<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - জানা ও অজানা]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 19:17:54 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[অগ্নি দূর্ঘটনা থেকে বাচতে করনীয় জেনে নিন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3926</link>
			<pubDate>Tue, 28 Mar 2023 16:51:00 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3926</guid>
			<description><![CDATA[গত কয়েক মাসে রাজধানীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি, অফিস ও কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি ঘটেছে। আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। তাই আগুন থেকে আমাদের থাকতে হবে সচেতন। কারণ, বাসা, অফিস ও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েই দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে আমাদের। <br />
<br />
এসব জায়গায় অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে থাকা চাই পূর্বপ্রস্তুতি। অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না, কোথাও হঠাৎ আগুন লাগলে কী করব। কীভাবে নিরাপদে ওই স্থান থেকে বের হতে পারব? তাই যদি পূর্বপরিকল্পনা থাকে, তবে সহজেই নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে জীবন বাঁচানো যায়। আগুন নেভানোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও কিনে রাখা উচিত হাতের কাছেই। অগ্নিদুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে কিছু বিষয়ে মেনে চলা উচিত।<br />
<br />
নিয়মিত এসি সার্ভিসিং<br />
এই গরমের সময়ে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা এসি থেকে অনেক সময় আগুন লাগার কথা শোনা যায়। তাই বাসা বা অফিসে এসি ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে। শীতকালে বেশির ভাগ এসি বন্ধ থাকে। শীত শেষে প্রতি গ্রীষ্মে এসি ছাড়ার আগে এসির যথাযথ সার্ভিসিং করুন। তাতে এসি থেকে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা অনেকাংশেই কমে যাবে।<br />
<br />
চুলা জ্বালাতে সতর্কতা<br />
চুলা থেকেই অনেক সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তাই চুলা জ্বালানোর আগে সতর্ক থাকতে হবে। চুলা জ্বালানোর আগে জানালা খুলে দিন এবং কোনো গ্যাস লিকেজ আছে কি না, তা বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন। গ্যাসলাইনে কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে ঠিক করিয়ে নিতে হবে।<br />
<br />
সংযোগ লাইন পরীক্ষা<br />
বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্যুয়ারেজ—বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের সংযোগ লাইন থাকে। এই লাইনগুলো লিকেজ থাকলে নিয়মিত নিরীক্ষা করুন। লাইনগুলোতে কোনো সমস্যা থাকলে মেরামত করে নিতে হবে।<br />
<br />
আগুনের উৎস থেকে সতর্ক থাকুন<br />
বাসা ও অফিসে আগুনের বিভিন্ন উৎস থাকে। উৎসগুলোর পাশে ধূমপান করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ ছাড়া আগুনের উৎসের আশপাশে কয়েল বা অন্য কোনো দাহ্য বস্তু যতটা সম্ভব দূরে রাখলে আগুন লাগার আশঙ্কা কমে যায়। অব্যবহৃত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মূল লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখুন।<br />
<br />
প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রাখুন<br />
ভবনের দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা সম্পর্কে জেনে রাখুন। কোথায় ফায়ার অ্যালার্ম ও অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র আছে, তা জেনে রাখুন। জরুরি বহির্গমন পথ চিনে রাখুন এবং সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানুন। জরুরি বহির্গমন পথে পৌঁছাতে না পারলে বাইরে বা রাস্তার দিকে জানালা আছে, এমন ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করুন। সর্বোপরি ভবনে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রাখুন।<br />
<br />
চুলা বন্ধ রাখুন<br />
রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের চুলা বন্ধ করে ফেলতে হবে। দেশলাইয়ের কাঠি বাঁচানোর জন্য চুলা জ্বালিয়ে রাখা উচিত নয়। গ্যাসের চুলা ঠিকমতো বন্ধ হয়েছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভেজা জামাকাপড় চুলার ওপর শুকানো যাবে না। এ ছাড়া ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গত কয়েক মাসে রাজধানীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি, অফিস ও কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি ঘটেছে। আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। তাই আগুন থেকে আমাদের থাকতে হবে সচেতন। কারণ, বাসা, অফিস ও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েই দিনের বেশির ভাগ সময় কাটে আমাদের। <br />
<br />
এসব জায়গায় অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে থাকা চাই পূর্বপ্রস্তুতি। অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না, কোথাও হঠাৎ আগুন লাগলে কী করব। কীভাবে নিরাপদে ওই স্থান থেকে বের হতে পারব? তাই যদি পূর্বপরিকল্পনা থাকে, তবে সহজেই নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে জীবন বাঁচানো যায়। আগুন নেভানোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও কিনে রাখা উচিত হাতের কাছেই। অগ্নিদুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে কিছু বিষয়ে মেনে চলা উচিত।<br />
<br />
নিয়মিত এসি সার্ভিসিং<br />
এই গরমের সময়ে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা এসি থেকে অনেক সময় আগুন লাগার কথা শোনা যায়। তাই বাসা বা অফিসে এসি ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে। শীতকালে বেশির ভাগ এসি বন্ধ থাকে। শীত শেষে প্রতি গ্রীষ্মে এসি ছাড়ার আগে এসির যথাযথ সার্ভিসিং করুন। তাতে এসি থেকে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা অনেকাংশেই কমে যাবে।<br />
<br />
চুলা জ্বালাতে সতর্কতা<br />
চুলা থেকেই অনেক সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তাই চুলা জ্বালানোর আগে সতর্ক থাকতে হবে। চুলা জ্বালানোর আগে জানালা খুলে দিন এবং কোনো গ্যাস লিকেজ আছে কি না, তা বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন। গ্যাসলাইনে কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে ঠিক করিয়ে নিতে হবে।<br />
<br />
সংযোগ লাইন পরীক্ষা<br />
বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্যুয়ারেজ—বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের সংযোগ লাইন থাকে। এই লাইনগুলো লিকেজ থাকলে নিয়মিত নিরীক্ষা করুন। লাইনগুলোতে কোনো সমস্যা থাকলে মেরামত করে নিতে হবে।<br />
<br />
আগুনের উৎস থেকে সতর্ক থাকুন<br />
বাসা ও অফিসে আগুনের বিভিন্ন উৎস থাকে। উৎসগুলোর পাশে ধূমপান করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ ছাড়া আগুনের উৎসের আশপাশে কয়েল বা অন্য কোনো দাহ্য বস্তু যতটা সম্ভব দূরে রাখলে আগুন লাগার আশঙ্কা কমে যায়। অব্যবহৃত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মূল লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখুন।<br />
<br />
প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রাখুন<br />
ভবনের দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা সম্পর্কে জেনে রাখুন। কোথায় ফায়ার অ্যালার্ম ও অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র আছে, তা জেনে রাখুন। জরুরি বহির্গমন পথ চিনে রাখুন এবং সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানুন। জরুরি বহির্গমন পথে পৌঁছাতে না পারলে বাইরে বা রাস্তার দিকে জানালা আছে, এমন ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করুন। সর্বোপরি ভবনে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা রাখুন।<br />
<br />
চুলা বন্ধ রাখুন<br />
রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের চুলা বন্ধ করে ফেলতে হবে। দেশলাইয়ের কাঠি বাঁচানোর জন্য চুলা জ্বালিয়ে রাখা উচিত নয়। গ্যাসের চুলা ঠিকমতো বন্ধ হয়েছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভেজা জামাকাপড় চুলার ওপর শুকানো যাবে না। এ ছাড়া ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিয়ের পর গোপনীয়তার নাটক করেন কেনো বিয়েতোরা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3274</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jan 2018 15:36:17 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3274</guid>
			<description><![CDATA[সবাইকে জানিয়ে কিংবা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সামাজিক বিয়ে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এখানে ঝলমলে উৎসবের মেজাজ, খাওয়া-দাওয়া এবং নবদম্পতির খুনসুটিসহ অনেক কিছুই হয়ে থাকে।<br />
এত কিছুর পরও অনেক দম্পতিদের দেখা যায় বিয়ের পর গোপনীয়তার নাটক। নিজের বর্তমান অবস্থা এবং সমাজে স্বীকৃতির দেওয়ার সংকটে বিয়ে গোপন করে বহু প্রণয়ের ঘটনা ঘটছে। সম্ভাব্য যেসব কারণে বিবাহিতরা বিয়ের বিষয় গোপন করে থাকেন নিচে তা তুলে ধরা হলো. . .<br />
❏ রুপালি পর্দার তারকার মধ্যে এই স্বভাব লক্ষ্য রাখা যায়। অবশ্য এই স্বভাব আর তারকাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অন্যান্য পেশার মানু্ষের মধ্যেও গোপনীয়তা অবলম্বন করতে দেখা যায়।<br />
❏ আঠারো বছরের আগে বিয়ে করলে, আইনি ঝামেলা এড়ানোর জন্য কেউ কেউ বিয়ে করেও গোপন রাখে।<br />
❏ ‌প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের কুচক্রের বিয়ে ভেঙে যেতে পারে এই আশঙ্কায় অনেকে বিয়ে গোপন রাখেন।<br />
❏ ‌অভিভাবকরা অনেক সময় সব প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয় না। সম্পর্ক ভাঙার আশঙ্কায় দেখা যায় প্রেমিক–প্রেমিকা বিয়ে গোপন রাখছে।<br />
❏ চাকরি করতে অনেকে দেশ-বিদেশে যায়। ওই সময় দেখা যায় সাময়িকভাবে অনেকে গোপনে বিয়ে করে ফেলেন। সেই খবর সবাইকে জানান না।<br />
❏ ‌দীর্ঘদিনের বৈবাহিক জীবনে সন্তান হয় নি বা দেখা গেছে পর পর কন্যা সন্তান হয়েছে। সেই সময় প্রথম স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদে রাজি হচ্ছেন না। তখন গোপনে আরেকটি বিয়ে করছেন অনেকে।<br />
❏ এমন অনেক পেশা আছে বা সাংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে সময় মত বিয়ে করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে এমনও খবর পাওয়া যায় ওই ব্যাক্তির গোপনে আগেই বিয়ের করেছেন অনেক আগেই।<br />
❏ সুন্দরের প্রতি আকর্ষণ মানুষের থাকে। পাশাপাশি যদি খোলামেলা যৌনতার হাতছানি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। দেশ-বিদেশে ব্যবসা বা চাকরির সুবাদে অনেকে বাইরে থাকেন। সেখানে প্রতিপত্তি বাড়ানোর জন্য অনেকে গোপনে নানা জায়গায় বিয়ে করার খবর পাওয়া যায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সবাইকে জানিয়ে কিংবা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সামাজিক বিয়ে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এখানে ঝলমলে উৎসবের মেজাজ, খাওয়া-দাওয়া এবং নবদম্পতির খুনসুটিসহ অনেক কিছুই হয়ে থাকে।<br />
এত কিছুর পরও অনেক দম্পতিদের দেখা যায় বিয়ের পর গোপনীয়তার নাটক। নিজের বর্তমান অবস্থা এবং সমাজে স্বীকৃতির দেওয়ার সংকটে বিয়ে গোপন করে বহু প্রণয়ের ঘটনা ঘটছে। সম্ভাব্য যেসব কারণে বিবাহিতরা বিয়ের বিষয় গোপন করে থাকেন নিচে তা তুলে ধরা হলো. . .<br />
❏ রুপালি পর্দার তারকার মধ্যে এই স্বভাব লক্ষ্য রাখা যায়। অবশ্য এই স্বভাব আর তারকাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অন্যান্য পেশার মানু্ষের মধ্যেও গোপনীয়তা অবলম্বন করতে দেখা যায়।<br />
❏ আঠারো বছরের আগে বিয়ে করলে, আইনি ঝামেলা এড়ানোর জন্য কেউ কেউ বিয়ে করেও গোপন রাখে।<br />
❏ ‌প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের কুচক্রের বিয়ে ভেঙে যেতে পারে এই আশঙ্কায় অনেকে বিয়ে গোপন রাখেন।<br />
❏ ‌অভিভাবকরা অনেক সময় সব প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয় না। সম্পর্ক ভাঙার আশঙ্কায় দেখা যায় প্রেমিক–প্রেমিকা বিয়ে গোপন রাখছে।<br />
❏ চাকরি করতে অনেকে দেশ-বিদেশে যায়। ওই সময় দেখা যায় সাময়িকভাবে অনেকে গোপনে বিয়ে করে ফেলেন। সেই খবর সবাইকে জানান না।<br />
❏ ‌দীর্ঘদিনের বৈবাহিক জীবনে সন্তান হয় নি বা দেখা গেছে পর পর কন্যা সন্তান হয়েছে। সেই সময় প্রথম স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদে রাজি হচ্ছেন না। তখন গোপনে আরেকটি বিয়ে করছেন অনেকে।<br />
❏ এমন অনেক পেশা আছে বা সাংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে সময় মত বিয়ে করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে এমনও খবর পাওয়া যায় ওই ব্যাক্তির গোপনে আগেই বিয়ের করেছেন অনেক আগেই।<br />
❏ সুন্দরের প্রতি আকর্ষণ মানুষের থাকে। পাশাপাশি যদি খোলামেলা যৌনতার হাতছানি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। দেশ-বিদেশে ব্যবসা বা চাকরির সুবাদে অনেকে বাইরে থাকেন। সেখানে প্রতিপত্তি বাড়ানোর জন্য অনেকে গোপনে নানা জায়গায় বিয়ে করার খবর পাওয়া যায়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ব্রেকআপের পর যে কাজগুলো করবেন না]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3269</link>
