০১ স্টেজ এর আকার।
স্টেজ এর আকার আয়তন কেমন কত টুকু হবে তা আগে ঠিক করে নিন।
পরিকল্পনা ছাড়া স্টেজ করতে গেলে দেখবেন জাতা মাতা হয়ে বসে আছে।
অথচ আগেই প্ল্যান করে আগালে ছোট আয়তন এর মধ্যেই সুন্দর স্টেজ তৈরি করা সম্ভব।
বিয়ের স্টেজ সাজানো ছবি
০২ বাজেট।
স্টেজ এর জন্য কত টাকা খরচ করবেন এটা নির্ধারণ করে নিন। স্টেজ এর সাথে জড়িত অন্যান্য প্রোডাক্ট গুলো কিনতে কত টাকা লাগবে তাও এই বাজেটে রাখবেন।
চেষ্টা করবেন অযথা টাকা খরচ কমাতে। কেননা যে বিয়েতে খরচ যত কম সেই বিয়ে তত উত্তম।
০৩ স্থান।
কোথায় স্টেজ করবেন? কোথায় বিয়ের স্টেজ করলে সুন্দর হবে, সহজ হবে আবার যারা তৈরি করবে তাদের জন্যও সহজ হবে এসভ ভেবে স্থান ঠিক করুন।
অনেক সময় স্টেজ সাজানোর জিনিসপত্র স্টেজের জায়গাতে নিতেই ঝামেলা শুরু হয়ে যায়।
বিয়ের স্টেজ ডিজাইন বা সাজানো
ফুল দিয়ে সাজানো স্টেজ
আনুষাঙ্গিক উপকরণ।
ডিজাইন এর আগে এর সাথে আনুষাঙ্গিক উপকরণ গুলোর লিস্ট করুন।
ডিজাইন করার আগেই মাথায় রাখুন কি কি দিয়ে সাজাবেন।
এলো পাথারি ডিজাইন করতে গিয়ে হাবিজাবি বস্তু হাজির করে লাভ নাই।
সময়।
যেহেতু আপনি নেট থেকে বিয়ের স্টেজ ডিজাইন এর লেখা পড়ছেন তাই বলা যায় আপনি প্রফেশনাল ডিজাইনার না বরং ঘরোয়া মানুষ!
তাই আপনার কাজের শুরুতে এবং শেষে বেশ কিছু ভুল থাকবে এটা স্বাভাবিক।
ভুল গুলো শুধরানোর জন্য ডিজাইনের জন্য কিছু সময় বাড়তি রাখুন।
মুখোমুখি হয়ে গেলে ভুল গুলো ঠিক করতে পারবেন না।]]>falseRakib]]>2017-08-31T18:48:23Z2017-08-31T18:51:19Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3181লাইকবিডিতে আমার এটি প্রথম পোস্ট তাই ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন। যদি কারো ভলো লাগে প্লিজ কমেন্ট করবেন,আপনার একটি কমেন্ট আমার সার্থকতা
যাইহোক মূল কথায় আসি:-
সম্পর্কে প্রতারিত হওয়ার কষ্ট জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্টগুলোর অন্যতম। বিশ্বাস করে অবহেলিত, প্রতারিত হওয়ার যন্ত্রণা অনেকে সারা জীবনেও কাটিয়ে উঠতে পারেন না। কেউ পালিয়ে বেড়ান স্মৃতি থেকে, কেউ বা অন্য কিছুর মধ্যে শান্তি খুঁজে নিতে গিয়ে করে ফেলেন বড় কোনও ভুল।
অনেক সময়ই আমরা এমন কিছু ভুল করে ফেলি যার জন্য এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা আরও কঠিন হয়ে প়ড়ে। এই ভুলগুলো করবেন না। বিশ্বাসঘাতকতা এড়িয়ে যাওয়া ভুলতে যতই চেষ্টা করুন না কেন, আপনার সঙ্গে যে বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে তা অস্বীকার করলে কিন্তু সমাধানের চেয়ে সমস্যা বাড়বে। সব কিছু আবার আগের মতো হয়ে যাবে ভেবে এড়িয়ে যাবেন না। পরিস্থিতি বদলেছে। যত তাড়াতাড়ি তা মেনে নিতে শিখবেন ততই সমস্যা সমাধান করা সহজ হবে। নিজেকে দোষারোপ সঙ্গী আপনাকে প্রতারণা করেছে সেটা কিন্তু আপনার কোনও দোষ বা ভুল নয়। তাই ‘আমার জন্যই এমনটা হল’, ‘আমি পারিনি’, ‘আমার মধ্যে কী খামতি রয়েছে’-এগুলো ভেবে নিজেকে দোষারোপ করবেন না।
প্রতিশোধ প্রতিশোধ নিতে গেলে কিন্তু নিজেই বিপদে পড়বেন। পার্টনারকে শিক্ষা দিতে গিয়ে প্রতিশোধ নিলে কিন্তু আখেরে কোনও লাভ হবে না। দিনের শেষে তা আপনারই মানসিক শান্তি নষ্ট করবে। তাড়াহুড়ো এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করার ক্ষমতা সকলের সমান হয় না। কেউ তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠতে পারেন, কারও অনেকটা সময় লাগে। আপনার বন্ধু এই অবস্থা এক মাসে কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন বলে আপনারও এক মাসই সময় লাগবে তার কোনও মানে নেই। হয়তো আপনি দু’মাসের মধ্যেই নিজেকে গুছিয়ে নিলেন। আবার হয়তো ছ’মাস লেগে গেলে কাটিয়ে উঠতে। নিজেকে বুঝুন, নিজেকে সময় দিন।]]>falseHasan]]>2017-08-29T09:32:21Z2017-08-29T09:34:05Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3174
তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসকল গুনাবলী ভালোবাসার মানুষটির মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না। এমনকি অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে অনেক মেয়েরা বুঝতেই পারেন না, তারা যার সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তার জীবনে তিনি সত্যিকার অর্থেই কোন প্রভাব ফেলেন কি না।
এখানে তুলে ধরা হলো এমন কিছু উপসর্গ যা আপনার ভালোবাসার মানুষটির মধ্যে দেখা দিলে আপনার উচিৎ হবে এখন থেকেই সতর্ক হওয়া।
১/ সে আপনার সাথে কোন কোন ধরণের প্রতিশ্রুতিমূলক কথাবার্তা বলতে চাইবেন না:
