<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - গল্প সমগ্র]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 07:11:16 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[সাইকেল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3816</link>
			<pubDate>Mon, 17 Oct 2022 15:45:37 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1325">Manab_Mondal</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3816</guid>
			<description><![CDATA[সাইকেল <br />
<br />
সফলতা অর্জন অত সহজ নয়।  এটা কখনোই প্রার্থনাতে আসে না, কখনোই কারো সাহায্যতে আসে না। আমার জীবনের প্রতিটা পাতায় আপনি পাবেন একটুখানি সফলতা অর্জন এর জন্য প্রতি মুহূর্তের সংগ্রাম। সাইকেল চড়া সাধারণ জীবন, গলিপথ থেকে রাজপথে চলছি খানাখন্দে পরেছে আঁকা বাঁকা পথ পেরিয়ে, দেরিতে হলেও পৌঁছেছি জীবনের গন্তব্যে । তবু এবার মুম্বাই যখন এলাম তখন জীবনের কাছে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। জীবন যদি আপনার ইচ্ছা মত চলতো তাহলে জীবন থাকতো না।ঐ সাইকেল এর মতো হয়ে যেতো, যেমন খুশি চালাও, তেমন ই চলবে। একটুখানি ভুল করতেই বিশাল ক্ষতির মুখে পড়তে হলো আমাকে। আমি আন্ধেরি থেকে বেলাপুর আসতে একটা ক্যাফ ভাড়া করতেই পারতাম। কিন্তু পয়সা বাঁচাতে এলাম বাসে। ছেনতাই হয়ে গেল আমার সাইট ব্যাগ। মোবাইল, দরকারি কাগজ পত্র, টাকা পয়সা গেলো, কিন্তু সবচেয়ে খারাপ হলো আমার চাকুরী জনিং ও আটকে গেল। খাওয়া দাওয়া থাকা সব অফিসের। তবু অস্থিরতা কাজ করছিল নিজের মধ্যে। ছয় সাত মাস কাজ নেই করোনা আবহাওয়ার জন্য। বাড়িতে থাকলে সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে মন ভালো হতো। সাইকেল টা কোলকাতা আমার ভালো সাথি। কম দামি হলেও নির্ভরযোগ্য ঠিক স্কুল ফ্রেন্ডদের মতো।<br />
<br />
মুম্বাই কিছুদিনের জন্য থাকতে হবে। একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি সাথে কথা বললাম, কাজ করলে, কিছু টাকা চলে আসবে। জোগাড় করলাম সাইকেল ও একটা। পৌঁছে গেলাম একটা প্রাইভেট পার্টিতে। ফ্রিতে মদ পান আর কিছু পয়সা পাবো। বিনিময়ে চিকেন কাবাব করতে হবে আমাকে। হঠাৎ "ওর" সাথে দেখা। পরে জানতে পারলাম পার্টিটা 'ও"ই থ্রো করছে। সুযোগ পেয়ে বেশ ভালোই অপমান করলো ও আমায়। আমি চুপচাপ শুনে গেলাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান আমি। আমাদের জীবনটা গাড়ির চাকা র মতো। বড়লোকদের গাড়িগুলো চালাই আমরা সব ধুলো কাঁদা মেখে, পৌঁছে দিই ওদের গন্তব্য , তবে এর জন্য কোনো কৃতিত্ব আমরা দাবি করি না। আমি কখনোই দাবি করি নি, ওর সফলতাতে আমার অবদান আছে বলে । তবু কেন আমাকে দেখে "ও" রেগে যায় জানি না। আমি অনেক টা দূরে চলে গেছি ওর থেকে। ওর আমার জীবনের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে।