<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - পড়াশোনা]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 02:19:21 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কারিকুলাম ভুক্ত ১৩টি গানের অডিও/ mp3]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3337</link>
			<pubDate>Sat, 03 Aug 2019 12:56:23 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3337</guid>
			<description><![CDATA[এই লিংক থেকে এখনই ডাউনলোড করুন<br />
<a href="https://drive.google.com/drive/folders/0B9YshqB5LYkQYUN6NS1vTXhQaXc" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">https://drive.google.com/drive/folders/0...S1vTXhQaXc</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এই লিংক থেকে এখনই ডাউনলোড করুন<br />
<a href="https://drive.google.com/drive/folders/0B9YshqB5LYkQYUN6NS1vTXhQaXc" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">https://drive.google.com/drive/folders/0...S1vTXhQaXc</a>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[১০ হাজার ছাত্রীর জন্য সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা প্রশিক্ষণ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2851</link>
			<pubDate>Wed, 19 Apr 2017 02:41:00 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2851</guid>
			<description><![CDATA[দেশের ৮টি বিভাগের ৪০টি স্কুল ও কলেজে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। কর্মশালা শুরু হবে আজ থেকে। কর্মশালাগুলো বাস্তবায়ন করবে আইসিটি বিভাগের কন্ট্রোলার অব সার্টিফায়িং অথরিটিজ (সিসিএ)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারে অবস্থিত বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান সিসিএর নিয়ন্ত্রক আবুল মানসুর মোহাম্মদ সারফ উদ্দিন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস ফর উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০ হাজার ছাত্রী হাতে-কলমে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ পাবেন।’<br />
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৪০টি নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার সকাল নয়টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট মিলনায়তনে কর্মশালার মধ্য দিয়ে দেড় মাসের এই কার্যক্রম শুরু হবে।<br />
সিসিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা সাইবার অপরাধ ও এই সংশ্লিষ্ট আইনের ব্যাখ্যা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদে বিচরণের কৌশল, অপরাধ সংঘটিত হলে তা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়, সহায়তা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর যোগাযোগের ফোন নম্বর, অভিযোগ দাখিল করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি এবং পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে ধারণা পাবেন।<br />
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিসিএর উপনিয়ন্ত্রক আবদুল্লাহ মাহমুদ ও ফোরডি কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরানসহ অনেকে।<br />
রাহিতুল ইসলাম]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দেশের ৮টি বিভাগের ৪০টি স্কুল ও কলেজে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। কর্মশালা শুরু হবে আজ থেকে। কর্মশালাগুলো বাস্তবায়ন করবে আইসিটি বিভাগের কন্ট্রোলার অব সার্টিফায়িং অথরিটিজ (সিসিএ)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারে অবস্থিত বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান সিসিএর নিয়ন্ত্রক আবুল মানসুর মোহাম্মদ সারফ উদ্দিন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস ফর উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০ হাজার ছাত্রী হাতে-কলমে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ পাবেন।’<br />
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৪০টি নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার সকাল নয়টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট মিলনায়তনে কর্মশালার মধ্য দিয়ে দেড় মাসের এই কার্যক্রম শুরু হবে।<br />
সিসিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা সাইবার অপরাধ ও এই সংশ্লিষ্ট আইনের ব্যাখ্যা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদে বিচরণের কৌশল, অপরাধ সংঘটিত হলে তা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায়, সহায়তা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর যোগাযোগের ফোন নম্বর, অভিযোগ দাখিল করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি এবং পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে ধারণা পাবেন।<br />
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিসিএর উপনিয়ন্ত্রক আবদুল্লাহ মাহমুদ ও ফোরডি কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরানসহ অনেকে।<br />
রাহিতুল ইসলাম]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[(ছোটদের গল্প) টুনটুনি ও রাজার গল্প]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1779</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:44:39 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1779</guid>
			<description><![CDATA[(ছোটদের গল্প) টুনটুনি ও রাজার গল্প<br />
রাজার বাগানের কোণে টুনটুনির বাসা ছিল। রাজার<br />
সিন্দুকের টাকা রোদে শুকুতে দিয়েছিল, সন্ধ্যার<br />
সময় তার লোকেরা তার একটি টাকা ঘরে তুলতে<br />
ভুলে গেল।<br />
টুনটুনি সেই চকচকে টাকাটি দেখতে পেয়ে তার<br />
বাসায় এনে রেখে দিলে, আর ভাবলে, ‘ঈস! আমি<br />
কত বড়লোক হয়ে গেছি। রাজার ঘরে যে ধন<br />
আছে, আমার ঘরে সে ধন আছে!’ তারপর<br />
থেকে সে খালি এই কথাই ভাবে, আর বলে-<br />
রাজার ঘরে যে ধন আছে<br />
টুনির ঘরেও সে ধন আছে!<br />
রাজা তাঁর সভায় বসে সে কথা শুনতে পেয়ে<br />
জিগগেস করলেন, ‘হ্যাঁরে? পাখিটা কি বলছে রে?’<br />
সকলে হাত জোড় করে বললে, ‘মহারাজ, পাখি<br />
বলছে, আপনার ঘরে যে ধন আছে, ওর ঘরেও<br />
নাকি সেই ধন আছে!’ শুনে রাজা খিলখিল করে<br />
হেসে বললেন, ‘দেখ তো ওর বাসায় কি আছে?’<br />
তারা দেখে এসে বললে, ‘মহারাজ, বাসায় একটা টাকা<br />
আছে।’<br />
শুনে রাজা বললেন, ‘সে তো আমারই টাকা, নিয়ে<br />
আয় সেটা।’<br />
তখুনি লোক গিয়ে টুনটুনির বাসা থেকে টাকাটি নিয়ে<br />
এল। সে বেচারা আর কি করে, সে মনের দুঃখে<br />
বলতে লাগল-<br />
‘রাজা বড় ধনে কাতর<br />
টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর!’<br />
শুনে রাজা আবার হেসে বললেন, ‘পাখিটা তো বড়<br />
ঠ্যাঁটা রে! যা ওর টাকা ফিরিয়ে দিয়ে আয়।’<br />
টাকা ফিরে পেয়ে টুনির বড় আনন্দ হয়েছে। তখন<br />
সে বলছে-<br />
‘রাজা ভারি ভয় পেল<br />
টুনির টাকা ফিরিয়ে দিল।’<br />
রাজা জিগগেস করলেন, ‘আবার কি বলছে রে?’<br />
সভার লোকেরা বললে, ‘বলছে যে মহারাজ নাকি<br />
বড্ড ভয় পেয়েছেন, তাই ওর টাকা ফিরিয়ে<br />
দিয়েছেন।’<br />
শুনে তো রাজামশাই রেগে একেবারে অস্থির!<br />
বললেন, ‘কি, এত বড় কথা! আন তো ধরে,<br />
বেটাকে ভেজে খাই!’<br />
যেই বলা, অমনি লোক গিয়ে টুনটুনি বেচারাকে<br />
ধরে আনলে। রাজা তাকে মুঠোয় করে নিয়ে<br />
বাড়ির ভিতর গিয়ে রানীদের বললেন, ‘এই পাখিটাকে<br />
ভেজে আজ আমাকে খেতে হবে!’<br />
বলে তো রাজা চলে এসেছেন, আর রানীরা<br />
সাতজনে মিলে সেই পাখিটাকে দেখছেন।<br />
একজন বললেন, ‘কি সুন্দর পাখি! আমার হাতে দাও<br />
তো একবার দেখি।’ বলে তিনি তাকে হাতে নিলেন।<br />
তা দেখে আবার একজন দেখতে চাইলেন। তাঁর হাত<br />
থেকে যখন আর-একজন নিতে গেলেন, তখন<br />
টুনটুনি ফসকে গিয়ে উড়ে পালাল।<br />
কি সর্বনাশ! এখন উপায় কি হবে? রাজা জানতে পারলে<br />
তো রা থাকবে না।<br />
এমনি করে তাঁরা দুঃখ করছেন, এমন সময় ব্যাঙ<br />
সেইখান দিয়ে থপ-থপ করে যাচ্ছে।<br />
সাত রানী তাকে দেখতে পেয়ে খপ করে<br />
ধরে ফেললেন, আর বললেন, ‘চুপ চুপ! কেউ<br />
যেন জানতে না পারে। এইটেকে ভেজে দি,<br />
আর রাজামশাই খেয়ে ভাববেন টুনটুনিই<br />
খেয়েছেন!’<br />
সেই ব্যাঙটার ছাল ছাড়িয়ে তাকে ভেজে<br />
রাজামশাইকে দিলে তিনি খেয়ে খুশি হলেন। তারপর<br />
সবে তিনি সভায় গিয়ে বসেছেন, আর ভাবছেন,<br />
‘এবারে পাখির বাছাকে জব্দ করেছি।’<br />
অমনি টুনি বলছে-<br />
‘বড় মজা, বড় মজা,<br />
রাজা খেলেন ব্যাঙ ভাজা!’<br />
শুনেই তো রাজামশাই লাফিয়ে উঠেছেন। তখন তিনি<br />
থুতু ফেলেন, ওয়াক তোলেন, মুখ ধোন,<br />
আরো কত কি করেন। তারপর রেগে বললেন,<br />
‘সাত রানীর নাক কেটে ফেল।’<br />
অমনি জল্লাদ গিয়ে সাত রানীক নাক কেটে<br />
ফেললে।<br />
তা দেখে টুনটুনি বললে-<br />
‘এই টুনিতে টুনটুনাল<br />
সাত রানীর নাক কাটাল!’<br />
তখন রাজা বললেন, ‘আন বেটাকে ধরে! এবার<br />
গিলে খাব! দেখি কেমন করে পালায়!’<br />
টুনটুনিকে ধরে আনলে।<br />
রাজা বললেন, ‘আন জল!’<br />
জল এল। রাজা মুখ ভরে জল নিয়ে টুনটুনিকে মুখে<br />
পুরেই চোখ বুজে ঢক করে গিলে ফেললেন।<br />
সবাই বললে, ‘এবারে পাখি জব্দ!’<br />
বলতে বলতেই রাজামশাই ভোক্ করে মস্ত একটা<br />
ঢেকুর তুললেন।<br />
সভার লোক চমকে উঠল, আর টুনটুনি সেই<br />
ঢেকুরের সঙ্গে বেরিয়ে এসে উড়ে<br />
পালালো।<br />
রাজা বললেন, ‘গেল, গেল! ধর্ ধর্!’ অমনি দুশো<br />
লোক ছুটে গিয়ে আবার বেচারাকে ধরে<br />
আনলো।<br />
তারপর আবার জল নিয়ে এল, আর সিপাই এসে<br />
তলোয়ার নিয়ে রাজা মশায়ের কাছে দাঁড়াল, টুনটুনি<br />
বেরুলেই তাকে দু টুকরো করে ফেলবে।<br />
এবার টুনটুনিকে গিলেই রাজামশাই দুই হাতে মুখ<br />
চেপে বসে থাকলেন, যাতে টুনটুনি আর বেরুতে<br />
না পারে। সে বেচারা পেটের ভিতরে গিয়ে<br />
ভয়ানক ছটফট করতে লাগল!<br />
খানিক বাদে রাজামশাই নাক সিঁটকিয়ে বললেন, ‘ওয়াক্।’<br />
অমনি টুনটুনিকে সুদ্ধ তাঁর পেটের ভিতরের সকল<br />
জিনিস বেরিয়ে এল।<br />
সবাই বললে, ‘সিপাই, সিপাই! মারো, মারো! পালালো!’<br />
সিপাই তাতে থতমত খেয়ে তলোয়ার দিয়ে যেই<br />
টুনটুনিকে মারতে যাবে, অমনি সেই তলোয়ার<br />
টুনটুনির গায়ে না পড়ে, রাজামশায়ের নাকে পড়ল।<br />
রাজামশাই তো ভয়ানক চ্যাঁচালেন, সঙ্গে-সঙ্গে<br />
সভার সকল লোক চ্যাঁচাতে লাগল। তখন ডাক্তার<br />
এসে ওধুধ দিয়ে পটি বেঁধে অনেক কষ্টে<br />
রাজামশাইকে বাঁচাল।<br />
টুনটুনি তা দেখে বলতে লাগল-<br />
‘নাক-কাটা রাজা রে।<br />
দেখ তো কেমন সাজা রে!’<br />
বলেই সে উড়ে সে-দেশ থেকে চলে<br />
গেল। রাজার লোক ছুটে এসে দেখল, খালি বাসা<br />
পড়ে আছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[(ছোটদের গল্প) টুনটুনি ও রাজার গল্প<br />
রাজার বাগানের কোণে টুনটুনির বাসা ছিল। রাজার<br />
সিন্দুকের টাকা রোদে শুকুতে দিয়েছিল, সন্ধ্যার<br />
সময় তার লোকেরা তার একটি টাকা ঘরে তুলতে<br />
ভুলে গেল।<br />
টুনটুনি সেই চকচকে টাকাটি দেখতে পেয়ে তার<br />
বাসায় এনে রেখে দিলে, আর ভাবলে, ‘ঈস! আমি<br />
কত বড়লোক হয়ে গেছি। রাজার ঘরে যে ধন<br />
আছে, আমার ঘরে সে ধন আছে!’ তারপর<br />
থেকে সে খালি এই কথাই ভাবে, আর বলে-<br />
রাজার ঘরে যে ধন আছে<br />
টুনির ঘরেও সে ধন আছে!<br />
রাজা তাঁর সভায় বসে সে কথা শুনতে পেয়ে<br />
জিগগেস করলেন, ‘হ্যাঁরে? পাখিটা কি বলছে রে?’<br />
সকলে হাত জোড় করে বললে, ‘মহারাজ, পাখি<br />
বলছে, আপনার ঘরে যে ধন আছে, ওর ঘরেও<br />
নাকি সেই ধন আছে!’ শুনে রাজা খিলখিল করে<br />
হেসে বললেন, ‘দেখ তো ওর বাসায় কি আছে?’<br />
তারা দেখে এসে বললে, ‘মহারাজ, বাসায় একটা টাকা<br />
আছে।’<br />
শুনে রাজা বললেন, ‘সে তো আমারই টাকা, নিয়ে<br />
আয় সেটা।’<br />
তখুনি লোক গিয়ে টুনটুনির বাসা থেকে টাকাটি নিয়ে<br />
এল। সে বেচারা আর কি করে, সে মনের দুঃখে<br />
বলতে লাগল-<br />
‘রাজা বড় ধনে কাতর<br />
টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর!’<br />
শুনে রাজা আবার হেসে বললেন, ‘পাখিটা তো বড়<br />
ঠ্যাঁটা রে! যা ওর টাকা ফিরিয়ে দিয়ে আয়।’<br />
টাকা ফিরে পেয়ে টুনির বড় আনন্দ হয়েছে। তখন<br />
সে বলছে-<br />
‘রাজা ভারি ভয় পেল<br />
টুনির টাকা ফিরিয়ে দিল।’<br />
রাজা জিগগেস করলেন, ‘আবার কি বলছে রে?’<br />
সভার লোকেরা বললে, ‘বলছে যে মহারাজ নাকি<br />
বড্ড ভয় পেয়েছেন, তাই ওর টাকা ফিরিয়ে<br />
দিয়েছেন।’<br />
শুনে তো রাজামশাই রেগে একেবারে অস্থির!<br />
বললেন, ‘কি, এত বড় কথা! আন তো ধরে,<br />
বেটাকে ভেজে খাই!’<br />
যেই বলা, অমনি লোক গিয়ে টুনটুনি বেচারাকে<br />
ধরে আনলে। রাজা তাকে মুঠোয় করে নিয়ে<br />
বাড়ির ভিতর গিয়ে রানীদের বললেন, ‘এই পাখিটাকে<br />
ভেজে আজ আমাকে খেতে হবে!’<br />
বলে তো রাজা চলে এসেছেন, আর রানীরা<br />
সাতজনে মিলে সেই পাখিটাকে দেখছেন।<br />
একজন বললেন, ‘কি সুন্দর পাখি! আমার হাতে দাও<br />
তো একবার দেখি।’ বলে তিনি তাকে হাতে নিলেন।<br />
তা দেখে আবার একজন দেখতে চাইলেন। তাঁর হাত<br />
থেকে যখন আর-একজন নিতে গেলেন, তখন<br />
টুনটুনি ফসকে গিয়ে উড়ে পালাল।<br />
কি সর্বনাশ! এখন উপায় কি হবে? রাজা জানতে পারলে<br />
তো রা থাকবে না।<br />
এমনি করে তাঁরা দুঃখ করছেন, এমন সময় ব্যাঙ<br />
সেইখান দিয়ে থপ-থপ করে যাচ্ছে।<br />
সাত রানী তাকে দেখতে পেয়ে খপ করে<br />
ধরে ফেললেন, আর বললেন, ‘চুপ চুপ! কেউ<br />
যেন জানতে না পারে। এইটেকে ভেজে দি,<br />
আর রাজামশাই খেয়ে ভাববেন টুনটুনিই<br />
খেয়েছেন!’<br />
সেই ব্যাঙটার ছাল ছাড়িয়ে তাকে ভেজে<br />
রাজামশাইকে দিলে তিনি খেয়ে খুশি হলেন। তারপর<br />
সবে তিনি সভায় গিয়ে বসেছেন, আর ভাবছেন,<br />
‘এবারে পাখির বাছাকে জব্দ করেছি।’<br />
অমনি টুনি বলছে-<br />
‘বড় মজা, বড় মজা,<br />
রাজা খেলেন ব্যাঙ ভাজা!’<br />
শুনেই তো রাজামশাই লাফিয়ে উঠেছেন। তখন তিনি<br />
থুতু ফেলেন, ওয়াক তোলেন, মুখ ধোন,<br />
আরো কত কি করেন। তারপর রেগে বললেন,<br />
‘সাত রানীর নাক কেটে ফেল।’<br />