			<pubDate>Mon, 11 Dec 2017 16:39:58 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3269</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ব্রেকআপের পরের সময়টায় আপনার রাগ বেড়ে যাবে কিংবা খুব একাকী লাগবে তবে আপনার উচিত ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করা। ব্রেকআপের পর ১৫টি কাজ করা আপনার একেবারেই অনুচিত। এ নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজকে থাকছে প্রথম পর্ব।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১. আরেকটি সুযোগের জন্য মিনতি করবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অবশ্যই আপনি আপনার প্রাক্তন সঙ্গীর অভাবটা খুব বেশি বোধ করবেন এবং হয়তো পুরো ব্যাপারটা নিয়ে বেদনার মধ্যে থাকবেন। কিন্তু তাকে ফিরে আসার জন্য কাকুতি-মিনতি করবেন না। আপনি যদি এটা করতেই বদ্ধ পরিকর থাকেন তবে নিজের মনকে জিজ্ঞেস করুন। এমনটাই মত হাফিংটন পোস্ট ব্লগের এবং ‘বি ফেয়ারলেস : চেঞ্জ ইয়োর লাইফ ইন টুয়েন্টি এইট ডেইজ’ বইয়ের লেখক সাইকো থেরাপিস্ট জনাথন আলপার্টের। তিনি আরো বলেন, ‘আপনি কী প্রাক্তন মানুষটাকেই মিস করেন নাকি তার চিন্তা-ভাবনাগুলোকে? দুটো ব্যাপারে যথেষ্ট বড় ব্যবধান আছে।’</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২. কল বা মেসেজ দিবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ব্রেকআপের পর আপনি যদি ভালো থাকতে চান, তাহলে অন্তত ৩০ দিন তার সঙ্গে যোগাযোগ না করার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এই ৩০ দিনই পরে ৪০......৫০ বা তার চেয়ে বেশি দিন আপনাকে এগিয়ে নিবে। আর তারপরই আপনার ভালো থাকার কিংবা অন্যান্য দিকে মন দেয়ার মতো পরিবেশ তৈরির সম্ভবনা তৈরি হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩. আপনার দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করতে ভয় পাবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আলপার্টের পরামর্শ মতে, ‘ভেবে নিন, আপনিই বরং তার কাছ থেকে সরে এসেছেন। আপনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন- নিজের এই অবস্থান থেকে সরে আসুন। এটা আপনাকে মানসিক ভাবে আরো শক্তিশালী করবে। নিজেকে পরিস্থিতির শিকার নয় বরং নিয়ন্ত্রক মনে হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৪. নতুন পরিচিত হওয়া মানুষটির সঙ্গে প্রেম বা বিয়েতে জড়াবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">মনে যখন প্রতিশোধের চিন্তাভাবনা থাকে তখন নতুন কাউকে সে জায়গায় বসানো খুবই সহজ ব্যাপার। নিউইয়র্কের সম্পর্ক এবং শিষ্টাচার বিশেষজ্ঞ এপ্রিল ম্যাসিনির মতে, আপনার উচিত নিজের মনকে আপাতত দমিয়ে রাখা। তার ভাষ্যমতে, একটা বেদনাদায়ক সম্পর্কচ্ছেদের পর কিছুদিন একাকী থাকাই আপনার জন্য ভালো ব্যবস্থা। এটা অন্তত আপনাকে এই নিশ্চয়তা দেয় পরেরবার সম্পর্কটা এমন আবেগতাড়িত, এলোমেলো হবে না, যাতে করে আপনি আরেকটা ব্রেককাপের মুখে পড়বেন। তিনি বলে, ‘কি ঘটেছে আর কোথায় কোথায় আপনার চাওয়া পাওয়ার হিসেব মিলেনি তা নিয়ে কিছুটা সময় ভাবুন আর চিন্তা করুন পরেরবার অপনি আসলে কী করতে চান।’</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৫. অত্যাধিক পার্টি অনুষ্ঠানে মেতে থাকবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">নিজের চাপা কষ্টগুলো ভুলে থাকার জন্য ব্রেকআপের পরের সময়টায় পার্টিতে যাওয়াটা খুবই আকর্ষণীয়। কিন্তু এটা আসলে ভুল। ‘কিছু মানুষ এর মাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয় ও আবেদনময়ী করার চেষ্টা করে।’ এমনটাই মত দ্য রিলেশনশিপ ফিক্স : ড. জেন’স সিক্স-স্টেপ গাইড টু ইমপ্রুভিং কমিউনিকেউশন, কানেকশন অ্যান্ড ইনটিমেসি’ বইয়ের লেখক ড. জ্যান ম্যানের। সম্পর্ক ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই যদি আপনি পার্টি যাওয়া, মদ্যপান করা, প্রেমের অভিনয় শুরু করেন, তাহলে দুঃখ ভোলার এই প্রক্রিয়া সঠিক নয়। ড. জেন ম্যানের কথা অনুযায়ী, ‘আমরা যদি এই ব্যাপারে সময় না নিই এবং নিজেদের নিয়ে কাজ না করি তাহলে পরেরবার সম্পর্কের বেলায় আমরা আরো বেশি ভুগবো।’</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৬. কষ্ট এড়িয়ে যাবে না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ব্রেকআপের পরের যন্ত্রণাদায়ক সময়টা ভুলে থাকতে আপনি হয়তো নিজের মনের কষ্টটাকে দূরে সারিয়ে রাখতে চাইবেন কারণ এটা খুবই ভয়াবহ। কিন্তু এমনটা করলে আপনি কখনই মায়া ছেড়ে বেরোতে পারবেন না। এই মায়া কাটানোর একমাত্র পথ কষ্টগুলো এড়িয়ে না গিয়ে তা সঙ্গে করে পথ চলাটারই, অভিমত ড. ম্যানের।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৭. স্বাভাবিক থাকুন</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">যে মাত্র প্রাক্তনের প্রতি বাজে ধারণা আসবে তা নিয়ন্ত্রণ করুন। কেননা এটা মানসিক যন্ত্রণা কাটাতে মোটেও কোনো সমাধান নয়। ম্যাসিনির মতে, বাজে কথাগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরে। আপনার প্রাক্তনের নয়। এটা কখনো ভদ্র আকর্ষণীয় ফলপ্রসূ আচরণ নয়। আপনার যখন উপরে ওঠার দরকার এটি আপনাকে নিচে নামিয়ে দেবে। আপনার প্রাক্তনের দ্বারা কষ্ট পেলেও নীরবে সহ্য করে নিজেকে বড় প্রমাণ করুন। আপনার কাছের বন্ধু আর পরিবারের কাছে ফিরে যান।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৮. নিজের প্রতি কঠোর হবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সাইকোলজি টুডের ড. গাই উইঞ্জের মতে, ‘এ সময় নিজের প্রতি কঠোর হওয়া উচিত না। নিজের অহংবোধ আর আত্মসম্মান ইতিমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত, তাই এটাকে আরো বাজে দিকে নিয়ে যাবেন না। এমন কারো সঙ্গে মিশুন যে আপনার প্রাক্তন সম্পর্কে কিছু জানে না। যদি আপনার এগিয়ে যেতে সমস্যা হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়াই উত্তম।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">(আগামী পর্বে সমাপ্য)</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ব্রেকআপের পরের সময়টায় আপনার রাগ বেড়ে যাবে কিংবা খুব একাকী লাগবে তবে আপনার উচিত ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করা। ব্রেকআপের পর ১৫টি কাজ করা আপনার একেবারেই অনুচিত। এ নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজকে থাকছে প্রথম পর্ব।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১. আরেকটি সুযোগের জন্য মিনতি করবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অবশ্যই আপনি আপনার প্রাক্তন সঙ্গীর অভাবটা খুব বেশি বোধ করবেন এবং হয়তো পুরো ব্যাপারটা নিয়ে বেদনার মধ্যে থাকবেন। কিন্তু তাকে ফিরে আসার জন্য কাকুতি-মিনতি করবেন না। আপনি যদি এটা করতেই বদ্ধ পরিকর থাকেন তবে নিজের মনকে জিজ্ঞেস করুন। এমনটাই মত হাফিংটন পোস্ট ব্লগের এবং ‘বি ফেয়ারলেস : চেঞ্জ ইয়োর লাইফ ইন টুয়েন্টি এইট ডেইজ’ বইয়ের লেখক সাইকো থেরাপিস্ট জনাথন আলপার্টের। তিনি আরো বলেন, ‘আপনি কী প্রাক্তন মানুষটাকেই মিস করেন নাকি তার চিন্তা-ভাবনাগুলোকে? দুটো ব্যাপারে যথেষ্ট বড় ব্যবধান আছে।’</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২. কল বা মেসেজ দিবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ব্রেকআপের পর আপনি যদি ভালো থাকতে চান, তাহলে অন্তত ৩০ দিন তার সঙ্গে যোগাযোগ না করার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এই ৩০ দিনই পরে ৪০......৫০ বা তার চেয়ে বেশি দিন আপনাকে এগিয়ে নিবে। আর তারপরই আপনার ভালো থাকার কিংবা অন্যান্য দিকে মন দেয়ার মতো পরিবেশ তৈরির সম্ভবনা তৈরি হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩. আপনার দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করতে ভয় পাবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আলপার্টের পরামর্শ মতে, ‘ভেবে নিন, আপনিই বরং তার কাছ থেকে সরে এসেছেন। আপনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন- নিজের এই অবস্থান থেকে সরে আসুন। এটা আপনাকে মানসিক ভাবে আরো শক্তিশালী করবে। নিজেকে পরিস্থিতির শিকার নয় বরং নিয়ন্ত্রক মনে হবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৪. নতুন পরিচিত হওয়া মানুষটির সঙ্গে প্রেম বা বিয়েতে জড়াবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">মনে যখন প্রতিশোধের চিন্তাভাবনা থাকে তখন নতুন কাউকে সে জায়গায় বসানো খুবই সহজ ব্যাপার। নিউইয়র্কের সম্পর্ক এবং শিষ্টাচার বিশেষজ্ঞ এপ্রিল ম্যাসিনির মতে, আপনার উচিত নিজের মনকে আপাতত দমিয়ে রাখা। তার ভাষ্যমতে, একটা বেদনাদায়ক সম্পর্কচ্ছেদের পর কিছুদিন একাকী থাকাই আপনার জন্য ভালো ব্যবস্থা। এটা অন্তত আপনাকে এই নিশ্চয়তা দেয় পরেরবার সম্পর্কটা এমন আবেগতাড়িত, এলোমেলো হবে না, যাতে করে আপনি আরেকটা ব্রেককাপের মুখে পড়বেন। তিনি বলে, ‘কি ঘটেছে আর কোথায় কোথায় আপনার চাওয়া পাওয়ার হিসেব মিলেনি তা নিয়ে কিছুটা সময় ভাবুন আর চিন্তা করুন পরেরবার অপনি আসলে কী করতে চান।’</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৫. অত্যাধিক পার্টি অনুষ্ঠানে মেতে থাকবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">নিজের চাপা কষ্টগুলো ভুলে থাকার জন্য ব্রেকআপের পরের সময়টায় পার্টিতে যাওয়াটা খুবই আকর্ষণীয়। কিন্তু এটা আসলে ভুল। ‘কিছু মানুষ এর মাধ্যমে নিজেকে আকর্ষণীয় ও আবেদনময়ী করার চেষ্টা করে।’ এমনটাই মত দ্য রিলেশনশিপ ফিক্স : ড. জেন’স সিক্স-স্টেপ গাইড টু ইমপ্রুভিং কমিউনিকেউশন, কানেকশন অ্যান্ড ইনটিমেসি’ বইয়ের লেখক ড. জ্যান ম্যানের। সম্পর্ক ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই যদি আপনি পার্টি যাওয়া, মদ্যপান করা, প্রেমের অভিনয় শুরু করেন, তাহলে দুঃখ ভোলার এই প্রক্রিয়া সঠিক নয়। ড. জেন ম্যানের কথা অনুযায়ী, ‘আমরা যদি এই ব্যাপারে সময় না নিই এবং নিজেদের নিয়ে কাজ না করি তাহলে পরেরবার সম্পর্কের বেলায় আমরা আরো বেশি ভুগবো।’</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৬. কষ্ট এড়িয়ে যাবে না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ব্রেকআপের পরের যন্ত্রণাদায়ক সময়টা ভুলে থাকতে আপনি হয়তো নিজের মনের কষ্টটাকে দূরে সারিয়ে রাখতে চাইবেন কারণ এটা খুবই ভয়াবহ। কিন্তু এমনটা করলে আপনি কখনই মায়া ছেড়ে বেরোতে পারবেন না। এই মায়া কাটানোর একমাত্র পথ কষ্টগুলো এড়িয়ে না গিয়ে তা সঙ্গে করে পথ চলাটারই, অভিমত ড. ম্যানের।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৭. স্বাভাবিক থাকুন</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">যে মাত্র প্রাক্তনের প্রতি বাজে ধারণা আসবে তা নিয়ন্ত্রণ করুন। কেননা এটা মানসিক যন্ত্রণা কাটাতে মোটেও কোনো সমাধান নয়। ম্যাসিনির মতে, বাজে কথাগুলো আপনার ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরে। আপনার প্রাক্তনের নয়। এটা কখনো ভদ্র আকর্ষণীয় ফলপ্রসূ আচরণ নয়। আপনার যখন উপরে ওঠার দরকার এটি আপনাকে নিচে নামিয়ে দেবে। আপনার প্রাক্তনের দ্বারা কষ্ট পেলেও নীরবে সহ্য করে নিজেকে বড় প্রমাণ করুন। আপনার কাছের বন্ধু আর পরিবারের কাছে ফিরে যান।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৮. নিজের প্রতি কঠোর হবেন না</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সাইকোলজি টুডের ড. গাই উইঞ্জের মতে, ‘এ সময় নিজের প্রতি কঠোর হওয়া উচিত না। নিজের অহংবোধ আর আত্মসম্মান ইতিমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত, তাই এটাকে আরো বাজে দিকে নিয়ে যাবেন না। এমন কারো সঙ্গে মিশুন যে আপনার প্রাক্তন সম্পর্কে কিছু জানে না। যদি আপনার এগিয়ে যেতে সমস্যা হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়াই উত্তম।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">(আগামী পর্বে সমাপ্য)</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[হিটলার সম্পর্কে ৫টি অবাক করা তথ্য!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3238</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:13:24 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3238</guid>
			<description><![CDATA[অ্যাডলফ হিটলার। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে স্বৈরাচারী শাসক হিসেবে থাকে আখ্যায়িত করা হয়। যদিও জার্মানিদের কাছে তিনি মহানায়ক। তার ইহুদি দমন উদ্যোগের জন্য তিনি একই সঙ্গে নিন্দিত ও নন্দিত। এই কঠোর মানুষটির জীবন বড় বিচিত্র তথ্যে ভরপুর। যেমন ইহুদী বিদ্বেষী হলেও প্রেমে পড়েছিলেন ইহুদীর নারীর। তাহলে চলুন জেনে নিই তার সম্পর্কে অবাক কিছু তথ্য-<br />
<br />
১. ইহুদি তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন হিটলার:<br />
<br />
হিটলার নাকি ইহুদি বিদ্বেষী ছিলেন, কিন্তু অবাক বিষয় হল সেই হিটলারই স্কুলে পড়ার সময় এক ইহুদি মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন। তার নাম ছিল স্টেফানি ইসাক। যদি মেয়েটিকে কখনো কিছু বলেননি। তবে ইসাককে দেখলেই তিনি দারুণ লজ্জাবোধ করতেন।<br />
<br />
২. হিটলার ধর্মযাজক হতে চেয়েছিলেন:<br />
<br />
মাত্র ৪ বছর বয়সে সেই ইচ্ছাই দেখা দিয়েছিল হিটলারের মনে।এক শীতে সেই বয়সে একটি লেকে পড়ে যান তিনি। তাকে উদ্ধার করেন এক ধর্মযাজক। ঘটনাটি তার মনকে আলোড়িত করে। মনের কৃতজ্ঞতা আর ভালোলাগা থেকেই তিনি বড় হয়ে ধর্মযাজক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।<br />
<br />
৩. গাড়ি চালানো জানতেন না:<br />
<br />
হিটলার কখনো ড্রাইভিং শেখেননি। চেষ্টাও করেননি। অনেকের ধারণা, তার মনে এক ধরনের ভয় কাজ করত। নিজের মানুষের সামনে যদি গাড়ি চালনায় দক্ষ না হতে পারেন, তবে তা সম্মানহানিকর। তবে নিজের বিশাল সেনাবাহিনীকে ব্যক্তিগত চালকের মাধ্যমে গাড়ি চালিয়েই নেতৃত্ব দিয়েছেন। <br />
<br />
৪. ধূমপানবিরোধী:<br />
<br />
তরুণ বয়সে ব্যাপক ধূমপান করলেও একপর্যায়ে তিনি এর বিরোধী হয়ে ওঠেন। সিগারেটের পেছনে অর্থের অপচয় হয় বলেই মনে করতেন। গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধকরণে অ্যান্টি-স্মোকিং ক্যাম্পেইনও করেছেন তিনি। <br />
<br />
৫. একটি অণ্ডকোষ:<br />
<br />
