<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - সাজগোজ টিপস]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Thu, 22 Oct 2026 23:17:26 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[কেমন হবে কানের দুল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2195</link>
			<pubDate>Wed, 22 Feb 2017 08:19:21 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2195</guid>
			<description><![CDATA[নারীর সাজের অনন্য উপকরণ হলো কানের দুল। আর অলংকার বলতে মেয়েরা সবার আগে হাতে তুলে নেয় কানের দুল। কানের দুল হল সেই অলংকার যা নারীর ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। একটা সময় ছিল যখন স্বর্ণ, আর এমিটেশন দুলের ব্যাপক ব্যবহার ছিল। তবে হাল ফ্যাশনে সব বয়সী নারীর মাঝেই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে জাংক জুয়েলারি। মেটাল, বিডস, পিতল, বাঁশ, কাঠ, হাড়গোড়, মাটি, সুতা, ধাতু, পালক, নারকেলের মালা, ঝিনুক, শামুকের খোলাসহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব কানের দুলের নকশায় করা হচ্ছে নানা রকম এক্সপেরিমেন্ট। নকশাতে এখন আদিবাসী থিমও চলছে বেশ। কানপাশা, মিনা করা ঝুমকা, নকশার ঝুমকা, মাকড়ি, কলকা, চুড়, ঘণ্টিসহ নানা ডিজাইন রয়েছে এসব কানের দুলে।<br />
টিনএজ ফ্যাশনের সঙ্গে মিলিয়ে এখন বাজারে এসেছে হালকা ও হেভি মেটালের আর কানের দুল। এতে ফুটে উঠেছে এন্টিক ও ট্রাইভাল লুক। টপস, ফতুয়া, জিনস, ক্যাপ্রি, শার্ট কিংবা স্কার্টসহ শাড়ির সঙ্গেও চমৎকার লাগবে এগুলো, আবার দামটাও কম। বিভিন্ন ডিজাইনের মেটালের ওপর স্টোন বসানো, স্টোনের, সিলভারের ওপর পলিশ করা আর আর্টিফিশিয়াল মুক্তার ছোট বড় দুলের চাহিদা বরাবরই। একটু দামের মধ্যে কিনতে চাইলে রুবি, পান্না, আনকাট ডায়মন্ডের কানের দুল কিনতে পারেন।<br />
সাধারণত সুতি শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজ এবং টপস, ফতুয়ার সঙ্গে কাঠ, পিতল, কাঁসা, শোলা, মাটি, পুঁতিসহ এ ধরনের নানা উপকরণের কানের দুল মানিয়ে যাবে বেশ। আবার ঝলমলে বুননের সিনথেটিক কাপড়ের শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে ধাতু আর স্টোনের কানের দুল চমৎকার লাগবে।<br />
মাদুলি, আড়ং, পিরান, বিবিয়ানা, দেশাল, রঙসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস, আজিজ সুপার মার্কেট, নিউমার্কেট, গাউসিয়া, নাভানা টাওয়ার, কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি, বসুন্ধরা সিটি, মৌচাক মার্কেট, ইস্টার্ন প্লাজা, গুলশান মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে পাবেন আপনার ঈদের পোশাকের সঙ্গে মানানসই চুড়ি আর কানের দুল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নারীর সাজের অনন্য উপকরণ হলো কানের দুল। আর অলংকার বলতে মেয়েরা সবার আগে হাতে তুলে নেয় কানের দুল। কানের দুল হল সেই অলংকার যা নারীর ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। একটা সময় ছিল যখন স্বর্ণ, আর এমিটেশন দুলের ব্যাপক ব্যবহার ছিল। তবে হাল ফ্যাশনে সব বয়সী নারীর মাঝেই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে জাংক জুয়েলারি। মেটাল, বিডস, পিতল, বাঁশ, কাঠ, হাড়গোড়, মাটি, সুতা, ধাতু, পালক, নারকেলের মালা, ঝিনুক, শামুকের খোলাসহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব কানের দুলের নকশায় করা হচ্ছে নানা রকম এক্সপেরিমেন্ট। নকশাতে এখন আদিবাসী থিমও চলছে বেশ। কানপাশা, মিনা করা ঝুমকা, নকশার ঝুমকা, মাকড়ি, কলকা, চুড়, ঘণ্টিসহ নানা ডিজাইন রয়েছে এসব কানের দুলে।<br />
টিনএজ ফ্যাশনের সঙ্গে মিলিয়ে এখন বাজারে এসেছে হালকা ও হেভি মেটালের আর কানের দুল। এতে ফুটে উঠেছে এন্টিক ও ট্রাইভাল লুক। টপস, ফতুয়া, জিনস, ক্যাপ্রি, শার্ট কিংবা স্কার্টসহ শাড়ির সঙ্গেও চমৎকার লাগবে এগুলো, আবার দামটাও কম। বিভিন্ন ডিজাইনের মেটালের ওপর স্টোন বসানো, স্টোনের, সিলভারের ওপর পলিশ করা আর আর্টিফিশিয়াল মুক্তার ছোট বড় দুলের চাহিদা বরাবরই। একটু দামের মধ্যে কিনতে চাইলে রুবি, পান্না, আনকাট ডায়মন্ডের কানের দুল কিনতে পারেন।<br />
সাধারণত সুতি শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজ এবং টপস, ফতুয়ার সঙ্গে কাঠ, পিতল, কাঁসা, শোলা, মাটি, পুঁতিসহ এ ধরনের নানা উপকরণের কানের দুল মানিয়ে যাবে বেশ। আবার ঝলমলে বুননের সিনথেটিক কাপড়ের শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে ধাতু আর স্টোনের কানের দুল চমৎকার লাগবে।<br />
মাদুলি, আড়ং, পিরান, বিবিয়ানা, দেশাল, রঙসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস, আজিজ সুপার মার্কেট, নিউমার্কেট, গাউসিয়া, নাভানা টাওয়ার, কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি, বসুন্ধরা সিটি, মৌচাক মার্কেট, ইস্টার্ন প্লাজা, গুলশান মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে পাবেন আপনার ঈদের পোশাকের সঙ্গে মানানসই চুড়ি আর কানের দুল।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যুগ যুগ ধরে বাঙালি নারীর সাজসজ্জায় রুপার গয়না!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1188</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:43:49 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1188</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রবাদ আছে বাঙালি নারী স্বামী আর গয়না এই দুই জিনিসের ভাগ দিতে চায়না। তা এই কথা সত্য হোক কিংবা মিথ্যা, গয়নার সাথে বাঙালি নারীর সম্পর্ক যুগ যুগান্তরের।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">একটা সময় বাংলার গ্রাম বাংলায় নারীদের গয়না বলতে ছিলো পায়ের মল, হাতের বাজু আর কোমরের বিছা। এসব গয়নার সিংহভাগই তৈরি হত রুপা দিয়ে। আজ আমাদের আয়োজনবাঙালি নারীর সাজে রুপার গয়না নিয়ে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শুরুর দিকের কথা:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">যেমনটা বলছিলাম খানিক আগে। একটা সময় বাঙালি নারীদের গয়নায় রুপার দাপট ছিলো বেশ। সৌন্দর্য, আভিজাত্য আর সাজসজ্জায় রুপা ছিলো তাদের ভরসা। নানান বাহারী নকশা আঁকা রুপার গয়না শোভা পেত গয়না ভালোবাসেন এমন নারীদের অঙ্গে। শুধু কি তাই? জমিদার বাড়িতে পানদানী, ফুলদানী সবকিছুতেই ছিলো রুপার ব্যবহার।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কালের বিবর্তনে রুপার গয়না:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ধীরে ধীরে রুপার জায়গা দখল করে নিয়েছিলো সোনা, মেটাল এবং বিভন্ন পাথরের গয়না। রুপার বাজারে তখন একটু ভাটাই পড়েছিলো বলা চলে। কিন্তু সময় ঘুরে আবারও নারীর পছন্দের শীর্ষে চলে এসেছে রুপার গয়না।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শাড়ি কিংবা ফতুয়া, সাধারন অনুষ্ঠান কিংবা বিয়ে বাড়ি, বর্ষা কিংবা হেমন্ত সবকিছুর সাথে তাল মেলাতে রুপার গয়নার জুড়ি নেই। আর তাইতো বাঙালি নারীর পছন্দের তালিকায় এখন অবস্থান করে রুপার তৈরি সব গহনা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অনেকে আবার রুপার গয়নায় গোল্ড প্লেটের কাজ করিয়ে গয়নায় আনছেন নতুনত্ব। ভারী কাজের গয়না হিসেবে গোল্ড প্লেটের কাজ করা রুপার গয়না বেশ চলছে এখন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কোথায় পাবেন, কেমন দামে:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রুপার গয়না বললেই প্রথমে চলে আছে দেশি হাউজ আড়ং এর কথা। নানা ধরনের, নানা বাহারের রুপার গয়না পাবেন এখানে। রুপার মল, নাকফুল, আংটি, চুড়ি, ব্রেসলেট থেকে শুরু করে গলার হার পর্যন্ত নানা নকশার গয়না পাওয়া যাবে। দাম নির্ভর করবে কী কিনছেন, তার ওপর।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ফ্যাশন হাউস অঞ্জন’স এ পাবেন আধুনিক ডিজাইনের রূপার গয়না। এই ফ্যাশন হাউসের গয়নার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা মোটিফ ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বসুন্ধরা সিটি, গাউসিয়া, ইস্টার্ন মল্লিকা, মেট্রো শপিং মলেও পাবেন রুপার গয়না। আর চাইলে নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন রুপার গয়না।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ডিজাইন ও আকার ভেদে প্রতিটি রুপার নাকফুলের দাম পড়বে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। কানের দুল ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা। বালা ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা। টিকলি দেড় হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। ব্রেসলেট ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা, খাড়ু ও বাজু ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা, মাদুলি সেট আড়াই হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">গয়নার সেট কিনতে খরচ হবে দশ হাজার থেকে পনের হাজার টাকার মধ্যে। তবে জাঁকজমকপূর্ণ গয়নার সেট কিনতে হলে খরচ করতে হবে ৫০ হাজার টাকার বেশি।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রুপার গয়নার যত্নে জানা উচিৎ যে বিষয়গুলো:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শখ করে রুপার গয়না বানালেন কিন্তু কিছুদিন ব্যবহারের পরই তা কালো হয়ে গেল। নিশ্চয়ই তখন মন খারাপ হবে আপনার। এর চেয়ে বরং জেনে নিন কি করে রুপার গয়নার যত্ন নিবেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*বাইরের থেকে ফিরে এসেই রুপার গয়নাকে বাক্সে রেখে দিবেন না। বরং কিছুটা সময় বাইরে বাতাসে রাখুন। এরপর ট্যিসু পেচিয়ে সুন্দর করে রাখুন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*অন্যান্য গয়নার সাথে রুপার গয়নাগুলো না রেখে সেগুলোকে আলাদা রাখুন। সোনা আর রুপার গয়না একসাথে রাখলে রুপার বর্ন কালচে হয়ে যায়।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*রুপার গয়না কালো হয়ে গেলে একটি বাটিতে তেতুল গুলে নিয়ে সেই পানিতে গয়না ১০-১৫ মিনিট রেখে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*হালকা গরম পানিতে সাদা টুথপেস্ট গুলিয়ে গয়না পরিষ্কার করুন। কালচেভাব চলে যাবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*গোল্ড প্লেটেড গয়না কালো হয়ে গেলে সোনার দোকান থেকে রঙ করিয়ে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়েও রুপার গয়না পরিষ্কার করে নিতে পারেন সহজে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সাজে এবং সৌন্দর্যে রুপার গয়না জায়গা করে নিয়েছে নিজের গুনে। বাঙালি নারীর পছন্দে তাই রুপার গয়নার অবস্থান শীর্ষে।