<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - হাতে কলমে]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 03:05:04 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীকে ঠাণ্ডা রাখতে ক্ষুদ্র প্রাণী পিঁপড়া-]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1973</link>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2017 07:11:39 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1973</guid>
			<description><![CDATA[পৃথিবীকে ঠাণ্ডা রাখতে ক্ষুদ্র প্রাণী পিঁপড়া-<br />
.<br />
.<br />
.<br />
.<br />
দ্রুত শিল্পায়ন ও উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পৃথিবীর<br />
তাপমাত্রা ক্রমাগত বেড়েই চলছে।তাই আমাদের বসবাসস্থল<br />
এই পৃথিবীকে টিকিয়ে রাখতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ জরুরি হয়ে<br />
পড়েছে। পৃথিবী ব্যাপী এ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।তবে<br />
সাম্প্র্রতিক এক গবেষণা এ বিষয়ে চমকপ্রদ এক তথ্য দিয়েছে।<br />
এতে বলা হয়েছে,তাপমাত্রা কমিয়ে পৃথিবীকে ঠাণ্ডা রাখতে<br />
ক্ষুদ্র প্রাণী পিঁপড়া।পিঁপড়াদের হাতেই নাকি রয়েছে এ ক্ষমতা।<br />
মাটির ওপর পিঁপড়ার প্রভাব বিষয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর জানা<br />
যায়,পিঁপড়াদের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর আবহাওয়া<br />
শীতল করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে।আরিজোনা স্টেট<br />
ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক লেখক রোনাল্ড ডর্ন<br />
জানান,পিঁপড়ারা পরিবেশকে পাল্টে দিতে পারে। পিঁপড়ার কিছু<br />
প্রজাতি রয়েছে যারা নিজেদের শরীর থেকে ক্যালসিয়াম<br />
কার্বনেট ঝরাতে সক্ষম।এটিকে আমরা চলতি ভাষায় লাইম<br />
স্টোন হিসেবে জেনে থাকি। এই পদ্ধতি আবহাওয়া থেকে<br />
সামান্য পরিমাণে হলেও কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ<br />
কমাতে পারে।মহাসাগরে যেভাবে গ্রহের তাপমাত্রা ব্যাপক<br />
আকারে শীতল রাখার প্রক্রিয়া চলে পিঁপড়াদের এই<br />
কর্মকাণ্ডকে এরই ক্ষুদ্র সংস্করণ বলা চলে।ব্যাসল্টের মধ্যে<br />
পিঁপড়া ভাঙচুর দেখে ডর্ন তাদের শক্তিশালী ‘ওয়েদার<br />
এজেন্ট’আখ্যা দিয়েছেন।<br />
ডর্নের গবেষণায় উঠে এসেছে,খোলা জায়গায় বালি রেখে দিলে<br />
তাতে যে ভাঙন আসে তার থেকে অন্তত ৫০ থেকে ৩০০ গুণ দ্রুত<br />
বালি ভাঙতে পারে পিঁপড়া।ডর্নের মতে,লাইম স্টোন তৈরির<br />
সময় পিঁপড়ারা খনিজ থেকে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সাফ<br />
করে দেয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পৃথিবীকে ঠাণ্ডা রাখতে ক্ষুদ্র প্রাণী পিঁপড়া-<br />
.<br />
.<br />
.<br />
.<br />
দ্রুত শিল্পায়ন ও উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পৃথিবীর<br />
তাপমাত্রা ক্রমাগত বেড়েই চলছে।তাই আমাদের বসবাসস্থল<br />
এই পৃথিবীকে টিকিয়ে রাখতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ জরুরি হয়ে<br />
পড়েছে। পৃথিবী ব্যাপী এ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।তবে<br />
সাম্প্র্রতিক এক গবেষণা এ বিষয়ে চমকপ্রদ এক তথ্য দিয়েছে।<br />
এতে বলা হয়েছে,তাপমাত্রা কমিয়ে পৃথিবীকে ঠাণ্ডা রাখতে<br />
ক্ষুদ্র প্রাণী পিঁপড়া।পিঁপড়াদের হাতেই নাকি রয়েছে এ ক্ষমতা।<br />
মাটির ওপর পিঁপড়ার প্রভাব বিষয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর জানা<br />
যায়,পিঁপড়াদের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর আবহাওয়া<br />
শীতল করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে।আরিজোনা স্টেট<br />
ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক লেখক রোনাল্ড ডর্ন<br />
জানান,পিঁপড়ারা পরিবেশকে পাল্টে দিতে পারে। পিঁপড়ার কিছু<br />
প্রজাতি রয়েছে যারা নিজেদের শরীর থেকে ক্যালসিয়াম<br />
কার্বনেট ঝরাতে সক্ষম।এটিকে আমরা চলতি ভাষায় লাইম<br />
স্টোন হিসেবে জেনে থাকি। এই পদ্ধতি আবহাওয়া থেকে<br />
সামান্য পরিমাণে হলেও কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ<br />
কমাতে পারে।মহাসাগরে যেভাবে গ্রহের তাপমাত্রা ব্যাপক<br />
আকারে শীতল রাখার প্রক্রিয়া চলে পিঁপড়াদের এই<br />
কর্মকাণ্ডকে এরই ক্ষুদ্র সংস্করণ বলা চলে।ব্যাসল্টের মধ্যে<br />
পিঁপড়া ভাঙচুর দেখে ডর্ন তাদের শক্তিশালী ‘ওয়েদার<br />
এজেন্ট’আখ্যা দিয়েছেন।<br />
ডর্নের গবেষণায় উঠে এসেছে,খোলা জায়গায় বালি রেখে দিলে<br />
তাতে যে ভাঙন আসে তার থেকে অন্তত ৫০ থেকে ৩০০ গুণ দ্রুত<br />
বালি ভাঙতে পারে পিঁপড়া।ডর্নের মতে,লাইম স্টোন তৈরির<br />
সময় পিঁপড়ারা খনিজ থেকে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সাফ<br />
করে দেয়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এবার হবে চালকবিহীন গাড়ির রেস, প্রস্তুত গাড়ি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1972</link>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2017 07:09:02 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1972</guid>
			<description><![CDATA[এবার হবে চালকবিহীন গাড়ির রেস, প্রস্তুত গাড়ি<br />
.<br />
রোবোরেস নামে গাড়ির প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি হয়েছে<br />
গাড়ি। তবে এ গাড়িতে কোনো চালক থাকছে না। কারণ<br />
গাড়িগুলো চলবে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এক প্রতিবেদনে<br />
বিষয়টি জানিয়েছে বিবিসি।<br />
.<br />
এবার দর্শকদের রোমাঞ্চিত করবে চালকবিহীন গাড়ির রেস।<br />
সম্প্রতি এ প্রতিযোগিতার জন্য একটি চালকহীন গাড়ির<br />
প্রটোটাইপ তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ডারবিতে<br />
ডনিংটন পার্ক সার্কিটে এ গাড়ি নামানো হয়।<br />
.<br />
গাড়িটি কোনো চালক ছাড়াই সার্কিটে একটি ল্যাপ চলে। এতে<br />