অনেকেই এ কথা বলে গেছেন যে, হিটলার উর্বরতাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধরত অবস্থায় আঘাত পেয়েছিলেন। সার্জারিতে চিকিৎসক তার একটি অণ্ডকোষ বের করে ফেলেন। তার জীবন বাঁচাতেই এ কাজটি করতে হয়। ১৯১৬ সালে ব্যাটল অব সোমি-তে এমন ঘটনা ঘটেছিল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অ্যাডলফ হিটলার। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে স্বৈরাচারী শাসক হিসেবে থাকে আখ্যায়িত করা হয়। যদিও জার্মানিদের কাছে তিনি মহানায়ক। তার ইহুদি দমন উদ্যোগের জন্য তিনি একই সঙ্গে নিন্দিত ও নন্দিত। এই কঠোর মানুষটির জীবন বড় বিচিত্র তথ্যে ভরপুর। যেমন ইহুদী বিদ্বেষী হলেও প্রেমে পড়েছিলেন ইহুদীর নারীর। তাহলে চলুন জেনে নিই তার সম্পর্কে অবাক কিছু তথ্য-<br />
<br />
১. ইহুদি তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন হিটলার:<br />
<br />
হিটলার নাকি ইহুদি বিদ্বেষী ছিলেন, কিন্তু অবাক বিষয় হল সেই হিটলারই স্কুলে পড়ার সময় এক ইহুদি মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন। তার নাম ছিল স্টেফানি ইসাক। যদি মেয়েটিকে কখনো কিছু বলেননি। তবে ইসাককে দেখলেই তিনি দারুণ লজ্জাবোধ করতেন।<br />
<br />
২. হিটলার ধর্মযাজক হতে চেয়েছিলেন:<br />
<br />
মাত্র ৪ বছর বয়সে সেই ইচ্ছাই দেখা দিয়েছিল হিটলারের মনে।এক শীতে সেই বয়সে একটি লেকে পড়ে যান তিনি। তাকে উদ্ধার করেন এক ধর্মযাজক। ঘটনাটি তার মনকে আলোড়িত করে। মনের কৃতজ্ঞতা আর ভালোলাগা থেকেই তিনি বড় হয়ে ধর্মযাজক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।<br />
<br />
৩. গাড়ি চালানো জানতেন না:<br />
<br />
হিটলার কখনো ড্রাইভিং শেখেননি। চেষ্টাও করেননি। অনেকের ধারণা, তার মনে এক ধরনের ভয় কাজ করত। নিজের মানুষের সামনে যদি গাড়ি চালনায় দক্ষ না হতে পারেন, তবে তা সম্মানহানিকর। তবে নিজের বিশাল সেনাবাহিনীকে ব্যক্তিগত চালকের মাধ্যমে গাড়ি চালিয়েই নেতৃত্ব দিয়েছেন। <br />
<br />
৪. ধূমপানবিরোধী:<br />
<br />
তরুণ বয়সে ব্যাপক ধূমপান করলেও একপর্যায়ে তিনি এর বিরোধী হয়ে ওঠেন। সিগারেটের পেছনে অর্থের অপচয় হয় বলেই মনে করতেন। গণপরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধকরণে অ্যান্টি-স্মোকিং ক্যাম্পেইনও করেছেন তিনি। <br />
<br />
৫. একটি অণ্ডকোষ:<br />
<br />
অনেকেই এ কথা বলে গেছেন যে, হিটলার উর্বরতাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি যুদ্ধরত অবস্থায় আঘাত পেয়েছিলেন। সার্জারিতে চিকিৎসক তার একটি অণ্ডকোষ বের করে ফেলেন। তার জীবন বাঁচাতেই এ কাজটি করতে হয়। ১৯১৬ সালে ব্যাটল অব সোমি-তে এমন ঘটনা ঘটেছিল।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কোন দেশে কত ধনকুবেরের বাস?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3237</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:12:59 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3237</guid>
			<description><![CDATA[ধনকুবেরদের খবরে সাবেক শীর্ষ ধনী মার্কিন মুলুকের ওয়ারেন বাফেটের ছবি না দিলেই নয়, কারণ সবার কাছে তিনি যে 'বিনিয়োগ গুরু'<br />
<br />
এই পৃথিবীতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ১৫৪২। তাদের প্রত্যেকের সম্পদ ও তার অর্থমূল্যের ভেতরে থাকা কমাগুলো তাদের মর্যাদা প্রকাশ করে।<br />
<br />
এ বিষয়ে সবচেয়ে সিরিয়াস আমেরিকানরা। সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক ব্যাংক ইউবিএস তাদের নতুন এক রিপোর্টে জানায়, অধিকাংশ বিলিয়নিয়ারের বাস আমেরিকাতে। তবে তাদের পিছে দ্রুতগতিতেই ছুটছে চীন আর ভারত। এই রিপোর্টে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধনীদের সংখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে জেনে যে, এই পৃথিবীতে যেসব দেশে ধনীরা বাস করেন তাদের নাম। <br />
<br />
২০১৬ সালে নতুন বিলিয়নিয়ার হওয়াদের তিন-চতুর্থাংশই চীন ও ভারতের। এই দুই দেশে বিলিয়নিয়ারদের দলে নতুন করে যোগ হয়েছেন যথাক্রমে ৬৭ এবং ১৬ জন। যদি ধারাবাহিকতা নিরবচ্ছিন্ন থাকে তবে মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই এশিয়ার বিলিয়নিয়াররা আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবেন। <br />
<br />
তবে বর্তমানে আমেরিকাতেই সর্বাধিক বিলিয়নিয়ারের বাস।<br />
<br />
সেদেশের মোট ৫৬৩ জন ধুনকুবেরের মোটা সম্পদের পরিমাণ ২.৮ ট্রিলিয়ন ডলার। গত বছর তা ছিল ২.৪ ট্রিলিয়ন। <br />
<br />
এখানে জেনে নিন মোট ১৪ দেশের নাম এবং কোন দেশে কতজন বিলিয়নিয়ার থাকেন। <br />
<br />
১৪. সিঙ্গাপুরে আছেন ২১ জন বিলিয়নিয়ার। <br />
<br />
১৩. স্পেনে আছে ২৫ জন। <br />
<br />
১২. তুরস্কে ২৯ জন। <br />
<br />
১১. জাপানে ৩৩ জন। <br />
<br />
১০. সুইজারল্যান্ডে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৩৫ জন। <br />
<br />
৯. ফ্রান্সে আছেন ৩৯ জন। <br />
<br />
৮. ইতালিতে ৪২ জন। <br />
<br />
৭. ব্রিটেনে ৫৫ জন। <br />
<br />
৬. হং কং বেশ এগিয়ে, আছেন ৬৯ জন ধনকুবের।<br />
<br />
৫. রাশিয়ায় টাকার কুমির আছেন ৯৬ জন। <br />
<br />
৪. ভারতে তাদের সংখ্যা বিস্ময়কর, ১০০ জন। <br />
<br />
৩. জার্মানিতে আছেন ১১৭ জন। <br />
<br />
২. চীন অনেক এগিয়ে গেছে, ৩১৮ জন ধনকুবেরের বাস সেখানে। <br />
<br />
১. আমেরিকায় তাদের সংখ্যা আগেই বলা হয়েছে, ৫৬৩ জন।<br />
<br />
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ধনকুবেরদের খবরে সাবেক শীর্ষ ধনী মার্কিন মুলুকের ওয়ারেন বাফেটের ছবি না দিলেই নয়, কারণ সবার কাছে তিনি যে 'বিনিয়োগ গুরু'<br />
<br />
এই পৃথিবীতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ১৫৪২। তাদের প্রত্যেকের সম্পদ ও তার অর্থমূল্যের ভেতরে থাকা কমাগুলো তাদের মর্যাদা প্রকাশ করে।<br />
<br />
এ বিষয়ে সবচেয়ে সিরিয়াস আমেরিকানরা। সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক ব্যাংক ইউবিএস তাদের নতুন এক রিপোর্টে জানায়, অধিকাংশ বিলিয়নিয়ারের বাস আমেরিকাতে। তবে তাদের পিছে দ্রুতগতিতেই ছুটছে চীন আর ভারত। এই রিপোর্টে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধনীদের সংখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে জেনে যে, এই পৃথিবীতে যেসব দেশে ধনীরা বাস করেন তাদের নাম। <br />
<br />
২০১৬ সালে নতুন বিলিয়নিয়ার হওয়াদের তিন-চতুর্থাংশই চীন ও ভারতের। এই দুই দেশে বিলিয়নিয়ারদের দলে নতুন করে যোগ হয়েছেন যথাক্রমে ৬৭ এবং ১৬ জন। যদি ধারাবাহিকতা নিরবচ্ছিন্ন থাকে তবে মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই এশিয়ার বিলিয়নিয়াররা আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবেন। <br />
<br />
তবে বর্তমানে আমেরিকাতেই সর্বাধিক বিলিয়নিয়ারের বাস।<br />
<br />
সেদেশের মোট ৫৬৩ জন ধুনকুবেরের মোটা সম্পদের পরিমাণ ২.৮ ট্রিলিয়ন ডলার। গত বছর তা ছিল ২.৪ ট্রিলিয়ন। <br />
<br />
এখানে জেনে নিন মোট ১৪ দেশের নাম এবং কোন দেশে কতজন বিলিয়নিয়ার থাকেন। <br />
<br />
১৪. সিঙ্গাপুরে আছেন ২১ জন বিলিয়নিয়ার। <br />
<br />
১৩. স্পেনে আছে ২৫ জন। <br />
<br />
১২. তুরস্কে ২৯ জন। <br />
<br />
১১. জাপানে ৩৩ জন। <br />
<br />
১০. সুইজারল্যান্ডে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৩৫ জন। <br />
<br />
৯. ফ্রান্সে আছেন ৩৯ জন। <br />
<br />
৮. ইতালিতে ৪২ জন। <br />
<br />
৭. ব্রিটেনে ৫৫ জন। <br />
<br />
৬. হং কং বেশ এগিয়ে, আছেন ৬৯ জন ধনকুবের।<br />
<br />
৫. রাশিয়ায় টাকার কুমির আছেন ৯৬ জন। <br />
<br />
৪. ভারতে তাদের সংখ্যা বিস্ময়কর, ১০০ জন। <br />
<br />
৩. জার্মানিতে আছেন ১১৭ জন। <br />
<br />
২. চীন অনেক এগিয়ে গেছে, ৩১৮ জন ধনকুবেরের বাস সেখানে। <br />
<br />
১. আমেরিকায় তাদের সংখ্যা আগেই বলা হয়েছে, ৫৬৩ জন।<br />
<br />
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[তাজমহল নিয়ে চলমান বিতর্কে এর কিছু অজানা তথ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3236</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:12:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3236</guid>
			<description><![CDATA[*তাজমহল নির্মাণের পর থেকে প্রচলিত কথা শোনা যায়, সম্রাট শাহজাহান যমুনা নদীর আরেক তীরে একটি কালো তাজমহলও নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। তবে তার ছেলে আওরঙ্গজেবের হস্তক্ষেপে ঐ সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যায়।<br />
<br />
*তাজমহল নির্মাণ শেষ হওয়ার পর ১৬৫৮ সালে আওরঙ্গজেব শাহজাহানকে গৃহবন্দি করে। বন্দি থাকা অবস্থায় জানালা দিয়ে জীবনের বাকি ৮ বছর তাজমহলকে দূর থেকেই দেখার সুযোগ পান শাহজাহান।<br />
<br />
*সম্রাটের স্ত্রীদের পাল্টে যাওয়া মনের আবেগ ধারণ করা হয়েছে তাজমহলে। এ কারণে বিভিন্ন সময় তাজের রং পাল্টায়। ভোরে গোলাপী আভা ছড়ায়, সন্ধ্যায় দুধের মতো সাদা হয়ে যায়। আর পূর্ণিমার রাতে সোনালী আভা ছড়ায় তাজমহল।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
*তাজমহলের নির্মাণ শৈলীতে আরেকটি রহস্যময় দিক হলো যখন আপনি তার দিকে এগুবেন, মনে হবে সেটি আকারে ছোট হচ্ছে। আর যখন দূরে সরে আসবেন, মনে হবে বড় হচ্ছে। তাই গাইডরা বলেন, এতে তাজমহলকে নিজের মনে করার অনুভূতি জাগে।<br />
<br />
*দুর্বোধ্য স্থাপত্যশৈলীর তাজমহল নির্মাণে ২২ বছর সময় লাগে। গুজব আছে তাজমহল নির্মাণের পর যাতে এর মতো আর কোনো সুন্দর স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে কারণে সব শ্রমিকের হাত কেটে ফেলার নির্দেশ দেন সম্রাট। তবে এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।<br />
<br />
*তাজমহলের প্রধান স্থপতি ছিলেন ইরানের অধিবাসী ওস্তাদ আহমাদ লাহৌরি।<br />
<br />
* তাজমহলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি হলো মাঝখানের বড় গম্বুজ। এটি ‘ওনিয়ন ডোম’ নামেও পরিচিত। এর উচ্চতা ১১৫ ফুট। এর চারপাশে আছে আরো ৪ টি গম্বুজ।<br />
<br />
*ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেন মূল স্থাপনার ক্ষতি না হয়, সে কারণে চারটি বড় মিনার বাইরের দিকে কাত করে তৈরি করা হয়েছে।<br />
<br />
*তাজমহল তৈরির সব উপকরণ দূর-দূরান্ত থেকে নিয়ে আসার জন্য ১০০০ হাতিকে কাজে লাগানো হয়।<br />
<br />
*তাজমহলের জন্য সাদা মার্বেল আনা হয় রাজস্থান থেকে। এছাড়া ২৮ টির মতো মূল্যবান পাথর আনা হয় চীন, তিব্বত, শ্রীলংকা, আফগানিস্তানসহ কয়েকটি দেশ থেকে।<br />
<br />
*১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের সময় তাজমহলের অনেক দামি পাথর বৃটিশ সেনারা নিয়ে যায়।<br />
<br />
* তাজমহলের সবচেয়ে বড় গম্বুজটিতে একটি ছোট্ট গর্ত আছে। মমতাজের সমাধির ঠিক উপরে গম্বুজের সিলিংয়ে এই গর্ত দেখা যায়। বলা হয় যখন শ্রমিকদের হাত কেটে ফেলার নির্দেশ দেন সম্রাট তখন এক ক্ষুব্ধ শ্রমিক প্রতিশোধ নিতে সম্রাটের স্বপ্নে ব্যাঘাত ঘটাতে এই ঘটনা ঘটায়। তাই তাজমহলও নিখুঁত নয়, বলতে হয়।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
*দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমারু বিমানের হাত থেকে রক্ষা করতে তাজমহলের উপরে বিশাল এক বাঁশের খাঁচা দেয়া হয়। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ও নাইন ইলেভেনের পর বিমান হামলার হাত থেকে তাজমহল রক্ষায় সবুজ আচ্ছাদন ব্যবহার করা হয়।<br />
<br />
*ঠিক কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে তাজমহল নির্মাণে? ১৬৩২ থেকে ১৬৫৩ সাল পর্যন্ত নির্মাণ কাজে শাহজাহানের ব্যয় হয়েছিলো প্রায় ৩২ মিলিয়ন রূপী। বর্তমান হিসেবে প্রায় ১০৬ কোটি ২৮ লাখ ৩৪ হাজার মার্কিন ডলার। <br />
<br />
* প্রতিদিন তাজমহল পরিদর্শনে করেন প্রায় ১২ হাজার মানুষ।<br />
<br />
*সেলফি তোলা এখন বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা। তবে অনেক আগেও যে এ ধরণের মানসিকতা ছিলো অনেক সেলিব্রেটির মাঝে তার প্রমাণ মেলে। যেমন এই ছবি। গায়ক জর্জ হ্যারিসন তাজমহলের সামনে দাঁড়িয়ে এই সেলফি তোলেন প্রায় ৪০-৪৫ বছর আগে! তিনি ক্যামেরায় ফিশ আই লেন্স ব্যবহার করেছিলেন।<br />
<br />
*তাজমহলের ভেতরে একটি মসজিদ আছে। সেখানে যেতে হলে ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী শালীন পোশাক পরে যেতে হয়।<br />
<br />
*ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী সমাধির উপর ডেকোরশেন করা অনুচিত। তাই মূল সমাধির নিচে একটি কক্ষে সম্রাট শাহজাহান ও তার স্ত্রী মমতাজের কবর রাখা হয়েছে।<br />
<br />
*সম্রাটের অন্য স্ত্রী ও তার সহচরের মৃতদেহ তাজমহলের বাইরে সমাধিস্থলে রাখা হয়েছে।<br />
<br />
*তাজমহলের ভিত্তির নিচে ভূ-গর্ভস্থ পানি কমে যাওয়ায় এর মার্বেলের গায়ে ফাটল দেখা দিচ্ছে।<br />
<br />
*তাজমহলের সাদা মার্বেলের রং পরিবেশ দূষণের কারণে দিনে দিনে হলুদ হয়ে যাচ্ছে। তাই তাজমহলের আশেপাশে শুধুমাত্র ইলেকট্রিক গাড়ি চলার অনুমতি আছে। পরিবেশ দূষণ থেকে স্থাপনাকে বাঁচাতে ৪ হাজার বর্গমাইল ব্যাসের এলাকাজুড়ে অন্য কোনো যান চলাচল করতে পারে না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[*তাজমহল নির্মাণের পর থেকে প্রচলিত কথা শোনা যায়, সম্রাট শাহজাহান যমুনা নদীর আরেক তীরে একটি কালো তাজমহলও নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। তবে তার ছেলে আওরঙ্গজেবের হস্তক্ষেপে ঐ সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যায়।<br />
<br />
*তাজমহল নির্মাণ শেষ হওয়ার পর ১৬৫৮ সালে আওরঙ্গজেব শাহজাহানকে গৃহবন্দি করে। বন্দি থাকা অবস্থায় জানালা দিয়ে জীবনের বাকি ৮ বছর তাজমহলকে দূর থেকেই দেখার সুযোগ পান শাহজাহান।<br />
<br />
*সম্রাটের স্ত্রীদের পাল্টে যাওয়া মনের আবেগ ধারণ করা হয়েছে তাজমহলে। এ কারণে বিভিন্ন সময় তাজের রং পাল্টায়। ভোরে গোলাপী আভা ছড়ায়, সন্ধ্যায় দুধের মতো সাদা হয়ে যায়। আর পূর্ণিমার রাতে সোনালী আভা ছড়ায় তাজমহল।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
