<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - গুনগুণ]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 07:11:09 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[কাঁঠাল খাওয়ার ৫ উপকারিতা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=462</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 12:19:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=462</guid>
			<description><![CDATA[গ্রীষ্ম মানেই ফলের মৌসুম। অর্থাৎ আম, কাঁঠাল,<br />
লিচু, জাম, তরমুজ মতো রসালো ফলে বাজার ভরপুর।<br />
এসব ফলে রয়েছে একেক রকম পুষ্টিগুণ।<br />
এদের মধ্যে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল অন্যতম।<br />
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, থাইমিন,<br />
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্লাবিন ও আয়রণ।<br />
এবার চলুন জেনে গ্রীষ্মের এই মৌসুমে কাঁঠাল<br />
খাওয়ার কিছু উপকারিতা।<br />
১. কাঁঠালে যে পটাশিয়াম পাওয়া যায় তা<br />
হৃদরোগের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্লাড<br />
প্রেসারকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।<br />
২. কাঁঠালে থাকা ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের সমস্যা দূর<br />
করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমে<br />
সহায়তা করে।<br />
৩. অ্যানিমিয়ায় যাঁরা ভুগছেন তাঁদের জন্য কাঁঠাল<br />
খুব উপকারী। এছাড়া থাইরয়েডের সমস্যায় যাঁরা<br />
ভুগছেন তাঁদের জন্যও তো কাঁঠাল খুবই উপকারী।<br />
কারণ এতে যে খনিজ পদার্থ তামা থাকে তা<br />
থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।<br />
৪. কাঁঠালের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান<br />
বয়ঃবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে ফলে ত্বকে<br />
বয়সের ছাপ দেখা যায় না। তাই ত্বকের বয়স ধরে<br />
রাখতে অর্থাৎ চেহারায় লাবন্য দীর্ঘস্থায়ী করার<br />
জন্য কাঁঠাল খেতে পারেন।<br />
৫. কাঁঠালে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার। এটি<br />
মলাশয় থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করে। ফলে<br />
মলাশয়ের ওপর কোন রকম বিষাক্ত উপাদানের<br />
ক্ষতিকর প্রভাব পরে না। এইভাবে মলাশয়ের<br />
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গ্রীষ্ম মানেই ফলের মৌসুম। অর্থাৎ আম, কাঁঠাল,<br />
লিচু, জাম, তরমুজ মতো রসালো ফলে বাজার ভরপুর।<br />
এসব ফলে রয়েছে একেক রকম পুষ্টিগুণ।<br />
এদের মধ্যে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল অন্যতম।<br />
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, থাইমিন,<br />
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্লাবিন ও আয়রণ।<br />
এবার চলুন জেনে গ্রীষ্মের এই মৌসুমে কাঁঠাল<br />
খাওয়ার কিছু উপকারিতা।<br />
১. কাঁঠালে যে পটাশিয়াম পাওয়া যায় তা<br />
হৃদরোগের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্লাড<br />
প্রেসারকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।<br />
২. কাঁঠালে থাকা ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের সমস্যা দূর<br />
করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমে<br />
সহায়তা করে।<br />
৩. অ্যানিমিয়ায় যাঁরা ভুগছেন তাঁদের জন্য কাঁঠাল<br />
খুব উপকারী। এছাড়া থাইরয়েডের সমস্যায় যাঁরা<br />
ভুগছেন তাঁদের জন্যও তো কাঁঠাল খুবই উপকারী।<br />
কারণ এতে যে খনিজ পদার্থ তামা থাকে তা<br />
থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।<br />
৪. কাঁঠালের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান<br />
বয়ঃবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে ফলে ত্বকে<br />
বয়সের ছাপ দেখা যায় না। তাই ত্বকের বয়স ধরে<br />
রাখতে অর্থাৎ চেহারায় লাবন্য দীর্ঘস্থায়ী করার<br />
জন্য কাঁঠাল খেতে পারেন।<br />
৫. কাঁঠালে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার। এটি<br />
মলাশয় থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করে। ফলে<br />
মলাশয়ের ওপর কোন রকম বিষাক্ত উপাদানের<br />
ক্ষতিকর প্রভাব পরে না। এইভাবে মলাশয়ের<br />
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আমের ১২ স্বাস্থ্য উপকারী গুণ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=461</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 12:18:50 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=461</guid>
			<description><![CDATA[সুস্বাদু আমের প্রতি আগ্রহ সবার। মৌসুম চলাকালে<br />
আম খাওয়াও হয় প্রচুর। আম খেতে যেমন মজার<br />
তেমনি পুষ্টিকর। সারাবছরে আপনার দেহের সুরক্ষায়<br />
প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির যোগান আম এই মৌসুমেই<br />
দিয়ে থাকে। কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতে আম<br />
পুষ্টিগুণে সেরা।<br />
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও<br />
পাকাআম ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে।<br />
কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা<br />
ভিটামিন সি পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০৪ মি.গ্রা<br />
ও পাকাআমে ০.১ মি.গ্রা ভিটামিন বি-১ পাওয়া<br />
যায়। কাঁচাআমে ০.০১ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.০৭<br />
মি.গ্রা বি-২ রয়েছে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও<br />
পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। ০.৫<br />
গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। কাঁচাআমে ০.৭ গ্রাম<br />
প্রোটিন ও ০.২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। পাকাআমে ১<br />
গ্রাম প্রোটিন ও ০.৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে। কাঁচাআমে<br />
১০.১ গ্রাম শ্বেতসার ও প্রতি ১০০ গ্রাম পাকাআমে<br />
২০.০০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ৯০<br />
মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম<br />
ক্যারোটিন থাকে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩<br />
মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়।<br />
- আমে থাকা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-<br />
কাশি দূর করে।<br />
- আম কর্মশক্তি যোগায়, এতে রয়েছে পর্যাপ্ত<br />
কার্বোহাইড্রেট। আমে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া<br />
বা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।<br />
- ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের<br />
সুস্থতা বজায় রাখে।<br />
- আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন<br />
সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক<br />
ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে<br />
ভিটামিন সি। আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।<br />
- আমে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তস্বল্পতা দূর করে ও<br />
হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। এই ফলের আঁশ,<br />
ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট<br />
সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে।<br />
- এছাড়াও ক্যারোটিন, আইসো-কেরোটিন,<br />
এস্ট্রাগ্যালিন, ফিসেটিন, গ্যালিক অ্যাসিড<br />
ইত্যাদি এনজাইম। এসব উপাদান কোলন ক্যানসার,<br />
স্তন ক্যানসার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যানসার<br />
প্রতিরোধে সহায়তা করে।<br />
- পাকাআম রক্তে কোলেস্টেরলের ক্ষতিকর মাত্রা<br />
কমাতে সাহায্য করে। ঘামের কারণে শরীর থেকে<br />
সোডিয়াম বের হয়ে যায়। কাঁচাআম খেয়ে শরীরের<br />
সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।<br />
- কাঁচা আমের পেকটিন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল<br />
রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী।<br />
- কাঁচা আমের ভিটামিন সি রক্তনালীসমূহের<br />
স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা<br />
গঠনে সাহায্য করে। এতে করে যক্ষা, রক্তস্বল্পতা ও<br />
কলেরা রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা<br />
বৃদ্ধি পায়।<br />
- গরমের কারণে হওয়া স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাসে<br />
কাঁচাআম ও জিরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।<br />
- আমের ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন মানব<br />
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।<br />
- আম রূপ চর্চায় সহায়তা করে। রোদের পোড়াভাব<br />
কমাতে, ত্বকের দাগ দূর করতে ও ব্রণের সমস্যা দূর<br />
করতে আম সাহায্য করে।<br />
সতর্কতা<br />
ডায়াবেটিস রোগীর আম খাওয়ায় সতর্ক থাকা<br />
উচিত। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার<br />
মাত্রা ঠিক থাকে। তবে অতিরিক্ত আম খাওয়া<br />
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।"]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সুস্বাদু আমের প্রতি আগ্রহ সবার। মৌসুম চলাকালে<br />
আম খাওয়াও হয় প্রচুর। আম খেতে যেমন মজার<br />
তেমনি পুষ্টিকর। সারাবছরে আপনার দেহের সুরক্ষায়<br />
প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির যোগান আম এই মৌসুমেই<br />
দিয়ে থাকে। কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতে আম<br />
পুষ্টিগুণে সেরা।<br />
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও<br />
পাকাআম ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে।<br />
কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা<br />
ভিটামিন সি পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০৪ মি.গ্রা<br />
ও পাকাআমে ০.১ মি.গ্রা ভিটামিন বি-১ পাওয়া<br />
যায়। কাঁচাআমে ০.০১ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.০৭<br />
মি.গ্রা বি-২ রয়েছে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও<br />
পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। ০.৫<br />
গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। কাঁচাআমে ০.৭ গ্রাম<br />
প্রোটিন ও ০.২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। পাকাআমে ১<br />
গ্রাম প্রোটিন ও ০.৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে। কাঁচাআমে<br />
১০.১ গ্রাম শ্বেতসার ও প্রতি ১০০ গ্রাম পাকাআমে<br />
২০.০০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ৯০<br />
মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম<br />
ক্যারোটিন থাকে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩<br />
মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়।<br />
- আমে থাকা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-<br />
কাশি দূর করে।<br />
- আম কর্মশক্তি যোগায়, এতে রয়েছে পর্যাপ্ত<br />
কার্বোহাইড্রেট। আমে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া<br />
বা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।<br />
- ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের<br />
সুস্থতা বজায় রাখে।<br />
- আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন<br />
সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক<br />
ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে<br />
ভিটামিন সি। আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।<br />
- আমে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তস্বল্পতা দূর করে ও<br />
হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। এই ফলের আঁশ,<br />
ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট<br />
সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে।<br />
- এছাড়াও ক্যারোটিন, আইসো-কেরোটিন,<br />
এস্ট্রাগ্যালিন, ফিসেটিন, গ্যালিক অ্যাসিড<br />
ইত্যাদি এনজাইম। এসব উপাদান কোলন ক্যানসার,<br />
স্তন ক্যানসার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যানসার<br />
প্রতিরোধে সহায়তা করে।<br />
- পাকাআম রক্তে কোলেস্টেরলের ক্ষতিকর মাত্রা<br />
কমাতে সাহায্য করে। ঘামের কারণে শরীর থেকে<br />
সোডিয়াম বের হয়ে যায়। কাঁচাআম খেয়ে শরীরের<br />
সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।<br />
- কাঁচা আমের পেকটিন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল<br />
রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী।<br />
- কাঁচা আমের ভিটামিন সি রক্তনালীসমূহের<br />
স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা<br />
গঠনে সাহায্য করে। এতে করে যক্ষা, রক্তস্বল্পতা ও<br />
কলেরা রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা<br />
বৃদ্ধি পায়।<br />
- গরমের কারণে হওয়া স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাসে<br />
কাঁচাআম ও জিরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।<br />
- আমের ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন মানব<br />
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।<br />
- আম রূপ চর্চায় সহায়তা করে। রোদের পোড়াভাব<br />
কমাতে, ত্বকের দাগ দূর করতে ও ব্রণের সমস্যা দূর<br />
করতে আম সাহায্য করে।<br />
সতর্কতা<br />
ডায়াবেটিস রোগীর আম খাওয়ায় সতর্ক থাকা<br />
উচিত। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার<br />
মাত্রা ঠিক থাকে। তবে অতিরিক্ত আম খাওয়া<br />
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।"]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[গুণে ভরা জাম]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=460</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 12:09:47 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=460</guid>
			<description><![CDATA[দেশী ফলের সমারহ এখন বাজারজুড়ে। রসালো সব<br />
ফলে ম ম করছে চারদিক। রয়েছে আম, কাঠাল, জাম,<br />
লিচুসহ আরো অনেক সুস্বাদু ফল। দেশী ফলের<br />
ভেতরে জামের কদর রয়েছে বেশ। `পাকা জামের<br />
মধুর রসে` মুখ রঙিন করতে ভালোবাসেন অনেকেই।<br />
মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি শুধু দেখতেই সুন্দর না, এর<br />
রয়েছে অসংখ্য গুণও। চলুন জেনে নিই-<br />
জামের মধ্যে পাওয়া ইলাজিক নামক অ্যাসিড<br />
ত্বককে করে শক্তিশালী। ক্ষতিকর অতি বেগুনি<br />
রশ্মির প্রভাব থেকে ত্বক ও চুলকে রক্ষা করে। এই<br />
ইলাজিক অ্যাসিড ক্ষতিকর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া<br />
ও ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।<br />
জাম হৃৎপিণ্ডের অসুখ, জরায়ু, ডিম্বাশয়, মলদ্বার ও<br />
মুখের ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে।<br />
জামে রয়েছে গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ<br />
রয়েছে, যা মানুষকে জোগায় কাজ করার শক্তি।<br />
জামের ভিটামিন ‘এ’ দৃষ্টিশক্তিকে করে<br />
শক্তিশালী।<br />
জামে থাকা ভিটামিন ‘সি’ গরমে ঠান্ডাজনিত জ্বর,<br />
কাশি ও টনসিল ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে। দূর<br />
করে জ্বর জ্বর ভাব। আর দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতেও<br />
এর অবদান অপরিসীম।<br />
বৃদ্ধ বয়সে চোখের অঙ্গ ও স্নায়ুগুলোকে কর্মময়<br />
করতে সাহায্য করে। গর্ভবতী মা, বাড়ন্ত শিশুদের<br />
জন্যও এই ফল ভীষণ উপকারী।<br />
ক্যানসারের জীবাণু ধ্বংস করার জন্য জামে রয়েছে<br />
চমকপ্রদ শক্তি। জাম মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে<br />
দারুণ কার্যকরী।<br />
বয়সের সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তি হারাতে তাকে।<br />
জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে সাহায্য করে।<br />
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস<br />
রোগীদের জন্য জাম ভীষণ উপকারী। রক্তচাপ<br />
নিয়ন্ত্রণে ও রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য<br />
করে জাম।<br />
দীর্ঘ দিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে মলদ্বারে টিউমার<br />
হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জামের বাইরের আবরণে<br />
থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ।<br />
আঁশজাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জাম<br />
মলদ্বার বা কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে।<br />
জামের কচিপাতা পেটের পীড়া নিরাময়ে সাহায্য<br />
করে। জামের বীজ গুড়া করে বহুমুত্র রোগের ওষুধ<br />
হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।<br />
পাকা জাম বিট লবণ মাখিয়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা<br />
রেখে ছেঁকে রস বের করে নিন। এই রস খেলে পাতলা<br />
পায়খানা, অরুচি ও বমিভাব দূর করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দেশী ফলের সমারহ এখন বাজারজুড়ে। রসালো সব<br />
ফলে ম ম করছে চারদিক। রয়েছে আম, কাঠাল, জাম,<br />
লিচুসহ আরো অনেক সুস্বাদু ফল। দেশী ফলের<br />
ভেতরে জামের কদর রয়েছে বেশ। `পাকা জামের<br />
মধুর রসে` মুখ রঙিন করতে ভালোবাসেন অনেকেই।<br />
মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি শুধু দেখতেই সুন্দর না, এর<br />
রয়েছে অসংখ্য গুণও। চলুন জেনে নিই-<br />
জামের মধ্যে পাওয়া ইলাজিক নামক অ্যাসিড<br />
ত্বককে করে শক্তিশালী। ক্ষতিকর অতি বেগুনি<br />
রশ্মির প্রভাব থেকে ত্বক ও চুলকে রক্ষা করে। এই<br />
ইলাজিক অ্যাসিড ক্ষতিকর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া<br />
ও ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।<br />
জাম হৃৎপিণ্ডের অসুখ, জরায়ু, ডিম্বাশয়, মলদ্বার ও<br />
মুখের ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে।<br />
জামে রয়েছে গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ<br />
রয়েছে, যা মানুষকে জোগায় কাজ করার শক্তি।<br />
জামের ভিটামিন ‘এ’ দৃষ্টিশক্তিকে করে<br />
শক্তিশালী।<br />
জামে থাকা ভিটামিন ‘সি’ গরমে ঠান্ডাজনিত জ্বর,<br />
কাশি ও টনসিল ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে। দূর<br />
করে জ্বর জ্বর ভাব। আর দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতেও<br />
এর অবদান অপরিসীম।<br />
বৃদ্ধ বয়সে চোখের অঙ্গ ও স্নায়ুগুলোকে কর্মময়<br />
করতে সাহায্য করে। গর্ভবতী মা, বাড়ন্ত শিশুদের<br />
জন্যও এই ফল ভীষণ উপকারী।<br />
ক্যানসারের জীবাণু ধ্বংস করার জন্য জামে রয়েছে<br />
চমকপ্রদ শক্তি। জাম মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে<br />
দারুণ কার্যকরী।<br />
বয়সের সঙ্গে মানুষের স্মৃতিশক্তি হারাতে তাকে।<br />
জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে সাহায্য করে।<br />
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস<br />
রোগীদের জন্য জাম ভীষণ উপকারী। রক্তচাপ<br />
নিয়ন্ত্রণে ও রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য<br />
করে জাম।<br />
দীর্ঘ দিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে মলদ্বারে টিউমার<br />
হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জামের বাইরের আবরণে<br />
থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ।<br />
আঁশজাতীয় খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জাম<br />
মলদ্বার বা কোলনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে।<br />
জামের কচিপাতা পেটের পীড়া নিরাময়ে সাহায্য<br />
করে। জামের বীজ গুড়া করে বহুমুত্র রোগের ওষুধ<br />
হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।<br />
পাকা জাম বিট লবণ মাখিয়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা<br />
রেখে ছেঁকে রস বের করে নিন। এই রস খেলে পাতলা<br />
পায়খানা, অরুচি ও বমিভাব দূর করে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[খেজুরের যত গুণ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=459</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 12:08:46 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=459</guid>
			<description><![CDATA[যদি আপনি মিষ্টি খাবার খেতে পছন্দ করেন ও ঘনঘন<br />
স্ন্যাকসজাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে<br />
অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে খেতে পারেন পুষ্টিকর<br />
খেজুর।<br />
খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ফসফরাস,<br />
পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও তেল। নিয়মিত<br />
খেজুর খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ<br />
থেকে। তবে অতিরিক্ত খেজুর না খাওয়াই ভালো।<br />
জেনে নিন খেজুরের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে-<br />
কয়েকটি খেজুর সারারাত ভিজিয়ে রাখুন পানিতে।<br />
পরদিন সকালে পানি পান করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর<br />
হবে।<br />
খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। নিয়মিত<br />
খেজুর খেলে দূর হয় রক্তশূন্যতা।<br />
শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল দূর করে খেজুর।<br />
খেজুর, দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে দূর হয়<br />
ক্লান্তি।<br />
প্রতিদিন ৩/৪টি খেজুর খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকে<br />
উচ্চরক্তচাপ।<br />
কয়েকটি খেজুর খেলে ক্ষুধা কমে যায়। ফলে যারা<br />
অতিরিক্ত মেদ নিয়ে চিন্তিত তারা নিশ্চিন্তে<br />
খেতে পারেন খেজুর।<br />
কয়েকটি খেজুর সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।<br />
পরদিন খেজুর বেটে খান। দূরে থাকতে পারবেন<br />
হৃদরোগ থেকে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[যদি আপনি মিষ্টি খাবার খেতে পছন্দ করেন ও ঘনঘন<br />
স্ন্যাকসজাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে<br />
অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে খেতে পারেন পুষ্টিকর<br />
খেজুর।<br />
খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ফসফরাস,<br />
পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও তেল। নিয়মিত<br />
খেজুর খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ<br />
থেকে। তবে অতিরিক্ত খেজুর না খাওয়াই ভালো।<br />
জেনে নিন খেজুরের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে-<br />
কয়েকটি খেজুর সারারাত ভিজিয়ে রাখুন পানিতে।<br />
পরদিন সকালে পানি পান করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর<br />
হবে।<br />
খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। নিয়মিত<br />
খেজুর খেলে দূর হয় রক্তশূন্যতা।<br />
শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল দূর করে খেজুর।<br />
খেজুর, দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে দূর হয়<br />
ক্লান্তি।<br />
প্রতিদিন ৩/৪টি খেজুর খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকে<br />
উচ্চরক্তচাপ।<br />
কয়েকটি খেজুর খেলে ক্ষুধা কমে যায়। ফলে যারা<br />
অতিরিক্ত মেদ নিয়ে চিন্তিত তারা নিশ্চিন্তে<br />
খেতে পারেন খেজুর।<br />
কয়েকটি খেজুর সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।<br />
পরদিন খেজুর বেটে খান। দূরে থাকতে পারবেন<br />
হৃদরোগ থেকে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চলুন জেনে নেই লিচুর পুষ্টিগুণ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=458</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 12:07:57 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=458</guid>
			<description><![CDATA[গ্রীষ্মের আগমনের সাথে সাথে এই সুস্বাদু ও<br />
রসালো ফলের আগমন ঘটে। মিষ্টি ও পুষ্টিকর হবার<br />
পাশাপাশি গ্রীষ্মের কঠোর তাপ থেকে রেহাই<br />
পাবার জন্য মানব শরীরের তাপমাত্রায় শীতল<br />
প্রভাব বৃদ্ধি করে।<br />
►লিচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা -<br />
১. প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬৬ ক্যালরি রয়েছে। যা<br />
আঙ্গুরের তুলনায় অনেক কম। লিচুতে কোন সম্পৃক্ত<br />
চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। কিন্তু, এতে ভালো<br />
পরিমাণে খাদ্য তালিকাগত ফাইবার, ভিটামিন ও<br />
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ রয়েছে।<br />
২. গবেষকরা বলেছেন, তারা লিচুতে প্রচুর পরিমাণে<br />
“অলিগনাল” নামক একটি আণবিক উপাদান<br />
পেয়েছেন। যা পলিফেনলের একটি আণবিক<br />
উপাদান। অলিগনাল এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও<br />
অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কর্ম রয়েছে। যা<br />
বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও রক্ত<br />
পরিবাহনের মাত্রা উন্নত করে, ওজন হ্রাস করে ও<br />
সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি হতে ত্বককে রক্ষা করে।<br />
৩. লিচু একটি লেবু জাতীয় ফলের মত। এতে লেবুর মত<br />
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ১০০ গ্রাম<br />
তাজা ফল ৭১.৫ মিলিগ্রাম বা শরীরের দৈনন্দিন<br />
প্রস্তাবিত ১১৯ শতাংশ ভিটামিন প্রদান করে।<br />
গবেষণায় পাওয়া গেছে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল<br />
শরীরের সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে<br />
তোলে। শরীরের প্রদাহজনিত ময়লা পরিষ্কার করে।<br />
মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে।<br />
৪. থিয়ামিন, নিয়াসিন ও ফলেটস এর মত ভিটামিন<br />
বি কমপ্লেক্স এর সবথেকে ভালো উৎস হল লিচু। এই<br />
উপাদানগুলো শরীরের জন্য অনেক কার্যকরী। কারন,<br />
এ সকল উপাদানে শরীরের প্রয়োজনীয়<br />
কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও চর্বি রয়েছে। যা<br />
শরীরের জন্য অপরিহার্য।<br />
৫. লিচুতে খুব ভালো পরিমাণে কপার ও পটাসিয়াম<br />
এর মত খনিজ রয়েছে। পটাসিয়াম আমাদের শরীরের<br />
কোষের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়াও আমাদের<br />
হার্টের সুরক্ষা প্রদান করে, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।<br />
তাই, এই গ্রীষ্মে এই মজাদার সুস্বাদু ফল গ্রহণ করুন।<br />
লিচুর নানা প্রকারের সুবিধা ভোগ করে স্বাস্থ্যের<br />
উন্নতি সাধন করুন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[গ্রীষ্মের আগমনের সাথে সাথে এই সুস্বাদু ও<br />
রসালো ফলের আগমন ঘটে। মিষ্টি ও পুষ্টিকর হবার<br />
পাশাপাশি গ্রীষ্মের কঠোর তাপ থেকে রেহাই<br />
পাবার জন্য মানব শরীরের তাপমাত্রায় শীতল<br />
প্রভাব বৃদ্ধি করে।<br />
►লিচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা -<br />
১. প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬৬ ক্যালরি রয়েছে। যা<br />
আঙ্গুরের তুলনায় অনেক কম। লিচুতে কোন সম্পৃক্ত<br />
চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। কিন্তু, এতে ভালো<br />
পরিমাণে খাদ্য তালিকাগত ফাইবার, ভিটামিন ও<br />
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ রয়েছে।<br />
২. গবেষকরা বলেছেন, তারা লিচুতে প্রচুর পরিমাণে<br />
“অলিগনাল” নামক একটি আণবিক উপাদান<br />
পেয়েছেন। যা পলিফেনলের একটি আণবিক<br />
উপাদান। অলিগনাল এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও<br />
অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কর্ম রয়েছে। যা<br />
বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও রক্ত<br />
পরিবাহনের মাত্রা উন্নত করে, ওজন হ্রাস করে ও<br />
সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি হতে ত্বককে রক্ষা করে।<br />
৩. লিচু একটি লেবু জাতীয় ফলের মত। এতে লেবুর মত<br />
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ১০০ গ্রাম<br />
তাজা ফল ৭১.৫ মিলিগ্রাম বা শরীরের দৈনন্দিন<br />
প্রস্তাবিত ১১৯ শতাংশ ভিটামিন প্রদান করে।<br />
গবেষণায় পাওয়া গেছে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল<br />
শরীরের সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে<br />
তোলে। শরীরের প্রদাহজনিত ময়লা পরিষ্কার করে।<br />
মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে।<br />
৪. থিয়ামিন, নিয়াসিন ও ফলেটস এর মত ভিটামিন<br />
বি কমপ্লেক্স এর সবথেকে ভালো উৎস হল লিচু। এই<br />
উপাদানগুলো শরীরের জন্য অনেক কার্যকরী। কারন,<br />
এ সকল উপাদানে শরীরের প্রয়োজনীয়<br />
কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও চর্বি রয়েছে। যা<br />
শরীরের জন্য অপরিহার্য।<br />
৫. লিচুতে খুব ভালো পরিমাণে কপার ও পটাসিয়াম<br />
এর মত খনিজ রয়েছে। পটাসিয়াম আমাদের শরীরের<br />
কোষের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়াও আমাদের<br />
হার্টের সুরক্ষা প্রদান করে, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।<br />
তাই, এই গ্রীষ্মে এই মজাদার সুস্বাদু ফল গ্রহণ করুন।<br />
লিচুর নানা প্রকারের সুবিধা ভোগ করে স্বাস্থ্যের<br />
উন্নতি সাধন করুন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[পুষ্টি উপাদানে অনন্য আমড়া]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=457</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:56:42 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=457</guid>
			<description><![CDATA[বর্ষাকাল হচ্ছে আমড়ার শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময় আমড়া<br />
বাজারে আসা শুরু করে। সাধারণ ফল বিক্রেতাসহ<br />
সবজি বিক্রেতাদের কাছেও আমড়া মেলে। সবজি<br />
বা আচারে এই ফলের তুলনা হয় না। স্বাদে অসাধারণ<br />
এবং পুষ্টিগুণে অনন্য আমড়া ফল। প্রতি ১০০ গ্রাম<br />
খাদ্যোপযোগী আমড়াতে পাওয়া যাবে শর্করা ১৫<br />
গ্রাম, আমিষ ১.১ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম<br />
৫৫ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৯ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৮০০<br />
মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি১ ০.২৮ মিলিগ্রাম,<br />
ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৯২<br />
মিলিগ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.৬ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৬৬<br />
কিলোক্যালরি। এসব উপাদান আপনার শরীরকে<br />
রাখে নানা রোগ থেকে মুক্ত। আসুন জেনে নেয়া<br />
যাক পুষ্টি উপাদানে অনন্য আমড়া সম্পর্কে-<br />
- রক্তে থাকা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা<br />
কমাতে আমড়া সাহায্য করে দারুণভাবে।<br />
- স্ট্রোক ও হৃদরোধ প্রতিরোধে আমড়ার রয়েছে<br />
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।<br />
- আমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও<br />
ক্যালসিয়াম। মাড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ<br />
প্রতিরোধে এসব উপাদান সাহায্য করে।<br />
- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা বদহজম ও<br />
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।<br />
- খিঁচুনি, পিত্ত ও কফ নাশক হিসেবে আমড়ার রয়েছে<br />
বহুল ব্যবহার।<br />
- আমড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে<br />
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ<br />
প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহায়তা করে।<br />
- অরুচি ও শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপকে দূর করতে<br />
সাহায্য করে আমড়া।<br />
- ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখে আমড়ার গুণের পরিচয়।<br />
ত্বকের নানা রোগও প্রতিরোধ করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বর্ষাকাল হচ্ছে আমড়ার শ্রেষ্ঠ সময়। এ সময় আমড়া<br />
বাজারে আসা শুরু করে। সাধারণ ফল বিক্রেতাসহ<br />
সবজি বিক্রেতাদের কাছেও আমড়া মেলে। সবজি<br />
বা আচারে এই ফলের তুলনা হয় না। স্বাদে অসাধারণ<br />
এবং পুষ্টিগুণে অনন্য আমড়া ফল। প্রতি ১০০ গ্রাম<br />
খাদ্যোপযোগী আমড়াতে পাওয়া যাবে শর্করা ১৫<br />
গ্রাম, আমিষ ১.১ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম<br />
৫৫ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৯ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৮০০<br />
মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি১ ০.২৮ মিলিগ্রাম,<br />
ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৯২<br />
মিলিগ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.৬ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৬৬<br />
কিলোক্যালরি। এসব উপাদান আপনার শরীরকে<br />
রাখে নানা রোগ থেকে মুক্ত। আসুন জেনে নেয়া<br />
যাক পুষ্টি উপাদানে অনন্য আমড়া সম্পর্কে-<br />
- রক্তে থাকা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা<br />
কমাতে আমড়া সাহায্য করে দারুণভাবে।<br />
- স্ট্রোক ও হৃদরোধ প্রতিরোধে আমড়ার রয়েছে<br />
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।<br />
- আমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও<br />
ক্যালসিয়াম। মাড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ<br />
প্রতিরোধে এসব উপাদান সাহায্য করে।<br />
- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা বদহজম ও<br />
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।<br />
- খিঁচুনি, পিত্ত ও কফ নাশক হিসেবে আমড়ার রয়েছে<br />
বহুল ব্যবহার।<br />
- আমড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে<br />
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ<br />
প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহায়তা করে।<br />
- অরুচি ও শরীরের অতিরিক্ত উত্তাপকে দূর করতে<br />
সাহায্য করে আমড়া।<br />
- ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখে আমড়ার গুণের পরিচয়।<br />
ত্বকের নানা রোগও প্রতিরোধ করে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অবাক করা লিচুর ১০ টি গুণ রয়েছে , জানেন কী ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=456</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:55:53 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=456</guid>
