<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - দেখা হয় নাই]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 03:05:05 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রকৃতি মনোরম মায়ায় হারিয়ে যেতে গজনী অবকাশ কেন্দ্রের তুলনা হয় না। Globalbd.ML]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2421</link>
			<pubDate>Sun, 26 Feb 2017 14:14:21 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=279">Mahin24</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2421</guid>
			<description><![CDATA[প্রকৃতি মনোরম মায়ায় হারিয়ে যেতে গজনী অবকাশ কেন্দ্রের তুলনা হয় না। ঢাকা থেকে মাত্র ২২০ কিলোমিটার দূরে গজনী অবকাশ কেন্দ্র শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় অবস্থিত। ভারতের সীমানার জুড়ে অবস্থিত এ অবকাশ কেন্দ্রে আপনি পাবেন ছোট থেকে মাঝারি অনেক পাহাড়, সবুজ গাছপালা, ওয়াচ টাওয়ার আর পর্যটকদের জন্যে গুছানো পার্ক।<br />
গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সড়ক পথে যাতায়াত খুব সহজ। গজনী অবকাশ পর্যন্ত রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মসৃণ পিচঢালা পথ। ঢাকার মহাখালী থেকে শেরপুর যাওয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়। শেরপুর থেকে ঝিনাইগাতী লোকাল বাস, সিএনজি অথবা অটো রিক্সায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়া যায়। আপনি চাইলে মহাখালী থেকে সরাসরি ঝিনাইগাতীর বাসে উঠতে পারেন যা আপনার ভ্রমণকে আরোও সহজ করবে।<br />
নতুন এ বছরে, আপনার স্বপ্নের প্রতিটি ভ্রমণ হোক আরো বেশি আনন্দময়। আর, আপনার হাসিমুখের পথজুড়ে সবসময়ই আপনার পাশে আছে টেলিটক।<br />
<br />
<a href="http://globalbd.ml" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Globalbd.ML</a><br />
এক বার ঘুরে আসুন,,,,<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=78" target="_blank" title="">16996376_1093590960752524_5558297993920754286_n.jpg</a> (Size: 23.65 KB / Downloads: 0)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[প্রকৃতি মনোরম মায়ায় হারিয়ে যেতে গজনী অবকাশ কেন্দ্রের তুলনা হয় না। ঢাকা থেকে মাত্র ২২০ কিলোমিটার দূরে গজনী অবকাশ কেন্দ্র শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় অবস্থিত। ভারতের সীমানার জুড়ে অবস্থিত এ অবকাশ কেন্দ্রে আপনি পাবেন ছোট থেকে মাঝারি অনেক পাহাড়, সবুজ গাছপালা, ওয়াচ টাওয়ার আর পর্যটকদের জন্যে গুছানো পার্ক।<br />
গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সড়ক পথে যাতায়াত খুব সহজ। গজনী অবকাশ পর্যন্ত রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মসৃণ পিচঢালা পথ। ঢাকার মহাখালী থেকে শেরপুর যাওয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়। শেরপুর থেকে ঝিনাইগাতী লোকাল বাস, সিএনজি অথবা অটো রিক্সায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়া যায়। আপনি চাইলে মহাখালী থেকে সরাসরি ঝিনাইগাতীর বাসে উঠতে পারেন যা আপনার ভ্রমণকে আরোও সহজ করবে।<br />
নতুন এ বছরে, আপনার স্বপ্নের প্রতিটি ভ্রমণ হোক আরো বেশি আনন্দময়। আর, আপনার হাসিমুখের পথজুড়ে সবসময়ই আপনার পাশে আছে টেলিটক।<br />
<br />
<a href="http://globalbd.ml" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">Globalbd.ML</a><br />
এক বার ঘুরে আসুন,,,,<br /><!-- start: postbit_attachments_attachment -->
<br /><!-- start: attachment_icon -->
<img src="http://forums.likebd.com/images/attachtypes/image.png" title="JPG Image" border="0" alt=".jpg" />
<!-- end: attachment_icon -->&nbsp;&nbsp;<a href="attachment.php?aid=78" target="_blank" title="">16996376_1093590960752524_5558297993920754286_n.jpg</a> (Size: 23.65 KB / Downloads: 0)
<!-- end: postbit_attachments_attachment -->]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই ] হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=568</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:28:40 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=568</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশজুড়েই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য<br />
প্রাকৃতিক আর মনুষ্যনির্মিত দর্শনীয় স্থান। মূলত এই<br />
স্থানগুলোর কথা মাথায় রেখেই আজকের<br />
আয়োজনে থাকছে একটি দর্শনীয় স্থানের বিবরণ।<br />
আর আজ এতে প্রকাশিত হলো কক্সবাজারের<br />
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান-এর কথা।<br />
একদিকে দিগন্ত বিস্তৃত সাগরের হাতছানি আর<br />
অন্যদিকে শান্ত নিরিবিলি সবুজের সমারোহ-এই<br />
দুয়ে মিলেই পর্যটকদের জন্য অনন্য একটি স্থানে<br />
পরিণত হয়েছে কক্সবাজার জেলার হিমছড়িতে<br />
অবস্থিত হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান। ১৯৮০ সালে<br />
কক্সবাজার শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে প্রায়<br />
১৭২৯ হেক্টর বা ১৭.২৯ বর্গ কিলোমিটার জায়গা<br />
জুড়ে এই জাতীয় উদ্যানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত এ<br />
অঞ্চলের বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা ও শিক্ষণ<br />
এবং পর্যটনের কথা মাথায় রেখেই এই বনাঞ্চলটিকে<br />
সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও উদ্যান হিসেবে গড়ে তোলা<br />
হয়। মূলত ছোট বড় বেশ কিছু পাহাড় ও পাহাড়ের<br />
গায়ে গায়ে ছড়িয়ে থাকা বনভূমি আর বেশ কয়েকটি<br />
জলপ্রপাত নিয়েই হিমছড়ির এই জাতীয় উদ্যান।<br />
অধিকাংশ পর্যটক প্রধানত হিমছড়ির জলপ্রপাত<br />
দেখতে এ এলাকায় এলেও জলপ্রপাত সংলগ্ন জাতীয়<br />
উদ্যানের পরিমণ্ডলটিও কম আকর্ষণীয় নয়। হিমছড়ি<br />
জাতীয় উদ্যান মূলত চিরসবুজ ও প্রায় চিরসবুজ<br />
ক্রান্তীয় বৃক্ষের বনাঞ্চল। এই বনাঞ্চলে মোট ১১৭<br />
প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্যে ৫৮ প্রজাতির<br />
বৃক্ষ, ১৫ প্রজাতির গুল্ম , ৪ প্রজাতির তৃণ, ১৯<br />
প্রজাতির লতা এবং ২১ প্রজাতির ভেষজ গাছ<br />
রয়েছে। এই বনকে হাতির আবাসস্থল হিসেবে মনে<br />
করা হয় এবং হাতির পাশাপাশি এখানে মায়া হরিণ,<br />
বন্য শুকর ও বানরও দেখতে পাওয়া যায়। এ ছাড়া<br />
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের প্রাণী সম্ভারে রয়েছে<br />
৫৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৬<br />
প্রজাতির উভচর এবং ময়না, ফিঙ্গে ও তাল<br />
বাতাসিসহ প্রায় ২৮৬ প্রজাতির পাখি। তবে<br />
অধিকাংশ পর্যটকের কাছেই হিমছড়ি জাতীয়<br />
উদ্যানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর পাহাড়<br />
চূড়ায় দাঁড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্র আর নীল<br />
জলরাশি দেখার বিষয়টি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশজুড়েই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য<br />
প্রাকৃতিক আর মনুষ্যনির্মিত দর্শনীয় স্থান। মূলত এই<br />
স্থানগুলোর কথা মাথায় রেখেই আজকের<br />
আয়োজনে থাকছে একটি দর্শনীয় স্থানের বিবরণ।<br />
আর আজ এতে প্রকাশিত হলো কক্সবাজারের<br />
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান-এর কথা।<br />
একদিকে দিগন্ত বিস্তৃত সাগরের হাতছানি আর<br />
অন্যদিকে শান্ত নিরিবিলি সবুজের সমারোহ-এই<br />
দুয়ে মিলেই পর্যটকদের জন্য অনন্য একটি স্থানে<br />
পরিণত হয়েছে কক্সবাজার জেলার হিমছড়িতে<br />
অবস্থিত হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান। ১৯৮০ সালে<br />
কক্সবাজার শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে প্রায়<br />
১৭২৯ হেক্টর বা ১৭.২৯ বর্গ কিলোমিটার জায়গা<br />
জুড়ে এই জাতীয় উদ্যানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত এ<br />
অঞ্চলের বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা ও শিক্ষণ<br />
এবং পর্যটনের কথা মাথায় রেখেই এই বনাঞ্চলটিকে<br />
সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও উদ্যান হিসেবে গড়ে তোলা<br />
হয়। মূলত ছোট বড় বেশ কিছু পাহাড় ও পাহাড়ের<br />
গায়ে গায়ে ছড়িয়ে থাকা বনভূমি আর বেশ কয়েকটি<br />
জলপ্রপাত নিয়েই হিমছড়ির এই জাতীয় উদ্যান।<br />
অধিকাংশ পর্যটক প্রধানত হিমছড়ির জলপ্রপাত<br />
দেখতে এ এলাকায় এলেও জলপ্রপাত সংলগ্ন জাতীয়<br />
উদ্যানের পরিমণ্ডলটিও কম আকর্ষণীয় নয়। হিমছড়ি<br />
জাতীয় উদ্যান মূলত চিরসবুজ ও প্রায় চিরসবুজ<br />
ক্রান্তীয় বৃক্ষের বনাঞ্চল। এই বনাঞ্চলে মোট ১১৭<br />
প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্যে ৫৮ প্রজাতির<br />
বৃক্ষ, ১৫ প্রজাতির গুল্ম , ৪ প্রজাতির তৃণ, ১৯<br />
প্রজাতির লতা এবং ২১ প্রজাতির ভেষজ গাছ<br />
রয়েছে। এই বনকে হাতির আবাসস্থল হিসেবে মনে<br />
করা হয় এবং হাতির পাশাপাশি এখানে মায়া হরিণ,<br />
বন্য শুকর ও বানরও দেখতে পাওয়া যায়। এ ছাড়া<br />
হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের প্রাণী সম্ভারে রয়েছে<br />
৫৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৫৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৬<br />
প্রজাতির উভচর এবং ময়না, ফিঙ্গে ও তাল<br />
বাতাসিসহ প্রায় ২৮৬ প্রজাতির পাখি। তবে<br />
অধিকাংশ পর্যটকের কাছেই হিমছড়ি জাতীয়<br />
উদ্যানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর পাহাড়<br />
চূড়ায় দাঁড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্র আর নীল<br />
জলরাশি দেখার বিষয়টি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] পরীকুন্ড জলপ্রপাত]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=567</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:21:25 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=567</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ জুড়েই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য<br />
প্রাকৃতিক আর মনুষ্যনির্মিত দর্শনীয় স্থান। মূলত এই<br />
স্থানগুলোর কথা মাথায় রেখেই প্রতি শুক্রবারের<br />
আয়োজনে থাকছে একটি করে দর্শনীয় স্থানের<br />
বিবরণ। আর আজ এতে প্রকাশিত হলো<br />
মৌলভীবাজারের পরীকুন্ড জলপ্রপাত-এর কথা।<br />
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাকৃতিক সুষমা<br />
মণ্ডিত যে জলপ্রপাতগুলো রয়েছে তারই মধ্যে<br />
অন্যতম পরীকুন্ড জলপ্রপাত। স্থানীয় পর্যটকদেও<br />
কাছে সে অর্থে খুব একটা পরিচিত না হলেও এই<br />
জলপ্রপাতটির সৌন্দর্য যে কাউকেই মুগ্ধ করবার<br />
মতো। আর নয়নাভিরাম এই জলপ্রপাতটির অবস্থান<br />
সিলেটের মৌলভীবাজারে। অধিকাংশ পর্যটক<br />
মৌলভীবাজারে এসে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত দেখে<br />
ফিরে গেলেও এর খুব কাছে থাকা পরীকুন্ড<br />
জলপ্রপাতটি দেখতে যাওয়া হয় না। যদিও এটাও সত্য<br />
যে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত থেকে পরীকুন্ড যাবার<br />
পথটি সবার জন্য খুব সহজ নয়। মূলত মাধবকুন্ড<br />
জলপ্রপাতের কিছুটা আগে শিবমন্দিরের বিপরীত<br />
দিক দিয়ে যে পাহাড়ীঝিরি পথটি গেছে সেই<br />
পথের শেষেই অবস্থান করছে পরীকুন্ড জলপ্রপাতটি।<br />
মাধবকুন্ড থেকে পরীকুন্ড সামান্য পথ হলেও পুরো<br />
পথটিই যেতে হয় পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া<br />
পানির পথ হয়ে। সাবধানে না এগুলে পিছল খাওয়ার<br />
সম্ভাবনা থাকে বলে এ পথে খালি পায়ে হাঁটাটাই<br />
বুদ্ধিমানের কাজ। পথটি খুব বিপজ্জনক না হলেও<br />
মাধবকুন্ড থেকে পরীকুন্ড যাওয়ার এই পথটি<br />
কোনো একজন গাইডের সহায়তায় যাওয়াটাই<br />
ভালো। বর্ষার মৌসুমে পরীকুন্ড জলপ্রপাতের<br />
সৌন্দর্য মাধবকুন্ডেও চাইতেও অনেক বেশি।<br />
বিশেষ করে যারা এই দুটি ঝর্ণাই দেখেছেন তাদের<br />
ভালোবাসাটা পরীকুন্ডেও প্রতিই একটু বেশি।<br />
সবুজে ঘেরা উঁচু পাহাড়ের গাঁ বেয়ে এখানে নেমে<br />
আসে স্বচ্ছ জলধারা। পরীকুন্ডেও জলধারাটি<br />
মাধবকুন্ডেও মতো অতোটা খাড়া নিচে নেমে<br />
আসেনি। তবে এখানে জলধারার বিস্তৃতি<br />
মাধবকুন্ডেও চাইতে বেশি বলেই তা অন্যরকম এক<br />
সৌন্দর্য তৈরি করে। বেশ খানিকটা উঁচু থেকে<br />
পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা এই জলধারা<br />
পাহাড়ি খাদের যে স্থানে এসে পড়েছে সেই<br />
স্থানটিও বেশ মনোরম এবং পরিচ্ছন্ন। তবে<br />
পরীকুন্ডতে যারা বেড়াতে যাবার পরিকল্পনা<br />
করতে চান তাদের জন্য বর্ষা মৌসুমটিই সবচেয়ে<br />
ভালো সময়। কেননা বর্ষার এই সময়টি ছাড়া বছরের<br />
অন্যান্য সময়ে এ জলপ্রপাতটিতে পানির ধারা<br />
থাকে না বললেই চলে। পরীকুন্ডজল প্রপাতে যাবার<br />
জন্য বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে<br />
প্রথমে রেল বা সড়ক পথে আসতে হবে কুলাউড়া বা<br />
মৌলভীবাজারে। এরপর এখান থেকে বা ট্রেনে<br />
এলে কুলাউড়া থেকে বাস বা সিএনজি<br />
অটোরিক্সায় করে পৌঁছানো যাবে মাধবকুন্ড ও<br />
পরীকুন্ড জলপ্রপাতের কাছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ জুড়েই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য<br />
প্রাকৃতিক আর মনুষ্যনির্মিত দর্শনীয় স্থান। মূলত এই<br />
স্থানগুলোর কথা মাথায় রেখেই প্রতি শুক্রবারের<br />
আয়োজনে থাকছে একটি করে দর্শনীয় স্থানের<br />
বিবরণ। আর আজ এতে প্রকাশিত হলো<br />
মৌলভীবাজারের পরীকুন্ড জলপ্রপাত-এর কথা।<br />
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাকৃতিক সুষমা<br />
মণ্ডিত যে জলপ্রপাতগুলো রয়েছে তারই মধ্যে<br />
অন্যতম পরীকুন্ড জলপ্রপাত। স্থানীয় পর্যটকদেও<br />
কাছে সে অর্থে খুব একটা পরিচিত না হলেও এই<br />
জলপ্রপাতটির সৌন্দর্য যে কাউকেই মুগ্ধ করবার<br />
মতো। আর নয়নাভিরাম এই জলপ্রপাতটির অবস্থান<br />
সিলেটের মৌলভীবাজারে। অধিকাংশ পর্যটক<br />
মৌলভীবাজারে এসে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত দেখে<br />
ফিরে গেলেও এর খুব কাছে থাকা পরীকুন্ড<br />
জলপ্রপাতটি দেখতে যাওয়া হয় না। যদিও এটাও সত্য<br />
যে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত থেকে পরীকুন্ড যাবার<br />
পথটি সবার জন্য খুব সহজ নয়। মূলত মাধবকুন্ড<br />
জলপ্রপাতের কিছুটা আগে শিবমন্দিরের বিপরীত<br />
দিক দিয়ে যে পাহাড়ীঝিরি পথটি গেছে সেই<br />
পথের শেষেই অবস্থান করছে পরীকুন্ড জলপ্রপাতটি।<br />
মাধবকুন্ড থেকে পরীকুন্ড সামান্য পথ হলেও পুরো<br />
পথটিই যেতে হয় পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া<br />
পানির পথ হয়ে। সাবধানে না এগুলে পিছল খাওয়ার<br />
সম্ভাবনা থাকে বলে এ পথে খালি পায়ে হাঁটাটাই<br />
বুদ্ধিমানের কাজ। পথটি খুব বিপজ্জনক না হলেও<br />
মাধবকুন্ড থেকে পরীকুন্ড যাওয়ার এই পথটি<br />
কোনো একজন গাইডের সহায়তায় যাওয়াটাই<br />
ভালো। বর্ষার মৌসুমে পরীকুন্ড জলপ্রপাতের<br />
সৌন্দর্য মাধবকুন্ডেও চাইতেও অনেক বেশি।<br />
বিশেষ করে যারা এই দুটি ঝর্ণাই দেখেছেন তাদের<br />
ভালোবাসাটা পরীকুন্ডেও প্রতিই একটু বেশি।<br />
সবুজে ঘেরা উঁচু পাহাড়ের গাঁ বেয়ে এখানে নেমে<br />
আসে স্বচ্ছ জলধারা। পরীকুন্ডেও জলধারাটি<br />
মাধবকুন্ডেও মতো অতোটা খাড়া নিচে নেমে<br />
আসেনি। তবে এখানে জলধারার বিস্তৃতি<br />
মাধবকুন্ডেও চাইতে বেশি বলেই তা অন্যরকম এক<br />
সৌন্দর্য তৈরি করে। বেশ খানিকটা উঁচু থেকে<br />
পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা এই জলধারা<br />
পাহাড়ি খাদের যে স্থানে এসে পড়েছে সেই<br />
স্থানটিও বেশ মনোরম এবং পরিচ্ছন্ন। তবে<br />
পরীকুন্ডতে যারা বেড়াতে যাবার পরিকল্পনা<br />
করতে চান তাদের জন্য বর্ষা মৌসুমটিই সবচেয়ে<br />
ভালো সময়। কেননা বর্ষার এই সময়টি ছাড়া বছরের<br />
অন্যান্য সময়ে এ জলপ্রপাতটিতে পানির ধারা<br />
থাকে না বললেই চলে। পরীকুন্ডজল প্রপাতে যাবার<br />
জন্য বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে<br />
প্রথমে রেল বা সড়ক পথে আসতে হবে কুলাউড়া বা<br />
মৌলভীবাজারে। এরপর এখান থেকে বা ট্রেনে<br />
এলে কুলাউড়া থেকে বাস বা সিএনজি<br />
অটোরিক্সায় করে পৌঁছানো যাবে মাধবকুন্ড ও<br />
পরীকুন্ড জলপ্রপাতের কাছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] প্রকৃতি কন্যা জাফলং থেকে ঘুরে আসুন ।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=566</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:06:32 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=566</guid>
			<description><![CDATA[সিলেট শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে<br />
জাফলং এর অবস্থান। জাফলং সিলেট জেলার<br />
গোয়াইনঘাট থানার একটি ইউনিয়ন। প্রকৃতি যেন<br />
ভিন্ন রূপে সাজিয়েছে এই জাফলংকে । অপরূপ<br />
সৌন্দর্যের জন্য প্রকৃতি কন্যা হিসেবে খ্যাত এই<br />
জায়গাটি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন<br />
স্থানগুলোর একটি । পর্যটন মৌসুম শীতকাল ছাড়াও<br />
সারাবছরই দেশের নানা প্রান্ত থেকে<br />
ভ্রমণপিপাসুরা এখানে ছুটে আসেন।রূপ বৈচিত্র্যতার<br />
জন্যই এই সমাগম ।<br />
সৌন্দর্যের সবুজ আকর্ষণ শুরু জৈন্তাপুর উপজেলা<br />
থেকেই । জৈন্তিয়া রানীর স্মৃতি বিজড়িত এই<br />
উপজেলা শহরের বুক চিরেই জাফলং যেতে হয় ।<br />
পথের ডান পাশে দাড়িয়ে থাকা ভারতের<br />
মেঘালয়ের মায়াবী পাহাড় হাতছানি দিয়ে ডাকে<br />
। বর্ষায় এই পাহাড় থেকে কয়েকটি ঝর্ণা ধারা<br />
নেমে আসতে দেখা যায় । পাহাড়ের গাঁয়ে হেলান<br />
দিয়ে থাকে সাদা মেঘ, সে এক অভাবনীয় দৃশ্য ।<br />
অবশ্য শীতকালে ঝর্ণা গুলো থাকে মৃত । উঁচু নিচু<br />
পাহাড়ি পথ বেয়ে যেতে যেতে পথে দেখা মিলবে<br />
তামাবিল স্থলবন্দর । সারি সারি ভারতীয় কয়লা<br />
বোঝাই ট্রাক দাড়িয়ে আছে । এখানে কয়লা আর<br />
পাথরের ব্যবসা জমজমাট । এখান থেকে ভারতের<br />
অন্যতম সুন্দর শহর শিলং যাওয়া যায় । দুরুত্ব মাত্র ৮০<br />
কিলোমিটার । স্বাভাবিক ভাবেই পাসপোর্ট, ভিসা<br />
লাগবে। তামাবিল চেকপোস্ট থেকে ৪ কিলোমিটার<br />
দূরেই মামার বাজার । পর্যটকরা জাফলং বলতে এই<br />
মামার বাজারকেই চিনেন । মূল জাফলং বাজারে<br />
অনেকেই যান না ।<br />
Piyain River, Jaflong.jpg<br />
মামার বাজার থেকে একটু সামনে এগোলেই পিয়াইন<br />
নদীর ঘাট যা স্থানীয় ভাবে বল্লাঘাট নামে<br />
পরিচিত।<br />
মেঘালয় পাহাড় থেকে সৃষ্ট এই নদীর পানি কাঁচের<br />
মত স্বচ্ছ । একেবারে তলদেশ পর্যন্ত দৃষ্টি চলে যায় ।<br />
ঘাট থেকে মূল আকর্ষণ জিরো পয়েন্ট যেতে হয়<br />
নৌকা নিয়ে ।<br />
১৫ মিনিটের এই নৌকা ভ্রমণ জীবনের অন্যরকম<br />
অভিজ্ঞতা হিসেবে স্মরণীয় থাকবে । স্বচ্ছ পানি<br />
ছুয়ে দেখতে ইচ্ছে করবে । আহ ! কি শীতল ! প্রাণ<br />
জুড়িয়ে যায় । এই নদীই এখানকার মানুষের জীবিকার<br />
প্রধান উৎস । বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ শিশু সবাই<br />
নদীর পেট থেকে তুলে আনছে নানা রঙের, নানা<br />
আকৃতির পাথর । এই পাথর বিভিন্ন হাত ঘুরে চলে যায়<br />
দেশের বিভিন্ন জায়গায় । বছরের পর বছর এই<br />
পাথরেই কর্মমুখর এই জনপদের মানুষ ।<br />
জিরো পয়েন্টে দাড়িয়ে চোখে পড়বে পাহাড়ের<br />
উপরে ভারতের ডাউকি উপজেলা শহর আর শহরের<br />
সাথে সংযোগ স্থাপনকারী ঝুলন্ত ব্রিজ । বেড়াতে<br />
আসা মানুষ জন এই ব্রিজকে পেছনে রেখে ছবি<br />
তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন । পাশা পাশি অবস্থানে<br />
নিজ নিজ দেশের দায়িত্ব পালন করছেন আমাদের<br />
বিজিবি আর ভারতের বিএসএফ । জিরো পয়েন্টের<br />
রূপের কথা লিখে বোঝানো সম্ভব নয় । স্বচক্ষেই<br />
দেখে নিতে হয় । নদীর অন্য পারে খাসিয়াপল্লী ।<br />
সেখানে গেলে নিরিবিলি বনের মাঝে চোখে<br />
পড়বে খাসিয়াদের জীবনধারা, রাজবাড়ী আর<br />
পানের বরজ । অত্যন্ত পরিশ্রমী খাসিয়ারা পান চাষ<br />
করে জীবিকা নির্বাহ করে । খাসিয়াপল্লীর<br />
একেবারে গা ঘেঁষে মেঘালয়ের সূউচ্চ সবুজ পাহাড় ।<br />
তাকিয়ে থাকতে থাকতে মন উদাস হয়ে যায় । ফিরে<br />
আসতে ইচ্ছে করে না । কিন্তু ফিরতে তো হবেই ।<br />
মামার বাজার থেকেই সরাসরি সিলেটের গাড়ি<br />
পাওয়া যায় ।<br />
যেভাবে যাবেন:<br />
* সিলেট শহরের সোবহানিঘাট থেকে সরাসরি বাস<br />
জাফলং পর্যন্ত চলাচল করে । এ ছাড়া সি এন জি<br />
চালিত অটোরিকশা বা মাইক্রবাস ভাড়া করেও<br />
যাওয়া যায় ।<br />
* থাকার জন্য অনেক আবাসিক হোটেল রয়েছে । ৩০০<br />
টাকা থেকে শুরু করে ১০০০০ টাকায় হোটেলে রুম<br />
পাওয়া যায়।<br />
* স্বল্প মুল্যে ভালো খাবার জন্য শহরে বেশ<br />
কয়েকটি রেস্টুরেন্ট আছে যেমন পানশি, জলসিড়ি,<br />
পাঁচভাই রেস্টুরেন্ট ।<br />
* হাতে তিন দিন সময় থাকলে মোটামুটি ভাবে<br />
সিলেট বিভাগের উল্লেখযোগ্য স্থান গুলো ঘুরে<br />
দেখা যায় ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সিলেট শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে<br />
জাফলং এর অবস্থান। জাফলং সিলেট জেলার<br />
গোয়াইনঘাট থানার একটি ইউনিয়ন। প্রকৃতি যেন<br />
ভিন্ন রূপে সাজিয়েছে এই জাফলংকে । অপরূপ<br />
সৌন্দর্যের জন্য প্রকৃতি কন্যা হিসেবে খ্যাত এই<br />
জায়গাটি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন<br />
স্থানগুলোর একটি । পর্যটন মৌসুম শীতকাল ছাড়াও<br />
সারাবছরই দেশের নানা প্রান্ত থেকে<br />
ভ্রমণপিপাসুরা এখানে ছুটে আসেন।রূপ বৈচিত্র্যতার<br />
জন্যই এই সমাগম ।<br />
সৌন্দর্যের সবুজ আকর্ষণ শুরু জৈন্তাপুর উপজেলা<br />
থেকেই । জৈন্তিয়া রানীর স্মৃতি বিজড়িত এই<br />
উপজেলা শহরের বুক চিরেই জাফলং যেতে হয় ।<br />
পথের ডান পাশে দাড়িয়ে থাকা ভারতের<br />
মেঘালয়ের মায়াবী পাহাড় হাতছানি দিয়ে ডাকে<br />
। বর্ষায় এই পাহাড় থেকে কয়েকটি ঝর্ণা ধারা<br />
নেমে আসতে দেখা যায় । পাহাড়ের গাঁয়ে হেলান<br />
দিয়ে থাকে সাদা মেঘ, সে এক অভাবনীয় দৃশ্য ।<br />
অবশ্য শীতকালে ঝর্ণা গুলো থাকে মৃত । উঁচু নিচু<br />
পাহাড়ি পথ বেয়ে যেতে যেতে পথে দেখা মিলবে<br />
তামাবিল স্থলবন্দর । সারি সারি ভারতীয় কয়লা<br />
বোঝাই ট্রাক দাড়িয়ে আছে । এখানে কয়লা আর<br />
পাথরের ব্যবসা জমজমাট । এখান থেকে ভারতের<br />
অন্যতম সুন্দর শহর শিলং যাওয়া যায় । দুরুত্ব মাত্র ৮০<br />
কিলোমিটার । স্বাভাবিক ভাবেই পাসপোর্ট, ভিসা<br />
লাগবে। তামাবিল চেকপোস্ট থেকে ৪ কিলোমিটার<br />
দূরেই মামার বাজার । পর্যটকরা জাফলং বলতে এই<br />
মামার বাজারকেই চিনেন । মূল জাফলং বাজারে<br />
অনেকেই যান না ।<br />
Piyain River, Jaflong.jpg<br />
মামার বাজার থেকে একটু সামনে এগোলেই পিয়াইন<br />
নদীর ঘাট যা স্থানীয় ভাবে বল্লাঘাট নামে<br />
পরিচিত।<br />
মেঘালয় পাহাড় থেকে সৃষ্ট এই নদীর পানি কাঁচের<br />
মত স্বচ্ছ । একেবারে তলদেশ পর্যন্ত দৃষ্টি চলে যায় ।<br />
ঘাট থেকে মূল আকর্ষণ জিরো পয়েন্ট যেতে হয়<br />
নৌকা নিয়ে ।<br />
১৫ মিনিটের এই নৌকা ভ্রমণ জীবনের অন্যরকম<br />
অভিজ্ঞতা হিসেবে স্মরণীয় থাকবে । স্বচ্ছ পানি<br />
ছুয়ে দেখতে ইচ্ছে করবে । আহ ! কি শীতল ! প্রাণ<br />
জুড়িয়ে যায় । এই নদীই এখানকার মানুষের জীবিকার<br />
প্রধান উৎস । বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ শিশু সবাই<br />
নদীর পেট থেকে তুলে আনছে নানা রঙের, নানা<br />
আকৃতির পাথর । এই পাথর বিভিন্ন হাত ঘুরে চলে যায়<br />
দেশের বিভিন্ন জায়গায় । বছরের পর বছর এই<br />
পাথরেই কর্মমুখর এই জনপদের মানুষ ।<br />
জিরো পয়েন্টে দাড়িয়ে চোখে পড়বে পাহাড়ের<br />
উপরে ভারতের ডাউকি উপজেলা শহর আর শহরের<br />
সাথে সংযোগ স্থাপনকারী ঝুলন্ত ব্রিজ । বেড়াতে<br />
আসা মানুষ জন এই ব্রিজকে পেছনে রেখে ছবি<br />
তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন । পাশা পাশি অবস্থানে<br />
নিজ নিজ দেশের দায়িত্ব পালন করছেন আমাদের<br />
বিজিবি আর ভারতের বিএসএফ । জিরো পয়েন্টের<br />
রূপের কথা লিখে বোঝানো সম্ভব নয় । স্বচক্ষেই<br />
দেখে নিতে হয় । নদীর অন্য পারে খাসিয়াপল্লী ।<br />
সেখানে গেলে নিরিবিলি বনের মাঝে চোখে<br />
পড়বে খাসিয়াদের জীবনধারা, রাজবাড়ী আর<br />
পানের বরজ । অত্যন্ত পরিশ্রমী খাসিয়ারা পান চাষ<br />
করে জীবিকা নির্বাহ করে । খাসিয়াপল্লীর<br />
একেবারে গা ঘেঁষে মেঘালয়ের সূউচ্চ সবুজ পাহাড় ।<br />
তাকিয়ে থাকতে থাকতে মন উদাস হয়ে যায় । ফিরে<br />
আসতে ইচ্ছে করে না । কিন্তু ফিরতে তো হবেই ।<br />
মামার বাজার থেকেই সরাসরি সিলেটের গাড়ি<br />
পাওয়া যায় ।<br />