অমনি জল্লাদ গিয়ে সাত রানীক নাক কেটে<br />
ফেললে।<br />
তা দেখে টুনটুনি বললে-<br />
‘এই টুনিতে টুনটুনাল<br />
সাত রানীর নাক কাটাল!’<br />
তখন রাজা বললেন, ‘আন বেটাকে ধরে! এবার<br />
গিলে খাব! দেখি কেমন করে পালায়!’<br />
টুনটুনিকে ধরে আনলে।<br />
রাজা বললেন, ‘আন জল!’<br />
জল এল। রাজা মুখ ভরে জল নিয়ে টুনটুনিকে মুখে<br />
পুরেই চোখ বুজে ঢক করে গিলে ফেললেন।<br />
সবাই বললে, ‘এবারে পাখি জব্দ!’<br />
বলতে বলতেই রাজামশাই ভোক্ করে মস্ত একটা<br />
ঢেকুর তুললেন।<br />
সভার লোক চমকে উঠল, আর টুনটুনি সেই<br />
ঢেকুরের সঙ্গে বেরিয়ে এসে উড়ে<br />
পালালো।<br />
রাজা বললেন, ‘গেল, গেল! ধর্ ধর্!’ অমনি দুশো<br />
লোক ছুটে গিয়ে আবার বেচারাকে ধরে<br />
আনলো।<br />
তারপর আবার জল নিয়ে এল, আর সিপাই এসে<br />
তলোয়ার নিয়ে রাজা মশায়ের কাছে দাঁড়াল, টুনটুনি<br />
বেরুলেই তাকে দু টুকরো করে ফেলবে।<br />
এবার টুনটুনিকে গিলেই রাজামশাই দুই হাতে মুখ<br />
চেপে বসে থাকলেন, যাতে টুনটুনি আর বেরুতে<br />
না পারে। সে বেচারা পেটের ভিতরে গিয়ে<br />
ভয়ানক ছটফট করতে লাগল!<br />
খানিক বাদে রাজামশাই নাক সিঁটকিয়ে বললেন, ‘ওয়াক্।’<br />
অমনি টুনটুনিকে সুদ্ধ তাঁর পেটের ভিতরের সকল<br />
জিনিস বেরিয়ে এল।<br />
সবাই বললে, ‘সিপাই, সিপাই! মারো, মারো! পালালো!’<br />
সিপাই তাতে থতমত খেয়ে তলোয়ার দিয়ে যেই<br />
টুনটুনিকে মারতে যাবে, অমনি সেই তলোয়ার<br />
টুনটুনির গায়ে না পড়ে, রাজামশায়ের নাকে পড়ল।<br />
রাজামশাই তো ভয়ানক চ্যাঁচালেন, সঙ্গে-সঙ্গে<br />
সভার সকল লোক চ্যাঁচাতে লাগল। তখন ডাক্তার<br />
এসে ওধুধ দিয়ে পটি বেঁধে অনেক কষ্টে<br />
রাজামশাইকে বাঁচাল।<br />
টুনটুনি তা দেখে বলতে লাগল-<br />
‘নাক-কাটা রাজা রে।<br />
দেখ তো কেমন সাজা রে!’<br />
বলেই সে উড়ে সে-দেশ থেকে চলে<br />
গেল। রাজার লোক ছুটে এসে দেখল, খালি বাসা<br />
পড়ে আছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Early Rising paragraph for students]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1778</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:43:02 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1778</guid>
			<description><![CDATA[Early Rising paragraph for students<br />
Early Rising<br />
Early rising is the habit of getting up from bed in<br />
the morning. It is a very good habit. It is<br />
essential and good for health. This habit is of<br />
special use to a man in various ways. The man<br />
who rises early in the morning can take some<br />
exercises or a walk in the morning fresh air by<br />
the river side or in the open field. The morning<br />
air refreshes both body and mind. Then the air is<br />
full of oxygen. There is a calm and serene<br />
atmosphere every where. One can enjoy the<br />
beauty of nature in the early morning. Nature<br />
smiles in the morning with colourful flowers and<br />
green leaves and the chirping of birds is also<br />
heard in the morning.All these make them<br />
cheerful and healthy. The beautiful gifts and<br />
colourful nature in the morning remind everybody<br />
of the Creator. One feels like to pray to God. An<br />
early riser gets enough time to do his work either<br />
in study on in other work, which will bring him<br />
success. Finally he must follow the instructions<br />
to rise early. An early riser has many<br />
advantages. He can start his daily works earlier.<br />
He had nothing to worry. He can earn more and<br />
become wealthy. So the habit of early rising is<br />
the source of health, wealth and wisdom. So,<br />
everybody should practice early rising.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Early Rising paragraph for students<br />
Early Rising<br />
Early rising is the habit of getting up from bed in<br />
the morning. It is a very good habit. It is<br />
essential and good for health. This habit is of<br />
special use to a man in various ways. The man<br />
who rises early in the morning can take some<br />
exercises or a walk in the morning fresh air by<br />
the river side or in the open field. The morning<br />
air refreshes both body and mind. Then the air is<br />
full of oxygen. There is a calm and serene<br />
atmosphere every where. One can enjoy the<br />
beauty of nature in the early morning. Nature<br />
smiles in the morning with colourful flowers and<br />
green leaves and the chirping of birds is also<br />
heard in the morning.All these make them<br />
cheerful and healthy. The beautiful gifts and<br />
colourful nature in the morning remind everybody<br />
of the Creator. One feels like to pray to God. An<br />
early riser gets enough time to do his work either<br />
in study on in other work, which will bring him<br />
success. Finally he must follow the instructions<br />
to rise early. An early riser has many<br />
advantages. He can start his daily works earlier.<br />
He had nothing to worry. He can earn more and<br />
become wealthy. So the habit of early rising is<br />
the source of health, wealth and wisdom. So,<br />
everybody should practice early rising.]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করুন ৭ উপায়ে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1777</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:32:19 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1777</guid>
			<description><![CDATA[স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করুন ৭ উপায়ে<br />
আপনি<br />
হয়তো খেয়াল করে দেখেবেন কিছু<br />
লোক চমৎকার ভাবে মনে রাখতে<br />
পারছে কোন ঘটনা বা বিষয়বস্তুর<br />
পুঙ্খনাপুঙ্খ। আবার খুব সহজেই শিখে<br />
নিচ্ছে নতুন কিছু। আর আপনি মনে মনে<br />
আক্ষেপ করেন সেই লোকের মতো কেন<br />
আপনার স্মরণশক্তি নেই? তবে কি<br />
আপনার মেধা কম! না, আপনার মেধা<br />
অবশ্যই কম না। সকলে একভাবে মনে<br />
রাখতে পারে না। কারণ, সবার<br />
মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে<br />
কয়েকটি<br />
সহজ কৌশলে আপনিও বাড়িয়ে নিতে<br />
পারেন মেমোরি পাওয়ার।<br />
১। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল:<br />
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে<br />
না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল<br />
রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন<br />
আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর।<br />
নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা<br />
শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না<br />
থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি<br />
জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল<br />
ব্যহত<br />
হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে<br />
অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়।<br />
যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে<br />
মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত<br />
ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার<br />
শরীরের<br />
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।<br />
২। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন,<br />
বিষন্নতা<br />
দূর করুন:<br />
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার<br />
ব্রেনকে<br />
কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা<br />
আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার<br />
ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে<br />
পারে।<br />
মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা<br />
সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।<br />
বিষণ্নতা আপনার মনোযোগ দেয়ার<br />
ক্ষমতা ক্ষমিয়ে ফেলে এবং রক্তে<br />
করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়।<br />
করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে<br />
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়,<br />
বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের।<br />
যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি<br />
সংরক্ষিত<br />
থাকে। তাই বিষণ্নতা সহ সকল<br />
মানসিক<br />
চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।<br />
৩। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চত করুন:<br />
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট<br />
ঘন্টা<br />
ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম<br />
আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী<br />
করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক<br />
সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ<br />
করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয়<br />
মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার<br />
মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য<br />
প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের<br />
মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে<br />
পারেন।<br />
৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন:<br />
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান<br />
তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। একবার<br />
লেখা নাকি বিশবার পড়ার সমান।<br />
এটার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে।<br />
লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ<br />
রক্তপ্রবাহের পরিমান বাড়ে। তাই<br />
লিখে রাখুন ডায়রিতে, ইমেইলে বা<br />
ব্যক্তিগত ব্লগে।<br />
৫। গান শুনুন:<br />
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন- স্মৃতির সাথে<br />
গান শোনার কী সম্পর্ক? গবেষকরা<br />
দেখিয়েছেন কিছু সংগীত<br />
স্মৃতিশক্তি<br />
বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই<br />
রকম:<br />
কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান<br />
শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার<br />
সময়<br />
সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার<br />
মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।<br />
৬। পুষ্টিকর খাবার খান:<br />
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর<br />
জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত<br />
পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা<br />
ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস,<br />
ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও<br />
মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।<br />
পরিমান মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন।<br />
প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন।<br />
বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার<br />
খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য<br />
মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক<br />
সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো<br />
আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক<br />
ক্ষতিকর।<br />
৭। অন্যকে শেখান:<br />
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা<br />
একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান।<br />
আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন<br />
আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে<br />
পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক<br />
জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু<br />
বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা<br />
আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে<br />
পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা<br />
স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা<br />
মাত্রই<br />
বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে।<br />
চর্চা আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব কিছু<br />
অর্জন সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই<br />
বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতিশক্তি,<br />
মনে রাখার ক্ষমতা। সুস্থ থাকুন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করুন ৭ উপায়ে<br />
আপনি<br />
হয়তো খেয়াল করে দেখেবেন কিছু<br />
লোক চমৎকার ভাবে মনে রাখতে<br />
পারছে কোন ঘটনা বা বিষয়বস্তুর<br />
পুঙ্খনাপুঙ্খ। আবার খুব সহজেই শিখে<br />
নিচ্ছে নতুন কিছু। আর আপনি মনে মনে<br />
আক্ষেপ করেন সেই লোকের মতো কেন<br />
আপনার স্মরণশক্তি নেই? তবে কি<br />
আপনার মেধা কম! না, আপনার মেধা<br />
অবশ্যই কম না। সকলে একভাবে মনে<br />
রাখতে পারে না। কারণ, সবার<br />
মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে<br />
কয়েকটি<br />
সহজ কৌশলে আপনিও বাড়িয়ে নিতে<br />
পারেন মেমোরি পাওয়ার।<br />
১। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল:<br />
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে<br />
