<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - রূপচর্চা/বিউটি-টিপস]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 06:58:00 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[৯টি বিউটি টিপস প্রতিটি মানুষের জন্য করনীয়।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3331</link>
			<pubDate>Sun, 21 Jul 2019 05:39:49 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=978">mdrashedul</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3331</guid>
			<description><![CDATA[সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত পার্লারে যাওয়া কোন দরকার নেই।  একটু কষ্ট করলেই আমারা আমদের এই  সৌন্দর্য ধরে রহাখতে পারব। চলুন জেনে নেই...। <br />
<br />
১। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মেকআপ তুলে ফেলুন<br />
 ২। দুটি বালিশ ব্যবহার অভ্যাস গড়ে তুলুন<br />
৩। ঘুমানো যাওয়ার আগে আপনার ত্বকে একটি ভাল মানের মাস্ক ব্যবহার করুন।      <br />
 ৪। হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন<br />
৫। এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করুন<br />
৬। প্রতিদিন ৮ ঘন্তা ঘুমান<br />
<br />
আরও নতুন নতুন তিপ্স পেয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। <br />
<a href="https://shineskinbd.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">https://shineskinbd.com/</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত পার্লারে যাওয়া কোন দরকার নেই।  একটু কষ্ট করলেই আমারা আমদের এই  সৌন্দর্য ধরে রহাখতে পারব। চলুন জেনে নেই...। <br />
<br />
১। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মেকআপ তুলে ফেলুন<br />
 ২। দুটি বালিশ ব্যবহার অভ্যাস গড়ে তুলুন<br />
৩। ঘুমানো যাওয়ার আগে আপনার ত্বকে একটি ভাল মানের মাস্ক ব্যবহার করুন।      <br />
 ৪। হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন<br />
৫। এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করুন<br />
৬। প্রতিদিন ৮ ঘন্তা ঘুমান<br />
<br />
আরও নতুন নতুন তিপ্স পেয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। <br />
<a href="https://shineskinbd.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">https://shineskinbd.com/</a>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Skin Care Bangladesh]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3329</link>
			<pubDate>Sat, 20 Jul 2019 06:13:29 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=977">mdrasel</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3329</guid>
			<description><![CDATA[Shine skin Korean Cosmetics &amp; skin Care brings you the 100% authentic highest quality Korean beauty products and the latest K-beauty trends and innovations at your doorstep. We can proudly say that we are the best online shopping destination in Bangladesh for Korean beauty, cosmetics &amp;self-care products trusted by thousands of satisfied customers all over the country. <br />
<br />
<a href="https://shineskinbd.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">https://shineskinbd.com/</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Shine skin Korean Cosmetics &amp; skin Care brings you the 100% authentic highest quality Korean beauty products and the latest K-beauty trends and innovations at your doorstep. We can proudly say that we are the best online shopping destination in Bangladesh for Korean beauty, cosmetics &amp;self-care products trusted by thousands of satisfied customers all over the country. <br />
<br />
<a href="https://shineskinbd.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">https://shineskinbd.com/</a>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বর্ষায় পায়ের যত্নের টুকিটাকি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3165</link>
			<pubDate>Tue, 29 Aug 2017 09:19:51 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3165</guid>
			<description><![CDATA[বর্ষার সময় দেখা যায় আমরা মুখের ত্বকের বেশ যত্ন নিই। কিন্তু পা দুটি রয়ে যায় দারুণ অবহেলায়! যার দরুণ পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়, পায়ে ফোসকা পড়ে এবং আনুষঙ্গিক নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। আমাদের পুরো শরীরের ভার যেহেতু পা-ই বহন করছে সেহেতু আর এড়িয়ে চলা যাবেনা ব্যাপারটিকে। আপনাদের দৈনন্দিন সংগ্রামকে সহজ করার লক্ষ্যে আজ নিয়ে আসা হলো বর্ষায় পায়ের যত্নের কিছু টিপস। চলুন সেগুলো জেনে আসা যাক। <br />
<br />
টিপস ১<br />
<br />
সপ্তাহে একদিন গরম পানির সঙ্গে লবণ কিংবা শ্যাম্পু মিশিয়ে সেখানে পনেরো মিনিটের মতন পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে পায়ের সকল ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে এবং পা নরম হবে। আপনি ডিপ ক্লিন করার জন্য পায়ে স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এবং অবশ্যই পা তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে মুছে 'ফুট ক্রিম' ব্যবহার করুন।<br />
<br />
টিপস ২<br />
<br />
বর্ষাকালে প্রচণ্ডভাবে আপনার ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। এতে পা খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেজন্য ভালো কোন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে পা নরম রাখতে পারেন। গোসলের পর এবং শোবার আগে এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরী। খেয়াল করবেন, পা যেন অবশ্যই পরিষ্কার থাকে। <br />
<br />
টিপস ৩<br />
<br />
বৃষ্টিতে পা ভিজে যাওয়ার কারণে যদি আপনার পায়ে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে সেখানে পা ডুবিয়ে রাখুন। লেবুর কারণে পায়ের দুর্গন্ধ এবং অতিরিক্ত ঘর্মাক্ত ভাব দূর হবে।<br />
<br />
টিপস ৪<br />
<br />
হাতের পাশাপাশি অনেকে পায়ের নখ বড় রাখতে পছন্দ করেন। কিন্তু অন্তত বর্ষাকালে পায়ের নখ কেটে ছোট রাখাই সমীচীন। এতে করে নখের ভেতর ধূলোবালি ঢুকে ইনফেকশন হওয়া রোধ করবে এবং পা ভালো থাকবে।<br />
<br />
টিপস ৫<br />
<br />
বর্ষাকালে হাই হিল পরা এড়িয়ে চলুন। ফ্ল্যাট স্যান্ডেল এবং খোলামেলা জুতো পরুন। তাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাবে এবং পায়ের ত্বক শুষ্ক থাকবে। <br />
<br />
পায়ের যত্ন নিন এবং ত্বককে সুস্থ রাখুন। তাহলে পুরো বর্ষায় আপনি থাকবেন নিশ্চিন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বর্ষার সময় দেখা যায় আমরা মুখের ত্বকের বেশ যত্ন নিই। কিন্তু পা দুটি রয়ে যায় দারুণ অবহেলায়! যার দরুণ পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়, পায়ে ফোসকা পড়ে এবং আনুষঙ্গিক নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। আমাদের পুরো শরীরের ভার যেহেতু পা-ই বহন করছে সেহেতু আর এড়িয়ে চলা যাবেনা ব্যাপারটিকে। আপনাদের দৈনন্দিন সংগ্রামকে সহজ করার লক্ষ্যে আজ নিয়ে আসা হলো বর্ষায় পায়ের যত্নের কিছু টিপস। চলুন সেগুলো জেনে আসা যাক। <br />
<br />
টিপস ১<br />
<br />
সপ্তাহে একদিন গরম পানির সঙ্গে লবণ কিংবা শ্যাম্পু মিশিয়ে সেখানে পনেরো মিনিটের মতন পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে করে পায়ের সকল ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে এবং পা নরম হবে। আপনি ডিপ ক্লিন করার জন্য পায়ে স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এবং অবশ্যই পা তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে মুছে 'ফুট ক্রিম' ব্যবহার করুন।<br />
<br />
টিপস ২<br />
<br />
বর্ষাকালে প্রচণ্ডভাবে আপনার ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। এতে পা খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেজন্য ভালো কোন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে পা নরম রাখতে পারেন। গোসলের পর এবং শোবার আগে এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরী। খেয়াল করবেন, পা যেন অবশ্যই পরিষ্কার থাকে। <br />
<br />
টিপস ৩<br />
<br />
বৃষ্টিতে পা ভিজে যাওয়ার কারণে যদি আপনার পায়ে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে সেখানে পা ডুবিয়ে রাখুন। লেবুর কারণে পায়ের দুর্গন্ধ এবং অতিরিক্ত ঘর্মাক্ত ভাব দূর হবে।<br />
<br />
টিপস ৪<br />
<br />
হাতের পাশাপাশি অনেকে পায়ের নখ বড় রাখতে পছন্দ করেন। কিন্তু অন্তত বর্ষাকালে পায়ের নখ কেটে ছোট রাখাই সমীচীন। এতে করে নখের ভেতর ধূলোবালি ঢুকে ইনফেকশন হওয়া রোধ করবে এবং পা ভালো থাকবে।<br />
<br />
টিপস ৫<br />
<br />
বর্ষাকালে হাই হিল পরা এড়িয়ে চলুন। ফ্ল্যাট স্যান্ডেল এবং খোলামেলা জুতো পরুন। তাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাবে এবং পায়ের ত্বক শুষ্ক থাকবে। <br />
<br />
পায়ের যত্ন নিন এবং ত্বককে সুস্থ রাখুন। তাহলে পুরো বর্ষায় আপনি থাকবেন নিশ্চিন্ত।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নেইলপলিশ দেওয়ার দশ ঘন্টা পর আপনার শরীরে কী ঘটে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3164</link>
			<pubDate>Tue, 29 Aug 2017 09:18:30 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3164</guid>
			<description><![CDATA[আমরা অনেকেই নিজেদের নখে বিভিন্ন রঙের নেইলপলিশ ব্যবহার করতে পছন্দ করি। হয়তো খুব বিরক্ত লাগছে অথবা মন খারাপ লাগছে, তাহলে আমরা ঘরেই বসে পড়ি নেইলপলিশ দিতে হাতে অথবা পায়ের নখে। অথবা কিছুটা ভালো সময় কাটাতে চাইলে আমরা হুট করেই বিউটি পার্লারে চলে যাচ্ছি মেনিকিউর এর জন্য। নখের পরিচর্যার পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের এবং বিভিন্ন ধরণের নেইলপলিশ দিয়ে হাত ও পায়ের নখকে সুন্দর করে সাজিয়ে নিচ্ছি। অথচ আমরা নিজেরা কিন্তু বুঝতেও পারছিনা যে, আমরা কতবড় দূর্ভোগ ডেকে আনছি নিজেদের শরীরের জন্য!<br />
<br />
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে আপনার ব্যবহৃত সকল প্রসাধনি সামগ্রী আপনার ত্বক, চুল এবং নখে ব্যবহারের জন্য খুবই নিরাপদ কারণ, সে সকল পন্যের মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে এফডিএ (FDA) দ্বারা তবে আপনি খুবই ভুল! FDA র ওয়েবসাইট বলছে যে, ফেডারেল খাদ্য, ওষুধ এবং প্রসাধনি আইন এর আওয়াতয়, যেকোন ধরণের প্রসাধনি সামগ্রী এবং উপাদান বাজারজাত করার আগে FDA থেকে অনুমোদন নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই! এর মানে যা দাঁড়াচ্ছে, প্রতিটি প্রসাধনি সামগ্রীর প্রতিষ্ঠান আইনগত ভাবে তাদের তৈরি প্রসাধনি সামগ্রির নিরাপত্তার জন্যে জন্যে দায়ী। কিন্তু যদি প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার ব্যপারে খুব একটা দায়িত্বশীল না হয়ে থাকে?<br />
