেন। এতে বানী ইসরাঈলের লোকেরা বলাবলি করছিল, আল্লাহর কসম, মূসা (‘আঃ) ‘কোষবৃদ্ধি’ রোগের কারণেই আমাদের সাথে গোসল করেন না। একবার মূসা (‘আঃ) একটা পাথরের উপর কাপড় রেখে গোসল করছিলেন। পাথরটা তাঁর কাপড় নিয়ে পালাতে লাগল। তখন মূসা (‘আঃ) “পাথর! আমার কাপড় দাও,” “পাথর! আমার কাপড় দাও”, বলে পেছনে পেছনে ছুটলেন। এদিকে বাণী ইসরাঈল মূসার দিকে তাকাল। তখন তারা বলল, আল্লাহর কসম মূসার কোন রোগ নেই। মূসা (‘আঃ) পাথর থেকে কাপড় নিয়ে পরলেন এবং পাথরটাকে পিটাতে লাগলেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, পাথরটিতে ছয় কিংবা সাতটা পিটুনীর দাগ পড়ে গেল।<br />
وَقَالَ بَهْزٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُ أَحَقُّ أَنْ يُسْتَحْيَا مِنْهُ مِنَ النَّاسِ».<br />
<br />
বাহায (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, লজ্জা করার ব্যাপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহ্‌ তা’আলাই হকদার।<br />
<br />
<br />
তায়াম্মুম<br />
<br />
“এবং তোমরা পানি না পেলে পাক মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে এবং তা তোমরা তোমাদের মুখ ও হাতে বুলাবে” (৪ : ৪৩)<br />
৩৩৪<br />
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ، حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ ـ أَوْ بِذَاتِ الْجَيْشِ ـ انْقَطَعَ عِقْدٌ لِي، فَأَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْتِمَاسِهِ، وَأَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، فَأَتَى النَّاسُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فَقَالُوا أَلاَ تَرَى مَا صَنَعَتْ عَائِشَةُ أَقَامَتْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسِ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ‏.‏ فَجَاءَ أَبُو بَكْرٍ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاضِعٌ رَأْسَهُ عَلَى فَخِذِي قَدْ نَامَ فَقَالَ حَبَسْتِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسَ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ‏.‏ فَقَالَتْ عَائِشَةُ فَعَاتَبَنِي أَبُو بَكْرٍ، وَقَالَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ، وَجَعَلَ يَطْعُنُنِي بِيَدِهِ فِي خَاصِرَتِي، فَلاَ يَمْنَعُنِي مِنَ التَّحَرُّكِ إِلاَّ مَكَانُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى فَخِذِي، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ أَصْبَحَ عَلَى غَيْرِ مَاءٍ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ آيَةَ التَّيَمُّمِ فَتَيَمَّمُوا‏.‏ فَقَالَ أُسَيْدُ بْنُ الْحُضَيْرِ مَا هِيَ بِأَوَّلِ بَرَكَتِكُمْ يَا آلَ أَبِي بَكْرٍ‏.‏ قَالَتْ فَبَعَثْنَا الْبَعِيرَ الَّذِي كُنْتُ عَلَيْهِ، فَأَصَبْنَا الْعِقْدَ تَحْتَهُ‏.‏<br />
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি বলেনঃ আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সফরে বের হয়েছিলাম যখন আমরা ‘বায়যা’ অথবা ‘যাতুল জায়শ’ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন একখানা হার হারিয়ে গেল। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-সেখানে হারের খোঁজে থেমে গেলেন আর লোকেরাও তাঁর সঙ্গে থেমে গেলেন, অথচ তাঁরা পানির নিকটে ছিলেন না। তখন লোকেরা আবূ বকর (রাঃ) এর নিকট এসে বললেনঃ ‘আয়িশা কী করেছেন আপনি কি দেখেন নি? তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও লোকদের আটকিয়ে ফেলেছেন, অথচ তাঁরা পানির নিকটে নেই এবং তাঁদের সাথেও পানি নেই। আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট আসলেন, তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-আমার উরুর উপরে মাথা রেখে ঘুমিয়েছিলেন। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ তুমি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর লোকদের আটকিয়ে ফেলেছ! অথচ আশেপাশে কোথাও পানি নেই। এবং তাঁদের সাথেও পানি নেই। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আবূ বক্‌র আমাকে খুব তিরস্কার করলেন আর, আল্লাহ্‌র ইচ্ছা, তিনি যা খুশি তাই বললেন। তিনি আমার কোমরে আঘাত দিতে লাগলেন। আমার উরুর উপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাথা থাকায় আমি নড়তে পারছিলাম না। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ভোরে উঠলেন, কিন্তু পানি ছিল না। তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর সবাই তায়াম্মুম করে নিলেন। উসায়দ ইব্‌নু হুযায়্‌র (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকরের পরিবারবর্গ! এটাই আপনাদের প্রথম বরকত নয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর আমি যে উটে ছিলাম তাকে দাঁড় করালে দেখি আমার হারখানা তার নীচে পড়ে আছে।<br />
<br />
(৩৩৬, ৩৬৭২, ৩৭৭৩, ৪৫৮৩, ৪৬০৭, ৪৬০৮, ৫১৬৪, ৫২৫০, ৫৮৮২, ৬৮৪৪, ৬৮৪৫; মুসলিম ৩/২৮, হাঃ ৩৬৭, আহমাদ ২৫৫১০) (আ.প্র. ৩২২, ই.ফা. ৩২৭)<br />
<br />
<br />
০৭<br />
<br />
পানি ও মাটি না পাওয়া গেলে।<br />
৩৩৬<br />
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا اسْتَعَارَتْ مِنْ أَسْمَاءَ قِلاَدَةً فَهَلَكَتْ، فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً، فَوَجَدَهَا فَأَدْرَكَتْهُمُ الصَّلاَةُ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ فَصَلَّوْا، فَشَكَوْا ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ آيَةَ التَّيَمُّمِ‏.‏ فَقَالَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ لِعَائِشَةَ جَزَاكِ اللَّهُ خَيْرًا، فَوَاللَّهِ مَا نَزَلَ بِكِ أَمْرٌ تَكْرَهِينَهُ إِلاَّ جَعَلَ اللَّهُ ذَلِكِ لَكِ وَلِلْمُسْلِمِينَ فِيهِ خَيْرًا‏.‏<br />
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ<br />
তিনি একদা (তাঁর বোন) আসমা (রাঃ) এর হার ধার করে নিয়ে গিয়েছিলেন। (পথিমধ্যে) হারখানা হারিয়ে গেল। আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-সেটির অনুসন্ধানে লোক পাঠালেন। তিনি হারটি এমন সময় পেলেন, যখন তাঁদের সালাতের সময় হয়ে গিয়েছিল অথচ তাঁদের কাছে পানি ছিল না। তাঁরা সালাত আদায় করলেন। তারপর বিষয়টি তাঁরা আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করেন। তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ করেন। সেজন্য উসায়দ ইব্‌নু হুযায়র (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেনঃ আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন। আল্লাহ্‌র কসম! আপনি যে কোন অপছন্দনীয় অবস্থার মুখোমুখী হয়েছেন, তাতেই আল্লাহ্‌ তা’আলা আপনার ও সমস্ত মুসলমানের জন্য মঙ্গল রেখেছেন।<br />
<br />
(৩৩৪) (আ.প্র. ৩২৪, ই.ফা. ৩২৯)]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আত্মীয়-স্বজন মারা গেলে কান্নাকাটি করা যাবে কি?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3324</link>
			<pubDate>Wed, 14 Nov 2018 09:20:07 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3324</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আমাদের সমাজে যদি কেউ মারা যান। তখন তার আত্মীয়-স্বজন হাউমাউ করে কেঁদে থাকেন। শুধু আমাদের দেশ নয়, পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষই তার আত্মীয়-স্বজনদের জন্য কেঁদে থাকেন। কেউ কেউ আবার তিন-চারদিন বা আরও বেশি দিন কেঁদে থাকেন। আবার অনেক সময় যখন মৃত ব্যক্তির কথা মনে হয়, তখনই কাঁদেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কিন্তু এ ব্যাপারে ইসলামের ব্যাখ্যা কী বলছে তা আপনি জানেন কি? নিচে হাদিসের আলোকে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মাইয়্যেতের চেহারা খুলে দেখা, চুম্বন করা, তিন দিন পর্যন্ত কান্না করা জায়েয। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, «لَمَّا قُتِلَ أَبِي جَعَلْتُ أَكْشِفُ الثَّوْبَ عَنْ وَجْهِهِ أَبْكِي، وَيَنْهَوْنِي عَنْهُ، وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ يَنْهَانِي، فَجَعَلَتْ عَمَّتِي فَاطِمَةُ تَبْكِي، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَبْكِينَ أَوْ لاَ تَبْكِينَ مَا زَالَتِ المَلاَئِكَةُ تُظِلُّهُ بِأَجْنِحَتِهَا حَتَّى رَفَعْتُمُوهُ» “(উহুদ যুদ্ধে) আমার পিতা (আব্দুল্লাহ) শহীদ হয়ে গেলে আমি তার মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরিয়ে কাঁদতে লাগলাম। লোকেরা আমাকে নিষেধ করতে লাগল। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেন নি। আমার ফুফী ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহাও কাঁদতে লাগলেন। এতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কাঁদ বা না-ই কাঁদ (উভয় সমান), তোমরা তাকে তুলে নেওয়া পর্যন্ত ফিরিশতাগণ তাদের ডানা দিয়ে ছায়া বিস্তার করে রেখেছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৪৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৪৭১।] </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আবু সালামা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা আমাকে বলেছেন, «أَقْبَلَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى فَرَسِهِ مِنْ مَسْكَنِهِ بِالسُّنْحِ حَتَّى نَزَلَ، فَدَخَلَ المَسْجِدَ، فَلَمْ يُكَلِّمِ النَّاسَ حَتَّى دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، فَتَيَمَّمَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ مُسَجًّى بِبُرْدِ حِبَرَةٍ، فَكَشَفَ عَنْ وَجْهِهِ، ثُمَّ أَكَبَّ عَلَيْهِ، فَقَبَّلَهُ، ثُمَّ بَكَى، فَقَالَ: «بِأَبِي أَنْتَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ، لاَ يَجْمَعُ اللَّهُ عَلَيْكَ مَوْتَتَيْنِ، أَمَّا المَوْتَةُ الَّتِي كُتِبَتْ عَلَيْكَ فَقَدْ مُتَّهَا» “(রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের খবর পেয়ে) আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু 'সুন্‌হ'-এ অবস্থিত তাঁর বাড়ি থেকে ঘোড়ায় চড়ে চলে এলেন এবং নেমে মসজিদে প্রবেশ করলেন। সেখানে লোকদের সাথে কোনো কথা না বলে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার ঘরে প্রবেশ করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে অগ্রসর হলেন। তখন তিনি একখানি ‘হিবারাহ’ ইয়ামানী চাদর দ্বারা আবৃত ছিলেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখমণ্ডল উম্মুক্ত করে তার উপর ঝুকে পড়লেন এবং চুমু খেলেন, তারপর কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমার পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক। আল্লাহ আপনার জন্য দুই মৃত্যু একত্রিত করবেন না। তবে যে মৃত্যু আপনার জন্য নির্ধারিত ছিল তা তো আপনি কবুল করেছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৪১।] </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আব্দুল্লাহ ইবন জাফর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمْهَلَ آلَ جَعْفَرٍ ثَلَاثًا أَنْ يَأْتِيَهُمْ، ثُمَّ أَتَاهُمْ، فَقَالَ: «لَا تَبْكُوا عَلَى أَخِي بَعْدَ الْيَوْمِ» “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাফর পরিবারকে কান্না-কাটি করার জন্য তিনদিন সময় দিলেন। অতঃপর তিনি জাফর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরিবারের কাছে এসে বললেন, তোমরা আমার ভাইয়ের জন্য আজকের দিনের পরে আর কাঁদবে না”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪১৯২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আমাদের সমাজে যদি কেউ মারা যান। তখন তার আত্মীয়-স্বজন হাউমাউ করে কেঁদে থাকেন। শুধু আমাদের দেশ নয়, পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষই তার আত্মীয়-স্বজনদের জন্য কেঁদে থাকেন। কেউ কেউ আবার তিন-চারদিন বা আরও বেশি দিন কেঁদে থাকেন। আবার অনেক সময় যখন মৃত ব্যক্তির কথা মনে হয়, তখনই কাঁদেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কিন্তু এ ব্যাপারে ইসলামের ব্যাখ্যা কী বলছে তা আপনি জানেন কি? নিচে হাদিসের আলোকে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মাইয়্যেতের চেহারা খুলে দেখা, চুম্বন করা, তিন দিন পর্যন্ত কান্না করা জায়েয। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, «لَمَّا قُتِلَ أَبِي جَعَلْتُ أَكْشِفُ الثَّوْبَ عَنْ وَجْهِهِ أَبْكِي، وَيَنْهَوْنِي عَنْهُ، وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ يَنْهَانِي، فَجَعَلَتْ عَمَّتِي فَاطِمَةُ تَبْكِي، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَبْكِينَ أَوْ لاَ تَبْكِينَ مَا زَالَتِ المَلاَئِكَةُ تُظِلُّهُ بِأَجْنِحَتِهَا حَتَّى رَفَعْتُمُوهُ» “(উহুদ যুদ্ধে) আমার পিতা (আব্দুল্লাহ) শহীদ হয়ে গেলে আমি তার মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরিয়ে কাঁদতে লাগলাম। লোকেরা আমাকে নিষেধ করতে লাগল। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেন নি। আমার ফুফী ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহাও কাঁদতে লাগলেন। এতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কাঁদ বা না-ই কাঁদ (উভয় সমান), তোমরা তাকে তুলে নেওয়া পর্যন্ত ফিরিশতাগণ তাদের ডানা দিয়ে ছায়া বিস্তার করে রেখেছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৪৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৪৭১।] </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আবু সালামা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা আমাকে বলেছেন, «أَقْبَلَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى فَرَسِهِ مِنْ مَسْكَنِهِ بِالسُّنْحِ حَتَّى نَزَلَ، فَدَخَلَ المَسْجِدَ، فَلَمْ يُكَلِّمِ النَّاسَ حَتَّى دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، فَتَيَمَّمَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ مُسَجًّى بِبُرْدِ حِبَرَةٍ، فَكَشَفَ عَنْ وَجْهِهِ، ثُمَّ أَكَبَّ عَلَيْهِ، فَقَبَّلَهُ، ثُمَّ بَكَى، فَقَالَ: «بِأَبِي أَنْتَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ، لاَ يَجْمَعُ اللَّهُ عَلَيْكَ مَوْتَتَيْنِ، أَمَّا المَوْتَةُ الَّتِي كُتِبَتْ عَلَيْكَ فَقَدْ مُتَّهَا» “(রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের খবর পেয়ে) আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু 'সুন্‌হ'-এ অবস্থিত তাঁর বাড়ি থেকে ঘোড়ায় চড়ে চলে এলেন এবং নেমে মসজিদে প্রবেশ করলেন। সেখানে লোকদের সাথে কোনো কথা না বলে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার ঘরে প্রবেশ করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে অগ্রসর হলেন। তখন তিনি একখানি ‘হিবারাহ’ ইয়ামানী চাদর দ্বারা আবৃত ছিলেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখমণ্ডল উম্মুক্ত করে তার উপর ঝুকে পড়লেন এবং চুমু খেলেন, তারপর কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমার পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক। আল্লাহ আপনার জন্য দুই মৃত্যু একত্রিত করবেন না। তবে যে মৃত্যু আপনার জন্য নির্ধারিত ছিল তা তো আপনি কবুল করেছেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৪১।] </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আব্দুল্লাহ ইবন জাফর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمْهَلَ آلَ جَعْفَرٍ ثَلَاثًا أَنْ يَأْتِيَهُمْ، ثُمَّ أَتَاهُمْ، فَقَالَ: «لَا تَبْكُوا عَلَى أَخِي بَعْدَ الْيَوْمِ» “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাফর পরিবারকে কান্না-কাটি করার জন্য তিনদিন সময় দিলেন। অতঃপর তিনি জাফর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরিবারের কাছে এসে বললেন, তোমরা আমার ভাইয়ের জন্য আজকের দিনের পরে আর কাঁদবে না”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪১৯২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নিজের মৃত্যুর জন্য কি দোয়া করা যাবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3217</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 05:26:59 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3217</guid>
			<description><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> মৃত্যুর পদ্ধতির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা যাবে কি? যেমন : আমি কোনো রোগে ভুগতে চাই না, আল্লাহ আমাকে একবারে মৃত্যু দিয়ে দেবেন, আমি কারো গলগ্রহ হতে চাই না, কারো বোঝা হতে চাই না। আল্লাহ যখন আমার হায়াত শেষ হবে, আমাকে হায়াতে তৈয়্যবা দান করবেন এবং তখনই আমাকে মৃত্যু দান করবেন, যাতে করে অন্য কেউ আমার জন্য কষ্ট না পায়।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> হ্যাঁ, হুসনুল খাতেমার জন্য দোয়া করা জায়েজ। কিন্তু মৃত্যু কামনা করা জায়েজ নেই। এই দুটি আলাদা মাস’আলা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">একটি হচ্ছে, সুন্দরভাবে আপনার মৃত্যুটি হোক, ভালো মৃত্যু হোক এবং উত্তমভাবে যেন আপনার মৃত্যু হয়, এ জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করা, এটি জায়েজ রয়েছে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কিন্তু মৃত্যু কামনা করা যাবে না। দুটার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, দুটি ভিন্ন বক্তব্য। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা''</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> মৃত্যুর পদ্ধতির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা যাবে কি? যেমন : আমি কোনো রোগে ভুগতে চাই না, আল্লাহ আমাকে একবারে মৃত্যু দিয়ে দেবেন, আমি কারো গলগ্রহ হতে চাই না, কারো বোঝা হতে চাই না। আল্লাহ যখন আমার হায়াত শেষ হবে, আমাকে হায়াতে তৈয়্যবা দান করবেন এবং তখনই আমাকে মৃত্যু দান করবেন, যাতে করে অন্য কেউ আমার জন্য কষ্ট না পায়।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> হ্যাঁ, হুসনুল খাতেমার জন্য দোয়া করা জায়েজ। কিন্তু মৃত্যু কামনা করা জায়েজ নেই। এই দুটি আলাদা মাস’আলা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">একটি হচ্ছে, সুন্দরভাবে আপনার মৃত্যুটি হোক, ভালো মৃত্যু হোক এবং উত্তমভাবে যেন আপনার মৃত্যু হয়, এ জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করা, এটি জায়েজ রয়েছে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কিন্তু মৃত্যু কামনা করা যাবে না। দুটার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, দুটি ভিন্ন বক্তব্য। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা''</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রতিষ্ঠানের কর্তা অমুসলিম হলে কি সালাম দেওয়া যাবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3216</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 05:23:42 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3216</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন : চাকরি ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হিন্দু হলে বা অন্য ধর্মের হলে তাঁদের তো আমাদের সালাম দিতে হয় বা সালাম না দিয়েও পারি না। সে ক্ষেত্রে আমাদের বিকল্প ব্যবস্থা কী হতে পারে? </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর : সালামের যে অভিবাদন আছে, সেটি দেবেন না। আপনি আপনার বসের ধর্মের যে অভিবাদন রয়েছে, সেটি দেবেন। যেমন : আপনার বস খ্রিস্টান হলে তাঁকে ‘গুড মর্নিং’ দেবেন, হিন্দু হলে ‘আদাব’ বলবেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সম্মানের যেই শব্দগুলো আছে, যেগুলোর মধ্যে ধর্মীয় কোনো ধরনের বিষয় জড়িত নেই বা হারাম কোনো বিষয় নেই, সেগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন, সেটি জায়েজ আছে।অন্য ধর্মাবলম্বীদের কেউ যদি আপনাকে সালাম দেয়, তাহলে আপনি উত্তরে ‘ওয়ালাইকুম’ বলবেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন : চাকরি ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হিন্দু হলে বা অন্য ধর্মের হলে তাঁদের তো আমাদের সালাম দিতে হয় বা সালাম না দিয়েও পারি না। সে ক্ষেত্রে আমাদের বিকল্প ব্যবস্থা কী হতে পারে? </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর : সালামের যে অভিবাদন আছে, সেটি দেবেন না। আপনি আপনার বসের ধর্মের যে অভিবাদন রয়েছে, সেটি দেবেন। যেমন : আপনার বস খ্রিস্টান হলে তাঁকে ‘গুড মর্নিং’ দেবেন, হিন্দু হলে ‘আদাব’ বলবেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সম্মানের যেই শব্দগুলো আছে, যেগুলোর মধ্যে ধর্মীয় কোনো ধরনের বিষয় জড়িত নেই বা হারাম কোনো বিষয় নেই, সেগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন, সেটি জায়েজ আছে।অন্য ধর্মাবলম্বীদের কেউ যদি আপনাকে সালাম দেয়, তাহলে আপনি উত্তরে ‘ওয়ালাইকুম’ বলবেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[স্বামী খুশি হয়ে স্ত্রীর নামে জমি লিখে দিতে পারবে কি?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3215</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 05:23:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3215</guid>
