<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - ইসলামি বিধান]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 03:05:04 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[উম্মুল কোরআন বলা হয় কোন সুরাকে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3195</link>
			<pubDate>Sat, 16 Sep 2017 03:24:39 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=784">Ragu</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3195</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : কোন সুরাকে উম্মুল কোরআন বলা হয়?<br />
উত্তর : কোরআনে কারিমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ<br />
সুরাটিই হচ্ছে উম্মুল কোরআন। সেটি হচ্ছে সুরাতুল ফাতিহা।<br />
উম্মুল কোরআন অর্থ কোরআনের মা। তাই একটি হাদিসের<br />
মধ্যে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের মধ্যে<br />
সুরা ফাতিহা পড়ল না, তাঁর নামাজটা হচ্ছে বাতিল বা অপরিপূর্ণ,<br />
অপরিপূর্ণ, অপরিপূর্ণ’। সুরা ফাতিহার এত গুরুত্ব যে, তিনি এই<br />
সুরাকে কোরআনে কারিমের মা হিসেবে আখ্যায়িত<br />
করেছেন।<br />
কোরআনে কারিমের যে বক্তব্য, তার সারাংশ হচ্ছে সুরাতুল<br />
ফাতিহা। তাই একে উম্মুল কোরআন বলা হয়ে থাকে। কেউ<br />
যদি সুরা ফাতিহার অর্থ উপলব্ধি করতে পারেন তাহলে বুঝতে<br />
পারবেন যে, কোরআনে কারিমে কী বলা হয়েছে।<br />
মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে মৌলিক কথা এই সুরাতেই<br />
বলে দেওয়া হয়েছে।<br />
সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা'']]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : কোন সুরাকে উম্মুল কোরআন বলা হয়?<br />
উত্তর : কোরআনে কারিমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ<br />
সুরাটিই হচ্ছে উম্মুল কোরআন। সেটি হচ্ছে সুরাতুল ফাতিহা।<br />
উম্মুল কোরআন অর্থ কোরআনের মা। তাই একটি হাদিসের<br />
মধ্যে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের মধ্যে<br />
সুরা ফাতিহা পড়ল না, তাঁর নামাজটা হচ্ছে বাতিল বা অপরিপূর্ণ,<br />
অপরিপূর্ণ, অপরিপূর্ণ’। সুরা ফাতিহার এত গুরুত্ব যে, তিনি এই<br />
সুরাকে কোরআনে কারিমের মা হিসেবে আখ্যায়িত<br />
করেছেন।<br />
কোরআনে কারিমের যে বক্তব্য, তার সারাংশ হচ্ছে সুরাতুল<br />
ফাতিহা। তাই একে উম্মুল কোরআন বলা হয়ে থাকে। কেউ<br />
যদি সুরা ফাতিহার অর্থ উপলব্ধি করতে পারেন তাহলে বুঝতে<br />
পারবেন যে, কোরআনে কারিমে কী বলা হয়েছে।<br />
মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে মৌলিক কথা এই সুরাতেই<br />
বলে দেওয়া হয়েছে।<br />
সূত্রঃ এনটিভি ''আপনার জিজ্ঞাসা'']]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মনের আশা - আকাঙ্ক্ষা পূরণে যেভাবে দোয়া করবেন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2924</link>
			<pubDate>Mon, 15 May 2017 01:38:09 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2924</guid>
			<description><![CDATA[মানুষ জাগতিক বিপদাপদ তথা প্রয়োজনে আল্লাহর<br />
নিকট দোয়া করে। কারো দোয়া সঙ্গে সঙ্গে কবুল<br />
হয়ে যায়; আবার কারো দোয়া অনেক দেরিতে কবুল<br />
হয়; আবার কারো দোয়ার পরিণাম পরকালে প্রদান<br />
করা হবে। কিন্তু দোয়া করার আগে দোয়া কবুলের<br />
পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যেভাবে দোয়া করলে<br />
আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল করবেন।<br />
আল্লাহ তাআলা এ সব বিষয় কুরআনে মানুষকে<br />
জানিয়ে দিয়েছেন।<br />
কিভাবে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার<br />
আবেদন কবুল করবেন। বান্দা কিভাবে উত্তম ফলাফল<br />
লাভ করবেন এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল<br />
কারিমের সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন।<br />
দোয়া কবুলে বান্দাকে অবশ্যই কুরআন-সুন্নাহর<br />
নির্দেশিত পদ্ধতিতেই দোয়া করতে হবে। দোয়ার<br />
ফলাফল লাভে সংক্ষেপে কিছু দিক-নির্দেশনা<br />
তুলে ধরা হলো-<br />
&gt;&gt; বান্দার জন্য সব সময় আল্লাহ তাআলার দরবারে<br />
আনুগত্য, অসহায়ত্ব ও দীনতা-হীনতা প্রকাশ করে<br />
দোয়া করা উত্তম। আল্লাহ তাআলার নির্দেশও এমন।<br />
তিনি বলেন, ‘তোমরা স্বীয় প্রতিপালককে ডাক<br />
কাকুতি মিনতি করে এবং অতিগোপনে। তিনি সীমা<br />
অতিক্রমকারীদের পছন্দ করেন না। পৃথিবীকে<br />
কুসংস্কারমুক্ত ও ঠিক করার পর তাতে ফাসাদ সৃষ্টি<br />
করো না। তাকে ডাক, ভয় ও আশা সহকারে। নিশ্চয়<br />
আল্লাহর দয়া ও করুনা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।<br />
(সুরা আরাফ : আয়াত ৫৫-৫৬)<br />
&gt;&gt; দোয়া করতে হবে পরিপূর্ণ ইখলাছ তথা একাগ্রতার<br />
সঙ্গে। কেননা আল্লাহ তাঁর বান্দাকে উদ্দেশ্য করে<br />
বলেন, ‘তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতিত আর কোনো<br />
ইলাহ নেই। অতএব তাকে ডাক (তাঁর নিকট চাও)<br />
একনিষ্ঠ ইবাদতের মাধ্যম (সুরা মুমিন : আয়াত ৬৬)<br />
&gt;&gt; মানুষের সব চেয়ে বড় দোয়া হলে ধৈর্য ও নামাজ।<br />
আল্লাহ তাআলা কুরআনের অনেক জায়গায় ধৈর্য<br />
এবং নামাজের মাধ্যমে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা<br />
করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। আল্লাহ বলেন,<br />
তোমরা নামাজ এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আমার কাছে<br />
সাহায্য চাও। এবং বিনীতগণ ব্যতিত আর সকলের<br />
নিকট নিশ্চিতভাবে উভয়টি (নামাজ ও ধৈর্য) অত্যন্ত<br />
কঠিন। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৪৫)<br />
&gt;&gt; প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম<br />
তাঁর উম্মতের জন্য দোয়া কবুলে চমৎকার<br />
দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। হজরত আনাস<br />
রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ<br />
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,<br />
যখন তোমরা দোয়া করবে তখন প্রার্থিত (কাঙ্ক্ষিত)<br />
জিনিস লাভের বিষয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস রাখবে এবং<br />
বলবে হে আল্লাহ! যদি তুমি চাও আমাকে প্রদান কর,<br />
কেননা তোমাকে (আল্লাহ) বাধ্যকারী কেউ নেই।<br />
(বুখারি)<br />
সর্বোপরি কথা হলো-<br />
কুরআন ও হাদিসের দিক-নির্দেশনা মেনে আল্লাহ<br />
তাআলার নিকট দোয়া করাই বান্দার একান্ত<br />
দায়িত্ব ও কর্তব্য। বান্দা যখন সঠিক নিয়মে<br />
একনিষ্ঠতার সঙ্গে আল্লাহ তাআলার নিকট কোনো<br />
জিনিস কামনা করে; আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তা<br />
দিতে কার্পণ্য করেন না। হাদিসের ভাষায়- বরং<br />
বান্দা যখন আল্লাহ তাআলঅর নিকট কোনো কিছু<br />
প্রার্থনা করেন; তখন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে<br />
ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।<br />
সুতরাং আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআন<br />
সুন্নাহ মোতাবেক দোয়া করার তাওফিক দান করুন।<br />
বাস্তব জীবনে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন<br />
পরিচালনার তাওফিক দান করুন। মুসলিম উম্মাহকে<br />
দুনিয়া ও পরকালের সফলতা দান করুন। আমিন।<br />
সূত্রঃ জাগো নিউজ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মানুষ জাগতিক বিপদাপদ তথা প্রয়োজনে আল্লাহর<br />
নিকট দোয়া করে। কারো দোয়া সঙ্গে সঙ্গে কবুল<br />
হয়ে যায়; আবার কারো দোয়া অনেক দেরিতে কবুল<br />
হয়; আবার কারো দোয়ার পরিণাম পরকালে প্রদান<br />
করা হবে। কিন্তু দোয়া করার আগে দোয়া কবুলের<br />
পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যেভাবে দোয়া করলে<br />
আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল করবেন।<br />
আল্লাহ তাআলা এ সব বিষয় কুরআনে মানুষকে<br />
জানিয়ে দিয়েছেন।<br />
কিভাবে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার<br />
আবেদন কবুল করবেন। বান্দা কিভাবে উত্তম ফলাফল<br />
লাভ করবেন এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল<br />
কারিমের সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন।<br />
দোয়া কবুলে বান্দাকে অবশ্যই কুরআন-সুন্নাহর<br />
নির্দেশিত পদ্ধতিতেই দোয়া করতে হবে। দোয়ার<br />
ফলাফল লাভে সংক্ষেপে কিছু দিক-নির্দেশনা<br />
তুলে ধরা হলো-<br />
&gt;&gt; বান্দার জন্য সব সময় আল্লাহ তাআলার দরবারে<br />
আনুগত্য, অসহায়ত্ব ও দীনতা-হীনতা প্রকাশ করে<br />
দোয়া করা উত্তম। আল্লাহ তাআলার নির্দেশও এমন।<br />
তিনি বলেন, ‘তোমরা স্বীয় প্রতিপালককে ডাক<br />
কাকুতি মিনতি করে এবং অতিগোপনে। তিনি সীমা<br />
অতিক্রমকারীদের পছন্দ করেন না। পৃথিবীকে<br />
কুসংস্কারমুক্ত ও ঠিক করার পর তাতে ফাসাদ সৃষ্টি<br />
করো না। তাকে ডাক, ভয় ও আশা সহকারে। নিশ্চয়<br />
আল্লাহর দয়া ও করুনা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।<br />
(সুরা আরাফ : আয়াত ৫৫-৫৬)<br />
&gt;&gt; দোয়া করতে হবে পরিপূর্ণ ইখলাছ তথা একাগ্রতার<br />
সঙ্গে। কেননা আল্লাহ তাঁর বান্দাকে উদ্দেশ্য করে<br />
বলেন, ‘তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতিত আর কোনো<br />
ইলাহ নেই। অতএব তাকে ডাক (তাঁর নিকট চাও)<br />
একনিষ্ঠ ইবাদতের মাধ্যম (সুরা মুমিন : আয়াত ৬৬)<br />
&gt;&gt; মানুষের সব চেয়ে বড় দোয়া হলে ধৈর্য ও নামাজ।<br />
আল্লাহ তাআলা কুরআনের অনেক জায়গায় ধৈর্য<br />
এবং নামাজের মাধ্যমে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা<br />
করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। আল্লাহ বলেন,<br />
তোমরা নামাজ এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আমার কাছে<br />
সাহায্য চাও। এবং বিনীতগণ ব্যতিত আর সকলের<br />
নিকট নিশ্চিতভাবে উভয়টি (নামাজ ও ধৈর্য) অত্যন্ত<br />
কঠিন। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৪৫)<br />
&gt;&gt; প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম<br />
তাঁর উম্মতের জন্য দোয়া কবুলে চমৎকার<br />
দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। হজরত আনাস<br />
রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ<br />
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,<br />
যখন তোমরা দোয়া করবে তখন প্রার্থিত (কাঙ্ক্ষিত)<br />
জিনিস লাভের বিষয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস রাখবে এবং<br />
বলবে হে আল্লাহ! যদি তুমি চাও আমাকে প্রদান কর,<br />
কেননা তোমাকে (আল্লাহ) বাধ্যকারী কেউ নেই।<br />
(বুখারি)<br />
সর্বোপরি কথা হলো-<br />
কুরআন ও হাদিসের দিক-নির্দেশনা মেনে আল্লাহ<br />
তাআলার নিকট দোয়া করাই বান্দার একান্ত<br />
দায়িত্ব ও কর্তব্য। বান্দা যখন সঠিক নিয়মে<br />
একনিষ্ঠতার সঙ্গে আল্লাহ তাআলার নিকট কোনো<br />
জিনিস কামনা করে; আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তা<br />
দিতে কার্পণ্য করেন না। হাদিসের ভাষায়- বরং<br />
বান্দা যখন আল্লাহ তাআলঅর নিকট কোনো কিছু<br />
প্রার্থনা করেন; তখন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে<br />
ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।<br />
সুতরাং আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআন<br />
সুন্নাহ মোতাবেক দোয়া করার তাওফিক দান করুন।<br />
বাস্তব জীবনে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক জীবন<br />
পরিচালনার তাওফিক দান করুন। মুসলিম উম্মাহকে<br />
দুনিয়া ও পরকালের সফলতা দান করুন। আমিন।<br />
সূত্রঃ জাগো নিউজ]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পবিত্র শব-ই–বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2901</link>
			<pubDate>Thu, 11 May 2017 17:13:45 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2901</guid>
			<description><![CDATA[আজ পবিত্র শব-ই-বরাত বা লাইলাতুল বরাত। শাবান মাসের<br />
<br />
১৫ তারিখে শবে বরাতের রাত্রী বলে ঘোষনা করা হয়। শব<br />
<br />
শব্দটি ফার্সি যার অর্থ রাত আর বরাত শব্দের অর্থ ভাগ্য।<br />
<br />
বিশেষ এ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা আগামী এক বছরের<br />
<br />
জন্য মানুষের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় নির্ধারণসহ<br />
<br />
তার সৃষ্ট জীবের ওপর অসীম রহমত নাজিল করে থাকেন<br />
<br />
বলে এ রাতকে শবেবরাত বা ভাগ্যরজনী বলা হয়।<br />
<br />
এক হাদিসে উল্লেখ আছে, ব্যাভিচারী ও মুশরিক ছাড়া<br />
<br />
আর সবার মনোবাসনা এই রাতে পূরণ করা হবে। তাই এই<br />
<br />
সৌভাগ্যের রাতে আমরা যেন একটু কষ্ট করে আল্লাহর<br />
<br />
দরবারে হাত উঠাই। রহমত চাই, মাগফেরাত চাই, উন্নতি চাই<br />
<br />
আমাদের দেশ, দেশের মানুষ, নিজের পরিবার, আত্বীয়-<br />
<br />
স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের জন্য।<br />
<br />
এই রাত্রী হল ক্ষমা প্রার্থনার জন্য এক উত্তম রাত্রী, যার<br />
<br />
ফজীলত হাজার রাতের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এ রাতে<br />
<br />
বান্দা তার সকল পাপ কাজের ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য<br />
<br />
আল্লাহর আরশ উন্মুক্ত পাবে। তাই আমাদের উচিত এই<br />
<br />
রাতে বেশী বেশী ইবাদত করা, নফল নামাজ পড়া, জিকির<br />
<br />
করা, কুরআন পাঠ করা। এই দিনে সূর্য অস্তমিত হওয়ার সাথে<br />
<br />
সাথে আল্লাহ পাকের নূর সর্বনিম্ন আকাশে অবতীর্ণ হয়<br />
<br />
এবং বলা হয়- কে আছ গুনাহ মাফ করাতে চাও? কে আছ<br />
<br />
তার মনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাতে চাও? কে আছ তার রুজী<br />
<br />
বৃদ্ধি করাতে চাও? কে আছ তার রোগ, শোক, দুঃখ কষ্ট দূর<br />
<br />
করাতে চাও? এরূপ ঘোষণার সময় যদি কোন বান্দা হাত<br />
<br />
তুলে মুনাজাত কর।<br />
<br />
শব-ই-বরাতের নামাজ: সাধারণ নফল নামাজের মতই এই<br />
<br />
নামাজ। যা দুই রাকাত বিশিষ্ট। যত খুশি পড়া যায়। এশার<br />
<br />
নামাজ শেষ করে বেতের নামাজ পড়ার আগে এই নামাজ<br />
<br />
পড়া শুরু করা হয়। সূরা ফাতিহার সাথে যে কোন সূরা<br />
<br />
মিলিয়ে এই নামাজ পড়া যায়। অনেকে সূরা ফাতিহার<br />
<br />
সাথে সূরা ইখলাস বেজোড় সংখ্যক বার মিলিয়ে পড়েন।<br />
<br />
৩, ৫, ৭, ৯, ১১ বার ইত্যাদি। পড়তে পারেন কিন্তু লক্ষ্য<br />
<br />
রাখবেন ভুল যেন না হয়।<br />
<br />
তবে সূরা ফাতিহার সাথে সাধারণ ছোট ছোট সূরা<br />
<br />
মিলিয়ে পড়াই উত্তম।<br />
<br />
শব-ই-বরাতের নামাজের নিয়ত: আপনি যে নামাজ পড়ার<br />
<br />
উদ্দেশ্যে দাড়িয়েছেন মানের মধ্যে এমন ভাব আনলেই<br />
<br />
আপনার নিয়ত হয়ে যাবে। আরবি, বাংলা যে কোন<br />
<br />
ভাষাতেই নিয়ত করতে পারেন। বাংলায় নিয়ত করলে এই<br />
<br />
ভাবে করতে পারেনঃ ‘শব-ই-বরাতের দুই রাকাত নফল<br />
<br />
নামাজ কিবলামুখী হয়ে পড়ছি, আল্লাহু আকবর।’<br />
<br />
সতর্কতা: মনে রাখতে হবে ফরজ নফলের চেয়ে অনেক বড়।<br />
<br />
শব-ই-বরাতের নামাজ যেহেতু নফল সেহেতু নফল পড়তে<br />
<br />
পড়তে ফরজ পড়া ভুলে গেলে বা ঘুমের কারণে পড়তে না<br />
<br />
পারলে কিন্তু সবই শেষ। অর্থাৎ নফল নামাজ পড়ে পড়ে<br />
<br />
ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন আর এই দিকে ফজরের নামাজ<br />
<br />
পড়তে পারলেন না। সাবধান এ যেন না হয়। ভাল হয় শব-ই-<br />
<br />
বরাতের নফল শেষ করে বেতের নামাজ পড়ে এরপর ফজর<br />
<br />
পড়া। যাই করেন নামাজ পড়েন আর ঘুমান সমস্যা নেই, ঠিক<br />
<br />
সময় মত উঠে ফজর নামাজ যেন পড়তে পারেন সেই দিকে<br />
<br />
খেয়াল রাখবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আজ পবিত্র শব-ই-বরাত বা লাইলাতুল বরাত। শাবান মাসের<br />
<br />
১৫ তারিখে শবে বরাতের রাত্রী বলে ঘোষনা করা হয়। শব<br />
<br />
শব্দটি ফার্সি যার অর্থ রাত আর বরাত শব্দের অর্থ ভাগ্য।<br />
<br />
বিশেষ এ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা আগামী এক বছরের<br />
<br />
জন্য মানুষের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় নির্ধারণসহ<br />
<br />
তার সৃষ্ট জীবের ওপর অসীম রহমত নাজিল করে থাকেন<br />
<br />
বলে এ রাতকে শবেবরাত বা ভাগ্যরজনী বলা হয়।<br />
<br />
এক হাদিসে উল্লেখ আছে, ব্যাভিচারী ও মুশরিক ছাড়া<br />
<br />
আর সবার মনোবাসনা এই রাতে পূরণ করা হবে। তাই এই<br />
<br />
সৌভাগ্যের রাতে আমরা যেন একটু কষ্ট করে আল্লাহর<br />
<br />
দরবারে হাত উঠাই। রহমত চাই, মাগফেরাত চাই, উন্নতি চাই<br />
<br />
আমাদের দেশ, দেশের মানুষ, নিজের পরিবার, আত্বীয়-<br />
<br />
স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের জন্য।<br />
<br />
এই রাত্রী হল ক্ষমা প্রার্থনার জন্য এক উত্তম রাত্রী, যার<br />
<br />
ফজীলত হাজার রাতের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এ রাতে<br />
<br />
বান্দা তার সকল পাপ কাজের ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য<br />
<br />
আল্লাহর আরশ উন্মুক্ত পাবে। তাই আমাদের উচিত এই<br />
<br />
রাতে বেশী বেশী ইবাদত করা, নফল নামাজ পড়া, জিকির<br />
<br />
করা, কুরআন পাঠ করা। এই দিনে সূর্য অস্তমিত হওয়ার সাথে<br />
<br />
সাথে আল্লাহ পাকের নূর সর্বনিম্ন আকাশে অবতীর্ণ হয়<br />
<br />
এবং বলা হয়- কে আছ গুনাহ মাফ করাতে চাও? কে আছ<br />
<br />
তার মনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাতে চাও? কে আছ তার রুজী<br />
<br />
বৃদ্ধি করাতে চাও? কে আছ তার রোগ, শোক, দুঃখ কষ্ট দূর<br />
<br />
করাতে চাও? এরূপ ঘোষণার সময় যদি কোন বান্দা হাত<br />
<br />
তুলে মুনাজাত কর।<br />
<br />
শব-ই-বরাতের নামাজ: সাধারণ নফল নামাজের মতই এই<br />
<br />
নামাজ। যা দুই রাকাত বিশিষ্ট। যত খুশি পড়া যায়। এশার<br />
<br />
নামাজ শেষ করে বেতের নামাজ পড়ার আগে এই নামাজ<br />
<br />
পড়া শুরু করা হয়। সূরা ফাতিহার সাথে যে কোন সূরা<br />
<br />
মিলিয়ে এই নামাজ পড়া যায়। অনেকে সূরা ফাতিহার<br />
<br />
সাথে সূরা ইখলাস বেজোড় সংখ্যক বার মিলিয়ে পড়েন।<br />
<br />
৩, ৫, ৭, ৯, ১১ বার ইত্যাদি। পড়তে পারেন কিন্তু লক্ষ্য<br />
<br />
রাখবেন ভুল যেন না হয়।<br />
<br />
তবে সূরা ফাতিহার সাথে সাধারণ ছোট ছোট সূরা<br />
<br />
মিলিয়ে পড়াই উত্তম।<br />
<br />
শব-ই-বরাতের নামাজের নিয়ত: আপনি যে নামাজ পড়ার<br />
<br />
উদ্দেশ্যে দাড়িয়েছেন মানের মধ্যে এমন ভাব আনলেই<br />
<br />
আপনার নিয়ত হয়ে যাবে। আরবি, বাংলা যে কোন<br />
<br />
ভাষাতেই নিয়ত করতে পারেন। বাংলায় নিয়ত করলে এই<br />
<br />
ভাবে করতে পারেনঃ ‘শব-ই-বরাতের দুই রাকাত নফল<br />
<br />
নামাজ কিবলামুখী হয়ে পড়ছি, আল্লাহু আকবর।’<br />
<br />
সতর্কতা: মনে রাখতে হবে ফরজ নফলের চেয়ে অনেক বড়।<br />
<br />
শব-ই-বরাতের নামাজ যেহেতু নফল সেহেতু নফল পড়তে<br />
<br />
পড়তে ফরজ পড়া ভুলে গেলে বা ঘুমের কারণে পড়তে না<br />
<br />
পারলে কিন্তু সবই শেষ। অর্থাৎ নফল নামাজ পড়ে পড়ে<br />
<br />
ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন আর এই দিকে ফজরের নামাজ<br />
<br />
পড়তে পারলেন না। সাবধান এ যেন না হয়। ভাল হয় শব-ই-<br />
<br />
বরাতের নফল শেষ করে বেতের নামাজ পড়ে এরপর ফজর<br />
<br />
পড়া। যাই করেন নামাজ পড়েন আর ঘুমান সমস্যা নেই, ঠিক<br />
<br />
সময় মত উঠে ফজর নামাজ যেন পড়তে পারেন সেই দিকে<br />
<br />
খেয়াল রাখবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[শবে বরাতে পালনীয় আমলসমূহ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2897</link>
			<pubDate>Thu, 11 May 2017 06:44:30 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2897</guid>
			<description><![CDATA[শবে বরাতে নেক আমলের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য ও পুণ্য অর্জনের এক মহান সুযোগ আসে মুমিন-মুসলমানের সামনে। বছরের বিরতিতে আগত পর্বটির করণীয় আমল সম্পর্কে স্বাভাবিক কারণেই অনেকে ভ্রমের শিকার হন। তাই এ বিষয়ে আলোকপাত করা জরুরি।<br />
<br />
<br />
<br />
নামাজ ও রোজা<br />
<br />
১৫ শাবানের রাতে নফল নামাজ আদায় করা এবং দিনের বেলাতে নফল রোজা রাখার বিষয়ে হজরত আলী (রা.) থেকে একটি প্রসিদ্ধ হাদিস রয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন মধ্য শাবানের রাত আসবে, তোমরা রাতে নফল নামাজ আদায় করবে আর দিনের বেলায় রোজা পালন করবে। কেননা, এ রাতে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, আছে কি কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো; আছে কি কোনো রিজিক প্রার্থনাকারী, আমি তাকে রিজিক দান করব; আছে কি কোনো বিপদাপন্ন, আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্তি দান করব। এভাবে তিনি সূর্যোদয় পর্যন্ত আহ্বান করতে থাকেন। (ইবনে মাযা, হাদিস : ১৩৮৯)<br />
<br />
<br />
<br />
শবেবরাতের রাতের নামাজ ও দিনের রোজা উভয়টিই নফল। নফলের নিয়তেই রাখতে হবে। যার যে কয় রাকাত পড়তে ভালো লাগে এবং যিনি যে সূরা দিয়ে পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তিনি সেভাবেই পড়বেন। তবে অতি অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে যে, সারা রাত নফল নামাজ পড়ে ফজরের ফরজ নামাজ কাজা করলে সারা রাতের ইবাদত কোনো কাজে আসবে না।<br />
<br />
<br />
<br />
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত<br />