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রবাদ আছে বাঙালি নারী স্বামী আর গয়না এই দুই জিনিসের ভাগ দিতে চায়না। তা এই কথা সত্য হোক কিংবা মিথ্যা, গয়নার সাথে বাঙালি নারীর সম্পর্ক যুগ যুগান্তরের।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">একটা সময় বাংলার গ্রাম বাংলায় নারীদের গয়না বলতে ছিলো পায়ের মল, হাতের বাজু আর কোমরের বিছা। এসব গয়নার সিংহভাগই তৈরি হত রুপা দিয়ে। আজ আমাদের আয়োজনবাঙালি নারীর সাজে রুপার গয়না নিয়ে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শুরুর দিকের কথা:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">যেমনটা বলছিলাম খানিক আগে। একটা সময় বাঙালি নারীদের গয়নায় রুপার দাপট ছিলো বেশ। সৌন্দর্য, আভিজাত্য আর সাজসজ্জায় রুপা ছিলো তাদের ভরসা। নানান বাহারী নকশা আঁকা রুপার গয়না শোভা পেত গয়না ভালোবাসেন এমন নারীদের অঙ্গে। শুধু কি তাই? জমিদার বাড়িতে পানদানী, ফুলদানী সবকিছুতেই ছিলো রুপার ব্যবহার।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কালের বিবর্তনে রুপার গয়না:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ধীরে ধীরে রুপার জায়গা দখল করে নিয়েছিলো সোনা, মেটাল এবং বিভন্ন পাথরের গয়না। রুপার বাজারে তখন একটু ভাটাই পড়েছিলো বলা চলে। কিন্তু সময় ঘুরে আবারও নারীর পছন্দের শীর্ষে চলে এসেছে রুপার গয়না।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শাড়ি কিংবা ফতুয়া, সাধারন অনুষ্ঠান কিংবা বিয়ে বাড়ি, বর্ষা কিংবা হেমন্ত সবকিছুর সাথে তাল মেলাতে রুপার গয়নার জুড়ি নেই। আর তাইতো বাঙালি নারীর পছন্দের তালিকায় এখন অবস্থান করে রুপার তৈরি সব গহনা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অনেকে আবার রুপার গয়নায় গোল্ড প্লেটের কাজ করিয়ে গয়নায় আনছেন নতুনত্ব। ভারী কাজের গয়না হিসেবে গোল্ড প্লেটের কাজ করা রুপার গয়না বেশ চলছে এখন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কোথায় পাবেন, কেমন দামে:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রুপার গয়না বললেই প্রথমে চলে আছে দেশি হাউজ আড়ং এর কথা। নানা ধরনের, নানা বাহারের রুপার গয়না পাবেন এখানে। রুপার মল, নাকফুল, আংটি, চুড়ি, ব্রেসলেট থেকে শুরু করে গলার হার পর্যন্ত নানা নকশার গয়না পাওয়া যাবে। দাম নির্ভর করবে কী কিনছেন, তার ওপর।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ফ্যাশন হাউস অঞ্জন’স এ পাবেন আধুনিক ডিজাইনের রূপার গয়না। এই ফ্যাশন হাউসের গয়নার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা মোটিফ ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বসুন্ধরা সিটি, গাউসিয়া, ইস্টার্ন মল্লিকা, মেট্রো শপিং মলেও পাবেন রুপার গয়না। আর চাইলে নিজেও বানিয়ে নিতে পারেন রুপার গয়না।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ডিজাইন ও আকার ভেদে প্রতিটি রুপার নাকফুলের দাম পড়বে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। কানের দুল ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা। বালা ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা। টিকলি দেড় হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। ব্রেসলেট ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা, খাড়ু ও বাজু ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা, মাদুলি সেট আড়াই হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">গয়নার সেট কিনতে খরচ হবে দশ হাজার থেকে পনের হাজার টাকার মধ্যে। তবে জাঁকজমকপূর্ণ গয়নার সেট কিনতে হলে খরচ করতে হবে ৫০ হাজার টাকার বেশি।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রুপার গয়নার যত্নে জানা উচিৎ যে বিষয়গুলো:</span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শখ করে রুপার গয়না বানালেন কিন্তু কিছুদিন ব্যবহারের পরই তা কালো হয়ে গেল। নিশ্চয়ই তখন মন খারাপ হবে আপনার। এর চেয়ে বরং জেনে নিন কি করে রুপার গয়নার যত্ন নিবেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*বাইরের থেকে ফিরে এসেই রুপার গয়নাকে বাক্সে রেখে দিবেন না। বরং কিছুটা সময় বাইরে বাতাসে রাখুন। এরপর ট্যিসু পেচিয়ে সুন্দর করে রাখুন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*অন্যান্য গয়নার সাথে রুপার গয়নাগুলো না রেখে সেগুলোকে আলাদা রাখুন। সোনা আর রুপার গয়না একসাথে রাখলে রুপার বর্ন কালচে হয়ে যায়।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*রুপার গয়না কালো হয়ে গেলে একটি বাটিতে তেতুল গুলে নিয়ে সেই পানিতে গয়না ১০-১৫ মিনিট রেখে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*হালকা গরম পানিতে সাদা টুথপেস্ট গুলিয়ে গয়না পরিষ্কার করুন। কালচেভাব চলে যাবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*গোল্ড প্লেটেড গয়না কালো হয়ে গেলে সোনার দোকান থেকে রঙ করিয়ে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">*হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়েও রুপার গয়না পরিষ্কার করে নিতে পারেন সহজে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">সাজে এবং সৌন্দর্যে রুপার গয়না জায়গা করে নিয়েছে নিজের গুনে। বাঙালি নারীর পছন্দে তাই রুপার গয়নার অবস্থান শীর্ষে।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আইলাইনারে সাজুক চোখ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1187</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:43:29 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1187</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">চোখ মানুষের মনের পর্দা। যাতে ভেসে উঠে না বলা কতশত কথা। আর এই চোখকেই সাজাতে আমাদের থাকে কত না প্রস্তুতি। চোখের সাজে কাজলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। চোখের পাতায় আইলাইনারের একটি মায়াবী টান কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার সৌন্দর্য।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">পেনসিল লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">পেনসিল লাইনার দিয়ে কাজল সহজে লাগানো যায়, থাকেও বেশিক্ষণ। ব্র্যান্ডের পেনসিল লাইনার সহজে ছড়ায় না। আবার কিছু লাইনার আছে পানিনিরোধক। ফলে সব ঋতুতেই ব্যবহার করা যায়। পেনসিল লাইনারের মধ্যে নিয়র, জর্ডানা, জ্যাকলিন, আয়োনি, পারসোনি, লা ফেম, মেবিলিন, লরিয়েল, ল্যাক্মে, মিস অ্যান্ড মিসেস অন্যতম। এগুলোর দামও বেশি নয়। ৭০-৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। ম্যাক, শ্যানেল, ক্লিনিক, গার্লিন ইত্যাদির দাম ১৯০০-২৫০০ টাকা।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">লিকুইড লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">এ ধরনের লাইনার সবচেয়ে পুরনো। এর ব্যবহারও সহজ আর ব্রাশের সাহায্যে ইচ্ছামতো লাইনিং করা যায়। মোটা বা সরু ঠিক যেমনটি আপনি চান। প্রচলিত কিছু লিকুইড লাইনারের মধ্যে রয়েছে ল্যাক্মে, লা ফেম, প্রেস্টিজ, রেভলন, আয়োনি, লা-স্পল্যাশ, জ্যাকলিন। দাম ১৫০-৭০০ টাকার মধ্যে।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রঙিন লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">জর্ডানা, জ্যাকলিন, মিস অ্যান্ড মিসেস, এভার বিউটি’র রঙিন লাইনার আমাদের বাজারে সহজলভ্য। এগুলোর দাম ৮০-২৫০ টাকা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
জেল লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আজকাল জেল লাইনারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে আর ব্যবহারও সহজ। জেল লাইনারের সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর পিগমেন্টেশন। এটি গাঢ় রং দেবে আর স্থায়িত্বও অন্য সব লাইনারের তুলনায় বেশি। দেশে এভার বিউটি, নিট্রো, মেবিলন ব্র্যান্ডের জেল লাইনার পাওয়া যায়। দাম ২৫০-১২০০ টাকা পর্যন্ত।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
অটোলাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অটোলাইনার এক ধরনের পেনসিল লাইনার। এ লাইনার প্লাস্টিক হোল্ডারে থাকে এবং রোলিংয়ের সাহায্যে ব্যবহার করতে হয়। সহজে ব্যবহার করা যায়, তাই দিন দিন মেয়েদের কাচে জনপ্রিয় হচ্ছে। পাওয়া যায় মেবেলিন কোলোসেল, ল্যাক্মে আইকনিক, রেভলন কালার স্টে, মেবিলিন আই ডিফাইনড, লরিয়েল ইনফ্লেবল, মিস অ্যান্ড মিসেস এবং জর্ডানার অটোলাইনার। দাম ২৫০-৭০০ টাকার মধ্যে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
পাউডার বা ডাস্ট লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আইশ্যাডো পাউডারের মতো কিছু আইলাইনার পাওয়া যায়, যেগুলোকে ডাস্ট লাইনার বলা হয়। এসব পাউডার লাইনার স্মোকি আই মেকআপ করতে বেশি ব্যবহার করা হয়। দাম ১৫০-৩০০ টাকার মধ্যে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
ওয়াটারপ্রুফ লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ওয়াটারপ্রুফ লাইনারের দাম একটু বেশি হয়। বাজারে রেভলন, লা ফেম, মেবিলিন ব্র্যান্ডের ওয়াটারপ্রুফ লাইনার পাওয়া যায়।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কোথায় পাবেন</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, আলমাস, প্রিয়, বডি লাইন, গাউসিয়া, ইস্টার্ন প্লাজা, মৌচাক ও যেকোনো ভালো কসমেটিকসের দোকানে।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">চোখ মানুষের মনের পর্দা। যাতে ভেসে উঠে না বলা কতশত কথা। আর এই চোখকেই সাজাতে আমাদের থাকে কত না প্রস্তুতি। চোখের সাজে কাজলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। চোখের পাতায় আইলাইনারের একটি মায়াবী টান কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার সৌন্দর্য।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">পেনসিল লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">পেনসিল লাইনার দিয়ে কাজল সহজে লাগানো যায়, থাকেও বেশিক্ষণ। ব্র্যান্ডের পেনসিল লাইনার সহজে ছড়ায় না। আবার কিছু লাইনার আছে পানিনিরোধক। ফলে সব ঋতুতেই ব্যবহার করা যায়। পেনসিল লাইনারের মধ্যে নিয়র, জর্ডানা, জ্যাকলিন, আয়োনি, পারসোনি, লা ফেম, মেবিলিন, লরিয়েল, ল্যাক্মে, মিস অ্যান্ড মিসেস অন্যতম। এগুলোর দামও বেশি নয়। ৭০-৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। ম্যাক, শ্যানেল, ক্লিনিক, গার্লিন ইত্যাদির দাম ১৯০০-২৫০০ টাকা।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">লিকুইড লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">এ ধরনের লাইনার সবচেয়ে পুরনো। এর ব্যবহারও সহজ আর ব্রাশের সাহায্যে ইচ্ছামতো লাইনিং করা যায়। মোটা বা সরু ঠিক যেমনটি আপনি চান। প্রচলিত কিছু লিকুইড লাইনারের মধ্যে রয়েছে ল্যাক্মে, লা ফেম, প্রেস্টিজ, রেভলন, আয়োনি, লা-স্পল্যাশ, জ্যাকলিন। দাম ১৫০-৭০০ টাকার মধ্যে।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">রঙিন লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">জর্ডানা, জ্যাকলিন, মিস অ্যান্ড মিসেস, এভার বিউটি’র রঙিন লাইনার আমাদের বাজারে সহজলভ্য। এগুলোর দাম ৮০-২৫০ টাকা।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