যেভাবে যাবেন:<br />
* সিলেট শহরের সোবহানিঘাট থেকে সরাসরি বাস<br />
জাফলং পর্যন্ত চলাচল করে । এ ছাড়া সি এন জি<br />
চালিত অটোরিকশা বা মাইক্রবাস ভাড়া করেও<br />
যাওয়া যায় ।<br />
* থাকার জন্য অনেক আবাসিক হোটেল রয়েছে । ৩০০<br />
টাকা থেকে শুরু করে ১০০০০ টাকায় হোটেলে রুম<br />
পাওয়া যায়।<br />
* স্বল্প মুল্যে ভালো খাবার জন্য শহরে বেশ<br />
কয়েকটি রেস্টুরেন্ট আছে যেমন পানশি, জলসিড়ি,<br />
পাঁচভাই রেস্টুরেন্ট ।<br />
* হাতে তিন দিন সময় থাকলে মোটামুটি ভাবে<br />
সিলেট বিভাগের উল্লেখযোগ্য স্থান গুলো ঘুরে<br />
দেখা যায় ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর আকর্ষনীয় মৃত্যুখাদ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=565</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:05:23 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=565</guid>
			<description><![CDATA[ভাবুন আপনি হাঁটছেন মাটি থেকেপ্রায় ১০০০ ফিট<br />
উঁচু রাস্তা দিয়ে।তবে যে সে রাস্তা নয়, পাহাড়ের<br />
গা বেয়ে ভাঙাচোরা, সরু রাস্তা। ডাইনেবায়ে একটু<br />
হিসাবে গরমিল হলেই শেষ জীবনের সব হিসাব। তবু<br />
অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষের প্রিয় গন্তব্য এটি!<br />
আপনিও কি রোমাঞ্চিত হতে চান? তাহলে স্পেনে<br />
গিয়ে সোজা চলে যান দেশটির দক্ষিণের একটি<br />
গ্রামে অবস্থিত অ্যালোরার এল ক্যামিনিটো ডেল<br />
রেবা ‘দ্য লিটল পাথওয়ে’।<br />
এই মুহূর্তে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চবর,<br />
বিপজ্জনক হাঁটার রাস্তা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও<br />
সত্যপথটি বেশি দীর্ঘ নয়। মাত্র তিন কিলোমিটার!<br />
প্রস্থে রাস্তাটি মাত্র তিন ফিট। পাহাড়ের শরীরর<br />
বেয়ে এই রাম্তা দিয়ে হাঁটতে হবে প্রায় ১০০০<br />
মিটার উঁচু দিয়ে। নিচে নদী। এটি মূলত সংযোগ<br />
স্থাপন করেছে দুটি পাহাড়ি ঝরনাকে।<br />
স্পেনের রাজা ত্রয়োদশ আলফনসো এইরাস্তা দিয়ে<br />
হেঁটে ছিলেন। রাস্তাটি তৈরি ১৯০১ সালে। একটি<br />
হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্ল্যান্ট তৈরির সময় এটি<br />
নির্মিত হয়।<br />
অনেক বছর হওয়ায় রাস্তাটি খুবই খারাপ অবস্থায়<br />
রয়েছে। কনক্রিং অনেক খসে গেছে। অবশিষ্ট<br />
রয়েছে কেবল স্টিলের কিছুপাত। কিছু ঢালাই। ২০০০<br />
সালে দুজন আরোহী এই রাস্তা থেকে পড়ে মারা<br />
যান। তারপর থেকেই মূলত সরকারিভাবে এখানে<br />
চলাচল নিষিদ্ধ। তারপরও কিছু অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়<br />
মানুষ এখনো সেখানে যান।<br />
সম্প্রতি রাস্তাটির কিছু সংস্কার কাজ<br />
হচ্ছেভ্রমণপ্রিয়দের জন্য। চেষ্টা চলছেট্যুরিস্ট স্পট<br />
বানাতে। তবে রাস্তাটি সংস্কার করে আলো<br />
বসিয়ে সুশোভিত করার পর এটি আর পৃথিবীর<br />
সবচেয়ে বিপজ্জনক রাস্তা থাকবে কিনাসেটা<br />
নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[ভাবুন আপনি হাঁটছেন মাটি থেকেপ্রায় ১০০০ ফিট<br />
উঁচু রাস্তা দিয়ে।তবে যে সে রাস্তা নয়, পাহাড়ের<br />
গা বেয়ে ভাঙাচোরা, সরু রাস্তা। ডাইনেবায়ে একটু<br />
হিসাবে গরমিল হলেই শেষ জীবনের সব হিসাব। তবু<br />
অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষের প্রিয় গন্তব্য এটি!<br />
আপনিও কি রোমাঞ্চিত হতে চান? তাহলে স্পেনে<br />
গিয়ে সোজা চলে যান দেশটির দক্ষিণের একটি<br />
গ্রামে অবস্থিত অ্যালোরার এল ক্যামিনিটো ডেল<br />
রেবা ‘দ্য লিটল পাথওয়ে’।<br />
এই মুহূর্তে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে রোমাঞ্চবর,<br />
বিপজ্জনক হাঁটার রাস্তা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও<br />
সত্যপথটি বেশি দীর্ঘ নয়। মাত্র তিন কিলোমিটার!<br />
প্রস্থে রাস্তাটি মাত্র তিন ফিট। পাহাড়ের শরীরর<br />
বেয়ে এই রাম্তা দিয়ে হাঁটতে হবে প্রায় ১০০০<br />
মিটার উঁচু দিয়ে। নিচে নদী। এটি মূলত সংযোগ<br />
স্থাপন করেছে দুটি পাহাড়ি ঝরনাকে।<br />
স্পেনের রাজা ত্রয়োদশ আলফনসো এইরাস্তা দিয়ে<br />
হেঁটে ছিলেন। রাস্তাটি তৈরি ১৯০১ সালে। একটি<br />
হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্ল্যান্ট তৈরির সময় এটি<br />
নির্মিত হয়।<br />
অনেক বছর হওয়ায় রাস্তাটি খুবই খারাপ অবস্থায়<br />
রয়েছে। কনক্রিং অনেক খসে গেছে। অবশিষ্ট<br />
রয়েছে কেবল স্টিলের কিছুপাত। কিছু ঢালাই। ২০০০<br />
সালে দুজন আরোহী এই রাস্তা থেকে পড়ে মারা<br />
যান। তারপর থেকেই মূলত সরকারিভাবে এখানে<br />
চলাচল নিষিদ্ধ। তারপরও কিছু অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়<br />
মানুষ এখনো সেখানে যান।<br />
সম্প্রতি রাস্তাটির কিছু সংস্কার কাজ<br />
হচ্ছেভ্রমণপ্রিয়দের জন্য। চেষ্টা চলছেট্যুরিস্ট স্পট<br />
বানাতে। তবে রাস্তাটি সংস্কার করে আলো<br />
বসিয়ে সুশোভিত করার পর এটি আর পৃথিবীর<br />
সবচেয়ে বিপজ্জনক রাস্তা থাকবে কিনাসেটা<br />
নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] নদী, নৌকা ও গ্রামের এক অপরূপ দৃশ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=564</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:04:43 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=564</guid>
			<description><![CDATA[এই ছবিটির সৌন্দর্যের কথা ভাষায় প্রকাশ করার<br />
মতো নয়। বাংলাদেশে এমন সুন্দর স্থান আছে তা<br />
ভাবতেও ভালো লাগে। নদী নৌকা ও গ্রামের<br />
প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই এক অপরূপ দৃশ্য এটি।<br />
এমন সুন্দর দৃশ্য সচরাচর চোখে পড়ে না।এই ছবি<br />
আমাদের আবহমান গ্রামবাংলার প্রতিচ্ছবি যা<br />
আমাদের মা, মাটি ও শেকড়ের কথা মনে করিয়ে<br />
দেয় ।আমার সোনার বাংলা আমি তোমায়<br />
ভালোবাসি ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এই ছবিটির সৌন্দর্যের কথা ভাষায় প্রকাশ করার<br />
মতো নয়। বাংলাদেশে এমন সুন্দর স্থান আছে তা<br />
ভাবতেও ভালো লাগে। নদী নৌকা ও গ্রামের<br />
প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই এক অপরূপ দৃশ্য এটি।<br />
এমন সুন্দর দৃশ্য সচরাচর চোখে পড়ে না।এই ছবি<br />
আমাদের আবহমান গ্রামবাংলার প্রতিচ্ছবি যা<br />
আমাদের মা, মাটি ও শেকড়ের কথা মনে করিয়ে<br />
দেয় ।আমার সোনার বাংলা আমি তোমায়<br />
ভালোবাসি ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] বোরো মৌসুমে ধান মাড়াইয়ের দৃশ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=563</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:04:13 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=563</guid>
			<description><![CDATA[দৃশ্যটি বাংলাদেশের গ্রামের দৃশ্য। কৃষক- কৃষাণী<br />
ধান মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত। গ্রামের এমন দৃশ্য<br />
চোখে পড়বে এই সময় গ্রামে গেলে। এখন বোরো ধান<br />
ওঠা শুরু হয়েছে। গ্রামের মাঠে মাঠে ধান কাটার ধুম<br />
পড়ে গেছে। আর ধান কাটার পর খোলায় ধান মাড়ার<br />
এমন দৃশ্য এখন গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে। ধান<br />
মাড়ানো এমন দৃশ্য সত্যিই এক চমৎকার দৃশ্য।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দৃশ্যটি বাংলাদেশের গ্রামের দৃশ্য। কৃষক- কৃষাণী<br />
ধান মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত। গ্রামের এমন দৃশ্য<br />
চোখে পড়বে এই সময় গ্রামে গেলে। এখন বোরো ধান<br />
ওঠা শুরু হয়েছে। গ্রামের মাঠে মাঠে ধান কাটার ধুম<br />
পড়ে গেছে। আর ধান কাটার পর খোলায় ধান মাড়ার<br />
এমন দৃশ্য এখন গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে। ধান<br />
মাড়ানো এমন দৃশ্য সত্যিই এক চমৎকার দৃশ্য।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] কাশফুলের মাঠ: একটি অনন্য দৃশ্য]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=562</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:03:29 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=562</guid>
			<description><![CDATA[যে ছবিটি দেখছেন সেটি কাশফুলের ছবি। মাঠে<br />
কাশফুল তোলার এই দৃশ্য খুব সুন্দর একটি দৃশ্য।<br />
আমাদের দেশে প্রত্যন্তঞ্চলে এমন কাশফুলের মাঠ<br />
রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার অদূরে<br />
আশুলিয়াতে এমন কাশফুলের মাঠ রয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[যে ছবিটি দেখছেন সেটি কাশফুলের ছবি। মাঠে<br />
কাশফুল তোলার এই দৃশ্য খুব সুন্দর একটি দৃশ্য।<br />
আমাদের দেশে প্রত্যন্তঞ্চলে এমন কাশফুলের মাঠ<br />
রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার অদূরে<br />
আশুলিয়াতে এমন কাশফুলের মাঠ রয়েছে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক সুরা মসজিদ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=561</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:02:45 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=561</guid>
			<description><![CDATA[যে ছবিটি দেখছেন সেটি দিনাজপুরের<br />
ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক সুরা মসজিদ। এই সুরা<br />
মসজিদ দিনাজপুর জেলার স্থাপত্য শিল্পের এক<br />
অপরূপ নিদর্শন।<br />
মসজিদটি ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ হতে প্রায় ৫<br />
কিঃ মিঃ পশ্চিমে হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের উত্তর<br />
পার্শ্বে চোরগাছা মৌজায় অবস্থিত। মসজিদটি সুরা<br />
নামক স্থানে নির্মিত বলে এটি সুরা মসজিদ নামেই<br />
পরিচিতি পেয়েছে। অনেকেই এটিকে সুজা মসজিদ<br />
নামেও অভিহিত করে থাকেন।<br />
মুসলিম বিশ্বের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিগণিত<br />
হয়ে থাকে এই ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক সুরা<br />
মসজিদ। সাম্প্রতিক সংস্কারের পর তোলা ছবি।<br />
মসজিদটির উত্তর পার্শ্বে ৩৫০´২০০ গজ (প্রায়)<br />
আয়তনের একটি প্রাচীন দীঘিও রয়েছে। দীঘির ১৫<br />
ফুট উঁচু পাড়গুলো অনেকটা প্রশস্ত। দক্ষিণ পাড়ের<br />
মধ্যভাগে একটি প্রশস্ত ঘাটও রয়েছে। কারো কারো<br />
মতে, ঘাটটি প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ছিল। দীঘির ঘাট<br />
হতে প্রায় ১০০ ফুট দক্ষিণ-পশ্চিমে দীঘির দক্ষিণ<br />
পাড়ের পশ্চিমাংশের দক্ষিণ দিকে ও সদর সড়কের<br />
উত্তর দিক বরাবর প্রায় ৫ ফুট উঁচু একটি সমতল<br />
প্লাটফর্ম রয়েছে। পূর্ব পশ্চিমে দীর্ঘ এর আয়তন<br />
প্রায় ১০০´৫০ ফুট।<br />
মসজিদের উত্তর এবং দক্ষিণ বহির্দেয়ালে ব্যবহৃত<br />
ইটের সূক্ষ্ম নকশার সাদৃশ্য পাওয়া যাযবে ১৫২৩<br />
সালে নির্মিত রাজশাহীর বাঘা জামে মসজিদের<br />
সাথে।<br />
মসজিদটির আয়তন বাইরের দিকে ৪০´৬০ ফুট।<br />
মসজিদটি পূর্ব ও পশ্চিমে দীর্ঘ। মসজিদের বাইরে<br />
চারকোণায় ৪টি ও বারান্দায় দুইকোণে ২টি মোট<br />
৬টি অষ্টভূজাকৃতি গম্বুজও রয়েছে। এটি একটি<br />
সমসাময়িক স্থাপত্যের প্রতিফলন। এই গম্বুজগুলি মসৃণ<br />
ও কালো পাথরে আবৃত। মসজিদের সমগ্র বহির্দেয়াল<br />
একটি পাথরের বর্ডার দ্বারা উপর নীচ দু’ভাগে<br />
বিভক্ত করা। মসজিদটি একটি প্রাচীন নিদর্শন। তাই<br />
দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসেন এখানে নামাজ<br />
আদায় করতে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[যে ছবিটি দেখছেন সেটি দিনাজপুরের<br />
ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক সুরা মসজিদ। এই সুরা<br />
মসজিদ দিনাজপুর জেলার স্থাপত্য শিল্পের এক<br />
অপরূপ নিদর্শন।<br />
মসজিদটি ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ হতে প্রায় ৫<br />
কিঃ মিঃ পশ্চিমে হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের উত্তর<br />
পার্শ্বে চোরগাছা মৌজায় অবস্থিত। মসজিদটি সুরা<br />
নামক স্থানে নির্মিত বলে এটি সুরা মসজিদ নামেই<br />
পরিচিতি পেয়েছে। অনেকেই এটিকে সুজা মসজিদ<br />
নামেও অভিহিত করে থাকেন।<br />
মুসলিম বিশ্বের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিগণিত<br />
হয়ে থাকে এই ঘোড়াঘাটের ঐতিহাসিক সুরা<br />
মসজিদ। সাম্প্রতিক সংস্কারের পর তোলা ছবি।<br />
মসজিদটির উত্তর পার্শ্বে ৩৫০´২০০ গজ (প্রায়)<br />