একটা সাইকেল আর রেল গাড়ীর মতো পার্থক্য বলতে পারো।ওর সাথে আমার আলাপ একটু কাঁচা বয়সে।ও রূপালী পর্দায় কাজ শুরু করছে। আর আমি স্ক্রিপ্ট আর গান লিখে ঘোরাঘুরি করছি স্টুডিও পাড়ায়।হাসি পায় আজ  ভাবলেও এই বলিউড হাজির হয়েছিলাম অনেক স্বপ্ন নিয়ে। যাইহোক রেলগাড়ি লোহার চাকা, ইস্পাত কঠিন পথ হলেও গন্তব্য ঠিক পৌঁছে যায় কারণ গন্তব্য ঠিক থাকে, পথটা স্বাধীন না হলেও বড় নিবাপদ ও নিয়ন্ত্রিত। সাইকেল খান খন্দ রাস্তায় যেতে পারে স্বাধীন ভাবে  কিন্তু হঠাৎ করে পথ বদলে ফলতে পারে বিপদ দেখলে। তাই সাইকেল এর বেশী দূরে যাওয়া হয় না। আমি স্বপ্নের সাথে আপোষ করে নিয়েছিলাম মাঝপথেই। বলতে পারেন মাঝ পথে সাইকেল টাওয়ার পাঞ্চার হয়ে গেছিলো আরকি। তবে মুম্বাই তো আমাকে হতাশ করেনি। সফলতা দিয়েছে যে টুকু আমার যোগ্যতা।<br />
<br />
<br />
সাইকেল আমার জীবনের সংগ্রাম প্রথম বন্ধু , মাধ্যমিক পাশ করতে বাবা কষ্ট করে সাইকেল কিনে দিয়েছিল । কাক ভোরে উঠে খবরের কাগজ দিয়ে, দুধ দিয়ে, তখন পড়াশুনা খরচ জুগিয়েছে এই সাইকেল। অসময়ের বন্ধু সাইকেল তাই একে আজো আমি ছাড়িনি।সাইকেল নিয়ে গ্যেস্ট হাউজ পথ ফিরতে যাবার সময় দেখি লম্বা গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। অন্ধকার জ্বলজ্বল করছে ওর রূপ। এখনও রূপকথার মতো কন্ঠস্বর। বললো লিফট দিতে হবে ওর বাংলো অবধি। যুক্তি তর্ক অনেক করতে পারতাম। কিন্তু কিছু বলার আগেই সাইকেল সামনের রডে বসে পরলো ও। বললো" গাড়িটাকে ফলো করো কথা আছে অনেক।"<br />
সাইকেল নিয়ে অনেক কবিতা আছে বাংলাতে কখনো বৈরাগী কখনো প্রেমের প্রতীক রক গানে বেপরোয়া। সাইকেল কিন্তু আমার কাছে শুধু কবিতা মতো, কিংবা কিশোরী মতো শুধু চুপচাপ চলতে থাকে। দুইহাতের মাঝখানে ওর শরীর, না চাইলেও পা ছুঁয়ে যাচ্ছে ওর শরীর কে। কেমন একটা অস্বস্তি। শ্বাস প্রশ্বাস যেনো ছুঁতে চাইছে ওকে।সাইকেল সামনে বসে প্রেমিকার চুলে গন্ধটা সব যুবকের মনেই স্বপ্নের জাল বোনে। কিন্তু এ বয়সে কোনো স্বপ্ন দেখেতে আর পারছি না আমি। বাংলোর সামনে আসতেই , আমার মনে হলো ও যেনো ও সফলতাটাই আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাইছে। অপ্রয়োজনেই "ও" বেলটা ক্রিং ক্রিং করে বাজালো । এই বেল বাজিয়ে একটা সময় ওকে জানান দিতাম আমি এসেছি। পুরোনো ব্যাথা গুলো খুঁচিয়ে দিতেই হয়তো হাজির ও আমার জীবনে।ওর হাত মুঠো তে নিলো আমার হাতটা। যেনো চলন্ত সাইকেলে একটা ব্রেক দিয়ে দিলো "ও"। সাইকেলের গতি, গাড়ির গতি এক নয় সেটাই বোঝাতে হবে ওকে আমায় আজ।<br />
