<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - আল-হাদিস]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2026 01:43:55 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[আল-হাদিস]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3304</link>
			<pubDate>Thu, 21 Jun 2018 05:38:35 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=885">Ask Bayjid</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3304</guid>
			<description><![CDATA[অনুমান ও কুধারণা করা থেকে বিরত থাকো, কেননা অনুমান হলো বড় মিথ্যা কথা। (সহীহ বুখারী)<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=222" target="_blank" title="">IMG_20180621_101849.jpg</a> (Size: 309.41 KB / Downloads: 0)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অনুমান ও কুধারণা করা থেকে বিরত থাকো, কেননা অনুমান হলো বড় মিথ্যা কথা। (সহীহ বুখারী)<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=222" target="_blank" title="">IMG_20180621_101849.jpg</a> (Size: 309.41 KB / Downloads: 0)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[হাদিস  (রাসুলুল্লাহ সাঃ)]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3272</link>
			<pubDate>Sun, 31 Dec 2017 18:37:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=639">bdyousufctg</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3272</guid>
			<description><![CDATA[রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিজাতীর সাদৃশ্য অবলম্বন করে,<br />
সে তাদের দলভুক্ত গণ্য হবে। (আবু দাউদ :4031)]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিজাতীর সাদৃশ্য অবলম্বন করে,<br />
সে তাদের দলভুক্ত গণ্য হবে। (আবু দাউদ :4031)]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[তারাবিহ’র নামাজ পড়ার নিয়ম]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2956</link>
			<pubDate>Wed, 24 May 2017 16:21:14 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2956</guid>
			<description><![CDATA[রমজান মাসে এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর এবং বিতর নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে যে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা হয়, একে ‘তারাবিহ নামাজ’ বলা হয়। আরবি ‘তারাবিহ’ শব্দটির মূল ধাতু ‘রাহাতুন’ অর্থ আরাম বা বিশ্রাম করা।<br />
রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবিহ নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। <br />
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে তারাবিহ নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ।<br />
রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবিহ নামাজের জন্য রাতের কোনো বিশেষ সময়কে নির্দিষ্ট করে দেননি। তবে তারাবিহ নামাজ অবশ্যই এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে।<br />
তারাবি নামাজের নিয়ত<br />
نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر.<br />
(নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা, রকাআতাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা’আলা, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।)<br />
অর্থ: আমি ক্বিবলামুখি হয়ে দু’রাকাআত তারাবিহ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ নামাযের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।<br />
তারাবি নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া<br />
سبحان ذى الملك والملكوت سبحان ذى العزة والعظمة والهيبة والقدرة والكبرياء والجبروت . سبحان الملك الحى الذى لاينام ولا يموت ابدا ابدا سبوح قدوس ربنا ورب الملئكة والروح.<br />
উচ্চারণ: সুব্হানাযিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি সুবহানাযিল ইযযাতি ওয়াল আযমাতি ওয়াল হাইবাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়াল জাবারূত। সুব্হানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযি লা-ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রমজান মাসে এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর এবং বিতর নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে যে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা হয়, একে ‘তারাবিহ নামাজ’ বলা হয়। আরবি ‘তারাবিহ’ শব্দটির মূল ধাতু ‘রাহাতুন’ অর্থ আরাম বা বিশ্রাম করা।<br />
রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবিহ নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। <br />
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে তারাবিহ নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ।<br />
রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবিহ নামাজের জন্য রাতের কোনো বিশেষ সময়কে নির্দিষ্ট করে দেননি। তবে তারাবিহ নামাজ অবশ্যই এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে।<br />
তারাবি নামাজের নিয়ত<br />
نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر.<br />
(নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা, রকাআতাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা’আলা, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।)<br />
অর্থ: আমি ক্বিবলামুখি হয়ে দু’রাকাআত তারাবিহ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ নামাযের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।<br />
তারাবি নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া<br />
سبحان ذى الملك والملكوت سبحان ذى العزة والعظمة والهيبة والقدرة والكبرياء والجبروت . سبحان الملك الحى الذى لاينام ولا يموت ابدا ابدا سبوح قدوس ربنا ورب الملئكة والروح.<br />
উচ্চারণ: সুব্হানাযিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি সুবহানাযিল ইযযাতি ওয়াল আযমাতি ওয়াল হাইবাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়াল জাবারূত। সুব্হানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযি লা-ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সাওম বলতে কী বুঝ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2955</link>
			<pubDate>Wed, 24 May 2017 16:20:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2955</guid>
			<description><![CDATA[রোযা ইসলামের মৌলিক ভিত্তির তৃতীয় স্তম্ভ। এটি দৈহিক ইবাদতের গুরুত্বপূর্ন অংশ। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আল্লাহভীতি অর্জনে সাওম একটি অতুলনীয় ইবাদত। যেমন আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন-হে ঈমানদারগণ তোমাদের ওপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যাতে করে তোমরা আল্লাহভীরু হতে পার।<br />
*সাওমের পরিচয় : সাওম শব্দটি আরবি, এর আভিধানিক অর্থ-আত্নসংযম, বিরত থাকা, কঠোর সাধনা করা, থেমে যাওয়া। রোযা শব্দটি ফার্সি, আরবিতে সাউম,<br />
*মুসতালাহাত প্রণেতা বলেন-নিয়তসহকারে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় খানাপিনা ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থাকাকে রোযা বলে।<br />
*ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায়-ইবাদতের নিয়তে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় খাদ্য, পানীয়,যৌন সম্ভোগ ইত্যাদি কর্মকান্ড তেকে নিজেকে বিরাত রাখার নাম সাওম।<br />
*মুজামুল মুসতালাহাত প্রণেতা বলেন- নিয়তসহকারে সুর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত প্রর্যন্ত যাবতিয় খানাপিনা থেকে বিরত থাকাকে রোযা বলা হয়।<br />
*আল্লামা জুরজানী বলেন- সুবহি সাদিক হতে মাগরিব পর্যন্ত খাদ্য গ্রহন ও যৌনাচার হতে বিরত থাকাকে রোযা বলা হয় ।<br />
*মোটকথা-রমযান মাসে রোযার নিয়তে সুবহি সাদিক হতে সুর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার যৌন ক্রিয়া থেকে বিরত থাকাকে সাওম বলা হয়। প্রাপ্ত বয়স্ক ও সুস্থ প্রত্যেক মুসলিমের ওপর সাওম ফরয। রোযা মানুষের শারীরিক ইবাদত, মূলত মানুষের মাঝ হতে হিংসা,বিদ্বেষ ও ক্ষোভ এসব কিছুরই অবসান ঘটায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রোযা ইসলামের মৌলিক ভিত্তির তৃতীয় স্তম্ভ। এটি দৈহিক ইবাদতের গুরুত্বপূর্ন অংশ। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আল্লাহভীতি অর্জনে সাওম একটি অতুলনীয় ইবাদত। যেমন আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন-হে ঈমানদারগণ তোমাদের ওপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যাতে করে তোমরা আল্লাহভীরু হতে পার।<br />
*সাওমের পরিচয় : সাওম শব্দটি আরবি, এর আভিধানিক অর্থ-আত্নসংযম, বিরত থাকা, কঠোর সাধনা করা, থেমে যাওয়া। রোযা শব্দটি ফার্সি, আরবিতে সাউম,<br />
*মুসতালাহাত প্রণেতা বলেন-নিয়তসহকারে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় খানাপিনা ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থাকাকে রোযা বলে।<br />
*ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায়-ইবাদতের নিয়তে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় খাদ্য, পানীয়,যৌন সম্ভোগ ইত্যাদি কর্মকান্ড তেকে নিজেকে বিরাত রাখার নাম সাওম।<br />
*মুজামুল মুসতালাহাত প্রণেতা বলেন- নিয়তসহকারে সুর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত প্রর্যন্ত যাবতিয় খানাপিনা থেকে বিরত থাকাকে রোযা বলা হয়।<br />
*আল্লামা জুরজানী বলেন- সুবহি সাদিক হতে মাগরিব পর্যন্ত খাদ্য গ্রহন ও যৌনাচার হতে বিরত থাকাকে রোযা বলা হয় ।<br />
*মোটকথা-রমযান মাসে রোযার নিয়তে সুবহি সাদিক হতে সুর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার যৌন ক্রিয়া থেকে বিরত থাকাকে সাওম বলা হয়। প্রাপ্ত বয়স্ক ও সুস্থ প্রত্যেক মুসলিমের ওপর সাওম ফরয। রোযা মানুষের শারীরিক ইবাদত, মূলত মানুষের মাঝ হতে হিংসা,বিদ্বেষ ও ক্ষোভ এসব কিছুরই অবসান ঘটায়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রিয় নবীজি (স:) দরবারে একটি গাছ আগমনের অবিস্মরণীয় ঘটনা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2954</link>
			<pubDate>Wed, 24 May 2017 16:19:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2954</guid>