আয়তনের একটি প্রাচীন দীঘিও রয়েছে। দীঘির ১৫<br />
ফুট উঁচু পাড়গুলো অনেকটা প্রশস্ত। দক্ষিণ পাড়ের<br />
মধ্যভাগে একটি প্রশস্ত ঘাটও রয়েছে। কারো কারো<br />
মতে, ঘাটটি প্রায় ৫০ ফুট প্রশস্ত ছিল। দীঘির ঘাট<br />
হতে প্রায় ১০০ ফুট দক্ষিণ-পশ্চিমে দীঘির দক্ষিণ<br />
পাড়ের পশ্চিমাংশের দক্ষিণ দিকে ও সদর সড়কের<br />
উত্তর দিক বরাবর প্রায় ৫ ফুট উঁচু একটি সমতল<br />
প্লাটফর্ম রয়েছে। পূর্ব পশ্চিমে দীর্ঘ এর আয়তন<br />
প্রায় ১০০´৫০ ফুট।<br />
মসজিদের উত্তর এবং দক্ষিণ বহির্দেয়ালে ব্যবহৃত<br />
ইটের সূক্ষ্ম নকশার সাদৃশ্য পাওয়া যাযবে ১৫২৩<br />
সালে নির্মিত রাজশাহীর বাঘা জামে মসজিদের<br />
সাথে।<br />
মসজিদটির আয়তন বাইরের দিকে ৪০´৬০ ফুট।<br />
মসজিদটি পূর্ব ও পশ্চিমে দীর্ঘ। মসজিদের বাইরে<br />
চারকোণায় ৪টি ও বারান্দায় দুইকোণে ২টি মোট<br />
৬টি অষ্টভূজাকৃতি গম্বুজও রয়েছে। এটি একটি<br />
সমসাময়িক স্থাপত্যের প্রতিফলন। এই গম্বুজগুলি মসৃণ<br />
ও কালো পাথরে আবৃত। মসজিদের সমগ্র বহির্দেয়াল<br />
একটি পাথরের বর্ডার দ্বারা উপর নীচ দু’ভাগে<br />
বিভক্ত করা। মসজিদটি একটি প্রাচীন নিদর্শন। তাই<br />
দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসেন এখানে নামাজ<br />
আদায় করতে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] রাস্তা বিহীন শহর ফিথোরন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=560</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:02:08 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=560</guid>
			<description><![CDATA[খড়ের চালার বাড়ি, কাঠের সুন্দর সেতু, পুরনো নালা<br />
আর নালায় ভেসে থাকা দারুণ সব নৌকা-ঠিক যেন<br />
বইয়ের পাতা থেকে উঠে আসা কোনো ছবি। আর<br />
এমন দৃশ্যের দেখা পাবেন নেদারল্যান্ডসের ছোট্ট<br />
শহর ফিথোরন।<br />
তবে সবচেয়ে আশ্চর্য বিষয় হলো, দুই হাজার ৬০০<br />
লোকের ছিমছাম এ শহরে কোনো রাস্তাঘাটের<br />
নামগন্ধ নেই। এখানকার বাসিন্দারা এক জায়গা<br />
থেকে আরেক জায়গায় যায় নৌকায় চড়ে। চার মাইল<br />
বিস্তৃত এ শহরের নালা, আর ডাঙার অংশ পেরোনোর<br />
জন্য রয়েছে ১৮০টি কাঠের পুল। এসব সেতুর ওপর<br />
দিয়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে যাতায়াত করা যায়।<br />
নেদারল্যান্ডসের ভেনিসখ্যাত এ শহর ১২৩০<br />
খ্রিস্টাব্দের দিকে গড়ে তোলেন মধ্যপ্রাচ্যের<br />
অভিবাসীরা। কয়লা বহনের সুবিধার জন্য তাঁরা<br />
শহরের পূর্ব আর দক্ষিণ প্রান্তে থাকা দুটি লেককে<br />
একত্র করার চিন্তা করেন। তাই শহরজুড়ে এতগুলো<br />
নালা বানানো হয়। ছবির মতো সুন্দর এ শহর প্রথম<br />
বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে ১৯৫৮ সালে, ডাচ পরিচালক<br />
বার হানসট্রা 'ফ্যানফেয়ার' ছবিতে ফিথোরনেকে<br />
তুলে ধরেন।<br />
শহরটি এখন পর্যটকদেরও ভারি পছন্দের। ক্যানুতে<br />
চড়ে নালায় ঘুরে বেড়িয়ে গোটা শহর দেখার আনন্দ<br />
উপভোগ করতে পারেন তাঁরা। পাশাপাশি শহরের<br />
ইতিহাস জানতে যেতে পারেন স্থানীয়<br />
জাদুঘরে। নানা সময়ের ছবি প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও<br />
আছে এখানে। অন্য রকম মজা হয় শীতে, যখন নালার<br />
পানি জমে হয়ে যায় বরফ, আর এর ওপর চলে আইস<br />
স্কেটিং। নিরিবিলি জীবনের জন্য ফিথোরনের<br />
সত্যিই কোনো তুলনা হয় না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[খড়ের চালার বাড়ি, কাঠের সুন্দর সেতু, পুরনো নালা<br />
আর নালায় ভেসে থাকা দারুণ সব নৌকা-ঠিক যেন<br />
বইয়ের পাতা থেকে উঠে আসা কোনো ছবি। আর<br />
এমন দৃশ্যের দেখা পাবেন নেদারল্যান্ডসের ছোট্ট<br />
শহর ফিথোরন।<br />
তবে সবচেয়ে আশ্চর্য বিষয় হলো, দুই হাজার ৬০০<br />
লোকের ছিমছাম এ শহরে কোনো রাস্তাঘাটের<br />
নামগন্ধ নেই। এখানকার বাসিন্দারা এক জায়গা<br />
থেকে আরেক জায়গায় যায় নৌকায় চড়ে। চার মাইল<br />
বিস্তৃত এ শহরের নালা, আর ডাঙার অংশ পেরোনোর<br />
জন্য রয়েছে ১৮০টি কাঠের পুল। এসব সেতুর ওপর<br />
দিয়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে যাতায়াত করা যায়।<br />
নেদারল্যান্ডসের ভেনিসখ্যাত এ শহর ১২৩০<br />
খ্রিস্টাব্দের দিকে গড়ে তোলেন মধ্যপ্রাচ্যের<br />
অভিবাসীরা। কয়লা বহনের সুবিধার জন্য তাঁরা<br />
শহরের পূর্ব আর দক্ষিণ প্রান্তে থাকা দুটি লেককে<br />
একত্র করার চিন্তা করেন। তাই শহরজুড়ে এতগুলো<br />
নালা বানানো হয়। ছবির মতো সুন্দর এ শহর প্রথম<br />
বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে ১৯৫৮ সালে, ডাচ পরিচালক<br />
বার হানসট্রা 'ফ্যানফেয়ার' ছবিতে ফিথোরনেকে<br />
তুলে ধরেন।<br />
শহরটি এখন পর্যটকদেরও ভারি পছন্দের। ক্যানুতে<br />
চড়ে নালায় ঘুরে বেড়িয়ে গোটা শহর দেখার আনন্দ<br />
উপভোগ করতে পারেন তাঁরা। পাশাপাশি শহরের<br />
ইতিহাস জানতে যেতে পারেন স্থানীয়<br />
জাদুঘরে। নানা সময়ের ছবি প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও<br />
আছে এখানে। অন্য রকম মজা হয় শীতে, যখন নালার<br />
পানি জমে হয়ে যায় বরফ, আর এর ওপর চলে আইস<br />
স্কেটিং। নিরিবিলি জীবনের জন্য ফিথোরনের<br />
সত্যিই কোনো তুলনা হয় না।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] বান্দরবানের নীলগিরি এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বপ্নরাজ্য!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=559</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:01:17 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=559</guid>
			<description><![CDATA[দৃশ্যটি বান্দরবানের নীলগিরি। সমুদ্র সমতল হতে ২২০০<br />
ফুট উপরে আকাশের কোল ঘেষে এ যেনো একটি<br />
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বপ্নরাজ্য। এখানে আকাশ<br />
পাহাড়ের সঙ্গে মিতালী করে।<br />
মেঘবালিকা যেনো চুম্বন দিয়ে যায় পাহাড়ের<br />
চুড়ায়। হাত বাড়ালেই ছুয়ে দেওয়া যায় মেঘের<br />
পালক। মেঘের দল এখানে প্রতিনিয়ত খেলা করে<br />
আপনমনে। মেঘের আলিঙ্গন যেনো ছেলের হাতের<br />
মোয়া। চাইলেই ছুয়ে দেখা যায়। এক রোমাঞ্চকর<br />
অনুভুতি। মনে হবে আপনি উড়ে বেড়াচ্ছেন আকাশের<br />
বুকে মেঘের সঙ্গে।<br />
বান্দরবন হতে মাত্র ৫২ কিলোমিটার দূর। কিন্তু এ<br />
যেনো অন্য এক জগত। ভিন্ন কোন দেশ। হয়তো ভুলেই<br />
যাবেন যে আপনি বাংলাদেশে রয়েছেন। পাহাড়ের<br />
গা বেয়ে উপরে উঠা যেমন রোমাঞ্চকর, পাহাড়ের<br />
চুড়া যেন আরো বেশী। এখানে যাওয়ার জন্য<br />
একমাত্র বাহন হলো চান্দেরগাড়ী। ভাড়া ২০০০-২৫০০<br />
টাকা। সে এক অদ্ভুত যাত্রা। আলীকদম হতে থানচী<br />
গামী রাস্তা ধরে আপনি পৌঁছে যেতে পারেন<br />
নীলগিরি। বান্দরবনকে বলা হয়ে থাকে প্রকৃতির<br />
কন্যা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দৃশ্যটি বান্দরবানের নীলগিরি। সমুদ্র সমতল হতে ২২০০<br />
ফুট উপরে আকাশের কোল ঘেষে এ যেনো একটি<br />
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বপ্নরাজ্য। এখানে আকাশ<br />
পাহাড়ের সঙ্গে মিতালী করে।<br />
মেঘবালিকা যেনো চুম্বন দিয়ে যায় পাহাড়ের<br />
চুড়ায়। হাত বাড়ালেই ছুয়ে দেওয়া যায় মেঘের<br />
পালক। মেঘের দল এখানে প্রতিনিয়ত খেলা করে<br />
আপনমনে। মেঘের আলিঙ্গন যেনো ছেলের হাতের<br />
মোয়া। চাইলেই ছুয়ে দেখা যায়। এক রোমাঞ্চকর<br />
অনুভুতি। মনে হবে আপনি উড়ে বেড়াচ্ছেন আকাশের<br />
বুকে মেঘের সঙ্গে।<br />
বান্দরবন হতে মাত্র ৫২ কিলোমিটার দূর। কিন্তু এ<br />
যেনো অন্য এক জগত। ভিন্ন কোন দেশ। হয়তো ভুলেই<br />
যাবেন যে আপনি বাংলাদেশে রয়েছেন। পাহাড়ের<br />
গা বেয়ে উপরে উঠা যেমন রোমাঞ্চকর, পাহাড়ের<br />
চুড়া যেন আরো বেশী। এখানে যাওয়ার জন্য<br />
একমাত্র বাহন হলো চান্দেরগাড়ী। ভাড়া ২০০০-২৫০০<br />
টাকা। সে এক অদ্ভুত যাত্রা। আলীকদম হতে থানচী<br />
গামী রাস্তা ধরে আপনি পৌঁছে যেতে পারেন<br />
নীলগিরি। বান্দরবনকে বলা হয়ে থাকে প্রকৃতির<br />
কন্যা।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] ঘুরে আসুন সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=558</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 09:00:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=558</guid>
			<description><![CDATA[পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা। এখন দেশী-বিদেশী ভ্রমণ<br />
পিপাসুদের কাছে পরিচিত একটি নাম। ভৌগোলিক<br />
দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে<br />
বঙ্গোপসাগর লাঘোয়া পটুয়াখালী জেলার<br />
কলাপাড়া উপজেলায় এর অবস্থান।<br />
প্রকৃতির আপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা দৃষ্টিনন্দন এ<br />
বেলাভূমির দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার। সৈকতের একই<br />
স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোলোভা<br />
দৃশ্য উপভোগ করার বিরল সুযোগ রয়েছে এখানে।<br />
সাগরের গর্জনসহ বিশাল আকৃতির ঢেউয়ের জলরাশি<br />
যখন একের পর এক সৈকতে আছড়ে পরে, ঠিক তখনই<br />
প্রকৃতি প্রেমীদের সকল ক্লান্তি ধুঁয়ে মুছে যায়।<br />
কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টে দাঁড়িয়ে আশে পাশে<br />
তাকালেই বেলাভূমিতে দেখা যায় লাল কাঁকড়ার<br />
নৃত্য ও জেলেদের জীবন জিবীকার যুদ্ধ। এছাড়া<br />
পরিচিত হওয়া যাবে স্থানীয় আদিবাসী রাখাইন<br />
সম্প্রদায়ের কৃষ্টি-কালচারের সাথে। দেখা যাবে<br />
তাদের সৃষ্ট ঐতিহাসিক সেই সুপেয় পানির কুয়া ও<br />
সংলগ্ন শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধবিহার। অসংখ্য দর্শনীয় স্পট<br />
অতি সহজেই আকৃষ্ট করবে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের।<br />
ভাবছেন এসব মন কাড়া দৃশ্য কিভাবে দেখতে<br />
যাবেন?<br />
যেভাবে আসবেন: সড়ক ও নৌপথে আসা যায়<br />
এখানে। ঢাকা থেকে সড়ক পথে কুয়াকাটার দুরত্ব<br />
৩৮০ কিলোমিটার। বিকল্প পথে মাওয়া হয়ে এলে<br />
দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার কমে যাবে। এছাড়া খুলনা-<br />
যশোর থেকে বি. আর. টি. সি. বাস এবং চট্টগ্রাম<br />
থেকে ঢাকা হয়ে সৌদিয়া, সুগন্ধা, মেঘনা, সাকুরা,<br />
আবদুল্লাহ, এইচ আলী, ঈগল পরিবহনসহ দুরপাল্লার<br />
বাসগুলো সায়েদাবাদ কিংবা গাবতলী বাস<br />
টার্মিনাল থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে ছেড়ে<br />
আসে।<br />
ব্যক্তিগত গাড়ি ও রেন্ট-এ কার যোগেও এখানে<br />
আসা যায়। আরাম দায়ক ভ্রমনের জন্য পূর্ণিমা রাতে<br />
ঢাকা থেকে নদী পথে বরিশাল, পটুয়াখালী অথবা<br />
আমতলী লঞ্চ যোগে এসেও কুয়াকাটায় আসতে<br />
পারবেন।<br />
যেখানে থাকবেন: পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে<br />
সরকারী-বেসরকারী অত্যাধুনিক হোটেল ও মোটেল।<br />
এর মধ্যে উল্লেযোগ্য হচ্ছে পর্যটন হলিডে হোমস,<br />
জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, সড়ক ও জনপদ বিভাগের<br />
ডাক বাংলো এবং এলজিইডি’র বাংলো। এছাড়া<br />
কুয়াকাটা ইন্টারন্যাশনাল, স্কাইপ্যালেস,<br />
নীলাঞ্জনা, সী-ভিউ, গোল্ডেন প্যালেস, বীস<br />
ভেলী, গ্রেভার ইন, সাগর কন্যা, বনানী প্যালেস,<br />
হোটেল মোহনাসহ একাধিক এসি/ নন এসি রুমসহ<br />
শতাধিক আবাসিক হোটেল মোটেল রয়েছে।<br />
টেলিফোন কিংবা অনলাইনে এসব হোটেল<br />
মোটেলে অগ্রীম বুকিং দিতে পারেন।<br />
যেখানে খাবেন: পছন্দনীয় খাবারের জন্য খাবার<br />
ঘর-৫, আল-মদিনা, বরিশাল হোটেল, রাজধানী<br />
হোটেল, আপ্যায়ন হোটেল, খেপুপাড়া হোটেলসহ<br />
বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এসব হোটেলে কম<br />
খরচে মানসম্মত খাবার পাওয়া যায়।<br />
কোথায় কোথায় ঘুরবেন: সুন্দরবনের পূর্বাংশে<br />
ট্যাংরাগিরীর ফাতরার বন, সোনার চর, হাসের চর,<br />
কটকা, গঙ্গামতি লেক, মিশ্রি পাড়ার বৌদ্ধ বিহার,<br />
মম্বিপাড়ায় সৎ সঙ্গের আশ্রম, ইকোপার্ক, শুটকি<br />
পল্লী, গঙ্গামতির ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও বিভিন্ন<br />
রাখাইন পাড়াসহ কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টর কাছেই<br />
সৈকতে বালুর তলদেশ থেকে জেগে ওঠা প্রাচীন<br />
নৌকাটি দেখতে পাবেন। এছাড়া যেতে পারবেন<br />
