<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 12:24:09 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[নিম গাছের ডালে নামাজ !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=549</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:37:15 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=549</guid>
			<description><![CDATA[নামাজের জন্য সর্বোত্তম জায়গা হিসেবে মানুষ<br />
পবিত্র মসজিদকেই বেছে নেন। মসজিদে গিয়ে<br />
নামাজ পড়া সম্ভব না হলে অনেকেই যেখানে<br />
জায়গা পান নামাজ পড়েন। কিন্তু ভারতের<br />
উত্তরপ্রদেশের এক নারী বিরল একটি রেকর্ড<br />
গড়েছেন।<br />
উত্তরপ্রদেশের একটি নিম গাছের চূড়ায় উঠে একটি<br />
ডালে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে ওই রেকর্ড গড়েছেন<br />
তিনি। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে ছড়িছে<br />
পড়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ<br />
মাধ্যমে।<br />
দেশটির প্রভাবশালী টেলিভিশন এবিপি গাছের<br />
ডালে ওই নারীর নামাজ পড়ার ঘটনা নিয়ে সাত<br />
মিনিটের একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে।<br />
এতে দেখা যাচ্ছে, মাটি থেকে ৪০-৫০ ফুট উপরে<br />
গাছের ডালে উঠে নামাজ আদায় করছেন ওই নারী।<br />
এ সময় শত শত লোক গাছের নিচে ও আশপাশে তার<br />
নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখছেন]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[নামাজের জন্য সর্বোত্তম জায়গা হিসেবে মানুষ<br />
পবিত্র মসজিদকেই বেছে নেন। মসজিদে গিয়ে<br />
নামাজ পড়া সম্ভব না হলে অনেকেই যেখানে<br />
জায়গা পান নামাজ পড়েন। কিন্তু ভারতের<br />
উত্তরপ্রদেশের এক নারী বিরল একটি রেকর্ড<br />
গড়েছেন।<br />
উত্তরপ্রদেশের একটি নিম গাছের চূড়ায় উঠে একটি<br />
ডালে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে ওই রেকর্ড গড়েছেন<br />
তিনি। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে ছড়িছে<br />
পড়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ<br />
মাধ্যমে।<br />
দেশটির প্রভাবশালী টেলিভিশন এবিপি গাছের<br />
ডালে ওই নারীর নামাজ পড়ার ঘটনা নিয়ে সাত<br />
মিনিটের একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে।<br />
এতে দেখা যাচ্ছে, মাটি থেকে ৪০-৫০ ফুট উপরে<br />
গাছের ডালে উঠে নামাজ আদায় করছেন ওই নারী।<br />
এ সময় শত শত লোক গাছের নিচে ও আশপাশে তার<br />
নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখছেন]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্যারাশুট ছাড়াই ২৫ হাজার ফুট উঁচু থেকে লাফ!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=548</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:36:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=548</guid>
			<description><![CDATA[আমেরিকান নাগরিক লিউক আইকিনস (৪২) প্রথম<br />
ব্যক্তি যিনি প্যারাশুট ছাড়াই ২৫ হাজার ফুট (৭<br />
হাজার ৬২০ মিটার) উঁচু থেকে লাফ দিয়ে বিশ্ব<br />
রেকর্ড গড়েছেন। এতো উঁচু থেকে প্যারাশুট বা উইং<br />
স্যুট ছাড়া লাফ দিয়ে তিনি নিরাপদেই নিচে<br />
বিছানো ১০০X১০০ ফুটের একটি জালে অবতরণ<br />
করেছেন। তার নিচে নামার গতি ছিল ঘন্টায়<br />
সর্বোচ্চ ১২০ মাইল বা ১৯৩ কি. মি.।<br />
দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার সিমি উপত্যকায় আকাশ<br />
থেকে তার লাফ দিয়ে পড়ার এই ঘটনার ২ মিনিটের<br />
ভিডিও ফুটেজ ফক্স টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা<br />
হয়েছে। পেশাদার লাফিয়ে হিসেবে ২৬ বছরের<br />
ক্যারিয়ারে মি. আইকিনস ১৮ হাজার বার লাফ<br />
দিয়েছেন।<br />
কর্তৃপক্ষ অবশ্য তাকে লাফ দেওয়ার আগে প্যারাশুট<br />
পরার জন্য চাপ দিচ্ছিল। তবে পরে বিনা<br />
প্যারাশুটেই তাকে লাফ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।<br />
ফলে প্যারাশুট বা কোনো উইং স্যুট ছাড়াই তিনি<br />
সবচেয়ে উঁচু থেকে লাফ দিয়ে এই ব্যক্তিগত ও বিশ্ব<br />
রেকর্ড গড়ার সুযোগটি পেয়ে যান।<br />
যুক্তরাষ্ট্রের প্যারাসুট অ্যাসোসিয়েশনের<br />
নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ উপদেষ্টা মি. আইকিনস<br />
বলেন, তার বন্ধুরা দুই বছর আগেই তাকে এ ধরনের<br />
একটি রেকর্ড গড়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।<br />
সূত্র: বিবিসি]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমেরিকান নাগরিক লিউক আইকিনস (৪২) প্রথম<br />
ব্যক্তি যিনি প্যারাশুট ছাড়াই ২৫ হাজার ফুট (৭<br />
হাজার ৬২০ মিটার) উঁচু থেকে লাফ দিয়ে বিশ্ব<br />
রেকর্ড গড়েছেন। এতো উঁচু থেকে প্যারাশুট বা উইং<br />
স্যুট ছাড়া লাফ দিয়ে তিনি নিরাপদেই নিচে<br />
বিছানো ১০০X১০০ ফুটের একটি জালে অবতরণ<br />
করেছেন। তার নিচে নামার গতি ছিল ঘন্টায়<br />
সর্বোচ্চ ১২০ মাইল বা ১৯৩ কি. মি.।<br />
দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার সিমি উপত্যকায় আকাশ<br />
থেকে তার লাফ দিয়ে পড়ার এই ঘটনার ২ মিনিটের<br />
ভিডিও ফুটেজ ফক্স টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা<br />
হয়েছে। পেশাদার লাফিয়ে হিসেবে ২৬ বছরের<br />
ক্যারিয়ারে মি. আইকিনস ১৮ হাজার বার লাফ<br />
দিয়েছেন।<br />
কর্তৃপক্ষ অবশ্য তাকে লাফ দেওয়ার আগে প্যারাশুট<br />
পরার জন্য চাপ দিচ্ছিল। তবে পরে বিনা<br />
প্যারাশুটেই তাকে লাফ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।<br />
ফলে প্যারাশুট বা কোনো উইং স্যুট ছাড়াই তিনি<br />
সবচেয়ে উঁচু থেকে লাফ দিয়ে এই ব্যক্তিগত ও বিশ্ব<br />
রেকর্ড গড়ার সুযোগটি পেয়ে যান।<br />
যুক্তরাষ্ট্রের প্যারাসুট অ্যাসোসিয়েশনের<br />
নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণ উপদেষ্টা মি. আইকিনস<br />
বলেন, তার বন্ধুরা দুই বছর আগেই তাকে এ ধরনের<br />
একটি রেকর্ড গড়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।<br />
সূত্র: বিবিসি]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মাথায় ফুটবল নিয়ে ৩০ মাইল; নাম উঠল গিনেজ বুকে!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=547</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:36:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=547</guid>
			<description><![CDATA[গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নিজের নাম তোলা<br />
চাট্টিখানি কথা না। বহুত কাঠখড় পুড়িয়ে নিজেকে<br />
যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলে তারপর কঠিন পরীক্ষায়<br />
অবতীর্ণ হতে হয়। মাথায় ফুটবল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা<br />
বাইক চালাতে পারবেন?কিম্বা তিরিশ সেকেন্ডে<br />
দেড়শো বার জাগলিং? শুনেই তাজ্জব ?<br />
কিন্তু মনোজের কাছে এসবই নস্যি। তিরিশ মাইল<br />
মাথায় বল নিয়ে হেঁটে গিনেস বুক অফ রেকর্ডে নাম<br />
তুলেছেন পাঁশকুড়ার মনোজ।<br />
মাথায় বলের মুকুট পরেই হাঁটতে ভালোবাসেন।<br />
ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবেই হেঁটে বেড়ান। জীবনে<br />
হাজারো বাঁধা,ঝক্কি ,অভাব অনটন। তবু মনোজের<br />
জীবন খাতার প্রতি পাতায় একটাই ভালোবাসা,<br />
তার নাম ফুটবল। সবুজ মাঠে বিপক্ষের রক্ষণভেঙে<br />
তিরের মতো ছুটে চলা।<br />
সামনে একটাই লক্ষ্য। বিপক্ষ দলের চারকোনা<br />
বারপোস্ট। সব বাধা টপকে গোল দেওয়াটাই একমাত্র<br />
নেশা । এরকমই একদিন ঘটে গেল এক দুর্ঘটনা।<br />
লিগামেন্টে চোট। চিকিত্সক বললেন ফুটবল খেলা<br />
ছাড়তে হবে।<br />
কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। মনোজও<br />
প্রতিকূলতার কাছে হার মানেননি। ফুটবলার মনোজ<br />
স্বপ্ন দেখা শুরু করলেন জাগলার মনোজ হয়ে ওঠার।শুরু<br />
হল কঠিন পরিশ্রম। দিন নেই, রাত নেই শুধুই অকান্ত<br />
পরিশ্রম। একটা ফুটবল, মনোজ, আর অনেক স্বপ্ন। মনের<br />
জোরের প্রবল তোড়ে ভেঙে গেল সব ব্যারিকেড।<br />
পূর্ব মেদিনীপুরের অখ্যাত গ্রামের বাসিন্দা মনোজ<br />
মিশ্রের নাম ঝলমল করে উঠল গিনেস বুক অফ<br />
রেকর্ডে। রূপকথার মতো সেই স্বীকৃতি।<br />
চলতি বছরে জানুয়ারি মাসে মাথায় বল নিয়ে<br />
তিরিশ মাইল পথ হাঁটেন তরুণ মনোজ।<br />
মনোজ যা যা কীর্তি গড়েছেন :<br />
** ৩ ঘণ্টায় ২০হাজার বার বল জাগলিং<br />
** ১২ ঘণ্টা মাথায় বল নিয়ে হাঁটা<br />
** ৩০ সেকেন্ডে ১৫৩ বার বল জাগলিং<br />
** ১ মিনিটে ৩২৫ বার মাথায় বল জাগলিং<br />
** মাথায় ফুটবল নিয়ে ৩০ কিমি বাইক চালানো<br />
** ৫৫ সেকেন্ডে মাথায় বল নিয়ে ১০০ মিটার দৌড়<br />
** কাঁধ থেকে মাথায় ১২৫ বার বল ঘোরানো<br />
কিন্তু ঝলমলে এই পুরস্কারের আড়ালে লুকিয়ে আছে<br />
বহু দুঃখের ইতিকথা। বাজারে ফেরি করা এক<br />
ফুলওয়ালা বাবার স্বপ্ন। ছেলের সাফল্যের<br />