*তাজমহলের নির্মাণ শৈলীতে আরেকটি রহস্যময় দিক হলো যখন আপনি তার দিকে এগুবেন, মনে হবে সেটি আকারে ছোট হচ্ছে। আর যখন দূরে সরে আসবেন, মনে হবে বড় হচ্ছে। তাই গাইডরা বলেন, এতে তাজমহলকে নিজের মনে করার অনুভূতি জাগে।<br />
<br />
*দুর্বোধ্য স্থাপত্যশৈলীর তাজমহল নির্মাণে ২২ বছর সময় লাগে। গুজব আছে তাজমহল নির্মাণের পর যাতে এর মতো আর কোনো সুন্দর স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে কারণে সব শ্রমিকের হাত কেটে ফেলার নির্দেশ দেন সম্রাট। তবে এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।<br />
<br />
*তাজমহলের প্রধান স্থপতি ছিলেন ইরানের অধিবাসী ওস্তাদ আহমাদ লাহৌরি।<br />
<br />
* তাজমহলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি হলো মাঝখানের বড় গম্বুজ। এটি ‘ওনিয়ন ডোম’ নামেও পরিচিত। এর উচ্চতা ১১৫ ফুট। এর চারপাশে আছে আরো ৪ টি গম্বুজ।<br />
<br />
*ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেন মূল স্থাপনার ক্ষতি না হয়, সে কারণে চারটি বড় মিনার বাইরের দিকে কাত করে তৈরি করা হয়েছে।<br />
<br />
*তাজমহল তৈরির সব উপকরণ দূর-দূরান্ত থেকে নিয়ে আসার জন্য ১০০০ হাতিকে কাজে লাগানো হয়।<br />
<br />
*তাজমহলের জন্য সাদা মার্বেল আনা হয় রাজস্থান থেকে। এছাড়া ২৮ টির মতো মূল্যবান পাথর আনা হয় চীন, তিব্বত, শ্রীলংকা, আফগানিস্তানসহ কয়েকটি দেশ থেকে।<br />
<br />
*১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের সময় তাজমহলের অনেক দামি পাথর বৃটিশ সেনারা নিয়ে যায়।<br />
<br />
* তাজমহলের সবচেয়ে বড় গম্বুজটিতে একটি ছোট্ট গর্ত আছে। মমতাজের সমাধির ঠিক উপরে গম্বুজের সিলিংয়ে এই গর্ত দেখা যায়। বলা হয় যখন শ্রমিকদের হাত কেটে ফেলার নির্দেশ দেন সম্রাট তখন এক ক্ষুব্ধ শ্রমিক প্রতিশোধ নিতে সম্রাটের স্বপ্নে ব্যাঘাত ঘটাতে এই ঘটনা ঘটায়। তাই তাজমহলও নিখুঁত নয়, বলতে হয়।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
*দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমারু বিমানের হাত থেকে রক্ষা করতে তাজমহলের উপরে বিশাল এক বাঁশের খাঁচা দেয়া হয়। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ও নাইন ইলেভেনের পর বিমান হামলার হাত থেকে তাজমহল রক্ষায় সবুজ আচ্ছাদন ব্যবহার করা হয়।<br />
<br />
*ঠিক কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে তাজমহল নির্মাণে? ১৬৩২ থেকে ১৬৫৩ সাল পর্যন্ত নির্মাণ কাজে শাহজাহানের ব্যয় হয়েছিলো প্রায় ৩২ মিলিয়ন রূপী। বর্তমান হিসেবে প্রায় ১০৬ কোটি ২৮ লাখ ৩৪ হাজার মার্কিন ডলার। <br />
<br />
* প্রতিদিন তাজমহল পরিদর্শনে করেন প্রায় ১২ হাজার মানুষ।<br />
<br />
*সেলফি তোলা এখন বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা। তবে অনেক আগেও যে এ ধরণের মানসিকতা ছিলো অনেক সেলিব্রেটির মাঝে তার প্রমাণ মেলে। যেমন এই ছবি। গায়ক জর্জ হ্যারিসন তাজমহলের সামনে দাঁড়িয়ে এই সেলফি তোলেন প্রায় ৪০-৪৫ বছর আগে! তিনি ক্যামেরায় ফিশ আই লেন্স ব্যবহার করেছিলেন।<br />
<br />
*তাজমহলের ভেতরে একটি মসজিদ আছে। সেখানে যেতে হলে ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী শালীন পোশাক পরে যেতে হয়।<br />
<br />
*ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী সমাধির উপর ডেকোরশেন করা অনুচিত। তাই মূল সমাধির নিচে একটি কক্ষে সম্রাট শাহজাহান ও তার স্ত্রী মমতাজের কবর রাখা হয়েছে।<br />
<br />
*সম্রাটের অন্য স্ত্রী ও তার সহচরের মৃতদেহ তাজমহলের বাইরে সমাধিস্থলে রাখা হয়েছে।<br />
<br />
*তাজমহলের ভিত্তির নিচে ভূ-গর্ভস্থ পানি কমে যাওয়ায় এর মার্বেলের গায়ে ফাটল দেখা দিচ্ছে।<br />
<br />
*তাজমহলের সাদা মার্বেলের রং পরিবেশ দূষণের কারণে দিনে দিনে হলুদ হয়ে যাচ্ছে। তাই তাজমহলের আশেপাশে শুধুমাত্র ইলেকট্রিক গাড়ি চলার অনুমতি আছে। পরিবেশ দূষণ থেকে স্থাপনাকে বাঁচাতে ৪ হাজার বর্গমাইল ব্যাসের এলাকাজুড়ে অন্য কোনো যান চলাচল করতে পারে না।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জানেন, ২০১৮ সাল নিয়ে কী ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন নস্ত্রাদামুস?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3235</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:12:22 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3235</guid>
			<description><![CDATA[তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীর উপর বিশ্বাস রয়েছে গোটা বিশ্বের। এখনও পর্যন্ত তিনি যা কিছু আন্দাজ করেছেন, তার অনেকটাই মিলে গিয়েছে। রানি ডায়নার মৃত্যু থেকে ৯/১১-র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়া, হিটলারের উত্থান থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সব ভবিষ্যদ্বণীই বাস্তবায়িত হয়েছে। <br />
<br />
সেই ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ঘটতে চলা কিছু ঘটনাও আগে থেকে আন্দাজ করে রেখেছিলেন। এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল ২০১৮ সাল নিয়ে ফরাসি চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী।<br />
<br />
২০১৮ সাল নিয়ে খুব একটা সুখের কথা শোনাননি নস্ত্রাদামুস। তাঁর ধারণা অনুযায়ী, গোটা দুনিয়া এমন একটা বড়সড় পরিবর্তেনর মধ্যে দিয়ে যাবে যাতে পৃথিবীর চেহারাই পালটে যাবে। কী এই বড়সড় ঘটনা? তাঁর তথ্যে একাধিক বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। <br />
<br />
শুধু তাই নয়, আগামী বছর এক বিরাট যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। যে মহাযুদ্ধ শুধু দুটি বা তার বেশি দেশের মধ্যে হবে, এমনটা নয়। হবে দুই গোলার্ধের মধ্যে। এ ধারণা বাস্তবায়িত হওয়ার যুক্তিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।<br />
<br />
এখানেই শেষ নয়। তাঁর সমীকরণের তালিকা বলছে, আগামী বছর মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। আর লড়াইয়ের পর খুব কম সংখ্যক মানুষই শান্তির খোঁজ পাবেন। আকাশ থেকে উড়ে আসতে পারে আগুনের গোলা। যা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে নিরীহ সাধারণ মানুষকে। নস্ত্রাদামুসের এই তথ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে কিম জং উনের নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে লাগাতার পরীক্ষার ঘটনাকে।<br />
<br />
ভবিষ্যৎ বক্তার ঝুলিতে সুখবর নেই বললেই চলে। পৃথিবীর পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলি ভয়ংকর ভূমিকম্প এবং বন্যায় বিধ্বস্ত হবে। আর পশ্চিমি দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার পরিবর্তনে। <br />
<br />
আগামী বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব আরও প্রকট হবে। জঙ্গলের সংখ্যা যেমন কমবে তেমনই পর্বতের বরফ গলে তার উচ্চতাও কমে যাবে। এর পরের ভবিষ্যতদ্বাণীটি শুনলে শিউরে উঠবেন। উষ্ণতা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে মাটির নিচ থেকে আগুন বাইরে বেরিয়ে আসবে।<br />
<br />
বিশ্ব ধ্বংসের কোনও ইঙ্গিত না থাকলেও জীবজগৎ যে চূড়ান্ত বিপর্যস্ত হবে, তেমনটাই বলছে তাঁর তথ্য। পৃথিবীর মাথা আবার ঠান্ডা হবে আট বছর পর। ২০২৫ সালে পৃথিবী স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে বলেও আন্দাজ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস। তবে বিশ্ববাসী হয়তো চাইবেন না, তাঁর এসব ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণীগুলি সত্যি হোক। -সংবাদ প্রতিদিন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীর উপর বিশ্বাস রয়েছে গোটা বিশ্বের। এখনও পর্যন্ত তিনি যা কিছু আন্দাজ করেছেন, তার অনেকটাই মিলে গিয়েছে। রানি ডায়নার মৃত্যু থেকে ৯/১১-র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়া, হিটলারের উত্থান থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সব ভবিষ্যদ্বণীই বাস্তবায়িত হয়েছে। <br />
<br />
সেই ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ঘটতে চলা কিছু ঘটনাও আগে থেকে আন্দাজ করে রেখেছিলেন। এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল ২০১৮ সাল নিয়ে ফরাসি চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী।<br />
<br />
২০১৮ সাল নিয়ে খুব একটা সুখের কথা শোনাননি নস্ত্রাদামুস। তাঁর ধারণা অনুযায়ী, গোটা দুনিয়া এমন একটা বড়সড় পরিবর্তেনর মধ্যে দিয়ে যাবে যাতে পৃথিবীর চেহারাই পালটে যাবে। কী এই বড়সড় ঘটনা? তাঁর তথ্যে একাধিক বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যের কথা উল্লেখ রয়েছে। <br />
<br />
শুধু তাই নয়, আগামী বছর এক বিরাট যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। যে মহাযুদ্ধ শুধু দুটি বা তার বেশি দেশের মধ্যে হবে, এমনটা নয়। হবে দুই গোলার্ধের মধ্যে। এ ধারণা বাস্তবায়িত হওয়ার যুক্তিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ বর্তমানে বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়।<br />
<br />
এখানেই শেষ নয়। তাঁর সমীকরণের তালিকা বলছে, আগামী বছর মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব আরও বাড়বে। আর লড়াইয়ের পর খুব কম সংখ্যক মানুষই শান্তির খোঁজ পাবেন। আকাশ থেকে উড়ে আসতে পারে আগুনের গোলা। যা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে নিরীহ সাধারণ মানুষকে। নস্ত্রাদামুসের এই তথ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে কিম জং উনের নিউক্লিয়ার মিসাইল নিয়ে লাগাতার পরীক্ষার ঘটনাকে।<br />
<br />
ভবিষ্যৎ বক্তার ঝুলিতে সুখবর নেই বললেই চলে। পৃথিবীর পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশগুলি ভয়ংকর ভূমিকম্প এবং বন্যায় বিধ্বস্ত হবে। আর পশ্চিমি দেশগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার পরিবর্তনে। <br />
<br />
আগামী বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব আরও প্রকট হবে। জঙ্গলের সংখ্যা যেমন কমবে তেমনই পর্বতের বরফ গলে তার উচ্চতাও কমে যাবে। এর পরের ভবিষ্যতদ্বাণীটি শুনলে শিউরে উঠবেন। উষ্ণতা এতটাই বৃদ্ধি পাবে যে মাটির নিচ থেকে আগুন বাইরে বেরিয়ে আসবে।<br />
<br />
বিশ্ব ধ্বংসের কোনও ইঙ্গিত না থাকলেও জীবজগৎ যে চূড়ান্ত বিপর্যস্ত হবে, তেমনটাই বলছে তাঁর তথ্য। পৃথিবীর মাথা আবার ঠান্ডা হবে আট বছর পর। ২০২৫ সালে পৃথিবী স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে বলেও আন্দাজ করেছিলেন নস্ত্রাদামুস। তবে বিশ্ববাসী হয়তো চাইবেন না, তাঁর এসব ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণীগুলি সত্যি হোক। -সংবাদ প্রতিদিন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কীভাবে এল? হাততালি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3234</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:12:08 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3234</guid>
			<description><![CDATA[কাউকে সমর্থন বা অভিনন্দন জানাতে ঠিক কবে থেকে হাততালির প্রচলন হয়েছে, তা হলফ করে বলা মুশকিল। <br />
<br />
অনেকে মনে করেন, সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষের মধ্যে অবচেতনে করতালির বিষয়টি চলে এসেছে। তবে গবেষকদের ধারণা, প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের সময় হাততালির প্রচলন হয়।<br />
<br />
নিজেদের প্রতি জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন আছে বোঝাতে তৎকালীন রোমান শাসকেরা নাকি অভিনন্দন গ্রহণের প্রচলন করেন হাততালির মাধ্যমে। তবে এখন যেভাবে হাততালি দেওয়া হয়, ধরনটা ঠিক তেমন ছিল না। রোমান সাম্রাজ্যের সময়কার কিছু টেরাকোটা পর্যবেক্ষণ করে হাততালি দেওয়ার ধরনবিষয়ক এমন তথ্য হাজির করেছেন গবেষকেরা।<br />
<br />
এই গবেষকেরা জানিয়েছেন, রোমান সম্রাট নিরোর শাসনামলে ৫০০০ সৈন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল শুধু তাঁর অভিনয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে হাততালি দিতে। সম্রাট নিরো একবার মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন। এই শহরে গিয়ে তিনি খেয়াল করলেন, মিসরীয়দের হাততালি দেওয়ার ধরন রোমানদের চেয়েও সুন্দর। তিনি দেশে ফিরে রোমান সাম্রাজ্যের অনেক অঞ্চলে মিসরীয়দের মতো করে হাততালির প্রচলন করেন।<br />
<br />
অনেকটা জোর করে হাততালি দেওয়ানোর এই সংস্কৃতি অবশ্য শুধু প্রাচীন সম্রাটদের মধ্যেই প্রচলিত ছিল না। ষোড়শ শতাব্দীর ফরাসি কবি জিন দুরাত তাঁদেরই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাতেন, যাঁরা কিনা তাঁর কবিতা পাঠ শুনে হাততালি দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করতেন। তবে করতালি সম্পর্কে আরও মজার তথ্য জানিয়েছেন ইতিহাসবিদ উইলিয়াম কোহেন। তিনি বলেছেন, ১৮২০ সালের দিকে প্যারিসে হাততালি দেওয়ার জন্য রীতিমতো মানুষ ভাড়া করা যেত!<br />
<br />
ফোর্বস ম্যাগাজিন ও দ্য আটলান্টিক অবলম্বনে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কাউকে সমর্থন বা অভিনন্দন জানাতে ঠিক কবে থেকে হাততালির প্রচলন হয়েছে, তা হলফ করে বলা মুশকিল। <br />
<br />
অনেকে মনে করেন, সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষের মধ্যে অবচেতনে করতালির বিষয়টি চলে এসেছে। তবে গবেষকদের ধারণা, প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের সময় হাততালির প্রচলন হয়।<br />
<br />
নিজেদের প্রতি জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন আছে বোঝাতে তৎকালীন রোমান শাসকেরা নাকি অভিনন্দন গ্রহণের প্রচলন করেন হাততালির মাধ্যমে। তবে এখন যেভাবে হাততালি দেওয়া হয়, ধরনটা ঠিক তেমন ছিল না। রোমান সাম্রাজ্যের সময়কার কিছু টেরাকোটা পর্যবেক্ষণ করে হাততালি দেওয়ার ধরনবিষয়ক এমন তথ্য হাজির করেছেন গবেষকেরা।<br />
<br />