সে সময় কোনো মানুষের নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়নি।<br />
চালকহীন গাড়ি নিয়ে বহু প্রতিষ্ঠান গবেষণা করছে। তবে<br />
তাদের মূল আগ্রহ রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করা।<br />
এবারই প্রথম রেসিং গাড়ি হিসেবে চালকহীন গাড়ি তৈরি হলো।<br />
.<br />
চালকহীন গাড়ির প্রতিযোগিতা কতটা মানুষের মন জয় করবে,<br />
তা নিয়ে অনেকেই সন্ধিহান। তবে গাড়ি প্রতিযোগিতার<br />
সংশ্লিষ্টরা এ ব্যাপারে আশাবাদী যে,<br />
দর্শকরা এটি সাদরে গ্রহণ করবে। লন্ডনভিত্তিক<br />
বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কাইনটেক আশা করছে বৈদ্যুতিক<br />
শক্তিচালিত সম্পূর্ণ চালকহীন গাড়ির প্রতিযোগিতা<br />
আগামীতে মানুষের মন জয় করবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এবার হবে চালকবিহীন গাড়ির রেস, প্রস্তুত গাড়ি<br />
.<br />
রোবোরেস নামে গাড়ির প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি হয়েছে<br />
গাড়ি। তবে এ গাড়িতে কোনো চালক থাকছে না। কারণ<br />
গাড়িগুলো চলবে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এক প্রতিবেদনে<br />
বিষয়টি জানিয়েছে বিবিসি।<br />
.<br />
এবার দর্শকদের রোমাঞ্চিত করবে চালকবিহীন গাড়ির রেস।<br />
সম্প্রতি এ প্রতিযোগিতার জন্য একটি চালকহীন গাড়ির<br />
প্রটোটাইপ তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ডারবিতে<br />
ডনিংটন পার্ক সার্কিটে এ গাড়ি নামানো হয়।<br />
.<br />
গাড়িটি কোনো চালক ছাড়াই সার্কিটে একটি ল্যাপ চলে। এতে<br />
সে সময় কোনো মানুষের নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়নি।<br />
চালকহীন গাড়ি নিয়ে বহু প্রতিষ্ঠান গবেষণা করছে। তবে<br />
তাদের মূল আগ্রহ রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করা।<br />
এবারই প্রথম রেসিং গাড়ি হিসেবে চালকহীন গাড়ি তৈরি হলো।<br />
.<br />
চালকহীন গাড়ির প্রতিযোগিতা কতটা মানুষের মন জয় করবে,<br />
তা নিয়ে অনেকেই সন্ধিহান। তবে গাড়ি প্রতিযোগিতার<br />
সংশ্লিষ্টরা এ ব্যাপারে আশাবাদী যে,<br />
দর্শকরা এটি সাদরে গ্রহণ করবে। লন্ডনভিত্তিক<br />
বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কাইনটেক আশা করছে বৈদ্যুতিক<br />
শক্তিচালিত সম্পূর্ণ চালকহীন গাড়ির প্রতিযোগিতা<br />
আগামীতে মানুষের মন জয় করবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কে কথা বলে? . . . . গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের কণ্ঠস্বর নকল করতে পারবে।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1971</link>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2017 07:07:49 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1971</guid>
			<description><![CDATA[কে কথা বলে?<br />
.<br />
.<br />
.<br />
.<br />
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের কণ্ঠস্বর নকল করতে<br />
পারবে।<br />
এখন খুব সহজেই মানুষ ও রোবটের কণ্ঠস্বরের পার্থক্য ধরা<br />
যায়। কিন্তু একটা সময় আসবে, যখন রোবটের কণ্ঠস্বর<br />
মানুষকে বোকা বানাতে সক্ষম হবে। রোবটের কণ্ঠস্বর হুবহু<br />
মানুষের মতো হয়ে যাবে। মানুষ ধরতে পারবে না সে রোবট,<br />
নাকি মানুষের সঙ্গে কথা বলছে। গুগলের ডিপমাইন্ড নামের<br />
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার নির্মাতা দলের গবেষকেরা<br />
‘ওয়েভনেট’ নামের এই কৃত্রিম বুদ্ধিমান সফটওয়্যার তৈরি<br />
করেছেন।<br />
গুগলের ডিপমাইন্ড টিম বুদ্ধিমান কম্পিউটার তৈরিতে কাজ<br />
করছে। এরই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁরা যন্ত্র থেকে<br />
উৎপন্ন শব্দ মানুষের মতো করার জন্য কাজ করছেন। তাঁদের<br />
তৈরি এই সিস্টেমে বর্তমানে থাকা টেক্সট টু স্পিচ প্রযুক্তি ৫০<br />
শতাংশ বেশি উন্নত হবে।<br />
২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ডিপমাইন্ডকে ৫৩ কোটি ৩০<br />
লাখ মার্কিন ডলারে কিনে নেয় গুগল।<br />
বর্তমানে অনেক কম্পিউটার উৎপন্ন শব্দের ক্ষেত্রে<br />
যেকোনো একটি বক্তার আওয়াজে ছোট ছোট রেকর্ডিংয়ের<br />
বিশাল ডেটাসেট নিয়ে কাজ করে। এসব শব্দ একসঙ্গে যুক্ত<br />
হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। এতে শব্দ সহজে পরিবর্তন করা<br />
যায় না। অন্যান্য ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক উপায়ে শব্দ তৈরি করা<br />
হয়। এতে শব্দের উচ্চারণ রোবটিক শোনায়।<br />
ডিপমাইন্ড টিমের ভাষ্য, ওয়েভনেট হবে একধরনের কৃত্রিম<br />
বুদ্ধিমত্তা, যাকে নিউরাল নেটওয়ার্ক বলা যায়। এতে মানুষের<br />
মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ (নিউরন) যেভাবে কাজ করে, সেভাবে<br />
কাজ করবে। স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একককে<br />
নিউরন বলে। মস্তিষ্ক কোটি কোটি নিউরন দিয়ে তৈরি।<br />
গবেষকেরা বলছেন, নিউরন নেটওয়ার্ককে বিশাল ডেটাসেট দিয়ে<br />
প্রশিক্ষণ দিতে হয়।<br />
গবেষকেরা বলছেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হলেও এখনই এটি<br />
অ্যাপ্লিকেশন আকারে বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। কারণ, পুরো<br />
সিস্টেমের জন্য কম ক্ষমতাশালী প্রসেসিং ক্ষমতার<br />
কম্পিউটার দরকার হবে।<br />
তথ্যসূত্র:<br />
1. ব্লুমবার্গ<br />
2. prothom-alo]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কে কথা বলে?<br />
.<br />
.<br />
.<br />
.<br />
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের কণ্ঠস্বর নকল করতে<br />
পারবে।<br />
এখন খুব সহজেই মানুষ ও রোবটের কণ্ঠস্বরের পার্থক্য ধরা<br />
যায়। কিন্তু একটা সময় আসবে, যখন রোবটের কণ্ঠস্বর<br />
মানুষকে বোকা বানাতে সক্ষম হবে। রোবটের কণ্ঠস্বর হুবহু<br />
মানুষের মতো হয়ে যাবে। মানুষ ধরতে পারবে না সে রোবট,<br />
নাকি মানুষের সঙ্গে কথা বলছে। গুগলের ডিপমাইন্ড নামের<br />
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার নির্মাতা দলের গবেষকেরা<br />