প্রতীক্ষায় অভাবী মায়ের আঁচলের খুঁটে মোছা নীরব<br />
অশ্র।<br />
অ্যাসবেস্টারের ছাউনি দেওয়া ছোট্ট এই ঘর<br />
থেকেই আজ বিশ্বের দরবারে পৌছে গেছে মনোজ<br />
মিশ্র। পাঁশকুড়ার তিলাগেড়িয়া গ্রামের মানুষ এখন<br />
মনোজকে চেনেন।<br />
উৎসাহী মানুষের ভিড় হয় গ্রামের গর্ব মনোজকে<br />
দেখার জন্য। কিন্তু গিনেস বুকে নাম তোলার পরেও<br />
মনোজের লড়াই থামেনি। বাবা, মা,স্ত্রীয়ের মুখে<br />
হাসি ফোটাতে বড় দরকার একটা চাকরির ।<br />
মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে মাথায় বল নিয়ে খেলা দেখিয়ে<br />
সবাইকে চমকে দিয়েছেন মনোজ। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে<br />
আশ্বাসও মিলেছে চাকরির। তবে এখনও শিকে<br />
ছেঁড়েনি। ফুটবলের জাগলিং নিয়েই বাকি জীবনটা<br />
কাটিয়ে দিতে চান মনোজ।<br />
তৈরি করতে চান আরও অসংখ্য লড়াকু মনোজের।<br />
যারা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসবে। দেশকেও স্বপ্ন<br />
দেখাবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নিজের নাম তোলা<br />
চাট্টিখানি কথা না। বহুত কাঠখড় পুড়িয়ে নিজেকে<br />
যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলে তারপর কঠিন পরীক্ষায়<br />
অবতীর্ণ হতে হয়। মাথায় ফুটবল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা<br />
বাইক চালাতে পারবেন?কিম্বা তিরিশ সেকেন্ডে<br />
দেড়শো বার জাগলিং? শুনেই তাজ্জব ?<br />
কিন্তু মনোজের কাছে এসবই নস্যি। তিরিশ মাইল<br />
মাথায় বল নিয়ে হেঁটে গিনেস বুক অফ রেকর্ডে নাম<br />
তুলেছেন পাঁশকুড়ার মনোজ।<br />
মাথায় বলের মুকুট পরেই হাঁটতে ভালোবাসেন।<br />
ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবেই হেঁটে বেড়ান। জীবনে<br />
হাজারো বাঁধা,ঝক্কি ,অভাব অনটন। তবু মনোজের<br />
জীবন খাতার প্রতি পাতায় একটাই ভালোবাসা,<br />
তার নাম ফুটবল। সবুজ মাঠে বিপক্ষের রক্ষণভেঙে<br />
তিরের মতো ছুটে চলা।<br />
সামনে একটাই লক্ষ্য। বিপক্ষ দলের চারকোনা<br />
বারপোস্ট। সব বাধা টপকে গোল দেওয়াটাই একমাত্র<br />
নেশা । এরকমই একদিন ঘটে গেল এক দুর্ঘটনা।<br />
লিগামেন্টে চোট। চিকিত্সক বললেন ফুটবল খেলা<br />
ছাড়তে হবে।<br />
কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। মনোজও<br />
প্রতিকূলতার কাছে হার মানেননি। ফুটবলার মনোজ<br />
স্বপ্ন দেখা শুরু করলেন জাগলার মনোজ হয়ে ওঠার।শুরু<br />
হল কঠিন পরিশ্রম। দিন নেই, রাত নেই শুধুই অকান্ত<br />
পরিশ্রম। একটা ফুটবল, মনোজ, আর অনেক স্বপ্ন। মনের<br />
জোরের প্রবল তোড়ে ভেঙে গেল সব ব্যারিকেড।<br />
পূর্ব মেদিনীপুরের অখ্যাত গ্রামের বাসিন্দা মনোজ<br />
মিশ্রের নাম ঝলমল করে উঠল গিনেস বুক অফ<br />
রেকর্ডে। রূপকথার মতো সেই স্বীকৃতি।<br />
চলতি বছরে জানুয়ারি মাসে মাথায় বল নিয়ে<br />
তিরিশ মাইল পথ হাঁটেন তরুণ মনোজ।<br />
মনোজ যা যা কীর্তি গড়েছেন :<br />
** ৩ ঘণ্টায় ২০হাজার বার বল জাগলিং<br />
** ১২ ঘণ্টা মাথায় বল নিয়ে হাঁটা<br />
** ৩০ সেকেন্ডে ১৫৩ বার বল জাগলিং<br />
** ১ মিনিটে ৩২৫ বার মাথায় বল জাগলিং<br />
** মাথায় ফুটবল নিয়ে ৩০ কিমি বাইক চালানো<br />
** ৫৫ সেকেন্ডে মাথায় বল নিয়ে ১০০ মিটার দৌড়<br />
** কাঁধ থেকে মাথায় ১২৫ বার বল ঘোরানো<br />
কিন্তু ঝলমলে এই পুরস্কারের আড়ালে লুকিয়ে আছে<br />
বহু দুঃখের ইতিকথা। বাজারে ফেরি করা এক<br />
ফুলওয়ালা বাবার স্বপ্ন। ছেলের সাফল্যের<br />
প্রতীক্ষায় অভাবী মায়ের আঁচলের খুঁটে মোছা নীরব<br />
অশ্র।<br />
অ্যাসবেস্টারের ছাউনি দেওয়া ছোট্ট এই ঘর<br />
থেকেই আজ বিশ্বের দরবারে পৌছে গেছে মনোজ<br />
মিশ্র। পাঁশকুড়ার তিলাগেড়িয়া গ্রামের মানুষ এখন<br />
মনোজকে চেনেন।<br />
উৎসাহী মানুষের ভিড় হয় গ্রামের গর্ব মনোজকে<br />
দেখার জন্য। কিন্তু গিনেস বুকে নাম তোলার পরেও<br />
মনোজের লড়াই থামেনি। বাবা, মা,স্ত্রীয়ের মুখে<br />
হাসি ফোটাতে বড় দরকার একটা চাকরির ।<br />
মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে মাথায় বল নিয়ে খেলা দেখিয়ে<br />
সবাইকে চমকে দিয়েছেন মনোজ। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে<br />
আশ্বাসও মিলেছে চাকরির। তবে এখনও শিকে<br />
ছেঁড়েনি। ফুটবলের জাগলিং নিয়েই বাকি জীবনটা<br />
কাটিয়ে দিতে চান মনোজ।<br />
তৈরি করতে চান আরও অসংখ্য লড়াকু মনোজের।<br />
যারা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসবে। দেশকেও স্বপ্ন<br />
দেখাবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিশ্বের সবচেয়ে দামি ষাঁড় দাম ১০ কোটি টাকা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=546</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:35:10 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=546</guid>
			<description><![CDATA[মুররাহ’ বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত জাতগুলোর একটি।<br />
এটি মূলত হরিয়ানা রাজ্যের রোথক ও জিন্দ জেলার<br />
প্রাণী। তবে উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমেও এর দেখা<br />
পাওয়া যায়। আকারে বড় ও উন্নত হওয়ার কারণে<br />
পশুপালনকারীদের কাছে মুররাহ জনপ্রিয়। সেই<br />
মুররাহ জাতের এক অতিকায় ষাঁড়ের নাম রাখা<br />
হয়েছে যুবরাজ।<br />
২০১৪ সালে এক পশু প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত<br />
হয়ে ‘যুবরাজ’ ও তার মালিক দুজনই আলোচনায় চলে<br />
আসে। বিশালাকার এই ষাঁড়ের মা (গাভী) প্রায় ২৫<br />
লিটার করে দুধ দিত। ভারতের ‘সর্ব ভারতীয় গবাদি<br />
পশুমেলার’ সেরা পশুর খেতাব পাওয়া যুবরাজের ওজন<br />
এক হাজার ৪০০ কেজি। গড়পরতা ষাঁড়ের তুলনায়<br />
যুবরাজ দেখতে ছোটখাটো পাহাড়। তাকে নিয়ে<br />
বিভিন্ন পত্রিকায় মজাদার সব খবর প্রকাশ হতে শুরু<br />
করে। স্থানীয় টেলিভিশন প্রচার করে তাকে নিয়ে<br />
বিশেষ ডকুমেন্টারি। অতিকায় যুবরাজ প্রতিদিন<br />
প্রায় ২৫ হাজার টাকার খাবার খায়। তার<br />
রক্ষণাবেক্ষণে আরও প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়।<br />
দুধ, আপেল আর মাংস যুবরাজের পছন্দের খাবার।<br />
স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করানো হয়<br />
যুবরাজকে। প্রতি সকালে প্রায় চার কিলোমিটার<br />
রাস্তা হাঁটানো হয় তাকে। ষাঁড় দুধ দেয় না, সরাসরি<br />
কৃষি কাজেও লাগানো হয় না। তবু যুবরাজের মাধ্যমে<br />
তার মালিকের বছরে আয় প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এই<br />
টাকা আসে যুবরাজের সিমেন বা বীর্য বিক্রি করে।<br />
দক্ষিণ ভারতে এর প্রচুর চাহিদা। ২০১৪ সালের এক<br />
হিসাব মতে, যুবরাজ প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার<br />
বাছুরের জনক। বর্তমানে সেটি নিঃসন্দেহে আরও<br />
বেড়েছে। এই সেলিব্রেটি ষাঁড়টির দিকে<br />
ধনকুবেরদেরও নজর। ভারতের এক কৃষক তো নগদ সাত<br />
কোটি রুপিতে কিনে নেওয়ার আগ্রহ<br />
দেখিয়েছিলেন। কিন্তু যুবরাজের মালিক করমভির<br />
সিং তাতে রাজি হননি। যুবরাজ তার সন্তানতুল্য।<br />
উল্টো বললেন, জীবনের সবকিছুর মূল্য তো আর টাকা<br />
দিয়ে হয় না!<br />
এক নজরে ‘যুবরাজ’<br />
► বিশ্বের সবচেয়ে দামি ষাঁড় এটি। ভারতের<br />
হরিয়ানার বংশোদ্ভূত ‘মুররাহ’ জাতের ষাঁড়টির নাম<br />
রাখা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজের নামের<br />
সঙ্গে মিলিয়ে। এর বর্তমান মালিক করমভির সিং।<br />
► মিরাটস অল ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো-২০১৪<br />
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবার নজর কেড়ে<br />
নেয় ষাঁড়টি।<br />
► যুবরাজের ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। উচ্চতা ৫<br />
ফুট ৯ ইঞ্চি, লম্বা ১৮ ফুট।<br />
► প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয় তার<br />
পেছনে।<br />
► যুবরাজের বীর্য বিক্রি করে মালিকের প্রতি বছর<br />
আয় ৫০ লাখ টাকা<br />
► যুবরাজের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রয়েছে<br />
২০ লিটার দুধ, ৫ কেজি আপেল আর ১৫ কেজি ভালো<br />
জাতের মাংস।<br />
► নিয়মিত ‘মর্নিং ওয়াক’ বা প্রাতঃভ্রমণে বের হয়<br />
যুবরাজ। এ সময় সে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা<br />
হেঁটে আসে।<br />
► ১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাছুরের জনক যুবরাজ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মুররাহ’ বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত জাতগুলোর একটি।<br />
এটি মূলত হরিয়ানা রাজ্যের রোথক ও জিন্দ জেলার<br />
প্রাণী। তবে উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমেও এর দেখা<br />
পাওয়া যায়। আকারে বড় ও উন্নত হওয়ার কারণে<br />
পশুপালনকারীদের কাছে মুররাহ জনপ্রিয়। সেই<br />
মুররাহ জাতের এক অতিকায় ষাঁড়ের নাম রাখা<br />
