<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - ইন্টারনেট দুনিয়া]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 03:05:15 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ার পাশাপাশি সাইবার অপরাধও বাড়ছে। এ জগতে নিরাপদ থাকতে হল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3702</link>
			<pubDate>Sat, 02 Oct 2021 05:13:30 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3702</guid>
			<description><![CDATA[দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ার পাশাপাশি সাইবার অপরাধও বাড়ছে। এ জগতে নিরাপদ থাকতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। আইন, বিধি নিয়ে আলোচনা ও প্রচার চালাতে হবে।<br />
<br />
রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আজ শুক্রবার সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাসবিষয়ক জাতীয় কমিটির (এনসিক্যাম) উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবর মাসকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস হিসেবে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সচেতন রই, সাইবার স্মার্ট হই’।<br />
<br />
বাংলাদেশেও এনসিক্যামের উদ্যোগে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। প্রথম সপ্তাহে সাইবার স্মার্ট হই, দ্বিতীয় সপ্তাহে ফিশিং প্রতিরোধ, তৃতীয় সপ্তাহে সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার এবং চতুর্থ সপ্তাহে সবার আগে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে নানা কর্মশালার আয়োজন করা হবে।<br />
<br />
ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের ঢাকা চ্যাপ্টারের সভাপতি ও এনসিক্যামের আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন বলেন, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর পাশাপাশি সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ব্যবহারের সংখ্যা বাড়ছে। এটা ইতিবাচক দিক। কিন্তু এর নেতিবাচক দিকও আছে। এসব মাধ্যম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে, যা কখনো প্রকাশ করা উচিত নয়। সাইবার জগত নিয়ে সচেতন হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।<br />
<br />
সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের ২০২০ সালের তথ্য তুলে ধরে এনসিক্যামের সদস্যসচিব রাশনা ইমাম বলেন, অনলাইনে হ্যাকিংয়ের ঘটনা ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা আগের বছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি। বেশির ভাগ ভুক্তভোগী ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী। তিনি জানান, ২০১৯-২০ সালে দেশে সাইবার অপরাধের মধ্যে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং বা তথ্য চুরি বেশি বেড়েছে।<br />
<br />
রাশনা ইমাম আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা শুধু প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রের নয়, এটা সবার ব্যক্তিগত দায়িত্ব। নিজ নিজ জায়গা থেকে যদি নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং সচেতনতা বাড়ানো যায়, তাহলে এ জগত সবার জন্যই নিরাপদ হবে এবং তথ্য সুরক্ষিত থাকবে।<br />
<br />
রবির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রাইভেসি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, প্রযুক্তি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার জগতে নিজেদের নিরাপদ রাখতে হলে এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।<br />
<br />
বর্তমানে দেশে ২৬০০ জিবি ব্যান্ডউইডথ প্রয়োজন হয়। কিন্তু এর মধ্যে কত জিবি প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যবহার করা হয়, তা খতিয়ে দেখার কথা বলেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক। তিনি অভিভাবকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের নির্দেশিকার ওপর জোর দেন।<br />
<br />
সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ বলেন, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আইন সম্পর্কে জানতে হবে এবং তা প্রচার করতে হবে।<br />
<br />
Source: Prothom Alo]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ার পাশাপাশি সাইবার অপরাধও বাড়ছে। এ জগতে নিরাপদ থাকতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। আইন, বিধি নিয়ে আলোচনা ও প্রচার চালাতে হবে।<br />
<br />
রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আজ শুক্রবার সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাসবিষয়ক জাতীয় কমিটির (এনসিক্যাম) উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবর মাসকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস হিসেবে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সচেতন রই, সাইবার স্মার্ট হই’।<br />
<br />
বাংলাদেশেও এনসিক্যামের উদ্যোগে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। প্রথম সপ্তাহে সাইবার স্মার্ট হই, দ্বিতীয় সপ্তাহে ফিশিং প্রতিরোধ, তৃতীয় সপ্তাহে সাইবার নিরাপত্তায় ক্যারিয়ার এবং চতুর্থ সপ্তাহে সবার আগে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে নানা কর্মশালার আয়োজন করা হবে।<br />
<br />
ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের ঢাকা চ্যাপ্টারের সভাপতি ও এনসিক্যামের আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন বলেন, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর পাশাপাশি সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ব্যবহারের সংখ্যা বাড়ছে। এটা ইতিবাচক দিক। কিন্তু এর নেতিবাচক দিকও আছে। এসব মাধ্যম ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে, যা কখনো প্রকাশ করা উচিত নয়। সাইবার জগত নিয়ে সচেতন হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।<br />
<br />
সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের ২০২০ সালের তথ্য তুলে ধরে এনসিক্যামের সদস্যসচিব রাশনা ইমাম বলেন, অনলাইনে হ্যাকিংয়ের ঘটনা ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা আগের বছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি। বেশির ভাগ ভুক্তভোগী ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী। তিনি জানান, ২০১৯-২০ সালে দেশে সাইবার অপরাধের মধ্যে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং বা তথ্য চুরি বেশি বেড়েছে।<br />
<br />
রাশনা ইমাম আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা শুধু প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রের নয়, এটা সবার ব্যক্তিগত দায়িত্ব। নিজ নিজ জায়গা থেকে যদি নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং সচেতনতা বাড়ানো যায়, তাহলে এ জগত সবার জন্যই নিরাপদ হবে এবং তথ্য সুরক্ষিত থাকবে।<br />
<br />
রবির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রাইভেসি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, প্রযুক্তি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার জগতে নিজেদের নিরাপদ রাখতে হলে এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।<br />
<br />
বর্তমানে দেশে ২৬০০ জিবি ব্যান্ডউইডথ প্রয়োজন হয়। কিন্তু এর মধ্যে কত জিবি প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যবহার করা হয়, তা খতিয়ে দেখার কথা বলেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক। তিনি অভিভাবকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের নির্দেশিকার ওপর জোর দেন।<br />
<br />
সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ বলেন, সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আইন সম্পর্কে জানতে হবে এবং তা প্রচার করতে হবে।<br />
<br />
Source: Prothom Alo]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অাপনার NID card দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে জানতে এই পোস্ট দেখুন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3175</link>
			<pubDate>Tue, 29 Aug 2017 20:17:08 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=3175</guid>
			<description><![CDATA[আপনার NID card দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে তা ভালো ভাবে দেখে নিন।<br />
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যদি অন্য কার সিম<br />
রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে তবে খুবই খারাপ<br />
সংবাদ।<br />
ওই সিম দিয়ে যদি কোন অপকর্ম করে থাকে<br />
তাহলে তার দায় নিতে হবে আপনার।<br />
আজই যাচাই করুন আপনার NID দিয়ে অন্য কেউ চুরি<br />
করে সিম রেজিস্ট্রেশন করেছে কিনা!<br />
বাংলালিংকঃ *1600*2#<br />
রবিঃ *1600*3#<br />
জিপি* REG টাইপ করুন এবং<br />
4949 নম্বরে পাঠাতে হবে।<br />
এয়ারটেল *121*444#<br />
টেলিটক* Q টাইপ করুন এবং 1600 নম্বরে পাঠাতে<br />
হবে। আশা করি সবাই ভালোভাবে বুঝতে পারছেন ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আপনার NID card দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে তা ভালো ভাবে দেখে নিন।<br />
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যদি অন্য কার সিম<br />
রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে তবে খুবই খারাপ<br />
সংবাদ।<br />
ওই সিম দিয়ে যদি কোন অপকর্ম করে থাকে<br />
তাহলে তার দায় নিতে হবে আপনার।<br />
আজই যাচাই করুন আপনার NID দিয়ে অন্য কেউ চুরি<br />
করে সিম রেজিস্ট্রেশন করেছে কিনা!<br />
বাংলালিংকঃ *1600*2#<br />
রবিঃ *1600*3#<br />
জিপি* REG টাইপ করুন এবং<br />
4949 নম্বরে পাঠাতে হবে।<br />
এয়ারটেল *121*444#<br />
টেলিটক* Q টাইপ করুন এবং 1600 নম্বরে পাঠাতে<br />
হবে। আশা করি সবাই ভালোভাবে বুঝতে পারছেন ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইন্টারনেট খরচ না কমালে ফোরজি নয়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2849</link>
			<pubDate>Wed, 19 Apr 2017 02:37:59 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2849</guid>
			<description><![CDATA[বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালু করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে মুঠোফোন অপারেটররা। কারণ হিসেবে তারা বলছে, গত তিন বছরে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) সেবায় বিনিয়োগ করা ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে এখনো তারা লাভের মুখ দেখতে পারেনি। এ অবস্থায় আরও হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করলে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ব্যবসা করা অপারেটরদের পক্ষে সম্ভব নয়।<br />
এমন মনোভাব জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে সম্প্রতি একটি চিঠি দিয়েছে মুঠোফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব)। সংগঠনটির মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবীরের সই করা এ চিঠিতে বলা হয়েছে, ফোরজি সেবা চালুর জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি ফোরজি নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। কিন্তু এ নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা মুঠোফোন অপারেটরদের সঙ্গে কোনো ধরনের মতবিনিময় করেনি।<br />
ফোরজির প্রস্তাবিত নীতিমালার বিষয়ে তিনটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে অ্যামটব। এর প্রথমেই আছে ফোরজি সেবা থেকে অপারেটরদের যে আয় হবে, তার ১৫ শতাংশ সরকারকে সরাসরি আয়ের ভাগ (রেভিনিউ শেয়ারিং) হিসেবে দেওয়ার বিষয়ে। বর্তমানে থ্রিজি ও অন্যান্য সেবার জন্য অপারেটররা তাদের আয়ের সাড়ে ৫ শতাংশ সরকারকে দেয়, ফোরজির জন্য সেটি ১৫ শতাংশ করার কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এমনটি করা হলে ফোরজিতে বিনিয়োগ করে তা থেকে মুনাফা করার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।<br />
১৫ শতাংশ হারে আয় ভাগাভাগির বিপক্ষে আরও কিছু যুক্তি তুলে ধরেছে অ্যামটব। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ কর হার, তরঙ্গের দাম, গ্রাহক প্রতি নিম্ন গড় আয়, কম পরিমাণ ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার। ফোরজি উপযোগী মুঠোফোন স্বল্পতাকেও এই সেবা চালুর বড় প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করে অপারেটররা। তাদের হিসেবে, বর্তমানে যত স্মার্টফোন আছে তার মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ ফোরজি সেবার উপযোগী।<br />
তরঙ্গ ব্যবহারে প্রযুক্তিনিরপেক্ষতা সুবিধার জন্য মেগাহার্টজ প্রতি ৫৬ থেকে ৬৪ কোটি টাকা নেওয়ার চিন্তার সঙ্গেও একমত নয় অ্যামটব। এ বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে তরঙ্গ লাইসেন্স নবায়নের সময় বিটিআরসি প্রযুক্তিনিরপেক্ষতার জন্য বাড়তি অর্থ না নেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু এখন বাড়তি অর্থ নেওয়া হলে তা তরঙ্গের সর্বোচ্চ ব্যবহারকে বাধাগ্রস্ত করবে। প্রযুক্তিনিরপেক্ষতা হলো যেকোনো তরঙ্গে যেকোনো প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার সুবিধা।<br />
বিটিআরসির প্রস্তাবিত নতুন তরঙ্গ নিলামে মেগাহার্টজ প্রতি তরঙ্গের দাম ২০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করাকে অনেক বেশি বলে মনে করে অ্যামটব। চিঠিতে এ বিষয়ে বলা হয়েছে, বেশি দামের কারণে বর্তমানে সরকারের কাছে ১৪৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ অব্যবহৃত আছে। অন্যদিকে তরঙ্গস্বল্পতার কারণে অপারেটররা মানসম্পন্ন সেবা দিতে পারছে না। সরকার একদিকে গ্রাহকসেবা উন্নত করতে চায় কিন্তু তরঙ্গের দাম কমাতে রাজি নয়, এমন নীতি সাংঘর্ষিক।<br />