না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল<br />
রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন<br />
আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর।<br />
নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা<br />
শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না<br />
থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি<br />
জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল<br />
ব্যহত<br />
হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে<br />
অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়।<br />
যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে<br />
মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত<br />
ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার<br />
শরীরের<br />
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।<br />
২। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন,<br />
বিষন্নতা<br />
দূর করুন:<br />
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার<br />
ব্রেনকে<br />
কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা<br />
আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার<br />
ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে<br />
পারে।<br />
মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা<br />
সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।<br />
বিষণ্নতা আপনার মনোযোগ দেয়ার<br />
ক্ষমতা ক্ষমিয়ে ফেলে এবং রক্তে<br />
করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়।<br />
করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে<br />
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়,<br />
বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের।<br />
যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি<br />
সংরক্ষিত<br />
থাকে। তাই বিষণ্নতা সহ সকল<br />
মানসিক<br />
চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।<br />
৩। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চত করুন:<br />
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট<br />
ঘন্টা<br />
ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম<br />
আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী<br />
করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক<br />
সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ<br />
করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয়<br />
মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার<br />
মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য<br />
প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের<br />
মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে<br />
পারেন।<br />
৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন:<br />
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান<br />
তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। একবার<br />
লেখা নাকি বিশবার পড়ার সমান।<br />
এটার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে।<br />
লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ<br />
রক্তপ্রবাহের পরিমান বাড়ে। তাই<br />
লিখে রাখুন ডায়রিতে, ইমেইলে বা<br />
ব্যক্তিগত ব্লগে।<br />
৫। গান শুনুন:<br />
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন- স্মৃতির সাথে<br />
গান শোনার কী সম্পর্ক? গবেষকরা<br />
দেখিয়েছেন কিছু সংগীত<br />
স্মৃতিশক্তি<br />
বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই<br />
রকম:<br />
কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান<br />
শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার<br />
সময়<br />
সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার<br />
মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।<br />
৬। পুষ্টিকর খাবার খান:<br />
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর<br />
জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত<br />
পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা<br />
ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস,<br />
ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও<br />
মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।<br />
পরিমান মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন।<br />
প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন।<br />
বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার<br />
খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য<br />
মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক<br />
সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো<br />
আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক<br />
ক্ষতিকর।<br />
৭। অন্যকে শেখান:<br />
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা<br />
একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান।<br />
আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন<br />
আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে<br />
পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক<br />
জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু<br />
বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা<br />
আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে<br />
পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা<br />
স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা<br />
মাত্রই<br />
বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে।<br />
চর্চা আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব কিছু<br />
অর্জন সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই<br />
বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতিশক্তি,<br />
মনে রাখার ক্ষমতা। সুস্থ থাকুন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[গণিতে A+ পাওয়ার সহজ উপায়।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1776</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:29:09 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1776</guid>
			<description><![CDATA[গণিতে A+ পাওয়ার সহজ উপায়।<br />
♦ ♦গণিতে ভালো নাম্বার তোলার<br />
উপায় ♦ ♦<br />
১) “পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তা’র” নামে<br />
পরীক্ষা শুরু করবে |<br />
২) গণিতের ক্ষেত্রে 1,2,3…..সিরিয়াল<br />
রক্ষা করার কোন দরকার নাই |<br />
৩) যেগুলো ভালো পার কিংবা উত্তর<br />
মিলবে যে Sure সেগুলা আগে করব|.<br />
৪) ছোট ছোট করে লেখার দরকার নাই |<br />
এক পৃষ্ঠায় একটা অংক করব|,,,,এতে<br />
দেখতে খুব ভালো লাগবে |<br />
৫)প্রথম থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন<br />
লেখার চেষ্টা করব|<br />
৬) রাফ করার জন্যে খাতার পিছনের<br />
অংশ ব্যবহার করব| এবং শেষে কেটে<br />
দিবে |<br />
৭) সরল জাতিয় অংক (যতোই সোজা<br />
হোক)সবার শে(ষ করব| !<br />
৮) যে অংকটা একবারে মিলবে না<br />
,,,,সেটা আর না করে আরেকটা অংক শুরু<br />
করে দিবে,,,,, কারণ ঐ অংক তোমার<br />
বিপদ ডেকে আনবে |<br />
৯) অংক ভুল হলে একটা দাগ দিয়ে<br />
কেটে দিবে * *<br />
১০) অংকের শেষে Ans. লিখবে কারণ<br />
Ans.-এর জন্যে আলাদা মার্ক আছে |<br />
১১) জ্যামিতির ক্ষেত্রে চিত্রের<br />
দিকে নজর রাখবে কারণ Sir<br />
জ্যামিতির বর্ণনা কম দেখে কিন্তু<br />
চিত্রটা ভাল ভাবে দেখে |<br />
১২) যে অংক গুলা ভুলে গেছ সেগুলো<br />
সবার শেষ যা পার করে দিয়ে আসবে<br />
কারণ অংকে বিভিন্ন অংশের জন্যে<br />
আলাদা আলাদা নম্বর বরাদ্দ থাকে |<br />
১৩) অংকে A পাওয়া যেমন সহজ ফেইল<br />
করা আরো সহজ সুতরাং Be careful !<br />
১৪) অংক কমন পড়লে নাচানাচির দরকার<br />
নাই কারণ সহজ প্রশ্নেই ছাত্ররা বেশি<br />
ভুল করে !!<br />
………সবশেষে খাতাতা একবার Revision<br />
অবশ্যই দিবে কারণ রিভিসনে – অনেক<br />
ভুল ধরা পড়ে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গণিতে A+ পাওয়ার সহজ উপায়।<br />
♦ ♦গণিতে ভালো নাম্বার তোলার<br />
উপায় ♦ ♦<br />
১) “পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তা’র” নামে<br />
পরীক্ষা শুরু করবে |<br />
২) গণিতের ক্ষেত্রে 1,2,3…..সিরিয়াল<br />
রক্ষা করার কোন দরকার নাই |<br />
৩) যেগুলো ভালো পার কিংবা উত্তর<br />
মিলবে যে Sure সেগুলা আগে করব|.<br />
৪) ছোট ছোট করে লেখার দরকার নাই |<br />
এক পৃষ্ঠায় একটা অংক করব|,,,,এতে<br />
দেখতে খুব ভালো লাগবে |<br />
৫)প্রথম থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন<br />
লেখার চেষ্টা করব|<br />
৬) রাফ করার জন্যে খাতার পিছনের<br />
অংশ ব্যবহার করব| এবং শেষে কেটে<br />
দিবে |<br />
৭) সরল জাতিয় অংক (যতোই সোজা<br />
হোক)সবার শে(ষ করব| !<br />
৮) যে অংকটা একবারে মিলবে না<br />
,,,,সেটা আর না করে আরেকটা অংক শুরু<br />
করে দিবে,,,,, কারণ ঐ অংক তোমার<br />
বিপদ ডেকে আনবে |<br />
৯) অংক ভুল হলে একটা দাগ দিয়ে<br />
কেটে দিবে * *<br />
১০) অংকের শেষে Ans. লিখবে কারণ<br />
Ans.-এর জন্যে আলাদা মার্ক আছে |<br />
১১) জ্যামিতির ক্ষেত্রে চিত্রের<br />
দিকে নজর রাখবে কারণ Sir<br />
জ্যামিতির বর্ণনা কম দেখে কিন্তু<br />
চিত্রটা ভাল ভাবে দেখে |<br />
১২) যে অংক গুলা ভুলে গেছ সেগুলো<br />
সবার শেষ যা পার করে দিয়ে আসবে<br />
কারণ অংকে বিভিন্ন অংশের জন্যে<br />
আলাদা আলাদা নম্বর বরাদ্দ থাকে |<br />
১৩) অংকে A পাওয়া যেমন সহজ ফেইল<br />
করা আরো সহজ সুতরাং Be careful !<br />
১৪) অংক কমন পড়লে নাচানাচির দরকার<br />
নাই কারণ সহজ প্রশ্নেই ছাত্ররা বেশি<br />
ভুল করে !!<br />
………সবশেষে খাতাতা একবার Revision<br />
অবশ্যই দিবে কারণ রিভিসনে – অনেক<br />
ভুল ধরা পড়ে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[বিসিএস/জব প্রস্তুতি] কনজরে ৬১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে ভিটামিন ও খাদ্য বিষয়ক সকল তথ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1775</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:27:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1775</guid>
			<description><![CDATA[[বিসিএস/জব প্রস্তুতি] কনজরে ৬১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে<br />
ভিটামিন ও খাদ্য বিষয়ক সকল তথ্য<br />
★ সুষম খাদ্যের উপাদান –- ৬ টি।<br />
★ প্রোটিন বেশি থাকে — মসুর ডালে।<br />
★ হাড় ও দাতকে মজবুত করে — ক্যালসিয়াম<br />
ও<br />
ফসফরাস।<br />
★ চা পাতায় থাকে — ভিটামিন বি<br />
কমপ্লেক্স।<br />
★ ম্যালিক এসিড — টমেটোতে পাওয়া যায়।<br />
★ ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে<br />
সাহায্য<br />
করে — ভিটামিন কে।<br />
★ Natural Protein এর কোড নাম — Protien – P<br />
49.<br />
★ কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান — লৌহ<br />
উপাদানের<br />
জন্য।<br />
★ ভিটামিন সি হলো — অ্যাসকরবিক এসিড<br />
★ তাপে নষ্ট হয় — ভিটামিন সি।<br />
★ আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি — শুটকী<br />
মাছে।<br />
★ গলগল্ড রোগ হয় — আয়োডিনের অভাবে।<br />
★ মানবদেহ গঠনে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি<br />
— আমিষের।<br />
★ আয়োডিন বেশি থাকে — সমুদ্রের মাছে।<br />
★ কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে আছে<br />
—<br />
ক্যালসিয়াম<br />
অক্সালেট।<br />
★ রাতকানা রোগ হয় — ভিটামিন এ এর<br />
অভাবে।<br />
★ মুখে ও জিহবায় ঘা হয় — ভিটামিন বি₂ এর<br />
অভাবে।<br />
★ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন — ভিটামিন বি<br />
ও সি<br />
★ শিশুদের রিকেটাস রোগ হয় — ভিটামিন ডি<br />
এর<br />
অভাবে।<br />
★ মিষ্টি কুমড়া — ভিটামিন জাতীয় খাদ্য।<br />
★ মিষ্টি আলু — শ্বেতস্বার জাতীয় খাদ্য।<br />
★ শিমের বিচি — আমিষ জাতীয় খাদ্য।<br />
★ দুধে থাকে — ল্যাকটিক এসিড।<br />
★ আয়োডিনের অভাবে — গলগন্ড রোগ হয়।<br />
★ হেজ তৈরিতে ব্যবহৃত উদ্ভিদ — করমচা<br />
★ লেবুতে বেশি থেকে — ভিটামিন সি<br />
★ আমলকী, লেবু, পেয়ারা ভিটামিনের উৎস —<br />
ভিটামিন সি।<br />
★ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান —<br />
দুধে।<br />
★ রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — আয়রনের অভাবে।<br />
★ দুধের রং সাদা হয় — প্রোটিনের জন্য।<br />
★ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম —<br />
অ্যাসকরবিক এসিড।<br />
★ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় — অ্যামাইনো<br />
এসিড।<br />
★ কচুশাকে বেশি থাকে — লৌহ।<br />
★ সুষমখাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয়<br />
খাদ্যের অনুপাত — ৪:১:১<br />
★ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে<br />
—<br />
খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন।<br />
★ সবচেয়ে বেশি পাটাশিয়াম পাওয়া যায় —<br />
ডাবে।<br />
★ মাড়ি দিয়ে পুজি ও রক্ত পড়ে — ভিটামিন<br />
সি এর<br />
অভাবে।<br />
★ মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন — আমিষ<br />
জাতীয় খাদ্য।<br />
★ সূর্য কিরণ হতে পাওয়া যায় — ভিটামিন<br />
ডি।<br />
★ ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন থাকে —<br />
অ্যালবুমিন<br />
★ আমিষের কাজ — দেহ কোষ গঠনে সহয়তা<br />
করা।<br />
★ মোটামুটি সম্পূর্ণ বা আদর্শ খাদ্য বলা হয় —<br />
দুধকে।<br />