<br />
শবেবরাতে নফল নামাজ পড়তে পড়তে ক্লান্তি এসে গেলে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা যেতে পারে। কোরআন তিলাওয়াতকে মহানবী (সা.) সর্বোত্তম জিকির বলে অভিহিত করেছেন। কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াবও সীমাহীন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করবে, তাকে ১০টি নেকি দান করা হবে। আর প্রতিটি নেকিকে ১০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৯১০)<br />
<br />
<br />
<br />
কবর জিয়ারত<br />
<br />
শবেবরাতে কবর জিয়ারত করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এ রাতে জান্নাতুল বাকিতে গিয়েছেন বলে হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে প্রমাণ পাওয়া যায়। তা ছাড়া কবর জিয়ারত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুমার দিন তার পিতা-মাতা উভয়ের অথবা তাদের যেকোনো একজনের কবর জিয়ারত করবে এবং তাদের কাছে দাঁড়িয়ে সূরা ইয়াসীন পাঠ করবে, মহান আল্লাহ তাকে আয়াতের সমপরিমাণ পাপ ক্ষমা করে দেবেন। (তারতীবুল আমানি, হাদিস : ২০০৪)<br />
<br />
<br />
<br />
দরুদ শরিফ পাঠ করা<br />
<br />
মহিমান্বিত এ রাতে বিশেষভাবে দরুদ শরিফ পাঠ করা যেতে পারে। দরুদ শরিফ পাঠ করা এমনিতেই খুব ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। মহান আল্লাহ সূরা আল-আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াতে মুমিনদের নবী করিম (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পড়বে, মহান আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, তার ১০টি গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। (আমালুল ইআওমি ওয়াল লাইলাতি, হাদিস : ৩৬৩)]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[শবে বরাতে নেক আমলের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য ও পুণ্য অর্জনের এক মহান সুযোগ আসে মুমিন-মুসলমানের সামনে। বছরের বিরতিতে আগত পর্বটির করণীয় আমল সম্পর্কে স্বাভাবিক কারণেই অনেকে ভ্রমের শিকার হন। তাই এ বিষয়ে আলোকপাত করা জরুরি।<br />
<br />
<br />
<br />
নামাজ ও রোজা<br />
<br />
১৫ শাবানের রাতে নফল নামাজ আদায় করা এবং দিনের বেলাতে নফল রোজা রাখার বিষয়ে হজরত আলী (রা.) থেকে একটি প্রসিদ্ধ হাদিস রয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন মধ্য শাবানের রাত আসবে, তোমরা রাতে নফল নামাজ আদায় করবে আর দিনের বেলায় রোজা পালন করবে। কেননা, এ রাতে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, আছে কি কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো; আছে কি কোনো রিজিক প্রার্থনাকারী, আমি তাকে রিজিক দান করব; আছে কি কোনো বিপদাপন্ন, আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্তি দান করব। এভাবে তিনি সূর্যোদয় পর্যন্ত আহ্বান করতে থাকেন। (ইবনে মাযা, হাদিস : ১৩৮৯)<br />
<br />
<br />
<br />
শবেবরাতের রাতের নামাজ ও দিনের রোজা উভয়টিই নফল। নফলের নিয়তেই রাখতে হবে। যার যে কয় রাকাত পড়তে ভালো লাগে এবং যিনি যে সূরা দিয়ে পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তিনি সেভাবেই পড়বেন। তবে অতি অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে যে, সারা রাত নফল নামাজ পড়ে ফজরের ফরজ নামাজ কাজা করলে সারা রাতের ইবাদত কোনো কাজে আসবে না।<br />
<br />
<br />
<br />
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত<br />
<br />
শবেবরাতে নফল নামাজ পড়তে পড়তে ক্লান্তি এসে গেলে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা যেতে পারে। কোরআন তিলাওয়াতকে মহানবী (সা.) সর্বোত্তম জিকির বলে অভিহিত করেছেন। কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াবও সীমাহীন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করবে, তাকে ১০টি নেকি দান করা হবে। আর প্রতিটি নেকিকে ১০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৯১০)<br />
<br />
<br />
<br />
কবর জিয়ারত<br />
<br />
শবেবরাতে কবর জিয়ারত করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এ রাতে জান্নাতুল বাকিতে গিয়েছেন বলে হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে প্রমাণ পাওয়া যায়। তা ছাড়া কবর জিয়ারত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। হজরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুমার দিন তার পিতা-মাতা উভয়ের অথবা তাদের যেকোনো একজনের কবর জিয়ারত করবে এবং তাদের কাছে দাঁড়িয়ে সূরা ইয়াসীন পাঠ করবে, মহান আল্লাহ তাকে আয়াতের সমপরিমাণ পাপ ক্ষমা করে দেবেন। (তারতীবুল আমানি, হাদিস : ২০০৪)<br />
<br />
<br />
<br />
দরুদ শরিফ পাঠ করা<br />
<br />
মহিমান্বিত এ রাতে বিশেষভাবে দরুদ শরিফ পাঠ করা যেতে পারে। দরুদ শরিফ পাঠ করা এমনিতেই খুব ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। মহান আল্লাহ সূরা আল-আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াতে মুমিনদের নবী করিম (সা.)-এর ওপর দরুদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পড়বে, মহান আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, তার ১০টি গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। (আমালুল ইআওমি ওয়াল লাইলাতি, হাদিস : ৩৬৩)]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কুফরী কি? কোন কাজ মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়? কুফরীর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানি আমরা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2884</link>
			<pubDate>Sat, 06 May 2017 16:18:28 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=639">bdyousufctg</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2884</guid>
			<description><![CDATA[<a href="https://bdyousufctg.blogspot.com/2017/05/blog-post_5.html?m=1" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">	<br />
কুফরী কি? কোন কাজ মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়? কুফরীর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানি আমরা। <br />
মে ০৫, ২০১৭<br />
আসসালামুআলাইকুম।<br />
সবাই কেমন আছেন?<br />
<br />
আল্লাহর রহমতে আমি ভাল আছি।<br />
কুফরীর সংজ্ঞা :<br />
<br />
কুফরীর আভিধানিক অর্থ আবৃত করা ও গোপন করা। আর শরীয়তের<br />
<br />
পরিভাষায় ঈমানের বিপরীত অবস্থানকে কুফরী বলা হয়।কেননা কুফরী<br />
<br />
হচ্ছে আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান না রাখা, চাই তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন<br />
<br />
করা হোক কিংবা না হোক। বরং তাদের ব্যাপারে কোন প্রকার সংশয় ও<br />
<br />
সন্দেহ, উপেক্ষা কিংবা ঈর্ষা, অহংকার কিংবা রাসূলের অনুসরণের প্রতিবন্ধক<br />
<br />
কোন প্রবৃত্তির অনুসরণ কুফরীর হুকুমে কোন পরিবর্তন আনয়ন<br />
<br />
করবেনা। যদিও তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী বড় কাফির হিসাবে<br />
<br />
বিবেচিত। অনুরূপভাবে ঐ অস্বীকারকারী ও বড় কাফির, যে অন্তরে<br />
<br />
রাসূলগণের সত্যতার প্রতি বিশ্বাস রাখা সত্ত্বেও হিংসাবশতঃ মিথ্যা সাব্যস্ত<br />
<br />
করে থাকে। [মাজমু আল ফাতওয়া, ৩৩৫]<br />
<br />
কুফরীর প্রকারভেদ :<br />
<br />
কুফুরী দুই প্রকার ।<br />
<br />
প্রথম প্রকার : বড় কুফরী<br />
<br />
এ প্রকারের কুফুরী মুসলমান ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের<br />
<br />
করে দেয়। এটি আবার পাঁচ ভাগে বিভক্ত:<br />
<br />
১* মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল আল্লাহর বাণী:<br />
<br />
ﻭَﻣَﻦْ ﺃَﻇْﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓْﺘَﺮَﻯ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻭْ ﻛَﺬَّﺏَ ﺑِﺎﻟْﺤَﻖِّ ﻟَﻤَّﺎ ﺟَﺎﺀَﻩُ ﺃَﻟَﻴْﺲَ ﻓِﻲ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣَﺜْﻮًﻯ ﻟِﻠْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﴿<br />
<br />
৬৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻌﻨﻜﺒﻮﺕ<br />
<br />
‘যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা রচনা করে, অথবা তার কাছে সত্য আসার<br />
<br />
পর তাকে অস্বীকার করে, তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে? জাহান্নামই<br />
<br />
কি এইসব কাফিরের আবাস নয়? [সূরা আনকাবুত, ৬৮]<br />
<br />
২* মনে বিশ্বাস রেখেও অস্বীকার অহংকারশতঃ কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল আল্লাহর বাণী:<br />
<br />
ﻭَﺇِﺫْ ﻗُﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤَﻠَﺎﺋِﻜَﺔِ ﺍﺳْﺠُﺪُﻭﺍ ﻟِﺂَﺩَﻡَ ﻓَﺴَﺠَﺪُﻭﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﺇِﺑْﻠِﻴﺲَ ﺃَﺑَﻰ ﻭَﺍﺳْﺘَﻜْﺒَﺮَ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﴿ ৩৪ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ<br />
<br />
‘যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, আদমকে সেজদা কর, তখন<br />
<br />
ইবলীস ব্যতীত সকলেই সিজদা করল, সে অমান্য করল ও অহংকার করল।<br />
<br />
সুতরাং সে কাফিরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল। [সূরা বাকারা ২:৩৪]<br />
<br />
৩* সংশয়জনিত কুফুরী:<br />
<br />
একে ধারণাজনিত কুফরী ও বলা হয়। এর দলীল আল্লাহ তাআলার বাণী:<br />
<br />
ﻭَﺩَﺧَﻞَ ﺟَﻨَّﺘَﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻇَﺎﻟِﻢٌ ﻟِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺃَﻥْ ﺗَﺒِﻴﺪَ ﻫَﺬِﻩِ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﴿ ৩৫ ﴾ ﻭَﻣَﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔَ ﻗَﺎﺋِﻤَﺔً ﻭَﻟَﺌِﻦْ ﺭُﺩِﺩْﺕُ<br />
<br />
ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺄَﺟِﺪَﻥَّ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻣُﻨْﻘَﻠَﺒًﺎ ﴿ ৩৬﴾ ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺻَﺎﺣِﺒُﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻳُﺤَﺎﻭِﺭُﻩُ ﺃَﻛَﻔَﺮْﺕَ ﺑِﺎﻟَّﺬِﻱ ﺧَﻠَﻘَﻚَ ﻣِﻦْ ﺗُﺮَﺍﺏٍ ﺛُﻢَّ<br />
<br />
ﻣِﻦْ ﻧُﻄْﻔَﺔٍ ﺛُﻢَّ ﺳَﻮَّﺍﻙَ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﴿ ৩৭ ﴾ ﻟَﻜِﻨَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑِّﻲ ﻭَﻟَﺎ ﺃُﺷْﺮِﻙُ ﺑِﺮَﺑِّﻲ ﺃَﺣَﺪًﺍ ﴿ ৩৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻜﻬﻒ<br />
<br />
‘নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বলল,<br />
<br />
আমার মনে হয়না যে, এ বাগান কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে। আর আমি মনে<br />
<br />
করিনা যে, কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি আমার পালনকর্তার কাছে<br />