ফোরজির জন্য প্রস্তাবিত বিভিন্ন মূল্যকে অবাস্তব উল্লেখ করে এগুলো সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসিকে অনুরোধ করা হয়েছে চিঠিতে। ফোরজি চালুর জন্য কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন চেয়েছে মুঠোফোন অপারেটররা। এর মধ্যে রয়েছে বাজারে থাকা প্রতিটি অপারেটরের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ তরঙ্গ নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।<br />
উল্লেখ্য, ফোরজি নীতিমালা তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য বিটিআরসি চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠিয়েছে। আর্থিক বিষয়গুলো অনুমোদনের জন্য নীতিমালাটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে। ফোরজি নিয়ে আলোচনা করতে আজ বুধবার বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুঠোফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহীরা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালু করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে মুঠোফোন অপারেটররা। কারণ হিসেবে তারা বলছে, গত তিন বছরে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) সেবায় বিনিয়োগ করা ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে এখনো তারা লাভের মুখ দেখতে পারেনি। এ অবস্থায় আরও হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করলে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ব্যবসা করা অপারেটরদের পক্ষে সম্ভব নয়।<br />
এমন মনোভাব জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে সম্প্রতি একটি চিঠি দিয়েছে মুঠোফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব)। সংগঠনটির মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবীরের সই করা এ চিঠিতে বলা হয়েছে, ফোরজি সেবা চালুর জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি ফোরজি নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। কিন্তু এ নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা মুঠোফোন অপারেটরদের সঙ্গে কোনো ধরনের মতবিনিময় করেনি।<br />
ফোরজির প্রস্তাবিত নীতিমালার বিষয়ে তিনটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে অ্যামটব। এর প্রথমেই আছে ফোরজি সেবা থেকে অপারেটরদের যে আয় হবে, তার ১৫ শতাংশ সরকারকে সরাসরি আয়ের ভাগ (রেভিনিউ শেয়ারিং) হিসেবে দেওয়ার বিষয়ে। বর্তমানে থ্রিজি ও অন্যান্য সেবার জন্য অপারেটররা তাদের আয়ের সাড়ে ৫ শতাংশ সরকারকে দেয়, ফোরজির জন্য সেটি ১৫ শতাংশ করার কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এমনটি করা হলে ফোরজিতে বিনিয়োগ করে তা থেকে মুনাফা করার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।<br />
১৫ শতাংশ হারে আয় ভাগাভাগির বিপক্ষে আরও কিছু যুক্তি তুলে ধরেছে অ্যামটব। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ কর হার, তরঙ্গের দাম, গ্রাহক প্রতি নিম্ন গড় আয়, কম পরিমাণ ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার। ফোরজি উপযোগী মুঠোফোন স্বল্পতাকেও এই সেবা চালুর বড় প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করে অপারেটররা। তাদের হিসেবে, বর্তমানে যত স্মার্টফোন আছে তার মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ ফোরজি সেবার উপযোগী।<br />
তরঙ্গ ব্যবহারে প্রযুক্তিনিরপেক্ষতা সুবিধার জন্য মেগাহার্টজ প্রতি ৫৬ থেকে ৬৪ কোটি টাকা নেওয়ার চিন্তার সঙ্গেও একমত নয় অ্যামটব। এ বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে তরঙ্গ লাইসেন্স নবায়নের সময় বিটিআরসি প্রযুক্তিনিরপেক্ষতার জন্য বাড়তি অর্থ না নেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু এখন বাড়তি অর্থ নেওয়া হলে তা তরঙ্গের সর্বোচ্চ ব্যবহারকে বাধাগ্রস্ত করবে। প্রযুক্তিনিরপেক্ষতা হলো যেকোনো তরঙ্গে যেকোনো প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার সুবিধা।<br />
বিটিআরসির প্রস্তাবিত নতুন তরঙ্গ নিলামে মেগাহার্টজ প্রতি তরঙ্গের দাম ২০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করাকে অনেক বেশি বলে মনে করে অ্যামটব। চিঠিতে এ বিষয়ে বলা হয়েছে, বেশি দামের কারণে বর্তমানে সরকারের কাছে ১৪৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ অব্যবহৃত আছে। অন্যদিকে তরঙ্গস্বল্পতার কারণে অপারেটররা মানসম্পন্ন সেবা দিতে পারছে না। সরকার একদিকে গ্রাহকসেবা উন্নত করতে চায় কিন্তু তরঙ্গের দাম কমাতে রাজি নয়, এমন নীতি সাংঘর্ষিক।<br />
ফোরজির জন্য প্রস্তাবিত বিভিন্ন মূল্যকে অবাস্তব উল্লেখ করে এগুলো সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসিকে অনুরোধ করা হয়েছে চিঠিতে। ফোরজি চালুর জন্য কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন চেয়েছে মুঠোফোন অপারেটররা। এর মধ্যে রয়েছে বাজারে থাকা প্রতিটি অপারেটরের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ তরঙ্গ নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।<br />
উল্লেখ্য, ফোরজি নীতিমালা তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য বিটিআরসি চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠিয়েছে। আর্থিক বিষয়গুলো অনুমোদনের জন্য নীতিমালাটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে। ফোরজি নিয়ে আলোচনা করতে আজ বুধবার বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুঠোফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহীরা।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইন্টারনেটের অন্ধকার দুনিয়া]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2565</link>
			<pubDate>Thu, 02 Mar 2017 09:29:06 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2565</guid>
			<description><![CDATA[অন্ধকার দুনিয়ায় স্বাগতম<br />
<br />
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে Google-এর নাম শুনেনি এমন মানুষ বোধহয় Google-এ সার্চ করেও খুঁজে পাওয়া যাবে না! যে কোনো তথ্যের জন্য আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল এই জায়ান্ট সার্চ ইঞ্জিন Google। আমি এবার আপনাদের একটু চমকিত করব। আপনি জানেন কি, ইন্টারনেট দুনিয়ার অর্ধেকের চেয়েও বেশি তথ্যের খোঁজ গুগলের কাছে নেই!<br />
<br />
ইন্টারনেট দুনিয়ার এই তথ্যসম্ভারকে আমরা দুই ভাগে করতে পারি। ১. Surface web বা Visible web। এটা হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সেই অংশ যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। ২. Deep web বা Invisible web। এটা surface web এর উল্টো। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের যে অংশ স্ট্যান্ডার্ড সার্চ ইঞ্জিনে লিপিবদ্ধ করা নেই, সেগুলোই হলো deep web এর অন্তর্ভুক্ত।<br />
<br />
ডিপ ওয়েবের ছোট একটা অংশকে বলা হয় ডার্ক ওয়েব। এটা হলো ইন্টারনেটের সেই অংশ যেখানে আপনি সাধারণ নিয়মে ঢুকতে পারবেন না। প্রচলিত ব্রাউজারগুলো সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। সেখানে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে বিশেষ সফটওয়্যার ও কনফিগারেশনের সাহায্য নিতে হবে।<br />
<br />
আমাদের আজকের আলোচনা ডার্ক ওয়েবকে কেন্দ্র করে। তার আগে একটা তথ্য জেনে নেই, সার্চ ইঞ্জিন কেন ডিপ ওয়েব বা ডার্ক ওয়েবের তথ্য হাজির করতে পারে না? সার্চ ইঞ্জিনগুলো সার্চ করার কাজটি করে থাকে web crawler-এর মাধ্যমে। Web crawer-কে web robot-ও বলা হয়। এটি এক ধরনের প্রোগ্রাম বা স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট (ইন্টারনেট বট) যা একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্রাউজ করে। কোনো একটা ওয়েবসাইট যেন সার্চ ইঞ্জিন খুঁজে না পায় তার জন্য robots exclusion protocol ব্যবহার করা হয়, যেটি web crawlers-কে সাইটগুলো লিপিবদ্ধ করা বা খুঁজে পাওয়া থেকে বিরত রাখে।<br />
ডার্ক ওয়েবের সাইটগুলো সার্ফেস ওয়েবের সাইটগুলোর মতো সাধারণ কোনো ডোমেইন (যেমন .com) ব্যবহার করে না। এরা ব্যবহার করে pseudo top-level domain। এই ডোমেইনের মধ্যে আছে .bitnet, .csnet, .onion ইত্যাদি। Pseudo top-level domain এর বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড অফিশিয়াল Domain Name System-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে সাধারণ ব্রাউজার দিয়ে এখানে প্রবেশ যায় না। শুধুমাত্র Tor gateway-র মাধ্যমেই এখানে প্রবেশ করা সম্ভব। ডার্ক ওয়েবের ওয়েব এড্রেসগুলোও বেশ জটিল, যেমন <a href="http://zqktlwi4fecvo6ri.onion" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">http://zqktlwi4fecvo6ri.onion</a><br />
<br />
ডার্কনেটে পণ্য কেনাবেচা হয় বিটকয়েন (Bitcoin)-এর মাধ্যমে। বিটকয়েন হলো peer-to-peer ‘cryptocurrency’ system. বিটকয়েন ব্যবহারের সুবিধা হলো এখানে কারো ব্যক্তিগত আইডেন্টিটি জরুরী না। একইসাথে কোনো থার্ড পার্টির লেনদেন ট্র্যাক করার সুযোগ নেই। ফলে tax ধার্য করারও উপায় নেই। বিটকয়েনের মূল্যমান কিন্তু অনেক বেশি। বর্তমানে ১ বিটকয়েন = ৪৪৫ ডলার!<br />
<br />
কীভাবে সৃষ্টি হলো ?<br />
<br />
ডার্ক ওয়েব বা ডিপ ওয়েবের জন্ম নিয়ে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। অনেক আগে থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন কমিউনিটি এমন একটি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আসছিল যেখানে তারা খুব গোপনীয়তার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। সামরিক বাহিনী, বিপ্লবী, ব্যবসায়ী, হ্যাকার, এমনকি খোদ প্রশাসনই এমন এক ব্যবস্থা চেয়েছে যেখানে তারা খুব গোপনে, নিরাপদে নিজেদের ভেতর তথ্য আদান প্রদান করতে পারবে।<br />
<br />
আপনি যদি ভেবে থাকেন অনলাইনে আপনার উপর কেউ নজরদারি করছে না, তাহলে ভুল ভাবছেন। আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি ডাউনলোড-আপলোড নজরে রাখছে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। যে কোনো প্রয়োজনে তারা সেই তথ্য সরবরাহ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। তাই স্বভাবগত চাহিদার প্রেক্ষিতেই এমন এক ব্যবস্থার কথা চিন্তা করতে হয়েছে যেখানে প্রশাসন তদারকি<br />
<br />
করতে পারবে না। এভাবেই সৃষ্টি হয়েছে ডিপ ওয়েব তথা ডার্ক ওয়েবের। যদিও সিকিউরিটি এজেন্সির নজরদারি থেকে বাঁচতে এটির জন্ম, কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখানে অপরাধের বেশ বড় একটা শাখা গ্রথিত হয়েছে।<br />
<br />
কী আছে এখানে?<br />
<br />
কী নেই এখানে? এখানে এমন সব জিনিস আছে, যেটা হয়তো আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। মাদকদ্রব্য থেকে শুরু করে এমনকি পেশাদার খুনিও ভাড়া করা যায় এখানে। উইকিলিকসের শুরু হয়েছিল ডার্ক ওয়েবেই। এখানে রয়েছে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ চাইল্ড পর্নোগ্রাফির মতো বিকৃত রুচির বিনোদন। রয়েছে পতিতা ভাড়া করার সুযোগ। নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনের কারণে সার্ফেস ওয়েবে নেই এমন সব বইয়ের অসাধারণ সংগ্রহ পাবেন এখানে। Apple, Microsoft-এর বিভিন্ন প্রোডাক্ট স্বল্প দামে কিনতে চান? সেটাও পারবেন ডার্ক ওয়েবে। যে কোনো দেশের অবৈধ পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স যোগার করতে পারবেন ডার্ক ওয়েব থেকে। কিনতে পারবেন অবৈধ অস্ত্র। এমনকি বোমা-বারুদ তৈরির যাবতীয় টিউটোরিয়ালও পাবেন অনেক ওয়েবসাইটে। এখানে প্রোফেশনাল কিলারের মতো প্রফেশনাল হ্যাকারও ভাড়া করা যায়।<br />
<br />
মাদক দ্রব্য বেচাকেনার সবচেয়ে বিখ্যাত অনলাইন ব্ল্যাক মার্কেট ‘Silk Road’-এর ডার্ক ওয়েবে যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালে। ২০১৩ সালে FBI ওয়েবসাইটটিকে বন্ধ করে দেয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা রস উইলিয়াম উলব্রিচকে গ্রেফতার করে। জানেন কি তারা এই দুই বছরে কত টাকার ব্যবসা করেছে? প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারের!<br />
<br />
এতসব খারাপ জিনিসের ভিড়ে এবার একটা ভালো জিনিসের খবর দিচ্ছি। বিভিন্ন ধরনের রিসার্চ পেপার ডাউনলোড করতে Sci-Hub এর কোনো বিকল্প নেই। যারা প্রজেক্ট বা থিসিস নিয়ে কাজ করছেন, তারা এর গুরুত্ব ভালভাবে বুঝতে পারবে। যদি কখনো সার্ফেস ওয়েবে Sci-Hub ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে ডার্ক ওয়েবের <a href="http://scihub22266oqcxt.onion/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">http://scihub22266oqcxt.onion/</a> এই এড্রেসটা মনে রাখুন, কাজে লাগবে।<br />
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?<br />
<br />
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নিচ্ছে না, নাকি নিতে পারছে না- এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য আমাদের জানতে হবে কীভাবে এই নেটওয়ার্ক কাজ করে। ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করতে হয় অনিয়ন (onion) নেটওর্য়াকের সাহায্যে। এর pseudo top-level domain হল .onion। এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে একটা বিশেষ ব্রাউজার, এর নাম Tor। তবে সাধারণ ব্রাউজার দিয়ে এখানে প্রবেশ করা যাবে না- ব্যাপারটা এমন নয়। কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা Tor-এর proxy ব্যবহার করে তাদের রাউটারের মাধ্যমে সাধারণ ব্রাউজার দিয়েই অনিয়ন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়।<br />
<br />
Tor ব্রাউজারের default settings আপনার পরিচয় লুকিয়ে রাখবে। যখন আপনি এটি দিয়ে কোনো সাইটে ঢুকতে যাবেন, তখন Tor আপনার রিকোয়েস্ট জটিল এনক্রিপশনের মধ্য দিয়ে অনিয়ন প্রক্সিতে পাঠাবে। অনিয়ন প্রক্সি এই ডাটা নিয়ে অনিয়ন রাউটারে যাবে। সেখানে যাবার আগে অনিয়ন নেটর্য়াকের প্রবেশ পথে এই ডাটা আবার এনক্রিপশনের ভেতর দিয়ে যায় এবং অনিয়নের একাধিক রাউটারগুলোর মধ্য দিয়ে যাবার সময় সেটি আবারো এনক্রিপ্টেড হয়। ফলে এখানে ডাটা চুরি করে এর প্রেরক ও প্রাপককে চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। এ কারণে এখানকার ব্যক্তিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।<br />
<br />