			<description><![CDATA[এখন হচ্ছে লিচুর মৌসুম। তাই প্রতিদিনেই লিচু<br />
খাওয়া হচ্ছে। কিন্তু লিচুতে যে গুন গুলো আছে তা<br />
কখনো কি শুনেছেন? বাজারে এখন মিষ্টি লিচুতে<br />
ভরপুর। থলিভর্তি করে বাড়ি তো নিয়ে যাচ্ছেন<br />
সুস্বাদু ফল হিসেবে। জানেন কি লিচুর কত গুণ?<br />
জেনে নিলে খেতে আর একটু বেশি ভাল লাগবে।<br />
১) ত্বকে বয়সের ছাপ কমাতে খুবই কাজ দেয় লিচু<br />
প্যাক। ৪ থেকে ৫টি লিচু ছাড়িয়ে পাকাকলার এক-<br />
চতুর্থাংশ দিয়ে মেখে প্যাক বানিয়ে নিন। হাল্কা<br />
করে মাসাজ করে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।<br />
২) ত্বকের কালো দাগছোপ দূর করতেও কাজ দেয়<br />
লিচু। ৪ থেকে ৫টি লিচু ছাড়িয়ে চটকে মেখে নিন।<br />
তার পর তুলো ওই মিশ্রণে ভিজিয়ে কালো<br />
দাগগুলিতে লাগান। ১৫ মিনিট পরে পরিষ্কার কাপড়<br />
দিয়ে মুছে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।<br />
৩) ত্বকের ট্যান দূর করতে ৩ থেকে ৪টি লিচু ছাড়িয়ে<br />
চটকে নিন। তার পর তাতে একটি ভিটামিন ই<br />
ক্যাপসুল চিপে সলিউশনটি মিশিয়ে নিন। এবার এই<br />
মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রেখে ৩০ মিনিট পরে<br />
ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।<br />
৪) ঘন চুল গজাতে সাহায্য করে লিচু। বিশ্বাস না<br />
হলেও সত্যি। ৭ থেকে ৮টি লিচুর জুস বানিয়ে নিন<br />
এবং তাতে ২ টেবিলচামচ অ্যালো-ভেরা জেল<br />
মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে লাগান। এক<br />
ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। তার পর হালকা শ্যাম্পু<br />
দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।<br />
৫) ক্যানসার প্রতিরোধক রয়েছে লিচুতে। তাই<br />
নিয়মিত এই ফল খাওয়া উচিত সিজনের সময়ে।<br />
৬) অনেকেই হয়তো জানেন না হার্টের পক্ষে খুবই<br />
উপকারী লিচু কারণ এতে রয়েছে অলিগোনল যা<br />
নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হতে সাহায্য করে। এই<br />
নাইট্রিক অক্সাইড আবার রক্ত চলাচলে সাহায্য<br />
করে।<br />
৭) নিয়মিত পরিমিত এই ফল খেলে হজমশক্তি ভাল<br />
হয়।<br />
৮) লিচুর মধ্যে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যালস যা<br />
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে এবং<br />
চোখে ছানি পড়া আটকায়।<br />
৯) লিচুর অলিগোনল ভাইরাসকে বাড়তে দেয় না তাই<br />
নিয়মিত লিচু খেলে শরীরে জ্বর বা ইনফেকশন<br />
থেকে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।<br />
১০) এত সব গুণ থাকা সত্ত্বেও লিচু কিন্তু লো<br />
ক্যালরি ফুড তাই ওজন বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[এখন হচ্ছে লিচুর মৌসুম। তাই প্রতিদিনেই লিচু<br />
খাওয়া হচ্ছে। কিন্তু লিচুতে যে গুন গুলো আছে তা<br />
কখনো কি শুনেছেন? বাজারে এখন মিষ্টি লিচুতে<br />
ভরপুর। থলিভর্তি করে বাড়ি তো নিয়ে যাচ্ছেন<br />
সুস্বাদু ফল হিসেবে। জানেন কি লিচুর কত গুণ?<br />
জেনে নিলে খেতে আর একটু বেশি ভাল লাগবে।<br />
১) ত্বকে বয়সের ছাপ কমাতে খুবই কাজ দেয় লিচু<br />
প্যাক। ৪ থেকে ৫টি লিচু ছাড়িয়ে পাকাকলার এক-<br />
চতুর্থাংশ দিয়ে মেখে প্যাক বানিয়ে নিন। হাল্কা<br />
করে মাসাজ করে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।<br />
২) ত্বকের কালো দাগছোপ দূর করতেও কাজ দেয়<br />
লিচু। ৪ থেকে ৫টি লিচু ছাড়িয়ে চটকে মেখে নিন।<br />
তার পর তুলো ওই মিশ্রণে ভিজিয়ে কালো<br />
দাগগুলিতে লাগান। ১৫ মিনিট পরে পরিষ্কার কাপড়<br />
দিয়ে মুছে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।<br />
৩) ত্বকের ট্যান দূর করতে ৩ থেকে ৪টি লিচু ছাড়িয়ে<br />
চটকে নিন। তার পর তাতে একটি ভিটামিন ই<br />
ক্যাপসুল চিপে সলিউশনটি মিশিয়ে নিন। এবার এই<br />
মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রেখে ৩০ মিনিট পরে<br />
ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।<br />
৪) ঘন চুল গজাতে সাহায্য করে লিচু। বিশ্বাস না<br />
হলেও সত্যি। ৭ থেকে ৮টি লিচুর জুস বানিয়ে নিন<br />
এবং তাতে ২ টেবিলচামচ অ্যালো-ভেরা জেল<br />
মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে লাগান। এক<br />
ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। তার পর হালকা শ্যাম্পু<br />
দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।<br />
৫) ক্যানসার প্রতিরোধক রয়েছে লিচুতে। তাই<br />
নিয়মিত এই ফল খাওয়া উচিত সিজনের সময়ে।<br />
৬) অনেকেই হয়তো জানেন না হার্টের পক্ষে খুবই<br />
উপকারী লিচু কারণ এতে রয়েছে অলিগোনল যা<br />
নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হতে সাহায্য করে। এই<br />
নাইট্রিক অক্সাইড আবার রক্ত চলাচলে সাহায্য<br />
করে।<br />
৭) নিয়মিত পরিমিত এই ফল খেলে হজমশক্তি ভাল<br />
হয়।<br />
৮) লিচুর মধ্যে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যালস যা<br />
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে এবং<br />
চোখে ছানি পড়া আটকায়।<br />
৯) লিচুর অলিগোনল ভাইরাসকে বাড়তে দেয় না তাই<br />
নিয়মিত লিচু খেলে শরীরে জ্বর বা ইনফেকশন<br />
থেকে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।<br />
১০) এত সব গুণ থাকা সত্ত্বেও লিচু কিন্তু লো<br />
ক্যালরি ফুড তাই ওজন বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যে ফলে রাগ কমবে , ত্বক তাজা থাকবে সেই ফল কাঁঠাল]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=455</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:54:39 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=455</guid>
			<description><![CDATA[কাঁঠালের গন্ধের জন্য অনেকেই নাক শিঁটকান। আলুর<br />
চিপস সকলেরই পরিচিত। খাজা কাঁঠালের কোয়াকে<br />
শুকনো করে তেলে ভেজে যে চিপস তৈরি হয়, সেটা<br />
কিন্তু পটেটো চিপসের থেকেও সুস্বাদু হয়। আবার<br />
কাঁঠালের রস খেলে শরীরে প্রচুর শক্তি সঞ্চারন হয়।<br />
আয়ুর্বেদিক ভাষায় কাঁঠালকে রসায়ণ বলে। কাঁঠাল<br />
কাঁচা অবস্থায় এঁচড় বলে। এর তরকারি বাঙালির<br />
অন্যতম প্রিয় পদ। এঁচড়ে প্রচুর শর্করা থাকে। রান্না<br />
করলে এর স্বাদ অনেকটা আলুর মতো মনে হয়। আবার<br />
শুকনো হয়ে গেলে অনেকটা সেঁকা রুটির মতোন<br />
লাগে। তাই একে অনেকটা রুটিফলও বলে থাকে।<br />
যাঁদের হজম ক্ষমতা কম, তাঁদের এঁচড় না খাওয়াই<br />
ভাল।<br />
ভারতের প্রায় অধিকাংশ স্থানেই কাঁঠাল পাওয়া<br />
যায়। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ফিলিপাইনে।<br />
ব্রাজিলের উপকূলবর্তী এলাকায় কাঁঠাল চাষ হয়।<br />
ওখানে কাঁঠালের রস প্যাকেট বা কৌটোবন্দি করে<br />
বাজারে বিক্রি করা হয়।<br />
কাঁঠাল ফলই নয়, পাতা, বীজ, কাঠ সব কিছুই কাজে<br />
লেগে যায়।<br />
উপকারিতা<br />
১. কাঁঠালের বীজে আয়রনের ভাগ বেশি থাকে।<br />
এতে রক্তশূন্যতায় কাজ দেয়।।<br />
২. এর পাতার রস গরম করে কোনও ব্যাথার জায়গায়<br />
লাগালে ব্যাথা নিমেষে কমে যায়।<br />
৩. কাঁঠালের কোয়ার রস উত্তেজনা কমায় ও ত্বকের<br />
উজ্জ্বলতা বাড়ায়।<br />
৪. কাঁঠাল গাছের কাঠ খুবই মূল্যবান। কাঠে ঘুন ধরে<br />
না। এই কাঠে পালিশ করার প্রয়োজন নেই। চকচকে<br />
থাকে। নৌকার পাটাতন কাঁঠাল কাঠ দিয়ে তৈরি<br />
করা হয়। এছাড়া কাঠের মণ্ড চোখ জ্বালা ও<br />
সাইট্রিকার ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। পোপার<br />
তৈরিতেও এই মণ্ড কাজে লাগে।<br />
৫. কাঁঠালের খাদ্যগুণ অপরিসীম। কাঁটালে<br />
কার্বোহাইড্রেট, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, সুগার,<br />
ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন<br />
এ,পটাসিয়াম, সোডিয়াম, বিটামিন বি-কমপ্লেক্স,<br />
ভিটামিন ই থাকে। ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে<br />
পর্যাপ্ত।<br />
৬. কাঁঠাল রোগ প্রতিরোধ করে।ক্যালসিয়াম ও<br />
ফসফরাস বেশ ভাল পরিমানে থাকায় অস্থি<br />
তৈরিতে ভাল কাজ দেয়।<br />
৭. কাঁঠালের কোয়ার রস পিত্ত প্রশমন করে, ফলে<br />
স্নিগ্ধতা আসে।<br />
এই সময]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কাঁঠালের গন্ধের জন্য অনেকেই নাক শিঁটকান। আলুর<br />
চিপস সকলেরই পরিচিত। খাজা কাঁঠালের কোয়াকে<br />
শুকনো করে তেলে ভেজে যে চিপস তৈরি হয়, সেটা<br />
কিন্তু পটেটো চিপসের থেকেও সুস্বাদু হয়। আবার<br />
কাঁঠালের রস খেলে শরীরে প্রচুর শক্তি সঞ্চারন হয়।<br />
আয়ুর্বেদিক ভাষায় কাঁঠালকে রসায়ণ বলে। কাঁঠাল<br />
কাঁচা অবস্থায় এঁচড় বলে। এর তরকারি বাঙালির<br />
অন্যতম প্রিয় পদ। এঁচড়ে প্রচুর শর্করা থাকে। রান্না<br />
করলে এর স্বাদ অনেকটা আলুর মতো মনে হয়। আবার<br />
শুকনো হয়ে গেলে অনেকটা সেঁকা রুটির মতোন<br />
লাগে। তাই একে অনেকটা রুটিফলও বলে থাকে।<br />
যাঁদের হজম ক্ষমতা কম, তাঁদের এঁচড় না খাওয়াই<br />
ভাল।<br />
ভারতের প্রায় অধিকাংশ স্থানেই কাঁঠাল পাওয়া<br />
যায়। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ফিলিপাইনে।<br />
ব্রাজিলের উপকূলবর্তী এলাকায় কাঁঠাল চাষ হয়।<br />
ওখানে কাঁঠালের রস প্যাকেট বা কৌটোবন্দি করে<br />
বাজারে বিক্রি করা হয়।<br />
কাঁঠাল ফলই নয়, পাতা, বীজ, কাঠ সব কিছুই কাজে<br />
লেগে যায়।<br />
উপকারিতা<br />
১. কাঁঠালের বীজে আয়রনের ভাগ বেশি থাকে।<br />
এতে রক্তশূন্যতায় কাজ দেয়।।<br />
২. এর পাতার রস গরম করে কোনও ব্যাথার জায়গায়<br />
লাগালে ব্যাথা নিমেষে কমে যায়।<br />
৩. কাঁঠালের কোয়ার রস উত্তেজনা কমায় ও ত্বকের<br />
উজ্জ্বলতা বাড়ায়।<br />
৪. কাঁঠাল গাছের কাঠ খুবই মূল্যবান। কাঠে ঘুন ধরে<br />
না। এই কাঠে পালিশ করার প্রয়োজন নেই। চকচকে<br />
থাকে। নৌকার পাটাতন কাঁঠাল কাঠ দিয়ে তৈরি<br />
করা হয়। এছাড়া কাঠের মণ্ড চোখ জ্বালা ও<br />
সাইট্রিকার ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। পোপার<br />
তৈরিতেও এই মণ্ড কাজে লাগে।<br />
৫. কাঁঠালের খাদ্যগুণ অপরিসীম। কাঁটালে<br />
কার্বোহাইড্রেট, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, সুগার,<br />
ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন<br />
এ,পটাসিয়াম, সোডিয়াম, বিটামিন বি-কমপ্লেক্স,<br />
ভিটামিন ই থাকে। ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে<br />
পর্যাপ্ত।<br />
৬. কাঁঠাল রোগ প্রতিরোধ করে।ক্যালসিয়াম ও<br />
ফসফরাস বেশ ভাল পরিমানে থাকায় অস্থি<br />
তৈরিতে ভাল কাজ দেয়।<br />
৭. কাঁঠালের কোয়ার রস পিত্ত প্রশমন করে, ফলে<br />
স্নিগ্ধতা আসে।<br />
এই সময]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সাধারণ কলার অসাধারণ পুষ্টি উপকারিতা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=454</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:51:30 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=454</guid>
			<description><![CDATA[শিশু থেকে বয়স্ক সব ধরণের মানুষই সুস্বাদু ও সুমিষ্ট<br />
কলা পছন্দ করে। কলা স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে<br />
পরিচিত। কারণ কলা বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদান<br />
যেমন- ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, রিবোফ্লাভিন,<br />
ফোলেট, প্যান্টোথেনিক এসিড, নায়াসিন,<br />
পটাসিয়াম, ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, কপার,<br />