নির্মাণাধীন পায়রা সমুদ্র বন্দর ও সাবমেরিন ক্যাবল<br />
ল্যান্ডিং স্টেশন দেখতে।<br />
সেবা সমূহ: সৈকতের আশপাশে রয়েছে একাধিক<br />
ট্যুরিজম সেন্টার। দর্শনীয় স্থান গুলো ঘুরে দেখানের<br />
জন্য এসব সেন্টারগুলোর নিজেস্ব নৌ-যান রয়েছে।<br />
এছাড়া ব্যাক্তিগতভাবে মোটর সাইকেল, ভ্যান ও<br />
ঘোড়ায় চরে ঘুরে দেখতে পারেন প্রকৃতির অপরুপ<br />
সৌন্দর্য।<br />
নিরাপত্তা: এখানে কোন ধরনের সমস্যায় পরলে<br />
কুয়াকাটা পৌর সভা, ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও নৌ-পুলিশের<br />
সাহায্য নিতে পারেন।<br />
এদিকে কুয়াকাটা-কলাপাড়া মহা সড়কের<br />
আন্ধারমানিক ও সোনাতলা নদীর উপর নির্মাণাধীন<br />
শেখ কামাল, শেখ জামাল সেতুর দ্বার খুলে দেওয়া<br />
হয়েছে। প্রকৃতি ও সাগরের আপরূপ দৃশ্য উপভোগ করার<br />
জন্য পরিবার পরিজনসহ আসা দর্শনার্থীদের<br />
ভোগান্তি কমে যাবে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে<br />
ভ্রমণ শেষে সকলে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে<br />
পারবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা। এখন দেশী-বিদেশী ভ্রমণ<br />
পিপাসুদের কাছে পরিচিত একটি নাম। ভৌগোলিক<br />
দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে<br />
বঙ্গোপসাগর লাঘোয়া পটুয়াখালী জেলার<br />
কলাপাড়া উপজেলায় এর অবস্থান।<br />
প্রকৃতির আপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা দৃষ্টিনন্দন এ<br />
বেলাভূমির দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার। সৈকতের একই<br />
স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোলোভা<br />
দৃশ্য উপভোগ করার বিরল সুযোগ রয়েছে এখানে।<br />
সাগরের গর্জনসহ বিশাল আকৃতির ঢেউয়ের জলরাশি<br />
যখন একের পর এক সৈকতে আছড়ে পরে, ঠিক তখনই<br />
প্রকৃতি প্রেমীদের সকল ক্লান্তি ধুঁয়ে মুছে যায়।<br />
কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টে দাঁড়িয়ে আশে পাশে<br />
তাকালেই বেলাভূমিতে দেখা যায় লাল কাঁকড়ার<br />
নৃত্য ও জেলেদের জীবন জিবীকার যুদ্ধ। এছাড়া<br />
পরিচিত হওয়া যাবে স্থানীয় আদিবাসী রাখাইন<br />
সম্প্রদায়ের কৃষ্টি-কালচারের সাথে। দেখা যাবে<br />
তাদের সৃষ্ট ঐতিহাসিক সেই সুপেয় পানির কুয়া ও<br />
সংলগ্ন শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধবিহার। অসংখ্য দর্শনীয় স্পট<br />
অতি সহজেই আকৃষ্ট করবে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের।<br />
ভাবছেন এসব মন কাড়া দৃশ্য কিভাবে দেখতে<br />
যাবেন?<br />
যেভাবে আসবেন: সড়ক ও নৌপথে আসা যায়<br />
এখানে। ঢাকা থেকে সড়ক পথে কুয়াকাটার দুরত্ব<br />
৩৮০ কিলোমিটার। বিকল্প পথে মাওয়া হয়ে এলে<br />
দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার কমে যাবে। এছাড়া খুলনা-<br />
যশোর থেকে বি. আর. টি. সি. বাস এবং চট্টগ্রাম<br />
থেকে ঢাকা হয়ে সৌদিয়া, সুগন্ধা, মেঘনা, সাকুরা,<br />
আবদুল্লাহ, এইচ আলী, ঈগল পরিবহনসহ দুরপাল্লার<br />
বাসগুলো সায়েদাবাদ কিংবা গাবতলী বাস<br />
টার্মিনাল থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে ছেড়ে<br />
আসে।<br />
ব্যক্তিগত গাড়ি ও রেন্ট-এ কার যোগেও এখানে<br />
আসা যায়। আরাম দায়ক ভ্রমনের জন্য পূর্ণিমা রাতে<br />
ঢাকা থেকে নদী পথে বরিশাল, পটুয়াখালী অথবা<br />
আমতলী লঞ্চ যোগে এসেও কুয়াকাটায় আসতে<br />
পারবেন।<br />
যেখানে থাকবেন: পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে<br />
সরকারী-বেসরকারী অত্যাধুনিক হোটেল ও মোটেল।<br />
এর মধ্যে উল্লেযোগ্য হচ্ছে পর্যটন হলিডে হোমস,<br />
জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, সড়ক ও জনপদ বিভাগের<br />
ডাক বাংলো এবং এলজিইডি’র বাংলো। এছাড়া<br />
কুয়াকাটা ইন্টারন্যাশনাল, স্কাইপ্যালেস,<br />
নীলাঞ্জনা, সী-ভিউ, গোল্ডেন প্যালেস, বীস<br />
ভেলী, গ্রেভার ইন, সাগর কন্যা, বনানী প্যালেস,<br />
হোটেল মোহনাসহ একাধিক এসি/ নন এসি রুমসহ<br />
শতাধিক আবাসিক হোটেল মোটেল রয়েছে।<br />
টেলিফোন কিংবা অনলাইনে এসব হোটেল<br />
মোটেলে অগ্রীম বুকিং দিতে পারেন।<br />
যেখানে খাবেন: পছন্দনীয় খাবারের জন্য খাবার<br />
ঘর-৫, আল-মদিনা, বরিশাল হোটেল, রাজধানী<br />
হোটেল, আপ্যায়ন হোটেল, খেপুপাড়া হোটেলসহ<br />
বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এসব হোটেলে কম<br />
খরচে মানসম্মত খাবার পাওয়া যায়।<br />
কোথায় কোথায় ঘুরবেন: সুন্দরবনের পূর্বাংশে<br />
ট্যাংরাগিরীর ফাতরার বন, সোনার চর, হাসের চর,<br />
কটকা, গঙ্গামতি লেক, মিশ্রি পাড়ার বৌদ্ধ বিহার,<br />
মম্বিপাড়ায় সৎ সঙ্গের আশ্রম, ইকোপার্ক, শুটকি<br />
পল্লী, গঙ্গামতির ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও বিভিন্ন<br />
রাখাইন পাড়াসহ কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টর কাছেই<br />
সৈকতে বালুর তলদেশ থেকে জেগে ওঠা প্রাচীন<br />
নৌকাটি দেখতে পাবেন। এছাড়া যেতে পারবেন<br />
নির্মাণাধীন পায়রা সমুদ্র বন্দর ও সাবমেরিন ক্যাবল<br />
ল্যান্ডিং স্টেশন দেখতে।<br />
সেবা সমূহ: সৈকতের আশপাশে রয়েছে একাধিক<br />
ট্যুরিজম সেন্টার। দর্শনীয় স্থান গুলো ঘুরে দেখানের<br />
জন্য এসব সেন্টারগুলোর নিজেস্ব নৌ-যান রয়েছে।<br />
এছাড়া ব্যাক্তিগতভাবে মোটর সাইকেল, ভ্যান ও<br />
ঘোড়ায় চরে ঘুরে দেখতে পারেন প্রকৃতির অপরুপ<br />
সৌন্দর্য।<br />
নিরাপত্তা: এখানে কোন ধরনের সমস্যায় পরলে<br />
কুয়াকাটা পৌর সভা, ট্যুরিষ্ট পুলিশ ও নৌ-পুলিশের<br />
সাহায্য নিতে পারেন।<br />
এদিকে কুয়াকাটা-কলাপাড়া মহা সড়কের<br />
আন্ধারমানিক ও সোনাতলা নদীর উপর নির্মাণাধীন<br />
শেখ কামাল, শেখ জামাল সেতুর দ্বার খুলে দেওয়া<br />
হয়েছে। প্রকৃতি ও সাগরের আপরূপ দৃশ্য উপভোগ করার<br />
জন্য পরিবার পরিজনসহ আসা দর্শনার্থীদের<br />
ভোগান্তি কমে যাবে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে<br />
ভ্রমণ শেষে সকলে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে<br />
পারবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] ঘুরে আসুন বালিয়াটি জমিদারবাড়ি]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=557</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 08:59:55 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=557</guid>
			<description><![CDATA[কর্মব্যস্ত একটি সপ্তাহ কাটানোর পর অনেকেই চান<br />
বিরতি। ছুটির দিনে কোথাও পরিবারের সবাইকে<br />
নিয়ে বেরিয়ে আসতে পারলে আরো ভালো। কিন্তু<br />
শহরের ভিড় আর হট্টগোলের ভেতর বেড়ানোর<br />
প্রশান্তিটা আর মেলে কোথায়! শহর ছেড়ে দূরে<br />
কোথাও যাবেন সে সময়টাও তো নেই, কারণ ছুটি<br />
মাত্র একদিনের!<br />
রাজধানী ঢাকার সীমানা পেরোতে পারলেই<br />
মানিকগঞ্জ জেলার শুরু। ঘুরে আসতে পারেন<br />
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার বালিয়াটি<br />
ইউনিয়নে অবস্থিত বালিয়াটি জাদুঘর থেকে। দিনে<br />
গিয়ে দিনেই ফিরে আসতে পারবেন।<br />
বর্তমান মানিকগঞ্জ শহরের গোড়াপত্তন হয় বিংশ<br />
শতাব্দীর শুরুর দিকে। ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত<br />
মানিকগঞ্জ ছিল ঢাকা জেলার একটি মহকুমা।<br />
মহকুমা ঘোষণার আগে মানিকগঞ্জ ছিল বন্দর<br />
এলাকা।<br />
উনিশ শতকের শেষের দিকে ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম<br />
তীরে অবস্থিত মানিকগঞ্জ বাজার প্রায় দুই<br />
বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। শুকনো মৌসুম<br />
ছাড়া চলাচলের একমাত্র বাহন ছিল নৌকা। আর<br />
শুকনো মৌসুমে গাধা, ঘোড়া ও গরুর গাড়ি ছিল<br />
পরিবহনব্যবস্থা। এখানে সর্ষের তেল ও তামাকের বড়<br />
ব্যবসাকেন্দ্র ছিল। এগুলো আসত রংপুর ও কোচবিহার<br />
থেকে। মানিকগঞ্জ থেকে সেগুলোর চালান যেত<br />
নারায়ণগঞ্জ ও কলকাতায়।<br />
raj3.jpg<br />
মানিকগঞ্জ বর্তমানে ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত<br />
একটি জেলা। এই জেলার সাটুরিয়া থানায় অবস্থিত<br />
বালিয়াটি জমিদারবাড়িটিই বর্তমানে বালিয়াটি<br />
জাদুঘর।<br />
বালিয়াটি জমিদারবাড়ি প্রায় পাঁচ একর জমির ওপর<br />
স্থাপিত। জমিদারবাড়ির পুরো চত্বরটি উঁচু প্রাচীর<br />
দিয়ে ঘেরা। এতে রয়েছে সাতটি প্রাসাদসম ইমারত,<br />
কক্ষ রয়েছে মোট ২০০টি। ১৯৮৭ সালে প্রত্নতত্ত্ব<br />
অধিদপ্তর বালিয়াটি প্রাসাদকে সংরক্ষিত<br />
পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে।<br />
আঠারো শতকের প্রথম ভাগ থেকে ২০০ বছরেরও<br />
বেশি সময় ধরে বালিয়াটির জমিদাররা ওই এলাকা<br />
শাসন করেন। এ সময়ে তাঁরা নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ<br />
স্থাপনা তৈরি করেন। বালিয়াটি জমিদারবাড়ি<br />
সেগুলোর অন্যতম। আঠারো শতকের মধ্যভাগে<br />
জমিদার গোবিন্দরাম শাহ বালিয়াটি জমিদারবাড়ি<br />
নির্মাণ করেন। আর ক্রমান্বয়ে তাঁর<br />
উত্তরাধিকারীরা এখানে নির্মাণ করেন আরো বেশ<br />
কিছু স্থাপনা।<br />
এখানে রয়েছে পূর্ব বাড়ি, পশ্চিম বাড়ি, উত্তর<br />
বাড়ি, মধ্য বাড়ি এবং গোলা বাড়ি নামের বড়<br />
আকারের পাঁচটি ভবন। জমিদারবাড়ির এই বিভিন্ন<br />
অংশ বালিয়াটি জমিদার পরিবারের<br />
উত্তরাধিকারীরাই তৈরি করেন।<br />
raj2.jpg<br />
মূল প্রাসাদসংলগ্ন একই রকম পাঁচটি অংশ<br />
আলাদাভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। পূর্ব দিকের<br />
একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেলেও বাকি<br />
চারটি টিকে আছে এখনো। মূল ভবনগুলোর সামনের<br />
দেয়ালজুড়ে নানা রকম কারুকাজ আর মূর্তি চোখে<br />
পড়ে। বালিয়াটি জমিদারবাড়ির ঘিরে তৈরি করা<br />
প্রাচীন আমলের সেই প্রাচীর এখনো টিকে আছে। এ<br />
চার দেয়ালের মাঝে এখন রয়েছে চারটি সুদৃশ্য ভবন।<br />
ভবনগুলোর সামনে প্রাচীরের দেয়ালে রয়েছে<br />
চারটি প্রবেশ পথ। চারটি প্রবেশ পথের চূড়ায়<br />
রয়েছে পাথরের তৈরি চারটি সিংহমূর্তি।<br />
বালিয়াটি জমিদারবাড়ি মূলত পাঁচটি মহলে<br />
প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে টিকে আছে প্রায় একই<br />
রকম চারটি মহল। চারটি মহলের মাঝের দুটি দোতলা<br />
আর দুই পাশের দুটি তিনতলা ভবন। ভবনগুলোর পেছনের<br />
দিকে আছে বড় একটি পুকুর। শানবাঁধানো ছয়টি ঘাট<br />
আছে পুকুরের চারপাশে।<br />
বর্তমানে বালিয়াটি জমিদারবাড়ির অবস্থা খুবই<br />
করুণ। সংস্কারের অভাবে দিন দিন ধ্বংস হয়ে<br />
যাচ্ছে মূল্যবান এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি।<br />
কীভাবে যাবেন<br />
ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে জনসেবা বা<br />
এসবি লিংক গেটলক পরিবহনের বাসে করে মাত্র দুই<br />
ঘণ্টায় সাটুরিয়া পৌঁছে যাওয়া যায়। বাসভাড়া<br />
পড়বে জনপ্রতি ৭০ টাকা। সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড<br />
থেকে মাত্র ৩০ টাকা রিকশা ভাড়ায় চলে যেতে<br />
পারবেন বালিয়াটি জাদুঘর।<br />
টিকেট<br />
বালিয়াটি জাদুঘরের জনপ্রতি টিকেটের দাম দেশি<br />
দর্শনার্থীদের জন্য ১০ টাকা এবং বিদেশি<br />
দর্শনার্থীদের জন্য ১০০ টাকা। রোববার জাদুঘর<br />
পূর্ণদিবস বন্ধ থাকে এবং সোমবার বন্ধ থাকে<br />
অর্ধদিবস। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর খোলা থাকে<br />
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কর্মব্যস্ত একটি সপ্তাহ কাটানোর পর অনেকেই চান<br />
বিরতি। ছুটির দিনে কোথাও পরিবারের সবাইকে<br />
নিয়ে বেরিয়ে আসতে পারলে আরো ভালো। কিন্তু<br />
শহরের ভিড় আর হট্টগোলের ভেতর বেড়ানোর<br />
প্রশান্তিটা আর মেলে কোথায়! শহর ছেড়ে দূরে<br />
কোথাও যাবেন সে সময়টাও তো নেই, কারণ ছুটি<br />
মাত্র একদিনের!<br />
রাজধানী ঢাকার সীমানা পেরোতে পারলেই<br />
মানিকগঞ্জ জেলার শুরু। ঘুরে আসতে পারেন<br />
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার বালিয়াটি<br />
ইউনিয়নে অবস্থিত বালিয়াটি জাদুঘর থেকে। দিনে<br />
গিয়ে দিনেই ফিরে আসতে পারবেন।<br />
বর্তমান মানিকগঞ্জ শহরের গোড়াপত্তন হয় বিংশ<br />
শতাব্দীর শুরুর দিকে। ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত<br />
মানিকগঞ্জ ছিল ঢাকা জেলার একটি মহকুমা।<br />
মহকুমা ঘোষণার আগে মানিকগঞ্জ ছিল বন্দর<br />