‘ওয়েভনেট’ নামের এই কৃত্রিম বুদ্ধিমান সফটওয়্যার তৈরি<br />
করেছেন।<br />
গুগলের ডিপমাইন্ড টিম বুদ্ধিমান কম্পিউটার তৈরিতে কাজ<br />
করছে। এরই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁরা যন্ত্র থেকে<br />
উৎপন্ন শব্দ মানুষের মতো করার জন্য কাজ করছেন। তাঁদের<br />
তৈরি এই সিস্টেমে বর্তমানে থাকা টেক্সট টু স্পিচ প্রযুক্তি ৫০<br />
শতাংশ বেশি উন্নত হবে।<br />
২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ডিপমাইন্ডকে ৫৩ কোটি ৩০<br />
লাখ মার্কিন ডলারে কিনে নেয় গুগল।<br />
বর্তমানে অনেক কম্পিউটার উৎপন্ন শব্দের ক্ষেত্রে<br />
যেকোনো একটি বক্তার আওয়াজে ছোট ছোট রেকর্ডিংয়ের<br />
বিশাল ডেটাসেট নিয়ে কাজ করে। এসব শব্দ একসঙ্গে যুক্ত<br />
হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। এতে শব্দ সহজে পরিবর্তন করা<br />
যায় না। অন্যান্য ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক উপায়ে শব্দ তৈরি করা<br />
হয়। এতে শব্দের উচ্চারণ রোবটিক শোনায়।<br />
ডিপমাইন্ড টিমের ভাষ্য, ওয়েভনেট হবে একধরনের কৃত্রিম<br />
বুদ্ধিমত্তা, যাকে নিউরাল নেটওয়ার্ক বলা যায়। এতে মানুষের<br />
মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ (নিউরন) যেভাবে কাজ করে, সেভাবে<br />
কাজ করবে। স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একককে<br />
নিউরন বলে। মস্তিষ্ক কোটি কোটি নিউরন দিয়ে তৈরি।<br />
গবেষকেরা বলছেন, নিউরন নেটওয়ার্ককে বিশাল ডেটাসেট দিয়ে<br />
প্রশিক্ষণ দিতে হয়।<br />
গবেষকেরা বলছেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হলেও এখনই এটি<br />
অ্যাপ্লিকেশন আকারে বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। কারণ, পুরো<br />
সিস্টেমের জন্য কম ক্ষমতাশালী প্রসেসিং ক্ষমতার<br />
কম্পিউটার দরকার হবে।<br />
তথ্যসূত্র:<br />
1. ব্লুমবার্গ<br />
2. prothom-alo]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চোখের জলের হয় না কোনো দাম? এবার চালু হচ্ছে প্রথম টিয়ার্স ব্যাঙ্ক]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1970</link>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2017 07:06:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1970</guid>
			<description><![CDATA[চোখের জলের হয় না কোনো দাম? এবার<br />
চালু হচ্ছে প্রথম টিয়ার্স ব্যাঙ্ক!<br />
.<br />
.<br />
কে বলল, চোখের জলের হয় না কোনো দাম?<br />
.<br />
এবার চোখের জলও ‘কেনা’ যাবে! চোখের জল জমিয়ে রাখা<br />
যাবে।চোখের জল দেয়া, নেওয়ার জন্য এবার চালু হচ্ছে টিয়ার্স<br />
ব্যাঙ্ক। সেই ব্যাঙ্কে চোখের জল দেয়া বা সেখান থেকে<br />
চোখের জল নেয়ার জন্য এবার অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে<br />
চোখের জলের ব্যাঙ্কে।রীতিমতো দাম চুকিয়েই চোখের জল<br />
নিতে হবে এবার ওই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক থেকে। বিভিন্ন<br />
প্রয়োজনে।বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী<br />
সংস্থার রিসার্চ সেলের চাহিদা মেটাতে। ব্লাড ব্যাঙ্ক ও<br />
প্রতিস্থাপন, গবেষণার জন্য কিডনি, ফুসফুসসহ বিভিন্ন<br />
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাঙ্কের পর এবার চালু হতে চলেছে টিয়ার্স<br />
ব্যাঙ্কও।<br />
.<br />
মূল উদ্যোগটা যিনি নিচ্ছেন, তিনি এক জন ইজরায়েলি<br />
নিউরো-বায়োলজিস্ট, রেহ্ভোতের ‘ওয়াইজ্ম্যান ইনস্টিটিউট<br />
অফ সায়েন্স’-এর অধ্যাপক নোয়াম সবেল। সঙ্গী এক<br />
অনাবাসী ভারতীয় নিউরো-সায়েন্টিস্ট অনিতা সারেঙ্গি। কেন<br />
তাঁরা এই অভিনব উদ্যোগের কথা ভাবছেন?<br />
.<br />
সম্প্রতি কলকাতায় তাঁর এক পারিবারিক<br />
বন্ধুর কাছে ঘুরতে এসেছিলেন সবেল- ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে<br />
গবেষণা করছি চোখের জল নিয়ে। একেবারে হালে আমরা<br />
গবেষণায় দেখেছি, মানুষের চোখের জল সব সময়েই রাসায়নিক<br />
বার্তা বা সংকেত<br />
(কেমিক্যাল সিগন্যাল) বয়ে নিয়ে বেড়ায়। কোনও মহিলার<br />
চোখে জলে থাকা ‘ফেরোমোন’ সামনে দাঁড়ানো কোনও<br />
পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণের পরিমাণ<br />
কমিয়ে দেয়।সেই পুরুষের যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করে বা<br />
তাকে যতটা সম্ভব কমানোর চেষ্টা করে বা কমিয়ে দেয়। সেই<br />
গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে বিজ্ঞান- জার্নাল ‘সায়েন্স’-এ।<br />
আমরা দুঃখ পেলে কাঁদি, খুব আনন্দ হলেও কাঁদি, খুব জোরে<br />
হাসতে হাসতেও আমাদের চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে।<br />
পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে তার ঝাঁঝ লাগলে<br />
আমাদের চোখ থেকে জল বেরিয়ে<br />
আসে। আবহাওয়ায় গরম ও ঠাণ্ডার ফারাকটা খুব তাড়াতাড়ি<br />
ওঠা-নামা করলেও চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে। জলের অভাব<br />
নেই আমাদের চোখে। ওই অশ্রু বা টিয়ার’ই আমাদের চোখকে<br />
ভাল, সুস্থ ও তরতাজা রাখে। কর্নিয়াকে দেয় ‘শ্বাসের<br />
বাতাস’। কিন্তু মুশকিলটা হল, গবেষণার জন্য চোখের জল চট<br />
করে পাওয়া যায় না।কেউই তাঁর চোখের জল দিতে চান না।<br />
দুঃখে কাঁদা বা আনন্দে চোখের জল ফেলার সময় কেই-বা<br />
ভাবেন বলুন, একটা চামচে বা কাপে বা ছোট শিশিতে ভরে রাখি<br />
অশ্রু, পরে তা গবেষকদের হাতে তুলে দিতে হবে বলে? আর<br />
চোখের জল জমিয়ে রেখে অনেক পরে তা গবেষকদের হাতে তুলে<br />
দিলেও তো তেমন লাভ হয় না। ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য<br />
পরিবেশগত কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়। সেই চোখের জল নিয়ে<br />
আর গবেষণা করা যায় না। তাই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক গড়ে তোলার<br />
উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। আপাতত<br />
ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ<br />
শহরেই ওই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক চালু হবে। পরে<br />
গবেষক ও বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী<br />
সংস্থার প্রয়োজনে বিভিন্ন দেশে<br />
খোলা হবে তার শাখা।’<br />
.<br />
তবে সেই ব্যাঙ্কেই বা কী ভাবে চোখের জলের ‘দীর্ঘমেয়াদী<br />
আমানত’ সম্ভব হবে?<br />
.<br />
তারও উপায় বের করেছেন সবেলই। বললেন, ‘যাতে চোখের<br />
জলের রাসায়নিক উপাদানগুলি দীর্ঘ সময় ধরে একেবারে<br />
ঠিকঠাক থাকে, সে জন্য আমরা<br />
তাকে ঠাণ্ডায় জমিয়ে রাখার উপায়ও<br />
উদ্ভাবন করেছি। তার কয়েকটি ধাপ<br />
রয়েছে। তরল নাইট্রোজেনকে ব্যবহার<br />
করতে হয়। যা চোখের জলের তাপমাত্রা<br />
শূন্যের ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে<br />
নামিয়ে দেয়। মানে, মাইনাস ৮০ ডিগ্রি<br />
সেলসিয়াসে। ক্রায়োজেনিক পদ্ধতিতে<br />
সেই ঠাণ্ডায় জমানো চোখের জলকে<br />
রাখা হবে ব্যাঙ্কে। রক্ত, মূত্র, বিভিন্ন<br />
অ্যাম্নায়োটিক ফ্লুইডের মতো চোখের<br />
জলও কেনা বা পাওয়া যাবে অনলাইন<br />
অর্ডারের ভিত্তিতে। ওই ব্যাঙ্কে<br />
থাকবে বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষের<br />
চোখের জল। তার ফলে যে চোখের জল<br />
পেতে এখন গবেষক ও ওষুধ প্রস্তুতকারী<br />
সংস্থাগুলির কালঘাম ছুটে যায়, তা<br />
দু’সপ্তাহের মধ্যেই তাঁদের হাতে পৌঁছে<br />
যাবে। ‘সিলিকন ভ্যালি’রও খুব প্রয়োজন<br />
হবে চোখের জলের, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির<br />
কনট্যাক্ট লেন্স বানাতে।’<br />
.<br />
চোখের জলের গবেষণা আমাদের কত দূর<br />
পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে?<br />
সহযোগী ভারতীয় গবেষক অনিতা<br />
সারেঙ্গির কথায়, ‘চোখের জল আমাদের<br />
‘মুড’ কী ভাবে কতটা বদলে দেয়,<br />
মস্তিষ্কের স্নায়ুর কোন কোন কার্যকলাপ<br />
তাদের নিয়ন্ত্রণ করে, ক্ষরণের আগে<br />
নিউরনগুলি কী ভাবে চোখের কোষ,<br />
কলাগুলিকে ‘সিগন্যাল’ বা সংকেত<br />
পাঠায়, নারী ও পুরুষের চোখের জলের<br />
ফারাক কতটা, কতটা পার্থক্য থাকে তাদের<br />
রাসায়নিক উপাদানে, প্রচণ্ড খিদেয় কেন<br />
চোখে জল আসে, আবেগ-সঞ্জাত<br />
(ইমোশনাল) ও আবেগ-বিবর্জিত (নন-<br />
ইমোশনাল) চোখের জলের ফারাকটা<br />
কোথায় আর সেই ফারাকটা হয় কেন, এ সব<br />
বুঝতে সহজ করবে চোখের জলের ব্যাঙ্ক।<br />
কারণ, গবেষণার জন্য তখন চোখের জল<br />
পেতে অসুবিধা হবে না।’<br />
ইমোশনাল ও নন-ইমোশনাল চোখের জলের মধ্যে আপাতত<br />
কী কী ফারাক লক্ষ্য<br />
করেছেন গবেষকরা?<br />
সবেল বলছেন, ‘আমরাই প্রথম দেখিয়েছি,<br />
চোখের জলের মাধ্যমে মানুষ তার সঙ্গী,<br />
পরিচিত, কম পরিচিত বা অপরিচিতের<br />
সঙ্গে রাসায়নিক ভাবে যোগাযোগ<br />
(কেমিক্যাল কমিউনিকেশন) গড়ে<br />
তোলে। এটাকেই বলে ‘কেমো-<br />
সিগন্যাল’। যাতে কোনও গন্ধ থাকে না।<br />
তবে তা লবণাক্ত। এর আগে ওই ‘কেমো-<br />
সিগন্যাল’ একমাত্র ব্লাইন্ড মোল র্যাট-এই<br />
পাওয়া গিয়েছিল। যদিও শিশু ও পুরুষের<br />
চোখের জল কোনও ‘কেমো-সিগন্যাল’<br />
পাঠায় কি না, সে ব্যাপারে এখনও<br />
নিশ্চিত নই আমরা। তবে আমরা দেখেছি,<br />
ইমোশনাল চোখের জলে অনেক বেশি<br />
প্রোটিন থাকে। চোখ ভাল রাখার জন্য<br />
সাধারণ চোখের জলে অতটা পরিমাণে<br />
প্রোটিন থাকে না।']]></description>
			<content:encoded><![CDATA[চোখের জলের হয় না কোনো দাম? এবার<br />
চালু হচ্ছে প্রথম টিয়ার্স ব্যাঙ্ক!<br />
.<br />
.<br />
কে বলল, চোখের জলের হয় না কোনো দাম?<br />
.<br />
এবার চোখের জলও ‘কেনা’ যাবে! চোখের জল জমিয়ে রাখা<br />
যাবে।চোখের জল দেয়া, নেওয়ার জন্য এবার চালু হচ্ছে টিয়ার্স<br />
ব্যাঙ্ক। সেই ব্যাঙ্কে চোখের জল দেয়া বা সেখান থেকে<br />
চোখের জল নেয়ার জন্য এবার অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে<br />
চোখের জলের ব্যাঙ্কে।রীতিমতো দাম চুকিয়েই চোখের জল<br />
নিতে হবে এবার ওই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক থেকে। বিভিন্ন<br />
প্রয়োজনে।বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী<br />
সংস্থার রিসার্চ সেলের চাহিদা মেটাতে। ব্লাড ব্যাঙ্ক ও<br />
প্রতিস্থাপন, গবেষণার জন্য কিডনি, ফুসফুসসহ বিভিন্ন<br />
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাঙ্কের পর এবার চালু হতে চলেছে টিয়ার্স<br />
ব্যাঙ্কও।<br />
.<br />
মূল উদ্যোগটা যিনি নিচ্ছেন, তিনি এক জন ইজরায়েলি<br />
নিউরো-বায়োলজিস্ট, রেহ্ভোতের ‘ওয়াইজ্ম্যান ইনস্টিটিউট<br />
অফ সায়েন্স’-এর অধ্যাপক নোয়াম সবেল। সঙ্গী এক<br />
অনাবাসী ভারতীয় নিউরো-সায়েন্টিস্ট অনিতা সারেঙ্গি। কেন<br />
তাঁরা এই অভিনব উদ্যোগের কথা ভাবছেন?<br />
.<br />
সম্প্রতি কলকাতায় তাঁর এক পারিবারিক<br />
বন্ধুর কাছে ঘুরতে এসেছিলেন সবেল- ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে<br />
গবেষণা করছি চোখের জল নিয়ে। একেবারে হালে আমরা<br />
গবেষণায় দেখেছি, মানুষের চোখের জল সব সময়েই রাসায়নিক<br />
বার্তা বা সংকেত<br />
(কেমিক্যাল সিগন্যাল) বয়ে নিয়ে বেড়ায়। কোনও মহিলার<br />
চোখে জলে থাকা ‘ফেরোমোন’ সামনে দাঁড়ানো কোনও<br />
পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণের পরিমাণ<br />
কমিয়ে দেয়।সেই পুরুষের যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করে বা<br />
তাকে যতটা সম্ভব কমানোর চেষ্টা করে বা কমিয়ে দেয়। সেই<br />
গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে বিজ্ঞান- জার্নাল ‘সায়েন্স’-এ।<br />
আমরা দুঃখ পেলে কাঁদি, খুব আনন্দ হলেও কাঁদি, খুব জোরে<br />
হাসতে হাসতেও আমাদের চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে।<br />
পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে তার ঝাঁঝ লাগলে<br />
আমাদের চোখ থেকে জল বেরিয়ে<br />