<br />
নেইলপলিশ<br />
<br />
খুবই চিন্তার ব্যপার এবং জঘন্য বাস্তবতা হচ্ছে, বিজ্ঞানীরা অনেক নামীদামী ব্র্যান্ডের নেইলপলিশে প্রচুর ক্ষতিকারক পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন।<br />
<br />
একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা স্যালী হ্যান্সেন, ওপিআই, বাটার লন্ডন, রেভলন এবং সকলের প্রিয় ওয়েট এন্ড ওয়াইল্ড এর মতো জনপ্রিয় সকল ব্যান্ডের নেইলপলিশে অত্যন্ত ক্ষতিকর পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন। ক্ষতিকারক এনডোক্রিন ডিস্রাপ্টরস, ট্রাইফিনাইল ফসফেট (TPHP), ফরমাল্ডিহ্যাইড এবং টোউলি  নেইলপলিশ কে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে। তবে এই সকল উপাদান ত্বকের মাধ্যমে রক্তে পৌঁছে আপনার হরমোন, মেটাবোলিজম, জন্মদান প্রক্রিয়া এমনকি আপনার স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া কে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে!<br />
<br />
এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ২৬ জন ভিন্ন ভিন্ন নারীর উপর টিপিএইচপি (TPHP) নখে প্রয়োগ করার আগে এবং পরে পরীক্ষা করে থাকে। যেখানে মাত্র দুই ঘন্টা পরে ২৪ জন নারীর রক্তেই টিপিএইচপির মাত্র বেশী দেখা যায়। এবং প্রায় ১০ ঘণ্টা পরে,২৬ জন নারীর শরীরে টিপিএইচপি র মাত্রা সাত গুণ বেশী পাওয়া যায়। যা প্রমাণ করে যে, মাত্র একবারো যদি আপনি আপনার নখে নেইলপলিশ প্রয়োগ করে থাকেন তবে সেটা আপনার শরীরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।<br />
<br />
নেইলপলিশ <br />
<br />
গবেষণায় দেখা গেছে যে, টিপিএইচপি যেকোন প্রাণী এবং পানিজগতের প্রাণীর জন্যে ভয়াবহ ক্ষতিকর। এই  পদার্থ হরমোন এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। তাহলে আপনি একবার ভাবুন, এই পদার্থ আপনার শিশুর উপর কততা বাজে প্রপভাব ফেলতে পারে, যখন আপনার শিশু নেইলপলিশ লাগিয়ে থাকে নখ!<br />
<br />
তবে প্রথমবারেই হয়তো একেবারেই নেইলপলিশ ব্যবহার বন্ধ করে দিতে পারবেন না আপনি। তাই চেষ্টা করুন যথাসম্ভব কম নেইলপলিশ ব্যবহার করতে। যেখান থেকে যখনই নেইলপলিশ কিনবেন, ভালো করে দেখে কিনুন যে, সেই নেইলপলিশ পরিবেশবান্ধব কিনা। অনেক নেইলপলিশের বিবরণীতে লেখা থাকে, “5-Free” যার অর্থ হলো, সেই নেইলপলিশে টিপিএইচপী এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ একেবারেই নেই।<br />
<br />
চেষ্টা করুন শিশুদের নেইলপলিশ ব্যবহার থেকে দূরে রাখতে। যখনই নেইলপলিশ কিনবেন চেষ্টা করবেন দেশে এবং বিবরণী পড়ে কেনার জন্য।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমরা অনেকেই নিজেদের নখে বিভিন্ন রঙের নেইলপলিশ ব্যবহার করতে পছন্দ করি। হয়তো খুব বিরক্ত লাগছে অথবা মন খারাপ লাগছে, তাহলে আমরা ঘরেই বসে পড়ি নেইলপলিশ দিতে হাতে অথবা পায়ের নখে। অথবা কিছুটা ভালো সময় কাটাতে চাইলে আমরা হুট করেই বিউটি পার্লারে চলে যাচ্ছি মেনিকিউর এর জন্য। নখের পরিচর্যার পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের এবং বিভিন্ন ধরণের নেইলপলিশ দিয়ে হাত ও পায়ের নখকে সুন্দর করে সাজিয়ে নিচ্ছি। অথচ আমরা নিজেরা কিন্তু বুঝতেও পারছিনা যে, আমরা কতবড় দূর্ভোগ ডেকে আনছি নিজেদের শরীরের জন্য!<br />
<br />
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে আপনার ব্যবহৃত সকল প্রসাধনি সামগ্রী আপনার ত্বক, চুল এবং নখে ব্যবহারের জন্য খুবই নিরাপদ কারণ, সে সকল পন্যের মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে এফডিএ (FDA) দ্বারা তবে আপনি খুবই ভুল! FDA র ওয়েবসাইট বলছে যে, ফেডারেল খাদ্য, ওষুধ এবং প্রসাধনি আইন এর আওয়াতয়, যেকোন ধরণের প্রসাধনি সামগ্রী এবং উপাদান বাজারজাত করার আগে FDA থেকে অনুমোদন নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই! এর মানে যা দাঁড়াচ্ছে, প্রতিটি প্রসাধনি সামগ্রীর প্রতিষ্ঠান আইনগত ভাবে তাদের তৈরি প্রসাধনি সামগ্রির নিরাপত্তার জন্যে জন্যে দায়ী। কিন্তু যদি প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার ব্যপারে খুব একটা দায়িত্বশীল না হয়ে থাকে?<br />
<br />
নেইলপলিশ<br />
<br />
খুবই চিন্তার ব্যপার এবং জঘন্য বাস্তবতা হচ্ছে, বিজ্ঞানীরা অনেক নামীদামী ব্র্যান্ডের নেইলপলিশে প্রচুর ক্ষতিকারক পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন।<br />
<br />
একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা স্যালী হ্যান্সেন, ওপিআই, বাটার লন্ডন, রেভলন এবং সকলের প্রিয় ওয়েট এন্ড ওয়াইল্ড এর মতো জনপ্রিয় সকল ব্যান্ডের নেইলপলিশে অত্যন্ত ক্ষতিকর পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন। ক্ষতিকারক এনডোক্রিন ডিস্রাপ্টরস, ট্রাইফিনাইল ফসফেট (TPHP), ফরমাল্ডিহ্যাইড এবং টোউলি  নেইলপলিশ কে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে। তবে এই সকল উপাদান ত্বকের মাধ্যমে রক্তে পৌঁছে আপনার হরমোন, মেটাবোলিজম, জন্মদান প্রক্রিয়া এমনকি আপনার স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া কে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে!<br />
<br />
এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ২৬ জন ভিন্ন ভিন্ন নারীর উপর টিপিএইচপি (TPHP) নখে প্রয়োগ করার আগে এবং পরে পরীক্ষা করে থাকে। যেখানে মাত্র দুই ঘন্টা পরে ২৪ জন নারীর রক্তেই টিপিএইচপির মাত্র বেশী দেখা যায়। এবং প্রায় ১০ ঘণ্টা পরে,২৬ জন নারীর শরীরে টিপিএইচপি র মাত্রা সাত গুণ বেশী পাওয়া যায়। যা প্রমাণ করে যে, মাত্র একবারো যদি আপনি আপনার নখে নেইলপলিশ প্রয়োগ করে থাকেন তবে সেটা আপনার শরীরে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।<br />
<br />
নেইলপলিশ <br />
<br />
গবেষণায় দেখা গেছে যে, টিপিএইচপি যেকোন প্রাণী এবং পানিজগতের প্রাণীর জন্যে ভয়াবহ ক্ষতিকর। এই  পদার্থ হরমোন এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। তাহলে আপনি একবার ভাবুন, এই পদার্থ আপনার শিশুর উপর কততা বাজে প্রপভাব ফেলতে পারে, যখন আপনার শিশু নেইলপলিশ লাগিয়ে থাকে নখ!<br />
<br />
তবে প্রথমবারেই হয়তো একেবারেই নেইলপলিশ ব্যবহার বন্ধ করে দিতে পারবেন না আপনি। তাই চেষ্টা করুন যথাসম্ভব কম নেইলপলিশ ব্যবহার করতে। যেখান থেকে যখনই নেইলপলিশ কিনবেন, ভালো করে দেখে কিনুন যে, সেই নেইলপলিশ পরিবেশবান্ধব কিনা। অনেক নেইলপলিশের বিবরণীতে লেখা থাকে, “5-Free” যার অর্থ হলো, সেই নেইলপলিশে টিপিএইচপী এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ একেবারেই নেই।<br />
<br />
চেষ্টা করুন শিশুদের নেইলপলিশ ব্যবহার থেকে দূরে রাখতে। যখনই নেইলপলিশ কিনবেন চেষ্টা করবেন দেশে এবং বিবরণী পড়ে কেনার জন্য।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নারীদের 'ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার' যে ১০ টি টিপস অবশ্যই জেনে রাখা উচিত!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3163</link>
			<pubDate>Tue, 29 Aug 2017 09:17:53 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3163</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। সমগ্র বিশ্বেই নারীরা তাদের হাইজিন বা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে খুব বেশি যত্নশীল। কিন্তু সে তুলনায় বাঙালি নারীদের মধ্যে বেশ অনীহা দেখা যায় এ ব্যাপারে। এমনকি অনেকে তো পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে কথা বলতেও দ্বিধাবোধ করেন। সুতরাং, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে আধুনিক নারীদের সচেতনতার উদ্দেশ্যেই আজকের এ ফিচার। এখানে জানানো হবে নারীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছনতার ব্যাপারে ডাঃ তারানা তাসনুবার দেওয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস। <br />
<br />
টিপস ১<br />
<br />
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো একটি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে মুখ থেকে নিঃসৃত তেল ও ময়লা দূর হবে এবং সারাদিন আপনি থাকবেন লাবণ্যময়ী। রাতে ঘুমোতে যাবার আগে অবশ্যই ভালোমত মুখ পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে ব্রণ, পিম্পল ও ফুসকুড়ি হবার সম্ভাবনা কম থাকে।<br />
<br />
টিপস ২<br />
<br />
নিয়মিত কান পরিষ্কার করুন। আধুনিক জীবনে আমরা কমবেশি সকলেই কানে এয়ারফোন গুঁজে গান শুনতে শুনতে কাজ সারি। বিরক্তিকর সময়গুলো কেটে যায় নিমিষেই। কিন্তু আপনি কী জানেন এতে করে আপনার কানে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধছে? সুতরাং নিয়মিত গোসলের সময় কটন বাড দিয়ে কান পরিষ্কার করুন এবং গোসল থেকে বের হয়ে শুকনো সুতির কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন। <br />
<br />
টিপস ৩<br />
<br />
পিরিয়ডের সময় অনেকেই বেশ অগোছালো ও আলস্যবোধ করেন। অনেকে তো পুরো সময়টাতে গোসল করতেও অনীহাবোধ করেন। এমন অভ্যাস সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে। মাসিক চলাকালীন সময়ে নিয়মিত ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে গোসল করতে হবে এবং সর্বদা পরিষ্কার কাপড় পরিধান করতে হবে। <br />
<br />
টিপস ৪<br />
<br />
সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করতে হবে। বছরের এ সময়টাতে সবচেয়ে ভালো হয় সুতি কাপড় পরলে, তবে লিনেন কাপড় ও বেশ আরামদায়ক। পরিষ্কার কোন কাপড় একটু ভালোমত আয়রন করে পড়লে বেশ উপস্থাপনাযোগ্য লাগবে আপনাকে। মানসিকভাবেও বেশ প্রফুল্ল বোধ করবেন।<br />
<br />
টিপস ৫<br />
<br />
এ টিপসটা হয়তো আপনার কাছে বেশ হাস্যকর মনে হতে পারে কিন্তু একটি পরিপূর্ণ সুস্থতা রুটিনে এটিকে যোগ করা দরকার মনে করেছেন ডাঃ তাসনুবা। নিজের দাঁতের যত্ন নিন নিয়মিত। সকালে ও রাতে খাওয়ার পর অবশ্যই ভালোভাবে মুখের ভেতরের দিক পরিষ্কার করুন। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র দাঁত ব্রাশ করাই কিন্তু জরুরী নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ফ্লস করা এবং জিহবা পরিষ্কার করা। একটা কথা নিশ্চয়ই জানেন যে, 'দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দেওয়া প্রয়োজন'।<br />
<br />
টিপস ৬<br />
<br />
গোসলের ব্যাপারে পরিপূর্ণ নজর দিন এবার। বাইরে থেকে ঘেমে-নেয়ে এসে হুট করেই গোসল করতে ঢুকবেন না। এতে করে স্ট্রোক হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। বরং ঠাণ্ডা বাতাসে একটু জিরিয়ে আস্তেধীরে গোসল করবেন। <br />
<br />
টিপস ৭<br />
<br />
নিম্নাঙ্গের পরিচ্ছন্নতার জন্য বেবি ওয়াইপস ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে পরিষ্কার ও শুষ্ক থাকবে স্থানটি। সাবান দিয়ে পরিষ্কার করার কোন দরকার নেই বরং পরিষ্কার পানিই এক্ষেত্রে সর্বোৎকৃষ্ট উপায়!<br />