হয়েছে যুবরাজ।<br />
২০১৪ সালে এক পশু প্রতিযোগিতায় সেরা নির্বাচিত<br />
হয়ে ‘যুবরাজ’ ও তার মালিক দুজনই আলোচনায় চলে<br />
আসে। বিশালাকার এই ষাঁড়ের মা (গাভী) প্রায় ২৫<br />
লিটার করে দুধ দিত। ভারতের ‘সর্ব ভারতীয় গবাদি<br />
পশুমেলার’ সেরা পশুর খেতাব পাওয়া যুবরাজের ওজন<br />
এক হাজার ৪০০ কেজি। গড়পরতা ষাঁড়ের তুলনায়<br />
যুবরাজ দেখতে ছোটখাটো পাহাড়। তাকে নিয়ে<br />
বিভিন্ন পত্রিকায় মজাদার সব খবর প্রকাশ হতে শুরু<br />
করে। স্থানীয় টেলিভিশন প্রচার করে তাকে নিয়ে<br />
বিশেষ ডকুমেন্টারি। অতিকায় যুবরাজ প্রতিদিন<br />
প্রায় ২৫ হাজার টাকার খাবার খায়। তার<br />
রক্ষণাবেক্ষণে আরও প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়।<br />
দুধ, আপেল আর মাংস যুবরাজের পছন্দের খাবার।<br />
স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করানো হয়<br />
যুবরাজকে। প্রতি সকালে প্রায় চার কিলোমিটার<br />
রাস্তা হাঁটানো হয় তাকে। ষাঁড় দুধ দেয় না, সরাসরি<br />
কৃষি কাজেও লাগানো হয় না। তবু যুবরাজের মাধ্যমে<br />
তার মালিকের বছরে আয় প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এই<br />
টাকা আসে যুবরাজের সিমেন বা বীর্য বিক্রি করে।<br />
দক্ষিণ ভারতে এর প্রচুর চাহিদা। ২০১৪ সালের এক<br />
হিসাব মতে, যুবরাজ প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার<br />
বাছুরের জনক। বর্তমানে সেটি নিঃসন্দেহে আরও<br />
বেড়েছে। এই সেলিব্রেটি ষাঁড়টির দিকে<br />
ধনকুবেরদেরও নজর। ভারতের এক কৃষক তো নগদ সাত<br />
কোটি রুপিতে কিনে নেওয়ার আগ্রহ<br />
দেখিয়েছিলেন। কিন্তু যুবরাজের মালিক করমভির<br />
সিং তাতে রাজি হননি। যুবরাজ তার সন্তানতুল্য।<br />
উল্টো বললেন, জীবনের সবকিছুর মূল্য তো আর টাকা<br />
দিয়ে হয় না!<br />
এক নজরে ‘যুবরাজ’<br />
► বিশ্বের সবচেয়ে দামি ষাঁড় এটি। ভারতের<br />
হরিয়ানার বংশোদ্ভূত ‘মুররাহ’ জাতের ষাঁড়টির নাম<br />
রাখা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার যুবরাজের নামের<br />
সঙ্গে মিলিয়ে। এর বর্তমান মালিক করমভির সিং।<br />
► মিরাটস অল ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো-২০১৪<br />
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবার নজর কেড়ে<br />
নেয় ষাঁড়টি।<br />
► যুবরাজের ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। উচ্চতা ৫<br />
ফুট ৯ ইঞ্চি, লম্বা ১৮ ফুট।<br />
► প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয় তার<br />
পেছনে।<br />
► যুবরাজের বীর্য বিক্রি করে মালিকের প্রতি বছর<br />
আয় ৫০ লাখ টাকা<br />
► যুবরাজের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রয়েছে<br />
২০ লিটার দুধ, ৫ কেজি আপেল আর ১৫ কেজি ভালো<br />
জাতের মাংস।<br />
► নিয়মিত ‘মর্নিং ওয়াক’ বা প্রাতঃভ্রমণে বের হয়<br />
যুবরাজ। এ সময় সে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা<br />
হেঁটে আসে।<br />
► ১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাছুরের জনক যুবরাজ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নদী]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=545</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:34:29 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=545</guid>
			<description><![CDATA[বছরের বেশির ভাগ সময় এ নদী অন্য ১০টি সাধারণ<br />
নদীর মতো। সেপ্টেম্বর এলে কী যেন জাদু খেলে<br />
যায় নদীটিতে। স্ফটিক জলের নিচে যেন রঙের<br />
বিস্ফোরণ ঘটে। জলের তলায় এক বিচিত্র গুল্ম<br />
মাকারেনিয়া ক্লাভিগেরার বদৌলতে বিভিন্ন বর্ণ<br />
লাভ করে কানো ক্রিস্টাল।<br />
লাল বর্ণের প্রাধান্য থাকলেও কখনো মেরুন বা গাঢ়<br />
অথবা হালকা গোলাপি। ছায়াযুক্ত স্থানে থাকে<br />
সবুজ বর্ণ। কানো ক্রিস্টালের নীল আর হলদেটে রংও<br />
চোখে পড়েছে অভিযাত্রীদের। লোকে বলে, এটি<br />
নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নদী। অনেকের মতে, এই<br />
নদী স্বর্গে উত্পত্তি হয়ে মর্ত্যলোকে বয়ে চলেছে।<br />
কিন্তু কেবল বর্ষা ও শুষ্ক ঋতুর মাঝামাঝি মাত্র<br />
অল্প কয়েক দিনের জন্য নদীটি এই অপরূপ সৌন্দর্যে<br />
ধরা দেয় কেন? কেননা মাকারেনিয়া ক্লাভিগেরার<br />
বহু বর্ণে সাজার জন্য প্রকৃতির সাহায্য দরকার।<br />
কলম্বিয়ার বর্ষাকালে জলের গভীরতা এবং গতি এত<br />
বেশি যে তলদেশ সহজে চোখে পড়ে না। তাই গুল্মের<br />
লাল রং দেখার জন্য প্রয়োজনীয় সূর্যালোকও নদীর<br />
তলে যায় না। আবার শুকনো মৌসুমে পানি থাকে খুব<br />
কম। আর কানো ক্রিস্টাল ন্যূনতম একটি পানির<br />
প্রবাহ ছাড়া লাল রং ধারণ করে না।<br />
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরে কয়েক সপ্তাহ যখন<br />
নদীতে পানির গভীরতা একটি নির্দিষ্ট মাত্রার<br />
কমও নয় বেশিও নয়—সেই যথাযথ পরিস্থিতিতে<br />
গুল্মের রংগুলো ধরা দেয়, দেখা মেলে। সঙ্গে হলদে<br />
সবুজ বালি, নীল জলের সঙ্গে সূর্যের আভা<br />
মিলেমিশে জন্ম দেয় রঙের হাজারো শেড। মনে হয়,<br />
আকাশের রংধনু তার সব রং নিয়ে মাটিতে নেমে<br />
এসেছে। তাই এ নদী ‘তরল রংধনু’ নামেও পরিচিত।<br />
কানো ক্রিস্টাল উদ্ভিদেভরা হলেও এতে কোনো<br />
মাছ নেই। বালুকণার পরিমাণ কম হওয়ায় পানি বেশ<br />
স্বচ্ছ। এ জন্য প্রতিটি রং ঠিক ঠিক বোঝা যায়।<br />
নদীটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার লম্বা আর ২০ মিটার<br />
চওড়া। এত সুন্দর একটি স্থানে পর্যটকের আনাগোনা<br />
হবে, সেটাই স্বাভাবিক। সেই সঙ্গে আরো আছে<br />
ঝরনা, আর পানি উষ্ণ হওয়ায় এটি সাঁতারেরও<br />
চমত্কার স্থান। তবে গেরিলা আক্রমণের আশঙ্কায়<br />
স্থানটি বহু দিন জনসাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। ২০০৯<br />
সালে আবার নতুন করে খুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে<br />
অনেক প্রতিষ্ঠান নদীটি ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করে<br />
রেখেছে। বিমানে করে পাশের শহর লা মাকারেনা<br />
পর্যন্ত যাওয়া যায়। সেখান থেকে ঘোড়া বা গাধার<br />
পিঠে চড়ে সোজা চলে আসা যায় রংধনু নদীর<br />
তীরে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বছরের বেশির ভাগ সময় এ নদী অন্য ১০টি সাধারণ<br />
নদীর মতো। সেপ্টেম্বর এলে কী যেন জাদু খেলে<br />
যায় নদীটিতে। স্ফটিক জলের নিচে যেন রঙের<br />
বিস্ফোরণ ঘটে। জলের তলায় এক বিচিত্র গুল্ম<br />
মাকারেনিয়া ক্লাভিগেরার বদৌলতে বিভিন্ন বর্ণ<br />
লাভ করে কানো ক্রিস্টাল।<br />
লাল বর্ণের প্রাধান্য থাকলেও কখনো মেরুন বা গাঢ়<br />
অথবা হালকা গোলাপি। ছায়াযুক্ত স্থানে থাকে<br />
সবুজ বর্ণ। কানো ক্রিস্টালের নীল আর হলদেটে রংও<br />
চোখে পড়েছে অভিযাত্রীদের। লোকে বলে, এটি<br />
নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নদী। অনেকের মতে, এই<br />
নদী স্বর্গে উত্পত্তি হয়ে মর্ত্যলোকে বয়ে চলেছে।<br />
কিন্তু কেবল বর্ষা ও শুষ্ক ঋতুর মাঝামাঝি মাত্র<br />
অল্প কয়েক দিনের জন্য নদীটি এই অপরূপ সৌন্দর্যে<br />
ধরা দেয় কেন? কেননা মাকারেনিয়া ক্লাভিগেরার<br />
বহু বর্ণে সাজার জন্য প্রকৃতির সাহায্য দরকার।<br />
কলম্বিয়ার বর্ষাকালে জলের গভীরতা এবং গতি এত<br />
বেশি যে তলদেশ সহজে চোখে পড়ে না। তাই গুল্মের<br />
লাল রং দেখার জন্য প্রয়োজনীয় সূর্যালোকও নদীর<br />
তলে যায় না। আবার শুকনো মৌসুমে পানি থাকে খুব<br />
কম। আর কানো ক্রিস্টাল ন্যূনতম একটি পানির<br />
প্রবাহ ছাড়া লাল রং ধারণ করে না।<br />
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরে কয়েক সপ্তাহ যখন<br />
নদীতে পানির গভীরতা একটি নির্দিষ্ট মাত্রার<br />
কমও নয় বেশিও নয়—সেই যথাযথ পরিস্থিতিতে<br />
গুল্মের রংগুলো ধরা দেয়, দেখা মেলে। সঙ্গে হলদে<br />
সবুজ বালি, নীল জলের সঙ্গে সূর্যের আভা<br />
মিলেমিশে জন্ম দেয় রঙের হাজারো শেড। মনে হয়,<br />
আকাশের রংধনু তার সব রং নিয়ে মাটিতে নেমে<br />
এসেছে। তাই এ নদী ‘তরল রংধনু’ নামেও পরিচিত।<br />
কানো ক্রিস্টাল উদ্ভিদেভরা হলেও এতে কোনো<br />
মাছ নেই। বালুকণার পরিমাণ কম হওয়ায় পানি বেশ<br />
স্বচ্ছ। এ জন্য প্রতিটি রং ঠিক ঠিক বোঝা যায়।<br />
নদীটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার লম্বা আর ২০ মিটার<br />
চওড়া। এত সুন্দর একটি স্থানে পর্যটকের আনাগোনা<br />
হবে, সেটাই স্বাভাবিক। সেই সঙ্গে আরো আছে<br />
ঝরনা, আর পানি উষ্ণ হওয়ায় এটি সাঁতারেরও<br />
চমত্কার স্থান। তবে গেরিলা আক্রমণের আশঙ্কায়<br />
স্থানটি বহু দিন জনসাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। ২০০৯<br />
সালে আবার নতুন করে খুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে<br />
অনেক প্রতিষ্ঠান নদীটি ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করে<br />