এখন আপনাদেরকে আরো একটা চমৎকার তথ্য দিচ্ছি। ২০১১ তে একবার টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছিল যে টর আসলে CIA-র একটা স্লিপার নেটওয়ার্ক। এটা সত্য কিনা সে ব্যাপারে যদিও কোনো তথ্য নেই, তবে CIA নিজেরাই যে এমন গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে পাবলিকের কাছে সার্ভিস দিচ্ছে না, তার কোনো নিশ্চয়তা আছে কি? তাছাড়া সাধারণ মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না এরা কীভাবে ডিপ কভার অপারেশন চালায়। Silk Road বন্ধ করে দেয়াই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ডার্ক ওয়েবে যদি আপনি আপনার আসল আইডেন্টিটি নিয়ে ঢুকেন অথবা কোনোভাবে আপনার আইডেন্টিটি ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে ইন্টারপোলের ঝামেলায় পর্যন্ত পড়তে পারেন!<br />
<br />
নিজেদের প্রয়োজনেই কোনো জিনিসের ভালো এবং খারাপ দুটো দিকই জানতে হয়। ভুল পথে পা বাড়ানোর আগে পা-টা সরিয়ে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তাই জেনে বুঝে কেউ ডার্ক ওয়েবের অন্ধকার দিকে পা বাড়াবেন না এই প্রত্যাশায় শেষ করছি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অন্ধকার দুনিয়ায় স্বাগতম<br />
<br />
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে Google-এর নাম শুনেনি এমন মানুষ বোধহয় Google-এ সার্চ করেও খুঁজে পাওয়া যাবে না! যে কোনো তথ্যের জন্য আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল এই জায়ান্ট সার্চ ইঞ্জিন Google। আমি এবার আপনাদের একটু চমকিত করব। আপনি জানেন কি, ইন্টারনেট দুনিয়ার অর্ধেকের চেয়েও বেশি তথ্যের খোঁজ গুগলের কাছে নেই!<br />
<br />
ইন্টারনেট দুনিয়ার এই তথ্যসম্ভারকে আমরা দুই ভাগে করতে পারি। ১. Surface web বা Visible web। এটা হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সেই অংশ যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। ২. Deep web বা Invisible web। এটা surface web এর উল্টো। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের যে অংশ স্ট্যান্ডার্ড সার্চ ইঞ্জিনে লিপিবদ্ধ করা নেই, সেগুলোই হলো deep web এর অন্তর্ভুক্ত।<br />
<br />
ডিপ ওয়েবের ছোট একটা অংশকে বলা হয় ডার্ক ওয়েব। এটা হলো ইন্টারনেটের সেই অংশ যেখানে আপনি সাধারণ নিয়মে ঢুকতে পারবেন না। প্রচলিত ব্রাউজারগুলো সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। সেখানে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে বিশেষ সফটওয়্যার ও কনফিগারেশনের সাহায্য নিতে হবে।<br />
<br />
আমাদের আজকের আলোচনা ডার্ক ওয়েবকে কেন্দ্র করে। তার আগে একটা তথ্য জেনে নেই, সার্চ ইঞ্জিন কেন ডিপ ওয়েব বা ডার্ক ওয়েবের তথ্য হাজির করতে পারে না? সার্চ ইঞ্জিনগুলো সার্চ করার কাজটি করে থাকে web crawler-এর মাধ্যমে। Web crawer-কে web robot-ও বলা হয়। এটি এক ধরনের প্রোগ্রাম বা স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট (ইন্টারনেট বট) যা একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্রাউজ করে। কোনো একটা ওয়েবসাইট যেন সার্চ ইঞ্জিন খুঁজে না পায় তার জন্য robots exclusion protocol ব্যবহার করা হয়, যেটি web crawlers-কে সাইটগুলো লিপিবদ্ধ করা বা খুঁজে পাওয়া থেকে বিরত রাখে।<br />
ডার্ক ওয়েবের সাইটগুলো সার্ফেস ওয়েবের সাইটগুলোর মতো সাধারণ কোনো ডোমেইন (যেমন .com) ব্যবহার করে না। এরা ব্যবহার করে pseudo top-level domain। এই ডোমেইনের মধ্যে আছে .bitnet, .csnet, .onion ইত্যাদি। Pseudo top-level domain এর বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড অফিশিয়াল Domain Name System-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে সাধারণ ব্রাউজার দিয়ে এখানে প্রবেশ যায় না। শুধুমাত্র Tor gateway-র মাধ্যমেই এখানে প্রবেশ করা সম্ভব। ডার্ক ওয়েবের ওয়েব এড্রেসগুলোও বেশ জটিল, যেমন <a href="http://zqktlwi4fecvo6ri.onion" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">http://zqktlwi4fecvo6ri.onion</a><br />
<br />
ডার্কনেটে পণ্য কেনাবেচা হয় বিটকয়েন (Bitcoin)-এর মাধ্যমে। বিটকয়েন হলো peer-to-peer ‘cryptocurrency’ system. বিটকয়েন ব্যবহারের সুবিধা হলো এখানে কারো ব্যক্তিগত আইডেন্টিটি জরুরী না। একইসাথে কোনো থার্ড পার্টির লেনদেন ট্র্যাক করার সুযোগ নেই। ফলে tax ধার্য করারও উপায় নেই। বিটকয়েনের মূল্যমান কিন্তু অনেক বেশি। বর্তমানে ১ বিটকয়েন = ৪৪৫ ডলার!<br />
<br />
কীভাবে সৃষ্টি হলো ?<br />
<br />
ডার্ক ওয়েব বা ডিপ ওয়েবের জন্ম নিয়ে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। অনেক আগে থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন কমিউনিটি এমন একটি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আসছিল যেখানে তারা খুব গোপনীয়তার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। সামরিক বাহিনী, বিপ্লবী, ব্যবসায়ী, হ্যাকার, এমনকি খোদ প্রশাসনই এমন এক ব্যবস্থা চেয়েছে যেখানে তারা খুব গোপনে, নিরাপদে নিজেদের ভেতর তথ্য আদান প্রদান করতে পারবে।<br />
<br />
আপনি যদি ভেবে থাকেন অনলাইনে আপনার উপর কেউ নজরদারি করছে না, তাহলে ভুল ভাবছেন। আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি ডাউনলোড-আপলোড নজরে রাখছে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। যে কোনো প্রয়োজনে তারা সেই তথ্য সরবরাহ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। তাই স্বভাবগত চাহিদার প্রেক্ষিতেই এমন এক ব্যবস্থার কথা চিন্তা করতে হয়েছে যেখানে প্রশাসন তদারকি<br />
<br />
করতে পারবে না। এভাবেই সৃষ্টি হয়েছে ডিপ ওয়েব তথা ডার্ক ওয়েবের। যদিও সিকিউরিটি এজেন্সির নজরদারি থেকে বাঁচতে এটির জন্ম, কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখানে অপরাধের বেশ বড় একটা শাখা গ্রথিত হয়েছে।<br />
<br />
কী আছে এখানে?<br />
<br />
কী নেই এখানে? এখানে এমন সব জিনিস আছে, যেটা হয়তো আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। মাদকদ্রব্য থেকে শুরু করে এমনকি পেশাদার খুনিও ভাড়া করা যায় এখানে। উইকিলিকসের শুরু হয়েছিল ডার্ক ওয়েবেই। এখানে রয়েছে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ চাইল্ড পর্নোগ্রাফির মতো বিকৃত রুচির বিনোদন। রয়েছে পতিতা ভাড়া করার সুযোগ। নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনের কারণে সার্ফেস ওয়েবে নেই এমন সব বইয়ের অসাধারণ সংগ্রহ পাবেন এখানে। Apple, Microsoft-এর বিভিন্ন প্রোডাক্ট স্বল্প দামে কিনতে চান? সেটাও পারবেন ডার্ক ওয়েবে। যে কোনো দেশের অবৈধ পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স যোগার করতে পারবেন ডার্ক ওয়েব থেকে। কিনতে পারবেন অবৈধ অস্ত্র। এমনকি বোমা-বারুদ তৈরির যাবতীয় টিউটোরিয়ালও পাবেন অনেক ওয়েবসাইটে। এখানে প্রোফেশনাল কিলারের মতো প্রফেশনাল হ্যাকারও ভাড়া করা যায়।<br />
<br />
মাদক দ্রব্য বেচাকেনার সবচেয়ে বিখ্যাত অনলাইন ব্ল্যাক মার্কেট ‘Silk Road’-এর ডার্ক ওয়েবে যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালে। ২০১৩ সালে FBI ওয়েবসাইটটিকে বন্ধ করে দেয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা রস উইলিয়াম উলব্রিচকে গ্রেফতার করে। জানেন কি তারা এই দুই বছরে কত টাকার ব্যবসা করেছে? প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারের!<br />
<br />
এতসব খারাপ জিনিসের ভিড়ে এবার একটা ভালো জিনিসের খবর দিচ্ছি। বিভিন্ন ধরনের রিসার্চ পেপার ডাউনলোড করতে Sci-Hub এর কোনো বিকল্প নেই। যারা প্রজেক্ট বা থিসিস নিয়ে কাজ করছেন, তারা এর গুরুত্ব ভালভাবে বুঝতে পারবে। যদি কখনো সার্ফেস ওয়েবে Sci-Hub ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে ডার্ক ওয়েবের <a href="http://scihub22266oqcxt.onion/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">http://scihub22266oqcxt.onion/</a> এই এড্রেসটা মনে রাখুন, কাজে লাগবে।<br />
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না?<br />
<br />
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নিচ্ছে না, নাকি নিতে পারছে না- এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য আমাদের জানতে হবে কীভাবে এই নেটওয়ার্ক কাজ করে। ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করতে হয় অনিয়ন (onion) নেটওর্য়াকের সাহায্যে। এর pseudo top-level domain হল .onion। এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে একটা বিশেষ ব্রাউজার, এর নাম Tor। তবে সাধারণ ব্রাউজার দিয়ে এখানে প্রবেশ করা যাবে না- ব্যাপারটা এমন নয়। কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা Tor-এর proxy ব্যবহার করে তাদের রাউটারের মাধ্যমে সাধারণ ব্রাউজার দিয়েই অনিয়ন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়।<br />
<br />
Tor ব্রাউজারের default settings আপনার পরিচয় লুকিয়ে রাখবে। যখন আপনি এটি দিয়ে কোনো সাইটে ঢুকতে যাবেন, তখন Tor আপনার রিকোয়েস্ট জটিল এনক্রিপশনের মধ্য দিয়ে অনিয়ন প্রক্সিতে পাঠাবে। অনিয়ন প্রক্সি এই ডাটা নিয়ে অনিয়ন রাউটারে যাবে। সেখানে যাবার আগে অনিয়ন নেটর্য়াকের প্রবেশ পথে এই ডাটা আবার এনক্রিপশনের ভেতর দিয়ে যায় এবং অনিয়নের একাধিক রাউটারগুলোর মধ্য দিয়ে যাবার সময় সেটি আবারো এনক্রিপ্টেড হয়। ফলে এখানে ডাটা চুরি করে এর প্রেরক ও প্রাপককে চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। এ কারণে এখানকার ব্যক্তিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।<br />
<br />
এখন আপনাদেরকে আরো একটা চমৎকার তথ্য দিচ্ছি। ২০১১ তে একবার টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছিল যে টর আসলে CIA-র একটা স্লিপার নেটওয়ার্ক। এটা সত্য কিনা সে ব্যাপারে যদিও কোনো তথ্য নেই, তবে CIA নিজেরাই যে এমন গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করে পাবলিকের কাছে সার্ভিস দিচ্ছে না, তার কোনো নিশ্চয়তা আছে কি? তাছাড়া সাধারণ মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না এরা কীভাবে ডিপ কভার অপারেশন চালায়। Silk Road বন্ধ করে দেয়াই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ডার্ক ওয়েবে যদি আপনি আপনার আসল আইডেন্টিটি নিয়ে ঢুকেন অথবা কোনোভাবে আপনার আইডেন্টিটি ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে ইন্টারপোলের ঝামেলায় পর্যন্ত পড়তে পারেন!<br />
<br />
নিজেদের প্রয়োজনেই কোনো জিনিসের ভালো এবং খারাপ দুটো দিকই জানতে হয়। ভুল পথে পা বাড়ানোর আগে পা-টা সরিয়ে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তাই জেনে বুঝে কেউ ডার্ক ওয়েবের অন্ধকার দিকে পা বাড়াবেন না এই প্রত্যাশায় শেষ করছি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইন্টারনেটের দাম পুনঃনির্ধারণ এ মাসেই]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2547</link>
			<pubDate>Wed, 01 Mar 2017 06:36:13 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2547</guid>
			<description><![CDATA[ইন্টারনেটের দাম পুনঃনির্ধারণ এ মাসেই। এ জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেছে। এর আগে মন্ত্রণালয় গ্রাহক পর্যায় থেকে শুরু করে সুবিধাভোগী (স্টেকহোল্ডার) পর্যন্ত সার্ভে করে। এ মাসেই দেশে ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ যোগ হচ্ছে। ফলে ইন্টারনেট সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে মন্ত্রণালয় ইন্টারনেটের দাম পুনঃনির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।<br />
<br />
বুধবার দৈনিক জনকণ্ঠ প্রত্রিকায় ‘বাড়তি ব্যান্ডউইথ যোগ হচ্ছে ॥ ইন্টারনেটের দাম পুনর্নির্ধারণ এ মাসেই’ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। <br />
<br />
মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ইন্টারনেটের দাম রাখতে কাজ শুরু করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ইন্টারনেটের দাম ঠিক করা হবে। তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা সবার হাতে পৌঁছে দিতে এ মাসের মধ্যে ইন্টারনেটের দাম ঠিক করার কাজ চলছে। এছাড়া বাজারে বর্তমানে ইন্টারনেটের যে দাম রয়েছে তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার রাইরে। এই বিষয়টি চিন্তা করে নতুন দাম নির্ধারণ হবে। যাতে করে গ্রাহক এবং ব্যবসায়ী কোন পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট একটি মূল্য থাকবে। যার মধ্যে থেকেই গ্রাহক এবং ব্যবসায়ীদের চলতে হবে। দেশের সব প্রান্তে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ চলছে। ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর জন্যও কাজ করা হচ্ছে। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা না হলে কাজেরও কোন গতি আসবে না। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্ম যাতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে। তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে গড়ে উঠবে। <br />
<br />
দেশে এ মাসেই বাড়তি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আসছে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) জানিয়েছে, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হওয়ায় দেশে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আরও ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস বিএসসিসিএলের প্রথম সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আসছে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আইটিসির মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। বর্তমানে কুয়াকাটা-ঢাকা ব্যাকহোল লিংক বা কেবল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বিটিসিএল কর্তৃক এই ব্যাকহোল লিংক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ও টেস্টিং সম্পন্ন হওয়ার পরে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে। ঢাকা থেকে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশনের ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে। মার্চ থেকেই বাড়তি ইন্টারনেট সুবিধা সাধারণ মানুষ পেতে শুরু করবে।<br />
