<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - উপদেশমূলক গল্প]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 03:05:05 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] বিনা চেষ্টায় লাভ (ঈশপের গল্প)]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2526</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:41:50 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2526</guid>
			<description><![CDATA[একটা হরিন নিয়ে এক সিংহ আর ভালুকের মধ্যে এমন লড়াই হলো যে দুই জনই রীতিমত জখম হয়ে পড়ল, নড়বার শক্তি রইলনা কারোরই, একেবারে সংজ্ঞাহীন মৃত প্রায়। এক শিয়াল ঐ পথ দিয়ে যেতে যেতে দুই মহাবীরের ঐ অবস্থা দেখে এবং একটা হরিন দুইজনের মাঝে পড়ে থাকতে দেখে<br />
সে সেটা কামড়ে ধরে হাটাঁ দিল। উথান শক্তি রহিত এরা দুজন তখন নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, -ভাগ্য আর কাকে বলে, হরিণটার জন্য আমরা লড়াই করে মরলাম, আর কিছু না করে সেটা পেয়ে গেল<br />
একটা শিয়াল।<br />
উপদেশঃ নিজেদের পরিশ্রমলব্ধ ধন যখন নিজেদের ভোগে না এসে নিস্করমা অপরের ভোগে লেগে যায় তখন সেটা দুঃখের কারন হয়ে দাঁড়ায় বই কি!]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একটা হরিন নিয়ে এক সিংহ আর ভালুকের মধ্যে এমন লড়াই হলো যে দুই জনই রীতিমত জখম হয়ে পড়ল, নড়বার শক্তি রইলনা কারোরই, একেবারে সংজ্ঞাহীন মৃত প্রায়। এক শিয়াল ঐ পথ দিয়ে যেতে যেতে দুই মহাবীরের ঐ অবস্থা দেখে এবং একটা হরিন দুইজনের মাঝে পড়ে থাকতে দেখে<br />
সে সেটা কামড়ে ধরে হাটাঁ দিল। উথান শক্তি রহিত এরা দুজন তখন নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, -ভাগ্য আর কাকে বলে, হরিণটার জন্য আমরা লড়াই করে মরলাম, আর কিছু না করে সেটা পেয়ে গেল<br />
একটা শিয়াল।<br />
উপদেশঃ নিজেদের পরিশ্রমলব্ধ ধন যখন নিজেদের ভোগে না এসে নিস্করমা অপরের ভোগে লেগে যায় তখন সেটা দুঃখের কারন হয়ে দাঁড়ায় বই কি!]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল গল্প] আতর বিক্রেতার মেয়ের ঘটনা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2525</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:41:20 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2525</guid>
			<description><![CDATA[এক আতর ব্যবসায়ীর মেয়ের বিয়ে হলো চামড়া রংকারীর সাথে। চামড়ার দুর্গন্ধ অন্যদের জন্য এক অসহ্য যন্ত্রণা। এ জন্য প্রথম প্রথম নতুন বউয়ের খুব কষ্ট হলো। এরপর ধীরে ধীরে এ অবস্থা তার সয়ে গেলো। তখন তার কাছে তেমন দুর্গন্ধ লাগে না।<br />
একদিন লোকজনের সাথে তার কথা হচ্ছে। কথার এক পর্যায়ে সে বললো, আগে এ বাড়ীতে প্রচুর- দুর্গন্ধ ছিলো। কিন্তু এখন আর তা নেই। দুর্গন্ধ সব চলে গেছে।<br />
উপদেশ : আসল কথা হলো, দুর্গন্ধ দূর হয়নি। বরং সে এই দুর্গন্ধে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। এটাকেই সে দুর্গন্ধ চলে গেছে বলে ধরে নিয়েছে । আমাদের অবস্থাও এমনই। আজ আমরা বিভিন্ন অযাচিত কাজে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি যে, তা করা যে অনুচিত, সেই অনুভূতিটুকুও নিঃশেষ হয়ে যায়। এর থেকে নিজেদেরকে সংশোধন করতে হবে। সামান্য অবাঞ্ছিত কাজকেও বড় অন্যায় মনে করে তা থেকে আমাদের বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তখন ছোট- খাটো অন্যায়কেও বড় অপরাধ মনে হবে এবং তা থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়ে যাবে।<br />
[সূত্র : আদ- দাওয়াতু ইলাল্লাহ, পৃষ্ঠা : ৩২]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এক আতর ব্যবসায়ীর মেয়ের বিয়ে হলো চামড়া রংকারীর সাথে। চামড়ার দুর্গন্ধ অন্যদের জন্য এক অসহ্য যন্ত্রণা। এ জন্য প্রথম প্রথম নতুন বউয়ের খুব কষ্ট হলো। এরপর ধীরে ধীরে এ অবস্থা তার সয়ে গেলো। তখন তার কাছে তেমন দুর্গন্ধ লাগে না।<br />
একদিন লোকজনের সাথে তার কথা হচ্ছে। কথার এক পর্যায়ে সে বললো, আগে এ বাড়ীতে প্রচুর- দুর্গন্ধ ছিলো। কিন্তু এখন আর তা নেই। দুর্গন্ধ সব চলে গেছে।<br />
উপদেশ : আসল কথা হলো, দুর্গন্ধ দূর হয়নি। বরং সে এই দুর্গন্ধে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। এটাকেই সে দুর্গন্ধ চলে গেছে বলে ধরে নিয়েছে । আমাদের অবস্থাও এমনই। আজ আমরা বিভিন্ন অযাচিত কাজে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি যে, তা করা যে অনুচিত, সেই অনুভূতিটুকুও নিঃশেষ হয়ে যায়। এর থেকে নিজেদেরকে সংশোধন করতে হবে। সামান্য অবাঞ্ছিত কাজকেও বড় অন্যায় মনে করে তা থেকে আমাদের বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তখন ছোট- খাটো অন্যায়কেও বড় অপরাধ মনে হবে এবং তা থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়ে যাবে।<br />
[সূত্র : আদ- দাওয়াতু ইলাল্লাহ, পৃষ্ঠা : ৩২]]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] আহাম্মকির ফল (ঈশপের গল্প)]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2524</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:40:52 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2524</guid>
			<description><![CDATA[এক কাক এসে বসল গাছের ডালে, মুখে তার একটুকরো মাংস। এক শিয়াল নীচে থেকে তাই দেখে ভাবতে লাগল, কি করে ঐ মাংসটুকু সে নিজে খেতে পায়। অনেক ভেবেচিন্তে সে শেষে ঐ কাকের দিকে চেয়ে বলতে লাগল,<br />
"সত্যি কি সুন্দর পাখি তুমি, কি সুন্দর তোমার অঙ্গের গঠন, তোমার পাখিদের রাজা হবার কথা, তোমার অবশ্য কণ্ঠস্বরও যদি তোমার চেহারার মতো সুন্দর হতো, মধুর হতো। কিন্তু হায়! তুমি তো অন্য পাখিদের মতো গান গাইতে পার না!<br />
---<br />
শেয়ালের এই কথা শূনে কাক আর চুপ থাকতে পারল না, সে তখনই মহোল্লাসে কা- কা রবে ডাকতে শুরু করল, আর অমনি মাংসের টুকরো তার মুখ থেকে গেল পরে, আর শেয়াল অমনি তা মুখে করে নিয়ে দিল ছুত।<br />
উপদেশঃ অনেক মূর্খই অপরের<br />
স্তোতবাক্যে ভুলে নিজের সম্পদ হারায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এক কাক এসে বসল গাছের ডালে, মুখে তার একটুকরো মাংস। এক শিয়াল নীচে থেকে তাই দেখে ভাবতে লাগল, কি করে ঐ মাংসটুকু সে নিজে খেতে পায়। অনেক ভেবেচিন্তে সে শেষে ঐ কাকের দিকে চেয়ে বলতে লাগল,<br />
"সত্যি কি সুন্দর পাখি তুমি, কি সুন্দর তোমার অঙ্গের গঠন, তোমার পাখিদের রাজা হবার কথা, তোমার অবশ্য কণ্ঠস্বরও যদি তোমার চেহারার মতো সুন্দর হতো, মধুর হতো। কিন্তু হায়! তুমি তো অন্য পাখিদের মতো গান গাইতে পার না!<br />
---<br />
শেয়ালের এই কথা শূনে কাক আর চুপ থাকতে পারল না, সে তখনই মহোল্লাসে কা- কা রবে ডাকতে শুরু করল, আর অমনি মাংসের টুকরো তার মুখ থেকে গেল পরে, আর শেয়াল অমনি তা মুখে করে নিয়ে দিল ছুত।<br />
উপদেশঃ অনেক মূর্খই অপরের<br />
স্তোতবাক্যে ভুলে নিজের সম্পদ হারায়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] একদিন এক কৃষকের গাধা গভীর কুয়ায়পড়ে গেলো।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2523</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:40:24 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2523</guid>