<br />
আমাকে পৌঁছে দেয়া হয়ই, তবে তো আমি নিশ্চয়ই এর চেয়ে উৎকৃষ্ট<br />
<br />
স্থান পাব। তদুত্তরে তার সাথী তাকে বলল, তুমি কি তাকে অস্বীকার<br />
<br />
করছ, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর পূর্ণাঙ্গ<br />
<br />
করেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে? কিন্তু আল্লাহই আমার পালনকর্তা এবং<br />
<br />
আমি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক করিনা। [সূরা কাহাফ,৩৫-৩৮]<br />
<br />
৪* উপেক্ষা প্রদর্শন ও মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল আল্লাহর বাণী:<br />
<br />
ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻋَﻤَّﺎ ﺃُﻧْﺬِﺭُﻭﺍ ﻣُﻌْﺮِﺿُﻮﻥَ ﴿ ৩﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻷﺣﻘﺎﻑ<br />
<br />
‘আর কাফিররা যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে, তা থেকে মুখ<br />
<br />
ফিরিয়ে নেয়। [সূরা আহক্বাফ,০৩]<br />
<br />
৫* নিফাকী ও কপটতার কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল হল:<br />
<br />
ﺫَﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢْ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﺛُﻢَّ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻓَﻄُﺒِﻊَ ﻋَﻠَﻰ ﻗُﻠُﻮﺑِﻬِﻢْ ﻓَﻬُﻢْ ﻟَﺎ ﻳَﻔْﻘَﻬُﻮﻥَ ﴿ ৩﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻤﻨﺎﻓﻘﻮﻥ<br />
<br />
এটা এজন্যে যে, তারা ঈমান আনবার পর কুফরী করেছে। ফলে তাদের<br />
<br />
অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে। অতএব তারা বুঝে না। [সূরা<br />
<br />
মুনাফিকুন, ০৩]<br />
<br />
দ্বিতীয় প্রকার: ছোট কুফরী<br />
<br />
এ প্রকারের কুফরী মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিস্কৃত করেনা। একে<br />
<br />
‘আমলী কুফরী’ ও বলা হয়। ছোট কুফরী দ্বারা সে সব গোনাহের<br />
<br />
কাজকেই বুঝানো হয়েছে, কুরআন ও সুন্নায় যাকে কুফরী নামে<br />
<br />
অভিহিত করা হয়েছে। এ ধরনের কুফুরী বড় কুফরীর সমপর্যায়ের<br />
<br />
নামে। যেমন আল্লাহর নিয়ামতের কুফরী করা যা নিম্নোক্ত আয়াতে<br />
<br />
উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
<br />
ﻭَﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻗَﺮْﻳَﺔً ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺁَﻣِﻨَﺔً ﻣُﻄْﻤَﺌِﻨَّﺔً ﻳَﺄْﺗِﻴﻬَﺎ ﺭِﺯْﻗُﻬَﺎ ﺭَﻏَﺪًﺍ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﻣَﻜَﺎﻥٍ ﻓَﻜَﻔَﺮَﺕْ ﺑِﺄَﻧْﻌُﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﺄَﺫَﺍﻗَﻬَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ<br />
<br />
ﻟِﺒَﺎﺱَ ﺍﻟْﺠُﻮﻉِ ﻭَﺍﻟْﺨَﻮْﻑِ ﺑِﻤَﺎ ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﺼْﻨَﻌُﻮﻥَ ﴿ ১১২﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻨﺤﻞ<br />
<br />
‘আল্লাহ দৃষ্টান্ত দিয়েছেন এমন এক জনপদের, যা ছিল নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত।<br />
<br />
তথায় প্রত্যেক স্থান হতে আসত প্রচুর রিযিক ও জীবিকা। অতঃপর সে<br />
<br />
জনপদের লোকেরা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞা প্রকাশ<br />
<br />
করল।’ [সূরা নাহল, ১১২]<br />
<br />
এক মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়াও এ ধরনের<br />
<br />
কুফরীর অন্তর্গত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:<br />
<br />
ﺳِﺒَﺎﺏُ ﺍﻟﻤُﺴْﻠﻢِ ﻓُﺴُﻮْﻕٌ ﻭَﻗِﺘَﺎﻟُﻪُ ﻛُﻔْﺮٌ .<br />
<br />
‘কোন মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী কাজ। আর তার সাথে যুদ্ধ করা<br />
<br />
কুফুরী। [বুখারী , মুসলিম]<br />
<br />
তিনি আরো বলেন:<br />
<br />
ﻟَﺎ ﺗَﺮْﺟِﻌُﻮْﺍ ﺑَﻌْﺪِﻱْ ﻛُﻔَّﺎﺭﺍً , ﻳَﻀْﺮِﺏُ ﺑَﻌْﻀُﻜُﻢْ ﺭِﻗَﺎﺏَ ﺑَﻌْﺾٍ .<br />
<br />
‘আমার পর তোমরা পুনরায় কাফির হয়ে যেওনা, যাতে তোমরা একে<br />
<br />
অপরের গর্দান উড়িয়ে দেবে। [বুখারী, মুসলিম]<br />
<br />
গায়রুল্লাহর নামে কসম ও এ কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি<br />
<br />
ওয়া সাল্লাম বলেন:<br />
<br />
ﻣَﻦْ ﺣَﻠَﻒَ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺍﻟﻠﻪِ ﻛَﻔَﺮَ ﺃﻭْ ﺃﺷْﺮَﻙَ .<br />
<br />
‘যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহর নামে কসম করল। সে কুফরী কিংবা শিরক করল।<br />
<br />
[তিরমিযী, হাকেম]<br />
<br />
কবীরা গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তিকে আল্লাহ মুমিন হিসাবে গণ্য<br />
<br />
করেছেন। তিনি বলেন:<br />
<br />
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢُ ﺍﻟْﻘِﺼَﺎﺹُ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻘَﺘْﻠَﻰ ﴿ ১৭৮﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ<br />
<br />
‘হে ঈমানদার গণ! তোমাদের উপর নিহতদের ব্যাপারে ক্বিসাস গ্রহণ করা<br />
<br />
ফরয করা হয়েছে।’ [সূরা বাকারা, ১৭৮]<br />
<br />
এখানে হত্যাকারীকে ঈমানদারদের দল থেকে বের করে দেয়া হয়নি।<br />
<br />
বরং তাকে ক্বিসাসের অলী তথা ক্বিসাস গ্রহণকারীর ভাই হিসাবে গণ্য করা<br />
<br />
হয়েছে। আল্লাহ বলেন:<br />
<br />
…. ﻓَﻤَﻦْ ﻋُﻔِﻲَ ﻟَﻪُ ﻣِﻦْ ﺃَﺧِﻴﻪِ ﺷَﻲْﺀٌ ﻓَﺎﺗِّﺒَﺎﻉٌ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ ﻭَﺃَﺩَﺍﺀٌ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺑِﺈِﺣْﺴَﺎﻥٍ …. ﴿ ১৭৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ<br />
<br />
‘অত:পর হত্যাকারীকে তার(নিহত) ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কিছুটা মাফ<br />
<br />
করে দেয়া হয়, তবে (নিহতের ওয়ারিসগণ) প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ<br />
<br />
করবে এবং (হত্যাকারী) উত্তমভাবে তাকে তা প্রদান করবে। ’ [সূরা বাকারা,<br />
<br />
১৭৮]<br />
<br />
নিঃসন্দেহে ভাইদ্বারা এখানে দ্বীনী ভাই বুঝানো উদ্দেশ্য। অন্য<br />
<br />
আয়াতে আল্লাহ বলেন:<br />
<br />
ﻭَﺇِﻥْ ﻃَﺎﺋِﻔَﺘَﺎﻥِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﺍﻗْﺘَﺘَﻠُﻮﺍ ﻓَﺄَﺻْﻠِﺤُﻮﺍ ﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﴿ ৯ ﴾<br />
<br />
‘মুমিনদরে দুই দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যে<br />
<br />
মীমাংসা করে দাও। [সূরা হুজরাত, ০৯]<br />
<br />
এর পরের আয়াতে আল্লাহ বলেন:<br />
<br />
ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨُﻮﻥَ ﺇِﺧْﻮَﺓٌ ﻓَﺄَﺻْﻠِﺤُﻮﺍ ﺑَﻴْﻦَ ﺃَﺧَﻮَﻳْﻜُﻢْ ﴿ ১০ ﴾<br />
<br />
‘মুমিনরা তো পরস্পর ভাইÑভাই, অতএব তোমরা তোমাদের দু‘ভাইয়ের<br />
<br />
মধ্যে মীমাংসা কর’। [সূরা হুজরাত, ১০]<br />
<br />
সার কথা:<br />
<br />
১# বড় কুফরী ইসলামী মিল্লাত থেকে বের করে দেয় এবং<br />
<br />
আমলসমূহ নষ্ট করে দেয়। পক্ষান্তরে ছোট কুফরী ইসলামী<br />
<br />
মিল্লাত থেকে বের করেনা এবং আমল ও নষ্ট করে না। তবে তা<br />
<br />
তদনুযায়ী আমলে ত্রুটি সৃষ্টি করে এবং লিপ্ত ব্যক্তিকে শাস্তির<br />
<br />
মুখোমুখি করে।<br />
<br />
২# বড় কুফরীতে লিপ্ত ব্যক্তি চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান<br />
<br />
করবে। কিন্তু ছোট কুফরীর কাজে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ<br />
<br />
করলেও তাতে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবেনা। বরং কখনো আল্লাহ<br />
<br />
তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। ফলে সে মোটেই জাহান্নামে<br />
<br />
প্রবেশ করবেনা।<br />
<br />
৩# বড় কুফরীতে লিপ্ত হলে ব্যক্তির জান মাল মুসলমানদের জন্য বৈধ<br />
<br />
হয়ে যায়। অথচ ছোট কুফরীতে লিপ্ত হলে জান মাল বৈধ হয়না।<br />
<br />
৪# বড় কুফরীর ফলে মুমিন ও অত্র কুফরীতে লিপ্ত ব্যক্তির মধ্যে<br />
<br />
প্রকৃত শত্রুতা সৃষ্টি হওয়া অপরিহার্য হয়ে যায়। তাই সে ব্যাক্তি যত<br />
<br />
নিকটাত্বীয়ই হোক না কেন, তাকে ভালবাসা ও তার সাথে বন্ধত্ব স্থাপন<br />
<br />
করা মুমিনদের জন্য কখনোই বৈধ নয়। পক্ষান্তরে ছোট কুফরীতে<br />
<br />
লিপ্ত ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনে কোন বাধা নেই। বরং তার মধ্যে<br />
<br />
যতটুকু ঈমান রয়েছে সে পরিমান তাকে ভালবাসা ও তার সাথে বন্ধুত্ব করা<br />
<br />
উচিত এবং যতটুকু নাফরমানী তার মধ্যে আছে, তার প্রতি ততটুকু পরিমান ঘৃণা<br />
<br />
ও বিদ্বেষভাব পোষণ করা যেতে পারে। </a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<a href="https://bdyousufctg.blogspot.com/2017/05/blog-post_5.html?m=1" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">	<br />
কুফরী কি? কোন কাজ মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়? কুফরীর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানি আমরা। <br />
মে ০৫, ২০১৭<br />
আসসালামুআলাইকুম।<br />
সবাই কেমন আছেন?<br />
<br />
আল্লাহর রহমতে আমি ভাল আছি।<br />
কুফরীর সংজ্ঞা :<br />
<br />
কুফরীর আভিধানিক অর্থ আবৃত করা ও গোপন করা। আর শরীয়তের<br />
<br />
পরিভাষায় ঈমানের বিপরীত অবস্থানকে কুফরী বলা হয়।কেননা কুফরী<br />
<br />
হচ্ছে আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান না রাখা, চাই তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন<br />
<br />
করা হোক কিংবা না হোক। বরং তাদের ব্যাপারে কোন প্রকার সংশয় ও<br />
<br />
সন্দেহ, উপেক্ষা কিংবা ঈর্ষা, অহংকার কিংবা রাসূলের অনুসরণের প্রতিবন্ধক<br />
<br />
কোন প্রবৃত্তির অনুসরণ কুফরীর হুকুমে কোন পরিবর্তন আনয়ন<br />
<br />
করবেনা। যদিও তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী বড় কাফির হিসাবে<br />
<br />
বিবেচিত। অনুরূপভাবে ঐ অস্বীকারকারী ও বড় কাফির, যে অন্তরে<br />
<br />
রাসূলগণের সত্যতার প্রতি বিশ্বাস রাখা সত্ত্বেও হিংসাবশতঃ মিথ্যা সাব্যস্ত<br />
<br />
করে থাকে। [মাজমু আল ফাতওয়া, ৩৩৫]<br />
<br />
কুফরীর প্রকারভেদ :<br />
<br />
কুফুরী দুই প্রকার ।<br />
<br />
প্রথম প্রকার : বড় কুফরী<br />
<br />
এ প্রকারের কুফুরী মুসলমান ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের<br />
<br />
করে দেয়। এটি আবার পাঁচ ভাগে বিভক্ত:<br />
<br />
১* মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল আল্লাহর বাণী:<br />
<br />
ﻭَﻣَﻦْ ﺃَﻇْﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓْﺘَﺮَﻯ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻭْ ﻛَﺬَّﺏَ ﺑِﺎﻟْﺤَﻖِّ ﻟَﻤَّﺎ ﺟَﺎﺀَﻩُ ﺃَﻟَﻴْﺲَ ﻓِﻲ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣَﺜْﻮًﻯ ﻟِﻠْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﴿<br />
