<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Forums.Likebd.Com - আমাদের নীতিকথা]]></title>
		<link>http://forums.likebd.com/</link>
		<description><![CDATA[Forums.Likebd.Com - http://forums.likebd.com]]></description>
		<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 07:20:31 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[অবাক করা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2219</link>
			<pubDate>Wed, 22 Feb 2017 10:35:52 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=2219</guid>
			<description><![CDATA[সত্যি এক অপার সম্ভাবনার দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ ।কিন্তু ব্যর্থতা এখানেই যে ,স্বাধীনতার ৪৬ বৎসর পরেও আমরা একটি দক্ষ ,নৈতিকতা সম্পন্ন , দেশাত্মবোধে উদ্বুদ্ধ এবং প্রতিশ্রুতিশীল উন্নয়ন বান্ধব জনগোষ্ঠী তৈরি করতে পারিনি ।আমাদের বর্তমান প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অসংখ্য আমলা, পেশাজীবী, রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী তৈরি হয়েছে কিন্তু তারা সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে কমবেশি ব্যর্থ।<br />
<br />
এই আমলাদের দ্বারা চালিত বহু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে, দুর্নীতি আমাদের জাতীয় কলঙ্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। জাতির সংকটে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা নিরপেক্ষ থেকে তাদের ভুমিকা পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ।রাজনৈতিক ইস্যুতে সুষ্ঠু সমাধান  দিতে ব্যর্থ হয়েছে রাজনীতিবিদ গন ।অন্যান্য পেশাজীবীরাও স্বস্ব ক্ষেত্রে সেবার মান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে ,বিভিন্ন ক্ষেত্র অদক্ষতা আর দুর্নীতির ছাপ আজ সর্বত্র ।ফলে সমাজের সকল স্তরে বাড়ছে হতাশা আর অস্থিরতা ।এরজন্য অনেক কারন হয়ত দায়ী কিন্তু আমি মনে করি বেশী দায়ী আমাদের বহুধা বিভক্ত ,ত্রটিপূর্ণ এবং উদ্দেশ্যবিহীন বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষার অতিমাত্রায় বানিজ্যিককরন ।আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রিধারায় বিভক্ত-education in bangladesh<br />
<br />
বাংলা মাধ্যম ,ইংরেজি মাধ্যম এবং মাদ্রাসা শিক্ষা । বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা বাংলা ভাষার উপর গুরুত্ব দিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান, দেশীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণ করছে -যেখানে থেকে যাচ্ছে ধর্ম, বিদেশী ভাষা, সংস্কৃতি বিষয়ে তাদের জ্ঞানের অভাব ,ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ও দেশীয় সমাজ সংস্কৃতি এবং ধর্ম সম্পর্কে অপূর্ণই থেকে যাচ্ছে ,আর মাদ্রাসা শিক্ষায় তো ধর্মীয় শিক্ষার বাইরের অন্যান্য শিক্ষা গুরুত্বহীনই থেকে যাচ্ছে । এধরনের বহুমুখী শিক্ষার কারনে সবাই আলাদা আলাদা শ্রেণী হিসেবে বিকশিত করছে নিজেদেরকে ।ধর্ম শিক্ষায় শিক্ষিতদের বেশিরভাগই পরবর্তী সময়ে ধর্ম ব্যবসা বা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা ছাড়া তাদের তেমন কোন ক্ষেত্রই থাকে না । বহুধা বিভক্ত আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বজনীন কোন উদ্দেশ্য নেই ,এরূপ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের পক্ষে ,ব্যক্তি স্বার্থ বা শ্রেণী স্বার্থ রক্ষা ছাড়া জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয় ।আর্থ সামাজিক এবং রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রেই এই ত্রিধারা শিক্ষা ব্যবস্থার কুপ্রভাব পরিলক্ষিত । এই ৪৬ বৎসরে এদেশের বহু মানুষ শিক্ষিত হয়েছে বটে , কিন্তু তাদের মধ্যে দক্ষতা ,সততা ,দেশপ্রেম , নৈতিকতার মাত্রা নিম্নগামী । এজন্য ঐসব শিক্ষিতদের দায়ী করে লাভ নেই, দায়ী আমাদের বহুধা বিভক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ।শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য ভাল মানুষ তৈরি করা, কিন্তু আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা মানুষ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে ।তাই আজ আমাদের এই অবস্থা ।<br />
<br />
তাই আজ আমাদের সকলের উচিৎ এ বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটি সর্বজনীন ,বাস্তব সম্মত এবং যুগোপযোগী একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা ,যার প্রধান উদ্দেশ্য হবে ,মানুষকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ।এরূপ শিক্ষা পরিচালিত হবে -একদেশ এক শিক্ষা -এই নীতির ভিত্তিতে ,অর্থাৎ মৌলিক শিক্ষার স্তরে দেশের প্রতিটি শিশুকে একই শিক্ষা দেয়া এবং এর মুল লক্ষ্য মানুষকে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত করা ,তাহলেই তাদের মধ্যে থাকবে দেশপ্রেম এবং মানবপ্রেম এবং তখনই আসবে শিক্ষার যথার্থতা…..]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[সত্যি এক অপার সম্ভাবনার দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ ।কিন্তু ব্যর্থতা এখানেই যে ,স্বাধীনতার ৪৬ বৎসর পরেও আমরা একটি দক্ষ ,নৈতিকতা সম্পন্ন , দেশাত্মবোধে উদ্বুদ্ধ এবং প্রতিশ্রুতিশীল উন্নয়ন বান্ধব জনগোষ্ঠী তৈরি করতে পারিনি ।আমাদের বর্তমান প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অসংখ্য আমলা, পেশাজীবী, রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী তৈরি হয়েছে কিন্তু তারা সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে কমবেশি ব্যর্থ।<br />
