<![CDATA[Forums.Likebd.Com - জাদু বিদ্যা]]> http://forums.likebd.com/ 2026-11-07T17:58:24Z MyBB Hasan]]> 2017-01-15T10:09:18Z 2017-01-15T10:09:18Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=585 <![CDATA[[ম্যাজিক স্কুল] বরফ দিয়ে আগুণজ্বালিয়ে হয়ে যান বিখ্যাত]]> করব যার মাধ্যমে আপনি আপনি বরফ দিয়ে আগুণ
ধরাতে পারবেন।
উপকরনাদি:: এক টুকরো বরফ। একটা বড় সাইজের মগ
।
চলুন শুরু করিঃ প্রথমে মগের ভেতর আধা মগ
পানি নিয়ে Deep refrigerator এ রেখে বরফ বানান ।
ঘন্টা দুয়েকের পর বরফ হয়ে গেলে বের
করে নিন। এখন ঐ টুকরো টাকে হাত
দিয়ে ঘসতে থাকুন । দেখবেন
পানি পড়তে থাকবে । যখন পানি পড়বে তখন
আপনি দেখেন আপনার বরফের টুকরোটা স্বচ্ছ
হয়েছে কিনা ? যতক্ষণ আপনার বরফের
টুকরোটা এমন স্বচ্ছ না হবে যে আপনি এ পিঠ
থেকে অন্য পিঠ দেখতে পাচ্ছেন । ততক্ষন
ঘসতে থাকুন। এখন আপনি কাঙ্কখিত
পর্যায়ে চলে আসলে আপনি সূর্যের দিকে মুখ
করে ঐ বরফের টুকরো কে রাখুন। একটু
নাড়া চাড়া করুন। দেখবেন আলোক
রশ্মি কেন্দ্রীভূত হয়েছে। যখন আলোক
রশ্মি কেন্দ্রীভূত হবে। তখন আপনি ঐ
অবস্থাতে রেখে নিচে একটা শুকনো পাতা বা কাগজ
টুকরো রাখেন । দেখবেন কিছুক্ষন পর আগুন
ধরে গেছে।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T10:08:31Z 2017-01-15T10:08:31Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=584 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]তিনটি একসংখ্যার অংকের ভাগফল বের করুনসহজেই!!]]> ম্যাজিকটি ছোট্ট হলেও কম আশ্চর্যজনক
নয়
প্রথমে দর্শককে অনুরোধ করুন
পাশাপাশি তিনটি একটি রকম অংক
লিখতে (যেমন, ১১১, ২২২ প্রভৃতি)
তারপর তাকে ঐ অংক তিনটির
যোগফল দিয়ে ঐ তিন অংকের
নির্বাচিত সংখ্যাকে ভাগ
করতে বলুন
আবার আপনি বলুন “এই অংকের
ম্যাজিকে আমি কিছুই
শুনিনি বা দেখিনিআপনি ইচ্ছামত
তিনটি একটি রকম সংখ্যা লিখে,
সংখ্যা তিনটির যোগফল
দিয়ে ভাগ কররেছেনতবুও আমি যাদুর
সাহায্যে বলে দিতে পরি তার
উত্তর
(এবার আপনি এমন ভাব করেন যেন
কোন জিনের
থেকে উত্তরটি শুনে নিচ্ছেন ) ব্যাস্
বলে দিন ৩৭আশ্চর্য্য“ রেজল্ট সটিক
কি ভাবে ????
আসলে সে একই রকম তিন অংশের
যে সংখ্যাটি লিখুক না কেন উত্তর
সর্বদা ৩৭ হবেইযেমন, ৪৪৪ কে ১২ (৪ ৪
৪) দ্বারা ভাগ করলে ৩৭ হয়
এর উত্তরটা সব সময় এক হয়, তাই একই
দর্শককে দুবার দেখান যায়
নাতবে এর উত্তরটা অন্যভাবেও প্রকাশ
করা যায়একটা ছোট কাগজে লেবুর
রস দিয়ে ৩৭
লিখে রাখলে শুকলে কিছুই
বোঝা যায় নাউত্তর বলার
আগে সবার
সমানে পানিতে কাগজটা ভিজালেই
৩৭ ফুটে উঠবে
আজ আমি আপনাদের সাথে অনেক
গুলো ম্যাজিক শেয়ার করলাম ,
শিখালাম যদি আপনাদের
ভালো লেগে থাকে তবে কেমন
হয়েছে জানাবেন কিন্তু l]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T10:07:50Z 2017-01-15T10:07:50Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=583 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]একটি চমৎকার ম্যাজিক ট্রিক্স,,,]]> উপকরণঃ৪/৫
টি জবা ফুল,চুন,কাগুজে লেবু,পানি,দুইটি
কাচের
গ্লাস
→কার্যপ্রণালীঃপ্রথমে কিছু জবা ফুল
নিন ।সেগুলো পানিতে সিদ্ধ করুন ।
তারপর ছেকে ফেলুন ।রঙিন পানিটুকু
দুটো কাচের গ্লাসে ঢালুন ।এবার
একটিতে কিছু লেবুর রস দিন ।
দেখা যাবে যে,লাল রং গাঢ়
হয়েছে ।এবার অপর →উপকরণঃ৪/৫
টি জবা ফুল,চুন,কাগুজে লেবু,পানি,দুইটি
কাচের
গ্লাস
→কার্যপ্রণালীঃপ্রথমে কিছু জবা ফুল
নিন ।সেগুলো পানিতে সিদ্ধ করুন ।
তারপর ছেকে ফেলুন ।রঙিন পানিটুকু
দুটো কাচের গ্লাসে ঢালুন ।এবার
একটিতে কিছু লেবুর রস দিন ।
দেখা যাবে যে,লাল রং গাঢ়
হয়েছে ।এবার অপর
গ্লাসে খানিকটা চুন দিন
কী দেখলেন?লাল রং বিলুপ্ত হয়েছে ও
সবুজ রং ধারণ করেছে।খুব মজা,তাই না?
খানিকটা চুন দিন কী দেখলেন?লাল
রং বিলুপ্ত হয়েছে ও সবুজ রং ধারণ
করেছে।খুব মজা,তাই না?