			<description><![CDATA[একদিন এক কৃষকের গাধা গভীর কুয়ায় পড়ে গেলো। গাধাটা করুণ সুরে কেঁদে কৃষকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাতে লাগলো। কৃষক ভাবলো যেহেতু গাধাটা বৃদ্ধ হয়ে গেছে, কাজেই একে উদ্ধারের ঝামেলায় না গিয়ে মাটি ফেলে কুয়ার মাঝেই কবর দিয়ে ফেললেই ল্যাঠা চুকে যায়।<br />
কাজেই কৃষক শাবল দিয়ে মাটি ফেলতে লাগলো গাধার উপর। প্রথমে গাধা ঘটনা আঁচ করতে পেরে চিৎকার করে গলা ফাঁটিয়ে কাঁদতে লাগলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হয়ে গেলো।<br />
কৃষক এই নিরবতার কারণ উদ্ঘাটন করতে গিয়ে কুয়ার<br />
ভিতর উঁকি দিয়ে অবাক হয়ে গেলো। প্রতিবার যে ই গাধাটার উপর মাটি ফেলা হয়েছে, সে তা পিঠ ঝাড়া দিয়ে ফেলে দিয়ে সেই মাটিকে ধাপ বানিয়ে একধাপ একধাপ করে বেশ খানিকটা উপরে উঠে এসেছে। এটা দেখে কৃষক আরো মাটি ফেললো এবং পরিশেষে গাধাটা<br />
বের হয়ে আসলো কুয়া থেকে।<br />
উপদেশঃ জীবন আপনার উপর শাবল ভর্তি মাটি ফেলবে এটাই স্বাভাবিক। আপনার কাজ হচ্ছে সেই চাপা দেয়ার মাটিকেই কাজে লাগিয়ে উপরে উঠা। প্রতিটি সমস্যাই আসলে সমাধানের একটি করে ধাপ, যদি আপনি তা কাজে লাগানোর মতো ইতিবাচক হয়ে থাকেন। যেকোন সুগভীর কুয়া থেকেই মুক্তিলাভ সম্ভব, যদি না আপনি হাল ছেড়ে দেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একদিন এক কৃষকের গাধা গভীর কুয়ায় পড়ে গেলো। গাধাটা করুণ সুরে কেঁদে কৃষকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাতে লাগলো। কৃষক ভাবলো যেহেতু গাধাটা বৃদ্ধ হয়ে গেছে, কাজেই একে উদ্ধারের ঝামেলায় না গিয়ে মাটি ফেলে কুয়ার মাঝেই কবর দিয়ে ফেললেই ল্যাঠা চুকে যায়।<br />
কাজেই কৃষক শাবল দিয়ে মাটি ফেলতে লাগলো গাধার উপর। প্রথমে গাধা ঘটনা আঁচ করতে পেরে চিৎকার করে গলা ফাঁটিয়ে কাঁদতে লাগলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হয়ে গেলো।<br />
কৃষক এই নিরবতার কারণ উদ্ঘাটন করতে গিয়ে কুয়ার<br />
ভিতর উঁকি দিয়ে অবাক হয়ে গেলো। প্রতিবার যে ই গাধাটার উপর মাটি ফেলা হয়েছে, সে তা পিঠ ঝাড়া দিয়ে ফেলে দিয়ে সেই মাটিকে ধাপ বানিয়ে একধাপ একধাপ করে বেশ খানিকটা উপরে উঠে এসেছে। এটা দেখে কৃষক আরো মাটি ফেললো এবং পরিশেষে গাধাটা<br />
বের হয়ে আসলো কুয়া থেকে।<br />
উপদেশঃ জীবন আপনার উপর শাবল ভর্তি মাটি ফেলবে এটাই স্বাভাবিক। আপনার কাজ হচ্ছে সেই চাপা দেয়ার মাটিকেই কাজে লাগিয়ে উপরে উঠা। প্রতিটি সমস্যাই আসলে সমাধানের একটি করে ধাপ, যদি আপনি তা কাজে লাগানোর মতো ইতিবাচক হয়ে থাকেন। যেকোন সুগভীর কুয়া থেকেই মুক্তিলাভ সম্ভব, যদি না আপনি হাল ছেড়ে দেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] অহংকারের ফল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2522</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:39:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2522</guid>
			<description><![CDATA[এক পালোয়ান মল্লযুদ্ধে খুব পারদর্শিতা অর্জন<br />
করেছিল। মল্লবিদ্যায় সে তিনশত<br />
ষাটটি কৌশল আয়ত্ব করেছিল। নিত্য নতুন<br />
কায়দায় সে কুস্তি লড়ত। কাজেই সে সময়ের<br />
কোন কুস্তিগীর তার সাথে মল্লযুদ্ধে জয়লাভ<br />
করতে পারতো না। তার বহু শিষ্য ছিল। তার<br />
মধ্যে একজন রুপ-গুণে ওস্তাদের অত্যন্ত প্রিয়<br />
পাত্র ছিলেন। দুরদর্শী ওস্তাদ তাকে তিনশত<br />
ঊণষাটটি কৌশল শেখান, একটা বিশেষ কৌশল<br />
শিখালেন না।<br />
সেই যুবক শক্তি-সমর্থ্য ও কলা-<br />
কৌশলে অল্পদিনের ভিতরে এমন সুনাম অর্জন<br />
করল যে, সেই সময়ের কোন পালোয়ান তার<br />
সাথে মোকাবেলা করার সাহস পেতো না।<br />
যুগের শ্রেষ্ঠ কুস্তিগীর বলে স্বীকৃতি পাওয়ায়<br />
তার মনে অহংকার মাথা চাড়া দিয়ে উঠল।<br />
এমন কি, একদিন সে বাদশার সামনে গল্প<br />
দিয়ে বসলো যে, আমার ওস্তাদ যার<br />
কাছে আমি কুস্তি শিখেছি, শিক্ষাগুরু<br />
হিসাবে তিনি আমার চাইতে বড় ও সম্মানের<br />
পাত্র হতে পারেন বটে, কিন্তু শক্তি ও কলা-<br />
কৌশলে আমি তার চেয়ে কোন অংশে কম না।<br />
বাদশার কাছে কথাটা যুক্তিহীন মনে হল।<br />
তখনি তিনি প্রতিযোগিতার আদেশ দিলেন।<br />
প্রতিযোগিতার জন্য একটি বিরাট মাঠ<br />
নির্বাচন করা হল। ওস্তাদ ও ছাত্রের<br />
প্রতিযোগিতা দেখার জন্য দেশের বিশিষ্ট<br />
ব্যক্তিবর্গও সেই যুদ্ধ ময়দানে হাজির হল<br />
এবং প্রতিযোগিতা শুরু হল। ওস্তাদ জানতেন,<br />
যুবক শিষ্যের শারীরিক শক্তি তার চাইতেও<br />
বেশি। তাই তিনি তার শিষ্যকে নতুন<br />
কৌশলে আক্রমণ করলেন। সেই নিয়ম<br />
ছাত্রকে না জানিয়ে গোপন রেখেছিলেন।<br />
কাজেই সে নিরুপায় হয়ে পড়ল। ওস্তাদ<br />
তাকে দুই হাত ধরে মাথার উপর<br />
উঠিয়ে মাটিতে ফেলে দিলেন। ওস্তাদ<br />
বিজয়ের মুকুট জয় করে নিলেন।<br />
বাদশাহ ওস্তাদকে মূল্যবান পুরস্কার দিলেন।<br />
এরপর ছাত্রের অহংকারের জন্য তিরষ্কার<br />
করে বললেন, তুমি একটা নির্বোধ ও বেয়াদব।<br />
তাই নিজের ওস্তাদের সাথে সমকক্ষতার<br />
দাবী করতে তোমার লজ্জা হয়নি। বোকার<br />
মতো লড়াই করেছিলে কিন্তু পরাজিত হলে।<br />
ছাত্র বিনীতভাবে বলল হে বাদশা, ওস্তাদ<br />
গায়ের জোরে আমার সাথে পারতেন না।<br />
কিন্তু কি করব, কুস্তিবিদ্যার সকল কৌশল<br />
আমাকে শেখানো হয়নি। তিনি কিছু কৌশল<br />
গোপন রেখেছিলেন। আমার অজানা সেই<br />
কৌশল দিয়ে তিনি আজ জয়লাভ করলেন।<br />
উত্তরে ওস্তাদ বললেন : হ্যাঁ বাবা, এই দিনের<br />
জন্যই তা যত্ন করে রেখেছিলাম। নইলে আজই<br />
তুমি আমার সুনাম বরবাদ করে দিতে।<br />
উপদেশ: জ্ঞানীরা বলে গেছেন :<br />
বন্ধুকে ভালবেসে এত শক্তিশালী করোনা, যেন<br />
সে যদি কখনো শত্রুতা করে বসে,<br />
তবে তুমি পরাজিত হও ।<br />
__ শায়খ সাদী(র।)-এর লেখা অবলম্বনে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এক পালোয়ান মল্লযুদ্ধে খুব পারদর্শিতা অর্জন<br />
করেছিল। মল্লবিদ্যায় সে তিনশত<br />
ষাটটি কৌশল আয়ত্ব করেছিল। নিত্য নতুন<br />
কায়দায় সে কুস্তি লড়ত। কাজেই সে সময়ের<br />
কোন কুস্তিগীর তার সাথে মল্লযুদ্ধে জয়লাভ<br />
করতে পারতো না। তার বহু শিষ্য ছিল। তার<br />
মধ্যে একজন রুপ-গুণে ওস্তাদের অত্যন্ত প্রিয়<br />
পাত্র ছিলেন। দুরদর্শী ওস্তাদ তাকে তিনশত<br />
ঊণষাটটি কৌশল শেখান, একটা বিশেষ কৌশল<br />
শিখালেন না।<br />
সেই যুবক শক্তি-সমর্থ্য ও কলা-<br />
কৌশলে অল্পদিনের ভিতরে এমন সুনাম অর্জন<br />
করল যে, সেই সময়ের কোন পালোয়ান তার<br />
সাথে মোকাবেলা করার সাহস পেতো না।<br />
যুগের শ্রেষ্ঠ কুস্তিগীর বলে স্বীকৃতি পাওয়ায়<br />
তার মনে অহংকার মাথা চাড়া দিয়ে উঠল।<br />
এমন কি, একদিন সে বাদশার সামনে গল্প<br />
দিয়ে বসলো যে, আমার ওস্তাদ যার<br />
কাছে আমি কুস্তি শিখেছি, শিক্ষাগুরু<br />
হিসাবে তিনি আমার চাইতে বড় ও সম্মানের<br />
পাত্র হতে পারেন বটে, কিন্তু শক্তি ও কলা-<br />
কৌশলে আমি তার চেয়ে কোন অংশে কম না।<br />
বাদশার কাছে কথাটা যুক্তিহীন মনে হল।<br />
তখনি তিনি প্রতিযোগিতার আদেশ দিলেন।<br />
প্রতিযোগিতার জন্য একটি বিরাট মাঠ<br />
