<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - বিজ্ঞান জগৎ]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 07:11:10 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[এ বছরই পৃথিবীর সঙ্গে গ্রহাণুর সংঘর্ষ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2977</link>
			<pubDate>Thu, 25 May 2017 15:37:09 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2977</guid>
			<description><![CDATA[এই দৃশ্যটি আমরা কল্পনা করতেই ভয় পাই যে, যদি কখনো আমাদের এই প্রাণপ্রিয় পৃথিবীর সঙ্গে বৃহৎ একটি মহাকাশীয় শিলার সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে এবং আমাদের এই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়?<br />
সত্যি বলতে পৃথিবীর সঙ্গে মহাকাশের অন্য কোনো গ্রহের সংঘর্ষ বাঁধবে-এটা আমরা ভাবতেও চাই না।<br />
কিন্ত আমরা ভাবতে না চাইলেও বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছেন যে, এই বছরের মধ্যেই এই ভয়ংকর দৃশ্যটি বাস্তবে রুপ নিতে পারে।<br />
নাসার একজন নেতৃস্থানীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী আগামী বছরের মধ্যে পৃথিবীর কাছাকাছি আসতে পারে এমন প্রত্যাশিত পাঁচটি গ্রহাণুর একটি তালিকা টুইট করেছেন। রন বালককে নামের ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাদেনার নাসা জেট প্রপ্লেশন ল্যাবরেটরির একজন স্পেস এক্সপ্লোরার এই উদ্বেগজনক পূর্বাভাসগুলো টুইট করেছেন।<br />
তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে এই পরিচিত গ্রহাণুগুলো পৃথিবীর খুব সন্নিকটে চলে আসবে। তখন এরা পৃথিবী থেকে পাঁচ লুনারেরও কম দূরত্বে অবস্থান করবে।<br />
বালককে এর মতে, এ ধরনের প্রথম ঘটনাটি ঘটবে আগামী ২৩ জুলাই যখন ৪০-৯০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণু ‘২০১৭ বিএস ৫’ পৃথিবী থেকে ৩.১৫ লুনার (৭৫২,৯৩৭ মাইল) দূরত্বে অবস্থান করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।<br />
তবে অনুমান করা হচ্ছে যে, সবচেয়ে বড় আঘাতটি আসবে আগামী ১২ অক্টোবর যখন ‘২০১২টিসি৪’ গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ০.১৫ লুনার (৩৫,৮২৮ মাইল) দূরত্বে চলে আসবে। যদিও সৌভাগ্যক্রমে গ্রহাণুটির ব্যাস মাত্র ১২-২৭ মিটার।<br />
আর অবশিষ্ট তিনটি আঘাত আসবে যথাক্রমে ৩ ডিসেম্বর, ২৪ ফেব্রুয়ারি এবং ২ এপ্রিল তারিখে।<br />
বস্তুত বিগত কয়েক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা এই গ্রহাণুর হুমকি মোকাবেলা করার চেষ্টা করার চেষ্টা করে আসছে, যা কিনা আমাদেরকে সামান্য বা কোনো সতর্কতা ছাড়াই এই পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে।<br />
যেমন ২০১৩ সালে কোনো সতর্ক বার্তা ছাড়াই রাশিয়ার চেলিয়াবিংক্সে একটি ৫৬ ফুট (১৭ মিটার) উল্কা আঘাত হানে যাতে ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়।<br />
এ লক্ষ্যেই হোয়াইট হাউস ‘ন্যাশনাল নিরীক্ষা-আর্থ অবজেক্ট প্রস্তুতির কৌশল’ নামে একটি অফিসিয়াল ডকুমেন্ট প্রকাশ করে, যাতে একটি উল্কা বা গ্রহাণু আমাদের দিকে ধেয়ে আসার পরিকল্পনা বর্ণনা করা হয় এবং এটি দেখায় যে আমরা এখনো প্রস্তুত নই।<br />
ডকুমেন্টটিতে বিদ্যমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পদের সমন্বয় সাধন এবং বর্তমান ক্ষমতায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতাগুলো যোগ করে পৃথিবীর কাছাকাছি বস্তুর (এনইও) প্রভাবগুলোর মোকাবেলা করার জন্য আমাদের জাতীয় প্রস্তুতির উন্নতি করার কথা বলা হয়েছে।<br />
এই ডকুমেন্টটি বড় এবং ছোট উভয় এনইও দ্বারা পরিচালিত ঝুঁকিকে হ্রাস করার এবং পরিচালনার চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একটি পদক্ষেপ।<br />
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং হাইটেক-স্পেস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে চায়, যা হুমকিকে ধ্বংস করতে পারে।<br />
গত বছরের শেষেই নাসা সতর্ক করেছিল যে, আমরা গ্রহাণু আঘাত মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত নই।<br />
গত ডিসেম্বরে আমেরিকান জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নের বার্ষিক সভায় ম্যারিল্যান্ডের নাসার গডডার স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের একজন গবেষক ড. জোসেফ নথ এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মূলত এই মুহূর্তে এটি মোকাবেলা করতে আমাদের তেমন কিছুই করার নেই।<br />
তবে ডকুমেন্টটিতে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ সমস্যা মোকাবেলায় ভবিষ্যতে দেশগুলোর একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এই দৃশ্যটি আমরা কল্পনা করতেই ভয় পাই যে, যদি কখনো আমাদের এই প্রাণপ্রিয় পৃথিবীর সঙ্গে বৃহৎ একটি মহাকাশীয় শিলার সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে এবং আমাদের এই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়?<br />
সত্যি বলতে পৃথিবীর সঙ্গে মহাকাশের অন্য কোনো গ্রহের সংঘর্ষ বাঁধবে-এটা আমরা ভাবতেও চাই না।<br />
কিন্ত আমরা ভাবতে না চাইলেও বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছেন যে, এই বছরের মধ্যেই এই ভয়ংকর দৃশ্যটি বাস্তবে রুপ নিতে পারে।<br />
নাসার একজন নেতৃস্থানীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী আগামী বছরের মধ্যে পৃথিবীর কাছাকাছি আসতে পারে এমন প্রত্যাশিত পাঁচটি গ্রহাণুর একটি তালিকা টুইট করেছেন। রন বালককে নামের ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাদেনার নাসা জেট প্রপ্লেশন ল্যাবরেটরির একজন স্পেস এক্সপ্লোরার এই উদ্বেগজনক পূর্বাভাসগুলো টুইট করেছেন।<br />
তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে এই পরিচিত গ্রহাণুগুলো পৃথিবীর খুব সন্নিকটে চলে আসবে। তখন এরা পৃথিবী থেকে পাঁচ লুনারেরও কম দূরত্বে অবস্থান করবে।<br />
বালককে এর মতে, এ ধরনের প্রথম ঘটনাটি ঘটবে আগামী ২৩ জুলাই যখন ৪০-৯০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণু ‘২০১৭ বিএস ৫’ পৃথিবী থেকে ৩.১৫ লুনার (৭৫২,৯৩৭ মাইল) দূরত্বে অবস্থান করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।<br />
তবে অনুমান করা হচ্ছে যে, সবচেয়ে বড় আঘাতটি আসবে আগামী ১২ অক্টোবর যখন ‘২০১২টিসি৪’ গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ০.১৫ লুনার (৩৫,৮২৮ মাইল) দূরত্বে চলে আসবে। যদিও সৌভাগ্যক্রমে গ্রহাণুটির ব্যাস মাত্র ১২-২৭ মিটার।<br />
আর অবশিষ্ট তিনটি আঘাত আসবে যথাক্রমে ৩ ডিসেম্বর, ২৪ ফেব্রুয়ারি এবং ২ এপ্রিল তারিখে।<br />
বস্তুত বিগত কয়েক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা এই গ্রহাণুর হুমকি মোকাবেলা করার চেষ্টা করার চেষ্টা করে আসছে, যা কিনা আমাদেরকে সামান্য বা কোনো সতর্কতা ছাড়াই এই পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে।<br />
যেমন ২০১৩ সালে কোনো সতর্ক বার্তা ছাড়াই রাশিয়ার চেলিয়াবিংক্সে একটি ৫৬ ফুট (১৭ মিটার) উল্কা আঘাত হানে যাতে ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়।<br />
এ লক্ষ্যেই হোয়াইট হাউস ‘ন্যাশনাল নিরীক্ষা-আর্থ অবজেক্ট প্রস্তুতির কৌশল’ নামে একটি অফিসিয়াল ডকুমেন্ট প্রকাশ করে, যাতে একটি উল্কা বা গ্রহাণু আমাদের দিকে ধেয়ে আসার পরিকল্পনা বর্ণনা করা হয় এবং এটি দেখায় যে আমরা এখনো প্রস্তুত নই।<br />
ডকুমেন্টটিতে বিদ্যমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পদের সমন্বয় সাধন এবং বর্তমান ক্ষমতায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতাগুলো যোগ করে পৃথিবীর কাছাকাছি বস্তুর (এনইও) প্রভাবগুলোর মোকাবেলা করার জন্য আমাদের জাতীয় প্রস্তুতির উন্নতি করার কথা বলা হয়েছে।<br />
এই ডকুমেন্টটি বড় এবং ছোট উভয় এনইও দ্বারা পরিচালিত ঝুঁকিকে হ্রাস করার এবং পরিচালনার চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একটি পদক্ষেপ।<br />
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং হাইটেক-স্পেস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে চায়, যা হুমকিকে ধ্বংস করতে পারে।<br />
গত বছরের শেষেই নাসা সতর্ক করেছিল যে, আমরা গ্রহাণু আঘাত মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত নই।<br />
গত ডিসেম্বরে আমেরিকান জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নের বার্ষিক সভায় ম্যারিল্যান্ডের নাসার গডডার স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের একজন গবেষক ড. জোসেফ নথ এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মূলত এই মুহূর্তে এটি মোকাবেলা করতে আমাদের তেমন কিছুই করার নেই।<br />
তবে ডকুমেন্টটিতে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ সমস্যা মোকাবেলায় ভবিষ্যতে দেশগুলোর একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নতুন সাত গ্রহে পর্যাপ্ত পানি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2713</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:43:48 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2713</guid>
			<description><![CDATA[নতুন সাত গ্রহে পর্যাপ্ত পানি<br />
পৃথিবীর মতো নতুন সাত গ্রহে পর্যাপ্ত পানি আছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, এই সাত গ্রহে সাগর, মহাসাগর রয়েছে। আর সেই পানি ঢাকা নেই কোনো পুরু বরফের চাদরের তলায়। যে তাপমাত্রা থাকলে পৃথিবীর সাগর, মহাসাগরের পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে, ঠিক সেই তাপমাত্রা আছে নতুন এই সাত গ্রহে। তাই সদ্য আবিষ্কৃত নতুন সাত গ্রহের পানিও রয়েছে একেবারে তরল অবস্থায়। <br />
<br />
<br />
<br />
ভারতীয় গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন নতুন সাত গ্রহের মূল আবিষ্কর্তা বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মিশেল গিলন।<br />
<br />
<br />
<br />
গত ২২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরে বসে যে ৫ বিজ্ঞানী সগর্বে ঘোষণা করেছিলেন ‘পৃথিবী’র মতো নতুন সাত গ্রহের আবিষ্কারের খবর, বেলজিয়ামের লিগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূপদার্থবিদ্যা ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের এফএনআরএস রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মিশেল গিলন তাদের অন্যতম।<br />
<br />
<br />
<br />
মিশেল গিলন জানান, নতুন সাত গ্রহের আবিষ্কারের ঘোষণার পরপরই মহাকাশে নাসার পাঠানো স্পিৎজার টেলিস্কোপ তো বটেই, মহাকাশে থাকা আরও দু’টি সুবিশাল টেলিস্কোপ-হাবল আর কেপলারও নজর রাখতে শুরু করেছে ‘ট্রাপিস্ট-১’ নক্ষত্রমণ্ডলের ওপর। <br />
<br />
<br />
<br />
তিনি জানান, আগামী বছর নাসা মহাকাশে পাঠাচ্ছে আরও বড়, আরও দক্ষ টেলিস্কোপ। যার নাম- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (জেডব্লিউএসটি)। তাই গিলনের প্রত্যাশা, ‘হয়তো আগামী বছর বা তার পরের বছরের মধ্যেই আমরা জানতে পারব ঠিক কতটুকু পানি আছে নতুন সাত গ্রহে।’]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নতুন সাত গ্রহে পর্যাপ্ত পানি<br />
পৃথিবীর মতো নতুন সাত গ্রহে পর্যাপ্ত পানি আছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, এই সাত গ্রহে সাগর, মহাসাগর রয়েছে। আর সেই পানি ঢাকা নেই কোনো পুরু বরফের চাদরের তলায়। যে তাপমাত্রা থাকলে পৃথিবীর সাগর, মহাসাগরের পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে, ঠিক সেই তাপমাত্রা আছে নতুন এই সাত গ্রহে। তাই সদ্য আবিষ্কৃত নতুন সাত গ্রহের পানিও রয়েছে একেবারে তরল অবস্থায়। <br />
<br />
<br />
<br />
ভারতীয় গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন নতুন সাত গ্রহের মূল আবিষ্কর্তা বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মিশেল গিলন।<br />
<br />
<br />
<br />
গত ২২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরে বসে যে ৫ বিজ্ঞানী সগর্বে ঘোষণা করেছিলেন ‘পৃথিবী’র মতো নতুন সাত গ্রহের আবিষ্কারের খবর, বেলজিয়ামের লিগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূপদার্থবিদ্যা ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের এফএনআরএস রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মিশেল গিলন তাদের অন্যতম।<br />
<br />
<br />
<br />
মিশেল গিলন জানান, নতুন সাত গ্রহের আবিষ্কারের ঘোষণার পরপরই মহাকাশে নাসার পাঠানো স্পিৎজার টেলিস্কোপ তো বটেই, মহাকাশে থাকা আরও দু’টি সুবিশাল টেলিস্কোপ-হাবল আর কেপলারও নজর রাখতে শুরু করেছে ‘ট্রাপিস্ট-১’ নক্ষত্রমণ্ডলের ওপর। <br />
<br />
<br />
<br />
তিনি জানান, আগামী বছর নাসা মহাকাশে পাঠাচ্ছে আরও বড়, আরও দক্ষ টেলিস্কোপ। যার নাম- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (জেডব্লিউএসটি)। তাই গিলনের প্রত্যাশা, ‘হয়তো আগামী বছর বা তার পরের বছরের মধ্যেই আমরা জানতে পারব ঠিক কতটুকু পানি আছে নতুন সাত গ্রহে।’]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিশ্বের প্রথম আলো বিকিরণকারী ব্যাঙের সন্ধান!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2712</link>
			<pubDate>Thu, 16 Mar 2017 13:42:19 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2712</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্বের প্রথম আলো বিকিরণকারী ব্যাঙের সন্ধান!<br />
বিশ্বে এই প্রথম একটি ব্যাঙের খোঁজ মিলল যার শরীর থেকে আলোর বিকিরণ ঘটে। প্রতিপ্রভা এই ব্যাঙটি পাওয়া গেছে আর্জেন্টিনার অ্যামাজন অববাহিকায়।<br />
<br />
<br />
<br />
বুয়েন্স আয়ার্সের বার্নার্দিনো রিভাদাভিয়া ন্যাচারাল সায়েন্সেস মিউজিয়ামের বিজ্ঞানীরা এই ব্যাঙের আবিষ্কারক। তারা মূলত পোলকা-ফোঁটাযুক্ত এক ধরনের প্রজাতির গেছো ব্যাঙের খোঁজ করছিলেন। সেই খোঁজাখুঁজিতেই আচমকা পেয়ে যান প্রতিপ্রভা ব্যাঙটি।<br />
<br />
<br />
<br />
সাধারণ আলোতে ব্যাঙটিকে ম্যাটমেটে ধূসর-সবুজাভ মনে হবে গায়ে লাল ছোট ছোট ফোটা। কিন্তু ঝকঝকে অতি বেগুনি আলোকরশ্মি পড়লে এটি উজ্জ্বল সবুজ রং ধরে। আর গা থেকে আলো বিকিরিত হতে থাকে।<br />
<br />
<br />
<br />
প্রতিপ্রভা- যা স্বল্প দূরত্ব থেকে আলো ধারণ করে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর দূরত্বে তার বিকিরণ ঘটাতে সক্ষম, এমন প্রাণীর সংখ্যা পৃথিবীতে বিরল।<br />
<br />
<br />
<br />
গত ১৩ মার্চ বিজ্ঞানীরা তাদের এই আবিষ্কারের খবরটি প্রকাশ করেন ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস এর প্রকাশনায়। <br />
<br />
<br />
<br />
তাতে তারা বলেছেন, ব্যাঙটির শরীর থেকে বিকিরণের ফলে এর চারিদিকে সাধারণ আলো ১৯ থেকে ২৯ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।<br />
<br />
<br />
<br />
পোলকা-ফোঁটাযুক্ত গেছো ব্যাঙের নীল-সবুজাভ ব্যাঙগুলোর মাঝেই হঠাৎ বিজ্ঞানীরা বাড়তি আলোর বিচ্ছুরণ দেখতে পেলেন আর পেয়ে গেলেন এই বিরল ব্যাঙটিকে।<br />
<br />
<br />
<br />
এই আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা উভচর এই প্রাণিটির মধ্যে আরও এমন প্রতিপ্রভার সন্ধান পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। <br />
<br />
<br />
<br />
বিশেষ করে এই ব্যাঙটির মতো আলোকপ্রবাহী ত্বকের গেছো ব্যাঙ এই অঞ্চলে আরও থাকতে পারে বলেই ধারণা তাদের।<br />
<br />
<br />