রেখেছে। বিমানে করে পাশের শহর লা মাকারেনা<br />
পর্যন্ত যাওয়া যায়। সেখান থেকে ঘোড়া বা গাধার<br />
পিঠে চড়ে সোজা চলে আসা যায় রংধনু নদীর<br />
তীরে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[১১ ঘণ্টায় কোরআন খতম করে রেকর্ড গড়লের ফিলিস্তিনের যুবক !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=544</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:33:37 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=544</guid>
			<description><![CDATA[ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক নেতা এবং কোরআনের<br />
অধ্যাপকদের উপস্থিতিতে গাজার যুবক 'ওয়াসিম<br />
নাজাল মুহানী' মাত্র ১১ ঘণ্টায় পবিত্র কোরআন<br />
তিলাওয়াত করে ৩০ পারা খতম করে রেকর্ড<br />
গড়েছেন!<br />
পবিত্র কোরআনের হাফেজ ওয়াসিম নাজাল মুহানী<br />
কয়েক দিন পূর্বে গাজার দারুল কোরআন ও ইস্ট সেন্ট<br />
কেন্দ্র থেকে কোরআন হেফজ করেছেন। বিশ্বের<br />
মধ্যে তিনি প্রথমবার মাত্র ১১ ঘণ্টায় কোরআন খতম<br />
করে রেকর্ড করেছেন।<br />
পূর্ব গাজা উপত্যকার পূর্বাঞ্চলীয় সুজায়িয়া<br />
এলাকার 'আদ্দার আক্তানী' মসজিদে গত শুক্রবার<br />
(১৫ই জুলাই) ওয়াসিম নাজাল ফজরের নামাজের পর<br />
কোরআন তিলাওয়াত শুরু করেন এবং আসরের<br />
নামাজে পর্যন্ত টানা ১১ ঘণ্টা কোরআন তিলাওয়াত<br />
করে সম্পূর্ণ কোরআন খতম করেনে।<br />
কোরআন খতম করার অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনি আইন<br />
পরিষদের প্রতিনিধি 'রুহি মুস্তাহী', হামাস<br />
আন্দোলনের পলিট ব্যুরোর সদস্য 'হানি আসলিম',<br />
গাজার দারুল কোরআন ও ইস্ট সেন্ট কেন্দ্রর প্রধান<br />
সহ গাজার দারুল কোরআন এসোসিয়েশন প্রশাসনিক<br />
কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।<br />
গাজার দারুল কোরআন ও ইস্ট সেন্ট কেন্দ্রর প্রধান<br />
'হাযিম আল-শেখ খলিল' এ ব্যাপারে বলেন, কোরআন<br />
খতমের এই বৈঠকের পূর্বে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক<br />
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।<br />
প্রতি বৈঠকে ওয়াসিম নাজাল বেশ কয়েক পারা<br />
তিলাওয়াত করেছেন এবং অবশেষে চূড়ান্ত বৈঠকে<br />
১১ ঘণ্টায় সম্পূর্ণ কোরআন তিলাওয়াত করে খতম<br />
করেছেন।-ইকনা]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক নেতা এবং কোরআনের<br />
অধ্যাপকদের উপস্থিতিতে গাজার যুবক 'ওয়াসিম<br />
নাজাল মুহানী' মাত্র ১১ ঘণ্টায় পবিত্র কোরআন<br />
তিলাওয়াত করে ৩০ পারা খতম করে রেকর্ড<br />
গড়েছেন!<br />
পবিত্র কোরআনের হাফেজ ওয়াসিম নাজাল মুহানী<br />
কয়েক দিন পূর্বে গাজার দারুল কোরআন ও ইস্ট সেন্ট<br />
কেন্দ্র থেকে কোরআন হেফজ করেছেন। বিশ্বের<br />
মধ্যে তিনি প্রথমবার মাত্র ১১ ঘণ্টায় কোরআন খতম<br />
করে রেকর্ড করেছেন।<br />
পূর্ব গাজা উপত্যকার পূর্বাঞ্চলীয় সুজায়িয়া<br />
এলাকার 'আদ্দার আক্তানী' মসজিদে গত শুক্রবার<br />
(১৫ই জুলাই) ওয়াসিম নাজাল ফজরের নামাজের পর<br />
কোরআন তিলাওয়াত শুরু করেন এবং আসরের<br />
নামাজে পর্যন্ত টানা ১১ ঘণ্টা কোরআন তিলাওয়াত<br />
করে সম্পূর্ণ কোরআন খতম করেনে।<br />
কোরআন খতম করার অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনি আইন<br />
পরিষদের প্রতিনিধি 'রুহি মুস্তাহী', হামাস<br />
আন্দোলনের পলিট ব্যুরোর সদস্য 'হানি আসলিম',<br />
গাজার দারুল কোরআন ও ইস্ট সেন্ট কেন্দ্রর প্রধান<br />
সহ গাজার দারুল কোরআন এসোসিয়েশন প্রশাসনিক<br />
কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।<br />
গাজার দারুল কোরআন ও ইস্ট সেন্ট কেন্দ্রর প্রধান<br />
'হাযিম আল-শেখ খলিল' এ ব্যাপারে বলেন, কোরআন<br />
খতমের এই বৈঠকের পূর্বে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক<br />
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।<br />
প্রতি বৈঠকে ওয়াসিম নাজাল বেশ কয়েক পারা<br />
তিলাওয়াত করেছেন এবং অবশেষে চূড়ান্ত বৈঠকে<br />
১১ ঘণ্টায় সম্পূর্ণ কোরআন তিলাওয়াত করে খতম<br />
করেছেন।-ইকনা]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[১০১ বছরে সাঁতার কেটে বিশ্বরেকর্ড !!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=543</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:33:06 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=543</guid>
			<description><![CDATA[১০১ বছর বয়সে সাঁতার কেটে বিশ্বরেকর্ড করেছেন<br />
জাপানের মেইকো নাগাওকা। জাপানের চিবা<br />
শহরে চলছে বর্ষীয়ানদের সাঁতার প্রতিযোগিতা।<br />
সেখানেই দুর্দান্ত এ কাজ করে বসেন তিনি।<br />
টুর্নামেন্টে ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল বিভাগে ছিলেন<br />
শতবর্ষী নাগাওকা। শতবর্ষ পার করা এই নারী<br />
সাঁতারুর সাঁতার দেখতে দর্শকরা ছিলেন উৎসুক।<br />
সবাইকে চমকে দিয়ে ২৬ মিনিট ১৬.৮১ সেকেন্ডে<br />
তিনি পার করেন নির্দিষ্ট দূরত্ব।<br />
পানি থেকে উঠে আসতেই করতালিতে সম্মান<br />
জানানো হয় এই শতাব্দী প্রাচীন এই সাঁতারুকে।<br />
একটানা সাঁতার কেটেও ক্লান্ত নন নাগাওকা।<br />
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে<br />
তিনি জানান, অন্তত ১০৫ বছর পর্যন্ত সাঁতার কাটতে<br />
চাই।<br />
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, একসময় প্রতিযোগিতা<br />
রোমাঞ্চকর পর্যায়ে চলে যায়। তখন পানির মধ্যে<br />
তীব্র লড়াই চলছে ৮০ বছরের এটসুকো আজুমির সঙ্গে<br />
১০১ বছরের নাগাওকার। সুন্দর ছন্দে জল কেটে<br />
দুজনেই ফিনিশিং লাইনের দিকে এগিয়ে<br />
যাচ্ছিলেন।<br />
তবে শেষ পর্যন্ত আশি বছরের আজুমি জয় ছিনিয়ে<br />
নিয়েছেন। চ্যাম্পিয়ন না হতে পেরেও কোনো দুঃখ<br />
নেই নাগাওকার। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে তাকে ঘিরেই<br />
ছিল যাবতীয় কৌতুহল। নাগাওকা বলেন, ‘যখন আমি<br />
সাঁতার কাটি তখন আমি আমার নিজেকে নিজের<br />
মতো করে পাই।<br />
প্রসঙ্গত, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯১৪ সালে জন্ম<br />
হয় নাগাওকার। দেখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের<br />
বিভীষিকা। বিংশ শতাব্দীর প্রায় পুরোটাই তিনি<br />
প্রত্যক্ষ করেছেন। আর মনের আনন্দে সাঁতার<br />
কেটেছেন। এখনো সেই অভ্যাসটি ছাড়তে নারাজ<br />
তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[১০১ বছর বয়সে সাঁতার কেটে বিশ্বরেকর্ড করেছেন<br />
জাপানের মেইকো নাগাওকা। জাপানের চিবা<br />
শহরে চলছে বর্ষীয়ানদের সাঁতার প্রতিযোগিতা।<br />
সেখানেই দুর্দান্ত এ কাজ করে বসেন তিনি।<br />
টুর্নামেন্টে ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল বিভাগে ছিলেন<br />
শতবর্ষী নাগাওকা। শতবর্ষ পার করা এই নারী<br />
সাঁতারুর সাঁতার দেখতে দর্শকরা ছিলেন উৎসুক।<br />
সবাইকে চমকে দিয়ে ২৬ মিনিট ১৬.৮১ সেকেন্ডে<br />
তিনি পার করেন নির্দিষ্ট দূরত্ব।<br />
পানি থেকে উঠে আসতেই করতালিতে সম্মান<br />
জানানো হয় এই শতাব্দী প্রাচীন এই সাঁতারুকে।<br />
একটানা সাঁতার কেটেও ক্লান্ত নন নাগাওকা।<br />
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে<br />
তিনি জানান, অন্তত ১০৫ বছর পর্যন্ত সাঁতার কাটতে<br />
চাই।<br />
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, একসময় প্রতিযোগিতা<br />
রোমাঞ্চকর পর্যায়ে চলে যায়। তখন পানির মধ্যে<br />
তীব্র লড়াই চলছে ৮০ বছরের এটসুকো আজুমির সঙ্গে<br />
১০১ বছরের নাগাওকার। সুন্দর ছন্দে জল কেটে<br />
দুজনেই ফিনিশিং লাইনের দিকে এগিয়ে<br />
যাচ্ছিলেন।<br />
তবে শেষ পর্যন্ত আশি বছরের আজুমি জয় ছিনিয়ে<br />
নিয়েছেন। চ্যাম্পিয়ন না হতে পেরেও কোনো দুঃখ<br />
নেই নাগাওকার। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে তাকে ঘিরেই<br />
ছিল যাবতীয় কৌতুহল। নাগাওকা বলেন, ‘যখন আমি<br />
সাঁতার কাটি তখন আমি আমার নিজেকে নিজের<br />
মতো করে পাই।<br />
প্রসঙ্গত, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯১৪ সালে জন্ম<br />
হয় নাগাওকার। দেখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের<br />
বিভীষিকা। বিংশ শতাব্দীর প্রায় পুরোটাই তিনি<br />
প্রত্যক্ষ করেছেন। আর মনের আনন্দে সাঁতার<br />
কেটেছেন। এখনো সেই অভ্যাসটি ছাড়তে নারাজ<br />
তিনি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[৩৩২ কেজির সিঙাড়া বানিয়ে গিনেস বুকে রেকর্ড গড়ল ১০ যুবক !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=542</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:32:32 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=542</guid>
			<description><![CDATA[গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ জায়গা করে<br />
নেয়ার জন্যে এক অভিনব কাজ করে ফেলেছেন<br />