আসলে পৃথিবীতে সবকিছু তো এক থাকে না। আমি ও বদলে গেছি এই সাইকেলটার মতো। জানেন আসলে কথাটা সাইকেল নয়, বাইসাইকেল। দুইটো চাকার যান সাইকেল, সবকিছু ব্যালেন্স করে চলতে হয়, আমাদের জীবনটা চালতে গেলে। ঠিক সাইকেল চালানোর মতো কঠিন জীবনটাও। আমার জীবনটাও বদলেছি সময়ের সাথে সাথে, যেমন সাইকেল টা বদলেছে নিজেকে।প্রথম দিকের সাইকেলের দুই চাকা সমান ছিলো না।১৮৮০ সালে সর্বপ্রথম দুই চাকা সমান পর্যায়ে নিয়ে আসা হয় এবং চেইন ও টায়ার সংযুক্ত করা হয়। আমার সংসার সাইকেল টাও আমার হাতে। বড়ো স্বপ্ন আমার নেই, সহজ সরল সাইকেল এর মতো জীবন  ধীর গতিতে চলতে থাকবো, পথ আলোকিত হোক বা না হোক। যান যটকে এরিয়ে যেতে আমরা জানি , আসলে আমরা জানি বেশি আকাংক্ষা জীবনটা কিভাবে জটিল করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সাইকেল <br />
<br />
সফলতা অর্জন অত সহজ নয়।  এটা কখনোই প্রার্থনাতে আসে না, কখনোই কারো সাহায্যতে আসে না। আমার জীবনের প্রতিটা পাতায় আপনি পাবেন একটুখানি সফলতা অর্জন এর জন্য প্রতি মুহূর্তের সংগ্রাম। সাইকেল চড়া সাধারণ জীবন, গলিপথ থেকে রাজপথে চলছি খানাখন্দে পরেছে আঁকা বাঁকা পথ পেরিয়ে, দেরিতে হলেও পৌঁছেছি জীবনের গন্তব্যে । তবু এবার মুম্বাই যখন এলাম তখন জীবনের কাছে একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। জীবন যদি আপনার ইচ্ছা মত চলতো তাহলে জীবন থাকতো না।ঐ সাইকেল এর মতো হয়ে যেতো, যেমন খুশি চালাও, তেমন ই চলবে। একটুখানি ভুল করতেই বিশাল ক্ষতির মুখে পড়তে হলো আমাকে। আমি আন্ধেরি থেকে বেলাপুর আসতে একটা ক্যাফ ভাড়া করতেই পারতাম। কিন্তু পয়সা বাঁচাতে এলাম বাসে। ছেনতাই হয়ে গেল আমার সাইট ব্যাগ। মোবাইল, দরকারি কাগজ পত্র, টাকা পয়সা গেলো, কিন্তু সবচেয়ে খারাপ হলো আমার চাকুরী জনিং ও আটকে গেল। খাওয়া দাওয়া থাকা সব অফিসের। তবু অস্থিরতা কাজ করছিল নিজের মধ্যে। ছয় সাত মাস কাজ নেই করোনা আবহাওয়ার জন্য। বাড়িতে থাকলে সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে মন ভালো হতো। সাইকেল টা কোলকাতা আমার ভালো সাথি। কম দামি হলেও নির্ভরযোগ্য ঠিক স্কুল ফ্রেন্ডদের মতো।<br />
<br />
মুম্বাই কিছুদিনের জন্য থাকতে হবে। একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি সাথে কথা বললাম, কাজ করলে, কিছু টাকা চলে আসবে। জোগাড় করলাম সাইকেল ও একটা। পৌঁছে গেলাম একটা প্রাইভেট পার্টিতে। ফ্রিতে মদ পান আর কিছু পয়সা পাবো। বিনিময়ে চিকেন কাবাব করতে হবে আমাকে। হঠাৎ "ওর" সাথে দেখা। পরে জানতে পারলাম পার্টিটা 'ও"ই থ্রো করছে। সুযোগ পেয়ে বেশ ভালোই অপমান করলো ও আমায়। আমি চুপচাপ শুনে গেলাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান আমি। আমাদের জীবনটা গাড়ির চাকা র মতো। বড়লোকদের গাড়িগুলো চালাই আমরা সব ধুলো কাঁদা মেখে, পৌঁছে দিই ওদের গন্তব্য , তবে এর জন্য কোনো কৃতিত্ব আমরা দাবি করি না। আমি কখনোই দাবি করি নি, ওর সফলতাতে আমার অবদান আছে বলে । তবু কেন আমাকে দেখে "ও" রেগে যায় জানি না। আমি অনেক টা দূরে চলে গেছি ওর থেকে। ওর আমার জীবনের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে।একটা সাইকেল আর রেল গাড়ীর মতো পার্থক্য বলতে পারো।ওর সাথে আমার আলাপ একটু কাঁচা বয়সে।ও রূপালী পর্দায় কাজ শুরু করছে। আর আমি স্ক্রিপ্ট আর গান লিখে ঘোরাঘুরি করছি স্টুডিও পাড়ায়।হাসি পায় আজ  ভাবলেও এই বলিউড হাজির হয়েছিলাম অনেক স্বপ্ন নিয়ে। যাইহোক রেলগাড়ি লোহার চাকা, ইস্পাত কঠিন পথ হলেও গন্তব্য ঠিক পৌঁছে যায় কারণ গন্তব্য ঠিক থাকে, পথটা স্বাধীন না হলেও বড় নিবাপদ ও নিয়ন্ত্রিত। সাইকেল খান খন্দ রাস্তায় যেতে পারে স্বাধীন ভাবে  কিন্তু হঠাৎ করে পথ বদলে ফলতে পারে বিপদ দেখলে। তাই সাইকেল এর বেশী দূরে যাওয়া হয় না। আমি স্বপ্নের সাথে আপোষ করে নিয়েছিলাম মাঝপথেই। বলতে পারেন মাঝ পথে সাইকেল টাওয়ার পাঞ্চার হয়ে গেছিলো আরকি। তবে মুম্বাই তো আমাকে হতাশ করেনি। সফলতা দিয়েছে যে টুকু আমার যোগ্যতা।<br />
<br />
<br />
সাইকেল আমার জীবনের সংগ্রাম প্রথম বন্ধু , মাধ্যমিক পাশ করতে বাবা কষ্ট করে সাইকেল কিনে দিয়েছিল । কাক ভোরে উঠে খবরের কাগজ দিয়ে, দুধ দিয়ে, তখন পড়াশুনা খরচ জুগিয়েছে এই সাইকেল। অসময়ের বন্ধু সাইকেল তাই একে আজো আমি ছাড়িনি।সাইকেল নিয়ে গ্যেস্ট হাউজ পথ ফিরতে যাবার সময় দেখি লম্বা গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে। অন্ধকার জ্বলজ্বল করছে ওর রূপ। এখনও রূপকথার মতো কন্ঠস্বর। বললো লিফট দিতে হবে ওর বাংলো অবধি। যুক্তি তর্ক অনেক করতে পারতাম। কিন্তু কিছু বলার আগেই সাইকেল সামনের রডে বসে পরলো ও। বললো" গাড়িটাকে ফলো করো কথা আছে অনেক।"<br />
সাইকেল নিয়ে অনেক কবিতা আছে বাংলাতে কখনো বৈরাগী কখনো প্রেমের প্রতীক রক গানে বেপরোয়া। সাইকেল কিন্তু আমার কাছে শুধু কবিতা মতো, কিংবা কিশোরী মতো শুধু চুপচাপ চলতে থাকে। দুইহাতের মাঝখানে ওর শরীর, না চাইলেও পা ছুঁয়ে যাচ্ছে ওর শরীর কে। কেমন একটা অস্বস্তি। শ্বাস প্রশ্বাস যেনো ছুঁতে চাইছে ওকে।সাইকেল সামনে বসে প্রেমিকার চুলে গন্ধটা সব যুবকের মনেই স্বপ্নের জাল বোনে। কিন্তু এ বয়সে কোনো স্বপ্ন দেখেতে আর পারছি না আমি। বাংলোর সামনে আসতেই , আমার মনে হলো ও যেনো ও সফলতাটাই আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাইছে। অপ্রয়োজনেই "ও" বেলটা ক্রিং ক্রিং করে বাজালো । এই বেল বাজিয়ে একটা সময় ওকে জানান দিতাম আমি এসেছি। পুরোনো ব্যাথা গুলো খুঁচিয়ে দিতেই হয়তো হাজির ও আমার জীবনে।ওর হাত মুঠো তে নিলো আমার হাতটা। যেনো চলন্ত সাইকেলে একটা ব্রেক দিয়ে দিলো "ও"। সাইকেলের গতি, গাড়ির গতি এক নয় সেটাই বোঝাতে হবে ওকে আমায় আজ।<br />