<br />
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন থেকে যারা জঙ্গলে যাবেন তারা সাথে করে অতি বেগুনি আলোর ফ্ল্যাশ লাইট নিয়ে গেলে ভালো করবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বিশ্বের প্রথম আলো বিকিরণকারী ব্যাঙের সন্ধান!<br />
বিশ্বে এই প্রথম একটি ব্যাঙের খোঁজ মিলল যার শরীর থেকে আলোর বিকিরণ ঘটে। প্রতিপ্রভা এই ব্যাঙটি পাওয়া গেছে আর্জেন্টিনার অ্যামাজন অববাহিকায়।<br />
<br />
<br />
<br />
বুয়েন্স আয়ার্সের বার্নার্দিনো রিভাদাভিয়া ন্যাচারাল সায়েন্সেস মিউজিয়ামের বিজ্ঞানীরা এই ব্যাঙের আবিষ্কারক। তারা মূলত পোলকা-ফোঁটাযুক্ত এক ধরনের প্রজাতির গেছো ব্যাঙের খোঁজ করছিলেন। সেই খোঁজাখুঁজিতেই আচমকা পেয়ে যান প্রতিপ্রভা ব্যাঙটি।<br />
<br />
<br />
<br />
সাধারণ আলোতে ব্যাঙটিকে ম্যাটমেটে ধূসর-সবুজাভ মনে হবে গায়ে লাল ছোট ছোট ফোটা। কিন্তু ঝকঝকে অতি বেগুনি আলোকরশ্মি পড়লে এটি উজ্জ্বল সবুজ রং ধরে। আর গা থেকে আলো বিকিরিত হতে থাকে।<br />
<br />
<br />
<br />
প্রতিপ্রভা- যা স্বল্প দূরত্ব থেকে আলো ধারণ করে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর দূরত্বে তার বিকিরণ ঘটাতে সক্ষম, এমন প্রাণীর সংখ্যা পৃথিবীতে বিরল।<br />
<br />
<br />
<br />
গত ১৩ মার্চ বিজ্ঞানীরা তাদের এই আবিষ্কারের খবরটি প্রকাশ করেন ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস এর প্রকাশনায়। <br />
<br />
<br />
<br />
তাতে তারা বলেছেন, ব্যাঙটির শরীর থেকে বিকিরণের ফলে এর চারিদিকে সাধারণ আলো ১৯ থেকে ২৯ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।<br />
<br />
<br />
<br />
পোলকা-ফোঁটাযুক্ত গেছো ব্যাঙের নীল-সবুজাভ ব্যাঙগুলোর মাঝেই হঠাৎ বিজ্ঞানীরা বাড়তি আলোর বিচ্ছুরণ দেখতে পেলেন আর পেয়ে গেলেন এই বিরল ব্যাঙটিকে।<br />
<br />
<br />
<br />
এই আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা উভচর এই প্রাণিটির মধ্যে আরও এমন প্রতিপ্রভার সন্ধান পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। <br />
<br />
<br />
<br />
বিশেষ করে এই ব্যাঙটির মতো আলোকপ্রবাহী ত্বকের গেছো ব্যাঙ এই অঞ্চলে আরও থাকতে পারে বলেই ধারণা তাদের।<br />
<br />
<br />
<br />
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন থেকে যারা জঙ্গলে যাবেন তারা সাথে করে অতি বেগুনি আলোর ফ্ল্যাশ লাইট নিয়ে গেলে ভালো করবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীর সার্বজনীন ৯টি স্বপ্ন এবং তাদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2530</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:54:05 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2530</guid>
			<description><![CDATA[মানুষের মস্তিষ্ক এতই জটিল যে অনেক মনোবিজ্ঞানীই স্বপ্নের অর্থ বোঝার চেষ্টায় ক্ষান্ত দিয়েছেন। কিন্তু হতাশ হননি মনোবিজ্ঞানী ইয়ান ওয়ালেস। ৩০ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি প্রায় দেড় লক্ষ স্বপ্নের মানে বের করেছেন। পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষের মাঝে কিছু স্বপ্ন দেখার প্রবণতা ঘুরেফিরে আসে। এমনই ৯টি স্বপ্ন নিয়ে তিনি আলোচনা করেন যেগুলো খুব কমন, অনেকেই দেখে এই স্বপ্ন। এই ৯টি স্বপ্ন, এগুলোর ব্যাখ্যা এবং এ স্বপ্ন দেখার পর বাস্তব জীবনে কী করা উচিৎ তা বিজনেস ইনসাইডারকে জানান তিনি।<br />
 <br />
একটি অব্যবহৃত ঘর<br />
ব্যাখ্যা: বাড়ির বিভিন্ন ঘর আপনার চরিত্রের বিভিন্ন দিক প্রকাশ করে। একটি অব্যবহৃত ঘর পাওয়ার অর্থ হলো আপনি এমন কোনো প্রতিভার খোঁজ পেতে যাচ্ছেন যার ব্যাপারে আপনি আগে জানতেন না।<br />
যা করবেন: নিজের সুপত প্রতিভা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। নতুন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে আপনার জীবনে।<br />
 <br />
নিয়ন্ত্রণ হারানো যান-বাহন<br />
ব্যাখ্যা: আপনি কোনো লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, তার প্রতীক হলো গাড়ি। আপনি যদি ভাবেন জীবনের ওপর আপনার যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ নেই, তাহলে এমন স্বপ্ন দেখতে পারেন।<br />
যা করবেন: সব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে নিজেকে একটু ছাড় দিন। রিল্যাক্স করুন। পরিস্থিতিকে নিজ থেকেই কিছুটা অগ্রসর হতে দিন।<br />
 <br />
পড়ে যাওয়া<br />
ব্যাখ্যা: স্বপ্নে যদি দেখে আপনি পড়ে যাচ্ছেন, তার অর্থ হল বাস্তবে আপনি কোনো কিছুকে খুব শক্ত করে আঁকড়ে ধরে আছেন। কোনো পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা নিয়ে আপনি বেশী চিন্তিত।<br />
যা করবেন: এই পরিস্থিতির হাল ছেড়ে দেওয়া বা নিদেনপক্ষে লাগাম আলগা করা জরুরী আপনার জন্য। নিজের ওপর এবং অন্যদের ওপর বিশ্বাস একটু বাড়ান। পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।<br />
<br />
ওড়ার স্বপ্ন স্বাধীনতার প্রতীক। ছবি: সংগৃহীত<br />
 <br />
আকাশে ওড়া<br />
ব্যাখ্যা: নিজেকে উড়ন্ত অবস্থায় দেখার অর্থ হলো আপনি নিজেকে এমন কোনো পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে পেরেছেন যা আপনার জীবনে বোঝা হয়ে ছিল।<br />
যা করবেন: হয়তো আপনি সৌভাগ্য হিসেবে ধরে নিচ্ছেন এই স্বাধীন অবস্থাকে। আসলে কিন্তু আপনি নিজের কাজ এবং সিদ্ধান্তের সাহায্যেই নিজেকে ভালো অবস্থায় নিয়ে এসেছেন, এ ব্যাপারটা মেনে নিন এবং ভাগ্যকে ক্রেডিট না দিয়ে নিজেকে ক্রেডিট দিন।<br />
 <br />
অপ্রস্তুত অবস্থায় পরীক্ষা দিতে বসা<br />
ব্যাখ্যা: আমরা কতটা দক্ষ বা কোনো বিষয়ে কত ভালো, তা নির্ধারণ করতে পরীক্ষা দিই। স্বপ্নে অপ্রস্তুত অবস্থায় পরীক্ষা দিতে বসার অর্থ হলো আমরা জীবনে নিজেদের ক্ষমতা বা পারদর্শিতা নিয়ে উদ্বিগ্ন।<br />
যা করবেন: নিজের খুঁটিনাটি দক্ষতা ও ব্যর্থতা সমালোচকের দৃষ্টিতে না দেখে বরং নিজের সাফল্যগুলোকে নিয়ে খুশি থাকুন।<br />
 <br />
জনসমক্ষে উলঙ্গ<br />
ব্যাখ্যা: পোশাকের সাহায্যে অন্যদের সামনে আমরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলি। জনসমক্ষে নিজেকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখার অর্থ হলো আপনি এমন কোনো পরিস্থিতিতে আছেন যা আপনাকে খুবই অপ্রস্তুত এবং অনিরাপদ থাকার অনুভূতি দিচ্ছে।<br />
যা করবেন: কখনো কখনো পরিস্থিতি থেকে না লুকিয়ে বরং সেই পরিস্থিতটাকে নিজের সর্ব শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করাটাই হতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত।<br />
<br />
ঝামেলাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেখতে পারেন টয়লেট খুঁজে না পাওয়ার স্বপ্ন। ছবি: সংগৃহীত<br />
 <br />
দরকারের সময়ে টয়লেট খুঁজে না পাওয়া<br />
ব্যাখ্যা: আমরা নিজেদের জৈবিক কিছু কাজ পরিষ্কারভাবে সমাধা করতে ব্যবহার করি টয়লেট। বাস্তব জীবনে যদি এমন কিছু ঘটে যাতে আপনি নিজের চাহিদা ভালোভাবে প্রকাশ করতে বা পূরণ করতে পারছেন না, তখন এমন স্বপ্ন দেখতে পারেন।<br />
যা করবেন: অন্যের প্রয়োজনের কথা কম ভেবে নিজের চাহিদা পূরণের দিকে মনোযোগ দিন।<br />
 <br />
দাঁত পড়ে যাওয়া<br />
ব্যাখ্যা: আমাদের মানসিক ক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে কাজ করে দাঁত। দাঁত পড়ে যাচ্ছে এ স্বপ্নের অর্থ হতে পারে আপনার জীবনে এমন কিছু ঘটছে যাতে আত্মবিশ্বাস কমে যাচ্ছে।<br />
যা করবেন: নিজের শক্তি কমে যাচ্ছে, এ কথা ভাববেন না। বরং এই পরিস্থিতিকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপভোগ করার চেষ্টা করুন।<br />
 <br />
কেউ আপনাকে ধাওয়া করছে<br />
ব্যাখ্যা: বাস্তব জীবনে আপনাকে কঠিন কোনো একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, কিন্তু আপনি কীভাবে তার মোকাবেলা করবেন বুঝতে পারছেন না।<br />
যা করবেন: ভয় পেলেও এমন পরিস্থিতি আসলে আপনার নিজস্ব উন্নতির জন্যই কাজে লাগবে, তাই ভয় দূর করে ঐ পরিস্থিতির মোকাবেলা করুন।<br />
 <br />
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মানুষের মস্তিষ্ক এতই জটিল যে অনেক মনোবিজ্ঞানীই স্বপ্নের অর্থ বোঝার চেষ্টায় ক্ষান্ত দিয়েছেন। কিন্তু হতাশ হননি মনোবিজ্ঞানী ইয়ান ওয়ালেস। ৩০ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি প্রায় দেড় লক্ষ স্বপ্নের মানে বের করেছেন। পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষের মাঝে কিছু স্বপ্ন দেখার প্রবণতা ঘুরেফিরে আসে। এমনই ৯টি স্বপ্ন নিয়ে তিনি আলোচনা করেন যেগুলো খুব কমন, অনেকেই দেখে এই স্বপ্ন। এই ৯টি স্বপ্ন, এগুলোর ব্যাখ্যা এবং এ স্বপ্ন দেখার পর বাস্তব জীবনে কী করা উচিৎ তা বিজনেস ইনসাইডারকে জানান তিনি।<br />
 <br />
একটি অব্যবহৃত ঘর<br />
ব্যাখ্যা: বাড়ির বিভিন্ন ঘর আপনার চরিত্রের বিভিন্ন দিক প্রকাশ করে। একটি অব্যবহৃত ঘর পাওয়ার অর্থ হলো আপনি এমন কোনো প্রতিভার খোঁজ পেতে যাচ্ছেন যার ব্যাপারে আপনি আগে জানতেন না।<br />
যা করবেন: নিজের সুপত প্রতিভা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। নতুন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে আপনার জীবনে।<br />
 <br />
নিয়ন্ত্রণ হারানো যান-বাহন<br />
ব্যাখ্যা: আপনি কোনো লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, তার প্রতীক হলো গাড়ি। আপনি যদি ভাবেন জীবনের ওপর আপনার যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ নেই, তাহলে এমন স্বপ্ন দেখতে পারেন।<br />
যা করবেন: সব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে নিজেকে একটু ছাড় দিন। রিল্যাক্স করুন। পরিস্থিতিকে নিজ থেকেই কিছুটা অগ্রসর হতে দিন।<br />
 <br />
পড়ে যাওয়া<br />
ব্যাখ্যা: স্বপ্নে যদি দেখে আপনি পড়ে যাচ্ছেন, তার অর্থ হল বাস্তবে আপনি কোনো কিছুকে খুব শক্ত করে আঁকড়ে ধরে আছেন। কোনো পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা নিয়ে আপনি বেশী চিন্তিত।<br />
যা করবেন: এই পরিস্থিতির হাল ছেড়ে দেওয়া বা নিদেনপক্ষে লাগাম আলগা করা জরুরী আপনার জন্য। নিজের ওপর এবং অন্যদের ওপর বিশ্বাস একটু বাড়ান। পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।<br />
<br />
ওড়ার স্বপ্ন স্বাধীনতার প্রতীক। ছবি: সংগৃহীত<br />
 <br />
আকাশে ওড়া<br />
ব্যাখ্যা: নিজেকে উড়ন্ত অবস্থায় দেখার অর্থ হলো আপনি নিজেকে এমন কোনো পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে পেরেছেন যা আপনার জীবনে বোঝা হয়ে ছিল।<br />
যা করবেন: হয়তো আপনি সৌভাগ্য হিসেবে ধরে নিচ্ছেন এই স্বাধীন অবস্থাকে। আসলে কিন্তু আপনি নিজের কাজ এবং সিদ্ধান্তের সাহায্যেই নিজেকে ভালো অবস্থায় নিয়ে এসেছেন, এ ব্যাপারটা মেনে নিন এবং ভাগ্যকে ক্রেডিট না দিয়ে নিজেকে ক্রেডিট দিন।<br />
 <br />
অপ্রস্তুত অবস্থায় পরীক্ষা দিতে বসা<br />
ব্যাখ্যা: আমরা কতটা দক্ষ বা কোনো বিষয়ে কত ভালো, তা নির্ধারণ করতে পরীক্ষা দিই। স্বপ্নে অপ্রস্তুত অবস্থায় পরীক্ষা দিতে বসার অর্থ হলো আমরা জীবনে নিজেদের ক্ষমতা বা পারদর্শিতা নিয়ে উদ্বিগ্ন।<br />
যা করবেন: নিজের খুঁটিনাটি দক্ষতা ও ব্যর্থতা সমালোচকের দৃষ্টিতে না দেখে বরং নিজের সাফল্যগুলোকে নিয়ে খুশি থাকুন।<br />
 <br />
জনসমক্ষে উলঙ্গ<br />
ব্যাখ্যা: পোশাকের সাহায্যে অন্যদের সামনে আমরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলি। জনসমক্ষে নিজেকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখার অর্থ হলো আপনি এমন কোনো পরিস্থিতিতে আছেন যা আপনাকে খুবই অপ্রস্তুত এবং অনিরাপদ থাকার অনুভূতি দিচ্ছে।<br />
যা করবেন: কখনো কখনো পরিস্থিতি থেকে না লুকিয়ে বরং সেই পরিস্থিতটাকে নিজের সর্ব শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করাটাই হতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত।<br />
<br />
ঝামেলাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেখতে পারেন টয়লেট খুঁজে না পাওয়ার স্বপ্ন। ছবি: সংগৃহীত<br />
 <br />
দরকারের সময়ে টয়লেট খুঁজে না পাওয়া<br />
ব্যাখ্যা: আমরা নিজেদের জৈবিক কিছু কাজ পরিষ্কারভাবে সমাধা করতে ব্যবহার করি টয়লেট। বাস্তব জীবনে যদি এমন কিছু ঘটে যাতে আপনি নিজের চাহিদা ভালোভাবে প্রকাশ করতে বা পূরণ করতে পারছেন না, তখন এমন স্বপ্ন দেখতে পারেন।<br />
যা করবেন: অন্যের প্রয়োজনের কথা কম ভেবে নিজের চাহিদা পূরণের দিকে মনোযোগ দিন।<br />
 <br />
দাঁত পড়ে যাওয়া<br />
ব্যাখ্যা: আমাদের মানসিক ক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে কাজ করে দাঁত। দাঁত পড়ে যাচ্ছে এ স্বপ্নের অর্থ হতে পারে আপনার জীবনে এমন কিছু ঘটছে যাতে আত্মবিশ্বাস কমে যাচ্ছে।<br />
যা করবেন: নিজের শক্তি কমে যাচ্ছে, এ কথা ভাববেন না। বরং এই পরিস্থিতিকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপভোগ করার চেষ্টা করুন।<br />
 <br />
কেউ আপনাকে ধাওয়া করছে<br />
ব্যাখ্যা: বাস্তব জীবনে আপনাকে কঠিন কোনো একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, কিন্তু আপনি কীভাবে তার মোকাবেলা করবেন বুঝতে পারছেন না।<br />
যা করবেন: ভয় পেলেও এমন পরিস্থিতি আসলে আপনার নিজস্ব উন্নতির জন্যই কাজে লাগবে, তাই ভয় দূর করে ঐ পরিস্থিতির মোকাবেলা করুন।<br />
 <br />
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রাণঘাতী ৮ টি ভাইরাস সম্পর্কে জানুন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2529</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:53:15 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2529</guid>
			<description><![CDATA[আমাদের আধুনিক মানব সভ্যতার উন্মেষের সময় থেকেই মানুষ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা শুরু করেছে। কিছু ভাইরাস ঘটিত রোগকে  টিকা এবং ঔষধের মাধ্যমে প্রতিরোধ ও নিরাময় করা যায়। স্মলপক্সকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা আমরা সবাই জানি। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে জয়ী হতে হলে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে আমাদের।<br />
<br />
Ebola Zaire সম্প্রতি মহামারি সৃষ্টি করেছে। এর দ্বারা আক্রান্ত ৯০ শতাংশ মানুষই মৃত্যুবরণ করেছে। এটি ইবোলা পরিবারের সবচেয়ে মারাত্মক প্রজাতি। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজির সহযোগী অধ্যাপক এবং ইবোলা ভাইরাস বিশেষজ্ঞ এলকে মোহলবার্গার বলেন, ‘এটি আরো খারাপ হতে পারত’।  <br />
<br />
কিন্তু এমন আরো কিছু ভাইরাস আছে যা প্রাণের সংশয় সৃষ্টিকারী এবং এর চেয়েও মারাত্মক হতে পারে। এমন ৮ টি মারাত্মক ভাইরাসের বিষয়েই জানবো আজকের ফিচারে।<br />
<br />
১। মারবারগ ভাইরাস<br />
<br />
বিজ্ঞানীরা ১৯৬৭ সালে মারবারগ ভাইরাস শনাক্ত করেন, যখন জার্মানির ল্যাবরেটরির শ্রমিকদের মধ্যে প্রাদুর্ভাব হতে দেখা যায় উগান্ডা থেকে আমদানিকৃত বানরের দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ফলে। মারবারগ ভাইরাস ও ইবোলার মতোই হিমোরেজিক ফিভার সৃষ্টি করে, অর্থাৎ সংক্রমিত মানুষের মধ্যে উচ্চমাত্রার জ্বর এবং শরীরে রক্তপাত হয় যার ফলে পক্ষাঘাত হয় এবং মৃত্যু হয়।<br />
<br />
২। ইবোলা ভাইরাস<br />
<br />