			<description><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> আমি জমি-সংক্রান্ত ব্যাপারে কিছু জানতে চাই। সেটা হচ্ছে যে, আমার স্বামী খুশি হয়ে আমাকে তাঁর জায়গা-জমি থেকে যদি কিছু অংশ আমাকে লিখে দেয়, সেটি ইসলামে কতটুকু জায়েজ? </span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> ইসলামে সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়ে বিধান দেওয়া আছে, উত্তরাধিকার আইন রয়েছে। সেই আইন অনুযায়ী, আপনাকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার বিষয়টি ইসলামে জায়েজ নেই। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আপনার স্বামী যে বলেছেন, এইভাবে লিখে দেওয়ার বিষয়টি জায়েজ নেই—এটিই শুদ্ধ বক্তব্য।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অন্যান্য ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে তিনি আপনাকে জমি লিখে দেবেন—এটি তাঁর জন্য উচিত হবে না। যদি আপনাকে জমি লিখে দেন, তাহলে অন্যান্য ওয়ারিশদেরও তাঁকে জমি লিখে দিতে হবে। এই কাজটি মূলত শুদ্ধ নয়। এটি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিধানের মধ্যে হস্তক্ষেপ। আল্লাহতায়ালার বিধানের মধ্যে যদি কেউ হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই কাজটি হারাম হবে। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা''</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> আমি জমি-সংক্রান্ত ব্যাপারে কিছু জানতে চাই। সেটা হচ্ছে যে, আমার স্বামী খুশি হয়ে আমাকে তাঁর জায়গা-জমি থেকে যদি কিছু অংশ আমাকে লিখে দেয়, সেটি ইসলামে কতটুকু জায়েজ? </span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> ইসলামে সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়ে বিধান দেওয়া আছে, উত্তরাধিকার আইন রয়েছে। সেই আইন অনুযায়ী, আপনাকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার বিষয়টি ইসলামে জায়েজ নেই। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আপনার স্বামী যে বলেছেন, এইভাবে লিখে দেওয়ার বিষয়টি জায়েজ নেই—এটিই শুদ্ধ বক্তব্য।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অন্যান্য ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে তিনি আপনাকে জমি লিখে দেবেন—এটি তাঁর জন্য উচিত হবে না। যদি আপনাকে জমি লিখে দেন, তাহলে অন্যান্য ওয়ারিশদেরও তাঁকে জমি লিখে দিতে হবে। এই কাজটি মূলত শুদ্ধ নয়। এটি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিধানের মধ্যে হস্তক্ষেপ। আল্লাহতায়ালার বিধানের মধ্যে যদি কেউ হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই কাজটি হারাম হবে। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা''</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আকিকার মাংসের কোনো বণ্টন পদ্ধতি কি আছে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3214</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 05:23:08 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3214</guid>
			<description><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> আমার আকিকা-সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন আছে। সেটি হলো, আপনারা বলেছেন যে উত্তম হচ্ছে যাদের সামর্থ্য আছে, সাত দিনের মধ্যে আকিকাটি আদায় করে ফেলা। আকিকা দেওয়ার পর গোশত বণ্টনের ব্যাপারে নানা রকমের মত আছে। এ জন্য আকিকার সহিহ বণ্টন পদ্ধতি সম্পর্কে আমি জানতে চাই।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> আকিকা করার পর এর গোশত স্বাভাবিকভাবে নিজেরাও খেতে পারেন এবং আত্মীয়স্বজন, পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, ফকির-মিসকিনদের মধ্যেও বণ্টন করতে পারেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম রাসুলের (সা.) হাদিসের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়নি। যেহেতু এটি সবাইকে নিয়ে উৎসবের মতো একটি বিষয়, আনন্দের বিষয়, সে ক্ষেত্রে একান্ত যেসব আত্মীয়স্বজন আছে, তাদের সঙ্গে গোশত ভাগাভাগি করাই হচ্ছে উত্তম। এ ক্ষেত্রে আপনি আকিকার গোশত ভাগ করে লোকদের মধ্যে বণ্টন করে দিতে পারেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আরেকটি কাজও করা যেতে পারে। সেটি হলো আকিকার গোশত রান্না করে সবাইকে খাওয়ানোর আয়োজন করতে পারেন। বর্তমানে এই নিয়মটিই সমাজে দেখা যায়। এ দুটি পদ্ধতিই বৈধ। খাবারের আয়োজনও করা যাবে, আবার গোশত বণ্টনও করা যাবে। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা''</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রশ্ন :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> আমার আকিকা-সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন আছে। সেটি হলো, আপনারা বলেছেন যে উত্তম হচ্ছে যাদের সামর্থ্য আছে, সাত দিনের মধ্যে আকিকাটি আদায় করে ফেলা। আকিকা দেওয়ার পর গোশত বণ্টনের ব্যাপারে নানা রকমের মত আছে। এ জন্য আকিকার সহিহ বণ্টন পদ্ধতি সম্পর্কে আমি জানতে চাই।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">উত্তর :</span></span></span></span><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"> আকিকা করার পর এর গোশত স্বাভাবিকভাবে নিজেরাও খেতে পারেন এবং আত্মীয়স্বজন, পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, ফকির-মিসকিনদের মধ্যেও বণ্টন করতে পারেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম রাসুলের (সা.) হাদিসের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়নি। যেহেতু এটি সবাইকে নিয়ে উৎসবের মতো একটি বিষয়, আনন্দের বিষয়, সে ক্ষেত্রে একান্ত যেসব আত্মীয়স্বজন আছে, তাদের সঙ্গে গোশত ভাগাভাগি করাই হচ্ছে উত্তম। এ ক্ষেত্রে আপনি আকিকার গোশত ভাগ করে লোকদের মধ্যে বণ্টন করে দিতে পারেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আরেকটি কাজও করা যেতে পারে। সেটি হলো আকিকার গোশত রান্না করে সবাইকে খাওয়ানোর আয়োজন করতে পারেন। বর্তমানে এই নিয়মটিই সমাজে দেখা যায়। এ দুটি পদ্ধতিই বৈধ। খাবারের আয়োজনও করা যাবে, আবার গোশত বণ্টনও করা যাবে। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা''</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে আগামী ২ ডিসেম্বর]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3213</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 05:22:50 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3213</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আগামী ২ ডিসেম্বর শনিবার সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে রবিবার ১৪৩৯ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ২০ নভেম্বর পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আগামী ২১ নভেম্বর থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রবিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব আনিছুর রহমান।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব হাফিজুর রহমান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) মিজান-উল- আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী, ওয়াক্ফ প্রশাসক শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) শাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুর রহমান, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলীয়ার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিন আহমদ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লালবাগ শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা আবু রায়হান ও চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতীব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আগামী ২ ডিসেম্বর শনিবার সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে রবিবার ১৪৩৯ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ২০ নভেম্বর পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আগামী ২১ নভেম্বর থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রবিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব আনিছুর রহমান।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব হাফিজুর রহমান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) মিজান-উল- আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী, ওয়াক্ফ প্রশাসক শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) শাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুর রহমান, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলীয়ার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিন আহমদ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লালবাগ শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা আবু রায়হান ও চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতীব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[দাওয়াহ এর ফজিলত]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3202</link>
			<pubDate>Sat, 04 Nov 2017 17:04:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=639">bdyousufctg</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3202</guid>
			<description><![CDATA[আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।<br />