আসে। আবহাওয়ায় গরম ও ঠাণ্ডার ফারাকটা খুব তাড়াতাড়ি<br />
ওঠা-নামা করলেও চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে। জলের অভাব<br />
নেই আমাদের চোখে। ওই অশ্রু বা টিয়ার’ই আমাদের চোখকে<br />
ভাল, সুস্থ ও তরতাজা রাখে। কর্নিয়াকে দেয় ‘শ্বাসের<br />
বাতাস’। কিন্তু মুশকিলটা হল, গবেষণার জন্য চোখের জল চট<br />
করে পাওয়া যায় না।কেউই তাঁর চোখের জল দিতে চান না।<br />
দুঃখে কাঁদা বা আনন্দে চোখের জল ফেলার সময় কেই-বা<br />
ভাবেন বলুন, একটা চামচে বা কাপে বা ছোট শিশিতে ভরে রাখি<br />
অশ্রু, পরে তা গবেষকদের হাতে তুলে দিতে হবে বলে? আর<br />
চোখের জল জমিয়ে রেখে অনেক পরে তা গবেষকদের হাতে তুলে<br />
দিলেও তো তেমন লাভ হয় না। ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য<br />
পরিবেশগত কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়। সেই চোখের জল নিয়ে<br />
আর গবেষণা করা যায় না। তাই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক গড়ে তোলার<br />
উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। আপাতত<br />
ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ<br />
শহরেই ওই টিয়ার্স ব্যাঙ্ক চালু হবে। পরে<br />
গবেষক ও বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী<br />
সংস্থার প্রয়োজনে বিভিন্ন দেশে<br />
খোলা হবে তার শাখা।’<br />
.<br />
তবে সেই ব্যাঙ্কেই বা কী ভাবে চোখের জলের ‘দীর্ঘমেয়াদী<br />
আমানত’ সম্ভব হবে?<br />
.<br />
তারও উপায় বের করেছেন সবেলই। বললেন, ‘যাতে চোখের<br />
জলের রাসায়নিক উপাদানগুলি দীর্ঘ সময় ধরে একেবারে<br />
ঠিকঠাক থাকে, সে জন্য আমরা<br />
তাকে ঠাণ্ডায় জমিয়ে রাখার উপায়ও<br />
উদ্ভাবন করেছি। তার কয়েকটি ধাপ<br />
রয়েছে। তরল নাইট্রোজেনকে ব্যবহার<br />
করতে হয়। যা চোখের জলের তাপমাত্রা<br />
শূন্যের ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে<br />
নামিয়ে দেয়। মানে, মাইনাস ৮০ ডিগ্রি<br />
সেলসিয়াসে। ক্রায়োজেনিক পদ্ধতিতে<br />
সেই ঠাণ্ডায় জমানো চোখের জলকে<br />
রাখা হবে ব্যাঙ্কে। রক্ত, মূত্র, বিভিন্ন<br />
অ্যাম্নায়োটিক ফ্লুইডের মতো চোখের<br />
জলও কেনা বা পাওয়া যাবে অনলাইন<br />
অর্ডারের ভিত্তিতে। ওই ব্যাঙ্কে<br />
থাকবে বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষের<br />
চোখের জল। তার ফলে যে চোখের জল<br />
পেতে এখন গবেষক ও ওষুধ প্রস্তুতকারী<br />
সংস্থাগুলির কালঘাম ছুটে যায়, তা<br />
দু’সপ্তাহের মধ্যেই তাঁদের হাতে পৌঁছে<br />
যাবে। ‘সিলিকন ভ্যালি’রও খুব প্রয়োজন<br />
হবে চোখের জলের, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির<br />
কনট্যাক্ট লেন্স বানাতে।’<br />
.<br />
চোখের জলের গবেষণা আমাদের কত দূর<br />
পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে?<br />
সহযোগী ভারতীয় গবেষক অনিতা<br />
সারেঙ্গির কথায়, ‘চোখের জল আমাদের<br />
‘মুড’ কী ভাবে কতটা বদলে দেয়,<br />
মস্তিষ্কের স্নায়ুর কোন কোন কার্যকলাপ<br />
তাদের নিয়ন্ত্রণ করে, ক্ষরণের আগে<br />
নিউরনগুলি কী ভাবে চোখের কোষ,<br />
কলাগুলিকে ‘সিগন্যাল’ বা সংকেত<br />
পাঠায়, নারী ও পুরুষের চোখের জলের<br />
ফারাক কতটা, কতটা পার্থক্য থাকে তাদের<br />
রাসায়নিক উপাদানে, প্রচণ্ড খিদেয় কেন<br />
চোখে জল আসে, আবেগ-সঞ্জাত<br />
(ইমোশনাল) ও আবেগ-বিবর্জিত (নন-<br />
ইমোশনাল) চোখের জলের ফারাকটা<br />
কোথায় আর সেই ফারাকটা হয় কেন, এ সব<br />
বুঝতে সহজ করবে চোখের জলের ব্যাঙ্ক।<br />
কারণ, গবেষণার জন্য তখন চোখের জল<br />
পেতে অসুবিধা হবে না।’<br />
ইমোশনাল ও নন-ইমোশনাল চোখের জলের মধ্যে আপাতত<br />
কী কী ফারাক লক্ষ্য<br />
করেছেন গবেষকরা?<br />
সবেল বলছেন, ‘আমরাই প্রথম দেখিয়েছি,<br />
চোখের জলের মাধ্যমে মানুষ তার সঙ্গী,<br />
পরিচিত, কম পরিচিত বা অপরিচিতের<br />
সঙ্গে রাসায়নিক ভাবে যোগাযোগ<br />
(কেমিক্যাল কমিউনিকেশন) গড়ে<br />
তোলে। এটাকেই বলে ‘কেমো-<br />
সিগন্যাল’। যাতে কোনও গন্ধ থাকে না।<br />
তবে তা লবণাক্ত। এর আগে ওই ‘কেমো-<br />
সিগন্যাল’ একমাত্র ব্লাইন্ড মোল র্যাট-এই<br />
পাওয়া গিয়েছিল। যদিও শিশু ও পুরুষের<br />
চোখের জল কোনও ‘কেমো-সিগন্যাল’<br />
পাঠায় কি না, সে ব্যাপারে এখনও<br />
নিশ্চিত নই আমরা। তবে আমরা দেখেছি,<br />
ইমোশনাল চোখের জলে অনেক বেশি<br />
প্রোটিন থাকে। চোখ ভাল রাখার জন্য<br />
সাধারণ চোখের জলে অতটা পরিমাণে<br />
প্রোটিন থাকে না।']]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মানসিক চাপ দেখাবে পোশাক-]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1969</link>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2017 07:04:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1969</guid>
			<description><![CDATA[মানসিক চাপ দেখাবে পোশাক-<br />
.<br />
.<br />
.<br />
.<br />
হুসেইন চ্যালায়ানের নকশা করা পোশাকগুলোতে প্রযুক্তির<br />
সঙ্গে মেলবন্ধন থাকবে l ছবি: এএফপিসোনা, হীরাখচিত<br />
পোশাক আমরা দেখেছি। কিন্তু এলইডি বাতি কিংবা খুদে<br />
যন্ত্রখচিত পোশাকও যে হতে পারে তা ব্রিটিশ ডিজাইনার<br />
হুসেইন চ্যালায়ান গত দশকেই করে দেখিয়েছেন। গত ৩০<br />
সেপ্টেম্বর সকালে ‘প্যারিস ফ্যাশন উইক’-এর রানওয়েতে<br />
আবারও পোশাক ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটালেন হুসেইন। তাঁর<br />
এই নতুন প্রযুক্তির পোশাক, পরিধানকারীর মানসিক চাপ<br />
মেপে তা পর্দায় দেখাতে পারে। হুসেইনের মতে, ফ্যাশনে<br />
ইতিমধ্যে সবকিছুই হয়ে গেছে। একমাত্র প্রযুক্তিই<br />
ফ্যাশনজগতে নতুন কিছু যোগ করতে পারে।<br />
হুসেইন চ্যালায়ানের ২০১৭-এর বসন্ত সংগ্রহের ফ্যাশন<br />
শোতে পাঁচজন মডেল চোখে স্মার্ট চশমা এবং কোমরে<br />
স্মার্ট বেল্ট পরে হাঁটেন। ক্যাটওয়াক করেন। যিনি পরেছেন<br />
তাঁর মানসিক চাপ পরিমাপ করে চশমা আর বেল্ট সেই তথ্য<br />
পর্দায় দেখায়। ফ্যাশন শোতে ব্যবহৃত পোশাক তৈরিতে<br />