ডায়াটারি ফাইবার ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। কলার<br />
স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিব এবার।<br />
১। স্থূলতা কমায়<br />
কলা খেয়ে আপনি আপনার মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাপূরণ<br />
করতে পারেন। গড়ে একটি কলায় মাত্র ৯০-১১০<br />
ক্যালরি থাকে। তাই ওজন কমতে সাহায্য করে কলা।<br />
কলাতে প্রচুর ফাইবার থাকে এবং খুব সহজে হজম<br />
হয়ে যায়। তাছাড়া কলাতে কোন ফ্যাট থাকেনা।<br />
কলা খেলে পেট ভরা থাকে। কারণ কলা ক্ষুধা<br />
সৃষ্টিকারী হরমোন গ্রেলিন নিঃসরণে বাধা দেয়।<br />
তাই বেশি খাওয়ার প্রবণতাও কমে। এভাবে সুস্থ<br />
থাকার পাশাপাশি ওজন কমতে সাহায্য করে কলা।<br />
২। হাড়কে শক্তিশালী করে<br />
শক্তিশালী হাড়ের গঠনের গ্যারান্টি দিতে পারে<br />
কলা। কারণ কলাতে আছে<br />
ফ্রুক্টোলাইকোস্যাকারাইড যা এক ধরণের<br />
প্রিবায়োটিক যা অবশেষে প্রোবায়োটিকে পরিণত<br />
হয়। প্রিবায়োটিক হচ্ছে এমন কার্বোহাইড্রেট যা<br />
মানুষের শরীরে হজম হয়না। প্রোবায়োটিক হচ্ছে<br />
অন্ত্রের উপকারি ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া<br />
খনিজ ও পুষ্টি উপাদানের দ্বারা উদ্দীপিত হয়। কলা<br />
ক্যালসিয়ামের শোষণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে হাড়কে<br />
শক্তিশালী করে।<br />
৩। আরথ্রাইটিস<br />
কলায় অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান আছে। তাই<br />
আরথ্রাইটিসের প্রদাহ, ফোলা ও যন্ত্রনা কমাতে<br />
পারে কলা। প্রতিদিন ১ টি কলা খেয়ে ব্যথামুক্ত<br />
থাকতে পারেন।<br />
৪। ওজন বৃদ্ধি করে<br />
কলা ওজন কমাতে সাহায্য করার পাশাপাশি ওজন<br />
বৃদ্ধিতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। দুধের সাথে<br />
কলা খেলে ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। দুধ প্রোটিন সরবরাহ<br />
করে আর কলা চিনি সরবরাহ করে। এছাড়াও কলা<br />
যেহেতু সহজে হজম হয়ে যায় তাই একজন মানুষ খুব<br />
সহজেই ৫-৬ টি কলা খেতে পারেন। এর ফলে ৫০০-৬০০<br />
ক্যালরি গ্রহণ করা হয় যার মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি পায়।<br />
তাছাড়া কলা দ্রুত এনার্জি প্রদান করতে সক্ষম।<br />
৫। কোষ্ঠকাঠিন্য<br />
কলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার<br />
থাকে যা বাউয়েল মুভমেন্টকে মসৃণ করে। যার ফলে<br />
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। অন্ত্রের অন্যান্য রোগ<br />
নিরাময়েও সাহায্য করে কলা। কোলোর্যাক্টাল<br />
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলা।<br />
৬। আলসার<br />
প্রাচীনকাল থেকেই কলা এন্টাসিড ফুড হিসেবে<br />
ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ কলা অন্ত্রের এসিডের<br />
নিঃসরণ কমায়। কলাতে প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর<br />
আছে যা পাকস্থলীর আলসার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর<br />
ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে। হার্টবার্ন কমতে সাহায্য<br />
করে কলা।<br />
৭। কিডনি ডিজঅর্ডার<br />
কলা বিভিন্নভাবে কিডনির সমস্যা দূর করতে<br />
সাহায্য করে। পটাসিয়াম দেহের তরলের ভারসাম্য<br />
রক্ষা করে ও মূত্রত্যাগে উৎসাহিত করে। বেশি<br />
পরিমাণে ইউরিনেশনের মাধ্যমে শরীর বিষমুক্ত হয়।<br />
এছাড়াও কলাতে পলিফেনোলিক ও<br />
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে যা কিডনির<br />
কাজের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।<br />
৮। চোখের স্বাস্থ্য<br />
অন্য অনেক ফলের মতোই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও<br />
ক্যারোটিনয়েডে পরিপূর্ণ এবং সঠিকমাত্রার খনিজ<br />
উপাদান সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য<br />
প্রয়োজনীয়। স্বাভাবিক মাত্রায় কলা ও অন্যান্য<br />
ফল খাওয়ার ফলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, ছানি,<br />
রাতকানা ও গ্লুকোমার প্রকোপ কমায়।<br />
৯। অ্যানেমিয়া<br />
কলায় উচ্চমাত্রার আয়রন থাকে বলে অ্যানেমিয়া<br />
দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে কলা। লাল রক্ত<br />
কণিকার উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে<br />
আয়রন।<br />
১০। কার্ডিওভাস্কুলার সুরক্ষা<br />
কলা বিভিন্নভাবে কার্ডিওভাস্কুলার সুরক্ষা<br />
প্রদান করে। কলাতে পটাসিয়াম থাকে, আর<br />
পটাসিয়াম রক্তচাপ কমায়। কলা ভাসুডিলেটর<br />
হিসেবে কাজ করে, ধমনী ও শিরার টেনশন কমিয়ে<br />
এদের মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচলকে মসৃণ করে এবং<br />
বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে দিয়ে তাদের<br />
কাজের উন্নতি ঘটায়। এর মাধ্যমে<br />
এথেরোসক্ল্যারোসিস, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের<br />
ঝুঁকি কমায়। কলার ফাইবার রক্তনালীর অতিরিক্ত<br />
কোলেস্টেরল কমায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[শিশু থেকে বয়স্ক সব ধরণের মানুষই সুস্বাদু ও সুমিষ্ট<br />
কলা পছন্দ করে। কলা স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে<br />
পরিচিত। কারণ কলা বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদান<br />
যেমন- ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, রিবোফ্লাভিন,<br />
ফোলেট, প্যান্টোথেনিক এসিড, নায়াসিন,<br />
পটাসিয়াম, ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, কপার,<br />
ডায়াটারি ফাইবার ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। কলার<br />
স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিব এবার।<br />
১। স্থূলতা কমায়<br />
কলা খেয়ে আপনি আপনার মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাপূরণ<br />
করতে পারেন। গড়ে একটি কলায় মাত্র ৯০-১১০<br />
ক্যালরি থাকে। তাই ওজন কমতে সাহায্য করে কলা।<br />
কলাতে প্রচুর ফাইবার থাকে এবং খুব সহজে হজম<br />
হয়ে যায়। তাছাড়া কলাতে কোন ফ্যাট থাকেনা।<br />
কলা খেলে পেট ভরা থাকে। কারণ কলা ক্ষুধা<br />
সৃষ্টিকারী হরমোন গ্রেলিন নিঃসরণে বাধা দেয়।<br />
তাই বেশি খাওয়ার প্রবণতাও কমে। এভাবে সুস্থ<br />
থাকার পাশাপাশি ওজন কমতে সাহায্য করে কলা।<br />
২। হাড়কে শক্তিশালী করে<br />
শক্তিশালী হাড়ের গঠনের গ্যারান্টি দিতে পারে<br />
কলা। কারণ কলাতে আছে<br />
ফ্রুক্টোলাইকোস্যাকারাইড যা এক ধরণের<br />
প্রিবায়োটিক যা অবশেষে প্রোবায়োটিকে পরিণত<br />
হয়। প্রিবায়োটিক হচ্ছে এমন কার্বোহাইড্রেট যা<br />
মানুষের শরীরে হজম হয়না। প্রোবায়োটিক হচ্ছে<br />
অন্ত্রের উপকারি ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া<br />
খনিজ ও পুষ্টি উপাদানের দ্বারা উদ্দীপিত হয়। কলা<br />
ক্যালসিয়ামের শোষণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে হাড়কে<br />
শক্তিশালী করে।<br />
৩। আরথ্রাইটিস<br />
কলায় অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান আছে। তাই<br />
আরথ্রাইটিসের প্রদাহ, ফোলা ও যন্ত্রনা কমাতে<br />
পারে কলা। প্রতিদিন ১ টি কলা খেয়ে ব্যথামুক্ত<br />
থাকতে পারেন।<br />
৪। ওজন বৃদ্ধি করে<br />
কলা ওজন কমাতে সাহায্য করার পাশাপাশি ওজন<br />
বৃদ্ধিতেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। দুধের সাথে<br />
কলা খেলে ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। দুধ প্রোটিন সরবরাহ<br />
করে আর কলা চিনি সরবরাহ করে। এছাড়াও কলা<br />
যেহেতু সহজে হজম হয়ে যায় তাই একজন মানুষ খুব<br />
সহজেই ৫-৬ টি কলা খেতে পারেন। এর ফলে ৫০০-৬০০<br />
ক্যালরি গ্রহণ করা হয় যার মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি পায়।<br />
তাছাড়া কলা দ্রুত এনার্জি প্রদান করতে সক্ষম।<br />
৫। কোষ্ঠকাঠিন্য<br />
কলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার<br />
থাকে যা বাউয়েল মুভমেন্টকে মসৃণ করে। যার ফলে<br />
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। অন্ত্রের অন্যান্য রোগ<br />
নিরাময়েও সাহায্য করে কলা। কোলোর্যাক্টাল<br />
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলা।<br />
৬। আলসার<br />
প্রাচীনকাল থেকেই কলা এন্টাসিড ফুড হিসেবে<br />
ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ কলা অন্ত্রের এসিডের<br />
নিঃসরণ কমায়। কলাতে প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর<br />
আছে যা পাকস্থলীর আলসার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর<br />
ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে। হার্টবার্ন কমতে সাহায্য<br />
করে কলা।<br />
৭। কিডনি ডিজঅর্ডার<br />
কলা বিভিন্নভাবে কিডনির সমস্যা দূর করতে<br />
সাহায্য করে। পটাসিয়াম দেহের তরলের ভারসাম্য<br />
রক্ষা করে ও মূত্রত্যাগে উৎসাহিত করে। বেশি<br />
পরিমাণে ইউরিনেশনের মাধ্যমে শরীর বিষমুক্ত হয়।<br />
এছাড়াও কলাতে পলিফেনোলিক ও<br />
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে যা কিডনির<br />
কাজের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।<br />
৮। চোখের স্বাস্থ্য<br />
অন্য অনেক ফলের মতোই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও<br />
ক্যারোটিনয়েডে পরিপূর্ণ এবং সঠিকমাত্রার খনিজ<br />
উপাদান সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য<br />
প্রয়োজনীয়। স্বাভাবিক মাত্রায় কলা ও অন্যান্য<br />
ফল খাওয়ার ফলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, ছানি,<br />
রাতকানা ও গ্লুকোমার প্রকোপ কমায়।<br />
৯। অ্যানেমিয়া<br />
কলায় উচ্চমাত্রার আয়রন থাকে বলে অ্যানেমিয়া<br />
দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে কলা। লাল রক্ত<br />
কণিকার উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে<br />
আয়রন।<br />
১০। কার্ডিওভাস্কুলার সুরক্ষা<br />
কলা বিভিন্নভাবে কার্ডিওভাস্কুলার সুরক্ষা<br />
প্রদান করে। কলাতে পটাসিয়াম থাকে, আর<br />
পটাসিয়াম রক্তচাপ কমায়। কলা ভাসুডিলেটর<br />
হিসেবে কাজ করে, ধমনী ও শিরার টেনশন কমিয়ে<br />
এদের মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচলকে মসৃণ করে এবং<br />
বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে দিয়ে তাদের<br />
কাজের উন্নতি ঘটায়। এর মাধ্যমে<br />
এথেরোসক্ল্যারোসিস, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের<br />
ঝুঁকি কমায়। কলার ফাইবার রক্তনালীর অতিরিক্ত<br />
কোলেস্টেরল কমায়।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[' ব্লুবেরি ' অসাধারণ গুণের এক ফল !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=453</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:50:39 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=453</guid>
			<description><![CDATA[স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে আমরা কিনা করি। অনেক<br />
রকমের ওষুধ খাই। খাবার খাই। কিন্তু আমাদের<br />
হাতের কাছেই এমন এক ফল রয়েছে, যা খেলে<br />
আমাদের একই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি<br />
দুটোই আরও ভালো হবে।<br />
আমাদের স্মৃতিশক্তি এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর<br />
ক্ষেত্রে ব্লুবেরি খুবই প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন<br />
করে। ব্লুবেরির অনেক গুণ রয়েছে। কিন্তু এই ফল<br />
সবথেকে বেশি কাজে দেয় দৃষ্টিশক্তি এবং<br />