সম্মানিত দ্বীনি ভাইয়েরা কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। তো আমরা আজকে দাওয়াতের ফজিলত নিয়ে সামান্য কিছু আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।<br />
দাওয়াহ এর কাজ করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য আবশ্যক।<br />
➡ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ بَلِّغُوْا عَنِّى وَلَوْ اَيَةً<br />
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পক্ষ হতে (মানুষের কাছে) একটি বাক্য হলেও পৌছিয়ে দাও।<br />
➡<br />
উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত<br />
হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি<br />
ওয়াসাল্লাম বলেছেন,,, অর্থ: ‘‘তোমাদের<br />
মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই যে নিজে<br />
কুরআন শিক্ষা করে ও অপরকে শিক্ষা<br />
দেয়।’’ [বুখারী: ৫০২৭]<br />
সুন্দর কাজগুলো ও উত্তম কাজ গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হলো আল্লাহর দিকে আহবান করা।<br />
এটা হচ্ছে এমন এক মহান কাজ যে কাজগুলো নবী রাসূলদেরকে দিয়েছিলেন। আল্লাহ তারা তাঁর রাসূলকে লক্ষ্য করে বলেন<br />
ادْعُ إِلٰى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ۖ وَجٰدِلْهُم بِالَّتِى هِىَ أَحْسَنُ ۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ ۖ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ<br />
তুমি তোমরা রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহবান কর এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভাল করেই জানেন।(16:125)<br />
এই কাজের চেয়ে উওম কাজ আর কি হতে পারে।<br />
যে আমরা মানুষদেরকে আল্লাহর দিকে আহবান করব<br />
মানুষদেরকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর দাসত্বের দিকে আল্লাহর গোলামীর দিকে আল্লাহর এবাদতের দিকে ফিরিয়ে আনব। পথ হারা মানুষদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দিব গুনাহে নিমজ্জিত ব্যক্তিদেরকে হেদায়াত এর পথ দেখাবো<br />
আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কোরআনুল কারীমে ইরশাদ করেন ‘তার কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে<br />
পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে,<br />
সৎ কাজ করে এবং বলে আমি (আল্লাহর<br />
কাছে) আত্মসমর্পণকারীদের একজন।’ [হা-মিম<br />
আস্ সিজদাহ : ৩৩]<br />
হাদিসের মধ্যে দাওয়াতের অনেকগুলো ফজিলত বর্ণিত রয়েছে। খায়বারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আলী (রা) কে লক্ষ করে বলেছেন<br />
তোমার মাধ্যমে যদি আল্লাহ তায়ালা একজন লোককে ও যদি হেদায়াত দেন। তাহলে এটা তোমার জন্য একটা লাল উটের অপেক্ষায় অধিক উত্তম। অন্য হাদীসের মধ্যে বর্ণিত হয়েছে কেউ যদি কাউকে ভালো কাজের দিকে আহবান করে<br />
আর ওই ব্যক্তি যদি সে ভালো কাজটা করে<br />
তাহলে আহবানকারী ব্যক্তি ওই আমলকারী ব্যক্তির সমপরিমাণ সওয়াব পাবে।তাদের উভয়ের সাওয়াবের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কমবেশ করা হবে না।<br />
অর্থাৎ আপনার দাওয়াতের মাধ্যমে যদি কেউ ইসলামে প্রবেশ করে তাহলে সে ইসলামে প্রবেশ করার পর সে যত নেক আমল করবে তার সমপরিমাণ আপনার আমলনামায় ও লেখা হবে।<br />
মনে করুন কেউ নামাজ পড়তো না আপনার দাওয়াতের কারণে সে নামাজী হল তাহলে মনে<br />
রাখবেন সে জীবনে যত রাকাত নামাজ আদায় করবে তত রাকাত নামাজ আপনার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হবে। আপনাদের উভয়ের আমলের<br />
মধ্যে রকম কম বেশ করা হবে না।<br />
আপনারা যারা অনলাইন এ কাজ করেন তারা এই ব্যাপারটা ভালোই বুঝবেন<br />
আসলেই এটা ref link &amp; ref code এর মত।<br />
সুতরাং আসুন না আমরা এক একজন দ্বিনের দায়ী হয়ে ময়দানে অবতীর্ণ হই। আমরা আমাদের নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী মানুষের ধারে ধারে গিয়া পৌঁছিয়ে দিয়।<br />
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে দ্বিনের পথে আহবান করা তাওফীক দান করুন আমীন।<br />
<br />
<a href="https://facebook.com/groups/1772135029780998" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"> আল্লাহর দিকে আহবান </a><br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=215" target="_blank" title="">PicsArt_1509720333719.jpg</a> (Size: 80.8 KB / Downloads: 0)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।<br />
সম্মানিত দ্বীনি ভাইয়েরা কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। তো আমরা আজকে দাওয়াতের ফজিলত নিয়ে সামান্য কিছু আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।<br />
দাওয়াহ এর কাজ করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য আবশ্যক।<br />
➡ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ بَلِّغُوْا عَنِّى وَلَوْ اَيَةً<br />
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পক্ষ হতে (মানুষের কাছে) একটি বাক্য হলেও পৌছিয়ে দাও।<br />
➡<br />
উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত<br />
হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি<br />
ওয়াসাল্লাম বলেছেন,,, অর্থ: ‘‘তোমাদের<br />
মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই যে নিজে<br />
কুরআন শিক্ষা করে ও অপরকে শিক্ষা<br />
দেয়।’’ [বুখারী: ৫০২৭]<br />
সুন্দর কাজগুলো ও উত্তম কাজ গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হলো আল্লাহর দিকে আহবান করা।<br />
এটা হচ্ছে এমন এক মহান কাজ যে কাজগুলো নবী রাসূলদেরকে দিয়েছিলেন। আল্লাহ তারা তাঁর রাসূলকে লক্ষ্য করে বলেন<br />
ادْعُ إِلٰى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ۖ وَجٰدِلْهُم بِالَّتِى هِىَ أَحْسَنُ ۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ ۖ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ<br />
তুমি তোমরা রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহবান কর এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভাল করেই জানেন।(16:125)<br />
এই কাজের চেয়ে উওম কাজ আর কি হতে পারে।<br />
যে আমরা মানুষদেরকে আল্লাহর দিকে আহবান করব<br />
মানুষদেরকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর দাসত্বের দিকে আল্লাহর গোলামীর দিকে আল্লাহর এবাদতের দিকে ফিরিয়ে আনব। পথ হারা মানুষদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দিব গুনাহে নিমজ্জিত ব্যক্তিদেরকে হেদায়াত এর পথ দেখাবো<br />
আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কোরআনুল কারীমে ইরশাদ করেন ‘তার কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে<br />
পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে,<br />
সৎ কাজ করে এবং বলে আমি (আল্লাহর<br />
কাছে) আত্মসমর্পণকারীদের একজন।’ [হা-মিম<br />
আস্ সিজদাহ : ৩৩]<br />
হাদিসের মধ্যে দাওয়াতের অনেকগুলো ফজিলত বর্ণিত রয়েছে। খায়বারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আলী (রা) কে লক্ষ করে বলেছেন<br />
তোমার মাধ্যমে যদি আল্লাহ তায়ালা একজন লোককে ও যদি হেদায়াত দেন। তাহলে এটা তোমার জন্য একটা লাল উটের অপেক্ষায় অধিক উত্তম। অন্য হাদীসের মধ্যে বর্ণিত হয়েছে কেউ যদি কাউকে ভালো কাজের দিকে আহবান করে<br />
আর ওই ব্যক্তি যদি সে ভালো কাজটা করে<br />
তাহলে আহবানকারী ব্যক্তি ওই আমলকারী ব্যক্তির সমপরিমাণ সওয়াব পাবে।তাদের উভয়ের সাওয়াবের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কমবেশ করা হবে না।<br />
অর্থাৎ আপনার দাওয়াতের মাধ্যমে যদি কেউ ইসলামে প্রবেশ করে তাহলে সে ইসলামে প্রবেশ করার পর সে যত নেক আমল করবে তার সমপরিমাণ আপনার আমলনামায় ও লেখা হবে।<br />
মনে করুন কেউ নামাজ পড়তো না আপনার দাওয়াতের কারণে সে নামাজী হল তাহলে মনে<br />
রাখবেন সে জীবনে যত রাকাত নামাজ আদায় করবে তত রাকাত নামাজ আপনার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হবে। আপনাদের উভয়ের আমলের<br />
মধ্যে রকম কম বেশ করা হবে না।<br />
আপনারা যারা অনলাইন এ কাজ করেন তারা এই ব্যাপারটা ভালোই বুঝবেন<br />
আসলেই এটা ref link &amp; ref code এর মত।<br />
সুতরাং আসুন না আমরা এক একজন দ্বিনের দায়ী হয়ে ময়দানে অবতীর্ণ হই। আমরা আমাদের নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী মানুষের ধারে ধারে গিয়া পৌঁছিয়ে দিয়।<br />
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে দ্বিনের পথে আহবান করা তাওফীক দান করুন আমীন।<br />
<br />
<a href="https://facebook.com/groups/1772135029780998" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"> আল্লাহর দিকে আহবান </a><br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=215" target="_blank" title="">PicsArt_1509720333719.jpg</a> (Size: 80.8 KB / Downloads: 0)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[দেবরের সামনে কি পর্দা করতে হবে ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3131</link>
			<pubDate>Sun, 09 Jul 2017 18:38:32 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3131</guid>
			<description><![CDATA[নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ<br />
জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান<br />
‘আপনার জিজ্ঞাসা’।<br />
জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির<br />
জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর<br />
দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।<br />
আপনার জিজ্ঞাসার ১৯৭০তম পর্বে দেবরের সামনে<br />
পর্দা করতে হবে কি না, সে সম্পর্কে ঢাকার মধ্য<br />
বাড্ডা থেকে চিঠিতে জানতে চেয়েছেন তানজী<br />
আক্তার। অনুলিখনে ছিলেন জহুরা সুলতানা।<br />
প্রশ্ন : আমার বাসায় আমি, আমার স্বামী, আমার দুই<br />
দেবর (বয়স ২৮ ও ২৫ বছর) থাকি। আমার প্রশ্ন হলো,<br />
তাঁরা নামাজ পড়ে না এবং তাঁদের সামনে আমাকে<br />
যেতে হয়। এসব করলে আমার গুনাহ হবে কি?<br />
উত্তর : নামাজ পড়েন না, এমনটা তাঁদের বড় ধরনের<br />