আপনার সঙ্গী যদি আপনার সাথে কোন ধরণের অঙ্গিকারে আবদ্ধ হতে না চান এবং যে কোন ধরণের প্রতিশ্রুতিমূলক কথাবার্তা বলা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখেন সবসময় তবে সে আপনাকে শুধুমাত্র তার ভালো সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করছেন। সে যদি আপনার ব্যপারে এবং দুইজনের সম্পর্কের ব্যপারে যত্নবান হতেন তবে সে ভবিষ্যৎ এর কথা মাথায় রেখে আপনাদের দুইজনে সম্পর্কের ব্যপারে মনযোগী হতেন।
২/ আপনার বন্ধুরা আপনাকে বারবার সতর্ক করবে তার ব্যপারে:
এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব সবচেয়ে বেশী সাহায্য করে থাকে। আপনার বন্ধুরা সবসময় আপনার ভালো চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তাই, যদি আপনার কাছের বন্ধুরা আপনার ভালোবাসার মানুষটার ব্যপারে আপনাকে বারবার সতর্ক করে থাকে এবং তার ব্যপারে আপনাকে জানায় যে, সে আপনার কাছে সত্য কথা বলছেন না, তবে আপনার বন্ধুদের বিশ্বাস করুন। কারণ, ভালোবাসা বেশীরভাগ সময় আমাদের দূরদৃষ্টি নষ্ট করে দেয় যা আমাদের ভালোবাসার মানুষটার দোষত্রুটি দেখতে বাঁধা দেয়। তাই সেক্ষেত্রে, বন্ধুদের কথা শোনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
৩/ সে আপনাকে তার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাইবে না:
প্রতিটা মানুষের জীবনেই তার নিজের পরিবার এবং আপন বন্ধু অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ভালোবাসার মানুষটি যদি আপনাকে তার পরিবারের সাথে এমনকি তার বন্ধুদের সাথেও পরিচয় করিয় দিতে না চায় তবে বুঝতে হবে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা রয়েছে। কারণ যে মানুষটা আপনাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসবে, সে সবসময়ই চাইবে তার পরিবার, তার বন্ধু এমনকি তার সবকিছুর সাথে আপনাকে পরিচিত করে তুলতে।
৪/ সে আপনার টাকার উপর নির্ভর করবে:
অদ্ভূত শোনালেও সত্যি যে, আপনার ভালোবাসার মানুষটি কোন না কোনভাবে যদি টাকাপয়সার দিক থেকে আপনার উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকেন, তবে ধরেই নিতে পারে না যে, সে আপনাকে নয়, আপনার টাকা পয়সা কে ভালোবাসে। যেকোন সময় বড় অংকের টাকা চেয়ে বসা, অথবা কোন দামী কিছু কিনে দেওয়ার আবদার করার মত লক্ষণগুলো অনেক কিছু পরিষ্কার করে দেয় একটা সম্পর্কে।
৫/ সে সবসময় আপনাকে সাহায্য করতে বলবে:
আপনার কখনো সাহায্য প্রয়োজন কি না, সে সব বিষয়ে সে জানতে আগ্রহী হবে না। তবে সবসময় এবং প্রতিটা ক্ষেত্রেই সে আপনার সাহায্যের জন্যে আপনাকে খুঁজবেন। যে কোন কাজে, যে কোন পরিস্থিতিতে তাকে সাহায্য করতে হবে আপনাকে।
৬/ সে কখনো জানতে চাইবে না আপনি কেমন বোধ করছেন:
তার যে কাজই করতে ইচ্ছা করবে, যা করতে ভালো লাগবে তিনি সেটাই করবেন। কিন্তু কখনোই আপনাকে জিজ্ঞাসা করবেন না অথবা জানতে চাইবেন না আপনি কেমন বোধ করবেন সেই ব্যপারে। সে কখনোই আপনার মতামত কে গুরুত্ব দিবেন না। কারণ আপনি অথবা আপনার মতামত তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
৭/ সে তার অনুভূতি এবং ভালোবাসা প্রকাশ করতে চাইবেন না:
খুব সাধারণ ভাবে বলতে গেলে, আপনার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করতে সে সবসময় অপারগ হবে অথবা কালেভদ্রে প্রকাশ করবে, যেটা না করার মতোই। তার কাছে মনে হবে না যে আপনি মানুষ হিসেবে, অথবা ভালোবাসার মানুষ হিসেবে তার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একজন।
৮/ তার আচরণ হবে অসঙ্গতিপূর্ন:
আপনার প্রতি তার আচরণ কখনোই সঙ্গতিপূর্ণ হবে না। এক সময়ে সে খুবই দারুণ করে কথা বলবে এবং ঠিক তার পর মুহুর্তেই সে খুব কঠিনভাবে কথা বলে অথবা বাজে ব্যবহার করবে। তার ইচ্ছানুযায়ী তার আচরণ নির্ধারিত হবে সবসময়। আপনার প্রতি তার কোন আলাদা যত্নশীল আচরণ থাকবে না। এমনকি আপনার প্রয়োজনও সে বুঝবে না।
৯/ সে আপনার কাছে সবকিছু গোপন করে রাখতে চাইবে:
ভালোবাসার সম্পর্কে সবসময় দুজন মানুষ একে অন্যের সব বিষয় এবং সকল কথা আদানপ্রদান করে থাকেন। কিন্তু আপনার ভালোবাসার মানুষটি কখনোই আপনার কাছে তার বিষয়ে কোন কিছু বলতে চাইবেন না। তিনি সবসময় চাইবেন আপনার কাছে সব বিষয় লুকিয়ে রাখতে।
১০/ শুধুমাত্র প্রয়োজনের সময়ে সে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে:
শুধুমাত্র তার যখন কোন কিছুর প্রয়োজন হবে তখনই সে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চাইবে। আপনার কাছে যদি তার কোন প্রয়োজন না থাকে তবে সে আপনার সাথে সচরাচর যোগাযোগ করতে চাইবে না।
১১/ আপনারা বাইরে একসাথে দেখা করেন না:
সে যদি আপনার সাথে বাইরে দেখা করতে না চায় অথবা কথাও একসাথে খেতে বা ঘুরতে যেতে না চায় তবে বুঝতে হবে সে আপনাকে নিয়ে বাইরে বের হতে ইচ্ছুক নয়। সে আপনাদের সম্পর্কের ব্যপারে জানাতে আগ্রহী নয় এবং যে কারণে আপনার সাথে বের হতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে থাকেন সবসময়।]]>falseHasan]]>2017-08-29T09:24:39Z2017-08-29T09:24:39Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3171
বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী হ্যারি হার্লো মা বানর এবং শিশু বানরের উপর একটি গবেষণা করেছে। কিছু শিশু বানর ক খাদ্য এবং মায়ের কাছ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল এবং এরপরে তাদের খাদ্য অথবা মায়ের স্পর্শ থেকে যেকোন একটি বেছে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। শিশু বানরগুলো খাদ্যের আগে তাদের মা এবং মায়ের স্পর্শকেই বেছে নেয়।
মানুষও কিন্তু বানরদের থেকে খুব বেশী ভিন্ন নয়। প্রতিটা মানুষ চায় তার প্রিয়জনের সংস্পর্শে থাকতে। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকা যুগলারও চায় একে অন্যের ভালোবাসার স্পর্শ পেতে! তাই একটু ভালোবাসার ছোঁয়া, স্পর্শ- ব্যপারটাকে খুব ছোটখাটো মনে হলেও যে কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার প্রভাব অনেকখানি।
জেনে নিন কেন প্রতিদিন ভালোবাসার স্পর্শের প্রয়োজন আমাদের সকলের জন্য।
১/ প্রতিদিন যোগাযোগ করার জন্যে শারীরিক স্পর্শের প্রয়োজন:
মানুষ সামাজিক প্রাণী এবং স্পর্শ করা হলো একে অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করার খুবই সাধারণ একটি মাধ্যম। একে অন্যকে স্পর্শ করার মাধ্যমে মানুষজন নিজেদের অনুভূতিগুলো প্রকশ করে থাকে। ভেবে দেখুন তো, শেষ কবে আপনার বন্ধুর সাথে মজার কোন কথা বলার সময় তার কাঁধে হাত রেখেছিলেন?
কাঁধে হাত
দুইজন মানুষের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশের ক্ষেত্রেও স্পর্শ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত আমরা যখন একে অন্যের সাথে কোন বিষয়ে কথা বলে থাকি, কোন তথ্য আদান প্রদান করে থাকি তখন আমাদের মনের ভাব আমরা শব্দ দ্বারা প্রকাশ করে থাকি। কিন্তু যখন দুইজন মানুষের মাঝে দারুণ একটা সম্পর্ক কাজ করে, দুইজনের অনুভূতি একই রকম হয় তখন আমরা একে অন্যের সংস্পর্শে এসে সেই ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ করে থাকি। কারণ, যে সম্পর্কে টান আছে, সেখানে স্পর্শের থাকবে।
২/ অন্যান্য মানুষের সাথে যোগাযোগ তৈরি করতে আপনার শারীরিক স্পর্শের প্রয়োজন:
আমার শারীরিক অনুভূতিগুলোই কিন্তু আমাদের মানসিক অনুভূতি কিংবা আবেগকে প্রকাশ করে থাকে। যখন আপনি দুশ্চিন্তায় থাকবেন তখন আপনি খুব জড়সড় বোধ করবেন। কোন কারণে ভয় পেলে আপনার মেরুদণ্ড দিয়ে শীতল অনুভূতি প্রবাহিত হয়। আমরা আমাদের নিজেদের শরীরে যে সকল অনুভূতি অনুভব করে থাকি সে সকল অনুভূতিই অন্যান্য মানুষদের সাথে আমাদের সংযোগ ঘটাতে সাহায্য করে থাকে।
৩/ কাঙ্ক্ষিত জিনিস পাওয়ার জন্য শারীরিক স্পর্শের প্রয়োজন:
শারীরিক স্পর্শ দ্বারা একজনকে কোন কথার বা কাজের গুরুত্ব বোঝানো যায় খুব সহজেই। কাউকে যদি আপনি বলে থাকেন, ‘আমার কথা শোনো মনোযোগ দিয়ে’- তবে হয়ত সে বুঝতে পারবে যে আপনি কোন দরকারি কথা বলতে চাইছেন। কিন্তু যখন আপনি তার হাত ধরে তাকে কথাটি বলবেন, তখন সে বুঝতে পারবে কথাটা আসলেও খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনার প্রতি তার পূর্ণ মনোযোগ দেওয়ার দরকার।
৪/ মানসিক শক্তি আদানপ্রদানের জন্যেও শারীরিক স্পর্শের প্রয়োজন আপনার:
আপনার সামান্য একটুখানি স্পর্শও অনেক শক্তিশালী হতে পারে কারণ, মানুষ তার স্পর্শের মাধ্যমেও একে অন্যের শরীরে কিছু ভালো শক্তি আদানপ্রদান করে থাকে। কোন ভালো খবর বন্ধুকে জানানোর জন্য, অথবা আপনার আনন্দ তার সাথে শেয়ার করার জন্য আপনি যখন আপনার বন্ধুর হাত ধরে থাকেন, অথবা তাকে স্পর্শ করেন তখন আপনার ভেতরের ভালো অনুভূতির শক্তিগুলো আপনার বন্ধুর মধ্যেও প্রবাহিত হয়।
স্পর্শ ও অনুভূতি
যে কারণে, একজন মানুষের মানসিক প্রশান্তি, ভালোলাগা, আনন্দ, সুখ অন্য মানুষের মধ্যেও আপনি সঞ্চালিত করতে পারেন আপনার স্পর্শ দিয়েই।
৫/ আপনার শারীরিক ও মানসিক ক্ষত সারাতে প্রয়োজন শারীরিক স্পর্শের:
চিকিৎসাগত ভাবেও নিজেকে সুস্থ রাখার জন্যে আদিকাল থেকেই শারীরিক বিভিন্ন ধরণের স্পর্শমূলক চিকিৎসা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যার মধ্যে আছে আকুপাংচার, ম্যাসাজ এবং অন্যান্য সকল উপায়। মূলত এই সকল পদ্ধতি শারীরিক সুস্থতার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকলেও, মানসিকভাবে এর উপকার অনেক বেশী এবং ম্যাসাজ প্রদানকারী ব্যক্তির যত্নবান স্পর্শ মানসিক চাপকে শিথিল করতে সাহায্য করে থাকে।
সূত্র: পাওয়ার অফ পজেটিভিটি।]]>falseHasan]]>2017-03-05T17:44:49Z2017-03-05T17:44:49Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2567
বুঝতে পারে, কাজটা অর্থহীন ছিল।
.