এলাকা।<br />
উনিশ শতকের শেষের দিকে ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম<br />
তীরে অবস্থিত মানিকগঞ্জ বাজার প্রায় দুই<br />
বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। শুকনো মৌসুম<br />
ছাড়া চলাচলের একমাত্র বাহন ছিল নৌকা। আর<br />
শুকনো মৌসুমে গাধা, ঘোড়া ও গরুর গাড়ি ছিল<br />
পরিবহনব্যবস্থা। এখানে সর্ষের তেল ও তামাকের বড়<br />
ব্যবসাকেন্দ্র ছিল। এগুলো আসত রংপুর ও কোচবিহার<br />
থেকে। মানিকগঞ্জ থেকে সেগুলোর চালান যেত<br />
নারায়ণগঞ্জ ও কলকাতায়।<br />
raj3.jpg<br />
মানিকগঞ্জ বর্তমানে ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত<br />
একটি জেলা। এই জেলার সাটুরিয়া থানায় অবস্থিত<br />
বালিয়াটি জমিদারবাড়িটিই বর্তমানে বালিয়াটি<br />
জাদুঘর।<br />
বালিয়াটি জমিদারবাড়ি প্রায় পাঁচ একর জমির ওপর<br />
স্থাপিত। জমিদারবাড়ির পুরো চত্বরটি উঁচু প্রাচীর<br />
দিয়ে ঘেরা। এতে রয়েছে সাতটি প্রাসাদসম ইমারত,<br />
কক্ষ রয়েছে মোট ২০০টি। ১৯৮৭ সালে প্রত্নতত্ত্ব<br />
অধিদপ্তর বালিয়াটি প্রাসাদকে সংরক্ষিত<br />
পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে।<br />
আঠারো শতকের প্রথম ভাগ থেকে ২০০ বছরেরও<br />
বেশি সময় ধরে বালিয়াটির জমিদাররা ওই এলাকা<br />
শাসন করেন। এ সময়ে তাঁরা নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ<br />
স্থাপনা তৈরি করেন। বালিয়াটি জমিদারবাড়ি<br />
সেগুলোর অন্যতম। আঠারো শতকের মধ্যভাগে<br />
জমিদার গোবিন্দরাম শাহ বালিয়াটি জমিদারবাড়ি<br />
নির্মাণ করেন। আর ক্রমান্বয়ে তাঁর<br />
উত্তরাধিকারীরা এখানে নির্মাণ করেন আরো বেশ<br />
কিছু স্থাপনা।<br />
এখানে রয়েছে পূর্ব বাড়ি, পশ্চিম বাড়ি, উত্তর<br />
বাড়ি, মধ্য বাড়ি এবং গোলা বাড়ি নামের বড়<br />
আকারের পাঁচটি ভবন। জমিদারবাড়ির এই বিভিন্ন<br />
অংশ বালিয়াটি জমিদার পরিবারের<br />
উত্তরাধিকারীরাই তৈরি করেন।<br />
raj2.jpg<br />
মূল প্রাসাদসংলগ্ন একই রকম পাঁচটি অংশ<br />
আলাদাভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। পূর্ব দিকের<br />
একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেলেও বাকি<br />
চারটি টিকে আছে এখনো। মূল ভবনগুলোর সামনের<br />
দেয়ালজুড়ে নানা রকম কারুকাজ আর মূর্তি চোখে<br />
পড়ে। বালিয়াটি জমিদারবাড়ির ঘিরে তৈরি করা<br />
প্রাচীন আমলের সেই প্রাচীর এখনো টিকে আছে। এ<br />
চার দেয়ালের মাঝে এখন রয়েছে চারটি সুদৃশ্য ভবন।<br />
ভবনগুলোর সামনে প্রাচীরের দেয়ালে রয়েছে<br />
চারটি প্রবেশ পথ। চারটি প্রবেশ পথের চূড়ায়<br />
রয়েছে পাথরের তৈরি চারটি সিংহমূর্তি।<br />
বালিয়াটি জমিদারবাড়ি মূলত পাঁচটি মহলে<br />
প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে টিকে আছে প্রায় একই<br />
রকম চারটি মহল। চারটি মহলের মাঝের দুটি দোতলা<br />
আর দুই পাশের দুটি তিনতলা ভবন। ভবনগুলোর পেছনের<br />
দিকে আছে বড় একটি পুকুর। শানবাঁধানো ছয়টি ঘাট<br />
আছে পুকুরের চারপাশে।<br />
বর্তমানে বালিয়াটি জমিদারবাড়ির অবস্থা খুবই<br />
করুণ। সংস্কারের অভাবে দিন দিন ধ্বংস হয়ে<br />
যাচ্ছে মূল্যবান এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি।<br />
কীভাবে যাবেন<br />
ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে জনসেবা বা<br />
এসবি লিংক গেটলক পরিবহনের বাসে করে মাত্র দুই<br />
ঘণ্টায় সাটুরিয়া পৌঁছে যাওয়া যায়। বাসভাড়া<br />
পড়বে জনপ্রতি ৭০ টাকা। সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ড<br />
থেকে মাত্র ৩০ টাকা রিকশা ভাড়ায় চলে যেতে<br />
পারবেন বালিয়াটি জাদুঘর।<br />
টিকেট<br />
বালিয়াটি জাদুঘরের জনপ্রতি টিকেটের দাম দেশি<br />
দর্শনার্থীদের জন্য ১০ টাকা এবং বিদেশি<br />
দর্শনার্থীদের জন্য ১০০ টাকা। রোববার জাদুঘর<br />
পূর্ণদিবস বন্ধ থাকে এবং সোমবার বন্ধ থাকে<br />
অর্ধদিবস। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর খোলা থাকে<br />
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] অল্প খরচে স্বল্প সময়ে ঘুরে আসুন দার্জিলিং!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=556</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 08:59:12 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=556</guid>
			<description><![CDATA[কাজের চাপে যখন প্রাণ ওষ্ঠাগত। স্ট্রেস যখন বাসা<br />
বাঁধছে মনের গহিনে। তখন নিজেকে একটু আলাদা<br />
করে আবিষ্কার করতে চলে যান অনিন্দ সুন্দর পর্যটন<br />
কেন্দ্র ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে।<br />
ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র পূরণের সময় বুড়িমারী<br />
স্থলবন্দরের নাম অবশ্যই উল্লেখ করবেন। ভিসা<br />
পেয়ে গেলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন। বাংলাদেশের<br />
খুব কাছে অল্প ব্যয়ে ভ্রমণের এক আদর্শ জায়গা<br />
হচ্ছে দার্জিলিং এবং বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে<br />
বাংলাদেশি পর্যটকদের প্রথম পছন্দ দার্জিলিং।<br />
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘায়<br />
সূর্যোদয়ের অপার্থিব রূপ দেখতে সবার একবার<br />
অন্তত যাওয়া উচিত।<br />
শিলিগুড়ি, কালিম্পং, কার্শিয়ান, জোড়বাংলো,<br />
মিরিক, নক্সালবাড়ি, প্রধাননগর, খুখিয়াপোখরি এই<br />
জেলার বিখ্যাত জায়গা। দার্জিলিং শহর ও তার<br />
আশপাশের ভ্রমণ কেন্দ্রগুলো ভাগ করা হয়েছে<br />
বিভিন্ন পয়েন্টে। যেমন টু পয়েন্ট বলতে<br />
গাঙ্গামায়া পার্ক ও রক গার্ডেন ভ্রমণ। থ্রি পয়েন্ট<br />
বলতে কাঞ্চনজঙ্ঘায় সূর্যোদয় দেখার জন্য টাইগার<br />
হিল, বিখ্যাত ঘুম বৌদ্ধমন্দির ও বাটাশিয়া পুল।<br />
ফাইভ পয়েন্টের অন্তুর্ভুক্ত স্পটগুলো হচ্ছে- জাদুঘর,<br />
জাপানি মন্দির, লালুকুঠি কাউন্সিল ভবন, আভা আর্ট<br />
গ্যালারি এবং রীরধাম মন্দির ইত্যাদি। সেভেন<br />
পয়েন্ট বলতে পদ্মজা নাইডু জ্যুওলজিক্যাল পার্ক,<br />
বিখ্যাত হিমালয়ান মাউনেইরয়ান ইনস্টিটিউট,<br />
রোপওয়ে। পর্বতারোহণের স্বাদ পেতে বিশাল এক<br />
পাথরে ওঠানামার জন্য তেনজিং রক, চা বাগান,<br />
তিবক্ষতী রিফিউজি ক্যাম্প। চারদিকে সুউচ্চ<br />
উপত্যকার মাঝে সমতল মাঠ, দার্জিলিং গুর্খা<br />
স্টেডিয়াম ইত্যাদি।<br />
ম্যাল এলাকা :<br />
দার্জির্লিংয়ের সবচেয়ে জমজমাট ও নানা<br />
পর্যটকদের মিলনমেলা বসে ম্যাল এলাকায়।<br />
চারদিকে উঁচু পাহাড়ের মাঝে একটু সমতল এলাকা।<br />
আয়োজনও চমৎকার। ম্যাল এলাকাটি রেলিং দিয়ে<br />
ঘেরা আছে এবং ছোট ছোট বেঞ্চি রয়েছে বিশ্রাম<br />
ও আড্ডা দেয়ার জন্য।<br />
ম্যাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হোটেল,<br />
ট্যুরিস্ট লজ, বিভিন্ন দ্রব্যের দোকান, রেস্তোরাঁ,<br />
ব্যাংক আরও কত কী। স্টুডিও আছে। সেইসঙ্গে<br />
পাবেন ক্যামেরা নিয়ে এখানে-ওখানে ঘুরে<br />
বেড়ানো পেশাদের ফটোগ্রাফার। ইচ্ছা করলে<br />
আপনার পছন্দের আলোকচিত্রটি পেশাদের<br />
আলোকচিত্রীকে দিয়ে তুলে নিতে পারেন।<br />
নাইটেঙ্গেল পার্ক :<br />
ম্যাল চত্বর ছাড়িয়ে আরও কিছুদূর উঁচু-নিচু পাহাড়ি<br />
পথ পাড়ি দিয়ে আপনি যেতে পাবেন নাইটেঙ্গেল<br />
পার্কে। দার্জিলিং ভ্রমণ বিনোদনের খুব বেশি দিন<br />
হয়নি এ পার্কটি সংযোজনের। পাখির কলকাকলি,<br />
উঁচু থেকে সশব্দ গড়িয়ে পড়া ঝর্ণার পানির বর্ণিল<br />
আলোকচ্ছটা এবং পুরো পার্কটিকে এমন সুন্দরভাবে<br />
সাজিয়ে রাখা হয়েছে, যা সত্যিই মনোমুদ্ধকর।<br />
পাখির কলককালি শুনে ভবছেন পাখি কোথায়? একটু<br />
লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন পাখির এই কলতান সৃষ্টি<br />
করা হয়েছে কৃত্রিমভাবে। নাইটেঙ্গেল পার্কের<br />
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে স্থানীয় গুর্খা<br />
জাতিসত্তার নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে<br />
নাচ ও গানের অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের শেষে আছে<br />
উপস্থিত অতিথিদের অংশগ্রহণে নাচ ও গান। সব<br />
মিলিয়ে দারুণ উপভোগ্য এক সন্ধ্যা কাটিয়ে আসতে<br />
পারেন নাইটেঙ্গেল পার্কে।<br />
ম্যাল চৌরাস্তা থেকে মাত্র ২ কি.মি. দূরে পদ্মজা<br />
নাইডু হিমালয়ান জ্যুওলজিক্যাল পার্কটি পর্বতের<br />
গায়ে গড়ে তোলা হয়েছে। হিমালয় অঞ্চলের উদ্ভিদ<br />
ও প্রাণীবৈচিত্র্যের বেশ কিছু নমুনা রয়েছে<br />
জ্যুওলজিক্যাল পার্কটিতে। এর মধ্যে জানা-অজানা<br />
বিচিত্র ও দুর্লভ গাছ-গাছালি ছাড়াও আপনি<br />
দেখতে পাবেন অতিকায় কালো ভল্লুক,<br />
সাইবেরিয়ান বাঘ, তিব্বতের হিংস্রতম নেকড়ে,<br />
গণ্ডার, সাম্বার ও চিত্রা হরিণ, ইলামা হায়না লাল<br />
পান্ডা এবং নানা রঙের পাখি।<br />
হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট :<br />
পদ্মজা নাইডু জ্যুওলজিক্যাল পার্ক ও হিমালয়ান<br />
মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট একই গেট দিয়ে<br />
প্রবেশ করতে হয়।<br />
পর্বতারোহণের প্রশিক্ষণের জন্য এ প্রতিষ্ঠানটির<br />
বেশ খ্যাতি রয়েছে। এখানকার মিউজিয়ামে আপনি<br />
পৃথিবীর প্রথম দুই পর্বতারোহী তেনজিং ও হিলারি<br />
থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ঘটনাবহুল ও বিখ্যাত সব<br />
পর্বতারোহী ও আরোহণের তথ্য পাবেন। আরও পাবেন<br />
পর্বতারোহণের তথ্যবহুল প্রদর্শনী এবং প্রয়োজনীয়<br />
সাজ-সরঞ্জাম ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ের প্রদর্শনী।<br />
হ্যাপি ভ্যালি টি-গার্ডেন :<br />
উঁচু পাহাড়ের অপরূপ উপত্যকায় গড়ে তোলা হয়েছে<br />
চা বাগান। এ বাগানে এসে গাছ থেকে চা-পাতা<br />
তোলা থেকে শুরু করে চা তৈরির যাবতীয়<br />
কলাকৌশল দেখে নিতে পারেন।<br />
টাইগার হিল :<br />
শেষ রাত থেকে অসংখ্য জিপের সারি ও মানুষের<br />
কোলাহলে পূর্ণ হয়ে ওঠে টাইগার হিল। দার্জিলিং<br />
শহর থেকে ১৩ কি.মি. দূরে অবস্থিত টাইগার হিল<br />
কাঞ্চনজঙ্ঘায় সূর্যোদয় দেখার ভিউপয়েন্ট হিসেবে<br />
খ্যাত। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২ হাজার ৫৫৫ মিটিার উঁচুতে<br />
টাইগার হিলের ভিউপয়েন্ট থেকে পৃথিবীর তৃতীয়<br />
উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার সাদা বরফের<br />
রাজ্যে সূর্যের প্রতিফলনে বহু বর্ণিল আলোর<br />
ঝলকানি দেখার জন্য টাইগার হিলে আপনাকে<br />
আসতেই হবে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে টাইগার হিল<br />
থেকে পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু শৃঙ্গ এভারেস্টও দেখা<br />
যায়।<br />
দার্জিলিংয়ে বেড়াতে যাবেন কিন্তু ট্রয় ট্রেনে<br />
চড়বেন না তা কী হয়? বাষ্পীয় ইঞ্জিনচালিত<br />
ন্যারো গ্যাজ লাইন দিয়ে উঁচু পাহাড়-পর্বতের<br />
কিনারা দিয়ে যখন ট্রেনটি চলতে থাকে, এর মতো<br />
রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞাতা আর কী হতে পারে? ট্রয়<br />
ট্রেন জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত<br />
যাতায়াত করলেও দীর্ঘ পথের সময় বাঁচাতে আপনি<br />
দার্জিলিং থেকে ‘ঘুম’ স্টেশন পর্যন্ত ভ্রমণ করে এই<br />
ট্রয় ট্রেনের কিছুটা রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে<br />
পারেন।<br />
রক গার্ডেন :<br />
দার্জিলিং থেকে ১০ কি.মি. দূরে অবস্থিত রক<br />
গার্ডনে কলকল ধ্বনিতে প্রবাহিত হচ্ছে প্রাকৃতিক<br />
জলপ্রপাত। পাহাড়ের গা ঘেঁষে অনেক উঁচুতে উঠে<br />
গেছে কৃত্রিমভাবে তৈরি সিঁড়ি। বেশ সাজানো-<br />
গোছানো আয়েজন দেখতে পাবেন রক গার্ডেন এসে।<br />
পিকিনিক স্পট হিসেবে এটি বিখ্যাত।<br />
গাঙ্গামায়া পার্ক :<br />
রক গার্ডেন থেকে আরও ৩ কি.মি. দূরে বিশাল এক<br />
জলপ্রপাতকে কেন্দ্র করে বেশ বড় এলাকাজুড়ে গড়ে<br />
তোলে হয়েছে গাঙ্গামায়া পার্ক। পার্কের ভেতর<br />
লেকে নৌকা ভ্রমণেরও ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে<br />
অদিবাসীদের পরিবেশিত নাচ ও গানের ব্যবস্থা।<br />
স্থানীয়দের তৈরি হস্তশিল্পের দোকান, খাবার<br />
ব্যবস্থা সবই আছে এখানে।<br />
দার্জিলিং যেভাবে যাবেন :<br />
ঢাকা থেকে দার্জিলিং যাওয়া এখন অনেক সহজ<br />
হয়েছে। বাসে লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারী<br />
সীমান্ত দিয়ে শিলিগুড়ি। শিলিগুড়ি থেকে বিশেষ<br />