★ কোলেস্টরল — এক ধরণের অসম্পৃক্ত<br />
অ্যালকোহল।<br />
★ কোলাজেন — একটি প্রোটিন।<br />
★ হাড় ও দাত তৈরির জন্য প্রয়োজন — ডি<br />
ভিটামিন<br />
★ ভিটামিন ডি এর অভাবে — রিকেটস রোগ।<br />
★ অস্থির বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন —<br />
ক্যালসিয়াম।<br />
★ মলা মাছে থাকে — ভিটামিন ডি।<br />
★ সহজে সর্দি কাশি হয় — ভিটামিন সি এর<br />
অভাবে।<br />
★ বিষাক্ত নিকোটিন থাকা — তামাকে।<br />
★ ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে<br />
—<br />
আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি।<br />
★ শরীরে শক্তি যোগাতে দরকার — খাদ্য<br />
★ সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায় — আয়োডিন।<br />
★ সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল —<br />
পেয়ারা।<br />
★ ভিটামিন এ সবচেয়ে বেশি — গাজরে।<br />
★ মানুষের প্রোটিনের অভাবে —<br />
কোয়াশিয়কর<br />
রোগে।<br />
★ আয়োডিন পাওয়া যায় — শৈবালে।<br />
★ আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির<br />
প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন — ২৫০০<br />
ক্যালরি।<br />
★ গ্লুকোজের স্থূল সংকেত — CH2O<br />
★ ল্যাথারাইজম রোগ — খেসারি ডাল খেলে।<br />
★ শরীরের হাড় ও দাতের গঠনের কাজে<br />
বেশি<br />
প্রয়োজন — ক্যালসিয়াম।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[[বিসিএস/জব প্রস্তুতি] কনজরে ৬১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে<br />
ভিটামিন ও খাদ্য বিষয়ক সকল তথ্য<br />
★ সুষম খাদ্যের উপাদান –- ৬ টি।<br />
★ প্রোটিন বেশি থাকে — মসুর ডালে।<br />
★ হাড় ও দাতকে মজবুত করে — ক্যালসিয়াম<br />
ও<br />
ফসফরাস।<br />
★ চা পাতায় থাকে — ভিটামিন বি<br />
কমপ্লেক্স।<br />
★ ম্যালিক এসিড — টমেটোতে পাওয়া যায়।<br />
★ ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে<br />
সাহায্য<br />
করে — ভিটামিন কে।<br />
★ Natural Protein এর কোড নাম — Protien – P<br />
49.<br />
★ কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান — লৌহ<br />
উপাদানের<br />
জন্য।<br />
★ ভিটামিন সি হলো — অ্যাসকরবিক এসিড<br />
★ তাপে নষ্ট হয় — ভিটামিন সি।<br />
★ আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি — শুটকী<br />
মাছে।<br />
★ গলগল্ড রোগ হয় — আয়োডিনের অভাবে।<br />
★ মানবদেহ গঠনে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি<br />
— আমিষের।<br />
★ আয়োডিন বেশি থাকে — সমুদ্রের মাছে।<br />
★ কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে আছে<br />
—<br />
ক্যালসিয়াম<br />
অক্সালেট।<br />
★ রাতকানা রোগ হয় — ভিটামিন এ এর<br />
অভাবে।<br />
★ মুখে ও জিহবায় ঘা হয় — ভিটামিন বি₂ এর<br />
অভাবে।<br />
★ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন — ভিটামিন বি<br />
ও সি<br />
★ শিশুদের রিকেটাস রোগ হয় — ভিটামিন ডি<br />
এর<br />
অভাবে।<br />
★ মিষ্টি কুমড়া — ভিটামিন জাতীয় খাদ্য।<br />
★ মিষ্টি আলু — শ্বেতস্বার জাতীয় খাদ্য।<br />
★ শিমের বিচি — আমিষ জাতীয় খাদ্য।<br />
★ দুধে থাকে — ল্যাকটিক এসিড।<br />
★ আয়োডিনের অভাবে — গলগন্ড রোগ হয়।<br />
★ হেজ তৈরিতে ব্যবহৃত উদ্ভিদ — করমচা<br />
★ লেবুতে বেশি থেকে — ভিটামিন সি<br />
★ আমলকী, লেবু, পেয়ারা ভিটামিনের উৎস —<br />
ভিটামিন সি।<br />
★ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান —<br />
দুধে।<br />
★ রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — আয়রনের অভাবে।<br />
★ দুধের রং সাদা হয় — প্রোটিনের জন্য।<br />
★ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম —<br />
অ্যাসকরবিক এসিড।<br />
★ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় — অ্যামাইনো<br />
এসিড।<br />
★ কচুশাকে বেশি থাকে — লৌহ।<br />
★ সুষমখাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয়<br />
খাদ্যের অনুপাত — ৪:১:১<br />
★ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে<br />
—<br />
খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন।<br />
★ সবচেয়ে বেশি পাটাশিয়াম পাওয়া যায় —<br />
ডাবে।<br />
★ মাড়ি দিয়ে পুজি ও রক্ত পড়ে — ভিটামিন<br />
সি এর<br />
অভাবে।<br />
★ মানবদেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন — আমিষ<br />
জাতীয় খাদ্য।<br />
★ সূর্য কিরণ হতে পাওয়া যায় — ভিটামিন<br />
ডি।<br />
★ ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন থাকে —<br />
অ্যালবুমিন<br />
★ আমিষের কাজ — দেহ কোষ গঠনে সহয়তা<br />
করা।<br />
★ মোটামুটি সম্পূর্ণ বা আদর্শ খাদ্য বলা হয় —<br />
দুধকে।<br />
★ কোলেস্টরল — এক ধরণের অসম্পৃক্ত<br />
অ্যালকোহল।<br />
★ কোলাজেন — একটি প্রোটিন।<br />
★ হাড় ও দাত তৈরির জন্য প্রয়োজন — ডি<br />
ভিটামিন<br />
★ ভিটামিন ডি এর অভাবে — রিকেটস রোগ।<br />
★ অস্থির বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন —<br />
ক্যালসিয়াম।<br />
★ মলা মাছে থাকে — ভিটামিন ডি।<br />
★ সহজে সর্দি কাশি হয় — ভিটামিন সি এর<br />
অভাবে।<br />
★ বিষাক্ত নিকোটিন থাকা — তামাকে।<br />
★ ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে<br />
—<br />
আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি।<br />
★ শরীরে শক্তি যোগাতে দরকার — খাদ্য<br />
★ সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায় — আয়োডিন।<br />
★ সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল —<br />
পেয়ারা।<br />
★ ভিটামিন এ সবচেয়ে বেশি — গাজরে।<br />
★ মানুষের প্রোটিনের অভাবে —<br />
কোয়াশিয়কর<br />
রোগে।<br />
★ আয়োডিন পাওয়া যায় — শৈবালে।<br />
★ আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির<br />
প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন — ২৫০০<br />
ক্যালরি।<br />
★ গ্লুকোজের স্থূল সংকেত — CH2O<br />
★ ল্যাথারাইজম রোগ — খেসারি ডাল খেলে।<br />
★ শরীরের হাড় ও দাতের গঠনের কাজে<br />
বেশি<br />
প্রয়োজন — ক্যালসিয়াম।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Science=”Chemistry “]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1774</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:26:12 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1774</guid>
			<description><![CDATA[Science=”Chemistry “<br />
আমার এই টিউনটা অনেকের কাজে লাগবে।<br />
Chemistry একটা কঠিন এবং একই সাথে মজার<br />
subject.Chemistry এর পুরো পযায় সারনি মনে রাখার<br />
একটা উপায় দেওয়া হল।<br />
Group 1(A) এর লি না কে রুবি ছেচে ফেলেছে।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Li Na K Rb Cs Fr<br />
Group 2(A) এর মৌল বিরানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে<br />
বাটিতে রাখ।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Be Mg Ca Sr Ba Ra<br />
Group 3(A) এর মৌল বো আল গেল ইন্ডিয়া ও<br />
থাইল্যান্ডেযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= B Al Ga IN TL<br />
Group 4(A) এর মৌল কামাল শীঘ্রই জিনিয়াস স্টুডেন্ট<br />
পাবেযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= C Si Ge Sn Pb<br />
Group 5(A) এর মৌল নাগ পুর এসে সবুজ বিষ্মিত হলযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= N P As Sb Bi<br />
Group 6(A) এর মৌল ও এস এসসি তে পড়েযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= O S Se Te Po<br />
ভাল লাগলে মতামত দিন|]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Science=”Chemistry “<br />
আমার এই টিউনটা অনেকের কাজে লাগবে।<br />
Chemistry একটা কঠিন এবং একই সাথে মজার<br />
subject.Chemistry এর পুরো পযায় সারনি মনে রাখার<br />
একটা উপায় দেওয়া হল।<br />
Group 1(A) এর লি না কে রুবি ছেচে ফেলেছে।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Li Na K Rb Cs Fr<br />
Group 2(A) এর মৌল বিরানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে<br />
বাটিতে রাখ।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Be Mg Ca Sr Ba Ra<br />
Group 3(A) এর মৌল বো আল গেল ইন্ডিয়া ও<br />
থাইল্যান্ডেযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= B Al Ga IN TL<br />
Group 4(A) এর মৌল কামাল শীঘ্রই জিনিয়াস স্টুডেন্ট<br />
পাবেযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= C Si Ge Sn Pb<br />
Group 5(A) এর মৌল নাগ পুর এসে সবুজ বিষ্মিত হলযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= N P As Sb Bi<br />
Group 6(A) এর মৌল ও এস এসসি তে পড়েযেই<br />
মৌলগুলো indicate করে= O S Se Te Po<br />
ভাল লাগলে মতামত দিন|]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এক্সাম হলে প্রশ্ন পাওয়ার পর ছাত্রদের মনের কিছু কথা…]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1773</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:25:05 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1773</guid>
			<description><![CDATA[এক্সাম হলে প্রশ্ন পাওয়ার পর ছাত্রদের মনের কিছু কথা…<br />
ভালো ছাত্ররা-<br />
ফার্স্ট বয়ঃ এত সোজা প্রশ্ন কেউ করে,<br />
সবাই তো ভালো করবে। ফার্স্ট আর থাকা<br />
হলো না।<br />
সেকেন্ড বয়ঃ বাহ সব তো কমন। শালা<br />
ফার্স্ট বয় এত লেখে ক্যান, ঈশ্বর ওর কলমডা<br />
ভাইংগা দাও।<br />
থার্ড বয়ঃ আরে আজ তো অনেক লিখতে<br />
হবে। আজকে এক মিনিট সময় ও ব্যয় করা<br />
যাবে না। মুতার চাপ দিলেও বাহিরে<br />
যাওয়া যাবে না।<br />
.<br />
মাঝের সারির ছাত্ররা-<br />
১ম জনঃ বাহ এক রাত পইরাই দেখি পাশ<br />
মার্ক কমন পরছে।<br />
২য় জনঃ ওই বেডা সাফিক দেখতো<br />
কোনটা কোনটা পারছ।<br />
৩য় জনঃ এইডা কিচ্ছু অইল! পড়লাম ৮ অধ্যায়<br />
পর্যন্ত, এখন দেখি এগারো অধ্যায়ের প্রশ্ন<br />
দিয়া রাখছে, ধুরর।<br />
.<br />
যারা খারাপ ছাত্র-<br />
১ম জনঃ কখন যে এক ঘন্টা যাইবো এই<br />
দোজখে আর ভাল লাগতাছে না।<br />
২য় জনঃ পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে<br />
ফেসবুকে স্ট্যাটাস টা কি দেওয়া যায়<br />
একটু চিন্তা করি।<br />
৩য় জনঃ স্যার কি আজকাল গাজা<br />
টানতাছে নাকি? এসব কি হিব্রু ভাষায়<br />
প্রশ্ন করছে?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এক্সাম হলে প্রশ্ন পাওয়ার পর ছাত্রদের মনের কিছু কথা…<br />
ভালো ছাত্ররা-<br />
ফার্স্ট বয়ঃ এত সোজা প্রশ্ন কেউ করে,<br />
সবাই তো ভালো করবে। ফার্স্ট আর থাকা<br />
হলো না।<br />
সেকেন্ড বয়ঃ বাহ সব তো কমন। শালা<br />
ফার্স্ট বয় এত লেখে ক্যান, ঈশ্বর ওর কলমডা<br />
ভাইংগা দাও।<br />
থার্ড বয়ঃ আরে আজ তো অনেক লিখতে<br />
হবে। আজকে এক মিনিট সময় ও ব্যয় করা<br />
যাবে না। মুতার চাপ দিলেও বাহিরে<br />
যাওয়া যাবে না।<br />
.<br />
মাঝের সারির ছাত্ররা-<br />
১ম জনঃ বাহ এক রাত পইরাই দেখি পাশ<br />
মার্ক কমন পরছে।<br />
২য় জনঃ ওই বেডা সাফিক দেখতো<br />
কোনটা কোনটা পারছ।<br />
৩য় জনঃ এইডা কিচ্ছু অইল! পড়লাম ৮ অধ্যায়<br />
পর্যন্ত, এখন দেখি এগারো অধ্যায়ের প্রশ্ন<br />
দিয়া রাখছে, ধুরর।<br />
.<br />
যারা খারাপ ছাত্র-<br />
১ম জনঃ কখন যে এক ঘন্টা যাইবো এই<br />
দোজখে আর ভাল লাগতাছে না।<br />
২য় জনঃ পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে<br />
ফেসবুকে স্ট্যাটাস টা কি দেওয়া যায়<br />
একটু চিন্তা করি।<br />
৩য় জনঃ স্যার কি আজকাল গাজা<br />
টানতাছে নাকি? এসব কি হিব্রু ভাষায়<br />
প্রশ্ন করছে?]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[উচ্চ মাধ্যমিক গনিত লেকচারঃ লিমিট বা সীমা (limit)]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1772</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:22:53 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1772</guid>
			<description><![CDATA[লিমিট বা সীমা (limit)<br />
————————<br />
ক্যালকুলাস জানতে হলে লিমিট<br />
ভালো করে জানা জরুরী। এখানে<br />
লিমিটের একেবারে প্রাথমিক<br />
কিছু কথা বলা হয়েছে। এটা কী,<br />
কেন এর প্রয়োজন হলো সেটা<br />
কিছুটা বলেছি।<br />
ভিডিও: ক্যালকুলাসের অ-আ-ক-খ:<br />
ভগর ভগর ২ক (calculus 2,1)<br />
ফাংশনঃ<br />
লিমিট বুঝতে গেলে আগে<br />
ফাংশনের ধারণা থাকা দরকার। খুব<br />
সহজ ভাবে বললে ফাংশন একটা<br />
মেশিনের মতো। এখানে কিছু একটা<br />
‘ইনপুট’ দিলে কিছু একটা ‘আউটপুট’<br />
পাওয়া যায়। যেমন কমলার জুস<br />
বানানোর মেশিন। এখানে কমলা<br />
দিলে জুস পাওয়া যায়। যদি এই<br />
মেশিনটার নাম হয় f, আমরা এই<br />
মেশিনটাকে ফাংশনের আকারে<br />
এভাবে লিখতে পারি f<br />
(কমলা)=কমলার জুস, প্রথমে যে f, এটা<br />
হলো ফাংশনের নাম, এটার নাম<br />
আমরা যা খুশি তাই দিতে পারি,<br />
এরপর ব্র্যাকেটের ভিতরে আছে<br />
ইনপুট আর সমান চিহ্নের পরে আছে<br />
আউটপুট। ফাংশনকে আসলে আরও<br />
অনেকভাবে প্রকাশ করা যায়। তবে<br />
এভাবে প্রকাশ আমাদের বার বার<br />
করতে হবে, ক্যালকুলাস জানতে<br />
হলে। তাহলে, যদি একটা ফাংশনকে<br />
আমরা এভাবে লিখি f(x)=x² , সেটা<br />
দিয়ে আমরা বুঝব, এই ফাংশনের<br />
কাজ হলো যাকে পাবে তাকে বর্গ<br />
করবে।<br />
f(-3)=(-3)²=9<br />
f(5)=5²=25 ইত্যাদি।<br />
লিমিটঃ<br />
কিছু কিছু ফাংশন আছে যারা<br />
আমাদেরকে ঝামেলায় ফেলে<br />
দেয়। আমরা যদিও বুঝতে পারি, মান<br />
কত হওয়া ‘উচিত’, কিংবা কত ‘হতে<br />
চলেছে’ কিন্তু জোর দিয়ে বলতে<br />
পারি না। সেই ঝামেলাগুলো<br />
থেকে মুক্তি দিতেই লিমিট<br />
ব্যাপারটার উদ্ভব। যেমন একটা<br />
ফাংশন চিন্তা করা যাক<br />
f(x)=(x²-9)/(x-3)<br />
এই ফাংশনে x এর মান 3 হলে<br />
ফাংশনটার মান কত হবে ? 3 বসালে<br />