			<description><![CDATA[মদীনার বুকে একজন জনসন্মুখ্যে, প্রিয় নবীজি হুজুর পাক (স.) কে অপদস্থ করার এক কু বাসনা নিয়ে, নবীজির কাছে এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ, তুমি দাবী করেছো, তুমি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নবী, এবং তোমার কাছে নাকি আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী ( আল্লাহর বাণী) আসে। তুমি যদি তোমার দাবীতে সত্য হও, তাহলে এমন কিছু করে দেখাও যা সাধারণ কারো পক্ষে সম্ভব না।’<br />
এই কথা শুনে তখন নবীজি (স.) বললেন, ঠিক আছে কি দেখতে চাও তুমি-ই বল। তখন সেই ইহুদী দুরের একটা গাছ কে দেখিয়ে বললো, দেখি এক মুহুর্তে কোন হাতের স্পর্স ছাডা গাছটিকে এইখানে হাজির করে দেখাও তো। তখন নবীজি (স.) মুচকি হেসে বললেন,আমি কোন কিছুই বলবো না, তুমি-ই সেই গাছটির কাছে গিয়ে এতটুকু বল যে,আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) তোমাকে ডাকছেন।<br />
কথামত সেই ইহুদী,তার মনের সেই কুবাসনা পূর্ণ হওয়ার আশা নিয়ে নিশ্চিন্ত মনে,গাছটির কাছে গিয়ে বললো, তোমাকে আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) ডাকছেন। ইহুদী এই কথাটি বলার সাথে সাথেই,গাছটি কম্পন করতে আরম্ভ করে দিলো, এবং মাটির সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে,লাফিয়ে লাফিয়ে নবীজির (স.) সামনে উপস্থিত হয়ে বললেন, আসলাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ। গাছের এই অবস্থা দেখে সেই ইহুদী অবাক হয়ে আবার বললো, দেখি গাছটিকে আবার তার সেই আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করে দেখান।<br />
তখন নবীজি (স.) গাছটিকে বললেন, যাও তুমি তোমার নিজের স্থানে ফিরে যাও। সাথে সাথে গাছটি আবার তার পূর্বের স্থানে ফিরে গেলো। নবীজির এই অলৌকিক মোজেজা দেখে ইহুদী লোকটি সাথে সাথে উচ্চস্বরে কলিমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেলো। এবং পরে তার পরিবার কে ও মুসলমান করালো। আবু দাউদ- নুজহাতুল মাজালিছ- হুজ্জাতুল্লাহে আলাল আলামিন- ৪৫৮ পৃষ্ঠা)]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মদীনার বুকে একজন জনসন্মুখ্যে, প্রিয় নবীজি হুজুর পাক (স.) কে অপদস্থ করার এক কু বাসনা নিয়ে, নবীজির কাছে এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ, তুমি দাবী করেছো, তুমি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নবী, এবং তোমার কাছে নাকি আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী ( আল্লাহর বাণী) আসে। তুমি যদি তোমার দাবীতে সত্য হও, তাহলে এমন কিছু করে দেখাও যা সাধারণ কারো পক্ষে সম্ভব না।’<br />
এই কথা শুনে তখন নবীজি (স.) বললেন, ঠিক আছে কি দেখতে চাও তুমি-ই বল। তখন সেই ইহুদী দুরের একটা গাছ কে দেখিয়ে বললো, দেখি এক মুহুর্তে কোন হাতের স্পর্স ছাডা গাছটিকে এইখানে হাজির করে দেখাও তো। তখন নবীজি (স.) মুচকি হেসে বললেন,আমি কোন কিছুই বলবো না, তুমি-ই সেই গাছটির কাছে গিয়ে এতটুকু বল যে,আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) তোমাকে ডাকছেন।<br />
কথামত সেই ইহুদী,তার মনের সেই কুবাসনা পূর্ণ হওয়ার আশা নিয়ে নিশ্চিন্ত মনে,গাছটির কাছে গিয়ে বললো, তোমাকে আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) ডাকছেন। ইহুদী এই কথাটি বলার সাথে সাথেই,গাছটি কম্পন করতে আরম্ভ করে দিলো, এবং মাটির সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে,লাফিয়ে লাফিয়ে নবীজির (স.) সামনে উপস্থিত হয়ে বললেন, আসলাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ। গাছের এই অবস্থা দেখে সেই ইহুদী অবাক হয়ে আবার বললো, দেখি গাছটিকে আবার তার সেই আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করে দেখান।<br />
তখন নবীজি (স.) গাছটিকে বললেন, যাও তুমি তোমার নিজের স্থানে ফিরে যাও। সাথে সাথে গাছটি আবার তার পূর্বের স্থানে ফিরে গেলো। নবীজির এই অলৌকিক মোজেজা দেখে ইহুদী লোকটি সাথে সাথে উচ্চস্বরে কলিমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেলো। এবং পরে তার পরিবার কে ও মুসলমান করালো। আবু দাউদ- নুজহাতুল মাজালিছ- হুজ্জাতুল্লাহে আলাল আলামিন- ৪৫৮ পৃষ্ঠা)]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রাসুল সাঃ বলেন- ‘যে ব্যক্তি এই সূরা প্রতি রাতে পাঠ করবেন তাঁকে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ ক]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2953</link>
			<pubDate>Wed, 24 May 2017 16:18:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2953</guid>
			<description><![CDATA[অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকীরের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ <br />
তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-<br />
→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি?<br />
→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷<br />
→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?<br />
→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷<br />
→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?<br />
→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷<br />
→ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি?<br />
→ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷<br />
→ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷<br />
→ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷<br />
আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,<br />
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”<br />
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷<br />
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮]<br />
সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।<br />
তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]<br />
সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?<br />
তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অন্তিম রোগশয্যায় আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)— এর শিক্ষাপ্রদ কথোপকথনঃ ইবনে—কাসীর ইবনে আসাকীরের বরাত দিয়ে এই ঘটনা বর্ণনা করেন যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) যখন অন্তিম রোগশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান (রাঃ) তাঁকে দেখতে যান৷ <br />
তখন তাঁদের মধ্যে শিক্ষাপ্রদ যে কথোপকথন হয় তা নিম্নরুপঃ-<br />
→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি?<br />
→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷<br />
→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?<br />
→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷<br />
→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?<br />
→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷<br />
→ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি?<br />
→ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷<br />
→ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷<br />
→ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷<br />
আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,<br />
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”<br />
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷<br />
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮]<br />
সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।<br />
তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]<br />
সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?<br />
তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সর্বপ্রথম কোরআনের কয়টি আয়াত নাজিল হয়?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2952</link>
			<pubDate>Wed, 24 May 2017 16:17:32 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2952</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : সর্বপ্রথম কোরআনের কয়টি আয়াত নাজিল হয়?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : সর্বপ্রথম কোরআনে কারিমে সুরা আলাকের পাঁচটি আয়াত নাজিল হয়েছিল। সর্বপ্রথম কোরআন অবতীর্ণ হওয়া নিয়ে আলেমদের যে বক্তব্য পাওয়া গিয়েছে, জামালউদ্দীন আল-সুয়ুতী তাঁর ‘ইতকান’-এর মধ্যে উল্লেখ করেছেন, একাধিক রেওয়ায়েতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, সর্বপ্রথম সুরাতুল-আলাক (ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজি খালাক, খালাকাল ইনসানা মিন আলাক)-এর প্রথম পাঁচটি আয়াত নাজিল হয়েছিল।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : সর্বপ্রথম কোরআনের কয়টি আয়াত নাজিল হয়?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : সর্বপ্রথম কোরআনে কারিমে সুরা আলাকের পাঁচটি আয়াত নাজিল হয়েছিল। সর্বপ্রথম কোরআন অবতীর্ণ হওয়া নিয়ে আলেমদের যে বক্তব্য পাওয়া গিয়েছে, জামালউদ্দীন আল-সুয়ুতী তাঁর ‘ইতকান’-এর মধ্যে উল্লেখ করেছেন, একাধিক রেওয়ায়েতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, সর্বপ্রথম সুরাতুল-আলাক (ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজি খালাক, খালাকাল ইনসানা মিন আলাক)-এর প্রথম পাঁচটি আয়াত নাজিল হয়েছিল।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নামাজে প্রত্যেক সুরার আগে কি বিসমিল্লাহ বলতে হবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2751</link>
			<pubDate>Tue, 21 Mar 2017 03:48:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=597">Playboy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2751</guid>
			<description><![CDATA[নামাজে প্রত্যেক সুরার আগে কি বিসমিল্লাহ বলতে হবে?<br />
প্রশ্ন : আমাদের কি নামাজের সময় প্রত্যেক সুরার আগে বিসমিল্লাহ পুরোটা বলতে হবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : যদি কোনো সুরা শুরু করেন তাহলে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পুরোটা, সুরার শুরুতে যেভাবে লেখা আছে, ঠিক সেভাবে শুরু করাটাই হচ্ছে সুন্নাহ।<br />
<br />
<br />
<br />
এটাই উত্তম বরং কেউ কেউ বলেছেন যে, এটা বাধ্যতামূলক বিষয়। এই মাসআলার মধ্যে আলেমদের দীর্ঘ আলোচনা আছে। ইবনে কাসিম মাক্কি (রা.) মতে, এটি কুরআনের অংশ।<br />
<br />
<br />
<br />
আর কোনো সুরা যদি মাঝখান থেকে পড়েন তাহলে আর ‘বিসমিল্লাহ’ অথবা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ কোনোটাই পড়তে হবে না।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নামাজে প্রত্যেক সুরার আগে কি বিসমিল্লাহ বলতে হবে?<br />