জেল লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আজকাল জেল লাইনারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে আর ব্যবহারও সহজ। জেল লাইনারের সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর পিগমেন্টেশন। এটি গাঢ় রং দেবে আর স্থায়িত্বও অন্য সব লাইনারের তুলনায় বেশি। দেশে এভার বিউটি, নিট্রো, মেবিলন ব্র্যান্ডের জেল লাইনার পাওয়া যায়। দাম ২৫০-১২০০ টাকা পর্যন্ত।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
অটোলাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">অটোলাইনার এক ধরনের পেনসিল লাইনার। এ লাইনার প্লাস্টিক হোল্ডারে থাকে এবং রোলিংয়ের সাহায্যে ব্যবহার করতে হয়। সহজে ব্যবহার করা যায়, তাই দিন দিন মেয়েদের কাচে জনপ্রিয় হচ্ছে। পাওয়া যায় মেবেলিন কোলোসেল, ল্যাক্মে আইকনিক, রেভলন কালার স্টে, মেবিলিন আই ডিফাইনড, লরিয়েল ইনফ্লেবল, মিস অ্যান্ড মিসেস এবং জর্ডানার অটোলাইনার। দাম ২৫০-৭০০ টাকার মধ্যে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
পাউডার বা ডাস্ট লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আইশ্যাডো পাউডারের মতো কিছু আইলাইনার পাওয়া যায়, যেগুলোকে ডাস্ট লাইনার বলা হয়। এসব পাউডার লাইনার স্মোকি আই মেকআপ করতে বেশি ব্যবহার করা হয়। দাম ১৫০-৩০০ টাকার মধ্যে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"><br />
ওয়াটারপ্রুফ লাইনার</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ওয়াটারপ্রুফ লাইনারের দাম একটু বেশি হয়। বাজারে রেভলন, লা ফেম, মেবিলিন ব্র্যান্ডের ওয়াটারপ্রুফ লাইনার পাওয়া যায়।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">কোথায় পাবেন</span></span></span></span><br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, আলমাস, প্রিয়, বডি লাইন, গাউসিয়া, ইস্টার্ন প্লাজা, মৌচাক ও যেকোনো ভালো কসমেটিকসের দোকানে।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঝটপট করে ফেলুন দারুন তিনটি হেয়ার স্টাইল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1186</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:43:06 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1186</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">নিত্য নতুন স্টাইলে চুল বাঁধাটা অনেকেরই পছন্দের একটি কাজ। তবে সময়ের অভাব, ঝামেলার কারণে অনেকই চুলে স্টাইল করতে চান না। লম্বা চুলে সেই পুরাতন পনিটেল, বেনী, কিংবা খোঁপা করেই হেয়ার স্টাইল শেষ করেন। অথচ অল্প সময়ে দারুন কিছু হেয়ার স্টাইল করা যায়। কলেজ, ভার্সিটি কিংবা অফিস সব জায়গাতেই এই হেয়ার স্টাইলগুলো আপনি করতে পারেন। ওয়েস্টার্ন, কিংবা সালোয়ার কামিজ উভয় পোশাকে দারুন মানিয়ে যাবে এই হেয়ার স্টাইল। আবার খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন পড়বে না এই হেয়ার স্টাইল করার জন্য।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ছোট একটি ভিডিওর মাধ্যমে শিখে দারুন সহজ তিনটি হেয়ার স্টাইল।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">যেভাবে করবেন:</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রথম হেয়ার স্টাইল</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১। চুল শ্যাম্পু করে ভাল করে আঁচড়িয়ে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২। এবার একপাশে সিঁথি করুন। সিঁথি করে চুলকে তিনভাগে ভাগ করুন। মাঝের চুলগুলো নিয়ে পনিটেল করে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩। ডানদিকের চুল টুইস্ট করে পনিটেলের ভিতর দিয়ে ঢুকিয়ে রাবার ব্র্যান্ড (ভিডিও অনুযায়ে) দিয়ে বেঁধে দিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৪। একইভাবে বামদিকের চুল নিয়ে টুইস্ট করে নিয়ে পনিটেলের সাথে বাঁধুন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৫। সামান্য বেবি বা ট্যালকম পাউডার চুলের সিঁথির উপর ছিটিয়ে দিন। এটি মাথার তালুর তেল শুষে নিবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">দ্বিতীয় হেয়ার স্টাইল</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১। চুল ভাল করে আঁচড়িয়ে নিন। তারপর সব চুল দিয়ে উঁচু করে পনিটেল বেঁধে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২। সামনের চুলগুলো থেকে কিছু চুল নিয়ে টুইস্ট করে ববিপিন দিয়ে পনিটেলের সাথে আটকিয়ে দিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩। আপনি চাইলে সামনের চুলগুলো স্প্রে করে নিতে পারেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">তৃতীয় হেয়ার স্টাইল</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১। সামনের চুলগুলো পাফ করে কিছুটা ফুলিয়ে নিন। তারপর চুলগুলো ববিপিন দিয়ে কিছুটা ফুলিয়ে লাগিয়ে দিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২। ডানপাশ থেকে কিছু চুল টুইস্ট করে পিছনে নিয়ে লাগান। একইভাবে বামপাশ থেকে কিছু চুল নিয়ে টুইস্ট করে পিছনে নিয়ে বাকী চুলের সাথে লাগান।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩। ব্যস হয়ে গেল দারুন তিনটি হেয়ার স্টাইল।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">নিত্য নতুন স্টাইলে চুল বাঁধাটা অনেকেরই পছন্দের একটি কাজ। তবে সময়ের অভাব, ঝামেলার কারণে অনেকই চুলে স্টাইল করতে চান না। লম্বা চুলে সেই পুরাতন পনিটেল, বেনী, কিংবা খোঁপা করেই হেয়ার স্টাইল শেষ করেন। অথচ অল্প সময়ে দারুন কিছু হেয়ার স্টাইল করা যায়। কলেজ, ভার্সিটি কিংবা অফিস সব জায়গাতেই এই হেয়ার স্টাইলগুলো আপনি করতে পারেন। ওয়েস্টার্ন, কিংবা সালোয়ার কামিজ উভয় পোশাকে দারুন মানিয়ে যাবে এই হেয়ার স্টাইল। আবার খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন পড়বে না এই হেয়ার স্টাইল করার জন্য।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">ছোট একটি ভিডিওর মাধ্যমে শিখে দারুন সহজ তিনটি হেয়ার স্টাইল।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">যেভাবে করবেন:</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">প্রথম হেয়ার স্টাইল</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১। চুল শ্যাম্পু করে ভাল করে আঁচড়িয়ে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২। এবার একপাশে সিঁথি করুন। সিঁথি করে চুলকে তিনভাগে ভাগ করুন। মাঝের চুলগুলো নিয়ে পনিটেল করে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩। ডানদিকের চুল টুইস্ট করে পনিটেলের ভিতর দিয়ে ঢুকিয়ে রাবার ব্র্যান্ড (ভিডিও অনুযায়ে) দিয়ে বেঁধে দিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৪। একইভাবে বামদিকের চুল নিয়ে টুইস্ট করে নিয়ে পনিটেলের সাথে বাঁধুন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৫। সামান্য বেবি বা ট্যালকম পাউডার চুলের সিঁথির উপর ছিটিয়ে দিন। এটি মাথার তালুর তেল শুষে নিবে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">দ্বিতীয় হেয়ার স্টাইল</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১। চুল ভাল করে আঁচড়িয়ে নিন। তারপর সব চুল দিয়ে উঁচু করে পনিটেল বেঁধে নিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২। সামনের চুলগুলো থেকে কিছু চুল নিয়ে টুইস্ট করে ববিপিন দিয়ে পনিটেলের সাথে আটকিয়ে দিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩। আপনি চাইলে সামনের চুলগুলো স্প্রে করে নিতে পারেন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">তৃতীয় হেয়ার স্টাইল</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">১। সামনের চুলগুলো পাফ করে কিছুটা ফুলিয়ে নিন। তারপর চুলগুলো ববিপিন দিয়ে কিছুটা ফুলিয়ে লাগিয়ে দিন।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">২। ডানপাশ থেকে কিছু চুল টুইস্ট করে পিছনে নিয়ে লাগান। একইভাবে বামপাশ থেকে কিছু চুল নিয়ে টুইস্ট করে পিছনে নিয়ে বাকী চুলের সাথে লাগান।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">৩। ব্যস হয়ে গেল দারুন তিনটি হেয়ার স্টাইল।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জেনে নিন শাড়ি পরার ভিন্নরকম কিছু টিপস্]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1185</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:42:10 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1185</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"></span></span></span></div>
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শাড়ি আর নারী! একে অপরকে ছাড়া যেন অসম্পূর্ণ। যতই মর্ডান ফ্যাশন থাকুক না কেন, শাড়িতে যে নারী অপরূপ সুন্দরী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু শাড়ির ফ্যাশনেও বা কেন বাদ পড়বে আধুনিকতার ছোঁয়া? তাই শাড়ি পরার স্টাইলে আনুন কিছু নতুনত্ব। জেনে নিন কয়েকটি টিপস, তাতে সাধারণের মধ্যে আপনি হয়ে উঠবেন অনন্যা। <br />
<br />
১.চটজলদি শাড়ির সাজে আনুন নতুনত্ব। শাড়ির আঁচলটি টাই আকারে জড়িয়ে নিন গলায়। দেখবেন, কেমন অসাধারণ সুন্দর দেখাবে আপনাকে। <br />
<br />
২.একটু অন্যভাবে সাজতে, ব্লাউজের বদলে টি-শার্টের উপর শাড়ি পরতে পারেন। <br />
<br />
৩.স্কার্ফের স্টাইলে জড়িয়ে নিন শাড়ির আঁচল। <br />
<br />
৪.ঐতিহ্যে মোড়া স্লিভলেস ব্লাউজ ট্রাই করুন। আপনার সাজে নতুন ঝলক আনতে শাড়ির উপর লম্বা কোট মানাবে দারুণ। <br />
<br />
৫.এক রঙা শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন প্রিন্টেড শাড়ি। <br />
<br />
৬.শাড়ি ও স্নিকার্স একসঙ্গে! অনেকে তা কল্পনাও করতে পারেন না। তবে আপনি যে আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী তা বোঝাতে শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন একজোড়া স্নিকার্স।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font"></span></span></span></div>
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">শাড়ি আর নারী! একে অপরকে ছাড়া যেন অসম্পূর্ণ। যতই মর্ডান ফ্যাশন থাকুক না কেন, শাড়িতে যে নারী অপরূপ সুন্দরী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু শাড়ির ফ্যাশনেও বা কেন বাদ পড়বে আধুনিকতার ছোঁয়া? তাই শাড়ি পরার স্টাইলে আনুন কিছু নতুনত্ব। জেনে নিন কয়েকটি টিপস, তাতে সাধারণের মধ্যে আপনি হয়ে উঠবেন অনন্যা। <br />