সাহায্য করেছে সেমি-কনডাক্টর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান<br />
ইনটেল। ইনটেলের ‘কুরি মডিউল’ চিপ তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও বাছাই<br />
করতে সাহায্য করে।<br />
তিনটি সেন্সরের সাহায্যে বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ করে<br />
স্মার্ট চশমা। প্রথম ও দ্বিতীয় সেন্সরে মস্তিষ্কের তরঙ্গ<br />
এবং হৃৎকম্পনের তারতম্য ধারণ করা হয়। তৃতীয় সেন্সরটি<br />
মূলত মাইক্রোফোন, যা শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ থেকে তথ্য<br />
নেয়। সব সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে মানসিক চাপ<br />
নির্ণয় করে তা পরিমাপ করে স্মার্ট চশমা। এরপর সে তথ্য<br />
তারহীন ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে স্মার্ট বেল্টে পাঠানো হয়।<br />
বেল্টে যুক্ত ক্ষুদ্র প্রজেক্টরের সাহায্যে পর্দায় মানসিক<br />
চাপের ছবি ফুটে ওঠে।<br />
ফ্যাশন শো নিয়ে হুসেইন বলেন, শ্বাসপ্রশ্বাসই এই<br />
প্রদর্শনী নিয়ন্ত্রণ করেছে। সবকিছুরই যে কারণ থাকতে হবে<br />
তা তো নয়।<br />
গত দশকেই ক্ষুদ্রাকৃতির চিপ এবং অ্যানিমেট্রনিকসের<br />
সাহায্যে এমন এক ধরনের পোশাক হুসেইন প্রদর্শন<br />
করেছিলেন, যাতে ১৫ হাজার এলইডি (লাইট এমিটিং ডায়োড)<br />
যুক্ত ছিল। পোশাক পরে হাঁটার সময় পোশাকের এলইডি<br />
বাতিগুলো ইলেকট্রনিক পর্দা তৈরি করে যা প্রয়োজন<br />
অনুযায়ী ছবি ফুটিয়ে তুলতে পারত। সময়ের হিসাব মাথায়<br />
রাখলে বেশ অভিনব উদ্ভাবন ছিল সেটি।<br />
তথ্যসূত্র:<br />
1. দ্য নিউইয়র্ক টাইমস<br />
2. Prothom-alo]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মানসিক চাপ দেখাবে পোশাক-<br />
.<br />
.<br />
.<br />
.<br />
হুসেইন চ্যালায়ানের নকশা করা পোশাকগুলোতে প্রযুক্তির<br />
সঙ্গে মেলবন্ধন থাকবে l ছবি: এএফপিসোনা, হীরাখচিত<br />
পোশাক আমরা দেখেছি। কিন্তু এলইডি বাতি কিংবা খুদে<br />
যন্ত্রখচিত পোশাকও যে হতে পারে তা ব্রিটিশ ডিজাইনার<br />
হুসেইন চ্যালায়ান গত দশকেই করে দেখিয়েছেন। গত ৩০<br />
সেপ্টেম্বর সকালে ‘প্যারিস ফ্যাশন উইক’-এর রানওয়েতে<br />
আবারও পোশাক ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটালেন হুসেইন। তাঁর<br />
এই নতুন প্রযুক্তির পোশাক, পরিধানকারীর মানসিক চাপ<br />
মেপে তা পর্দায় দেখাতে পারে। হুসেইনের মতে, ফ্যাশনে<br />
ইতিমধ্যে সবকিছুই হয়ে গেছে। একমাত্র প্রযুক্তিই<br />
ফ্যাশনজগতে নতুন কিছু যোগ করতে পারে।<br />
হুসেইন চ্যালায়ানের ২০১৭-এর বসন্ত সংগ্রহের ফ্যাশন<br />
শোতে পাঁচজন মডেল চোখে স্মার্ট চশমা এবং কোমরে<br />
স্মার্ট বেল্ট পরে হাঁটেন। ক্যাটওয়াক করেন। যিনি পরেছেন<br />
তাঁর মানসিক চাপ পরিমাপ করে চশমা আর বেল্ট সেই তথ্য<br />
পর্দায় দেখায়। ফ্যাশন শোতে ব্যবহৃত পোশাক তৈরিতে<br />
সাহায্য করেছে সেমি-কনডাক্টর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান<br />
ইনটেল। ইনটেলের ‘কুরি মডিউল’ চিপ তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও বাছাই<br />
করতে সাহায্য করে।<br />
তিনটি সেন্সরের সাহায্যে বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ করে<br />
স্মার্ট চশমা। প্রথম ও দ্বিতীয় সেন্সরে মস্তিষ্কের তরঙ্গ<br />
এবং হৃৎকম্পনের তারতম্য ধারণ করা হয়। তৃতীয় সেন্সরটি<br />
মূলত মাইক্রোফোন, যা শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ থেকে তথ্য<br />
নেয়। সব সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে মানসিক চাপ<br />
নির্ণয় করে তা পরিমাপ করে স্মার্ট চশমা। এরপর সে তথ্য<br />
তারহীন ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে স্মার্ট বেল্টে পাঠানো হয়।<br />
বেল্টে যুক্ত ক্ষুদ্র প্রজেক্টরের সাহায্যে পর্দায় মানসিক<br />
চাপের ছবি ফুটে ওঠে।<br />
ফ্যাশন শো নিয়ে হুসেইন বলেন, শ্বাসপ্রশ্বাসই এই<br />
প্রদর্শনী নিয়ন্ত্রণ করেছে। সবকিছুরই যে কারণ থাকতে হবে<br />
তা তো নয়।<br />
গত দশকেই ক্ষুদ্রাকৃতির চিপ এবং অ্যানিমেট্রনিকসের<br />
সাহায্যে এমন এক ধরনের পোশাক হুসেইন প্রদর্শন<br />
করেছিলেন, যাতে ১৫ হাজার এলইডি (লাইট এমিটিং ডায়োড)<br />
যুক্ত ছিল। পোশাক পরে হাঁটার সময় পোশাকের এলইডি<br />
বাতিগুলো ইলেকট্রনিক পর্দা তৈরি করে যা প্রয়োজন<br />
অনুযায়ী ছবি ফুটিয়ে তুলতে পারত। সময়ের হিসাব মাথায়<br />
রাখলে বেশ অভিনব উদ্ভাবন ছিল সেটি।<br />
তথ্যসূত্র:<br />
1. দ্য নিউইয়র্ক টাইমস<br />
2. Prothom-alo]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এবার ‘স্মার্ট’ হলো ল্যান্ড ফোন!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1968</link>
			<pubDate>Mon, 20 Feb 2017 07:03:13 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=232">Maghanath Das</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1968</guid>
			<description><![CDATA[এবার ‘স্মার্ট’ হলো ল্যান্ড ফোন!<br />
.<br />
এখন স্মার্টফোনের যুগ। সকলের হাতেই স্মার্টফোনের<br />
ছড়াছড়ি। মোবাইল সংযোগদাতা কম্পানিগুলোর কল্যাণে<br />
কলরেটও অনেকটাই হাতের নাগালে। তাই সাধারণত অফিসেই<br />
ব্যবহৃত হয় ল্যান্ড ফোন। বাড়িতে একসময় এর বহুল চল<br />
থাকলেও আজ আর সে সব কিছুই নেই। বলতে গেলে ল্যান্ড<br />
ফোন ধীরে ধীরে বাতিলের খাতায় চলে যাচ্ছে।<br />
.<br />
তবে এই 'অচল' গ্যাজেটকে নতুন রূপে হাজির করছে ইসটেক<br />
সিস্টেমস ইনকরপোরেশন। এই সংস্থাটি এমন একটি ল্যান্ড<br />
ফোন বাজারে আনছে যা স্মার্টফোনের চেয়ে কোনো অংশে<br />
কম নয়। এই ল্যান্ড স্মার্টফোনে ৭ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে<br />
রয়েছে। আলাদা করে কোনো কিবোর্ড বা নাম্বারপ্যাড নেই।<br />
সব কিছুই টাচস্ক্রিনের মাধ্যমে অপারেট করা যাবে। শুধুমাত্র<br />
ফোন নয়, তার সঙ্গে টেলি কনফারেন্স, ভয়েস মেইল ইত্যাদি<br />
অপারেট করা যাবে।<br />