প্রশ্ন : আমাদের কি নামাজের সময় প্রত্যেক সুরার আগে বিসমিল্লাহ পুরোটা বলতে হবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : যদি কোনো সুরা শুরু করেন তাহলে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পুরোটা, সুরার শুরুতে যেভাবে লেখা আছে, ঠিক সেভাবে শুরু করাটাই হচ্ছে সুন্নাহ।<br />
<br />
<br />
<br />
এটাই উত্তম বরং কেউ কেউ বলেছেন যে, এটা বাধ্যতামূলক বিষয়। এই মাসআলার মধ্যে আলেমদের দীর্ঘ আলোচনা আছে। ইবনে কাসিম মাক্কি (রা.) মতে, এটি কুরআনের অংশ।<br />
<br />
<br />
<br />
আর কোনো সুরা যদি মাঝখান থেকে পড়েন তাহলে আর ‘বিসমিল্লাহ’ অথবা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ কোনোটাই পড়তে হবে না।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অ্যালকোহলমিশ্রিত পানীয় কি জায়েজ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2750</link>
			<pubDate>Tue, 21 Mar 2017 03:47:09 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=597">Playboy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2750</guid>
			<description><![CDATA[অ্যালকোহলমিশ্রিত পানীয় কি জায়েজ?<br />
প্রশ্ন : বর্তমানে কিছু কিছু পানীয় আছে, যেগুলোতে ১৪ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম অ্যালকোহল দেওয়া আছে। আসলে এটা খাওয়া কতটা জায়েজ?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : যদি নিশ্চিত অ্যালকোহল আছে লেখা থাকে, তাহলে সেটি থেকে দূরে থাকা অথবা এটা বর্জন করা উচিত; পান করা উচিত নয়।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অ্যালকোহলমিশ্রিত পানীয় কি জায়েজ?<br />
প্রশ্ন : বর্তমানে কিছু কিছু পানীয় আছে, যেগুলোতে ১৪ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম অ্যালকোহল দেওয়া আছে। আসলে এটা খাওয়া কতটা জায়েজ?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : যদি নিশ্চিত অ্যালকোহল আছে লেখা থাকে, তাহলে সেটি থেকে দূরে থাকা অথবা এটা বর্জন করা উচিত; পান করা উচিত নয়।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ভাঙা রোজা কীভাবে রাখতে হবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2749</link>
			<pubDate>Tue, 21 Mar 2017 03:45:14 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=597">Playboy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2749</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : আমি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ৩০ রোজা রাখতে পারি নাই। এখন এই ৩০ রোজা আমি কীভাবে রাখব? ভেঙে ভেঙে রাখলে হবে নাকি একাধারে রাখতে হবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : রমজানের পর ৩০ রোজা একাধারে রাখা কঠিন। কারণ রমজান মাসে তো সবাই রোজা রাখে, রোজা রাখার একটা অভ্যাস তৈরি হয়, পরিবেশ তৈরি হয়। কিন্তু এখন একাধারে ৩০ রোজা রাখতে কষ্ট হবে আপনার।<br />
<br />
<br />
<br />
সুতরাং, আপনি ভেঙে ভেঙে রাখতে পারেন। একটি, দুটি করে পুরো বছরে আপনি ৩০ রোজা রাখতে পারবেন ইনশা আল্লাহ।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : আমি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ৩০ রোজা রাখতে পারি নাই। এখন এই ৩০ রোজা আমি কীভাবে রাখব? ভেঙে ভেঙে রাখলে হবে নাকি একাধারে রাখতে হবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : রমজানের পর ৩০ রোজা একাধারে রাখা কঠিন। কারণ রমজান মাসে তো সবাই রোজা রাখে, রোজা রাখার একটা অভ্যাস তৈরি হয়, পরিবেশ তৈরি হয়। কিন্তু এখন একাধারে ৩০ রোজা রাখতে কষ্ট হবে আপনার।<br />
<br />
<br />
<br />
সুতরাং, আপনি ভেঙে ভেঙে রাখতে পারেন। একটি, দুটি করে পুরো বছরে আপনি ৩০ রোজা রাখতে পারবেন ইনশা আল্লাহ।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইসলামের দৃষ্টিতে নারীর পর্দা ও সাজসজ্জার বিধান!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2738</link>
			<pubDate>Mon, 20 Mar 2017 02:52:52 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=597">Playboy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2738</guid>
			<description><![CDATA[ইসলামের দৃষ্টিতে নারীর পর্দা ও সাজসজ্জার বিধান!<br />
মহান আল্লাহ্ সৌন্দর্যকে পছন্দ করেন। মানব সমাজে এ পরম আকর্ষণের প্রতি ইসলাম বিধি-নিষেধ আরোপ করে সৌন্দর্য চর্চার একটি মাপকাঠি রচনা করে দেয় যাতে ভারসাম্যপূর্ণভাবে তার চর্চা হয় ও অশ্লীলতার কারণ না হয়ে যায়।<br />
<br />
<br />
<br />
তাই প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর কর্তব্য হলো, সৌন্দর্য চর্চাকে স্বীয় স্বামী ও মহিলা অঙ্গন পর্যন্ত সীমিত রাখা। মুহরিম ব্যক্তিদের পর্যন্ত তা সম্প্রসারিত করা দোষণীয় নয়। এছাড়া অন্যদের সামনে সাজ-গোজের কোন মূল্য নেই।<br />
<br />
<br />
<br />
স্বামীর উদ্দেশ্য সাজ-সজ্জা গ্রহণ:<br />
<br />
স্বামীর উদ্দেশ্য সাজসজ্জা গ্রহণ করা একটি সওয়াবের কাজ। স্বামীর উদ্দেশ্য সাজসজ্জায় থাকার জন্য স্ত্রীর প্রতি শরীয়তে নির্দেশ রয়েছে। বর্তমানে নারীদের অবস্থা হলো, স্বামীর সামনে তারা নোংরা অপরিছন্ন ও ময়লা কাপড়-চোপড় পরে থাকে। <br />
<br />
<br />
<br />