<br />
১.চটজলদি শাড়ির সাজে আনুন নতুনত্ব। শাড়ির আঁচলটি টাই আকারে জড়িয়ে নিন গলায়। দেখবেন, কেমন অসাধারণ সুন্দর দেখাবে আপনাকে। <br />
<br />
২.একটু অন্যভাবে সাজতে, ব্লাউজের বদলে টি-শার্টের উপর শাড়ি পরতে পারেন। <br />
<br />
৩.স্কার্ফের স্টাইলে জড়িয়ে নিন শাড়ির আঁচল। <br />
<br />
৪.ঐতিহ্যে মোড়া স্লিভলেস ব্লাউজ ট্রাই করুন। আপনার সাজে নতুন ঝলক আনতে শাড়ির উপর লম্বা কোট মানাবে দারুণ। <br />
<br />
৫.এক রঙা শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন প্রিন্টেড শাড়ি। <br />
<br />
৬.শাড়ি ও স্নিকার্স একসঙ্গে! অনেকে তা কল্পনাও করতে পারেন না। তবে আপনি যে আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী তা বোঝাতে শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন একজোড়া স্নিকার্স।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পোশাকে ‘স্লিম’ দেখানোর উপায়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1184</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:41:35 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1184</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের বস্ত্রপরিচ্ছদ ও বয়নশিল্প বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহমিনা রহমান বলেন, “মানুষ মোটা বা চিকন হয়। এ নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগার কোনো কারণ নেই। তবে সকলেই চায় নিজেকে সুন্দরভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করতে। ওজনদার ব্যক্তিকে হালকাপাতলা ভাবে উপস্থাপন করতে হলে তার পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে রং, স্ট্রাইপ, প্রিন্ট ইত্যাদি আলাদা ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।”</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">এই বিষয়ে তিনি বেশ কিছু পরামর্শও দেন।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নেওয়া ভালো। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">মোটা ব্যক্তিদের হালকা রংয়ের পোশাক পরলে দেখতে চিকন লাগে। এক্ষেত্রে তার গায়ের রংয়ের বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে। উজ্জ্বল ও শ্যামলা রংয়ের ব্যক্তিদের যে কোনো হালকা রংয়েই দেখতে ভালো লাগে। তবে যাদের গায়ের রং একটু চাপা তাদের হালকা নীল, হালকা সবুজ, ধুসর ইত্যাদি রংয়ে মানায়।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">লম্বা ও মোটা মহিলাদের কামিজের ক্ষেত্রে সালোয়ার ও ওড়না একরঙা এবং কামিজ ভিন্ন রংয়ের হলে দেখতে খানিকটা চিকন লাগে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">স্ট্রাইপ নকশার পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে মোটা ব্যক্তিদের আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নেওয়া ভালো। এতে শরীরের আয়তন কম বোঝা যায়। পুরুষদের শার্ট ও পাঞ্জাবি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও লম্বা বা খাড়া স্ট্রাইপ বেছে নেওয়া উচিত।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আড়াআড়ি স্ট্রাইপের গেঞ্জি বা টিশার্টে কাঁধ বেশ চওড়া দেখায়। তাই যারা নিজেদের অনেকটা বলিষ্ঠ আকৃতিতে উপস্থাপন করতে পছন্দ করেন তার গেঞ্জির উপরি ভাগে আড়াআড়ি ও নিচের ভাগে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ আছে এই ধরনের টিশার্ট ব্যবহার করতে পারেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">পোশাকের ‘প্রিন্ট’ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মোটা ব্যক্তিদের ছোট ‘প্রিন্ট’ প্রাধান্য দেওয়া উচিত। কারও যদি বড় প্রিন্টের পোশাক পছন্দ হয় তবে তারা হালকা রংয়ের মধ্যে বড় প্রিন্টের পোশাক বেছে নিতে পারে। তবে এমন পোশাক বাছা ঠিক নয় যেখানে বড় ও ছোট দুই রকমের প্রিন্টই আছে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">চিকন দেখানোর জন্য কখনও খুব বেশি চাপা-পোশাক পরা ঠিক নয়। এতে অনেক সময় শরীরের রক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি হয় ও শ্বাসপ্রশ্বাসে অসুবিধাও হতে পারে।</span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের বস্ত্রপরিচ্ছদ ও বয়নশিল্প বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহমিনা রহমান বলেন, “মানুষ মোটা বা চিকন হয়। এ নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগার কোনো কারণ নেই। তবে সকলেই চায় নিজেকে সুন্দরভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করতে। ওজনদার ব্যক্তিকে হালকাপাতলা ভাবে উপস্থাপন করতে হলে তার পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে রং, স্ট্রাইপ, প্রিন্ট ইত্যাদি আলাদা ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।”</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">এই বিষয়ে তিনি বেশ কিছু পরামর্শও দেন।</span></span></span><br />
<br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নেওয়া ভালো। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">মোটা ব্যক্তিদের হালকা রংয়ের পোশাক পরলে দেখতে চিকন লাগে। এক্ষেত্রে তার গায়ের রংয়ের বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে। উজ্জ্বল ও শ্যামলা রংয়ের ব্যক্তিদের যে কোনো হালকা রংয়েই দেখতে ভালো লাগে। তবে যাদের গায়ের রং একটু চাপা তাদের হালকা নীল, হালকা সবুজ, ধুসর ইত্যাদি রংয়ে মানায়।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">লম্বা ও মোটা মহিলাদের কামিজের ক্ষেত্রে সালোয়ার ও ওড়না একরঙা এবং কামিজ ভিন্ন রংয়ের হলে দেখতে খানিকটা চিকন লাগে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">স্ট্রাইপ নকশার পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে মোটা ব্যক্তিদের আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি স্ট্রাইপের পোশাক বেছে নেওয়া ভালো। এতে শরীরের আয়তন কম বোঝা যায়। পুরুষদের শার্ট ও পাঞ্জাবি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও লম্বা বা খাড়া স্ট্রাইপ বেছে নেওয়া উচিত।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">আড়াআড়ি স্ট্রাইপের গেঞ্জি বা টিশার্টে কাঁধ বেশ চওড়া দেখায়। তাই যারা নিজেদের অনেকটা বলিষ্ঠ আকৃতিতে উপস্থাপন করতে পছন্দ করেন তার গেঞ্জির উপরি ভাগে আড়াআড়ি ও নিচের ভাগে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ আছে এই ধরনের টিশার্ট ব্যবহার করতে পারেন। </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">পোশাকের ‘প্রিন্ট’ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মোটা ব্যক্তিদের ছোট ‘প্রিন্ট’ প্রাধান্য দেওয়া উচিত। কারও যদি বড় প্রিন্টের পোশাক পছন্দ হয় তবে তারা হালকা রংয়ের মধ্যে বড় প্রিন্টের পোশাক বেছে নিতে পারে। তবে এমন পোশাক বাছা ঠিক নয় যেখানে বড় ও ছোট দুই রকমের প্রিন্টই আছে।</span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #666666;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Arial, sans-serif, Tahoma, Verdana;" class="mycode_font">চিকন দেখানোর জন্য কখনও খুব বেশি চাপা-পোশাক পরা ঠিক নয়। এতে অনেক সময় শরীরের রক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি হয় ও শ্বাসপ্রশ্বাসে অসুবিধাও হতে পারে।</span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ধুতি প্যান্টে মেয়েদের স্টাইলিস্ট ফ্যাশন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1183</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:40:44 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1183</guid>
			<description><![CDATA[ধুতি প্যান্টে মেয়েদের স্টাইলিস্ট ফ্যাশন<br />
মেয়েদের ফ্যাশনে ধুতি প্যান্ট জায়গা করে নিয়েছে অনেক আগেই। যখন-তখন সহজে শরীরে গলিয়ে নেওয়া যায়। আবার এই প্যান্ট বেশ আরামদায়কও। কিন্তু রোজ ধুতি প্যান্ট একভাবে পরা যায় না। নয়তো বড্ড বোরিং ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তাই ধুতি প্যান্টের সঙ্গে নিত্যনতুন স্টাইল স্টেটমেন্ট গড়ে তুলতে রইল কিছু ফ্যাশন টিপস্ -<br />
<br />
১) ইন্দো-ওয়েস্টার্ন ধুতি লুক : ডিজাইন করা ক্রপটপের সঙ্গে পরতে পারেন একরঙা ধুতি প্যান্ট। নিজের গেটআপে স্পেশাল টাচ দিতে ধুতি প্যান্টের উপর বেল্ট পরতে পারেন। <br />
<br />
২) ইন্ডিয়ান লুক : ট্র্যাডিশনাল ইন্ডিয়ান লুক পেতেও সঙ্গে থাকতে পারে ধুতি প্যান্ট। কামিজের সঙ্গে বেছে নিন মানানসই কোনও ধুতি প্যান্ট। বিয়ে বাড়ি হোক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান, আপনার সাজটা কিন্তু মন্দ দেখাবে না। <br />
<br />
৩) ম্যাক্সি টপ ও ধুতি প্যান্ট : ম্যাক্সি টপের সঙ্গে ধুতি প্যান্টের কম্বিনেশন ট্রাই করতে পারেন। ফ্যাশনিস্তা হিসেবে নাম কুড়তে চাইলে, সামনের দিকটা কাটা এমন ম্যাক্সি টপ বেছে নিন। তাতে ধুতি প্যান্ট নজরে আসবে আর আপনাকেও দেখাবে সকলের চেয়ে আলাদা। <br />
<br />
৪) ধুতিপ্যান্ট ও টি-শার্ট : রেগুলার জিন্স, টি-শার্টের বদলে বেছে নিতে পারেন ধুতি ও টি- শার্ট। সঙ্গে কিছু হালকা গয়না। ব্যাস, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করতে একদম রেডি। <br />
<br />
৫) ধুতি প্যান্ট ও কুর্তা : মোস্ট ক্যাজুয়াল লুকস্ পেতে ধুতি প্যান্টের সঙ্গে সুতির কোনও কুর্তা বেছে নিন। সিনেমা দেখতে বা ডেটিংয়ে যাওয়ার জন্য এই সাজ ভালোই দেখাবে। <br />
<br />
৬) ধুতি প্যান্টের সঙ্গে বেল্ট : ধুতি প্যান্টের সঙ্গে যে টপই পরুন না কেন, সঙ্গে একটা বেল্ট পরলে সাজগোজটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখাবে। <br />
<br />
৭) ধুতি প্যান্টের সঙ্গে ফুল স্লিভ কুর্তা : ট্র্যাডিশনাল বা ক্যাজুয়াল লুকস্ পেতে ধুতি প্যান্টের সঙ্গে ফুল স্লিভ টপ পরতে পারেন। <br />
<br />
৮) কালার কনট্রাস্ট : হালকা রঙের ধুতি প্যান্ট পরতে বেছে নিতে হবে গাঢ় রঙের টপ। যদি আপনি হালকা রঙের টপ পরবেন বলে ঠিক করেন, তবে বেছে নিন গাঢ় রঙের ধুতি প্যান্ট।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ধুতি প্যান্টে মেয়েদের স্টাইলিস্ট ফ্যাশন<br />
মেয়েদের ফ্যাশনে ধুতি প্যান্ট জায়গা করে নিয়েছে অনেক আগেই। যখন-তখন সহজে শরীরে গলিয়ে নেওয়া যায়। আবার এই প্যান্ট বেশ আরামদায়কও। কিন্তু রোজ ধুতি প্যান্ট একভাবে পরা যায় না। নয়তো বড্ড বোরিং ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তাই ধুতি প্যান্টের সঙ্গে নিত্যনতুন স্টাইল স্টেটমেন্ট গড়ে তুলতে রইল কিছু ফ্যাশন টিপস্ -<br />