এই গবেষকেরা জানিয়েছেন, রোমান সম্রাট নিরোর শাসনামলে ৫০০০ সৈন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল শুধু তাঁর অভিনয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে হাততালি দিতে। সম্রাট নিরো একবার মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন। এই শহরে গিয়ে তিনি খেয়াল করলেন, মিসরীয়দের হাততালি দেওয়ার ধরন রোমানদের চেয়েও সুন্দর। তিনি দেশে ফিরে রোমান সাম্রাজ্যের অনেক অঞ্চলে মিসরীয়দের মতো করে হাততালির প্রচলন করেন।<br />
<br />
অনেকটা জোর করে হাততালি দেওয়ানোর এই সংস্কৃতি অবশ্য শুধু প্রাচীন সম্রাটদের মধ্যেই প্রচলিত ছিল না। ষোড়শ শতাব্দীর ফরাসি কবি জিন দুরাত তাঁদেরই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাতেন, যাঁরা কিনা তাঁর কবিতা পাঠ শুনে হাততালি দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করতেন। তবে করতালি সম্পর্কে আরও মজার তথ্য জানিয়েছেন ইতিহাসবিদ উইলিয়াম কোহেন। তিনি বলেছেন, ১৮২০ সালের দিকে প্যারিসে হাততালি দেওয়ার জন্য রীতিমতো মানুষ ভাড়া করা যেত!<br />
<br />
ফোর্বস ম্যাগাজিন ও দ্য আটলান্টিক অবলম্বনে]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রসগোল্লা কিভাবে এলো, প্রথম তৈরি হয়েছিল কোথায়?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3233</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:11:49 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3233</guid>
			<description><![CDATA[চিনির সিরা ও ছানা দিয়ে তৈরি ধবধবে সাদা রঙের মিষ্টান্ন রসগোল্লা। শুভ উপলক্ষ্য, উৎসব-পার্বণ, অতিথি আপ্যায়ণ ও রসনা বিলাসের উপকরণ হিসেবে এর জুড়ি নেই। কিন্তু এই রসগোল্লা প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল- এটি নিয়ে দু’ভাগ হয়ে গিয়েছিল ভারতের দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িশ্যা। এভাবে স্বত্ব নিয়ে লড়াইয়ের আড়াই বছর পর মঙ্গলবার রসগোল্লার জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।<br />
<br />
কিন্তু এই রসগোল্লার আবিষ্কারক কে, কখন ও কোথায় এর আবিষ্কার হয়েছিল- এসব নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। <br />
<br />
সবচেয়ে প্রচলিত মত হলো- কলকাতার সাবেক চিনি ব্যবসায়ী নবীন চন্দ্র দাস রসগোল্লার আবিষ্কারক। তার পঞ্চম প্রজন্মের উত্তরসূরি ধীমান দাসের মতে, রসগোল্লার আবিষ্কার নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই।<br />
<br />
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নবীন চন্দ্র দাস ছিলেন একজন চিনি ব্যবসায়ী। ১৮৬৪ সালে কলকাতার জোড়াসাঁকোতে একটি মিষ্টির দোকান দেন তিনি।<br />
<br />
দোকানটি বেশিদিন না চলায় ১৮৬৬ সালে কলকাতার বাগবাজারে আরেকটি মিষ্টির দোকান দেন নবীন। এই দোকানটির প্রধান মিষ্টি ছিল সন্দেশ। এক পর্যায়ে কলকাতার খানদানি বণিকদের জন্য নতুন মিষ্টি তৈরির কথা ভাবতে থাকেন নবীন। এবং দুই বছরের চেষ্টায় রসগোল্লা তৈরি করেন।<br />
<br />
ধীমান দাসের মতে, কলকাতার তৎকালীন ধনাঢ্য ব্যক্তি ভগবান দাস বাগলার একদিন বাগবাজার দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘোড়ায় টানা জুড়ি গাড়িতে তার সঙ্গে ছিল ভগবান দাসের ছেলে।<br />
<br />
ছেলে পানি পান করতে চাইলে নবীনের মিষ্টির দোকানের সামনে গাড়ি দাঁড় করান ভগবান। এ সময় ছেলেকে এক গ্লাস পানি ও একটি রসগোল্লা খেতে দিলে সে খুবই মজা করে খায়। <br />
<br />
এরপর বাপ-বেটা এক হাঁড়ি রসগোল্লা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। এ গল্প কলকাতার ছড়িয়ে পড়ে আর রসগোল্লাও বিখ্যাত হয়ে যায়।<br />
<br />
তবে বাংলাদেশের অনেক ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ব্যবসায়ী ও রসগোল্লা ভক্তের অনেকে বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের কারিগরদের হাতেই রসগোল্লার জন্ম। বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে ও অতিথি আপ্যায়ণে মিষ্টি পরিবেশনের বিষয়টি বহুকাল ধরেই বাঙ্গালি সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর নানান প্রকারের মিষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো রসগোল্লা।<br />
<br />
খাদ্য বিষয়ক লেখক ও গবেষক শওকত ওসমান বিবিসিকে জানান, লিখিত কোনো প্রমাণ না থাকলেও, তাদের ধারণা, ষষ্ঠ শতকে দক্ষিণাঞ্চলীয় পটুয়াখালীতে পর্তুগিজরা দুধ থেকে পনির ও সন্দেশ তৈরি করতো। সেগুলো দিয়েই বাঙালি স্ত্রীরা রসগোল্লা বা এ ধরনের মিষ্টান্ন তৈরি করেছেন।<br />
<br />
তিনি বলেন, রসগোল্লা আবিষ্কারক হিসেবে কলকাতায় যে নবীন চন্দ্রের কথা বলা হয়, তিনি বরিশাল অঞ্চলের লোক। <br />
<br />
এক সময় তিনি পটুয়াখালীর কাছেই থাকতেন। তার হাত ধরে শিল্পটি সেখানে (কলকাতায়) যেতে পারে।<br />
<br />
১৪৫ বছর ধরে মিষ্টি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মরণ চাঁদ গ্র্যান্ড সন্স। প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকটি শাখা রয়েছে ঢাকায়। <br />
<br />
ফার্মগেট শাখার ব্যবস্থাপক রবীন্দ্রনাথ রায়ও বিবিসিকে বলেন, রসগোল্লা বাংলাদেশের কারিগরদেরই একটি অসাধারণ উদ্ভাবন।<br />
<br />
আর উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, রসগোল্লার আদি উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের বরিশাল অঞ্চলে। <br />
<br />
বিশেষ করে, পর্তুগিজদের সময় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ময়রারা ছানা, চিনি, দুধ ও সুজি দিয়ে গোলাকার এক ধরণের মিষ্টান্ন তৈরি করেছিলেন। সেটাই ক্ষীরমোহন বা রসগোল্লা নামে পরিচিত।<br />
<br />
পরবর্তীতে বরিশাল এলাকার হিন্দু ময়রাদের বংশধর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতা কিংবা উড়িশ্যায় বিস্তার লাভ করে।<br />
<br />
কলকাতার আজকাল পত্রিকাও রসগোল্লার আবিষ্কার বিষয়ে একই তথ্য দিয়েছে।<br />
<br />
তবে আজকাল রসগোল্লা আবিষ্কারের বিষয়ে আরেকটি মত উল্লেখ করেছে। পত্রিকাটির একটি সংবাদে বলা হয়, কেউ কেউ মনে করেন, রানাঘাটের হারাধন ময়রা প্রথম রসগোল্লা বানান। তার দোকানে একবার চিনির রসে দুর্ঘটনাক্রমে কিছু ছানার গোল্লা পড়ে যায়। আর সেটাই হয়ে যায় রসগোল্লা।<br />
<br />
তবে রসগোল্লাকে তাদের ৮০০ বছরের পুরনো নিজস্ব আবিষ্কার বলে দাবি করে উড়িশ্যা। তাদের প্রচলিত মত, রথযাত্রা শেষে সাত দিন খালার বাড়ি কাটিয়ে মন্দিরে ফেরার সময় রসগোল্লা ছিলো জগন্নাথ দেবের ‘পাসওয়ার্ড’। স্ত্রী লক্ষ্মীর মান ভাঙিয়ে মন্দিরে ঢুকতে হয় তাকে। হাঁড়িভরা রসগোল্লা দিয়ে বৌয়ের মন গলান তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[চিনির সিরা ও ছানা দিয়ে তৈরি ধবধবে সাদা রঙের মিষ্টান্ন রসগোল্লা। শুভ উপলক্ষ্য, উৎসব-পার্বণ, অতিথি আপ্যায়ণ ও রসনা বিলাসের উপকরণ হিসেবে এর জুড়ি নেই। কিন্তু এই রসগোল্লা প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল- এটি নিয়ে দু’ভাগ হয়ে গিয়েছিল ভারতের দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িশ্যা। এভাবে স্বত্ব নিয়ে লড়াইয়ের আড়াই বছর পর মঙ্গলবার রসগোল্লার জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।<br />
<br />
কিন্তু এই রসগোল্লার আবিষ্কারক কে, কখন ও কোথায় এর আবিষ্কার হয়েছিল- এসব নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। <br />
<br />
সবচেয়ে প্রচলিত মত হলো- কলকাতার সাবেক চিনি ব্যবসায়ী নবীন চন্দ্র দাস রসগোল্লার আবিষ্কারক। তার পঞ্চম প্রজন্মের উত্তরসূরি ধীমান দাসের মতে, রসগোল্লার আবিষ্কার নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই।<br />
<br />
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নবীন চন্দ্র দাস ছিলেন একজন চিনি ব্যবসায়ী। ১৮৬৪ সালে কলকাতার জোড়াসাঁকোতে একটি মিষ্টির দোকান দেন তিনি।<br />
<br />
দোকানটি বেশিদিন না চলায় ১৮৬৬ সালে কলকাতার বাগবাজারে আরেকটি মিষ্টির দোকান দেন নবীন। এই দোকানটির প্রধান মিষ্টি ছিল সন্দেশ। এক পর্যায়ে কলকাতার খানদানি বণিকদের জন্য নতুন মিষ্টি তৈরির কথা ভাবতে থাকেন নবীন। এবং দুই বছরের চেষ্টায় রসগোল্লা তৈরি করেন।<br />
<br />
ধীমান দাসের মতে, কলকাতার তৎকালীন ধনাঢ্য ব্যক্তি ভগবান দাস বাগলার একদিন বাগবাজার দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘোড়ায় টানা জুড়ি গাড়িতে তার সঙ্গে ছিল ভগবান দাসের ছেলে।<br />
<br />
ছেলে পানি পান করতে চাইলে নবীনের মিষ্টির দোকানের সামনে গাড়ি দাঁড় করান ভগবান। এ সময় ছেলেকে এক গ্লাস পানি ও একটি রসগোল্লা খেতে দিলে সে খুবই মজা করে খায়। <br />
<br />
এরপর বাপ-বেটা এক হাঁড়ি রসগোল্লা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। এ গল্প কলকাতার ছড়িয়ে পড়ে আর রসগোল্লাও বিখ্যাত হয়ে যায়।<br />
<br />
তবে বাংলাদেশের অনেক ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ব্যবসায়ী ও রসগোল্লা ভক্তের অনেকে বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের কারিগরদের হাতেই রসগোল্লার জন্ম। বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে ও অতিথি আপ্যায়ণে মিষ্টি পরিবেশনের বিষয়টি বহুকাল ধরেই বাঙ্গালি সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর নানান প্রকারের মিষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো রসগোল্লা।<br />
<br />
খাদ্য বিষয়ক লেখক ও গবেষক শওকত ওসমান বিবিসিকে জানান, লিখিত কোনো প্রমাণ না থাকলেও, তাদের ধারণা, ষষ্ঠ শতকে দক্ষিণাঞ্চলীয় পটুয়াখালীতে পর্তুগিজরা দুধ থেকে পনির ও সন্দেশ তৈরি করতো। সেগুলো দিয়েই বাঙালি স্ত্রীরা রসগোল্লা বা এ ধরনের মিষ্টান্ন তৈরি করেছেন।<br />
<br />
তিনি বলেন, রসগোল্লা আবিষ্কারক হিসেবে কলকাতায় যে নবীন চন্দ্রের কথা বলা হয়, তিনি বরিশাল অঞ্চলের লোক। <br />
<br />
এক সময় তিনি পটুয়াখালীর কাছেই থাকতেন। তার হাত ধরে শিল্পটি সেখানে (কলকাতায়) যেতে পারে।<br />
<br />
১৪৫ বছর ধরে মিষ্টি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মরণ চাঁদ গ্র্যান্ড সন্স। প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকটি শাখা রয়েছে ঢাকায়। <br />
<br />
ফার্মগেট শাখার ব্যবস্থাপক রবীন্দ্রনাথ রায়ও বিবিসিকে বলেন, রসগোল্লা বাংলাদেশের কারিগরদেরই একটি অসাধারণ উদ্ভাবন।<br />
<br />
আর উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, রসগোল্লার আদি উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের বরিশাল অঞ্চলে। <br />
<br />
বিশেষ করে, পর্তুগিজদের সময় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ময়রারা ছানা, চিনি, দুধ ও সুজি দিয়ে গোলাকার এক ধরণের মিষ্টান্ন তৈরি করেছিলেন। সেটাই ক্ষীরমোহন বা রসগোল্লা নামে পরিচিত।<br />
<br />
পরবর্তীতে বরিশাল এলাকার হিন্দু ময়রাদের বংশধর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতা কিংবা উড়িশ্যায় বিস্তার লাভ করে।<br />
<br />
কলকাতার আজকাল পত্রিকাও রসগোল্লার আবিষ্কার বিষয়ে একই তথ্য দিয়েছে।<br />
<br />
তবে আজকাল রসগোল্লা আবিষ্কারের বিষয়ে আরেকটি মত উল্লেখ করেছে। পত্রিকাটির একটি সংবাদে বলা হয়, কেউ কেউ মনে করেন, রানাঘাটের হারাধন ময়রা প্রথম রসগোল্লা বানান। তার দোকানে একবার চিনির রসে দুর্ঘটনাক্রমে কিছু ছানার গোল্লা পড়ে যায়। আর সেটাই হয়ে যায় রসগোল্লা।<br />
<br />
তবে রসগোল্লাকে তাদের ৮০০ বছরের পুরনো নিজস্ব আবিষ্কার বলে দাবি করে উড়িশ্যা। তাদের প্রচলিত মত, রথযাত্রা শেষে সাত দিন খালার বাড়ি কাটিয়ে মন্দিরে ফেরার সময় রসগোল্লা ছিলো জগন্নাথ দেবের ‘পাসওয়ার্ড’। স্ত্রী লক্ষ্মীর মান ভাঙিয়ে মন্দিরে ঢুকতে হয় তাকে। হাঁড়িভরা রসগোল্লা দিয়ে বৌয়ের মন গলান তিনি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আরব দেশগুলোর কিছু দুর্লভ তথ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3232</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:11:26 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3232</guid>
			<description><![CDATA[বর্তমানে আরব লিগের সদস্যরাষ্ট্র ২২টি। আরবি রাষ্ট্রভাষার দেশ ২৫টি।<br />
<br />
এর মধ্যে ১৯টির প্রধান রাষ্ট্রভাষা আরবি। এগুলো হলো, ইয়েমেন, ওমান, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক, জর্দান, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, মিসর, সুদান, লিবিয়া, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া ও মরক্কো। বাকি ছয়টিতে আরবি দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা। এগুলো হলো, ইসরায়েল, জিবুতি, চাদ, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া ও কমরোজ। এগুলোর মধ্যে জিবুতি, কমরোজ ও সোমালিয়া আরব লিগের সদস্য। অন্যদিকে চাদ ওআইসির সদস্য হলেও ইসরায়েল ও ইরিত্রিয়া তা নয়। এ ছয় দেশের মধ্যে ইসরায়েল ছাড়া বাকিগুলো আফ্রিকা মহাদেশভুক্ত। আরব লিগের সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১২টিই এশিয়া মহাদেশভুক্ত ও এগুলোর সবার প্রধান রাষ্ট্রভাষা আরবি। <br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় আলজেরিয়া ও সৌদি আরব (২১,৫০,০০০ বর্গ কিমি) এবং সবচেয়ে ছোট বাহরাইন ও কমরোজ।<br />
<br />
* জনসংখ্যায় ও শিক্ষাদীক্ষায় সবচেয়ে বড় ও অগ্রসর আরব দেশ মিসর এবং সবচেয়ে ছোট ও অনগ্রসর কমরোজ।<br />
<br />
* জনসংখ্য অনুপাতে শিয়াদের হার সবচেয়ে বেশি বাহরাইন, ইরাক, লেবানন, কুয়েত ও সৌদি আরবে।<br />
<br />
* জনসংখ্যা অনুপাতে খ্রিস্টানের হার সবচেয়ে বেশি (৪০ শতাংশ) লেবাননে। লেবাননের প্রেসিডেন্টের পদও তাদের জন্য বরাদ্দ থাকে।<br />
<br />
* কুর্দি অধ্যুষিত সবচেয়ে বড় আরব দেশ হলো ইরাক। ইরাকের উত্তর-পূর্বে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সেখানে কুর্দিস্তান নামের তাদের স্বায়ত্তশাসিত একটি অঞ্চল রয়েছে।<br />
<br />
* অনারবি রাষ্ট্রভাষার দেশগুলোর মধ্যে ইরানের খুজেস্তান ও তাঞ্জানিয়ার জিঞ্জিবার প্রদেশেই সবচেয়ে বেশি আরবিভাষী নাগরিক বিদ্যমান।<br />
<br />
* আরব দেশগুলো কয়েকটি অঞ্চলে বিভক্ত। তার মধ্যে আরব উপদ্বীপে রয়েছে সাতটি দেশ। এগুলো হলো, ইয়েমেন, ওমান, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কুয়েত। <br />