আপরাধ। তাঁরা বড় ধরনের গুনাহ করছেন। তাতে<br />
কোনো সন্দেহ নেই। সালাত ত্যাগ করা কুফরি কাজ।<br />
তাই এই কুফরির কারণে অপরাধী তাঁরা।<br />
তাঁদের সামনে আপনি যাচ্ছেন, এটিও আপনার জন্য<br />
জায়েজ নেই। কারণ, আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন,<br />
দেবরের ব্যাপারে কী বক্তব্য? কারণ পরিবারের<br />
মধ্যে দেবরকে মূলত কাছাকাছি মনে করা হয়।<br />
আমাদের স্বাভাবিক সমাজের মধ্যে দেবরের সঙ্গে<br />
ওঠা-বসাটা একেবারেই স্বাভাবিক এবং আমরা<br />
অনেকেই মনে করে থাকি যে মনে হয় এখানে পর্দার<br />
কোনো বিধান নেই। এ জন্য বিশেষভাবে আল্লাহর<br />
নবীকে (সা.) প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ‘দেবরের<br />
ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?’<br />
যেহেতু দেবরের বিষয়টি তখনকার সময় থেকে আরম্ভ<br />
করে খুবই নিবিড় বিষয় ছিল। দেবরকে মনে করা হতো<br />
যে ছোট ভাই। স্বামীর ছোট ভাই, সে ক্ষেত্রে গুরুত্ব<br />
কম দেওয়া হতো।<br />
কিন্তু আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন, ‘দেবরের কথা<br />
বলছ? দেবর হচ্ছে একেবারেই মৃত্যুর সমতুল্য।’ সুতরাং<br />
মৃত্যু থেকে মানুষ যেমন সব সময় আশঙ্কা করে এবং<br />
সব সময় দূরে থাকার চেষ্টা করে, মানুষের<br />
স্বাভাবিক স্বভাবজাত অভ্যাস হচ্ছে যে, মৃত্যুর কথা<br />
শুনলেই সেখানে যাবে না। অনুরূপভাবে আল্লাহর<br />
নবী (সা.) স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটি মৃত্যুর সমতুল্য।<br />
তাই এটি ভয়ংকর বিষয়।<br />
এখানে তো পর্দা করতেই হবে; বরং আরো বেশি<br />
পর্দা করতে হবে, যেহেতু আল্লাহর নবী (সা.) বলে<br />
দিয়েছেন যে, এটি হলো মৃত্যুর বিষয়।<br />
আসলেই তাই। আপনি যদি দেখেন, বেশির ভাগ<br />
পারিবারিক অপরাধগুলো হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ যে<br />
অনাচারগুলো হচ্ছে, সেগুলো অধিকাংশই দেখা<br />
গিয়েছে ভাবী-দেবর সম্পর্কের মধ্যে। তাই এটি<br />
ইসলামী বিধানে একেবারেই নিষিদ্ধ কাজ, হারাম<br />
কাজ, কোনোভাবেই আপনার জন্য জায়েজ নেই যে,<br />
আপনি দেবরদের সামনে যাবেন। কিন্তু যদি দেবররা<br />
আপনার বাসায় থাকে, তাহলে পরিপূর্ণ পর্দা বজায়<br />
রেখে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, পরিপূর্ণ<br />
পর্দা বজায় রেখে তাঁরাও আপনার সঙ্গে কথা বলতে<br />
পারে, তাঁদের সহযোগিতা করতে পারেন বা তাঁরাও<br />
আপনাকে সহযোগিতা করতে পারে। তবে সে<br />
ক্ষেত্রে ইসলাম আপনাকে যেভাবে পর্দা দিয়েছে<br />
সেই পর্দার মধ্যে থেকে সেটা করতে হবে। অন্যথায়<br />
সব সময় এটি কবিরা গুনাহ হবে। এতে কোনো সন্দেহ<br />
নেই।<br />
সূত্রঃ এনটিভি]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ<br />
জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান<br />
‘আপনার জিজ্ঞাসা’।<br />
জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির<br />
জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর<br />
দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।<br />
আপনার জিজ্ঞাসার ১৯৭০তম পর্বে দেবরের সামনে<br />
পর্দা করতে হবে কি না, সে সম্পর্কে ঢাকার মধ্য<br />
বাড্ডা থেকে চিঠিতে জানতে চেয়েছেন তানজী<br />
আক্তার। অনুলিখনে ছিলেন জহুরা সুলতানা।<br />
প্রশ্ন : আমার বাসায় আমি, আমার স্বামী, আমার দুই<br />
দেবর (বয়স ২৮ ও ২৫ বছর) থাকি। আমার প্রশ্ন হলো,<br />
তাঁরা নামাজ পড়ে না এবং তাঁদের সামনে আমাকে<br />
যেতে হয়। এসব করলে আমার গুনাহ হবে কি?<br />
উত্তর : নামাজ পড়েন না, এমনটা তাঁদের বড় ধরনের<br />
আপরাধ। তাঁরা বড় ধরনের গুনাহ করছেন। তাতে<br />
কোনো সন্দেহ নেই। সালাত ত্যাগ করা কুফরি কাজ।<br />
তাই এই কুফরির কারণে অপরাধী তাঁরা।<br />
তাঁদের সামনে আপনি যাচ্ছেন, এটিও আপনার জন্য<br />
জায়েজ নেই। কারণ, আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন,<br />
দেবরের ব্যাপারে কী বক্তব্য? কারণ পরিবারের<br />
মধ্যে দেবরকে মূলত কাছাকাছি মনে করা হয়।<br />
আমাদের স্বাভাবিক সমাজের মধ্যে দেবরের সঙ্গে<br />
ওঠা-বসাটা একেবারেই স্বাভাবিক এবং আমরা<br />
অনেকেই মনে করে থাকি যে মনে হয় এখানে পর্দার<br />
কোনো বিধান নেই। এ জন্য বিশেষভাবে আল্লাহর<br />
নবীকে (সা.) প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ‘দেবরের<br />
ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?’<br />
যেহেতু দেবরের বিষয়টি তখনকার সময় থেকে আরম্ভ<br />
করে খুবই নিবিড় বিষয় ছিল। দেবরকে মনে করা হতো<br />
যে ছোট ভাই। স্বামীর ছোট ভাই, সে ক্ষেত্রে গুরুত্ব<br />
কম দেওয়া হতো।<br />
কিন্তু আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন, ‘দেবরের কথা<br />
বলছ? দেবর হচ্ছে একেবারেই মৃত্যুর সমতুল্য।’ সুতরাং<br />
মৃত্যু থেকে মানুষ যেমন সব সময় আশঙ্কা করে এবং<br />
সব সময় দূরে থাকার চেষ্টা করে, মানুষের<br />
স্বাভাবিক স্বভাবজাত অভ্যাস হচ্ছে যে, মৃত্যুর কথা<br />
শুনলেই সেখানে যাবে না। অনুরূপভাবে আল্লাহর<br />
নবী (সা.) স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটি মৃত্যুর সমতুল্য।<br />
তাই এটি ভয়ংকর বিষয়।<br />
এখানে তো পর্দা করতেই হবে; বরং আরো বেশি<br />
পর্দা করতে হবে, যেহেতু আল্লাহর নবী (সা.) বলে<br />
দিয়েছেন যে, এটি হলো মৃত্যুর বিষয়।<br />
আসলেই তাই। আপনি যদি দেখেন, বেশির ভাগ<br />
পারিবারিক অপরাধগুলো হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ যে<br />
অনাচারগুলো হচ্ছে, সেগুলো অধিকাংশই দেখা<br />
গিয়েছে ভাবী-দেবর সম্পর্কের মধ্যে। তাই এটি<br />
ইসলামী বিধানে একেবারেই নিষিদ্ধ কাজ, হারাম<br />
কাজ, কোনোভাবেই আপনার জন্য জায়েজ নেই যে,<br />
আপনি দেবরদের সামনে যাবেন। কিন্তু যদি দেবররা<br />
আপনার বাসায় থাকে, তাহলে পরিপূর্ণ পর্দা বজায়<br />
রেখে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, পরিপূর্ণ<br />
পর্দা বজায় রেখে তাঁরাও আপনার সঙ্গে কথা বলতে<br />
পারে, তাঁদের সহযোগিতা করতে পারেন বা তাঁরাও<br />
আপনাকে সহযোগিতা করতে পারে। তবে সে<br />
ক্ষেত্রে ইসলাম আপনাকে যেভাবে পর্দা দিয়েছে<br />
সেই পর্দার মধ্যে থেকে সেটা করতে হবে। অন্যথায়<br />
সব সময় এটি কবিরা গুনাহ হবে। এতে কোনো সন্দেহ<br />
নেই।<br />
সূত্রঃ এনটিভি]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঈদের নামাজ কি জামে মসজিদে হতে হবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3094</link>
			<pubDate>Sun, 25 Jun 2017 18:58:07 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3094</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : ঈদের নামাজ মসজিদে পড়লে সেটা জামে মসজিদ হতে হবে কি না?<br />
উত্তর : না, জামে মসজিদ না হলেও কোনো অসুবিধা নেই, মসজিদ হলেই যথেষ্ট। তবে মসজিদে ঈদের সালাত আদায় না করাই হচ্ছে সুন্নাহ। সুন্নাহ হচ্ছে ঈদগাহে আদায় করা। মসজিদে আদায় করাটা সুন্নাহ পরিপন্থী কাজ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : ঈদের নামাজ মসজিদে পড়লে সেটা জামে মসজিদ হতে হবে কি না?<br />
উত্তর : না, জামে মসজিদ না হলেও কোনো অসুবিধা নেই, মসজিদ হলেই যথেষ্ট। তবে মসজিদে ঈদের সালাত আদায় না করাই হচ্ছে সুন্নাহ। সুন্নাহ হচ্ছে ঈদগাহে আদায় করা। মসজিদে আদায় করাটা সুন্নাহ পরিপন্থী কাজ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আজ পবিত্র শবে কদরের রজনী। আসুন জেনে নিই পবিত্র শবে কদরের ফজিলত এবং এ রাতে আমাদের করণী]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3076</link>
			<pubDate>Thu, 22 Jun 2017 17:09:24 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=639">bdyousufctg</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3076</guid>
			<description><![CDATA[আসসালামু আলায়কুম। আশা করি সকলেই ভালো আছেন।<br />
আজ ২৬ রমজান। মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) মহিমান্বিত রজনী বা লাইলাতুল কদর তালাশ করার জন্য সম্ভাব্য যে পাঁচটি বেজোড় রাতের উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে আজকের দিবাগত সাতাশের রাতটি অন্যতম। অনেক ওলামায়ে কেরামদের মতে এই ২৬ তম দিবাগত রাতটি শবে কদরের রাত। মুসলমানদের কাছে শবে কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত।<br />
এ রাতের আর একটি গুরুত্ব হলো- এ পবিত্র.রাতেই কুরআন নাজিল হয়েছে। আর এই কুরআনের সাথেই মানুষের ভাগ্য জড়িয়ে আছে। এ জন্য কদরের আর একটি অর্থ হলো ভাগ্য। তা হলে লাইলাতুল কদরের অর্থ হয় ভাগ্যরজনী।<br />
লাইলাতুল কদরের ফজিলত<br />
এ রাত হাজার মাস থেকে উত্তম ও কল্যাণময় (কুরআন)। এ রাতেই পবিত্র কুরআন নাজিল করা হয়েছে (কুরআন)। এ রাতে ফেরেশতা নাজিল হয় এবং আবেদ বান্দাহদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। ফজর পর্যন্ত এ রাতে পুরোপুরি শান্তি ও নিরাপত্তার (কুরআন)। এ রাতে প্রত্যেকটি ব্যাপারে অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত ও সুদৃঢ় ফায়সালা জারি করা হয় (কুরাআন)। এ রাতে ইবাদতে মশগুল বান্দাহদের জন্য অবতরণকৃত ফেরেশতারা দোয়া করেন (হাদিস)।<br />
গুনাহ মাফ<br />
<br />
যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমান সহকারে ও আল্লাহর কাছ থেকে বড় শুভফল লাভের আশায় ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে, তার পেছনের সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে’ (বুখারি ও মুসলিম)। এ রাতের কল্যাণ থেকে একমাত্র হতভাগ্য লোক ছাড়া আর কেউ বঞ্চিত হয় না (ইবনে মাজাহ ও মিশকাত)।<br />
শবে কদরের রাতে আমাদের করণীয়<br />
১। পবিত্র কুরআন অধ্যায়ন করা মানবজাতির এই বিরাট নিয়ামতের কারণেই এ রাতের এত মর্যাদা ও ফজিলত। এই কুরআনকে ধারণ করলেই মানুষ সম্মানিত হবে, একটি দেশ ও জাতি মর্যাদাবান হবে; গোটা জাতির ভাগ্য বদলে যাবে। কাজেই এ রাতে অর্থ বুঝে কুরআন পড়তে হবে। কুরআনের শিক্ষাকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিষ্ঠার শপথ গ্রহণ করতে হবে। বাছাইকৃত কিছু আয়াত এ রাতে মুখস্থও করা যেতে পারে। যাদের কুরআনের ওপর প্রয়োজনীয় জ্ঞান রয়েছে তারা এ রাতে একটি দারসও প্রস্তুত করতে পারেন। কুরআনের এ গভীর অধ্যয়ন আমাদের সৌভগ্যের দ্বার খুলে দেবে।<br />