রোজ রোজ মেয়েটার রিক্সার পেছনে ঘুরে
বেড়ানো পাগল ছেলেটাও একদিন বুঝতে পারে, এভাবে
হয় না, মেয়েটা অন্য কারো।
.
সিগারেটের গন্ধ নিতে না পারা ছেলেটাও একসময় ঠোঁট
কালো করে ফেলে। যে টাকা দিয়ে একসময় রাতে
গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বলতো সেই টাকা দিয়েই সাতটা
গোল্ডলীফ কিনে রেখে দেয় বুক পকেটে।
.
আবার কখনো কখনো......
.
চুপচাপ স্বভাবের ছেলেটাও একদিন সাহসী হয়ে উঠে
মেয়েটার চোখের দিকে তাকিয়ে বলে ফেলে, আমার
তোমাকে দরকার। সারাজীবনের জন্য দরকার।
.
যে ছেলেটা পড়ার টেবিলে বসতো পরীক্ষার আগের
দিন, সেও রাত জেগে কারেণ্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ে। বি সি এস
এ টিকতে হবে। তাহলে মেয়েটার ফ্যামিলি না করতে
পারবে না নিশ্চয়ই।
.
বাবা মায়ের তীব্র চাহনী উপেক্ষা করেও একের পর এক
বিয়ের প্রস্তাব ক্যান্সেল করে দেয় মেয়েটা। ফ্যামিলির
কাছে সময় চায় কয়েকটা বছর।
.
হ্যাঁ এভাবেই প্রতিনিয়ত ভালোবাসা তার গ্রাভীটি হারায়, আবার
কখনো কখনো গ্রাভীটি অর্জন করে।
অনেকটা আবেগ নিয়ে গড়ে ওঠা ভালোবাসা কখনো
কখনো পেইন মনে হয়। আবার অনেক সাধারণ ভালোবাসাও
একটা সময় হয়ে উঠে বেঁচে থাকার অবলম্বন।কষ্ট পেলে
কি
ভালবাসা হারিয়ে যায়?
কখনোই না !!.........
যে ভালবাসতে জানে
সে হাজার কষ্টের
মাঝের ও ভালবেসতে পারে...........]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:40:17Z2017-02-26T09:40:17Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2415
১ম দিন : চোখে চোখে কথা বলুন প্রথম দিনটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই দিনে আপনার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানাতে হবে। আপনি একজন যিনি তাকে অন্যভাবে লক্ষ্য করছেন এটা তাকে বোঝাতে হবে। পৃথিবীতে চোখের ভাষার উপরে কোনো ভাষাই হয়না। বলা হয়ে থাকে শুধু চোখের ভাষাতেই সমস্ত রাজ্যটাকেই বুঝিয়ে দেয়া সম্ভব। এ কারণে চোখের ভাষাতেই তার সাথে কথা বলুন। তার চোখের আপনাকে আকর্ষণীয় করে তুলুন। দেখবেন পরবর্তী ধাপগুলো অনেকটাই সহজ হয়েছে।
২য় দিন : পরিচিত হোন দ্বিতীয় দিন যে কাজটি করবেন তা হল তার সাথে একটু অন্তরঙ্গভাবে পরিচিত হবেন। এবার তার সাথে চোখের ভাষায় নয় বরং আপন ভঙ্গিতে কথা বলুন। পূর্ব পরিচয় তো আছেই, এবার পালা আলাপ জমানোর।
৩য় দিন : তার আকর্ষণ ধরে রাখুন তৃতীয় দিন তার সাথে দেখা হলে বা কথা হলে এমন কোনো কিছু করে বসবেন না যেন আপনার প্রতি তার তৈরি হওয়া আকর্ষণটা হারিয়ে যায়। পারলে সেই আকর্ষণটাকে আরও অনেকটুকু বাড়িয়ে তুলুন। সব প্রসেসেই আপনার চোখ দুটো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চোখই আপনার মনের কথাগুলো বলে দিতে পারে। চোখই আপনার প্রতি তার আকর্ষণটিকে আরও অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪র্থ দিন : আরেকটু সহজ হন চতুর্থ দিনে তার সাথে একটু সহজভাবে কথা বলুন। অর্থাৎ এতদিন নিশ্চয়ই একটা বাড়তি ভদ্রতা ধারণ করে কথা বলেছেন। সেই ছদ্মবেশটি আজ উন্মোচন করে ফেলুন। সহজভাবে তার সাথে কথা বলুন, তাঁকে বুঝতে দিন আপনি কেমন। আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে ঠিক যেভাবে ফ্রি হয়ে কথা বলেন তার সাথেও সেভাবে কথা বলুন। নিজের ভালো মন্দ কথার ফাঁকে জানিয়ে দিন। দেখবেন আপনার এই মুক্ত মনের কথায় সে আরও অনেক বেশি মুগ্ধ হয়ে পড়বে।
৫ম দিন : আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান পঞ্চম দিনটি আপনার জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে আপনি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোথাও যেতে বা খেতে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে দুজনে অনেক কথা বলুন। মজার কোনো কথা বলুন যা তিনি শুনে বেশ মজা পাবেন। তার পছন্দ অপছন্দের গুরুত্ব দিন, নিজের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা বলুন। তাহলে দেখবেন তিনি আপনার প্রতি বেশ খানিকটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। ফলে আপনার কাজ অনেকদূর এগিয়ে যাবে।
৬ষ্ঠ দিন : তাকে বলতে দিন ষষ্ঠ দিনে আপনি একেবারেই কথা বলবেন না। এবারে শুধু তাকে বলতে দেবেন। তিনি কী বলেন আপনি তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। দেখবেন তার সব কথাই হবে সব আপনি কেন্দ্রিক। আপনাকে সে অনেক বেশি মূল্যায়ন করে সব কথা বলছে। সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে খেয়াল করে দেখবেন আপনার প্রতি তিনি হালকাপাতলা দুর্বলও হয়ে গেছেন।