আর বাইরে বেড়াতে যাওয়ার সময় আপাদমস্তক সুসজ্জিত হয়ে যায়। কেউ স্বামীর উদ্দেশ্য সাজ-সজ্জা গ্রহণ করলে সমালোচনা শুরু হয়ে যায় যে, মেয়েটির লাজ-লজ্জা বলতে কিছুই নেই- স্বামীর সামনে সে কেমন রূপচর্চা করছে!<br />
<br />
<br />
<br />
পরিতাপের বিষয়! যেখানে সাজসজ্জা গ্রহণ করা উচিত সেখানে তা নিন্দনীয়। আর যেখানে সাজসজ্জা গ্রহণ করা উচিত নয় সেখানে তা প্রশংসনীয়।<br />
<br />
<br />
<br />
স্বামী যখন স্ত্রীর সাজ-সজ্জা কামনা করে তখন তা গ্রহণ না করার কি যুক্তি থাকতে পারে?<br />
<br />
<br />
<br />
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, মহিলারা স্বগৃহে তো বাদী-দাসী ও গৃহপরিচালিকার ন্যায় অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে। আর যখন কোন বিশেষ অতিথির আগমন ঘটে তখন বিভিন্ন সাজ-সজ্জায় সজ্জিত হয়ে সম্পূর্ণ নববধূ বনে যায়।<br />
<br />
<br />
<br />
মর্যাদার পোশাক পর্দা:<br />
<br />
ইসলামে পোশাকের মডেল ‘তাক্ওয়ার পোশাক’। যে পোশাক সতর ঢাকার সাথে সাথে সৌন্দর্য চর্চার ক্ষেত্রে সীমা ছাড়িয়ে গর্ব ও অহঙ্কারে পরিণত না হয়, শালীনতা বিকাশে কোনো বাধার সৃষ্টি না করে, তা-ই তাকওয়ার পোশাক।<br />
<br />
<br />
<br />
পুরুষের পোশাকের ক্ষেত্রে শালীন ও মার্জিত পোশাকই তাকওয়ার পোশাক। আল-কুরআনের সূরা আন নূর ও সূরা আহজাবে বলা হয়েছে, মহিলারা যেন জাহেলি যুগের মেয়েদের মতো বাইরে নিজেদের রূপ-সৌন্দর্যের প্রদর্শন করে না বেড়ায়।<br />
<br />
<br />
<br />
তারা ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় যেন চাদর দিয়ে নিজেদের দেহকে আবৃত করে নেয়। তারা যেন তাদের আচল দিয়ে বুক ঢেকে রাখে। ঝঙ্কারদায়ক অলঙ্কারাদি পরিধান করে ঘরের বাইরে না যায়। ঘরের ভেতরেও যেন তারা মাহরাম ও গায়ের মাহরাম পুরুষদের মধ্যে পার্থক্য করে চলে।<br />
<br />
<br />
<br />
এক্ষেত্রে নারীদের ঘরে আটকিয়ে রাখার কথা বলা হয়নি বরং বলা হয়েছে তাদের সৌন্দর্যটা আবৃত করে রাখার কথা।<br />
<br />
<br />
<br />
যে নারী অনিয়ন্ত্রিত নগ্নজীবন যাপন করে, সে শুধু নিজের সর্বনাশই করে না, তার চাল-চলনের প্রভাব তার ভবিষ্যৎ বংশধরের ওপরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয়ভাবেই পড়ে। তেমনি পুরুষের বেলায়ও তা প্রযোজ্য।<br />
<br />
<br />
<br />
…‘যে ব্যক্তি কোনো অপরিচিত নারীর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করবে কিয়ামতের দিন তার চোখে উত্তপ্ত গলিত লোহা ঢেলে দেয়া হবে।’ (ফাতহুল কাদির)।<br />
<br />
<br />
<br />
হঠাৎ যদি কারো ওপরে নজর পড়ে যায় তাহলে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। ‘হঠাৎ দৃষ্টি পড়লে ক্ষমার যোগ্য। কিন্তু পুনরায় ভালোভাবে দেখার উদ্দেশ্যে দৃষ্টি দেয়া ক্ষমার যোগ্য নয়’ (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)<br />
<br />
<br />
<br />
তাক্ওয়ার পোশাক যুক্তিসম্মত ও বিজ্ঞানসম্মত, তা কখনো প্রগতির অন্তরায় নয়। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষ শৃঙ্খলা, সভ্যতা ও আবরু রক্ষা করে চলবে, এটাই ধর্মীয় বিধান। পর্দা বা তাও্কয়ার পোশাক নৈতিক চরিত্রের হেফাজত ও ইভটিজিং প্রতিরোধ করে। সামাজিক অশান্তি রোধ করে। পারিবারিক ব্যবস্থা সুরক্ষিত ও সুদৃঢ় করে। সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ সোনালী সমাজ বিনির্মাণে মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ইসলামের দৃষ্টিতে নারীর পর্দা ও সাজসজ্জার বিধান!<br />
মহান আল্লাহ্ সৌন্দর্যকে পছন্দ করেন। মানব সমাজে এ পরম আকর্ষণের প্রতি ইসলাম বিধি-নিষেধ আরোপ করে সৌন্দর্য চর্চার একটি মাপকাঠি রচনা করে দেয় যাতে ভারসাম্যপূর্ণভাবে তার চর্চা হয় ও অশ্লীলতার কারণ না হয়ে যায়।<br />
<br />
<br />
<br />
তাই প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর কর্তব্য হলো, সৌন্দর্য চর্চাকে স্বীয় স্বামী ও মহিলা অঙ্গন পর্যন্ত সীমিত রাখা। মুহরিম ব্যক্তিদের পর্যন্ত তা সম্প্রসারিত করা দোষণীয় নয়। এছাড়া অন্যদের সামনে সাজ-গোজের কোন মূল্য নেই।<br />
<br />
<br />
<br />
স্বামীর উদ্দেশ্য সাজ-সজ্জা গ্রহণ:<br />
<br />
স্বামীর উদ্দেশ্য সাজসজ্জা গ্রহণ করা একটি সওয়াবের কাজ। স্বামীর উদ্দেশ্য সাজসজ্জায় থাকার জন্য স্ত্রীর প্রতি শরীয়তে নির্দেশ রয়েছে। বর্তমানে নারীদের অবস্থা হলো, স্বামীর সামনে তারা নোংরা অপরিছন্ন ও ময়লা কাপড়-চোপড় পরে থাকে। <br />
<br />
<br />
<br />
আর বাইরে বেড়াতে যাওয়ার সময় আপাদমস্তক সুসজ্জিত হয়ে যায়। কেউ স্বামীর উদ্দেশ্য সাজ-সজ্জা গ্রহণ করলে সমালোচনা শুরু হয়ে যায় যে, মেয়েটির লাজ-লজ্জা বলতে কিছুই নেই- স্বামীর সামনে সে কেমন রূপচর্চা করছে!<br />
<br />
<br />
<br />
পরিতাপের বিষয়! যেখানে সাজসজ্জা গ্রহণ করা উচিত সেখানে তা নিন্দনীয়। আর যেখানে সাজসজ্জা গ্রহণ করা উচিত নয় সেখানে তা প্রশংসনীয়।<br />
<br />
<br />
<br />
স্বামী যখন স্ত্রীর সাজ-সজ্জা কামনা করে তখন তা গ্রহণ না করার কি যুক্তি থাকতে পারে?<br />
<br />
<br />
<br />
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, মহিলারা স্বগৃহে তো বাদী-দাসী ও গৃহপরিচালিকার ন্যায় অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে। আর যখন কোন বিশেষ অতিথির আগমন ঘটে তখন বিভিন্ন সাজ-সজ্জায় সজ্জিত হয়ে সম্পূর্ণ নববধূ বনে যায়।<br />