<br />
এদিকে, উপজেলা পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কও বিস্তার করার কাজ চলছে। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন ও ইন্টারনেট সুবিধা বাড়ানোর জন্য অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপনের কাজ হয়েছে গত জুনে। কোন কোন এলাকায় কেবল স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। এখন ওই সব এলাকায় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হচ্ছে। বেসরকারী মোবাইল অপারেটররা সারাদেশে ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিলেও তা অনেক ব্যয়বহুল। এই সেবা সাধারণ মানুষের পক্ষে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে গ্রাম পর্যাযে ইন্টারনেট সেবা দেয়ার জন্য এনএসএনভিত্তিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপনে জন্য চীন প্রকল্পে সহযোগিতা দিচ্ছে। সরকারী অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সংযোগ স্থাপিত হলে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন। তখন শহর ও গ্রামের বৈষম্য অনেকাংশে দূর হবে।<br />
<br />
প্রিয় সংবাদ/মিজান]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ইন্টারনেটের দাম পুনঃনির্ধারণ এ মাসেই। এ জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব মহলের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেছে। এর আগে মন্ত্রণালয় গ্রাহক পর্যায় থেকে শুরু করে সুবিধাভোগী (স্টেকহোল্ডার) পর্যন্ত সার্ভে করে। এ মাসেই দেশে ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ যোগ হচ্ছে। ফলে ইন্টারনেট সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে মন্ত্রণালয় ইন্টারনেটের দাম পুনঃনির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।<br />
<br />
বুধবার দৈনিক জনকণ্ঠ প্রত্রিকায় ‘বাড়তি ব্যান্ডউইথ যোগ হচ্ছে ॥ ইন্টারনেটের দাম পুনর্নির্ধারণ এ মাসেই’ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। <br />
<br />
মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ইন্টারনেটের দাম রাখতে কাজ শুরু করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ইন্টারনেটের দাম ঠিক করা হবে। তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা সবার হাতে পৌঁছে দিতে এ মাসের মধ্যে ইন্টারনেটের দাম ঠিক করার কাজ চলছে। এছাড়া বাজারে বর্তমানে ইন্টারনেটের যে দাম রয়েছে তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার রাইরে। এই বিষয়টি চিন্তা করে নতুন দাম নির্ধারণ হবে। যাতে করে গ্রাহক এবং ব্যবসায়ী কোন পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট একটি মূল্য থাকবে। যার মধ্যে থেকেই গ্রাহক এবং ব্যবসায়ীদের চলতে হবে। দেশের সব প্রান্তে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ চলছে। ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর জন্যও কাজ করা হচ্ছে। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা না হলে কাজেরও কোন গতি আসবে না। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্ম যাতে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে। তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে গড়ে উঠবে। <br />
<br />
দেশে এ মাসেই বাড়তি ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আসছে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) জানিয়েছে, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হওয়ায় দেশে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আরও ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস বিএসসিসিএলের প্রথম সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আসছে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আইটিসির মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। বর্তমানে কুয়াকাটা-ঢাকা ব্যাকহোল লিংক বা কেবল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বিটিসিএল কর্তৃক এই ব্যাকহোল লিংক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ও টেস্টিং সম্পন্ন হওয়ার পরে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে। ঢাকা থেকে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশনের ট্রান্সমিশন লিংক স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে। মার্চ থেকেই বাড়তি ইন্টারনেট সুবিধা সাধারণ মানুষ পেতে শুরু করবে।<br />
<br />
এদিকে, উপজেলা পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কও বিস্তার করার কাজ চলছে। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন ও ইন্টারনেট সুবিধা বাড়ানোর জন্য অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপনের কাজ হয়েছে গত জুনে। কোন কোন এলাকায় কেবল স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। এখন ওই সব এলাকায় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হচ্ছে। বেসরকারী মোবাইল অপারেটররা সারাদেশে ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিলেও তা অনেক ব্যয়বহুল। এই সেবা সাধারণ মানুষের পক্ষে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে গ্রাম পর্যাযে ইন্টারনেট সেবা দেয়ার জন্য এনএসএনভিত্তিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপনে জন্য চীন প্রকল্পে সহযোগিতা দিচ্ছে। সরকারী অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সংযোগ স্থাপিত হলে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন। তখন শহর ও গ্রামের বৈষম্য অনেকাংশে দূর হবে।<br />
<br />
প্রিয় সংবাদ/মিজান]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[৩২  বছর আগে এক ১৪ বছর ভারতীয় কিশোর  আবিষ্কার করেছিলেন ইমেল  প্রযুক্তি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2544</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 17:23:35 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2544</guid>
			<description><![CDATA[ইমেল প্রযুক্তি আবিষ্কারের পরে<br />
কেটে গিয়েছে ৩৯ বছর। দিনে<br />
দিনে আরও উন্নত হয়েছে ইমেল<br />
ব্যবস্থা। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায়<br />
ক’জন আর মনে রেখেছেন আয়াদুরাই-<br />
এর নাম! আজকের দিনে ‘ইমেল’<br />
শব্দটার সঙ্গে সকলেই পরিচিত।<br />
কিন্তু আপনাকে যদি বলা হয় যে, ৩২<br />
বছর আগে এক ১৪ বছর ভারতীয় কিশোর<br />
আবিষ্কার করেছিলেন ইমেল<br />
প্রযুক্তি, তা হলে বিশ্বাস না<br />
হওয়ারই কথা। অথচ এটাই সত্যি। ভি এ<br />
শিবা আয়াদুরাই নামের ভারতীয়<br />
বংশোদ্ভূত বৈজ্ঞানিকের<br />
আবিষ্কার করা সেই ইমেল সিস্টেম-<br />
এ ইনবক্স, আউটবক্স, ফোল্ডারস, মেমো,<br />
অ্যাটাচমেন্টস, অ্যাড্রেস বুক<br />
ইত্যাদি সমস্ত বিভাগই ছিল, যেগুলি<br />
এ যুগের ইমেল সিস্টেমের সঙ্গে<br />
অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। মুম্বই<br />
নিবাসী এক তামিল পরিবারে জন্ম<br />
হয় আয়াদুরাইযের। আয়াদুরাইয়ের বয়স<br />
যখন ৭ বছর, তখনই তাঁর পরিবার<br />
আমেরিকায় চলে যায়। যখন নিউ<br />
জার্সি-র লিভিংটন হাই স্কুলে<br />
পড়াশোনা করছেন আয়াদুরাই, তখনই<br />
ইউনিভার্সিটি অফ মেডিসিন এবং<br />
ডেন্টিস্ট্রি অফ নিউ জার্সির জন্য<br />
ইমেল সিস্টেম বিষয়ে গবেষণা শুরু<br />
করেন তিনি। আয়াদুরাই নিবিড়<br />
মনোযোগ সহকারে লক্ষ করেছিলেন,<br />
এই দুই প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক<br />
সেক্রেটারির কাছে একটি<br />
টাইপরাইটার ছাড়াও রয়েছে<br />
আলাদা আলাদা ফাইল— কোনওটির<br />
উপর লেখা ইনবক্স, কোনওটির উপরে<br />
আউটবক্স, কোনওটিতে ড্রাফটস,<br />
কোনওটিতে অ্যাড্রেস বুক ইত্যাদি।<br />
প্রত্যেকটা ফাইলে আলাদা<br />
আলাদা রকমের কাগজ,<br />
চিঠিচাপাটি সংরক্ষিত হতো। এই<br />
বন্দোবস্ত দেখেই ইমেল ব্যবস্থার<br />
আইডিয়া আসে আয়াদুরাইয়ের<br />
মাথায়। মাথা খাটিয়ে এই<br />
চিঠিচাপাটির বন্দোবস্তের একটি<br />
ইলেকট্রনিক সংস্করণ তৈরি করেন<br />
আযাদুরাই। তিনি একটি কম্পিউটার<br />
প্রোগ্রাম তৈরি করেন যাতে ৫০<br />
হাজার কোড লাইন রয়েছে। এতে<br />
সনাতন মেল সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত<br />
প্রতিটি ফোল্ডারই রাখা হয়—<br />
ইনবক্স, আউটবক্স, ড্রাফটস ইত্যাদি। এই<br />
ইলেকট্রনিক মেইল সিস্টেমকে<br />
কাজে লাগিয়ে সংশ্লিষ্ট দু’টি<br />
প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা একে<br />
অন্যকে চিঠি পাঠানোর সুবিধা<br />
পেতে শুরু করেন। ৩০ অগস্ট, ১৯৮২-তে<br />
মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে<br />
আয়াদুরাইকে ইমেলের আবিষ্কারক<br />
হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭৮<br />
সালে তাঁর তৈরি করা ইলেকট্রনিক<br />
মেল ব্যবস্থার জন্য তাঁকে কপিরাইট<br />
দেওয়া হয়। ইমেল প্রযুক্তি<br />
আবিষ্কারের পরে কেটে গিয়েছে<br />
৩৯ বছর। দিনে দিনে আরও উন্নত<br />
হয়েছে ইমেল ব্যবস্থা। কিন্তু<br />
তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায় ক’জন আর মনে<br />
রেখেছেন আয়াদুরাই-এর নাম! অথচ<br />
এই মানুষটিই কিন্তু ইমেল-এর স্বীকৃত<br />
আবিষ্কারক সূত্র : এমটি নিউজ ২৪]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ইমেল প্রযুক্তি আবিষ্কারের পরে<br />
কেটে গিয়েছে ৩৯ বছর। দিনে<br />
দিনে আরও উন্নত হয়েছে ইমেল<br />
ব্যবস্থা। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায়<br />
ক’জন আর মনে রেখেছেন আয়াদুরাই-<br />
এর নাম! আজকের দিনে ‘ইমেল’<br />
শব্দটার সঙ্গে সকলেই পরিচিত।<br />
কিন্তু আপনাকে যদি বলা হয় যে, ৩২<br />
বছর আগে এক ১৪ বছর ভারতীয় কিশোর<br />
আবিষ্কার করেছিলেন ইমেল<br />
প্রযুক্তি, তা হলে বিশ্বাস না<br />
হওয়ারই কথা। অথচ এটাই সত্যি। ভি এ<br />
শিবা আয়াদুরাই নামের ভারতীয়<br />
বংশোদ্ভূত বৈজ্ঞানিকের<br />
আবিষ্কার করা সেই ইমেল সিস্টেম-<br />
এ ইনবক্স, আউটবক্স, ফোল্ডারস, মেমো,<br />
অ্যাটাচমেন্টস, অ্যাড্রেস বুক<br />
ইত্যাদি সমস্ত বিভাগই ছিল, যেগুলি<br />
এ যুগের ইমেল সিস্টেমের সঙ্গে<br />
অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। মুম্বই<br />
নিবাসী এক তামিল পরিবারে জন্ম<br />
হয় আয়াদুরাইযের। আয়াদুরাইয়ের বয়স<br />
যখন ৭ বছর, তখনই তাঁর পরিবার<br />
আমেরিকায় চলে যায়। যখন নিউ<br />
জার্সি-র লিভিংটন হাই স্কুলে<br />
পড়াশোনা করছেন আয়াদুরাই, তখনই<br />
ইউনিভার্সিটি অফ মেডিসিন এবং<br />
ডেন্টিস্ট্রি অফ নিউ জার্সির জন্য<br />
ইমেল সিস্টেম বিষয়ে গবেষণা শুরু<br />
করেন তিনি। আয়াদুরাই নিবিড়<br />
মনোযোগ সহকারে লক্ষ করেছিলেন,<br />
এই দুই প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক<br />
সেক্রেটারির কাছে একটি<br />
টাইপরাইটার ছাড়াও রয়েছে<br />
আলাদা আলাদা ফাইল— কোনওটির<br />
উপর লেখা ইনবক্স, কোনওটির উপরে<br />
আউটবক্স, কোনওটিতে ড্রাফটস,<br />
কোনওটিতে অ্যাড্রেস বুক ইত্যাদি।<br />
প্রত্যেকটা ফাইলে আলাদা<br />
আলাদা রকমের কাগজ,<br />
চিঠিচাপাটি সংরক্ষিত হতো। এই<br />
বন্দোবস্ত দেখেই ইমেল ব্যবস্থার<br />
আইডিয়া আসে আয়াদুরাইয়ের<br />
মাথায়। মাথা খাটিয়ে এই<br />
চিঠিচাপাটির বন্দোবস্তের একটি<br />
ইলেকট্রনিক সংস্করণ তৈরি করেন<br />
আযাদুরাই। তিনি একটি কম্পিউটার<br />
প্রোগ্রাম তৈরি করেন যাতে ৫০<br />
হাজার কোড লাইন রয়েছে। এতে<br />
সনাতন মেল সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত<br />
প্রতিটি ফোল্ডারই রাখা হয়—<br />
ইনবক্স, আউটবক্স, ড্রাফটস ইত্যাদি। এই<br />
ইলেকট্রনিক মেইল সিস্টেমকে<br />
কাজে লাগিয়ে সংশ্লিষ্ট দু’টি<br />
প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা একে<br />
অন্যকে চিঠি পাঠানোর সুবিধা<br />
পেতে শুরু করেন। ৩০ অগস্ট, ১৯৮২-তে<br />
মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে<br />
আয়াদুরাইকে ইমেলের আবিষ্কারক<br />
হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭৮<br />
সালে তাঁর তৈরি করা ইলেকট্রনিক<br />
মেল ব্যবস্থার জন্য তাঁকে কপিরাইট<br />
দেওয়া হয়। ইমেল প্রযুক্তি<br />
আবিষ্কারের পরে কেটে গিয়েছে<br />
৩৯ বছর। দিনে দিনে আরও উন্নত<br />
হয়েছে ইমেল ব্যবস্থা। কিন্তু<br />
তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায় ক’জন আর মনে<br />
রেখেছেন আয়াদুরাই-এর নাম! অথচ<br />
এই মানুষটিই কিন্তু ইমেল-এর স্বীকৃত<br />
আবিষ্কারক সূত্র : এমটি নিউজ ২৪]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Freebasics এর মাধ্যমে Google Translate ফ্রী ব্রাউজ করুন,,,Globalbd.ML]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2358</link>
			<pubDate>Sat, 25 Feb 2017 13:51:57 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=279">Mahin24</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2358</guid>
			<description><![CDATA[রবি ও গ্রামীণফোন সিম ব্যবহার করে আপনি <a href="https://0.freebasics.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Freebasics</a>এর মাধ্যমে<br />
<a href="https://www-google-com.0.freebasics.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">, Google</a> <a href="https://https-play-google-com.0.freebasics.com/store" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">,,Playstore </a>ফ্রী ব্রাউজ করতে পারেন।<br />
আপনি Freebasics এর মাধ্যমে Google Translate ও ফ্রী ব্রাউজ করতে পারবেন এই লিংক এর মাধ্যমেঃ<br />
<a href="https://https-translate-google-com.0.freebasics.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Google Translate</a><br />
লিংকটি আপনার ব্রাউজারে<br />
Bookmark করে রাখুন<br />
{হয়ত অনেকেই জানেন, যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে আমার এই Post-টি করা}<br />
<br />