<br />
এই আমলাদের দ্বারা চালিত বহু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে, দুর্নীতি আমাদের জাতীয় কলঙ্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। জাতির সংকটে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা নিরপেক্ষ থেকে তাদের ভুমিকা পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ।রাজনৈতিক ইস্যুতে সুষ্ঠু সমাধান  দিতে ব্যর্থ হয়েছে রাজনীতিবিদ গন ।অন্যান্য পেশাজীবীরাও স্বস্ব ক্ষেত্রে সেবার মান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে ,বিভিন্ন ক্ষেত্র অদক্ষতা আর দুর্নীতির ছাপ আজ সর্বত্র ।ফলে সমাজের সকল স্তরে বাড়ছে হতাশা আর অস্থিরতা ।এরজন্য অনেক কারন হয়ত দায়ী কিন্তু আমি মনে করি বেশী দায়ী আমাদের বহুধা বিভক্ত ,ত্রটিপূর্ণ এবং উদ্দেশ্যবিহীন বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষার অতিমাত্রায় বানিজ্যিককরন ।আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রিধারায় বিভক্ত-education in bangladesh<br />
<br />
বাংলা মাধ্যম ,ইংরেজি মাধ্যম এবং মাদ্রাসা শিক্ষা । বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা বাংলা ভাষার উপর গুরুত্ব দিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান, দেশীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণ করছে -যেখানে থেকে যাচ্ছে ধর্ম, বিদেশী ভাষা, সংস্কৃতি বিষয়ে তাদের জ্ঞানের অভাব ,ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ও দেশীয় সমাজ সংস্কৃতি এবং ধর্ম সম্পর্কে অপূর্ণই থেকে যাচ্ছে ,আর মাদ্রাসা শিক্ষায় তো ধর্মীয় শিক্ষার বাইরের অন্যান্য শিক্ষা গুরুত্বহীনই থেকে যাচ্ছে । এধরনের বহুমুখী শিক্ষার কারনে সবাই আলাদা আলাদা শ্রেণী হিসেবে বিকশিত করছে নিজেদেরকে ।ধর্ম শিক্ষায় শিক্ষিতদের বেশিরভাগই পরবর্তী সময়ে ধর্ম ব্যবসা বা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা ছাড়া তাদের তেমন কোন ক্ষেত্রই থাকে না । বহুধা বিভক্ত আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বজনীন কোন উদ্দেশ্য নেই ,এরূপ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের পক্ষে ,ব্যক্তি স্বার্থ বা শ্রেণী স্বার্থ রক্ষা ছাড়া জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয় ।আর্থ সামাজিক এবং রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রেই এই ত্রিধারা শিক্ষা ব্যবস্থার কুপ্রভাব পরিলক্ষিত । এই ৪৬ বৎসরে এদেশের বহু মানুষ শিক্ষিত হয়েছে বটে , কিন্তু তাদের মধ্যে দক্ষতা ,সততা ,দেশপ্রেম , নৈতিকতার মাত্রা নিম্নগামী । এজন্য ঐসব শিক্ষিতদের দায়ী করে লাভ নেই, দায়ী আমাদের বহুধা বিভক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ।শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য ভাল মানুষ তৈরি করা, কিন্তু আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা মানুষ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে ।তাই আজ আমাদের এই অবস্থা ।<br />
<br />
তাই আজ আমাদের সকলের উচিৎ এ বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটি সর্বজনীন ,বাস্তব সম্মত এবং যুগোপযোগী একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা ,যার প্রধান উদ্দেশ্য হবে ,মানুষকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ।এরূপ শিক্ষা পরিচালিত হবে -একদেশ এক শিক্ষা -এই নীতির ভিত্তিতে ,অর্থাৎ মৌলিক শিক্ষার স্তরে দেশের প্রতিটি শিশুকে একই শিক্ষা দেয়া এবং এর মুল লক্ষ্য মানুষকে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত করা ,তাহলেই তাদের মধ্যে থাকবে দেশপ্রেম এবং মানবপ্রেম এবং তখনই আসবে শিক্ষার যথার্থতা…..]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1654</link>
			<pubDate>Sun, 19 Feb 2017 04:56:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1654</guid>
			<description><![CDATA[স্বল্প দামে ওয়েব সাইট তৈরী করুন<br />
সকল প্রকার ওয়েবসাইট/ ওয়াপসাইট তৈরী করা হয় !!!!<br />
  আমরা আপনার order - এর অপেকায় আছি। <br />
আমরা যে কোনো ধরনের সাইট তরী করি..বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:--<br />
   !!CALL ME!!<br />
<span style="font-size: 16pt;" class="mycode_size">+8801735665558</span><br />
সাইট তৈরিতে টোটাল যা লাগবেঃ<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"> ডিজাইন খরচ + Hosting Price + Premium Domain (900 Taka min) </span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">১ । নিচে বিভিন্ন ডিজাইনের দাম দেওয়া হলঃ</span><br />
<a href="http://www.trickbd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.trickbd.com</a> Price 500 taka<br />