১৯৭৬ সালে প্রথম ইবোলার প্রাদুর্ভাব হয় সুদান এবং কঙ্গোতে। সংক্রমিত মানুষ বা জীবজন্তুর রক্ত বা শরীরের অন্য কোন তরল বা টিস্যুর দ্বারা এটি অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে পরে। ইবোলার একটি প্রজাতি ইবোলা রেস্টোন মানুষকে অসুস্থ করেনা। কিন্তু WHO এর মতে, এর বান্ডিবাগিও  প্রজাতিটির দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের কারণে মৃত্যু হার ৫০ শতাংশের বেশি এবং এর সুদান প্রজাতিটির দ্বারা মৃত্যু হার ৭১ শতাংশ।<br />
<br />
৩। র‍্যাবিস<br />
<br />
যদিও ১৯২০ সালে পোষা প্রাণীর টিকা র‍্যাবিস এর সাথে পরিচয় ঘটে মানুষের যা সারা পৃথিবীতে এর ছড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। এটি এখনো আফ্রিকার কিছু অংশে এবং ভারতে মারাত্মক সমস্যা।<br />
<br />
মোহলবার্গার বলেন,  ‘এটি মস্তিষ্ককে ধ্বংস করে দেয় এবং এটি সত্যিই মারাত্মক একটি রোগ’।  তিনি বলেন, ‘র‍্যাবিসের টিকা আছে আমাদের এবং আমাদের অ্যান্টিবডি আছে যা র‍্যাবিসের  বিরুদ্ধে কাজ করে’।  তাই কেউ যদি ক্ষিপ্র জীবজন্তুর কামড় খায় তাহলে তাকে নিরাময় করা সম্ভব। তিনি এটাও বলেন যে, যদি আপনি চিকিৎসা গ্রহণ না করেন তাহলে আপনার মৃত্যু হওয়ার ১০০% সম্ভাবনা আছে।  <br />
<br />
৪। এইচআইভি<br />
<br />
বর্তমান যুগের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি হল এইচআইভি। ইনফেকশিয়াস ডিজিজ সোসাইটি অফ আমেরকার মুখপাত্র এবং সংক্রামক রোগের চিকিৎসক ডা. অ্যামেশ অ্যাডালজা বলেন,  ‘এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় খুনি’।  <br />
<br />
১৯৮০ সালে এই রোগটি শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করে। অ্যাডালজা বলেন, মানবতার উপর সবচেয়ে বড় আঘাত হানছে এই সংক্রামক রোগটি। শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ব্যবহার করে এইচআইভি নিয়েও কয়েক বছর বেঁচে থাকা যায়।  <br />
<br />
৫। হান্টাভাইরাস<br />
<br />
১৯৯৩ সালে প্রথম দৃষ্টিগোচর হয় হান্টাভাইরাস পালমোনারি সিনড্রোম (HPS)। আমেরিকায় ৬০০ মানুষের মধ্যে HPS এর সংক্রমণ হতে দেখা যায় এবং এদের মধ্যে ৩৬ শতাংশের মৃত্যু হয়। এই ভাইরাসটি একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয়না। বরং সংক্রমিত ইঁদুরের মল দ্বারা সংক্রমণ ছড়িয়ে পরে।<br />
<br />
৬। ইনফ্লুয়েঞ্জা<br />
<br />
সবচেয়ে মারাত্মক ফ্লু সৃষ্টিকারী ভাইরাস হচ্ছে স্প্যানিশ ফ্লু। ১৯১৮ সালে এটি পৃথিবীর জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষকে অসুস্থ করে তোলে। প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়।<br />
<br />
৭। ডেঙ্গু<br />
<br />
১৯৫০ সালে ফিলিপাইন এবং থাইল্যান্ড এ ডেঙ্গু ভাইরাসটি প্রকাশিত হয়। তখন থেকেই এটি বিশ্বের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পরে এটি। পৃথিবীর জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষই বাস করে ডেঙ্গু উপদ্রুত এলাকায়। এই ভাইরাসটি ছড়ায় মশার মাধ্যমে। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর টিকা আবিস্কার হয়নি।<br />
<br />
৮। রোটা ভাইরাস<br />
<br />
রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য ২ টি টিকা রয়েছে। এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পরে এবং এর দ্বারা আক্রান্ত হলে মারাত্মক ডায়রিয়া হয় ছোট শিশুদের। WHO এর মতে, ২০০৮ সালে ৫ বছরের কম বয়সের ৪,৫৩,০০০ শিশু মারা যায় রোটাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে। টিকা আবিস্কারের পরে সংক্রমণের হার কমে এসেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমাদের আধুনিক মানব সভ্যতার উন্মেষের সময় থেকেই মানুষ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা শুরু করেছে। কিছু ভাইরাস ঘটিত রোগকে  টিকা এবং ঔষধের মাধ্যমে প্রতিরোধ ও নিরাময় করা যায়। স্মলপক্সকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা আমরা সবাই জানি। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে জয়ী হতে হলে আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে আমাদের।<br />
<br />
Ebola Zaire সম্প্রতি মহামারি সৃষ্টি করেছে। এর দ্বারা আক্রান্ত ৯০ শতাংশ মানুষই মৃত্যুবরণ করেছে। এটি ইবোলা পরিবারের সবচেয়ে মারাত্মক প্রজাতি। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজির সহযোগী অধ্যাপক এবং ইবোলা ভাইরাস বিশেষজ্ঞ এলকে মোহলবার্গার বলেন, ‘এটি আরো খারাপ হতে পারত’।  <br />
<br />
কিন্তু এমন আরো কিছু ভাইরাস আছে যা প্রাণের সংশয় সৃষ্টিকারী এবং এর চেয়েও মারাত্মক হতে পারে। এমন ৮ টি মারাত্মক ভাইরাসের বিষয়েই জানবো আজকের ফিচারে।<br />
<br />
১। মারবারগ ভাইরাস<br />
<br />
বিজ্ঞানীরা ১৯৬৭ সালে মারবারগ ভাইরাস শনাক্ত করেন, যখন জার্মানির ল্যাবরেটরির শ্রমিকদের মধ্যে প্রাদুর্ভাব হতে দেখা যায় উগান্ডা থেকে আমদানিকৃত বানরের দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ফলে। মারবারগ ভাইরাস ও ইবোলার মতোই হিমোরেজিক ফিভার সৃষ্টি করে, অর্থাৎ সংক্রমিত মানুষের মধ্যে উচ্চমাত্রার জ্বর এবং শরীরে রক্তপাত হয় যার ফলে পক্ষাঘাত হয় এবং মৃত্যু হয়।<br />
<br />
২। ইবোলা ভাইরাস<br />
<br />
১৯৭৬ সালে প্রথম ইবোলার প্রাদুর্ভাব হয় সুদান এবং কঙ্গোতে। সংক্রমিত মানুষ বা জীবজন্তুর রক্ত বা শরীরের অন্য কোন তরল বা টিস্যুর দ্বারা এটি অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে পরে। ইবোলার একটি প্রজাতি ইবোলা রেস্টোন মানুষকে অসুস্থ করেনা। কিন্তু WHO এর মতে, এর বান্ডিবাগিও  প্রজাতিটির দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের কারণে মৃত্যু হার ৫০ শতাংশের বেশি এবং এর সুদান প্রজাতিটির দ্বারা মৃত্যু হার ৭১ শতাংশ।<br />
<br />
৩। র‍্যাবিস<br />
<br />
যদিও ১৯২০ সালে পোষা প্রাণীর টিকা র‍্যাবিস এর সাথে পরিচয় ঘটে মানুষের যা সারা পৃথিবীতে এর ছড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। এটি এখনো আফ্রিকার কিছু অংশে এবং ভারতে মারাত্মক সমস্যা।<br />
<br />
মোহলবার্গার বলেন,  ‘এটি মস্তিষ্ককে ধ্বংস করে দেয় এবং এটি সত্যিই মারাত্মক একটি রোগ’।  তিনি বলেন, ‘র‍্যাবিসের টিকা আছে আমাদের এবং আমাদের অ্যান্টিবডি আছে যা র‍্যাবিসের  বিরুদ্ধে কাজ করে’।  তাই কেউ যদি ক্ষিপ্র জীবজন্তুর কামড় খায় তাহলে তাকে নিরাময় করা সম্ভব। তিনি এটাও বলেন যে, যদি আপনি চিকিৎসা গ্রহণ না করেন তাহলে আপনার মৃত্যু হওয়ার ১০০% সম্ভাবনা আছে।  <br />
<br />
৪। এইচআইভি<br />
<br />
বর্তমান যুগের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি হল এইচআইভি। ইনফেকশিয়াস ডিজিজ সোসাইটি অফ আমেরকার মুখপাত্র এবং সংক্রামক রোগের চিকিৎসক ডা. অ্যামেশ অ্যাডালজা বলেন,  ‘এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় খুনি’।  <br />
<br />
১৯৮০ সালে এই রোগটি শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করে। অ্যাডালজা বলেন, মানবতার উপর সবচেয়ে বড় আঘাত হানছে এই সংক্রামক রোগটি। শক্তিশালী অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ব্যবহার করে এইচআইভি নিয়েও কয়েক বছর বেঁচে থাকা যায়।  <br />
<br />
৫। হান্টাভাইরাস<br />
<br />
১৯৯৩ সালে প্রথম দৃষ্টিগোচর হয় হান্টাভাইরাস পালমোনারি সিনড্রোম (HPS)। আমেরিকায় ৬০০ মানুষের মধ্যে HPS এর সংক্রমণ হতে দেখা যায় এবং এদের মধ্যে ৩৬ শতাংশের মৃত্যু হয়। এই ভাইরাসটি একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয়না। বরং সংক্রমিত ইঁদুরের মল দ্বারা সংক্রমণ ছড়িয়ে পরে।<br />
<br />
৬। ইনফ্লুয়েঞ্জা<br />
<br />
সবচেয়ে মারাত্মক ফ্লু সৃষ্টিকারী ভাইরাস হচ্ছে স্প্যানিশ ফ্লু। ১৯১৮ সালে এটি পৃথিবীর জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষকে অসুস্থ করে তোলে। প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়।<br />
<br />
৭। ডেঙ্গু<br />
<br />
১৯৫০ সালে ফিলিপাইন এবং থাইল্যান্ড এ ডেঙ্গু ভাইরাসটি প্রকাশিত হয়। তখন থেকেই এটি বিশ্বের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পরে এটি। পৃথিবীর জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষই বাস করে ডেঙ্গু উপদ্রুত এলাকায়। এই ভাইরাসটি ছড়ায় মশার মাধ্যমে। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর টিকা আবিস্কার হয়নি।<br />
<br />
৮। রোটা ভাইরাস<br />
<br />
রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য ২ টি টিকা রয়েছে। এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পরে এবং এর দ্বারা আক্রান্ত হলে মারাত্মক ডায়রিয়া হয় ছোট শিশুদের। WHO এর মতে, ২০০৮ সালে ৫ বছরের কম বয়সের ৪,৫৩,০০০ শিশু মারা যায় রোটাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে। টিকা আবিস্কারের পরে সংক্রমণের হার কমে এসেছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[২০১৮ সালে দুই পর্যটক নিয়ে চাঁদে যাচ্ছে স্পেসএক্স]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2528</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:52:29 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2528</guid>
			<description><![CDATA[মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স জানিয়েছে, চাঁদের মাটিতে যেতে আগ্রহীরা ইতোমধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ জমা দিয়েছেন। চলতি বছরের শেষদিকে ভ্রমণকারীদের ফিটনেস পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে। <br />
<br />
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ইলোন মাস্ক জানান, এটি গত ৪৫ বছরের মধ্যে মহাশূন্যের গভীরে পর্যটক প্রেরণ মানব ইতিহাসে বড় ধরণের সংযোজন হয়ে থাকবে। তবে মাস্ক চাঁদের মাটিতে হাটতে যাওয়া পর্যটকদের পরিচয় প্রকাশ করেননি। কিন্তু তিনি মজা করে বলেন, ‘তারা হলিউডের কেউ নন।’<br />
<br />
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই ভ্রমণকে সম্ভব করতে সর্বাত্মক সহায়তা করছে বলেও জানান মাস্ক। আর সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০১৮ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই দুইজন পর্যটক নিয়ে স্পেসএক্স চাঁদে যাত্রা শুরু করবে।<br />
<br />
প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭০ সালের পর চাঁদে আর কোনো মহাকাশচারী পাঠায়নি। <br />
<br />
সূত্র: বিবিসি, সিএনএন<br />
<br />
প্রিয় সংবাদ/শান্ত]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স জানিয়েছে, চাঁদের মাটিতে যেতে আগ্রহীরা ইতোমধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ জমা দিয়েছেন। চলতি বছরের শেষদিকে ভ্রমণকারীদের ফিটনেস পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে। <br />
<br />
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ইলোন মাস্ক জানান, এটি গত ৪৫ বছরের মধ্যে মহাশূন্যের গভীরে পর্যটক প্রেরণ মানব ইতিহাসে বড় ধরণের সংযোজন হয়ে থাকবে। তবে মাস্ক চাঁদের মাটিতে হাটতে যাওয়া পর্যটকদের পরিচয় প্রকাশ করেননি। কিন্তু তিনি মজা করে বলেন, ‘তারা হলিউডের কেউ নন।’<br />
<br />
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই ভ্রমণকে সম্ভব করতে সর্বাত্মক সহায়তা করছে বলেও জানান মাস্ক। আর সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০১৮ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই দুইজন পর্যটক নিয়ে স্পেসএক্স চাঁদে যাত্রা শুরু করবে।<br />
<br />
প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭০ সালের পর চাঁদে আর কোনো মহাকাশচারী পাঠায়নি। <br />
<br />
সূত্র: বিবিসি, সিএনএন<br />
<br />
প্রিয় সংবাদ/শান্ত]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম এসডি কার্ড উন্মুক্ত করলো সনি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2359</link>
			<pubDate>Sat, 25 Feb 2017 15:21:19 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2359</guid>
			<description><![CDATA[জাপানি প্রতিষ্ঠান সনি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম এসডি কার্ড উন্মুক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এসএফ-জি সিরিজের এই এসডি কার্ডের রাইটিং স্পিড ২৯৯ এমবিপিএসের বেশি। রাইটিং স্পিড বাদেও এই কার্ডের রিড স্পিড ৩০০ এমবিপিএসের বেশি।<br />
সনি জানিয়েছে, এই এসডি কার্ড পানি, তাপমাত্রা এবং এক্স-রে প্রতিরোধী। এছাড়াও এই স্পিডে অনেক বড় আকারের ফাইল খুব দ্রুততার সঙ্গে কম্পিউটারে স্থানান্তর করা যাবে। ৩২ জিবি, ৬৪ জিবি এবং ১২৮ জিবির সংস্করণে পাওয়া যাবে এই কার্ড। তবে এই এসডি কার্ড কিনতে কত খরচ হতে পারে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।<br />
এক ব্লগ পোস্টে সনি জানিয়েছে, এই এসডি কার্ড, বিশেষ করে ডিএসএলআর এবং মিররলেস ক্যামেরা ব্যবহারকারী এবং প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের বাড়তি সুবিধা দেবে। এছাড়া এর দ্রুত রাইট স্পিড ডিজিটাল ইমেজ সেবায় সর্বাধিক কার্যদক্ষতা সমর্থন করবে।<br />
সূত্র: দ্য ভার্জ, গ্যাজেট ৩৬০]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[জাপানি প্রতিষ্ঠান সনি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম এসডি কার্ড উন্মুক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এসএফ-জি সিরিজের এই এসডি কার্ডের রাইটিং স্পিড ২৯৯ এমবিপিএসের বেশি। রাইটিং স্পিড বাদেও এই কার্ডের রিড স্পিড ৩০০ এমবিপিএসের বেশি।<br />
সনি জানিয়েছে, এই এসডি কার্ড পানি, তাপমাত্রা এবং এক্স-রে প্রতিরোধী। এছাড়াও এই স্পিডে অনেক বড় আকারের ফাইল খুব দ্রুততার সঙ্গে কম্পিউটারে স্থানান্তর করা যাবে। ৩২ জিবি, ৬৪ জিবি এবং ১২৮ জিবির সংস্করণে পাওয়া যাবে এই কার্ড। তবে এই এসডি কার্ড কিনতে কত খরচ হতে পারে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।<br />
এক ব্লগ পোস্টে সনি জানিয়েছে, এই এসডি কার্ড, বিশেষ করে ডিএসএলআর এবং মিররলেস ক্যামেরা ব্যবহারকারী এবং প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের বাড়তি সুবিধা দেবে। এছাড়া এর দ্রুত রাইট স্পিড ডিজিটাল ইমেজ সেবায় সর্বাধিক কার্যদক্ষতা সমর্থন করবে।<br />
সূত্র: দ্য ভার্জ, গ্যাজেট ৩৬০]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে ভিনগ্রহীরা !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=427</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:42:23 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=427</guid>
			<description><![CDATA[পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহের অর্থাৎ ভিন গ্রহের<br />
প্রাণীদের বলা হয়ে থাকে, অ্যালিয়েন। বাস্তবে<br />
এখন পর্যন্ত ভিন গ্রহের প্রাণী বা অ্যালিয়েনের<br />
দেখা পাওয়া না গেলেও, ধারণা করা হয়<br />
অ্যালিয়েন রয়েছে।<br />
সেই ধারণা এবার আরো জোড়ালো করল মহাকাশ<br />
থেকে আগত বেশ কিছু রেডিও সংকেত। তাহলে কি<br />
সত্যিই অ্যালিয়েনের অস্তিত্ব রয়েছে?<br />
গবেষকরা সম্প্রতি তিন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর<br />
থেকে আগত ছয়টি রেডিও সংকেত পেয়েছেন। যদিও<br />
এই সংকেতগুলো এসেছে অনেক অনেক দূর অর্থাৎ<br />
তিন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে, কিন্তু সেখানে<br />
থেকেই কি ভিন গ্রহের প্রাণীরা এসব সংকেতের<br />
মাধ্যমে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা<br />