<img src="http://globalbd.ml/wp-content/uploads/2017/02/coollogo_com-66853322-1-300x77.png" loading="lazy"  alt="[Image: coollogo_com-66853322-1-300x77.png]" class="mycode_img" /><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">খুব সুন্দর একটি সাইট একবার দেখে আসুন,,,আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের</span><br />
<a href="http://globalbd.ml" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Globalbd.ML ভিজিট করুন এখনি,,,</a><br />
<br />
ধন্যবাদ সবাইকে,,,<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="PNG Image" border="0" alt=".png" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=75" target="_blank" title="">58a91782dbccf.png</a> (Size: 57.24 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রবি ও গ্রামীণফোন সিম ব্যবহার করে আপনি <a href="https://0.freebasics.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Freebasics</a>এর মাধ্যমে<br />
<a href="https://www-google-com.0.freebasics.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">, Google</a> <a href="https://https-play-google-com.0.freebasics.com/store" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">,,Playstore </a>ফ্রী ব্রাউজ করতে পারেন।<br />
আপনি Freebasics এর মাধ্যমে Google Translate ও ফ্রী ব্রাউজ করতে পারবেন এই লিংক এর মাধ্যমেঃ<br />
<a href="https://https-translate-google-com.0.freebasics.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Google Translate</a><br />
লিংকটি আপনার ব্রাউজারে<br />
Bookmark করে রাখুন<br />
{হয়ত অনেকেই জানেন, যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে আমার এই Post-টি করা}<br />
<br />
<img src="http://globalbd.ml/wp-content/uploads/2017/02/coollogo_com-66853322-1-300x77.png" loading="lazy"  alt="[Image: coollogo_com-66853322-1-300x77.png]" class="mycode_img" /><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">খুব সুন্দর একটি সাইট একবার দেখে আসুন,,,আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের</span><br />
<a href="http://globalbd.ml" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Globalbd.ML ভিজিট করুন এখনি,,,</a><br />
<br />
ধন্যবাদ সবাইকে,,,<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="PNG Image" border="0" alt=".png" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=75" target="_blank" title="">58a91782dbccf.png</a> (Size: 57.24 KB / Downloads: 1)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল……!!!!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2212</link>
			<pubDate>Wed, 22 Feb 2017 09:12:06 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2212</guid>
			<description><![CDATA[ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল……!!!!<br />
Hello Geys…সবাই কেমন আছেন আশা করছি ভালো<br />
আছেন। আমি ভালো আছি।<br />
গুগল মানেই সবজান্তা। বর্তমানে বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয়<br />
সার্চ ইঞ্জিন এটি। চীনকে বাদ দিলে বিশ্বের এমন কোনো<br />
স্থান নেই যেখানকার মানুষ গুগল ব্যবহার করে না। তবে<br />
এতদিন পর্যন্ত ইন্টারনেট ছাড়া গুগল ব্যবহার করা সম্ভব<br />
হতো না। এবার সেই ছবিটাও বদলাতে চলেছে।<br />
জানা গেছে, খুব শিগগিরই গুগল এমন এক অত্যাধুনিক পরিষেবা<br />
আনতে চলেছে যার মাধ্যমে এবার থেকে ইন্টারনেট ছাড়াই<br />
ব্যবহার করা যাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিন।<br />
গুগলের কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অনেক<br />
ক্ষেত্রেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক কানেকশন থাকে না। আবার<br />
থাকলেও স্লো কানেকশনের দরুণ নেট চালানো সম্ভব হয়<br />
না।। এই সবকিছুকে মাথায় রেখেই গুগলের পক্ষ থেকে এই<br />
উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এই পরিষেবা ঠিকঠাক চালু হলে, একজন<br />
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কাছে নেট কানেকশন না থাকলেও,<br />
তিনি সহজেই গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারবেন।<br />
ইতিমধ্যেই এই পরিষেবা প্রাথমিকভাবে চালু করে দিয়েছে গুগল।<br />
এখন শুধুমাত্র স্মার্টফোনে অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীই এই<br />
সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। আন্ড্রয়েড ভার্সন এবং গুগল<br />
সার্চ অ্যাপ আপডেট করলেই মিলবে এই পরিষেবা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল……!!!!<br />
Hello Geys…সবাই কেমন আছেন আশা করছি ভালো<br />
আছেন। আমি ভালো আছি।<br />
গুগল মানেই সবজান্তা। বর্তমানে বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয়<br />
সার্চ ইঞ্জিন এটি। চীনকে বাদ দিলে বিশ্বের এমন কোনো<br />
স্থান নেই যেখানকার মানুষ গুগল ব্যবহার করে না। তবে<br />
এতদিন পর্যন্ত ইন্টারনেট ছাড়া গুগল ব্যবহার করা সম্ভব<br />
হতো না। এবার সেই ছবিটাও বদলাতে চলেছে।<br />
জানা গেছে, খুব শিগগিরই গুগল এমন এক অত্যাধুনিক পরিষেবা<br />
আনতে চলেছে যার মাধ্যমে এবার থেকে ইন্টারনেট ছাড়াই<br />
ব্যবহার করা যাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিন।<br />
গুগলের কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অনেক<br />
ক্ষেত্রেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক কানেকশন থাকে না। আবার<br />
থাকলেও স্লো কানেকশনের দরুণ নেট চালানো সম্ভব হয়<br />
না।। এই সবকিছুকে মাথায় রেখেই গুগলের পক্ষ থেকে এই<br />
উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এই পরিষেবা ঠিকঠাক চালু হলে, একজন<br />
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর কাছে নেট কানেকশন না থাকলেও,<br />
তিনি সহজেই গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারবেন।<br />
ইতিমধ্যেই এই পরিষেবা প্রাথমিকভাবে চালু করে দিয়েছে গুগল।<br />
এখন শুধুমাত্র স্মার্টফোনে অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীই এই<br />
সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। আন্ড্রয়েড ভার্সন এবং গুগল<br />
সার্চ অ্যাপ আপডেট করলেই মিলবে এই পরিষেবা।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এবার আপনিও পেতে পারেন গুগোল এডসেন্স। শর্ত মেনে কাজ করুন সফল হবেন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2210</link>
			<pubDate>Wed, 22 Feb 2017 09:06:02 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2210</guid>
			<description><![CDATA[এবার আপনিও পেতে পারেন গুগোল এডসেন্স। শর্ত মেনে<br />
কাজ করুন সফল হবেন<br />
ক) কন্টেন্ট এর ধরন:&lt;\h3&gt;<br />
অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করার পূর্বে সবসময় খেয়াল রাখবেন<br />
আপনি কি ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। অবশ্যই কন্টেন্ট<br />
হতে হবে কপি পেস্ট বিহীন। কপি পেস্ট করে কক্ষনোই<br />
অ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া সম্ভব নয় কারন অ্যাডসেন্স<br />
অরিজিনাল কন্টেন্ট বিহীন সাইটে এড শো করতে চায়না।<br />
আমরা কন্টেন্ট লিখি ইউজারের জন্য যা সব সময় সার্চ<br />
ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি হতে হয়। আরও কিছু জিনিস আপনাকে<br />
খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোন ক্রমেই সাইটে কপিরাইট ছবি<br />
বা কনটেন্ট ব্যবহার না করেন এটা ওদের নীতিমালা বিরোধী।<br />
এছাড়া পর্নোগ্রাফি, হ্যাকিং, গেম্বলিং বা অবৈধ কিছু নিয়ে<br />
লেখা আর্টিকেল সাইটে পাবলিশ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।<br />
সাভাবিক নিয়মে ব্লগ কন্টেন্ট লিখুন তাহলেই সম্ভব দ্রুত<br />
এপ্রুভাল পাওয়া।<br />
কন্টেন্ট ছাড়াও আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ<br />
অ্যাডসেন্স এ আবেদন করার জন্য সর্বনিম্ন কতটি পোস্ট<br />
থাকতে হবে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। কিন্তু<br />
অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলবো অবশ্যই ২০-২৫ টি অরিজিনাল<br />
কন্টেন্ট দিয়ে নিবেন এবং যেগুলোর ওয়ার্ড লিমিট সর্বনিম্ন<br />
৬০০ ওয়ার্ডের মধ্যে হতে হবে।<br />
পোষ্ট গুলো লিখার সময় টপিক্স রিলেটেড মোটামুটি হাই<br />
সিপিস ও হাই কম্পিটেটিভ (এডওয়ার্ড অনুযায়ী) কিয়ার্ড<br />
টার্গেট করে পোষ্ট লিখবেন এতে করে গুগল আপনার সাইটে<br />
এড দিতে বেশ আগ্রহী হবে, এবং দ্রুত অ্যাডসেন্সের<br />
এপ্রুভাল পাওয়া যাবে।<br />
গুগল অ্যাডসেন্সে আপ্লাই করার পূর্বে অবশ্যই সব গুলো<br />
পোষ্ট যাতে সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হয় সেদিকে খেয়াল<br />
রাখতে হবে। পোষ্ট গুলোকে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া এবং<br />
বুকমার্ক সাইট গুলোতে শেয়ার করতে হবে। এতে করে সাইটে<br />
ট্রাফিকও বেড়ে যাবে দিন দিন<br />
পোষ্টে অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ইউজ করে স্টাফিং করা যাবেনা।<br />
খ) সাইটের ডিজাইন এবং ন্যাভিগেশনঃ<br />
সাইটের ডিজাইনটি অনেক গুরুত্তপুর্ণ। আপনার সাইটের<br />
ডিজাইন আপনার দক্ষতার প্রমান রাখে সুতরাং আপনার<br />
সাইট টিকে এমন ভাবে ডিজাইন করুন যাতে করে মনে হয় না<br />
সাইটি অনেক নতুন এবং এখনো কাজ চলছে তার মানে Under<br />
Construction। গুগল কক্ষনো আন্ডার কন্সট্রাকশন<br />
সাইটে অ্যাডসেন্সের এপ্রুভাল দেয়না। উৎকট কালার এবং<br />
অতিরিক্ত কালারফুল ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে ডিজাইন করা<br />
সাইটের ৯০% ই এপ্রুভাল পায় না, তাই এসব ক্ষেত্রে সতর্ক<br />
হতে হবে। এছাড়াও সাইটের ন্যাভিগেশন লেভেলও ইজি হতে<br />
হয় আবার সাইটের পেজ ও লিংক স্ট্রাকচারও হতে হবে<br />
অবশ্যই স্টান্ডার্ড।<br />
গ) গুরুত্বপূর্ণ কিছু পেজ তৈরিঃ<br />
Privacy Policy পাতাঃ এটা একটা খুবই সাধারন ভুল যেটি<br />
সকলেই করে থাকে। গুগল একটি সাইটের Privacy Policy কে<br />
অনেক গুরুত্ত দেয়। Privacy Policy মূলত আপনার সাইটের<br />
ভিসিটর এবং পাঠকদের কি করা উচিত এবং কি উচিত নয়,<br />
আপনার ব্লগে তারা কি কি পাবে এবং আপনি আপনার<br />
ব্লগটিকে কিভাবে ব্যবহার করেন সেটি আলোচনা করে। তাই<br />
সাধারণ ভাবে একটি Privacy Policy পাতা থাকা জরুরী।<br />
নিজেই আপনি ব্লগের Privacy Policy পাতা তৈরি করে<br />
নিতে পারেন সেক্ষেত্রে কিছু সাইটের Privacy Policy পাতা<br />
গুলো পড়ে নিন কি বা কিভাবে লিখতে হবে বুঝার জন্য।<br />
About Us পাতাঃ About Us পাতাটিও আপনার সাইটে<br />
অ্যাডসেন্স আপ্প্রুভাল পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্তপূর্ণ।<br />
আপনি যদি এই পাতাটি তৈরি না করে অ্যাডসেন্স এর আবেদন<br />
করেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স আপ্প্রুভ হওয়ার সম্ভবনা<br />
খুবই কম। About Us পাতাটি মুলত আপনা বা আপনার<br />
সাইটের সম্পর্কে আলোচনা করে। কিভাবে সাইটা শুরু হল, কে<br />
বা কারা এই সাইটি দেখাশোনা করে এবং সাইটি কি কি বিষয়<br />
নিয়ে আলোচনা করে এসব তথ্য About Us পাতার মূল<br />
উপাদান। এজন্য অ্যাডসেন্স এ আবেদনের পূর্বে আপনাকে<br />
অবশ্যই একটি About Us পাতা তৈরি করে নিতে হবে।<br />
কয়েকটি সাইট ভিজিট করে তাদের এবাউট আস পাতাটি পড়ে<br />
নিয়ে লিখা শুরু করে দিন।<br />
Contact Us পাতাঃ Contact Us পাতা মুলত আপনার<br />
ভিসিটর এবং পাঠকদেরকে আপনার সাথে যোগাযোগ করার<br />
সুযোগ করে দেয়। Contact Us পেজের মাধ্যমে আপনার<br />
পাঠকেরা আপনার সাহায়্য পায় তার মানে আপনি আপনার<br />
ভিসিটর ও পাঠকদের কেয়ার (Care) করেন যেটা অ্যাডসেন্স<br />
পছন্দ করে। তাই আবশ্যই আপনার সাইটে একটি Contact<br />
Us পাতা তৈরি করবেন।<br />
ঘ) অন্যান্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কঃ<br />
এটা অনেক গুরুত্তপুর্ন একটি বিষয়। অ্যাডসেন্স এবং<br />
ক্লিকসর একসাথে ব্যাবহার করা যায় না, কারন ক্লিকসর<br />
কনটেক্সচুয়াল এড যেটা এডসেন্স এর টার্মস বিরোধী। ইয়াহুর<br />
ব্যাপারটাও সেম। তাই অ্যাডসেন্সে এপ্লাই করতে হলে<br />
আপনাকে অবশ্য এই ধরণের এড গুলো সাইট থেকে রিমুভ করে<br />
নিতে হবে। যতদূর অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে ইয়াহু<br />
অথবা ক্লিকসর এডসেন্সের সাথে বসালে এমনিতেই এডসেন্স<br />
ব্যান হয়ে যাবার কথা। আর এডব্রাইট এবং বিডভার্টাইজার<br />
ব্যাবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা উচিৎ। এফিলিয়েট লিংক<br />
থাকলে সেগুলোর ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিৎ, আমি মনে করি<br />
আবেদনের পূর্বে রিস্ক ফ্রি থাকার জন্য জাস্ট লিংক গুলো<br />
উঠিয়ে রেখে এপ্লাই করা ব্যাটার হবে।<br />
ঙ) টপ লেভেল ডোমেইনঃ<br />
ব্লগস্পট ডট কম দিয়ে অ্যাডসেন্স পাওয়ার দিন শেষই বলতে<br />
হবে। একটা সময় ছিলো যখন হয়তো খুব সহজেই সাব<br />
ডোমেইন গুলো দিয়ে এপ্লাই করেই এডসেন্স পাওয়া যেত।<br />
কিন্তু এখন আপনাকে এই নীতি চেঞ্জ করতে হবে। এখন দ্রুত<br />
অ্যাডসেন্স আপ্রুভাল পেতে হলে আপনার ব্লগটি অবশ্যই টপ<br />
লেভেল ডোমেইন হতে হবে যেমন com, net, org ইত্যাদি।<br />
যারা ব্লগস্পট বা সাব ডোমেইন দিয়ে অ্যাডসেন্স পাওয়ার<br />
স্বপ্ন দেখছিলেন তারা এখনি একটি টপ লেভেল ডোমেইন<br />
কিনে ফেলুন এটা অনেক ট্রাস্টেড অফশন হবে আপনার জন্য।<br />
ভিজিটরদের ভালো রেসপন্স পাওয়ার জন্যও টপ লেভেল<br />
ডোমেইন অত্যাবশ্যক।<br />
উপরে আলোচিত বিষয়গুলো সঠিক ভাবে ইমপ্লিমেন্ট করুন<br />
এবং তারপর এডসেন্স এ আবেদন করুন। যদি সবকিছু ঠিক ঠাক<br />
থাকে তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া সময়ের<br />