নির্বাচন করা হল। ওস্তাদ ও ছাত্রের<br />
প্রতিযোগিতা দেখার জন্য দেশের বিশিষ্ট<br />
ব্যক্তিবর্গও সেই যুদ্ধ ময়দানে হাজির হল<br />
এবং প্রতিযোগিতা শুরু হল। ওস্তাদ জানতেন,<br />
যুবক শিষ্যের শারীরিক শক্তি তার চাইতেও<br />
বেশি। তাই তিনি তার শিষ্যকে নতুন<br />
কৌশলে আক্রমণ করলেন। সেই নিয়ম<br />
ছাত্রকে না জানিয়ে গোপন রেখেছিলেন।<br />
কাজেই সে নিরুপায় হয়ে পড়ল। ওস্তাদ<br />
তাকে দুই হাত ধরে মাথার উপর<br />
উঠিয়ে মাটিতে ফেলে দিলেন। ওস্তাদ<br />
বিজয়ের মুকুট জয় করে নিলেন।<br />
বাদশাহ ওস্তাদকে মূল্যবান পুরস্কার দিলেন।<br />
এরপর ছাত্রের অহংকারের জন্য তিরষ্কার<br />
করে বললেন, তুমি একটা নির্বোধ ও বেয়াদব।<br />
তাই নিজের ওস্তাদের সাথে সমকক্ষতার<br />
দাবী করতে তোমার লজ্জা হয়নি। বোকার<br />
মতো লড়াই করেছিলে কিন্তু পরাজিত হলে।<br />
ছাত্র বিনীতভাবে বলল হে বাদশা, ওস্তাদ<br />
গায়ের জোরে আমার সাথে পারতেন না।<br />
কিন্তু কি করব, কুস্তিবিদ্যার সকল কৌশল<br />
আমাকে শেখানো হয়নি। তিনি কিছু কৌশল<br />
গোপন রেখেছিলেন। আমার অজানা সেই<br />
কৌশল দিয়ে তিনি আজ জয়লাভ করলেন।<br />
উত্তরে ওস্তাদ বললেন : হ্যাঁ বাবা, এই দিনের<br />
জন্যই তা যত্ন করে রেখেছিলাম। নইলে আজই<br />
তুমি আমার সুনাম বরবাদ করে দিতে।<br />
উপদেশ: জ্ঞানীরা বলে গেছেন :<br />
বন্ধুকে ভালবেসে এত শক্তিশালী করোনা, যেন<br />
সে যদি কখনো শত্রুতা করে বসে,<br />
তবে তুমি পরাজিত হও ।<br />
__ শায়খ সাদী(র।)-এর লেখা অবলম্বনে]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] যেকোন কিছু করার আগে একবার ভেবে নিন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2521</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:37:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2521</guid>
			<description><![CDATA[একজন মহিলার একটি পোষা বেঁজি ছিল । বেঁজিটি খুব বিশ্বস্ত ছিলো । একদিন মহিলাটি তার শিশুকে বেঁজিটির তত্বাবধানে রেখে বাইরে গেল । মহিলাটি বাসা থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষন পর একটি কিং কোবরা শাপ বাসায় ঢুকলো । শিশুটি সাপ দেখে ভয়ে কাঁদতে লাগলো । বেঁজিটি সাপটির উপর ঝাপিয়ে পড়লো ।<br />
অনেকক্ষন লড়াই করার পর সাপটি মারা গেল । বেঁজিটি রক্তাক্ত মুখ নিয়ে বাসার গেটের সামনে মহিলাটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো । যখন মহিলাটি বাসায় আসলো তখন বেজিটিকে রক্তাক্ত অবস্হায় দেখতে পেল ।<br />
মহিলাটি ভাবলো বেঁজিটি হয়তো তার শিশুকে কামড়িয়েছে । তিনি একটি পানির পাত্র দিয়ে আঘাত<br />
করে বেঁজিটিকে মেরে ফেললো । কিন্তু তিনি যখন ভিতরে প্রবেশ করলেন তখন দেখতে পেলেন ,শিশুটির পাঁশে একটি মৃত কিং কোবরা সাপ পড়ে আছে । তখন তিনি ভূল বুঝতে পারলেন ।<br />
কিন্তু এতোক্ষনে যা হবার হয়ে গেছে । মৃত বেঁজিটির জন্য চোখের পানি ফেলা ছাড়া তার কিছুই করার ছিল না ।<br />
উপদেশ: যেকোন কিছু করার আগে একবার ভেবে নিন,আপনি যা করছেন তা কি সঠিক? নচেৎ পরবর্তীতে অনুশোচনা ছাড়া আপনার আর কিছুই করার থাকবেনা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একজন মহিলার একটি পোষা বেঁজি ছিল । বেঁজিটি খুব বিশ্বস্ত ছিলো । একদিন মহিলাটি তার শিশুকে বেঁজিটির তত্বাবধানে রেখে বাইরে গেল । মহিলাটি বাসা থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষন পর একটি কিং কোবরা শাপ বাসায় ঢুকলো । শিশুটি সাপ দেখে ভয়ে কাঁদতে লাগলো । বেঁজিটি সাপটির উপর ঝাপিয়ে পড়লো ।<br />
অনেকক্ষন লড়াই করার পর সাপটি মারা গেল । বেঁজিটি রক্তাক্ত মুখ নিয়ে বাসার গেটের সামনে মহিলাটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো । যখন মহিলাটি বাসায় আসলো তখন বেজিটিকে রক্তাক্ত অবস্হায় দেখতে পেল ।<br />
মহিলাটি ভাবলো বেঁজিটি হয়তো তার শিশুকে কামড়িয়েছে । তিনি একটি পানির পাত্র দিয়ে আঘাত<br />
করে বেঁজিটিকে মেরে ফেললো । কিন্তু তিনি যখন ভিতরে প্রবেশ করলেন তখন দেখতে পেলেন ,শিশুটির পাঁশে একটি মৃত কিং কোবরা সাপ পড়ে আছে । তখন তিনি ভূল বুঝতে পারলেন ।<br />
কিন্তু এতোক্ষনে যা হবার হয়ে গেছে । মৃত বেঁজিটির জন্য চোখের পানি ফেলা ছাড়া তার কিছুই করার ছিল না ।<br />
উপদেশ: যেকোন কিছু করার আগে একবার ভেবে নিন,আপনি যা করছেন তা কি সঠিক? নচেৎ পরবর্তীতে অনুশোচনা ছাড়া আপনার আর কিছুই করার থাকবেনা।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] কেউ বিপদে সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ !!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2520</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:37:20 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2520</guid>
			<description><![CDATA[একবার এক ইঁদুর লক্ষ্য করল যে বাড়িতে ইঁদুর মারার ফাঁদ পাতা রয়েছে। সে খুবই ভয় পেল। ফাঁদটি অকেজো করার জন্য সে ওই বাড়িতে থাকা মুরগির সাহায্য চাইল। মুরগি ঘটনা শুনে জবাব দিল- “ ফাঁদটি আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। অতএব আমি এখানে কোন সাহায্য করতে পারবনা”।<br />
মুরগির কাছ থেকে এই উত্তর শুনে ইঁদুর খুব দুঃখিত হল এবং ছাগলের কাছে গিয়ে সাহায্য চাইল। ছাগল ফাঁদের কথা শুনে বলল- “ওই ফাঁদ বড়দের জন্য নয়। আমি এখানে তোমাকে সাহায্য করতে পারবনা”।<br />
ইঁদুর ছাগলের কাছ থেকে একই উত্তর শুনে দুঃখিত হয়ে গরুর কাছে এলো। সব কথা শুনে গরু বলল- “ইদুরের ফাঁদ আমার মত বড় প্রাণীর কোন ক্ষতিই করতে পারবেনা। যা আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা- তাতে আমি সাহায্য করতে পারবনা”।<br />
ইঁদুর শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে তার ঘরে ফিরে এলো। রাতের বেলা বাড়ির কর্ত্রী অন্ধকারের ভিতর বুঝতে পারলেন যে ফাঁদে কিছু একটা ধরা পরেছে। অন্ধকারে ফাঁদের কাছে হাত দিতেই উনি হাতে কামড় খেলেন এবং দেখলেন ফাঁদে ইঁদুরের বদলে সাপ ধরা পরেছে।<br />
তার চিৎকারে কর্তার ঘুম ভাঙল। তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হল। চিকিৎসা শুরু হয়ে গেল। কিন্তু অবস্থা মোটেই ভালো না। পথ্য হিসেবে ডাক্তার মুরগির সূপ খাওয়াতে বল্লেন। সুপের জন্য কর্তা মুরগিকে জবাই করে দিলেন।<br />
অবস্থা আস্তে আস্তে আরও খারাপ হতে লাগলো। দূরদূরান্ত থেকে আরও অনেকে আত্মীয় স্বজন আসতে লাগলো। বাধ্য হয়ে কর্তা ছাগলকে জবাই করলেন তাদের আপ্যায়ন করার জন্য।<br />
আরও ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার হতে লাগলো। অবশেষে বাড়ির কর্তা তাদের গরুটিকে কসাইখানায় বিক্রি করে দিল। একসময় বাড়ির কর্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠল। আর এই সমস্ত কিছু ইঁদুরটি তার ছোট্ট ঘর থেকে পর্যবেক্ষণ করল।<br />
শিক্ষণীয় বিষয়ঃ কেউ বিপদে সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ, হোক সেই বিপদ আমাকে স্পর্শ করুক বা না করুক। বিপদ্গ্রস্থকে সাহায্য করা নৈতিক দায়িত্ব।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একবার এক ইঁদুর লক্ষ্য করল যে বাড়িতে ইঁদুর মারার ফাঁদ পাতা রয়েছে। সে খুবই ভয় পেল। ফাঁদটি অকেজো করার জন্য সে ওই বাড়িতে থাকা মুরগির সাহায্য চাইল। মুরগি ঘটনা শুনে জবাব দিল- “ ফাঁদটি আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। অতএব আমি এখানে কোন সাহায্য করতে পারবনা”।<br />