কেমন লাগলো কমেন্টে জানাবেন,,,,]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T10:07:11Z 2017-01-15T10:07:11Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=582 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]এক বেলুনের হাওয়া অন্য বেলুনে পাঠানোরম্যাজিক !!!]]> বাজনা ভেসে আসে । আমরা হাজার হাজার মাইল
দূরে বসে অনায়াসে তা শুনতে পাই রেডিও মারফত্।
তেমনি যাদুকরেরা এক
জায়গা থেকে হাওয়া ছেড়ে অন্য জায়গায় সেই
হাওয়া ধরতে পারেন যাদুর কৌশলে । এই
জিনিসটা হাতে কলমে করে দেখাবার জন্যে যাদুকর
একটা রবারের বেলুন একজন দর্শকের
হাতে দিয়ে তাকে সেটা ফুলাতে বললেন । আর
একটা বেলুন যাদুকর নিজের হাতে রাখলেন । এইবার
দর্শককে তার বেলুনটা থেকে একটু
করে হাওয়া ছাড়তে বলা হলো । দর্শক যখন তার
ফুলানো বেলুনটা থেকে একটু
করে হাওয়া ছাড়ছেন, তখন যাদুকরের হাতের
বেলুনটা আপনা আপনি ফুলে উঠতে লাগলো ঐ
হাওয়া ঢুকে ! এ ঘটনা দেখে কে না অবাক হবে ?
ঘটনাটা অবাক হবার মত হলেও কৌশলটা কিন্তু খুবই সহজ ।
দর্শকের
হাতে যে বেলুনটা দেওয়া হলো সেটা অতি সাধারণ
বেলুন । কোন কৌশলই নেই ওতে । আর
যাদুকরের হাতের যে বেলুনটা থাকলো তার
মধ্যে এক টুকরো ভিজে তুলো দেওয়া আছে ।
তাছাড়া ঐ বেলুনটার মুখের
কাছে একটুকরো ক্যালশিয়াম কারবাইড(গ্যাস
বাতি জ্বালাতে যা কাজে লাগে) আঙ্গুল
দিয়ে চেপে ধরা আছে যেন
ভেতরে না পড়ে যায় । দর্শক যখন তার
ফোলানো বেলুন থেকে একটু একটু
করে হাওয়া ছাড়তে আরম্ব করেছেন, তখন যাদুকর
আঙ্গুলটা একটু আলগা করতেই কারবাইডের
টুকরোটা ভেতরে পড়ে গেল
এবং সঙ্গে সঙ্গে মুখটা আঙ্গুল
দিয়ে চেপে ধরে রাখলেন । কারবাইডের
সাথে পানির রাসায়নিক ক্রিয়ায় এসিটিলিন গ্যাস
আপনা আপনি তৈরি হয়ে বেলুন ফুলতে থাকবে ।
বেশ খানিকটা ফোলবার পর মুখটা একটু
খুলে রাখতে হবে যাতে বেশি গ্যাস
তৈরি হয়ে বেলুনটা ফেটে না যায় ।
**গ্যাসবাতির দোকানে গ্যাসের মশলা নামে বিক্রি হয়
টিউনটি ভালো লাগলে প্লিজ কমেন্ট করবেন
এবং যেহেতু আমি নতুন টিউনার তাই ভুল
হলে দিকনির্দেশনামূলক সমালোচনা করবেন
বলে আশা করি ।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T10:06:29Z 2017-01-15T10:06:29Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=581 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]চমৎকার একটা মেজিক না দেখলে চরম মিস]]> তাসের ওজন
দেখেই বলে দিতে পারবেন তাসের
সংখ্যা কতঃ
প্রথমে যাকে ম্যাজিক দেখাবেন
তাকে বলুন এক প্যাকেট তাস
হতে ১০ এর
বেশি যতগুলো ইচ্ছা তাস নিতে।
তারপর
আপনাকে না জানিয়ে তাসগুলো
গুনতে বলুন।
গুনা শেষ হলে তাকে বলুন যে
সংখ্যক তাস
সে গুনেছে তার একক ও দশক
মান যোগ
করতে।
[অর্থাৎ যদি সে ২১টি তাস
গুনে থাকে তবে এখানে একক
সংখ্যাটি হলঃ ২ এবং দশক
সংখ্যাটি হলঃ ১ সুতরং একক
ও দশক
সংখ্যার
যোগফল হল (২+১=৩)] এবার
একক ও দশক
মানের
যোগফলের সমান সংখ্যক তাস
তার মোট
নেয়া তাস হতে বাদ দিতে বলুন।
[ অর্থাৎ যদি সে ২১টি তাস
গুনে থাকে তবে আপনার কথামত
দর্শকটি ৩টি তাস তার নেয়া
২১টি তাস
হতে বাদ দিল। তহলে তাঁর
হাতে থাকল
২১
– ৩ = ১৮ টি তাস।] এবার
আপনি তার কাছ
থেকে অবশিষ্ট
তাসগুলি হাতে নিয়ে তাসের
পরিমাপ
অনুযায়ী তাকে অনায়াসে বলে
দিতে পারবেন
সেখানে মোট ১৮টি তাস আছে।
কিন্তু
কি ভাবে???
হ্যাঁ।
যে ভাবে আপনি বলে দিতে
পারবেনঃ
এই ম্যাজিকটির কৌশল খুব
সোজা।
ম্যাজিক দেখানোর আগে
আপনাকে শুধু
দেখে নিতে হবে ৯টি তাস
কতখানি মোটা, ১৮টি তাস
কতখানি মোটা, ঠিক তেমনি ২৭, ৩৬
এবং ৪৫টি তাস কতখানি মোটা।
শুধু
এটুকো ধারণা থাকলেই চলবে।
কারন দর্শক
ইচ্ছামত যত তাসই গ্রহণ করুক
না কেন, তার
একক ও দশকের যোগফলের
সংখ্যক তাস বাদ
দিলে সেখানে ( ৯, ১৮, ২৭, ৩৬, ৪৫ )
এর
যে কোন একটির সংখ্যক তাস
অবশ্যই
থাকবে। যেমনঃ-
১১ – ২ (২ + ১) = ৯
১৪ – ৫ (১ + ৪) = ৯
২০ – ২ (২ + ০) = ১৮
৩১ – ৪ (৩ + ১) = ২৭
৪২ – ৬ (৪ + ২) = ৩৬
৫২ – ৭ (৫ + ২) = ৪৫
দেখলেনতো সব সময় ঐ একটা
ধারাই ( ৯, ১৮,
২৭, ৩৬ , ৪৫ ) হচ্ছে। তো শুরু
করুন ম্যাজিক
দেখাতে। আর আপনার বন্ধু
বান্ধবকে চমকিয়ে দিন। ভাল
লাগলে thankx জানাতে
ভুলবেননা please...]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T10:04:52Z 2017-01-15T10:04:52Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=580 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]হাতের তালুরছিদ্রদিয়ে দেখাদরকার]]> বিষয় : হাতের তালুর ছিদ্র
দিয়ে দেখা
দরকার
১। একটি পেপার ।
২। হাতের তালু ।
৩। আপনার দুই চোখ।
৪। একটি ক্যালেন্ডার ।
কি করবেন
প্রথমে ক্যালেন্ডারটিকে দেয়ালে
ঝুলিয়ে দিন । তারপর
কাগজটিকে ফোল্ডিং করে টিউবের
মত করুন । এখন বাম চোখ বন্ধ রেখে ডান
চোখ দিয়ে ঐ টিউবের একপ্রান্ত
দিয়ে ক্যালান্ডারের দিকে তাকান
। এরপর ডান চোখ বন্ধ করে বাম চোখ
দিয়ে দেখুন । এখন টিউবের প্রান্তের
কাছাকাছি আপনার এক হাতের
তালু
মেলে ধরুন । এবার বাম চোখ বন্ধ
করে ডান চোখ খুলে দেখুন । তারপর
উভয় চোখ মেলে দেখুন ।
কি দেখতে পাচ্ছেন ?