জিপে দার্জিলিং। দার্জিলিং থেকে প্রত্যেকটা<br />
দর্শনীয় স্থানে বেড়াতে জিপ ব্যবহার করতে হবে।<br />
দার্জিলিংয়ে বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে।<br />
তারকামানের হোটেল দি নিউ এলগিন হোটেল, মে<br />
ফেয়ার হিল রিসোর্ট। এছাড়া হোটেল গারুদা,<br />
হোটেল সান ফ্লাওয়ার, হেপাটেল উমা, হোটেল<br />
স্বাতী, হোটেল ব্রডওয়ে ইত্যাদি বিভিন্ন মানের<br />
হোটেল গোটা শহরজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।<br />
ভ্রমণের উপযুক্ত সময় :<br />
পুর্ণিমার রূপ যেমন অপার্থিব আনন্দ দেয়, তেমনি<br />
আঁধারেরও রূপ আছে! পরিষ্কার মেঘহীন আকাশে<br />
দার্জিলিং যেমন তার রূপের ঐশ্বর্য মেলে ধরে,<br />
তেমনি বর্ষার সবুজ পাহাড় ও বিশাল ঝর্ণাধারার<br />
অন্যরূপ প্রকাশ করে। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি<br />
শীতের তীব্রতার পাশাপাশি হয়তো তুষারপাতেরও<br />
দেখা পেতে পারেন। সমতলের মানুষের জন্য<br />
তুষারপাত দেখা দারুণ আনন্দের ব্যাপার!<br />
দার্জিলিং ভ্রমণের সবচেয়ে আদর্শ সময় হচ্ছে মার্চ<br />
থেকে মে মাস এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস।<br />
দার্জিলিংয়ে বেড়ানোর খরচ ও সময় :<br />
টাকা হলে দার্জিলিংয়ের সবকিছু বাংলাদেশেই<br />
মিলবে। আর কেনাকাটা না করলে ঢাকা থেকে<br />
দার্জিলিং যাতায়াত, থাকা, খাওয়া বাবদ জনপ্রতি<br />
সর্বোচ্চ খরচ ১৫ হাজার টাকা হতে পারে।<br />
বুড়িমারী দিয়ে খরচ কম। ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু<br />
করলে ৫ দিনেই ঘুরে আসতে পারবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কাজের চাপে যখন প্রাণ ওষ্ঠাগত। স্ট্রেস যখন বাসা<br />
বাঁধছে মনের গহিনে। তখন নিজেকে একটু আলাদা<br />
করে আবিষ্কার করতে চলে যান অনিন্দ সুন্দর পর্যটন<br />
কেন্দ্র ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে।<br />
ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র পূরণের সময় বুড়িমারী<br />
স্থলবন্দরের নাম অবশ্যই উল্লেখ করবেন। ভিসা<br />
পেয়ে গেলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন। বাংলাদেশের<br />
খুব কাছে অল্প ব্যয়ে ভ্রমণের এক আদর্শ জায়গা<br />
হচ্ছে দার্জিলিং এবং বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে<br />
বাংলাদেশি পর্যটকদের প্রথম পছন্দ দার্জিলিং।<br />
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘায়<br />
সূর্যোদয়ের অপার্থিব রূপ দেখতে সবার একবার<br />
অন্তত যাওয়া উচিত।<br />
শিলিগুড়ি, কালিম্পং, কার্শিয়ান, জোড়বাংলো,<br />
মিরিক, নক্সালবাড়ি, প্রধাননগর, খুখিয়াপোখরি এই<br />
জেলার বিখ্যাত জায়গা। দার্জিলিং শহর ও তার<br />
আশপাশের ভ্রমণ কেন্দ্রগুলো ভাগ করা হয়েছে<br />
বিভিন্ন পয়েন্টে। যেমন টু পয়েন্ট বলতে<br />
গাঙ্গামায়া পার্ক ও রক গার্ডেন ভ্রমণ। থ্রি পয়েন্ট<br />
বলতে কাঞ্চনজঙ্ঘায় সূর্যোদয় দেখার জন্য টাইগার<br />
হিল, বিখ্যাত ঘুম বৌদ্ধমন্দির ও বাটাশিয়া পুল।<br />
ফাইভ পয়েন্টের অন্তুর্ভুক্ত স্পটগুলো হচ্ছে- জাদুঘর,<br />
জাপানি মন্দির, লালুকুঠি কাউন্সিল ভবন, আভা আর্ট<br />
গ্যালারি এবং রীরধাম মন্দির ইত্যাদি। সেভেন<br />
পয়েন্ট বলতে পদ্মজা নাইডু জ্যুওলজিক্যাল পার্ক,<br />
বিখ্যাত হিমালয়ান মাউনেইরয়ান ইনস্টিটিউট,<br />
রোপওয়ে। পর্বতারোহণের স্বাদ পেতে বিশাল এক<br />
পাথরে ওঠানামার জন্য তেনজিং রক, চা বাগান,<br />
তিবক্ষতী রিফিউজি ক্যাম্প। চারদিকে সুউচ্চ<br />
উপত্যকার মাঝে সমতল মাঠ, দার্জিলিং গুর্খা<br />
স্টেডিয়াম ইত্যাদি।<br />
ম্যাল এলাকা :<br />
দার্জির্লিংয়ের সবচেয়ে জমজমাট ও নানা<br />
পর্যটকদের মিলনমেলা বসে ম্যাল এলাকায়।<br />
চারদিকে উঁচু পাহাড়ের মাঝে একটু সমতল এলাকা।<br />
আয়োজনও চমৎকার। ম্যাল এলাকাটি রেলিং দিয়ে<br />
ঘেরা আছে এবং ছোট ছোট বেঞ্চি রয়েছে বিশ্রাম<br />
ও আড্ডা দেয়ার জন্য।<br />
ম্যাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হোটেল,<br />
ট্যুরিস্ট লজ, বিভিন্ন দ্রব্যের দোকান, রেস্তোরাঁ,<br />
ব্যাংক আরও কত কী। স্টুডিও আছে। সেইসঙ্গে<br />
পাবেন ক্যামেরা নিয়ে এখানে-ওখানে ঘুরে<br />
বেড়ানো পেশাদের ফটোগ্রাফার। ইচ্ছা করলে<br />
আপনার পছন্দের আলোকচিত্রটি পেশাদের<br />
আলোকচিত্রীকে দিয়ে তুলে নিতে পারেন।<br />
নাইটেঙ্গেল পার্ক :<br />
ম্যাল চত্বর ছাড়িয়ে আরও কিছুদূর উঁচু-নিচু পাহাড়ি<br />
পথ পাড়ি দিয়ে আপনি যেতে পাবেন নাইটেঙ্গেল<br />
পার্কে। দার্জিলিং ভ্রমণ বিনোদনের খুব বেশি দিন<br />
হয়নি এ পার্কটি সংযোজনের। পাখির কলকাকলি,<br />
উঁচু থেকে সশব্দ গড়িয়ে পড়া ঝর্ণার পানির বর্ণিল<br />
আলোকচ্ছটা এবং পুরো পার্কটিকে এমন সুন্দরভাবে<br />
সাজিয়ে রাখা হয়েছে, যা সত্যিই মনোমুদ্ধকর।<br />
পাখির কলককালি শুনে ভবছেন পাখি কোথায়? একটু<br />
লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন পাখির এই কলতান সৃষ্টি<br />
করা হয়েছে কৃত্রিমভাবে। নাইটেঙ্গেল পার্কের<br />
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে স্থানীয় গুর্খা<br />
জাতিসত্তার নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে<br />
নাচ ও গানের অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের শেষে আছে<br />
উপস্থিত অতিথিদের অংশগ্রহণে নাচ ও গান। সব<br />
মিলিয়ে দারুণ উপভোগ্য এক সন্ধ্যা কাটিয়ে আসতে<br />
পারেন নাইটেঙ্গেল পার্কে।<br />
ম্যাল চৌরাস্তা থেকে মাত্র ২ কি.মি. দূরে পদ্মজা<br />
নাইডু হিমালয়ান জ্যুওলজিক্যাল পার্কটি পর্বতের<br />
গায়ে গড়ে তোলা হয়েছে। হিমালয় অঞ্চলের উদ্ভিদ<br />
ও প্রাণীবৈচিত্র্যের বেশ কিছু নমুনা রয়েছে<br />
জ্যুওলজিক্যাল পার্কটিতে। এর মধ্যে জানা-অজানা<br />
বিচিত্র ও দুর্লভ গাছ-গাছালি ছাড়াও আপনি<br />
দেখতে পাবেন অতিকায় কালো ভল্লুক,<br />
সাইবেরিয়ান বাঘ, তিব্বতের হিংস্রতম নেকড়ে,<br />
গণ্ডার, সাম্বার ও চিত্রা হরিণ, ইলামা হায়না লাল<br />
পান্ডা এবং নানা রঙের পাখি।<br />
হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট :<br />
পদ্মজা নাইডু জ্যুওলজিক্যাল পার্ক ও হিমালয়ান<br />
মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট একই গেট দিয়ে<br />
প্রবেশ করতে হয়।<br />
পর্বতারোহণের প্রশিক্ষণের জন্য এ প্রতিষ্ঠানটির<br />
বেশ খ্যাতি রয়েছে। এখানকার মিউজিয়ামে আপনি<br />
পৃথিবীর প্রথম দুই পর্বতারোহী তেনজিং ও হিলারি<br />
থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ঘটনাবহুল ও বিখ্যাত সব<br />
পর্বতারোহী ও আরোহণের তথ্য পাবেন। আরও পাবেন<br />
পর্বতারোহণের তথ্যবহুল প্রদর্শনী এবং প্রয়োজনীয়<br />
সাজ-সরঞ্জাম ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ের প্রদর্শনী।<br />
হ্যাপি ভ্যালি টি-গার্ডেন :<br />
উঁচু পাহাড়ের অপরূপ উপত্যকায় গড়ে তোলা হয়েছে<br />
চা বাগান। এ বাগানে এসে গাছ থেকে চা-পাতা<br />
তোলা থেকে শুরু করে চা তৈরির যাবতীয়<br />
কলাকৌশল দেখে নিতে পারেন।<br />
টাইগার হিল :<br />
শেষ রাত থেকে অসংখ্য জিপের সারি ও মানুষের<br />
কোলাহলে পূর্ণ হয়ে ওঠে টাইগার হিল। দার্জিলিং<br />
শহর থেকে ১৩ কি.মি. দূরে অবস্থিত টাইগার হিল<br />
কাঞ্চনজঙ্ঘায় সূর্যোদয় দেখার ভিউপয়েন্ট হিসেবে<br />
খ্যাত। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২ হাজার ৫৫৫ মিটিার উঁচুতে<br />
টাইগার হিলের ভিউপয়েন্ট থেকে পৃথিবীর তৃতীয়<br />
উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার সাদা বরফের<br />
রাজ্যে সূর্যের প্রতিফলনে বহু বর্ণিল আলোর<br />
ঝলকানি দেখার জন্য টাইগার হিলে আপনাকে<br />
আসতেই হবে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে টাইগার হিল<br />
থেকে পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু শৃঙ্গ এভারেস্টও দেখা<br />
যায়।<br />
দার্জিলিংয়ে বেড়াতে যাবেন কিন্তু ট্রয় ট্রেনে<br />
চড়বেন না তা কী হয়? বাষ্পীয় ইঞ্জিনচালিত<br />
ন্যারো গ্যাজ লাইন দিয়ে উঁচু পাহাড়-পর্বতের<br />
কিনারা দিয়ে যখন ট্রেনটি চলতে থাকে, এর মতো<br />
রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞাতা আর কী হতে পারে? ট্রয়<br />
ট্রেন জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত<br />
যাতায়াত করলেও দীর্ঘ পথের সময় বাঁচাতে আপনি<br />
দার্জিলিং থেকে ‘ঘুম’ স্টেশন পর্যন্ত ভ্রমণ করে এই<br />
ট্রয় ট্রেনের কিছুটা রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে<br />
পারেন।<br />
রক গার্ডেন :<br />
দার্জিলিং থেকে ১০ কি.মি. দূরে অবস্থিত রক<br />
গার্ডনে কলকল ধ্বনিতে প্রবাহিত হচ্ছে প্রাকৃতিক<br />
জলপ্রপাত। পাহাড়ের গা ঘেঁষে অনেক উঁচুতে উঠে<br />
গেছে কৃত্রিমভাবে তৈরি সিঁড়ি। বেশ সাজানো-<br />
গোছানো আয়েজন দেখতে পাবেন রক গার্ডেন এসে।<br />
পিকিনিক স্পট হিসেবে এটি বিখ্যাত।<br />
গাঙ্গামায়া পার্ক :<br />
রক গার্ডেন থেকে আরও ৩ কি.মি. দূরে বিশাল এক<br />
জলপ্রপাতকে কেন্দ্র করে বেশ বড় এলাকাজুড়ে গড়ে<br />
তোলে হয়েছে গাঙ্গামায়া পার্ক। পার্কের ভেতর<br />
লেকে নৌকা ভ্রমণেরও ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে<br />
অদিবাসীদের পরিবেশিত নাচ ও গানের ব্যবস্থা।<br />
স্থানীয়দের তৈরি হস্তশিল্পের দোকান, খাবার<br />
ব্যবস্থা সবই আছে এখানে।<br />
দার্জিলিং যেভাবে যাবেন :<br />
ঢাকা থেকে দার্জিলিং যাওয়া এখন অনেক সহজ<br />
হয়েছে। বাসে লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারী<br />
সীমান্ত দিয়ে শিলিগুড়ি। শিলিগুড়ি থেকে বিশেষ<br />
জিপে দার্জিলিং। দার্জিলিং থেকে প্রত্যেকটা<br />
দর্শনীয় স্থানে বেড়াতে জিপ ব্যবহার করতে হবে।<br />
দার্জিলিংয়ে বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে।<br />
তারকামানের হোটেল দি নিউ এলগিন হোটেল, মে<br />
ফেয়ার হিল রিসোর্ট। এছাড়া হোটেল গারুদা,<br />
হোটেল সান ফ্লাওয়ার, হেপাটেল উমা, হোটেল<br />
স্বাতী, হোটেল ব্রডওয়ে ইত্যাদি বিভিন্ন মানের<br />
হোটেল গোটা শহরজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।<br />
ভ্রমণের উপযুক্ত সময় :<br />
পুর্ণিমার রূপ যেমন অপার্থিব আনন্দ দেয়, তেমনি<br />
আঁধারেরও রূপ আছে! পরিষ্কার মেঘহীন আকাশে<br />
দার্জিলিং যেমন তার রূপের ঐশ্বর্য মেলে ধরে,<br />
তেমনি বর্ষার সবুজ পাহাড় ও বিশাল ঝর্ণাধারার<br />
অন্যরূপ প্রকাশ করে। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি<br />
শীতের তীব্রতার পাশাপাশি হয়তো তুষারপাতেরও<br />
দেখা পেতে পারেন। সমতলের মানুষের জন্য<br />
তুষারপাত দেখা দারুণ আনন্দের ব্যাপার!<br />
দার্জিলিং ভ্রমণের সবচেয়ে আদর্শ সময় হচ্ছে মার্চ<br />
থেকে মে মাস এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস।<br />
দার্জিলিংয়ে বেড়ানোর খরচ ও সময় :<br />
টাকা হলে দার্জিলিংয়ের সবকিছু বাংলাদেশেই<br />
মিলবে। আর কেনাকাটা না করলে ঢাকা থেকে<br />
দার্জিলিং যাতায়াত, থাকা, খাওয়া বাবদ জনপ্রতি<br />
সর্বোচ্চ খরচ ১৫ হাজার টাকা হতে পারে।<br />
বুড়িমারী দিয়ে খরচ কম। ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু<br />
করলে ৫ দিনেই ঘুরে আসতে পারবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[[দেখা হয় নাই] ঘুরে আসুন কুতুবদিয়া বাতিঘর]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=555</link>
			<pubDate>Sun, 15 Jan 2017 08:58:21 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=555</guid>
			<description><![CDATA[মানুষ ঠাসা শহরের চাপে আর থাকতে ইচ্ছা করছে<br />
না। ভাবছেন, কোথাও থেকে ঘুরে আসবেন। হাতে যে<br />
তালিকাটা আছে, তার প্রায় সবটুকুই দেখা শেষ। এখন<br />
নতুন কোনো জায়গার খোঁজে? তো, আর দেরি কেন,<br />
ঘুরে আসুন কুতুবদিয়া বাতিঘর । কুতুবদিয়া বাতিঘর<br />
যাওয়ার আগে জেনে নিন এর আদ্যোপান্ত।<br />
প্রাচীনকাল থেকে চট্টগ্রাম ছিল একটি সমুদ্রবন্দর।<br />
খ্রিস্টীয় নয় শতক থেকে আরব বণিকরা চট্টগ্রামের<br />
সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করে। বাংলায়<br />
মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর (১৪ শতক) থেকে<br />
চট্টগ্রাম বন্দর একটি ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বন্দরে<br />
পরিণত হয়।<br />