উপরেও শূন্য এসে পড়ে , নিচেও শূন্য<br />
এসে পড়ে। ০/০ এর মান কত সেটা<br />
আমরা বলতে পারি না। কারণটা<br />
বোঝা কঠিন নয়। ১৫/৩ কথাটার<br />
মানে হলো ৩ কে কত দিয়ে গুণ করলে<br />
১৫ হয়। কত দিয়ে? ৫ দিয়ে। তাহলে<br />
১৫/৩=৫<br />
২৪/৪ মানে ৪ কে কত দিয়ে গুণ দিলে<br />
২৪ হয়। সেটা কত- ৬। তাহলে ২৪/৪=৬ ।<br />
তাহলে ০/০ মানে হলো ০ কে কত<br />
দিয়ে গুণ দিলে ০ হয়। এখন ০ কে ১<br />
দিয়ে গুণ করলেও ০ হয়, ২ দিয়ে গুণ<br />
করলেও শূন্য হয়, এমন ৩,৪,৫,৬ যা দিয়েই<br />
গুণ করা যাক, শূন্যই হয়। তাহলে ০/০ এর<br />
মান ১,২,৩,৪,৫…সবকিছুই হতে পারে!<br />
কিন্তু সেটা তো ভালো কিছু হলো<br />
না। তাহলে ০/০ এর মান কত আমরা<br />
নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। এমন<br />
০/০ আকারকে বলে অনির্নেয়<br />
(Indeterminate form)। এরকম অনির্নেয়<br />
আকার আরও বেশ কিছু আছে যেমন, 0 0 ,<br />
1 ∞ , ∞ − ∞, ∞/∞, 0 × ∞ এবং ∞ 0 . এরাও<br />
আসলে অনেক রকম মান দেয়।<br />
যাহোক আমরা আমাদের ফাংশন f<br />
(x)=(x²-9)/(x-3) এর কাছে ফিরে যাই।<br />
আমরা দেখতে পেলাম এর মান যখন 3<br />
তখন এই ফাংশন আমাদের ০/০ এমন<br />
একটা অনির্ণেয় আকার দিচ্ছে।<br />
কিন্তু এটার মান কত হলে সবচেয়ে<br />
ভালো হতো সেটা কী চিন্তা করা<br />
যায়। চেষ্টা করে দেখা যাক। ৩ তো<br />
ইনপুট দিতে পারি না, ৩ এর খুব<br />
কাছাকছি কোন মান দিয়ে দেখি<br />
কত পাওয়া যায়। আমরা দেখি ,<br />
f(2,999)=5,999<br />
f(2,9999)=5,9999<br />
f(3,001)=6,001<br />
f(3,00001)=6,00001<br />
অর্থাৎ x এর মান ৩ এর কাছাকাছি<br />
কিছু দিলে পুরো ফাংশনের মানটা<br />
৬ এর কাছাকছি থাকছে! আমরা ৩ একটু<br />
আগে থেকে শুরু করে ২,৯৯৯, ২,৯৯৯৯<br />
এভাবে যত ৩ এর দিকে আগাচ্ছি ,<br />
পুরো ফাংশনের মানটা ৫,৯৯৯,৫,৯৯৯৯<br />
এভাবে ৬ এর দিকে আগাচ্ছে।<br />
আবার ৩ এর একটু পর থেকে শুরু করেও<br />
যদি ৩,০০১, ৩,০০০০১ এভাবে আম্রা<br />
একটু করে কমে কমে ৩ এর দিকে সরে<br />
আসি, পুরো ফাংশনের মানটা কমে<br />
কমে সেই ৬ এর দিকেই যাচ্ছে!<br />
এখন আমরা বুঝতে পারছি x এর মান ৩<br />
হলে ফাংশনটার মান কত হওয়া উচিত<br />
ছিল । নিশ্চয়ই ৬। কিন্তু সেটা হতে<br />
পারছে না, কারণ উপরে নিচে শূন্য<br />
হয়ে যাচ্ছে । কিন্তু এই যে আমরা<br />
বুঝতে পারছি যে এটা আর কেউ না ৬<br />
এর দিকেই আগাচ্ছে, এটাকে তো<br />
গণিতবিদেরা অস্বীকার করতে<br />
পারেন না! তাই তারা নতুন এক<br />
গণিতের জন্ম দিলেন। আবিষ্কৃত হলো<br />
লিমিট।<br />
এবার তারা লিখলেন এভাবে<br />
এর মানে হলো x এর মান যখন ৩ এর<br />
‘খুউউউব কাছাকাছি’ পৌঁছাবে তখন<br />
(x²-9)/(x-3) ফাংশনটার মান যার<br />
‘খুউউউব কাছাকাছি’ পৌঁছাবে সে<br />
হলো ৬ । এই কথাটা খুব নিরাপদ কথা ।<br />
আমরা জানি x এর মান সরাসরি ৩<br />
দেয়া যায় না, অনির্ণেয় হয়ে যায়।<br />
৩ এর খুব কাছাকাছি দিতে তো আর<br />
আপত্তি নেই। অর্থাৎ ৩ হলে<br />
ফাংশনের মান কত হয়, সে বিতর্কে<br />
আমরা যাব না , আমরা বলব ৩ এর<br />
কাছে গেলে ফাংশনটা ৬ এর<br />
কাছে যাবে।<br />
এখানে আমরা দেখি যে ৩ এর একটু<br />
আগে থেকে শুরু করে ৩ এর দিকে<br />
গেলেও যেমন ফাংশনটার মান ৬ এর<br />
কাছে যায়, ৩ এর একটু পরে থেকে শুরু<br />
করে কমে কমে ৩ এর কাছে এলেও<br />
ফাংশনটা ঠিক সেই ৬ এর কাছেই<br />
এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে ঘটনাটা<br />
ভালো।<br />
কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্র আছে যখন<br />
এমনভাবেও কোন সুরাহা করা যায়<br />
না। যেমন যদি প্রশ্ন করা হয় x এর যখন ০<br />
তখন g(x)=|x|/x এই ফাংশনের মান কত?<br />
নিশ্চিতভাবেই আমরা দেখতে<br />
পাচ্ছি, উপরে ০ , নিচেও শূন্য, তাই<br />
এটাও অনির্ণেয়। তখন মামাদের<br />
মাথায় আসবে লিমিটের কথা, যে<br />
আমাদেরকে এই রকম ক্ষেত্রগুলোতে<br />
সাহায্য করে। তাহলে আগের মতোই<br />
চিন্তা করি । x এর মান ০ এর একটু আগে<br />
থেকে শুরু করে একবার ০ এর<br />
কাছাকাছি পৌঁছাই আর আরেকবার<br />
০ এর একটু পরে থেকে শুরু করে কমে<br />
কমে ০ এসে পৌঁছাই। দেখি এতে<br />
ফাংশনের মান কেমন পাওয়া যায়।<br />
অর্থাৎ এরা বড়ই বেয়াড়া। শূন্যের<br />
আগের যেকোন সংখ্যার জন্যেই<br />
পাওয়া গেল -১ আর শূন্যের পরের<br />
যেকোন সংখ্যা জন্যে পাওয়া গেল<br />
+১। তার মানে হলো এরা একটা<br />
জায়গায় মিলতে পারল না।<br />
আগেরবার যেমন ৩ এর আগে পরে<br />
দুইখেত্রেই তারা ৬ এই পৌঁছেছিল ,<br />
এখন সেটা হলো না। এই অবস্থায়<br />
আমরা বলি যে এখানে লিমিটের<br />
অস্তিত্ব নেই।<br />
তার মানে সবকিছুরই একটা সীমা<br />
আছে, এটা আসলে ঠিক না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[লিমিট বা সীমা (limit)<br />
————————<br />
ক্যালকুলাস জানতে হলে লিমিট<br />
ভালো করে জানা জরুরী। এখানে<br />
লিমিটের একেবারে প্রাথমিক<br />
কিছু কথা বলা হয়েছে। এটা কী,<br />
কেন এর প্রয়োজন হলো সেটা<br />
কিছুটা বলেছি।<br />
ভিডিও: ক্যালকুলাসের অ-আ-ক-খ:<br />
ভগর ভগর ২ক (calculus 2,1)<br />
ফাংশনঃ<br />
লিমিট বুঝতে গেলে আগে<br />
ফাংশনের ধারণা থাকা দরকার। খুব<br />
সহজ ভাবে বললে ফাংশন একটা<br />
মেশিনের মতো। এখানে কিছু একটা<br />
‘ইনপুট’ দিলে কিছু একটা ‘আউটপুট’<br />
পাওয়া যায়। যেমন কমলার জুস<br />
বানানোর মেশিন। এখানে কমলা<br />
দিলে জুস পাওয়া যায়। যদি এই<br />
মেশিনটার নাম হয় f, আমরা এই<br />
মেশিনটাকে ফাংশনের আকারে<br />
এভাবে লিখতে পারি f<br />
(কমলা)=কমলার জুস, প্রথমে যে f, এটা<br />
হলো ফাংশনের নাম, এটার নাম<br />
আমরা যা খুশি তাই দিতে পারি,<br />
এরপর ব্র্যাকেটের ভিতরে আছে<br />
ইনপুট আর সমান চিহ্নের পরে আছে<br />
আউটপুট। ফাংশনকে আসলে আরও<br />
অনেকভাবে প্রকাশ করা যায়। তবে<br />
এভাবে প্রকাশ আমাদের বার বার<br />
করতে হবে, ক্যালকুলাস জানতে<br />
হলে। তাহলে, যদি একটা ফাংশনকে<br />
আমরা এভাবে লিখি f(x)=x² , সেটা<br />
দিয়ে আমরা বুঝব, এই ফাংশনের<br />
কাজ হলো যাকে পাবে তাকে বর্গ<br />
করবে।<br />
f(-3)=(-3)²=9<br />
f(5)=5²=25 ইত্যাদি।<br />
লিমিটঃ<br />
কিছু কিছু ফাংশন আছে যারা<br />
আমাদেরকে ঝামেলায় ফেলে<br />
দেয়। আমরা যদিও বুঝতে পারি, মান<br />
কত হওয়া ‘উচিত’, কিংবা কত ‘হতে<br />
চলেছে’ কিন্তু জোর দিয়ে বলতে<br />
পারি না। সেই ঝামেলাগুলো<br />
থেকে মুক্তি দিতেই লিমিট<br />
ব্যাপারটার উদ্ভব। যেমন একটা<br />
ফাংশন চিন্তা করা যাক<br />
f(x)=(x²-9)/(x-3)<br />
এই ফাংশনে x এর মান 3 হলে<br />
ফাংশনটার মান কত হবে ? 3 বসালে<br />
উপরেও শূন্য এসে পড়ে , নিচেও শূন্য<br />
এসে পড়ে। ০/০ এর মান কত সেটা<br />
আমরা বলতে পারি না। কারণটা<br />
বোঝা কঠিন নয়। ১৫/৩ কথাটার<br />
মানে হলো ৩ কে কত দিয়ে গুণ করলে<br />
১৫ হয়। কত দিয়ে? ৫ দিয়ে। তাহলে<br />
১৫/৩=৫<br />
২৪/৪ মানে ৪ কে কত দিয়ে গুণ দিলে<br />
২৪ হয়। সেটা কত- ৬। তাহলে ২৪/৪=৬ ।<br />
তাহলে ০/০ মানে হলো ০ কে কত<br />
দিয়ে গুণ দিলে ০ হয়। এখন ০ কে ১<br />
দিয়ে গুণ করলেও ০ হয়, ২ দিয়ে গুণ<br />
করলেও শূন্য হয়, এমন ৩,৪,৫,৬ যা দিয়েই<br />
গুণ করা যাক, শূন্যই হয়। তাহলে ০/০ এর<br />
মান ১,২,৩,৪,৫…সবকিছুই হতে পারে!<br />
কিন্তু সেটা তো ভালো কিছু হলো<br />
না। তাহলে ০/০ এর মান কত আমরা<br />
নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। এমন<br />
০/০ আকারকে বলে অনির্নেয়<br />
(Indeterminate form)। এরকম অনির্নেয়<br />
আকার আরও বেশ কিছু আছে যেমন, 0 0 ,<br />
1 ∞ , ∞ − ∞, ∞/∞, 0 × ∞ এবং ∞ 0 . এরাও<br />
আসলে অনেক রকম মান দেয়।<br />
যাহোক আমরা আমাদের ফাংশন f<br />
(x)=(x²-9)/(x-3) এর কাছে ফিরে যাই।<br />
আমরা দেখতে পেলাম এর মান যখন 3<br />
তখন এই ফাংশন আমাদের ০/০ এমন<br />
একটা অনির্ণেয় আকার দিচ্ছে।<br />
কিন্তু এটার মান কত হলে সবচেয়ে<br />
ভালো হতো সেটা কী চিন্তা করা<br />
যায়। চেষ্টা করে দেখা যাক। ৩ তো<br />
ইনপুট দিতে পারি না, ৩ এর খুব<br />
কাছাকছি কোন মান দিয়ে দেখি<br />
কত পাওয়া যায়। আমরা দেখি ,<br />
f(2,999)=5,999<br />
f(2,9999)=5,9999<br />
f(3,001)=6,001<br />
f(3,00001)=6,00001<br />
অর্থাৎ x এর মান ৩ এর কাছাকাছি<br />
কিছু দিলে পুরো ফাংশনের মানটা<br />
৬ এর কাছাকছি থাকছে! আমরা ৩ একটু<br />
আগে থেকে শুরু করে ২,৯৯৯, ২,৯৯৯৯<br />
এভাবে যত ৩ এর দিকে আগাচ্ছি ,<br />
পুরো ফাংশনের মানটা ৫,৯৯৯,৫,৯৯৯৯<br />
এভাবে ৬ এর দিকে আগাচ্ছে।<br />
আবার ৩ এর একটু পর থেকে শুরু করেও<br />
যদি ৩,০০১, ৩,০০০০১ এভাবে আম্রা<br />
একটু করে কমে কমে ৩ এর দিকে সরে<br />
আসি, পুরো ফাংশনের মানটা কমে<br />
কমে সেই ৬ এর দিকেই যাচ্ছে!<br />
এখন আমরা বুঝতে পারছি x এর মান ৩<br />
হলে ফাংশনটার মান কত হওয়া উচিত<br />
ছিল । নিশ্চয়ই ৬। কিন্তু সেটা হতে<br />
পারছে না, কারণ উপরে নিচে শূন্য<br />
হয়ে যাচ্ছে । কিন্তু এই যে আমরা<br />
বুঝতে পারছি যে এটা আর কেউ না ৬<br />
এর দিকেই আগাচ্ছে, এটাকে তো<br />
গণিতবিদেরা অস্বীকার করতে<br />
পারেন না! তাই তারা নতুন এক<br />
গণিতের জন্ম দিলেন। আবিষ্কৃত হলো<br />
লিমিট।<br />
এবার তারা লিখলেন এভাবে<br />
এর মানে হলো x এর মান যখন ৩ এর<br />
‘খুউউউব কাছাকাছি’ পৌঁছাবে তখন<br />
(x²-9)/(x-3) ফাংশনটার মান যার<br />
‘খুউউউব কাছাকাছি’ পৌঁছাবে সে<br />
হলো ৬ । এই কথাটা খুব নিরাপদ কথা ।<br />
আমরা জানি x এর মান সরাসরি ৩<br />
দেয়া যায় না, অনির্ণেয় হয়ে যায়।<br />
৩ এর খুব কাছাকাছি দিতে তো আর<br />
আপত্তি নেই। অর্থাৎ ৩ হলে<br />
ফাংশনের মান কত হয়, সে বিতর্কে<br />
আমরা যাব না , আমরা বলব ৩ এর<br />
কাছে গেলে ফাংশনটা ৬ এর<br />
কাছে যাবে।<br />
এখানে আমরা দেখি যে ৩ এর একটু<br />
আগে থেকে শুরু করে ৩ এর দিকে<br />
গেলেও যেমন ফাংশনটার মান ৬ এর<br />
কাছে যায়, ৩ এর একটু পরে থেকে শুরু<br />
করে কমে কমে ৩ এর কাছে এলেও<br />
ফাংশনটা ঠিক সেই ৬ এর কাছেই<br />
এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে ঘটনাটা<br />
ভালো।<br />
কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্র আছে যখন<br />
এমনভাবেও কোন সুরাহা করা যায়<br />
না। যেমন যদি প্রশ্ন করা হয় x এর যখন ০<br />
তখন g(x)=|x|/x এই ফাংশনের মান কত?<br />
নিশ্চিতভাবেই আমরা দেখতে<br />
পাচ্ছি, উপরে ০ , নিচেও শূন্য, তাই<br />
এটাও অনির্ণেয়। তখন মামাদের<br />
মাথায় আসবে লিমিটের কথা, যে<br />
আমাদেরকে এই রকম ক্ষেত্রগুলোতে<br />
সাহায্য করে। তাহলে আগের মতোই<br />
চিন্তা করি । x এর মান ০ এর একটু আগে<br />
থেকে শুরু করে একবার ০ এর<br />
কাছাকাছি পৌঁছাই আর আরেকবার<br />
০ এর একটু পরে থেকে শুরু করে কমে<br />
কমে ০ এসে পৌঁছাই। দেখি এতে<br />
ফাংশনের মান কেমন পাওয়া যায়।<br />
অর্থাৎ এরা বড়ই বেয়াড়া। শূন্যের<br />
আগের যেকোন সংখ্যার জন্যেই<br />
পাওয়া গেল -১ আর শূন্যের পরের<br />
যেকোন সংখ্যা জন্যে পাওয়া গেল<br />
+১। তার মানে হলো এরা একটা<br />
জায়গায় মিলতে পারল না।<br />
আগেরবার যেমন ৩ এর আগে পরে<br />
দুইখেত্রেই তারা ৬ এই পৌঁছেছিল ,<br />
এখন সেটা হলো না। এই অবস্থায়<br />
আমরা বলি যে এখানে লিমিটের<br />
অস্তিত্ব নেই।<br />
তার মানে সবকিছুরই একটা সীমা<br />
আছে, এটা আসলে ঠিক না।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Chemistry এর পর্যায় সারনি মনে রাখার উপায়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1770</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:18:00 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1770</guid>
			<description><![CDATA[Chemistry এর পর্যায় সারনি মনে রাখার উপায়<br />
পর্যায় সারনী মনে রাখার টিপস<br />
আমার এই টিউনটা অনেকের কাজে<br />
লাগবে।<br />
Chemistry একটা কঠিন এবং একই সাথে<br />
মজার subject.<br />
Chemistry এর পুরো পযায় সারনি মনে<br />
রাখার একটা উপায় দেওয়া হল।<br />
Group 1(A) এর মৌল<br />
লি না কে রুবি ছেচে ফেলেছে।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Li Na K<br />
Rb Cs Fr<br />
Group 2(A) এর মৌল<br />
বিরানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে<br />
বাটিতে রাখ।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Be Mg Ca<br />
Sr Ba Ra<br />
Group 3(A) এর মৌল<br />
বো আল গেল ইন্ডিয়া ও<br />
থাইল্যান্ডে<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= B Al Ga IN<br />
TL<br />
Group 4(A) এর মৌল<br />
কামাল শীঘ্রই জিনিয়াস স্টুডেন্ট<br />
পাবে<br />
যেইমৌলগুলো indicate করে= C Si Ge<br />
Sn Pb<br />
Group 5(A) এর মৌল<br />
নাগ পুর এসে সবুজ বিষ্মিত হল<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= N P As Sb<br />
Bi<br />
Group 6(A) এর মৌল<br />
ও এস এসসি তে পড়ে<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= O S Se Te<br />
Po]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Chemistry এর পর্যায় সারনি মনে রাখার উপায়<br />
পর্যায় সারনী মনে রাখার টিপস<br />
আমার এই টিউনটা অনেকের কাজে<br />
লাগবে।<br />
Chemistry একটা কঠিন এবং একই সাথে<br />
মজার subject.<br />
Chemistry এর পুরো পযায় সারনি মনে<br />
রাখার একটা উপায় দেওয়া হল।<br />
Group 1(A) এর মৌল<br />
লি না কে রুবি ছেচে ফেলেছে।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Li Na K<br />
Rb Cs Fr<br />
Group 2(A) এর মৌল<br />
বিরানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে<br />
বাটিতে রাখ।<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= Be Mg Ca<br />
Sr Ba Ra<br />
Group 3(A) এর মৌল<br />
বো আল গেল ইন্ডিয়া ও<br />
থাইল্যান্ডে<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= B Al Ga IN<br />
TL<br />
Group 4(A) এর মৌল<br />
কামাল শীঘ্রই জিনিয়াস স্টুডেন্ট<br />
পাবে<br />
যেইমৌলগুলো indicate করে= C Si Ge<br />
Sn Pb<br />
Group 5(A) এর মৌল<br />