৭ম দিন : প্রপোজ করুন এই দিন আপনার বিশেষ একটি দিন। আপনি এই দিনে কোনো প্রিপারেশন ছাড়াই প্রপোজ করবেন এবং তা খুব সাধারণভাবেই করবেন। আবার ভাববেন না যে আপনি আগে বা এত জলদি প্রপোজ করবেন কেন? বিষয়টিকে এভাবে দেখলে আপনি কখনই জয়ী হতে পারবেন না। বিষয়টি আপনার মনের দিক থেকে দেখবেন। একজনকে আপনার ভালো লেগেছে আপনি তাকে বলছেন। এতে ছোট হওয়ার কিছু নেই। বরং আপনার পছন্দের মানুষটি খুশি হবে। এভাবে সপ্তম দিনে এসে প্রপোজ করে আপনার পছন্দের মানুষটিকে জয় করে নিন। অন্য কথাও সম্পর্ক না থাকলে তিনি আপনাকে ফেরাতে পারবেন না।]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:38:41Z2017-02-26T09:38:41Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2414
আপনি কি কাউকে পছন্দ করে ফেলেছেন? কিন্তু ঠিক বলতে পারছেন না? কি দরকার মুখ ফুটে বলার। এই সাতটি কাজ করুন, তিনি যদি সাড়া দেন তবে বুঝবেন তিনিও ভালোবাসেন
আপনাকে আর সাড়া না দিলে নিজেকে সরিয়ে নিন আপনি নিজেই।
১.সবসময় একসাথে থাকার চেষ্টা করুনঃ- এটা জানা কথা যে পছন্দের
মানুষটির সাথে সবসময় থাকতে ইচ্ছা করে, কথা বলতে ইচ্ছা করে। আপনিও চাইলে এই পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে পারেন। চেষ্টা করুন প্রতিদিন তার সাথে কিছু সময় কাটাবার। এভাবে মৌন থেকেও তাকে জানিয়ে দিতে পারেন আপনার ভালোলাগার কথাটি।
২.প্রশংসা করুন- কারও অতিরিক্ত
প্রশংসা একজনকে অবশ্যই ভাবিয়ে তোলে। আর এভাবেই আপনি পছন্দের মানুষটির মনে স্থান করে নিতে পারেন। এমনিতেই অবশ্য পছন্দের মানুষটির সবকিছুই আপনার কাছে ভালো লাগবে। তারপরও
বেশি বেশি করে তার প্রশংশা করুন। দেখবেন কাজ হয়ে যাবে।
৩.উপহার দিনঃ- যেকোনো মানুষই উপহার পেতে বেশ পছন্দ করেন। আপনি আপনার পছন্দের মানুষটিকে বেশি বেশি উপহার দিতে পারেন। এতে করে উপহারগুলো তাকে ভাবাবে এবং আপনা আগ্রহের বিষয়টি স্পষ্ট করবে।
৪.অনুভূতিগুলো অন্যভাবে প্রকাশ করুনঃ- কাউকে ভালোলাগার অনুভূতি সত্যিই অদ্ভুত ধরনের হয়ে থাকে। একমাত্র যারা এই অবস্থায় পড়েছেন তারাই বুঝবেন। সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো তার কাছে প্রকাশ করতে থাকুন। একটি বই, কবিতা বা গানের মাধ্যমে প্রকাশ করুন আন্তরিকতা। দেখবেন সে আপনার ভালোলাগা গুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
৫.বন্ধুদের এড়িয়ে চলুনঃ- পছন্দের মানুষটিটর জন্য অনেক কিছুই করা সম্ভব। আপনি যখন আপনার বন্ধুদের এড়িয়ে চলবেন তখন বিষয়টি পছন্দের মানুষটির চোখে পড়বে। তাকে মাঝে মাঝে বলবেনও যে তার কারণে অন্য সবাইকে সময় কম দিচ্ছেন আপনি। কারণ তার সাথে থাকতেই বেশী ভালো লাগছে, যার ফলে সে বুঝে উঠতে পারবে আপনার মনের বিষয়টা বা তার প্রতি আপনার আগ্রহটা।
৬. তাকে বোঝান যে আপনার মনে শুধু তিনিই রয়েছেনঃ- আপনি যে আপনার পছন্দের
মানুষটিকে নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা করছেন বা ভাবছেন এটি যে কোনোভাবে বা যেকোনো আচরণে তাকে বুঝিয়ে দিন। যেমন বলতে পারেন, আমি যেমন জীবনসঙ্গী চাই তুমি একেবারেই তেমন। বা তুমি জীবন সঙ্গী হিসাবে খুব ভালো হবে।
৭.কৌতুকের ছলে প্রকাশ করুনঃ- এমন অনেক কথাই আমরা একে অপরকে কৌতুকের
ছলে বলে থাকি। এই পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে পারেন আগ্রহের বিষয়টি জানানোর জন্য। অর্থাৎ কৌতুকের ছলেই আপনার তার প্রতি আগ্রহের কথাটি তাকে জানিয়ে দিন। এতে কিছুটা কাজ হতে পারে।]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:38:09Z2017-02-26T09:38:09Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2413
প্রতিদিনই
দেখা করতে ইচ্ছে হয় তার সাথে। আর ফোনে তো কথা হচ্ছেই কিছুক্ষণ পর পর। কথা নেই, বার্তা নেই হুট করে এভাবে প্রেমে পড়ার কোনো মানে আছে? কেন প্রেমে পড়ে মানুষ? রহস্যের সেই জাল খুলতে অন্ত নেই গবেষণারও।
প্রেমে পড়ার পেছনে আছে বেশ কিছু কারণ। শারীরিক ও মানসিক উদ্দীপনার সমন্বয়েই মূলত মানুষ প্রেমে পড়ে। তবে আছে আরও কিছু বিচিত্র কারণ। আসুন জেনে নেয়া যাক বিশেষজ্ঞদের
মতে প্রেমে পড়ার ৭টি কারণ সম্পর্কে----
শারীরিক