<br />
শাম অঞ্চলে রয়েছে পাঁচটি দেশ। এগুলো হলো, ইরাক, জর্দান, সিরিয়া, লেবানন ও ফিলিস্তিন। অবশ্যই ইরাককে পৃথক অঞ্চল হিসেবেও গণ্য করা যায়। মিসর অঞ্চলের মধ্যে মিসরসহ লিবিয়া, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া ও মরক্কোকেও যুক্ত করা যায়। কারণ এ অঞ্চলের মানুষের ভাষা ও বর্ণ প্রায় এক। <br />
<br />
* কমরোজ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র (১৮৬২ বর্গ কিমি) দ্বীপরাষ্ট্র।<br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে ওমান, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, জর্দান ও মরক্কোতে রাজতন্ত্র বিদ্যমান। তার মধ্যে জর্দান, মরক্কো, কুয়েত ও বাহরাইনে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র (নির্বাচিত পার্লামেন্ট) ও বাকিগুলোতে মনোনীত শুরা সদস্যনির্ভর সংসদ রয়েছে।<br />
<br />
* পবিত্র কোরআনে বর্ণিত শব্দ দ্বারা বর্তমানে চারটি আরব দেশ রয়েছে। সেগুলো হলো, মিসর, ইসরায়েল (এটি নবী ইয়াকুবের অন্য নাম), বাহরাইন ও মরক্কো।<br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে শুধু মরক্কোর রাজার উপাধি হলো আমিরুল মুমিনিন।<br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে সালাফিজম বা ওয়াহাবিজম একটি উদীয়মান ফিতনা হলেও সৌদি আরব ছাড়া অন্য কোথাও সালাফিরা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পায় না।<br />
<br />
* মাথাপিছু বার্ষিক আয়ে কাতার আরব বিশ্বে শীর্ষে ও পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশ হলেও নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধাদানের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতই সবচেয়ে এগিয়ে।<br />
<br />
* কালো বর্ণের আরব দেশ সুদানের দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ওমর হাসান আল-বশির আমার জানামতে আরব বিশ্বের সবচেয়ে সাহসী ও ইসলামপন্থী শাসক। সাধারণত তিনি সাদা জুব্বা ও সাদা পাগড়ি পরে থাকেন।<br />
<br />
* আফ্রিকার আরব দেশগুলোর মধ্যে মিসর ও সুদানই একসময় বৃটিশ সাম্রাজ্যের অধীনস্ত ছিল। বাকিগুলোর মধ্যে তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো, মৌরিতানিয়া, জিবুতি ও কমরোজে ছিল ফ্রান্সের শাসন। লিবিয়া দখল করেছিল ইতালি।<br />
<br />
* পশ্চিম সাহারা অঞ্চলকে কেন্দ্র করে মরক্কো ও আলজেরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্ব›দ্ব বিদ্যমান। মরক্কো এটাকে নিজের বলে দাবি করলেও আলজেরিয়া এটির স্বাধীনতার পক্ষে।<br />
<br />
*আরব বিশ্বে অনেক ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিদ্যমান। তার মধ্যে শাম অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যেই এদের সংখ্যা বেশি। সেখানে ইহুদি, খ্রিস্টান, বাহাঈ, দুরুজ, কাদিয়ানি, নুছাইরি (আলাভি), ইসমাঈলি ও শিয়াসহ (ইছনা আশারি) বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু রয়েছে।<br />
<br />
* ইরাকে অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুর পাশাপাশি ছাবেই (কোরআন শরিফে বর্ণিত একটি প্রাচীন ধর্মীয় গোষ্ঠী) ও এজিদি সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। ছাবেই হলো কোরআন শরিফে বর্ণিত একটি প্রাচীন ধর্মীয় গোষ্ঠী। এজিদিরা হলো শয়তান পূজারি। তাদের মতে শয়তান বাবা আদমকে সিজদা না করে শিরক থেকে মুক্ত থেকেছে। শয়তানকে তারা ‘ময়ূর ফেরেশতা’ অভিহিত করে পূজা করে থাকে।<br />
<br />
* ইহুদি, খ্রিস্টান, বাহাই ও ছাবেইদের সঙ্গে মুসলমানদের অনেক মিল রয়েছে। ধর্মকর্মে পিছিয়ে থাকা দুরুজদের অনেকে নিজেদের মুসলিম ভাবলেও তাদের অনেকে নিজেদের আলাদা সম্প্রদায় ভাবে। দুরুজদের মতো আলাভিরাও ধর্মকর্মে অনেক পশ্চাদপদ। সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ আলাভি সম্প্রদায়ভুক্ত।<br />
<br />
* ওমান পৃথিবীর একমাত্র ইবাজি (একটি প্রাচীন খারেজি গোষ্ঠী) শাসিত দেশ। ওমান ছাড়াও আলজেরিয়াসহ উত্তর আফ্রিকার আরব দেশগুলোতে ইবাজিদের অস্তিত্ব রয়েছে। ইবাজিদের হার ওমানে ৪০ শতাংশ। বাকিরা হানাফি সুন্নি।<br />
<br />
* ইয়েমেনই পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে জায়েদিরা (শিয়া ও সুন্নি চিন্তার মাঝামাঝি অবস্থানকারী একটি প্রাচীন ইসলামী গোষ্ঠী) দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় ছিল এবং বর্তমানেও (২০১৪ থেকে) তাদের দলভুক্ত ‘হুছি’ হিসেবে পরিচিতরা সেখানে ক্ষমতাসীন। ইয়েমেন একে তো দরিদ্র দেশ। এর ওপর সেখানে বিভিন্ন পক্ষের যুদ্ধের কারণে দেশটির মানুষের দুর্ভোগ অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।<br />
<br />
* দক্ষিণ সৌদি আরবের নজরান প্রদেশে ইসমাইলিদের ব্যাপক অস্তিত্ব রয়েছে। ইসমাইলিরা একটি প্রাচীন শিয়া গোষ্ঠী, যার সঙ্গে বর্তমানে শিয়া হিসেবে খ্যাত ইরানে ক্ষমতাসীন ইছনা আশারিদের পার্থক্য রয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ইসমাইলিদের অস্তিত্ব রয়েছে। বিহারি শিয়ারাও ইসমাইলি সম্প্রদায়ভুক্ত। ইউরোপের ধনকুবের চতুর্থ আগা খান (শাহ করিম হুসাইনি) তাদের বর্তমান বিশ্বনেতা।<br />
<br />
সূত্র : ইন্টারনেট]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বর্তমানে আরব লিগের সদস্যরাষ্ট্র ২২টি। আরবি রাষ্ট্রভাষার দেশ ২৫টি।<br />
<br />
এর মধ্যে ১৯টির প্রধান রাষ্ট্রভাষা আরবি। এগুলো হলো, ইয়েমেন, ওমান, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, ইরাক, জর্দান, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, মিসর, সুদান, লিবিয়া, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া ও মরক্কো। বাকি ছয়টিতে আরবি দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা। এগুলো হলো, ইসরায়েল, জিবুতি, চাদ, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া ও কমরোজ। এগুলোর মধ্যে জিবুতি, কমরোজ ও সোমালিয়া আরব লিগের সদস্য। অন্যদিকে চাদ ওআইসির সদস্য হলেও ইসরায়েল ও ইরিত্রিয়া তা নয়। এ ছয় দেশের মধ্যে ইসরায়েল ছাড়া বাকিগুলো আফ্রিকা মহাদেশভুক্ত। আরব লিগের সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১২টিই এশিয়া মহাদেশভুক্ত ও এগুলোর সবার প্রধান রাষ্ট্রভাষা আরবি। <br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় আলজেরিয়া ও সৌদি আরব (২১,৫০,০০০ বর্গ কিমি) এবং সবচেয়ে ছোট বাহরাইন ও কমরোজ।<br />
<br />
* জনসংখ্যায় ও শিক্ষাদীক্ষায় সবচেয়ে বড় ও অগ্রসর আরব দেশ মিসর এবং সবচেয়ে ছোট ও অনগ্রসর কমরোজ।<br />
<br />
* জনসংখ্য অনুপাতে শিয়াদের হার সবচেয়ে বেশি বাহরাইন, ইরাক, লেবানন, কুয়েত ও সৌদি আরবে।<br />
<br />
* জনসংখ্যা অনুপাতে খ্রিস্টানের হার সবচেয়ে বেশি (৪০ শতাংশ) লেবাননে। লেবাননের প্রেসিডেন্টের পদও তাদের জন্য বরাদ্দ থাকে।<br />
<br />
* কুর্দি অধ্যুষিত সবচেয়ে বড় আরব দেশ হলো ইরাক। ইরাকের উত্তর-পূর্বে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সেখানে কুর্দিস্তান নামের তাদের স্বায়ত্তশাসিত একটি অঞ্চল রয়েছে।<br />
<br />
* অনারবি রাষ্ট্রভাষার দেশগুলোর মধ্যে ইরানের খুজেস্তান ও তাঞ্জানিয়ার জিঞ্জিবার প্রদেশেই সবচেয়ে বেশি আরবিভাষী নাগরিক বিদ্যমান।<br />
<br />
* আরব দেশগুলো কয়েকটি অঞ্চলে বিভক্ত। তার মধ্যে আরব উপদ্বীপে রয়েছে সাতটি দেশ। এগুলো হলো, ইয়েমেন, ওমান, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কুয়েত। <br />
<br />
শাম অঞ্চলে রয়েছে পাঁচটি দেশ। এগুলো হলো, ইরাক, জর্দান, সিরিয়া, লেবানন ও ফিলিস্তিন। অবশ্যই ইরাককে পৃথক অঞ্চল হিসেবেও গণ্য করা যায়। মিসর অঞ্চলের মধ্যে মিসরসহ লিবিয়া, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া ও মরক্কোকেও যুক্ত করা যায়। কারণ এ অঞ্চলের মানুষের ভাষা ও বর্ণ প্রায় এক। <br />
<br />
* কমরোজ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র (১৮৬২ বর্গ কিমি) দ্বীপরাষ্ট্র।<br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে ওমান, বাহরাইন, কাতার, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, জর্দান ও মরক্কোতে রাজতন্ত্র বিদ্যমান। তার মধ্যে জর্দান, মরক্কো, কুয়েত ও বাহরাইনে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র (নির্বাচিত পার্লামেন্ট) ও বাকিগুলোতে মনোনীত শুরা সদস্যনির্ভর সংসদ রয়েছে।<br />
<br />
* পবিত্র কোরআনে বর্ণিত শব্দ দ্বারা বর্তমানে চারটি আরব দেশ রয়েছে। সেগুলো হলো, মিসর, ইসরায়েল (এটি নবী ইয়াকুবের অন্য নাম), বাহরাইন ও মরক্কো।<br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে শুধু মরক্কোর রাজার উপাধি হলো আমিরুল মুমিনিন।<br />
<br />
* আরব দেশগুলোর মধ্যে সালাফিজম বা ওয়াহাবিজম একটি উদীয়মান ফিতনা হলেও সৌদি আরব ছাড়া অন্য কোথাও সালাফিরা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পায় না।<br />
<br />
* মাথাপিছু বার্ষিক আয়ে কাতার আরব বিশ্বে শীর্ষে ও পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশ হলেও নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধাদানের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতই সবচেয়ে এগিয়ে।<br />
<br />
* কালো বর্ণের আরব দেশ সুদানের দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ওমর হাসান আল-বশির আমার জানামতে আরব বিশ্বের সবচেয়ে সাহসী ও ইসলামপন্থী শাসক। সাধারণত তিনি সাদা জুব্বা ও সাদা পাগড়ি পরে থাকেন।<br />
<br />
* আফ্রিকার আরব দেশগুলোর মধ্যে মিসর ও সুদানই একসময় বৃটিশ সাম্রাজ্যের অধীনস্ত ছিল। বাকিগুলোর মধ্যে তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো, মৌরিতানিয়া, জিবুতি ও কমরোজে ছিল ফ্রান্সের শাসন। লিবিয়া দখল করেছিল ইতালি।<br />
<br />
* পশ্চিম সাহারা অঞ্চলকে কেন্দ্র করে মরক্কো ও আলজেরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্ব›দ্ব বিদ্যমান। মরক্কো এটাকে নিজের বলে দাবি করলেও আলজেরিয়া এটির স্বাধীনতার পক্ষে।<br />
<br />
*আরব বিশ্বে অনেক ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিদ্যমান। তার মধ্যে শাম অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যেই এদের সংখ্যা বেশি। সেখানে ইহুদি, খ্রিস্টান, বাহাঈ, দুরুজ, কাদিয়ানি, নুছাইরি (আলাভি), ইসমাঈলি ও শিয়াসহ (ইছনা আশারি) বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু রয়েছে।<br />
<br />
* ইরাকে অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুর পাশাপাশি ছাবেই (কোরআন শরিফে বর্ণিত একটি প্রাচীন ধর্মীয় গোষ্ঠী) ও এজিদি সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। ছাবেই হলো কোরআন শরিফে বর্ণিত একটি প্রাচীন ধর্মীয় গোষ্ঠী। এজিদিরা হলো শয়তান পূজারি। তাদের মতে শয়তান বাবা আদমকে সিজদা না করে শিরক থেকে মুক্ত থেকেছে। শয়তানকে তারা ‘ময়ূর ফেরেশতা’ অভিহিত করে পূজা করে থাকে।<br />
<br />
* ইহুদি, খ্রিস্টান, বাহাই ও ছাবেইদের সঙ্গে মুসলমানদের অনেক মিল রয়েছে। ধর্মকর্মে পিছিয়ে থাকা দুরুজদের অনেকে নিজেদের মুসলিম ভাবলেও তাদের অনেকে নিজেদের আলাদা সম্প্রদায় ভাবে। দুরুজদের মতো আলাভিরাও ধর্মকর্মে অনেক পশ্চাদপদ। সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ আলাভি সম্প্রদায়ভুক্ত।<br />
<br />
* ওমান পৃথিবীর একমাত্র ইবাজি (একটি প্রাচীন খারেজি গোষ্ঠী) শাসিত দেশ। ওমান ছাড়াও আলজেরিয়াসহ উত্তর আফ্রিকার আরব দেশগুলোতে ইবাজিদের অস্তিত্ব রয়েছে। ইবাজিদের হার ওমানে ৪০ শতাংশ। বাকিরা হানাফি সুন্নি।<br />
<br />
* ইয়েমেনই পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে জায়েদিরা (শিয়া ও সুন্নি চিন্তার মাঝামাঝি অবস্থানকারী একটি প্রাচীন ইসলামী গোষ্ঠী) দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় ছিল এবং বর্তমানেও (২০১৪ থেকে) তাদের দলভুক্ত ‘হুছি’ হিসেবে পরিচিতরা সেখানে ক্ষমতাসীন। ইয়েমেন একে তো দরিদ্র দেশ। এর ওপর সেখানে বিভিন্ন পক্ষের যুদ্ধের কারণে দেশটির মানুষের দুর্ভোগ অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।<br />
<br />
* দক্ষিণ সৌদি আরবের নজরান প্রদেশে ইসমাইলিদের ব্যাপক অস্তিত্ব রয়েছে। ইসমাইলিরা একটি প্রাচীন শিয়া গোষ্ঠী, যার সঙ্গে বর্তমানে শিয়া হিসেবে খ্যাত ইরানে ক্ষমতাসীন ইছনা আশারিদের পার্থক্য রয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ইসমাইলিদের অস্তিত্ব রয়েছে। বিহারি শিয়ারাও ইসমাইলি সম্প্রদায়ভুক্ত। ইউরোপের ধনকুবের চতুর্থ আগা খান (শাহ করিম হুসাইনি) তাদের বর্তমান বিশ্বনেতা।<br />
<br />
সূত্র : ইন্টারনেট]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মেয়েদের সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3231</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:10:59 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3231</guid>
			<description><![CDATA[# মেয়েরা দিনে গড়ে প্রায় ২০০০০ শব্দের ব্যাবহার করে কথা বলার জন্য। যেখানে ছেলেরা গড়ে মাত্র ৭০০০ শব্দ ব্যাবহার করে। <br />
<br />
# প্রতি ৯০ সেকেন্ডে গর্ভপাত ও সন্তান জন্মদানের কারনে একজন মহিলা মৃত্যুবরন করেন। <br />
<br />
# মেয়েরা তাদের সম্পূর্ণ জীবনের প্রায় এক বছরের মত সময় শুধুমাত্র কোন কাপড়টি পরিধান করবে তা চিন্তা করেই কাটিয়ে দেন। <br />
<br />
# মেয়েরা বছরে প্রায় ৩০ থেকে ৬৪ বার কান্নাকাটি করে আর সেখানে ছেলেরা ০৬ থেকে ১৭ বার কান্না করে। <br />
<br />
# মেয়েরা দিনে তিন বার মিথ্যা বললে, ছেলেরা দিনে ছয় বার মিথ্যা কথা বলে। <br />
<br />
# মহিলাদের হৃদকম্পন পুরুষের তুলনায় বেশি। একই সময়ে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের হৃদকম্পনের পরিমান বেশি ও দ্রুত। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনও জানা যায় নি। <br />
<br />
# রাশিয়ায় পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা প্রায় নয় লক্ষ বেশি। <br />
<br />