করছে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে গবেষকদের মনে।<br />
ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মন্ট্রিলের ম্যাক গ্রিল<br />
বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গ্রিন ব্যাংক<br />
টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই বেতার তরঙ্গগুলো<br />
শণাক্ত করেন। এসব বেতার তরঙ্গ মাত্র কয়েক মিলি<br />
সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।<br />
এসব তরঙ্গের উৎপত্তিস্থলটা যদিও অজানা কিন্তু<br />
অনেকেই মনে করছেন, এর মাধ্যমে অ্যালিয়েনরা<br />
পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।<br />
পল স্কল্জ এর নেতৃত্বে গবেষকরা ‘দ্য<br />
অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’ এ প্রকাশিত তাদের<br />
রিসার্চ পেপারে বলেন, ‘আমরা ছয়টি সিগন্যাল এর<br />
মধ্যে পাঁচটি শণাক্ত করি গ্রিন ব্যাংক টেলিস্কোপ<br />
(২ গিগাহার্জ কম্পাঙ্কে) দিয়ে এবং অন্যটি শণাক্ত<br />
করি আরেসিবো অবজারভেটরি দিয়ে (১.৫<br />
গিগাহার্জ কম্পাঙ্কে)। এটা নিয়ে মোট ১৭টি<br />
সংকেত পাওয়া গেল। যার আগের ১১টিও ওই একই<br />
লোকেশন থেকে শণাক্ত করা হয়েছিল। ওই স্থানের<br />
সাংকেতিক নাম এফআরবি ১২১১০২।<br />
এই সংকেতগুলোকে বিজ্ঞানীরা এফআরবি (FRB- fast<br />
radio bursts) বলে অভিহিত করেন। যদিও এই<br />
সংকেতের নির্দিষ্ট উৎপত্তিস্থল নিয়ে<br />
বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন। গবেষকরা বলেন,<br />
পরিচিত নমুনা এফআরবি ১২১১০২ বর্তমানে একটি<br />
অনন্য বিষয়। বহির্জাগতিক এফআরবি সংকেতগুলোর<br />
চরিত্রায়ন বোঝার জন্য ফাস্ট এক্সট্রাগ্যালাটিক<br />
রেডিও ট্রানসিয়েন্ট বোঝা প্রয়োজন।<br />
পূর্বে যখন ১১টি সংকেত পাওয়া গিয়েছিল তখন<br />
জ্যোতির্বিদগণ এসইটিআই (সার্চ ফর<br />
এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এর সাহায্য<br />
চেয়েছিল আরো নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য। কিন্তু<br />
এটা এখনো পরিষ্কার না যে, ম্যাক গ্রিলের<br />
গবেষকরা সাহায্য চাইবেন কিনা।<br />
অ্যালিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা<br />
বুদ্ধিমানের কাজ হবে?<br />
আমাদের থেকে কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী কি আদৌ<br />
আছে, এটা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। এ<br />
ব্যাপারে স্টিফেন হকিং বলেন, আমরা একটি<br />
ভয়ংকর খেলায় মেতে উঠেছি তাদের সঙ্গে<br />
যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। এই পদার্থবিদ মনে<br />
করেন, যদি অ্যালিয়েনরা পৃথিবী সম্পর্কে জানতে<br />
পারে বা আবিষ্কার করতে পারে তবে তারা এটাকে<br />
দখল করতে চাইবে এবং এখানে তাদের উপনিবেশ<br />
স্থাপন করতে চাইবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহের অর্থাৎ ভিন গ্রহের<br />
প্রাণীদের বলা হয়ে থাকে, অ্যালিয়েন। বাস্তবে<br />
এখন পর্যন্ত ভিন গ্রহের প্রাণী বা অ্যালিয়েনের<br />
দেখা পাওয়া না গেলেও, ধারণা করা হয়<br />
অ্যালিয়েন রয়েছে।<br />
সেই ধারণা এবার আরো জোড়ালো করল মহাকাশ<br />
থেকে আগত বেশ কিছু রেডিও সংকেত। তাহলে কি<br />
সত্যিই অ্যালিয়েনের অস্তিত্ব রয়েছে?<br />
গবেষকরা সম্প্রতি তিন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর<br />
থেকে আগত ছয়টি রেডিও সংকেত পেয়েছেন। যদিও<br />
এই সংকেতগুলো এসেছে অনেক অনেক দূর অর্থাৎ<br />
তিন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে, কিন্তু সেখানে<br />
থেকেই কি ভিন গ্রহের প্রাণীরা এসব সংকেতের<br />
মাধ্যমে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা<br />
করছে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে গবেষকদের মনে।<br />
ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মন্ট্রিলের ম্যাক গ্রিল<br />
বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গ্রিন ব্যাংক<br />
টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই বেতার তরঙ্গগুলো<br />
শণাক্ত করেন। এসব বেতার তরঙ্গ মাত্র কয়েক মিলি<br />
সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।<br />
এসব তরঙ্গের উৎপত্তিস্থলটা যদিও অজানা কিন্তু<br />
অনেকেই মনে করছেন, এর মাধ্যমে অ্যালিয়েনরা<br />
পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।<br />
পল স্কল্জ এর নেতৃত্বে গবেষকরা ‘দ্য<br />
অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’ এ প্রকাশিত তাদের<br />
রিসার্চ পেপারে বলেন, ‘আমরা ছয়টি সিগন্যাল এর<br />
মধ্যে পাঁচটি শণাক্ত করি গ্রিন ব্যাংক টেলিস্কোপ<br />
(২ গিগাহার্জ কম্পাঙ্কে) দিয়ে এবং অন্যটি শণাক্ত<br />
করি আরেসিবো অবজারভেটরি দিয়ে (১.৫<br />
গিগাহার্জ কম্পাঙ্কে)। এটা নিয়ে মোট ১৭টি<br />
সংকেত পাওয়া গেল। যার আগের ১১টিও ওই একই<br />
লোকেশন থেকে শণাক্ত করা হয়েছিল। ওই স্থানের<br />
সাংকেতিক নাম এফআরবি ১২১১০২।<br />
এই সংকেতগুলোকে বিজ্ঞানীরা এফআরবি (FRB- fast<br />
radio bursts) বলে অভিহিত করেন। যদিও এই<br />
সংকেতের নির্দিষ্ট উৎপত্তিস্থল নিয়ে<br />
বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন। গবেষকরা বলেন,<br />
পরিচিত নমুনা এফআরবি ১২১১০২ বর্তমানে একটি<br />
অনন্য বিষয়। বহির্জাগতিক এফআরবি সংকেতগুলোর<br />
চরিত্রায়ন বোঝার জন্য ফাস্ট এক্সট্রাগ্যালাটিক<br />
রেডিও ট্রানসিয়েন্ট বোঝা প্রয়োজন।<br />
পূর্বে যখন ১১টি সংকেত পাওয়া গিয়েছিল তখন<br />
জ্যোতির্বিদগণ এসইটিআই (সার্চ ফর<br />
এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এর সাহায্য<br />
চেয়েছিল আরো নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য। কিন্তু<br />
এটা এখনো পরিষ্কার না যে, ম্যাক গ্রিলের<br />
গবেষকরা সাহায্য চাইবেন কিনা।<br />
অ্যালিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা<br />
বুদ্ধিমানের কাজ হবে?<br />
আমাদের থেকে কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী কি আদৌ<br />
আছে, এটা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। এ<br />
ব্যাপারে স্টিফেন হকিং বলেন, আমরা একটি<br />
ভয়ংকর খেলায় মেতে উঠেছি তাদের সঙ্গে<br />
যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। এই পদার্থবিদ মনে<br />
করেন, যদি অ্যালিয়েনরা পৃথিবী সম্পর্কে জানতে<br />
পারে বা আবিষ্কার করতে পারে তবে তারা এটাকে<br />
দখল করতে চাইবে এবং এখানে তাদের উপনিবেশ<br />
স্থাপন করতে চাইবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে না বৃহস্পতি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=426</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:41:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=426</guid>
			<description><![CDATA[বৃহস্পতিকে চেনেন তো? সৌরজগতের ৫ম গ্রহ,<br />
সবচাইতে বড় গ্রহ, যার ধরণটাকে বলা হয় গ্যাস<br />
জায়ান্ট, সে কিনা আদতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেই<br />
না! এতদিন ধরে আমরা যে জেনে এসেছি<br />
সৌরজগতের গ্রহগুলো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তা কি<br />
ভুলে যাবার সময় হয়েছে? সূর্যকে বৃহস্পতি প্রদক্ষিণ<br />
করে না, এর পেছনে মূল কারণ হলো এই গ্রহটির<br />
বিশাল আকৃতি।<br />
নাসার “জুনো” মিশনের লক্ষ্য হলো এই বৃহস্পতি গ্রহ।<br />
সে এতই বড়, যে অন্য গ্রহগুলোর ক্ষেত্রে বলে দেওয়া<br />
যায় যে তারা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু<br />
বৃহস্পতির ক্ষেত্রে তা বলা যায় না। সৌরজগতের<br />
অন্য সবগুলো গ্রহের ভর যোগ করে সেই যোগফলকে<br />
আড়াই দিয়ে গুণ দিলে তার পরেই পাওয়া যায়<br />
বৃহস্পতির ভর। এ কারণেই বৃহস্পতির সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটি বা মাধ্যাকর্ষণের কেন্দ্র সূর্য নয়। বরং<br />
বলা যায়, সূর্য থেকে একটু উপরে অবস্থিত বৃহস্পতির<br />
সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি।<br />
একটু খোলাসা করেই বলা যাক।<br />
মহাকাশে যখন একটি ছোট জ্যোতিষ্ক বড় একটি<br />
জ্যোতিষ্ককে কেন্দ্র করে ঘোরে, তখন ছোট<br />
জ্যোতিষ্কটি কিন্তু বড়টির আশেপাশে একেবারে<br />
নিখুঁত চক্রাকারে ঘোরে না। বরং, এই দুইটি বস্তুই<br />
একটি সাধারণ বিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘোরে, অর্থাৎ<br />
তাদের দুজনেরই সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি হয় একটি<br />
মাত্র বিন্দু।<br />
এবার চলুন এই ব্যাপারটা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে দেখি।<br />
পৃথিবীর চাইতে সূর্য এতই বড়, যে পৃথিবীর সেন্টার<br />
অফ গ্র্যাভিটি সূর্যক ধরলেও আসলে তেমন কোনো<br />
ভুল হবে না। এক্ষেত্রে বড় জ্যোতিষ্কটিকে স্থির<br />
ধরা যায় এবং পৃথিবী তার চারপাশে প্রদক্ষিণ<br />
করছে- এটা বলাই যায়। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা এত<br />
সহজ নয়।<br />
যখন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) পৃথিবীকে<br />
প্রদক্ষিণ করে, তখন পৃথিবী এবং স্পেস স্টেশন<br />
দুজনেই নিজেদের সাধারণ সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটিকে ঘিরে ঘুরছে। কিন্তু এই সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটি পৃথিবীর কেন্দ্রের এত কাছে যে ধরে<br />
নেওয়া যায় স্পেস স্টেশন পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই<br />
ঘোরে। আর স্পেস স্টেশন থেকেও মনে হয় সে একটা<br />
নিখুঁত চক্রাকার কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে<br />
চলেছে।<br />
পৃথিবীর মতো অন্যান্য গ্রহের ক্ষেত্রেও এই একই<br />
কথা প্রযোজ্য। পৃথিবী, শুক্র, মঙ্গল এমনকি শনির<br />
তুলনায় সূর্য এতই বড় যে তাদের সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটি বা সেন্টার অফ মাস হিসেবে সূর্যকেই<br />
ধরা যায়। কিন্তু এই একই কাতারে বৃহস্পতিকে ফেলা<br />
যায় না। কারণ হলো সে প্রকান্ড একটি গ্রহ।<br />
এই গ্যাস জায়ান্ট এত বড় যে তার সেন্টার অফ মাস<br />
অথবা ব্যারিসেন্টার হলো সূর্যের কেন্দ্র থেকে<br />
১.০৭ র্যাডাই দূরে। অথবা সূর্যের ব্যাসের ৭% শতাংশ<br />
দূরে। ওই বিন্দুটিকে ঘিরে মহাকাশে ঘুরতে থাকে<br />
সূর্য এবং বৃহস্পতি দুজনেই।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বৃহস্পতিকে চেনেন তো? সৌরজগতের ৫ম গ্রহ,<br />
সবচাইতে বড় গ্রহ, যার ধরণটাকে বলা হয় গ্যাস<br />
জায়ান্ট, সে কিনা আদতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেই<br />
না! এতদিন ধরে আমরা যে জেনে এসেছি<br />
সৌরজগতের গ্রহগুলো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তা কি<br />
ভুলে যাবার সময় হয়েছে? সূর্যকে বৃহস্পতি প্রদক্ষিণ<br />
করে না, এর পেছনে মূল কারণ হলো এই গ্রহটির<br />
বিশাল আকৃতি।<br />
নাসার “জুনো” মিশনের লক্ষ্য হলো এই বৃহস্পতি গ্রহ।<br />
সে এতই বড়, যে অন্য গ্রহগুলোর ক্ষেত্রে বলে দেওয়া<br />
যায় যে তারা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু<br />
বৃহস্পতির ক্ষেত্রে তা বলা যায় না। সৌরজগতের<br />
অন্য সবগুলো গ্রহের ভর যোগ করে সেই যোগফলকে<br />
আড়াই দিয়ে গুণ দিলে তার পরেই পাওয়া যায়<br />
বৃহস্পতির ভর। এ কারণেই বৃহস্পতির সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটি বা মাধ্যাকর্ষণের কেন্দ্র সূর্য নয়। বরং<br />
বলা যায়, সূর্য থেকে একটু উপরে অবস্থিত বৃহস্পতির<br />
সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি।<br />
একটু খোলাসা করেই বলা যাক।<br />
মহাকাশে যখন একটি ছোট জ্যোতিষ্ক বড় একটি<br />
জ্যোতিষ্ককে কেন্দ্র করে ঘোরে, তখন ছোট<br />
জ্যোতিষ্কটি কিন্তু বড়টির আশেপাশে একেবারে<br />
নিখুঁত চক্রাকারে ঘোরে না। বরং, এই দুইটি বস্তুই<br />
একটি সাধারণ বিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘোরে, অর্থাৎ<br />
তাদের দুজনেরই সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি হয় একটি<br />
মাত্র বিন্দু।<br />
এবার চলুন এই ব্যাপারটা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে দেখি।<br />
পৃথিবীর চাইতে সূর্য এতই বড়, যে পৃথিবীর সেন্টার<br />
অফ গ্র্যাভিটি সূর্যক ধরলেও আসলে তেমন কোনো<br />
ভুল হবে না। এক্ষেত্রে বড় জ্যোতিষ্কটিকে স্থির<br />
ধরা যায় এবং পৃথিবী তার চারপাশে প্রদক্ষিণ<br />
করছে- এটা বলাই যায়। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা এত<br />
সহজ নয়।<br />
যখন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) পৃথিবীকে<br />
প্রদক্ষিণ করে, তখন পৃথিবী এবং স্পেস স্টেশন<br />
দুজনেই নিজেদের সাধারণ সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটিকে ঘিরে ঘুরছে। কিন্তু এই সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটি পৃথিবীর কেন্দ্রের এত কাছে যে ধরে<br />
নেওয়া যায় স্পেস স্টেশন পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই<br />
ঘোরে। আর স্পেস স্টেশন থেকেও মনে হয় সে একটা<br />
নিখুঁত চক্রাকার কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে<br />
চলেছে।<br />
পৃথিবীর মতো অন্যান্য গ্রহের ক্ষেত্রেও এই একই<br />
কথা প্রযোজ্য। পৃথিবী, শুক্র, মঙ্গল এমনকি শনির<br />
তুলনায় সূর্য এতই বড় যে তাদের সেন্টার অফ<br />
গ্র্যাভিটি বা সেন্টার অফ মাস হিসেবে সূর্যকেই<br />
ধরা যায়। কিন্তু এই একই কাতারে বৃহস্পতিকে ফেলা<br />
যায় না। কারণ হলো সে প্রকান্ড একটি গ্রহ।<br />
এই গ্যাস জায়ান্ট এত বড় যে তার সেন্টার অফ মাস<br />
অথবা ব্যারিসেন্টার হলো সূর্যের কেন্দ্র থেকে<br />
১.০৭ র্যাডাই দূরে। অথবা সূর্যের ব্যাসের ৭% শতাংশ<br />
দূরে। ওই বিন্দুটিকে ঘিরে মহাকাশে ঘুরতে থাকে<br />
সূর্য এবং বৃহস্পতি দুজনেই।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মঙ্গলগ্রহে বিশাল আকারের চামচের সন্ধান!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=425</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:40:02 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=425</guid>
			<description><![CDATA[ভিন্নগ্রহবাসীর অস্তিত্বে বিশ্বাসী একদল মানুষ<br />
দাবি করেছেন, মঙ্গলগ্রহে চামচের সন্ধান পাওয়া<br />
গেছে।<br />
নাসার প্রকাশিত মঙ্গলের ছবি বিশ্লেষণ করে তারা<br />
একটি চামচ পেয়েছেন। তাদের ধারণা, কোনো এক<br />
সময় এই লাল গ্রহে সভ্যতা ছিল এবং শনাক্ত করা<br />
চামচটি বিলুপ্ত সেই সভ্যতার মানুষদের।<br />
ইউএফও হান্টার নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল মঙ্গল<br />
গ্রহে বিশাল একটি চামচ পাওয়ার দাবি করে এ-<br />
সংক্রান্ত ছবি পোস্ট করে। এরপর অসংখ্য মানুষ তা<br />
শেয়ার করে।<br />
ইন্টারনেটে ভিনগ্রহবাসীদের নিয়ে সরব থাকা স্কট<br />
সি ওয়ারিং এক মন্তব্যে লিখেছেন, ‘মঙ্গলগ্রহে<br />
নাসার মার্স কিউরিওসিটি রোভারের কাছে একটি<br />
চামচ পাওয়ার ঘটনা সত্যিই দারুণ আবিষ্কার।’<br />
এর আগেও মঙ্গলগ্রহের ছবিতে একটি চামচ পাওয়ার<br />
দাবি করেন গবেষকরা। আগেরটির সঙ্গে দ্বিতীয়<br />
চামচটির হুবহু মিল রয়েছে।<br />