মুরগির কাছ থেকে এই উত্তর শুনে ইঁদুর খুব দুঃখিত হল এবং ছাগলের কাছে গিয়ে সাহায্য চাইল। ছাগল ফাঁদের কথা শুনে বলল- “ওই ফাঁদ বড়দের জন্য নয়। আমি এখানে তোমাকে সাহায্য করতে পারবনা”।<br />
ইঁদুর ছাগলের কাছ থেকে একই উত্তর শুনে দুঃখিত হয়ে গরুর কাছে এলো। সব কথা শুনে গরু বলল- “ইদুরের ফাঁদ আমার মত বড় প্রাণীর কোন ক্ষতিই করতে পারবেনা। যা আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা- তাতে আমি সাহায্য করতে পারবনা”।<br />
ইঁদুর শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে তার ঘরে ফিরে এলো। রাতের বেলা বাড়ির কর্ত্রী অন্ধকারের ভিতর বুঝতে পারলেন যে ফাঁদে কিছু একটা ধরা পরেছে। অন্ধকারে ফাঁদের কাছে হাত দিতেই উনি হাতে কামড় খেলেন এবং দেখলেন ফাঁদে ইঁদুরের বদলে সাপ ধরা পরেছে।<br />
তার চিৎকারে কর্তার ঘুম ভাঙল। তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হল। চিকিৎসা শুরু হয়ে গেল। কিন্তু অবস্থা মোটেই ভালো না। পথ্য হিসেবে ডাক্তার মুরগির সূপ খাওয়াতে বল্লেন। সুপের জন্য কর্তা মুরগিকে জবাই করে দিলেন।<br />
অবস্থা আস্তে আস্তে আরও খারাপ হতে লাগলো। দূরদূরান্ত থেকে আরও অনেকে আত্মীয় স্বজন আসতে লাগলো। বাধ্য হয়ে কর্তা ছাগলকে জবাই করলেন তাদের আপ্যায়ন করার জন্য।<br />
আরও ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার হতে লাগলো। অবশেষে বাড়ির কর্তা তাদের গরুটিকে কসাইখানায় বিক্রি করে দিল। একসময় বাড়ির কর্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠল। আর এই সমস্ত কিছু ইঁদুরটি তার ছোট্ট ঘর থেকে পর্যবেক্ষণ করল।<br />
শিক্ষণীয় বিষয়ঃ কেউ বিপদে সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ, হোক সেই বিপদ আমাকে স্পর্শ করুক বা না করুক। বিপদ্গ্রস্থকে সাহায্য করা নৈতিক দায়িত্ব।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] দূর্বলকে কখনো অবহেলা করা ঠিক না।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2519</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:36:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2519</guid>
			<description><![CDATA[এক গ্রামে অনেক গুলো সবল ছেলে পেলেদের মধ্যে একটি মাত্র দূর্বল ছেলে। তাই সবাই তাকে কিছুটা অবজ্ঞা করেই চলত। দূর্বল ছেলেটির খেলাধুলা কিংবা অন্য কোন কিছুতে অংশগ্রহন ছিল না বললেই চলে।<br />
গ্রামের ছেলে পেলেরা ছোট্ট একটা নদী অপর পারে পাহাড়ের কোলে মাঠের মত একটা জায়গায় খেলতে যেত। দূর্বল ছেলেটিও সংগে যেত, যদিও মাঠের একপাশে বসিয়ে রাখা হত তাকে।<br />
গাজ পালায় ঢেকে থাকা বনটিতে ভয়ংকর সব পশুর আনাগোনাও ছিল, যদিও দিনের বেলায় মাঠের দিকটা ছিল নিরাপদ। ঝড়ো আবহাওয়ার এক বিকেলে, সব ভয়কে উপেক্ষা করেই গ্রামের ছেলে পেলেরা রওয়ানা দিল খেলার মাঠের দিকে। বিকেল যতই গড়াতে লাগল ঝড়ের বেগও বাড়তে লাগল পাল্লা দিয়ে। ঝড় একসময় তীব্র রূপ ধারন করল। টনক নড়ল ছেলেগুলোর, দৌড়ে আশ্রয় নিল গূহার মত একটি জায়গায়। দূর্বল ছেলেটি আগে থেকেই ওখানে আশ্রয় নিয়েছিল। ঝড় তখন দানবীয় রূপে গাছপালা সব তছনছ করে ফেলছে।<br />
একটি গাছ শেকড়শহ উপড়ে এসে পড়ল গূহার মুখে। ঝড় কিছুটা কমে আসতেই ছেলেগুলা হাত লাগালো গাছটাকে সরানোর। কাজটি তাড়াতারি সাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল তারা। সাঝের ঘনিয়ে আসা অন্ধকারে ভয়ের মাত্রাটা বাড়তে লাগল তাদের, ভয়ংকর সব জানোয়ারের। গাছ ঠেলতে লাগল তারা সবাই মিলে, গাছ একটু নড়ে তা আবার নড়ে না। বার বার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হল তারা, শেষ পর্যন্ত মাটিতে হাতপা ছড়িয়ে বসে পড়ল সব হতাশ হয়ে পড়া ছেলেগুলা। বিশ্রাম নেয়ার পর, শেষ চেষ্টায় সব শক্তি লাগিয়ে আবার গাছিটিতে ঠেলা লাগাল তারা, একটু নড়ে থেমে পড়ল গাছটি আবার ।<br />
"আমাকে তোমাদের সাথে চেষ্টা করতে দাও", দূর্বল ছেলেটি মৃদু শুরে বলল। সবাই তখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাজি হয়ে আবার গাছিটিকে ঠেলতে শুরু করল সবাই, এবার দূর্বল ছেলেটিসহ।<br />
একটু একটু নড়তে শুর করল গাছটা, তারপর সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাছটি গড়িয়ে পড়ল একপাশে একটুখানি, আর তাতে করেই গুহা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ পেল ছেলেগুলো, একজন একজন করে। ওরপর থেকে দূর্বল ছেলেটিকে কেউ কখনো আর অবহেলা করেনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এক গ্রামে অনেক গুলো সবল ছেলে পেলেদের মধ্যে একটি মাত্র দূর্বল ছেলে। তাই সবাই তাকে কিছুটা অবজ্ঞা করেই চলত। দূর্বল ছেলেটির খেলাধুলা কিংবা অন্য কোন কিছুতে অংশগ্রহন ছিল না বললেই চলে।<br />
গ্রামের ছেলে পেলেরা ছোট্ট একটা নদী অপর পারে পাহাড়ের কোলে মাঠের মত একটা জায়গায় খেলতে যেত। দূর্বল ছেলেটিও সংগে যেত, যদিও মাঠের একপাশে বসিয়ে রাখা হত তাকে।<br />
গাজ পালায় ঢেকে থাকা বনটিতে ভয়ংকর সব পশুর আনাগোনাও ছিল, যদিও দিনের বেলায় মাঠের দিকটা ছিল নিরাপদ। ঝড়ো আবহাওয়ার এক বিকেলে, সব ভয়কে উপেক্ষা করেই গ্রামের ছেলে পেলেরা রওয়ানা দিল খেলার মাঠের দিকে। বিকেল যতই গড়াতে লাগল ঝড়ের বেগও বাড়তে লাগল পাল্লা দিয়ে। ঝড় একসময় তীব্র রূপ ধারন করল। টনক নড়ল ছেলেগুলোর, দৌড়ে আশ্রয় নিল গূহার মত একটি জায়গায়। দূর্বল ছেলেটি আগে থেকেই ওখানে আশ্রয় নিয়েছিল। ঝড় তখন দানবীয় রূপে গাছপালা সব তছনছ করে ফেলছে।<br />
একটি গাছ শেকড়শহ উপড়ে এসে পড়ল গূহার মুখে। ঝড় কিছুটা কমে আসতেই ছেলেগুলা হাত লাগালো গাছটাকে সরানোর। কাজটি তাড়াতারি সাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল তারা। সাঝের ঘনিয়ে আসা অন্ধকারে ভয়ের মাত্রাটা বাড়তে লাগল তাদের, ভয়ংকর সব জানোয়ারের। গাছ ঠেলতে লাগল তারা সবাই মিলে, গাছ একটু নড়ে তা আবার নড়ে না। বার বার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হল তারা, শেষ পর্যন্ত মাটিতে হাতপা ছড়িয়ে বসে পড়ল সব হতাশ হয়ে পড়া ছেলেগুলা। বিশ্রাম নেয়ার পর, শেষ চেষ্টায় সব শক্তি লাগিয়ে আবার গাছিটিতে ঠেলা লাগাল তারা, একটু নড়ে থেমে পড়ল গাছটি আবার ।<br />
"আমাকে তোমাদের সাথে চেষ্টা করতে দাও", দূর্বল ছেলেটি মৃদু শুরে বলল। সবাই তখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাজি হয়ে আবার গাছিটিকে ঠেলতে শুরু করল সবাই, এবার দূর্বল ছেলেটিসহ।<br />
একটু একটু নড়তে শুর করল গাছটা, তারপর সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাছটি গড়িয়ে পড়ল একপাশে একটুখানি, আর তাতে করেই গুহা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ পেল ছেলেগুলো, একজন একজন করে। ওরপর থেকে দূর্বল ছেলেটিকে কেউ কখনো আর অবহেলা করেনি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] ত্যাগি সব সময় নিস্বার্থ ত্যাগ করে যায়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2518</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:35:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2518</guid>