দেখতে পাচ্ছেন হাতের তালুর
মধ্যে একটি গোলাকার ছিদ্র এবং ঐ
ছিদ্রর ভিতর
দিয়ে ক্যালান্ডারটি দেখা যাচ্ছে ।
কেন এমন হয়
যখন আমাদের চোখে কোন বস্তু
থেকে আলো এসে পড়ে তখন চক্ষু
লেন্সের মাধ্যমে চোখের
রেটিনাতে গিয়ে পড়ে এবং
রেটিনাতে বস্তুর্ একটি ইমেজ
তৈরি হয় ।
এই রেটিনা অনেকগুলো সেনসিটিভ
নার্ভের একপ্রান্তের সাথে যুক্ত
থাকে এবং নার্ভগুলোর অন্য প্রান্ত
শেষ হয় মস্তিষ্কের গভীরে । যখন কোন
আলো রেটিনার সেনসিটিভ
নার্ভের প্রান্তে এসে আঘাত করে তখন
এক প্রকার ইলেকট্রিক স্রোত ব্রেনের
নির্দিষ্ট স্পটে পৌছায় ।
মস্তিষ্ক নার্ভের মাধ্যমে হাজার
হাজার ইলেকট্রিক মেসেজ গ্রহণ করে ।
রেটিনায়
তৈরি হওয়া প্রত্যেকটি ইমেজ এক
একটি ভিন্ন ভিন্ন প্যাটার্নের
ইলেকট্রিক মেসেজ তৈরি করে ।
মস্তিষ্ক সব মেসেজ
গুলো একত্রে রিকগনাইজ
করে ফলে বস্তুটি দেখতে পাওয়া যায় ।
আপনি এক হাত দূরত্বে হাতের তালু
ধরে আঙ্গুলে উপর দিয়ে এক চোখ বন্ধ
করে দেখুন আবার অপর চোখ
বন্ধকরে দেখুন । মনে হবে যেন
ব্যাকগ্রাইন্ড একটু সরে যাচ্ছে । ঠিক
এধরনের ঘটনাই ঘটে যখন টিউবের ভিতর
দিয়ে দেখি । যখন টিউবের ভিতর
দিয়ে তাকাই তখন গোলাকার
ছিদ্রে রিং এর মত
করে ছবি দেখি যা অন্য চোখ
দেখতে পায়না । আবার অন্য চোখ
দিয়ে হাতের তালু দেখি কিন্তু
টিউবের ভিতরের মত দেখিনা ।
ফলে দুই চোখে যে ভিন্ন ভিন্ন ভিউ
হয় তা রেটিনাতে দুই ধরনের ইমেজ
তৈরি হয় যা নার্ভের
মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছায় এবং একই
সাথে দুই ধরনের বস্তু দেখা যায় । তখন
মনে হয় যেন হাতের ছিদ্রের ভিতর
দিয়ে দেখছি।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T10:00:48Z 2017-01-15T10:00:48Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=579 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]লুকিয়ে ফেলুন কাগজের লেখা]]> গোপন কথা থাকে যা আমরা কাউকেই
জানাতে চাই না।কিন্তু সে গোপন
কথাটি যদি হয় কাগজে লেখা তখন
লুকাবেন কিভাবে?আর সেজন্যই
কাগজের লেখা লুকানোর দুটি কৌশল
নিচে দেয়া হলো।
প্রথম কৌশলঃ
কাঁচ
আয়না বা অন্য
যে কোনো জায়গায়
একটা ভেজা কাগজ রাখুন। এবার ভেজা কাগজের
উপরে রাখুন
আরেকটা শুকনো কাগজ।
এখন শুকনো কাগজের উপর
বলপয়েন্ট কলম বা শক্ত
পেন্সিল দিয়ে খুব জোরে গোপন লেখাটি লিখুন।
এবার উপরের
শুকনো কাগজটি ফেলে দিয়ে
ভেজা কাগজ
টি শুকিয়ে নেন,দেখবেন
নিচের কাগজে আপনার গোপন লেখার কোনো চিহ্নই
নেই।কিন্তু
কাগজটি পানিতে ভাসিয়ে
দিলেই লেখাটি আবার বের
হয়ে আসবে।
দ্বিতীয় কৌশলঃ প্রথমে ভিনেগার,লেবুর রস
বা পেয়াজের রস
দিয়ে কাগজে কিছু
একটা লিখে কাগজটা ভালো
করে শুকিয়ে নিন।তখন
এমনিতে দেখে বুঝা যাবে না যে এখানে কিছু
লেখা আছে।কিন্তু গরম
আগুনের
কাছে কাগজটা ধরলেই
লেখাটি বের হয়ে আসবে।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:59:32Z 2017-01-15T09:59:32Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=578 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]জেনেনিন আপনার বয়স আর মোবাইল নাম্বার..?]]> ◆ আপনার মোবাইল নাম্বার এর শেষ
সংখা টি লিখুন।
এবার
◆এটিকে ২ দিয়ে গুন করুণ ।
◆গুণফল এর সাথে ৫ যোগ করুণ ।
◆যোগফল কে এবার ৫০ দিয়ে গুন
করুণ ।
◆গুণফল এর সাথে ১৭৬৪ যোগ করুণ ।
◆যোগ ফল থেকে আপনার জন্ম
সাল বিয়োগ করুণ ।
এবার আপনি পাবেন ৩ টা সংখা,যার
প্রথম টা হবে আপনার
মোবাইল নাম্বার এর শেষ সেই
সংখা,আর পরের ২টা হবে আপনার বয়স।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:42:00Z 2017-01-15T09:42:00Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=577 <![CDATA[অচেনা নাম্বারের তথ্য বের করার পদ্ধতি]]> অনেকেইফেসবুক ব্যাবহারকরে । ৭০% লোকতাদের
প্রোফাইলএ নম্বর এডকরে রাখে ।এখনআপনি