নাগ পুর এসে সবুজ বিষ্মিত হল<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= N P As Sb<br />
Bi<br />
Group 6(A) এর মৌল<br />
ও এস এসসি তে পড়ে<br />
যেই মৌলগুলো indicate করে= O S Se Te<br />
Po]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আসুন কিছু জনপ্রিয় অংক শিখি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1769</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:16:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1769</guid>
			<description><![CDATA[আসুন কিছু জনপ্রিয় অংক শিখি<br />
অংক সবখানেই কাজে লাগে।<br />
জীবনের অংক না মিললে যেমন জীবন<br />
হয়ে উঠে এলমেল তেমনি পরীক্ষায়<br />
অংক না মিললে ভাগ্যে আসে<br />
ঘোড়ার ডিম। জীবনে বহুবার সেই<br />
ক্লাস ওয়ান থেকে এস এস সি পর্যন্ত<br />
কিছু জনপ্রিয় অংক শিখে এসেছি<br />
কিন্তু এখন ভুলে গেছি। আসুন সেই সব<br />
অংক এখন আর একবার শিখে নেই।<br />
১। বানর আর তৈলাক্ত বাঁশের অংকঃ<br />
ক) ৪৮ মিটার লম্বা একটি তৈলাক্ত<br />
বাঁশ<br />
বেয়ে একটি বানর ১ মিনিটে ৮<br />
মিটার<br />
উঠলে পরবর্তী ১মিনিটে ৫ মিটার<br />
পিছলে নেমে আসে। বাঁশের মাথায়<br />
উঠতে বানরের কত সময় লাগবে।<br />
খ) ৯২ ফুট লম্বা একটি তৈলাক্ত বাঁশ<br />
বেয়ে একটি বানর ১ মিনিটে ১২ ফুট<br />
উঠলে পরবর্তী ১মিনিটে ৮ ফুট পিছলে<br />
নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে<br />
বানরের কত সময় লাগবে।<br />
গ) ২০ গজ লম্বা একটি তৈলাক্ত বাঁশ<br />
বেয়ে একটি বানর ১ মিনিটে ৪ ফুট<br />
উঠলে পরবর্তী ১মিনিটে ৩ ফুট পিছলে<br />
নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে<br />
বানরের কত সময় লাগবে।<br />
@সমাধানঃ খুব সহজে এই অংক গুলির<br />
সমাধান করে ফেলুন।<br />
খ)@১ম ধাপঃ শেষ ১২ ফুট উঠে বানর আর<br />
যেহেতু পিছলে নামবে না সেহেতু<br />
বানরকে মোট উঠতে হবেঃ ৯২-১২=৮০<br />
ফুট<br />
@২য় ধাপঃ এখন তা হলে প্রতি ২<br />
মিনিটে বানরের উপরে উঠার গতিঃ<br />
১২-৮=৪ফুট<br />
@৩য় ধাপঃ এবার ঐকিক নিয়মে ৮০<br />
মিটার উঠতে সময় কত লাগে<br />
৪ ফুট উঠতে সময় লাগে ২ মিনিট<br />
৮০ফুট উঠতে সময় লাগে (২*৮০)/৪<br />
মিনিট=৪০ মিনিটে<br />
@৪র্থ ধাপঃ আর বাকি ১২ ফুট উঠতে সময়<br />
লাগে ১ মিনিট<br />
@৫ম ধাপঃ মোট সময়ঃ ৪০+১=৪১ মিনিট<br />
@@এবার সহজে মনে রাখার নিয়মঃ<br />
উঠতে হবেঃ৯২-১২=৮০ফুট,<br />
প্রতি২ মিনিটে উঠেঃ১২-৮=৪ ফুট,<br />
৪ফুট উঠতে সময় ২ মিনিট,<br />
৮০ফুট উঠতে(২*৮০)/৪=৪০ ,<br />
১২ফুট উঠতে সময় ১মিনিট,<br />
মোটঃ৪১ মিনিট<br />
&gt;&gt; এবার ক ও গ করে ফেলুন, আর দক্ষতা<br />
বাড়ান।<br />
২। বহুভুজ সংক্রান্ত<br />
ক) একটি সুষম বহুভুজের একটি আন্তঃকোন<br />
১৩৫ ডিগ্রি হলে এর বাহুর সংখ্যা কত।<br />
খ) একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেক<br />
আন্তঃকোন ১৬২ ডিগ্রি হলে এর বাহুর<br />
সংখ্যা কত।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
ক)&gt;সুষম বহুভুজের আন্তঃকোন = ১৮০*(ক-২)/<br />
ক(180*n-2/n) [ এখানে ক/n= কোনের<br />
মান]<br />
শর্তমতে,১৮০*(ক-২)/ক= ১৩৫<br />
বা, ১৮০ক – ৩৬০ = ১৩৫ক<br />
বা, ১৮০ক – ১৩৫ক = ৩৬০<br />
বা,ক = ৮<br />
&gt;&gt; এবার খ টা করে ফেলুন।<br />
৩। পিতা পুত্রের ও মাতা কন্যার বয়স<br />
ক)বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের<br />
তিনগুন ।১২ বছর পর পিতার বয়স পুত্রের<br />
বয়সের দ্বিগুণ হবে। বর্তমানে পিতার<br />
বয়স কত।<br />
খ)বর্তমানে মাতার বয়স কন্যার বয়সের<br />
তিনগুন ।৬ বছর আগে মাতার বয়স কন্যার<br />
বয়সের পাচগুন ছিল। বর্তমানে কন্যার<br />
বয়স কত।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
ক) Father Age= FFro(Nrd/FCrd)T<br />
&gt; FFro—First Father’s Ratio,Nrd—New ratio<br />
Difference, FSCrd—Father Son Cross ratio<br />
Difference(3*1-2*1=3-2),T— Time<br />
F : S<br />
3 : 1<br />
2 : 1<br />
Father age= 3[(2-1)/3-2]12 =36 (3*1-2*1=3-2)<br />
@@মনে রাখা উচিত যে, যার বয়স বের<br />
করতে হবে তার রেশিও নিয়ে কাজ<br />
করতে হবে।<br />
এখন পুত্রর বয়স= ১[(২-১)/৩-২]১২ =১২<br />
সুত্র টা হবে:Son Age= FSro(Nrd/FSCrd)T সব<br />
একই শুধু ছেলের FSro— First Son’s Ratio<br />
বসাতে হবে।<br />
&gt;&gt;এ বার খ অংক তা করে ফেলুন।<br />
৪। ট্রেনের অংক<br />
ক) একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৪৫ কিমি বেগে<br />
১০০ মিটার দৈর্ঘ একটি প্লাটফর্ম ৬০<br />
সেকেন্ডে অতিক্রম করল। ট্রেনের<br />
দৈর্ঘ<br />
কত।<br />
খ) একটি ৬৭ মিটার লম্বা ট্রেন ঘণ্টায়<br />
৪৫ কিমি বেগে ১৩১ মিটার দৈর্ঘ<br />
একটি প্লাটফর্ম অতিক্রম করল। ট্রেনের<br />
প্লাটফর্ম অতিক্রম করতে কত সময়<br />
লেগেছে।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
&gt;&gt; অতিক্রম করার সময়,T=(LT + LP)/S<br />
&gt;T—Time, LT—Length of Train , LP—- Length<br />
of<br />
Platform ,S—Speed of Train<br />
খ) T=(LT + LP)/S = (67+131)/45*(5/1<br />
=15.84sec<br />
@@ কিমি/ঘণ্টা কে মিটার/<br />
সেকেন্ডে<br />
পরিণত করতে( ১০০০/৩৬০০ এর ভগ্নাং<br />
৫/১৮) দ্বারা গুন।<br />
&gt;&gt;এ বার ক অংক তা করে ফেলুন।<br />
৫। চৌবাচ্চার অংক<br />
ক) একটি খালি চৌবাচ্চার একটি<br />
পাইপ<br />
খুলে দিলে ৩০ মিনিটে পূর্ণ হয়। অপর<br />
একটি পাইপ খুলে দিলে ৪০ মিনিটে<br />
খালি হয়।খালি চৌবাচ্চায় একই<br />
সাথে দুই পাইপ খুলে দিলে চৌবাচ্চা<br />
পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে।<br />
খ) একটি খালি চৌবাচ্চার একটি<br />
পাইপ<br />
খুলে দিলে ৩০ মিনিটে পূর্ণ হয়। অপর<br />
একটি পাইপ খুলে দিলে ৪০ মিনিটে<br />
পূর্ণ হয়।খালি চৌবাচ্চায় একই সাথে<br />
দুই<br />
পাইপ খুলে দিলে চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে<br />
কত সময় লাগবে।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
ক)ক এর ক্ষেত্রে একটি দিয়ে পূর্ণ ও<br />
একটি দিয়ে খালি। তাই সুত্র হবে।ফুল<br />
হতে সময় নিবে,T=(ET*FT)/(ET-FT)<br />
&gt;T—Time, ET— Empty of Time, FT— Full of<br />
Time<br />
খ)খ তে দুটি দ্বারাই পূর্ণ হবেতাই সুত্র<br />
হবে—<br />
&gt;&gt;T=(FT1*FT2)/(FT1+FT2)<br />
&gt;&gt;T—Time, FT1— Full of Time1,FT2— Full of<br />
Time2]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আসুন কিছু জনপ্রিয় অংক শিখি<br />
অংক সবখানেই কাজে লাগে।<br />
জীবনের অংক না মিললে যেমন জীবন<br />
হয়ে উঠে এলমেল তেমনি পরীক্ষায়<br />
অংক না মিললে ভাগ্যে আসে<br />
ঘোড়ার ডিম। জীবনে বহুবার সেই<br />
ক্লাস ওয়ান থেকে এস এস সি পর্যন্ত<br />
কিছু জনপ্রিয় অংক শিখে এসেছি<br />
কিন্তু এখন ভুলে গেছি। আসুন সেই সব<br />
অংক এখন আর একবার শিখে নেই।<br />
১। বানর আর তৈলাক্ত বাঁশের অংকঃ<br />
ক) ৪৮ মিটার লম্বা একটি তৈলাক্ত<br />
বাঁশ<br />
বেয়ে একটি বানর ১ মিনিটে ৮<br />
মিটার<br />
উঠলে পরবর্তী ১মিনিটে ৫ মিটার<br />
পিছলে নেমে আসে। বাঁশের মাথায়<br />
উঠতে বানরের কত সময় লাগবে।<br />
খ) ৯২ ফুট লম্বা একটি তৈলাক্ত বাঁশ<br />
বেয়ে একটি বানর ১ মিনিটে ১২ ফুট<br />
উঠলে পরবর্তী ১মিনিটে ৮ ফুট পিছলে<br />
নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে<br />
বানরের কত সময় লাগবে।<br />
গ) ২০ গজ লম্বা একটি তৈলাক্ত বাঁশ<br />
বেয়ে একটি বানর ১ মিনিটে ৪ ফুট<br />
উঠলে পরবর্তী ১মিনিটে ৩ ফুট পিছলে<br />
নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে<br />
বানরের কত সময় লাগবে।<br />
@সমাধানঃ খুব সহজে এই অংক গুলির<br />
সমাধান করে ফেলুন।<br />
খ)@১ম ধাপঃ শেষ ১২ ফুট উঠে বানর আর<br />
যেহেতু পিছলে নামবে না সেহেতু<br />
বানরকে মোট উঠতে হবেঃ ৯২-১২=৮০<br />
ফুট<br />
@২য় ধাপঃ এখন তা হলে প্রতি ২<br />
মিনিটে বানরের উপরে উঠার গতিঃ<br />
১২-৮=৪ফুট<br />
@৩য় ধাপঃ এবার ঐকিক নিয়মে ৮০<br />
মিটার উঠতে সময় কত লাগে<br />
৪ ফুট উঠতে সময় লাগে ২ মিনিট<br />
৮০ফুট উঠতে সময় লাগে (২*৮০)/৪<br />
মিনিট=৪০ মিনিটে<br />
@৪র্থ ধাপঃ আর বাকি ১২ ফুট উঠতে সময়<br />
লাগে ১ মিনিট<br />
@৫ম ধাপঃ মোট সময়ঃ ৪০+১=৪১ মিনিট<br />
@@এবার সহজে মনে রাখার নিয়মঃ<br />
উঠতে হবেঃ৯২-১২=৮০ফুট,<br />
প্রতি২ মিনিটে উঠেঃ১২-৮=৪ ফুট,<br />
৪ফুট উঠতে সময় ২ মিনিট,<br />
৮০ফুট উঠতে(২*৮০)/৪=৪০ ,<br />
১২ফুট উঠতে সময় ১মিনিট,<br />
মোটঃ৪১ মিনিট<br />
&gt;&gt; এবার ক ও গ করে ফেলুন, আর দক্ষতা<br />
বাড়ান।<br />
২। বহুভুজ সংক্রান্ত<br />
ক) একটি সুষম বহুভুজের একটি আন্তঃকোন<br />
১৩৫ ডিগ্রি হলে এর বাহুর সংখ্যা কত।<br />
খ) একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেক<br />
আন্তঃকোন ১৬২ ডিগ্রি হলে এর বাহুর<br />
সংখ্যা কত।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
ক)&gt;সুষম বহুভুজের আন্তঃকোন = ১৮০*(ক-২)/<br />
ক(180*n-2/n) [ এখানে ক/n= কোনের<br />
মান]<br />
শর্তমতে,১৮০*(ক-২)/ক= ১৩৫<br />
বা, ১৮০ক – ৩৬০ = ১৩৫ক<br />
বা, ১৮০ক – ১৩৫ক = ৩৬০<br />
বা,ক = ৮<br />
&gt;&gt; এবার খ টা করে ফেলুন।<br />
৩। পিতা পুত্রের ও মাতা কন্যার বয়স<br />
ক)বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের<br />
তিনগুন ।১২ বছর পর পিতার বয়স পুত্রের<br />
বয়সের দ্বিগুণ হবে। বর্তমানে পিতার<br />
বয়স কত।<br />
খ)বর্তমানে মাতার বয়স কন্যার বয়সের<br />
তিনগুন ।৬ বছর আগে মাতার বয়স কন্যার<br />
বয়সের পাচগুন ছিল। বর্তমানে কন্যার<br />
বয়স কত।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
ক) Father Age= FFro(Nrd/FCrd)T<br />
&gt; FFro—First Father’s Ratio,Nrd—New ratio<br />
Difference, FSCrd—Father Son Cross ratio<br />
Difference(3*1-2*1=3-2),T— Time<br />
F : S<br />
3 : 1<br />
2 : 1<br />
Father age= 3[(2-1)/3-2]12 =36 (3*1-2*1=3-2)<br />
@@মনে রাখা উচিত যে, যার বয়স বের<br />
করতে হবে তার রেশিও নিয়ে কাজ<br />
করতে হবে।<br />
এখন পুত্রর বয়স= ১[(২-১)/৩-২]১২ =১২<br />
সুত্র টা হবে:Son Age= FSro(Nrd/FSCrd)T সব<br />
একই শুধু ছেলের FSro— First Son’s Ratio<br />
বসাতে হবে।<br />
&gt;&gt;এ বার খ অংক তা করে ফেলুন।<br />
৪। ট্রেনের অংক<br />
ক) একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৪৫ কিমি বেগে<br />
১০০ মিটার দৈর্ঘ একটি প্লাটফর্ম ৬০<br />
সেকেন্ডে অতিক্রম করল। ট্রেনের<br />
দৈর্ঘ<br />
কত।<br />
খ) একটি ৬৭ মিটার লম্বা ট্রেন ঘণ্টায়<br />
৪৫ কিমি বেগে ১৩১ মিটার দৈর্ঘ<br />
একটি প্লাটফর্ম অতিক্রম করল। ট্রেনের<br />
প্লাটফর্ম অতিক্রম করতে কত সময়<br />
লেগেছে।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
&gt;&gt; অতিক্রম করার সময়,T=(LT + LP)/S<br />
&gt;T—Time, LT—Length of Train , LP—- Length<br />
of<br />
Platform ,S—Speed of Train<br />
খ) T=(LT + LP)/S = (67+131)/45*(5/1<br />
=15.84sec<br />
@@ কিমি/ঘণ্টা কে মিটার/<br />
সেকেন্ডে<br />
পরিণত করতে( ১০০০/৩৬০০ এর ভগ্নাং<br />
৫/১৮) দ্বারা গুন।<br />
&gt;&gt;এ বার ক অংক তা করে ফেলুন।<br />
৫। চৌবাচ্চার অংক<br />
ক) একটি খালি চৌবাচ্চার একটি<br />
পাইপ<br />
খুলে দিলে ৩০ মিনিটে পূর্ণ হয়। অপর<br />
একটি পাইপ খুলে দিলে ৪০ মিনিটে<br />
খালি হয়।খালি চৌবাচ্চায় একই<br />
সাথে দুই পাইপ খুলে দিলে চৌবাচ্চা<br />
পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে।<br />
খ) একটি খালি চৌবাচ্চার একটি<br />
পাইপ<br />
খুলে দিলে ৩০ মিনিটে পূর্ণ হয়। অপর<br />
একটি পাইপ খুলে দিলে ৪০ মিনিটে<br />
পূর্ণ হয়।খালি চৌবাচ্চায় একই সাথে<br />
দুই<br />
পাইপ খুলে দিলে চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে<br />
কত সময় লাগবে।<br />
@@ সমাধানঃ শুধু একটি সুত্র মনে রাখুন।<br />
ক)ক এর ক্ষেত্রে একটি দিয়ে পূর্ণ ও<br />
একটি দিয়ে খালি। তাই সুত্র হবে।ফুল<br />
হতে সময় নিবে,T=(ET*FT)/(ET-FT)<br />
&gt;T—Time, ET— Empty of Time, FT— Full of<br />
Time<br />
খ)খ তে দুটি দ্বারাই পূর্ণ হবেতাই সুত্র<br />
হবে—<br />
&gt;&gt;T=(FT1*FT2)/(FT1+FT2)<br />
&gt;&gt;T—Time, FT1— Full of Time1,FT2— Full of<br />
Time2]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[TIPS] জেনে নিন , খুব সহজে খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1768</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:14:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1768</guid>
			<description><![CDATA[[TIPS] জেনে নিন , খুব সহজে খুশকি দূর করার ঘরোয়া<br />
উপায়!<br />
অনেকের চুলে সারাবছরই খুশকির উপদ্রব<br />
দেখা যায়। এর মূল কারণ হচ্ছে রুক্ষ<br />
আবহাওয়া এবং ধুলোবালি যা মাথার<br />
ত্বকে<br />
খুশকির উপদ্রব বাড়ায়। খুশকি থেকে<br />
রেহাই<br />
পেতে বাজারে নানান ধরনের শ্যাম্পু<br />
ও<br />
লোশন পাওয়া যায়। তবে খুশকির উপদ্রব<br />
দ্রুত<br />
দূর করার রয়েছে বেশ কিছু কার্যকরী<br />
ঘরোয়া উপায়। একটু সময় বের করে নিয়ে<br />
এই<br />
পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন<br />
যন্ত্রণাদায়ক খুশকির হাত থেকে।<br />
১. লেবুর রস:দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস<br />
অল্প<br />
পানির সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট<br />
ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিতে হবে।<br />
খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া<br />
পর্যন্ত<br />
এইভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।<br />
২. নারিকেল তেল:নারিকেল তেল<br />
খুশকির<br />
প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।<br />
তাছাড়া<br />
চুলে গোড়ায় ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি<br />
এবং<br />
চুলকানি থেকে রেহাই পেতে<br />
সাহায্য করবে<br />