<br />
টিপস ৮<br />
<br />
মেকআপ করে নিজেকে রাঙাতে আপনি বেশ ভালোবাসেন, তাতে কোন ক্ষতি নেই। কিন্তু সমস্যাগুলো তখনই শুরু হয় যখন আপনার মেকআপের সরঞ্জামাদি ও ব্রাশ অপরিষ্কার থাকে। এটা আপনার ত্বকের জন্য যে কতো বেশি ক্ষতিকর তা কখনো কল্পনাই করতে পারবেন না আপনি। নিয়মিত সম্ভব না হলেও অন্তত দুইদিন পর পর কিংবা সপ্তাহে তিনবার সমস্ত জিনিসপত্র পরিষ্কার করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার ত্বকের যাবতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাচ্ছে।<br />
<br />
টিপস ৯<br />
<br />
'চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা'। জ্বি, এই সাধের চুলের যত্ন নিতে হবে বিশেষ করে। নয়তো অকালেই চুল পড়ে যাওয়া, পেকে যাওয়া কিংবা আগা ফেটে যাওয়ার মতন সমস্যায় পড়বেন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন সময় করে গরম তেল মালিশ করতে পারেন এবং নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
টিপস ১০<br />
<br />
বছরের এ সময়টায় ঘামের দুর্গন্ধ হয় সবচেয়ে বেশি এবং এ ব্যাপারটি সবচেয়ে স্পর্শকাতর। পোশাক পরিধানের আগে ডিওডোরেন্ট লাগিয়ে নিন এবং চেষ্টা করুন খুব আঁটসাঁট কাপড় না পরে ঢিলেঢালা কাপড় পরার। তাহলে শরীরে বাতাস চলাচলের অবস্থা থাকবে। আরেকটা কাজ করতে পারেন, চার-পাচ ঘণ্টা পর ফ্রেশ হওয়ার জন্য 'ওয়েট ওয়াইপ' কিংবা ভেজা টিস্যু ব্যবহার করতে পারেন। অনেকক্ষণ ফুরফুরে মেজাজে থাকতে পারবেন।<br />
<br />
এ ছিলো নারীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছনতার জন্য দশটি টিপস। আশা করি, এগুলো আপনাদের সকলের বেশ কাজে লাগবে। শুভকামনা রইলো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। সমগ্র বিশ্বেই নারীরা তাদের হাইজিন বা পরিচ্ছন্নতা নিয়ে খুব বেশি যত্নশীল। কিন্তু সে তুলনায় বাঙালি নারীদের মধ্যে বেশ অনীহা দেখা যায় এ ব্যাপারে। এমনকি অনেকে তো পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে কথা বলতেও দ্বিধাবোধ করেন। সুতরাং, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে আধুনিক নারীদের সচেতনতার উদ্দেশ্যেই আজকের এ ফিচার। এখানে জানানো হবে নারীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছনতার ব্যাপারে ডাঃ তারানা তাসনুবার দেওয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস। <br />
<br />
টিপস ১<br />
<br />
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো একটি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে মুখ থেকে নিঃসৃত তেল ও ময়লা দূর হবে এবং সারাদিন আপনি থাকবেন লাবণ্যময়ী। রাতে ঘুমোতে যাবার আগে অবশ্যই ভালোমত মুখ পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে ব্রণ, পিম্পল ও ফুসকুড়ি হবার সম্ভাবনা কম থাকে।<br />
<br />
টিপস ২<br />
<br />
নিয়মিত কান পরিষ্কার করুন। আধুনিক জীবনে আমরা কমবেশি সকলেই কানে এয়ারফোন গুঁজে গান শুনতে শুনতে কাজ সারি। বিরক্তিকর সময়গুলো কেটে যায় নিমিষেই। কিন্তু আপনি কী জানেন এতে করে আপনার কানে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধছে? সুতরাং নিয়মিত গোসলের সময় কটন বাড দিয়ে কান পরিষ্কার করুন এবং গোসল থেকে বের হয়ে শুকনো সুতির কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন। <br />
<br />
টিপস ৩<br />
<br />
পিরিয়ডের সময় অনেকেই বেশ অগোছালো ও আলস্যবোধ করেন। অনেকে তো পুরো সময়টাতে গোসল করতেও অনীহাবোধ করেন। এমন অভ্যাস সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে। মাসিক চলাকালীন সময়ে নিয়মিত ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে গোসল করতে হবে এবং সর্বদা পরিষ্কার কাপড় পরিধান করতে হবে। <br />
<br />
টিপস ৪<br />
<br />
সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করতে হবে। বছরের এ সময়টাতে সবচেয়ে ভালো হয় সুতি কাপড় পরলে, তবে লিনেন কাপড় ও বেশ আরামদায়ক। পরিষ্কার কোন কাপড় একটু ভালোমত আয়রন করে পড়লে বেশ উপস্থাপনাযোগ্য লাগবে আপনাকে। মানসিকভাবেও বেশ প্রফুল্ল বোধ করবেন।<br />
<br />
টিপস ৫<br />
<br />
এ টিপসটা হয়তো আপনার কাছে বেশ হাস্যকর মনে হতে পারে কিন্তু একটি পরিপূর্ণ সুস্থতা রুটিনে এটিকে যোগ করা দরকার মনে করেছেন ডাঃ তাসনুবা। নিজের দাঁতের যত্ন নিন নিয়মিত। সকালে ও রাতে খাওয়ার পর অবশ্যই ভালোভাবে মুখের ভেতরের দিক পরিষ্কার করুন। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র দাঁত ব্রাশ করাই কিন্তু জরুরী নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ফ্লস করা এবং জিহবা পরিষ্কার করা। একটা কথা নিশ্চয়ই জানেন যে, 'দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দেওয়া প্রয়োজন'।<br />
<br />
টিপস ৬<br />
<br />
গোসলের ব্যাপারে পরিপূর্ণ নজর দিন এবার। বাইরে থেকে ঘেমে-নেয়ে এসে হুট করেই গোসল করতে ঢুকবেন না। এতে করে স্ট্রোক হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। বরং ঠাণ্ডা বাতাসে একটু জিরিয়ে আস্তেধীরে গোসল করবেন। <br />
<br />
টিপস ৭<br />
<br />
নিম্নাঙ্গের পরিচ্ছন্নতার জন্য বেবি ওয়াইপস ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে পরিষ্কার ও শুষ্ক থাকবে স্থানটি। সাবান দিয়ে পরিষ্কার করার কোন দরকার নেই বরং পরিষ্কার পানিই এক্ষেত্রে সর্বোৎকৃষ্ট উপায়!<br />
<br />
টিপস ৮<br />
<br />
মেকআপ করে নিজেকে রাঙাতে আপনি বেশ ভালোবাসেন, তাতে কোন ক্ষতি নেই। কিন্তু সমস্যাগুলো তখনই শুরু হয় যখন আপনার মেকআপের সরঞ্জামাদি ও ব্রাশ অপরিষ্কার থাকে। এটা আপনার ত্বকের জন্য যে কতো বেশি ক্ষতিকর তা কখনো কল্পনাই করতে পারবেন না আপনি। নিয়মিত সম্ভব না হলেও অন্তত দুইদিন পর পর কিংবা সপ্তাহে তিনবার সমস্ত জিনিসপত্র পরিষ্কার করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার ত্বকের যাবতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাচ্ছে।<br />
<br />
টিপস ৯<br />
<br />
'চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা'। জ্বি, এই সাধের চুলের যত্ন নিতে হবে বিশেষ করে। নয়তো অকালেই চুল পড়ে যাওয়া, পেকে যাওয়া কিংবা আগা ফেটে যাওয়ার মতন সমস্যায় পড়বেন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন সময় করে গরম তেল মালিশ করতে পারেন এবং নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।<br />
<br />
টিপস ১০<br />
<br />
বছরের এ সময়টায় ঘামের দুর্গন্ধ হয় সবচেয়ে বেশি এবং এ ব্যাপারটি সবচেয়ে স্পর্শকাতর। পোশাক পরিধানের আগে ডিওডোরেন্ট লাগিয়ে নিন এবং চেষ্টা করুন খুব আঁটসাঁট কাপড় না পরে ঢিলেঢালা কাপড় পরার। তাহলে শরীরে বাতাস চলাচলের অবস্থা থাকবে। আরেকটা কাজ করতে পারেন, চার-পাচ ঘণ্টা পর ফ্রেশ হওয়ার জন্য 'ওয়েট ওয়াইপ' কিংবা ভেজা টিস্যু ব্যবহার করতে পারেন। অনেকক্ষণ ফুরফুরে মেজাজে থাকতে পারবেন।<br />
<br />
এ ছিলো নারীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছনতার জন্য দশটি টিপস। আশা করি, এগুলো আপনাদের সকলের বেশ কাজে লাগবে। শুভকামনা রইলো।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঈদে ঝলমলে চুল পেতে করণীয]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3039</link>
			<pubDate>Sun, 11 Jun 2017 12:18:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3039</guid>
			<description><![CDATA[ঈদে চাই বাড়তি সাজ, বাড়তি সৌন্দর্য্য। পোশাকে<br />
চমকের সঙ্গে সঙ্গে ত্বক, চুল, নখ সবকিছুতেই থাকতে<br />
হবে চমক। বিশেষ করে সুন্দর চুলের প্রতি দুর্বলতা<br />
নারী-পুরুষ সবার। কিন্তু বাইরের ধুলো-ময়লা, সূর্যের<br />
অতিবেগুনি রশ্মি দিন দিন আপনার চুলকে রুক্ষ করে<br />
দিচ্ছে। ঈদে ঝলমলে চুল দিয়ে সবাইকে চমকে দিতে<br />
তাই একটু আগেভাগেই যত্ন শুরু করা জরুরি। চুলের<br />
যত্নে রইলো কিছু ঘরোয়া টিপস, যা আপনার চুলকে<br />
করে তুলবে সুস্থ, সুন্দর আর স্বাস্থ্যবান।<br />
তেল : নারকেল তেলকে বলা হয় সবচেয়ে ভালো<br />
ভেষজ কণ্ডিশনার। রাতে ঘুমানোর আগে এই তেলের<br />
মিশ্রণ হালকা গরম করে নিয়ে মাথার তালুতে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। চুলের<br />
প্রতিটি গোড়ায় যেন তেল পৌঁছায় সেজন্য একটু সময়<br />
নিয়ে আস্তে আস্তে পুরো চুল আর তালুতে তেল<br />
ম্যাসাজ করতে হবে। সারা রাত রাখা সম্ভব না হলে<br />
গোসলের ১ ঘণ্টা আগে চুলে তেল দিয়ে তারপর<br />
শ্যাম্পু করে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ বার যদি এটা<br />
করা যায়। ১ মাসের মধ্যেই চুল পাতলা ভাব কমে<br />
আসবে, চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য<br />
করবে। চুল হবে রেশমি, ঝলমলে ও স্বাস্থ্যবান।<br />
ডিম : একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভালোভাবে<br />
ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর পরিষ্কার চুলে সরাসরি<br />
হাত অথবা ব্রাশের সাহায্যে ওপর থেকে নিচ<br />
পর্যন্ত লাগাতে হবে। তারপর হালকা ঝুটি করে নিন<br />
বা শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ২০-৩০ মিনিট রেখে<br />
নরমাল পানিতে চুল ধুয়ে নিন এবং শ্যাম্পু করুন।<br />
যেদিন ডিম দেবেন সেদিন আর আলাদা করে<br />
কন্ডিশনার দেবার প্রয়োজন নেই। প্রতি ৭ দিনে ১<br />
বার করুন দেখবেন চুল ঘন হওয়ার সাথে সাথে আসবে<br />
বাউন্স।<br />
অ্যালোভেরা : অ্যালোভেরার জেল বের করে ৪<br />
চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে সরাসরি চুলে এবং মাথার<br />
তালুতে লাগিয়ে ফেলুন। চুল ঘন করার সাথে সাথে<br />
এটি আপনার চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করবে।<br />
মধু : ব্যবহারের ক্ষেত্রে মধু খুবই আঠালো, সে জন্য<br />
খুব অল্প পরিমাণে (৪-৫ চামচ এর বেশি না) মধু নিয়ে<br />
তা মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। তারপর চুল আটকে ১৫<br />
মিনিট রেখে দিন। খেয়াল রাখুন যেন প্রতিটি চুলের<br />
গোড়ায় একটু হলেও মধু পৌঁছায়। সবশেষে পানি<br />
দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
পেঁয়াজ : আপনার হেয়ার ফলিকল এর কোনও অংশ<br />
ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে নিয়মিত পেঁয়াজ ব্যবহারে তা<br />
সারিয়ে তোলে। যাদের চুল পাতলা তারা সপ্তাহে<br />
২-৩ দিন ১০-১২ মিনিটের জন্য মাথার তালুতে পেঁয়াজ<br />
ঘষে ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যেই উপকার<br />
পাবেন।<br />
মেহেদি : মেহেদি লাগিয়ে সাথে সাথে চুল ধুয়ে<br />
ফেলবেন না। কমপক্ষে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এতে<br />
মেহেদির রং চুলে ভালভাবে বসবে। তাই হাতে সময়<br />
নিয়ে চুলে মেহেদি লাগান। অনেকেই বলে মেহেদি<br />
চুল রুক্ষ করে থাকে। হ্যাঁ, আপনার মাথার তালু রুক্ষ<br />