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ জেলার<br />
গোপাল নগর কলোনির ১০ জন অত্যুত্সাহী মানুষ।<br />
২০ বছরের রীতেশ সোনির নেতৃত্বে এই দশ জন মিলে<br />
বানিয়ে ফেলেছেন বিশ্বের সব থেকে বড় সিঙাড়া।<br />
ওজন ৩৩২ কেজি। তাদের এই কীর্তি গিনেস বুকে<br />
তুলতে এবার তারা দারস্থ হয়েছেন গিনে, বুক অফ<br />
ওয়র্ল্ড রেকর্ডস-এর নিকট। কিন্তু হঠাত্ করে এমন<br />
বিরাট মাপের সিঙাড়া বানানোর ইচ্ছে হলো কেন?<br />
উত্তরে রীতেশ জানান, গত বছর তাদের জেলারই<br />
কাঠারিয়া বাজারের একদল মানুষ বিশ্বের সব<br />
থেকে বড় জিলিপি তৈরি করে গিনেস বুকে<br />
নিজেদের নাম তোলেন।<br />
তাদের দেখেই অনুপ্রাণিত হয়ে রীতেশসহ আরো ৯<br />
জন। আর তারা সবাই মিলে তৈরি করেছেন এই<br />
বিশালাকৃতির সিঙাড়া। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া।<br />
এর আগে ১১০ কেজি ওজনের সিঙাড়া বানিয়ে<br />
গিনেস বুকে নাম তুলেছিল ইংল্যান্ডের<br />
ব্র্যাডফোর্ড কলেজ। এই দলের অন্য আর এক সদস্য<br />
নবীন তিওয়ারি জানিয়েছেন, গিনেস বুকে নাম<br />
তোলার পিছনে তাদের আরো একটি উদ্দেশ্য আছে।<br />
তারা মনে করেন এভাবেই দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে<br />
নেতাদের। স্বাধীনতার এত বছর পরেও এই জেলায়<br />
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চূড়ান্ত অভাব<br />
লক্ষ্যণীয়। সেই সঙ্গে রয়েছে শিক্ষার সমস্যাও।<br />
গিনেস বুকে নাম উঠলে তবেই তাদের জেলার কথা<br />
গিয়ে পৌঁছাবে বড় বড় নেতাদের কানে।<br />
বিশ্বের সব থেকে বড় সিঙাড়া বানানোর<br />
প্রস্তুতিতে লেগেছে ১৫ দিন। খরচ হয়েছে ৪০ হাজার<br />
টাকা। এই সিঙাড়াটি তৈরি করতে লেগেছে ৯০<br />
লিটার তেল, ১৭৫ কিলোগ্রাম ময়দা এবং ২০০ কেজি<br />
আলু। এই সিঙাড়াটির উচ্চতা ৩ মিটার, এবং তিন<br />
দিকে মাপ যথাক্রমে ২ মিটার এবং দেড় মিটার<br />
করে। এর ব্যাসার্ধ ৩৬ ইঞ্চি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ জায়গা করে<br />
নেয়ার জন্যে এক অভিনব কাজ করে ফেলেছেন<br />
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জ জেলার<br />
গোপাল নগর কলোনির ১০ জন অত্যুত্সাহী মানুষ।<br />
২০ বছরের রীতেশ সোনির নেতৃত্বে এই দশ জন মিলে<br />
বানিয়ে ফেলেছেন বিশ্বের সব থেকে বড় সিঙাড়া।<br />
ওজন ৩৩২ কেজি। তাদের এই কীর্তি গিনেস বুকে<br />
তুলতে এবার তারা দারস্থ হয়েছেন গিনে, বুক অফ<br />
ওয়র্ল্ড রেকর্ডস-এর নিকট। কিন্তু হঠাত্ করে এমন<br />
বিরাট মাপের সিঙাড়া বানানোর ইচ্ছে হলো কেন?<br />
উত্তরে রীতেশ জানান, গত বছর তাদের জেলারই<br />
কাঠারিয়া বাজারের একদল মানুষ বিশ্বের সব<br />
থেকে বড় জিলিপি তৈরি করে গিনেস বুকে<br />
নিজেদের নাম তোলেন।<br />
তাদের দেখেই অনুপ্রাণিত হয়ে রীতেশসহ আরো ৯<br />
জন। আর তারা সবাই মিলে তৈরি করেছেন এই<br />
বিশালাকৃতির সিঙাড়া। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া।<br />
এর আগে ১১০ কেজি ওজনের সিঙাড়া বানিয়ে<br />
গিনেস বুকে নাম তুলেছিল ইংল্যান্ডের<br />
ব্র্যাডফোর্ড কলেজ। এই দলের অন্য আর এক সদস্য<br />
নবীন তিওয়ারি জানিয়েছেন, গিনেস বুকে নাম<br />
তোলার পিছনে তাদের আরো একটি উদ্দেশ্য আছে।<br />
তারা মনে করেন এভাবেই দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে<br />
নেতাদের। স্বাধীনতার এত বছর পরেও এই জেলায়<br />
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চূড়ান্ত অভাব<br />
লক্ষ্যণীয়। সেই সঙ্গে রয়েছে শিক্ষার সমস্যাও।<br />
গিনেস বুকে নাম উঠলে তবেই তাদের জেলার কথা<br />
গিয়ে পৌঁছাবে বড় বড় নেতাদের কানে।<br />
বিশ্বের সব থেকে বড় সিঙাড়া বানানোর<br />
প্রস্তুতিতে লেগেছে ১৫ দিন। খরচ হয়েছে ৪০ হাজার<br />
টাকা। এই সিঙাড়াটি তৈরি করতে লেগেছে ৯০<br />
লিটার তেল, ১৭৫ কিলোগ্রাম ময়দা এবং ২০০ কেজি<br />
আলু। এই সিঙাড়াটির উচ্চতা ৩ মিটার, এবং তিন<br />
দিকে মাপ যথাক্রমে ২ মিটার এবং দেড় মিটার<br />
করে। এর ব্যাসার্ধ ৩৬ ইঞ্চি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এক নারীর গর্ভে ৬৯ সন্তান !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=541</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:31:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=541</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্বজুড়ে রেকর্ডের শেষ নেই। কেউ সবচেয়ে বেশি<br />
বিয়ে করে রেকর্ড গড়েন। কেউ স্থুলকায় হয়ে রেকর্ড<br />
করেন।<br />
কেউ আবার শুক্রানু দানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শত<br />
শত সন্তানের বাবা হয়ে রেকর্ড করছেন। তবে এবার<br />
যে রেকর্ডটির কথা বলবো তা শুনলে অবিশ্বাস্যই<br />
মনে হবে।<br />
একজন স্ত্রীর থেকে সর্বাধিক সন্তান পাওয়ার বিশ্ব<br />
রেকর্ড গড়েছেন এক বাবা।<br />
এ বাবার বাড়ি রাশিয়ার মস্কোয়। তার সন্তানের<br />
সংখ্যা ৬৯। এখানেই শেষ নয়। অনেকে ভাবতে<br />
পারেন প্রতিবছর একটা করে সন্তান জন্ম দিলেও তো<br />
৬৯ বছর লেগে যাওয়ার কথা। সেটা সত্য।<br />
তবে ওই ব্যক্তির স্ত্রী ফিওডোর তাকে ১৬ জোড়া<br />
যমজ, সাত সেট ট্রিপলেট (একসঙ্গে তিনটি বাচ্চা<br />
হওয়া) ও চার সেট কোয়াড্রুপ্লেট (একসঙ্গে চারটি<br />
বাচ্চা হওয়া) সন্তান উপহার দিয়েছেন। মজার<br />
ব্যাপার হচ্ছে ওই নারী কখনো কোন একক সন্তান<br />
জন্ম দেননি। সূত্র: এইসময়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বিশ্বজুড়ে রেকর্ডের শেষ নেই। কেউ সবচেয়ে বেশি<br />
বিয়ে করে রেকর্ড গড়েন। কেউ স্থুলকায় হয়ে রেকর্ড<br />
করেন।<br />
কেউ আবার শুক্রানু দানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে শত<br />
শত সন্তানের বাবা হয়ে রেকর্ড করছেন। তবে এবার<br />
যে রেকর্ডটির কথা বলবো তা শুনলে অবিশ্বাস্যই<br />
মনে হবে।<br />
একজন স্ত্রীর থেকে সর্বাধিক সন্তান পাওয়ার বিশ্ব<br />
রেকর্ড গড়েছেন এক বাবা।<br />
এ বাবার বাড়ি রাশিয়ার মস্কোয়। তার সন্তানের<br />
সংখ্যা ৬৯। এখানেই শেষ নয়। অনেকে ভাবতে<br />
পারেন প্রতিবছর একটা করে সন্তান জন্ম দিলেও তো<br />
৬৯ বছর লেগে যাওয়ার কথা। সেটা সত্য।<br />
তবে ওই ব্যক্তির স্ত্রী ফিওডোর তাকে ১৬ জোড়া<br />
যমজ, সাত সেট ট্রিপলেট (একসঙ্গে তিনটি বাচ্চা<br />
হওয়া) ও চার সেট কোয়াড্রুপ্লেট (একসঙ্গে চারটি<br />
বাচ্চা হওয়া) সন্তান উপহার দিয়েছেন। মজার<br />
ব্যাপার হচ্ছে ওই নারী কখনো কোন একক সন্তান<br />
জন্ম দেননি। সূত্র: এইসময়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[টায়ারের দাম ৪ কোটি! জায়গা করে নিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড বুক অব রেকর্ডে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=540</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:31:23 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=540</guid>
			<description><![CDATA[মোটরগাড়ির একটি টায়ারের দাম আর কত হবে।<br />
বেশি হলে হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু<br />
অবাক করার বিষয় হলো এই টায়ারই ৪ কোটি ১০ লাখ<br />
রুপিতে বিক্রি হয়েছে।<br />
বিক্রয়ের স্থান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।<br />
সেখানে এক বাণিজ্য মেলায় প্রায় চার কোটি ১০<br />
লাখ ভারতীয় রুপিতে দুটি টায়ার বিক্রয় হয়। এই<br />
টায়ারগুলো তৈরি করেছিল দুবাইয়ের ‘জেড<br />
টায়ার্স’ নামের একটি কোম্পানি।<br />
তবে বিশ্বে এর আগে অত দামে কখনো টায়ার<br />
বিক্রি হয়নি।<br />
ফলে ইতিমধ্যেই এই টায়ার গিনেস ওয়ার্ল্ড বুক<br />
অব রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে।<br />
টায়ারগুলোর এত দামের কারণ হলো এসব সোনা<br />
দিয়ে তৈরি। এর মূল উপাদান রাবার হলেও এগুলো<br />
ছিল গোল্ড প্লেটেড। এ ছাড়া টায়ারগুলোর গায়ে<br />
সোনা দিয়ে খোদাই করে নকশা তৈরি করা হয়েছে।<br />
আর সজ্জিত করা হয়েছে মূল্যবান হীরা দিয়ে।<br />
জেনিসেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী<br />
কর্মকর্তা হারজিভ কান্দারি বলেন, পবিত্র রমজান<br />
মাসের পবিত্রতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে টায়ার<br />
বিক্রির সমুদয় অর্থ ‘জেনিসেস ফাউন্ডেশন’ নামের<br />
একটি দাতব্য সংস্থাকে দান করা হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মোটরগাড়ির একটি টায়ারের দাম আর কত হবে।<br />
বেশি হলে হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু<br />
অবাক করার বিষয় হলো এই টায়ারই ৪ কোটি ১০ লাখ<br />
রুপিতে বিক্রি হয়েছে।<br />
বিক্রয়ের স্থান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।<br />
সেখানে এক বাণিজ্য মেলায় প্রায় চার কোটি ১০<br />
লাখ ভারতীয় রুপিতে দুটি টায়ার বিক্রয় হয়। এই<br />
টায়ারগুলো তৈরি করেছিল দুবাইয়ের ‘জেড<br />
টায়ার্স’ নামের একটি কোম্পানি।<br />