নারিকেল তেল। মাথার ত্বকে<br />
নারিকেল<br />
তেলও লেবুর রসের মিশ্রণ ম্যাসাজ করে<br />
২০<br />
মিনিট পরে ভালো করে চুল ধুয়ে<br />
ফেলুন। এটি<br />
সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।<br />
৩. জলপাই তেল:মাথার ত্বকে আর্দ্রতা<br />
ধরে<br />
রাখতে চুলের গোড়ায় খুব<br />
ভালোভাবে<br />
জলপাই তেল ম্যাসাজ করুন। এতে চুলের<br />
গোড়ায় জমে থাকা খুশকি আলগা হয়ে<br />
আসবে। একটু গরম করে মাথার ত্বকে<br />
লাগাবেন ও ঘন্টাখানেক পর ধুয়ে<br />
ফেলুন।<br />
৪. তুলসী ও আমলকির মিশ্রণ: কয়েকটি<br />
তুলসী<br />
পাতা নিয়ে আমলকী পাউডারের<br />
সঙ্গে<br />
মিশিয়ে ভালো করে পেস্ট করে নিন।<br />
তিন<br />
মিনিট এই পেস্ট মাথার ত্বকে<br />
লাগিয়ে ধুয়ে<br />
ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ চুলের ত্বকে<br />
পুষ্টি<br />
জোগায় এবং খুশকি কমাতে সাহায্য<br />
করে।<br />
৫. আপেল সাইডার ভিনেগার:কুসুম গরম<br />
পানিতে অল্প আপেল সাইডার<br />
ভিনেগার<br />
মিশিয়ে নিন। পুরো চুল এই মিশ্রণে<br />
ভিজিয়ে<br />
কিছুক্ষণ আলতো হাতে মাথার ত্বকে<br />
ঘষে<br />
নিতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে<br />
গোসলের আট থেকে দশ ঘণ্টা আগে<br />
যেন<br />
চুলে অাপেল সাইডার ভিনেগার<br />
ব্যবহার<br />
করা হয়।<br />
৬. বেকিং সোডা:এক কাপ কুসুম গরম<br />
পানিতে এক টেবিল-চামচ বেকিং<br />
সোডা<br />
মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন শ্যাম্পুর বদলে<br />
এই<br />
মিশ্রণ ব্যবহার করে চুল পরিষ্কার করতে<br />
হবে। তবে চাইলে প্রতিদিনই ব্যবহার<br />
করতে<br />
পারেন। আর যদি শ্যাম্পুই ব্যবহার করতে<br />
হয়<br />
তাহলে শ্যাম্পুর সঙ্গে খানিকটা<br />
বেকিং<br />
সোডা মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করুন।<br />
বেকিং<br />
সোডা খুশকি প্রতিরোধে বেশ<br />
কার্যকর।<br />
৭. দই:খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে দই খুব<br />
কার্যকরী। খুশকি দূর করতে দই মাথার<br />
ত্বকে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট<br />
রেখে<br />
ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।<br />
৮. অ্যালোভেরা:চুল ধোয়ার ১৫ মিনিট<br />
আগে<br />
মাথার ত্বকে অ্যালো ভেরা জেল<br />
মালিশের<br />
পর চুল শ্যাম্পু করে পরিষ্কার করুন।<br />
৯. রসুন:খুশকি দূর করার জন্য রসুনও বেশ<br />
কার্যকরী। রসুন পেস্ট করে চুলে ৩০<br />
মিনিট<br />
রাখার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
১০.লবণ:তিন চামচ লবণ মাথার শুষ্ক ত্বকে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিতে<br />
হবে দু’তিন<br />
মিনিট। এরপরই চুলে শ্যাম্পু করে চুল<br />
পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।<br />
১১.বিট এবং আদার পেস্ট:খানিকটা<br />
আদা<br />
এবং বিট নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে<br />
পেস্ট<br />
করে নিন। প্রতি রাতে মাথায় এই<br />
মিশ্রণ<br />
লাগিয়ে মালিশ করতে হবে। সকালে<br />
চুল ধুয়ে<br />
ফেলতে হবে।<br />
১২.রিঠা: চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে<br />
রিঠার<br />
জুরি নেই। তেমনি খুশকি দূর করতেও এটি<br />
বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার চুলের<br />
ত্বকে<br />
লাগিয়ে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে<br />
ভালোমতো<br />
ধুয়ে ফেলুন।<br />
১৩.পেয়াজের রস:দুটো পেয়াজের রস<br />
নিয়ে<br />
এক মগ পানিতে মিশিয়ে নিন। মাথায়<br />
এই রস<br />
ভালো করে লাগিয়ে মালিশ করুন।<br />
কিছুক্ষণ<br />
পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
১৪.নিমের রস: মাথার খুশকি তাড়তে<br />
নিম<br />
অত্যন্ত উপযোগী। নিমের রস বা নিম<br />
পাতার<br />
পেস্ট বানিয়ে মাথায় লাগান।<br />
কিছুক্ষণ পর<br />
ধুয়ে ফেলুন। খুশকি তাড়ানোর<br />
পাশাপাশি<br />
চুলে পুষ্টি জোগাবে।<br />
১৫. মেথি: মেথি সারারাত পানিতে<br />
ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে<br />
নিয়ে বেটে<br />
নিন। ছেঁকে নেয়া পানি ফেলে<br />
দেবেন না।<br />
এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের<br />
গোঁড়ায়<br />
মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে<br />
নিন।<br />
৩-৪ ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে<br />
ফেলুন।<br />
চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা<br />
পানি<br />
দিয়ে সব শেষে চুল ধুয়ে নিন।<br />
ছেলেরা অতি সহজে খুশকি দূর করতে<br />
যা<br />
করবেন!<br />
খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকেন<br />
অধিকাংশ<br />
পুরুষেরাই। সঠিক যত্নের অভাবে<br />
পুরোপুরি<br />
খুশকি দূর করা সম্ভব হয় না সবসময়। কর্মব্যস্ত<br />
দিনের মাঝেই খানিকটা সময় করে যত্ন<br />
নিতে হবে চুল ও স্ক্যাল্পের। তবেই<br />
খুশকির<br />
যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন<br />
দেখে নেয়া যাক খুশকি দূর করার সঠিক<br />
উপায়-<br />
১. একটি কাপে এক কাপ পরিমাপ গরম<br />
পানিতে এক কাপ হোয়াইট ভিনেগার<br />
নিয়ে<br />
ভালোভাবে মিশান। এবার এই মিশ্রণ<br />
নিয়ে<br />
চুলের গোঁড়ায় সুন্দর করে লাগিয়ে<br />
নিন। ১০<br />
থেকে ২০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি<br />
দিয়ে<br />
মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে<br />
একবার<br />
এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুশকি কমে<br />
আসবে।<br />
২. এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল<br />
চামচ<br />
বেকিং সোডা নিয়ে ভালোভাবে<br />
মেশান<br />
(বোতলে নিয়ে ঝাকিয়ে মেশাতে<br />
পারেন।)<br />
শ্যাম্পু করার আগে বা শ্যাম্পুর সাথে<br />
মিশ্রণটি মিশিয়ে নিয়ে<br />
ভালোভাবে চুল<br />
শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি<br />
অনুসরণ করুন।<br />
৩. পরিমাণ মতো নিমপাতা ও গরম<br />
পানি<br />
নিন। তারপর পানিতে নিমপাতা<br />
সারারাত<br />
ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন সকালে এই<br />
পানি<br />
দিয়ে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন।<br />
এভাবে<br />
কিছুদিন ব্যবহার করলে খুশকি কমে<br />
যাবে।<br />
৪. মাথার ত্বকে পরিমাণ মতো লেবুর রস<br />
নিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ৫<br />
থেকে ৭<br />
মিনিট রাখুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস<br />
ও ১<br />
কাপ পানি মিশিয়ে সেটা দিয়ে<br />
মাথা ধুয়ে<br />
ফেলুন। যতদিন খুশকি পুরোপুরি না যায়<br />
ততদিন এভাবে ব্যবহার করুন।<br />
৫. পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল<br />
মাথার<br />
ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুধু পানি<br />
দিয়ে<br />
চুল ধুয়ে নিন। এরপর আরো ১৫ মিনিট পর<br />
চুল<br />
শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাসে দুইবার ব্যবহার<br />
করুন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[[TIPS] জেনে নিন , খুব সহজে খুশকি দূর করার ঘরোয়া<br />
উপায়!<br />
অনেকের চুলে সারাবছরই খুশকির উপদ্রব<br />
দেখা যায়। এর মূল কারণ হচ্ছে রুক্ষ<br />
আবহাওয়া এবং ধুলোবালি যা মাথার<br />
ত্বকে<br />
খুশকির উপদ্রব বাড়ায়। খুশকি থেকে<br />
রেহাই<br />
পেতে বাজারে নানান ধরনের শ্যাম্পু<br />
ও<br />
লোশন পাওয়া যায়। তবে খুশকির উপদ্রব<br />
দ্রুত<br />
দূর করার রয়েছে বেশ কিছু কার্যকরী<br />
ঘরোয়া উপায়। একটু সময় বের করে নিয়ে<br />
এই<br />
পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন<br />
যন্ত্রণাদায়ক খুশকির হাত থেকে।<br />
১. লেবুর রস:দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস<br />
অল্প<br />
পানির সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট<br />
ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিতে হবে।<br />
খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া<br />
পর্যন্ত<br />
এইভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।<br />
২. নারিকেল তেল:নারিকেল তেল<br />
খুশকির<br />
প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।<br />
তাছাড়া<br />
চুলে গোড়ায় ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি<br />
এবং<br />
চুলকানি থেকে রেহাই পেতে<br />
সাহায্য করবে<br />
নারিকেল তেল। মাথার ত্বকে<br />
নারিকেল<br />
তেলও লেবুর রসের মিশ্রণ ম্যাসাজ করে<br />
২০<br />
মিনিট পরে ভালো করে চুল ধুয়ে<br />
ফেলুন। এটি<br />
সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।<br />
৩. জলপাই তেল:মাথার ত্বকে আর্দ্রতা<br />
ধরে<br />
রাখতে চুলের গোড়ায় খুব<br />
ভালোভাবে<br />
জলপাই তেল ম্যাসাজ করুন। এতে চুলের<br />
গোড়ায় জমে থাকা খুশকি আলগা হয়ে<br />
আসবে। একটু গরম করে মাথার ত্বকে<br />
লাগাবেন ও ঘন্টাখানেক পর ধুয়ে<br />
ফেলুন।<br />
৪. তুলসী ও আমলকির মিশ্রণ: কয়েকটি<br />
তুলসী<br />
পাতা নিয়ে আমলকী পাউডারের<br />
সঙ্গে<br />
মিশিয়ে ভালো করে পেস্ট করে নিন।<br />
তিন<br />
মিনিট এই পেস্ট মাথার ত্বকে<br />
লাগিয়ে ধুয়ে<br />
ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ চুলের ত্বকে<br />
পুষ্টি<br />
জোগায় এবং খুশকি কমাতে সাহায্য<br />
করে।<br />
৫. আপেল সাইডার ভিনেগার:কুসুম গরম<br />
পানিতে অল্প আপেল সাইডার<br />
ভিনেগার<br />
মিশিয়ে নিন। পুরো চুল এই মিশ্রণে<br />
ভিজিয়ে<br />
কিছুক্ষণ আলতো হাতে মাথার ত্বকে<br />
ঘষে<br />
নিতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে<br />
গোসলের আট থেকে দশ ঘণ্টা আগে<br />
যেন<br />
চুলে অাপেল সাইডার ভিনেগার<br />
ব্যবহার<br />
করা হয়।<br />
৬. বেকিং সোডা:এক কাপ কুসুম গরম<br />
পানিতে এক টেবিল-চামচ বেকিং<br />
সোডা<br />
মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন শ্যাম্পুর বদলে<br />
এই<br />
মিশ্রণ ব্যবহার করে চুল পরিষ্কার করতে<br />
হবে। তবে চাইলে প্রতিদিনই ব্যবহার<br />
করতে<br />
পারেন। আর যদি শ্যাম্পুই ব্যবহার করতে<br />
হয়<br />
তাহলে শ্যাম্পুর সঙ্গে খানিকটা<br />
বেকিং<br />
সোডা মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করুন।<br />
বেকিং<br />
সোডা খুশকি প্রতিরোধে বেশ<br />
কার্যকর।<br />
৭. দই:খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে দই খুব<br />
কার্যকরী। খুশকি দূর করতে দই মাথার<br />
ত্বকে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট<br />
রেখে<br />
ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।<br />
৮. অ্যালোভেরা:চুল ধোয়ার ১৫ মিনিট<br />
আগে<br />
মাথার ত্বকে অ্যালো ভেরা জেল<br />
মালিশের<br />
পর চুল শ্যাম্পু করে পরিষ্কার করুন।<br />
৯. রসুন:খুশকি দূর করার জন্য রসুনও বেশ<br />
কার্যকরী। রসুন পেস্ট করে চুলে ৩০<br />
মিনিট<br />
রাখার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
১০.লবণ:তিন চামচ লবণ মাথার শুষ্ক ত্বকে<br />
ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিতে<br />
হবে দু’তিন<br />
মিনিট। এরপরই চুলে শ্যাম্পু করে চুল<br />
পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।<br />
১১.বিট এবং আদার পেস্ট:খানিকটা<br />
আদা<br />
এবং বিট নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে<br />
পেস্ট<br />
করে নিন। প্রতি রাতে মাথায় এই<br />
মিশ্রণ<br />
লাগিয়ে মালিশ করতে হবে। সকালে<br />
চুল ধুয়ে<br />
ফেলতে হবে।<br />
১২.রিঠা: চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে<br />
রিঠার<br />
জুরি নেই। তেমনি খুশকি দূর করতেও এটি<br />
বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার চুলের<br />
ত্বকে<br />
লাগিয়ে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে<br />
ভালোমতো<br />
ধুয়ে ফেলুন।<br />
১৩.পেয়াজের রস:দুটো পেয়াজের রস<br />
নিয়ে<br />
এক মগ পানিতে মিশিয়ে নিন। মাথায়<br />
এই রস<br />
ভালো করে লাগিয়ে মালিশ করুন।<br />
কিছুক্ষণ<br />
পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।<br />
১৪.নিমের রস: মাথার খুশকি তাড়তে<br />
নিম<br />
অত্যন্ত উপযোগী। নিমের রস বা নিম<br />
পাতার<br />
পেস্ট বানিয়ে মাথায় লাগান।<br />
কিছুক্ষণ পর<br />
ধুয়ে ফেলুন। খুশকি তাড়ানোর<br />
পাশাপাশি<br />
চুলে পুষ্টি জোগাবে।<br />
১৫. মেথি: মেথি সারারাত পানিতে<br />
ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে<br />
নিয়ে বেটে<br />
নিন। ছেঁকে নেয়া পানি ফেলে<br />
দেবেন না।<br />
এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের<br />
গোঁড়ায়<br />
মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে<br />
নিন।<br />
৩-৪ ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে<br />
ফেলুন।<br />
চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা<br />
পানি<br />
দিয়ে সব শেষে চুল ধুয়ে নিন।<br />
ছেলেরা অতি সহজে খুশকি দূর করতে<br />
যা<br />
করবেন!<br />
খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকেন<br />
অধিকাংশ<br />
পুরুষেরাই। সঠিক যত্নের অভাবে<br />
পুরোপুরি<br />
খুশকি দূর করা সম্ভব হয় না সবসময়। কর্মব্যস্ত<br />
দিনের মাঝেই খানিকটা সময় করে যত্ন<br />
নিতে হবে চুল ও স্ক্যাল্পের। তবেই<br />
খুশকির<br />
যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন<br />
দেখে নেয়া যাক খুশকি দূর করার সঠিক<br />
উপায়-<br />
১. একটি কাপে এক কাপ পরিমাপ গরম<br />
পানিতে এক কাপ হোয়াইট ভিনেগার<br />
নিয়ে<br />
ভালোভাবে মিশান। এবার এই মিশ্রণ<br />
নিয়ে<br />
চুলের গোঁড়ায় সুন্দর করে লাগিয়ে<br />
নিন। ১০<br />
থেকে ২০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি<br />
দিয়ে<br />