ব্যাপার মাত্র!]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এবার আপনিও পেতে পারেন গুগোল এডসেন্স। শর্ত মেনে<br />
কাজ করুন সফল হবেন<br />
ক) কন্টেন্ট এর ধরন:&lt;\h3&gt;<br />
অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করার পূর্বে সবসময় খেয়াল রাখবেন<br />
আপনি কি ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। অবশ্যই কন্টেন্ট<br />
হতে হবে কপি পেস্ট বিহীন। কপি পেস্ট করে কক্ষনোই<br />
অ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া সম্ভব নয় কারন অ্যাডসেন্স<br />
অরিজিনাল কন্টেন্ট বিহীন সাইটে এড শো করতে চায়না।<br />
আমরা কন্টেন্ট লিখি ইউজারের জন্য যা সব সময় সার্চ<br />
ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি হতে হয়। আরও কিছু জিনিস আপনাকে<br />
খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোন ক্রমেই সাইটে কপিরাইট ছবি<br />
বা কনটেন্ট ব্যবহার না করেন এটা ওদের নীতিমালা বিরোধী।<br />
এছাড়া পর্নোগ্রাফি, হ্যাকিং, গেম্বলিং বা অবৈধ কিছু নিয়ে<br />
লেখা আর্টিকেল সাইটে পাবলিশ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।<br />
সাভাবিক নিয়মে ব্লগ কন্টেন্ট লিখুন তাহলেই সম্ভব দ্রুত<br />
এপ্রুভাল পাওয়া।<br />
কন্টেন্ট ছাড়াও আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ<br />
অ্যাডসেন্স এ আবেদন করার জন্য সর্বনিম্ন কতটি পোস্ট<br />
থাকতে হবে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। কিন্তু<br />
অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলবো অবশ্যই ২০-২৫ টি অরিজিনাল<br />
কন্টেন্ট দিয়ে নিবেন এবং যেগুলোর ওয়ার্ড লিমিট সর্বনিম্ন<br />
৬০০ ওয়ার্ডের মধ্যে হতে হবে।<br />
পোষ্ট গুলো লিখার সময় টপিক্স রিলেটেড মোটামুটি হাই<br />
সিপিস ও হাই কম্পিটেটিভ (এডওয়ার্ড অনুযায়ী) কিয়ার্ড<br />
টার্গেট করে পোষ্ট লিখবেন এতে করে গুগল আপনার সাইটে<br />
এড দিতে বেশ আগ্রহী হবে, এবং দ্রুত অ্যাডসেন্সের<br />
এপ্রুভাল পাওয়া যাবে।<br />
গুগল অ্যাডসেন্সে আপ্লাই করার পূর্বে অবশ্যই সব গুলো<br />
পোষ্ট যাতে সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হয় সেদিকে খেয়াল<br />
রাখতে হবে। পোষ্ট গুলোকে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া এবং<br />
বুকমার্ক সাইট গুলোতে শেয়ার করতে হবে। এতে করে সাইটে<br />
ট্রাফিকও বেড়ে যাবে দিন দিন<br />
পোষ্টে অতিরিক্ত কিওয়ার্ড ইউজ করে স্টাফিং করা যাবেনা।<br />
খ) সাইটের ডিজাইন এবং ন্যাভিগেশনঃ<br />
সাইটের ডিজাইনটি অনেক গুরুত্তপুর্ণ। আপনার সাইটের<br />
ডিজাইন আপনার দক্ষতার প্রমান রাখে সুতরাং আপনার<br />
সাইট টিকে এমন ভাবে ডিজাইন করুন যাতে করে মনে হয় না<br />
সাইটি অনেক নতুন এবং এখনো কাজ চলছে তার মানে Under<br />
Construction। গুগল কক্ষনো আন্ডার কন্সট্রাকশন<br />
সাইটে অ্যাডসেন্সের এপ্রুভাল দেয়না। উৎকট কালার এবং<br />
অতিরিক্ত কালারফুল ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে ডিজাইন করা<br />
সাইটের ৯০% ই এপ্রুভাল পায় না, তাই এসব ক্ষেত্রে সতর্ক<br />
হতে হবে। এছাড়াও সাইটের ন্যাভিগেশন লেভেলও ইজি হতে<br />
হয় আবার সাইটের পেজ ও লিংক স্ট্রাকচারও হতে হবে<br />
অবশ্যই স্টান্ডার্ড।<br />
গ) গুরুত্বপূর্ণ কিছু পেজ তৈরিঃ<br />
Privacy Policy পাতাঃ এটা একটা খুবই সাধারন ভুল যেটি<br />
সকলেই করে থাকে। গুগল একটি সাইটের Privacy Policy কে<br />
অনেক গুরুত্ত দেয়। Privacy Policy মূলত আপনার সাইটের<br />
ভিসিটর এবং পাঠকদের কি করা উচিত এবং কি উচিত নয়,<br />
আপনার ব্লগে তারা কি কি পাবে এবং আপনি আপনার<br />
ব্লগটিকে কিভাবে ব্যবহার করেন সেটি আলোচনা করে। তাই<br />
সাধারণ ভাবে একটি Privacy Policy পাতা থাকা জরুরী।<br />
নিজেই আপনি ব্লগের Privacy Policy পাতা তৈরি করে<br />
নিতে পারেন সেক্ষেত্রে কিছু সাইটের Privacy Policy পাতা<br />
গুলো পড়ে নিন কি বা কিভাবে লিখতে হবে বুঝার জন্য।<br />
About Us পাতাঃ About Us পাতাটিও আপনার সাইটে<br />
অ্যাডসেন্স আপ্প্রুভাল পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্তপূর্ণ।<br />
আপনি যদি এই পাতাটি তৈরি না করে অ্যাডসেন্স এর আবেদন<br />
করেন তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স আপ্প্রুভ হওয়ার সম্ভবনা<br />
খুবই কম। About Us পাতাটি মুলত আপনা বা আপনার<br />
সাইটের সম্পর্কে আলোচনা করে। কিভাবে সাইটা শুরু হল, কে<br />
বা কারা এই সাইটি দেখাশোনা করে এবং সাইটি কি কি বিষয়<br />
নিয়ে আলোচনা করে এসব তথ্য About Us পাতার মূল<br />
উপাদান। এজন্য অ্যাডসেন্স এ আবেদনের পূর্বে আপনাকে<br />
অবশ্যই একটি About Us পাতা তৈরি করে নিতে হবে।<br />
কয়েকটি সাইট ভিজিট করে তাদের এবাউট আস পাতাটি পড়ে<br />
নিয়ে লিখা শুরু করে দিন।<br />
Contact Us পাতাঃ Contact Us পাতা মুলত আপনার<br />
ভিসিটর এবং পাঠকদেরকে আপনার সাথে যোগাযোগ করার<br />
সুযোগ করে দেয়। Contact Us পেজের মাধ্যমে আপনার<br />
পাঠকেরা আপনার সাহায়্য পায় তার মানে আপনি আপনার<br />
ভিসিটর ও পাঠকদের কেয়ার (Care) করেন যেটা অ্যাডসেন্স<br />
পছন্দ করে। তাই আবশ্যই আপনার সাইটে একটি Contact<br />
Us পাতা তৈরি করবেন।<br />
ঘ) অন্যান্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কঃ<br />
এটা অনেক গুরুত্তপুর্ন একটি বিষয়। অ্যাডসেন্স এবং<br />
ক্লিকসর একসাথে ব্যাবহার করা যায় না, কারন ক্লিকসর<br />
কনটেক্সচুয়াল এড যেটা এডসেন্স এর টার্মস বিরোধী। ইয়াহুর<br />
ব্যাপারটাও সেম। তাই অ্যাডসেন্সে এপ্লাই করতে হলে<br />
আপনাকে অবশ্য এই ধরণের এড গুলো সাইট থেকে রিমুভ করে<br />
নিতে হবে। যতদূর অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে ইয়াহু<br />
অথবা ক্লিকসর এডসেন্সের সাথে বসালে এমনিতেই এডসেন্স<br />
ব্যান হয়ে যাবার কথা। আর এডব্রাইট এবং বিডভার্টাইজার<br />
ব্যাবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা উচিৎ। এফিলিয়েট লিংক<br />
থাকলে সেগুলোর ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিৎ, আমি মনে করি<br />
আবেদনের পূর্বে রিস্ক ফ্রি থাকার জন্য জাস্ট লিংক গুলো<br />
উঠিয়ে রেখে এপ্লাই করা ব্যাটার হবে।<br />
ঙ) টপ লেভেল ডোমেইনঃ<br />
ব্লগস্পট ডট কম দিয়ে অ্যাডসেন্স পাওয়ার দিন শেষই বলতে<br />
হবে। একটা সময় ছিলো যখন হয়তো খুব সহজেই সাব<br />
ডোমেইন গুলো দিয়ে এপ্লাই করেই এডসেন্স পাওয়া যেত।<br />
কিন্তু এখন আপনাকে এই নীতি চেঞ্জ করতে হবে। এখন দ্রুত<br />
অ্যাডসেন্স আপ্রুভাল পেতে হলে আপনার ব্লগটি অবশ্যই টপ<br />
লেভেল ডোমেইন হতে হবে যেমন com, net, org ইত্যাদি।<br />
যারা ব্লগস্পট বা সাব ডোমেইন দিয়ে অ্যাডসেন্স পাওয়ার<br />
স্বপ্ন দেখছিলেন তারা এখনি একটি টপ লেভেল ডোমেইন<br />
কিনে ফেলুন এটা অনেক ট্রাস্টেড অফশন হবে আপনার জন্য।<br />
ভিজিটরদের ভালো রেসপন্স পাওয়ার জন্যও টপ লেভেল<br />
ডোমেইন অত্যাবশ্যক।<br />
উপরে আলোচিত বিষয়গুলো সঠিক ভাবে ইমপ্লিমেন্ট করুন<br />
এবং তারপর এডসেন্স এ আবেদন করুন। যদি সবকিছু ঠিক ঠাক<br />
থাকে তাহলে আপনার অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া সময়ের<br />
ব্যাপার মাত্র!]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বেকারদের জন্য সুখবর দিল ফেসবুক!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2087</link>
			<pubDate>Tue, 21 Feb 2017 13:02:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2087</guid>
			<description><![CDATA[ফেসবুক নিয়ে আসছে আরও এক নতুন ফিচার। চাকরির সন্ধান মিলবে ফেসবুকেই। পেশাদার দুনিয়ায় এখনও যারা পা রাখেননি তাদের জন্য ‘চাকরির প্রোফাইল’ তৈরি করার কথা ভাবছে জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইট ফেসবুক। অ্যাকাউন্টেই থাকবে সমস্ত তথ্য। নাম, বয়স, ঠিকানা, পড়াশুনার সঙ্গে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার বিবরণ। সব মিলিয়েই তৈরি হবে চাকরির প্রোফাইল।<br />
<br />
অবশ্যএখনও ফেসবুকে এই সেটিং রয়েছে যেখানে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী অনায়াসেই তার কর্মজীবন নিয়ে তথ্য দিতে পারেন। তবে বিষয়টিকে আরও বিশেষায়িত করা হচ্ছে। এই ফিচারের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারী পেয়ে যাবেন ‘কর্মক্ষেত্রের নোটিফিকেশন’।<br />
<br />
একজন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী চাইলেই সেই ‘কর্মক্ষেত্রের নোটিফিকেশন’ দেখতে পারেন আবার চাইলে ‘ইগনোর’ করতে পারেন। ব্যক্তি স্বাতন্ত্র এবং স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিয়েই ফেসবুক নিয়ে আসতে চাইছে ‘জব ফিচার’।<br />
<br />
মূলত যাদের লিঙ্কডইন কিংবা মনস্টার ডট কমে প্রোফাইল নেই তারা ফেসবুকেই নিজেদের জব প্রোফাইল বানিয়ে নিতে পারবেন। এমনকি একজন চাকরি প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদনও করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেই।<br />
<br />
ফেসবুকের মাধ্যমে আম জনতা কী কী করতে চায়, সেটা দেখতেই একটা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। খুব শীঘ্রই এই ফিচার চালু হবে বলে জানা গেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ফেসবুক নিয়ে আসছে আরও এক নতুন ফিচার। চাকরির সন্ধান মিলবে ফেসবুকেই। পেশাদার দুনিয়ায় এখনও যারা পা রাখেননি তাদের জন্য ‘চাকরির প্রোফাইল’ তৈরি করার কথা ভাবছে জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইট ফেসবুক। অ্যাকাউন্টেই থাকবে সমস্ত তথ্য। নাম, বয়স, ঠিকানা, পড়াশুনার সঙ্গে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার বিবরণ। সব মিলিয়েই তৈরি হবে চাকরির প্রোফাইল।<br />
<br />
অবশ্যএখনও ফেসবুকে এই সেটিং রয়েছে যেখানে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী অনায়াসেই তার কর্মজীবন নিয়ে তথ্য দিতে পারেন। তবে বিষয়টিকে আরও বিশেষায়িত করা হচ্ছে। এই ফিচারের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারী পেয়ে যাবেন ‘কর্মক্ষেত্রের নোটিফিকেশন’।<br />
<br />
একজন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারী চাইলেই সেই ‘কর্মক্ষেত্রের নোটিফিকেশন’ দেখতে পারেন আবার চাইলে ‘ইগনোর’ করতে পারেন। ব্যক্তি স্বাতন্ত্র এবং স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিয়েই ফেসবুক নিয়ে আসতে চাইছে ‘জব ফিচার’।<br />
<br />
মূলত যাদের লিঙ্কডইন কিংবা মনস্টার ডট কমে প্রোফাইল নেই তারা ফেসবুকেই নিজেদের জব প্রোফাইল বানিয়ে নিতে পারবেন। এমনকি একজন চাকরি প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদনও করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেই।<br />
<br />
ফেসবুকের মাধ্যমে আম জনতা কী কী করতে চায়, সেটা দেখতেই একটা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। খুব শীঘ্রই এই ফিচার চালু হবে বলে জানা গেছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইনস্টাগ্রাম হ্যাক করল দশ বছরের শিশ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1780</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 13:48:53 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1780</guid>
			<description><![CDATA[ইনস্টাগ্রাম হ্যাক করল দশ বছরের শিশু<br />
সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করার সাইট ইনস্টাগ্রাম<br />
ফিনল্যান্ডের এক দশ বছর বয়সী ছেলেকে দশ হাজার ডলার<br />
অর্থ পুরস্কার দিয়েছে।<br />
‘ইয়ানি’ নামে ফিনল্যান্ডের এই শিশুটি ইনস্টাগ্রামের একটি<br />
নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে পাবার পর ইনস্টাগ্রামের মালিক<br />
ফেসবুক তাকে এই পুরস্কার দিয়েছে। দশ বছরের ইয়ানির নিয়ম<br />
অনুযায়ী এই সাইটে যোগ দিতে এখনও তিন বছর দেরি আছে।<br />
কিন্তু ইনস্টাগ্রামে এমন এক দুর্বলতা সে খুঁজে বের করেছিল<br />
যাতে সিস্টেম হ্যাক করে বা তাতে ঢুকে পড়ে অন্য সাইট<br />
ব্যবহারকারীদের মন্তব্য সে মুছে ফেলতে পারছিল।<br />
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে এই সমস্যা তাদের নজরে আনার<br />
কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা দ্রুত তা সমাধান করে ফেলেছে।<br />
কিন্তু সমস্যাটা ধরতে পারার জন্য ক্ষুদে ইয়ানিকে তারা<br />
প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই পুরস্কৃত করেছে। ইয়ানি ইমেল করে<br />
তাদের এই সমস্যার কথা জানায়। এ ধরনের সমস্যা বা ‘বাগ’<br />
চিহ্ণিত করে যারা এ যাবৎ পুরস্কৃত হয়েছে তাদের মধ্যে<br />
সর্বকনিষ্ঠ ইয়ানি।<br />
ইয়ানি যে সমস্যা চিহ্নিত করেছিল তা যে আসলেই একটা<br />
সমস্যা, তা প্রমাণ করার জন্য ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা<br />
প্রকৌশলীরা একটি পরীক্ষামূলক অ্যকাউন্ট খোলে<br />
পরীক্ষার জন্য।<br />
হেলসিঙ্কির এই ক্ষুদে প্রযুক্তিবিদ ইয়ানি স্থানীয় এক<br />
পত্রিকাকে জানিয়েছে এই পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সে নতুন<br />
সাইকেল, ফুটবলের কিছু সরঞ্জাম আর ভাইদের জন্য<br />
কম্প্যুটার কিনবে।<br />
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিবিসিকে জানিয়েছে এধরনের সমস্যা খুঁজে<br />
বের করার জন্য তারা এ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তিকে ৪৩ লক্ষ<br />
ডলার অর্থমূল্যের পুরস্কার দিয়েছে।<br />
সূত্রঃ প্রথম আলো]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ইনস্টাগ্রাম হ্যাক করল দশ বছরের শিশু<br />
সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করার সাইট ইনস্টাগ্রাম<br />
ফিনল্যান্ডের এক দশ বছর বয়সী ছেলেকে দশ হাজার ডলার<br />
অর্থ পুরস্কার দিয়েছে।<br />
‘ইয়ানি’ নামে ফিনল্যান্ডের এই শিশুটি ইনস্টাগ্রামের একটি<br />
নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে পাবার পর ইনস্টাগ্রামের মালিক<br />
ফেসবুক তাকে এই পুরস্কার দিয়েছে। দশ বছরের ইয়ানির নিয়ম<br />
অনুযায়ী এই সাইটে যোগ দিতে এখনও তিন বছর দেরি আছে।<br />
কিন্তু ইনস্টাগ্রামে এমন এক দুর্বলতা সে খুঁজে বের করেছিল<br />