২। নফল নামাজঃ ন্যূনতম আট রাকাত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে। এ জন্য সাধারণ সুন্নতের নিয়মে ‘দুই রাকাত নফল পড়ছি’ এ নিয়তে নামাজ শুরু করে শেষ করতে হবে। এ জন্য সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা মেলালেই চলবে। বাজারে প্রচলিত কিছু বইতে ৩৩ বার সূরা আল কদর, ৩৩ বার ইখলাস ইত্যাদি উল্লেখ করে অহেতুক জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে। হজরত আশ্রাফ আলী থানবি র:, মাওলানা ইউসুফ ইসলাহী র: এবং এ পর্যায়ের বরেণ্য ফকিহরা এগুলো জরুরি মনে করেন না। এ ছাড়া সালাতুল তওবা, সালাতুল হাজত, সালাতুল তাসবিহ নামাজও আপনি পড়তে পারেন।<br />
৩। জিকির ও দোয়াঃ হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে বারবার পড়া যেতে পারে। ইস্তেগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) ও দরুদ আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে। হজরত আয়েশা রা: বলেন- আমি রাসূলুল্লাহ সা:-কে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ, যদি কোনো প্রকারে আমি জানতে পারি রাতটি লাইলাতুল কদর তাহলে কী দোয়া করব? জবাবে নবী সা: বলেন, এই দোয়া পড়বে- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্বুন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! তুমি বড়ই মাফ করনেওয়ালা এবং বড়ই অনুগ্রহশীল। মাফ করে দেয়াই তুমি পছন্দ করো। অতএব, তুমি আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দাও।’ হজরত আয়েশা রা:-কে শেখানো দোয়া আমরা আবেগের সাথে বারবার পড়ব।<br />
৩। মুনাজাতঃ মুনাজাতের মাধ্যমে বান্দাহর বন্দেগি ও আল্লাহর রবুবিয়াতের প্রকাশ ঘটে। বান্দাহ তার প্রভুর কাছে চায়। প্রভু এতে ভীষণ খুশি হন। মহন আল্লাহ তার বান্দাহর প্রতি এতটাই অনুগ্রহশীল যে, তিনি তার কাছে না চাইলে অসস্তুষ্ট হন। ‘যে আল্লাহর কাছে কিছু চায় না আল্লাহ তার ওপর রাগ করেন’ (তিরমিজি)। ‘দোয়া ইবাদতের মূল’ (আল হাদিস)। ‘যার জন্য দোয়ার দরজা খোলা তার জন্য রহমতের দরজাও খোলা রয়েছে’ (তিরমিজি)। কাজেই আমরা কায়মনোবাক্যে আল্লাহর দরবারে মুনাজাত করব, ক্ষমা চাইব, রহমত চাইব, জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাইব। মনের আবেগ নিয়ে চাইব। চোখের পানি ফেলে চাইব। আল্লাহ আমাদের হাত খালি হাতে ফেরাবেন না ইনশাআল্লাহ।<br />
উপরিউক্ত আমলের মাধ্যমে আমরা এ পবিত্র রাতগুলো কাটাতে পারি। লাইলাতুল কদর পাওয়ার তামান্না নিয়ে<br />
<br />
নিষ্ঠার সাথে অনুসন্ধান করলে আল্লাহ আমাদের বঞ্চিত করবেন না ইনশাআল্লাহ।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=180" target="_blank" title="">594bae500b2e4-150x150.jpg</a> (Size: 4.66 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আসসালামু আলায়কুম। আশা করি সকলেই ভালো আছেন।<br />
আজ ২৬ রমজান। মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) মহিমান্বিত রজনী বা লাইলাতুল কদর তালাশ করার জন্য সম্ভাব্য যে পাঁচটি বেজোড় রাতের উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে আজকের দিবাগত সাতাশের রাতটি অন্যতম। অনেক ওলামায়ে কেরামদের মতে এই ২৬ তম দিবাগত রাতটি শবে কদরের রাত। মুসলমানদের কাছে শবে কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত।<br />
এ রাতের আর একটি গুরুত্ব হলো- এ পবিত্র.রাতেই কুরআন নাজিল হয়েছে। আর এই কুরআনের সাথেই মানুষের ভাগ্য জড়িয়ে আছে। এ জন্য কদরের আর একটি অর্থ হলো ভাগ্য। তা হলে লাইলাতুল কদরের অর্থ হয় ভাগ্যরজনী।<br />
লাইলাতুল কদরের ফজিলত<br />
এ রাত হাজার মাস থেকে উত্তম ও কল্যাণময় (কুরআন)। এ রাতেই পবিত্র কুরআন নাজিল করা হয়েছে (কুরআন)। এ রাতে ফেরেশতা নাজিল হয় এবং আবেদ বান্দাহদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। ফজর পর্যন্ত এ রাতে পুরোপুরি শান্তি ও নিরাপত্তার (কুরআন)। এ রাতে প্রত্যেকটি ব্যাপারে অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত ও সুদৃঢ় ফায়সালা জারি করা হয় (কুরাআন)। এ রাতে ইবাদতে মশগুল বান্দাহদের জন্য অবতরণকৃত ফেরেশতারা দোয়া করেন (হাদিস)।<br />
গুনাহ মাফ<br />
<br />
যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমান সহকারে ও আল্লাহর কাছ থেকে বড় শুভফল লাভের আশায় ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে, তার পেছনের সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে’ (বুখারি ও মুসলিম)। এ রাতের কল্যাণ থেকে একমাত্র হতভাগ্য লোক ছাড়া আর কেউ বঞ্চিত হয় না (ইবনে মাজাহ ও মিশকাত)।<br />
শবে কদরের রাতে আমাদের করণীয়<br />
১। পবিত্র কুরআন অধ্যায়ন করা মানবজাতির এই বিরাট নিয়ামতের কারণেই এ রাতের এত মর্যাদা ও ফজিলত। এই কুরআনকে ধারণ করলেই মানুষ সম্মানিত হবে, একটি দেশ ও জাতি মর্যাদাবান হবে; গোটা জাতির ভাগ্য বদলে যাবে। কাজেই এ রাতে অর্থ বুঝে কুরআন পড়তে হবে। কুরআনের শিক্ষাকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিষ্ঠার শপথ গ্রহণ করতে হবে। বাছাইকৃত কিছু আয়াত এ রাতে মুখস্থও করা যেতে পারে। যাদের কুরআনের ওপর প্রয়োজনীয় জ্ঞান রয়েছে তারা এ রাতে একটি দারসও প্রস্তুত করতে পারেন। কুরআনের এ গভীর অধ্যয়ন আমাদের সৌভগ্যের দ্বার খুলে দেবে।<br />
২। নফল নামাজঃ ন্যূনতম আট রাকাত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে। এ জন্য সাধারণ সুন্নতের নিয়মে ‘দুই রাকাত নফল পড়ছি’ এ নিয়তে নামাজ শুরু করে শেষ করতে হবে। এ জন্য সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা মেলালেই চলবে। বাজারে প্রচলিত কিছু বইতে ৩৩ বার সূরা আল কদর, ৩৩ বার ইখলাস ইত্যাদি উল্লেখ করে অহেতুক জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে। হজরত আশ্রাফ আলী থানবি র:, মাওলানা ইউসুফ ইসলাহী র: এবং এ পর্যায়ের বরেণ্য ফকিহরা এগুলো জরুরি মনে করেন না। এ ছাড়া সালাতুল তওবা, সালাতুল হাজত, সালাতুল তাসবিহ নামাজও আপনি পড়তে পারেন।<br />
৩। জিকির ও দোয়াঃ হাদিসে যে দোয়া ও জিকিরের অধিক ফজিলতের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে কয়েকটি নির্বাচিত করে অর্থ বুঝে বারবার পড়া যেতে পারে। ইস্তেগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) ও দরুদ আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়। কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার ও ১০০ বার দরুদ পড়া যেতে পারে। হজরত আয়েশা রা: বলেন- আমি রাসূলুল্লাহ সা:-কে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ, যদি কোনো প্রকারে আমি জানতে পারি রাতটি লাইলাতুল কদর তাহলে কী দোয়া করব? জবাবে নবী সা: বলেন, এই দোয়া পড়বে- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্বুন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! তুমি বড়ই মাফ করনেওয়ালা এবং বড়ই অনুগ্রহশীল। মাফ করে দেয়াই তুমি পছন্দ করো। অতএব, তুমি আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দাও।’ হজরত আয়েশা রা:-কে শেখানো দোয়া আমরা আবেগের সাথে বারবার পড়ব।<br />
৩। মুনাজাতঃ মুনাজাতের মাধ্যমে বান্দাহর বন্দেগি ও আল্লাহর রবুবিয়াতের প্রকাশ ঘটে। বান্দাহ তার প্রভুর কাছে চায়। প্রভু এতে ভীষণ খুশি হন। মহন আল্লাহ তার বান্দাহর প্রতি এতটাই অনুগ্রহশীল যে, তিনি তার কাছে না চাইলে অসস্তুষ্ট হন। ‘যে আল্লাহর কাছে কিছু চায় না আল্লাহ তার ওপর রাগ করেন’ (তিরমিজি)। ‘দোয়া ইবাদতের মূল’ (আল হাদিস)। ‘যার জন্য দোয়ার দরজা খোলা তার জন্য রহমতের দরজাও খোলা রয়েছে’ (তিরমিজি)। কাজেই আমরা কায়মনোবাক্যে আল্লাহর দরবারে মুনাজাত করব, ক্ষমা চাইব, রহমত চাইব, জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাইব। মনের আবেগ নিয়ে চাইব। চোখের পানি ফেলে চাইব। আল্লাহ আমাদের হাত খালি হাতে ফেরাবেন না ইনশাআল্লাহ।<br />
উপরিউক্ত আমলের মাধ্যমে আমরা এ পবিত্র রাতগুলো কাটাতে পারি। লাইলাতুল কদর পাওয়ার তামান্না নিয়ে<br />
<br />
নিষ্ঠার সাথে অনুসন্ধান করলে আল্লাহ আমাদের বঞ্চিত করবেন না ইনশাআল্লাহ।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=180" target="_blank" title="">594bae500b2e4-150x150.jpg</a> (Size: 4.66 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যে ঈমানদারগনের জন্য রেখেছেন আল্লাহর রহমতের সুসংবাদ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3060</link>
			<pubDate>Sun, 18 Jun 2017 13:55:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3060</guid>
			<description><![CDATA[আল্লাহ তাআলার প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান গ্রহণ করার<br />
পর তাঁর সন্তুষ্টি লাভে যারা প্রিয় মাতৃভূমি ও<br />
বাড়ি-ঘর পরিত্যাগ করে অন্যত্র হিজতর করেছে;<br />
নিজেদের জীবন এবং সম্পদ দ্বারা আল্লাহর পথে<br />
সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে।<br />
তাদের জন্য আল্লাহ তাআলা আয়াত নাজিল করে<br />
তাদের প্রতি রহমত বর্ষণের বিষয়টি আশ্বস্ত<br />
করেছেন। তাঁরাই আল্লাহ তাআলার রহমত ও ক্ষমা<br />
লাভে ধন্য হবে। আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারিমে<br />
এ বিষয়টি এভাবে তুলে ধরেছেন-<br />
আয়াত পরিচিতি ও নাজিলের কারণ :<br />
সুরা বাকারার ২১৮ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা<br />
ঈমানদার বান্দাদেরকে এ মর্মে অনুপ্রাণিত করেছেন<br />
যে, হারাম মাসে যুদ্ধ করার কারণে তোমাদের<br />
প্রতি কোনো শাস্তি প্রদান করা হবে না।<br />
তারপরও যুদ্ধ পরিচালনাকারী সাহাবায়ে কেরামের<br />
মনে ভয় ছিল যে, যুদ্ধের কারণে তাদের কোনো<br />
শাস্তি হবে না ঠিকই কিন্তু তাঁরা যে কষ্ট করে<br />
আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জিহাদে অংশ গ্রহণ<br />
করেছে তা কি একেবারেই ব্যর্থ হয়ে যাবে? তাঁরা<br />
কি জিহাদে অংশ গ্রহণের কোনো সাওয়াব পাবে<br />
না?<br />
প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের<br />
দরবারে সাহাবায়ে কেরাম যখন প্রশ্ন উত্থাপন<br />
করেন, তখন এ আয়াত নাজিল হয়।<br />
আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ<br />
তাআলা নেক বান্দাদের কাজের বিনিময় বিনষ্ট<br />
করেন না।’ তাই সুরা বাকারার ২১৮নং আয়াত নাজিল<br />