<br />
১) ইন্দো-ওয়েস্টার্ন ধুতি লুক : ডিজাইন করা ক্রপটপের সঙ্গে পরতে পারেন একরঙা ধুতি প্যান্ট। নিজের গেটআপে স্পেশাল টাচ দিতে ধুতি প্যান্টের উপর বেল্ট পরতে পারেন। <br />
<br />
২) ইন্ডিয়ান লুক : ট্র্যাডিশনাল ইন্ডিয়ান লুক পেতেও সঙ্গে থাকতে পারে ধুতি প্যান্ট। কামিজের সঙ্গে বেছে নিন মানানসই কোনও ধুতি প্যান্ট। বিয়ে বাড়ি হোক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান, আপনার সাজটা কিন্তু মন্দ দেখাবে না। <br />
<br />
৩) ম্যাক্সি টপ ও ধুতি প্যান্ট : ম্যাক্সি টপের সঙ্গে ধুতি প্যান্টের কম্বিনেশন ট্রাই করতে পারেন। ফ্যাশনিস্তা হিসেবে নাম কুড়তে চাইলে, সামনের দিকটা কাটা এমন ম্যাক্সি টপ বেছে নিন। তাতে ধুতি প্যান্ট নজরে আসবে আর আপনাকেও দেখাবে সকলের চেয়ে আলাদা। <br />
<br />
৪) ধুতিপ্যান্ট ও টি-শার্ট : রেগুলার জিন্স, টি-শার্টের বদলে বেছে নিতে পারেন ধুতি ও টি- শার্ট। সঙ্গে কিছু হালকা গয়না। ব্যাস, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করতে একদম রেডি। <br />
<br />
৫) ধুতি প্যান্ট ও কুর্তা : মোস্ট ক্যাজুয়াল লুকস্ পেতে ধুতি প্যান্টের সঙ্গে সুতির কোনও কুর্তা বেছে নিন। সিনেমা দেখতে বা ডেটিংয়ে যাওয়ার জন্য এই সাজ ভালোই দেখাবে। <br />
<br />
৬) ধুতি প্যান্টের সঙ্গে বেল্ট : ধুতি প্যান্টের সঙ্গে যে টপই পরুন না কেন, সঙ্গে একটা বেল্ট পরলে সাজগোজটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখাবে। <br />
<br />
৭) ধুতি প্যান্টের সঙ্গে ফুল স্লিভ কুর্তা : ট্র্যাডিশনাল বা ক্যাজুয়াল লুকস্ পেতে ধুতি প্যান্টের সঙ্গে ফুল স্লিভ টপ পরতে পারেন। <br />
<br />
৮) কালার কনট্রাস্ট : হালকা রঙের ধুতি প্যান্ট পরতে বেছে নিতে হবে গাঢ় রঙের টপ। যদি আপনি হালকা রঙের টপ পরবেন বলে ঠিক করেন, তবে বেছে নিন গাঢ় রঙের ধুতি প্যান্ট।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পুরনো জিন্সকে নতুনরুপে করে তুলুন স্টাইলিশ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1182</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:40:19 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1182</guid>
			<description><![CDATA[পুরনো জিন্সকে নতুনরুপে করে তুলুন স্টাইলিশ<br />
জিন্স পরতে ভালোবাসেন না এমন মানুষের সংখ্যা কম। প্রায় সকলের পছন্দের তালিকায় থাকে জিন্স। কিন্তু রোজ এক জিন্স পরা একঘেয়ে ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আবার বছরের পর বছরের ব্যবহার করলেও জিন্স সহজে নষ্ট হয়ে যায় না। পুরনো জিন্স ফেলতেও ইচ্ছে করে না আর পরলেও কেমন একটা অস্বস্তিকর লাগে। যদি খারাপ দেখায়! আপনি যদি হন শৈল্পিক বা সৃজনশীল, তবে আপনার পুরনো, বোরিং জিন্সটিকে স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল করে তুলুন এইভাবে -<br />
<br />
রং-তুলির টান : জিন্সের দাগছোপ ঢেকে ফেলতে কাজ দেবে রং ও তুলি। আপনার পুরনো জিন্সটির উপর মানানসই রং দিয়ে আঁকিবুঁকি করতে পারেন। আপনার মধ্যে যদি শৈল্পিক মানসিকতা থাকে, তবে তো কথাই নেই। নিজের মতো করে ডিজাইন বা পেইন্ট করে নিন জিন্সের উপর। <br />
<br />
জমকালো লুক : পার্টি মানেই জমকালো লুক মাস্ট। কিন্তু আপনি যদি চান সকলের থেকে অন্যরকম সাজতে তবে জিন্সের বিকল্প হয় না। তবে আপনার লুকসে যোগ করতে হবে স্পেশাল টাচ। জিন্সের উপর ঝকমকে স্টোন বসিয়ে নিন ডিজাইন করে। দেখবেন, পার্টি সবার নজর থাকবে আপনার দিকেই। <br />
<br />
স্ট্রাইপ জিন্স : এখন স্টাইপ দেওয়া জিন্স খুব ফ্যাশনেবল। আপনার সাদামাটা জিন্সটিকে স্টাইলিশ লুক দিতে অন্য কোনও কাপড় কেটে জিন্সের উপর বসিয়ে নিন। অন্য কোনও রঙের পুরনো জিন্স কেটে ডিজাইন করে জিন্সের উপর বসাতে পারেন, তাতে স্পেশাল লুক আসবে। <br />
<br />
ফাঙ্কি লুক : এখন ফাটাফুটো জিন্সের ফ্যাশন। আপনার পুরনো জিন্সটিকে আপনি বাড়িতে এমন ফাঙ্কি লুক দিতে পারে। কাঁচি বা ব্লেড চালিয়ে ডিজাইন করে নিন। তবে সাবধানে, বেশি কাটছাট করতে গিয়ে আবার জিন্সটাকে বাতিল করে ফেলবেন না যেন!]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পুরনো জিন্সকে নতুনরুপে করে তুলুন স্টাইলিশ<br />
জিন্স পরতে ভালোবাসেন না এমন মানুষের সংখ্যা কম। প্রায় সকলের পছন্দের তালিকায় থাকে জিন্স। কিন্তু রোজ এক জিন্স পরা একঘেয়ে ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আবার বছরের পর বছরের ব্যবহার করলেও জিন্স সহজে নষ্ট হয়ে যায় না। পুরনো জিন্স ফেলতেও ইচ্ছে করে না আর পরলেও কেমন একটা অস্বস্তিকর লাগে। যদি খারাপ দেখায়! আপনি যদি হন শৈল্পিক বা সৃজনশীল, তবে আপনার পুরনো, বোরিং জিন্সটিকে স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল করে তুলুন এইভাবে -<br />
<br />
রং-তুলির টান : জিন্সের দাগছোপ ঢেকে ফেলতে কাজ দেবে রং ও তুলি। আপনার পুরনো জিন্সটির উপর মানানসই রং দিয়ে আঁকিবুঁকি করতে পারেন। আপনার মধ্যে যদি শৈল্পিক মানসিকতা থাকে, তবে তো কথাই নেই। নিজের মতো করে ডিজাইন বা পেইন্ট করে নিন জিন্সের উপর। <br />
<br />
জমকালো লুক : পার্টি মানেই জমকালো লুক মাস্ট। কিন্তু আপনি যদি চান সকলের থেকে অন্যরকম সাজতে তবে জিন্সের বিকল্প হয় না। তবে আপনার লুকসে যোগ করতে হবে স্পেশাল টাচ। জিন্সের উপর ঝকমকে স্টোন বসিয়ে নিন ডিজাইন করে। দেখবেন, পার্টি সবার নজর থাকবে আপনার দিকেই। <br />
<br />
স্ট্রাইপ জিন্স : এখন স্টাইপ দেওয়া জিন্স খুব ফ্যাশনেবল। আপনার সাদামাটা জিন্সটিকে স্টাইলিশ লুক দিতে অন্য কোনও কাপড় কেটে জিন্সের উপর বসিয়ে নিন। অন্য কোনও রঙের পুরনো জিন্স কেটে ডিজাইন করে জিন্সের উপর বসাতে পারেন, তাতে স্পেশাল লুক আসবে। <br />
<br />
ফাঙ্কি লুক : এখন ফাটাফুটো জিন্সের ফ্যাশন। আপনার পুরনো জিন্সটিকে আপনি বাড়িতে এমন ফাঙ্কি লুক দিতে পারে। কাঁচি বা ব্লেড চালিয়ে ডিজাইন করে নিন। তবে সাবধানে, বেশি কাটছাট করতে গিয়ে আবার জিন্সটাকে বাতিল করে ফেলবেন না যেন!]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঈদের দিনের স্নিগ্ধ সাজ!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1181</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:39:59 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1181</guid>
			<description><![CDATA[ঈদের দিনের স্নিগ্ধ সাজ!<br />
ঈদের দিন নিজেকে সুন্দর দেখাক এটা সবাই চান। তাই সাজের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় ঈদের আগে থেকে। ফেসিয়াল, মেনিকিউর, পেডিকিউর মেহেদি দেওয়াসহ ঈদকে ঘিরে করা হয় কতকিছু।<br />
<br />
ঈদের দিনটি অন্য সাধারণ দিন থেকে আলাদা। তাই এর সাজও হতে হয় কিছুটা স্পেশাল, কিছুটা ভিন্ন। জাঁকজমকপূর্ণ সাজ অনেকেই পছন্দ করেন না।<br />
<br />
হালকা স্নিগ্ধ সাজ সকাল হোক বা বিকেল সব বেলাতেই মানিয়ে যায় বেশ। জানতে চান এমন এক মেকআপের কথা, যা মানিয়ে যাবে সব বেলায়?<br />
<br />
যা লাগবে:<br />
ক্লিনিক ইভান বেটার কনসিলার<br />
ম্যাক ফাউন্ডেশন<br />
ম্যাক প্রো লংওয়ার কনসিলার<br />
ম্যাক সিলেক্ট শেয়ার প্রেসড পাউডার<br />
লরিয়াল প্যারিস লা প্যালেইট নুড<br />
সুগার মেকআপ লিকুইড আইলাইনার<br />
শু ইউমুরা আই ল্যাশ<br />
ইস্ট্রেইট লাউডার মাশকারা<br />
মেকআপ রেভল্যুশন আইকনিক প্রো ব্লাশ, ব্রোঞ্জার<br />
নারস ব্লাশ<br />
আইব্রো কিট<br />
<br />
যেভাবে সাজবেন:<br />
১। প্রথমে পুরো ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে মুছে নিন।<br />
<br />
২। এরপর চোখের নিচসহ চারপাশে কনসিলার ম্যাসাজ করে লাগান। এরপর সারা মুখে ফাউন্ডেশন ব্রাশ দিয়ে ভাল করে লাগান।<br />
<br />
৩। চোখের নিচে বিশেষ করে কালি পড়া অংশটুকুতে কনসিলার ম্যাসাজ করে লাগান। চোখের উপরে পাতায় কনসিলার ম্যাসাজ করে নিন।<br />
<br />
৪। সম্পূর্ণ মুখে ম্যাক সিলেক্ট ফেস পাউডার লাগান।<br />
<br />
৫। চোখে হালকা নুড আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। এইক্ষেত্রে এইখানে ল’রিয়াল নুড আইশ্যাডো ব্যবহার করা হয়েছে। চোখের কোন বেইজের চেয়ে কিছুটা গাঢ় ব্রাউন রঙের শ্যাডো ব্যবহার করুন। একই শ্যাডো চোখের নিচে ব্যবহার করুন। (ভিডিও অনুযায়ী)<br />
<br />
৬। এবার চিকন করে আইলাইনার লাগিয়ে নিন। খুব বেশি মোটা আইলাইনার ব্যবহার না করাই ভাল।<br />
<br />
৭। কার্লার দিয়ে চোখের পাপড়ি কার্ল করে মাশকারা লাগিয়ে ফেলুন।<br />
<br />
৮। গালের উপরে হালকা গোলাপি অথবা পিচ ব্লাশন লাগিয়ে নিন। আপনার নাক যদি খাড়া না হয় তাহলে নাকের দুই পাশেও সামান্য খয়েরী রং এর ব্লাশন লাগিয়ে নিন। এতে নাক খাড়া দেখাবে।<br />
<br />
৯। সবশেষে পছন্দ মত গাঢ় কোন লিপস্টিক দিয়ে মেকআপ শেষ করুন।<br />
<br />
১০। ব্যস হয়ে গেল ঈদের দিনের পারফেক্ট মেকআপ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ঈদের দিনের স্নিগ্ধ সাজ!<br />
ঈদের দিন নিজেকে সুন্দর দেখাক এটা সবাই চান। তাই সাজের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় ঈদের আগে থেকে। ফেসিয়াল, মেনিকিউর, পেডিকিউর মেহেদি দেওয়াসহ ঈদকে ঘিরে করা হয় কতকিছু।<br />
<br />
ঈদের দিনটি অন্য সাধারণ দিন থেকে আলাদা। তাই এর সাজও হতে হয় কিছুটা স্পেশাল, কিছুটা ভিন্ন। জাঁকজমকপূর্ণ সাজ অনেকেই পছন্দ করেন না।<br />
<br />
হালকা স্নিগ্ধ সাজ সকাল হোক বা বিকেল সব বেলাতেই মানিয়ে যায় বেশ। জানতে চান এমন এক মেকআপের কথা, যা মানিয়ে যাবে সব বেলায়?<br />
<br />
যা লাগবে:<br />
ক্লিনিক ইভান বেটার কনসিলার<br />
ম্যাক ফাউন্ডেশন<br />
ম্যাক প্রো লংওয়ার কনসিলার<br />
ম্যাক সিলেক্ট শেয়ার প্রেসড পাউডার<br />
লরিয়াল প্যারিস লা প্যালেইট নুড<br />
সুগার মেকআপ লিকুইড আইলাইনার<br />
শু ইউমুরা আই ল্যাশ<br />
ইস্ট্রেইট লাউডার মাশকারা<br />
মেকআপ রেভল্যুশন আইকনিক প্রো ব্লাশ, ব্রোঞ্জার<br />
নারস ব্লাশ<br />
আইব্রো কিট<br />
<br />
যেভাবে সাজবেন:<br />
১। প্রথমে পুরো ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে মুছে নিন।<br />
<br />
২। এরপর চোখের নিচসহ চারপাশে কনসিলার ম্যাসাজ করে লাগান। এরপর সারা মুখে ফাউন্ডেশন ব্রাশ দিয়ে ভাল করে লাগান।<br />
<br />
৩। চোখের নিচে বিশেষ করে কালি পড়া অংশটুকুতে কনসিলার ম্যাসাজ করে লাগান। চোখের উপরে পাতায় কনসিলার ম্যাসাজ করে নিন।<br />
<br />
৪। সম্পূর্ণ মুখে ম্যাক সিলেক্ট ফেস পাউডার লাগান।<br />
<br />
৫। চোখে হালকা নুড আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। এইক্ষেত্রে এইখানে ল’রিয়াল নুড আইশ্যাডো ব্যবহার করা হয়েছে। চোখের কোন বেইজের চেয়ে কিছুটা গাঢ় ব্রাউন রঙের শ্যাডো ব্যবহার করুন। একই শ্যাডো চোখের নিচে ব্যবহার করুন। (ভিডিও অনুযায়ী)<br />