সেকালে সামুদ্রিক জাহাজে উন্নত প্রযুক্তির<br />
যন্ত্রপাতি ছিল না, অভিজ্ঞ নাবিকরা প্রাচীন<br />
প্রচলিত পদ্ধতিতে সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিতেন।<br />
১৮২২ সালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও<br />
জলোচ্ছ্বাস উপকূলভাগ বিধ্বস্ত করে দেয়।<br />
প্লাবনের ফলে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় সমুদ্রবক্ষে<br />
পলি জমে সৃষ্টি হয় অনেক চর। বিস্তীর্ণ এলাকায়<br />
নতুন নতুন চর জেগে ওঠার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে<br />
দেশি-বিদেশি জাহাজ চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়।<br />
নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলের স্বার্থে ব্রিটিশ<br />
সরকার বাতিঘর স্থাপনের জন্য জরিপকাজ<br />
পরিচালনা করে এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ২৫<br />
মাইল দক্ষিণে তিন দিকে বঙ্গোপসাগর পরিবেষ্টিত<br />
কুতুবদিয়ায় একটি সুউচ্চ বাতিঘর স্থাপন করার<br />
সিদ্ধান্ত নেয়। বঙ্গোপসাগরে চলাচলরত জাহাজকে<br />
সংকেত দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ও সামুদ্রিক<br />
এলাকায় বিভিন্ন সময় সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার,<br />
নরম্যান্স পয়েন্ট, পতেঙ্গা ও কুতুবদিয়ায় বাতিঘর<br />
স্থাপন করা হয়।<br />
এসব বাতিঘরের বিচ্ছুরিত আলো ২৫ থেকে ৩৫<br />
কিলোমিটার গভীর সমুদ্র থেকে দেখা যায়।<br />
সবচেয়ে প্রাচীন বাতিঘর স্থাপিত হয় কক্সবাজার<br />
জেলার কুতুবদিয়ায়। পাথরের ভিতের ওপর নির্মিত<br />
কুতুবদিয়া বাতিঘরটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৪০ মিটার।<br />
এর ছয়টি কামরায় পাটাতন ও সিঁড়ি ছিল কাঠের।<br />
সর্বোচ্চ কামরায় আট ফিতার ল্যাম্প বসানো<br />
হয়েছিল। ল্যাম্পের জ্বালানি ছিল নারকেল তেল।<br />
বাতিঘরের নিচতলা ছিল মাটির নিচে এবং এর<br />
দেয়াল ছিল খুবই পুরু। আটতলা এ বাতিঘরের প্রতি<br />
তলার উচ্চতা ছিল প্রায় পাঁচ মিটার। প্রতি কক্ষে<br />
ছিল কাচের জানালা। সর্বোচ্চ কক্ষে জ্বালানো<br />
হতো বাতি। একটি কাঠের ফ্রেমে রাখা বাতিটি<br />
প্রতিদিন সূর্যাস্তের আগে জ্বালানো হতো।<br />
ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন হেয়ারের তত্ত্বাবধানে ও<br />
ইঞ্জিনিয়ার জে এইচ টুগুডের নির্দেশনায়<br />
কুতুবদিয়ার বাতিঘরটি নির্মিত হয়।<br />
দক্ষিণ ধুরং ইউনিয়নের আলী ফকির ভেইলে পশ্চিম<br />
সমুদ্র উপকূলে নির্মিত এ বাতিঘর ১৮৯৭ সালের<br />
প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়; সমগ্র লাইট<br />
হাউস নড়বড়ে হয়ে যায়। লাইট হাউসের রক্ষকের<br />
বাসভবন বিধ্বস্ত হয়। ভবনের কাঠের মেঝে বাতাসের<br />
তীব্রতায় প্রায় ৭০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে।<br />
ভবনের টিনের তৈরি ছাদ আশপাশের মাঠে গিয়ে<br />
আছড়ে পড়ে। স্তূপাকৃত বড় বড় পাথর পর্যন্ত ছড়িয়ে-<br />
ছিটিয়ে যায়। ১৯৬০ সালের ঘূর্ণিঝড় ও সামুদ্রিক<br />
জলোচ্ছ্বাসে স্থায়ী ভাঙনে বিলীন হওয়ার<br />
আগপর্যন্ত এ বাতিঘর বিরামহীন আলো দেখিয়ে<br />
সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকদের প্রায় ৩৫<br />
কিলোমিটার দূর থেকে দিকনির্দেশনা দিত।<br />
পুরোনো সেই বাতিঘর সমুদ্রে বিলীন হয়েছে বহু<br />
আগে।<br />
তবে এখনো ভাটার সময় সেই বাতিঘরের<br />
ধ্বংসাবশেষ কখনো কখনো জেগে উঠতে দেখা যায়।<br />
বাতিঘর এলাকায় পরে যে বাতিঘর তৈরি করা<br />
হয়েছিল, সেটিই এখন নাবিকদের পথ দেখায়। বড়ঘোপ<br />
বাজার থেকে সমুদ্রসৈকত ধরে উত্তর দিকে কিছুদূরে<br />
গেলেই বর্তমান বাতিঘরের অবস্থান।<br />
কক্সবাজারের এই বাতিঘর পর্যটকদের কাছে<br />
আকর্ষণীয় একটি স্থান। তাই প্রতিদিনই এখানে<br />
পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে।<br />
কীভাবে যাবেন<br />
কুতুবদিয়া যেতে হবে কক্সবাজারের বাসে। ঢাকা<br />
থেকে সরাসরি কক্সবাজার যায় সোহাগ পরিবহন, টি<br />
আর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন পরিবহন, হানিফ<br />
এন্টারপ্রাইজ, সেন্ট মার্টিন পরিবহন, সৌদিয়া<br />
পরিবহনের এসি বাস। ভাড়া এক হাজার ৭০০ থেকে<br />
দুই হাজার ৫০০ টাকা।<br />
এ ছাড়া এস আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী, ইউনিক, ঈগল<br />
ইত্যাদি পরিবহনের নন-এসি বাসে ভাড়া ৬৫০ থেকে<br />
৮০০ টাকা। এসব বাসে চড়ে নামতে হবে চট্টগ্রাম<br />
কক্সবাজারের পথে, যাত্রাবিরতি স্থল ইনানী<br />
রিসোর্টের এক কিলোমিটার সামনে বড়ইতলী<br />
মোড়ে। সেখান থেকে সিএনজিচালিত<br />
বেবিটেক্সিতে যেতে হবে মাগনামা ঘাট। জনপ্রতি<br />
ভাড়া ৩৫ টাকা। রিজার্ভ নিলে ২০০ টাকা।<br />
মাগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া চ্যানেল পার হতে<br />
হবে ইঞ্জিন নৌকা অথবা স্পিডবোটে। ইঞ্জিন<br />
নৌকায় সময় লাগে ২০ থেকে ২৫ মিনিট, ভাড়া ১৫<br />
থেকে ২০ টাকা। আর স্পিডবোটে লাগে ১০ মিনিট,<br />
ভাড়া ৬০ টাকা। চ্যানেল পার হলে কুতুবদিয়া।<br />
কোথায় থাকবেন<br />
কুতুবদিয়া দ্বীপে পর্যটকদের থাকার জন্য মানসম্মত<br />
একমাত্র আবাসন ব্যবস্থা হলো হোটেল সমুদ্রবিলাস।<br />
সমুদ্রলাগোয়া এই হোটেলে বসে উপভোগ করা যায়<br />
সমুদ্রের সৌন্দর্য। হোটেলের দুজনের নন-এসি কক্ষ<br />
ভাড়া ৮০০ টাকা, তিনজনের এক হাজার টাকা এবং<br />
চারজনের কক্ষ ভাড়া এক হাজার ২০০ টাকা।<br />
কী খাবেন<br />
খাবারের জন্য কুতুবদিয়ায় বিশেষ কিছু পাবেন না।<br />
কিন্তু কক্সবাজার খাবারের সঙ্গে এখানকার<br />
খাবারের বেশ মিল পাবেন। পাবেন ভাত, বিভিন্ন<br />
রকম ভর্তা, শুঁটকি আর মাছ-মাংস তো আছেই। তাহলে<br />
কবে যাচ্ছেন অন্য রকম এই বাতিঘর দেখতে?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[মানুষ ঠাসা শহরের চাপে আর থাকতে ইচ্ছা করছে<br />
না। ভাবছেন, কোথাও থেকে ঘুরে আসবেন। হাতে যে<br />
তালিকাটা আছে, তার প্রায় সবটুকুই দেখা শেষ। এখন<br />
নতুন কোনো জায়গার খোঁজে? তো, আর দেরি কেন,<br />
ঘুরে আসুন কুতুবদিয়া বাতিঘর । কুতুবদিয়া বাতিঘর<br />
যাওয়ার আগে জেনে নিন এর আদ্যোপান্ত।<br />
প্রাচীনকাল থেকে চট্টগ্রাম ছিল একটি সমুদ্রবন্দর।<br />
খ্রিস্টীয় নয় শতক থেকে আরব বণিকরা চট্টগ্রামের<br />
সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করে। বাংলায়<br />
মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর (১৪ শতক) থেকে<br />
চট্টগ্রাম বন্দর একটি ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বন্দরে<br />
পরিণত হয়।<br />
সেকালে সামুদ্রিক জাহাজে উন্নত প্রযুক্তির<br />
যন্ত্রপাতি ছিল না, অভিজ্ঞ নাবিকরা প্রাচীন<br />
প্রচলিত পদ্ধতিতে সাগর-মহাসাগর পাড়ি দিতেন।<br />
১৮২২ সালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও<br />
জলোচ্ছ্বাস উপকূলভাগ বিধ্বস্ত করে দেয়।<br />
প্লাবনের ফলে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় সমুদ্রবক্ষে<br />
পলি জমে সৃষ্টি হয় অনেক চর। বিস্তীর্ণ এলাকায়<br />
নতুন নতুন চর জেগে ওঠার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে<br />
দেশি-বিদেশি জাহাজ চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়।<br />
নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলের স্বার্থে ব্রিটিশ<br />
সরকার বাতিঘর স্থাপনের জন্য জরিপকাজ<br />
পরিচালনা করে এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ২৫<br />
মাইল দক্ষিণে তিন দিকে বঙ্গোপসাগর পরিবেষ্টিত<br />
কুতুবদিয়ায় একটি সুউচ্চ বাতিঘর স্থাপন করার<br />
সিদ্ধান্ত নেয়। বঙ্গোপসাগরে চলাচলরত জাহাজকে<br />
সংকেত দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ও সামুদ্রিক<br />
এলাকায় বিভিন্ন সময় সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার,<br />
নরম্যান্স পয়েন্ট, পতেঙ্গা ও কুতুবদিয়ায় বাতিঘর<br />
স্থাপন করা হয়।<br />
এসব বাতিঘরের বিচ্ছুরিত আলো ২৫ থেকে ৩৫<br />
কিলোমিটার গভীর সমুদ্র থেকে দেখা যায়।<br />
সবচেয়ে প্রাচীন বাতিঘর স্থাপিত হয় কক্সবাজার<br />
জেলার কুতুবদিয়ায়। পাথরের ভিতের ওপর নির্মিত<br />
কুতুবদিয়া বাতিঘরটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৪০ মিটার।<br />
এর ছয়টি কামরায় পাটাতন ও সিঁড়ি ছিল কাঠের।<br />
সর্বোচ্চ কামরায় আট ফিতার ল্যাম্প বসানো<br />
হয়েছিল। ল্যাম্পের জ্বালানি ছিল নারকেল তেল।<br />
বাতিঘরের নিচতলা ছিল মাটির নিচে এবং এর<br />
দেয়াল ছিল খুবই পুরু। আটতলা এ বাতিঘরের প্রতি<br />
তলার উচ্চতা ছিল প্রায় পাঁচ মিটার। প্রতি কক্ষে<br />
ছিল কাচের জানালা। সর্বোচ্চ কক্ষে জ্বালানো<br />
হতো বাতি। একটি কাঠের ফ্রেমে রাখা বাতিটি<br />
প্রতিদিন সূর্যাস্তের আগে জ্বালানো হতো।<br />
ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন হেয়ারের তত্ত্বাবধানে ও<br />
ইঞ্জিনিয়ার জে এইচ টুগুডের নির্দেশনায়<br />
কুতুবদিয়ার বাতিঘরটি নির্মিত হয়।<br />
দক্ষিণ ধুরং ইউনিয়নের আলী ফকির ভেইলে পশ্চিম<br />
সমুদ্র উপকূলে নির্মিত এ বাতিঘর ১৮৯৭ সালের<br />
প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়; সমগ্র লাইট<br />
হাউস নড়বড়ে হয়ে যায়। লাইট হাউসের রক্ষকের<br />
বাসভবন বিধ্বস্ত হয়। ভবনের কাঠের মেঝে বাতাসের<br />
তীব্রতায় প্রায় ৭০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে।<br />
ভবনের টিনের তৈরি ছাদ আশপাশের মাঠে গিয়ে<br />
আছড়ে পড়ে। স্তূপাকৃত বড় বড় পাথর পর্যন্ত ছড়িয়ে-<br />
ছিটিয়ে যায়। ১৯৬০ সালের ঘূর্ণিঝড় ও সামুদ্রিক<br />
জলোচ্ছ্বাসে স্থায়ী ভাঙনে বিলীন হওয়ার<br />
আগপর্যন্ত এ বাতিঘর বিরামহীন আলো দেখিয়ে<br />
সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকদের প্রায় ৩৫<br />
কিলোমিটার দূর থেকে দিকনির্দেশনা দিত।<br />
পুরোনো সেই বাতিঘর সমুদ্রে বিলীন হয়েছে বহু<br />
আগে।<br />
তবে এখনো ভাটার সময় সেই বাতিঘরের<br />
ধ্বংসাবশেষ কখনো কখনো জেগে উঠতে দেখা যায়।<br />
বাতিঘর এলাকায় পরে যে বাতিঘর তৈরি করা<br />
হয়েছিল, সেটিই এখন নাবিকদের পথ দেখায়। বড়ঘোপ<br />
বাজার থেকে সমুদ্রসৈকত ধরে উত্তর দিকে কিছুদূরে<br />
গেলেই বর্তমান বাতিঘরের অবস্থান।<br />
কক্সবাজারের এই বাতিঘর পর্যটকদের কাছে<br />
আকর্ষণীয় একটি স্থান। তাই প্রতিদিনই এখানে<br />
পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে।<br />
কীভাবে যাবেন<br />
কুতুবদিয়া যেতে হবে কক্সবাজারের বাসে। ঢাকা<br />
থেকে সরাসরি কক্সবাজার যায় সোহাগ পরিবহন, টি<br />
আর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন পরিবহন, হানিফ<br />
এন্টারপ্রাইজ, সেন্ট মার্টিন পরিবহন, সৌদিয়া<br />
পরিবহনের এসি বাস। ভাড়া এক হাজার ৭০০ থেকে<br />
দুই হাজার ৫০০ টাকা।<br />
এ ছাড়া এস আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী, ইউনিক, ঈগল<br />
ইত্যাদি পরিবহনের নন-এসি বাসে ভাড়া ৬৫০ থেকে<br />
৮০০ টাকা। এসব বাসে চড়ে নামতে হবে চট্টগ্রাম<br />
কক্সবাজারের পথে, যাত্রাবিরতি স্থল ইনানী<br />
রিসোর্টের এক কিলোমিটার সামনে বড়ইতলী<br />
মোড়ে। সেখান থেকে সিএনজিচালিত<br />
বেবিটেক্সিতে যেতে হবে মাগনামা ঘাট। জনপ্রতি<br />
ভাড়া ৩৫ টাকা। রিজার্ভ নিলে ২০০ টাকা।<br />
মাগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া চ্যানেল পার হতে<br />
হবে ইঞ্জিন নৌকা অথবা স্পিডবোটে। ইঞ্জিন<br />
নৌকায় সময় লাগে ২০ থেকে ২৫ মিনিট, ভাড়া ১৫<br />
থেকে ২০ টাকা। আর স্পিডবোটে লাগে ১০ মিনিট,<br />
ভাড়া ৬০ টাকা। চ্যানেল পার হলে কুতুবদিয়া।<br />
কোথায় থাকবেন<br />
কুতুবদিয়া দ্বীপে পর্যটকদের থাকার জন্য মানসম্মত<br />
একমাত্র আবাসন ব্যবস্থা হলো হোটেল সমুদ্রবিলাস।<br />
সমুদ্রলাগোয়া এই হোটেলে বসে উপভোগ করা যায়<br />
সমুদ্রের সৌন্দর্য। হোটেলের দুজনের নন-এসি কক্ষ<br />
ভাড়া ৮০০ টাকা, তিনজনের এক হাজার টাকা এবং<br />
চারজনের কক্ষ ভাড়া এক হাজার ২০০ টাকা।<br />
কী খাবেন<br />
খাবারের জন্য কুতুবদিয়ায় বিশেষ কিছু পাবেন না।<br />
কিন্তু কক্সবাজার খাবারের সঙ্গে এখানকার<br />
খাবারের বেশ মিল পাবেন। পাবেন ভাত, বিভিন্ন<br />
রকম ভর্তা, শুঁটকি আর মাছ-মাংস তো আছেই। তাহলে<br />
কবে যাচ্ছেন অন্য রকম এই বাতিঘর দেখতে?]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>