মাথা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে<br />
একবার<br />
এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুশকি কমে<br />
আসবে।<br />
২. এক কাপ গরম পানিতে এক টেবিল<br />
চামচ<br />
বেকিং সোডা নিয়ে ভালোভাবে<br />
মেশান<br />
(বোতলে নিয়ে ঝাকিয়ে মেশাতে<br />
পারেন।)<br />
শ্যাম্পু করার আগে বা শ্যাম্পুর সাথে<br />
মিশ্রণটি মিশিয়ে নিয়ে<br />
ভালোভাবে চুল<br />
শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি<br />
অনুসরণ করুন।<br />
৩. পরিমাণ মতো নিমপাতা ও গরম<br />
পানি<br />
নিন। তারপর পানিতে নিমপাতা<br />
সারারাত<br />
ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন সকালে এই<br />
পানি<br />
দিয়ে আপনার মাথা ধুয়ে ফেলুন।<br />
এভাবে<br />
কিছুদিন ব্যবহার করলে খুশকি কমে<br />
যাবে।<br />
৪. মাথার ত্বকে পরিমাণ মতো লেবুর রস<br />
নিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ৫<br />
থেকে ৭<br />
মিনিট রাখুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস<br />
ও ১<br />
কাপ পানি মিশিয়ে সেটা দিয়ে<br />
মাথা ধুয়ে<br />
ফেলুন। যতদিন খুশকি পুরোপুরি না যায়<br />
ততদিন এভাবে ব্যবহার করুন।<br />
৫. পরিমাণমতো অ্যালোভেরা জেল<br />
মাথার<br />
ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুধু পানি<br />
দিয়ে<br />
চুল ধুয়ে নিন। এরপর আরো ১৫ মিনিট পর<br />
চুল<br />
শ্যাম্পু করে ফেলুন। মাসে দুইবার ব্যবহার<br />
করুন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পড়াশোনা দ্রুত মাথায় ঢুকিয়ে নিতে কার্যকর ট্রিক]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1767</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:13:00 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1767</guid>
			<description><![CDATA[পড়াশোনা দ্রুত মাথায় ঢুকিয়ে নিতে কার্যকর ট্রিক<br />
শিক্ষার্থীদের নানা সময় ব্যাপক চাপে পড়তে হয়। লেখাপড়া,<br />
খেলা, প্রেজেন্টেশন বা সৃজনশীল কাজে নানা চাপ থাকে। সব<br />
কিছু ঠিকঠাক রেখেই বা যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে<br />
কিছু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। পড়াশোনা দ্রুত মাথায়<br />
ঢুকিয়ে নিতে এগুলো কার্যকর উপায়।<br />
Image<br />
১. জোরে পড়ুন : জোর কণ্ঠে পড়ুন। জোরে পড়লে মাথায়<br />
তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়। যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা<br />
দ্রুত মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ করলে দ্রুত<br />
মুখস্থ হবে।<br />
২. লক্ষ্যস্থির করুন : পড়তে বসলে নিজের লক্ষ্যস্থির করুন।<br />
বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা<br />
ঠিক করে নিন। নয়তো মনোযোগ হারাবেন এবং সময়ের<br />
অপচয় হবে।<br />
৩. নিজেই যখন শিক্ষক : নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠুন।<br />
কি পড়লেন, কি মুখস্থ করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই<br />
শিক্ষকতা পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা যাচাই<br />
করুন।<br />
৪. নোট করুন : যাই শিখবেন তাই লিখে ফেলুন। এগুলো নোট<br />
করুন। লেখা হলে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজেই<br />
ভুলবেন না।<br />
৫. ইন্টারনেটের ব্যবহার : আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড়<br />
সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন।<br />
যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে<br />
নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার<br />
হবে।<br />
৬. বিরতি দিন : একটানা অনেকক্ষণ পড়লে অস্থিরতা চলে<br />
আসবে। এর জন্যে নিয়মিত বিরতিতে অল্প সময়ের জন্যে<br />
বিরতি নিন।<br />
৭. চিউইং গাম : এটি চিবোতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে,<br />
চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ<br />
করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের<br />
ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে।<br />
৮. হাঁটুন : বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে<br />
আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক<br />
বিশ্রাম পাবে..]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পড়াশোনা দ্রুত মাথায় ঢুকিয়ে নিতে কার্যকর ট্রিক<br />
শিক্ষার্থীদের নানা সময় ব্যাপক চাপে পড়তে হয়। লেখাপড়া,<br />
খেলা, প্রেজেন্টেশন বা সৃজনশীল কাজে নানা চাপ থাকে। সব<br />
কিছু ঠিকঠাক রেখেই বা যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে<br />
কিছু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। পড়াশোনা দ্রুত মাথায়<br />
ঢুকিয়ে নিতে এগুলো কার্যকর উপায়।<br />
Image<br />
১. জোরে পড়ুন : জোর কণ্ঠে পড়ুন। জোরে পড়লে মাথায়<br />
তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়। যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা<br />
দ্রুত মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ করলে দ্রুত<br />
মুখস্থ হবে।<br />
২. লক্ষ্যস্থির করুন : পড়তে বসলে নিজের লক্ষ্যস্থির করুন।<br />
বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা<br />
ঠিক করে নিন। নয়তো মনোযোগ হারাবেন এবং সময়ের<br />
অপচয় হবে।<br />
৩. নিজেই যখন শিক্ষক : নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠুন।<br />
কি পড়লেন, কি মুখস্থ করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই<br />
শিক্ষকতা পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা যাচাই<br />
করুন।<br />
৪. নোট করুন : যাই শিখবেন তাই লিখে ফেলুন। এগুলো নোট<br />
করুন। লেখা হলে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজেই<br />
ভুলবেন না।<br />
৫. ইন্টারনেটের ব্যবহার : আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড়<br />
সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন।<br />
যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে<br />
নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার<br />
হবে।<br />
৬. বিরতি দিন : একটানা অনেকক্ষণ পড়লে অস্থিরতা চলে<br />
আসবে। এর জন্যে নিয়মিত বিরতিতে অল্প সময়ের জন্যে<br />
বিরতি নিন।<br />
৭. চিউইং গাম : এটি চিবোতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে,<br />
চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ<br />
করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের<br />
ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে।<br />
৮. হাঁটুন : বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে<br />
আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক<br />
বিশ্রাম পাবে..]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ক্লাউড কম্পিউটিং (CLOUD COMPUTING) কি?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1766</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:11:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1766</guid>
			<description><![CDATA[ক্লাউড<br />
কম্পিউটিং<br />
(CLOUD<br />
COMPUTING) কি?<br />
আমরা কম বেশি সবাই জানি ক্লাউড<br />
কী? তাই না? সাধারণভাবে ক্লাউড<br />
অর্থ মেঘ। কিন্তু এক্ষেত্রে অর্থটা<br />
ভিন্ন। তাহলে কি তথ্য জমা রাখার<br />
একটা ব্যবস্থা যা বাতাসের মাধ্যমে<br />
আদান প্রদান হয়? হ্যাঁ, ঠিক আছে, তবে<br />
বিষয়টি আরও একটু জটিল।<br />
তাহলে ক্লাউড কী?<br />
মৌলিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং<br />
মানে একটি মেশিনের সীমিত<br />
শক্তির পরিবর্তে অনেকগুলো<br />
মেশিনের শক্তি সংযুক্তির মাধ্যমে<br />
তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা<br />
বোঝায়। এজন্যঅনেকগুলো সার্ভার<br />
এবং রাউটার একসাথে এক জায়গায়<br />
বসাতে হয়, অনেকটা গুদাম ঘরের<br />
মতো। যাতে করে সারা বিশ্বের<br />
মানুষজন তাদের তথ্য সংরক্ষণ এবং<br />
আদান প্রদান করতে পারে।<br />
প্রাথমিক<br />
পর্যায়ঃ<br />
ক্লাউড একটি শব্দ বা ধারণা যা এখন<br />
চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। আপনি<br />
যদি সবাইকে জিজ্ঞেস করেন কবে<br />
থেকে এটি শুরু হয়েছে? তাহলে<br />
তারা হয়ত বলবে ২০০৩ কিংবা ২০০৪<br />
এই সময়ে। কিন্তু কমপ্যাক<br />
কম্পিউটারের ইঞ্জিনিয়ারদের ১৯৯৬<br />
সালে কিছু ফ্রেশব্যাক যুক্ত নথিপত্র<br />
ছিল। তখন ক্লাউডেরপ্রথম ব্যবহার হয়।<br />
গুগলের এরিক স্মিথ ২০০৬ সালে<br />
এগুলো কিনে নেয় এবং পরবর্তী<br />
সময়ে ক্লাউড ব্যবসার মডেল হয়ে যায়।<br />
যখন আপনি আপনার মোবাইল থেকে<br />
গুগল ম্যাপে প্রবেশ করেন কিংবা<br />
গুগল ডকুমেন্টে প্রবেশ করেন তখন<br />
আসলে আপনি গুগল ক্লাউডে প্রবেশ<br />
করছেন। তখন আপনার প্রয়োজন মতো তথ্য<br />
গুগল তাদের ক্লাউড থেকে আপনার<br />
সামনে উপস্থাপন করে। মাইক্রোসফট<br />
ক্লাউডের আরও এক বড় খেলোয়াড়।<br />
সম্প্রতি তারা তাদের অফিস ৩৬৫ তে<br />
ক্লাউড ফিচার যুক্ত করেছে।<br />
নিরাপত্তা:<br />
যে কোনো প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য<br />
কিছু নিয়মকানুন থাকে, ক্লাউড<br />
প্রযুক্তিরও কিছু আছে। এগুলোর মধ্যে<br />
একটা ব্যপার হলো নিয়ন্ত্রণ। যখন<br />
ক্লাউডবেস সিস্টেম সরানো হয় তখন<br />
সার্ভিসদাতা কোম্পানি কিছু কিছু<br />
জিনিসের উপর নিয়ন্ত্রণ দিয়ে<br />
থাকে। যখন এতে কিছু ঝুঁকি থাকে<br />
সঙ্গে সঙ্গেই এটি অনুমতি চেয়ে<br />
থাকে। তাছাড়া হার্ডড্রাইভ চুরি/<br />
নষ্ট/ কিংবা ভেঙ্গে যাওয়া,<br />
সার্ভার ঘর প্লাবিত হওয়া বা<br />
অভারহিট হওয়া এই সমস্যাগুলোও হয়ে<br />
থাকে।এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুলত<br />
অনেক ব্যবহারকারীর তথ্য জমা রাখা<br />
ও আদানপ্রদান করা যায়।<br />
এছাড়াব্যবহারকারী পৃথিবীর যে<br />
কোনো প্রান্ত থেকে যে কোন<br />
ডিভাইস দিয়ে তার সকল তথ্য<br />
দেখতে, পরিবর্ধন কিংবা পরিমার্জন<br />
করতে পারে।<br />
আমি আমার এই পোষ্টে ক্লাউডের<br />
বেসিক নিয়ে আলেচনা করেছি।<br />
ক্লাইড সেবা প্রদান করে এমন অনেক<br />
প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমি আমার<br />
পরবর্তী পোষ্টে কারা ক্লাইড<br />
সেবা প্রদান করে, কিভাবে<br />
সার্ভিসটি ব্যবহার করতে হয়, এর<br />
সুবিধা অসুবিধা নিয়ে আলোচনা<br />
করব।<br />
ধন্যবাদ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ক্লাউড<br />
কম্পিউটিং<br />
(CLOUD<br />
COMPUTING) কি?<br />
আমরা কম বেশি সবাই জানি ক্লাউড<br />
কী? তাই না? সাধারণভাবে ক্লাউড<br />
অর্থ মেঘ। কিন্তু এক্ষেত্রে অর্থটা<br />
ভিন্ন। তাহলে কি তথ্য জমা রাখার<br />
একটা ব্যবস্থা যা বাতাসের মাধ্যমে<br />
আদান প্রদান হয়? হ্যাঁ, ঠিক আছে, তবে<br />
বিষয়টি আরও একটু জটিল।<br />
তাহলে ক্লাউড কী?<br />
মৌলিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং<br />
মানে একটি মেশিনের সীমিত<br />
শক্তির পরিবর্তে অনেকগুলো<br />
মেশিনের শক্তি সংযুক্তির মাধ্যমে<br />
তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা<br />
বোঝায়। এজন্যঅনেকগুলো সার্ভার<br />
এবং রাউটার একসাথে এক জায়গায়<br />
বসাতে হয়, অনেকটা গুদাম ঘরের<br />
মতো। যাতে করে সারা বিশ্বের<br />
মানুষজন তাদের তথ্য সংরক্ষণ এবং<br />
আদান প্রদান করতে পারে।<br />
প্রাথমিক<br />
পর্যায়ঃ<br />
ক্লাউড একটি শব্দ বা ধারণা যা এখন<br />
চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। আপনি<br />
যদি সবাইকে জিজ্ঞেস করেন কবে<br />
থেকে এটি শুরু হয়েছে? তাহলে<br />
তারা হয়ত বলবে ২০০৩ কিংবা ২০০৪<br />
এই সময়ে। কিন্তু কমপ্যাক<br />
কম্পিউটারের ইঞ্জিনিয়ারদের ১৯৯৬<br />
সালে কিছু ফ্রেশব্যাক যুক্ত নথিপত্র<br />
ছিল। তখন ক্লাউডেরপ্রথম ব্যবহার হয়।<br />
গুগলের এরিক স্মিথ ২০০৬ সালে<br />
এগুলো কিনে নেয় এবং পরবর্তী<br />
সময়ে ক্লাউড ব্যবসার মডেল হয়ে যায়।<br />
যখন আপনি আপনার মোবাইল থেকে<br />
গুগল ম্যাপে প্রবেশ করেন কিংবা<br />
গুগল ডকুমেন্টে প্রবেশ করেন তখন<br />
আসলে আপনি গুগল ক্লাউডে প্রবেশ<br />
করছেন। তখন আপনার প্রয়োজন মতো তথ্য<br />
গুগল তাদের ক্লাউড থেকে আপনার<br />
সামনে উপস্থাপন করে। মাইক্রোসফট<br />
ক্লাউডের আরও এক বড় খেলোয়াড়।<br />
সম্প্রতি তারা তাদের অফিস ৩৬৫ তে<br />
ক্লাউড ফিচার যুক্ত করেছে।<br />
নিরাপত্তা:<br />
যে কোনো প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য<br />
কিছু নিয়মকানুন থাকে, ক্লাউড<br />
প্রযুক্তিরও কিছু আছে। এগুলোর মধ্যে<br />
একটা ব্যপার হলো নিয়ন্ত্রণ। যখন<br />
ক্লাউডবেস সিস্টেম সরানো হয় তখন<br />
সার্ভিসদাতা কোম্পানি কিছু কিছু<br />
জিনিসের উপর নিয়ন্ত্রণ দিয়ে<br />
থাকে। যখন এতে কিছু ঝুঁকি থাকে<br />
সঙ্গে সঙ্গেই এটি অনুমতি চেয়ে<br />
থাকে। তাছাড়া হার্ডড্রাইভ চুরি/<br />
নষ্ট/ কিংবা ভেঙ্গে যাওয়া,<br />
সার্ভার ঘর প্লাবিত হওয়া বা<br />
অভারহিট হওয়া এই সমস্যাগুলোও হয়ে<br />
থাকে।এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুলত<br />
অনেক ব্যবহারকারীর তথ্য জমা রাখা<br />
ও আদানপ্রদান করা যায়।<br />
এছাড়াব্যবহারকারী পৃথিবীর যে<br />
কোনো প্রান্ত থেকে যে কোন<br />
ডিভাইস দিয়ে তার সকল তথ্য<br />
দেখতে, পরিবর্ধন কিংবা পরিমার্জন<br />
করতে পারে।<br />
আমি আমার এই পোষ্টে ক্লাউডের<br />
বেসিক নিয়ে আলেচনা করেছি।<br />
ক্লাইড সেবা প্রদান করে এমন অনেক<br />
প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমি আমার<br />
পরবর্তী পোষ্টে কারা ক্লাইড<br />
সেবা প্রদান করে, কিভাবে<br />
সার্ভিসটি ব্যবহার করতে হয়, এর<br />
সুবিধা অসুবিধা নিয়ে আলোচনা<br />
করব।<br />
ধন্যবাদ।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>