<br />
৬৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻌﻨﻜﺒﻮﺕ<br />
<br />
‘যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা কথা রচনা করে, অথবা তার কাছে সত্য আসার<br />
<br />
পর তাকে অস্বীকার করে, তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে? জাহান্নামই<br />
<br />
কি এইসব কাফিরের আবাস নয়? [সূরা আনকাবুত, ৬৮]<br />
<br />
২* মনে বিশ্বাস রেখেও অস্বীকার অহংকারশতঃ কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল আল্লাহর বাণী:<br />
<br />
ﻭَﺇِﺫْ ﻗُﻠْﻨَﺎ ﻟِﻠْﻤَﻠَﺎﺋِﻜَﺔِ ﺍﺳْﺠُﺪُﻭﺍ ﻟِﺂَﺩَﻡَ ﻓَﺴَﺠَﺪُﻭﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﺇِﺑْﻠِﻴﺲَ ﺃَﺑَﻰ ﻭَﺍﺳْﺘَﻜْﺒَﺮَ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ ﴿ ৩৪ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ<br />
<br />
‘যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, আদমকে সেজদা কর, তখন<br />
<br />
ইবলীস ব্যতীত সকলেই সিজদা করল, সে অমান্য করল ও অহংকার করল।<br />
<br />
সুতরাং সে কাফিরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল। [সূরা বাকারা ২:৩৪]<br />
<br />
৩* সংশয়জনিত কুফুরী:<br />
<br />
একে ধারণাজনিত কুফরী ও বলা হয়। এর দলীল আল্লাহ তাআলার বাণী:<br />
<br />
ﻭَﺩَﺧَﻞَ ﺟَﻨَّﺘَﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻇَﺎﻟِﻢٌ ﻟِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺃَﻥْ ﺗَﺒِﻴﺪَ ﻫَﺬِﻩِ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﴿ ৩৫ ﴾ ﻭَﻣَﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺍﻟﺴَّﺎﻋَﺔَ ﻗَﺎﺋِﻤَﺔً ﻭَﻟَﺌِﻦْ ﺭُﺩِﺩْﺕُ<br />
<br />
ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺄَﺟِﺪَﻥَّ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻣُﻨْﻘَﻠَﺒًﺎ ﴿ ৩৬﴾ ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺻَﺎﺣِﺒُﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻳُﺤَﺎﻭِﺭُﻩُ ﺃَﻛَﻔَﺮْﺕَ ﺑِﺎﻟَّﺬِﻱ ﺧَﻠَﻘَﻚَ ﻣِﻦْ ﺗُﺮَﺍﺏٍ ﺛُﻢَّ<br />
<br />
ﻣِﻦْ ﻧُﻄْﻔَﺔٍ ﺛُﻢَّ ﺳَﻮَّﺍﻙَ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﴿ ৩৭ ﴾ ﻟَﻜِﻨَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑِّﻲ ﻭَﻟَﺎ ﺃُﺷْﺮِﻙُ ﺑِﺮَﺑِّﻲ ﺃَﺣَﺪًﺍ ﴿ ৩৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻜﻬﻒ<br />
<br />
‘নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার বাগানে প্রবেশ করল। সে বলল,<br />
<br />
আমার মনে হয়না যে, এ বাগান কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে। আর আমি মনে<br />
<br />
করিনা যে, কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি আমার পালনকর্তার কাছে<br />
<br />
আমাকে পৌঁছে দেয়া হয়ই, তবে তো আমি নিশ্চয়ই এর চেয়ে উৎকৃষ্ট<br />
<br />
স্থান পাব। তদুত্তরে তার সাথী তাকে বলল, তুমি কি তাকে অস্বীকার<br />
<br />
করছ, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর পূর্ণাঙ্গ<br />
<br />
করেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে? কিন্তু আল্লাহই আমার পালনকর্তা এবং<br />
<br />
আমি কাউকে আমার পালনকর্তার সাথে শরীক করিনা। [সূরা কাহাফ,৩৫-৩৮]<br />
<br />
৪* উপেক্ষা প্রদর্শন ও মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল আল্লাহর বাণী:<br />
<br />
ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻋَﻤَّﺎ ﺃُﻧْﺬِﺭُﻭﺍ ﻣُﻌْﺮِﺿُﻮﻥَ ﴿ ৩﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻷﺣﻘﺎﻑ<br />
<br />
‘আর কাফিররা যে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে, তা থেকে মুখ<br />
<br />
ফিরিয়ে নেয়। [সূরা আহক্বাফ,০৩]<br />
<br />
৫* নিফাকী ও কপটতার কুফরী:<br />
<br />
এর দলীল হল:<br />
<br />
ﺫَﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢْ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﺛُﻢَّ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﻓَﻄُﺒِﻊَ ﻋَﻠَﻰ ﻗُﻠُﻮﺑِﻬِﻢْ ﻓَﻬُﻢْ ﻟَﺎ ﻳَﻔْﻘَﻬُﻮﻥَ ﴿ ৩﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻤﻨﺎﻓﻘﻮﻥ<br />
<br />
এটা এজন্যে যে, তারা ঈমান আনবার পর কুফরী করেছে। ফলে তাদের<br />
<br />
অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে। অতএব তারা বুঝে না। [সূরা<br />
<br />
মুনাফিকুন, ০৩]<br />
<br />
দ্বিতীয় প্রকার: ছোট কুফরী<br />
<br />
এ প্রকারের কুফরী মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিস্কৃত করেনা। একে<br />
<br />
‘আমলী কুফরী’ ও বলা হয়। ছোট কুফরী দ্বারা সে সব গোনাহের<br />
<br />
কাজকেই বুঝানো হয়েছে, কুরআন ও সুন্নায় যাকে কুফরী নামে<br />
<br />
অভিহিত করা হয়েছে। এ ধরনের কুফুরী বড় কুফরীর সমপর্যায়ের<br />
<br />
নামে। যেমন আল্লাহর নিয়ামতের কুফরী করা যা নিম্নোক্ত আয়াতে<br />
<br />
উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
<br />
ﻭَﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻗَﺮْﻳَﺔً ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺁَﻣِﻨَﺔً ﻣُﻄْﻤَﺌِﻨَّﺔً ﻳَﺄْﺗِﻴﻬَﺎ ﺭِﺯْﻗُﻬَﺎ ﺭَﻏَﺪًﺍ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﻣَﻜَﺎﻥٍ ﻓَﻜَﻔَﺮَﺕْ ﺑِﺄَﻧْﻌُﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﺄَﺫَﺍﻗَﻬَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ<br />
<br />
ﻟِﺒَﺎﺱَ ﺍﻟْﺠُﻮﻉِ ﻭَﺍﻟْﺨَﻮْﻑِ ﺑِﻤَﺎ ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﺼْﻨَﻌُﻮﻥَ ﴿ ১১২﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﻨﺤﻞ<br />
<br />
‘আল্লাহ দৃষ্টান্ত দিয়েছেন এমন এক জনপদের, যা ছিল নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত।<br />
<br />
তথায় প্রত্যেক স্থান হতে আসত প্রচুর রিযিক ও জীবিকা। অতঃপর সে<br />
<br />
জনপদের লোকেরা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞা প্রকাশ<br />
<br />
করল।’ [সূরা নাহল, ১১২]<br />
<br />
এক মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়াও এ ধরনের<br />
<br />
কুফরীর অন্তর্গত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:<br />
<br />
ﺳِﺒَﺎﺏُ ﺍﻟﻤُﺴْﻠﻢِ ﻓُﺴُﻮْﻕٌ ﻭَﻗِﺘَﺎﻟُﻪُ ﻛُﻔْﺮٌ .<br />
<br />
‘কোন মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী কাজ। আর তার সাথে যুদ্ধ করা<br />
<br />
কুফুরী। [বুখারী , মুসলিম]<br />
<br />
তিনি আরো বলেন:<br />
<br />
ﻟَﺎ ﺗَﺮْﺟِﻌُﻮْﺍ ﺑَﻌْﺪِﻱْ ﻛُﻔَّﺎﺭﺍً , ﻳَﻀْﺮِﺏُ ﺑَﻌْﻀُﻜُﻢْ ﺭِﻗَﺎﺏَ ﺑَﻌْﺾٍ .<br />
<br />
‘আমার পর তোমরা পুনরায় কাফির হয়ে যেওনা, যাতে তোমরা একে<br />
<br />
অপরের গর্দান উড়িয়ে দেবে। [বুখারী, মুসলিম]<br />
<br />
গায়রুল্লাহর নামে কসম ও এ কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি<br />
<br />
ওয়া সাল্লাম বলেন:<br />
<br />
ﻣَﻦْ ﺣَﻠَﻒَ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺍﻟﻠﻪِ ﻛَﻔَﺮَ ﺃﻭْ ﺃﺷْﺮَﻙَ .<br />
<br />
‘যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহর নামে কসম করল। সে কুফরী কিংবা শিরক করল।<br />
<br />
[তিরমিযী, হাকেম]<br />
<br />
কবীরা গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তিকে আল্লাহ মুমিন হিসাবে গণ্য<br />
<br />
করেছেন। তিনি বলেন:<br />
<br />
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢُ ﺍﻟْﻘِﺼَﺎﺹُ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻘَﺘْﻠَﻰ ﴿ ১৭৮﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ<br />
<br />
‘হে ঈমানদার গণ! তোমাদের উপর নিহতদের ব্যাপারে ক্বিসাস গ্রহণ করা<br />
<br />
ফরয করা হয়েছে।’ [সূরা বাকারা, ১৭৮]<br />
<br />
এখানে হত্যাকারীকে ঈমানদারদের দল থেকে বের করে দেয়া হয়নি।<br />
<br />
বরং তাকে ক্বিসাসের অলী তথা ক্বিসাস গ্রহণকারীর ভাই হিসাবে গণ্য করা<br />
<br />
হয়েছে। আল্লাহ বলেন:<br />
<br />
…. ﻓَﻤَﻦْ ﻋُﻔِﻲَ ﻟَﻪُ ﻣِﻦْ ﺃَﺧِﻴﻪِ ﺷَﻲْﺀٌ ﻓَﺎﺗِّﺒَﺎﻉٌ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ ﻭَﺃَﺩَﺍﺀٌ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺑِﺈِﺣْﺴَﺎﻥٍ …. ﴿ ১৭৮ ﴾ ﺳﻮﺭﺓ ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ<br />
<br />
‘অত:পর হত্যাকারীকে তার(নিহত) ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কিছুটা মাফ<br />
<br />
করে দেয়া হয়, তবে (নিহতের ওয়ারিসগণ) প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ<br />
<br />
করবে এবং (হত্যাকারী) উত্তমভাবে তাকে তা প্রদান করবে। ’ [সূরা বাকারা,<br />
<br />
১৭৮]<br />
<br />
নিঃসন্দেহে ভাইদ্বারা এখানে দ্বীনী ভাই বুঝানো উদ্দেশ্য। অন্য<br />
<br />
আয়াতে আল্লাহ বলেন:<br />
<br />
ﻭَﺇِﻥْ ﻃَﺎﺋِﻔَﺘَﺎﻥِ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﺍﻗْﺘَﺘَﻠُﻮﺍ ﻓَﺄَﺻْﻠِﺤُﻮﺍ ﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﴿ ৯ ﴾<br />
<br />
‘মুমিনদরে দুই দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যে<br />
<br />
মীমাংসা করে দাও। [সূরা হুজরাত, ০৯]<br />
<br />
এর পরের আয়াতে আল্লাহ বলেন:<br />
<br />
ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨُﻮﻥَ ﺇِﺧْﻮَﺓٌ ﻓَﺄَﺻْﻠِﺤُﻮﺍ ﺑَﻴْﻦَ ﺃَﺧَﻮَﻳْﻜُﻢْ ﴿ ১০ ﴾<br />
<br />
‘মুমিনরা তো পরস্পর ভাইÑভাই, অতএব তোমরা তোমাদের দু‘ভাইয়ের<br />
<br />
মধ্যে মীমাংসা কর’। [সূরা হুজরাত, ১০]<br />
<br />
সার কথা:<br />
<br />
১# বড় কুফরী ইসলামী মিল্লাত থেকে বের করে দেয় এবং<br />
<br />
আমলসমূহ নষ্ট করে দেয়। পক্ষান্তরে ছোট কুফরী ইসলামী<br />
<br />
মিল্লাত থেকে বের করেনা এবং আমল ও নষ্ট করে না। তবে তা<br />
<br />
তদনুযায়ী আমলে ত্রুটি সৃষ্টি করে এবং লিপ্ত ব্যক্তিকে শাস্তির<br />
<br />
মুখোমুখি করে।<br />
<br />
২# বড় কুফরীতে লিপ্ত ব্যক্তি চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান<br />
<br />
করবে। কিন্তু ছোট কুফরীর কাজে লিপ্ত ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ<br />
<br />
করলেও তাতে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থান করবেনা। বরং কখনো আল্লাহ<br />
<br />
তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। ফলে সে মোটেই জাহান্নামে<br />
<br />
প্রবেশ করবেনা।<br />
<br />
৩# বড় কুফরীতে লিপ্ত হলে ব্যক্তির জান মাল মুসলমানদের জন্য বৈধ<br />
<br />
হয়ে যায়। অথচ ছোট কুফরীতে লিপ্ত হলে জান মাল বৈধ হয়না।<br />
<br />
৪# বড় কুফরীর ফলে মুমিন ও অত্র কুফরীতে লিপ্ত ব্যক্তির মধ্যে<br />
<br />
প্রকৃত শত্রুতা সৃষ্টি হওয়া অপরিহার্য হয়ে যায়। তাই সে ব্যাক্তি যত<br />
<br />
নিকটাত্বীয়ই হোক না কেন, তাকে ভালবাসা ও তার সাথে বন্ধত্ব স্থাপন<br />
<br />