			<description><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] জীবন চলুক তার গতিতে, আমি চলব আমার গতিতে।<br />
অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুব পছন্দ করতো। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের ডালে উঠত। আপেল খেত। গাছের গুড়িতে শুয়ে তার ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতো আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল।<br />
সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটিআবার গাছের কাছে ফিরে এলে।গাছটি বললো, "তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসো, আবার খেলা শুরু করো"<br />
কিন্তু বালকটি শুধালো, "আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনাচাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন।"গাছটি বললো,"কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করতে পারো"।<br />
কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুব আনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো।<br />
আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর অনেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব দুঃখ পেলো।<br />
হটাৎ একদিন বালকটি গাছের কাছে ফিরে এলো , ততদিনে সে পরিপূর্ণ যুবক। গাছটি এতে খুব আনন্দিত হলো।। বালকটিকে আবারো গাছের সাথে খেলতে অনুরোধ করলো সে।কিন্তু বালকটি জানালো,"এখন আর তার সে সময় নেই। সে এখন অনেক ব্যাস্ত। তার এখন বাড়ি বানানো খুবই দরকার।<br />
এ জন্য গাছটির সাহায্য চাইলো "কিন্তু গাছটি জানালো তার কোন বাড়ি নেই, তাই তাকে সাহায্য করতে পারছে না। তবে একটা বুদ্ধি দিলো, "তুমি চাইলে আমার কিছু ডাল-পালা কেটে নিয়ে যেতে পারো আর তা দিয়ে বাড়ি বানাতে পারো"<br />
বালকটি তখন গাছের সকল ডাল-পালা কেটে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি অভিমুখে চলে গেলো, পেছন ফিরে একবার ও গাছটির দিকে তাকালো না। বালকটির আনন্দে গাছটিও খুব আনন্দিত ছিল।এরপর অনেক দিন আর বালকটির দেখা নেই গাছের গোঁড়ায়।। গাছটি আবারো একা হয়ে গেলো।<br />
অনেক দিন পরে, হটাৎ এক গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরেগাছের গোঁড়ায় বালকটির আগমন। ততদিনে তার যৌবন পড়তির দিকে। জীবনের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তখন। গাছটি বালককে দেখে খুব খুশি হলো, আবারো তার সাথে খেলার অনুরোধ করলো।।<br />
কিন্তু বালকটি জানালো,"আমার এখন আর খেলার বয়স নেই। আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ আমি ক্লান্ত। আমাকে এখন আনন্দের জন্য, ক্লান্তি কাটাতে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে। কিন্তু আমার কোন নৌকা নেই। তুমি কি আমাকে কোন সহায়তা করতে পারো??" "তুমি চাইলে আমার গুড়ি কেটে নিয়ে যেতে পারো এবং এটা দিয়ে নৌকা বানিয়ে নিতে পারো"<br />
গাছের এমন পরামর্শে বালকটির চোখে মুখে আনন্দের শিহরন খেলে গেলো। সে তৎক্ষণাৎ কুড়াল দিয়ে গাছের গুড়ি কেটে নিয়ে গেলো। এবং নৌকা বানিয়ে নদীতে চলে গেলো মাছ শিকারে।<br />
অনেকদিন আর তার দেখা নেই এখানে।হটাৎ অনেকদিন পর শেষ পর্যন্ত গাছের কাছে ফিরে এলো লোকটি। ততদিনে সে জীবন সীমার শেষ প্রান্তে। কিন্তু গাছটি শুধালো,"দুঃখিত বালক। আমার কাছে এখন আর তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। কোন আপেল নেই......"<br />
বৃদ্ধ হাসলো এবং বললো, "আমারো এখন আপেল খাওয়ার মতো দাত ও নেই "- "কোন ডাল- পালা বা গুড়ি ও নেই যেখানে তুমি চড়বে"- "গাছের ডালে চড়ার মতো বয়স ও এখন আমার নেই"-"সত্যি ই এখন তোমাকে দেওয়ার মতো আমার আর কিছু অবশিষ্ট নেই শুধু মৃতপ্রায় মূলগুলো ছাড়া " - গাছটি বললো।<br />
"আমার এখন এগুলোর কোনটাই দরকার নেই। আমার শুধু বিশ্রাম নেওয়ার মতো একটা জায়গা চাই, যেখানে বসে আমি আমার এতোগুলো বছরের পাওয়া- না পাওয়ার হিসাবটা একটু মিলাবো।"- বৃদ্ধটি বললো।"<br />
তাহলে মৃতপ্রায় গাছের মূল ই এর জন্য আদর্শ জায়গা। এখানে বসো আর ভাবো জীবন তোমাকে কি দিয়েছে, কি দেয় নি। কি করা উচিত ছিল, আর কি করা ঠিক হয় নি"- গাছটি বললো। লোকটি গাছের মূলে বসলো আর গাছটি অনেক আনন্দিত হলো। আনন্দ গাছের কান্না হয়ে ঝড়ে পড়লো।।<br />
উপদেশ: আমাদের প্রত্যেকের জীবনেও এমন একটি" আপেল গাছ" আছে, আর তা হলো আমাদের পিতা-মাতা। এবার গাছটির ত্যাগ গুলোর সাথে আমাদের বাবা-মা কে মিলিয়ে দেখুন। আপনি কতটা ব্যাস্ত সেটা কোন কথা নয়, বরং বাবা- মায়ের সাথে জীবনের কথাগুলো শেয়ার করুন, সময় দিন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] জীবন চলুক তার গতিতে, আমি চলব আমার গতিতে।<br />
অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুব পছন্দ করতো। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের ডালে উঠত। আপেল খেত। গাছের গুড়িতে শুয়ে তার ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতো আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল।<br />
সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটিআবার গাছের কাছে ফিরে এলে।গাছটি বললো, "তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসো, আবার খেলা শুরু করো"<br />
কিন্তু বালকটি শুধালো, "আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনাচাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন।"গাছটি বললো,"কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করতে পারো"।<br />
কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুব আনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো।<br />
আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর অনেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব দুঃখ পেলো।<br />
হটাৎ একদিন বালকটি গাছের কাছে ফিরে এলো , ততদিনে সে পরিপূর্ণ যুবক। গাছটি এতে খুব আনন্দিত হলো।। বালকটিকে আবারো গাছের সাথে খেলতে অনুরোধ করলো সে।কিন্তু বালকটি জানালো,"এখন আর তার সে সময় নেই। সে এখন অনেক ব্যাস্ত। তার এখন বাড়ি বানানো খুবই দরকার।<br />
এ জন্য গাছটির সাহায্য চাইলো "কিন্তু গাছটি জানালো তার কোন বাড়ি নেই, তাই তাকে সাহায্য করতে পারছে না। তবে একটা বুদ্ধি দিলো, "তুমি চাইলে আমার কিছু ডাল-পালা কেটে নিয়ে যেতে পারো আর তা দিয়ে বাড়ি বানাতে পারো"<br />
বালকটি তখন গাছের সকল ডাল-পালা কেটে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি অভিমুখে চলে গেলো, পেছন ফিরে একবার ও গাছটির দিকে তাকালো না। বালকটির আনন্দে গাছটিও খুব আনন্দিত ছিল।এরপর অনেক দিন আর বালকটির দেখা নেই গাছের গোঁড়ায়।। গাছটি আবারো একা হয়ে গেলো।<br />
অনেক দিন পরে, হটাৎ এক গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরেগাছের গোঁড়ায় বালকটির আগমন। ততদিনে তার যৌবন পড়তির দিকে। জীবনের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তখন। গাছটি বালককে দেখে খুব খুশি হলো, আবারো তার সাথে খেলার অনুরোধ করলো।।<br />