যাতে সিস্টেম হ্যাক করে বা তাতে ঢুকে পড়ে অন্য সাইট<br />
ব্যবহারকারীদের মন্তব্য সে মুছে ফেলতে পারছিল।<br />
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে এই সমস্যা তাদের নজরে আনার<br />
কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা দ্রুত তা সমাধান করে ফেলেছে।<br />
কিন্তু সমস্যাটা ধরতে পারার জন্য ক্ষুদে ইয়ানিকে তারা<br />
প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই পুরস্কৃত করেছে। ইয়ানি ইমেল করে<br />
তাদের এই সমস্যার কথা জানায়। এ ধরনের সমস্যা বা ‘বাগ’<br />
চিহ্ণিত করে যারা এ যাবৎ পুরস্কৃত হয়েছে তাদের মধ্যে<br />
সর্বকনিষ্ঠ ইয়ানি।<br />
ইয়ানি যে সমস্যা চিহ্নিত করেছিল তা যে আসলেই একটা<br />
সমস্যা, তা প্রমাণ করার জন্য ইনস্টাগ্রামের নিরাপত্তা<br />
প্রকৌশলীরা একটি পরীক্ষামূলক অ্যকাউন্ট খোলে<br />
পরীক্ষার জন্য।<br />
হেলসিঙ্কির এই ক্ষুদে প্রযুক্তিবিদ ইয়ানি স্থানীয় এক<br />
পত্রিকাকে জানিয়েছে এই পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সে নতুন<br />
সাইকেল, ফুটবলের কিছু সরঞ্জাম আর ভাইদের জন্য<br />
কম্প্যুটার কিনবে।<br />
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিবিসিকে জানিয়েছে এধরনের সমস্যা খুঁজে<br />
বের করার জন্য তারা এ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তিকে ৪৩ লক্ষ<br />
ডলার অর্থমূল্যের পুরস্কার দিয়েছে।<br />
সূত্রঃ প্রথম আলো]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপের ৫টি সুবিধা!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1651</link>
			<pubDate>Sat, 18 Feb 2017 18:34:10 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1651</guid>
			<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক:বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডাই হোক বা অফিসের কাজ— হোয়াটসঅ্যাপ এখন অনেকের জীবনেই অপরিহার্য। তবে ঘন ঘন ব্যবহার করলেও এর কতগুলি সুবিধার কথা আমরা অনেকেই জানি না। জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপ কিছু সুবিধার কথা।<br />
<br />
১. গ্রুপ চ্যাটে একসঙ্গে অনেক ম্যাসেজ পেতে থাকেন নিশ্চয়। সে ক্ষেত্রে আপনি দেরিতে উত্তর দিলে একগাদা ম্যাসেজের ভিড়ে হারিয়ে যেতে পারে আপনার কথা। নির্দিষ্ট কোনও ম্যাসেজের উত্তর দিতে হলে ওই লাইনটা প্রেস করে হোল্ড করুন। এর পর ফোনের (অ্যান্ড্রয়েড হলে) উপরে ব্যাকওয়ার্ড বাটন ক্লিক করুন। আইফোন হলে ট্যাপ বাটন ক্লিক করুন। এতে ওই নির্দিষ্ট লাইনেরই উত্তর পাবেন আপনার বন্ধু।<br />
<br />
২. হোয়াটসঅ্যাপের সুরক্ষা বাড়াতে এবার জোড়া পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিফিকেশন’ চালু করেছে। এটি চালু করার পর ছ’সংখ্যার পাসকোড সেট করতে হবে। এর ফলে আপনার মোবাইল চুরি হয়ে গেলেও সুরক্ষিত থাকবে আপনার হোয়টসঅ্যাপ। কারণ সিম বদল করেও চ্যাট রেকর্ড দেখা যাবে না। ফলে আপনার ই-মেইলে পাঠানো ওই পাসকোড না দিলে খুলবে না হোয়াটসঅ্যাপ।<br />
<br />
৩. এক জনের সঙ্গে চ্যাট করলে সহজেই বোঝা যায় আপনার ম্যাসেজ কখন পড়া হয়েছে। তবে গ্রুপ চ্যাটে কে আপনার ম্যাসেজ পড়লেন তা দেখার জন্য ওই ম্যাসেজটা প্রেস করে ‘আই’ লেখাটি ক্লিক করুন। আইফোনে ওই ম্যাসেজটা হোল্ড করে বাঁ-দিকের টেনে নিয়ে আসুন। এবার মেনুতে দেখে নিন কে আপনার ম্যাসেজ পড়েছেন?<br />
<br />
৪. হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাটের বদলে অনেকেই ভয়েস ম্যাসেজ পাঠাতে পছন্দ করেন। তবে সে ম্যাসেজ শুনতে গেলেও তা স্পিকারে জোরে বেজে ওঠে। সকলের সামনে যদি ভয়েস ম্যাসেজ শুনতে না চান তবে খুব সহজ উপায় আছে। প্লে বাটনে ক্লিক করে মোবাইল ফোনটি কানে চেপে ধরুন। এটি সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারফোন থেকে ইয়ারপিসে চলে যাবে। ফলে আপনার ম্যাসেজও গোপন থাকবে।<br />
<br />
৫. হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট বোল্ড বা ইটালিকস ফন্ট-এ করতে কয়েকটি সহজ উপায় আছে। বোল্ড করতে কোনও শব্দের আগে ও পরে অ্যাসটেরিস্ক (যেমন, *শব্দ*) চিহ্ন দিন। এতে ওই শব্দটি বোল্ড ফন্ট-এ আসবে। এ ভাবেই আন্ডারস্কোর ব্যবহার করুন ইটালিকসের (যেমন, _শব্দ_) ক্ষেত্রে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক:বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডাই হোক বা অফিসের কাজ— হোয়াটসঅ্যাপ এখন অনেকের জীবনেই অপরিহার্য। তবে ঘন ঘন ব্যবহার করলেও এর কতগুলি সুবিধার কথা আমরা অনেকেই জানি না। জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপ কিছু সুবিধার কথা।<br />
<br />
১. গ্রুপ চ্যাটে একসঙ্গে অনেক ম্যাসেজ পেতে থাকেন নিশ্চয়। সে ক্ষেত্রে আপনি দেরিতে উত্তর দিলে একগাদা ম্যাসেজের ভিড়ে হারিয়ে যেতে পারে আপনার কথা। নির্দিষ্ট কোনও ম্যাসেজের উত্তর দিতে হলে ওই লাইনটা প্রেস করে হোল্ড করুন। এর পর ফোনের (অ্যান্ড্রয়েড হলে) উপরে ব্যাকওয়ার্ড বাটন ক্লিক করুন। আইফোন হলে ট্যাপ বাটন ক্লিক করুন। এতে ওই নির্দিষ্ট লাইনেরই উত্তর পাবেন আপনার বন্ধু।<br />
<br />
২. হোয়াটসঅ্যাপের সুরক্ষা বাড়াতে এবার জোড়া পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিফিকেশন’ চালু করেছে। এটি চালু করার পর ছ’সংখ্যার পাসকোড সেট করতে হবে। এর ফলে আপনার মোবাইল চুরি হয়ে গেলেও সুরক্ষিত থাকবে আপনার হোয়টসঅ্যাপ। কারণ সিম বদল করেও চ্যাট রেকর্ড দেখা যাবে না। ফলে আপনার ই-মেইলে পাঠানো ওই পাসকোড না দিলে খুলবে না হোয়াটসঅ্যাপ।<br />
<br />
৩. এক জনের সঙ্গে চ্যাট করলে সহজেই বোঝা যায় আপনার ম্যাসেজ কখন পড়া হয়েছে। তবে গ্রুপ চ্যাটে কে আপনার ম্যাসেজ পড়লেন তা দেখার জন্য ওই ম্যাসেজটা প্রেস করে ‘আই’ লেখাটি ক্লিক করুন। আইফোনে ওই ম্যাসেজটা হোল্ড করে বাঁ-দিকের টেনে নিয়ে আসুন। এবার মেনুতে দেখে নিন কে আপনার ম্যাসেজ পড়েছেন?<br />
<br />
৪. হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাটের বদলে অনেকেই ভয়েস ম্যাসেজ পাঠাতে পছন্দ করেন। তবে সে ম্যাসেজ শুনতে গেলেও তা স্পিকারে জোরে বেজে ওঠে। সকলের সামনে যদি ভয়েস ম্যাসেজ শুনতে না চান তবে খুব সহজ উপায় আছে। প্লে বাটনে ক্লিক করে মোবাইল ফোনটি কানে চেপে ধরুন। এটি সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারফোন থেকে ইয়ারপিসে চলে যাবে। ফলে আপনার ম্যাসেজও গোপন থাকবে।<br />
<br />
৫. হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট বোল্ড বা ইটালিকস ফন্ট-এ করতে কয়েকটি সহজ উপায় আছে। বোল্ড করতে কোনও শব্দের আগে ও পরে অ্যাসটেরিস্ক (যেমন, *শব্দ*) চিহ্ন দিন। এতে ওই শব্দটি বোল্ড ফন্ট-এ আসবে। এ ভাবেই আন্ডারস্কোর ব্যবহার করুন ইটালিকসের (যেমন, _শব্দ_) ক্ষেত্রে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ফেসবুকে আজগুবি সকল খবর বন্ধে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1643</link>
			<pubDate>Fri, 17 Feb 2017 21:02:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1643</guid>
			<description><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক: ফেসবুকে যারা আজগুবি খবর<br />
ছড়ান, সন্ত্রাসবাদে উস্কানি দেন কিংবা<br />
সহিংসতায় ইন্ধন যোগান, তাদের ওপর নজরদারি<br />
করতে পারে এমন 'আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্স' বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির<br />
পরিকল্পনা করছে ফেসবুক।<br />
মার্ক জাকারবাগ ফেসবুকের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে<br />
গতকাল যে বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা<br />
করেন, তাতে তিনি এরকম আরও কিছু বিষয়ের<br />
ওপর আলোকপাত করেছেন।<br />
তিনি বলেছেন, এই কাজ করার জন্য যে ধরণের<br />
অ্যালগরিদম তারা তৈরি করবেন, সেটি দিয়ে<br />
যেসব ফেসবুক পোস্টে সন্ত্রাসবাদ, সহিংসতা<br />
বা উস্কানি থাকবে সেগুলো চিহ্ণিত করা<br />
যাবে। এমনকি আত্মহত্যা ঠেকাতেও সহায়ক<br />
হবে এটি।<br />
মার্ক জাকারবার্গ স্বীকার করেছেন যে<br />
অতীতে ফেসবুক অনেক ভুল করেছে।<br />
যে 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা' বা আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্স তৈরির পরিকল্পনা ফেসবুক<br />
করছে, তাতে বহু বছর লাগবে বলে জানান<br />
তিনি।<br />
ইন্টারনেট সেফটি নিয়ে কাজ করে এমন একটি<br />
প্রতিষ্ঠান মার্ক জাকারবার্গের এই ঘোষণাকে<br />
স্বাগত জানিয়েছে।<br />
মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের ভবিষ্যত<br />
সম্পর্কে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন সাড়ে<br />
পাঁচ হাজার শব্দের এক চিঠিতে।<br />
তিনি এতে বলেছেন, প্রতিদিন ফেসবুকে যে<br />
শত শত কোটি পোস্ট প্রকাশিত হয়, সেগুলোর সব<br />
পর্যালোচনা করা খুবই কঠিন। বর্তমান কাঠামো<br />
এবং প্রক্রিয়া দিয়ে তা করা সম্ভব নয়।<br />
কিন্তু ফেসবুক এখন গবেষণা চালাচ্ছে কিভাবে<br />
টেক্সট, ছবি এবং ভিডিও পর্যালোচনা বা<br />
পরীক্ষা করে সেখানে বিপদজনক কিছুর ইঙ্গিত<br />
আছে কীনা তা বোঝা যাবে।<br />
"এটা এখনো একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে<br />
আছে। কিন্তু কিছু কনটেন্ট বা বিষয়বস্তুর ওপর<br />
এখনই এটা পরীক্ষা করা হচ্ছে।"<br />
"যেমন আমরা এখন দেখছি সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক<br />
খবর এবং সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক প্রপাগান্ডা বা<br />
প্রচারণার পার্থক্য আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্স দিয়ে ধরা যায় কিনা।"<br />
মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, তার চূড়ান্ত লক্ষ্য<br />
মানুষ যাতে আইনের মধ্যে থেকে তাদের যা<br />
পছন্দ সেটা ফেসবুকে পোস্ট করতে পারেন।<br />
তবে অ্যালগরিদম সব পোস্টের ওপর নজর<br />
রাখবে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরাও এমনভাবে সব<br />
পোষ্ট ফিল্টার করতে পারবেন, যাতে করে যে<br />
জিনিস তারা দেখতে চান না, সেটা যেন<br />
তাদের টাইমলাইনে না আসে।<br />
কেউ যদি নগ্নতা পছন্দ না করেন, সেটা তার<br />
টাইমলাইনে আসবে না। কেউ সহিংসতা অপছন্দ<br />
করলে সেটা তিনি ফিল্টার করে বন্ধ করে<br />
দিতে পারবেন।<br />
তবে এসবের জন্য আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্সে বড় ধরণের অগ্রগতির দরকার<br />
হবে বলে জানান তিনি।<br />
মার্ক জাকারবার্গ বলেন, এর মধ্যে কিছু কিছু<br />
বিষয় ২০১৭ সালেই করা যাবে। কিন্তু অন্য<br />
বিষয়গুলোর জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করতে<br />
হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অনলাইন ডেস্ক: ফেসবুকে যারা আজগুবি খবর<br />
ছড়ান, সন্ত্রাসবাদে উস্কানি দেন কিংবা<br />
সহিংসতায় ইন্ধন যোগান, তাদের ওপর নজরদারি<br />
করতে পারে এমন 'আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্স' বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির<br />
পরিকল্পনা করছে ফেসবুক।<br />
মার্ক জাকারবাগ ফেসবুকের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে<br />
গতকাল যে বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা<br />
করেন, তাতে তিনি এরকম আরও কিছু বিষয়ের<br />
ওপর আলোকপাত করেছেন।<br />
তিনি বলেছেন, এই কাজ করার জন্য যে ধরণের<br />
অ্যালগরিদম তারা তৈরি করবেন, সেটি দিয়ে<br />
যেসব ফেসবুক পোস্টে সন্ত্রাসবাদ, সহিংসতা<br />
বা উস্কানি থাকবে সেগুলো চিহ্ণিত করা<br />
যাবে। এমনকি আত্মহত্যা ঠেকাতেও সহায়ক<br />
হবে এটি।<br />
মার্ক জাকারবার্গ স্বীকার করেছেন যে<br />
অতীতে ফেসবুক অনেক ভুল করেছে।<br />
যে 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা' বা আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্স তৈরির পরিকল্পনা ফেসবুক<br />
করছে, তাতে বহু বছর লাগবে বলে জানান<br />
তিনি।<br />
ইন্টারনেট সেফটি নিয়ে কাজ করে এমন একটি<br />
প্রতিষ্ঠান মার্ক জাকারবার্গের এই ঘোষণাকে<br />
স্বাগত জানিয়েছে।<br />
মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের ভবিষ্যত<br />
সম্পর্কে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন সাড়ে<br />
পাঁচ হাজার শব্দের এক চিঠিতে।<br />
তিনি এতে বলেছেন, প্রতিদিন ফেসবুকে যে<br />
শত শত কোটি পোস্ট প্রকাশিত হয়, সেগুলোর সব<br />
পর্যালোচনা করা খুবই কঠিন। বর্তমান কাঠামো<br />
এবং প্রক্রিয়া দিয়ে তা করা সম্ভব নয়।<br />
কিন্তু ফেসবুক এখন গবেষণা চালাচ্ছে কিভাবে<br />
টেক্সট, ছবি এবং ভিডিও পর্যালোচনা বা<br />
পরীক্ষা করে সেখানে বিপদজনক কিছুর ইঙ্গিত<br />
আছে কীনা তা বোঝা যাবে।<br />
"এটা এখনো একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে<br />
আছে। কিন্তু কিছু কনটেন্ট বা বিষয়বস্তুর ওপর<br />
এখনই এটা পরীক্ষা করা হচ্ছে।"<br />
"যেমন আমরা এখন দেখছি সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক<br />
খবর এবং সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক প্রপাগান্ডা বা<br />
প্রচারণার পার্থক্য আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্স দিয়ে ধরা যায় কিনা।"<br />
মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, তার চূড়ান্ত লক্ষ্য<br />
মানুষ যাতে আইনের মধ্যে থেকে তাদের যা<br />
পছন্দ সেটা ফেসবুকে পোস্ট করতে পারেন।<br />
তবে অ্যালগরিদম সব পোস্টের ওপর নজর<br />
রাখবে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরাও এমনভাবে সব<br />
পোষ্ট ফিল্টার করতে পারবেন, যাতে করে যে<br />
জিনিস তারা দেখতে চান না, সেটা যেন<br />
তাদের টাইমলাইনে না আসে।<br />
কেউ যদি নগ্নতা পছন্দ না করেন, সেটা তার<br />
টাইমলাইনে আসবে না। কেউ সহিংসতা অপছন্দ<br />
করলে সেটা তিনি ফিল্টার করে বন্ধ করে<br />
দিতে পারবেন।<br />
তবে এসবের জন্য আর্টিফিশিয়াল<br />
ইন্টেলিজেন্সে বড় ধরণের অগ্রগতির দরকার<br />
হবে বলে জানান তিনি।<br />
মার্ক জাকারবার্গ বলেন, এর মধ্যে কিছু কিছু<br />
বিষয় ২০১৭ সালেই করা যাবে। কিন্তু অন্য<br />
বিষয়গুলোর জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করতে<br />
হবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিশ্বের সেরা ৫ জন হ্যাকার জে‌নে‌নিন তা‌দের নাম।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1230</link>
			<pubDate>Sun, 12 Feb 2017 11:20:13 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=204">Justineovi</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1230</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্বের সেরা ৫ জন হ্যাকার জে‌নে‌নিন তা‌দের নাম।<br />
<br />
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে অনেক<br />
<br />
হ্যাকার। তাদের<br />
<br />
অনেকে হ্যাকিংয়ের জন্য<br />
<br />
বিখ্যাত,অনেকে কুখ্যাত আবার<br />
<br />
কেও বা কোনটাই নয়। আজকে চলুন<br />
<br />
জেনে নেই বিশ্বের<br />
<br />
সেরা ৫ জন হ্যাকারের পরিচয় ও<br />
<br />
তাদের কান্ডকারখানা !!<br />
<br />
.:: কেভিন মিনিক (Kevin Mitnick) ::.<br />
<br />
১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহন করা কেভিন<br />
<br />
মিনিক হলেন<br />
<br />
যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ভয়ানক<br />
<br />
হ্যাকার। তিনি Condor<br />
<br />
নামে পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৫<br />
<br />
সালে তাকে হ্যাকিংয়ের<br />
<br />
দায়ে এরেস্ট করা হয়। মাত্র ১২বছর<br />
<br />
বয়সে তিনি লস<br />
<br />
এঞ্জেলেসের ট্র্যানজিট কার্ড<br />
<br />
সিস্টেম বাইপাস করেন।<br />
<br />
শুধুমাত্র কৌতুহলের কারনেই<br />
<br />
তিনি নোকিয়া,মিতসুবিশি,সিমেন্স<br />
<br />
সহ আরো অনেক<br />
<br />
ইলেক্ট্রিক পণ্যের সাইট হ্যাক<br />
<br />
করেন।<br />
<br />
.:: কেভিন পলসেন (Kevin Poulsen) ::.<br />
<br />
১৯৬৫ সালে তিনি জন্মগ্রহন করেন।<br />
<br />
তার সাইবার নাম<br />
<br />
ছিলো Dark Dante। ছিলের একজন<br />
<br />
ভয়ানক ব্ল্যাক<br />
<br />
হ্যাট হ্যাকার। লস এঞ্জেলেসের<br />
<br />
জনপ্রিয় এফ এম রেডিও<br />
<br />
KIIS-FM হ্যাক করে পুরো নিয়ন্ত্রন<br />
<br />
নিয়ে নেওয়ার<br />
<br />
জন্য তিনি বিখ্যাত। তখন<br />
<br />
রেডিওতে একটি প্রতিযোগিতা চলছিলো।<br />
<br />
বলা হয়েছিলো ১০২তম<br />
<br />
কলারকে একটি Porshe 944 S2<br />
<br />
গাড়ী দেওয়া হবে। পলসেন<br />
<br />
টেলিফোন লাইন জ্যাম<br />
<br />
করে নিজে ১০২তম কলার হোন<br />
<br />
এবং পুরষ্কার জিতে নেন।<br />
<br />
তবে তিনি ১৯৯৪ সালের<br />
<br />
জুলাইয়ে আটক হোন।<br />
<br />
.:: এড্ড্রিয়ান লামো (Adrian Lamo)<br />
<br />
::.<br />
<br />
New York Times, Yahoo! News<br />
<br />
এবং Microsoft<br />
<br />
হ্যাকের দায়ে ২০০৩<br />
<br />
সালে তাকে আর্মি দ্বারা গ্রেফতার<br />
<br />
করা হয়। ধরা পড়ার পড়েও ১৫মাস<br />
<br />
তিনি পালিয়ে ছিলেন।<br />
<br />
পরে কোর্টে আত্তসমর্পন করেন।<br />
<br />
তাকে ৬৫০০০ ডলার ক্ষতিপূরন<br />
<br />
দিতে হয়। তিনি একজন<br />
<br />
গ্রে হ্যাট হ্যাকার ছিলেন।<br />
<br />
.:: রবার্ট মরিস জুনিয়র (Robert T.Morris<br />
<br />
Jr) ::.<br />
<br />
১৯৯৮ সালের কুখ্যাত Morris Worm<br />
<br />
তার সষ্টি।<br />
<br />
তিনি শুধু জানতে চেয়েছিলেন<br />
<br />
যে কতটা কম্পিউটার<br />
<br />
ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড<br />
<br />
আছে। কিন্তু<br />
<br />
এটা করতে গিয়ে প্রায় ৫৩০,০০০<br />
<br />
ডলারের<br />
<br />
ক্ষতি করে ফেলেন তিনি।<br />
<br />
তাকে গ্রেফতার করা হয় ও<br />
<br />
শাস্তি হিসেবে সকল ক্ষতি ঠিক<br />
<br />
করে দিতে বলা হয়।<br />
<br />
তারপর তিনি ছাড়া পান এবং এখন<br />
<br />
মরিস একজন<br />
<br />
ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির<br />
<br />
প্রফেসর। (টিপির<br />
<br />
অত্যন্ত বিরক্তিকর বাগের জন্য<br />
<br />
ছবি আপলোড<br />
<br />
করতে পারলাম না)<br />
<br />
.:: এরিক কোলে (Eric Coley) ::.<br />
<br />
তিনি তার ছদ্দনাম ইমানুয়েল<br />
<br />
গোল্ডস্টেইনের জন্য<br />
<br />
বেশি বিখ্যাত। ১৯৯৯<br />
<br />
সালে তিনি DeCSS কোড<br />
<br />
তৈরী,তা ব্যবহার এবং ডাউনলোড<br />
<br />
সবার জন্য উন্মুক্ত<br />
<br />
করে দে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বিশ্বের সেরা ৫ জন হ্যাকার জে‌নে‌নিন তা‌দের নাম।<br />
<br />
সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে অনেক<br />
<br />
হ্যাকার। তাদের<br />
<br />
অনেকে হ্যাকিংয়ের জন্য<br />
<br />
বিখ্যাত,অনেকে কুখ্যাত আবার<br />
<br />
কেও বা কোনটাই নয়। আজকে চলুন<br />
<br />
জেনে নেই বিশ্বের<br />
<br />
সেরা ৫ জন হ্যাকারের পরিচয় ও<br />
<br />
তাদের কান্ডকারখানা !!<br />
<br />
.:: কেভিন মিনিক (Kevin Mitnick) ::.<br />
<br />
১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহন করা কেভিন<br />
<br />
মিনিক হলেন<br />
<br />
যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ভয়ানক<br />
<br />
হ্যাকার। তিনি Condor<br />
<br />
নামে পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৫<br />
<br />
সালে তাকে হ্যাকিংয়ের<br />
<br />
দায়ে এরেস্ট করা হয়। মাত্র ১২বছর<br />
<br />
বয়সে তিনি লস<br />
<br />
এঞ্জেলেসের ট্র্যানজিট কার্ড<br />
<br />
সিস্টেম বাইপাস করেন।<br />
<br />
শুধুমাত্র কৌতুহলের কারনেই<br />
<br />
তিনি নোকিয়া,মিতসুবিশি,সিমেন্স<br />
<br />
সহ আরো অনেক<br />
<br />
ইলেক্ট্রিক পণ্যের সাইট হ্যাক<br />
<br />
করেন।<br />
<br />
.:: কেভিন পলসেন (Kevin Poulsen) ::.<br />
<br />
১৯৬৫ সালে তিনি জন্মগ্রহন করেন।<br />
<br />
তার সাইবার নাম<br />
<br />
ছিলো Dark Dante। ছিলের একজন<br />
<br />
ভয়ানক ব্ল্যাক<br />
<br />
হ্যাট হ্যাকার। লস এঞ্জেলেসের<br />
<br />
জনপ্রিয় এফ এম রেডিও<br />
<br />
KIIS-FM হ্যাক করে পুরো নিয়ন্ত্রন<br />
<br />
নিয়ে নেওয়ার<br />
<br />
জন্য তিনি বিখ্যাত। তখন<br />
<br />
রেডিওতে একটি প্রতিযোগিতা চলছিলো।<br />
<br />
বলা হয়েছিলো ১০২তম<br />
<br />
কলারকে একটি Porshe 944 S2<br />
<br />
গাড়ী দেওয়া হবে। পলসেন<br />
<br />
টেলিফোন লাইন জ্যাম<br />
<br />
করে নিজে ১০২তম কলার হোন<br />
<br />
এবং পুরষ্কার জিতে নেন।<br />
<br />
তবে তিনি ১৯৯৪ সালের<br />
<br />
জুলাইয়ে আটক হোন।<br />
<br />
.:: এড্ড্রিয়ান লামো (Adrian Lamo)<br />
<br />
::.<br />
<br />
New York Times, Yahoo! News<br />
<br />
এবং Microsoft<br />
<br />
হ্যাকের দায়ে ২০০৩<br />
<br />
সালে তাকে আর্মি দ্বারা গ্রেফতার<br />
<br />
করা হয়। ধরা পড়ার পড়েও ১৫মাস<br />
<br />
তিনি পালিয়ে ছিলেন।<br />
<br />
পরে কোর্টে আত্তসমর্পন করেন।<br />
<br />
তাকে ৬৫০০০ ডলার ক্ষতিপূরন<br />
<br />
দিতে হয়। তিনি একজন<br />
<br />
গ্রে হ্যাট হ্যাকার ছিলেন।<br />
<br />
.:: রবার্ট মরিস জুনিয়র (Robert T.Morris<br />
<br />
Jr) ::.<br />
<br />
১৯৯৮ সালের কুখ্যাত Morris Worm<br />
<br />
তার সষ্টি।<br />
<br />
তিনি শুধু জানতে চেয়েছিলেন<br />
<br />
যে কতটা কম্পিউটার<br />
<br />
ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড<br />
<br />
আছে। কিন্তু<br />
<br />
এটা করতে গিয়ে প্রায় ৫৩০,০০০<br />
<br />
ডলারের<br />
<br />
ক্ষতি করে ফেলেন তিনি।<br />
<br />
তাকে গ্রেফতার করা হয় ও<br />
<br />
শাস্তি হিসেবে সকল ক্ষতি ঠিক<br />
<br />
করে দিতে বলা হয়।<br />
<br />
তারপর তিনি ছাড়া পান এবং এখন<br />
<br />
মরিস একজন<br />
<br />
ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির<br />
<br />
প্রফেসর। (টিপির<br />
<br />
অত্যন্ত বিরক্তিকর বাগের জন্য<br />
<br />
ছবি আপলোড<br />
<br />
করতে পারলাম না)<br />
<br />
.:: এরিক কোলে (Eric Coley) ::.<br />
<br />
তিনি তার ছদ্দনাম ইমানুয়েল<br />
<br />
গোল্ডস্টেইনের জন্য<br />
<br />
বেশি বিখ্যাত। ১৯৯৯<br />
<br />
সালে তিনি DeCSS কোড<br />
<br />
তৈরী,তা ব্যবহার এবং ডাউনলোড<br />
<br />
সবার জন্য উন্মুক্ত<br />
<br />
করে দে]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যে কারণে মাসজুড়ে ইন্টারনেটের ধীরগতি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1024</link>
			<pubDate>Sat, 21 Jan 2017 03:38:15 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1024</guid>
			<description><![CDATA[ইন্টারনেটে ধীরগতির ভোগান্তির যেন কোনো মতেই থামছে না। এতে গ্রাহক অনেকটাই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। স্বাভাবিক কাজ করতেও তাদেরকে পোহাতে হচ্ছে ঝামেলা। তবে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, এ ভোগান্তি চলতি মাসজুড়েই চলতে পারে।<br />
বাংলাদেশের দৈনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মাধ্যমে আসে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইথ, ‍যা ভারত থেকে আমদানি করা হয়।<br />
ইন্টারনেট গেইটওয়ে কোম্পানি ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির সাংবাদিকদের বলেন, জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে এর আগে আশা করা হলেও মেরামত কাজ এখনো শেষ না হওয়ায় এ সমস্যা আরো কিছুদিন চলতে পারে।<br />
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল কেবলে (আইটিসি) ব‌্যান্ডউইডথ সরবরাহকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেলের কাজ কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হতে পারে। আর এ মাসের শেষ নাগাদ টাটা ইনডিকমের লাইন ঠিক হতে পারে।<br />
বাংলাদেশের ছয়টি আইটিসি অপারেটর প্রায় চার বছর ধরে প্রতিবেশী ভারত থেকে এই ব্যান্ডউইথ কিনে দেশে সরবরাহ করছে। এর বড় একটি অংশ টাটা ইনডিকম ও ভারতী এয়ারটেল দিচ্ছে বলে সুমন আহমেদ সাবির জানান।<br />
ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিমও গ্রাহকদের সমস‌্যা নিয়ে একই কথা বলেছেন।<br />
তিনি বলেন, ধীরগতি সমস্যা এ মাস পর্য‌ন্ত চলবে। আইএসপিএবি এর আগে বলেছিল, কেবল কাটা পড়ায় বাংলাদেশের গ্রাহকদের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ভুগতে হতে পরে।<br />
২০১২ সালের আগে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগের জন্য একটি মাত্র সাবমেরিন কেবলের ওপর নির্ভর করত। ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে আইটিসি অপারেটরগুলো কাজ শুরু করে।<br />
এসব অপারেটর টেরেস্ট্রিয়াল অপটিক্যাল ফাইবার লাইনের মাধ্যমে ভারতীয় বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত। কোনো কারণে সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এই বিকল্প ব‌্যবস্থায় তারা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে যুক্ত রাখতে পারে।<br />
চলতি বছরই একটি কনসোর্টিয়ামের আওতায় সি-মি-ইউ-৫ নামের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইডথ পাবে বলে সরকার আশা করছে। তবে চলতি এই ধীরগতির সমস্যা কবে নাগাদ শেষ তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না। এরফলে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ইন্টারনেটে ধীরগতির ভোগান্তির যেন কোনো মতেই থামছে না। এতে গ্রাহক অনেকটাই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। স্বাভাবিক কাজ করতেও তাদেরকে পোহাতে হচ্ছে ঝামেলা। তবে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, এ ভোগান্তি চলতি মাসজুড়েই চলতে পারে।<br />
বাংলাদেশের দৈনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪০০ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মাধ্যমে আসে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইথ, ‍যা ভারত থেকে আমদানি করা হয়।<br />
ইন্টারনেট গেইটওয়ে কোম্পানি ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির সাংবাদিকদের বলেন, জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে এর আগে আশা করা হলেও মেরামত কাজ এখনো শেষ না হওয়ায় এ সমস্যা আরো কিছুদিন চলতে পারে।<br />
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল কেবলে (আইটিসি) ব‌্যান্ডউইডথ সরবরাহকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেলের কাজ কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হতে পারে। আর এ মাসের শেষ নাগাদ টাটা ইনডিকমের লাইন ঠিক হতে পারে।<br />
বাংলাদেশের ছয়টি আইটিসি অপারেটর প্রায় চার বছর ধরে প্রতিবেশী ভারত থেকে এই ব্যান্ডউইথ কিনে দেশে সরবরাহ করছে। এর বড় একটি অংশ টাটা ইনডিকম ও ভারতী এয়ারটেল দিচ্ছে বলে সুমন আহমেদ সাবির জানান।<br />
ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিমও গ্রাহকদের সমস‌্যা নিয়ে একই কথা বলেছেন।<br />
তিনি বলেন, ধীরগতি সমস্যা এ মাস পর্য‌ন্ত চলবে। আইএসপিএবি এর আগে বলেছিল, কেবল কাটা পড়ায় বাংলাদেশের গ্রাহকদের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ভুগতে হতে পরে।<br />
২০১২ সালের আগে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগের জন্য একটি মাত্র সাবমেরিন কেবলের ওপর নির্ভর করত। ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে আইটিসি অপারেটরগুলো কাজ শুরু করে।<br />
এসব অপারেটর টেরেস্ট্রিয়াল অপটিক্যাল ফাইবার লাইনের মাধ্যমে ভারতীয় বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত। কোনো কারণে সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এই বিকল্প ব‌্যবস্থায় তারা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে যুক্ত রাখতে পারে।<br />
চলতি বছরই একটি কনসোর্টিয়ামের আওতায় সি-মি-ইউ-৫ নামের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইডথ পাবে বলে সরকার আশা করছে। তবে চলতি এই ধীরগতির সমস্যা কবে নাগাদ শেষ তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না। এরফলে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>