হলে মেহেদি চুল রুক্ষ করে। তাই মেহেদির প্যাকের<br />
সাথে তেল, টকদই ব্যবহার করুন। কিংবা মেহেদি<br />
লাগিয়ে শ্যাম্পু করে মাথায় তেল লাগান। পানি ও<br />
পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১<br />
বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ঈদে চাই বাড়তি সাজ, বাড়তি সৌন্দর্য্য। পোশাকে<br />
চমকের সঙ্গে সঙ্গে ত্বক, চুল, নখ সবকিছুতেই থাকতে<br />
হবে চমক। বিশেষ করে সুন্দর চুলের প্রতি দুর্বলতা<br />
নারী-পুরুষ সবার। কিন্তু বাইরের ধুলো-ময়লা, সূর্যের<br />
অতিবেগুনি রশ্মি দিন দিন আপনার চুলকে রুক্ষ করে<br />
দিচ্ছে। ঈদে ঝলমলে চুল দিয়ে সবাইকে চমকে দিতে<br />
তাই একটু আগেভাগেই যত্ন শুরু করা জরুরি। চুলের<br />
যত্নে রইলো কিছু ঘরোয়া টিপস, যা আপনার চুলকে<br />
করে তুলবে সুস্থ, সুন্দর আর স্বাস্থ্যবান।<br />
তেল : নারকেল তেলকে বলা হয় সবচেয়ে ভালো<br />
ভেষজ কণ্ডিশনার। রাতে ঘুমানোর আগে এই তেলের<br />
মিশ্রণ হালকা গরম করে নিয়ে মাথার তালুতে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। চুলের<br />
প্রতিটি গোড়ায় যেন তেল পৌঁছায় সেজন্য একটু সময়<br />
নিয়ে আস্তে আস্তে পুরো চুল আর তালুতে তেল<br />
ম্যাসাজ করতে হবে। সারা রাত রাখা সম্ভব না হলে<br />
গোসলের ১ ঘণ্টা আগে চুলে তেল দিয়ে তারপর<br />
শ্যাম্পু করে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ বার যদি এটা<br />
করা যায়। ১ মাসের মধ্যেই চুল পাতলা ভাব কমে<br />
আসবে, চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য<br />
করবে। চুল হবে রেশমি, ঝলমলে ও স্বাস্থ্যবান।<br />
ডিম : একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভালোভাবে<br />
ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর পরিষ্কার চুলে সরাসরি<br />
হাত অথবা ব্রাশের সাহায্যে ওপর থেকে নিচ<br />
পর্যন্ত লাগাতে হবে। তারপর হালকা ঝুটি করে নিন<br />
বা শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ২০-৩০ মিনিট রেখে<br />
নরমাল পানিতে চুল ধুয়ে নিন এবং শ্যাম্পু করুন।<br />
যেদিন ডিম দেবেন সেদিন আর আলাদা করে<br />
কন্ডিশনার দেবার প্রয়োজন নেই। প্রতি ৭ দিনে ১<br />
বার করুন দেখবেন চুল ঘন হওয়ার সাথে সাথে আসবে<br />
বাউন্স।<br />
অ্যালোভেরা : অ্যালোভেরার জেল বের করে ৪<br />
চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে সরাসরি চুলে এবং মাথার<br />
তালুতে লাগিয়ে ফেলুন। চুল ঘন করার সাথে সাথে<br />
এটি আপনার চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করবে।<br />
মধু : ব্যবহারের ক্ষেত্রে মধু খুবই আঠালো, সে জন্য<br />
খুব অল্প পরিমাণে (৪-৫ চামচ এর বেশি না) মধু নিয়ে<br />
তা মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। তারপর চুল আটকে ১৫<br />
মিনিট রেখে দিন। খেয়াল রাখুন যেন প্রতিটি চুলের<br />
গোড়ায় একটু হলেও মধু পৌঁছায়। সবশেষে পানি<br />
দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
পেঁয়াজ : আপনার হেয়ার ফলিকল এর কোনও অংশ<br />
ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে নিয়মিত পেঁয়াজ ব্যবহারে তা<br />
সারিয়ে তোলে। যাদের চুল পাতলা তারা সপ্তাহে<br />
২-৩ দিন ১০-১২ মিনিটের জন্য মাথার তালুতে পেঁয়াজ<br />
ঘষে ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যেই উপকার<br />
পাবেন।<br />
মেহেদি : মেহেদি লাগিয়ে সাথে সাথে চুল ধুয়ে<br />
ফেলবেন না। কমপক্ষে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এতে<br />
মেহেদির রং চুলে ভালভাবে বসবে। তাই হাতে সময়<br />
নিয়ে চুলে মেহেদি লাগান। অনেকেই বলে মেহেদি<br />
চুল রুক্ষ করে থাকে। হ্যাঁ, আপনার মাথার তালু রুক্ষ<br />
হলে মেহেদি চুল রুক্ষ করে। তাই মেহেদির প্যাকের<br />
সাথে তেল, টকদই ব্যবহার করুন। কিংবা মেহেদি<br />
লাগিয়ে শ্যাম্পু করে মাথায় তেল লাগান। পানি ও<br />
পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১<br />
বার এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রূপচর্চা করুন প্রাকৃতিক উপায়ে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3025</link>
			<pubDate>Sat, 10 Jun 2017 14:25:47 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=138">Salim Ahmad</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3025</guid>
			<description><![CDATA[রূপচর্চা করার প্রাকৃতিক উপায়ঃ<br />
<br />
<br />
১. আটা<br />
ক. রান্না ঘরের আটা আপনার ত্বক পরিচর্যায়<br />
অনেক সহায়ক হতে পারে। যে ধরনেরই<br />
ত্বক হোক না কেন, আটা সব ত্বকের<br />
জন্যেই ভালো কাজ করে। ১ টেবিল চামচ<br />
পরিষ্কার আটা নিয়ে তার সাথে গরুর কাঁচা দুধ, একটু<br />
কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে মুখে মেখে ১০/১৫ মিনিট<br />
রেখে মুখ ধুয়ে ফেলবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
খ. আটা পানিতে ফুটিয়ে পেস্টের মতো<br />
করে মুখমন্ডলে লাগালে মুখের ছিট ছিট<br />
তিলে দাগ অনেক হালকা হয়ে যায়।<br />
গ. বেসনের মতো আটা হাতে নিয়ে পানি<br />
দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে সাবানের<br />
মতো মুখ পরিষ্কার করা যায়।<br />
ঘ. দুধের সরের সাথে আটা ও কাঁচা হলুদ মিশিয়ে<br />
মুখে মেখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে<br />
ফেলবেন।<br />
<br />
২. হলুদ<br />
হলুদের গুণের কথা বর্ণনা করে শেষ করা<br />
যাবে না। রূপচর্চায় হলুদের ভূমিকা অনেক।<br />
অতীতে নানী-দাদীরাও হলুদ ব্যবহার<br />
করতেন। নানান রোগের জন্যে কাঁচা হলুদের<br />
রসও খেতেন। ঘরোয়া চিকিৎসাতেও হলুদের<br />
অবদান অনেক। অনেক ফেসপ্যাক কাঁচা হলুদ<br />
দিয়ে তৈরি করা হয়। অনেকের গায়ের রং<br />
ফ্যাকাসে সাদা। তারা যদি একটু কাঁচা হলুদ বেটে তার<br />
সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে গায়ে, হাতে এবং<br />
পায়ে মেখে প্রতিদিন গোসল করেন,<br />
তাহলে দেখবেন ফ্যাকাসে ভাব নেই। সুন্দর<br />
সোনা বর্ণের আভা চলে আসছে দেহে।<br />
কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সরও মিশিয়ে নিতে<br />
পারেন।<br />
<br />
<br />
<br />
হলুদ লোমনাশক, নিয়মিত মাখলে শরীরের<br />
লোম বাড়ে না। এতে ওয়াক্সিং-এর কাজ হয়<br />
ভালো। আগেকার দিনে মা-দাদীরা কাঁচা হলুদ<br />
বাটার সাথে নিম পাতা বেটে বড়ি বানিয়ে<br />
রোদে শুকিয়ে রাখতেন। তারপর প্রতিদিন বাসি<br />
পেটে খেতেন। এতে পেটের দোষ<br />
হতো না, লিভার ভালো থাকতো। এতে মুখে<br />
লিভার স্পট পড়ে না। অনেক মেয়েলি<br />
অসুখেও ফল পাওয়া যায়। কাঁচা হলুদ আখের<br />
গুড়ের সাথে খালি পেটে খেলে রক্ত<br />
পরিশোধিত হয় বলে স্বাস্থ্য রক্ষা ও রূপচর্চায়<br />
হলুদের দান অতুলনীয়।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=167" target="_blank" title="">a.jpg</a> (Size: 41.31 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রূপচর্চা করার প্রাকৃতিক উপায়ঃ<br />
<br />
<br />
১. আটা<br />
ক. রান্না ঘরের আটা আপনার ত্বক পরিচর্যায়<br />
অনেক সহায়ক হতে পারে। যে ধরনেরই<br />
ত্বক হোক না কেন, আটা সব ত্বকের<br />
জন্যেই ভালো কাজ করে। ১ টেবিল চামচ<br />
পরিষ্কার আটা নিয়ে তার সাথে গরুর কাঁচা দুধ, একটু<br />
কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে মুখে মেখে ১০/১৫ মিনিট<br />
রেখে মুখ ধুয়ে ফেলবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
খ. আটা পানিতে ফুটিয়ে পেস্টের মতো<br />
করে মুখমন্ডলে লাগালে মুখের ছিট ছিট<br />
তিলে দাগ অনেক হালকা হয়ে যায়।<br />
গ. বেসনের মতো আটা হাতে নিয়ে পানি<br />
দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে সাবানের<br />
মতো মুখ পরিষ্কার করা যায়।<br />
ঘ. দুধের সরের সাথে আটা ও কাঁচা হলুদ মিশিয়ে<br />
মুখে মেখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে<br />
ফেলবেন।<br />
<br />
২. হলুদ<br />
হলুদের গুণের কথা বর্ণনা করে শেষ করা<br />
যাবে না। রূপচর্চায় হলুদের ভূমিকা অনেক।<br />
অতীতে নানী-দাদীরাও হলুদ ব্যবহার<br />
করতেন। নানান রোগের জন্যে কাঁচা হলুদের<br />
রসও খেতেন। ঘরোয়া চিকিৎসাতেও হলুদের<br />
অবদান অনেক। অনেক ফেসপ্যাক কাঁচা হলুদ<br />
দিয়ে তৈরি করা হয়। অনেকের গায়ের রং<br />
ফ্যাকাসে সাদা। তারা যদি একটু কাঁচা হলুদ বেটে তার<br />
সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে গায়ে, হাতে এবং<br />
পায়ে মেখে প্রতিদিন গোসল করেন,<br />
তাহলে দেখবেন ফ্যাকাসে ভাব নেই। সুন্দর<br />
সোনা বর্ণের আভা চলে আসছে দেহে।<br />
কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সরও মিশিয়ে নিতে<br />
পারেন।<br />
<br />
<br />
<br />
হলুদ লোমনাশক, নিয়মিত মাখলে শরীরের<br />
লোম বাড়ে না। এতে ওয়াক্সিং-এর কাজ হয়<br />
ভালো। আগেকার দিনে মা-দাদীরা কাঁচা হলুদ<br />
বাটার সাথে নিম পাতা বেটে বড়ি বানিয়ে<br />
রোদে শুকিয়ে রাখতেন। তারপর প্রতিদিন বাসি<br />
পেটে খেতেন। এতে পেটের দোষ<br />
হতো না, লিভার ভালো থাকতো। এতে মুখে<br />
লিভার স্পট পড়ে না। অনেক মেয়েলি<br />
অসুখেও ফল পাওয়া যায়। কাঁচা হলুদ আখের<br />
গুড়ের সাথে খালি পেটে খেলে রক্ত<br />
পরিশোধিত হয় বলে স্বাস্থ্য রক্ষা ও রূপচর্চায়<br />
হলুদের দান অতুলনীয়।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=167" target="_blank" title="">a.jpg</a> (Size: 41.31 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে ৩ হেয়ার প্যাক]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2971</link>
			<pubDate>Thu, 25 May 2017 15:33:05 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2971</guid>
			<description><![CDATA[চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে ৩ হেয়ার প্যাক<br />
রুক্ষ চুল যেমন সহজে বাড়ে না, তেমনি ঝরেও পড়ে দ্রুত। প্রাণহীন চুলের যত্নে ঘরে তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। প্রাকৃতিক উপাদানের এসব হেয়ার প্যাক চুলের বৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি চুল করবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। জেনে নিন ৩ ঘরোয়া হেয়ার প্যাক সম্পর্কে-<br />
▶হেয়ার প্যাক- ১<br />
১টি কলা চটকে ১ চা চামচ মধু, ৫ চা চামচ দই, ১ চা চামচ ওট ও ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
▶হেয়ার প্যাক- ২<br />
১ কাপ মেহেদি গুঁড়ার সঙ্গে ১টি ডিম মেশান। ২ চা চামচ লেমন এসেনশিয়াল অয়েল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। হেয়ার প্যাকটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।<br />
▶হেয়ার প্যাক- ৩<br />
আধা কাপ অলিভ অয়েলের সঙ্গে ১টি ডিমের কুসুম মিশিয়ে নিন ভালো করে। মিশ্রণটি মাথার তালুতে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