কিন্তু বালকটি জানালো,"আমার এখন আর খেলার বয়স নেই। আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ আমি ক্লান্ত। আমাকে এখন আনন্দের জন্য, ক্লান্তি কাটাতে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে। কিন্তু আমার কোন নৌকা নেই। তুমি কি আমাকে কোন সহায়তা করতে পারো??" "তুমি চাইলে আমার গুড়ি কেটে নিয়ে যেতে পারো এবং এটা দিয়ে নৌকা বানিয়ে নিতে পারো"<br />
গাছের এমন পরামর্শে বালকটির চোখে মুখে আনন্দের শিহরন খেলে গেলো। সে তৎক্ষণাৎ কুড়াল দিয়ে গাছের গুড়ি কেটে নিয়ে গেলো। এবং নৌকা বানিয়ে নদীতে চলে গেলো মাছ শিকারে।<br />
অনেকদিন আর তার দেখা নেই এখানে।হটাৎ অনেকদিন পর শেষ পর্যন্ত গাছের কাছে ফিরে এলো লোকটি। ততদিনে সে জীবন সীমার শেষ প্রান্তে। কিন্তু গাছটি শুধালো,"দুঃখিত বালক। আমার কাছে এখন আর তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। কোন আপেল নেই......"<br />
বৃদ্ধ হাসলো এবং বললো, "আমারো এখন আপেল খাওয়ার মতো দাত ও নেই "- "কোন ডাল- পালা বা গুড়ি ও নেই যেখানে তুমি চড়বে"- "গাছের ডালে চড়ার মতো বয়স ও এখন আমার নেই"-"সত্যি ই এখন তোমাকে দেওয়ার মতো আমার আর কিছু অবশিষ্ট নেই শুধু মৃতপ্রায় মূলগুলো ছাড়া " - গাছটি বললো।<br />
"আমার এখন এগুলোর কোনটাই দরকার নেই। আমার শুধু বিশ্রাম নেওয়ার মতো একটা জায়গা চাই, যেখানে বসে আমি আমার এতোগুলো বছরের পাওয়া- না পাওয়ার হিসাবটা একটু মিলাবো।"- বৃদ্ধটি বললো।"<br />
তাহলে মৃতপ্রায় গাছের মূল ই এর জন্য আদর্শ জায়গা। এখানে বসো আর ভাবো জীবন তোমাকে কি দিয়েছে, কি দেয় নি। কি করা উচিত ছিল, আর কি করা ঠিক হয় নি"- গাছটি বললো। লোকটি গাছের মূলে বসলো আর গাছটি অনেক আনন্দিত হলো। আনন্দ গাছের কান্না হয়ে ঝড়ে পড়লো।।<br />
উপদেশ: আমাদের প্রত্যেকের জীবনেও এমন একটি" আপেল গাছ" আছে, আর তা হলো আমাদের পিতা-মাতা। এবার গাছটির ত্যাগ গুলোর সাথে আমাদের বাবা-মা কে মিলিয়ে দেখুন। আপনি কতটা ব্যাস্ত সেটা কোন কথা নয়, বরং বাবা- মায়ের সাথে জীবনের কথাগুলো শেয়ার করুন, সময় দিন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] মানুষকে সাহায্য করুন , যতটা আপনার পক্ষে সম্ভব ।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2517</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:32:28 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2517</guid>
			<description><![CDATA[একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায় হাঁটছিলো । সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো । ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক। সে ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলো ।<br />
... সে ভাবলো যে পরে যে বাসায় যাবে , সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে । কিন্তু সে যখন একটা বাসায় গেলো খাবারের আশানিয়ে , সে ঘর থেকে একজন সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন ।<br />
সে খাবারের কথা বলতে ভয় পেলো । সে খাবারের কথা না বলে শুধু এক গ্লাস পানি চাইলো । মহিলা ছেলেটার অবস্থা দেখে বুঝলেন যে সে ক্ষুধার্থ । তাই তিনি ছেলেটাকে একটা বড় গ্লাস দুধ এনে দিলেন ।<br />
ছেলেটা আস্তে আস্তে দুধটুকু খেয়ে বলল"আপনাকে আমার কত টাকা দিতে হবে এই দুধের জন্য ?" মহিলা বলল"তোমাকে কোন কিছুই দিতে হবে না ।<br />
ছেলেটা বলল" আমার মা আমাকে বলেছেন কখনো করুণার দান না নিতে । তাহলে আমি আপনাকে মনের<br />
অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি ।"<br />
ছেলেটার নাম ছিলো স্যাম কেইলি । স্যাম যখন দুধ খেয়ে ঐ বাড়ি থেকে বের হয়ে এল , তখন সে শারিরিক ভাবে কিছুটা শক্তি অনুভব করলো ।<br />
স্যাম এর বিধাতার উপর ছিলো অগাধ বিশ্বাস । তাছাড়া সে কখনো কিছু ভুলতো না । অনেক বছর পর ঐ মহিলা মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পরলো । স্থানীয় ডাক্তাররা তাকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ হল ।<br />
তখন তাকে পাঠানো হলো একটা বড় শহরের নামকরা হাসপাতালে । যেখানে দুলর্ভ ও মারাত্মক রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিত্সা করাহয় । ডা: স্যামকেইলি কে এই মহিলার দায়িত্ব দেওয়া হলো ।<br />
যখন ডাঃ স্যাম কেইলি শুনলেন যে মহিলা কোন শহর<br />
থেকে এসেছেন , তার চোখের দৃষ্টিতে অদ্ভুথ একটা আলো যেন জ্বলে উঠলো । তিনি তাড়াতাড়ি ঐ মহিলাকে দেখতে গেলেন । ডাক্তারের এপ্রন পরে তিনি মহিলার রুমে ঢুকলেন এবং প্রথম দেখাতেই তিনি মহিলাকে চিনতে পারলেন ।<br />
তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলেন যে , যেভাবেই হোক তিনি মহিলাকে বাঁচাবেনই । ঐদিনথেকে তিনি ঐ রোগীর আলাদা ভাবে যত্ন নেওয়া শুরু করলেন । অনেক চেষ্টার পর মহিলাকে বাঁচানো সম্ভব হলো ।<br />
ডাঃ স্যাম কেইলি হাসপাতালের একাউন্টেন্ ট কে ঐ মহিলার চিকিত্সার বিল দিতে বললেন,কারণ তার সাইন ছাড়া ঐ বিল কার্যকর হবে না । ডাঃ স্যাম কেইলি ঐ বিলের কোণায় কি যেনো লিখলেন এবং তারপর সেটা ঐ মহিলার কাছে পাঠিয়ে দিলেন ।<br />
মহিলাভীষণ ভয় পাচ্ছিলেন বিলটা খুলতে। কারণ তিনি জানেন যে এতো দিনে যে পরিমাণ বিল এসেছে তা তিনি সারা জীবনেও শোধ করতে পারবেন না । অবশেষে তিনি বিলটা খুললেন এবং বিলের পাশ দিয়ে লেখা কিছু কথা তার দৃষ্টি আকর্ষণকরলো । তিনি পড়তে লাগলেন" আপনার চিকিত্সার খরচ হলোপুরো এক গ্লাস দুধ।" এবং বিলের নিচের সাইন করা ছিলো ডাঃ স্যাম কেইলির নাম ।<br />
~মানুষকে সাহায্য করুন , যতটা আপনার পক্ষে সম্ভব । হয়তো এই অল্প সাহায্যের ফল হিসেবে আপনি এমন কিছু পাবেন যা কখনো আপনি চিন্তাই করেননি !]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায় হাঁটছিলো । সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো । ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক। সে ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলো ।<br />
... সে ভাবলো যে পরে যে বাসায় যাবে , সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে । কিন্তু সে যখন একটা বাসায় গেলো খাবারের আশানিয়ে , সে ঘর থেকে একজন সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন ।<br />
সে খাবারের কথা বলতে ভয় পেলো । সে খাবারের কথা না বলে শুধু এক গ্লাস পানি চাইলো । মহিলা ছেলেটার অবস্থা দেখে বুঝলেন যে সে ক্ষুধার্থ । তাই তিনি ছেলেটাকে একটা বড় গ্লাস দুধ এনে দিলেন ।<br />
ছেলেটা আস্তে আস্তে দুধটুকু খেয়ে বলল"আপনাকে আমার কত টাকা দিতে হবে এই দুধের জন্য ?" মহিলা বলল"তোমাকে কোন কিছুই দিতে হবে না ।<br />
ছেলেটা বলল" আমার মা আমাকে বলেছেন কখনো করুণার দান না নিতে । তাহলে আমি আপনাকে মনের<br />
অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি ।"<br />
ছেলেটার নাম ছিলো স্যাম কেইলি । স্যাম যখন দুধ খেয়ে ঐ বাড়ি থেকে বের হয়ে এল , তখন সে শারিরিক ভাবে কিছুটা শক্তি অনুভব করলো ।<br />
স্যাম এর বিধাতার উপর ছিলো অগাধ বিশ্বাস । তাছাড়া সে কখনো কিছু ভুলতো না । অনেক বছর পর ঐ মহিলা মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পরলো । স্থানীয় ডাক্তাররা তাকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ হল ।<br />