এটিকে চামচ বলা হলেও মূলত তিন কোণাকৃতির বস্তু<br />
এটি। গবেষকদের দাবি, খাবার গ্রহণের সময় এই তিন<br />
কোণাকৃতির বস্তু ব্যবহার করতেন মঙ্গলের বিলুপ্ত<br />
সভ্যতার মানুষ। তবে ছবি বিশ্লেষণ করে অনেক<br />
ধারণা করা হলেও পরে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা<br />
ঠিক থাকে না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ভিন্নগ্রহবাসীর অস্তিত্বে বিশ্বাসী একদল মানুষ<br />
দাবি করেছেন, মঙ্গলগ্রহে চামচের সন্ধান পাওয়া<br />
গেছে।<br />
নাসার প্রকাশিত মঙ্গলের ছবি বিশ্লেষণ করে তারা<br />
একটি চামচ পেয়েছেন। তাদের ধারণা, কোনো এক<br />
সময় এই লাল গ্রহে সভ্যতা ছিল এবং শনাক্ত করা<br />
চামচটি বিলুপ্ত সেই সভ্যতার মানুষদের।<br />
ইউএফও হান্টার নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল মঙ্গল<br />
গ্রহে বিশাল একটি চামচ পাওয়ার দাবি করে এ-<br />
সংক্রান্ত ছবি পোস্ট করে। এরপর অসংখ্য মানুষ তা<br />
শেয়ার করে।<br />
ইন্টারনেটে ভিনগ্রহবাসীদের নিয়ে সরব থাকা স্কট<br />
সি ওয়ারিং এক মন্তব্যে লিখেছেন, ‘মঙ্গলগ্রহে<br />
নাসার মার্স কিউরিওসিটি রোভারের কাছে একটি<br />
চামচ পাওয়ার ঘটনা সত্যিই দারুণ আবিষ্কার।’<br />
এর আগেও মঙ্গলগ্রহের ছবিতে একটি চামচ পাওয়ার<br />
দাবি করেন গবেষকরা। আগেরটির সঙ্গে দ্বিতীয়<br />
চামচটির হুবহু মিল রয়েছে।<br />
এটিকে চামচ বলা হলেও মূলত তিন কোণাকৃতির বস্তু<br />
এটি। গবেষকদের দাবি, খাবার গ্রহণের সময় এই তিন<br />
কোণাকৃতির বস্তু ব্যবহার করতেন মঙ্গলের বিলুপ্ত<br />
সভ্যতার মানুষ। তবে ছবি বিশ্লেষণ করে অনেক<br />
ধারণা করা হলেও পরে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা<br />
ঠিক থাকে না।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সৌরজগতের সবচেয়ে বড় চাঁদ ও তার আদ্যোপান্ত]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=424</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:38:53 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=424</guid>
			<description><![CDATA[আমাদের পৃথিবীর উপগ্রহের সংখ্যা একটি। চাঁদ<br />
নামেই এটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।<br />
চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে যেমন প্রতিনিয়ত<br />
ঘূর্ণনশীল তেমনি সৌরজগতের আরো অনেক গ্রহ<br />
রয়েছে যাদেরকে কেন্দ্র করে একটি চাঁদ নয়<br />
একাধিক চাঁদ ঘূর্ণয়মান।<br />
যেমন মঙ্গলের দুইটি উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে। এছাড়া<br />
শনির ৬২টি, ইউরেনাসের ২৭টি, নেপচুনের ১৪টি,<br />
প্লুটের ৫টি এবং বৃহস্পতির ওপর সর্বশেষ সমীক্ষা<br />
অনুযায়ী এ গ্রহের মোট ৬৭টি চাঁদের সন্ধান পাওয়া<br />
গেছে। কিন্তু সৌরজগতের এইসব চন্দ্র সমূহের মধ্যে<br />
আয়তনে সবচেয়ে বড় কে? পৃথিবীর চাঁদ নাকি অন্য<br />
গ্রহের কোনো চাঁদ? এই প্রশ্ন তো থেকেই যায়।<br />
বেশ কিছুদিন পূর্বেও ধারণা করা হতো, শনির উপগ্রহ<br />
টাইটানই সৌরজগতের সবচেয়ে বড় চাঁদ। কারণ<br />
টাইটানই একমাত্র উপগ্রহ যার ঘন আবহাওয়ামণ্ডল<br />
রয়েছে এবং সেটা আয়তনে বিশাল। বিজ্ঞানীদের<br />
মতে, টাইটান এতই শীতল যে, এখানের গ্যাস কণিকার<br />
চঞ্চলতাও কম। ফলে কিছু গ্যাস কণিকা আটকে<br />
পড়েই এই ঘন আবহাওয়া মণ্ডলের সৃষ্টি করেছে। এর<br />
বায়ুমণ্ডলের ৯৯ শতাংশই হচ্ছে নাইট্রজেনে ভরপুর।<br />
আয়তনে টাইটান বুধ গ্রহের থেকে বেশ কিছুটা বড়।<br />
কিন্তু গ্রহের ব্যাসার্ধ মাপার পদ্ধতি আবিষ্কৃত<br />
হওয়ার পর জানা গেল টাইটান নয়, বৃহস্পতির উপগ্রহ<br />
গ্যানিমিড-ই হল সৌরজগতের সবচেয়ে বড় চাঁদ।<br />
ব্যাসার্ধে টাইটান গ্যানিমিডের কিছুটা ছোট। এই<br />
উপগ্রহটি সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন<br />
জ্যোতির্বিদ্যার জনক হিসেবে খ্যাত বিজ্ঞানী<br />
গ্যালিলিও গ্যালিলি। তবে তিনি শুধু গ্যানিমিড-ই<br />
নয়, ১৬১০ সালের জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখে<br />
সর্বপ্রথম তার দূরবীনের সাহায্যে একসঙ্গে<br />
আবিষ্কার করেছিলেন বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ।<br />
তিনি পরের রাতে উপগ্রহ চারটির ওপর পর্যবেক্ষণ<br />
করে জানতে পারেন উপগ্রহ চারটি বৃহস্পতিকে<br />
কেন্দ্র করে ঘূর্ণয়মান।<br />
এই চারটি উপগ্রহই বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।<br />
বাকি তিনটি হল- আইও, ইউরোপা এবং ক্যালিস্টো।<br />
তবে গ্যালিলিও আবিষ্কার করলেও এই উপগ্রহটির<br />
নামকরণ করেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ সাইমন<br />
মেরিয়াস। গ্রিক পুরাণের দেবতা জিউসের<br />
প্রেমিকের নামে গ্যানেমিড নামকরণ করা হয়।<br />
গ্যানিমিড হল বৃহস্পতির তৃতীয় উপগ্রহ। সৌরজগতের<br />
অন্য উপগ্রহের তুলনায় গ্যানিমিড একটি বৈশিষ্টের<br />
কারণে সবচেয়ে আলাদা। কারণ গ্যানিমিডই হল<br />
সৌরজগতের একমাত্র উপগ্রহ যেটিতে গ্রহের মতো<br />
ম্যাগনেটিক ফিল্ড বিদ্যমান। মূলত এই ম্যাগনেটিক<br />
ফিল্ড থাকার কারণে গ্রহকে কেন্দ্র করে উপগ্রহ<br />
ঘূর্ণয়মান এবং এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারণেই<br />
সমগ্র সৌরজগৎ একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমে কোটি<br />
কোটি বছর ধরে একইভাবে ঘূর্ণয়মান।<br />
গ্যানিমিডের ব্যাস ৫২৬৮ কিলোমিটার। এই ব্যাস<br />
হিসেব করলে দেখা যায় এই উপগ্রহটি বুধ গ্রহের<br />
থেকে প্রায় ৮% বড় এবং সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম<br />
উপগ্রহ টাইটানের থেকে ২% বড়। আয়তনে এই<br />
উপগ্রহটি প্লুটো গ্রহ থেকেও বড়। মহাকাশযান<br />
পায়োনিয়ার-১০ এর সবচেয়ে কাছে গিয়ে (প্রায় ৪৪০<br />
কিলোমিটার) যে তথ্য প্রেরণ করে সেই তথ্য<br />
বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই<br />
উপগ্রহটির পৃষ্ঠ সম্পূর্ণরূপে পাথুরে পাহাড়ে ভরপুর।<br />
এই পাহাড়ে সালফারের পরিমান বেশি। এসব<br />
পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে জমাট পানির অস্তিত্বও<br />
পাওয়া গেছে। ১৯৭৯ সালে মহাকাশযান ভয়েজারের<br />
পাঠানো ছবিতে এই দৃশ্য সর্বপ্রথম দেখা যায়। তবে<br />
এর ভূ-অভ্যন্তরে যে পরিমান পানি রয়েছে তার<br />
পরিমান পৃথিবী পৃষ্ঠের সকল সমুদ্রের মিলিত পানির<br />
চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।<br />
শুধু পানিই নয় গ্যানিমেডের ভূ-অভ্যন্তরে প্রচুর<br />
পরিমানে গলিত তপ্ত লোহাও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা<br />
মনে করেন এই লোহাই গ্যানিমিডের ম্যাগনেটিক<br />
ফিল্ডের মূল রহস্য। উপগ্রহটিতে অক্সিজেনের<br />
হালকা বায়ুমণ্ডলও বিদ্যমান।<br />
গ্যানিমিডের কক্ষপথ বৃহস্পতি থেকে প্রায় ১০৭০৪০০<br />
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর কক্ষপথ সামান্য<br />
উৎকেন্দ্রিক। এটি প্রতি সাত দিন তিন ঘণ্টায়<br />
বৃহস্পতিকে একবার ঘুরে আসে। এদিকে এই সময়ের<br />
মধ্যে আইও চারবার এবং ইউরোপা দুইবার বৃহস্পতিকে<br />
ঘুরে আসে।<br />
সবমিলিয়ে রহস্যমণ্ডিত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এই<br />
চাঁদ। আগামীতে বৃহস্পতির নতুন রহস্য উন্মোচন এবং<br />
গ্যানিমিডের নতুন সব তথ্যের খোঁজ পেতে<br />
ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ২০২২ সালে বৃহস্পতির<br />
উদ্দেশ্যে ‘জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার’<br />
শিরোনামের একটি মহাকাশযাত্রার ঘোষণা<br />
ইতোমধ্যেই দিয়েছে। সে সময় গ্যানিমিড সম্পর্কে<br />
নতুন কোনো তথ্য আবিষ্কার হবে কিনা সেটা এখন<br />
দেখার বিষয়।<br />
তথ্যসূত্র...<br />
* গ্যালিলি গ্যালিলিও- এডওয়ার্ড কার্লোস,<br />
ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমা।<br />
* রিসার্স অন গ্যানিমিড- নাসা<br />
* সৌরজগৎ-সুব্রত বড়ুয়া<br />
* মহাবিশ্বের উৎস সন্ধানে- শঙ্কর<br />
মুখোপাধ্যায়<br />
* এ কোয়ান্টাম অব কসমলোজি- লি স্মোলিন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমাদের পৃথিবীর উপগ্রহের সংখ্যা একটি। চাঁদ<br />
নামেই এটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।<br />
চাঁদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে যেমন প্রতিনিয়ত<br />
ঘূর্ণনশীল তেমনি সৌরজগতের আরো অনেক গ্রহ<br />
রয়েছে যাদেরকে কেন্দ্র করে একটি চাঁদ নয়<br />
একাধিক চাঁদ ঘূর্ণয়মান।<br />
যেমন মঙ্গলের দুইটি উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে। এছাড়া<br />
শনির ৬২টি, ইউরেনাসের ২৭টি, নেপচুনের ১৪টি,<br />
প্লুটের ৫টি এবং বৃহস্পতির ওপর সর্বশেষ সমীক্ষা<br />
অনুযায়ী এ গ্রহের মোট ৬৭টি চাঁদের সন্ধান পাওয়া<br />
গেছে। কিন্তু সৌরজগতের এইসব চন্দ্র সমূহের মধ্যে<br />
আয়তনে সবচেয়ে বড় কে? পৃথিবীর চাঁদ নাকি অন্য<br />
গ্রহের কোনো চাঁদ? এই প্রশ্ন তো থেকেই যায়।<br />
বেশ কিছুদিন পূর্বেও ধারণা করা হতো, শনির উপগ্রহ<br />
টাইটানই সৌরজগতের সবচেয়ে বড় চাঁদ। কারণ<br />
টাইটানই একমাত্র উপগ্রহ যার ঘন আবহাওয়ামণ্ডল<br />
রয়েছে এবং সেটা আয়তনে বিশাল। বিজ্ঞানীদের<br />
মতে, টাইটান এতই শীতল যে, এখানের গ্যাস কণিকার<br />
চঞ্চলতাও কম। ফলে কিছু গ্যাস কণিকা আটকে<br />
পড়েই এই ঘন আবহাওয়া মণ্ডলের সৃষ্টি করেছে। এর<br />
বায়ুমণ্ডলের ৯৯ শতাংশই হচ্ছে নাইট্রজেনে ভরপুর।<br />
আয়তনে টাইটান বুধ গ্রহের থেকে বেশ কিছুটা বড়।<br />
কিন্তু গ্রহের ব্যাসার্ধ মাপার পদ্ধতি আবিষ্কৃত<br />
হওয়ার পর জানা গেল টাইটান নয়, বৃহস্পতির উপগ্রহ<br />
গ্যানিমিড-ই হল সৌরজগতের সবচেয়ে বড় চাঁদ।<br />
ব্যাসার্ধে টাইটান গ্যানিমিডের কিছুটা ছোট। এই<br />
উপগ্রহটি সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন<br />
জ্যোতির্বিদ্যার জনক হিসেবে খ্যাত বিজ্ঞানী<br />
গ্যালিলিও গ্যালিলি। তবে তিনি শুধু গ্যানিমিড-ই<br />
নয়, ১৬১০ সালের জানুয়ারি মাসের ৭ তারিখে<br />
সর্বপ্রথম তার দূরবীনের সাহায্যে একসঙ্গে<br />
আবিষ্কার করেছিলেন বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ।<br />
তিনি পরের রাতে উপগ্রহ চারটির ওপর পর্যবেক্ষণ<br />
করে জানতে পারেন উপগ্রহ চারটি বৃহস্পতিকে<br />
কেন্দ্র করে ঘূর্ণয়মান।<br />
এই চারটি উপগ্রহই বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।<br />
বাকি তিনটি হল- আইও, ইউরোপা এবং ক্যালিস্টো।<br />
তবে গ্যালিলিও আবিষ্কার করলেও এই উপগ্রহটির<br />
নামকরণ করেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ সাইমন<br />
মেরিয়াস। গ্রিক পুরাণের দেবতা জিউসের<br />
প্রেমিকের নামে গ্যানেমিড নামকরণ করা হয়।<br />
গ্যানিমিড হল বৃহস্পতির তৃতীয় উপগ্রহ। সৌরজগতের<br />
অন্য উপগ্রহের তুলনায় গ্যানিমিড একটি বৈশিষ্টের<br />
কারণে সবচেয়ে আলাদা। কারণ গ্যানিমিডই হল<br />
সৌরজগতের একমাত্র উপগ্রহ যেটিতে গ্রহের মতো<br />
ম্যাগনেটিক ফিল্ড বিদ্যমান। মূলত এই ম্যাগনেটিক<br />
ফিল্ড থাকার কারণে গ্রহকে কেন্দ্র করে উপগ্রহ<br />
ঘূর্ণয়মান এবং এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারণেই<br />
সমগ্র সৌরজগৎ একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমে কোটি<br />
কোটি বছর ধরে একইভাবে ঘূর্ণয়মান।<br />
গ্যানিমিডের ব্যাস ৫২৬৮ কিলোমিটার। এই ব্যাস<br />
হিসেব করলে দেখা যায় এই উপগ্রহটি বুধ গ্রহের<br />
থেকে প্রায় ৮% বড় এবং সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম<br />
উপগ্রহ টাইটানের থেকে ২% বড়। আয়তনে এই<br />
উপগ্রহটি প্লুটো গ্রহ থেকেও বড়। মহাকাশযান<br />
পায়োনিয়ার-১০ এর সবচেয়ে কাছে গিয়ে (প্রায় ৪৪০<br />
কিলোমিটার) যে তথ্য প্রেরণ করে সেই তথ্য<br />
বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই<br />
উপগ্রহটির পৃষ্ঠ সম্পূর্ণরূপে পাথুরে পাহাড়ে ভরপুর।<br />
এই পাহাড়ে সালফারের পরিমান বেশি। এসব<br />
পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে জমাট পানির অস্তিত্বও<br />
পাওয়া গেছে। ১৯৭৯ সালে মহাকাশযান ভয়েজারের<br />
পাঠানো ছবিতে এই দৃশ্য সর্বপ্রথম দেখা যায়। তবে<br />
এর ভূ-অভ্যন্তরে যে পরিমান পানি রয়েছে তার<br />
পরিমান পৃথিবী পৃষ্ঠের সকল সমুদ্রের মিলিত পানির<br />
চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।<br />
শুধু পানিই নয় গ্যানিমেডের ভূ-অভ্যন্তরে প্রচুর<br />
পরিমানে গলিত তপ্ত লোহাও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা<br />
মনে করেন এই লোহাই গ্যানিমিডের ম্যাগনেটিক<br />
ফিল্ডের মূল রহস্য। উপগ্রহটিতে অক্সিজেনের<br />
হালকা বায়ুমণ্ডলও বিদ্যমান।<br />
গ্যানিমিডের কক্ষপথ বৃহস্পতি থেকে প্রায় ১০৭০৪০০<br />
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর কক্ষপথ সামান্য<br />
উৎকেন্দ্রিক। এটি প্রতি সাত দিন তিন ঘণ্টায়<br />
বৃহস্পতিকে একবার ঘুরে আসে। এদিকে এই সময়ের<br />
মধ্যে আইও চারবার এবং ইউরোপা দুইবার বৃহস্পতিকে<br />
ঘুরে আসে।<br />
সবমিলিয়ে রহস্যমণ্ডিত সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এই<br />
চাঁদ। আগামীতে বৃহস্পতির নতুন রহস্য উন্মোচন এবং<br />
গ্যানিমিডের নতুন সব তথ্যের খোঁজ পেতে<br />
ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ২০২২ সালে বৃহস্পতির<br />
উদ্দেশ্যে ‘জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার’<br />
শিরোনামের একটি মহাকাশযাত্রার ঘোষণা<br />
ইতোমধ্যেই দিয়েছে। সে সময় গ্যানিমিড সম্পর্কে<br />
নতুন কোনো তথ্য আবিষ্কার হবে কিনা সেটা এখন<br />
দেখার বিষয়।<br />
তথ্যসূত্র...<br />
* গ্যালিলি গ্যালিলিও- এডওয়ার্ড কার্লোস,<br />
ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমা।<br />
* রিসার্স অন গ্যানিমিড- নাসা<br />
* সৌরজগৎ-সুব্রত বড়ুয়া<br />
* মহাবিশ্বের উৎস সন্ধানে- শঙ্কর<br />
মুখোপাধ্যায়<br />
* এ কোয়ান্টাম অব কসমলোজি- লি স্মোলিন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীকে গিলে খাবে লোহিত দানব]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=423</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:36:58 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=423</guid>
			<description><![CDATA[লোহিত দানব বা রেড জায়ান্ট আসলে প্রবীণ<br />
নক্ষত্র। এরা জীবনের শেষ সীমার কাছে পৌঁছে<br />
গেছে। এখন চলছে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা। মহাবিশ্ব<br />
সৃষ্টির গোড়ার দিকে পুরো মহাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিল<br />
মহাজাগতিক মেঘ। হাইড্রোজেনের মেঘ। সেসব মেঘ<br />
মহাকর্ষ বলের আকর্ষণের প্রভাবে প্রথমে পুঞ্জিভূত<br />
হতে শুরু হয়। তারপর ধীরে ধীরে সংকুচিত হতে শুরু<br />
করে। ফলে পুঞ্জিভূত হাইড্রোজনের ঘনত্ব এবং<br />
তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। একসময় তাপমাত্রা এমন<br />
অবস্থায় আসে, যখন এর প্রভাবে হাইড্রোজেন<br />
নিউক্লিয়াসগুলো পরস্পর যুক্ত হতে শুরু করে। এভাবে<br />
দুটো হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে<br />
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। এভাবে<br />