# যেসব নারীদের হার্ট ও বুকে ব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষণ্ণতা, বদহজম ও কাঁধে ব্যথার সমস্যাও রয়েছে। <br />
<br />
# ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা কোনো কিছুর স্বাদ পরীক্ষায় বেশি পারদর্শী। <br />
<br />
# লম্বা নারীদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি। <br />
<br />
# মহিলাদের মৃত্যুর প্রধান কারন হৃদরোগ। তাই কোন নারী যদি কখনো বলে যে তার হার্ট নেই, তাহলে বিশ্বাস করবেন না। <br />
<br />
# সকল মহিলারাই সুন্দর। শুধু কমতি আছে আত্মবিশ্বাসের। তাই নিজের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করুন। পৃথিবীতে মাত্র ২ শতাংশ নারী নিজেকে সুন্দর বলে মনে করেন ও প্রকাশ করেন। <br />
<br />
# মেয়েরা এক মিনিটে প্রায় ১৯ বার তাদের চোখের পলক ঝাপটায়। যেখানে ছেলেরা মাত্র ১১ বার। নিজে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। <br />
<br />
# মেয়েরা প্রচুর পরিমানে স্বপ্ন দেখে। একটি মেয়েকে স্বপ্নের কথা জিজ্ঞেস করলে তার কাছে বলার জন্য অনেক গল্প পাবেন, কিন্তু একজন পুরুষকে কাল রাতের স্বপ্নের কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলতে পারবে না। <br />
<br />
উপরের তথ্যগুলো শুধু পড়েই মজা পাবেন না। পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, আরো বেশি আনন্দিত হবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[# মেয়েরা দিনে গড়ে প্রায় ২০০০০ শব্দের ব্যাবহার করে কথা বলার জন্য। যেখানে ছেলেরা গড়ে মাত্র ৭০০০ শব্দ ব্যাবহার করে। <br />
<br />
# প্রতি ৯০ সেকেন্ডে গর্ভপাত ও সন্তান জন্মদানের কারনে একজন মহিলা মৃত্যুবরন করেন। <br />
<br />
# মেয়েরা তাদের সম্পূর্ণ জীবনের প্রায় এক বছরের মত সময় শুধুমাত্র কোন কাপড়টি পরিধান করবে তা চিন্তা করেই কাটিয়ে দেন। <br />
<br />
# মেয়েরা বছরে প্রায় ৩০ থেকে ৬৪ বার কান্নাকাটি করে আর সেখানে ছেলেরা ০৬ থেকে ১৭ বার কান্না করে। <br />
<br />
# মেয়েরা দিনে তিন বার মিথ্যা বললে, ছেলেরা দিনে ছয় বার মিথ্যা কথা বলে। <br />
<br />
# মহিলাদের হৃদকম্পন পুরুষের তুলনায় বেশি। একই সময়ে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের হৃদকম্পনের পরিমান বেশি ও দ্রুত। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনও জানা যায় নি। <br />
<br />
# রাশিয়ায় পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা প্রায় নয় লক্ষ বেশি। <br />
<br />
# যেসব নারীদের হার্ট ও বুকে ব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষণ্ণতা, বদহজম ও কাঁধে ব্যথার সমস্যাও রয়েছে। <br />
<br />
# ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা কোনো কিছুর স্বাদ পরীক্ষায় বেশি পারদর্শী। <br />
<br />
# লম্বা নারীদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি। <br />
<br />
# মহিলাদের মৃত্যুর প্রধান কারন হৃদরোগ। তাই কোন নারী যদি কখনো বলে যে তার হার্ট নেই, তাহলে বিশ্বাস করবেন না। <br />
<br />
# সকল মহিলারাই সুন্দর। শুধু কমতি আছে আত্মবিশ্বাসের। তাই নিজের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করুন। পৃথিবীতে মাত্র ২ শতাংশ নারী নিজেকে সুন্দর বলে মনে করেন ও প্রকাশ করেন। <br />
<br />
# মেয়েরা এক মিনিটে প্রায় ১৯ বার তাদের চোখের পলক ঝাপটায়। যেখানে ছেলেরা মাত্র ১১ বার। নিজে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। <br />
<br />
# মেয়েরা প্রচুর পরিমানে স্বপ্ন দেখে। একটি মেয়েকে স্বপ্নের কথা জিজ্ঞেস করলে তার কাছে বলার জন্য অনেক গল্প পাবেন, কিন্তু একজন পুরুষকে কাল রাতের স্বপ্নের কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলতে পারবে না। <br />
<br />
উপরের তথ্যগুলো শুধু পড়েই মজা পাবেন না। পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, আরো বেশি আনন্দিত হবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপ কোনটি?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3230</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:10:42 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3230</guid>
			<description><![CDATA[সাপ বলতে আমরা ভাবি, বিষ – যদিও বিষহীন ঢোঁড়া সাপও কম নেই৷ সাপ নিয়ে কিংবদন্তিরও শেষ নেই৷ কিন্তু সবচেয়ে বিষধর সাপ কোনটি? সবচেয়ে বড় সাপ? সবচেয়ে ছোট সাপ? জেনে নিন এখান থেকে-<br />
<br />
সবচেয়ে বিষধর সাপ<br />
অস্ট্রেলিয়ার ইনল্যান্ড টাইপান নামের সাপটির এক ছোবলে নাকি ১০০ মানুষ মারার মতো বিষ আছে৷ সেই বিষ একইসাথে স্নায়ু, রক্ত ও মাংসপেশির উপর কাজ করে৷ সেমি-অ্যারিড বা কম বৃষ্টিপাতের এলাকায় টাইপানদের প্রকোপ বেশি৷<br />
<br />
সবচেয়ে বড় সাপ<br />
সবুজ আনাকোন্ডা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ৷ থাকে দক্ষিণ আমেরিকার গভীর জঙ্গলে জলে-ডোবায়৷ প্রায় নয় মিটার বা ২৯ ফুট লম্বা আনাকোন্ডারও খবর পাওয়া গিয়েছে, যদিও সাধারণ আনাকোন্ডা চার মিটারের বেশি লম্বা হয় না৷ অজগর গোত্রীয় আনাকোন্ডা শিকারকে পাকিয়ে ধরে দম আটকে মারে৷<br />
<br />
সবচেয়ে ছোট সাপ<br />
বার্বাডোসের থ্রেডন্সেক বা সুতো-সাপ মাত্র ১০ সেন্টিমিটার লম্বা, আর চাইনিজ খাবারের নুডলের চেয়ে বেশি মোটা নয়৷ সুতো-সাপ উঁইপোকা আর পিঁপড়ের ডিম খেয়ে বাঁচে৷ তাকে দেখতে পাওয়া যায় শুধুমাত্র ক্যারিবিয়ানের বার্বাডোজ দ্বীপে, যেখানে সবে ২০০৮ সালে তাকে প্রথম আবিষ্কার করা হয়৷<br />
<br />
সবচেয়ে বড় হাঁ<br />
সাপের নিচের চোয়ালটা ওপরের চোয়াল থেকে আলাদা বলে নিজের দ্বিগুণ সাইজের জন্তুজানোয়ারও আস্ত গলাধঃকরণ করতে পারে৷ কিন্তু ২০০৫ সালে ফ্লোরিডার এভারগ্লেডস ন্যাশনাল পার্কে একটি পাইথন একটি আস্ত কুমির গেলার চেষ্টা করতে গিয়ে পেট ফেটে মরেছিল৷ সাপটিকে যখন খুঁজে পাওয়া যায়, তখন কুমিরের ল্যাজ তার পেট ফুটো করে বেরিয়ে রয়েছে৷<br />
<br />
সবচেয়ে ভালো গা-ঢাকা দিতে পারে যে সাপ<br />
তার নাম গাবুন ভাইপার, থাকে আফ্রিকার জঙ্গলে৷ মাথার কাছে নকশাটা এমন যে, দেখলে মনে হবে যেন একটা ঝরা পাতা পড়ে রয়েছে৷ ভয়ঙ্কর বিষধর এই সাপটির বিষদাঁত অন্য যে কোনো সাপের চেয়ে লম্বা, পাঁচ সেন্টিমিটারের মতো৷ ভাগ্য ভালো, গাবুন ভাইপার খুব রগচটা নয়, তাই এই সাপ খুব কম মানুষকে কামড়ায়৷<br />
<br />
লং জাম্প চ্যাম্পিয়ন<br />
ক্রিসোপেলিয়া গোত্রীয় এই উড়ন্ত সাপ এক গাছ থেকে আরেক গাছ অবধি লাফ দিতে পারে – দরকার হলে ৩০ মিটার! উড়ন্ত সাপ টিকটিকি, ইঁদুর ইত্যাদি ধরে খায় – আবার ছোট ছোট পাখি, এমনকি বাদুড় পেলেও ছাড়ে না৷ কেন, তা নিশ্চয় বলে দিতে হবে না!]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সাপ বলতে আমরা ভাবি, বিষ – যদিও বিষহীন ঢোঁড়া সাপও কম নেই৷ সাপ নিয়ে কিংবদন্তিরও শেষ নেই৷ কিন্তু সবচেয়ে বিষধর সাপ কোনটি? সবচেয়ে বড় সাপ? সবচেয়ে ছোট সাপ? জেনে নিন এখান থেকে-<br />
<br />
সবচেয়ে বিষধর সাপ<br />
অস্ট্রেলিয়ার ইনল্যান্ড টাইপান নামের সাপটির এক ছোবলে নাকি ১০০ মানুষ মারার মতো বিষ আছে৷ সেই বিষ একইসাথে স্নায়ু, রক্ত ও মাংসপেশির উপর কাজ করে৷ সেমি-অ্যারিড বা কম বৃষ্টিপাতের এলাকায় টাইপানদের প্রকোপ বেশি৷<br />
<br />
সবচেয়ে বড় সাপ<br />
সবুজ আনাকোন্ডা হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ৷ থাকে দক্ষিণ আমেরিকার গভীর জঙ্গলে জলে-ডোবায়৷ প্রায় নয় মিটার বা ২৯ ফুট লম্বা আনাকোন্ডারও খবর পাওয়া গিয়েছে, যদিও সাধারণ আনাকোন্ডা চার মিটারের বেশি লম্বা হয় না৷ অজগর গোত্রীয় আনাকোন্ডা শিকারকে পাকিয়ে ধরে দম আটকে মারে৷<br />
<br />
সবচেয়ে ছোট সাপ<br />
বার্বাডোসের থ্রেডন্সেক বা সুতো-সাপ মাত্র ১০ সেন্টিমিটার লম্বা, আর চাইনিজ খাবারের নুডলের চেয়ে বেশি মোটা নয়৷ সুতো-সাপ উঁইপোকা আর পিঁপড়ের ডিম খেয়ে বাঁচে৷ তাকে দেখতে পাওয়া যায় শুধুমাত্র ক্যারিবিয়ানের বার্বাডোজ দ্বীপে, যেখানে সবে ২০০৮ সালে তাকে প্রথম আবিষ্কার করা হয়৷<br />
<br />
সবচেয়ে বড় হাঁ<br />
সাপের নিচের চোয়ালটা ওপরের চোয়াল থেকে আলাদা বলে নিজের দ্বিগুণ সাইজের জন্তুজানোয়ারও আস্ত গলাধঃকরণ করতে পারে৷ কিন্তু ২০০৫ সালে ফ্লোরিডার এভারগ্লেডস ন্যাশনাল পার্কে একটি পাইথন একটি আস্ত কুমির গেলার চেষ্টা করতে গিয়ে পেট ফেটে মরেছিল৷ সাপটিকে যখন খুঁজে পাওয়া যায়, তখন কুমিরের ল্যাজ তার পেট ফুটো করে বেরিয়ে রয়েছে৷<br />
<br />
সবচেয়ে ভালো গা-ঢাকা দিতে পারে যে সাপ<br />
তার নাম গাবুন ভাইপার, থাকে আফ্রিকার জঙ্গলে৷ মাথার কাছে নকশাটা এমন যে, দেখলে মনে হবে যেন একটা ঝরা পাতা পড়ে রয়েছে৷ ভয়ঙ্কর বিষধর এই সাপটির বিষদাঁত অন্য যে কোনো সাপের চেয়ে লম্বা, পাঁচ সেন্টিমিটারের মতো৷ ভাগ্য ভালো, গাবুন ভাইপার খুব রগচটা নয়, তাই এই সাপ খুব কম মানুষকে কামড়ায়৷<br />
<br />
লং জাম্প চ্যাম্পিয়ন<br />
ক্রিসোপেলিয়া গোত্রীয় এই উড়ন্ত সাপ এক গাছ থেকে আরেক গাছ অবধি লাফ দিতে পারে – দরকার হলে ৩০ মিটার! উড়ন্ত সাপ টিকটিকি, ইঁদুর ইত্যাদি ধরে খায় – আবার ছোট ছোট পাখি, এমনকি বাদুড় পেলেও ছাড়ে না৷ কেন, তা নিশ্চয় বলে দিতে হবে না!]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কোনও শুভ কাজে নারকেল ফাটানো হয় কেন?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3229</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:10:19 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3229</guid>
			<description><![CDATA[বাস্তবে এবং বহু ছায়াছবিতে দেখা যায় কোন শুভ কাজের পূর্বে নারকেল ফাটানো হয়। কখনও হাসপাতালের উদ্বোধন, কখনও ছবির শুভ মহরৎ অথবা গৃহপ্রবেশ কিন্তু কেন নারকেল ফাটানোর এই রীতি প্রচলিত হয় জানেন কি? বিভিন্ন কারণ শোনা যায় এই নিয়ে, আর তা নিয়ে বিতর্কও রয়েছে৷<br />
<br />
উত্তর ভারতের তুলনায় দক্ষিণ ভারতে নারকেলের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে৷ কারণ হিসেবে বলা হয় সেখানে নারকেল গাছের সংখ্যা বেশি, এবং আঞ্চলিক ভাবে যে জিনিসের প্রাচুর্য থাকে‚ সেটাই হয়ে যায় দেবতার প্রসাদ৷ উত্তর ভারতের ক্ষেত্রে যেমন বেল অন্যতম৷-কলকাতা২৪<br />
<br />
শোনা যায়, হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী‚ নারকেল নাকি সৃষ্টি করেছিলেন বিশ্বামিত্র মুনি এবং একে শ্রীফল বা মহাফলও বলা হয়ে থাকে৷ বহু সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, শুভ কাজের আগে নারকেল ফাটানোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নরবলির প্রাচীন রীতি৷ নরবলি বর্বরতা-নিষ্ঠুরতার পরিচায়ক মনে করে তার স্থান নেয় নারকেল৷ যাকে নরমুণ্ডর বিকল্প হিসেবে ধরা হয়৷<br />
<br />
অন্যদিকে, প্রাচীন স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ ভাষায় ‘কোকো’মানে মানুষের মাথা, তার থেকেই ‘কোকোনাট’ শব্দের জন্ম৷ পাশাপাশি নারকেলের চোখের জন্য একে নরমুণ্ড হিসেবে মনে করার ক্ষেত্রেও সুবিধা হয়৷ নারকেল ফাটানো অর্থে অনেকে মনে করেন, ঈশ্বরের সামনে নিজের অহঙ্কার বিসর্জন দেওয়া৷]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বাস্তবে এবং বহু ছায়াছবিতে দেখা যায় কোন শুভ কাজের পূর্বে নারকেল ফাটানো হয়। কখনও হাসপাতালের উদ্বোধন, কখনও ছবির শুভ মহরৎ অথবা গৃহপ্রবেশ কিন্তু কেন নারকেল ফাটানোর এই রীতি প্রচলিত হয় জানেন কি? বিভিন্ন কারণ শোনা যায় এই নিয়ে, আর তা নিয়ে বিতর্কও রয়েছে৷<br />
<br />
উত্তর ভারতের তুলনায় দক্ষিণ ভারতে নারকেলের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে৷ কারণ হিসেবে বলা হয় সেখানে নারকেল গাছের সংখ্যা বেশি, এবং আঞ্চলিক ভাবে যে জিনিসের প্রাচুর্য থাকে‚ সেটাই হয়ে যায় দেবতার প্রসাদ৷ উত্তর ভারতের ক্ষেত্রে যেমন বেল অন্যতম৷-কলকাতা২৪<br />
<br />
শোনা যায়, হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী‚ নারকেল নাকি সৃষ্টি করেছিলেন বিশ্বামিত্র মুনি এবং একে শ্রীফল বা মহাফলও বলা হয়ে থাকে৷ বহু সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, শুভ কাজের আগে নারকেল ফাটানোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নরবলির প্রাচীন রীতি৷ নরবলি বর্বরতা-নিষ্ঠুরতার পরিচায়ক মনে করে তার স্থান নেয় নারকেল৷ যাকে নরমুণ্ডর বিকল্প হিসেবে ধরা হয়৷<br />
<br />
অন্যদিকে, প্রাচীন স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ ভাষায় ‘কোকো’মানে মানুষের মাথা, তার থেকেই ‘কোকোনাট’ শব্দের জন্ম৷ পাশাপাশি নারকেলের চোখের জন্য একে নরমুণ্ড হিসেবে মনে করার ক্ষেত্রেও সুবিধা হয়৷ নারকেল ফাটানো অর্থে অনেকে মনে করেন, ঈশ্বরের সামনে নিজের অহঙ্কার বিসর্জন দেওয়া৷]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যেভাবে এল সুন্দরী প্রতিযোগীতা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3228</link>
			<pubDate>Tue, 21 Nov 2017 14:09:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3228</guid>
			<description><![CDATA[এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে খুব আলোচিত বিষয় হচ্ছে সুন্দরী প্রতিযোগীতা। আচ্ছা, এই সুন্দরী প্রতিযোগীতার শুরু হয় কোথা থেকে? একটা সময়ে ইংল্যান্ডেই মে দিবসে একজন করে ‘মে কুইন’ নির্বাচন করা হত। তাকে ‘উদারতার প্রতীক’ হিসেবে দেখা হত। সেটা সেই অর্থে কোনো সুন্দরী প্রতিযোগীতা না হলেও আদতে তরুণী আর আকর্ষণীয় নারীরাই এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিত।<br />
<br />
১৮৩৯ সালে এলিংটন টুর্নামেন্টে একটা সুন্দরী প্রতিযোগীতার নজীর পাওয়া যায় স্কটল্যান্ডে। আর্কিবাল্ড মোন্টগোমেরি, এলিংটনের ১৩ তম আর্লের আয়োজন ছিল সেটা। ডাচেস অব সামারসেট, জর্জিনা সেয়মোওর সেবার বিজয়ী হয়েছিলেন। <br />
<br />
তিনি ছিলেন ১২ তম ডিউক অব সামারসেন এডওয়ার্ড সেয়মোওরের স্ত্রী ও ক্যারোলিন নর্টনের বোন। তাকে তখন বলা হত ‘কুইন অব বিউটি’ বা ‘রূপের রানী’।<br />
<br />