তথ্য: বোল্ডস্কাই]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে ৩ হেয়ার প্যাক<br />
রুক্ষ চুল যেমন সহজে বাড়ে না, তেমনি ঝরেও পড়ে দ্রুত। প্রাণহীন চুলের যত্নে ঘরে তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। প্রাকৃতিক উপাদানের এসব হেয়ার প্যাক চুলের বৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি চুল করবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। জেনে নিন ৩ ঘরোয়া হেয়ার প্যাক সম্পর্কে-<br />
▶হেয়ার প্যাক- ১<br />
১টি কলা চটকে ১ চা চামচ মধু, ৫ চা চামচ দই, ১ চা চামচ ওট ও ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
▶হেয়ার প্যাক- ২<br />
১ কাপ মেহেদি গুঁড়ার সঙ্গে ১টি ডিম মেশান। ২ চা চামচ লেমন এসেনশিয়াল অয়েল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। হেয়ার প্যাকটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।<br />
▶হেয়ার প্যাক- ৩<br />
আধা কাপ অলিভ অয়েলের সঙ্গে ১টি ডিমের কুসুম মিশিয়ে নিন ভালো করে। মিশ্রণটি মাথার তালুতে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
তথ্য: বোল্ডস্কাই]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রূপচর্চায় চালের গুড়ার কিছু অসাধারণ টিপস]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2756</link>
			<pubDate>Tue, 21 Mar 2017 04:06:23 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=597">Playboy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2756</guid>
			<description><![CDATA[আমাদের প্রত্যেকের বাসায় চালের গুড়া থাকেই। চালের গুড়া অনেক খাবারে বা অনেক রকম রান্নার কাজে ব্যবহার করি, সেটা পিঠা কিংবা রান্নার ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। কিন্তু এখন আমরা জানি যে চালের গুড়া শুধু খাবার উপাদান হিসেবে নয় এখন রূপচর্চায়ও এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। <br />
রূপচর্চায় চালের গুড়ার ব্যবহার আমাদের অনেকের কাছেই অজানা থাকতে পারে, কিন্তু এই চালের গুড়ার সাহায্যেই আমরা আমাদের ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারি।<br />
ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে অর্থাৎ ঘাম আর তেল মিলে আমাদের মুখের অবস্থা একদম ম্লান তেলতেলে হয়ে থাকে। আর চালের গুড়ার নিয়মিত ব্যবহারে এই অবস্থা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।<br />
আজকে জেনে নিন ঘরে বসেই চালের গুড়ার কয়েকটি সহজ মাস্ক তৈরির পদ্ধতি<br />
১। চালের গুড়া ও অ্যালোভেরা মাস্ক: চালের গুড়া ও অ্যালোভেরা মাস্কটি আমাদের ত্বকের এক্সফলিয়েটিং প্যাক হিসেবে কাজ করে এবং এটি আমাদের মুখের ত্বকের জন্যও খুব কার্যকরী। এটি তৈরিতে এক চা চামচ চালের গুড়া, দুই চা চামচ অ্যালোভেরার রস নিয়ে মিক্স করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। পরে মুখ পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে মাস্ক তুলে ফেলতে হবে। এই মাস্কটি সপ্তাহে দুই বার করলেই ভাল ফলাফল পাবেন।<br />
২। চালের গুড়া, টমেটো ও মুলতানি মাটির মাস্ক: চালের গুড়া, মুলতানি মাটি ও টমেটোর মাস্কটি আমাদের ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করবে আর ত্বককে ভেতর থেকে অনেক উজ্জ্বল করবে। মাস্কটি তৈরিতে এক চা চামচ চালের গুড়া, আধা চা চামচ মুলতানি মাটি, অর্ধেকটা টমেটোর রস এক সাথে ভালো করে মেশাতে হবে। এবার মুখ ধুয়ে মাস্কটা মুখে ও গলায় লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মাস্কটিও সপ্তাহে ২/৩ দিন লাগাতে হবে।<br />
৩। চালের গুড়া, আটা ও দুধের মাস্ক: এক চা চামচ চালের গুড়া, এক চা চামচ আটা, এক চা চামচ গুড়া দুধ/ দুই চা চামচ লিকুইড দুধ ভাল করে মিশাতে হবে। এরপর মুখ ভাল করে ধুয়ে মিশ্রণটা মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে ভালো করে। সপ্তাহে ২/৩ লাগাতে হবে মাস্কটা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমাদের প্রত্যেকের বাসায় চালের গুড়া থাকেই। চালের গুড়া অনেক খাবারে বা অনেক রকম রান্নার কাজে ব্যবহার করি, সেটা পিঠা কিংবা রান্নার ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। কিন্তু এখন আমরা জানি যে চালের গুড়া শুধু খাবার উপাদান হিসেবে নয় এখন রূপচর্চায়ও এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। <br />
রূপচর্চায় চালের গুড়ার ব্যবহার আমাদের অনেকের কাছেই অজানা থাকতে পারে, কিন্তু এই চালের গুড়ার সাহায্যেই আমরা আমাদের ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারি।<br />
ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে অর্থাৎ ঘাম আর তেল মিলে আমাদের মুখের অবস্থা একদম ম্লান তেলতেলে হয়ে থাকে। আর চালের গুড়ার নিয়মিত ব্যবহারে এই অবস্থা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।<br />
আজকে জেনে নিন ঘরে বসেই চালের গুড়ার কয়েকটি সহজ মাস্ক তৈরির পদ্ধতি<br />
১। চালের গুড়া ও অ্যালোভেরা মাস্ক: চালের গুড়া ও অ্যালোভেরা মাস্কটি আমাদের ত্বকের এক্সফলিয়েটিং প্যাক হিসেবে কাজ করে এবং এটি আমাদের মুখের ত্বকের জন্যও খুব কার্যকরী। এটি তৈরিতে এক চা চামচ চালের গুড়া, দুই চা চামচ অ্যালোভেরার রস নিয়ে মিক্স করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। পরে মুখ পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে মাস্ক তুলে ফেলতে হবে। এই মাস্কটি সপ্তাহে দুই বার করলেই ভাল ফলাফল পাবেন।<br />
২। চালের গুড়া, টমেটো ও মুলতানি মাটির মাস্ক: চালের গুড়া, মুলতানি মাটি ও টমেটোর মাস্কটি আমাদের ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করবে আর ত্বককে ভেতর থেকে অনেক উজ্জ্বল করবে। মাস্কটি তৈরিতে এক চা চামচ চালের গুড়া, আধা চা চামচ মুলতানি মাটি, অর্ধেকটা টমেটোর রস এক সাথে ভালো করে মেশাতে হবে। এবার মুখ ধুয়ে মাস্কটা মুখে ও গলায় লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মাস্কটিও সপ্তাহে ২/৩ দিন লাগাতে হবে।<br />
৩। চালের গুড়া, আটা ও দুধের মাস্ক: এক চা চামচ চালের গুড়া, এক চা চামচ আটা, এক চা চামচ গুড়া দুধ/ দুই চা চামচ লিকুইড দুধ ভাল করে মিশাতে হবে। এরপর মুখ ভাল করে ধুয়ে মিশ্রণটা মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে ভালো করে। সপ্তাহে ২/৩ লাগাতে হবে মাস্কটা।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ব্রণ হওয়ার পাঁচ কারণ!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2744</link>
			<pubDate>Mon, 20 Mar 2017 03:00:35 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=597">Playboy</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2744</guid>
			<description><![CDATA[ব্রণ হওয়ার পাঁচ কারণ!<br />
ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন। দামী ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ ব্যবহার করছেন। ব্রণ কমাতে এটা-ওটা টোটকা লাগাচ্ছেনও, কিন্তু কোনো সুফল পাচ্ছেন না।কমছে, আবার হচ্ছে। এর কারণ হতে পারে আপনার কিছু বদ অভ্যাস।<br />
<br />
<br />
<br />
জেনে নিন কী সেই কারণ-<br />
<br />
<br />
<br />
১। ভালোভাবে পরিষ্কার না করাঃ অনেকে আছেন যারা নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করেন না। দিনে দুইবার ভালো কোনো ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা উচিত। কিন্তু হার্ড ক্লিনজার বেশি ব্যবহার করা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই সফট কোনো ক্লিনজার ত্বক পরিষ্কারের কাজে ব্যবহার করুন।<br />
<br />
<br />
<br />
২। মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারঃ শিরোনাম দেখে অবাক হচ্ছেন তাই না? মোবাইল ফোন কী করে ব্রণের কারণ হয়? আপনি যখন ফোনে কথা বলেন তখন মুখের ত্বকে প্রেশার পড়ে। যার কারণে মোবাইল ফোনের ব্যাকটেরিয়া ত্বকের ছিদ্রে প্রবেশ করে থাকে। আর এই ব্যাকটেরিয়া থেকে ব্রণ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ব্রণ প্রবণ ত্বকে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।<br />
<br />
<br />
<br />
৩। মেকআপ না তোলাঃ ভালোভাবে মেকআপ না তুলে ঘুমতে যাওয়া ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকর। অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে মেকআপ তুলে ফেলা উচিত। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।<br />
<br />
<br />
<br />
৪। অতিরিক্ত স্ট্রেসঃ যখন স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তায় থাকেন তখন শরীরে স্ট্রেস হরমোন সৃষ্টি হয় যা ত্বকে ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী। চেষ্টা করুন স্ট্রেস থেকে দূরে থাকার।<br />
<br />
<br />
<br />
৫। জাঙ্ক ফুড খাওয়াঃ নিয়মিত জাঙ্ক বা ফাস্ট ফুড খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর। ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণ চিনি, ফ্যাট এবং ময়দা থাকে যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন খাওয়ার পরিবর্তে মাঝে মাঝে খাওয়ার চেষ্টা করুন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ব্রণ হওয়ার পাঁচ কারণ!<br />
ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন। দামী ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ ব্যবহার করছেন। ব্রণ কমাতে এটা-ওটা টোটকা লাগাচ্ছেনও, কিন্তু কোনো সুফল পাচ্ছেন না।কমছে, আবার হচ্ছে। এর কারণ হতে পারে আপনার কিছু বদ অভ্যাস।<br />
<br />
<br />
<br />
জেনে নিন কী সেই কারণ-<br />
<br />
<br />
<br />
১। ভালোভাবে পরিষ্কার না করাঃ অনেকে আছেন যারা নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করেন না। দিনে দুইবার ভালো কোনো ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা উচিত। কিন্তু হার্ড ক্লিনজার বেশি ব্যবহার করা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই সফট কোনো ক্লিনজার ত্বক পরিষ্কারের কাজে ব্যবহার করুন।<br />
<br />
<br />
<br />
২। মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারঃ শিরোনাম দেখে অবাক হচ্ছেন তাই না? মোবাইল ফোন কী করে ব্রণের কারণ হয়? আপনি যখন ফোনে কথা বলেন তখন মুখের ত্বকে প্রেশার পড়ে। যার কারণে মোবাইল ফোনের ব্যাকটেরিয়া ত্বকের ছিদ্রে প্রবেশ করে থাকে। আর এই ব্যাকটেরিয়া থেকে ব্রণ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ব্রণ প্রবণ ত্বকে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।<br />
<br />
<br />
<br />
৩। মেকআপ না তোলাঃ ভালোভাবে মেকআপ না তুলে ঘুমতে যাওয়া ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকর। অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে মেকআপ তুলে ফেলা উচিত। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।<br />