ফেসবুকেরসার্চবক্সে নম্বর লিখুনবাট নম্বরেরআগে
৮৮দিবেন ।যদি কোনপ্রোফাইল এ ওইনম্বরএডথাকে
তাহলে তারনামতো শো করবেই ।আশা করি বুঝতে
পেয়েছেন।পদ্ধতি ২।এন্ড্রোয়েড এরএকটা
এপসআছে যেটা ট্রুকলার নামে পরিচিত ।
ইন্টারনেটকানেকশনরেখে আপনি যদি ওইএপস এ সার্চ
দেনতাহলে ভাগ্যে থাকলে পেয়ে যাবেন।এটাও
আগেরটার মতকাজকরে যেমনঃ আপনি যখননম্বর
সার্চকরবেন তখন ওইএপস ফেসবুক টুইটর ইত্যাদি থেকে
তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করবে ।আপনারা প্লে
স্টোরথেকে ট্রুকলার এপসটা কালেক্টকরতে পারেন ।
পদ্ধতি ৩।এটা অনেকটা রিস্কএবং ব্যায় বহুল ।আপনি উক্তনম্বরটা
নিয়ে নিকটস্থজেলারথানাতে একটা কেসদিবেন ।খরচ হতে
পারে ১২০০ টাকাএর মতহতে পারে ।কিছুদিনের মধ্যেইথানা
থেকে আপনাকে ইনফরমেশনগুলা জানাবে ।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:41:25Z 2017-01-15T09:41:25Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=576 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]আসুন ম্যজিক শিখি-কিভাবে পানিতে সুই ভাসে।]]> কিভাবে পানিতে সুই ভাসে।আর
হয়ে যাই ছোট্র একজন ম্যজিসিয়ান
।
ম্যজিক দেখতে কার না ভাল লাগে ?
আমরা ম্যজিক দেখলে অনেক মজা পাই ।
কারন আপাত অসম্ভব একটা জিনসই
আমাদের সামনে সম্ভবপর করে উপস্থাপন
করা হয় ম্যজিকের মাধ্যমে । হুম এরকম
একটা ম্যজিকই
শিখিয়ে দিচ্ছি আপনাকে ।
তাহলে কথা না বাড়িয়ে -
আসুন এবার কাজের কথায়।
এই ম্যজিকটি দেখানোর জন্য প্রথমেই
আপনার যা যা প্রয়োজন হবে:
১.একটি গ্লাস বা মগ ভর্তি
পানি;
২.একটি টিসু/ পাতলা কাগজ;
৩.একটি সুই(সবচেয়ে ছোট
আকারের)।
কার্যপ্রনালী: প্রথমেই মগ বা গ্লাস
ভর্তি পানির মধ্যে টিসুটি রাখুন।
তারপর টিসুটির উপর সুইটি রাখুন
প্রায় .৩০/.৪৫ সেকেন্ড। এবার
ধীরে ধীরে হালকা কোন
কাটি দিয়ে নীচের দিকে
টিসুটি নিয়ে নিন। তারপর
কাটি দিয়ে আস্তে আস্তে টিসুটি তুলে
আনুন। সাবধান পানিতে যেন খুব
বেশী নাড়া-চড়া না হয় এবং সুইয়ের
সাথে যেন কাটি না লাগে । এবার
দেখেবেন পানিতে ভাসছে আপনার সুইটি।
কাজ গুলো একটু
সাবধানে করতে হবে যাতে
পানি সহজে নড়তে না পারে।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:40:28Z 2017-01-15T09:40:28Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=575 <![CDATA[[ম্যাজিক স্কুল] আগুন ! বরফ দিয়ে আগুন ধরান ? অবাক হবার কিছু নাই, আগুন ধরবেই।]]> । প্রথমে মগের ভেতর আধা মগ ( বা তার চেয়ে এক্তু
কম ) পানি নিয়ে Deep refrigerator ( মানে ফ্রিজে) রেখে
বরফ বানান । ধরে নিলাম বরফ হয়ে গেলো । এখন অই
টুকরো টাকে হাত দিয়ে ঘসতে থাকুন । দেখবেন পানি
পরতে থাকবে । যখন পানি পড়বে তখন আপনি দেখেন
আপনারবরফের টুকরোটা স্বচ্ছ হয়েছে কিনা ? যতক্ষণ
আপনার বরফের টুকরোটা এমন স্বচ্ছ না হবে যে আপনি
এ পিঠথেকে অন্য পিঠ দেখতে পাচ্ছেন । ততক্ষন
ঘসতে থাকুন। ধরে নিলাম এখন আপনি কাঙ্কখিত পর্যায়ে
চলে এসেছেন। এখন আপনি সূর্যের দিকে মুখ করে ঐ
বরফের টুকরো কে রাখুন। একটু নাড়া চাড়া করুন। দেখবেন
আলোক রশ্মি কেন্দ্রীভূতহয়েছে। যখন আলোক
রশ্মি কেন্দ্রীভূত হবে তখন আপনি ঐ অবস্থাতে
রেখে নিছে একটা শুকনো পাতা বা কাগজের টুকরো
রাখেন । দেখবেন কিছুক্ষন পর আগুন ধরে
গেসে....................!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
জানি এটি আরো আগে পড়েছেন তার পরেও দিলাম।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:39:43Z 2017-01-15T09:39:43Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=574 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস] ম্যাচবাক্স দিয়ে অসাধারণ একটি ম্যাজিক শিখুন সম্পূর্ণ ফ্রি !]]> আপনাদের সাথে শেয়ার
করছি বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাদুকর
জুয়েল আইচের শেখানো একটি ম্যাজিক। শিখে নিন
একদম বিনামূল্যে। তাই
জলদি করে শিখে নিন। মিস করলেই লস।
প্রথম আলোয় প্রকাশিত জুয়েল আইচের
লেখাটি (টিউটোরিয়াল) হুবহু
তুলে ধরছি। দর্শকদের সামনে যা করবেঃ
(ক) একটি ম্যাচবাক্স পকেট থেকে বের
করো।
(খ) ম্যাচকাঠির ড্রয়ার বা ট্রেটা আঙুল
দিয়ে ঠেলে বের করো।
(গ) ট্রে- ভর্তি ম্যাচকাঠিগুলো টেবিলের ওপর
ঢেলে দাও।
(ঘ) খালি ট্রেটা সবার
সামনে ম্যাচবাক্সের
মধ্যে ঢুকিয়ে দাও।
(ঙ) হাতের আঙুলে একটা তুড়ি বা হাততালি দিয়ে
খালি ট্রেটা ম্যাচকাঠিতে ভরে গেছ
শুরুতে যে কাঠিগুলো টেবিলে ঢেলে
সেগুলো তখনো সেখানে পড়ে আছে।
(চ) ভরা ম্যাচবাক্সটা বাঁ হাত ধরে ডান
হাতে এমন একটা ভঙ্গি করো, যেন ম্যাজিকটা এখানেই
শেষ।
(ছ) দর্শকেরা ‘ওয়াও’ বা অন্য
কোনো প্রশংসাসূচক শব্দ উপহার
দিয়ে হাততালি দিলে তোমার
ম্যাচবাক্সটি পকেটে রেখে দাও।
তোমার প্রস্তুতিঃ একটা সুন্দর ম্যাচবাক্স নাও।
আজকাল ম্যাচবাক্সের উভয় পিঠে একই
রকম প্রিন্ট পাওয়া যায়।
কোনো এলাকায় যদি এমন বাক্স
না পাওয়া যায়, তাহলে উভয়
পিঠে একই রকম ছবি লাগিয়ে নিতে হবে। আর
লম্বালম্বি একপ্রান্তে ছোট্ট একটা দাগ
লাগিয়ে নেবে, যা শুধু তুমি ছাড়া আর
কারও চোখে পড়বে না। তোমার বাক্স
তৈরির কাজ হয়ে গেল।
এবারে ট্রে বা ড্রয়ার তৈরির কাজ। ড্রয়ারটি উপুড় করে
রাখো।
১২-১৩টা ম্যাচকাঠি নাও। কাঠিগুলোর
মাঝামাঝি কেটে ফেলো। বারুদের
দিকটা রেখে নিচের অর্ধেক
ফেলে দাও। বারুদসহ কাঠির
অর্ধেকটা উপুড় করা ড্রয়ারের পিঠে পাশাপাশি সাদা গ্লু
(আইকা বা ফেভিকল)
দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে।
লাগানোর কাজে বিশেষ যত্ন
নিতে হবে, যেন সবকিছু
শুকিয়ে গেলে ড্রয়ারটা যখন বাক্সের মধ্যে পুরে
দেওয়া হবে, তখন তা সরসর
করে ঢুকতে ও বের হতে পারে। এ জন্য
কী করতে হবে? প্রতিটি অর্ধেক
করে কাটা কাঠির
কাটা দিকটা ব্লেড
দিয়ে একদিকে ঢাল করে কাটতে হবে। বারুদের পাশটাও
যতটুকু চোখে পড়ে,
সেটুকু
রেখে বাকিটা চেঁছে ফেলে দিতে হ
ঢাল করা কাঠির পাতলা দিকটা বারুদ
পর্যন্ত ড্রয়ারের
সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে একটা শক্ত মলাটের বই
চাপা দিয়ে পুরো জিনিসটা এক দিন
ছায়ায় শুকিয়ে নাও। প্রথম দিকে বেশ
কয়েকবার ট্রেটা ধীরে ধীরে বাক্সের
মধ্যে ঢোকাও এবং বের করো। কোথাও
বাধাপ্রাপ্ত হলে জোরাজুরি কোরো না।
সাবধানে ত্রুটিটি সেরে ফেলো। সব
ঠিকমতো তৈরি হলে শুরু হবে তোমার
অনুশীলন আর অনুশীলনের পালা।
তুমি কী কথা বা গল্প
বলে ম্যাজিকটি করবে, তার একটা স্ক্রিপ্ট লিখে নাও। আয়নার
সামনে বসে পড়ো। প্রয়োজনে তোমার
কথা, গল্প ও ম্যাচবাক্স চালনা পরিবর্তন
করে একসময় চূড়ান্ত সুন্দর একটি জাদু
তৈরি হয়ে যাবে। সব
মিলিয়ে যা করবে, তার নামই উপস্থাপনা। কৌশলযুক্ত
ম্যাচবাক্সটি তোমার যন্ত্র। শুধু
বাদ্যযন্ত্র
দিয়ে যেমন মধুর সুর বের হয় না;
শিল্পীকে মধুর
করে বাজাতে শিখতে হয়। জাদুর ক্ষেত্রেও তেমনই।
আমি এখন প্রদর্শন
কৌশলটা শিখিয়ে দিচ্ছি। অনুশীলনের
মাধ্যমে একে সুন্দরতর করার দায়িত্ব
জাদুশিল্পী হিসেবে তোমার।
আঠা দিয়ে পিঠে সেঁটে দেওয়া কাঠ ড্রয়ারটা চিত করো।
ফাঁকা ড্রয়ারে লুজ
করে কিছু স্বাভাবিক কাঠি রাখো।
বাক্সের যেদিকে ডট দেওয়া,
সেদিকটা ঘুরিয়ে তলের দিকে নাও।
এবার ড্রয়ারটা বাক্সের
ভেতরে ঢুকিয়ে দাও। তাহলে কী হলো? ড্রয়ারের
খোলের
মধ্যে লুজ কিছু কাঠি।
ম্যাচবাক্সটি পকেট থেকে বের করো।
ড্রয়ারের
যেদিকে আঠা দিয়ে কাঠি লাগানো নেই
সেদিকে অর্ধেকের সামান্য কম বের করে উপুড় করে
ঝাঁকি দিলে লুজ
কাঠিগুলো টেবিলে পড়ে যাবে।
দর্শকও দেখবেন একটা সাধারণ
ম্যাচবাক্স এবং তার ড্রয়ারের উভয়
দিক।
এবার বাক্সের বিষয়ে কোনো কথা না বলে ড্রয়ারটা
ভেতরে পুরে দিয়েই বাক্সটা সামান্য
ওপরে ছুড়ে দুই হাতে ধরে নাও।
দর্শকেরা যেন বুঝতে না পারেন তুমি ডট