তখন তাকে পাঠানো হলো একটা বড় শহরের নামকরা হাসপাতালে । যেখানে দুলর্ভ ও মারাত্মক রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিত্সা করাহয় । ডা: স্যামকেইলি কে এই মহিলার দায়িত্ব দেওয়া হলো ।<br />
যখন ডাঃ স্যাম কেইলি শুনলেন যে মহিলা কোন শহর<br />
থেকে এসেছেন , তার চোখের দৃষ্টিতে অদ্ভুথ একটা আলো যেন জ্বলে উঠলো । তিনি তাড়াতাড়ি ঐ মহিলাকে দেখতে গেলেন । ডাক্তারের এপ্রন পরে তিনি মহিলার রুমে ঢুকলেন এবং প্রথম দেখাতেই তিনি মহিলাকে চিনতে পারলেন ।<br />
তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলেন যে , যেভাবেই হোক তিনি মহিলাকে বাঁচাবেনই । ঐদিনথেকে তিনি ঐ রোগীর আলাদা ভাবে যত্ন নেওয়া শুরু করলেন । অনেক চেষ্টার পর মহিলাকে বাঁচানো সম্ভব হলো ।<br />
ডাঃ স্যাম কেইলি হাসপাতালের একাউন্টেন্ ট কে ঐ মহিলার চিকিত্সার বিল দিতে বললেন,কারণ তার সাইন ছাড়া ঐ বিল কার্যকর হবে না । ডাঃ স্যাম কেইলি ঐ বিলের কোণায় কি যেনো লিখলেন এবং তারপর সেটা ঐ মহিলার কাছে পাঠিয়ে দিলেন ।<br />
মহিলাভীষণ ভয় পাচ্ছিলেন বিলটা খুলতে। কারণ তিনি জানেন যে এতো দিনে যে পরিমাণ বিল এসেছে তা তিনি সারা জীবনেও শোধ করতে পারবেন না । অবশেষে তিনি বিলটা খুললেন এবং বিলের পাশ দিয়ে লেখা কিছু কথা তার দৃষ্টি আকর্ষণকরলো । তিনি পড়তে লাগলেন" আপনার চিকিত্সার খরচ হলোপুরো এক গ্লাস দুধ।" এবং বিলের নিচের সাইন করা ছিলো ডাঃ স্যাম কেইলির নাম ।<br />
~মানুষকে সাহায্য করুন , যতটা আপনার পক্ষে সম্ভব । হয়তো এই অল্প সাহায্যের ফল হিসেবে আপনি এমন কিছু পাবেন যা কখনো আপনি চিন্তাই করেননি !]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] আচার বিক্রেতার মেয়ের ঘটনা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2516</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:31:58 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2516</guid>
			<description><![CDATA[এক আতর ব্যবসায়ীর মেয়ের বিয়ে হলো চামড়া রংকারীর সাথে। চামড়ার দুর্গন্ধ অন্যদের জন্য এক অসহ্য যন্ত্রণা। এ জন্য প্রথম প্রথম নতুন বউয়ের খুব কষ্ট হলো। এরপর ধীরে ধীরে এ অবস্থা তার সয়ে গেলো। তখন তার কাছে তেমন দুর্গন্ধ লাগে না।<br />
একদিন লোকজনের সাথে তার কথা হচ্ছে। কথার এক পর্যায়ে সে বললো, আগে এ বাড়ীতে প্রচুর- দুর্গন্ধ ছিলো। কিন্তু এখন আর তা নেই। দুর্গন্ধসব চলে গেছে।<br />
উপদেশ :আসল কথা হলো, দুর্গন্ধ দূর হয়নি। বরং সে এই দুর্গন্ধে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। এটাকেই সে দুর্গন্ধ চলে গেছে বলে ধরে নিয়েছে। আমাদের অবস্থাও এমনই। আজ আমরা বিভিন্ন অযাচিত কাজে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি যে, তা করা যে অনুচিত, সেই অনুভূতিটুকুও নিঃশেষ হয়ে যায়। এর থেকে নিজেদেরকে সংশোধন করতে হবে। সামান্য অবাঞ্ছিত কাজকেও বড় অন্যায় মনে করে তা থেকে আমাদের বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তখন ছোট- খাটো অন্যায়কেও বড় অপরাধ মনে হবে এবং তা থেকেবেঁচে থাকা সহজ হয়ে যাবে।<br />
[সূত্র : আদ- দাওয়াতু ইলাল্লাহ, পৃষ্ঠা : ৩২]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এক আতর ব্যবসায়ীর মেয়ের বিয়ে হলো চামড়া রংকারীর সাথে। চামড়ার দুর্গন্ধ অন্যদের জন্য এক অসহ্য যন্ত্রণা। এ জন্য প্রথম প্রথম নতুন বউয়ের খুব কষ্ট হলো। এরপর ধীরে ধীরে এ অবস্থা তার সয়ে গেলো। তখন তার কাছে তেমন দুর্গন্ধ লাগে না।<br />
একদিন লোকজনের সাথে তার কথা হচ্ছে। কথার এক পর্যায়ে সে বললো, আগে এ বাড়ীতে প্রচুর- দুর্গন্ধ ছিলো। কিন্তু এখন আর তা নেই। দুর্গন্ধসব চলে গেছে।<br />
উপদেশ :আসল কথা হলো, দুর্গন্ধ দূর হয়নি। বরং সে এই দুর্গন্ধে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। এটাকেই সে দুর্গন্ধ চলে গেছে বলে ধরে নিয়েছে। আমাদের অবস্থাও এমনই। আজ আমরা বিভিন্ন অযাচিত কাজে এমনভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি যে, তা করা যে অনুচিত, সেই অনুভূতিটুকুও নিঃশেষ হয়ে যায়। এর থেকে নিজেদেরকে সংশোধন করতে হবে। সামান্য অবাঞ্ছিত কাজকেও বড় অন্যায় মনে করে তা থেকে আমাদের বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তখন ছোট- খাটো অন্যায়কেও বড় অপরাধ মনে হবে এবং তা থেকেবেঁচে থাকা সহজ হয়ে যাবে।<br />
[সূত্র : আদ- দাওয়াতু ইলাল্লাহ, পৃষ্ঠা : ৩২]]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] প্লিজ একবার রিসিভ করে দেখো]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2515</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:31:06 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2515</guid>
			<description><![CDATA[১টা ছেলে ১টা মেয়ে তারা দুজনফেরেনডছিল, কিন্তু ছেলেটা মেয়েটিকে বেস্টফেরেনড মানতো, কিন্তু মেয়েটিছেলেটাকে জাস্ট বন্ধু ভাবতো,ছেলেটা মেয়েটিকে রোজ কল আর এসেমেস করতো,কিন্তু মেয়েটি কোনো দিন তার কল আর এসেমেস রিসিভ করতো না, একদিন রাতে ছেলেটা মেয়েটিকে কল করলো,মেয়েটি তার কলটা উঠালো না, তার পর ছেলেটা মেয়েটিকে মেসেজ করলো কিন্তু মেয়েটি তার মেসেজটা না দেখে সুয়ে পরলো,পরদিন সকালে মেয়েটি ছেলেটাকে কল করলো তখন তার মা কলটা উঠালো বললো কাল রাতে আমার ছেলের এক্সিডেনট হয়, আর সেমারা যায়,যখন মেয়েটি তার মেসেজটা বার করেদেখলো, ওখানে লেখা ছিল, আমি তোমাদের বাড়ির সামনে এক্সিডেনট হয়েছি প্লিজ আমার হেল্প করো, তখন মেয়েটি মেসেজটা পরার পর খুব কাঁদলো, সেভাবলো আজ আমার জন্য তার মরন হলো,,<br />
মনে রাখবেন নিজের জিবনের সুধু ২-৩ মিনিটের জন্য কারো জিবন বাচাতে পারবেন,কোনো দিন কারও কল বা এসেমেস আসলে,সেটা প্লিজ একবার রিসিভ করে দেখবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[১টা ছেলে ১টা মেয়ে তারা দুজনফেরেনডছিল, কিন্তু ছেলেটা মেয়েটিকে বেস্টফেরেনড মানতো, কিন্তু মেয়েটিছেলেটাকে জাস্ট বন্ধু ভাবতো,ছেলেটা মেয়েটিকে রোজ কল আর এসেমেস করতো,কিন্তু মেয়েটি কোনো দিন তার কল আর এসেমেস রিসিভ করতো না, একদিন রাতে ছেলেটা মেয়েটিকে কল করলো,মেয়েটি তার কলটা উঠালো না, তার পর ছেলেটা মেয়েটিকে মেসেজ করলো কিন্তু মেয়েটি তার মেসেজটা না দেখে সুয়ে পরলো,পরদিন সকালে মেয়েটি ছেলেটাকে কল করলো তখন তার মা কলটা উঠালো বললো কাল রাতে আমার ছেলের এক্সিডেনট হয়, আর সেমারা যায়,যখন মেয়েটি তার মেসেজটা বার করেদেখলো, ওখানে লেখা ছিল, আমি তোমাদের বাড়ির সামনে এক্সিডেনট হয়েছি প্লিজ আমার হেল্প করো, তখন মেয়েটি মেসেজটা পরার পর খুব কাঁদলো, সেভাবলো আজ আমার জন্য তার মরন হলো,,<br />
মনে রাখবেন নিজের জিবনের সুধু ২-৩ মিনিটের জন্য কারো জিবন বাচাতে পারবেন,কোনো দিন কারও কল বা এসেমেস আসলে,সেটা প্লিজ একবার রিসিভ করে দেখবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] বিশ্বাস ভালবাসার মূলভিত্তি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2514</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:30:37 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2514</guid>
			<description><![CDATA[Girl : হায়?<br />
Boy : হ্যালো !!<br />
Girl : ভালো আছতো তুমি?<br />
Boy : হয়তো না, তোমায় নিয়ে !<br />
Girl : এই কি ভাবছো? প্লিজ প্লিজ প্লিজ বলো আমাকে !!!<br />