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে।<br />
শুধু তাই নয়, ব্লুবেরি আমাদের হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন<br />
সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। তাই এবার থেকে<br />
এই সব সমস্যায় ওষুধ না খেয়ে বরং ব্লুবেরি খান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে আমরা কিনা করি। অনেক<br />
রকমের ওষুধ খাই। খাবার খাই। কিন্তু আমাদের<br />
হাতের কাছেই এমন এক ফল রয়েছে, যা খেলে<br />
আমাদের একই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি<br />
দুটোই আরও ভালো হবে।<br />
আমাদের স্মৃতিশক্তি এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর<br />
ক্ষেত্রে ব্লুবেরি খুবই প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন<br />
করে। ব্লুবেরির অনেক গুণ রয়েছে। কিন্তু এই ফল<br />
সবথেকে বেশি কাজে দেয় দৃষ্টিশক্তি এবং<br />
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে।<br />
শুধু তাই নয়, ব্লুবেরি আমাদের হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন<br />
সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। তাই এবার থেকে<br />
এই সব সমস্যায় ওষুধ না খেয়ে বরং ব্লুবেরি খান।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[তেঁতুলের কিছু আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=452</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:50:01 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=452</guid>
			<description><![CDATA[তেঁতুল স্বাদে কখনও মিষ্টি কখনও বা টক। আমাদের<br />
দেশের তেতুল বেশিরভাগ ই প্রচুর টক হয়ে থাকে।<br />
এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে।<br />
এছাড়াও এতে ঔষধি গুণাবলী বিদ্যামান। তেঁতুল<br />
আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।<br />
আপনি আপনার দৈনন্দিন খাদ্যের মধ্যে এই পুষ্টিকর<br />
খাদ্য যোগ নিশ্চিত করুন। এতে আপনি সুস্থ থাকবেন<br />
এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারবেন।<br />
এখানে তেঁতুলের কিছু আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য গুণাবলী<br />
জানানো হল-<br />
১. তেঁতুল অন্ত্রের আন্দোলন দূর জন্য একটি চমৎকার<br />
প্রতিকার এবং একটি জোলাপ হিসেবে ব্যবহার করা<br />
যাবে।<br />
২. তেঁতুল ফল কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে, কারণ এতে<br />
ট্যানিন, আঠা এবং ফলের মধ্যে প্রাপ্ত<br />
শালিজাতীয় পদার্থ বিশেষ যেমন খাদ্যতালিকাগত<br />
ফাইবার সমৃদ্ধ রয়েছে।<br />
৩. তেঁতুল জ্বর, গলা ব্যথা, বাত, প্রদাহ ইত্যাদি দূর<br />
করে।<br />
৪. তেঁতুল বহুলাংশে ত্বকের প্রদাহ আরোগ্য করতে<br />
পারে।<br />
৫. তেঁতুল খারাপ কলেস্টেরল (এলডিএল) দূর করে, যার<br />
ফলে কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্য ভাল থাকে।<br />
৬. তেঁতুলে টারটারিক এসিড বিদ্যামান, এটি এমন<br />
একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে<br />
লড়াই করে।<br />
৭. তেঁতুল পিত্ত সমস্যার চিকিত্সার জন্য ব্যবহার করা<br />
হয়।<br />
৮. নিয়মিত তেঁতুল খাওয়ার ফলে চুল এবং ত্বক সমস্যা<br />
নিরাময় হয়। তেঁতুল চুল শক্ত রাখে এবং চুল পড়া রোধ<br />
করে।–সুত্র: জি নিউজ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[তেঁতুল স্বাদে কখনও মিষ্টি কখনও বা টক। আমাদের<br />
দেশের তেতুল বেশিরভাগ ই প্রচুর টক হয়ে থাকে।<br />
এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে।<br />
এছাড়াও এতে ঔষধি গুণাবলী বিদ্যামান। তেঁতুল<br />
আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।<br />
আপনি আপনার দৈনন্দিন খাদ্যের মধ্যে এই পুষ্টিকর<br />
খাদ্য যোগ নিশ্চিত করুন। এতে আপনি সুস্থ থাকবেন<br />
এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারবেন।<br />
এখানে তেঁতুলের কিছু আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য গুণাবলী<br />
জানানো হল-<br />
১. তেঁতুল অন্ত্রের আন্দোলন দূর জন্য একটি চমৎকার<br />
প্রতিকার এবং একটি জোলাপ হিসেবে ব্যবহার করা<br />
যাবে।<br />
২. তেঁতুল ফল কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে, কারণ এতে<br />
ট্যানিন, আঠা এবং ফলের মধ্যে প্রাপ্ত<br />
শালিজাতীয় পদার্থ বিশেষ যেমন খাদ্যতালিকাগত<br />
ফাইবার সমৃদ্ধ রয়েছে।<br />
৩. তেঁতুল জ্বর, গলা ব্যথা, বাত, প্রদাহ ইত্যাদি দূর<br />
করে।<br />
৪. তেঁতুল বহুলাংশে ত্বকের প্রদাহ আরোগ্য করতে<br />
পারে।<br />
৫. তেঁতুল খারাপ কলেস্টেরল (এলডিএল) দূর করে, যার<br />
ফলে কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্য ভাল থাকে।<br />
৬. তেঁতুলে টারটারিক এসিড বিদ্যামান, এটি এমন<br />
একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে<br />
লড়াই করে।<br />
৭. তেঁতুল পিত্ত সমস্যার চিকিত্সার জন্য ব্যবহার করা<br />
হয়।<br />
৮. নিয়মিত তেঁতুল খাওয়ার ফলে চুল এবং ত্বক সমস্যা<br />
নিরাময় হয়। তেঁতুল চুল শক্ত রাখে এবং চুল পড়া রোধ<br />
করে।–সুত্র: জি নিউজ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আনারসের বহু গুণ , যা আপনি নাও জানতে পারেন !]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=451</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:49:17 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=451</guid>
			<description><![CDATA[অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এজেন্ট<br />
সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি এনজাইম হলো<br />
ব্রোমেলাইন। কারণ আনারস ব্রোমেলিয়াসি<br />
পরিবার থেকে এসেছে। আনারস ব্যথানাশক হিসেবে<br />
কাজ করে। তা ছাড়া রক্ত চলাচল স্বাভাবিক<br />
রাখতেও কাজ করে এটি। কারণ এতে আছে এমন<br />
উপাদান, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।<br />
প্রাকৃতিক অ্যাসপিরিন হিসেবেও পরিচিতি আছে<br />
এই ফলের।<br />
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে<br />
আনারস উচ্চামাত্রার ফাইবার মল তৈরিতে দারুণ<br />
সহায়ক। শরীরের বর্জ্যকে দ্রুত মলাশয়ে নিতেও<br />
সহায়তা করে আনারস। আবার এর ব্রোমেলাইন<br />
এনজাইম প্রোটিন ভাঙতেও কাজ করে।<br />
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় আনারসের শরবত ব্যাপক<br />
উপকারী।<br />
চর্বি কমায়<br />
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, আনারসে আছে প্রচুর<br />
চিনি, যা শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য জরুরি। এই<br />
উপাদান চর্বি ঝরাতেও কার্যকর। যেসব শিশু<br />
ফাস্টফুডের প্রতি দুর্বল, তাদের দেহ থেকে আনারস<br />
ক্যালরি দূর করতে সক্ষম। এর ফাইবার<br />
হজমপ্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। ফলে সহজে ক্ষুধা<br />
লাগে না।<br />
চোখের জন্য<br />
আনারসে আছে ভিটামিন ‘সি’ এবং অ্যান্টি-<br />
অক্সিডেন্ট। আছে ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়ামের<br />
মতো খনিজও। এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করে।<br />
বয়স্কদের চোখে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন নামের<br />
একটি রোগ হয়। এর ঝুঁকি কমায় আনারস। এ ফলে আছে<br />
বিটাক্যারোটিন, যা চোখের জন্য খুবই উপকারী।<br />
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে<br />
এক কাপ আনারসে আছে এক মিলিগ্রাম সোডিয়াম<br />
ও ১৯৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। এই দুটি উপাদান দেহে<br />
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।<br />
গর্ভধারণে : অনেক নারী গর্ভধারণে নানা সমস্যার<br />
সম্মুখীন হয়ে থাকেন। বহু ওষুধ ও চিকিৎসায় কাজ না<br />
হলেও আনারস সফল হতে পারে।<br />
এতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে ফলিক এসিড। অনেক<br />
গবেষণাও বলছে, নারীদের গর্ভধারণের বিভিন্ন<br />
সমস্যা দূর করতে আনারস খুবই কার্যকরী।<br />
ভিটামিনে ভরপুর<br />
এ ফলে আছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ ও ‘কে’। খনিজের<br />
মধ্যে অনায়াসে মেলে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম।<br />
আরো আছে ইলেকট্রোলাইট ও ক্যারোটিনের মতো<br />
সাইটো-নিউট্রিয়েন্ট। আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট,<br />
যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।<br />
বিশেষ করে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস রোগ<br />
প্রতিরোধে শক্তিশালী এক ফল আনারস। হৃদরোগ,<br />
আর্থ্রাইটিস এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার<br />
প্রতিরোধেও কাজ করে এটি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এজেন্ট<br />
সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি এনজাইম হলো<br />
ব্রোমেলাইন। কারণ আনারস ব্রোমেলিয়াসি<br />
পরিবার থেকে এসেছে। আনারস ব্যথানাশক হিসেবে<br />
কাজ করে। তা ছাড়া রক্ত চলাচল স্বাভাবিক<br />
রাখতেও কাজ করে এটি। কারণ এতে আছে এমন<br />
উপাদান, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।<br />
প্রাকৃতিক অ্যাসপিরিন হিসেবেও পরিচিতি আছে<br />
এই ফলের।<br />
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে<br />
আনারস উচ্চামাত্রার ফাইবার মল তৈরিতে দারুণ<br />
সহায়ক। শরীরের বর্জ্যকে দ্রুত মলাশয়ে নিতেও<br />
সহায়তা করে আনারস। আবার এর ব্রোমেলাইন<br />
এনজাইম প্রোটিন ভাঙতেও কাজ করে।<br />
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় আনারসের শরবত ব্যাপক<br />
উপকারী।<br />
চর্বি কমায়<br />
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, আনারসে আছে প্রচুর<br />
চিনি, যা শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য জরুরি। এই<br />
উপাদান চর্বি ঝরাতেও কার্যকর। যেসব শিশু<br />
ফাস্টফুডের প্রতি দুর্বল, তাদের দেহ থেকে আনারস<br />
ক্যালরি দূর করতে সক্ষম। এর ফাইবার<br />
হজমপ্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। ফলে সহজে ক্ষুধা<br />
লাগে না।<br />
চোখের জন্য<br />
আনারসে আছে ভিটামিন ‘সি’ এবং অ্যান্টি-<br />
অক্সিডেন্ট। আছে ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়ামের<br />
মতো খনিজও। এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করে।<br />
বয়স্কদের চোখে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন নামের<br />
একটি রোগ হয়। এর ঝুঁকি কমায় আনারস। এ ফলে আছে<br />
বিটাক্যারোটিন, যা চোখের জন্য খুবই উপকারী।<br />
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে<br />
এক কাপ আনারসে আছে এক মিলিগ্রাম সোডিয়াম<br />
ও ১৯৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। এই দুটি উপাদান দেহে<br />
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।<br />
গর্ভধারণে : অনেক নারী গর্ভধারণে নানা সমস্যার<br />
সম্মুখীন হয়ে থাকেন। বহু ওষুধ ও চিকিৎসায় কাজ না<br />
হলেও আনারস সফল হতে পারে।<br />
এতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে ফলিক এসিড। অনেক<br />
গবেষণাও বলছে, নারীদের গর্ভধারণের বিভিন্ন<br />
সমস্যা দূর করতে আনারস খুবই কার্যকরী।<br />
ভিটামিনে ভরপুর<br />
এ ফলে আছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ ও ‘কে’। খনিজের<br />
মধ্যে অনায়াসে মেলে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম।<br />
আরো আছে ইলেকট্রোলাইট ও ক্যারোটিনের মতো<br />