দেওয়া দিকটা ঘুরিয়ে একটু আগের
সাধারণ দিকটার দিকে কাঠি লাগানো ট্রের
দিকটা নিয়ে এসেছ। এবার
একটা তুড়ি দাও। যেন এই মুহূর্তেই
তুমি ম্যাজিকটা করে ফেললে।
ডটের উল্টো দিক
থেকে তর্জনী ঢুকিয়ে এক ঠেলায় মাপা প্রায় অর্ধেকটা
ট্রে বের
করে ফেলো। বারবার অনুশীলন এ
কাজে তোমাকে সাহায্য করবে। ট্রের
পিঠে লাগানো কাঠি দেখে দর্শকের
এক তুড়িতে ম্যাচবাক্স
কাঠিতে ঠেসে ভরে গেছে। ম্যাজিক শেষ হয়ে যাওয়ার
ভঙ্গি করো।
তুমি যত
বিশ্বাসযোগ্যভাবে ম্যাজিকটি করতে
দর্শক তত জোরে বাহবা দেবেন। এক
চাপে ভরা (?) ম্যাচের ট্রেটি বাক্সের
মধ্যে ঢুকিয়ে পকেটে রেখে দাও। ম্যাজিকটি শেষ
হয়ে গেল। কিন্তু
দর্শকের বিস্ময় আর মুগ্ধতার
সুরটি অনেকক্ষণ
ধরে মুখে মুখে বাজতে থাকল।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:38:40Z 2017-01-15T09:38:40Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=573 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস] তিনটি এক সংখ্যার অংকের ভাগফল বের করুন সহজেই]]> হলেও কম আশ্চর্যজনক নয়। প্রথমে দর্শককে
অনুরোধ করুন পাশাপাশি তিনটি একটি রকম অংক লিখতে (যেমন,
১১১, ২২২ প্রভৃতি)। তারপর তাকে ঐ অংক তিনটির যোগফল
দিয়ে ঐ তিন অংকের নির্বাচিত সংখ্যাকে ভাগ করতে বলুন ।
আবার আপনি বলুন “এই অংকের ম্যাজিকে আমি কিছুই শুনিনি বা
দেখিনি। আপনি ইচ্ছামত
তিনটি একটি রকম সংখ্যা লিখে, সংখ্যা তিনটির যোগফল দিয়ে ভাগ
কররেছেন। তবুও আমি যাদুর সাহায্যে বলে দিতে পরি তার
উত্তর।(এবার আপনি এমন ভাব করেন যেন কোন জিনের
থেকে উত্তরটি শুনে নিচ্ছেন ) ব্যাস্ বলে দিন ৩৭।
আশ্চর্য্য“ রেজল্ট সটিক। কি ভাবে ????
আসলে সে একই রকম তিন অংশের যে সংখ্যাটি লিখুক না
কেন উত্তর সর্বদা ৩৭ হবেই। যেমন, ৪৪৪ কে ১২ (৪ +
৪+৪) দ্বারা ভাগ করলে ৩৭ হয়।এর উত্তরটা সব সময় এক হয়,
তাই একই দর্শককে দুবার দেখান যায় না। তবে এর উত্তরটা
অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়। একটা ছোট কাগজে লেবুর
রস দিয়ে ৩৭ লিখে রাখলে শুকলে কিছুই বোঝা যায় না।
উত্তর বলার আগে সবার সমানে পানিতে কাগজটা ভিজালেই
৩৭ ফুটে উঠবে।আজ আমি আপনাদের সাথে অনেক
গুলো ম্যাজিক শেয়ার করলাম , শিখালাম যদিআপনাদের ভালো
লেগে থাকে তবে কেমন হয়েছে জানাবেন কিন্তু।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:38:08Z 2017-01-15T09:38:08Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=572 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]শিখুন তাসের ম্যাজিক আর হয়ে যানম্যাজিসিয়ান।]]> জানি ভালো আছেন তাই আরেকটু জোস
বাড়াতে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম মজার
একটা ম্যাজিক।
চলুন শুরু করিঃ
এখন আপনাদের শিখাব তাসের ম্যাজিক।
এ খেলায় একজন সহোযগীর প্রয়োজন
হবে।
.
প্রথমে বন্ধুকে বলে দিন,
তাসের
মধ্যে Jack-11,
Queen-12, King-13
এবং টেক্কা-1 .
বাকি তাস গুলোর
মানতো তাতে লেখা আছেই।
&tএবার
বন্ধুকে মনে মনে বায়ান্নটাতাসের
যে কোনটা ভাবতে বলুন।
&tমনে মনে বন্ধুটি যে তাসটি ভাবছে তার
পরবর্তি তাসের মান,
মনে করা তাসটির
সাথে যোগ
করতে বলুন ।
&tফলাফলটিকে ৫
দিয়ে গুন করতে বলুন ।
&tএবার বন্ধুকে তাসের
গ্রুপের মানবলুনঃ
ক্লাবস-6, ডায়মন্ড-7,
হার্টজ-8,
স্পেডজ-9 ।
সে যে গ্রুপের তাস
ধরেছে তার মান
গুনফলের
সাথে যোগ করতে বলুন।
&tফলাফলটা জনতে চান।
&tমনে মনে ফলাফল
থেকে 5 বাদ দিন ।
এবার বন্ধুর
মনে মনে ভাগ
তাসটি বলে দিন।
একবার চেষ্টা করেই
দেখুন না...?
#&t&tপ্রকৃয়াঃ
ধরুন আপনার বন্ধু
মনে মনে ভাবছে হার্টজ
এর 5 .
&tপরবর্তি কার্ড
নাম্বার যোগ করলেহয়
5+6 = 11 .
&t5 দিয়ে গুন করবে 11 X
5 = 55 .
&tকার্ড গ্রুপ মান যোগ
হবে (হার্টজ - 8
55+8 = 63 .
&t'63'ফলাফলটি শোনা মাত্র
তা থেকে 5 বাদ দিন
63-5 = 58 .