<br />
<br />
<br />
৪। অতিরিক্ত স্ট্রেসঃ যখন স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তায় থাকেন তখন শরীরে স্ট্রেস হরমোন সৃষ্টি হয় যা ত্বকে ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী। চেষ্টা করুন স্ট্রেস থেকে দূরে থাকার।<br />
<br />
<br />
<br />
৫। জাঙ্ক ফুড খাওয়াঃ নিয়মিত জাঙ্ক বা ফাস্ট ফুড খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর। ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণ চিনি, ফ্যাট এবং ময়দা থাকে যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন খাওয়ার পরিবর্তে মাঝে মাঝে খাওয়ার চেষ্টা করুন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চুলের যত্নে জোজোবা তেল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2703</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:35:51 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2703</guid>
			<description><![CDATA[চুলের যত্নে জোজোবা তেল<br />
মাথার ত্বক থেকে নিঃসৃত তেলের সঙ্গে জোজোবা তেলের উপাদানে মিল থাকায় এটি প্রাকৃতিকভাবে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।<br />
<br />
<br />
<br />
রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকায় এটি কেশচর্চায় বেশ উপকারী।<br />
<br />
<br />
<br />
* মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে ও খুশকি নিয়ন্ত্রণ করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* রয়েছে শতকরা ৯৮ ভাগ মনোস্যাচুরেইটেড ফ্যাট ও দুই শতাংশ স্যাচুরেইটেড ফ্যাট যা মাথার গভীরে প্রবেশ করে চুল ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।<br />
<br />
<br />
<br />
* চুলের রুক্ষতা কমিয়ে আনে এবং চুলের ভেতর থেকেই আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* জোজোবা তেল চুলের উজ্জ্বলতা, স্থিতিস্থাপকতা ও কোমলতা ধরে রাখে।<br />
<br />
<br />
<br />
* পাতলা চুলে এটি ঘনভাব ফুটিয়ে তোলে।<br />
<br />
<br />
<br />
* এই তেল মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* নানা রকম স্টাইলের ফলে চুলের যে ক্ষতি হয় তা থেকে রক্ষা করে জোজোবা তেল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[চুলের যত্নে জোজোবা তেল<br />
মাথার ত্বক থেকে নিঃসৃত তেলের সঙ্গে জোজোবা তেলের উপাদানে মিল থাকায় এটি প্রাকৃতিকভাবে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।<br />
<br />
<br />
<br />
রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকায় এটি কেশচর্চায় বেশ উপকারী।<br />
<br />
<br />
<br />
* মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে ও খুশকি নিয়ন্ত্রণ করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* রয়েছে শতকরা ৯৮ ভাগ মনোস্যাচুরেইটেড ফ্যাট ও দুই শতাংশ স্যাচুরেইটেড ফ্যাট যা মাথার গভীরে প্রবেশ করে চুল ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।<br />
<br />
<br />
<br />
* চুলের রুক্ষতা কমিয়ে আনে এবং চুলের ভেতর থেকেই আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* জোজোবা তেল চুলের উজ্জ্বলতা, স্থিতিস্থাপকতা ও কোমলতা ধরে রাখে।<br />
<br />
<br />
<br />
* পাতলা চুলে এটি ঘনভাব ফুটিয়ে তোলে।<br />
<br />
<br />
<br />
* এই তেল মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।<br />
<br />
<br />
<br />
* নানা রকম স্টাইলের ফলে চুলের যে ক্ষতি হয় তা থেকে রক্ষা করে জোজোবা তেল।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ফেসপ্যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2560</link>
			<pubDate>Thu, 02 Mar 2017 09:00:39 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2560</guid>
			<description><![CDATA[দীপ্তিময়, উজ্জ্বল ত্বক সবার কাম্য। নারী কিংবা পুরুষ উভয়েই পরিষ্কার, নিখুঁত ত্বক পছন্দ করেন। বাজারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার জন্য হাজারখানেক পণ্য পাবেন, তবে এই পণ্যগুলোর রয়েছে রাসায়নিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বকের ক্ষতিও করে। ত্বকের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান সবসময় নিরাপদ। আর তা যদি হয় উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি সেক্ষেত্রে অব্যশই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা উচিত। প্রাকৃতিক নানান উপাদান রয়েছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে কোমল নিখুঁত ত্বক পেতে সাহায্য করে। এমনি একটি উপাদান হলো কোকো পাউডার। কোকো পাউডার দিয়ে তৈরি জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা জেনে নিন।<br />
<br />
যা যা লাগবে:<br />
<br />
২ চামচ কোকো পাউডার<br />
<br />
১ চামচ টকদই<br />
<br />
১ চামচ চিনি।<br />
<br />
যেভাবে তৈরি করবেন:<br />
<br />
১।  একটি পাত্রে কোকো পাউডার নিন।<br />
<br />
২। এরপর এতে চিনি দিয়ে দিন। কোকো পাউডার এবং চিনি ভালো করে মেশান।<br />
<br />
৩।  কোকো পাউডার, চিনির মিশ্রণের সাথে টকদই মেশান।<br />
<br />
৪। সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।<br />
<br />
৫। এই প্যাকটি প্রতিদিন বা সপ্তাহে দুই তিনবার ব্যবহার করুন।<br />
<br />
যেভাবে ব্যবহার করবেন:<br />
<br />
এই প্যাকটি ব্যবহার পূর্বে ত্বক পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর একটি তোয়ালে দিয়ে মুখটি মুছে ফেলুন। এবার কফির প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে ভালো করে লাগান। এটি ত্বক এবং ঘাড়ে চক্রাকারে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে দুইবার প্যাকটি ব্যবহার করুন।<br />
<br />
সূত্র: বোল্ডস্কাই]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দীপ্তিময়, উজ্জ্বল ত্বক সবার কাম্য। নারী কিংবা পুরুষ উভয়েই পরিষ্কার, নিখুঁত ত্বক পছন্দ করেন। বাজারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার জন্য হাজারখানেক পণ্য পাবেন, তবে এই পণ্যগুলোর রয়েছে রাসায়নিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বকের ক্ষতিও করে। ত্বকের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান সবসময় নিরাপদ। আর তা যদি হয় উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি সেক্ষেত্রে অব্যশই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা উচিত। প্রাকৃতিক নানান উপাদান রয়েছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে কোমল নিখুঁত ত্বক পেতে সাহায্য করে। এমনি একটি উপাদান হলো কোকো পাউডার। কোকো পাউডার দিয়ে তৈরি জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা জেনে নিন।<br />
<br />
যা যা লাগবে:<br />
<br />
২ চামচ কোকো পাউডার<br />
<br />
১ চামচ টকদই<br />
<br />
১ চামচ চিনি।<br />
<br />
যেভাবে তৈরি করবেন:<br />
<br />
১।  একটি পাত্রে কোকো পাউডার নিন।<br />
<br />
২। এরপর এতে চিনি দিয়ে দিন। কোকো পাউডার এবং চিনি ভালো করে মেশান।<br />
<br />
৩।  কোকো পাউডার, চিনির মিশ্রণের সাথে টকদই মেশান।<br />
<br />
৪। সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।<br />
<br />
৫। এই প্যাকটি প্রতিদিন বা সপ্তাহে দুই তিনবার ব্যবহার করুন।<br />
<br />
যেভাবে ব্যবহার করবেন:<br />
<br />
এই প্যাকটি ব্যবহার পূর্বে ত্বক পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর একটি তোয়ালে দিয়ে মুখটি মুছে ফেলুন। এবার কফির প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে ভালো করে লাগান। এটি ত্বক এবং ঘাড়ে চক্রাকারে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে দুইবার প্যাকটি ব্যবহার করুন।<br />
<br />
সূত্র: বোল্ডস্কাই]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পেটের কৃমি দূর করার কার্যকরী ৫ ঘরোয়া উপায়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2538</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 17:08:31 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2538</guid>
			<description><![CDATA[অস্বস্তিকর একটি সমস্যার নাম হলো কৃমি। গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল নালীর মধ্যে বসবাসকারী পরজীবীই হলো কৃমি। এরা প্রাথমিকভাবে অন্ত্রের প্রাচীরের সাথে লেগে থাকে। কৃমি বিভিন্নধরনের হয়ে থাকে। তবে এরমধ্যে ফিতাকৃমি, কেঁচোকৃমি ইত্যাদি বেশি ক্ষতিকর। সাধারণত দূষিত খাবার এবং পানির মাধ্যমে কৃমি শরীরে প্রবেশ করে। সাধারণ কৃমি দূর করার জন্য কৃমিনাশক ওষুধ গ্রহণ করা হয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। এমন কিছু উপায় নিয়ে আজকের এই আয়োজন।<br />
<br />
১। রসুন<br />
<br />
রসুন হলো অ্যান্টি প্যারাসাইট খাবার। কাঁচা রসুনে সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিড থাকে যার প্রকৃতি অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ধরণের। এছাড়াও রসুনে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল এবং অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান থাকে যা শরীরের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। প্রতিদিন খালি পেটে তিনটি রসুনের কোয়া খান। এটি সপ্তাহে পাঁচদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া দুটি রসুন এক এবং আধা কাপ দুধে জ্বাল দিন। বলক এলে নামিয়ে ফেলুন। এবার এটি পান করুন। এটি এক সপ্তাহ পান করুন।<br />
<br />
২। নারকেল<br />
<br />
কৃমি দূর করতে বেশ কার্যকর একটি উপায় হলো নারকেল। সকালের নাস্তায় এক টেবিল চামচ নারকেল কুচি খান। নাস্তা খাওয়ার তিন ঘন্টা পর এক গ্লাস কুসুম গরম দুধে দুই  টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। তবে ক্যাস্টর অয়েল পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের এবং গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল সমস্যাগ্রস্তদের জন্য প্রযোজ্য নয়। নারকেল কুচি ছাড়াও চার থেকে ছয় টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারকেল তেল পান করতে পারেন। এটিও কৃমি  দূর করতে সাহায্য করবে।<br />
<br />
৩। কাঁচা পেঁপে<br />
<br />
এক টেবিল চামচ কাঁচা পেঁপের রসের সাথে মধু তিন বা চার টেবিল চামচ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি সকালে খালি পেটে পান করুন। দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে পান করুন। এটি দুই থেকে তিন দিন পান করুন। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে অর্ধেক করে নিন। এছাড়া পেঁপের বীচি গুঁড়ো করে নিন। এক কাপ কুসুম গরম দুধ বা পানির সাথে দুই চা চামচ পেঁপের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি খালি পেটে তিনদিন পান করুন।<br />
<br />
৪। মিষ্টি কুমড়োর বীচি<br />
<br />