সব থেকে বড় যে ফিচার তা হল অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন/<br />
আইপ্যাড ডিভাইস থেকে আপনি ফোনবুক ট্রান্সফার করতে<br />
পারবেন। চাইলে নতুন করে সেভও করতে পারেন। ফেভারিট থেকে<br />
গ্রুপ তৈরি করে চট করে ফোন করার অপশনও রয়েছে এই<br />
ফোনে। এককথায়, অফিসের টেবলের ওপর সম্পূর্ণ নতুন একটি<br />
আধা-স্মার্টফোন আপনার হাতের নাগালে নিয়ে আসবে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এবার ‘স্মার্ট’ হলো ল্যান্ড ফোন!<br />
.<br />
এখন স্মার্টফোনের যুগ। সকলের হাতেই স্মার্টফোনের<br />
ছড়াছড়ি। মোবাইল সংযোগদাতা কম্পানিগুলোর কল্যাণে<br />
কলরেটও অনেকটাই হাতের নাগালে। তাই সাধারণত অফিসেই<br />
ব্যবহৃত হয় ল্যান্ড ফোন। বাড়িতে একসময় এর বহুল চল<br />
থাকলেও আজ আর সে সব কিছুই নেই। বলতে গেলে ল্যান্ড<br />
ফোন ধীরে ধীরে বাতিলের খাতায় চলে যাচ্ছে।<br />
.<br />
তবে এই 'অচল' গ্যাজেটকে নতুন রূপে হাজির করছে ইসটেক<br />
সিস্টেমস ইনকরপোরেশন। এই সংস্থাটি এমন একটি ল্যান্ড<br />
ফোন বাজারে আনছে যা স্মার্টফোনের চেয়ে কোনো অংশে<br />
কম নয়। এই ল্যান্ড স্মার্টফোনে ৭ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে<br />
রয়েছে। আলাদা করে কোনো কিবোর্ড বা নাম্বারপ্যাড নেই।<br />
সব কিছুই টাচস্ক্রিনের মাধ্যমে অপারেট করা যাবে। শুধুমাত্র<br />
ফোন নয়, তার সঙ্গে টেলি কনফারেন্স, ভয়েস মেইল ইত্যাদি<br />
অপারেট করা যাবে।<br />
সব থেকে বড় যে ফিচার তা হল অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন/<br />
আইপ্যাড ডিভাইস থেকে আপনি ফোনবুক ট্রান্সফার করতে<br />
পারবেন। চাইলে নতুন করে সেভও করতে পারেন। ফেভারিট থেকে<br />
গ্রুপ তৈরি করে চট করে ফোন করার অপশনও রয়েছে এই<br />
ফোনে। এককথায়, অফিসের টেবলের ওপর সম্পূর্ণ নতুন একটি<br />
আধা-স্মার্টফোন আপনার হাতের নাগালে নিয়ে আসবে]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ব্যাডমিন্টন কোর্টের সঠিক পরিমাপ জেনে নিন এবং নিজেই ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি করুন!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1112</link>
			<pubDate>Mon, 30 Jan 2017 07:00:04 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=24">mahbubpathan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1112</guid>
			<description><![CDATA[আমাদের বাংলাদেশ একটি সবুজ-শ্যামল দেশ। এই দেশ ৬ ঋতুর দেশ। সেই ৬ ঋতুর মধ্যে একটি হলো শীত। এখন সেই শীতকাল। আর এই শীতের একটি জনপ্রিয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টন। এই জনপ্রিয় ব্যাডমিন্টন খেলা প্রায় সকল বয়সের লোকই খেলে থাকেন। শীতকালে এই খেলাটি জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হলো - আমাদের সবারই শীতকালে শরীল পুরো ঠান্ডা বরফ হয়ে যায়। আর এই খেলাটি খেলে শরীল গরম করা যায়। তাই এই খেলাটি বিশেষ করে শীতকালেই হয়ে থাকে এবং শীতকালের একটি জনপ্রিয় খেলা। ছোট-বড় সব বয়সের লোকই এই খেলাটি খেলে থাকেন। আর খেলাটি বিশেষ করে শীতকালে রাতে হয়ে থাকে। তো আজকে সে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট নিয়ে আমার আজকের পোস্ট। অনেকেই আছেন ব্যাডমিন্টন কোর্টের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি করতে পারেন না। আমার আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা সঠিকভাবে ব্যাডমিন্টন কোর্ট কিভাবে বানাতে হয় তা জানতে পারবেন।<br />
.<br />
ব্যাডমিন্টন খেলা :<br />
প্রথমে ব্যাডমিন্টন খেলা সম্পর্কে অল্প কিছু আলোচনা করে নেই। ব্যাডমিন্টন খেলাটির উৎপত্তি নিয়ে বহুমত থাকলেও অধিকাংশের ধারণা এ খেলার জন্ম হয়েছে ভারতের পুনাতে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে পুনায় অবস্থিত ইংরেজ সৈন্যরা স্থানীয় লোকজনদেরকে শাটলকর্ক ও ছোট ব্যাট দিয়ে খেলতে দেখে কৌতূহলবোধ করেন। তারা স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে ঐ খেলা শিখে ছুটিতে ইংল্যান্ডে যেয়ে খেলাটি প্রচলন করেন। ভারতে কর্মরত ইংরেজ সৈন্যরা ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে ব্যাডমিন্টন নামক জায়গায় একত্র হয়ে খেলাটি শুরু করেন। সে থেকে সে জায়গার নাম অনুসারে ব্যাডমিন্টন খেলার নামকরণ হয়। পরবর্তীকালে দেশে দেশে এ খেলার প্রচলনের ফলে সকল বয়সের ও শ্রেণির নারী-পুরুষ ব্যাডমিন্টন খেলায় জড়িয়ে পড়ে।<br />
.<br />
ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্টের পরিমাপ : <br />
আমি সহজ ভাষায় আপনাদের শিখাবো ব্যাডমিন্টন কোর্টের পরিমাপ। তো প্রথমে আমার দেওয়া উপরের ছবির দিকে ভালোভাবে ফলো করুন। তারপর আমার পোস্টটি পড়ুন। ব্যাডমিন্টনের পুরো কোর্টের দৈর্ঘ্য (লম্বা) হবে ৪৪ ফুট। আর প্রস্থ (পাশ্বে) হবে ২০ ফুট। দৈর্ঘ্য ৪৪ ফুটের মধ্যে এখানে তিনটি মাপ (দাগ) হবে। এর মধ্যে দুই সাইটে হবে ১৫ ফুট করে আর মাঝখানে হবে ১৪ ফুট। ১৪ ফুটকে আবার দুইভাগ করতে হবে, এই পাশ্বে ৭ ঐ পাশ্বে ৭ ফুট এর মাঝখানে হবে নেটের খুঁটি। আমি আপনাদেরকে আবারো বলবো - পোস্টটির পাশাপাশি উপরের ছবিটি ভালোভাবে ফলো করুন। তাহলে সহজেই বিষয়টা বুঝতে পারবেন।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=41" target="_blank" title="">PicsArt_12-25-07.04.51.jpg</a> (Size: 168.84 KB / Downloads: 3)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমাদের বাংলাদেশ একটি সবুজ-শ্যামল দেশ। এই দেশ ৬ ঋতুর দেশ। সেই ৬ ঋতুর মধ্যে একটি হলো শীত। এখন সেই শীতকাল। আর এই শীতের একটি জনপ্রিয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টন। এই জনপ্রিয় ব্যাডমিন্টন খেলা প্রায় সকল বয়সের লোকই খেলে থাকেন। শীতকালে এই খেলাটি জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হলো - আমাদের সবারই শীতকালে শরীল পুরো ঠান্ডা বরফ হয়ে যায়। আর এই খেলাটি খেলে শরীল গরম করা যায়। তাই এই খেলাটি বিশেষ করে শীতকালেই হয়ে থাকে এবং শীতকালের একটি জনপ্রিয় খেলা। ছোট-বড় সব বয়সের লোকই এই খেলাটি খেলে থাকেন। আর খেলাটি বিশেষ করে শীতকালে রাতে হয়ে থাকে। তো আজকে সে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট নিয়ে আমার আজকের পোস্ট। অনেকেই আছেন ব্যাডমিন্টন কোর্টের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি করতে পারেন না। আমার আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা সঠিকভাবে ব্যাডমিন্টন কোর্ট কিভাবে বানাতে হয় তা জানতে পারবেন।<br />