<br />
<br />
<br />
মর্যাদার পোশাক পর্দা:<br />
<br />
ইসলামে পোশাকের মডেল ‘তাক্ওয়ার পোশাক’। যে পোশাক সতর ঢাকার সাথে সাথে সৌন্দর্য চর্চার ক্ষেত্রে সীমা ছাড়িয়ে গর্ব ও অহঙ্কারে পরিণত না হয়, শালীনতা বিকাশে কোনো বাধার সৃষ্টি না করে, তা-ই তাকওয়ার পোশাক।<br />
<br />
<br />
<br />
পুরুষের পোশাকের ক্ষেত্রে শালীন ও মার্জিত পোশাকই তাকওয়ার পোশাক। আল-কুরআনের সূরা আন নূর ও সূরা আহজাবে বলা হয়েছে, মহিলারা যেন জাহেলি যুগের মেয়েদের মতো বাইরে নিজেদের রূপ-সৌন্দর্যের প্রদর্শন করে না বেড়ায়।<br />
<br />
<br />
<br />
তারা ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় যেন চাদর দিয়ে নিজেদের দেহকে আবৃত করে নেয়। তারা যেন তাদের আচল দিয়ে বুক ঢেকে রাখে। ঝঙ্কারদায়ক অলঙ্কারাদি পরিধান করে ঘরের বাইরে না যায়। ঘরের ভেতরেও যেন তারা মাহরাম ও গায়ের মাহরাম পুরুষদের মধ্যে পার্থক্য করে চলে।<br />
<br />
<br />
<br />
এক্ষেত্রে নারীদের ঘরে আটকিয়ে রাখার কথা বলা হয়নি বরং বলা হয়েছে তাদের সৌন্দর্যটা আবৃত করে রাখার কথা।<br />
<br />
<br />
<br />
যে নারী অনিয়ন্ত্রিত নগ্নজীবন যাপন করে, সে শুধু নিজের সর্বনাশই করে না, তার চাল-চলনের প্রভাব তার ভবিষ্যৎ বংশধরের ওপরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয়ভাবেই পড়ে। তেমনি পুরুষের বেলায়ও তা প্রযোজ্য।<br />
<br />
<br />
<br />
…‘যে ব্যক্তি কোনো অপরিচিত নারীর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করবে কিয়ামতের দিন তার চোখে উত্তপ্ত গলিত লোহা ঢেলে দেয়া হবে।’ (ফাতহুল কাদির)।<br />
<br />
<br />
<br />
হঠাৎ যদি কারো ওপরে নজর পড়ে যায় তাহলে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়ার কথা বলা হয়েছে। ‘হঠাৎ দৃষ্টি পড়লে ক্ষমার যোগ্য। কিন্তু পুনরায় ভালোভাবে দেখার উদ্দেশ্যে দৃষ্টি দেয়া ক্ষমার যোগ্য নয়’ (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)<br />
<br />
<br />
<br />
তাক্ওয়ার পোশাক যুক্তিসম্মত ও বিজ্ঞানসম্মত, তা কখনো প্রগতির অন্তরায় নয়। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষ শৃঙ্খলা, সভ্যতা ও আবরু রক্ষা করে চলবে, এটাই ধর্মীয় বিধান। পর্দা বা তাও্কয়ার পোশাক নৈতিক চরিত্রের হেফাজত ও ইভটিজিং প্রতিরোধ করে। সামাজিক অশান্তি রোধ করে। পারিবারিক ব্যবস্থা সুরক্ষিত ও সুদৃঢ় করে। সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ সোনালী সমাজ বিনির্মাণে মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রোগ নিরাময় হয় কোন দোয়া পড়লে ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1224</link>
			<pubDate>Sun, 12 Feb 2017 06:34:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1224</guid>
			<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক: নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।<br />
<br />
প্রশ্ন: কোন দোয়া বা কোন সুরা বেশি বেশি পড়লে রোগ নিরাময় হয়?<br />
<br />
উত্তর: রোগ নিরাময়ের জন্য অনেক দোয়াই রয়েছে। রাসুল (সা.) অনেক দোয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। ‘ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি’ এটাও পড়তে পারেন। যেসমস্ত দোয়া রাসুল (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন সেগুলোও পড়তে পারেন। ‘রাব্বি আন্নি মাস্‌সানিয়াদ দুর্‌রু, ওয়াআন্তা আরহামুর রাহিমিন’ এটা পড়তে পারেন।<br />
<br />
তবে সুনির্দিষ্ট কোনো সুরার কথা রাসুল (সা.) হাদিসে বলে যাননি বা উল্লেখ হয়নি যে, এই সুরা পড়লে রোগ নিরাময় হবে। কোরআনে কারিম তেলাওয়াত করুন, তেলাওয়াত করে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, দেখবেন যে আল্লাহ সুবাহানাহুতায়ালা রোগ নিরাময়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক: নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।<br />
<br />
প্রশ্ন: কোন দোয়া বা কোন সুরা বেশি বেশি পড়লে রোগ নিরাময় হয়?<br />
<br />
উত্তর: রোগ নিরাময়ের জন্য অনেক দোয়াই রয়েছে। রাসুল (সা.) অনেক দোয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। ‘ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি’ এটাও পড়তে পারেন। যেসমস্ত দোয়া রাসুল (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন সেগুলোও পড়তে পারেন। ‘রাব্বি আন্নি মাস্‌সানিয়াদ দুর্‌রু, ওয়াআন্তা আরহামুর রাহিমিন’ এটা পড়তে পারেন।<br />
<br />
তবে সুনির্দিষ্ট কোনো সুরার কথা রাসুল (সা.) হাদিসে বলে যাননি বা উল্লেখ হয়নি যে, এই সুরা পড়লে রোগ নিরাময় হবে। কোরআনে কারিম তেলাওয়াত করুন, তেলাওয়াত করে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, দেখবেন যে আল্লাহ সুবাহানাহুতায়ালা রোগ নিরাময়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কি হবে হাদিস অস্বীকার করলে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=976</link>
			<pubDate>Thu, 19 Jan 2017 06:59:28 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=976</guid>
			<description><![CDATA[বর্তমান সময়ের একটি বড় সমস্যা হলো ইনকারে<br />
হাদিস- হাদিস অস্বীকার করা। রাসুল [সা.]-এর<br />
হাদিস যে শরীআতের প্রমাণ এ কথা কুরআনের<br />