<a href="http://www.likebd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.likebd.com</a> Price 500 taka<br />
<a href="http://www.mysmsbd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.mysmsbd.com</a> Price High taka<br />
---- Demo Of Download SiTe---<br />
<a href="http://www.fusionbd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.fusionbd.com</a> only 100 take<br />
<a href="http://www.SumirBD.mobi" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.SumirBD.mobi</a> only 100 taka<br />
<a href="http://www.didarbd24.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.didarbd24.com</a> only 300 taka<br />
Download site only 100 taka<br />
<br />
CALL ME +8801735665558<br />
<br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> ফেসবুক আইডি হ্যাক করার Facebook Phishing only 100 taka</span><br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> অটো আপলোড ডাউনলোড  সাইট ২০০ টাকা, কষ্ট করে আপলোড দেয়ার দিন শেষ</span><br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> Online News Site Full Complete 1500 Taka</span><br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> Personal Blog Site Full Complete 1200 Taka</span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">২। Hosting Price: </span><br />
500 Mb Disk Space  200 Taka<br />
1 GB Disk Space 400 Taka<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">৩। Doamin Price </span><br />
.com = ৳999<br />
.org = ৳999<br />
.net = ৳999<br />
.in=৳999<br />
<span style="font-style: italic;" class="mycode_i">অনেকেই আমার চেয়ে কম টাকায় ওয়াপসাইট বানায় কিন্তু আপনারা অনেকেই ভুল করেন কম দামে ওয়াপসাইট নিয়ে। তারা আপনাকে আপনার মনের মত ওয়াপসাইট দিতে পারবেনা। একটা ওয়াপসাইটি যা কিছু থাকা দরকার আমরা সব কিছুই দেই। আমরা সকল ধরনের ওয়াপসাইট বানায় আপনাদের ইচ্ছা মত। কথায় আছে জিনিস যেটা ভাল দাম তার একটু বেশি। তাই দেরি না করে এখনি অর্ডার দিয়ে গরম গরম ওয়াপসাইট নেন।</span><br />
<br />
আমরা সব ধরনের প্লাটফর্মে কাজ করি। সবচেয়ে বেশি ব্যবহ্রত "" Wapka,Wordpress,Php, Html,Css,Cpanel,Hosting, Domain,Personal Site,Etc"". আপনার কেমন সাইট চাই ফোন করে অডার করুন।<br />
[u]<br />
কেউ যদি নিজের নামে ওয়াপ-সাইট তৈরী করতে চান আমার সাথে যোগাযোগ করুন - <br />
আমারও ফোন নাম্বার : +8801735665558[u]<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">ওয়াপসাইট বানাতে আপনার যা যা লাগবেঃ</span><br />
1.Email Or Gmail ID<br />
2.Gmail-er Password<br />
3.One New Password<br />
4.Site Name<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">মেসেজ করে পাঠিয়ে দিতে হবে</span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">Contact Zone</span><br />
Mobile: +8801735665558<br />
(All time -24hours)<br />
Mobile: +8801735665558 (No Night)<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">About</span><br />
<span style="color: blue;" class="mycode_color">Trusted Domain &amp; Hosting Seller in Bangladesh</span><br />
আপনার যে কোন সাইটের জন্য ডোমেইন কিনুন. বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সার্ভার থেকে। <br />
যোগাযোগ করুন. +8801735665558 <br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">আমরা যারা ইন্টারনেট সম্পর্কে জানি তাদের কাছে ডোমেইন হোষ্টিং নতুন কোন শব্দ হওয়ার কথা নয়। তারপরেও একেবারে যারা নতুন তাদের জন্য দিচ্ছি সহজ একটি সংজ্ঞা। ডোমেইন হচ্ছে যেকোন ওয়েব সাইটের নাম। যেমন আমাদের ওয়েবসাইটের নাম হচ্ছে Likebd.com । <br />
<br />
আর হোষ্টিং হচ্ছে জায়গা, যেখানে আপনার ফাইল ফোল্ডারগুলো থাকবে। সর্বপরি বলতে পারি মোবাইলে যেমন আমরা মেমরি ব্যবহার করে অডিও ভিডিও রাখতে পারি, তেমনি একটি মেমরি। তবে এটি ব্যবহৃত হবে বিশ্বব্যাপি। এবার আসি আসল কথায়, আপনারা অবশ্যই জানেন যে ডোমেইন হোষ্টিং ডলার কিংবা টাকার বিনিময়ে ভাড়া নিতে হয়। যার মেয়াদ সাধারনত হয়ে থাকে এক বছর। অর্থাৎ মেয়াদ শেষে এটিকে আবার রিনিউ করতে হয়। অতএব আপনি যার কাছ থেকে একবার ডোমেইন হোষ্টিং সহায়তা নিচ্ছেন এক বছর পর আবার তার কাছে যেতে হচ্ছে। অতএব আপনি সবসময় কামনা করছেন তার সাথে একটা সুসম্পর্ক রাখতে। কিন্তু যদি এমন হয় আপনাকে দেয়া হোষ্টিং ভাল কাজ করছে না আর সার্ভার মাঝে মধ্যেই বন্ধ থাকে। <br />
তখন কি করবেন? অবশ্যই চাইবেন তার কাছ থেকে সরে আসতে। এখনি শুরু হবে আসল খেলা। <br />
যদি আপনার হাতে আপনার ডোমেইন এর কন্ট্রোল প্যানেল না থাকে আপনি সরতে পারবেন না। কারন হোষ্টিং পরিবর্তন করতে হলে অবশ্যই নতুনভাবে ডোমেইন এর মাঝে সেট করতে হবে ডিএনএস। অতএব ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলই জরুরি। যেটি অনেকেই দিতে চায় না। আর যেহেতু আপনার ডোমেইনটা ইতিমধ্যে এক বছর পার করেছে এবং পেয়েছে হাজারো মানুষের ভালবাসা। আপনার ইচ্ছে জাগবে না যে নতুন অন্য একটি ডোমেইন নিয়ে কাজ করবেন। অতএব যদি এমন বিপদে আপনি পরেন তখন আপনি হবেন হতাশ। মনে মনে ভাববেন কত অবিশ্বাসীদের দেশে আপনি বাস করছেন। <br />