.<br />
ব্যাডমিন্টন খেলা :<br />
প্রথমে ব্যাডমিন্টন খেলা সম্পর্কে অল্প কিছু আলোচনা করে নেই। ব্যাডমিন্টন খেলাটির উৎপত্তি নিয়ে বহুমত থাকলেও অধিকাংশের ধারণা এ খেলার জন্ম হয়েছে ভারতের পুনাতে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে পুনায় অবস্থিত ইংরেজ সৈন্যরা স্থানীয় লোকজনদেরকে শাটলকর্ক ও ছোট ব্যাট দিয়ে খেলতে দেখে কৌতূহলবোধ করেন। তারা স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে ঐ খেলা শিখে ছুটিতে ইংল্যান্ডে যেয়ে খেলাটি প্রচলন করেন। ভারতে কর্মরত ইংরেজ সৈন্যরা ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে ব্যাডমিন্টন নামক জায়গায় একত্র হয়ে খেলাটি শুরু করেন। সে থেকে সে জায়গার নাম অনুসারে ব্যাডমিন্টন খেলার নামকরণ হয়। পরবর্তীকালে দেশে দেশে এ খেলার প্রচলনের ফলে সকল বয়সের ও শ্রেণির নারী-পুরুষ ব্যাডমিন্টন খেলায় জড়িয়ে পড়ে।<br />
.<br />
ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্টের পরিমাপ : <br />
আমি সহজ ভাষায় আপনাদের শিখাবো ব্যাডমিন্টন কোর্টের পরিমাপ। তো প্রথমে আমার দেওয়া উপরের ছবির দিকে ভালোভাবে ফলো করুন। তারপর আমার পোস্টটি পড়ুন। ব্যাডমিন্টনের পুরো কোর্টের দৈর্ঘ্য (লম্বা) হবে ৪৪ ফুট। আর প্রস্থ (পাশ্বে) হবে ২০ ফুট। দৈর্ঘ্য ৪৪ ফুটের মধ্যে এখানে তিনটি মাপ (দাগ) হবে। এর মধ্যে দুই সাইটে হবে ১৫ ফুট করে আর মাঝখানে হবে ১৪ ফুট। ১৪ ফুটকে আবার দুইভাগ করতে হবে, এই পাশ্বে ৭ ঐ পাশ্বে ৭ ফুট এর মাঝখানে হবে নেটের খুঁটি। আমি আপনাদেরকে আবারো বলবো - পোস্টটির পাশাপাশি উপরের ছবিটি ভালোভাবে ফলো করুন। তাহলে সহজেই বিষয়টা বুঝতে পারবেন।<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=41" target="_blank" title="">PicsArt_12-25-07.04.51.jpg</a> (Size: 168.84 KB / Downloads: 3)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নিজেই বানান টিস্যুর ফুল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=149</link>
			<pubDate>Mon, 09 Jan 2017 16:26:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=149</guid>
			<description><![CDATA[কত কিছু শিখতে ইচ্ছা করে শেখাতে ইচ্ছা করে। তাহলে আমরা আজকে চটপট শিখে নেই টিস্যুর ফুল বানানো। ঘর সাজাতে এই ফুলের জুড়ি নেই।<br />
<br />
<br />
<br />
★ প্রয়োজনীয় উপকরণঃ<br />
<br />
<br />
<br />
*যেকোনও রঙের ৫টি চারকোণা আকারের টিস্যু পেপার<br />
<br />
*একটি ছোট বল<br />
<br />
*কিছু প্লাস্টিক স্ট্যামেন্স<br />
<br />
*ক্রাফটিং তার<br />
<br />
*ফ্লোরাল টেপ<br />
<br />
<br />
<br />
★ পদ্ধতিঃ<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ প্রথমে টিস্যু পেপারের ঠিক মাঝখানে বলটি রাখুন। তারপর বলটির ডান এবং বাম পাশের ২ কোণা থেকে মুড়িয়ে দিন। এমন ভাবে মুড়াবেন যেন বলটির অর্ধেক অংশ বাইরে বের হয়ে থাকে। <br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এরপর আস্তে করে বলটি বের করে নিন। উপরের নিয়ম অনুযায়ী বল দিয়ে আরও ৪টি পাপড়ি তৈরি করুন।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এবার প্রতিটা পাপড়ির ২টি মুড়ানো অংশের যেকোনো ১টি অংশ থেকে কিছুটা কেটে নিন এবং ৫টি পাপড়ি এক সঙ্গে জড়ো করুন। এই ৫ পাপড়ির মাঝে স্ট্যামেন্স স্থাপন করুন। স্ট্যামেন্স আমাদের কাছে সাধারণত ফুলের পরাগ হিসেবে পরিচিত। এটি ক্রাফটের দোকানেই পেয়ে যাবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এখন এই ৬ টি উপাদান তার দিয়ে খুব শক্ত করে কয়েকটি প্যাঁচ দিয়ে পেঁচিয়ে নিন। এর উপর টেপ পেঁচিয়ে নিন কয়েক পরত যেন তার দেখা না যায়।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এবার ফুলটি নিয়ে সাজিয়ে দিন সুন্দর কোন ফুলদানিতে। চাইলে এভাবে ফুল বানিয়ে ফুলের তোড়াও বানিয়ে নিতে পারেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কত কিছু শিখতে ইচ্ছা করে শেখাতে ইচ্ছা করে। তাহলে আমরা আজকে চটপট শিখে নেই টিস্যুর ফুল বানানো। ঘর সাজাতে এই ফুলের জুড়ি নেই।<br />
<br />
<br />
<br />
★ প্রয়োজনীয় উপকরণঃ<br />
<br />
<br />
<br />
*যেকোনও রঙের ৫টি চারকোণা আকারের টিস্যু পেপার<br />
<br />
*একটি ছোট বল<br />
<br />
*কিছু প্লাস্টিক স্ট্যামেন্স<br />
<br />
*ক্রাফটিং তার<br />
<br />
*ফ্লোরাল টেপ<br />
<br />
<br />
<br />
★ পদ্ধতিঃ<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ প্রথমে টিস্যু পেপারের ঠিক মাঝখানে বলটি রাখুন। তারপর বলটির ডান এবং বাম পাশের ২ কোণা থেকে মুড়িয়ে দিন। এমন ভাবে মুড়াবেন যেন বলটির অর্ধেক অংশ বাইরে বের হয়ে থাকে। <br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এরপর আস্তে করে বলটি বের করে নিন। উপরের নিয়ম অনুযায়ী বল দিয়ে আরও ৪টি পাপড়ি তৈরি করুন।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এবার প্রতিটা পাপড়ির ২টি মুড়ানো অংশের যেকোনো ১টি অংশ থেকে কিছুটা কেটে নিন এবং ৫টি পাপড়ি এক সঙ্গে জড়ো করুন। এই ৫ পাপড়ির মাঝে স্ট্যামেন্স স্থাপন করুন। স্ট্যামেন্স আমাদের কাছে সাধারণত ফুলের পরাগ হিসেবে পরিচিত। এটি ক্রাফটের দোকানেই পেয়ে যাবেন।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এখন এই ৬ টি উপাদান তার দিয়ে খুব শক্ত করে কয়েকটি প্যাঁচ দিয়ে পেঁচিয়ে নিন। এর উপর টেপ পেঁচিয়ে নিন কয়েক পরত যেন তার দেখা না যায়।<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
→ এবার ফুলটি নিয়ে সাজিয়ে দিন সুন্দর কোন ফুলদানিতে। চাইলে এভাবে ফুল বানিয়ে ফুলের তোড়াও বানিয়ে নিতে পারেন।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>