58 এর প্রথম
সংখাটি মনে মনে ধরা কার্ড টি, দ্বিতীয়
সংখাটি কার্ড গ্রুপ
বলছে।]]>
false
Hasan]]> 2017-01-15T09:37:18Z 2017-01-15T09:37:18Z http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=571 <![CDATA[[ম্যাজিক টিপস]আপনি চাইলে একটা ম্যাচ দিয়ে মেজিক দেখিয়ে চমকে দিন সকলকে]]> আছেন। আজ আমি প্রথম ম্যাজিক
শেখানো নিয়ে একটি পোষ্ট করছি।
অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, অবাক তো হবেনই।
কারণ আমি ব্লগার, আমি কোনদিন
ম্যাজিশিয়ান হলাম। ঠিকই ধরেছেন।
আমি এসব ম্যাজিক জানিনা। তাই
ম্যাজিক দেখাতেও পারিনা। শুধু
দেখতেই ভালোবাসি। তবে আজ
আপনাদের সাথে শেয়ার
করছি বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাদুকর
জুয়েল আইচের
শেখানো একটি ম্যাজিক। শিখে নিন
একদম বিনামূল্যে। তাই
জলদি করে শিখে নিন। মিস করলেই লস।
প্রথম আলোয় প্রকাশিত জুয়েল আইচের
লেখাটি (টিউটোরিয়াল) হুবহু
তুলে ধরছি।
দর্শকদের সামনে যা করবেঃ
(ক) একটি ম্যাচবাক্স পকেট থেকে বের
করো।
(খ) ম্যাচকাঠির ড্রয়ার
বা ট্রেটা আঙুল দিয়ে ঠেলে বের
করো।
(গ) ট্রে-
ভর্তি ম্যাচকাঠিগুলো টেবিলের ওপর
ঢেলে দাও।
(ঘ) খালি ট্রেটা সবার
সামনে ম্যাচবাক্সের
মধ্যে ঢুকিয়ে দাও।
(ঙ) হাতের
আঙুলে একটা তুড়ি বা হাততালি দিয়ে
খালি ট্রেটা ম্যাচকাঠিতে ভরে গেছে
শুরুতে যে কাঠিগুলো টেবিলে ঢেলে
সেগুলো তখনো সেখানে পড়ে আছে।
(চ) ভরা ম্যাচবাক্সটা বাঁ হাত ধরে ডান
হাতে এমন একটা ভঙ্গি করো, যেন
ম্যাজিকটা এখানেই শেষ।
(ছ) দর্শকেরা ‘ওয়াও’ বা অন্য
কোনো প্রশংসাসূচক শব্দ উপহার
দিয়ে হাততালি দিলে তোমার
ম্যাচবাক্সটি পকেটে রেখে দাও।
তোমার প্রস্তুতিঃ
একটা সুন্দর ম্যাচ নাও।
আজকাল ম্যাচবাক্সের উভয় পিঠে একই
রকম প্রিন্ট পাওয়া যায়।
কোনো এলাকায় যদি এমন বাক্স
না পাওয়া যায়, তাহলে উভয় পিঠে একই
রকম ছবি লাগিয়ে নিতে হবে। আর
লম্বালম্বি একপ্রান্তে ছোট্ট
একটা দাগ লাগিয়ে নেবে, যা শুধু
তুমি ছাড়া আর কারও চোখে পড়বে না।
তোমার বাক্স তৈরির কাজ হয়ে গেল।
এবারে ট্রে বা ড্রয়ার তৈরির কাজ।
ড্রয়ারটি উপুড় করে রাখো।
১২-১৩টা ম্যাচকাঠি নাও। কাঠিগুলোর
মাঝামাঝি কেটে ফেলো। বারুদের
দিকটা রেখে নিচের অর্ধেক
ফেলে দাও। বারুদসহ কাঠির
অর্ধেকটা উপুড় করা ড্রয়ারের
পিঠে পাশাপাশি সাদা গ্লু
(আইকা বা ফেভিকল)
দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। লাগানোর
কাজে বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যেন
সবকিছু শুকিয়ে গেলে ড্রয়ারটা যখন
বাক্সের মধ্যে পুরে দেওয়া হবে, তখন
তা সরসর করে ঢুকতে ও বের হতে পারে।
এ জন্য কী করতে হবে? প্রতিটি অর্ধেক
করে কাটা কাঠির কাটা দিকটা ব্লেড
দিয়ে একদিকে ঢাল করে কাটতে হবে।
বারুদের পাশটাও যতটুকু চোখে পড়ে,
সেটুকু
রেখে বাকিটা চেঁছে ফেলে দিতে হবে
ঢাল করা কাঠির পাতলা দিকটা বারুদ
পর্যন্ত ড্রয়ারের
সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে একটা শক্ত
মলাটের বই
চাপা দিয়ে পুরো জিনিসটা এক দিন
ছায়ায় শুকিয়ে নাও। প্রথম দিকে বেশ
কয়েকবার ট্রেটা ধীরে ধীরে বাক্সের
মধ্যে ঢোকাও এবং বের করো। কোথাও
বাধাপ্রাপ্ত
হলে জোরাজুরি কোরো না।
সাবধানে ত্রুটিটি সেরে ফেলো। সব
ঠিকমতো তৈরি হলে শুরু হবে তোমার
অনুশীলন আর অনুশীলনের পালা।
তুমি কী কথা বা গল্প
বলে ম্যাজিকটি করবে, তার
একটা স্ক্রিপ্ট লিখে নাও। আয়নার
সামনে বসে পড়ো। প্রয়োজনে তোমার
কথা, গল্প ও ম্যাচবাক্স
চালনা পরিবর্তন করে একসময় চূড়ান্ত
সুন্দর একটি জাদু তৈরি হয়ে যাবে। সব
মিলিয়ে যা করবে, তার নামই
উপস্থাপনা। কৌশলযুক্ত
ম্যাচবাক্সটি তোমার যন্ত্র। শুধু
বাদ্যযন্ত্র দিয়ে যেমন মধুর সুর বের
হয় না; শিল্পীকে মধুর
করে বাজাতে শিখতে হয়। জাদুর
ক্ষেত্রেও তেমনই।
আমি এখন প্রদর্শন
কৌশলটা শিখিয়ে দিচ্ছি। অনুশীলনের
মাধ্যমে একে সুন্দরতর করার দায়িত্ব