আপনার ক্রয়কৃত সম্পদ, যেখানে আপনার ১০০% অধিকার আছে সকল তথ্য জানার সেখানে আপনাকে চরম বিপদে ফেলা হচ্ছে সামান্য সার্থের জন্য। যা বলছি এটা মিথ্যে নয়, আমাদের দেশের বাস্তবতা। একান্ত আলাপে আমাদেরই এক টিউটোরিয়াল গ্রাহক বর্ননা করছিলেন তার মনের কষ্ট, মানুষের প্রতি তার অবিশ্বাস আর ঘৃনার কথা । <br />
মানুষ যে কেন এমন করে বুঝিনা। আমরা তো ক্রয়ের সাথে সাথে গ্রাহককে বুঝিয়ে দেই তার সবকিছু। সবসময় চিন্তা করি আমাকে সৎ আর ন্যায়পায়ন থাকতে হবে। কেননা আমি বিশ্বাসীদের অর্ন্তভুক্ত। অবশ্যই একদিন বিদায় নিতে হবে পৃথিবী থেকে। জবাব দিতে হবে প্রত্যেকটি ক্ষুদ্র কাজেরও। যারা এমন করে আর মানুষের মনে কষ্ট দেয় আমরাও তাদের ঘৃনা করি। সামান্য কিছু লোভী মানুষের জন্য অবিশ্বাসীদের দলভুক্ত হয়ে পড়ছি আমরা সবাই। পাশাপাশি সজাগ থাকতে হবে আমাদেরও। <br />
অতএব ডোমেইন হোষ্টিং কিনতে হলে অবশ্যই সংগ্রহ করুন ডোমেইন এবং হোষ্টিং এর আলাদা আলাদা কন্ট্রোল প্যানেল। সল্পমূল্যে ডোমেইন হোষ্টিং পেতে অবশ্যই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। <br />
যদি অন্যত্র কিনতে চান তাতেও সমস্যা নেই, কেনার আগে যেকোন বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারেন। ধন্যবাদ।</span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[স্বল্প দামে ওয়েব সাইট তৈরী করুন<br />
সকল প্রকার ওয়েবসাইট/ ওয়াপসাইট তৈরী করা হয় !!!!<br />
  আমরা আপনার order - এর অপেকায় আছি। <br />
আমরা যে কোনো ধরনের সাইট তরী করি..বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:--<br />
   !!CALL ME!!<br />
<span style="font-size: 16pt;" class="mycode_size">+8801735665558</span><br />
সাইট তৈরিতে টোটাল যা লাগবেঃ<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"> ডিজাইন খরচ + Hosting Price + Premium Domain (900 Taka min) </span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">১ । নিচে বিভিন্ন ডিজাইনের দাম দেওয়া হলঃ</span><br />
<a href="http://www.trickbd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.trickbd.com</a> Price 500 taka<br />
<a href="http://www.likebd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.likebd.com</a> Price 500 taka<br />
<a href="http://www.mysmsbd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.mysmsbd.com</a> Price High taka<br />
---- Demo Of Download SiTe---<br />
<a href="http://www.fusionbd.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.fusionbd.com</a> only 100 take<br />
<a href="http://www.SumirBD.mobi" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.SumirBD.mobi</a> only 100 taka<br />
<a href="http://www.didarbd24.com" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url">www.didarbd24.com</a> only 300 taka<br />
Download site only 100 taka<br />
<br />
CALL ME +8801735665558<br />
<br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> ফেসবুক আইডি হ্যাক করার Facebook Phishing only 100 taka</span><br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> অটো আপলোড ডাউনলোড  সাইট ২০০ টাকা, কষ্ট করে আপলোড দেয়ার দিন শেষ</span><br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> Online News Site Full Complete 1500 Taka</span><br />
<span style="color: red;" class="mycode_color"> Personal Blog Site Full Complete 1200 Taka</span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">২। Hosting Price: </span><br />
500 Mb Disk Space  200 Taka<br />
1 GB Disk Space 400 Taka<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">৩। Doamin Price </span><br />
.com = ৳999<br />
.org = ৳999<br />
.net = ৳999<br />
.in=৳999<br />
<span style="font-style: italic;" class="mycode_i">অনেকেই আমার চেয়ে কম টাকায় ওয়াপসাইট বানায় কিন্তু আপনারা অনেকেই ভুল করেন কম দামে ওয়াপসাইট নিয়ে। তারা আপনাকে আপনার মনের মত ওয়াপসাইট দিতে পারবেনা। একটা ওয়াপসাইটি যা কিছু থাকা দরকার আমরা সব কিছুই দেই। আমরা সকল ধরনের ওয়াপসাইট বানায় আপনাদের ইচ্ছা মত। কথায় আছে জিনিস যেটা ভাল দাম তার একটু বেশি। তাই দেরি না করে এখনি অর্ডার দিয়ে গরম গরম ওয়াপসাইট নেন।</span><br />
<br />
আমরা সব ধরনের প্লাটফর্মে কাজ করি। সবচেয়ে বেশি ব্যবহ্রত "" Wapka,Wordpress,Php, Html,Css,Cpanel,Hosting, Domain,Personal Site,Etc"". আপনার কেমন সাইট চাই ফোন করে অডার করুন।<br />
[u]<br />
কেউ যদি নিজের নামে ওয়াপ-সাইট তৈরী করতে চান আমার সাথে যোগাযোগ করুন - <br />
আমারও ফোন নাম্বার : +8801735665558[u]<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">ওয়াপসাইট বানাতে আপনার যা যা লাগবেঃ</span><br />