তবে বিশ্বে এর আগে অত দামে কখনো টায়ার<br />
বিক্রি হয়নি।<br />
ফলে ইতিমধ্যেই এই টায়ার গিনেস ওয়ার্ল্ড বুক<br />
অব রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে।<br />
টায়ারগুলোর এত দামের কারণ হলো এসব সোনা<br />
দিয়ে তৈরি। এর মূল উপাদান রাবার হলেও এগুলো<br />
ছিল গোল্ড প্লেটেড। এ ছাড়া টায়ারগুলোর গায়ে<br />
সোনা দিয়ে খোদাই করে নকশা তৈরি করা হয়েছে।<br />
আর সজ্জিত করা হয়েছে মূল্যবান হীরা দিয়ে।<br />
জেনিসেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী<br />
কর্মকর্তা হারজিভ কান্দারি বলেন, পবিত্র রমজান<br />
মাসের পবিত্রতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে টায়ার<br />
বিক্রির সমুদয় অর্থ ‘জেনিসেস ফাউন্ডেশন’ নামের<br />
একটি দাতব্য সংস্থাকে দান করা হবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর কথা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=539</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:30:51 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=539</guid>
			<description><![CDATA[গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস- এই নামের বইটি<br />
আজ সারাবিশ্বে পরিচিত। এটি একটি সংকলন<br />
পুস্তক। পৃথিবীতে সংঘটিত যাবতীয় ঘটনা ও বিষয়ের<br />
সাম্প্রতিকতম রেকর্ড বা তথ্য এই বইতে সংকলিত হয়।<br />
এই বিস্ময়কর রেকর্ড পুস্তক প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৫<br />
খ্রিঃ ২৭ আগস্ট। এই রেকর্ড ইতিহাসের সূত্রপাত<br />
হয়েছিল খুবই চমকপ্রদভাবে। ১৯৫১ খ্রি: ১০ নভেম্বর<br />
সার হিউজ বিভার আয়ারল্যান্ডের এক অঞ্চলে<br />
শিকার করতে গিয়ে গোল্ডেন প্লেভার নামে<br />
একটি পাখি শিকার করার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা<br />
করলেন। কিন্তু এই পাখি কোথাও পেলেন না। ফিরে<br />
এসে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে যখন এই পাখির বিষয়ে<br />
আলোচনা করছিলেন তখন তর্ক বেধে গেল-<br />
গোল্ডেন প্লেভার ইউরোপের সবচেয়ে দ্রুতগামী<br />
পাখি কিনা— এই প্রসঙ্গ নিয়ে। কিন্তু এই<br />
জিজ্ঞাসার যথাযথ উত্তর পাওয়া না গেলে<br />
তর্কেরও মীমাংসা হওয়া সম্ভব না। হলোও না।<br />
পরের ঘটনা ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে।<br />
এবারের বিতর্কের বিষয় হলো: গ্রাউস পাখি<br />
গোল্ডেন প্লোভারের চেয়ে দ্রুতগামী কিনা।<br />
কিন্তু এবারেও বিতর্কের কোন মীমাংসা হলো<br />
না। কেননা সঠিক উত্তরটি পাবার মতো কোন বই<br />
কারুর সন্ধানেই ছিল না। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে<br />
স্যার হিউজ অনুভব করলেন এমন একটি বই থাকা<br />
দরকার যেখানে সমস্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া<br />
যাবে। এভাবেই সূত্রপাত হলো গিনেস বুক অব<br />
রেকর্ডস-এর পরিকল্পনার। সেই বছরেই ১২ সেপ্টেম্বর<br />
স্যার হিউজ নরিস আর হুটিয়ানকে আমন্ত্রণ করেন এই<br />
ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য। নরিস আর হুটিয়ান<br />
সেই সময় একটি এজেন্সি চালাতেন যেখানে<br />
নানারকম তথ্য সংগ্রহ করা হতো। এই দু'জনের<br />
সাহায্য স্যার হিউজের খুবই কাজে লাগলো। তাদের<br />
সহায়তায় একটা দফতর খোলা হলো এবং প্রথম<br />
গিনেস বুক-এর কার্যক্রম শুরু হলো। ১৯৫৫ খ্রিঃ ২৭<br />
আগস্ট ১৯৮ পৃষ্ঠায় গিনেস বুক প্রকাশিত হয়।<br />
বড়দিনের আগে সেই বছর এই বইটির বিক্রি ছিলো<br />
সবচেয়ে বেশি।<br />
১৯৫৬ সালে আমেরিকার গিনেস বুক-এর প্রথম<br />
সংস্করণ ছাপা হলো। এর পরে ৩৫টি ভাষায় এই<br />
বইয়ের ২৬২টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছ। হিন্দি<br />
ভাষায় প্রকাশিত 'গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-<br />
এর ২০০ এর বেশি ভারতীয় রেকর্ডের আলাদা একটি<br />
খণ্ডও প্রকাশিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস- এই নামের বইটি<br />
আজ সারাবিশ্বে পরিচিত। এটি একটি সংকলন<br />
পুস্তক। পৃথিবীতে সংঘটিত যাবতীয় ঘটনা ও বিষয়ের<br />
সাম্প্রতিকতম রেকর্ড বা তথ্য এই বইতে সংকলিত হয়।<br />
এই বিস্ময়কর রেকর্ড পুস্তক প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৫<br />
খ্রিঃ ২৭ আগস্ট। এই রেকর্ড ইতিহাসের সূত্রপাত<br />
হয়েছিল খুবই চমকপ্রদভাবে। ১৯৫১ খ্রি: ১০ নভেম্বর<br />
সার হিউজ বিভার আয়ারল্যান্ডের এক অঞ্চলে<br />
শিকার করতে গিয়ে গোল্ডেন প্লেভার নামে<br />
একটি পাখি শিকার করার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা<br />
করলেন। কিন্তু এই পাখি কোথাও পেলেন না। ফিরে<br />
এসে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে যখন এই পাখির বিষয়ে<br />
আলোচনা করছিলেন তখন তর্ক বেধে গেল-<br />
গোল্ডেন প্লেভার ইউরোপের সবচেয়ে দ্রুতগামী<br />
পাখি কিনা— এই প্রসঙ্গ নিয়ে। কিন্তু এই<br />
জিজ্ঞাসার যথাযথ উত্তর পাওয়া না গেলে<br />
তর্কেরও মীমাংসা হওয়া সম্ভব না। হলোও না।<br />
পরের ঘটনা ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে।<br />
এবারের বিতর্কের বিষয় হলো: গ্রাউস পাখি<br />
গোল্ডেন প্লোভারের চেয়ে দ্রুতগামী কিনা।<br />
কিন্তু এবারেও বিতর্কের কোন মীমাংসা হলো<br />
না। কেননা সঠিক উত্তরটি পাবার মতো কোন বই<br />
কারুর সন্ধানেই ছিল না। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে<br />
স্যার হিউজ অনুভব করলেন এমন একটি বই থাকা<br />
দরকার যেখানে সমস্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া<br />
যাবে। এভাবেই সূত্রপাত হলো গিনেস বুক অব<br />
রেকর্ডস-এর পরিকল্পনার। সেই বছরেই ১২ সেপ্টেম্বর<br />
স্যার হিউজ নরিস আর হুটিয়ানকে আমন্ত্রণ করেন এই<br />
ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য। নরিস আর হুটিয়ান<br />
সেই সময় একটি এজেন্সি চালাতেন যেখানে<br />
নানারকম তথ্য সংগ্রহ করা হতো। এই দু'জনের<br />
সাহায্য স্যার হিউজের খুবই কাজে লাগলো। তাদের<br />
সহায়তায় একটা দফতর খোলা হলো এবং প্রথম<br />
গিনেস বুক-এর কার্যক্রম শুরু হলো। ১৯৫৫ খ্রিঃ ২৭<br />
আগস্ট ১৯৮ পৃষ্ঠায় গিনেস বুক প্রকাশিত হয়।<br />
বড়দিনের আগে সেই বছর এই বইটির বিক্রি ছিলো<br />
সবচেয়ে বেশি।<br />
১৯৫৬ সালে আমেরিকার গিনেস বুক-এর প্রথম<br />
সংস্করণ ছাপা হলো। এর পরে ৩৫টি ভাষায় এই<br />
বইয়ের ২৬২টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছ। হিন্দি<br />
ভাষায় প্রকাশিত 'গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-<br />
এর ২০০ এর বেশি ভারতীয় রেকর্ডের আলাদা একটি<br />
খণ্ডও প্রকাশিত হয়েছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিশ্বকে চমক দেখিয়ে এবার গিনেস বুকে নাম লেখালেন এক পান দোকানদারের মেয়ে!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=538</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:30:17 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=538</guid>
			<description><![CDATA[পৃথিবীর কোন না কোন প্রান্তে প্রতিদিনই ঘটে<br />
চলেছে আজব আজব ঘটনা। অনেকের কাছে এটা চমক<br />
মনে হলেও বাস্তবে সেগুলো বিশ্বের নাম করা<br />
গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে। আর এর মধ্যে<br />
এমন একটি নতুন ঘটনার জন্ম দিয়ে এবার গিনেস বুকে<br />
নাম লেখালেন একজন পান দোকানদারের মেয়ে।<br />
শুনলে হয়তো অবাক হবেন, বারাণসীর পান<br />
দোকানদারের মেয়ে সোনি চৌরাসিয়া গিনেস<br />
বুকে নাম তুলেছেন ১২৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট নেচে। তবে<br />
প্রতি চার ঘণ্টা ২০ মিনিটের বিরতি নিয়েছিলেন<br />
সোনি। গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয়েছিল<br />
সোনির নাচ। এই বিরতিকে হিসেবে ধরা হয়নি।<br />
শনিবার রাত ৯.২১ মিনিটে ভারতের বারাণসীর<br />
মাউন্ট লিটেরা জি স্কুলের মঞ্চে নাচ শেষ করেন<br />
সোনি। থামেন সাড়ে ১২৩ ঘণ্টা পেরিয়ে। এর আগে<br />
এই রেকর্ডের মালিক ছিল কেরলের হেমলতা<br />
কুণ্ডালুর। তবে তিনি ১২৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট<br />
নেচেছিলেন।<br />
সোনি রেকর্ড গড়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই খবর<br />
পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কানে।<br />
অবশ্য মোদী সোনি চৌরাসিয়াকে টুইটে<br />
শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন। এ ছাড়াও সোনিকে<br />
আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সাবেক রেকর্ডধারী<br />
হেমলতা। তার এই সফল্যের মূলক কারণ ছোটবেলা<br />
থেকে অর্থভাব সোনি একজন নিত্যসঙ্গী ছিল। ৩১<br />
বছরের সোনি আজ যখন খ্যাতির শীর্ষে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পৃথিবীর কোন না কোন প্রান্তে প্রতিদিনই ঘটে<br />
চলেছে আজব আজব ঘটনা। অনেকের কাছে এটা চমক<br />