করা মুমিনদের জন্য কখনোই বৈধ নয়। পক্ষান্তরে ছোট কুফরীতে<br />
<br />
লিপ্ত ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনে কোন বাধা নেই। বরং তার মধ্যে<br />
<br />
যতটুকু ঈমান রয়েছে সে পরিমান তাকে ভালবাসা ও তার সাথে বন্ধুত্ব করা<br />
<br />
উচিত এবং যতটুকু নাফরমানী তার মধ্যে আছে, তার প্রতি ততটুকু পরিমান ঘৃণা<br />
<br />
ও বিদ্বেষভাব পোষণ করা যেতে পারে। </a>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কবর দৈনিক পাঁচটি জিনিস মানুষের কাছে অনুরোধ করে।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2747</link>
			<pubDate>Mon, 20 Mar 2017 03:16:52 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2747</guid>
			<description><![CDATA[মানুষের কাছে অনুরোধ করে?<br />
–<br />
১. আমি একাকী ঘর, সংগী নিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- সংগী হলো কোরআন!<br />
<br />
–<br />
<br />
২.আমি অন্ধকার ঘর, বাতি নিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- বাতি হলো রাতের নামাজ!<br />
<br />
–<br />
<br />
৩. আমি মাটির ঘর, বিছানা নিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- বিছানা হলো নেক আমল!<br />
<br />
–<br />
<br />
৪. আমি সাপ বিচ্ছুর ঘর, বিষের<br />
<br />
ঔষধনিয়ে এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- ঔষধ হলো দান সদকা!<br />
<br />
–<br />
<br />
৫. আমি প্রশ্নের ঘর, উত্তরনিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- উত্তর হলো কলেমা ও জিকির!<br />
<br />
–<br />
<br />
………..ধন্যবাদ সবাইকে……….]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মানুষের কাছে অনুরোধ করে?<br />
–<br />
১. আমি একাকী ঘর, সংগী নিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- সংগী হলো কোরআন!<br />
<br />
–<br />
<br />
২.আমি অন্ধকার ঘর, বাতি নিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- বাতি হলো রাতের নামাজ!<br />
<br />
–<br />
<br />
৩. আমি মাটির ঘর, বিছানা নিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- বিছানা হলো নেক আমল!<br />
<br />
–<br />
<br />
৪. আমি সাপ বিচ্ছুর ঘর, বিষের<br />
<br />
ঔষধনিয়ে এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- ঔষধ হলো দান সদকা!<br />
<br />
–<br />
<br />
৫. আমি প্রশ্নের ঘর, উত্তরনিয়ে<br />
<br />
এসো?<br />
<br />
–<br />
<br />
উঃ- উত্তর হলো কলেমা ও জিকির!<br />
<br />
–<br />
<br />
………..ধন্যবাদ সবাইকে……….]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মাগরিবের নামাজের আগে কি ঘরের জানালা বন্ধ করতে হবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2719</link>
			<pubDate>Sun, 19 Mar 2017 04:21:02 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2719</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : মাগরিবের ওয়াক্তের ১০-১৫ মিনিট আগে ও পরে কি সব দরজা-জানালা বন্ধ রাখা ও বাইরে ঘোরাফেরা না করা উচিত? <br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : না। এটি কোনো বিধান নয়। এটা হয়তো এলাকার কোনো প্রচলন হতে পারে। এটি ব্যক্তিগত বিধান হতে পারে, ইসলামের কোনো বিধান নয়।<br />
<br />
<br />
<br />
মাগরিবের ওয়াক্তের ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে দরজা, জানালা সব বন্ধ করে দিতে হবে বা তারপর বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না—এগুলো কোনো বিধান নয়। এগুলো আমরা লোকজ যেসব বক্তব্য আছে, সেগুলো থেকে শুনেছি। এর কোনো ভিত্তি নেই। তবে মশার হাত থেকে বাঁচার জন্য অনেকে মাগরিবের আগে দরজা জানালা বন্ধ করে দেয়। সেটা একটি বাস্তব কারণে। এটা মাগরিবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয় নয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : মাগরিবের ওয়াক্তের ১০-১৫ মিনিট আগে ও পরে কি সব দরজা-জানালা বন্ধ রাখা ও বাইরে ঘোরাফেরা না করা উচিত? <br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : না। এটি কোনো বিধান নয়। এটা হয়তো এলাকার কোনো প্রচলন হতে পারে। এটি ব্যক্তিগত বিধান হতে পারে, ইসলামের কোনো বিধান নয়।<br />
<br />
<br />
<br />
মাগরিবের ওয়াক্তের ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে দরজা, জানালা সব বন্ধ করে দিতে হবে বা তারপর বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না—এগুলো কোনো বিধান নয়। এগুলো আমরা লোকজ যেসব বক্তব্য আছে, সেগুলো থেকে শুনেছি। এর কোনো ভিত্তি নেই। তবে মশার হাত থেকে বাঁচার জন্য অনেকে মাগরিবের আগে দরজা জানালা বন্ধ করে দেয়। সেটা একটি বাস্তব কারণে। এটা মাগরিবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয় নয়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিসমিল্লাহ আসলে কি এবং এর ফযিলত!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2718</link>
			<pubDate>Sun, 19 Mar 2017 04:20:32 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2718</guid>
			<description><![CDATA[পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহ সুবহানাওয়াতায়ালার। দরুদ ও সালাম আল্লহর প্রেরিত রসূল (সাঃ) এর প্রতি।<br />
<br />
<br />
<br />
তাফসীর-ই-ইবনে আবি হাতিমে রয়েছে যে, হযরত ওসমান বিন আফফান (রাঃ) রাসূল (সাঃ) কে 'বিসমিল্লাহ' সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেনঃ 'এতো আল্লাহতায়ালার নাম। আল্লাহর বড় নাম এবং এই বিসমিল্লাহ এর মধ্যে এতদূর নৈকট্য রয়েছে যেমন রয়েছে চক্ষুর কালো অংশ ও সাদা অংশের মধ্যে।'<br />
<br />
<br />
<br />
ইবনে মরদুওয়াই এর তাফসিরে রয়েছে যে; রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ 'আমার উপর এমন একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে যার মত আয়াত হযরত সোলাইমান ছাড়া অন্য কোন নবীর উপর অবতীর্ণ হয় নাই। আয়াতটি হল "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"।'<br />
<br />
<br />
<br />
হযরত জাবির (রাঃ) বর্নণা করেন যে, যখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন পূর্ব দিকে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়, বায়ুমন্ডলী স্তব্ধ হয়ে যায়, তরঙ্গ বিক্ষুব্দ সমুদ্র প্রশান্ত হয়ে উঠে, জন্তু গুলো কান লাগিয়ে মনযোগ সহকারে শুনতে থাকে, আকাশ থেকে অগ্নিশিখা নিক্ষিপ্ত হয়ে শয়তানকে বিতারন করে এবং বিশ্ব প্রভু স্বীয় সন্মান ও মর্যাদার কছম করে বলেনঃ 'যে জিনিসের উপর আমার এ নাম নেওয়া যাবে তাতে অবশ্যই বরকত হবে।'<br />
<br />
<br />
<br />
হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন যে, দোযখের ১৯টি দারোগার হাত হতে যে বাঁচতে চায় সে যেন 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' পাঠ করে। এতেও ঘটেছে ১৯টি অক্ষরের সমাবেশ। প্রত্যেকটি অক্ষর প্রত্যেক ফেরেশতার জন্য রক্ষক হিসেবে কাজ করবে।'<br />
<br />
<br />
<br />
মুসনাদ-ই-আহমাদের মধ্যে রয়েছে, রাসূল (সাঃ) এর সোয়ারীর উপর তাঁর পিছনে যে সাহাবী (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন তাঁর বর্ণনাটি এইঃ 'রাসুল (সাঃ) এর উষ্ট্রীটির কিছু পদস্খলন ঘটলে (হোঁচট খেলে) আমি বললাম যে শয়তানের সর্বনাশ হোক।<br />
<br />
<br />
<br />
তখন তিনি বললেন, এরূপ বলোনা, এতে শয়তান গর্বভরে ফুলে উঠে এবং মনে করে যে, যেন সে-ই স্বীয় শক্তির বলে ফেলে দিয়েছে। তবে হাঁ 'বিসমিল্লাহ' বলাতে সে মাছির মত লাঞ্ছিত ও হৃতগর্ব হয়ে পরে।' ইমাম-নাসাঈ (রঃ) স্বীয় কিতাব 'আমালুল ইয়াওমে ওয়াল লাইলাহ' এর মধ্যে এবং ইবনে মরদুওয়াই (রঃ) স্বীয় তাফসীরের মধ্যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং সাহাবীর নাম বলেছেন ওসামা-বিন-ওমায়ের (রাঃ)।<br />
<br />
<br />
<br />
হাদীসে আছে যে 'বিসমিল্লাহ' এর দ্বারা কাজ আরম্ভ করা না হয় তা কল্যাণহীন ও বরকত শূন্য থাকে।<br />
<br />
<br />
<br />
মুসনাদ-ই-আহমাদ এবং সুনানের মধ্যে রয়েছে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), হযরত সাঈদ বীন যায়েদ (রাঃ) এবং হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (সাঃ) বলেছেন - যে ব্যাক্তি ওযুর সময় বিসমিল্লাহ বলে না তার ওযু হয় না।<br />
<br />
<br />
<br />
রাসূল (সাঃ) হযরত ওমার বিন আবুসালামা (রাঃ) কে বলেনঃ 'বিসমিল্লাহ বলে খাও, ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনের দিক থেকে খেতে থাক।'<br />
<br />
<br />
<br />
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর অর্থঃ- 'পরম করুনাময় ও অসীম মেহেরবান আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।'<br />
<br />
<br />
<br />
ইবনুল মোবারাক বলেন, 'রহমান' তাঁকেই বলে যাঁর কাছে চাইলে তিনি দান করেন, আর 'রাহিম' তাঁকে বলে যাঁর কাছে না চাইলে তিনি রাগ্বান্বিত হন। জামে'উত তিরমিযীতে আছে যে, আল্লাহতায়ালার নিকট যে ব্যাক্তি চায় না তিনি তার প্রতি রাগ্বান্বিত হন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহ সুবহানাওয়াতায়ালার। দরুদ ও সালাম আল্লহর প্রেরিত রসূল (সাঃ) এর প্রতি।<br />
<br />
<br />
<br />
তাফসীর-ই-ইবনে আবি হাতিমে রয়েছে যে, হযরত ওসমান বিন আফফান (রাঃ) রাসূল (সাঃ) কে 'বিসমিল্লাহ' সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেনঃ 'এতো আল্লাহতায়ালার নাম। আল্লাহর বড় নাম এবং এই বিসমিল্লাহ এর মধ্যে এতদূর নৈকট্য রয়েছে যেমন রয়েছে চক্ষুর কালো অংশ ও সাদা অংশের মধ্যে।'<br />
<br />
<br />
<br />
ইবনে মরদুওয়াই এর তাফসিরে রয়েছে যে; রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ 'আমার উপর এমন একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে যার মত আয়াত হযরত সোলাইমান ছাড়া অন্য কোন নবীর উপর অবতীর্ণ হয় নাই। আয়াতটি হল "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"।'<br />
<br />
<br />
<br />
হযরত জাবির (রাঃ) বর্নণা করেন যে, যখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন পূর্ব দিকে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যায়, বায়ুমন্ডলী স্তব্ধ হয়ে যায়, তরঙ্গ বিক্ষুব্দ সমুদ্র প্রশান্ত হয়ে উঠে, জন্তু গুলো কান লাগিয়ে মনযোগ সহকারে শুনতে থাকে, আকাশ থেকে অগ্নিশিখা নিক্ষিপ্ত হয়ে শয়তানকে বিতারন করে এবং বিশ্ব প্রভু স্বীয় সন্মান ও মর্যাদার কছম করে বলেনঃ 'যে জিনিসের উপর আমার এ নাম নেওয়া যাবে তাতে অবশ্যই বরকত হবে।'<br />
<br />
<br />
<br />
হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন যে, দোযখের ১৯টি দারোগার হাত হতে যে বাঁচতে চায় সে যেন 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' পাঠ করে। এতেও ঘটেছে ১৯টি অক্ষরের সমাবেশ। প্রত্যেকটি অক্ষর প্রত্যেক ফেরেশতার জন্য রক্ষক হিসেবে কাজ করবে।'<br />