হাইড্রোজেন পুঞ্জিভূত হয়ে তৈরি করে ফেলে<br />
বিরাট বিরাট সব নক্ষত্র। নিউক্লিয়ার ফিউশনের<br />
ফলে গ্যাস নিউক্লিয়াসগুলো যুক্ত হওয়ার সময়<br />
বিরটা পরিমাণ তাপশক্তি নির্গত হয়। এভাবেই জন্ম<br />
হয় পূর্ণাঙ্গ একটা নক্ষত্রের।<br />
একটা নক্ষত্র কতকাল জ্বলবে,তা নির্ভর করে<br />
নক্ষত্রের ভেতরকার হাইড্রোজেনের মোট<br />
পরিমাণের ওপর। শুধু হাইড্রোজেনই নক্ষত্রের<br />
জন্মকালের সঙ্গী,তখন যে নক্ষত্রের ভেতর<br />
হাইড্রোজেন যত বেশি,তার ভরও ততো বেশি। এক<br />
কথায় হিসাবটা দাঁড়াচ্ছে-নক্ষত্রের ভরের ওপর<br />
নির্ভর করছে সে কতকাল জ্বলবে। সুর্যের কথাই ধরা<br />
যাক, এর বয়স মোটামুটি ৫০০ কোটি বছর।<br />
জ্যোর্তিবিজ্ঞানীদের ধারণা, সূর্যের জন্মকালে<br />
যে পরিমাণ হাইড্রোজেন এর ভেতর পুঞ্জিভূত<br />
হয়েছিল, স্বভাবিক প্রজ্জ্বলনে তা নিঃশেষ হতে<br />
এক হাজার কোটি বছর সময় লাগবে। বিজ্ঞানীরা<br />
হিসেব কষে দেখেছেন, কোনো নক্ষত্রের ভর যদি<br />
সূর্যের ভরের তিনগুণ হয়, তাহলে সেই নক্ষত্রের<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের মাত্র দুই কোটি বছরেই ফুরিয়ে<br />
যাবে। কারণ ভর বেশি হলে মহাকর্ষীয় শক্তিও<br />
বেড়ে যায়। ফলে কেন্দ্রীয় অঞ্চলের<br />
হাইড্রোজেনের ওপর আরো বেশি মাত্রায় চাপ<br />
পড়ে। তাই হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসগুলো দ্রুত<br />
পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়। সেই অনুপাতে তাপমাত্রাও<br />
বৃদ্ধি পায় প্রচণ্ডভাবে। সেকারণে হাইড্রোজেনের<br />
জ্বলন চলে খুবই দ্রুত তালে।<br />
ধরা যাক, একটা বেলুনে বাতাস ভরা হচ্ছে। বাতাসে<br />
চাপে বেলুনটা ফুলে উঠতে শুরু করবে। সাধারণ বেলুন<br />
সংকুচিত অবস্থায় থাকে। বাতাসের চাপে সেই<br />
সংকুচিত অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। যতক্ষণ ভেতরে<br />
বাতাস থাকে ততক্ষণ বেলুন ফুলে থাকে। বাতাস বের<br />
করে নিলে সেটা আবার সংকুচিত হয়ে যায়। ঠিক<br />
এমন ঘটনাই ঘটে নক্ষত্রেরও জীবনে। মহাকর্ষ টানে<br />
হাইড্রোজেনের মেঘ পুঞ্জীভূত হয়ে সৃষ্টি করে<br />
নক্ষত্র। নতুন সেই নক্ষত্রের ভেতরে<br />
হাউড্রোজেনগুলো পরস্পরকে মহাকর্ষ বল দ্বারা<br />
আকর্ষণ করে। ফলে নক্ষত্রের ভেতরের<br />
হাইড্রোজেনগুলোর সংকুচিত হওয়ার একটা প্রবণতা<br />
থাকে। আবার মহাকর্ষী বলের চাপে তার কেন্দ্রীয়<br />
অঞ্চলের গ্যাস প্রচণ্ডভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।<br />
তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায় সেই অনুপাতে। শুরু হয়<br />
হাইড্রোজেনের জ্বলন বা ফিউশন। ফিউশনকালে<br />
সৃষ্টি হয় আরো শক্তি। বেলুনের বাতাসের মত সেই<br />
শক্তিই নক্ষত্রকে ফুলিয়ে রাখে। এই অবস্থায়<br />
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি যেমন নক্ষত্রকে সংকুচিত করার<br />
চেষ্টা করে। তার সঙ্গে পাল্লা দেয় ফিউশনের<br />
কারণে উৎপন্ন শক্তি। সেই শক্তি সংকোচনে বাধা<br />
দিয়ে ঠিক রাখে নক্ষত্রের স্বাভাবিক আয়তন।<br />
এভাবে নিয়মিত জ্বলনের কারণে একসময় নক্ষত্রের<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের হাইড্রোজেন প্রায় ফুরিয়ে<br />
আসে। অন্যদিকে হাইড্রোজেন সংযোজিত হয়ে<br />
সৃষ্টি করে হিলিয়াম। হাইড্রোজেন ফুরানোর পর<br />
নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় অঞ্চল আবার সংকুচিত হতে<br />
থাকে। সংকোচনের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে<br />
থাকে। এর প্রভাবে কেন্দ্রীয় অঞ্চলের পাশের<br />
অঞ্চল সম্প্রসারিত হয়।<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের কেন্দ্রে থাকে অবশিষ্ট<br />
হাইড্রোজেন আর বাইরে হিলিয়ামের স্তর। প্রচণ্ড<br />
সংকোচনের দরুণ কেন্দ্রীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা<br />
বাড়তে থাকে। সেই উত্তাপের প্রভাবে কেন্দ্রীয়<br />
অঞ্চলের বহিরাবরণটা প্রসারিত হতে থাকে।<br />
প্রসারণের কারণে নক্ষত্র তাপমাত্রা অনেকটাই<br />
খুইয়ে ফেলে। তাই এর উজ্জ্বলতা অনেকটাই ফিকে<br />
হয়ে যায়। তাই ওই নক্ষত্রটাকে আর উজ্জ্বল<br />
জ্যোতিষ্কের মতো দেখায় না। দেখায় টকটকে লাল।<br />
জ্যোতির্বিদরা মনে করেন, সূর্যের ভাগ্যেও জুটবে<br />
লোহিত দানবের দশা। এখন সূর্যের বাইরের পৃষ্ঠের<br />
তাপমাত্রা ৫ হাজার ৮০০ ডিগ্রি কেলভিন। লোহিত<br />
দানবে পরিণত হলে এই তাপমাত্রা কমে দাঁড়াবে ৩<br />
হাজার ডিগ্রি কেলভিনে। ব্যাসার্ধ বেড়ে হবে<br />
এখনকার ব্যাসার্ধের ১০০ গুণ। ওই অবস্থায় সূর্য গ্রাস<br />
করবে বুধ গ্রহকে।<br />
এরপর একসময় হিলিয়াম সংযোজনের দরুন সূর্যের<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চল নিঃশেষিত হতে থাকবে। তখন এর<br />
বহির্পৃষ্ঠের আয়তন আরো যাবে বেড়ে। ধীরে ধীরে<br />
ধেয়ে আসবে পৃথিবীর দিকে। একসময় পৃথিবীকেও<br />
গিলে খাবে সূর্যের পরবর্তি রূপ লোহিত দানব।<br />
তথ্যসূত্রঃ<br />
দ্য ফার্স্ট থ্রি মিনিটস – স্টিভেন ওয়েনবার্<br />
অ্যা ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইমস – স্টিফেন হকি<br />
মহাকাশে কী ঘটছে – আব্দুল্লাহ আল মুতি]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[লোহিত দানব বা রেড জায়ান্ট আসলে প্রবীণ<br />
নক্ষত্র। এরা জীবনের শেষ সীমার কাছে পৌঁছে<br />
গেছে। এখন চলছে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা। মহাবিশ্ব<br />
সৃষ্টির গোড়ার দিকে পুরো মহাবিশ্বে ছড়িয়ে ছিল<br />
মহাজাগতিক মেঘ। হাইড্রোজেনের মেঘ। সেসব মেঘ<br />
মহাকর্ষ বলের আকর্ষণের প্রভাবে প্রথমে পুঞ্জিভূত<br />
হতে শুরু হয়। তারপর ধীরে ধীরে সংকুচিত হতে শুরু<br />
করে। ফলে পুঞ্জিভূত হাইড্রোজনের ঘনত্ব এবং<br />
তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। একসময় তাপমাত্রা এমন<br />
অবস্থায় আসে, যখন এর প্রভাবে হাইড্রোজেন<br />
নিউক্লিয়াসগুলো পরস্পর যুক্ত হতে শুরু করে। এভাবে<br />
দুটো হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে<br />
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। এভাবে<br />
হাইড্রোজেন পুঞ্জিভূত হয়ে তৈরি করে ফেলে<br />
বিরাট বিরাট সব নক্ষত্র। নিউক্লিয়ার ফিউশনের<br />
ফলে গ্যাস নিউক্লিয়াসগুলো যুক্ত হওয়ার সময়<br />
বিরটা পরিমাণ তাপশক্তি নির্গত হয়। এভাবেই জন্ম<br />
হয় পূর্ণাঙ্গ একটা নক্ষত্রের।<br />
একটা নক্ষত্র কতকাল জ্বলবে,তা নির্ভর করে<br />
নক্ষত্রের ভেতরকার হাইড্রোজেনের মোট<br />
পরিমাণের ওপর। শুধু হাইড্রোজেনই নক্ষত্রের<br />
জন্মকালের সঙ্গী,তখন যে নক্ষত্রের ভেতর<br />
হাইড্রোজেন যত বেশি,তার ভরও ততো বেশি। এক<br />
কথায় হিসাবটা দাঁড়াচ্ছে-নক্ষত্রের ভরের ওপর<br />
নির্ভর করছে সে কতকাল জ্বলবে। সুর্যের কথাই ধরা<br />
যাক, এর বয়স মোটামুটি ৫০০ কোটি বছর।<br />
জ্যোর্তিবিজ্ঞানীদের ধারণা, সূর্যের জন্মকালে<br />
যে পরিমাণ হাইড্রোজেন এর ভেতর পুঞ্জিভূত<br />
হয়েছিল, স্বভাবিক প্রজ্জ্বলনে তা নিঃশেষ হতে<br />
এক হাজার কোটি বছর সময় লাগবে। বিজ্ঞানীরা<br />
হিসেব কষে দেখেছেন, কোনো নক্ষত্রের ভর যদি<br />
সূর্যের ভরের তিনগুণ হয়, তাহলে সেই নক্ষত্রের<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের মাত্র দুই কোটি বছরেই ফুরিয়ে<br />
যাবে। কারণ ভর বেশি হলে মহাকর্ষীয় শক্তিও<br />
বেড়ে যায়। ফলে কেন্দ্রীয় অঞ্চলের<br />
হাইড্রোজেনের ওপর আরো বেশি মাত্রায় চাপ<br />
পড়ে। তাই হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসগুলো দ্রুত<br />
পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়। সেই অনুপাতে তাপমাত্রাও<br />
বৃদ্ধি পায় প্রচণ্ডভাবে। সেকারণে হাইড্রোজেনের<br />
জ্বলন চলে খুবই দ্রুত তালে।<br />
ধরা যাক, একটা বেলুনে বাতাস ভরা হচ্ছে। বাতাসে<br />
চাপে বেলুনটা ফুলে উঠতে শুরু করবে। সাধারণ বেলুন<br />
সংকুচিত অবস্থায় থাকে। বাতাসের চাপে সেই<br />
সংকুচিত অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। যতক্ষণ ভেতরে<br />
বাতাস থাকে ততক্ষণ বেলুন ফুলে থাকে। বাতাস বের<br />
করে নিলে সেটা আবার সংকুচিত হয়ে যায়। ঠিক<br />
এমন ঘটনাই ঘটে নক্ষত্রেরও জীবনে। মহাকর্ষ টানে<br />
হাইড্রোজেনের মেঘ পুঞ্জীভূত হয়ে সৃষ্টি করে<br />
নক্ষত্র। নতুন সেই নক্ষত্রের ভেতরে<br />
হাউড্রোজেনগুলো পরস্পরকে মহাকর্ষ বল দ্বারা<br />
আকর্ষণ করে। ফলে নক্ষত্রের ভেতরের<br />
হাইড্রোজেনগুলোর সংকুচিত হওয়ার একটা প্রবণতা<br />
থাকে। আবার মহাকর্ষী বলের চাপে তার কেন্দ্রীয়<br />
অঞ্চলের গ্যাস প্রচণ্ডভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।<br />
তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায় সেই অনুপাতে। শুরু হয়<br />
হাইড্রোজেনের জ্বলন বা ফিউশন। ফিউশনকালে<br />
সৃষ্টি হয় আরো শক্তি। বেলুনের বাতাসের মত সেই<br />
শক্তিই নক্ষত্রকে ফুলিয়ে রাখে। এই অবস্থায়<br />
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি যেমন নক্ষত্রকে সংকুচিত করার<br />
চেষ্টা করে। তার সঙ্গে পাল্লা দেয় ফিউশনের<br />
কারণে উৎপন্ন শক্তি। সেই শক্তি সংকোচনে বাধা<br />
দিয়ে ঠিক রাখে নক্ষত্রের স্বাভাবিক আয়তন।<br />
এভাবে নিয়মিত জ্বলনের কারণে একসময় নক্ষত্রের<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের হাইড্রোজেন প্রায় ফুরিয়ে<br />
আসে। অন্যদিকে হাইড্রোজেন সংযোজিত হয়ে<br />
সৃষ্টি করে হিলিয়াম। হাইড্রোজেন ফুরানোর পর<br />
নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় অঞ্চল আবার সংকুচিত হতে<br />
থাকে। সংকোচনের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে<br />
থাকে। এর প্রভাবে কেন্দ্রীয় অঞ্চলের পাশের<br />
অঞ্চল সম্প্রসারিত হয়।<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চলের কেন্দ্রে থাকে অবশিষ্ট<br />
হাইড্রোজেন আর বাইরে হিলিয়ামের স্তর। প্রচণ্ড<br />
সংকোচনের দরুণ কেন্দ্রীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা<br />
বাড়তে থাকে। সেই উত্তাপের প্রভাবে কেন্দ্রীয়<br />
অঞ্চলের বহিরাবরণটা প্রসারিত হতে থাকে।<br />
প্রসারণের কারণে নক্ষত্র তাপমাত্রা অনেকটাই<br />
খুইয়ে ফেলে। তাই এর উজ্জ্বলতা অনেকটাই ফিকে<br />
হয়ে যায়। তাই ওই নক্ষত্রটাকে আর উজ্জ্বল<br />
জ্যোতিষ্কের মতো দেখায় না। দেখায় টকটকে লাল।<br />
জ্যোতির্বিদরা মনে করেন, সূর্যের ভাগ্যেও জুটবে<br />
লোহিত দানবের দশা। এখন সূর্যের বাইরের পৃষ্ঠের<br />
তাপমাত্রা ৫ হাজার ৮০০ ডিগ্রি কেলভিন। লোহিত<br />
দানবে পরিণত হলে এই তাপমাত্রা কমে দাঁড়াবে ৩<br />
হাজার ডিগ্রি কেলভিনে। ব্যাসার্ধ বেড়ে হবে<br />
এখনকার ব্যাসার্ধের ১০০ গুণ। ওই অবস্থায় সূর্য গ্রাস<br />
করবে বুধ গ্রহকে।<br />
এরপর একসময় হিলিয়াম সংযোজনের দরুন সূর্যের<br />
কেন্দ্রীয় অঞ্চল নিঃশেষিত হতে থাকবে। তখন এর<br />
বহির্পৃষ্ঠের আয়তন আরো যাবে বেড়ে। ধীরে ধীরে<br />
ধেয়ে আসবে পৃথিবীর দিকে। একসময় পৃথিবীকেও<br />
গিলে খাবে সূর্যের পরবর্তি রূপ লোহিত দানব।<br />
তথ্যসূত্রঃ<br />
দ্য ফার্স্ট থ্রি মিনিটস – স্টিভেন ওয়েনবার্<br />
অ্যা ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইমস – স্টিফেন হকি<br />
মহাকাশে কী ঘটছে – আব্দুল্লাহ আল মুতি]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[একেবারেই আলাদা কক্ষপথ যে গ্রহের]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=422</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:25:09 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=422</guid>
			<description><![CDATA[ঘুরছে সৌরজগতের সবকিছু। গ্রহরা যেমন সূর্যকে<br />
কেন্দ্র করে ঘোরে তেমনি উপগ্রহরাও ঘোরে গ্রহকে<br />
কেন্দ্র করে।<br />
নিজের অক্ষের চারপাশে মঙ্গল যে বেগে ঘোরে,<br />
উপগ্রহ ফোবস মঙ্গলের চারপাশে ঘোরে তার থেকে<br />
তিনগুণ গতিবেগে। ইউরেনাসের উপগ্রহরা তার<br />
(ইউরেনাসের) চারপাশে ঘোরে সামনের বা<br />
পেছনের দিকে নয়, ইউরেনাসের কক্ষের সঙ্গে<br />
সমকোণে। আবার নেপচুন, বৃহস্পতি ও শনির কোনো<br />
কোনো উপগ্রহ ঘোরে গ্রহের নিজ অক্ষের ঘূর্ণনের<br />
ঠিক উল্টো দিকে।<br />
ঘোরে স্বয়ং সূর্যও, নিজ অক্ষের ওপর পাক খেতে<br />
খেতে সমস্ত সৌরমণ্ডল নিয়ে মহাশূন্যের ভেতর<br />
দিয়ে সেকেন্ডে ১৯.২ কিলোমিটার বেগে ছুটে চলে<br />
সে। শুধু তাই নয়, নক্ষত্র সৃষ্টির জন্যও নীহারিকার<br />
ভেতর ঘূর্ণনের প্রয়োজন প্রধানতম বিষয়। যে কারণে<br />
মহাজাগতিক বস্তুর ঘূর্ণন ও তার কক্ষপথ ওই বস্তুর<br />
ক্ষেত্রে প্রধান বিষয়গুলোর একটি।<br />
সৌরজগতের সব গ্রহই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে একটি<br />
নিয়মিত ধরনের কক্ষপথে। এই কক্ষপথগুলো মোটামুটি<br />
বৃত্তাকার ধরনের হয়। সূর্য থেকে গ্রহের দূরত্বের ওপর<br />
ভিত্তি করে এসব কক্ষপথ বড় কিংবা ছোট হয়ে<br />
থাকে।<br />
তবে সকল গ্রহের কক্ষপথ বিবেচনা করলে<br />
সৌরজগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর কক্ষপথের গ্রহ হল<br />
প্লুটো। কারণ সৌরজগতের অন্যসকল গ্রহের মতো<br />
বৃত্তাকার পথে এটি সূর্যকে পরিভ্রমণ করে না।<br />
প্লুটের কক্ষপথ অত্যন্ত হেলানো এবং অনেক বেশি<br />
উপবৃত্তাকার। যে কারণে সৌরজগতের সবচেয়ে দূরতম<br />
এই গ্রহটি নিজ কক্ষপথের ওপর দিয়ে সূর্যকে<br />
পরিভ্রমণ কালে মাঝে মাঝে নেপচুনের কক্ষপথ পার<br />
হয়ে নেপচুন এবং ইউরেনাসের কক্ষপথের মধ্যে চলে<br />
আসে। তখন সূর্য থেকে নেপচুনের তুলনায় প্লুটোর<br />
দূরত্ব কম হয়ে যায়।<br />
এই ভিন্ন ধরনের কক্ষপথ হওয়ায় আবিষ্কারের প্রথম<br />
থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে গ্রহটিকে<br />
নিয়ে এক প্রকার বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞানী<br />
হয়েল এবং আরো অনেকে জ্যোতির্বিদ ধারণা<br />
করতেন, প্লুটো আসলে আদিতে নেপচুনের একটি<br />
উপগ্রহ ছিল। পরে কোনো কারণে নেপচুনের আকর্ষণ<br />
থেকে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে এসে স্বাধীনমতো সূর্যের<br />
চারিদিকে ঘুরছে এবং একটি গ্রহে পরিণত হয়েছে।<br />
কিন্তু ১৯৭৮ সালের ২২ জুন জ্যোতির্বিজ্ঞানী<br />
জ্যামস ক্রিস্টি প্রথমবারের মতো প্লুটোর উপগ্রহ<br />
‘শ্যারন’কে আবিষ্কার করার পরে এটিকে<br />
বিজ্ঞানীরা গ্রহ হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হন।<br />
প্লুটো আবিষ্কারের প্রায় অর্ধশত বছর পর এই ঘটনা<br />
ঘটে।<br />
লোয়েল মান মন্দিরের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্লাইড<br />
ডব্লিউ টমবাউ ১৯৩০ সালে একটি মহাকাশীয়<br />
বস্তুপিন্ড হিসেবে এই গ্রহটিকে আবিষ্কার করেন।<br />
আবিষ্কৃত এই মহাকাশীয় বস্তুপিন্ডটিকে রোমক মৃত্যু<br />
ও প্রেতলোকের দেবতার নামে গ্রহ হিসেবে নামকরণ<br />
করা হয় প্লুটো। পুরাণ মতে, প্লুটো হচ্ছে নিম্নতর<br />
জগতের দেবতা। সে স্যাটার্ন বা শনির পুত্র, জুপিটার<br />
বা বৃহস্পতি ও নেপচুনের ভাই এবং প্রসপারপাইনের<br />
স্বামী।<br />
আবিষ্কারের পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্লুটো<br />
সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে চিহ্নিত হতো। কিন্তু<br />
২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট ইন্টারন্যাশনাল<br />
অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন গ্রহের সংজ্ঞা নতুন<br />
করে নির্ধারণ করার পর প্লুটো তার গ্রহত্ব হারায়।<br />
নতুন সংজ্ঞার আওতায় বামন গ্রহ হিসেবে অভিহিত<br />
করে প্লুটোর গ্রহের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়।<br />
প্লুটোর কক্ষপথ<br />
প্লুটো নিজ কক্ষপথে প্রতি সেকেন্ডে ৪.৬৭<br />
কিলোমিটার বেগে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সূর্যকে<br />
একবার প্রদক্ষিণ করতে প্লুটোর সময় লাগে ২৪৮ বছর<br />
বা ৯০,৫৬০ দিন। নিজের চারদিকে একবার ঘুরে<br />
আসতে এর সময় লাগে ৬ দিন ৭ ঘণ্টা ১২ মিনিট। সূর্য<br />
থেকে প্লুটোর গড় দূরত্ব প্রায় ৫৯১ কোটি<br />
কিলোমিটার। এর ব্যাস প্রায় ৫৯১০ কিলোমিটার।<br />
আয়তনের হিসাবে পৃথিবীর চাঁদ লুনার তুলনায় এটি<br />
বেশ ছোট।<br />
সূর্য থেকে প্লুটোয় আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৫.৫<br />
ঘণ্টা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, গ্রহটি সম্পূর্ণ বরফ<br />
এবং পাথরে পাহাড়ে ভরপুর। প্লুটোর তাপমাত্রা খুবই<br />
কম। এর ওপরিভাগের তাপমাত্রা অধিকাংশ সময়<br />
প্রায় -২৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি<br />
থাকে। তবে মাঝে মাঝে নেপচুন থেকে সূর্যের<br />
কাছে চলে যাওয়ার কারণে এর তাপমাত্রা অনেক<br />
বেড়ে যায়। প্লুটোতে নাইট্রোজেন, কার্বন মনো-<br />
অক্সাইড এবং মিথেনের খুবই হালকা বায়ুমণ্ডল<br />
বিদ্যমান।<br />
তবে ১৯৮৯ সালে ভয়েজার-২ থেকে প্রাপ্ত তথ্য<br />
অনুসারে বিজ্ঞানীদের দাবী, এর বায়ুমণ্ডলে<br />
ট্রাইটনের মতো অন্য গ্যাসের তুলনায় কার্বন মনো-<br />
অক্সাইড পরিমাণই সবচেয়ে বেশি।<br />
প্লুটোর চাঁদের সংখ্যা পাঁচটি। আয়তন অনুসারে<br />
এগুলো হল- চ্যারন, স্টায়েক্স, নিক্স, কারবেরাস এবং<br />
হাইড্রা। চ্যারন আয়তনে প্রায় প্লুটের অর্ধেক হলেও<br />
অন্য উপগ্রহগুলো খুবই ক্ষুদ্রাকৃতির।<br />
২০০৫ সালের ১৫ মে হাবল টেলিস্কপের সাহায্যে<br />
ইন্টারন্যাশনাল এস্ট্রোনোমিকাল ইউনিয়নের ‘নিউ<br />
হরিজন মিশন’ এর মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয় নিক্স এবং<br />
হাইড্রা। ২০১১ সালের ২৮ এবং ২০১২ সালের ২৬ মে<br />
আবিষ্কৃত হয় কারবেরাস এবং স্টায়েক্স। সবমিলিয়ে<br />
ভিন্নধর্মী এক জগৎ প্লুটোর।<br />
এদিকে ভিন্নধর্মী কক্ষপথ হওয়ার কারণে মহাবিশ্ব<br />
সম্প্রসারণ নীতির ওপরে ভিত্তি করে ভবিষ্যতে<br />
নেপচুনের সঙ্গে প্লুটোর কোনো সংঘর্ষ হবে কিনা<br />
সেটা নিয়ে বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই উদ্বেগ<br />
প্রকাশ করেছেন। যে কারণে এই গ্রহকে<br />
পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ‘নিউ<br />
হরিজন স্পেসক্র্যাফট’ নামে একটি মহাকাশযান<br />
পাঠানো হয়েছে।<br />
এখনো পর্যন্ত যানটি প্রায় ৬.২৫ জিবি তথ্য প্রেরণ<br />
করেছে যাতে মহাকাশের নতুন নতুন কিছু তথ্য<br />
বেরিয়ে আসছে। আগামীতে বিজ্ঞানীরা এই গ্রহ<br />
সম্পর্কে আর কোনো নতুন তথ্য কিংবা এর রহস্যময়ী<br />
কক্ষপথ সম্পর্কে কিছু জানতে পারবেন কিনা সেটা<br />
এখন দেখার বিষয়।<br />
তথ্যসূত্র :<br />
* প্লুটো ফ্যাক্ট শিট– ডেভিড আর উইলিয়ামস,<br />
জুলাই ২৪ ২০১৫, নাসা।<br />
* দ্য প্লুটো সিস্টেম: ইনিশিয়াল রেজাল্টস<br />
ইটস এক্সপ্লরেশান বাই নিউ হরিজন (পৃষ্ঠা<br />
২৪৯-৩৫২)<br />
* প্লুটো ক্লোজ আপ- মারসিয়া ডান, এপি<br />
নিউজ, জুলাই ১৪ ২০১৫<br />
* এ কোয়ান্টাম অব কসমোলজি- লি স্মোলিন<br />
* এক্সপ্লোরিং আওয়ার ইউনিভার্স অ্যান্ড<br />
আদারস- মারটিন রিস]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ঘুরছে সৌরজগতের সবকিছু। গ্রহরা যেমন সূর্যকে<br />
কেন্দ্র করে ঘোরে তেমনি উপগ্রহরাও ঘোরে গ্রহকে<br />
কেন্দ্র করে।<br />
নিজের অক্ষের চারপাশে মঙ্গল যে বেগে ঘোরে,<br />
উপগ্রহ ফোবস মঙ্গলের চারপাশে ঘোরে তার থেকে<br />
তিনগুণ গতিবেগে। ইউরেনাসের উপগ্রহরা তার<br />
(ইউরেনাসের) চারপাশে ঘোরে সামনের বা<br />
পেছনের দিকে নয়, ইউরেনাসের কক্ষের সঙ্গে<br />
সমকোণে। আবার নেপচুন, বৃহস্পতি ও শনির কোনো<br />
কোনো উপগ্রহ ঘোরে গ্রহের নিজ অক্ষের ঘূর্ণনের<br />
ঠিক উল্টো দিকে।<br />
ঘোরে স্বয়ং সূর্যও, নিজ অক্ষের ওপর পাক খেতে<br />
খেতে সমস্ত সৌরমণ্ডল নিয়ে মহাশূন্যের ভেতর<br />
দিয়ে সেকেন্ডে ১৯.২ কিলোমিটার বেগে ছুটে চলে<br />
সে। শুধু তাই নয়, নক্ষত্র সৃষ্টির জন্যও নীহারিকার<br />
ভেতর ঘূর্ণনের প্রয়োজন প্রধানতম বিষয়। যে কারণে<br />
মহাজাগতিক বস্তুর ঘূর্ণন ও তার কক্ষপথ ওই বস্তুর<br />
ক্ষেত্রে প্রধান বিষয়গুলোর একটি।<br />
সৌরজগতের সব গ্রহই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে একটি<br />
নিয়মিত ধরনের কক্ষপথে। এই কক্ষপথগুলো মোটামুটি<br />
বৃত্তাকার ধরনের হয়। সূর্য থেকে গ্রহের দূরত্বের ওপর<br />
ভিত্তি করে এসব কক্ষপথ বড় কিংবা ছোট হয়ে<br />
থাকে।<br />
তবে সকল গ্রহের কক্ষপথ বিবেচনা করলে<br />
সৌরজগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর কক্ষপথের গ্রহ হল<br />
প্লুটো। কারণ সৌরজগতের অন্যসকল গ্রহের মতো<br />
বৃত্তাকার পথে এটি সূর্যকে পরিভ্রমণ করে না।<br />
প্লুটের কক্ষপথ অত্যন্ত হেলানো এবং অনেক বেশি<br />
উপবৃত্তাকার। যে কারণে সৌরজগতের সবচেয়ে দূরতম<br />
এই গ্রহটি নিজ কক্ষপথের ওপর দিয়ে সূর্যকে<br />
পরিভ্রমণ কালে মাঝে মাঝে নেপচুনের কক্ষপথ পার<br />
হয়ে নেপচুন এবং ইউরেনাসের কক্ষপথের মধ্যে চলে<br />
আসে। তখন সূর্য থেকে নেপচুনের তুলনায় প্লুটোর<br />
দূরত্ব কম হয়ে যায়।<br />
এই ভিন্ন ধরনের কক্ষপথ হওয়ায় আবিষ্কারের প্রথম<br />
থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে গ্রহটিকে<br />
নিয়ে এক প্রকার বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞানী<br />
হয়েল এবং আরো অনেকে জ্যোতির্বিদ ধারণা<br />
করতেন, প্লুটো আসলে আদিতে নেপচুনের একটি<br />
উপগ্রহ ছিল। পরে কোনো কারণে নেপচুনের আকর্ষণ<br />
থেকে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে এসে স্বাধীনমতো সূর্যের<br />
চারিদিকে ঘুরছে এবং একটি গ্রহে পরিণত হয়েছে।<br />
কিন্তু ১৯৭৮ সালের ২২ জুন জ্যোতির্বিজ্ঞানী<br />
জ্যামস ক্রিস্টি প্রথমবারের মতো প্লুটোর উপগ্রহ<br />
‘শ্যারন’কে আবিষ্কার করার পরে এটিকে<br />
বিজ্ঞানীরা গ্রহ হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হন।<br />
প্লুটো আবিষ্কারের প্রায় অর্ধশত বছর পর এই ঘটনা<br />
ঘটে।<br />
লোয়েল মান মন্দিরের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্লাইড<br />
ডব্লিউ টমবাউ ১৯৩০ সালে একটি মহাকাশীয়<br />
বস্তুপিন্ড হিসেবে এই গ্রহটিকে আবিষ্কার করেন।<br />
আবিষ্কৃত এই মহাকাশীয় বস্তুপিন্ডটিকে রোমক মৃত্যু<br />
ও প্রেতলোকের দেবতার নামে গ্রহ হিসেবে নামকরণ<br />
করা হয় প্লুটো। পুরাণ মতে, প্লুটো হচ্ছে নিম্নতর<br />
জগতের দেবতা। সে স্যাটার্ন বা শনির পুত্র, জুপিটার<br />
বা বৃহস্পতি ও নেপচুনের ভাই এবং প্রসপারপাইনের<br />
স্বামী।<br />
আবিষ্কারের পর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্লুটো<br />
সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে চিহ্নিত হতো। কিন্তু<br />
২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট ইন্টারন্যাশনাল<br />
অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন গ্রহের সংজ্ঞা নতুন<br />
করে নির্ধারণ করার পর প্লুটো তার গ্রহত্ব হারায়।<br />
নতুন সংজ্ঞার আওতায় বামন গ্রহ হিসেবে অভিহিত<br />
করে প্লুটোর গ্রহের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়।<br />
প্লুটোর কক্ষপথ<br />
প্লুটো নিজ কক্ষপথে প্রতি সেকেন্ডে ৪.৬৭<br />
কিলোমিটার বেগে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সূর্যকে<br />
একবার প্রদক্ষিণ করতে প্লুটোর সময় লাগে ২৪৮ বছর<br />
বা ৯০,৫৬০ দিন। নিজের চারদিকে একবার ঘুরে<br />
আসতে এর সময় লাগে ৬ দিন ৭ ঘণ্টা ১২ মিনিট। সূর্য<br />
থেকে প্লুটোর গড় দূরত্ব প্রায় ৫৯১ কোটি<br />
কিলোমিটার। এর ব্যাস প্রায় ৫৯১০ কিলোমিটার।<br />
আয়তনের হিসাবে পৃথিবীর চাঁদ লুনার তুলনায় এটি<br />
বেশ ছোট।<br />
সূর্য থেকে প্লুটোয় আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৫.৫<br />
ঘণ্টা। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, গ্রহটি সম্পূর্ণ বরফ<br />
এবং পাথরে পাহাড়ে ভরপুর। প্লুটোর তাপমাত্রা খুবই<br />
কম। এর ওপরিভাগের তাপমাত্রা অধিকাংশ সময়<br />
প্রায় -২৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি<br />
থাকে। তবে মাঝে মাঝে নেপচুন থেকে সূর্যের<br />
কাছে চলে যাওয়ার কারণে এর তাপমাত্রা অনেক<br />
বেড়ে যায়। প্লুটোতে নাইট্রোজেন, কার্বন মনো-<br />
অক্সাইড এবং মিথেনের খুবই হালকা বায়ুমণ্ডল<br />
বিদ্যমান।<br />
তবে ১৯৮৯ সালে ভয়েজার-২ থেকে প্রাপ্ত তথ্য<br />
অনুসারে বিজ্ঞানীদের দাবী, এর বায়ুমণ্ডলে<br />
ট্রাইটনের মতো অন্য গ্যাসের তুলনায় কার্বন মনো-<br />
অক্সাইড পরিমাণই সবচেয়ে বেশি।<br />
প্লুটোর চাঁদের সংখ্যা পাঁচটি। আয়তন অনুসারে<br />
এগুলো হল- চ্যারন, স্টায়েক্স, নিক্স, কারবেরাস এবং<br />
হাইড্রা। চ্যারন আয়তনে প্রায় প্লুটের অর্ধেক হলেও<br />
অন্য উপগ্রহগুলো খুবই ক্ষুদ্রাকৃতির।<br />
২০০৫ সালের ১৫ মে হাবল টেলিস্কপের সাহায্যে<br />
ইন্টারন্যাশনাল এস্ট্রোনোমিকাল ইউনিয়নের ‘নিউ<br />
হরিজন মিশন’ এর মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয় নিক্স এবং<br />
হাইড্রা। ২০১১ সালের ২৮ এবং ২০১২ সালের ২৬ মে<br />
আবিষ্কৃত হয় কারবেরাস এবং স্টায়েক্স। সবমিলিয়ে<br />
ভিন্নধর্মী এক জগৎ প্লুটোর।<br />
এদিকে ভিন্নধর্মী কক্ষপথ হওয়ার কারণে মহাবিশ্ব<br />
সম্প্রসারণ নীতির ওপরে ভিত্তি করে ভবিষ্যতে<br />
নেপচুনের সঙ্গে প্লুটোর কোনো সংঘর্ষ হবে কিনা<br />
সেটা নিয়ে বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই উদ্বেগ<br />
প্রকাশ করেছেন। যে কারণে এই গ্রহকে<br />
পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ‘নিউ<br />
হরিজন স্পেসক্র্যাফট’ নামে একটি মহাকাশযান<br />
পাঠানো হয়েছে।<br />
এখনো পর্যন্ত যানটি প্রায় ৬.২৫ জিবি তথ্য প্রেরণ<br />
করেছে যাতে মহাকাশের নতুন নতুন কিছু তথ্য<br />
বেরিয়ে আসছে। আগামীতে বিজ্ঞানীরা এই গ্রহ<br />
সম্পর্কে আর কোনো নতুন তথ্য কিংবা এর রহস্যময়ী<br />
কক্ষপথ সম্পর্কে কিছু জানতে পারবেন কিনা সেটা<br />
এখন দেখার বিষয়।<br />
তথ্যসূত্র :<br />
* প্লুটো ফ্যাক্ট শিট– ডেভিড আর উইলিয়ামস,<br />
জুলাই ২৪ ২০১৫, নাসা।<br />
* দ্য প্লুটো সিস্টেম: ইনিশিয়াল রেজাল্টস<br />
ইটস এক্সপ্লরেশান বাই নিউ হরিজন (পৃষ্ঠা<br />
২৪৯-৩৫২)<br />
* প্লুটো ক্লোজ আপ- মারসিয়া ডান, এপি<br />
নিউজ, জুলাই ১৪ ২০১৫<br />
* এ কোয়ান্টাম অব কসমোলজি- লি স্মোলিন<br />
* এক্সপ্লোরিং আওয়ার ইউনিভার্স অ্যান্ড<br />
আদারস- মারটিন রিস]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[লালগ্রহে বেগুনি রঙের পাথর]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=421</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:23:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=421</guid>
			<description><![CDATA[লালগ্রহ মঙ্গলে এবার মিললো বেগুনি রঙের পাথর।<br />
কিউরিওসিটির ঘোরার পথে তার ‘মাস্টক্যাম’এ<br />
লালগ্রহের মাউন্ট শার্পের নতুন কিছু ছবি দেখা<br />
গেছে। মাউন্ট শার্পের নিচের দিকের পাথুরে এই<br />
অঞ্চলে রয়েছে হালকা বেগুনি রঙের প্রভাব।<br />
রোমান যুদ্ধদেবতার নামানুসারে তার নাম দেওয়া হয়<br />
‘মার্স’। সৌরমণ্ডলের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহটিকে<br />
‘লালগ্রহ’-ও বলা হয়। কারণ, গ্রহের উপরিতলের আয়রন-<br />
অক্সাইডের প্রভাবে লালচে আভা প্রতিফলিত হয়।<br />
লালগ্রহের অন্দরেও পাথর-মাটি লালচে রঙের।<br />
কিন্তু নাসার পাঠানো মার্স কিউরিওসিটির<br />
ক্যামেরায় হঠাৎই ধরা পড়েছে অন্য রঙ। এতদিন<br />
কিউরিওসিটির চোখে এই রঙ ধরা না পড়ার কারণ<br />
হিসেবে নাসার বক্তব্য, বছরের এই সময়ে সাধারণত<br />
ধুলোর প্রকোপ কম থাকে। তাই পাথরের আসল রঙ<br />
দেখা গেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[লালগ্রহ মঙ্গলে এবার মিললো বেগুনি রঙের পাথর।<br />
কিউরিওসিটির ঘোরার পথে তার ‘মাস্টক্যাম’এ<br />
লালগ্রহের মাউন্ট শার্পের নতুন কিছু ছবি দেখা<br />
গেছে। মাউন্ট শার্পের নিচের দিকের পাথুরে এই<br />
অঞ্চলে রয়েছে হালকা বেগুনি রঙের প্রভাব।<br />
রোমান যুদ্ধদেবতার নামানুসারে তার নাম দেওয়া হয়<br />
‘মার্স’। সৌরমণ্ডলের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহটিকে<br />
‘লালগ্রহ’-ও বলা হয়। কারণ, গ্রহের উপরিতলের আয়রন-<br />
অক্সাইডের প্রভাবে লালচে আভা প্রতিফলিত হয়।<br />
লালগ্রহের অন্দরেও পাথর-মাটি লালচে রঙের।<br />
কিন্তু নাসার পাঠানো মার্স কিউরিওসিটির<br />
ক্যামেরায় হঠাৎই ধরা পড়েছে অন্য রঙ। এতদিন<br />
কিউরিওসিটির চোখে এই রঙ ধরা না পড়ার কারণ<br />
হিসেবে নাসার বক্তব্য, বছরের এই সময়ে সাধারণত<br />
ধুলোর প্রকোপ কম থাকে। তাই পাথরের আসল রঙ<br />
দেখা গেছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বৃহস্পতি ও মঙ্গলের মাঝে গ্রহাণু এল যেভাবে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=420</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 04:22:34 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=420</guid>
			<description><![CDATA[সূর্য থেকে ৭৭৮.৩ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে<br />
অবস্থিত সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি। সূর্য থেকে<br />
অবস্থানের দিক থেকে এটি সৌরজগতের পঞ্চম গ্রহ।<br />
বৃহস্পতির আগে থাকা বাকি চারটি গ্রহ বুধ, শুক্র,<br />
পৃথিবী ও মঙ্গলের সূর্য থেকে দূরত্ব যথাক্রমে ৫৭.৯,<br />
১০৮.২, ১৪৯.৬ ও ২২৭.৯ মিলিয়ন কিলোমিটার। এই<br />
দূরত্বগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় মোটামুটি<br />
একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর গ্রহগুলো অবস্থান করছে।<br />
এ হিসাবে সূর্য থেকে বৃহস্পতির ৭৭৮.৩ মিলিয়ন<br />
কিলোমিটার দূরত্ব অত্যন্ত বেশি বলে মনে হয়।<br />
মঙ্গল ও বৃহস্পতি দুই গ্রহের মধ্যে বেশি দূরত্বের<br />
বিষয়টি সর্বকালের অন্যতম সেরা<br />
জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলারের চোখে<br />
ধরা পড়েছিল। তাই তিনি ১৫৯৬ সালে জার্মান<br />
ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থ ‘মিস্ত্রিয়াম<br />
কসমোগ্রাফিকাম’ (ইংরেজি- দ্য কসমোগ্রাফিকাল<br />
মিস্ট্রি)-তে লিখেছিলেন, ‘মঙ্গল এবং বৃহস্পতির<br />
মাঝখানে আমি একটি গ্রহ রাখতে চাই। আমি খুঁজে<br />
না পেলেও ভবিষ্যতে হয়তো এখানে কিছু আবিষ্কৃত<br />
হবে। এই বিশাল জায়গায় অবশ্যই কিছু থাকার কথা।’<br />
পরবর্তীকালে বড় বড় বিজ্ঞানীরা শক্তিশালী<br />
দূরবীন কিংবা টেলিস্কোপ দিয়েও এই শুন্য স্থানে<br />
নতুন কোনো গ্রহ আবিষ্কার করতে পারেননি। তবে<br />
কেপলারের কথা একেবারেই বৃথা যায়নি। গ্রহের<br />