<br />
৬। এবার চিকন করে আইলাইনার লাগিয়ে নিন। খুব বেশি মোটা আইলাইনার ব্যবহার না করাই ভাল।<br />
<br />
৭। কার্লার দিয়ে চোখের পাপড়ি কার্ল করে মাশকারা লাগিয়ে ফেলুন।<br />
<br />
৮। গালের উপরে হালকা গোলাপি অথবা পিচ ব্লাশন লাগিয়ে নিন। আপনার নাক যদি খাড়া না হয় তাহলে নাকের দুই পাশেও সামান্য খয়েরী রং এর ব্লাশন লাগিয়ে নিন। এতে নাক খাড়া দেখাবে।<br />
<br />
৯। সবশেষে পছন্দ মত গাঢ় কোন লিপস্টিক দিয়ে মেকআপ শেষ করুন।<br />
<br />
১০। ব্যস হয়ে গেল ঈদের দিনের পারফেক্ট মেকআপ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঈদের সাজে মেহেদি হাতে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1180</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:39:35 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1180</guid>
			<description><![CDATA[মেহেদি না দিলে কি আর উৎসবের আনন্দে পূর্ণতা পায়! তাছাড়া শুধু মেহেদি দিলেই চলবে না, চাই মনের মতো নকশা আর গাঢ় রং।<br />
<br />
মেহেদির নকশা এবং রং কীভাবে গাঢ় করা যায় তারই কিছু পন্থা দেওয়া হল।<br />
<br />
বাজারে বিভিন্ন নামের গোল্ড মেহেদি পাওয়া যায় যা পাঁচ থেকে ১০ মিনিটে গাঢ় রংয়ের দাবী করে থাকে। কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি কেমিকল। যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক মেহেদি ব্যবহার করা উচিত। সম্ভব হলে মেহেদি ঘরে বেটেই তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে।<br />
<br />
বাজারে মেহেদিগুঁড়া কিনতে পাওয়া যায়, এর সঙ্গে লেবুর রং ও তেল মিশিয়ে কোণ তৈরি করে নেওয়া যায়।<br />
<br />
মেহেদি লাগানোর আগে অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুয়ে ও মুছে শুকিয়ে নিতে হবে বলে জানান সুহেলি। আর মেহেদি শুকিয়ে উঠিয়ে ফেলার পর পানি দিয়ে না ধুয়ে সামান্য তেল মাখিয়ে রাখার পরামর্শ দেন সুহেলি।<br />
<br />
মেহেদি ওঠানোর পর পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা হাতে পানি না লাগানোই ভালো, এতে মন মতো গাঢ় রং পাওয়া যাবে।<br />
<br />
বাজারে ঈদের আগে নানা মেহেদিতে ভরে যায়। থাকে গাঢ় রংয়ের দাবী। আবার অনেকের পছন্দ কালো মেহেদি। কিন্তু এগুলো কোনো ভাবেই প্রাকৃতিক মেহেদি নয়, পুরোপুরি কেমিকল রং।<br />
<br />
তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক মেহেদি থেকে মন মতো গাঢ় রং পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। যেসব মেহেদি থেকে দ্রুত গাঢ় রং হয় সেগুলো পুরোপুরি কেমিকল রং। এসব মেহেদি ব্যবহারে হাতের ত্বকের নানান সমস্যা হতে পারে। যেমন, চামড়া খসখসে হয়ে যাওয়া, চামরা ওঠা, চুলকানো ইত্যাদি। তাই এ ধরনের মেহেদি এড়িয়ে চলাই ভালো। আর মেহেদি কেনার সময় তারিখ দেখে কেনা উচিত। কারণ পুরানো মেহেদিতে গাঢ় রং হয় না।”<br />
<br />
মেহেদি যদি ঘরে বেটে কোণ তৈরি করা হয় তাহলে চাইলে কচি পেয়ারা পাতা, লেবুর রস, চা ইত্যাদি মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এই উপাদানগুলো মেহেদির রং গাঢ় হতে সাহায্য করে।<br />
<br />
গাঢ় রং পাওয়ার জন্য আরও কিছু পরামর্শও:<br />
<br />
মেহেদি লাগানোর পর যখন শুকাতে শুরু করবে তখন একটি পাত্রে লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে একটি মিশ্রণ গুলিয়ে নিন। আঠালো মিশ্রণটি তুলার সাহায্যে হালকা শুকিয়ে যাওয়া মেহেদির উপর অল্প করে ছড়িয়ে দিন। এতে রং অনেকটা ফুটবে। তাছাড়া রাতে মেহেদি দেওয়াও ভালো, এতে অনেকটা সময় থাকে এবং রং গাঢ় হয়।<br />
<br />
চিকন চিকন ডিজাইন দিয়ে হাত না ভরে কিছু ভরাট ডিজাইন রাখতে হবে, এতে রং ফুটবে। মেহেদি শুকাতে শুরু করলে জিরা ভেজানো পানিও ব্যবহার করা যেতে পারে। মেহেদি তোলার পর গরম তাওয়ার কিছু দূর থেকে হাত সেঁকে নিলেও রং অনেক গাঢ় হয়।<br />
<br />
ঘরে বাটা মেহেদির রং কমলা হয়ে যায়। এই রং গাঢ় করতে চা পাতা জ্বাল দিয়ে তার মধ্যে সারা রাত মেহেদি পাতা বা মেহেদিগুঁড়া ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন বেটে হাতে লাগাতে হবে। মেহেদিগুঁড়ার সঙ্গে এক চামচ কফি পাউডার মিশিয়ে নিলেও রং গাঢ় হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মেহেদি না দিলে কি আর উৎসবের আনন্দে পূর্ণতা পায়! তাছাড়া শুধু মেহেদি দিলেই চলবে না, চাই মনের মতো নকশা আর গাঢ় রং।<br />
<br />
মেহেদির নকশা এবং রং কীভাবে গাঢ় করা যায় তারই কিছু পন্থা দেওয়া হল।<br />
<br />
বাজারে বিভিন্ন নামের গোল্ড মেহেদি পাওয়া যায় যা পাঁচ থেকে ১০ মিনিটে গাঢ় রংয়ের দাবী করে থাকে। কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি কেমিকল। যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক মেহেদি ব্যবহার করা উচিত। সম্ভব হলে মেহেদি ঘরে বেটেই তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে।<br />
<br />
বাজারে মেহেদিগুঁড়া কিনতে পাওয়া যায়, এর সঙ্গে লেবুর রং ও তেল মিশিয়ে কোণ তৈরি করে নেওয়া যায়।<br />
<br />
মেহেদি লাগানোর আগে অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুয়ে ও মুছে শুকিয়ে নিতে হবে বলে জানান সুহেলি। আর মেহেদি শুকিয়ে উঠিয়ে ফেলার পর পানি দিয়ে না ধুয়ে সামান্য তেল মাখিয়ে রাখার পরামর্শ দেন সুহেলি।<br />
<br />
মেহেদি ওঠানোর পর পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা হাতে পানি না লাগানোই ভালো, এতে মন মতো গাঢ় রং পাওয়া যাবে।<br />
<br />
বাজারে ঈদের আগে নানা মেহেদিতে ভরে যায়। থাকে গাঢ় রংয়ের দাবী। আবার অনেকের পছন্দ কালো মেহেদি। কিন্তু এগুলো কোনো ভাবেই প্রাকৃতিক মেহেদি নয়, পুরোপুরি কেমিকল রং।<br />
<br />
তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক মেহেদি থেকে মন মতো গাঢ় রং পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। যেসব মেহেদি থেকে দ্রুত গাঢ় রং হয় সেগুলো পুরোপুরি কেমিকল রং। এসব মেহেদি ব্যবহারে হাতের ত্বকের নানান সমস্যা হতে পারে। যেমন, চামড়া খসখসে হয়ে যাওয়া, চামরা ওঠা, চুলকানো ইত্যাদি। তাই এ ধরনের মেহেদি এড়িয়ে চলাই ভালো। আর মেহেদি কেনার সময় তারিখ দেখে কেনা উচিত। কারণ পুরানো মেহেদিতে গাঢ় রং হয় না।”<br />
<br />
মেহেদি যদি ঘরে বেটে কোণ তৈরি করা হয় তাহলে চাইলে কচি পেয়ারা পাতা, লেবুর রস, চা ইত্যাদি মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এই উপাদানগুলো মেহেদির রং গাঢ় হতে সাহায্য করে।<br />
<br />
গাঢ় রং পাওয়ার জন্য আরও কিছু পরামর্শও:<br />
<br />
মেহেদি লাগানোর পর যখন শুকাতে শুরু করবে তখন একটি পাত্রে লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে একটি মিশ্রণ গুলিয়ে নিন। আঠালো মিশ্রণটি তুলার সাহায্যে হালকা শুকিয়ে যাওয়া মেহেদির উপর অল্প করে ছড়িয়ে দিন। এতে রং অনেকটা ফুটবে। তাছাড়া রাতে মেহেদি দেওয়াও ভালো, এতে অনেকটা সময় থাকে এবং রং গাঢ় হয়।<br />
<br />
চিকন চিকন ডিজাইন দিয়ে হাত না ভরে কিছু ভরাট ডিজাইন রাখতে হবে, এতে রং ফুটবে। মেহেদি শুকাতে শুরু করলে জিরা ভেজানো পানিও ব্যবহার করা যেতে পারে। মেহেদি তোলার পর গরম তাওয়ার কিছু দূর থেকে হাত সেঁকে নিলেও রং অনেক গাঢ় হয়।<br />
<br />
ঘরে বাটা মেহেদির রং কমলা হয়ে যায়। এই রং গাঢ় করতে চা পাতা জ্বাল দিয়ে তার মধ্যে সারা রাত মেহেদি পাতা বা মেহেদিগুঁড়া ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন বেটে হাতে লাগাতে হবে। মেহেদিগুঁড়ার সঙ্গে এক চামচ কফি পাউডার মিশিয়ে নিলেও রং গাঢ় হবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কাজল দেয়ার আগে...]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1179</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:39:13 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1179</guid>
			<description><![CDATA[প্রত্যেকের চোখের আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন হয়। কারো চোখ ছোট আবার কারো চোখ বড়। কারো চোখ টানাটানা আবার অনেকের চোখ ভাসাভাসা। চোখের পাপড়িতেও থাকে ভিন্নতা। তাই কাজল লাগানোর আগে অবশ্যই চোখের ভাষা বুঝে তবেই কাজল লাগাতে হবে। সবার চোখ এক রকমের হয় না, যেকোনো চোখের ক্রুটি অবশ্যই ঢাকা যায় মেকআপ দিয়ে।<br />
<br />
• যাদের দুই চোখের মাঝখানের অংশ বেশি চওড়া হয়। সেক্ষেত্রে যেকোনো ডার্ক শ্যাডো লাগান চোখের ভেতরের দিকে কোণে আর হালকা শ্যাডো লাগান চোখের পাতায় বাইরের দিকে।<br />
<br />
• যদি ক্লোজসেট আই হয় অর্থাৎ চোখের মাঝের অংশ খুব ছোট হয় তখন উল্টোটা করতে হবে। অর্থাৎ, চোখের বাইরের দিকে ডার্ক আর ভেতরের দিকে লাইট শ্যাডো লাগাতে হবে।<br />
<br />
• যাদের চোখের খুব ছোটতারা চোখের নিচে সাদা পেন্সিলের রেখা টানুন। এতে চোখ বড় দেখাবে। সাদার বদলে হালকা রংএর কালার ব্যবহার করতে পারেন।<br />
<br />
• আই লাইনার আঁকার সময় ওপরের ও নিচের লাইন ছেড়ে রাখবেন, জোড়া দেবেন না। যাদের বালজিং আইজ তারা চোখের উপরের পাতায় ডার্ক রঙের শ্যাডো লাগান। উপরে আর নিচে আইলাইনার লাগিয়ে লাইনটা জুড়ে দেবেন।<br />
<br />
• ঠিকভাবে কাজলের ব্যবহার আপনার চোখের অনেক খুঁত অনায়াসেই ঢেকে দিতে পারে। শুধু কাজলেই চোখের সাজ সম্পূর্ণ হয় না, প্রয়োজন অনুযায়ী আইল্যাশ ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে মাসকারা অবশ্যই লাগবে।<br />
<br />
এছাড়াও কাজলকে আরও আধুনিক করতে ব্লেন্ড গোল্ডেন অথবা সিলভার আইশ্যাডো দিয়ে হাইলাইট করুন। এরপর পছন্দের যে কোনো রংয়ের কাজল নিয়ে চোখের ভেতর থেকে চোখের বাইরে পর্যন্ত টেনে দিন।<br />
<br />
অনেকের চোখের ওপরের পাতা অনেক সময় ছোট হয়। এক্ষেত্রে বাইরের দিকের কোণে ডার্ক শ্যাডো বা পেন্সিল দিয়ে লাইন টানুন। এতে চোখটা বড় দেখাবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রত্যেকের চোখের আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন হয়। কারো চোখ ছোট আবার কারো চোখ বড়। কারো চোখ টানাটানা আবার অনেকের চোখ ভাসাভাসা। চোখের পাপড়িতেও থাকে ভিন্নতা। তাই কাজল লাগানোর আগে অবশ্যই চোখের ভাষা বুঝে তবেই কাজল লাগাতে হবে। সবার চোখ এক রকমের হয় না, যেকোনো চোখের ক্রুটি অবশ্যই ঢাকা যায় মেকআপ দিয়ে।<br />
<br />
• যাদের দুই চোখের মাঝখানের অংশ বেশি চওড়া হয়। সেক্ষেত্রে যেকোনো ডার্ক শ্যাডো লাগান চোখের ভেতরের দিকে কোণে আর হালকা শ্যাডো লাগান চোখের পাতায় বাইরের দিকে।<br />
<br />
• যদি ক্লোজসেট আই হয় অর্থাৎ চোখের মাঝের অংশ খুব ছোট হয় তখন উল্টোটা করতে হবে। অর্থাৎ, চোখের বাইরের দিকে ডার্ক আর ভেতরের দিকে লাইট শ্যাডো লাগাতে হবে।<br />
<br />