<br />
<br />
<br />
মুসনাদ-ই-আহমাদের মধ্যে রয়েছে, রাসূল (সাঃ) এর সোয়ারীর উপর তাঁর পিছনে যে সাহাবী (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন তাঁর বর্ণনাটি এইঃ 'রাসুল (সাঃ) এর উষ্ট্রীটির কিছু পদস্খলন ঘটলে (হোঁচট খেলে) আমি বললাম যে শয়তানের সর্বনাশ হোক।<br />
<br />
<br />
<br />
তখন তিনি বললেন, এরূপ বলোনা, এতে শয়তান গর্বভরে ফুলে উঠে এবং মনে করে যে, যেন সে-ই স্বীয় শক্তির বলে ফেলে দিয়েছে। তবে হাঁ 'বিসমিল্লাহ' বলাতে সে মাছির মত লাঞ্ছিত ও হৃতগর্ব হয়ে পরে।' ইমাম-নাসাঈ (রঃ) স্বীয় কিতাব 'আমালুল ইয়াওমে ওয়াল লাইলাহ' এর মধ্যে এবং ইবনে মরদুওয়াই (রঃ) স্বীয় তাফসীরের মধ্যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং সাহাবীর নাম বলেছেন ওসামা-বিন-ওমায়ের (রাঃ)।<br />
<br />
<br />
<br />
হাদীসে আছে যে 'বিসমিল্লাহ' এর দ্বারা কাজ আরম্ভ করা না হয় তা কল্যাণহীন ও বরকত শূন্য থাকে।<br />
<br />
<br />
<br />
মুসনাদ-ই-আহমাদ এবং সুনানের মধ্যে রয়েছে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), হযরত সাঈদ বীন যায়েদ (রাঃ) এবং হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (সাঃ) বলেছেন - যে ব্যাক্তি ওযুর সময় বিসমিল্লাহ বলে না তার ওযু হয় না।<br />
<br />
<br />
<br />
রাসূল (সাঃ) হযরত ওমার বিন আবুসালামা (রাঃ) কে বলেনঃ 'বিসমিল্লাহ বলে খাও, ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনের দিক থেকে খেতে থাক।'<br />
<br />
<br />
<br />
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর অর্থঃ- 'পরম করুনাময় ও অসীম মেহেরবান আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।'<br />
<br />
<br />
<br />
ইবনুল মোবারাক বলেন, 'রহমান' তাঁকেই বলে যাঁর কাছে চাইলে তিনি দান করেন, আর 'রাহিম' তাঁকে বলে যাঁর কাছে না চাইলে তিনি রাগ্বান্বিত হন। জামে'উত তিরমিযীতে আছে যে, আল্লাহতায়ালার নিকট যে ব্যাক্তি চায় না তিনি তার প্রতি রাগ্বান্বিত হন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠান করা কি জায়েজ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2717</link>
			<pubDate>Sun, 19 Mar 2017 04:19:49 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2717</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : আমাদের অঞ্চলে দেখা যায়, ছেলের সুন্নতে খতনায় বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়। মুখে ক্ষীর দেওয়া হয়। এটা করলে কি নাজায়েজ হবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : সুন্নতে খতনার এই অনুষ্ঠান একটি সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা। এটি শরিয়ার কোনো বিধান নয়। খতনা হলেই যে সুন্নাহ অনুষ্ঠান করতে হবে, এ রকম কোনো বিধান নেই।<br />
<br />
<br />
<br />
এটি একটি সামাজিক-লৌকিক আনুষ্ঠানিকতা, সৌন্দর্যের জন্য আনুষ্ঠানিকতা। যদি লৌকিক আনুষ্ঠানিকতা হয়, তাহলে এটি করতে কোনো বাধা নেই। এটাকে শরিয়া বা দ্বীনি কোনো বিধান দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, ইসলামে এর কোনো স্থান নেই। <br />
<br />
<br />
<br />
ইসলামে এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিকতার বিধান দেওয়া হয়নি।<br />
<br />
<br />
<br />
তবে কেউ যদি তাঁর ঘরে ২০ জন লোককে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ায়, এটা কিন্তু হারাম নয়। এটি জায়েজ ও উত্তম কাজ। <br />
<br />
<br />
<br />
এটি রাসূল (সা.)-এর সহিহ বুখারি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। এটি সে করতে পারে। কিন্তু এই খতনা উপলক্ষেই করতে হবে—এটি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এটি বাধ্যবাধকতার বিষয় নয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : আমাদের অঞ্চলে দেখা যায়, ছেলের সুন্নতে খতনায় বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়। মুখে ক্ষীর দেওয়া হয়। এটা করলে কি নাজায়েজ হবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : সুন্নতে খতনার এই অনুষ্ঠান একটি সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা। এটি শরিয়ার কোনো বিধান নয়। খতনা হলেই যে সুন্নাহ অনুষ্ঠান করতে হবে, এ রকম কোনো বিধান নেই।<br />
<br />
<br />
<br />
এটি একটি সামাজিক-লৌকিক আনুষ্ঠানিকতা, সৌন্দর্যের জন্য আনুষ্ঠানিকতা। যদি লৌকিক আনুষ্ঠানিকতা হয়, তাহলে এটি করতে কোনো বাধা নেই। এটাকে শরিয়া বা দ্বীনি কোনো বিধান দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, ইসলামে এর কোনো স্থান নেই। <br />
<br />
<br />
<br />
ইসলামে এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিকতার বিধান দেওয়া হয়নি।<br />
<br />
<br />
<br />
তবে কেউ যদি তাঁর ঘরে ২০ জন লোককে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ায়, এটা কিন্তু হারাম নয়। এটি জায়েজ ও উত্তম কাজ। <br />
<br />
<br />
<br />
এটি রাসূল (সা.)-এর সহিহ বুখারি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। এটি সে করতে পারে। কিন্তু এই খতনা উপলক্ষেই করতে হবে—এটি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এটি বাধ্যবাধকতার বিষয় নয়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রশ্ন : সুদ কেন হারাম?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2698</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:33:17 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2698</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : সুদ কেন হারাম?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন আর ব্যবসাকে হালাল করেছেন। সুদ অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়। কিছু লোক ধনী হতে থাকে আর কিছু লোক শেষ হয়ে যেতে থাকে। সুদকে আল্লাহতায়ালা এ জন্য হারাম করেছেন। এককথায় উত্তর হচ্ছে, সুদকে আল্লাহতায়ালা হারাম করেছেন। এ জন্য আমরা সুদকে হারাম মনে করি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : সুদ কেন হারাম?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন আর ব্যবসাকে হালাল করেছেন। সুদ অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়। কিছু লোক ধনী হতে থাকে আর কিছু লোক শেষ হয়ে যেতে থাকে। সুদকে আল্লাহতায়ালা এ জন্য হারাম করেছেন। এককথায় উত্তর হচ্ছে, সুদকে আল্লাহতায়ালা হারাম করেছেন। এ জন্য আমরা সুদকে হারাম মনে করি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নাপাকি দূর করতে কাপড় কতবার ধুতে হবে?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2697</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:32:46 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2697</guid>
			<description><![CDATA[নাপাকি দূর করতে কাপড় কতবার ধুতে হবে?<br />
প্রশ্ন : তরল নাপাকি কাপড় থেকে চলে গেছে কি না, সেটা আমরা তো ধোয়ার সময় বুঝতে পারি না। এ ক্ষেত্রে কীভাবে ধোয়া উচিত? ধোয়ার সময় কাপড় তিনবার নিংড়ানো কি সুন্নত? <br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : আপনি যখন কাপড় ধোবেন, তখন ভালো করে নিংড়ালেই যথেষ্ট হয়ে যাবে। নাপাকির কোনো ধরনের চিহ্ন যদি না থাকে, তাহলেই নাপাকি দূর হয়ে গেছে। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, সেটাকে তিনবার ধুয়ে নিলে আপনার সন্দেহ দূর হয়ে গেল। অসওয়াসা থেকে বাঁচার জন্য বিধান হলো তিনবার ধুয়ে নেওয়া। এটাকে কেউ কেউ মুস্তাহাবও বলেছেন। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু নিশ্চিত হতে হবে, নাপাকির যেন কোনো চিহ্ন না থাকে। নাপাকি থাকলে তিনবার ধুলেও কিন্তু আপনার কাপড় পাক হবে না। কারণ, আপনার লক্ষ্য অর্জিত হয়নি এবং সেটাকে আবার ধুতে হবে। এই নাপাকি দূর করাটাই হচ্ছে আপনার প্রথম শর্ত। তাহারাত হাসিল করার জন্য, পবিত্রতার জন্য এটাই হচ্ছে মূল শর্ত।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নাপাকি দূর করতে কাপড় কতবার ধুতে হবে?<br />
প্রশ্ন : তরল নাপাকি কাপড় থেকে চলে গেছে কি না, সেটা আমরা তো ধোয়ার সময় বুঝতে পারি না। এ ক্ষেত্রে কীভাবে ধোয়া উচিত? ধোয়ার সময় কাপড় তিনবার নিংড়ানো কি সুন্নত? <br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : আপনি যখন কাপড় ধোবেন, তখন ভালো করে নিংড়ালেই যথেষ্ট হয়ে যাবে। নাপাকির কোনো ধরনের চিহ্ন যদি না থাকে, তাহলেই নাপাকি দূর হয়ে গেছে। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, সেটাকে তিনবার ধুয়ে নিলে আপনার সন্দেহ দূর হয়ে গেল। অসওয়াসা থেকে বাঁচার জন্য বিধান হলো তিনবার ধুয়ে নেওয়া। এটাকে কেউ কেউ মুস্তাহাবও বলেছেন। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু নিশ্চিত হতে হবে, নাপাকির যেন কোনো চিহ্ন না থাকে। নাপাকি থাকলে তিনবার ধুলেও কিন্তু আপনার কাপড় পাক হবে না। কারণ, আপনার লক্ষ্য অর্জিত হয়নি এবং সেটাকে আবার ধুতে হবে। এই নাপাকি দূর করাটাই হচ্ছে আপনার প্রথম শর্ত। তাহারাত হাসিল করার জন্য, পবিত্রতার জন্য এটাই হচ্ছে মূল শর্ত।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে ফজরের ও মাগরিব নামাজের পর ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করুন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2696</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:32:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2696</guid>
			<description><![CDATA[জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে ফজরের ও মাগরিব নামাজের পর ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করুন<br />
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মাগারিবের নামাজ শেষ করে নফল আমল না করেই মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন নফল আমলে মগ্ন থাকেন। তবে যারা কোন নফল ইবাদত জানেন না। তারা ছোট্ট এই দোয়াটি জেনে নিয়তিম পাঠ করবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
দোয়াটি হলো : (সাত বার) اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ<br />
<br />
<br />
<br />
বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।<br />
<br />
<br />
<br />
অর্থ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও<br />
<br />
<br />
<br />
ফজিলত ও পড়ার নিয়ম : হজরত মুসলিম ইবনে হারেস তামিমি [রা.] বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কানে কানে বললেন, যখন মাগরিবের নামাজের সালাম ফেরাবে, তখন কারো সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাত বার পড়বে।<br />
<br />
<br />
<br />
যদি তুমি পড় আর ওই রাতেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে।<br />
<br />
<br />
<br />
ফজরের নামাজের পরও এ দোয়াটি একই নিয়মে সাতবার পড়বে।<br />