ইউনিভার্সিটি অফ ম্যারিলেন্ড মেডিকেল সেন্টার কৃমি দূর করতে মিষ্টি কুমড়োর বীচি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মিষ্টি কুমড়োতে থাকা উপাদান অন্ত্রের কৃমিকে মেরে ফেলে। তিন কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ মিষ্টি কুমড়ো বীচি গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন ৩০ মিনিট। ঠান্ডা হলে এটি পান করুন। এছাড়া এক টেবিল চামচ ভাজা মিষ্টি কুমড়ো বীচি গুঁড়োর সাথে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান। এরপর নাস্তায় কলা বা কিউই খান।<br />
<br />
৫। লবঙ্গ<br />
<br />
লবঙ্গে থাকা অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি পারাসাইটিক, ব্যাকটিরিসাইডাল রয়েছে যা কৃমির ডিম ধ্বংস করে দেয়। এক কাপ গরম পানিতে এক চা চামচ লবঙ্গের গুড়ো মিশিয়ে ১০-২০ মিনিট জ্বাল দিন। তারপর পান করুন। এটি দিনে তিনবার পান করুন। এক সপ্তাহ পান করুন। দেখেবন কৃমি দ্রুত মারা গেছে।<br />
<br />
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অস্বস্তিকর একটি সমস্যার নাম হলো কৃমি। গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল নালীর মধ্যে বসবাসকারী পরজীবীই হলো কৃমি। এরা প্রাথমিকভাবে অন্ত্রের প্রাচীরের সাথে লেগে থাকে। কৃমি বিভিন্নধরনের হয়ে থাকে। তবে এরমধ্যে ফিতাকৃমি, কেঁচোকৃমি ইত্যাদি বেশি ক্ষতিকর। সাধারণত দূষিত খাবার এবং পানির মাধ্যমে কৃমি শরীরে প্রবেশ করে। সাধারণ কৃমি দূর করার জন্য কৃমিনাশক ওষুধ গ্রহণ করা হয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। এমন কিছু উপায় নিয়ে আজকের এই আয়োজন।<br />
<br />
১। রসুন<br />
<br />
রসুন হলো অ্যান্টি প্যারাসাইট খাবার। কাঁচা রসুনে সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিড থাকে যার প্রকৃতি অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ধরণের। এছাড়াও রসুনে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল এবং অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান থাকে যা শরীরের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। প্রতিদিন খালি পেটে তিনটি রসুনের কোয়া খান। এটি সপ্তাহে পাঁচদিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া দুটি রসুন এক এবং আধা কাপ দুধে জ্বাল দিন। বলক এলে নামিয়ে ফেলুন। এবার এটি পান করুন। এটি এক সপ্তাহ পান করুন।<br />
<br />
২। নারকেল<br />
<br />
কৃমি দূর করতে বেশ কার্যকর একটি উপায় হলো নারকেল। সকালের নাস্তায় এক টেবিল চামচ নারকেল কুচি খান। নাস্তা খাওয়ার তিন ঘন্টা পর এক গ্লাস কুসুম গরম দুধে দুই  টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। তবে ক্যাস্টর অয়েল পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের এবং গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল সমস্যাগ্রস্তদের জন্য প্রযোজ্য নয়। নারকেল কুচি ছাড়াও চার থেকে ছয় টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারকেল তেল পান করতে পারেন। এটিও কৃমি  দূর করতে সাহায্য করবে।<br />
<br />
৩। কাঁচা পেঁপে<br />
<br />
এক টেবিল চামচ কাঁচা পেঁপের রসের সাথে মধু তিন বা চার টেবিল চামচ গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি সকালে খালি পেটে পান করুন। দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে পান করুন। এটি দুই থেকে তিন দিন পান করুন। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে অর্ধেক করে নিন। এছাড়া পেঁপের বীচি গুঁড়ো করে নিন। এক কাপ কুসুম গরম দুধ বা পানির সাথে দুই চা চামচ পেঁপের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি খালি পেটে তিনদিন পান করুন।<br />
<br />
৪। মিষ্টি কুমড়োর বীচি<br />
<br />
ইউনিভার্সিটি অফ ম্যারিলেন্ড মেডিকেল সেন্টার কৃমি দূর করতে মিষ্টি কুমড়োর বীচি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মিষ্টি কুমড়োতে থাকা উপাদান অন্ত্রের কৃমিকে মেরে ফেলে। তিন কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ মিষ্টি কুমড়ো বীচি গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন ৩০ মিনিট। ঠান্ডা হলে এটি পান করুন। এছাড়া এক টেবিল চামচ ভাজা মিষ্টি কুমড়ো বীচি গুঁড়োর সাথে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান। এরপর নাস্তায় কলা বা কিউই খান।<br />
<br />
৫। লবঙ্গ<br />
<br />
লবঙ্গে থাকা অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি পারাসাইটিক, ব্যাকটিরিসাইডাল রয়েছে যা কৃমির ডিম ধ্বংস করে দেয়। এক কাপ গরম পানিতে এক চা চামচ লবঙ্গের গুড়ো মিশিয়ে ১০-২০ মিনিট জ্বাল দিন। তারপর পান করুন। এটি দিনে তিনবার পান করুন। এক সপ্তাহ পান করুন। দেখেবন কৃমি দ্রুত মারা গেছে।<br />
<br />
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পুষ্টিবিদেরা যে ক্যালরির স্ন্যাক্সগুলো অবশ্যই জানা জরুলী]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2537</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 17:07:54 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2537</guid>
			<description><![CDATA[পুষ্টিবিদেরা প্রধান খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে ১০০ থেকে ৩০০ ক্যালরির স্ন্যাক্স গ্রহণ করেন। পুষ্টিবিদদের ব্যাগে এরকম কিছু স্ন্যাক্স থাকে সব সময়। এমন কিছু স্মার্ট স্ন্যাক্স এর কথাই জেনে নেব আমরা আজকের ফিচারে।<br />
<br />
১। আপেল<br />
<br />
দিনে ১ টি আপেল খাওয়ার যে পরামর্শ দেয়া হত আগেকার যুগে তা এখনো কার্যকরী আছে স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য। নিউ ইয়র্ক এর ব্রনক্স এর আলবার্ট আইনেস্টাইন কলেজ অফ মেডিসিনের শিশুরোগবিদ্যা বিভাগের এসোসিয়েট ক্লিনিক্যাল প্রফেসর কেইথ থমাস আয়ুব প্রায়ই দিনের বেলায় তার সাথে আপেল রাখেন। তিনি বলেন, ‘এতে প্রচুর পেকটিন থাকে যা আপনার পেট  ভরা রাখতে সাহায্য করবে এবং এদের বিভিন্ন প্রজাতিও আছে বিভিন্ন স্বাদের জন্য’। একটি বড় আপেলে ১০০ ক্যালোরি থাকে। প্রোটিনের শক্তি পাওয়ার জন্য এর সাথে ১ টেবিলচামচ পিনাট বাটার গ্রহণ করতে পারেন।<br />
<br />
২। ডার্ক চকলেট<br />
<br />
১ আউন্স ডার্ক চকলেটে ১৫০ ক্যালোরি থাকে এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। আয়ুব বলেন, ডার্ক চকলেটে ৭০ শতাংশ কোকোয়া থাকে যা স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিকল্পনা বজায় রাখতে সাহায্য করে।<br />
<br />
৩। ফাইবার সমৃদ্ধ সিরিয়াল<br />
<br />
উচ্চমাত্রার ফাইবার যুক্ত সিরিয়াল পছন্দ করুন। যে পরিমাণ ফাইবার গ্রহণ করা উচিৎ অনেকেই তা গ্রহণ করেন না।<br />
<br />
৪। নিউট্রিশন বার<br />
<br />
মিশিগানের গ্র্যান্ড রেপিড এর রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান শেরিল লজিকি বলেন, কম চিনি, ৭ গ্রামের বেশি প্রোটিন এবং ৩ গ্রাম ফাইবার যুক্ত বার পছন্দ করা উচিৎ যার ক্যালরির পরিমাণ ২০০ এর নীচে থাকবে। প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ বার দীর্ঘ সময় যাবৎ পেট ভরা রাখতে এবং শক্তির সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।<br />
<br />
৫। সিদ্ধ ডিম<br />
<br />
হেলথ অ্যাপ লাইফ সাম এর ফিটনেস এন্ড লাইফস্টাইল এক্সপার্ট জসেলাইন বচেন এর মতে,  দিনের যেকোন সময়ের জন্যই ডিম একটি ভালো খাবার। তিনি বলেন, ‘আমি ডিমকে পছন্দ করি ওজন কমানোর জন্য, কারণ এটি প্রোটিনের চমৎকার উৎস’। ডিম সিদ্ধ করা খুবই সহজ এবং বাহিরে যাওয়ার সময় এটি বহন করাও সহজ।<br />
<br />
৬। কলা ও পিনাট বাটার<br />
<br />
হ্যালো ফ্রেশ এর ইন হাউজ ডায়েটেশিয়ান রেবেকা লিউইস বলেন, কলা প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি  এবং ক্রিমি স্বাদের। পিনাট বাটার ফাইবারের চমৎকার উৎস এবং এতে স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত উদ্ভিজ ফ্যাট থাকে। লিউইস বলেন, ‘তবে খেতে হবে সীমিত পরিমাণে, কারণ এর ১  টেবিলচামচে ৭ গ্রাম ফ্যাট এবং ৬৩ ক্যালোরি থাকে। এছাড়াও পিনাট বাটার কেনার সময় এর লেবেলটি পড়ে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, এতে চিনি বা হাই ফ্রুক্টোজ কর্ণ সিরাপ নেই এবং হাইড্রোজেনেটেড অয়েল ও নেই’।<br />
<br />
৭। বাদাম<br />
<br />
কাঁচা ও লবণছাড়া বাদাম স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং প্রোটিন এর চমৎকার উৎস। এরা রক্তের চিনির মাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে, সারাদিনে এনার্জি ঠিক রাখে, পেট ভরা রাখে এবং ফোকাস থাকতে সাহায্য করে বলেন, সিয়াটল সাটন হেলদি ইটিং এর প্রধান নিউট্রিশন এক্সপার্ট এবং রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান রেনে ফিচেক। তিনি বলেন, ‘কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম ইত্যাদি বাদামগুলোতে উচ্চমাত্রার ম্যাগনেসিয়াম থাকে যা চিনিকে শক্তিতে পরিণত করতে সাহায্য করে’। এছাড়াও বাদামে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে বলে তা ক্ষুধা দমনে সাহায্য করে। আপনার ব্যাগে বা অফিস ডেস্কের ড্রয়ারে বাদাম রাখুন সারাদিন এনার্জেটিক থাকার জন্য।<br />
<br />
৮। সিদ্ধ ছোলা<br />
<br />
ওয়াশিংটন ডিসি এর রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান, ভেলেরি এগেইমেন পরামর্শ দেন স্ন্যাক্স হিসেবে সিদ্ধ ছোলা খাওয়ার, কারণ এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন ও ফাইবার থাকে।<br />
<br />
সূত্র : রিডারস ডাইজেস্ট]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পুষ্টিবিদেরা প্রধান খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে ১০০ থেকে ৩০০ ক্যালরির স্ন্যাক্স গ্রহণ করেন। পুষ্টিবিদদের ব্যাগে এরকম কিছু স্ন্যাক্স থাকে সব সময়। এমন কিছু স্মার্ট স্ন্যাক্স এর কথাই জেনে নেব আমরা আজকের ফিচারে।<br />
<br />
১। আপেল<br />
<br />
দিনে ১ টি আপেল খাওয়ার যে পরামর্শ দেয়া হত আগেকার যুগে তা এখনো কার্যকরী আছে স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য। নিউ ইয়র্ক এর ব্রনক্স এর আলবার্ট আইনেস্টাইন কলেজ অফ মেডিসিনের শিশুরোগবিদ্যা বিভাগের এসোসিয়েট ক্লিনিক্যাল প্রফেসর কেইথ থমাস আয়ুব প্রায়ই দিনের বেলায় তার সাথে আপেল রাখেন। তিনি বলেন, ‘এতে প্রচুর পেকটিন থাকে যা আপনার পেট  ভরা রাখতে সাহায্য করবে এবং এদের বিভিন্ন প্রজাতিও আছে বিভিন্ন স্বাদের জন্য’। একটি বড় আপেলে ১০০ ক্যালোরি থাকে। প্রোটিনের শক্তি পাওয়ার জন্য এর সাথে ১ টেবিলচামচ পিনাট বাটার গ্রহণ করতে পারেন।<br />
<br />
২। ডার্ক চকলেট<br />
<br />
১ আউন্স ডার্ক চকলেটে ১৫০ ক্যালোরি থাকে এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। আয়ুব বলেন, ডার্ক চকলেটে ৭০ শতাংশ কোকোয়া থাকে যা স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিকল্পনা বজায় রাখতে সাহায্য করে।<br />
<br />
৩। ফাইবার সমৃদ্ধ সিরিয়াল<br />
<br />