আয়াত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি<br />
ওয়াসাল্লামের স্পষ্ট বাণীর দ্বারা প্রমাণিত।<br />
কোনো হাদিসের কোনো সনদ কিংবা বাণীতে<br />
দুর্বলতা থাকার কারণ সেটাকে হাদিস না মানা<br />
কিংবা সম্ভাব্য একাধিক অর্থ হওয়ার কারণে<br />
বিশেষ কোনো প্রমাণের ভিত্তিতে তার প্রকাশ্য<br />
অর্থ বাদ দিয়ে অন্য কোনো ব্যাখ্যা করার বিষয়টি<br />
ভিন্ন কথা। এটা তো আমাদের সাহাবায়ে<br />
কেরামের সময় থেকেই চলে আসছে। এটা মূলত<br />
হাদিসের ক্ষেত্রে শুদ্ধতা ও বিশুদ্ধতার বিরোধ।<br />
হেদায়েত কিংবা গোমরাহির বিরোধ নয়। কিন্তু<br />
হাদিস শরীয়াতের দলীল সরাসারি এই কথাকে<br />
অস্বীকার করা। হাদিসকে শরীয়তের অকাট্য প্রমাণ<br />
হিসাবে না মানা এবং তাকে অনুসরণযোগ্য মনে না<br />
করে ঠাট্টা, বিদ্রুপ করা- এটা একটা ভয়ানক<br />
গোমরাহি এবং ইসলামের বিকৃতির নামান্তর।<br />
এই সম্পর্কে মোল্লা আলী কারী (র.) খোলাসাতুল<br />
ফাতাওয়ার সূত্রে উল্লেখ করেছেন, আমাদের<br />
কোনো কোনো শায়েখ বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো<br />
হাদিসকে প্রত্যাখ্যান করবে তাকে কাফের বলে<br />
অভিহিত করা হবে। পরবর্তীকালের ফকিহগণ<br />
বলেছেন, যদি কেউ মুতাওয়াতির (ধারাবাহিকভাবে<br />
বর্ণিত হাদিস) হাদিসকে অস্বীকার করে তাহলে<br />
তাকে কাফের বলে অভিহিত করা হবে। এটাই<br />
বিশুদ্ধ অভিমত। অবশ্য যদি কেউ খবরে ওয়াহিদকে<br />
(একজন থেকে বর্ণিত হাদিস) তাচ্ছিল্য কিংবা<br />
ঠাট্টা করে প্রত্যাখ্যান করে তাহলে সেও কাফের<br />
(শরহে ফিকহে আকবার, ২৪৭)। সুতরাং এই ক্ষেত্রে<br />
আমাদের উচিত সর্তক থাকা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বর্তমান সময়ের একটি বড় সমস্যা হলো ইনকারে<br />
হাদিস- হাদিস অস্বীকার করা। রাসুল [সা.]-এর<br />
হাদিস যে শরীআতের প্রমাণ এ কথা কুরআনের<br />
আয়াত এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি<br />
ওয়াসাল্লামের স্পষ্ট বাণীর দ্বারা প্রমাণিত।<br />
কোনো হাদিসের কোনো সনদ কিংবা বাণীতে<br />
দুর্বলতা থাকার কারণ সেটাকে হাদিস না মানা<br />
কিংবা সম্ভাব্য একাধিক অর্থ হওয়ার কারণে<br />
বিশেষ কোনো প্রমাণের ভিত্তিতে তার প্রকাশ্য<br />
অর্থ বাদ দিয়ে অন্য কোনো ব্যাখ্যা করার বিষয়টি<br />
ভিন্ন কথা। এটা তো আমাদের সাহাবায়ে<br />
কেরামের সময় থেকেই চলে আসছে। এটা মূলত<br />
হাদিসের ক্ষেত্রে শুদ্ধতা ও বিশুদ্ধতার বিরোধ।<br />
হেদায়েত কিংবা গোমরাহির বিরোধ নয়। কিন্তু<br />
হাদিস শরীয়াতের দলীল সরাসারি এই কথাকে<br />
অস্বীকার করা। হাদিসকে শরীয়তের অকাট্য প্রমাণ<br />
হিসাবে না মানা এবং তাকে অনুসরণযোগ্য মনে না<br />
করে ঠাট্টা, বিদ্রুপ করা- এটা একটা ভয়ানক<br />
গোমরাহি এবং ইসলামের বিকৃতির নামান্তর।<br />
এই সম্পর্কে মোল্লা আলী কারী (র.) খোলাসাতুল<br />
ফাতাওয়ার সূত্রে উল্লেখ করেছেন, আমাদের<br />
কোনো কোনো শায়েখ বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো<br />
হাদিসকে প্রত্যাখ্যান করবে তাকে কাফের বলে<br />
অভিহিত করা হবে। পরবর্তীকালের ফকিহগণ<br />
বলেছেন, যদি কেউ মুতাওয়াতির (ধারাবাহিকভাবে<br />
বর্ণিত হাদিস) হাদিসকে অস্বীকার করে তাহলে<br />
তাকে কাফের বলে অভিহিত করা হবে। এটাই<br />
বিশুদ্ধ অভিমত। অবশ্য যদি কেউ খবরে ওয়াহিদকে<br />
(একজন থেকে বর্ণিত হাদিস) তাচ্ছিল্য কিংবা<br />
ঠাট্টা করে প্রত্যাখ্যান করে তাহলে সেও কাফের<br />
(শরহে ফিকহে আকবার, ২৪৭)। সুতরাং এই ক্ষেত্রে<br />
আমাদের উচিত সর্তক থাকা।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নামাজের মধ্যে কথা বলা যাবে কি ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=14</link>
			<pubDate>Thu, 29 Dec 2016 11:57:42 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=14</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : নামাজে কথা বলা যে জায়েজ নেই, সেটা আমরা হয়তো চার রাকাত ফরজ বা দুই রাকাত সুন্নত শুরু করলাম, এর মধ্যে তো কথা অবশ্যই বলা যাবে না। কিন্তু নিতান্তই যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে দুই রাকাতের মধ্যে কি কথা বলা যাবে?<br />
উত্তর : না। সালাতের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনো কথা বলা জায়েজ নেই। সুতরাং আপনি যদি মনে করেন যে এক রাকাত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাতে কিছু কথা বলে তারপর আবার দ্বিতীয় রাকাত পড়ব, এতে আপনার সালাত হবে না। এই কাজটি সালাতের মধ্যে হারাম, জায়েজ নেই।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : নামাজে কথা বলা যে জায়েজ নেই, সেটা আমরা হয়তো চার রাকাত ফরজ বা দুই রাকাত সুন্নত শুরু করলাম, এর মধ্যে তো কথা অবশ্যই বলা যাবে না। কিন্তু নিতান্তই যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে দুই রাকাতের মধ্যে কি কথা বলা যাবে?<br />
উত্তর : না। সালাতের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনো কথা বলা জায়েজ নেই। সুতরাং আপনি যদি মনে করেন যে এক রাকাত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাতে কিছু কথা বলে তারপর আবার দ্বিতীয় রাকাত পড়ব, এতে আপনার সালাত হবে না। এই কাজটি সালাতের মধ্যে হারাম, জায়েজ নেই।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>