আসলে পৃথিবীতে সবকিছু তো এক থাকে না। আমি ও বদলে গেছি এই সাইকেলটার মতো। জানেন আসলে কথাটা সাইকেল নয়, বাইসাইকেল। দুইটো চাকার যান সাইকেল, সবকিছু ব্যালেন্স করে চলতে হয়, আমাদের জীবনটা চালতে গেলে। ঠিক সাইকেল চালানোর মতো কঠিন জীবনটাও। আমার জীবনটাও বদলেছি সময়ের সাথে সাথে, যেমন সাইকেল টা বদলেছে নিজেকে।প্রথম দিকের সাইকেলের দুই চাকা সমান ছিলো না।১৮৮০ সালে সর্বপ্রথম দুই চাকা সমান পর্যায়ে নিয়ে আসা হয় এবং চেইন ও টায়ার সংযুক্ত করা হয়। আমার সংসার সাইকেল টাও আমার হাতে। বড়ো স্বপ্ন আমার নেই, সহজ সরল সাইকেল এর মতো জীবন  ধীর গতিতে চলতে থাকবো, পথ আলোকিত হোক বা না হোক। যান যটকে এরিয়ে যেতে আমরা জানি , আসলে আমরা জানি বেশি আকাংক্ষা জীবনটা কিভাবে জটিল করে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[♥গল্পটি পড়ুন চোখে পানি এসে পড়বে......♥]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1670</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 07:54:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1670</guid>
			<description><![CDATA[গল্পটি পড়ুন চোখে পানি এসে পড়বে......<br />
____________^_____________<br />
একটা গরিব বাচ্চা তার বিধবা মাকে জিজ্ঞাসা করল -<br />
আচ্ছা মা, ঈদে সবাই নতুন নতুন কাপড় বানায়,<br />
ভালো ভালো খাবার খায় কিন্তু আমরা<br />
নতুন কাপড় ও বানাইনা,<br />
ভালো খাবারও খাই না কেন ... ???<br />
ছেলের এইরকম প্রশ্ন শুনে মায়ের<br />
চোখে পানি এসে গেল।<br />
মা ভাবতে পারছে না যে তার এই অবুঝ শিশুটাকে<br />
কিভাবে বুঝাবে !!!<br />
শিশুটা পুনরায় জিজ্ঞাসা করল বল না মা???<br />
মা তখন শিশুটাকে বুঝিয়ে বলল,<br />
যারা ঈদে নতুন জামা-কাপড় বানায়, ভালো খাবার খায়,<br />
তারা তো ১ মাস কষ্ট করে না খেয়ে রোজা রাখে।<br />
তাই আল্লাহ্ তাদের পুরস্কার দেয়।<br />
আর আমরা তো সারা বছর না খেয়ে কষ্ট করি<br />
তাই আমাদের রোজা শেষ হয় না।<br />
যখন আমরা মরে যাব তখন আল্লাহ্ আমাদের<br />
জান্নাতে পুরস্কার দিবেন,<br />
নতুন নতুন কাপড় পরাইয়া দিবেন,<br />
ভাল ভাল খাবারও দিবেন।<br />
তখন শিশুটা তার মাকে বলল, চল না মা<br />
আমরাও মরে আল্লাহর কাছে চলে যাই।<br />
আমারও অনেক ইচ্ছে করে ঈদ করতে,<br />
ভাল খাবার খেতে, নতুন নতুন কাপড় পরতে।<br />
চল না মা মরতে যাই ... চল না ... !!!<br />
নির্বাক মা তখন চোখে অশ্রু নিয়ে তার কাপড়ের আঁচল<br />
দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে তার অবুঝ শিশুর দিকে<br />
তাকিয়ে রইলেন কারন তার কাছে যে আর কোন<br />
উত্তর নেই ..<br />
এসব শিশুদের জন্য বড্ড মায়া হয়।<br />
কিন্তু কিছুই করতে পারিনা এদের জন্য। আপনি যদি পারেন,<br />