আকর্ষণটা প্রথমেই নাড়া দেয়ঃ- পুরুষের প্রতি নারীর সহজাত আকর্ষণ একটি চিরন্তন ব্যাপার। প্রেমে পড়ার মূল একটি কারণ হচ্ছে নারী- পুরুষের সহজাত আকর্ষণ। দু’টি মানুষ পরষ্পরের শারীরিক সৌন্দর্যের প্রতি আকর্ষণবোধ করে এবং একে অপরের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে ওঠে। এই আকর্ষণটাই প্রেমে পড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে প্রথমেই।
একাকীত্ব দূর করার ইচ্ছাঃ- অধিকাংশ মানুষই একা থাকতে পছন্দ করে না। একাকীত্বের ভয়ে মানুষের মন সব সময়েই সঙ্গী খোঁজে। আর
তাই যখন কাউকে সব কিছু মিলিয়ে পছন্দ হয় তখন তার প্রতি বিশেষ দূর্বলতা সৃষ্টি হয়। তার সঙ্গ পাওয়ার জন্য এবং কথা বলার জন্য মন অস্থির থাকে। সেই মানুষটির
সঙ্গে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়ার বাসনা থেকেই মানুষ প্রেমে পড়ে সেই মানুষটির।
হরমোনের প্রভাবঃ- বেশিরভাগ প্রাণীর শরীর থেকে বিশেষ কিছু হরমোন নিঃসরণ হয়। এই বিশেষ হরমোনগুলোর কারণে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হয়।
এই
হরমোনগুলো মস্তিষ্কে বিশেষ ধরণের উদ্দীপনা জাগায় যা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি করে এবং মানুষকে প্রেমে পড়তে সহায়তা করে। অক্সিটোসিন ও ভাসোপ্রেসিন
হলো দু’টি প্রধান হরমোন যা মনে রোমান্স সৃষ্টি করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সহজাত কৌতুহলঃ- প্রতিটি মানুষেরই তার বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সহজাত কৌতুহল থাকে। বিপরীত লিঙ্গের মানুষটি কেমন, তার চিন্তা ভাবনা কেমন, তার শারীরিক গঠন, মানসিক দূর্বলতা, জীবনযাপন, স্বভাব
ইত্যাদি নিয়েস্বাভাবিক ভাবেই কৌতুহল থাকে। আর এই কৌতুহলের কারণেই
একসঙ্গে বেশি সময় কাটানোর
ইচ্ছে জাগে মনে। ফলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেম নিয়ে ফ্যান্টাসিঃ- ছোটবেলা থেকেই বেশিরভাগ মানুষ প্রেম বিষয়ক কিছু ফ্যান্টাসি নিয়ে বেড়ে ওঠে। এই ফ্যান্টাসি গুলোর প্রভাবেও প্রেমে পড়ে। বাস্তব প্রেম আর ফ্যান্টাসির সাথে যখন মিল পাওয়া যায় না, তখন হতাশও হয়।
বন্ধুদের প্রভাবঃ- বন্ধুরা অনেক সময় প্রেমের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলে। আপনার সাথে বিপরীত লিঙ্গের কারো মেলামেশা বা বন্ধুত্ব দেখলে অনেক সময় কাছের বন্ধুরা অনেক রকম
রসিকতা করে দু’জনকে নিয়ে। আবার কেউ কেউ জোর খাটিয়ে বলেই ফেলে যে, আপনার উচিত এখন বিপরীত লিঙ্গের মানুষটির সাথে প্রেম করা। এছাড়াও আশে পাশের বন্ধুদের সুখী প্রেমের সম্পর্ক দেখেও অনেকে প্রেম করার প্রতি আগ্রহবোধ করে এবং প্রেমে পড়ে।
গল্পের বই, নাটক, সিনেমার প্রভাবঃ- ছোটবেলার রূপকথার বইগুলোর কথা মনে আছে? গল্পের শেষে রাজকুমার আর
রাজকুমারীসুখেশান্তিতে
বসবাস করার কথা তো আমরা সবাই পড়েছি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে নাটক ও সিনেমায় প্রেমিক- প্রেমিকার রোমান্টিক সম্পর্কগুলো দেখেও প্রেম করার ইচ্ছে হয়েছে অনেকের মনে। বাস্তব জীবনে প্রেমে পড়ার পেছনে এগুলোর ভূমিকা থাকে। গল্প কিংবা সিনেমার সুন্দর প্রেম
কাহিনী গুলোকে নিজের জীবনে প্রতিফলিত করার স্বপ্ন থেকেই অনেকে প্রেমে পড়ে।]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:37:37Z2017-02-26T09:37:37Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2412
১.রিক্সা ভাড়া,ফুচকা বিল ইত্যাদি খরচ আপুরাই বহন
করবো।
২.গুন্ডা মার্কা কোন বড় ভাই যদি ওই আপুটারে লাইক করে তাহলে সে নিশ্চই আপুটার কোন প্রেমিক থাকলে তাকে পেটাবে। আপনি শান্তিতে থাকুন, সে আপনাকে আপুটার ছোট ভাই মনে করে পেটাবে না !
৩.থাকবেনা ধরা খাওয়ার কোন ভয়আপুর সাথে ডেট করার সময় পরিচিত কেউ দেখলে তাকে বলা যাবে " উনি আপুর ফ্রেন্ড"
৪.আপু যদি ভার্সিটির স্টুডেন্ট হয়,আপনি স্কুলের স্টুডেন্ট হলেওআপুর সাথে ভার্সিটির ক্যাম্পাসে ঘুরতে পারবেন।
৫.কথা বলার জন্য আপু আপনার মোবাইলে ফ্লেক্সিও দিতে পারে। সুবিধা শুধু এইগুলানই না,খুঁজলেআরোও অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে |
ভালো থাকবেন ও সাথেই থাকবেন !!]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:36:43Z2017-02-26T09:36:43Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2411
*ভালবাসা হচ্ছে একটি ছোট নৌকার মত।
*যার মাঝি হচ্ছেন আপনি আর বৈঠা হচ্ছে আপনার ভালবাসার মানুষটি।
*যখন বৈঠা থাকে তখন সকল ঝড় সামলে নৌকা এগিয়ে যেতে থাকে।
*আর যখন বৈঠা থাকে না তখন শান্ত আবহাওয়াতেও
নৌকাটি নদীতে ঘুরতে থাকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে !!!!!!!