করে ইসলামের জন্য ঘর-বাড়ি ত্যাগকারী ও জিহাদে<br />
অংশগ্রহণকারী সাহাবায়ে কেরামের প্রতি<br />
সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে।<br />
জীবন ও সম্পদ দিয়ে আল্লাহ রাস্তায় কাজ করা<br />
হচ্ছে সর্বোচ্চ ত্যাগ। আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে<br />
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ ও<br />
সময় ব্যয় করা একান্ত আবশ্যক।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আল্লাহ তাআলার প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান গ্রহণ করার<br />
পর তাঁর সন্তুষ্টি লাভে যারা প্রিয় মাতৃভূমি ও<br />
বাড়ি-ঘর পরিত্যাগ করে অন্যত্র হিজতর করেছে;<br />
নিজেদের জীবন এবং সম্পদ দ্বারা আল্লাহর পথে<br />
সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে।<br />
তাদের জন্য আল্লাহ তাআলা আয়াত নাজিল করে<br />
তাদের প্রতি রহমত বর্ষণের বিষয়টি আশ্বস্ত<br />
করেছেন। তাঁরাই আল্লাহ তাআলার রহমত ও ক্ষমা<br />
লাভে ধন্য হবে। আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারিমে<br />
এ বিষয়টি এভাবে তুলে ধরেছেন-<br />
আয়াত পরিচিতি ও নাজিলের কারণ :<br />
সুরা বাকারার ২১৮ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা<br />
ঈমানদার বান্দাদেরকে এ মর্মে অনুপ্রাণিত করেছেন<br />
যে, হারাম মাসে যুদ্ধ করার কারণে তোমাদের<br />
প্রতি কোনো শাস্তি প্রদান করা হবে না।<br />
তারপরও যুদ্ধ পরিচালনাকারী সাহাবায়ে কেরামের<br />
মনে ভয় ছিল যে, যুদ্ধের কারণে তাদের কোনো<br />
শাস্তি হবে না ঠিকই কিন্তু তাঁরা যে কষ্ট করে<br />
আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জিহাদে অংশ গ্রহণ<br />
করেছে তা কি একেবারেই ব্যর্থ হয়ে যাবে? তাঁরা<br />
কি জিহাদে অংশ গ্রহণের কোনো সাওয়াব পাবে<br />
না?<br />
প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের<br />
দরবারে সাহাবায়ে কেরাম যখন প্রশ্ন উত্থাপন<br />
করেন, তখন এ আয়াত নাজিল হয়।<br />
আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ<br />
তাআলা নেক বান্দাদের কাজের বিনিময় বিনষ্ট<br />
করেন না।’ তাই সুরা বাকারার ২১৮নং আয়াত নাজিল<br />
করে ইসলামের জন্য ঘর-বাড়ি ত্যাগকারী ও জিহাদে<br />
অংশগ্রহণকারী সাহাবায়ে কেরামের প্রতি<br />
সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে।<br />
জীবন ও সম্পদ দিয়ে আল্লাহ রাস্তায় কাজ করা<br />
হচ্ছে সর্বোচ্চ ত্যাগ। আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে<br />
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ ও<br />
সময় ব্যয় করা একান্ত আবশ্যক।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ক্বদর রাতের এবাদত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3058</link>
			<pubDate>Sat, 17 Jun 2017 16:03:14 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3058</guid>
			<description><![CDATA[দেখতে দেখতে মাহে রমজানের শেষ দশকে এসে<br />
আমরা পৌঁছেছি। আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নেওয়ার<br />
প্রস্তুতি শুরু করেছে রমজান। নাজাতের এ দশকে<br />
আমাদের বেশি বেশি ইবাদত করে রাব্বুল আলামিনের কাছ<br />
থেকে ক্ষমা লাভ করতে হবে। বিশেষ করে এ মাসে<br />
রয়েছে বিশেষ একটি রাত যা হাজার মাসের রাতের চেয়ে<br />
উত্তম। এ রাতটি হচ্ছে ক্বদরের রাত। মোমিন-মুসলমানের<br />
ক্ষমা পাওয়ার অপূর্ব সুযোগ রয়েছে এ রাতে ।<br />
ক্বদরের রাত ভাগ্য ও মর্যাদার রাত। আল্লাহর অশেষ<br />
কল্যাণের বারি বর্ষিত হয় এ রাতে। এ প্রসঙ্গে রাব্বুল<br />
আলামিন পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘আমি এই<br />
কোরআনকে এক বরকতময় ও মর্যাদাসম্পন্ন রাতে নাজিল<br />
করেছি, কারণ আমি লোকদের সতর্ক করতে<br />
চেয়েছিলাম। এই রাতে সকল বিজ্ঞ ও হেকমতপূর্ণ<br />
বিষয়ের ফয়সালা করা হয়।’ (সূরা দোখান)<br />
এ রাতের ইবাদতের সওয়াব ও পুরস্কার অনেক বেশি। এ<br />
রাতের এবাদতকে হাজার মাসের চাইতেও উত্তম বলা<br />
হয়েছে।<br />
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনের সূরা ক্বদরে<br />
বলেছেন- ‘আমি একে (কুরআন) অবর্তীণ করেছি শবে<br />
কদরে। তুমি কি জান কদরের রাত কি? ক্বদরের রাত এক হাজার<br />
মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এ রাতে আল্লাহর হুকুমে<br />
ফেরেশতাগণ এবং হযরত জিবরাইল (আ.) দুনিয়ার সকল<br />
কল্যাণকর জিনিস নিয়ে অবর্তীণ হন এবং সূর্যোদয়ের আগ<br />
পর্যন্ত সারারাতব্যাপী শান্তি ও রহমত বিদ্যমান থাকে।<br />
ক্বদর রাতের ফজিলত সম্পর্কে হযরত আবু হোরায়রা (রা.)<br />
থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- যে ক্বদরের<br />
রাতে ঈমান ও সওয়াবের নিয়তে নামাজ পড়ে, তার<br />
অতীতের সব সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (বোখারি ও<br />
মুসলিম) রমজানের শেষ দশকে নবী করিম (সা.) স্ত্রী-<br />
পরিবার সহ সারা রাত জেগে ইবাদত করতেন। উম্মুল মুমিনীন<br />
হযরত আয়েশা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /> হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- ‘রমজানের<br />
শেষ দশক শুরু হলে রাসূল (সা.)ক্বদরের রাত লাভের<br />
উদ্দেশ্যে পূর্ণ প্রস্তুতি নিতেন, নিজে সারা রাত জাগতেন<br />
এবং পরিবারকেও জাগাতেন।’ (বোখারি ও মুসলিম)<br />
রাসূল (সা.) রমজানে শেষ দশকে যত বেশি পরিশ্রম<br />
করতেন অন্য কখনো করতেন না। হযরত আয়েশা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /><br />
হতে বর্ণিত।<br />
তিনি বলেন- (সা.) রমজানের শেষ দশকে (ইবাদত-<br />
বন্দেগীতে) যে পরিমাণ পরিশ্রম করতেন অন্য কখনো<br />
করতেন না।’ (মুসলিম)<br />
ক্বদর রাতে করণীয় : ক্বদর রাতের মর্যাদা লাভের<br />
উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ পালন করতে হবে<br />
এবং অন্যান্য সুন্নত, নফল ও মোস্তাহাব কাজ আদায় করতে<br />
হবে।<br />
এর মধ্যে মাগরিব ও এশার নামাজ জামায়াতে আদায় করতে<br />
হবে এবং তারাবি, বিতর, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, তওবা<br />
এস্তগফার ও দোয়া করতে হবে। রাব্বুল আলামিনে কাছে<br />
কান্নাকাটি করতে হবে এবং পূর্ণ এখলাস ও আন্তরিকতার<br />
সঙ্গে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে<br />
ইবাদত করতে হবে।<br />
এ প্রসঙ্গে হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল<br />
(সা.) বলেছেন- ‘যে রমজানে এশার নামাজ জামাআত<br />
সহকারে আদায় করে ও সে ক্বদরের রাতের ফজিলত লাভ<br />
করে। অপর এক হাদিসে এসেছে, আবু হোরায়রা (রা.)<br />
থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- রমজানে এমন এক<br />
রাত আছে যার ইবাদত হাজার মাসের এবাদত অপেক্ষা উত্তম।<br />
যে এইর রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে সে<br />
অবশ্য বঞ্চিতের কাতারে আছে।’ (নাসাঈ ও মুসনাদ)<br />
ক্বদরের রাতে কি দোয়া পড়া উচিত এ মর্মে হযরত<br />
আয়েশা (রা.)-এর এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলে করিম (সা.)<br />
বলেছেন, এই দোয়া পড়- ‘হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল,<br />
ক্ষমাকে পছন্দ কর। সুতরাং আমাকে ক্ষমা ও মাফ করে দাও ‘<br />
ক্বদরের রাত নির্ধারণ : এ রাত হবে রমজানের শেষ<br />
দশকের বেজোড় রাতে। এ সম্পর্কে হযরত আয়েশা<br />
(রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /> হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল (সা.) বলেছেন,<br />
‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে<br />
লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।’<br />
আমাদের দেশে সাধারণত: মানুষ শুধু রমজানের ২৭ তারিখে<br />
রাত জেগে ইবাদত বন্দেগী করে এবং ধারণা করে এ<br />
রাতেই শবে কদর অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এ ধারণা, সুন্নতের<br />
সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ, আয়েশা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" />-এর উক্ত বর্ণনা<br />
অনুযায়ী শেষ দশকের বেজোড় রাতে তা তালাশ<br />
করতে বরা হয়েছে।<br />
হযরত আবু হুরায়রা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /> হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন-<br />
স্বপ্নে আমাকে লাইলাতুল ক্বদর দেখানো হল। কিন্তু<br />
আমার এক স্ত্রী আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দেয়ায়<br />
আমি তা ভুলে গিয়েছি।<br />
অতএব, তোমরা তা রামাযানের শেষ দশকে অনুসন্ধান কর।’<br />
কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, দু ব্যক্তির বিবাদের<br />
কারণে রাসূল (সা.) তা ভুলে গেছেন।<br />
কোনো কোনো বর্ণনায় রমজানের শেষ সাত দিনের<br />
বেজড় রাতে শবে ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে<br />
উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন- হযরত ইবনে উমর (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /><br />
হতে বর্ণিত যে, কয়েকজন সাহাবি স্বপ্নযোগে<br />
রমজানের শেষ সাত রাতে শবে কদর হতে<br />
দেখেছেন। সাহাবিদের এ স্বপ্নের কথা জানতে পেরে<br />
নবী করিম (সা.) বলেন- ‘আমি দেখছি তোমাদের<br />
স্বপ্নগুলো মিলে যাচ্ছে শেষ সাত রাতে। অতএব কেউ<br />
চাইলে শেষ সাত রাতে লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান করতে<br />
পারে।’ (সহিহ বোখারি ও মুসলিম)<br />
কোন কোন সালাফে-সালেহীন ২৭ রাত শবে কদর<br />
হওয়ার অধিক সম্ভাবনাময় বলে উল্লেখ করেছেন।<br />
সাহাবিদের মধ্যে ইবনে আব্বাস (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" />, মুআবিয়া, উবাই ইবনে<br />
কা’ব (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" />-এর মতামত থেকে এটাই বোঝা যায়।<br />
কিন্তু রাসূল (সা.) থেকে এভাবে নির্দিষ্টকরে লাইলাতুল<br />
ক্বদর হওয়ার কোনো দলিল বা হাদিস নাই। তাই উপরোক্ত<br />
সাহাবিদের কথার ওপর ভিত্তি করে বড় জোর ২৭ রাতে শবে<br />
ক্বদর হওয়াকে অধিক সম্ভাবনাময় বলা যেতে পারে।<br />
নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। সঠিক কথা হলো- শবে ক্বদর<br />
কখনো ২১, কখনো ২৩, কখনো ২৫, কখনো ২৭ আবার<br />
কখনো ২৯ রাতে হতে পারে।<br />
সুতরাং শুধু ২৭ তারিখ নয় বরং কোন ব্যক্তি যদি রামজানের শেষ<br />
দশকের উপরোক্ত পাঁচটি রাত জাগ্রত হয়ে ইবাদত-<br />
বন্দেগী করে তবে নিশ্চিতভাবে শবে কদর পাবে।<br />
কিন্তু শুধু সাতাইশ রাত জাগলে শবে কদর পাবে তার কোন<br />
নিশ্চয়তা নাই। বরং অন্যান্য রাত বাদ দিয়ে শুধু সাতাইশ রাত উদযাপন<br />
করা ঠিক নয়। রাব্বুল আলামিন আমাদের সঠিকভাবে ক্বদরের<br />
রাত অনুসন্ধান ও ইবাদত-বন্দেগী করে নাজাত লাভের<br />
তাওফিক দান করুন।<br />
-আমিন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দেখতে দেখতে মাহে রমজানের শেষ দশকে এসে<br />
আমরা পৌঁছেছি। আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নেওয়ার<br />
প্রস্তুতি শুরু করেছে রমজান। নাজাতের এ দশকে<br />
আমাদের বেশি বেশি ইবাদত করে রাব্বুল আলামিনের কাছ<br />
থেকে ক্ষমা লাভ করতে হবে। বিশেষ করে এ মাসে<br />
রয়েছে বিশেষ একটি রাত যা হাজার মাসের রাতের চেয়ে<br />
উত্তম। এ রাতটি হচ্ছে ক্বদরের রাত। মোমিন-মুসলমানের<br />
ক্ষমা পাওয়ার অপূর্ব সুযোগ রয়েছে এ রাতে ।<br />
ক্বদরের রাত ভাগ্য ও মর্যাদার রাত। আল্লাহর অশেষ<br />
কল্যাণের বারি বর্ষিত হয় এ রাতে। এ প্রসঙ্গে রাব্বুল<br />
আলামিন পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘আমি এই<br />
কোরআনকে এক বরকতময় ও মর্যাদাসম্পন্ন রাতে নাজিল<br />
করেছি, কারণ আমি লোকদের সতর্ক করতে<br />
চেয়েছিলাম। এই রাতে সকল বিজ্ঞ ও হেকমতপূর্ণ<br />
বিষয়ের ফয়সালা করা হয়।’ (সূরা দোখান)<br />
এ রাতের ইবাদতের সওয়াব ও পুরস্কার অনেক বেশি। এ<br />
রাতের এবাদতকে হাজার মাসের চাইতেও উত্তম বলা<br />
হয়েছে।<br />
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনের সূরা ক্বদরে<br />
বলেছেন- ‘আমি একে (কুরআন) অবর্তীণ করেছি শবে<br />
কদরে। তুমি কি জান কদরের রাত কি? ক্বদরের রাত এক হাজার<br />
মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এ রাতে আল্লাহর হুকুমে<br />
ফেরেশতাগণ এবং হযরত জিবরাইল (আ.) দুনিয়ার সকল<br />
কল্যাণকর জিনিস নিয়ে অবর্তীণ হন এবং সূর্যোদয়ের আগ<br />
পর্যন্ত সারারাতব্যাপী শান্তি ও রহমত বিদ্যমান থাকে।<br />
ক্বদর রাতের ফজিলত সম্পর্কে হযরত আবু হোরায়রা (রা.)<br />
থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- যে ক্বদরের<br />
রাতে ঈমান ও সওয়াবের নিয়তে নামাজ পড়ে, তার<br />
অতীতের সব সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (বোখারি ও<br />
মুসলিম) রমজানের শেষ দশকে নবী করিম (সা.) স্ত্রী-<br />
পরিবার সহ সারা রাত জেগে ইবাদত করতেন। উম্মুল মুমিনীন<br />
হযরত আয়েশা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /> হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- ‘রমজানের<br />
শেষ দশক শুরু হলে রাসূল (সা.)ক্বদরের রাত লাভের<br />
উদ্দেশ্যে পূর্ণ প্রস্তুতি নিতেন, নিজে সারা রাত জাগতেন<br />
এবং পরিবারকেও জাগাতেন।’ (বোখারি ও মুসলিম)<br />
রাসূল (সা.) রমজানে শেষ দশকে যত বেশি পরিশ্রম<br />
করতেন অন্য কখনো করতেন না। হযরত আয়েশা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /><br />
হতে বর্ণিত।<br />
তিনি বলেন- (সা.) রমজানের শেষ দশকে (ইবাদত-<br />
বন্দেগীতে) যে পরিমাণ পরিশ্রম করতেন অন্য কখনো<br />
করতেন না।’ (মুসলিম)<br />
ক্বদর রাতে করণীয় : ক্বদর রাতের মর্যাদা লাভের<br />
উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ পালন করতে হবে<br />
এবং অন্যান্য সুন্নত, নফল ও মোস্তাহাব কাজ আদায় করতে<br />
হবে।<br />
এর মধ্যে মাগরিব ও এশার নামাজ জামায়াতে আদায় করতে<br />
হবে এবং তারাবি, বিতর, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, তওবা<br />
এস্তগফার ও দোয়া করতে হবে। রাব্বুল আলামিনে কাছে<br />
কান্নাকাটি করতে হবে এবং পূর্ণ এখলাস ও আন্তরিকতার<br />
সঙ্গে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে<br />
ইবাদত করতে হবে।<br />
এ প্রসঙ্গে হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল<br />
(সা.) বলেছেন- ‘যে রমজানে এশার নামাজ জামাআত<br />
সহকারে আদায় করে ও সে ক্বদরের রাতের ফজিলত লাভ<br />
করে। অপর এক হাদিসে এসেছে, আবু হোরায়রা (রা.)<br />
থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- রমজানে এমন এক<br />
রাত আছে যার ইবাদত হাজার মাসের এবাদত অপেক্ষা উত্তম।<br />
যে এইর রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে সে<br />
অবশ্য বঞ্চিতের কাতারে আছে।’ (নাসাঈ ও মুসনাদ)<br />
ক্বদরের রাতে কি দোয়া পড়া উচিত এ মর্মে হযরত<br />
আয়েশা (রা.)-এর এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলে করিম (সা.)<br />
বলেছেন, এই দোয়া পড়- ‘হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল,<br />
ক্ষমাকে পছন্দ কর। সুতরাং আমাকে ক্ষমা ও মাফ করে দাও ‘<br />
ক্বদরের রাত নির্ধারণ : এ রাত হবে রমজানের শেষ<br />
দশকের বেজোড় রাতে। এ সম্পর্কে হযরত আয়েশা<br />
(রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /> হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূল (সা.) বলেছেন,<br />
‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে<br />
লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর।’<br />
আমাদের দেশে সাধারণত: মানুষ শুধু রমজানের ২৭ তারিখে<br />
রাত জেগে ইবাদত বন্দেগী করে এবং ধারণা করে এ<br />
রাতেই শবে কদর অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এ ধারণা, সুন্নতের<br />
সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ, আয়েশা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" />-এর উক্ত বর্ণনা<br />
অনুযায়ী শেষ দশকের বেজোড় রাতে তা তালাশ<br />
করতে বরা হয়েছে।<br />
হযরত আবু হুরায়রা (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /> হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন-<br />
স্বপ্নে আমাকে লাইলাতুল ক্বদর দেখানো হল। কিন্তু<br />
আমার এক স্ত্রী আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দেয়ায়<br />
আমি তা ভুলে গিয়েছি।<br />
অতএব, তোমরা তা রামাযানের শেষ দশকে অনুসন্ধান কর।’<br />
কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, দু ব্যক্তির বিবাদের<br />
কারণে রাসূল (সা.) তা ভুলে গেছেন।<br />
কোনো কোনো বর্ণনায় রমজানের শেষ সাত দিনের<br />
বেজড় রাতে শবে ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে<br />
উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন- হযরত ইবনে উমর (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" /><br />
হতে বর্ণিত যে, কয়েকজন সাহাবি স্বপ্নযোগে<br />
রমজানের শেষ সাত রাতে শবে কদর হতে<br />
দেখেছেন। সাহাবিদের এ স্বপ্নের কথা জানতে পেরে<br />
নবী করিম (সা.) বলেন- ‘আমি দেখছি তোমাদের<br />
স্বপ্নগুলো মিলে যাচ্ছে শেষ সাত রাতে। অতএব কেউ<br />
চাইলে শেষ সাত রাতে লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান করতে<br />
পারে।’ (সহিহ বোখারি ও মুসলিম)<br />
কোন কোন সালাফে-সালেহীন ২৭ রাত শবে কদর<br />
হওয়ার অধিক সম্ভাবনাময় বলে উল্লেখ করেছেন।<br />
সাহাবিদের মধ্যে ইবনে আব্বাস (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" />, মুআবিয়া, উবাই ইবনে<br />
কা’ব (রা<img src="http://forums.likebd.com/images/smilies/smile.png" alt="Smile" title="Smile" class="smilie smilie_1" />-এর মতামত থেকে এটাই বোঝা যায়।<br />
কিন্তু রাসূল (সা.) থেকে এভাবে নির্দিষ্টকরে লাইলাতুল<br />
ক্বদর হওয়ার কোনো দলিল বা হাদিস নাই। তাই উপরোক্ত<br />
সাহাবিদের কথার ওপর ভিত্তি করে বড় জোর ২৭ রাতে শবে<br />
ক্বদর হওয়াকে অধিক সম্ভাবনাময় বলা যেতে পারে।<br />
নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। সঠিক কথা হলো- শবে ক্বদর<br />
কখনো ২১, কখনো ২৩, কখনো ২৫, কখনো ২৭ আবার<br />
কখনো ২৯ রাতে হতে পারে।<br />
সুতরাং শুধু ২৭ তারিখ নয় বরং কোন ব্যক্তি যদি রামজানের শেষ<br />
দশকের উপরোক্ত পাঁচটি রাত জাগ্রত হয়ে ইবাদত-<br />
বন্দেগী করে তবে নিশ্চিতভাবে শবে কদর পাবে।<br />
কিন্তু শুধু সাতাইশ রাত জাগলে শবে কদর পাবে তার কোন<br />
নিশ্চয়তা নাই। বরং অন্যান্য রাত বাদ দিয়ে শুধু সাতাইশ রাত উদযাপন<br />
করা ঠিক নয়। রাব্বুল আলামিন আমাদের সঠিকভাবে ক্বদরের<br />
রাত অনুসন্ধান ও ইবাদত-বন্দেগী করে নাজাত লাভের<br />
তাওফিক দান করুন।<br />
-আমিন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ফজরের নামাজ না পড়লে কি রোজা ভেঙে যায়?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3053</link>
			<pubDate>Fri, 16 Jun 2017 19:52:44 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3053</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : ফজরের নামাজ না পড়লে কি রোজা ভঙ্গ হয়ে<br />
যাবে? এটা কতটুকু সত্যি?<br />
উত্তর : না, এই কথা কে বলেছে, আমার জানা নেই। এই কথা,<br />
এই বক্তব্য কোনো ফতোয়া বা কিতাবের মধ্যে<br />
এসেছে বলে আমার জানা নেই। তবে ফজরের সালাত যদি<br />
ইচ্ছাকৃতভাবে পরিহার করে থাকেন, তাহলে তিনি বড় ধরনের<br />
গুনাহগার হবেন। কারণ, ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করা কুফরি<br />
কাজ।<br />
রমজানের সঙ্গে ফজর নামাজ ত্যাগের বিষয়টি যায় না, মানায় না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : ফজরের নামাজ না পড়লে কি রোজা ভঙ্গ হয়ে<br />
যাবে? এটা কতটুকু সত্যি?<br />
উত্তর : না, এই কথা কে বলেছে, আমার জানা নেই। এই কথা,<br />
এই বক্তব্য কোনো ফতোয়া বা কিতাবের মধ্যে<br />
এসেছে বলে আমার জানা নেই। তবে ফজরের সালাত যদি<br />
ইচ্ছাকৃতভাবে পরিহার করে থাকেন, তাহলে তিনি বড় ধরনের<br />
গুনাহগার হবেন। কারণ, ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করা কুফরি<br />
কাজ।<br />
রমজানের সঙ্গে ফজর নামাজ ত্যাগের বিষয়টি যায় না, মানায় না।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>