1.Email Or Gmail ID<br />
2.Gmail-er Password<br />
3.One New Password<br />
4.Site Name<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">মেসেজ করে পাঠিয়ে দিতে হবে</span><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">Contact Zone</span><br />
Mobile: +8801735665558<br />
(All time -24hours)<br />
Mobile: +8801735665558 (No Night)<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">About</span><br />
<span style="color: blue;" class="mycode_color">Trusted Domain &amp; Hosting Seller in Bangladesh</span><br />
আপনার যে কোন সাইটের জন্য ডোমেইন কিনুন. বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সার্ভার থেকে। <br />
যোগাযোগ করুন. +8801735665558 <br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">আমরা যারা ইন্টারনেট সম্পর্কে জানি তাদের কাছে ডোমেইন হোষ্টিং নতুন কোন শব্দ হওয়ার কথা নয়। তারপরেও একেবারে যারা নতুন তাদের জন্য দিচ্ছি সহজ একটি সংজ্ঞা। ডোমেইন হচ্ছে যেকোন ওয়েব সাইটের নাম। যেমন আমাদের ওয়েবসাইটের নাম হচ্ছে Likebd.com । <br />
<br />
আর হোষ্টিং হচ্ছে জায়গা, যেখানে আপনার ফাইল ফোল্ডারগুলো থাকবে। সর্বপরি বলতে পারি মোবাইলে যেমন আমরা মেমরি ব্যবহার করে অডিও ভিডিও রাখতে পারি, তেমনি একটি মেমরি। তবে এটি ব্যবহৃত হবে বিশ্বব্যাপি। এবার আসি আসল কথায়, আপনারা অবশ্যই জানেন যে ডোমেইন হোষ্টিং ডলার কিংবা টাকার বিনিময়ে ভাড়া নিতে হয়। যার মেয়াদ সাধারনত হয়ে থাকে এক বছর। অর্থাৎ মেয়াদ শেষে এটিকে আবার রিনিউ করতে হয়। অতএব আপনি যার কাছ থেকে একবার ডোমেইন হোষ্টিং সহায়তা নিচ্ছেন এক বছর পর আবার তার কাছে যেতে হচ্ছে। অতএব আপনি সবসময় কামনা করছেন তার সাথে একটা সুসম্পর্ক রাখতে। কিন্তু যদি এমন হয় আপনাকে দেয়া হোষ্টিং ভাল কাজ করছে না আর সার্ভার মাঝে মধ্যেই বন্ধ থাকে। <br />
তখন কি করবেন? অবশ্যই চাইবেন তার কাছ থেকে সরে আসতে। এখনি শুরু হবে আসল খেলা। <br />
যদি আপনার হাতে আপনার ডোমেইন এর কন্ট্রোল প্যানেল না থাকে আপনি সরতে পারবেন না। কারন হোষ্টিং পরিবর্তন করতে হলে অবশ্যই নতুনভাবে ডোমেইন এর মাঝে সেট করতে হবে ডিএনএস। অতএব ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলই জরুরি। যেটি অনেকেই দিতে চায় না। আর যেহেতু আপনার ডোমেইনটা ইতিমধ্যে এক বছর পার করেছে এবং পেয়েছে হাজারো মানুষের ভালবাসা। আপনার ইচ্ছে জাগবে না যে নতুন অন্য একটি ডোমেইন নিয়ে কাজ করবেন। অতএব যদি এমন বিপদে আপনি পরেন তখন আপনি হবেন হতাশ। মনে মনে ভাববেন কত অবিশ্বাসীদের দেশে আপনি বাস করছেন। <br />
আপনার ক্রয়কৃত সম্পদ, যেখানে আপনার ১০০% অধিকার আছে সকল তথ্য জানার সেখানে আপনাকে চরম বিপদে ফেলা হচ্ছে সামান্য সার্থের জন্য। যা বলছি এটা মিথ্যে নয়, আমাদের দেশের বাস্তবতা। একান্ত আলাপে আমাদেরই এক টিউটোরিয়াল গ্রাহক বর্ননা করছিলেন তার মনের কষ্ট, মানুষের প্রতি তার অবিশ্বাস আর ঘৃনার কথা । <br />
মানুষ যে কেন এমন করে বুঝিনা। আমরা তো ক্রয়ের সাথে সাথে গ্রাহককে বুঝিয়ে দেই তার সবকিছু। সবসময় চিন্তা করি আমাকে সৎ আর ন্যায়পায়ন থাকতে হবে। কেননা আমি বিশ্বাসীদের অর্ন্তভুক্ত। অবশ্যই একদিন বিদায় নিতে হবে পৃথিবী থেকে। জবাব দিতে হবে প্রত্যেকটি ক্ষুদ্র কাজেরও। যারা এমন করে আর মানুষের মনে কষ্ট দেয় আমরাও তাদের ঘৃনা করি। সামান্য কিছু লোভী মানুষের জন্য অবিশ্বাসীদের দলভুক্ত হয়ে পড়ছি আমরা সবাই। পাশাপাশি সজাগ থাকতে হবে আমাদেরও। <br />
অতএব ডোমেইন হোষ্টিং কিনতে হলে অবশ্যই সংগ্রহ করুন ডোমেইন এবং হোষ্টিং এর আলাদা আলাদা কন্ট্রোল প্যানেল। সল্পমূল্যে ডোমেইন হোষ্টিং পেতে অবশ্যই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে। <br />
যদি অন্যত্র কিনতে চান তাতেও সমস্যা নেই, কেনার আগে যেকোন বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারেন। ধন্যবাদ।</span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সন্তানের জীবন গড়ার দায় কেবল মা-বাবার নয়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1037</link>
			<pubDate>Sun, 22 Jan 2017 15:46:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=1037</guid>
			<description><![CDATA[আবার একটি মৃত্যু। নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে উত্তরার পর এবার খুন হলো রাজধানীর তেজকুনি পাড়ার আজিজ নামের এক কিশোর। আমাদের দেশে কিছুদিন পরপর একটি ঘটনার আবির্ভাব ঘটে আর সারাদেশ জুড়ে চলে সেই ঘটনার সিরিজ প্রদর্শনী।<br />
<br />
গত কয়দিন মনে হচ্ছে শুরু হলো শিশু ও কিশোরদের খুনের সিরিজ। উত্তরার ঘটনাসহ সারাদেশে ঘটে যাওয়া আরও কিছু ঘটনা আমাদের আবার ভাবতে বাধ্য করছে আমাদের কিশোর, তরুণদের বেড়ে ওঠা, তাদের সামাজিকীকরণ, তাদের প্রকৃত শিক্ষার বিষয়টি। <br />
<br />
এই আলোচনায় প্রথমেই যে কথাটি উঠে আসে, সেটি হচ্ছে, পরিবারের দায়। পরিবার কতটুকু সচেতন তাদের সন্তানের ব্যাপারে। কতটা খোঁজ রাখেন বাবা-মা—তাদের সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, কার সঙ্গে মিশছে। সে  কোনও খারাপ সংশ্রবে জড়িয়ে পড়ছে কিনা।<br />