অন্তত ১টি শিশুর জন্য কিছু করবেন...।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গল্পটি পড়ুন চোখে পানি এসে পড়বে......<br />
____________^_____________<br />
একটা গরিব বাচ্চা তার বিধবা মাকে জিজ্ঞাসা করল -<br />
আচ্ছা মা, ঈদে সবাই নতুন নতুন কাপড় বানায়,<br />
ভালো ভালো খাবার খায় কিন্তু আমরা<br />
নতুন কাপড় ও বানাইনা,<br />
ভালো খাবারও খাই না কেন ... ???<br />
ছেলের এইরকম প্রশ্ন শুনে মায়ের<br />
চোখে পানি এসে গেল।<br />
মা ভাবতে পারছে না যে তার এই অবুঝ শিশুটাকে<br />
কিভাবে বুঝাবে !!!<br />
শিশুটা পুনরায় জিজ্ঞাসা করল বল না মা???<br />
মা তখন শিশুটাকে বুঝিয়ে বলল,<br />
যারা ঈদে নতুন জামা-কাপড় বানায়, ভালো খাবার খায়,<br />
তারা তো ১ মাস কষ্ট করে না খেয়ে রোজা রাখে।<br />
তাই আল্লাহ্ তাদের পুরস্কার দেয়।<br />
আর আমরা তো সারা বছর না খেয়ে কষ্ট করি<br />
তাই আমাদের রোজা শেষ হয় না।<br />
যখন আমরা মরে যাব তখন আল্লাহ্ আমাদের<br />
জান্নাতে পুরস্কার দিবেন,<br />
নতুন নতুন কাপড় পরাইয়া দিবেন,<br />
ভাল ভাল খাবারও দিবেন।<br />
তখন শিশুটা তার মাকে বলল, চল না মা<br />
আমরাও মরে আল্লাহর কাছে চলে যাই।<br />
আমারও অনেক ইচ্ছে করে ঈদ করতে,<br />
ভাল খাবার খেতে, নতুন নতুন কাপড় পরতে।<br />
চল না মা মরতে যাই ... চল না ... !!!<br />
নির্বাক মা তখন চোখে অশ্রু নিয়ে তার কাপড়ের আঁচল<br />
দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে তার অবুঝ শিশুর দিকে<br />
তাকিয়ে রইলেন কারন তার কাছে যে আর কোন<br />
উত্তর নেই ..<br />
এসব শিশুদের জন্য বড্ড মায়া হয়।<br />
কিন্তু কিছুই করতে পারিনা এদের জন্য। আপনি যদি পারেন,<br />
অন্তত ১টি শিশুর জন্য কিছু করবেন...।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ঈগল আর চিল - ঈশপের গল্প]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=17</link>
			<pubDate>Thu, 29 Dec 2016 14:56:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=17</guid>
			<description><![CDATA[(সবাই তো জান, ঈগল হছে পাখীদের রাজা।) একদিন গাছের ডালে বসে ছিল এক মেয়ে ঈগল। মনে বড় দুঃখ তার। তার পাশেই বসে ছিল এক ছেলে চিল।<br />
“কি হয়েছে,” জিজ্ঞেস করল সেই চিল, “এমন দুঃখী দুঃখী মুখ কেন?” “কত খুঁজলাম,” বলল ঈগল, “আমার উপযুক্ত একজন সঙ্গী, যার সাথে ঘর বাঁধতে পারি।<br />
কিন্তু কাউকে মনে ধরল না।” “আমায় নাও,” বলল চিল, “জানো আমার গায়ে কত জোর? তোমার থেকে অনেক বেশী।” “কি লাভ তাতে, তোমার এই জোর আমার কোন উপকারে আসবে কি?<br />
পারবে কি তুমি আমার রোজকার খাবারের বন্দোবস্ত করতে?” “হুম্, তুমি জান কত সময় আমার এই ধারালো নখে বড় বড় উটপাখী তুলে নিয়ে চলে এসেছি!”<br />