বদলে এই স্থানটিতে সন্ধান মিলেছে প্রায় লাখ<br />
খানেক গ্রহাণুর। যেগুলো গ্রহের মতোই সূর্যকে<br />
প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু গ্রহাণু আসলে কি?<br />
‘গ্রহাণু’ শব্দটিকে সম্প্রসারণ করলে দেখা যায়-<br />
গ্রহের অণু থেকে গ্রহাণু হয়েছে। মূলত এভাবেই<br />
শব্দটির উৎপত্তি। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা<br />
এককালে পুরো একটি গ্রহ সত্যিই এখানে ছিল। কিন্তু<br />
কোনো ধূমকেতুর আঘাতে কিংবা অন্য কোনো<br />
কারণে গ্রহটি ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল বলেই<br />
তার টুকরোগুলো অর্থাৎ গ্রহাণুগুলো আলাদা আলাদা<br />
হয়ে গ্রহের মতোই সূর্যকে নিয়মিতভাবে প্রদক্ষিণ<br />
করে চলছে।<br />
আমরা জানি, ১৯৯৪ সালের ১৬ জুলাই বৃহস্পতির সঙ্গে<br />
‘শুমেকার লেভি’ নামক একটি ধূমকেতুর সংঘর্ষ হয়,<br />
গ্যালিলিয় নভোযান দৃশ্যটি ধারণও করে। তবে<br />
ধূমকেতুটি আকারে ছোট হওয়ায় বৃহস্পতির বিশেষ<br />
কোনো ক্ষতি হয়নি। সুতরাং ধূমকেতুর কিংবা<br />
অন্যকোনো মহাজাগতিক কিছুর আঘাতে কোনো গ্রহ<br />
চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়। যে<br />
কারণে গ্রহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গ্রহাণুর উৎপত্তি<br />
বিষয়টাকেই অধিকাংশ বিজ্ঞানীরা মেনে<br />
নিয়েছেন।<br />
বৃহস্পতি এবং মঙ্গলের মাঝখানে প্রথমবারের মতো<br />
কোনো বস্তুর সন্ধান মেলে ১৮০১ সালের ১<br />
জানুয়ারি। বর্তমানে ইতালিতে অবস্থিত সিসিলির<br />
পালোরমে মানমন্দিরের অধ্যক্ষ গিসেপ্পি<br />
পিয়াৎসি এদিন এমন একটি তারার সন্ধান পান যার<br />
চলন ঠিক তারার মতো নয়। এরপর তিনি এই তারার চলন<br />
পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করেন। পিয়াৎসির পর্যবেক্ষণ-<br />
লব্ধ তথ্য নিয়ে হিসাব কষে বিখ্যাত গণিতজ্ঞ গাউস<br />
ঘোষণা করেন, এটি আসলে কোনো তারা নয়, এটি<br />
একটি গ্রহ।<br />
এরপর গ্রিক দেবি ডিমিটারের রোমান নাম<br />
অনুসারে পিয়াৎসে এই গ্রহটির নাম দেন ‘সিরিস’।<br />
সূর্য থেকে সিরিস-এর দূরত্ব ৪৩ কোটি ৩২ লাখ<br />
কিলোমিটার। সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরে<br />
আসতে এর সময় লাগে ৪.৬ বছর। কিন্তু গ্রহটির ব্যাস<br />
৮০০ কিলোমিটারেরও বেশ অনেক কম। সুতরাং<br />
বিজ্ঞানীরা একে গ্রহের মর্যাদা দিতে নারাজ<br />
হলেন। এদিকে সিরিস-এর ওই একই অঞ্চলে ১৮০২<br />
সালের মার্চে আবিষ্কৃত হল আরেকটি ক্ষুদ্রাকৃতির<br />
গ্রহ। এর নাম দেওয়া হল ‘পালাস’। পরবর্তী পাঁচ<br />
বছরের মধ্যে আবিষ্কৃত হল এরূপ আরো দুইটি গ্রহ-<br />
‘জুনো’ ও ‘ভেস্তা’। এবারও এদের গ্রহ নামটি খারিজ<br />
করে দেওয়া হল। বলা হল আসলে এরা গ্রহ নয় বরং<br />
গ্রহের অনু বা খণ্ডাংশ। সেখান থেকেই এর নাম হল<br />
গ্রহাণু।<br />
অতঃপর পর্যায়ক্রমে আবিষ্কৃত হতে লাগলো আরো<br />
গ্রহাণু। যেমন-হেবে, ফ্লোরা, মেতিস, আইডিএ,<br />
হাইজিয়া, ইরোস, ভিক্টোরিয়া, ইউজিনিয়া,<br />
এগেরিয়া, থেটিস, ফরচুনা, বেল্লোনা, ফিদেস সহ<br />
আরো অনেক গ্রহাণু। বর্তমানে এই সংখ্যা দু হাজার<br />
ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা এই সংখ্যা<br />
লক্ষাধিক হতে পারে।<br />
তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, আমাদের সৌরজগতের কিছু<br />
বড় বড় গ্রহের যেমন চাঁদ আছে, তেমনি কিছু গ্রহাণুরও<br />
চাঁদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ১৯৯৩ সালে ১৯ মাইল<br />
বিস্তৃত ‘আইডিএ’ নামক গ্রহাণুর একটি ছোট উপগ্রহ<br />
আবিষ্কৃত হয়েছে যার নাম রাখা হয় ‘ড্যাক্টেইল’। এর<br />
বিস্তীর্ণতা প্রায় ১ মাইলের মতো। এরপর ১৯৯৯<br />
সালে ৮ মাইল বিস্তীর্ণ একটি উপগ্রহ আবিষ্কার হয়,<br />
এর নাম রাখা হয় ‘পেটিট প্রিন্স’। এই উপগ্রহটি প্রায়<br />
১৩৫ মাইল বিস্তীর্ণ গ্রহাণু ইউজিনিয়াকে-কে<br />
প্রদক্ষিণ করে। ২০০০ সালে ৯০ মাইল বিস্তীর্ন গ্রহাণু<br />
পুলকোভার’র উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয় যার বিস্তৃতি প্রায়<br />
৯ মাইল। এখনো পর্যন্ত প্রায় ২ ডজনেরও বেশি<br />
গ্রহাণুর উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।<br />
এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্রহাণুদের মধ্যে বৃহত্তম হল<br />
সিরিস। এর ব্যাস ৬৮৩ কিলোমিটার। তারপর রয়েছে<br />
ভেস্তা, এর ব্যাস ৫৯২ কিলোমিটার। এই গ্রহাণুটি<br />
আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে রয়েছে। যে<br />
কারণে একমাত্র এই গ্রহাণুটিকেই পৃথিবী থেকে<br />
খালি চোখে দেখা যায়।<br />
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে ‘সিরিস’-এ বিভিন্ন<br />
প্রাণীর যে ধরনের গল্প আমাদের কল্পনার সঙ্গী<br />
হয়ে একটি নতুন জগৎ তৈরি করে আসলে সেই ‘সিরিস’-<br />
এ জীবন কি, কোনো ছিটেফোঁটা বায়ুমণ্ডলও নেই, যা<br />
কোনো জীবন তৈরির ক্ষেত্রে অপরিহার্য। এবং এত<br />
ছোট মহাকাশীয় বস্তুতে বায়ুমণ্ডল সম্ভবও নয়। আসলে<br />
গ্রহাণুগুলো আয়তনে এতই ক্ষুদ্র যে, এদের সবাইকে<br />
একত্র করলে আমাদের চাঁদের সমান হওয়াটাই কঠিন।<br />
তবে ছোট হলে কি হবে গ্রহের মতোই<br />
নিয়িমিতভাবেই নিজ অক্ষের চারিদিকে পাক<br />
খেতে খেতে সূর্যকে আবর্তন করে বৃহস্পতি ও<br />
মঙ্গলের মাঝে থাকা এই গ্রহাণুগুলো। তবে বৃহস্পতি ও<br />
মঙ্গলের মাঝেই শুধু গ্রহাণুর অস্তিত্ব নাকি সীমাবদ্ধ<br />
নয়। নেপচুন-প্লুটোর পরে লাখ লাখ গ্রহাণু দ্বারা<br />
সমস্ত সৌরজগৎ পরিবেষ্টিত বলে বিজ্ঞানীদের<br />
ধারণা। তবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো<br />
পাওয়া যায়নি।<br />
বৃহস্পতি ও মঙ্গলের মাঝে থাকা এই গ্রহাণুগুলো<br />
নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্যে ২০০১ সালে নাসা ‘নিয়ার’<br />
নামক একটি মহাকাশযান প্রেরণ করে। ওই বছরের ১২<br />
ফেব্রুয়ারি মহাকাশযানটি ‘ইরোস’ নামক একটি<br />
গ্রহাণুতে নামে। এবং এটিই ছিল গ্রহাণুতে কোনো<br />
মহাকাশযানের অবতরণ। এর আগে ২০০০ সালের ১৪<br />
ফেব্রুয়ারি থেকে মহাকাশযানটি প্রায় ১ বছর ধরে<br />
ইরোসকে প্রদক্ষিণ করে। তবে এরপরে শুধুমাত্র<br />
গ্রহাণুর উদ্দেশে আর কোনো মহাকাশযান প্রেরণ<br />
করা হয়নি। ভবিষ্যতে হয়তো কখনো গ্রহাণুর উদ্দেশে<br />
প্রেরণ করা হবে নতুন কোনো মহাকাশযান আর তখন<br />
হয়তো আমরা এদের সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে<br />
পারবো।<br />
তথ্য সহায়তা :<br />
* দ্য কসমোগ্রাফিকাল মিস্ট্রি: জোহানেস<br />
কেপলার<br />
* লস্ট প্রিয়ডিক কমেট: এম ম্যায়ার<br />
* তারার দেশে হাতছানি: আবদুল্লাহ আল মুতী<br />
* সূর্যের বন্দী: শঙ্কর সেনগুপ্ত<br />
* অ্যাস্ট্রয়েডস: নাসা, জেট প্রপালশন<br />
ল্যাবরোটারি, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সূর্য থেকে ৭৭৮.৩ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে<br />
অবস্থিত সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি। সূর্য থেকে<br />
অবস্থানের দিক থেকে এটি সৌরজগতের পঞ্চম গ্রহ।<br />
বৃহস্পতির আগে থাকা বাকি চারটি গ্রহ বুধ, শুক্র,<br />
পৃথিবী ও মঙ্গলের সূর্য থেকে দূরত্ব যথাক্রমে ৫৭.৯,<br />
১০৮.২, ১৪৯.৬ ও ২২৭.৯ মিলিয়ন কিলোমিটার। এই<br />
দূরত্বগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় মোটামুটি<br />
একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর গ্রহগুলো অবস্থান করছে।<br />
এ হিসাবে সূর্য থেকে বৃহস্পতির ৭৭৮.৩ মিলিয়ন<br />
কিলোমিটার দূরত্ব অত্যন্ত বেশি বলে মনে হয়।<br />
মঙ্গল ও বৃহস্পতি দুই গ্রহের মধ্যে বেশি দূরত্বের<br />
বিষয়টি সর্বকালের অন্যতম সেরা<br />
জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলারের চোখে<br />
ধরা পড়েছিল। তাই তিনি ১৫৯৬ সালে জার্মান<br />
ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থ ‘মিস্ত্রিয়াম<br />
কসমোগ্রাফিকাম’ (ইংরেজি- দ্য কসমোগ্রাফিকাল<br />
মিস্ট্রি)-তে লিখেছিলেন, ‘মঙ্গল এবং বৃহস্পতির<br />
মাঝখানে আমি একটি গ্রহ রাখতে চাই। আমি খুঁজে<br />
না পেলেও ভবিষ্যতে হয়তো এখানে কিছু আবিষ্কৃত<br />
হবে। এই বিশাল জায়গায় অবশ্যই কিছু থাকার কথা।’<br />
পরবর্তীকালে বড় বড় বিজ্ঞানীরা শক্তিশালী<br />
দূরবীন কিংবা টেলিস্কোপ দিয়েও এই শুন্য স্থানে<br />
নতুন কোনো গ্রহ আবিষ্কার করতে পারেননি। তবে<br />
কেপলারের কথা একেবারেই বৃথা যায়নি। গ্রহের<br />
বদলে এই স্থানটিতে সন্ধান মিলেছে প্রায় লাখ<br />
খানেক গ্রহাণুর। যেগুলো গ্রহের মতোই সূর্যকে<br />
প্রদক্ষিণ করে। কিন্তু গ্রহাণু আসলে কি?<br />
‘গ্রহাণু’ শব্দটিকে সম্প্রসারণ করলে দেখা যায়-<br />
গ্রহের অণু থেকে গ্রহাণু হয়েছে। মূলত এভাবেই<br />
শব্দটির উৎপত্তি। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা<br />
এককালে পুরো একটি গ্রহ সত্যিই এখানে ছিল। কিন্তু<br />
কোনো ধূমকেতুর আঘাতে কিংবা অন্য কোনো<br />
কারণে গ্রহটি ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল বলেই<br />
তার টুকরোগুলো অর্থাৎ গ্রহাণুগুলো আলাদা আলাদা<br />
হয়ে গ্রহের মতোই সূর্যকে নিয়মিতভাবে প্রদক্ষিণ<br />
করে চলছে।<br />
আমরা জানি, ১৯৯৪ সালের ১৬ জুলাই বৃহস্পতির সঙ্গে<br />
‘শুমেকার লেভি’ নামক একটি ধূমকেতুর সংঘর্ষ হয়,<br />
গ্যালিলিয় নভোযান দৃশ্যটি ধারণও করে। তবে<br />
ধূমকেতুটি আকারে ছোট হওয়ায় বৃহস্পতির বিশেষ<br />
কোনো ক্ষতি হয়নি। সুতরাং ধূমকেতুর কিংবা<br />
অন্যকোনো মহাজাগতিক কিছুর আঘাতে কোনো গ্রহ<br />
চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়। যে<br />
কারণে গ্রহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গ্রহাণুর উৎপত্তি<br />
বিষয়টাকেই অধিকাংশ বিজ্ঞানীরা মেনে<br />
নিয়েছেন।<br />
বৃহস্পতি এবং মঙ্গলের মাঝখানে প্রথমবারের মতো<br />
কোনো বস্তুর সন্ধান মেলে ১৮০১ সালের ১<br />
জানুয়ারি। বর্তমানে ইতালিতে অবস্থিত সিসিলির<br />
পালোরমে মানমন্দিরের অধ্যক্ষ গিসেপ্পি<br />
পিয়াৎসি এদিন এমন একটি তারার সন্ধান পান যার<br />
চলন ঠিক তারার মতো নয়। এরপর তিনি এই তারার চলন<br />
পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করেন। পিয়াৎসির পর্যবেক্ষণ-<br />
লব্ধ তথ্য নিয়ে হিসাব কষে বিখ্যাত গণিতজ্ঞ গাউস<br />
ঘোষণা করেন, এটি আসলে কোনো তারা নয়, এটি<br />
একটি গ্রহ।<br />
এরপর গ্রিক দেবি ডিমিটারের রোমান নাম<br />
অনুসারে পিয়াৎসে এই গ্রহটির নাম দেন ‘সিরিস’।<br />
সূর্য থেকে সিরিস-এর দূরত্ব ৪৩ কোটি ৩২ লাখ<br />
কিলোমিটার। সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরে<br />
আসতে এর সময় লাগে ৪.৬ বছর। কিন্তু গ্রহটির ব্যাস<br />
৮০০ কিলোমিটারেরও বেশ অনেক কম। সুতরাং<br />
বিজ্ঞানীরা একে গ্রহের মর্যাদা দিতে নারাজ<br />
হলেন। এদিকে সিরিস-এর ওই একই অঞ্চলে ১৮০২<br />
সালের মার্চে আবিষ্কৃত হল আরেকটি ক্ষুদ্রাকৃতির<br />
গ্রহ। এর নাম দেওয়া হল ‘পালাস’। পরবর্তী পাঁচ<br />
বছরের মধ্যে আবিষ্কৃত হল এরূপ আরো দুইটি গ্রহ-<br />
‘জুনো’ ও ‘ভেস্তা’। এবারও এদের গ্রহ নামটি খারিজ<br />
করে দেওয়া হল। বলা হল আসলে এরা গ্রহ নয় বরং<br />
গ্রহের অনু বা খণ্ডাংশ। সেখান থেকেই এর নাম হল<br />
গ্রহাণু।<br />
অতঃপর পর্যায়ক্রমে আবিষ্কৃত হতে লাগলো আরো<br />
গ্রহাণু। যেমন-হেবে, ফ্লোরা, মেতিস, আইডিএ,<br />
হাইজিয়া, ইরোস, ভিক্টোরিয়া, ইউজিনিয়া,<br />
এগেরিয়া, থেটিস, ফরচুনা, বেল্লোনা, ফিদেস সহ<br />
আরো অনেক গ্রহাণু। বর্তমানে এই সংখ্যা দু হাজার<br />
ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা এই সংখ্যা<br />
লক্ষাধিক হতে পারে।<br />
তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, আমাদের সৌরজগতের কিছু<br />
বড় বড় গ্রহের যেমন চাঁদ আছে, তেমনি কিছু গ্রহাণুরও<br />
চাঁদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ১৯৯৩ সালে ১৯ মাইল<br />
বিস্তৃত ‘আইডিএ’ নামক গ্রহাণুর একটি ছোট উপগ্রহ<br />
আবিষ্কৃত হয়েছে যার নাম রাখা হয় ‘ড্যাক্টেইল’। এর<br />
বিস্তীর্ণতা প্রায় ১ মাইলের মতো। এরপর ১৯৯৯<br />
সালে ৮ মাইল বিস্তীর্ণ একটি উপগ্রহ আবিষ্কার হয়,<br />
এর নাম রাখা হয় ‘পেটিট প্রিন্স’। এই উপগ্রহটি প্রায়<br />
১৩৫ মাইল বিস্তীর্ণ গ্রহাণু ইউজিনিয়াকে-কে<br />
প্রদক্ষিণ করে। ২০০০ সালে ৯০ মাইল বিস্তীর্ন গ্রহাণু<br />
পুলকোভার’র উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয় যার বিস্তৃতি প্রায়<br />
৯ মাইল। এখনো পর্যন্ত প্রায় ২ ডজনেরও বেশি<br />
গ্রহাণুর উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।<br />
এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্রহাণুদের মধ্যে বৃহত্তম হল<br />
সিরিস। এর ব্যাস ৬৮৩ কিলোমিটার। তারপর রয়েছে<br />
ভেস্তা, এর ব্যাস ৫৯২ কিলোমিটার। এই গ্রহাণুটি<br />
আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে রয়েছে। যে<br />
কারণে একমাত্র এই গ্রহাণুটিকেই পৃথিবী থেকে<br />
খালি চোখে দেখা যায়।<br />
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে ‘সিরিস’-এ বিভিন্ন<br />
প্রাণীর যে ধরনের গল্প আমাদের কল্পনার সঙ্গী<br />
হয়ে একটি নতুন জগৎ তৈরি করে আসলে সেই ‘সিরিস’-<br />
এ জীবন কি, কোনো ছিটেফোঁটা বায়ুমণ্ডলও নেই, যা<br />
কোনো জীবন তৈরির ক্ষেত্রে অপরিহার্য। এবং এত<br />
ছোট মহাকাশীয় বস্তুতে বায়ুমণ্ডল সম্ভবও নয়। আসলে<br />
গ্রহাণুগুলো আয়তনে এতই ক্ষুদ্র যে, এদের সবাইকে<br />
একত্র করলে আমাদের চাঁদের সমান হওয়াটাই কঠিন।<br />
তবে ছোট হলে কি হবে গ্রহের মতোই<br />
নিয়িমিতভাবেই নিজ অক্ষের চারিদিকে পাক<br />
খেতে খেতে সূর্যকে আবর্তন করে বৃহস্পতি ও<br />
মঙ্গলের মাঝে থাকা এই গ্রহাণুগুলো। তবে বৃহস্পতি ও<br />
মঙ্গলের মাঝেই শুধু গ্রহাণুর অস্তিত্ব নাকি সীমাবদ্ধ<br />
নয়। নেপচুন-প্লুটোর পরে লাখ লাখ গ্রহাণু দ্বারা<br />
সমস্ত সৌরজগৎ পরিবেষ্টিত বলে বিজ্ঞানীদের<br />
ধারণা। তবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো<br />
পাওয়া যায়নি।<br />
বৃহস্পতি ও মঙ্গলের মাঝে থাকা এই গ্রহাণুগুলো<br />
নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্যে ২০০১ সালে নাসা ‘নিয়ার’<br />
নামক একটি মহাকাশযান প্রেরণ করে। ওই বছরের ১২<br />
ফেব্রুয়ারি মহাকাশযানটি ‘ইরোস’ নামক একটি<br />
গ্রহাণুতে নামে। এবং এটিই ছিল গ্রহাণুতে কোনো<br />
মহাকাশযানের অবতরণ। এর আগে ২০০০ সালের ১৪<br />
ফেব্রুয়ারি থেকে মহাকাশযানটি প্রায় ১ বছর ধরে<br />
ইরোসকে প্রদক্ষিণ করে। তবে এরপরে শুধুমাত্র<br />
গ্রহাণুর উদ্দেশে আর কোনো মহাকাশযান প্রেরণ<br />
করা হয়নি। ভবিষ্যতে হয়তো কখনো গ্রহাণুর উদ্দেশে<br />
প্রেরণ করা হবে নতুন কোনো মহাকাশযান আর তখন<br />
হয়তো আমরা এদের সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে<br />
পারবো।<br />
তথ্য সহায়তা :<br />
* দ্য কসমোগ্রাফিকাল মিস্ট্রি: জোহানেস<br />
কেপলার<br />
* লস্ট প্রিয়ডিক কমেট: এম ম্যায়ার<br />
* তারার দেশে হাতছানি: আবদুল্লাহ আল মুতী<br />
* সূর্যের বন্দী: শঙ্কর সেনগুপ্ত<br />
* অ্যাস্ট্রয়েডস: নাসা, জেট প্রপালশন<br />
ল্যাবরোটারি, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>