উচ্চমাত্রার ফাইবার যুক্ত সিরিয়াল পছন্দ করুন। যে পরিমাণ ফাইবার গ্রহণ করা উচিৎ অনেকেই তা গ্রহণ করেন না।<br />
<br />
৪। নিউট্রিশন বার<br />
<br />
মিশিগানের গ্র্যান্ড রেপিড এর রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান শেরিল লজিকি বলেন, কম চিনি, ৭ গ্রামের বেশি প্রোটিন এবং ৩ গ্রাম ফাইবার যুক্ত বার পছন্দ করা উচিৎ যার ক্যালরির পরিমাণ ২০০ এর নীচে থাকবে। প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ বার দীর্ঘ সময় যাবৎ পেট ভরা রাখতে এবং শক্তির সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।<br />
<br />
৫। সিদ্ধ ডিম<br />
<br />
হেলথ অ্যাপ লাইফ সাম এর ফিটনেস এন্ড লাইফস্টাইল এক্সপার্ট জসেলাইন বচেন এর মতে,  দিনের যেকোন সময়ের জন্যই ডিম একটি ভালো খাবার। তিনি বলেন, ‘আমি ডিমকে পছন্দ করি ওজন কমানোর জন্য, কারণ এটি প্রোটিনের চমৎকার উৎস’। ডিম সিদ্ধ করা খুবই সহজ এবং বাহিরে যাওয়ার সময় এটি বহন করাও সহজ।<br />
<br />
৬। কলা ও পিনাট বাটার<br />
<br />
হ্যালো ফ্রেশ এর ইন হাউজ ডায়েটেশিয়ান রেবেকা লিউইস বলেন, কলা প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি  এবং ক্রিমি স্বাদের। পিনাট বাটার ফাইবারের চমৎকার উৎস এবং এতে স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত উদ্ভিজ ফ্যাট থাকে। লিউইস বলেন, ‘তবে খেতে হবে সীমিত পরিমাণে, কারণ এর ১  টেবিলচামচে ৭ গ্রাম ফ্যাট এবং ৬৩ ক্যালোরি থাকে। এছাড়াও পিনাট বাটার কেনার সময় এর লেবেলটি পড়ে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, এতে চিনি বা হাই ফ্রুক্টোজ কর্ণ সিরাপ নেই এবং হাইড্রোজেনেটেড অয়েল ও নেই’।<br />
<br />
৭। বাদাম<br />
<br />
কাঁচা ও লবণছাড়া বাদাম স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং প্রোটিন এর চমৎকার উৎস। এরা রক্তের চিনির মাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে, সারাদিনে এনার্জি ঠিক রাখে, পেট ভরা রাখে এবং ফোকাস থাকতে সাহায্য করে বলেন, সিয়াটল সাটন হেলদি ইটিং এর প্রধান নিউট্রিশন এক্সপার্ট এবং রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান রেনে ফিচেক। তিনি বলেন, ‘কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম ইত্যাদি বাদামগুলোতে উচ্চমাত্রার ম্যাগনেসিয়াম থাকে যা চিনিকে শক্তিতে পরিণত করতে সাহায্য করে’। এছাড়াও বাদামে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে বলে তা ক্ষুধা দমনে সাহায্য করে। আপনার ব্যাগে বা অফিস ডেস্কের ড্রয়ারে বাদাম রাখুন সারাদিন এনার্জেটিক থাকার জন্য।<br />
<br />
৮। সিদ্ধ ছোলা<br />
<br />
ওয়াশিংটন ডিসি এর রেজিস্টার্ড ডায়েটেশিয়ান, ভেলেরি এগেইমেন পরামর্শ দেন স্ন্যাক্স হিসেবে সিদ্ধ ছোলা খাওয়ার, কারণ এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন ও ফাইবার থাকে।<br />
<br />
সূত্র : রিডারস ডাইজেস্ট]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যাদের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় কমিয়ে যায় নিন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2535</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 17:04:30 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2535</guid>
			<description><![CDATA[বিভিন্ন কারণে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আপনার চারপাশের পরিবেশ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের ঠা ঠা রোদের কারণেও দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আপনি কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন তার দ্বারাও বৃদ্ধি পেতে পারে আপনার দেহের তাপমাত্রা। মসলাযুক্ত খাবার, অ্যালকোহল, ক্যাফেইন ইত্যাদি খাবারগুলো অভ্যন্তরীণভাবে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। কিছু ঔষধ অথবা অসুস্থতার কারণেও বৃদ্ধি পেতে পারে আপনার দেহের তাপমাত্রা।<br />
<br />
মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হচ্ছে ৩৬.৫-৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেট বা ৯৭.৭-৯৯.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট। বাহ্যিক আবহাওয়ার অবস্থা যাই থাকুক না কেন শরীরের নিয়মিত কাজগুলো সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দেহের অভ্যন্তরীণ তাপ ঠিক রাখা প্রয়োজন। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কোন রোগ নয় কিন্তু একে হালকা ভাবেও নেয়া ঠিক নয়। কারণ এটি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা না হলে হিটস্ট্রোক হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে তা দুর্বলতা, অলসতা, মাথা ঘোরানো, মাথাব্যথা, বমি বমিভাব, পেশীর সংকোচন, অত্যধিক ঘাম হয় এবং হৃদস্পন্দন দ্রুত  হয়।  এছাড়াও প্রায়ই ডিহাইড্রেশনের সমস্যাও দেখা যেতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা কমানোর উপায় নিয়েই আজকের এই ফিচার।  <br />
<br />
১। ঠান্ডা পানি<br />
<br />
দেহের তাপ কমতে সাহায্য করে ঠান্ডা পানি। আপনার দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে দেখলেই এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করে নিন। ১৫ মিনিট পর পর ঠান্ডা পানি চুমুক দিয়ে খান। এটি ডিহাইড্রেশন হওয়া প্রতিরোধ করবে। এছাড়াও ঠান্ডা পানি পূর্ণ বালতিতে পা ভিজিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট যাবৎ। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমবে।<br />
<br />
২। মধু এবং দুধ<br />
<br />
শরীরের তাপ কমাতে চমৎকারভাবে কাজ করে মধু ও ঠান্ডা দুধ। এজন্য ১ গ্লাস ঠান্ডা দুধের সাথে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে কার্যকরী ফল পাবেন।<br />
<br />
৩। চন্দন ও পানি<br />
<br />
চন্দনের গুঁড়া পানি বা ঠান্ডা দুধের সাথে মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট আপনার কপালে ও চিবুকে লাগান। ত্বককে তাৎক্ষণিকভাবে ঠান্ডা করার এবং অত্যধিক তাপমাত্রা কমাবার এটা পরীক্ষিত একটি কৌশল। এই মিশ্রণের সাথে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিলে আরো ভালো ফল পাওয়া যায়।<br />
<br />
৪। ঘোল<br />
<br />
আয়ুরবেদ মতে, শরীরের তাপমাত্রা কমানোর কার্যকরী প্রতিকার হচ্ছে ঘোল। এছাড়াও অত্যধিক ঘামের কারণে শরীর থেকে যে ভিটামিন ও মিনারেল বের হয়ে যায় তা পূরণ করতেও সাহায্য করে ঘোল। গরমের সময়ে সকালে ১ গ্লাস ঘোল পান করলে সারাদিন শরীর ঠান্ডা থাকবে।<br />
<br />
৫। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার<br />
<br />
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি ও ফল দেহের তাপমাত্রা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। গরমের সময় অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ভাবে শরীরের তাপ বৃদ্ধি পায়। সেই সময় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি ও ফল খেলে শরীরের তাপমাত্রা কমতে সাহায্য করে।<br />
<br />
সূত্র : বিউটি হেলথ টিপস ও টপ টেন হোম রেমেডিস]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বিভিন্ন কারণে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আপনার চারপাশের পরিবেশ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের ঠা ঠা রোদের কারণেও দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আপনি কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন তার দ্বারাও বৃদ্ধি পেতে পারে আপনার দেহের তাপমাত্রা। মসলাযুক্ত খাবার, অ্যালকোহল, ক্যাফেইন ইত্যাদি খাবারগুলো অভ্যন্তরীণভাবে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। কিছু ঔষধ অথবা অসুস্থতার কারণেও বৃদ্ধি পেতে পারে আপনার দেহের তাপমাত্রা।<br />
<br />
মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হচ্ছে ৩৬.৫-৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেট বা ৯৭.৭-৯৯.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট। বাহ্যিক আবহাওয়ার অবস্থা যাই থাকুক না কেন শরীরের নিয়মিত কাজগুলো সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দেহের অভ্যন্তরীণ তাপ ঠিক রাখা প্রয়োজন। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কোন রোগ নয় কিন্তু একে হালকা ভাবেও নেয়া ঠিক নয়। কারণ এটি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা না হলে হিটস্ট্রোক হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে তা দুর্বলতা, অলসতা, মাথা ঘোরানো, মাথাব্যথা, বমি বমিভাব, পেশীর সংকোচন, অত্যধিক ঘাম হয় এবং হৃদস্পন্দন দ্রুত  হয়।  এছাড়াও প্রায়ই ডিহাইড্রেশনের সমস্যাও দেখা যেতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা কমানোর উপায় নিয়েই আজকের এই ফিচার।  <br />
<br />
১। ঠান্ডা পানি<br />
<br />
দেহের তাপ কমতে সাহায্য করে ঠান্ডা পানি। আপনার দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে দেখলেই এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করে নিন। ১৫ মিনিট পর পর ঠান্ডা পানি চুমুক দিয়ে খান। এটি ডিহাইড্রেশন হওয়া প্রতিরোধ করবে। এছাড়াও ঠান্ডা পানি পূর্ণ বালতিতে পা ভিজিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট যাবৎ। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমবে।<br />
<br />
২। মধু এবং দুধ<br />
<br />
শরীরের তাপ কমাতে চমৎকারভাবে কাজ করে মধু ও ঠান্ডা দুধ। এজন্য ১ গ্লাস ঠান্ডা দুধের সাথে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে কার্যকরী ফল পাবেন।<br />
<br />
৩। চন্দন ও পানি<br />
<br />
চন্দনের গুঁড়া পানি বা ঠান্ডা দুধের সাথে মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট আপনার কপালে ও চিবুকে লাগান। ত্বককে তাৎক্ষণিকভাবে ঠান্ডা করার এবং অত্যধিক তাপমাত্রা কমাবার এটা পরীক্ষিত একটি কৌশল। এই মিশ্রণের সাথে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিলে আরো ভালো ফল পাওয়া যায়।<br />
<br />
৪। ঘোল<br />
<br />
আয়ুরবেদ মতে, শরীরের তাপমাত্রা কমানোর কার্যকরী প্রতিকার হচ্ছে ঘোল। এছাড়াও অত্যধিক ঘামের কারণে শরীর থেকে যে ভিটামিন ও মিনারেল বের হয়ে যায় তা পূরণ করতেও সাহায্য করে ঘোল। গরমের সময়ে সকালে ১ গ্লাস ঘোল পান করলে সারাদিন শরীর ঠান্ডা থাকবে।<br />
<br />
৫। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার<br />
<br />
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি ও ফল দেহের তাপমাত্রা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। গরমের সময় অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ভাবে শরীরের তাপ বৃদ্ধি পায়। সেই সময় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি ও ফল খেলে শরীরের তাপমাত্রা কমতে সাহায্য করে।<br />
<br />
সূত্র : বিউটি হেলথ টিপস ও টপ টেন হোম রেমেডিস]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>