ঈগল এই কথায় মুগ্ধ হয়ে গিয়ে সেই চিল-কে তার সঙ্গী করে নিল। বিয়ে হয়ে গেল তাদের। ঈগল তখন বলল তার বরকে, “কই গো ,এবার তবে উড়ে যাও আর আমার জন্য সেই উটপাখী ধরে নিয়ে এস।”<br />
চিল তখন সোঁ সোঁ করে উঠে গেল উঁচু আকাশে। তারপর ঝাঁপ দিল নীচে, আর শিকার ধরে নিয়ে এল একটা যদ্দুর সম্ভব হাড় জিরজিরে ইঁদুর।<br />
“সে কি,” বলল ঈগল, “এত বড় বড় কথা দিয়ে এই তোমার কথা রাখার নমুনা?” চিল উত্তর দিল, “তোমার মত একজন রাজকুমারীকে বিয়ে করার জন্য আমি যে কোন প্রতিশ্রুতি দিতে রাজী আছি, সে প্রতিশ্রুতি আমি রাখতে পারি আর না পারি। এমন কি যদি নিশ্চিত জানি রাখতে পারবনা, তাতেও কিছু যায় আসে না।”<br />
প্রাচীন বচনঃ বিয়ে করতে চাওয়া লোকের প্রতিশ্রুতি অনেক বুঝে শুনে নিতে লাগে।<br />
আমি বলিঃ বিয়ে আর ভোটের আগের প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি মেটে কম-ই।<br />
[গল্পটি ইন্টারনেট হতে সংগ্রহিত]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[(সবাই তো জান, ঈগল হছে পাখীদের রাজা।) একদিন গাছের ডালে বসে ছিল এক মেয়ে ঈগল। মনে বড় দুঃখ তার। তার পাশেই বসে ছিল এক ছেলে চিল।<br />
“কি হয়েছে,” জিজ্ঞেস করল সেই চিল, “এমন দুঃখী দুঃখী মুখ কেন?” “কত খুঁজলাম,” বলল ঈগল, “আমার উপযুক্ত একজন সঙ্গী, যার সাথে ঘর বাঁধতে পারি।<br />
কিন্তু কাউকে মনে ধরল না।” “আমায় নাও,” বলল চিল, “জানো আমার গায়ে কত জোর? তোমার থেকে অনেক বেশী।” “কি লাভ তাতে, তোমার এই জোর আমার কোন উপকারে আসবে কি?<br />
পারবে কি তুমি আমার রোজকার খাবারের বন্দোবস্ত করতে?” “হুম্, তুমি জান কত সময় আমার এই ধারালো নখে বড় বড় উটপাখী তুলে নিয়ে চলে এসেছি!”<br />
ঈগল এই কথায় মুগ্ধ হয়ে গিয়ে সেই চিল-কে তার সঙ্গী করে নিল। বিয়ে হয়ে গেল তাদের। ঈগল তখন বলল তার বরকে, “কই গো ,এবার তবে উড়ে যাও আর আমার জন্য সেই উটপাখী ধরে নিয়ে এস।”<br />
চিল তখন সোঁ সোঁ করে উঠে গেল উঁচু আকাশে। তারপর ঝাঁপ দিল নীচে, আর শিকার ধরে নিয়ে এল একটা যদ্দুর সম্ভব হাড় জিরজিরে ইঁদুর।<br />
“সে কি,” বলল ঈগল, “এত বড় বড় কথা দিয়ে এই তোমার কথা রাখার নমুনা?” চিল উত্তর দিল, “তোমার মত একজন রাজকুমারীকে বিয়ে করার জন্য আমি যে কোন প্রতিশ্রুতি দিতে রাজী আছি, সে প্রতিশ্রুতি আমি রাখতে পারি আর না পারি। এমন কি যদি নিশ্চিত জানি রাখতে পারবনা, তাতেও কিছু যায় আসে না।”<br />
প্রাচীন বচনঃ বিয়ে করতে চাওয়া লোকের প্রতিশ্রুতি অনেক বুঝে শুনে নিতে লাগে।<br />
আমি বলিঃ বিয়ে আর ভোটের আগের প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি মেটে কম-ই।<br />
[গল্পটি ইন্টারনেট হতে সংগ্রহিত]]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>