ভালো থাকবেন ও সাথেই থাকবেন !!]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:36:10Z2017-02-26T09:36:10Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2410
প্রেমে পড়ার কিছু লক্ষণ ???
১. তুমি SOFT & SLOW SONG শুনবে।
২. তুমি তার নাম যেখানে দেখবে সেখানেই দাড়িয়ে পরবে।
৩.FRIEND রা তাকে নিয়ে খুচালে তুমি রাগবে না।
৪. তুমি রাস্তাতে উদাস হয়ে আস্তে আস্তে হাটবে।
5.তোমার বৃষ্টিতে ভিজতে ভাললাগবে।
6.তোমার প্রকৃতি দেখতে ভাললাগবে।
ভালো থাকবেন ও সাথেই থাকবেন !!]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:35:18Z2017-02-26T09:35:18Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2409
ছেলেটি আসলে কেমন, সম্পর্কে জড়ালে তার ভবিষ্যৎ
কী ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো সবই বাস্তবসম্মত
চিন্তা-ভাবনা। কিন্তু আরো কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো পুরোই অনর্থক এবং ফালতু বলা যায়। কারো প্রেমে পড়লে মেয়েরা এমন যে অর্থহীন কাজগুলো করেন তার উল্লেখযোগ্য
সাতটি জেনে নিন।
১. ছেলেটির সোশাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারা : প্রতিদিন ছেলেটির সোশাল মিডিয়ায় ঘাঁটাঘাঁটি করাটা অন্যতম কাজ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস এর ঘরটিতে চোখ দিতে হয় প্রতিনিয়ত। তাকে বন্ধু হিসেবে তালিকাভুক্ত করবেন
কিনা তা নিয়ে ব্যাপক চিন্তার
সঙ্গে ছেলেটি সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহের জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে মন।
২. তার আগ্রহের প্রতি নিজের আগ্রহ জন্মে : ধরা যাক ছেলেটি বিশেষ এক শিল্পীর গান পছন্দ করেন। এটি জানার পর মেয়েটিও ওই শিল্পীর গান ডাউনলোড করে শুনতে শুরু করেন এবং এ গানগুলোই তার ভালো লাগতে থাকে। এমনকি আগে এসব গান না শুনে থাকলেও এখন শুনতে মন চায়।
৩. পোশাক নিয়ে দুশ্চিন্তা : পছন্দের ছেলেটির সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে বা একই ক্যাম্পাসে পড়ালেখা করার সুযোগ থাকলে পোশাক নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক পেরেশানিতে পড়ে যান মেয়েরা। শুধুমাত্র তার জন্যই
চোখে মাশকারা আর লিপস্টিক
অতিযত্নে ব্যবহার করেন মেয়েরা। আর একবার যদি তার সঙ্গে দেখা না হয়, তবে মনটাই ভেঙে যায়।
৪. প্রতিনিয়ত
তাকে মনে করা : বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বা একাকী- সব অবস্থাতেই ছেলেটির কথা মনে আসে। তা ছাড়া কোনো না কোনো প্রসঙ্গে তার কথা টেনে আনাটা যেন জরুরি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে যায়।
৫. প্রতি শব্দের বিশ্লেষণ : যদি ছেলেটি কোনো মেসেজ পাঠিয়ে থাকেন বা কোনো কথা বলেন, এরপর মেয়েটির কাজ হয় তার প্রতিটি শব্দ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করা। এক একটি শব্দকে নানা অর্থে বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অর্থ তৈরি করা অন্যতম সময়ক্ষেপণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৬. অন্য মেয়েদের
প্রতিযোগী ভাবা : যেকোনো কারণে পছন্দের
ছেলেটির
সঙ্গে কোনো মেয়েকে কথা বলতে দেখলেই অকারণে ওই মেয়েটির প্রতি রীতিমতো ঘৃণা চলে আসে। পৃথিবীর প্রতিটি মেয়েকেই নিজের
প্রতিযোগী বলে মনে হবে তখন।
৭. কান্না করা : কারো প্রেমে পড়লে কান্না করার কিছু নেই। কিন্তু অকারণে ছেলেটির জন্য কয়েক ফোঁটা চোখের জল ফেলানো মেয়েদের অকাজের একটি। আর ছেলেটির কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পেলে তো কথাই নেই, মেয়েরা এমন কান্না জুড়িয়ে দেয় মনে হয় তার জীবনের বড় কিছু খোয়া গেছে।]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:34:57Z2017-02-26T09:34:57Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2408
১. ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করুন। সময় নিন।
২. নতুন সম্পর্কে জোর করে জড়াবেন না। আগে দেখুন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে আপনার স্বকীয়তা বজায় থাকছে কী না।
৩. সত্যি বলার সৎসাহস রাখুন। নিজের পুরনো সম্পর্ক নিয়ে খোলাখুলি আলোচ নতুন সঙ্গীর সঙ্গে।
৪. কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না, এ ধারণা ছেড়ে বেরিয়ে আসুন!