সাইটো-নিউট্রিয়েন্ট। আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট,<br />
যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।<br />
বিশেষ করে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস রোগ<br />
প্রতিরোধে শক্তিশালী এক ফল আনারস। হৃদরোগ,<br />
আর্থ্রাইটিস এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার<br />
প্রতিরোধেও কাজ করে এটি।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কাঠালের বীচির অজানা গুন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=450</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:48:35 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=450</guid>
			<description><![CDATA[কাঠালের বীচি এদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি<br />
খাবার। এটি আলুর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে মুরগী/গরুর<br />
মাংসের তরকারী, শুটকী বা মিক্সড সব্জী/<br />
নিরামিষে ব্যবহৃত হয় এমনকি ঠিক আলুর চপের মতো<br />
করে চপ ও বানানো যায়। এছাড়া শুধুমাত্র কাঠালের<br />
বীচির ভর্তা অথবা বীচি ফ্রাই ও খুব জনপ্রিয়<br />
খাবার। জনপ্রিয় হলেও আমরা এই খাবারটার পুষ্টিগুন<br />
তেমন জানিনা।<br />
আসুন আজ জেনে নেই।<br />
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠালের বীচিতে এনার্জি পাওয়া<br />
যায় প্রায় ৯৮ ক্যালোরি। এতে চর্বি আছে ০.৪ গ্রাম,<br />
প্রোটিন আছে ৬.৬ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট আছে<br />
৩৮.৪ গ্রাম এবং ফাইবার আছে ১.৫ গ্রাম.এছাড়াও<br />
কাঠালের বীচিতে আছে নানা ধরণের<br />
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট।<br />
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠালের বীচিতে আছে –<br />
ক্যালসিয়াম ০.০৫ থেকে ০.৫৫ মিগ্রা, ফসফরাস ০.১৩<br />
থেকে ০.২৩ মিগ্রা, আয়রন ০.০০২ থেকে ১.২<br />
মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম<br />
৪.০৭ গ্রাম, ভিটামিন এ ৫৪০ আন্তর্জাতিক ইউনিট,<br />
থায়ামিন ০.০৩ মিলিগ্রাম, নায়াসিন ৪ মিলিগ্রাম<br />
এবং ভিটামিন সি আছে ৮ থেকে ১০ মিলিগ্রাম।<br />
কাঠালের বীচি ভিটামিন B1-এবং ভিটামিন B12<br />
এরও ভাল উৎস। কাঠালের বীচিতে থাকা লিগন্যান,<br />
আইসোফ্ল্যাভোন, স্যাপোনিন কে বলা হয়,<br />
ফাইটোক্যামিকেলস যা নানা রোগ হতে সুরক্ষার<br />
জন্য দায়ী।<br />
১. প্রথমত, এতে আছে এন্টি অক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার<br />
প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং বার্ধক্যের দ্রুত<br />
আনয়ন রোধ করে।<br />
২. দ্বীতিয়ত, ফাইবার ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট<br />
এর কারণে এর গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম। ফলে উচ্চ<br />
শক্তিদায়ক খাবার হলেও এতে ওজন বৃদ্ধি হবে কম।<br />
পশ্চিমা বিশ্বের ফুড সায়েন্টিস্ট রা তাই কাঠালের<br />
বীচির পাউডার কে ময়দা হিসেবে ব্যবহার করে<br />
কেক,বিস্কিট বানানোর লক্ষ্যে গবেষনা করে<br />
যাচ্ছেন।<br />
৩. এটি একটি উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবার। গরীব দেশে<br />
যাদের মাছ, মাংস কম খাওয়া হয়, এই সিজনে<br />
কাঠালের বীচি হতে পারে তাদের আমিষের<br />
চাহিদা পূরণের অস্ত্র।<br />
৪. কাঠালের বীচির জীবানুনাশক গুনও আছে। এটি<br />
Escherichia coli ও Bacillus megaterium ব্যাক্টেরিয়ার<br />
বিরুদ্ধে কার্যকর এবং এতে থাকা বিশেষ উপাদান<br />
(Jacalin) এইডস রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা<br />
উন্নয়নে সফল বলে প্রমাণিত হয়েছে।<br />
৫. এছাড়াও উচ্চ পটাশিয়াম এর কারণে এটি ব্লাড<br />
সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখে।<br />
এছাড়াও বহু বছর ধরে আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে<br />
কাঠালের বীচির যেসব গুন গুলো বলা হয়ে আসছে<br />
তা হলো-<br />
1. এটি মদের প্রভাব কাটায়।<br />
2. কাঠালের বীচি হলো aphrodisiac অর্থাৎ এটি যৌন<br />
আনন্দ বাড়ায়।<br />
3. এটি টেনশন ও নার্ভাসনেস কাটায় বলেও ধারণা<br />
করা হয়।<br />
4. হজমে সহায়তা করে।<br />
5. কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।<br />
এদেশের মত গরীব দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর<br />
পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কাঠালের বীচি অত্যন্ত<br />
প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখতে পারে। যেহেতু এটি<br />
সংরক্ষন যোগ্য তাই শুধু সিজনে নয়, এটি হতে পারে<br />
সারা বছরের পুষ্টির যোগান দাতা। কাঠালের<br />
বীচির এতসব গুনের কারণে, পশ্চিমা বিশ্বের ফুড<br />
সাইন্টিস্টরা বীচি হতে ময়দা তৈরী, সিরিয়াল<br />
তৈরী,মিল্ক তৈরী এমনকি বাটার তৈরীর প্রকৃয়া<br />
নিয়ে গবেষনা করে যাচ্ছে। এদেশে যেহেতু কাঠাল<br />
সহজলভ্য, দেশী উদ্যোক্তারাও এক্ষেত্রে এগিয়ে<br />
আসতে পারেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[কাঠালের বীচি এদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি<br />
খাবার। এটি আলুর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে মুরগী/গরুর<br />
মাংসের তরকারী, শুটকী বা মিক্সড সব্জী/<br />
নিরামিষে ব্যবহৃত হয় এমনকি ঠিক আলুর চপের মতো<br />
করে চপ ও বানানো যায়। এছাড়া শুধুমাত্র কাঠালের<br />
বীচির ভর্তা অথবা বীচি ফ্রাই ও খুব জনপ্রিয়<br />
খাবার। জনপ্রিয় হলেও আমরা এই খাবারটার পুষ্টিগুন<br />
তেমন জানিনা।<br />
আসুন আজ জেনে নেই।<br />
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠালের বীচিতে এনার্জি পাওয়া<br />
যায় প্রায় ৯৮ ক্যালোরি। এতে চর্বি আছে ০.৪ গ্রাম,<br />
প্রোটিন আছে ৬.৬ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট আছে<br />
৩৮.৪ গ্রাম এবং ফাইবার আছে ১.৫ গ্রাম.এছাড়াও<br />
কাঠালের বীচিতে আছে নানা ধরণের<br />
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট।<br />
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠালের বীচিতে আছে –<br />
ক্যালসিয়াম ০.০৫ থেকে ০.৫৫ মিগ্রা, ফসফরাস ০.১৩<br />
থেকে ০.২৩ মিগ্রা, আয়রন ০.০০২ থেকে ১.২<br />
মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম<br />
৪.০৭ গ্রাম, ভিটামিন এ ৫৪০ আন্তর্জাতিক ইউনিট,<br />
থায়ামিন ০.০৩ মিলিগ্রাম, নায়াসিন ৪ মিলিগ্রাম<br />
এবং ভিটামিন সি আছে ৮ থেকে ১০ মিলিগ্রাম।<br />
কাঠালের বীচি ভিটামিন B1-এবং ভিটামিন B12<br />
এরও ভাল উৎস। কাঠালের বীচিতে থাকা লিগন্যান,<br />
আইসোফ্ল্যাভোন, স্যাপোনিন কে বলা হয়,<br />
ফাইটোক্যামিকেলস যা নানা রোগ হতে সুরক্ষার<br />
জন্য দায়ী।<br />
১. প্রথমত, এতে আছে এন্টি অক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার<br />
প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং বার্ধক্যের দ্রুত<br />
আনয়ন রোধ করে।<br />
২. দ্বীতিয়ত, ফাইবার ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট<br />
এর কারণে এর গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম। ফলে উচ্চ<br />
শক্তিদায়ক খাবার হলেও এতে ওজন বৃদ্ধি হবে কম।<br />
পশ্চিমা বিশ্বের ফুড সায়েন্টিস্ট রা তাই কাঠালের<br />
বীচির পাউডার কে ময়দা হিসেবে ব্যবহার করে<br />
কেক,বিস্কিট বানানোর লক্ষ্যে গবেষনা করে<br />
যাচ্ছেন।<br />
৩. এটি একটি উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবার। গরীব দেশে<br />
যাদের মাছ, মাংস কম খাওয়া হয়, এই সিজনে<br />
কাঠালের বীচি হতে পারে তাদের আমিষের<br />
চাহিদা পূরণের অস্ত্র।<br />
৪. কাঠালের বীচির জীবানুনাশক গুনও আছে। এটি<br />
Escherichia coli ও Bacillus megaterium ব্যাক্টেরিয়ার<br />
বিরুদ্ধে কার্যকর এবং এতে থাকা বিশেষ উপাদান<br />
(Jacalin) এইডস রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা<br />
উন্নয়নে সফল বলে প্রমাণিত হয়েছে।<br />
৫. এছাড়াও উচ্চ পটাশিয়াম এর কারণে এটি ব্লাড<br />
সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখে।<br />
এছাড়াও বহু বছর ধরে আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে<br />
কাঠালের বীচির যেসব গুন গুলো বলা হয়ে আসছে<br />
তা হলো-<br />
1. এটি মদের প্রভাব কাটায়।<br />
2. কাঠালের বীচি হলো aphrodisiac অর্থাৎ এটি যৌন<br />
আনন্দ বাড়ায়।<br />
3. এটি টেনশন ও নার্ভাসনেস কাটায় বলেও ধারণা<br />
করা হয়।<br />
4. হজমে সহায়তা করে।<br />
5. কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।<br />
এদেশের মত গরীব দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর<br />
পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কাঠালের বীচি অত্যন্ত<br />
প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখতে পারে। যেহেতু এটি<br />
সংরক্ষন যোগ্য তাই শুধু সিজনে নয়, এটি হতে পারে<br />
সারা বছরের পুষ্টির যোগান দাতা। কাঠালের<br />
বীচির এতসব গুনের কারণে, পশ্চিমা বিশ্বের ফুড<br />
সাইন্টিস্টরা বীচি হতে ময়দা তৈরী, সিরিয়াল<br />
তৈরী,মিল্ক তৈরী এমনকি বাটার তৈরীর প্রকৃয়া<br />
নিয়ে গবেষনা করে যাচ্ছে। এদেশে যেহেতু কাঠাল<br />
সহজলভ্য, দেশী উদ্যোক্তারাও এক্ষেত্রে এগিয়ে<br />
আসতে পারেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ডাবের পানির উপকারীতা]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=449</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:47:32 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=449</guid>
			<description><![CDATA[রোগীর পথ্য থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়নে<br />
ডাবের পানির জুড়ি নেই। ডাবের পানিতে রয়েছে<br />
পটাশিয়াম, শর্করা, প্রোটিন, সোডিয়াম, ক্লোরাইড<br />
ও তন্তুজাতীয় পদার্থ। এসব উপাদান শরীর সুস্থ্যতার<br />
পাশাপাশি ত্বক, ঠোঁট, চুল, নখ ও দাঁত সুন্দর রাখতে<br />
সাহায্য করে।<br />
ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন<br />
‘সি’ ও ‘এ’ যা ত্বক, চুল ও নখ ভালো রাখে। এমনকি<br />
মানুষের বয়সের ছাপ দূর করে ত্বকে এনে দেয়<br />
সজীবতা।<br />
ডাবের পানি ত্বকের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও<br />
ছত্রাক ধ্বংশ করে ত্বক ভালো রাখে। ডাবের<br />
পানিতে মুখ ধোয়ার পর ৫ থেকে ১০ মিনিট পর<br />
স্বাভাবিক পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে<br />
ত্বকের ব্রণের দাগসহ যেকোন দাগ দূর হবে সেই<br />
সঙ্গে উজ্জ্বলতা বেড়ে যাবে কয়েকগুন।<br />
ডাবে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,<br />
ফসফরাস দাঁতের মাড়িকে মজবুত করে, রক্তপড়া বন্ধ<br />
করে, সেইসঙ্গে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়।<br />
নখের ভঙ্গুরতা থেকে রক্ষা করে।<br />
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর অভাব হলে বিশেষ করে<br />
শীতকালে ঠোঁটের চামড়া ওঠে যায়, ফ্যাকাশে হয়ে<br />
যায়। নিয়মিত ডাবের পানি খেলে এসব সমস্যা দূর<br />
হবে।<br />
ডাবে সামান্য পরিমান শর্করা থাকার ফলে<br />
ডায়বেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া<br />
কিডনীর অম্লত্ব ঠিক রাখতে ডাবের পানির কোনো<br />
জুড়ি নেই। ডাবের পানি খেলে স্নায়ুতন্ত্র<br />
শক্তিশালী হয় ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে পায়।<br />
ডাবের পানিতে ক্ষতিকর কোনো<br />
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এত গুনের কারণে ডাবের<br />