<br />
এটা খুব স্বাভাবিক যে সন্তানের যেকোনও বিষয়ে প্রথমেই আলোচনায় আসবে মা-বাবার ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু সত্যি কি সন্তানের সুষ্ঠু জীবন নিশ্চিত করায় কেবল পরিবারই একক ভূমিকা রাখতে পারে? আসুন তবে দেখি সন্তানের বেড়ে ওঠার বিভিন্ন বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে এ যুগের পরিবারের ভূমিকা কোথায়? একজন সন্তান যখন প্রথম জন্ম নেয়, তখন মা-বাবা থাকে তার দুনিয়া। মা-বাবার বাইরে সে আর কাউকেই চিনতে শেখে না।<br />
<br />
ধীরে ধীরে সে সন্তান স্কুলে যাওয়া শুরু করে। জীবনের প্রথম বাইরের বড় জগতের সঙ্গে পরিচিত হয়। সেখানে সে খুঁজে পায় তার মতো আরও কিছু শিশুকে, গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেইসব বন্ধুত্বের সূত্রে তাদের পরিবারের সঙ্গেও পরিচয় ঘটে। জীবনের পাঠশালায় সে পায় তার শিক্ষকদের, যাদের কাছে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বুনিয়াদ গড়ে ওঠে।<br />
ধীরে ধীরে সেই শিশু প্রবেশ করে তার কৈশোরে। তার জগৎ আরও বড় হতে থাকে। গড়ে ওঠে তার নিজস্ব একটি ভুবন। আজকাল গ্লোবালাইজেশনের যুগে সেই কিশোর কেবল তার মা-বাবা  বা শিক্ষকের ওপরেই নির্ভরশীল থাকে না। তার জানার আগ্রহ তাকে টেনে নিয়ে যায় সীমানা ছাড়িয়ে অসীমের মাঝে। সেই জগতে কখনও কখনও সে একান্তে নিজেই ভ্রমণ করতে পছন্দ করে। কারণ তার তখন ব্যক্তিত্বের গঠন শুরু হয়। সে চায় তার মতকে প্রাধান্য দেওয়া হোক। যখনই সেখানে বাধা পায়, তখনই শুরু হয় লুকোচুরি। কৌতূহলী মন তাকে বাধ্য করে নতুন কিছুর আবিষ্কারে। আমরা কথা বলছি একবিংশ শতকের কিশোরদের নিয়ে যাদের জ্ঞান এখন ক্ষেত্র বিশেষে তাদের মা-বাবা এমনকি তাদের শিক্ষকদের চেয়েও এগিয়ে থাকে। প্রযুক্তি তাদের এই এগিয়ে থাকার ক্ষেত্রে রেখেছে এক বিশেষ ভূমিকা।<br />
একবার ভেবে দেখুন, শহুরে জীবনে বেশিরভাগ মা-বাবাই হন কর্মজীবী। কর্ম ব্যস্ত জীবনে  মা-বাবা সর্বদা ব্যস্ত থাকেন জীবিকার সন্ধানে। সন্তানের একটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য তারা প্রাণান্ত চেষ্টা করেন। একটি উন্নয়নশীল দেশের মা-বাবা সর্বদাই পার করে চলেছে এক অনিশ্চিত বর্তমান ও শঙ্কায় থাকেন একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের।<br />
একটি পরিবারের কেইস হিস্ট্রি যদি আমরা বিবেচনা করি তাহলে আরও একটু পরিষ্কার হবে। ধরে নিন একটি পরিবারে বাস করে মা-বাবা আর তাদের সন্তান। মা-বাবা দু’জনেই কর্মজীবী। সকালে বাইরে যান আর সন্ধ্যায় বা রাতে ফেরেন। তাদের কিশোর সন্তান থাকে স্কুলে, স্কুল থেকে ফিরে সে হয় বাসায় বসে থাকে, না হয় বাইরে খেলতে যায় বন্ধুদের সঙ্গে। সেই সন্তান কতদিন বাসায় একা বসে থাকবে? তার মন কেবল ছুটে চলে বাইরের জগতে। মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ বলতে কেবল মোবাইল ফোনে কথা বলা। কোনও মা-বাবাই চান না তাদের সন্তান একা থাকুক, কোন বদ-অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ুক। যেকোনও সচেতন মা-বাবাই চেষ্টা করেন তাদের যেটুকু সময় হাতে থাকে, সেটাতে সন্তানের সঙ্গে কাটাতে। কিন্তু যারা সপ্তাহে ছয়দিন কাজ করেন, তাদের হাতে অফিসদিনগুলোতে সময় বলতে সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরে ঘুমানোর আগে মাত্র কয় ঘণ্টা আর ছুটির দিনে। এটুকু সময় কি যথেষ্ট আমাদের এই ক্রমে ক্ষয়ে পড়া সমাজ থেকে আদরের সন্তানকে রক্ষার মতো প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবলয় তৈরি করতে? সেটা কতটা বাস্তব হয়?<br />
বাস্তবে সেটা যথেষ্ট নয়। এর সঙ্গে প্রয়োজন, আমাদের সন্তান যতটুকু সময় বাবা, মায়ের থেকে আলাদা থাকে সেই সময়টারও সুরক্ষার ব্যবস্থা করা। মানে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কী শিখছে, কার সঙ্গে মিশছে, তার মধ্যে কোনও ধরনেরকা  পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কিনা বা সে ক্লাসে অমনোযোগী হয়ে পড়ছে কিনা, সে সব বিষয় আপনি জানবেন কিভাবে? এই জায়গাতে দরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি সচেতন ভূমিকা। যা আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই করে না। শিক্ষকরাও রুটিনমাফিক আসে যায়, পড়া দেন, পড়া নেন। ছাত্রদের সঠিক বিকাশ হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে দেখার গরজ কই তাদের? আজকাল বেশিরভাগ শিক্ষককে দেখলেই মনে হয় তারা অন্য কোথাও চাকরি না পেয়ে এই পেশায় এসেছে। এখানে তাদের জন্য নেই কোনও মোটিভেশন। সুতরাং কথা বলার আছে এই জায়গাটি নিয়েও।<br />
আপনি ভাবছেন বাইরের জগতে গেলে আমার সন্তান খারাপ হয়ে যাবে। সন্তানকে আপনি বাসায় আটকে রাখলেন। আপনি না করলেন আর সন্তান সুবোধের মতো বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দিলো। তাহলে সে সন্তানের বিকাশের পথ কী? সে সামাজিক হবে কিভাবে? মানুষের সঙ্গে মেশা বন্ধ করলে সে শিখবে কিভাবে মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ, মমত্ববোধ গড়ে উঠবে কিভাবে? সেতো তার জগতে কেবল পেয়েছে মা-বাবা আর ভাই বা বোনকে। সে কখনও বাইরের দুনিয়ার চ্যালেঞ্জ দেখেনি। দেখেনি মানুষের মধ্যে থাকা বৈচিত্র্য কিভাবে মোকাবিলা করতে হয়।<br />