• যাদের চোখের খুব ছোটতারা চোখের নিচে সাদা পেন্সিলের রেখা টানুন। এতে চোখ বড় দেখাবে। সাদার বদলে হালকা রংএর কালার ব্যবহার করতে পারেন।<br />
<br />
• আই লাইনার আঁকার সময় ওপরের ও নিচের লাইন ছেড়ে রাখবেন, জোড়া দেবেন না। যাদের বালজিং আইজ তারা চোখের উপরের পাতায় ডার্ক রঙের শ্যাডো লাগান। উপরে আর নিচে আইলাইনার লাগিয়ে লাইনটা জুড়ে দেবেন।<br />
<br />
• ঠিকভাবে কাজলের ব্যবহার আপনার চোখের অনেক খুঁত অনায়াসেই ঢেকে দিতে পারে। শুধু কাজলেই চোখের সাজ সম্পূর্ণ হয় না, প্রয়োজন অনুযায়ী আইল্যাশ ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে মাসকারা অবশ্যই লাগবে।<br />
<br />
এছাড়াও কাজলকে আরও আধুনিক করতে ব্লেন্ড গোল্ডেন অথবা সিলভার আইশ্যাডো দিয়ে হাইলাইট করুন। এরপর পছন্দের যে কোনো রংয়ের কাজল নিয়ে চোখের ভেতর থেকে চোখের বাইরে পর্যন্ত টেনে দিন।<br />
<br />
অনেকের চোখের ওপরের পাতা অনেক সময় ছোট হয়। এক্ষেত্রে বাইরের দিকের কোণে ডার্ক শ্যাডো বা পেন্সিল দিয়ে লাইন টানুন। এতে চোখটা বড় দেখাবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[গরমে ঈদের সাজে স্নিগ্ধতা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1178</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 07:38:38 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1178</guid>
			<description><![CDATA[গরমে ঈদের সাজে স্নিগ্ধতা<br />
ঈদের দিন নতুন পোশাক পরবো আর মনের মতো সাজগোজ থাকবে না তা কি হয়? কিন্তু এই সাজগোজের চরম শত্রু হল গরম। সাজ শেষ করার একটু পরেই ঘেমে খসে পড়ে শখের মেকআপ। তাই এবারের ঈদ বর্ষা আর গরমের মধ্যে হওয়ায় শখের সাজ-পোশাক নিয়ে একটু চিন্তায় পড়তেই হচ্ছে। সব চিন্তাকে দূরে ঠেলে গরমেও সাজের স্নিগ্ধতা বজায় রাখার কিছু কৌশল শিখে নিন এখনই।<br />
<br />
- ভারি ফাউন্ডেশন ও বেশি ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না। বেশি ক্রিম বা ফাউন্ডেশনে ত্বক ঘামলে তা গলে পড়বে, থকথকে দেখাবে। হালকা ফাউন্ডেশনের ওপর এসপিএফসহ ম্যাট পাউডার ব্যবহার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারেন।<br />
<br />
- গরমে লিপ গ্লসের চেয়ে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করাই ভালো। গোলাপি লিপস্টিক গ্রীষ্মকালে বেশ মানানসই।<br />
<br />
- গরমে চোখের মেকাআপ অত্যন্ত জটিল। নিউট্রাল টোনের স্টিক, পানিনিরোধী মাসকারা ও লাইনার ব্যবহার করতে পারেন। হালকা করে আইশ্যাডো দিয়ে রাঙিয়ে নিতে পারেন চোখের পাতা। গাঢ় আইলাইনার এই গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় অসাধারণ লাগবে। তবে ডিপ আইশ্যাডো ইনডোর কোনো প্রোগ্রামেই মানানসই হতে পারে।<br />
<br />
- পায়ের নখে উজ্জ্বল গাঢ় রঙের নেইল পলিশ লাগাতে পারেন। বর্তমান ট্রেন্ডে গাঢ় উজ্জ্বল রঙের লেইল পলিসের প্রচলন অনেক বেশি। বিশেষ করে পায়ের নখে তো বটেই। আপনি যদি খোলা জায়গায় হাঁটতে চান বা চপ্পল পায়ে হাঁটতে চান তাহলে অবশ্যই পোশাকের ভেতর থেকে গাঢ় একটি রঙ বাছাই করুন। এবার সেই রঙের নেইলপলিস লাগিয়ে পাকে দিতে পারেন জাঁকজমক একটি লুক। হাতের নখে দিতে পারেন নানা রকম আর্ট। হাতের পাঁচটি আঙুলে দুটি বা তিনটি রঙের নেইলপলিসের এখন দারুণ মিশ্রণ চলছে। সেভাবে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনিও।<br />
<br />
- সাজের সঙ্গে মানানসই টুকিটাকি অনুষঙ্গ খারাপ লাগবে না, বরং সাজকে পরিপূর্ণ করবে। আবার গরমে অস্বস্তিও বাড়াবে না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গরমে ঈদের সাজে স্নিগ্ধতা<br />
ঈদের দিন নতুন পোশাক পরবো আর মনের মতো সাজগোজ থাকবে না তা কি হয়? কিন্তু এই সাজগোজের চরম শত্রু হল গরম। সাজ শেষ করার একটু পরেই ঘেমে খসে পড়ে শখের মেকআপ। তাই এবারের ঈদ বর্ষা আর গরমের মধ্যে হওয়ায় শখের সাজ-পোশাক নিয়ে একটু চিন্তায় পড়তেই হচ্ছে। সব চিন্তাকে দূরে ঠেলে গরমেও সাজের স্নিগ্ধতা বজায় রাখার কিছু কৌশল শিখে নিন এখনই।<br />
<br />
- ভারি ফাউন্ডেশন ও বেশি ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না। বেশি ক্রিম বা ফাউন্ডেশনে ত্বক ঘামলে তা গলে পড়বে, থকথকে দেখাবে। হালকা ফাউন্ডেশনের ওপর এসপিএফসহ ম্যাট পাউডার ব্যবহার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পারেন।<br />
<br />
- গরমে লিপ গ্লসের চেয়ে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করাই ভালো। গোলাপি লিপস্টিক গ্রীষ্মকালে বেশ মানানসই।<br />
<br />
- গরমে চোখের মেকাআপ অত্যন্ত জটিল। নিউট্রাল টোনের স্টিক, পানিনিরোধী মাসকারা ও লাইনার ব্যবহার করতে পারেন। হালকা করে আইশ্যাডো দিয়ে রাঙিয়ে নিতে পারেন চোখের পাতা। গাঢ় আইলাইনার এই গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় অসাধারণ লাগবে। তবে ডিপ আইশ্যাডো ইনডোর কোনো প্রোগ্রামেই মানানসই হতে পারে।<br />
<br />
- পায়ের নখে উজ্জ্বল গাঢ় রঙের নেইল পলিশ লাগাতে পারেন। বর্তমান ট্রেন্ডে গাঢ় উজ্জ্বল রঙের লেইল পলিসের প্রচলন অনেক বেশি। বিশেষ করে পায়ের নখে তো বটেই। আপনি যদি খোলা জায়গায় হাঁটতে চান বা চপ্পল পায়ে হাঁটতে চান তাহলে অবশ্যই পোশাকের ভেতর থেকে গাঢ় একটি রঙ বাছাই করুন। এবার সেই রঙের নেইলপলিস লাগিয়ে পাকে দিতে পারেন জাঁকজমক একটি লুক। হাতের নখে দিতে পারেন নানা রকম আর্ট। হাতের পাঁচটি আঙুলে দুটি বা তিনটি রঙের নেইলপলিসের এখন দারুণ মিশ্রণ চলছে। সেভাবে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনিও।<br />
<br />
- সাজের সঙ্গে মানানসই টুকিটাকি অনুষঙ্গ খারাপ লাগবে না, বরং সাজকে পরিপূর্ণ করবে। আবার গরমে অস্বস্তিও বাড়াবে না।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ করবেন যেভাবে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1177</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 06:59:00 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1177</guid>
			<description><![CDATA[নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মেকআপ ব্যবহার করেন অনেক নারীই। তবে ত্বক তৈলাক্ত হলে মেকআপ করা নিয়ে মুশকিলে পড়তে হয়। কারণ তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণের জন্য অনেক সময় মেকআপ নষ্ট হয়ে যায়। তাই তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ করার সময় কিছু নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে। আর এইসব নিয়ম মেনে চললে আপনি ঘরে বসে নিজে নিজেই করতে পারেন পারফেক্ট মেকআপ যা আপনার মুখের অতিরিক্ত তেলকে নিয়ন্ত্রণ করে আপনার সাজকে পরিপূর্ণ করে তুলবে।<br />
<br />
মেকআপ করার আগে ত্বককে এক্সফ্লোয়েট করা অনেক জরুরি। প্রথমে ভালো কোনো স্ক্রাব দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এতে করে আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা বের হয়ে যাবে এবং আপনার ব্ল্যাকহেডস কিছুটা কম দেখাবে। এরপর গরম তোয়ালে মুখে চেপে মুখ মুছে নিন।<br />
<br />
মুখ ধোয়ার পর যেকোনো মশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। মেকআপ করার ক্ষেত্রে মশ্চারাইজার লাগানো অনেক জরুরি। খেয়াল রাখতে হবে মশ্চারাইজার যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রী এবং ওয়াটার বেইস হয়। সম্ভব হলে এটা মেকআপ লাগানোর ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে এটা লাগিয়ে নিন।<br />
<br />
এরপর মুখে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশন যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রি হয়। ফাউন্ডেশন লাগানোর সময় ব্রাশ ব্যবহার না করে হাত দিয়েই ভালোভাবে ব্লেন্ড করার চেষ্টা করুন। ত্বকে লাগানোর আগে এক ফোঁটা পানি অথবা একটু মশ্চারাইজার মেশান।<br />
<br />
ফাউন্ডেশন লাগানোর পর কম্প্যাক্ট পাওডার লাগানোর আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার একটা ব্রাশ দিয়ে আস্তে আস্তে আপনার মুখের শেড অনুযায়ী কম্প্যাক্ট পাওডার লাগিয়ে নিন। হাল্কা করে গালের দিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পাউডার লাগিয়ে নিন। পাউডার লাগানোর জন্য মুখের তেল কম নিঃসরণ হবে এবং ন্যাচারাল লাগবে। খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশনের রঙ এর সঙ্গে কম্প্যাক্ট পাউডারের রঙ যেন মিলে যায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে মেকআপ ব্যবহার করেন অনেক নারীই। তবে ত্বক তৈলাক্ত হলে মেকআপ করা নিয়ে মুশকিলে পড়তে হয়। কারণ তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণের জন্য অনেক সময় মেকআপ নষ্ট হয়ে যায়। তাই তৈলাক্ত ত্বকে মেকআপ করার সময় কিছু নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে। আর এইসব নিয়ম মেনে চললে আপনি ঘরে বসে নিজে নিজেই করতে পারেন পারফেক্ট মেকআপ যা আপনার মুখের অতিরিক্ত তেলকে নিয়ন্ত্রণ করে আপনার সাজকে পরিপূর্ণ করে তুলবে।<br />
<br />
মেকআপ করার আগে ত্বককে এক্সফ্লোয়েট করা অনেক জরুরি। প্রথমে ভালো কোনো স্ক্রাব দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এতে করে আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা বের হয়ে যাবে এবং আপনার ব্ল্যাকহেডস কিছুটা কম দেখাবে। এরপর গরম তোয়ালে মুখে চেপে মুখ মুছে নিন।<br />
<br />
মুখ ধোয়ার পর যেকোনো মশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। মেকআপ করার ক্ষেত্রে মশ্চারাইজার লাগানো অনেক জরুরি। খেয়াল রাখতে হবে মশ্চারাইজার যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রী এবং ওয়াটার বেইস হয়। সম্ভব হলে এটা মেকআপ লাগানোর ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে এটা লাগিয়ে নিন।<br />
<br />
এরপর মুখে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশন যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রি হয়। ফাউন্ডেশন লাগানোর সময় ব্রাশ ব্যবহার না করে হাত দিয়েই ভালোভাবে ব্লেন্ড করার চেষ্টা করুন। ত্বকে লাগানোর আগে এক ফোঁটা পানি অথবা একটু মশ্চারাইজার মেশান।<br />
<br />
ফাউন্ডেশন লাগানোর পর কম্প্যাক্ট পাওডার লাগানোর আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার একটা ব্রাশ দিয়ে আস্তে আস্তে আপনার মুখের শেড অনুযায়ী কম্প্যাক্ট পাওডার লাগিয়ে নিন। হাল্কা করে গালের দিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পাউডার লাগিয়ে নিন। পাউডার লাগানোর জন্য মুখের তেল কম নিঃসরণ হবে এবং ন্যাচারাল লাগবে। খেয়াল রাখতে হবে ফাউন্ডেশনের রঙ এর সঙ্গে কম্প্যাক্ট পাউডারের রঙ যেন মিলে যায়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সহজে চুল সোজা করার ঘরোয়া উপায়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1176</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 06:58:37 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1176</guid>