মনে হলেও বাস্তবে সেগুলো বিশ্বের নাম করা<br />
গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে। আর এর মধ্যে<br />
এমন একটি নতুন ঘটনার জন্ম দিয়ে এবার গিনেস বুকে<br />
নাম লেখালেন একজন পান দোকানদারের মেয়ে।<br />
শুনলে হয়তো অবাক হবেন, বারাণসীর পান<br />
দোকানদারের মেয়ে সোনি চৌরাসিয়া গিনেস<br />
বুকে নাম তুলেছেন ১২৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট নেচে। তবে<br />
প্রতি চার ঘণ্টা ২০ মিনিটের বিরতি নিয়েছিলেন<br />
সোনি। গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয়েছিল<br />
সোনির নাচ। এই বিরতিকে হিসেবে ধরা হয়নি।<br />
শনিবার রাত ৯.২১ মিনিটে ভারতের বারাণসীর<br />
মাউন্ট লিটেরা জি স্কুলের মঞ্চে নাচ শেষ করেন<br />
সোনি। থামেন সাড়ে ১২৩ ঘণ্টা পেরিয়ে। এর আগে<br />
এই রেকর্ডের মালিক ছিল কেরলের হেমলতা<br />
কুণ্ডালুর। তবে তিনি ১২৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট<br />
নেচেছিলেন।<br />
সোনি রেকর্ড গড়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই খবর<br />
পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কানে।<br />
অবশ্য মোদী সোনি চৌরাসিয়াকে টুইটে<br />
শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন। এ ছাড়াও সোনিকে<br />
আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সাবেক রেকর্ডধারী<br />
হেমলতা। তার এই সফল্যের মূলক কারণ ছোটবেলা<br />
থেকে অর্থভাব সোনি একজন নিত্যসঙ্গী ছিল। ৩১<br />
বছরের সোনি আজ যখন খ্যাতির শীর্ষে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এযাবতকালের সবচেয়ে অদ্ভুত ১৪ টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=537</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:29:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=537</guid>
			<description><![CDATA[কিছুদিন আগেই হয়ে গেল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের<br />
৬০ তম বছর পূর্তি। নিজেদের বিগত সময়ের কাজ<br />
পর্যালোচনা করতে গিয়ে তারা পেলেন এক অদ্ভুত<br />
তথ্য। প্রতি বছর তাদের কাছে ১৭৪ টি দেশ থেকে<br />
আসে প্রায় ৫০,০০০ এপ্লিকেশন। এর মধ্যে ৬০০০<br />
এপ্লিকেশন মনোনিত হয়। তারা খেয়াল করলেন,<br />
ঘোষিত অধিকাংশ রেকর্ড আজব আজব সব বিষয়<br />
নিয়ে।<br />
চলুন ফিরে দেখি সেইসব অদ্ভুত বিষয়ের দিকে<br />
যেগুলো যত অদ্ভুতই হোক না কেন ঠিকই জায়গা করে<br />
নিতে পেরেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এ...<br />
১। সবচেয়ে ওজন নিয়ে রেকর্ড করেন দুই জমজ-<br />
১৯৭৮ সালে রেস্টলার্স বিলি ও বেনি ম্যাককেরি<br />
world’s heaviest twins হিসেবে রেকর্ড করেন। তাদের<br />
ওজন ছিল যথাক্রমে ৭৪৩ পাউন্ড এবং ৭২৩ পাউন্ড ।<br />
২। সবচেয়ে ধনী বিড়াল-<br />
১৯৮৮ সালে ব্লাকি wealthiest cat হিসেবে রেকর্ড<br />
গড়ে। তার মালিকের মৃত্যুর পর সে ১২.৫ মিলিয়ন<br />
ডলারের মালিক হয়েছিল।<br />
৩। কার্ড দিয়ে বানানো সবচেয়ে বড় বাড়ি-<br />
১৯৯২ সালে ব্রায়ান বার্গ লোয়া অঞ্চলের স্পিরিট<br />
লেকের পাশে কার্ডের বাড়ি বানান এবং সেটি<br />
largest house of cards হিসেবে রেকর্ড তৈরি করে।<br />
তার বানানো বাড়িটি ছিল ৭৫ তলা।<br />
৪।দ্রুততম বগ-স্নোরকেলিং ট্রেইথলন-<br />
১৯৯৪ সালে ডানিয়েল বেন্ট fastest ever time in the<br />
bog-snorkeling triathlon হিসেবে রেকর্ড করেন। বিশ্ব<br />
বগ-স্নোরকেলিং চ্যাম্পিয়নশীপে ২ ঘন্ট ২৩ মিনিট<br />
২৪ সেকেন্ডে তিনি এই রেকর্ড করেছিলেন।<br />
৫। সবচেয়ে লম্বা এস্কেলেটরে ভ্রমণ-<br />
১৯৯৮ সালে শ্রীলংকার সুরেশ জসীম longest escalator<br />
rider হিসেবে স্বীকৃতি পান। এস্কেলেটরটি<br />
অস্ট্রেলিয়ার বারউডে ওয়েস্ট ফিল্ড শপিং<br />
সেন্টারে অবস্থিত।<br />
৬। নাক দিয়ে সবচেয়ে বেশী দুধ নিঃসরণ-<br />
১৯৯৯ সালে গেরি বাসও জুনিয়র most milkshake<br />
dispensed through the nose এর জন্য রেকর্ড করেন।<br />
তিনি ১.৮২ আউন্স পরিমাণ দুধ এবং চকলেটের মিশ্রণ<br />
নাক দিয়ে বের করেন ক্যালিফোর্নিয়ার লস<br />
এঞ্জেলস এ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের টিভি<br />
পোগ্রামে।<br />
৭। চাবির রিং থেকে চাবি বের করা! -<br />
২০০১ সালে স্মাডজ নামের চাবির রিং থেকে<br />
সবচেয়ে বেশী চাবি সবচেয়ে দ্রুত সময়ে বের করে<br />
রেকর্ড করেন।<br />
৮। সবচেয়ে বড় বাবলগাম বাবল-<br />
২০০৪ সালে চাদ ফেল ২০" বড় বাবল ফোলান<br />
বাবলগাম থেকে। Largest bubblegum bubble এর জন্য<br />
রেকর্ড হয় তার।<br />
৯। এক মিনিটে মাথা দিয়ে সবচেয়ে বেশী টয়লেট<br />
সীট ভেংগে রেকর্ড-<br />
২০০৮ সালে কেভিন শেলী most toilet seats broken by<br />
one’s head in one minute এর জন্য রেকর্ড করেন<br />
জার্মানির কলোং এ। তিনি ৪৬ টি টয়লেট সীট<br />
ভাংতে পেরেছিলেন।<br />
১০। সবচেয়ে লম্বা নখধারী পুরুষ-<br />
ম্যালভিন বুথ এর ছিল longest finger nails on a pair of<br />
male hands ever। ৩২ ফুট ৩.৮ ইঞ্চি লম্বা নখ ছিল তার<br />
যখন মিশিগান এর ট্রয়ে এটি মাপা হয়েছিল।<br />
১১। সবচেয়ে ভারী পেঁয়াজ-<br />
বিশ্বের সবচেয়ে ভারী পেঁয়াজ হিসেবে রেকর্ড<br />
গড়া পেঁয়াজটির ওজন ছিল ১৭ পাউন্ড ১৫.৫ আউন্স।<br />
পেট গ্লেজব্রুক ২০১১ সালে এটি প্রদর্শন করেন উত্তর<br />
ইংল্যান্ড এর Harrogate Autumn Flower Show তে।<br />
১২। টুথপেস্ট টিউবের বিশাল সম্ভার-<br />
জর্জিয়ার ভাল কল্পাকভ ২০১২ সালে ২,০৩৭ টি<br />
টুথপেস্ট টিউবের সম্ভার দেখিয়ে largest collection of<br />
toothpaste tubes এর রেকর্ড করেন।<br />
১৩। সবচেয়ে বড় চোখের পাপড়ি, কুকুরের!-<br />
রানমারু, একটি অস্ট্রেলিয়ান ল্যাব্রাডুডল কুকুর ২০১৪<br />
সালে তার ৬.৬৯ ইঞ্চি চোখের পাপড়ির জন্য longest<br />
eyelashes on a dog এর রেকর্ড করে।<br />
১৪। সবচেয়ে বড় জুম্বা নাচের ক্লাশ-<br />
২০১৫ সালে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার<br />
পাশের ম্যান্ডালায়ং এ ১২,৯৭৫ জন নৃত্যশিল্পী<br />
একসাথে world’s largest Zumba class এর রেকর্ড<br />
করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কিছুদিন আগেই হয়ে গেল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের<br />
৬০ তম বছর পূর্তি। নিজেদের বিগত সময়ের কাজ<br />
পর্যালোচনা করতে গিয়ে তারা পেলেন এক অদ্ভুত<br />
তথ্য। প্রতি বছর তাদের কাছে ১৭৪ টি দেশ থেকে<br />
আসে প্রায় ৫০,০০০ এপ্লিকেশন। এর মধ্যে ৬০০০<br />
এপ্লিকেশন মনোনিত হয়। তারা খেয়াল করলেন,<br />
ঘোষিত অধিকাংশ রেকর্ড আজব আজব সব বিষয়<br />
নিয়ে।<br />
চলুন ফিরে দেখি সেইসব অদ্ভুত বিষয়ের দিকে<br />
যেগুলো যত অদ্ভুতই হোক না কেন ঠিকই জায়গা করে<br />
নিতে পেরেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এ...<br />
১। সবচেয়ে ওজন নিয়ে রেকর্ড করেন দুই জমজ-<br />
১৯৭৮ সালে রেস্টলার্স বিলি ও বেনি ম্যাককেরি<br />
world’s heaviest twins হিসেবে রেকর্ড করেন। তাদের<br />
ওজন ছিল যথাক্রমে ৭৪৩ পাউন্ড এবং ৭২৩ পাউন্ড ।<br />
২। সবচেয়ে ধনী বিড়াল-<br />
১৯৮৮ সালে ব্লাকি wealthiest cat হিসেবে রেকর্ড<br />
গড়ে। তার মালিকের মৃত্যুর পর সে ১২.৫ মিলিয়ন<br />
ডলারের মালিক হয়েছিল।<br />
৩। কার্ড দিয়ে বানানো সবচেয়ে বড় বাড়ি-<br />
১৯৯২ সালে ব্রায়ান বার্গ লোয়া অঞ্চলের স্পিরিট<br />
লেকের পাশে কার্ডের বাড়ি বানান এবং সেটি<br />
largest house of cards হিসেবে রেকর্ড তৈরি করে।<br />
তার বানানো বাড়িটি ছিল ৭৫ তলা।<br />
৪।দ্রুততম বগ-স্নোরকেলিং ট্রেইথলন-<br />
১৯৯৪ সালে ডানিয়েল বেন্ট fastest ever time in the<br />
bog-snorkeling triathlon হিসেবে রেকর্ড করেন। বিশ্ব<br />
বগ-স্নোরকেলিং চ্যাম্পিয়নশীপে ২ ঘন্ট ২৩ মিনিট<br />
২৪ সেকেন্ডে তিনি এই রেকর্ড করেছিলেন।<br />
৫। সবচেয়ে লম্বা এস্কেলেটরে ভ্রমণ-<br />
১৯৯৮ সালে শ্রীলংকার সুরেশ জসীম longest escalator<br />
rider হিসেবে স্বীকৃতি পান। এস্কেলেটরটি<br />
অস্ট্রেলিয়ার বারউডে ওয়েস্ট ফিল্ড শপিং<br />
সেন্টারে অবস্থিত।<br />
৬। নাক দিয়ে সবচেয়ে বেশী দুধ নিঃসরণ-<br />
১৯৯৯ সালে গেরি বাসও জুনিয়র most milkshake<br />
dispensed through the nose এর জন্য রেকর্ড করেন।<br />
তিনি ১.৮২ আউন্স পরিমাণ দুধ এবং চকলেটের মিশ্রণ<br />
নাক দিয়ে বের করেন ক্যালিফোর্নিয়ার লস<br />
এঞ্জেলস এ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের টিভি<br />
পোগ্রামে।<br />
৭। চাবির রিং থেকে চাবি বের করা! -<br />
২০০১ সালে স্মাডজ নামের চাবির রিং থেকে<br />
সবচেয়ে বেশী চাবি সবচেয়ে দ্রুত সময়ে বের করে<br />
রেকর্ড করেন।<br />
৮। সবচেয়ে বড় বাবলগাম বাবল-<br />
২০০৪ সালে চাদ ফেল ২০" বড় বাবল ফোলান<br />
বাবলগাম থেকে। Largest bubblegum bubble এর জন্য<br />
রেকর্ড হয় তার।<br />