<br />
<br />
<br />
যদি তুমি পড়ে থাক আর ওই দিনেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে। [আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হিব্বান-২০২২]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে ফজরের ও মাগরিব নামাজের পর ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করুন<br />
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মাগারিবের নামাজ শেষ করে নফল আমল না করেই মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন নফল আমলে মগ্ন থাকেন। তবে যারা কোন নফল ইবাদত জানেন না। তারা ছোট্ট এই দোয়াটি জেনে নিয়তিম পাঠ করবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
দোয়াটি হলো : (সাত বার) اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ<br />
<br />
<br />
<br />
বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।<br />
<br />
<br />
<br />
অর্থ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও<br />
<br />
<br />
<br />
ফজিলত ও পড়ার নিয়ম : হজরত মুসলিম ইবনে হারেস তামিমি [রা.] বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কানে কানে বললেন, যখন মাগরিবের নামাজের সালাম ফেরাবে, তখন কারো সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাত বার পড়বে।<br />
<br />
<br />
<br />
যদি তুমি পড় আর ওই রাতেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে।<br />
<br />
<br />
<br />
ফজরের নামাজের পরও এ দোয়াটি একই নিয়মে সাতবার পড়বে।<br />
<br />
<br />
<br />
যদি তুমি পড়ে থাক আর ওই দিনেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে। [আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হিব্বান-২০২২]]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্ত থাকার দোয়া]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2695</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:31:54 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2695</guid>
			<description><![CDATA[শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্ত থাকার দোয়া<br />
আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর রহমতের কারণে ক্ষমা ও নাজাত দান করবেন। তারপরও কুরআন হাদিসে অসংখ্য আমল ও দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেছেন, ‘তোমার ঈমানকে খাঁটি কর; অল্প আমলই নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে।’<br />
<br />
<br />
<br />
যদিও মানুষ নিজ আমল দ্বারা আল্লাহর দরবারে ক্ষমা পাবে এমন চিন্তাভাবনা করা একেবারেই অমুলক। কারণ, এই ফেতনার যুগের যেখানে শিরকমুক্ত ঈমানের অধিকারী হওয়া অকেন কঠিন, সেখানে নিজের আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ছাড়া তার দরবারে নাজাত লাভ অসম্ভব।<br />
<br />
<br />
<br />
শয়তান মানুষের সবচেয়ে বড় ও প্রকাশ্য দুশমন। শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে বেঁচে থেকে মানুষ যদি তাঁর ঈমান খাঁটি করার সাথে সাথে সহিহ পদ্ধতিতে আমল করে তবে আল্লাহর রহমতে মুক্তি লাভের আশা করা যায়। শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্তি লাভের একটি সহজ দোয়া তুলে ধরা হলো-<br />
<br />
<br />
<br />
উচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু; লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির।’<br />
<br />
<br />
<br />
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; তিনি এক তার কোনো শরিক নেই। তারই জন্য রাজত্ব, তারই জন্য প্রশংসা। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।’<br />
<br />
<br />
<br />
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার এই ছোট্ট দোয়াটি পাড়বে, সে দশ জন ক্রীতদাস মুক্ত করার ছাওয়াব পাবে। তার আমল নামায় ১০০ পূণ্য লেখা হবে। <br />
<br />
<br />
<br />
তার ১০০ গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে। সে দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকবে। এর চেয়ে উত্তম আমল আর কেউ করতে পারবে না। কিন্তু তার কথা ভিন্ন, যে এর চেয়েও বেশি আমল করে।<br />
<br />
<br />
<br />
পরিশেষে…<br />
<br />
প্রতি দিন প্রত্যেক নামাজের পর উল্লেখিত এ দোয়টি ১০০ বার পাঠ করে এ অমূল্য ছাওয়াব লাভের পাশাপাশি ঈমানদারে সবচেয়ে বড় প্রকাশ্য দুশমন শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে মুক্ত থাকা জরুরি।<br />
<br />
<br />
<br />
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দৈনিন্দিন জীবনে বিশ্বনবির শিখানো আমলগুলো করার মাধ্যমে দুনিয়া ও পরকালীন জীবনের শান্তি ও কল্যাণ লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন। -জাগো নিউজ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্ত থাকার দোয়া<br />
আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর রহমতের কারণে ক্ষমা ও নাজাত দান করবেন। তারপরও কুরআন হাদিসে অসংখ্য আমল ও দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেছেন, ‘তোমার ঈমানকে খাঁটি কর; অল্প আমলই নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে।’<br />
<br />
<br />
<br />
যদিও মানুষ নিজ আমল দ্বারা আল্লাহর দরবারে ক্ষমা পাবে এমন চিন্তাভাবনা করা একেবারেই অমুলক। কারণ, এই ফেতনার যুগের যেখানে শিরকমুক্ত ঈমানের অধিকারী হওয়া অকেন কঠিন, সেখানে নিজের আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ছাড়া তার দরবারে নাজাত লাভ অসম্ভব।<br />
<br />
<br />
<br />
শয়তান মানুষের সবচেয়ে বড় ও প্রকাশ্য দুশমন। শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে বেঁচে থেকে মানুষ যদি তাঁর ঈমান খাঁটি করার সাথে সাথে সহিহ পদ্ধতিতে আমল করে তবে আল্লাহর রহমতে মুক্তি লাভের আশা করা যায়। শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্তি লাভের একটি সহজ দোয়া তুলে ধরা হলো-<br />
<br />
<br />
<br />
উচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু; লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির।’<br />
<br />
<br />
<br />
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; তিনি এক তার কোনো শরিক নেই। তারই জন্য রাজত্ব, তারই জন্য প্রশংসা। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।’<br />
<br />
<br />
<br />
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার এই ছোট্ট দোয়াটি পাড়বে, সে দশ জন ক্রীতদাস মুক্ত করার ছাওয়াব পাবে। তার আমল নামায় ১০০ পূণ্য লেখা হবে। <br />
<br />
<br />
<br />
তার ১০০ গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে। সে দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকবে। এর চেয়ে উত্তম আমল আর কেউ করতে পারবে না। কিন্তু তার কথা ভিন্ন, যে এর চেয়েও বেশি আমল করে।<br />
<br />
<br />
<br />
পরিশেষে…<br />
<br />
প্রতি দিন প্রত্যেক নামাজের পর উল্লেখিত এ দোয়টি ১০০ বার পাঠ করে এ অমূল্য ছাওয়াব লাভের পাশাপাশি ঈমানদারে সবচেয়ে বড় প্রকাশ্য দুশমন শয়তানের ধোঁকা ও প্রতারণা থেকে মুক্ত থাকা জরুরি।<br />
<br />
<br />
<br />
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দৈনিন্দিন জীবনে বিশ্বনবির শিখানো আমলগুলো করার মাধ্যমে দুনিয়া ও পরকালীন জীবনের শান্তি ও কল্যাণ লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন। -জাগো নিউজ]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[হাফ হাতা শার্ট বা গেঞ্জি পরে নামাজ হবে কি?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2694</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:31:10 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2694</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : ছেলেরা কি হাফ হাতা গেঞ্জি বা শার্ট পরে নামাজ পড়তে পারবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : হ্যাঁ, হাফ হাতা শার্ট অথবা গেঞ্জি অথবা টি-শার্ট যেগুলো আছে, সেগুলো পরে যদি কেউ সালাত আদায় করে, তাহলে হয়ে যাবে। সালাত না হওয়ার কোনো কারণ এখানে নেই। <br />
<br />
<br />
<br />
আর স্যান্ডো গেঞ্জি যেগুলো আছে, সেগুলো পরে যদি কেউ সালাত আদায় করেন, তাহলে তাঁর সালাত মাকরুহ হয়ে যাবে। কাঁধের ওপর যদি কোনো কাপড় দেওয়া থাকে বা চাদর দেওয়া থাকে, তাহলে তাঁর সালাত হয়ে যাবে। মূল কথা হলো, সালাতের সময় কাঁধ ঢাকতে হবে তাঁকে।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : ছেলেরা কি হাফ হাতা গেঞ্জি বা শার্ট পরে নামাজ পড়তে পারবে?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : হ্যাঁ, হাফ হাতা শার্ট অথবা গেঞ্জি অথবা টি-শার্ট যেগুলো আছে, সেগুলো পরে যদি কেউ সালাত আদায় করে, তাহলে হয়ে যাবে। সালাত না হওয়ার কোনো কারণ এখানে নেই। <br />
<br />
<br />
<br />
আর স্যান্ডো গেঞ্জি যেগুলো আছে, সেগুলো পরে যদি কেউ সালাত আদায় করেন, তাহলে তাঁর সালাত মাকরুহ হয়ে যাবে। কাঁধের ওপর যদি কোনো কাপড় দেওয়া থাকে বা চাদর দেওয়া থাকে, তাহলে তাঁর সালাত হয়ে যাবে। মূল কথা হলো, সালাতের সময় কাঁধ ঢাকতে হবে তাঁকে।<br />
<br />
<br />
<br />
সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মৃত সন্তান প্রসব হলে তার জানাজার বিধান কী?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2613</link>
			<pubDate>Sun, 12 Mar 2017 09:07:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2613</guid>
			<description><![CDATA[প্রশ্ন : মৃত সন্তান প্রসব হলে তার জানাজার বিধান কী?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : মৃত সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তার জানাজার নামাজ আদায় করতে হয় না। তাকে গোসল দিয়ে একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে দাফন করাই যথেষ্ট।<br />
<br />
<br />
<br />
[হিদায়া, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ১৮১; ফাতাওয়া আলমগীরি, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ১৭২]<br />
<br />
<br />
<br />
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রশ্ন : মৃত সন্তান প্রসব হলে তার জানাজার বিধান কী?<br />
<br />
<br />
<br />
উত্তর : মৃত সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তার জানাজার নামাজ আদায় করতে হয় না। তাকে গোসল দিয়ে একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে দাফন করাই যথেষ্ট।<br />
<br />
<br />
<br />
[হিদায়া, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ১৮১; ফাতাওয়া আলমগীরি, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ১৭২]<br />
<br />
<br />
<br />
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>