Boy : তুমি সবসময় বল তুমি আমায় খুব বিশ্বাস কর তাই না ?<br />
Girl : হ্যাঁ খুব বিশ্বাস করি!কিন্তু হঠাৎ একথা কেনো জিজ্ঞেস করছো কি হয়েছে ?<br />
Boy : যদি আমি তোমায় ছাদ থেকে লাফ দিতে বলি,তুমিকি লাফ দিবে?<br />
Girl : হ্যাঁ দু চোখ বুজে লাফদিবো<br />
Boy : কেনো?<br />
Girl :আমি জানি তুমি আমাকে মরতে দিবেনা, আমি লাফ দিলে,তুমি আমার হাত ধরে ফেলবে আমাকে কিছুতেই নিচে পরতে দিবেনা তুমি।<br />
Boy : যদি না ধরি?<br />
Girl : তখন নয়তো এই বিশ্বাস নিয়ে মরে যাবো, তুমি আমার হাতটি ধরতে খুব চেষ্টা করেওপারনি, আমাকে বাঁচাতে!<br />
Moral: বিশ্বাস ভালবাসার মূলভিত্তি ! যে ভালবাসায় বিশ্বাস নেই সেই ভালবাসা কখনোই চিরস্হায়ী হবে না..]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Girl : হায়?<br />
Boy : হ্যালো !!<br />
Girl : ভালো আছতো তুমি?<br />
Boy : হয়তো না, তোমায় নিয়ে !<br />
Girl : এই কি ভাবছো? প্লিজ প্লিজ প্লিজ বলো আমাকে !!!<br />
Boy : তুমি সবসময় বল তুমি আমায় খুব বিশ্বাস কর তাই না ?<br />
Girl : হ্যাঁ খুব বিশ্বাস করি!কিন্তু হঠাৎ একথা কেনো জিজ্ঞেস করছো কি হয়েছে ?<br />
Boy : যদি আমি তোমায় ছাদ থেকে লাফ দিতে বলি,তুমিকি লাফ দিবে?<br />
Girl : হ্যাঁ দু চোখ বুজে লাফদিবো<br />
Boy : কেনো?<br />
Girl :আমি জানি তুমি আমাকে মরতে দিবেনা, আমি লাফ দিলে,তুমি আমার হাত ধরে ফেলবে আমাকে কিছুতেই নিচে পরতে দিবেনা তুমি।<br />
Boy : যদি না ধরি?<br />
Girl : তখন নয়তো এই বিশ্বাস নিয়ে মরে যাবো, তুমি আমার হাতটি ধরতে খুব চেষ্টা করেওপারনি, আমাকে বাঁচাতে!<br />
Moral: বিশ্বাস ভালবাসার মূলভিত্তি ! যে ভালবাসায় বিশ্বাস নেই সেই ভালবাসা কখনোই চিরস্হায়ী হবে না..]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] অসুস্থ হরিণের গল্প]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2513</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:29:49 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2513</guid>
			<description><![CDATA[অসুস্থ হওয়ায় এক হরিণ চুপটি করে নিজের আস্তানায় শুয়ে ছিল। তার আত্মীয়-স্বজন, ইয়ার-দোস্তরা দলে দলে তাকে দেখতে এল। তার শরীরের খোঁজ- খবর নেওয়ার সাথে সাথে তারা সবাই তার সঞ্চিত খাবারেও খানিকটা করে ভাগ বসিয়ে গেল। হরিণটা যে শেষ পর্যন্ত মারা পড়ল সেটা যত না অসুখে ভুগে, তার থেকেও বেশী করে খাবারের অভাবে।<br />
উপদেশ : খারাপ সঙ্গীরা ভাল করার চেয়ে অনিষ্টই করে বেশী।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অসুস্থ হওয়ায় এক হরিণ চুপটি করে নিজের আস্তানায় শুয়ে ছিল। তার আত্মীয়-স্বজন, ইয়ার-দোস্তরা দলে দলে তাকে দেখতে এল। তার শরীরের খোঁজ- খবর নেওয়ার সাথে সাথে তারা সবাই তার সঞ্চিত খাবারেও খানিকটা করে ভাগ বসিয়ে গেল। হরিণটা যে শেষ পর্যন্ত মারা পড়ল সেটা যত না অসুখে ভুগে, তার থেকেও বেশী করে খাবারের অভাবে।<br />
উপদেশ : খারাপ সঙ্গীরা ভাল করার চেয়ে অনিষ্টই করে বেশী।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[উপদেশমূলক গল্প] যারা মা-বাবাকে অবজ্ঞা করে তাঁরা পৃথিবীতেই নরক যন্ত্রণা ভোগ করে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2512</link>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2017 16:29:07 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2512</guid>
			<description><![CDATA[আমেরিকার এক শহরে এক নাম করা ব্যবসায়ী ছিলো। টাকা, পয়সা, নামে, দামে, কোনো কিছুরই তার অভাব ছিলো না। কিন্তু তার আধুনিক সমাজে মুখ দেখাতে পারতোনা সুধু তার মায়ের জন্য।<br />
কারন তার মা ছিলো অন্ধ। মায়ের মুখে ছিলো আগুনে পোড়া দাগ আর মাথায় কোনো চুল ছিলো না। তাই আধুনিক সমাজে নিজের মানসম্মান বজায় রাখার<br />
জন্য মা কে বাসা থেকে বের করে দিলো।<br />
বেচারি অন্ধ মা কেদে কেদে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ একটি গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে বৃদ্ধা<br />
মা মারা গেলেন। ছেলে শুনে খুব একটা কষ্ট পেলো না।<br />
ভাবলো আপদ বিদায় হয়েছে। কিছুদিন পর কোনো ডকুমেন্ট খুজতে খুজতে মায়ের ঘরে মায়ের লেখা একটা ডাইরি পেল।<br />
ডাইরিতে লেখা ছিলো<br />
...০৫-১২-১৯৮০ — আজ আমি সুন্দরী মিস আমেরিকা হয়েছি।<br />
০২-০৫-১৯৮৩ — আজ আমি গর্ভপাত করাইনি তাই আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।<br />
০৭-০৩-১৯৮৫ — আজ আমার বাড়িতে আগুন লেগেছিলো। আমি বাহিরে ছিলাম। আর আমার কলিজার<br />
টুকরা ছেলে বাড়ির ভিতোরে ছিলো। নিজের জীবন বাজি রেখে সুধু ছেলের জীবন বাচাতে গিয়ে আগুন লেগে আমার চুল এবং মুখ পুড়ে আমার সম্মস্ত সোন্দরজ্য ছাই<br />
হয়ে গেছে। তাতেআমার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু তবু আমার কলিজার টুকরা ছেলের চোখ দুটো আমি বাচাতে পারিনি।<br />
০৭-১৫-১৯৮৫ — আজ আমার নিজের চোখ দুটো আমার<br />
ছেলে কে দিতে যাচ্ছি।<br />
THE END OF MY LIFE DAIRY...ডাইরিটি পড়ে ছেলে পাগলের মতো কাদতে কাদতে দেয়ালে মাথা আছ ড়াতে আছড়াতে অজ্ঞান হয়ে গেল।<br />
উপদেশঃ যারা মা- বাবাকে অবজ্ঞা করে তাঁরা পৃথিবীতেই<br />
নরক যন্ত্রণা ভোগ করে। তাই মাকে ভালোবাসা উচিত ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমেরিকার এক শহরে এক নাম করা ব্যবসায়ী ছিলো। টাকা, পয়সা, নামে, দামে, কোনো কিছুরই তার অভাব ছিলো না। কিন্তু তার আধুনিক সমাজে মুখ দেখাতে পারতোনা সুধু তার মায়ের জন্য।<br />
কারন তার মা ছিলো অন্ধ। মায়ের মুখে ছিলো আগুনে পোড়া দাগ আর মাথায় কোনো চুল ছিলো না। তাই আধুনিক সমাজে নিজের মানসম্মান বজায় রাখার<br />
জন্য মা কে বাসা থেকে বের করে দিলো।<br />
বেচারি অন্ধ মা কেদে কেদে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ একটি গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে বৃদ্ধা<br />
মা মারা গেলেন। ছেলে শুনে খুব একটা কষ্ট পেলো না।<br />
ভাবলো আপদ বিদায় হয়েছে। কিছুদিন পর কোনো ডকুমেন্ট খুজতে খুজতে মায়ের ঘরে মায়ের লেখা একটা ডাইরি পেল।<br />
ডাইরিতে লেখা ছিলো<br />
...০৫-১২-১৯৮০ — আজ আমি সুন্দরী মিস আমেরিকা হয়েছি।<br />
০২-০৫-১৯৮৩ — আজ আমি গর্ভপাত করাইনি তাই আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।<br />
০৭-০৩-১৯৮৫ — আজ আমার বাড়িতে আগুন লেগেছিলো। আমি বাহিরে ছিলাম। আর আমার কলিজার<br />
টুকরা ছেলে বাড়ির ভিতোরে ছিলো। নিজের জীবন বাজি রেখে সুধু ছেলের জীবন বাচাতে গিয়ে আগুন লেগে আমার চুল এবং মুখ পুড়ে আমার সম্মস্ত সোন্দরজ্য ছাই<br />
হয়ে গেছে। তাতেআমার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু তবু আমার কলিজার টুকরা ছেলের চোখ দুটো আমি বাচাতে পারিনি।<br />
০৭-১৫-১৯৮৫ — আজ আমার নিজের চোখ দুটো আমার<br />
ছেলে কে দিতে যাচ্ছি।<br />
THE END OF MY LIFE DAIRY...ডাইরিটি পড়ে ছেলে পাগলের মতো কাদতে কাদতে দেয়ালে মাথা আছ ড়াতে আছড়াতে অজ্ঞান হয়ে গেল।<br />
উপদেশঃ যারা মা- বাবাকে অবজ্ঞা করে তাঁরা পৃথিবীতেই<br />
নরক যন্ত্রণা ভোগ করে। তাই মাকে ভালোবাসা উচিত ।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>