ব্যবসায়ী ফিনিয়েস টেলর বার্নুম আধুনিক আমেরিকায় প্রথম সুন্দরী প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছিলেন ১৮৫৪ সালে। তবে, জনবিক্ষোভের মুখে সেই আয়োজন ভেস্তে যায়।<br />
<br />
১৮৮০-এর দশকে সুন্দরী প্রতিযোগীতা বেশ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ১৮৮৮ সালে ‘কুইন অব বিউটি’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৮ বছর বয়সী এক আদিবাসী তরুণী। ওই সময় প্রত্যেক প্রতিযোগীকে নিজের একটা ছবি ও নিজের ব্যাপারে ছোট একটা বর্ণনা লিখে পাঠাতে হত। চূড়ান্ত তালিকায় নেওয়া হত ২১ জনকে। সেখান থেকে একজন সেরা নির্বাচিত হতেন।<br />
<br />
১৯২১ সালে ‘মিস আমেরিকা’ প্রতিযোগীতার সূচনা হয়। আধুনিক সময়ের সুন্দরী প্রতিযোগীতাগুলো এরই পরিবর্তীত ও পরিবর্ধিত রূপ। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বৃহৎ আকার ধারণ করে এই সুন্দরী প্রতিযোগীতাগুলো<br />
<br />
মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগীতা যাত্রা ‍শুরু করে ১৯৫১ সালে। ‘বিকিনি কনটেস্ট’ হিসেবে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের এরিক মোরলে। সেবার বিজয়ী হন সুইডেনের কিকি হাকানসুন। যদিও, প্রতিযোগীতা আয়োজন করতে গিয়ে সামাজিক কিছু সংঘের বিরোধীতার মুখে পড়তে হয়েছিল আয়োজকদের। আর আধুনিক মিস ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী এরিকের বিধবা স্ত্রী জুলিয়া মোরলে।<br />
<br />
ইংল্যান্ড কিছু একটা কররে, আর আমেরিকা হাত-পা গুঁটিয়ে বসে থাকবে তা কী হয়! ইংল্যান্ডের দেখাদেখি ১৯৫২ সালে আমেরিকায় চালু হয় মিস ইউনিভার্স। চালু করেন উইলিয়াম মরিস এনডেয়াভোর। শুরুতেই তিনি বিকিনিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রথম খেতাব জেতেন ফিনল্যান্ডের অ্যার্মি হেলেনা কুসেলা।<br />
<br />
বর্তমানে এর মালিক মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন। একইভাবে মিস আর্থ ও মিস ইন্টারন্যাশনাল নামেও আলাদা বৈশ্বিক সুন্দরী প্রতিযোগীতা আছে।<br />
<br />
এই চারটির মধ্যে প্রথম দু’টোকেই সবচেয়ে মর্যাদার লড়াই হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দু’পক্ষের মধ্যে রেশারেশিও আছে। প্রতিবছর মিস ওয়ার্ল্ড যে হন তাকে এক বছর গিয়ে কাটাতে হয় লন্ডনে, একই ভাবে মিস ইউনিভার্সকে গিয়ে থাকতে হয় নিউ ইয়র্কে।<br />
<br />
<br />
<br />
প্রথম মিস ওয়ার্ল্ড<br />
<br />
এখন অবধি কোনো নারীই একাধারে এই দু’টি প্রতিযোগীতার বিজয়ী হতে পারেননি। তবে, একই বছর একটি দেশের দু’টো প্রতিযোগীতাই জিতে যাওয়ার নজীর আছে পাঁচটি। ১৯৫৩ সালে ফ্রান্স, ১৯৭২ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ১৯৮১ সালে ভেনেজুয়েলা এই বিরল কীর্তি গড়ে।<br />
<br />
১৯৯৪ সালে একই বছরে ভারতের সুস্মিতা সেন জেতেন মিস ইউনিভার্স আর ঐশ্বরিয়া রায় জেতেন মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব। এরপর ২০০০ সালে আবারো ভারতে যায় জোড়া খেতাব। সেবার লারা দত্ত হন মিস ইউনিভার্স আর প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হন মিস ওয়ার্ল্ড।<br />
<br />
যদিও, এসব সুন্দরী প্রতিযোগীতা নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম না। গবেষকরা বলেন, যখন যে অঞ্চলের বাজারকে নিজেদের দখলে নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তখন সে অঞ্চল থেকে সুন্দরী নির্বাচনের প্রবণতা বেশি থাকে। কারণ, একজন বিশ্ব সুন্দরী বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির নানারকম পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেন। ফলে, তিনি যে জনগোষ্ঠী থেকে আসেন তাদের আকৃষ্ট করা খুব সহজ হয়।<br />
<br />
উদাহরণ হিসেবে ভারতের কথা বলা যায়। সুস্মিতা-অ্যাশের পর ১৯৯৭ সালে ডায়ানা হেইডেন ও ১৯৯৯ সালে যুক্তা মূখী হন মিস ওয়ার্ল্ড। এরপর আসেন লারা-প্রিয়াঙ্কা।<br />
<br />
<br />
<br />
ঐশ্বরিয়া-সুস্মিতা সেন<br />
<br />
এর আগে সেই ১৯৬৬ সালে বিশ্ব সুন্দরী হন রিটা ফারিয়া। মানে মাঝের ২৮ বছরে কোনো বিশ্বসুন্দরী হয়নি। অথচ, ছয় বছরেই আসলো ছয়জন। আবার এরপর ১৭ বছরের বিরতি দিয়ে আসলো আরেকজন। <br />
<br />
মনে করা হয়, নব্বইয়ের দশকে ভারতের বিরাট ভোক্তার বাজারে প্রবেশের একটা কৌশলের হাতিয়ার ছিলেন এই ছয় সুন্দরী। এমনকি সুন্দরী প্রতিযোগীতা টিকে আছেও এই বাজার ধরার জন্যই, অন্তত গবেষকরা তেমনটাই দাবী করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে খুব আলোচিত বিষয় হচ্ছে সুন্দরী প্রতিযোগীতা। আচ্ছা, এই সুন্দরী প্রতিযোগীতার শুরু হয় কোথা থেকে? একটা সময়ে ইংল্যান্ডেই মে দিবসে একজন করে ‘মে কুইন’ নির্বাচন করা হত। তাকে ‘উদারতার প্রতীক’ হিসেবে দেখা হত। সেটা সেই অর্থে কোনো সুন্দরী প্রতিযোগীতা না হলেও আদতে তরুণী আর আকর্ষণীয় নারীরাই এই প্রতিযোগীতায় অংশ নিত।<br />
<br />
১৮৩৯ সালে এলিংটন টুর্নামেন্টে একটা সুন্দরী প্রতিযোগীতার নজীর পাওয়া যায় স্কটল্যান্ডে। আর্কিবাল্ড মোন্টগোমেরি, এলিংটনের ১৩ তম আর্লের আয়োজন ছিল সেটা। ডাচেস অব সামারসেট, জর্জিনা সেয়মোওর সেবার বিজয়ী হয়েছিলেন। <br />
<br />
তিনি ছিলেন ১২ তম ডিউক অব সামারসেন এডওয়ার্ড সেয়মোওরের স্ত্রী ও ক্যারোলিন নর্টনের বোন। তাকে তখন বলা হত ‘কুইন অব বিউটি’ বা ‘রূপের রানী’।<br />
<br />
ব্যবসায়ী ফিনিয়েস টেলর বার্নুম আধুনিক আমেরিকায় প্রথম সুন্দরী প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছিলেন ১৮৫৪ সালে। তবে, জনবিক্ষোভের মুখে সেই আয়োজন ভেস্তে যায়।<br />
<br />
১৮৮০-এর দশকে সুন্দরী প্রতিযোগীতা বেশ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ১৮৮৮ সালে ‘কুইন অব বিউটি’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৮ বছর বয়সী এক আদিবাসী তরুণী। ওই সময় প্রত্যেক প্রতিযোগীকে নিজের একটা ছবি ও নিজের ব্যাপারে ছোট একটা বর্ণনা লিখে পাঠাতে হত। চূড়ান্ত তালিকায় নেওয়া হত ২১ জনকে। সেখান থেকে একজন সেরা নির্বাচিত হতেন।<br />
<br />
১৯২১ সালে ‘মিস আমেরিকা’ প্রতিযোগীতার সূচনা হয়। আধুনিক সময়ের সুন্দরী প্রতিযোগীতাগুলো এরই পরিবর্তীত ও পরিবর্ধিত রূপ। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বৃহৎ আকার ধারণ করে এই সুন্দরী প্রতিযোগীতাগুলো<br />
<br />
মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগীতা যাত্রা ‍শুরু করে ১৯৫১ সালে। ‘বিকিনি কনটেস্ট’ হিসেবে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের এরিক মোরলে। সেবার বিজয়ী হন সুইডেনের কিকি হাকানসুন। যদিও, প্রতিযোগীতা আয়োজন করতে গিয়ে সামাজিক কিছু সংঘের বিরোধীতার মুখে পড়তে হয়েছিল আয়োজকদের। আর আধুনিক মিস ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী এরিকের বিধবা স্ত্রী জুলিয়া মোরলে।<br />
<br />
ইংল্যান্ড কিছু একটা কররে, আর আমেরিকা হাত-পা গুঁটিয়ে বসে থাকবে তা কী হয়! ইংল্যান্ডের দেখাদেখি ১৯৫২ সালে আমেরিকায় চালু হয় মিস ইউনিভার্স। চালু করেন উইলিয়াম মরিস এনডেয়াভোর। শুরুতেই তিনি বিকিনিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রথম খেতাব জেতেন ফিনল্যান্ডের অ্যার্মি হেলেনা কুসেলা।<br />
<br />
বর্তমানে এর মালিক মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন। একইভাবে মিস আর্থ ও মিস ইন্টারন্যাশনাল নামেও আলাদা বৈশ্বিক সুন্দরী প্রতিযোগীতা আছে।<br />
<br />
এই চারটির মধ্যে প্রথম দু’টোকেই সবচেয়ে মর্যাদার লড়াই হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দু’পক্ষের মধ্যে রেশারেশিও আছে। প্রতিবছর মিস ওয়ার্ল্ড যে হন তাকে এক বছর গিয়ে কাটাতে হয় লন্ডনে, একই ভাবে মিস ইউনিভার্সকে গিয়ে থাকতে হয় নিউ ইয়র্কে।<br />
<br />
<br />
<br />
প্রথম মিস ওয়ার্ল্ড<br />
<br />
এখন অবধি কোনো নারীই একাধারে এই দু’টি প্রতিযোগীতার বিজয়ী হতে পারেননি। তবে, একই বছর একটি দেশের দু’টো প্রতিযোগীতাই জিতে যাওয়ার নজীর আছে পাঁচটি। ১৯৫৩ সালে ফ্রান্স, ১৯৭২ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ১৯৮১ সালে ভেনেজুয়েলা এই বিরল কীর্তি গড়ে।<br />
<br />
১৯৯৪ সালে একই বছরে ভারতের সুস্মিতা সেন জেতেন মিস ইউনিভার্স আর ঐশ্বরিয়া রায় জেতেন মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব। এরপর ২০০০ সালে আবারো ভারতে যায় জোড়া খেতাব। সেবার লারা দত্ত হন মিস ইউনিভার্স আর প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হন মিস ওয়ার্ল্ড।<br />
<br />
যদিও, এসব সুন্দরী প্রতিযোগীতা নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম না। গবেষকরা বলেন, যখন যে অঞ্চলের বাজারকে নিজেদের দখলে নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তখন সে অঞ্চল থেকে সুন্দরী নির্বাচনের প্রবণতা বেশি থাকে। কারণ, একজন বিশ্ব সুন্দরী বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির নানারকম পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেন। ফলে, তিনি যে জনগোষ্ঠী থেকে আসেন তাদের আকৃষ্ট করা খুব সহজ হয়।<br />
<br />
উদাহরণ হিসেবে ভারতের কথা বলা যায়। সুস্মিতা-অ্যাশের পর ১৯৯৭ সালে ডায়ানা হেইডেন ও ১৯৯৯ সালে যুক্তা মূখী হন মিস ওয়ার্ল্ড। এরপর আসেন লারা-প্রিয়াঙ্কা।<br />
<br />
<br />
<br />
ঐশ্বরিয়া-সুস্মিতা সেন<br />
<br />
এর আগে সেই ১৯৬৬ সালে বিশ্ব সুন্দরী হন রিটা ফারিয়া। মানে মাঝের ২৮ বছরে কোনো বিশ্বসুন্দরী হয়নি। অথচ, ছয় বছরেই আসলো ছয়জন। আবার এরপর ১৭ বছরের বিরতি দিয়ে আসলো আরেকজন। <br />
<br />
মনে করা হয়, নব্বইয়ের দশকে ভারতের বিরাট ভোক্তার বাজারে প্রবেশের একটা কৌশলের হাতিয়ার ছিলেন এই ছয় সুন্দরী। এমনকি সুন্দরী প্রতিযোগীতা টিকে আছেও এই বাজার ধরার জন্যই, অন্তত গবেষকরা তেমনটাই দাবী করেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[“দ্য ওয়ার্ল্ড” নামের জাহাজটি!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3151</link>
			<pubDate>Mon, 28 Aug 2017 10:21:54 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3151</guid>
			<description><![CDATA[এমন যদি হয় যে, দিনের পর দিন আপনি সমুদ্রের উপর বসবাস করছেন। আজ ভোরে এক দেশে, তো আগামীকাল আবার অন্য এক দেশে চলে গেলেন। একবার ভাবুন তো, ব্যাপারটা কেমন হবে?<br />
<br />
গভীর জলে কাটানো সময়টাতে না থাকবে বিরক্তিকর ট্রাফিক জ্যাম, না থাকবে বাস-রিকশার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। তো আজকে এরকমই একটি জাহাজের খোঁজ দিচ্ছি, যার নাম “দ্য ওয়ার্ল্ড”।  <br />
<br />
“দ্য ওয়ার্ল্ড” একটি প্রাইভেট জাহাজ। ৪৫টি দেশের ভ্রমণ প্রেমিকেরা মাসের পর মাস এই জাহাজটিতে থাকতে পারেন। কখনও কখনও একের অধিক, এমনকি সাত দিনও একটি বন্দরে থাকে জাহাজটি। ফ্লোরিডার ‘রো ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই জাহাজ সার্ভিসের উদ্ভাবক। জাহাজটিতে ১০৭টি অ্যাপার্টমেন্ট, ১৯টি স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্ট এবং ৪০টি স্টুডিও রয়েছে। জাহাজের ভিতরে থাকা এসকল রুমের মালিক সাধারাণত জাহাজের অধিবাসীরাই। জাহাজে একই সাথে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ থাকার জায়গা রয়েছে। ‘বাহামা’-এর পতাকাবাহী এই জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৯৬ মিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার। জাহাজের ভিতর থাকা ডেক সংখ্যা মোট ১২টি। এতে ২৮০ জন ক্রু সদস্য রয়েছেন।<br />
<br />
মজার বিষয় হল; জাহাজের ভিতর রয়েছে মুদি দোকান, একটি বুটিক হাউজের শো-রুম। এছাড়া আরও আছে গলফ ও টেনিস কোর্ট, স্পা এবং সুইমিংপুলের ব্যবস্থা। বিনোদনের জন্য রয়েছে মুভি থিয়েটার, সঙ্গীত আয়োজন আর লাইব্রেরীতে ঘণ্টার পর ঘন্টা কাটানোর সুযোগ।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="PNG Image" border="0" alt=".png" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=210" target="_blank" title="">jahaj.PNG</a> (Size: 295.15 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এমন যদি হয় যে, দিনের পর দিন আপনি সমুদ্রের উপর বসবাস করছেন। আজ ভোরে এক দেশে, তো আগামীকাল আবার অন্য এক দেশে চলে গেলেন। একবার ভাবুন তো, ব্যাপারটা কেমন হবে?<br />
<br />
গভীর জলে কাটানো সময়টাতে না থাকবে বিরক্তিকর ট্রাফিক জ্যাম, না থাকবে বাস-রিকশার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। তো আজকে এরকমই একটি জাহাজের খোঁজ দিচ্ছি, যার নাম “দ্য ওয়ার্ল্ড”।  <br />
<br />
“দ্য ওয়ার্ল্ড” একটি প্রাইভেট জাহাজ। ৪৫টি দেশের ভ্রমণ প্রেমিকেরা মাসের পর মাস এই জাহাজটিতে থাকতে পারেন। কখনও কখনও একের অধিক, এমনকি সাত দিনও একটি বন্দরে থাকে জাহাজটি। ফ্লোরিডার ‘রো ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই জাহাজ সার্ভিসের উদ্ভাবক। জাহাজটিতে ১০৭টি অ্যাপার্টমেন্ট, ১৯টি স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্ট এবং ৪০টি স্টুডিও রয়েছে। জাহাজের ভিতরে থাকা এসকল রুমের মালিক সাধারাণত জাহাজের অধিবাসীরাই। জাহাজে একই সাথে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ থাকার জায়গা রয়েছে। ‘বাহামা’-এর পতাকাবাহী এই জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৯৬ মিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার। জাহাজের ভিতর থাকা ডেক সংখ্যা মোট ১২টি। এতে ২৮০ জন ক্রু সদস্য রয়েছেন।<br />
<br />
মজার বিষয় হল; জাহাজের ভিতর রয়েছে মুদি দোকান, একটি বুটিক হাউজের শো-রুম। এছাড়া আরও আছে গলফ ও টেনিস কোর্ট, স্পা এবং সুইমিংপুলের ব্যবস্থা। বিনোদনের জন্য রয়েছে মুভি থিয়েটার, সঙ্গীত আয়োজন আর লাইব্রেরীতে ঘণ্টার পর ঘন্টা কাটানোর সুযোগ।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="PNG Image" border="0" alt=".png" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=210" target="_blank" title="">jahaj.PNG</a> (Size: 295.15 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>