পানিকে বলা হয় ফ্লুইড অব লাইফ বা জীবনের<br />
পানীয়।<br />
সংগ্রহ : ইন্টারনেট]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রোগীর পথ্য থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়নে<br />
ডাবের পানির জুড়ি নেই। ডাবের পানিতে রয়েছে<br />
পটাশিয়াম, শর্করা, প্রোটিন, সোডিয়াম, ক্লোরাইড<br />
ও তন্তুজাতীয় পদার্থ। এসব উপাদান শরীর সুস্থ্যতার<br />
পাশাপাশি ত্বক, ঠোঁট, চুল, নখ ও দাঁত সুন্দর রাখতে<br />
সাহায্য করে।<br />
ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন<br />
‘সি’ ও ‘এ’ যা ত্বক, চুল ও নখ ভালো রাখে। এমনকি<br />
মানুষের বয়সের ছাপ দূর করে ত্বকে এনে দেয়<br />
সজীবতা।<br />
ডাবের পানি ত্বকের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও<br />
ছত্রাক ধ্বংশ করে ত্বক ভালো রাখে। ডাবের<br />
পানিতে মুখ ধোয়ার পর ৫ থেকে ১০ মিনিট পর<br />
স্বাভাবিক পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে<br />
ত্বকের ব্রণের দাগসহ যেকোন দাগ দূর হবে সেই<br />
সঙ্গে উজ্জ্বলতা বেড়ে যাবে কয়েকগুন।<br />
ডাবে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,<br />
ফসফরাস দাঁতের মাড়িকে মজবুত করে, রক্তপড়া বন্ধ<br />
করে, সেইসঙ্গে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়।<br />
নখের ভঙ্গুরতা থেকে রক্ষা করে।<br />
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর অভাব হলে বিশেষ করে<br />
শীতকালে ঠোঁটের চামড়া ওঠে যায়, ফ্যাকাশে হয়ে<br />
যায়। নিয়মিত ডাবের পানি খেলে এসব সমস্যা দূর<br />
হবে।<br />
ডাবে সামান্য পরিমান শর্করা থাকার ফলে<br />
ডায়বেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া<br />
কিডনীর অম্লত্ব ঠিক রাখতে ডাবের পানির কোনো<br />
জুড়ি নেই। ডাবের পানি খেলে স্নায়ুতন্ত্র<br />
শক্তিশালী হয় ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে পায়।<br />
ডাবের পানিতে ক্ষতিকর কোনো<br />
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এত গুনের কারণে ডাবের<br />
পানিকে বলা হয় ফ্লুইড অব লাইফ বা জীবনের<br />
পানীয়।<br />
সংগ্রহ : ইন্টারনেট]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[তরমুজের পুষ্টিগুণ]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=448</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 11:46:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=448</guid>
			<description><![CDATA[সারাদিনের গরমে যখন সবাই ক্লান্ত তখন এক গ্লাস<br />
ঠাণ্ডা পানিই এনে দেয় সতেজতা । ক্লান্তি এড়াতে<br />
আমরা ঠাণ্ডা শরবত বা বাণিজ্যিক জুস খেয়ে থাকি<br />
। কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তাতে আবার ওজন<br />
বেড়ে না যায় । তাই এই গরমে ক্লান্তি এড়াতে<br />
আমরা তরমুজ খেতে পারি যা আমাদের সবার হাতের<br />
নাগালের মধ্যেই রয়েছে ।<br />
* তরমুজে পানির পরিমাণ শতকরা ৯২ ভাগ । এতে<br />
ক্যালরির পরিমাণও অনেক কম। এছাড়াও এতে<br />
রয়েছে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ।<br />
ভিটামিন সি, থায়ামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের<br />
উপস্থিতি আছে তরমুজে। এতে কোনো কোলেস্টেরল<br />
নেই এবং কোনো সম্পৃক্ত চর্বিও নেই ।<br />
* গবেষণায় দেখা গেছে যে, তরমুজে মাত্র ৩০ ভাগ<br />
ক্যালরি থাকে । এত কম ক্যালরি থাকার কারণে<br />
তরমুজকে ওজন কমানোর একটি অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য<br />
উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা যায় ।<br />
* ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার<br />
খেতে হবে । প্রতিদিনের খাবারের ক্যালরি এমন<br />
হওয়া উচিত যা শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালরি থেকে<br />
কম হবে ।<br />
* তরমুজে চিনির পরিমাণ খুবই কম। মাত্র ৬ ভাগ চিনি<br />
এর মধ্যে বিদ্যমান। রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে<br />
গেলে শরীর থেকে বেশি বেশি ইনসুলিন নিঃসরিত<br />
হয় যার কারণে শরীরে চর্বি জমতে থাকে । তরমুজে<br />
যেহেতু চিনি কম তাই এটি বেশি পরিমাণে খেলেও<br />
চর্বি জমার কোনো সম্ভাবনা নেই ।<br />
* তরমুজের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক বেশি কিন্তু<br />
গ্লাইসেমিক লোড অনেক কম। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স<br />
হল, খাবারে শর্করার পরিমাণ যা সরাসরি রক্তে<br />
চলে যায় এবং প্রভাব ফেলে। গ্লাইসেমিক লোড হল<br />
খাবারের কত গ্রাম শর্করা রক্তে যায় তার পরিমাণ।<br />
তরমুজের যেহেতু গ্লাইসেমিক লোড অনেক কম তাই<br />
বেশি পরিমাণে খেলেও রক্তে চিনির পরিমাণ<br />
বাড়বে না ।<br />
* তাই এই গরমে ওজন কমাতে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ<br />
খেতে পারেন। তবে যাদের কিডনির সমস্যা আছে<br />
তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে ।<br />
* তরমুজে আঁশ এর পরিমাণ অনেক বেশি । আঁশযুক্ত<br />
খাবার শরীরে বিপাকক্রিয়ায় হজম হতে অনেক সময়<br />
নেয় । আর তরমুজে যেহেতু পানির পরিমাণও বেশি<br />
থাকে তাই খাওয়ার পর অনেকক্ষণ ক্ষুধা বোধ হয় না<br />
। এ কারণে যাদের ঘন ঘন খাওয়ার অভ্যাস তারা এই<br />
গরমে বেশি পরিমাণে তরমুজ খেতে পারেন । তাতে<br />
আপনার ওজন বাড়ার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না ।<br />
* তরমুজ খুব ভাল পানি নিঃসরণকারী হিসেবে কাজ<br />
করে । এতে উপকারী মিনারেল সোডিয়াম ও<br />
পটাসিয়াম থাকে যা শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি<br />
দূর করে ।<br />
* আমরা সাধারণত তরমুজের লাল অংশটাই খেয়ে<br />
থাকি । কিন্তু এর সাদা অংশটাও বেশ উপকারী। এর<br />
সাদা অংশে ‘সাইট্রুলিন’ নামে একটি অ্যামাইনো<br />
এসিড থাকে যা খেলোয়াড়দের জন্য খুবই উপকারী।<br />
* খেলোয়াড় বা যারা ব্যায়াম করে তাদের<br />
মাংসপেশীতে খুব দ্রুত শর্করার পরিমাণ কমে যায় ।<br />
তাই তারা খুব সহজেই অবসাদ বোধ করে ।<br />
* তরমুজের ‘সাইট্রুলিন’ মাংসপেশীর এই অবসাদকে দূর<br />
করে যা একটানা অনেকক্ষণ ব্যায়াম করতে সহায়তা<br />
করে। তাই তরমুজ কাটার সময় সাদা অংশটা কিছুটা<br />
গাঢ় করে কাটা উচিত।<br />
* এছাড়া তরমুজের পটাসিয়াম শরীরের অম্ল ও<br />
ক্ষারের ভারসাম্যতা রক্ষা করে যা শরীরে শক্তি<br />
যোগায় । তাই এই গরমে খেলাধুলা বা বায়ামের পরে<br />
ক্যালরিযুক্ত বাণিজ্যিক জুস না খেয়ে তরমুজের জুস<br />
খাওয়া যেতে পারে।<br />
* তরমুজে ‘লাইকোপিন’ থাকে যা এর লাল রং এর জন্য<br />
দায়ী। লাইকোপিন একটি অক্সিজেন যা শরীরকে<br />
ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে। লাইকোপিনের<br />
আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এটি ক্যান্সার<br />
প্রতিরোধ করে।<br />
* এছাড়াও তরমুজ ত্বক পরিষ্কার রাখে। ত্বককে করে<br />
তোলে আরো সতেজ ও প্রাণবন্ত । তাই এই গরমে ওজন<br />
কমানোর পাশাপাশি হয়ে উঠুন আরো সুন্দর ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সারাদিনের গরমে যখন সবাই ক্লান্ত তখন এক গ্লাস<br />
ঠাণ্ডা পানিই এনে দেয় সতেজতা । ক্লান্তি এড়াতে<br />
আমরা ঠাণ্ডা শরবত বা বাণিজ্যিক জুস খেয়ে থাকি<br />
। কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তাতে আবার ওজন<br />
বেড়ে না যায় । তাই এই গরমে ক্লান্তি এড়াতে<br />
আমরা তরমুজ খেতে পারি যা আমাদের সবার হাতের<br />
নাগালের মধ্যেই রয়েছে ।<br />
* তরমুজে পানির পরিমাণ শতকরা ৯২ ভাগ । এতে<br />
ক্যালরির পরিমাণও অনেক কম। এছাড়াও এতে<br />
রয়েছে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ।<br />
ভিটামিন সি, থায়ামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের<br />
উপস্থিতি আছে তরমুজে। এতে কোনো কোলেস্টেরল<br />
নেই এবং কোনো সম্পৃক্ত চর্বিও নেই ।<br />
* গবেষণায় দেখা গেছে যে, তরমুজে মাত্র ৩০ ভাগ<br />
ক্যালরি থাকে । এত কম ক্যালরি থাকার কারণে<br />
তরমুজকে ওজন কমানোর একটি অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য<br />
উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা যায় ।<br />
* ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার<br />
খেতে হবে । প্রতিদিনের খাবারের ক্যালরি এমন<br />
হওয়া উচিত যা শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালরি থেকে<br />
কম হবে ।<br />
* তরমুজে চিনির পরিমাণ খুবই কম। মাত্র ৬ ভাগ চিনি<br />
এর মধ্যে বিদ্যমান। রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে<br />
গেলে শরীর থেকে বেশি বেশি ইনসুলিন নিঃসরিত<br />
হয় যার কারণে শরীরে চর্বি জমতে থাকে । তরমুজে<br />
যেহেতু চিনি কম তাই এটি বেশি পরিমাণে খেলেও<br />
চর্বি জমার কোনো সম্ভাবনা নেই ।<br />
* তরমুজের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক বেশি কিন্তু<br />
গ্লাইসেমিক লোড অনেক কম। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স<br />
হল, খাবারে শর্করার পরিমাণ যা সরাসরি রক্তে<br />
চলে যায় এবং প্রভাব ফেলে। গ্লাইসেমিক লোড হল<br />
খাবারের কত গ্রাম শর্করা রক্তে যায় তার পরিমাণ।<br />
তরমুজের যেহেতু গ্লাইসেমিক লোড অনেক কম তাই<br />
বেশি পরিমাণে খেলেও রক্তে চিনির পরিমাণ<br />
বাড়বে না ।<br />
* তাই এই গরমে ওজন কমাতে প্রচুর পরিমাণে তরমুজ<br />
খেতে পারেন। তবে যাদের কিডনির সমস্যা আছে<br />
তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে ।<br />
* তরমুজে আঁশ এর পরিমাণ অনেক বেশি । আঁশযুক্ত<br />
খাবার শরীরে বিপাকক্রিয়ায় হজম হতে অনেক সময়<br />
নেয় । আর তরমুজে যেহেতু পানির পরিমাণও বেশি<br />
থাকে তাই খাওয়ার পর অনেকক্ষণ ক্ষুধা বোধ হয় না<br />
। এ কারণে যাদের ঘন ঘন খাওয়ার অভ্যাস তারা এই<br />
গরমে বেশি পরিমাণে তরমুজ খেতে পারেন । তাতে<br />
আপনার ওজন বাড়ার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না ।<br />
* তরমুজ খুব ভাল পানি নিঃসরণকারী হিসেবে কাজ<br />
করে । এতে উপকারী মিনারেল সোডিয়াম ও<br />
পটাসিয়াম থাকে যা শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি<br />
দূর করে ।<br />
* আমরা সাধারণত তরমুজের লাল অংশটাই খেয়ে<br />
থাকি । কিন্তু এর সাদা অংশটাও বেশ উপকারী। এর<br />
সাদা অংশে ‘সাইট্রুলিন’ নামে একটি অ্যামাইনো<br />
এসিড থাকে যা খেলোয়াড়দের জন্য খুবই উপকারী।<br />
* খেলোয়াড় বা যারা ব্যায়াম করে তাদের<br />
মাংসপেশীতে খুব দ্রুত শর্করার পরিমাণ কমে যায় ।<br />
তাই তারা খুব সহজেই অবসাদ বোধ করে ।<br />
* তরমুজের ‘সাইট্রুলিন’ মাংসপেশীর এই অবসাদকে দূর<br />
করে যা একটানা অনেকক্ষণ ব্যায়াম করতে সহায়তা<br />
করে। তাই তরমুজ কাটার সময় সাদা অংশটা কিছুটা<br />
গাঢ় করে কাটা উচিত।<br />
* এছাড়া তরমুজের পটাসিয়াম শরীরের অম্ল ও<br />
ক্ষারের ভারসাম্যতা রক্ষা করে যা শরীরে শক্তি<br />
যোগায় । তাই এই গরমে খেলাধুলা বা বায়ামের পরে<br />
ক্যালরিযুক্ত বাণিজ্যিক জুস না খেয়ে তরমুজের জুস<br />
খাওয়া যেতে পারে।<br />
* তরমুজে ‘লাইকোপিন’ থাকে যা এর লাল রং এর জন্য<br />
দায়ী। লাইকোপিন একটি অক্সিজেন যা শরীরকে<br />
ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে। লাইকোপিনের<br />
আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এটি ক্যান্সার<br />
প্রতিরোধ করে।<br />
* এছাড়াও তরমুজ ত্বক পরিষ্কার রাখে। ত্বককে করে<br />
তোলে আরো সতেজ ও প্রাণবন্ত । তাই এই গরমে ওজন<br />
কমানোর পাশাপাশি হয়ে উঠুন আরো সুন্দর ।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>