যে সন্তান বাইরে মেশে না, সে সারাদিন বাসায় বসে হয় গেইম খেলবে, না হয় টিভি দেখবে। সেখানেই বা কী দেখছে আর কী শিখছে?<br />
দায়ী করতে হবে আমাদের এই অনিরাপদ সামাজিক ব্যবস্থাকেও। ভেবে দেখতে হবে শুধু মা-বাবাই নিশ্চিত করতে পারবেন না সন্তানের নিরাপদ জীবনযাপন।<br />
এখানে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভুমিকা রাখতে হবে। যেন আমরা নিশ্চিত করতে পারি, আমাদের সন্তানের নিরাপদ বেড়ে ওঠা। ভেবে দেখতে হবে এই প্রজন্মে যারা  মা-বাবা হচ্ছেন, তারাও কিন্তু বেড়ে উঠেছেন একটি বিচ্ছিন্ন সমাজব্যবস্থা থেকে।  <br />
ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো আজ ক্ষয়িষ্ণু। নেই কোনও সামাজিক কার্যক্রম। পারিবারিক বন্ধন আজ কেবল মা-বাবা আর তাদের সন্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে। কেউ কারও খোঁজ নেওয়ার মতো সময় পায় না। এ কারণে পারিবারিক শিক্ষাকে যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও দিতে হবে পারিবারিক শিক্ষা। সেখানেও বাচ্চাদের শেখাতে হবে পরিবার কী, পারিবারিক মূল্যবোধ কী, মানুষ মনুষ্যত্বের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করতে হবে শিক্ষকদেরও। প্রচার মাধ্যমগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। <br />
লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আবার একটি মৃত্যু। নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে উত্তরার পর এবার খুন হলো রাজধানীর তেজকুনি পাড়ার আজিজ নামের এক কিশোর। আমাদের দেশে কিছুদিন পরপর একটি ঘটনার আবির্ভাব ঘটে আর সারাদেশ জুড়ে চলে সেই ঘটনার সিরিজ প্রদর্শনী।<br />
<br />
গত কয়দিন মনে হচ্ছে শুরু হলো শিশু ও কিশোরদের খুনের সিরিজ। উত্তরার ঘটনাসহ সারাদেশে ঘটে যাওয়া আরও কিছু ঘটনা আমাদের আবার ভাবতে বাধ্য করছে আমাদের কিশোর, তরুণদের বেড়ে ওঠা, তাদের সামাজিকীকরণ, তাদের প্রকৃত শিক্ষার বিষয়টি। <br />
<br />
এই আলোচনায় প্রথমেই যে কথাটি উঠে আসে, সেটি হচ্ছে, পরিবারের দায়। পরিবার কতটুকু সচেতন তাদের সন্তানের ব্যাপারে। কতটা খোঁজ রাখেন বাবা-মা—তাদের সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, কার সঙ্গে মিশছে। সে  কোনও খারাপ সংশ্রবে জড়িয়ে পড়ছে কিনা।<br />
<br />
এটা খুব স্বাভাবিক যে সন্তানের যেকোনও বিষয়ে প্রথমেই আলোচনায় আসবে মা-বাবার ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু সত্যি কি সন্তানের সুষ্ঠু জীবন নিশ্চিত করায় কেবল পরিবারই একক ভূমিকা রাখতে পারে? আসুন তবে দেখি সন্তানের বেড়ে ওঠার বিভিন্ন বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে এ যুগের পরিবারের ভূমিকা কোথায়? একজন সন্তান যখন প্রথম জন্ম নেয়, তখন মা-বাবা থাকে তার দুনিয়া। মা-বাবার বাইরে সে আর কাউকেই চিনতে শেখে না।<br />
<br />
ধীরে ধীরে সে সন্তান স্কুলে যাওয়া শুরু করে। জীবনের প্রথম বাইরের বড় জগতের সঙ্গে পরিচিত হয়। সেখানে সে খুঁজে পায় তার মতো আরও কিছু শিশুকে, গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেইসব বন্ধুত্বের সূত্রে তাদের পরিবারের সঙ্গেও পরিচয় ঘটে। জীবনের পাঠশালায় সে পায় তার শিক্ষকদের, যাদের কাছে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বুনিয়াদ গড়ে ওঠে।<br />
ধীরে ধীরে সেই শিশু প্রবেশ করে তার কৈশোরে। তার জগৎ আরও বড় হতে থাকে। গড়ে ওঠে তার নিজস্ব একটি ভুবন। আজকাল গ্লোবালাইজেশনের যুগে সেই কিশোর কেবল তার মা-বাবা  বা শিক্ষকের ওপরেই নির্ভরশীল থাকে না। তার জানার আগ্রহ তাকে টেনে নিয়ে যায় সীমানা ছাড়িয়ে অসীমের মাঝে। সেই জগতে কখনও কখনও সে একান্তে নিজেই ভ্রমণ করতে পছন্দ করে। কারণ তার তখন ব্যক্তিত্বের গঠন শুরু হয়। সে চায় তার মতকে প্রাধান্য দেওয়া হোক। যখনই সেখানে বাধা পায়, তখনই শুরু হয় লুকোচুরি। কৌতূহলী মন তাকে বাধ্য করে নতুন কিছুর আবিষ্কারে। আমরা কথা বলছি একবিংশ শতকের কিশোরদের নিয়ে যাদের জ্ঞান এখন ক্ষেত্র বিশেষে তাদের মা-বাবা এমনকি তাদের শিক্ষকদের চেয়েও এগিয়ে থাকে। প্রযুক্তি তাদের এই এগিয়ে থাকার ক্ষেত্রে রেখেছে এক বিশেষ ভূমিকা।<br />
একবার ভেবে দেখুন, শহুরে জীবনে বেশিরভাগ মা-বাবাই হন কর্মজীবী। কর্ম ব্যস্ত জীবনে  মা-বাবা সর্বদা ব্যস্ত থাকেন জীবিকার সন্ধানে। সন্তানের একটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য তারা প্রাণান্ত চেষ্টা করেন। একটি উন্নয়নশীল দেশের মা-বাবা সর্বদাই পার করে চলেছে এক অনিশ্চিত বর্তমান ও শঙ্কায় থাকেন একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের।<br />
একটি পরিবারের কেইস হিস্ট্রি যদি আমরা বিবেচনা করি তাহলে আরও একটু পরিষ্কার হবে। ধরে নিন একটি পরিবারে বাস করে মা-বাবা আর তাদের সন্তান। মা-বাবা দু’জনেই কর্মজীবী। সকালে বাইরে যান আর সন্ধ্যায় বা রাতে ফেরেন। তাদের কিশোর সন্তান থাকে স্কুলে, স্কুল থেকে ফিরে সে হয় বাসায় বসে থাকে, না হয় বাইরে খেলতে যায় বন্ধুদের সঙ্গে। সেই সন্তান কতদিন বাসায় একা বসে থাকবে? তার মন কেবল ছুটে চলে বাইরের জগতে। মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ বলতে কেবল মোবাইল ফোনে কথা বলা। কোনও মা-বাবাই চান না তাদের সন্তান একা থাকুক, কোন বদ-অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ুক। যেকোনও সচেতন মা-বাবাই চেষ্টা করেন তাদের যেটুকু সময় হাতে থাকে, সেটাতে সন্তানের সঙ্গে কাটাতে। কিন্তু যারা সপ্তাহে ছয়দিন কাজ করেন, তাদের হাতে অফিসদিনগুলোতে সময় বলতে সন্ধ্যার পর বাসায় ফিরে ঘুমানোর আগে মাত্র কয় ঘণ্টা আর ছুটির দিনে। এটুকু সময় কি যথেষ্ট আমাদের এই ক্রমে ক্ষয়ে পড়া সমাজ থেকে আদরের সন্তানকে রক্ষার মতো প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবলয় তৈরি করতে? সেটা কতটা বাস্তব হয়?<br />