			<description><![CDATA[হাল ফ্যাশনে বেশির বাগ মেয়েদের পছন্দ সোজা চুল। তাই চুল সোজা করতে অনেকে পার্লারে যান। কিন্তু পার্লারে কেমিকেলের মাধ্যমে চুল সোজা করলে চুলের অনেক ক্ষতি হয়। এতে চুল পড়া বেড়ে যায়, আগা ফাটে ও চুল খসখসে হয়ে যায়।<br />
<br />
এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে কেমিকেল বা হিট ছাড়াই যদি সুন্দর সোজা চুল পাওয়া যায় তবে কেমন হয় বলুন তো? সহজলভ্য আর হাতের কাছে পাওয়া ঘরোয়া উপাদান কাজে লাগিয়ে পেয়ে যান আপনার আকাঙ্ক্ষিত স্টাইলের চুল।<br />
<br />
প্রথমে শ্যাম্পু করে গোসল করে নিতে হবে। এবার ভেজা থাকা অবস্থায় নিচু করে এবং শক্ত করে ঝুটি করুন। এরপর চিরুনি দিয়ে চুলগুলো ভালোভাবে আঁচড়ে নিন যেন জট না থাকে। প্রথম ব্যান্ডের ২ ইঞ্চি নিচে আরেকটি ব্যান্ড দিয়ে চুল শক্ত করে আটকে দিন। এভাবে পুরো চুলটাকে রাবার ব্যান্ড দিয়ে বেঁধে দিন। বাঁধা অবস্থায় চুল শুকিয়ে নিতে হবে। চুল শুকিয়ে গেলে ব্যান্ডগুলো খুলে চুলগুলো আবার ভালোভাবে আঁচড়ে নিতে হবে। এভাবে কয়েকদিন পর পর করলে চুল সোজা হতে বাধ্য।<br />
<br />
এই সোজা চুলের স্থায়ীত্ব বাড়াতে প্রয়োজন কিছু ঘরোয়া যত্ন-<br />
<br />
১। নারকেল এবং লেবু<br />
<br />
তাজা নারকেলের দুধের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণটি কয়েক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। একটি ঘন ক্রিমি লেয়ার দেখা যাবে পাত্রের উপরে। এই লেয়ারটাই মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে চুল স্টিম করুন। সব শেষে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত করতে থাকলে ধীরে ধীরে দেখবেন আপনার চুল সোজা হতে শুরু করেছে।<br />
<br />
২। দুধ<br />
<br />
আমরা সবাই জানি দুধ ময়েশরাইজারের কাজ করে আর এটিই চুল সোজা করার জন্য সহায়ক। ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নেয়া আধা কাপ দুধ আধা কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার একটা স্প্রে বোতলে মিশ্রণটি ভরে সমস্ত চুলে স্প্রে করুন। তারপর আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
<br />
৩। ক্যাস্টর অয়েল<br />
<br />
ক্যাস্টর অয়েলে আছে চুলের উর্বরতা বৃদ্ধি আর সোজা করার গুণাগুণ। এই তেল মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন, তারপর চিরুনি দিয়ে চুল বরাবর আঁচড়াতে থাকুন। যখন চুল আঁচড়াবেন তখন ব্লো ড্রাই করুন হাই হিটে। ব্লো ড্রাই করার পর চুলে যেন তেলতেলে ভাব না থাকে, চুল হতে হবে শুষ্ক। তারপর একটি ভেজা তোয়ালে দিয়ে চুল জড়িয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা ধরে। এটা চুলকে অতিরিক্ত হিট থেকে কোমল করবে আর সোজা হবে।<br />
<br />
৪। সেলেরি<br />
<br />
কয়েকটি ফ্রেশ সেলেরি পাতা ব্লেন্ড করে পানিতে মিশিয়ে দিন। তারপর মিশ্রণটি বোতলে সংরক্ষণ করে রাখুন ১দিন। প্রতিদিন গোসলের আগে মাথার ত্বকে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন তারপর শাম্পু করে ফেলুন।<br />
<br />
৫। মধু এবং দুধ<br />
<br />
এই কম্বিশন শুধু ত্বকের জন্য নয় চুলের জন্যও ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এক চামচ মধুর সঙ্গে এক কাপ দুধ মেশান। এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ভালো মানের শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন করলে সিল্কি ও স্টেইট চুল পাওয়া যাবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[হাল ফ্যাশনে বেশির বাগ মেয়েদের পছন্দ সোজা চুল। তাই চুল সোজা করতে অনেকে পার্লারে যান। কিন্তু পার্লারে কেমিকেলের মাধ্যমে চুল সোজা করলে চুলের অনেক ক্ষতি হয়। এতে চুল পড়া বেড়ে যায়, আগা ফাটে ও চুল খসখসে হয়ে যায়।<br />
<br />
এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে কেমিকেল বা হিট ছাড়াই যদি সুন্দর সোজা চুল পাওয়া যায় তবে কেমন হয় বলুন তো? সহজলভ্য আর হাতের কাছে পাওয়া ঘরোয়া উপাদান কাজে লাগিয়ে পেয়ে যান আপনার আকাঙ্ক্ষিত স্টাইলের চুল।<br />
<br />
প্রথমে শ্যাম্পু করে গোসল করে নিতে হবে। এবার ভেজা থাকা অবস্থায় নিচু করে এবং শক্ত করে ঝুটি করুন। এরপর চিরুনি দিয়ে চুলগুলো ভালোভাবে আঁচড়ে নিন যেন জট না থাকে। প্রথম ব্যান্ডের ২ ইঞ্চি নিচে আরেকটি ব্যান্ড দিয়ে চুল শক্ত করে আটকে দিন। এভাবে পুরো চুলটাকে রাবার ব্যান্ড দিয়ে বেঁধে দিন। বাঁধা অবস্থায় চুল শুকিয়ে নিতে হবে। চুল শুকিয়ে গেলে ব্যান্ডগুলো খুলে চুলগুলো আবার ভালোভাবে আঁচড়ে নিতে হবে। এভাবে কয়েকদিন পর পর করলে চুল সোজা হতে বাধ্য।<br />
<br />
এই সোজা চুলের স্থায়ীত্ব বাড়াতে প্রয়োজন কিছু ঘরোয়া যত্ন-<br />
<br />
১। নারকেল এবং লেবু<br />
<br />
তাজা নারকেলের দুধের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণটি কয়েক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। একটি ঘন ক্রিমি লেয়ার দেখা যাবে পাত্রের উপরে। এই লেয়ারটাই মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে চুল স্টিম করুন। সব শেষে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত করতে থাকলে ধীরে ধীরে দেখবেন আপনার চুল সোজা হতে শুরু করেছে।<br />
<br />
২। দুধ<br />
<br />
আমরা সবাই জানি দুধ ময়েশরাইজারের কাজ করে আর এটিই চুল সোজা করার জন্য সহায়ক। ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নেয়া আধা কাপ দুধ আধা কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার একটা স্প্রে বোতলে মিশ্রণটি ভরে সমস্ত চুলে স্প্রে করুন। তারপর আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
<br />
৩। ক্যাস্টর অয়েল<br />
<br />
ক্যাস্টর অয়েলে আছে চুলের উর্বরতা বৃদ্ধি আর সোজা করার গুণাগুণ। এই তেল মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন, তারপর চিরুনি দিয়ে চুল বরাবর আঁচড়াতে থাকুন। যখন চুল আঁচড়াবেন তখন ব্লো ড্রাই করুন হাই হিটে। ব্লো ড্রাই করার পর চুলে যেন তেলতেলে ভাব না থাকে, চুল হতে হবে শুষ্ক। তারপর একটি ভেজা তোয়ালে দিয়ে চুল জড়িয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা ধরে। এটা চুলকে অতিরিক্ত হিট থেকে কোমল করবে আর সোজা হবে।<br />
<br />
৪। সেলেরি<br />
<br />
কয়েকটি ফ্রেশ সেলেরি পাতা ব্লেন্ড করে পানিতে মিশিয়ে দিন। তারপর মিশ্রণটি বোতলে সংরক্ষণ করে রাখুন ১দিন। প্রতিদিন গোসলের আগে মাথার ত্বকে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন তারপর শাম্পু করে ফেলুন।<br />
<br />
৫। মধু এবং দুধ<br />
<br />
এই কম্বিশন শুধু ত্বকের জন্য নয় চুলের জন্যও ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এক চামচ মধুর সঙ্গে এক কাপ দুধ মেশান। এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ভালো মানের শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন করলে সিল্কি ও স্টেইট চুল পাওয়া যাবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চিকন মেয়েদের পোশাক যেমন হওয়া চাই!!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1175</link>
			<pubDate>Mon, 06 Feb 2017 06:58:19 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1175</guid>
			<description><![CDATA[যাদের দৈহিক গড়ন কৃশকায় তাদের অনেক সময় পোশাক বাছাইয়ে বিপাকে পড়তে হয়। গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট পোশাকে চিকনদের দেখতে কিছুটা বেমানানই লাগে।<br />
মান্ত্রা লুকগুড অ্যাডভাইজর সোয়াতি দিওগিরে চিকন দৈহিক গঠনে কোন ধরনের পোশাক বেশি মানানসই তারই কিছু টিপস দেন।<br />
<br />
– কামিজ, ফতুয়া বা টপসের সঙ্গে লেহিংস বেশ মানানসই এবং জনপ্রিয়। তবে বেশি চিকন যারা, তাদের লেগিংসের কারণে আরও শুকনা দেখায়। কারণ এই পোশাক গায়ের সঙ্গে এঁটে থাকে। এক্ষেত্রে জিন্সের প্যান্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে।<br />
<br />
– চাপা বা কোণ শেইপের পোশাকের তুলনায় ম্যাক্সি বা ঘের দেওয়া পোশাকে শুকনাদের ভালো মানায়।<br />
<br />
– শিফন শাড়ির বদলে বেছে নেওয়া যেতে পারে সিল্ক শাড়ি। শিফন শাড়ি স্বচ্ছ এবং নরম হয়। তাই এটি গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকে। আর চিকন স্বাস্থ্যের মেয়েদের আরও শুকনা দেখায়। অন্যদিকে সিল্কের শাড়িতে কিছুটা ফোলাভাব থাকে।<br />
<br />
– গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট বা বেশি চাপা পোশাক না পরে বরং কিছুটা ঢোলা টপস বা শার্ট শুকনাদের জন্য বেশি মানানসই। কারণ যাদের কোমর বেশি চিকন তাদের ফিটিং পোশাকে দেখতে দৃষ্টিকটু লাগে। তাই কিছুটা ঢোলা বা ফ্লোয়ি টপসে তাদের বেশ ভালো লাগবে।<br />
<br />
– খাড়া বা লম্বালম্বি নকশার পোশাক না পরে আড়াআড়ি নকশার পোশাক বেছে নেওয়া উচিত চিকন স্বাস্থ্যের অধিকারীদের। কারণ লম্বালম্বি স্ট্রাইপের কারণে দেখতে আরও শুকনা লাগে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[যাদের দৈহিক গড়ন কৃশকায় তাদের অনেক সময় পোশাক বাছাইয়ে বিপাকে পড়তে হয়। গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট পোশাকে চিকনদের দেখতে কিছুটা বেমানানই লাগে।<br />
মান্ত্রা লুকগুড অ্যাডভাইজর সোয়াতি দিওগিরে চিকন দৈহিক গঠনে কোন ধরনের পোশাক বেশি মানানসই তারই কিছু টিপস দেন।<br />
<br />
– কামিজ, ফতুয়া বা টপসের সঙ্গে লেহিংস বেশ মানানসই এবং জনপ্রিয়। তবে বেশি চিকন যারা, তাদের লেগিংসের কারণে আরও শুকনা দেখায়। কারণ এই পোশাক গায়ের সঙ্গে এঁটে থাকে। এক্ষেত্রে জিন্সের প্যান্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে।<br />
<br />
– চাপা বা কোণ শেইপের পোশাকের তুলনায় ম্যাক্সি বা ঘের দেওয়া পোশাকে শুকনাদের ভালো মানায়।<br />
<br />
– শিফন শাড়ির বদলে বেছে নেওয়া যেতে পারে সিল্ক শাড়ি। শিফন শাড়ি স্বচ্ছ এবং নরম হয়। তাই এটি গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকে। আর চিকন স্বাস্থ্যের মেয়েদের আরও শুকনা দেখায়। অন্যদিকে সিল্কের শাড়িতে কিছুটা ফোলাভাব থাকে।<br />
<br />
– গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট বা বেশি চাপা পোশাক না পরে বরং কিছুটা ঢোলা টপস বা শার্ট শুকনাদের জন্য বেশি মানানসই। কারণ যাদের কোমর বেশি চিকন তাদের ফিটিং পোশাকে দেখতে দৃষ্টিকটু লাগে। তাই কিছুটা ঢোলা বা ফ্লোয়ি টপসে তাদের বেশ ভালো লাগবে।<br />
<br />
– খাড়া বা লম্বালম্বি নকশার পোশাক না পরে আড়াআড়ি নকশার পোশাক বেছে নেওয়া উচিত চিকন স্বাস্থ্যের অধিকারীদের। কারণ লম্বালম্বি স্ট্রাইপের কারণে দেখতে আরও শুকনা লাগে]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>