৯। এক মিনিটে মাথা দিয়ে সবচেয়ে বেশী টয়লেট<br />
সীট ভেংগে রেকর্ড-<br />
২০০৮ সালে কেভিন শেলী most toilet seats broken by<br />
one’s head in one minute এর জন্য রেকর্ড করেন<br />
জার্মানির কলোং এ। তিনি ৪৬ টি টয়লেট সীট<br />
ভাংতে পেরেছিলেন।<br />
১০। সবচেয়ে লম্বা নখধারী পুরুষ-<br />
ম্যালভিন বুথ এর ছিল longest finger nails on a pair of<br />
male hands ever। ৩২ ফুট ৩.৮ ইঞ্চি লম্বা নখ ছিল তার<br />
যখন মিশিগান এর ট্রয়ে এটি মাপা হয়েছিল।<br />
১১। সবচেয়ে ভারী পেঁয়াজ-<br />
বিশ্বের সবচেয়ে ভারী পেঁয়াজ হিসেবে রেকর্ড<br />
গড়া পেঁয়াজটির ওজন ছিল ১৭ পাউন্ড ১৫.৫ আউন্স।<br />
পেট গ্লেজব্রুক ২০১১ সালে এটি প্রদর্শন করেন উত্তর<br />
ইংল্যান্ড এর Harrogate Autumn Flower Show তে।<br />
১২। টুথপেস্ট টিউবের বিশাল সম্ভার-<br />
জর্জিয়ার ভাল কল্পাকভ ২০১২ সালে ২,০৩৭ টি<br />
টুথপেস্ট টিউবের সম্ভার দেখিয়ে largest collection of<br />
toothpaste tubes এর রেকর্ড করেন।<br />
১৩। সবচেয়ে বড় চোখের পাপড়ি, কুকুরের!-<br />
রানমারু, একটি অস্ট্রেলিয়ান ল্যাব্রাডুডল কুকুর ২০১৪<br />
সালে তার ৬.৬৯ ইঞ্চি চোখের পাপড়ির জন্য longest<br />
eyelashes on a dog এর রেকর্ড করে।<br />
১৪। সবচেয়ে বড় জুম্বা নাচের ক্লাশ-<br />
২০১৫ সালে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার<br />
পাশের ম্যান্ডালায়ং এ ১২,৯৭৫ জন নৃত্যশিল্পী<br />
একসাথে world’s largest Zumba class এর রেকর্ড<br />
করেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বিশ্বের সচেয়ে বড় রিমোট বানিয়ে গিনেস বুকে দুই ভাই!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=536</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:28:57 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=536</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্বের বৃহত্তম টিভি রিমোট কন্ট্রোল তৈরি করে<br />
গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম তুললেন দুই<br />
ভাই। সূরেয এবং রাজেশ কুমার মেহের এই দুই<br />
ভাইয়ের বাড়ি ভারতের সম্বলপুরে। তাদের তৈরি এই<br />
রিমোট কন্ট্রোলটি প্রচলিত পদ্ধতিতেই কাজ করে।<br />
সম্প্রতি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর পক্ষ<br />
থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিভি<br />
রিমোট কন্ট্রোল তৈরি করে এক অনন্য নজির<br />
গড়েছেন সম্বলপুরের বাসিন্দা সূরেয কুমার মেহের ও<br />
তার ভাই রাজেশ কুমার মেহের। এই রিমোট<br />
কন্ট্রোলটির দৈর্ঘ্য ৪.৫ মিটার (১৪ ফিট ৯.১ ইঞ্চি)।<br />
এর সাহায্যে স্বচ্ছন্দে সাধারণ ভাবেই টিভি সেট<br />
নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পেশায় বৈদ্যুতিন যন্ত্রের<br />
দোকানদার দুই ভাই রিমোট কন্ট্রোলটি তৈরি করতে<br />
সময় নিয়েছেন মোট ৬৮ দিন। প্রতিদিন দোকানের<br />
কাজ সেরে গভীর রাত পর্যন্ত নিজেদের আবিষ্কার<br />
নিয়ে মেতে থাকতেন বলে নিজেরাই জানিয়েছেন।<br />
জানা গিয়েছে, রাজেশ ইলেকট্রনিক্স<br />
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিপ্লোমা করেছেন।<br />
রিমোটের বৈদ্যুতিন খুঁটিনাটির ব্যাপারটি তিনিই<br />
দেখাশোনা করেছেন। এই রিমোট কন্ট্রোল তৈরি<br />
করতে অনেক টাকাই খরচ হয়েছে। আর এর খরচ<br />
জোগাতে নিজেদের প্রিয় মোটরসাইকেলটিও<br />
বিক্রি করে দিয়েছেন সূরেয ও রাজেশ। এই দুই<br />
ভাইয়ের তৈরি রিমোট কন্ট্রোলটি সাধারণ টিভি<br />
রিমোট কন্ট্রোলের তুলনায় প্রায় ২৩.৬৮ গুণ বড়। এতে<br />
রয়েছে মোট ৩৭টি দৈত্যাকৃতির রাবারের তৈরি<br />
বোতাম।<br />
সূরেয জানিয়েছেন, যন্ত্রটি চালাতে প্রায় ৩ জন<br />
লোকের প্রয়োজন হয়। এই রিমোট কন্ট্রোলের উপর<br />
অনায়াসে ৫ বছরের একটি শিশু চলেফিরে করতে<br />
পারবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বিশ্বের বৃহত্তম টিভি রিমোট কন্ট্রোল তৈরি করে<br />
গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম তুললেন দুই<br />
ভাই। সূরেয এবং রাজেশ কুমার মেহের এই দুই<br />
ভাইয়ের বাড়ি ভারতের সম্বলপুরে। তাদের তৈরি এই<br />
রিমোট কন্ট্রোলটি প্রচলিত পদ্ধতিতেই কাজ করে।<br />
সম্প্রতি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর পক্ষ<br />
থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিভি<br />
রিমোট কন্ট্রোল তৈরি করে এক অনন্য নজির<br />
গড়েছেন সম্বলপুরের বাসিন্দা সূরেয কুমার মেহের ও<br />
তার ভাই রাজেশ কুমার মেহের। এই রিমোট<br />
কন্ট্রোলটির দৈর্ঘ্য ৪.৫ মিটার (১৪ ফিট ৯.১ ইঞ্চি)।<br />
এর সাহায্যে স্বচ্ছন্দে সাধারণ ভাবেই টিভি সেট<br />
নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পেশায় বৈদ্যুতিন যন্ত্রের<br />
দোকানদার দুই ভাই রিমোট কন্ট্রোলটি তৈরি করতে<br />
সময় নিয়েছেন মোট ৬৮ দিন। প্রতিদিন দোকানের<br />
কাজ সেরে গভীর রাত পর্যন্ত নিজেদের আবিষ্কার<br />
নিয়ে মেতে থাকতেন বলে নিজেরাই জানিয়েছেন।<br />
জানা গিয়েছে, রাজেশ ইলেকট্রনিক্স<br />
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিপ্লোমা করেছেন।<br />
রিমোটের বৈদ্যুতিন খুঁটিনাটির ব্যাপারটি তিনিই<br />
দেখাশোনা করেছেন। এই রিমোট কন্ট্রোল তৈরি<br />
করতে অনেক টাকাই খরচ হয়েছে। আর এর খরচ<br />
জোগাতে নিজেদের প্রিয় মোটরসাইকেলটিও<br />
বিক্রি করে দিয়েছেন সূরেয ও রাজেশ। এই দুই<br />
ভাইয়ের তৈরি রিমোট কন্ট্রোলটি সাধারণ টিভি<br />
রিমোট কন্ট্রোলের তুলনায় প্রায় ২৩.৬৮ গুণ বড়। এতে<br />
রয়েছে মোট ৩৭টি দৈত্যাকৃতির রাবারের তৈরি<br />
বোতাম।<br />
সূরেয জানিয়েছেন, যন্ত্রটি চালাতে প্রায় ৩ জন<br />
লোকের প্রয়োজন হয়। এই রিমোট কন্ট্রোলের উপর<br />
অনায়াসে ৫ বছরের একটি শিশু চলেফিরে করতে<br />
পারবে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বুক ডন দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=535</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 17:28:18 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=535</guid>
			<description><![CDATA[বুক ডন (পুশ আপ) দিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড<br />
গড়লেন জার্মানির এক যুবক। তাঁর নাম এনগক দুক<br />
ত্রান।<br />
এনগক এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি বুক ডন দিয়েছেন-<br />
৫৫ বার। তাও উল্টো হাতে, আর পীঠে ৪০ পাউন্ড<br />
ওজন নিয়ে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাদের<br />
ওয়েবসাইটে এ সংবাদ জানিয়েছে। ৫ জানুয়ারি<br />
তারা সংবাদটি প্রকাশ করে।<br />
এনগক পেশায় শরীরচর্চার প্রশিক্ষক। তিনি এর<br />
আগের ৫১ বার বুক ডন দেওয়ার রেকর্ড ভেঙেছেন।<br />
সেই রেকর্ডটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিক<br />
হার্ডির। দুই বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়ার লমপেকের<br />
ইন-শেপ সিটিতে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।<br />
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের মতে, কাজটি খুব সহজ<br />
নয়। পীঠে বাড়তি ওজন নেওয়ায় কাজটি অনেক<br />
বেশি কঠিন হয়ে যায়। কারণ বাড়তি ওজন একটি তিন<br />
বছরের শিশুর ওজনের সমান!<br />
রেকর্ড গড়ার পর এনগককে প্রশ্ন করা হয়, কেন তিনি<br />
এ কাজ করলেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘সম্মানের<br />
জন্য।’]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বুক ডন (পুশ আপ) দিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড<br />
গড়লেন জার্মানির এক যুবক। তাঁর নাম এনগক দুক<br />
ত্রান।<br />
এনগক এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি বুক ডন দিয়েছেন-<br />
৫৫ বার। তাও উল্টো হাতে, আর পীঠে ৪০ পাউন্ড<br />
ওজন নিয়ে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাদের<br />
ওয়েবসাইটে এ সংবাদ জানিয়েছে। ৫ জানুয়ারি<br />
তারা সংবাদটি প্রকাশ করে।<br />
এনগক পেশায় শরীরচর্চার প্রশিক্ষক। তিনি এর<br />
আগের ৫১ বার বুক ডন দেওয়ার রেকর্ড ভেঙেছেন।<br />
সেই রেকর্ডটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিক<br />
হার্ডির। দুই বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়ার লমপেকের<br />
ইন-শেপ সিটিতে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।<br />
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের মতে, কাজটি খুব সহজ<br />
নয়। পীঠে বাড়তি ওজন নেওয়ায় কাজটি অনেক<br />
বেশি কঠিন হয়ে যায়। কারণ বাড়তি ওজন একটি তিন<br />
বছরের শিশুর ওজনের সমান!<br />
রেকর্ড গড়ার পর এনগককে প্রশ্ন করা হয়, কেন তিনি<br />
এ কাজ করলেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘সম্মানের<br />
জন্য।’]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>