৫. অন্যকে বিশ্বাস করার আগে নিজের উপর থেকে হারানো বিশ্বাস ফিরিয়ে আনুন।]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:34:03Z2017-02-26T09:34:03Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2407
আনুকূল্য দাবি করাঃ
আপনি যেকোনো সাহায্য কিংবা এজাতীয় কিছু করার বিনিময়ে আহ্লাদে গদ গদ হয়ে খুব বেশি আনুকূল্য দাবি করে বসলে আপনার সঙ্গী সেটা কখনোই সঠিক কিংবা ভালো চোখে দেখবেনা। আপনাকে এই ক্ষেত্রে আনুকূল্য পাওয়ার জন্য অতি উৎসাহী হওয়া পরিহার করতে হবে। কেও “L” বললেই লাভ ধরে নেয়াঃ অনেকেই আছে যারা “L” বললেই ধরে নেয় তাকে Love বলে ফেলেছে কিংবা অতি উৎসাহী আপনি যদি সঙ্গী খুঁজে পেতে চান তবে অবশ্যই অতি উৎসাহী হয়ে পড়বেন না।
সাবেক সঙ্গীর কথা মনে রেখে দেয়াঃ অনেকেই আগের সম্পর্কের কথা ভুলতে পারেন না কিন্তু নতুন সম্পর্ক খুঁজে বেড়ান, এটা কখনোই ঠিক না, কারণ আপনার সাথে যে সম্পর্কে জড়াবে সে চাইব কারোর বিষয়ে চিন্তা করবেন। অতএব নতুন সম্পর্ক চাইলে আগের সম্পর্ক ভুলতেই হবে।
অন্যায় করেও সেই বিষয়ে অনুতপ্ত না হওয়াঃ
আপনি কখনো অন্যায় করেছেন কিন্তু সে বিষয়ে আপনার মাঝে কোন অনুতপ্ততা নেই! সেটা কখনোই ভালো চরিত্রের সাথে যায়না। আপনার সঙ্গী অবশ্যই চাইবে আপনি ভালো মন্দের তফাৎ বুঝবেন সে আপনাকে নীতিবান হিসেবেই দেখতে চাইবে।
বন্ধুদের বেশি গুরুত্ব দেয়াঃ
অনেকের মাঝেই দেখা যায় নিজের পরিবার কিংবা সঙ্গীকে সময় কিংবা গুরুত্ব না দিয়ে বন্ধুদের নিয়েই মেতে থাকে, এই ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গী কখনোই চাইবেনা আপনি তাকে সময় না দিয়ে কিংবা গুরুত্ব না দিয়ে অন্য কাওকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সময় দিয়ে যাচ্ছেন!
একের অধিক সঙ্গী রাখাঃ
আপনি যদি এমন হন যে আপনার একজনের সাথে সম্পর্ক করার ইচ্ছে আছে কিন্তু আপনি সম্পর্ক বজার রাখছেন একই সাথে বেশ কয়েকজনের সাথে তবে অবশ্যই আপনার মত এমন চরিত্রের কাওকে সঙ্গী হিসেবে চাইবেনা, একই ভাবে আপনি নিজেও চাইবেন না এমন কাউকে সঙ্গী হিসেবে।
নিজের মত নিজে থাকা:
আপনি যদি এমন হন আপনার সঙ্গী কেমন আছে কি করছে তা না ভেবেই নিজের সময়কে উপভোগ করতে থাকেন নিজের যা ভালো লাগে তাই করেন তবে এই ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই সম্পর্ক করার মত কিংবা সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার মত ব্যক্তি নন।
আপনি যদি বিবাহিত হনঃ
অনেকেই আছে যারা বিয়ের পরও নতুন সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়! আপনি যদি একজন বিবাহিত কিংবা বিবাহিতা হন তবে কেন আপনার স্বামী/স্ত্রীর থাকতেও অন্য কেউ সঙ্গী হিসেবে চাইবে?
সম্পর্ককে যদি শারীরিক বিষয় ভাবেনঃ
আপনি যদি সম্পর্কের মানেই শারীরিক সম্পর্ক ভাবেন অর্থাৎ যৌনতা মানেই ভালোবাসা ভাবেন তবে সেক্ষেত্রে এটি সঙ্গী পাওয়া পেছনে একটি বাঁধা হিসেবে কাজ করবে। আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে আপনার সঙ্গী আপনার কাছে শারীরিক চাহিদার বাইরেও অনেক কিছু আশা করে। সুতরাং উপরের বিষয় সমূহ যদি আপনার মাঝে না থাকে তবে আপনি অবশ্যই সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার জন্য আদর্শ একজন ব্যক্তি! অতএব সঙ্গী পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন।]]>falseHasan]]>2017-02-26T09:32:15Z2017-02-26T09:32:15Zhttp://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2406
১) গায়ে পড়া স্বভাব নেই ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম।
২)তারা ছলকলা বোঝে না প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়।
৩) ভালো ছেলেরা “বোরিং” হয় মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাঁদের প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়। অন্যদিকে ভালো ছেলেদেরকে তাঁদের চোখে মনে হয় “বোরিং”।
৪) মায়ের কথা মেনে চলে বেশিরভাগ ভালো ছেলে মায়ের কথা খুব শোনে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবো না, কিংবা সব সিধান্তে মাকে শামিল করে তারা। এই ব্যাপারটা বেশিরভাগ মেয়ে পছন্দ করে না।
৫) ক্যারিয়ার নিয়ে বেশী সচেতন বেশিরভাগ ভালো ছেলেই নিজের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। আর এই সবের মাঝেই হারিয়ে যায় প্রেম ও অন্যান্য ব্যাপার। যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।
৬) মিথ্যা বলতে পারে না প্রেমের সম্পর্কে টুকটাক নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা, নিজেকে একটু হিরো সাজিয়ে উপস্থাপন করা ইত্যাদি ভালো ছেলেরা পারেই না একদম। ফোলে মেয়েরাও পটে না সহজে।
৭) শুরুতেই সিরিয়াস হয়ে যায় কারো সাথে প্রথম প্রথম ডেটিং-এই এই ধরণের ছেলেরা খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে যায়। মেয়েটির ওপরে অধিকার ফলাতে থাকে। আর এটাই সম্পর্কটাকে সামনে এগোতে বাঁধা দেয়।
৮) প্রচণ্ড আবেগী হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা হয় প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। এরা খুব অভিমানী স্বভাবেরও হয়। তাই তুচ্ছ কারণে এদের সম্পর্ক ভাঙে এবং নতুন সম্পর্ক হয় না।
৯) খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে বেশিরভাগ ভালো ছেলেই সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারে না। ফলে তারা পুরুষ লোভী কিছু খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে। এবং অন্য মেয়েদের উপর থেকেও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।
১০) সম্পর্কভীতি কাজ করে প্রেম করলে কী হবে? যদি বিয়ে না করতে পারি? বাসায় জানলে কী হবে? কীভাবে প্রপোজ করবো… সম্পর্ক নিয়ে ইত্যাদি হরেক রকম ভীতি কাজ করে অনেকের মনেই। আর এর ফলে তাঁদের প্রেম করাটাই হয়ে ওঠে না।]]>false