জাদুশিল্পী হিসেবে তোমার।
আঠা দিয়ে পিঠে সেঁটে দেওয়া কাঠিসহ
ড্রয়ারটা চিত করো।
ফাঁকা ড্রয়ারে লুজ করে কিছু
স্বাভাবিক কাঠি রাখো।
আজকাল ম্যাচবাক্সের উভয় পিঠে একই
রকম প্রিন্ট পাওয়া যায়।
কোনো এলাকায় যদি এমন বাক্স
না পাওয়া যায়, তাহলে উভয় পিঠে একই
রকম ছবি লাগিয়ে নিতে হবে। আর
লম্বালম্বি একপ্রান্তে ছোট্ট
একটা দাগ লাগিয়ে নেবে, যা শুধু
তুমি ছাড়া আর কারও চোখে পড়বে না।
তোমার বাক্স তৈরির কাজ হয়ে গেল।
এবারে ট্রে বা ড্রয়ার তৈরির কাজ।
ড্রয়ারটি উপুড় করে রাখো।
১২-১৩টা ম্যাচকাঠি নাও। কাঠিগুলোর
মাঝামাঝি কেটে ফেলো। বারুদের
দিকটা রেখে নিচের অর্ধেক
ফেলে দাও। বারুদসহ কাঠির
অর্ধেকটা উপুড় করা ড্রয়ারের
পিঠে পাশাপাশি সাদা গ্লু
(আইকা বা ফেভিকল)
দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। লাগানোর
কাজে বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যেন
সবকিছু শুকিয়ে গেলে ড্রয়ারটা যখন
বাক্সের মধ্যে পুরে দেওয়া হবে, তখন
তা সরসর করে ঢুকতে ও বের হতে পারে।
এ জন্য কী করতে হবে? প্রতিটি অর্ধেক
করে কাটা কাঠির কাটা দিকটা ব্লেড
দিয়ে একদিকে ঢাল করে কাটতে হবে।
বারুদের পাশটাও যতটুকু চোখে পড়ে,
সেটুকু
রেখে বাকিটা চেঁছে ফেলে দিতে হবে
ঢাল করা কাঠির পাতলা দিকটা বারুদ
পর্যন্ত ড্রয়ারের
সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে একটা শক্ত
মলাটের বই
চাপা দিয়ে পুরো জিনিসটা এক দিন
ছায়ায় শুকিয়ে নাও। প্রথম দিকে বেশ
কয়েকবার ট্রেটা ধীরে ধীরে বাক্সের
মধ্যে ঢোকাও এবং বের করো। কোথাও
বাধাপ্রাপ্ত
হলে জোরাজুরি কোরো না।
সাবধানে ত্রুটিটি সেরে ফেলো। সব
ঠিকমতো তৈরি হলে শুরু হবে তোমার
অনুশীলন আর অনুশীলনের পালা।
তুমি কী কথা বা গল্প
বলে ম্যাজিকটি করবে, তার
একটা স্ক্রিপ্ট লিখে নাও। আয়নার
সামনে বসে পড়ো। প্রয়োজনে তোমার
কথা, গল্প ও ম্যাচবাক্স
চালনা পরিবর্তন করে একসময় চূড়ান্ত
সুন্দর একটি জাদু তৈরি হয়ে যাবে। সব
মিলিয়ে যা করবে, তার নামই
উপস্থাপনা। কৌশলযুক্ত
ম্যাচবাক্সটি তোমার যন্ত্র। শুধু
বাদ্যযন্ত্র দিয়ে যেমন মধুর সুর বের
হয় না; শিল্পীকে মধুর
করে বাজাতে শিখতে হয়। জাদুর
ক্ষেত্রেও তেমনই।
আমি এখন প্রদর্শন
কৌশলটা শিখিয়ে দিচ্ছি। অনুশীলনের
মাধ্যমে একে সুন্দরতর করার দায়িত্ব
জাদুশিল্পী হিসেবে তোমার।
আঠা দিয়ে পিঠে সেঁটে দেওয়া কাঠিসহ
ড্রয়ারটা চিত করো।
ফাঁকা ড্রয়ারে লুজ করে কিছু
স্বাভাবিক কাঠি রাখো।
বাক্সের যেদিকে ডট দেওয়া,
সেদিকটা ঘুরিয়ে তলের দিকে নাও।
এবার ড্রয়ারটা বাক্সের
ভেতরে ঢুকিয়ে দাও। তাহলে কী হলো?
ড্রয়ারের খোলের মধ্যে লুজ কিছু
কাঠি। ম্যাচবাক্সটি পকেট থেকে বের
করো। ড্রয়ারের
যেদিকে আঠা দিয়ে কাঠি লাগানো নেই
সেদিকে অর্ধেকের সামান্য কম বের
করে উপুড় করে ঝাঁকি দিলে লুজ
কাঠিগুলো টেবিলে পড়ে যাবে।
দর্শকও দেখবেন একটা সাধারণ
ম্যাচবাক্স এবং তার ড্রয়ারের উভয়
দিক।
এবার বাক্সের
বিষয়ে কোনো কথা না বলে ড্রয়ারটা বা
ভেতরে পুরে দিয়েই বাক্সটা সামান্য
ওপরে ছুড়ে দুই হাতে ধরে নাও।
দর্শকেরা যেন বুঝতে না পারেন
তুমি ডট দেওয়া দিকটা ঘুরিয়ে একটু
আগের সাধারণ দিকটার
দিকে কাঠি লাগানো ট্রের
দিকটা নিয়ে এসেছ। এবার
একটা তুড়ি দাও। যেন এই মুহূর্তেই
তুমি ম্যাজিকটা করে ফেললে।
ডটের উল্টো দিক
থেকে তর্জনী ঢুকিয়ে এক ঠেলায়
মাপা প্রায় অর্ধেকটা ট্রে বের
করে ফেলো। বারবার অনুশীলন এ
কাজে তোমাকে সাহায্য করবে। ট্রের
পিঠে লাগানো কাঠি দেখে দর্শকেরা
এক তুড়িতে ম্যাচবাক্স
কাঠিতে ঠেসে ভরে গেছে।
ম্যাজিক শেষ হয়ে যাওয়ার
ভঙ্গি করো। তুমি যত
বিশ্বাসযোগ্যভাবে ম্যাজিকটি করতে
দর্শক তত জোরে বাহবা দেবেন। এক
চাপে ভরা (?) ম্যাচের ট্রেটি বাক্সের
মধ্যে ঢুকিয়ে পকেটে রেখে দাও।
ম্যাজিকটি শেষ হয়ে গেল। কিন্তু
দর্শকের বিস্ময় আর মুগ্ধতার
সুরটি অনেকক্ষণ
ধরে মুখে মুখে বাজতে থাকল।]]>
false