বাস্তবে সেটা যথেষ্ট নয়। এর সঙ্গে প্রয়োজন, আমাদের সন্তান যতটুকু সময় বাবা, মায়ের থেকে আলাদা থাকে সেই সময়টারও সুরক্ষার ব্যবস্থা করা। মানে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কী শিখছে, কার সঙ্গে মিশছে, তার মধ্যে কোনও ধরনেরকা  পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কিনা বা সে ক্লাসে অমনোযোগী হয়ে পড়ছে কিনা, সে সব বিষয় আপনি জানবেন কিভাবে? এই জায়গাতে দরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি সচেতন ভূমিকা। যা আমাদের দেশের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই করে না। শিক্ষকরাও রুটিনমাফিক আসে যায়, পড়া দেন, পড়া নেন। ছাত্রদের সঠিক বিকাশ হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে দেখার গরজ কই তাদের? আজকাল বেশিরভাগ শিক্ষককে দেখলেই মনে হয় তারা অন্য কোথাও চাকরি না পেয়ে এই পেশায় এসেছে। এখানে তাদের জন্য নেই কোনও মোটিভেশন। সুতরাং কথা বলার আছে এই জায়গাটি নিয়েও।<br />
আপনি ভাবছেন বাইরের জগতে গেলে আমার সন্তান খারাপ হয়ে যাবে। সন্তানকে আপনি বাসায় আটকে রাখলেন। আপনি না করলেন আর সন্তান সুবোধের মতো বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দিলো। তাহলে সে সন্তানের বিকাশের পথ কী? সে সামাজিক হবে কিভাবে? মানুষের সঙ্গে মেশা বন্ধ করলে সে শিখবে কিভাবে মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ, মমত্ববোধ গড়ে উঠবে কিভাবে? সেতো তার জগতে কেবল পেয়েছে মা-বাবা আর ভাই বা বোনকে। সে কখনও বাইরের দুনিয়ার চ্যালেঞ্জ দেখেনি। দেখেনি মানুষের মধ্যে থাকা বৈচিত্র্য কিভাবে মোকাবিলা করতে হয়।<br />
যে সন্তান বাইরে মেশে না, সে সারাদিন বাসায় বসে হয় গেইম খেলবে, না হয় টিভি দেখবে। সেখানেই বা কী দেখছে আর কী শিখছে?<br />
দায়ী করতে হবে আমাদের এই অনিরাপদ সামাজিক ব্যবস্থাকেও। ভেবে দেখতে হবে শুধু মা-বাবাই নিশ্চিত করতে পারবেন না সন্তানের নিরাপদ জীবনযাপন।<br />
এখানে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভুমিকা রাখতে হবে। যেন আমরা নিশ্চিত করতে পারি, আমাদের সন্তানের নিরাপদ বেড়ে ওঠা। ভেবে দেখতে হবে এই প্রজন্মে যারা  মা-বাবা হচ্ছেন, তারাও কিন্তু বেড়ে উঠেছেন একটি বিচ্ছিন্ন সমাজব্যবস্থা থেকে।  <br />
ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো আজ ক্ষয়িষ্ণু। নেই কোনও সামাজিক কার্যক্রম। পারিবারিক বন্ধন আজ কেবল মা-বাবা আর তাদের সন্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে। কেউ কারও খোঁজ নেওয়ার মতো সময় পায় না। এ কারণে পারিবারিক শিক্ষাকে যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও দিতে হবে পারিবারিক শিক্ষা। সেখানেও বাচ্চাদের শেখাতে হবে পরিবার কী, পারিবারিক মূল্যবোধ কী, মানুষ মনুষ্যত্বের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করতে হবে শিক্ষকদেরও। প্রচার মাধ্যমগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। <br />
লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ভালোবাসার নামে দেহ বিলানোটাকে কি ভালোবাসা বলে ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=489</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 14:11:27 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=489</guid>
			<description><![CDATA[- এই খালি যাবা?<br />
- কোথায়?<br />
- মগবাজার চৌরাস্তা।<br />
- না।<br />
প্রায় ১ ঘন্টা যাবৎ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিধি। কোন<br />
রিস্কা নেই থাকলে ও কেউ যেতে চাই না। আজ তার<br />
আবিরের সাথে ডেট আছে। তাই একটু তাড়া।<br />
- এই খালি যাবা।<br />
- কোথায়?<br />
- মগবাজার চৌরাস্তা।<br />
- হুম<br />
- কত টাকা?<br />
- ৮০ টাকা।<br />
- চলো।<br />
রিস্কায় উঠছে নিধি । পাশ থেকে একটা মহিলা<br />
কন্ঠ,<br />
- আপা আপনি কি মগবাজার যাবেন?<br />
- হুম কেন?<br />
- আমি ও যামু যদি আপনার সাথে যেতে দিতেন। হাফ<br />
ভাড়া দিমু।<br />
- কোথায় যাবেন আপনি।<br />
- মগবাজার যামু।<br />
উঠুন।(রিস্কা চলতে শুরু করল।)<br />
- আপা আপনি কি করেন?<br />
- পড়াশুনা।<br />
- কিসে পড়েন আপা।<br />
- এই তো ইউনির্ভাসিটি ২nd ইয়ার।<br />
- ও মা আপা এত দূর পড়ছেন।<br />
- আপনি কি করেন ?<br />
- আমি গতর বেছে খায়।<br />
- What?<br />
- বুঝেন নাই তো?<br />
- আপনারা যাকে বলেন call girl.<br />
- What I mean u call girl.<br />
- হুম আপা।<br />
- ছি আপনার লজ্জা করে না। আবার বলেছেন?<br />
- আমাগো লজ্জা করবে কেন? আমরাতো পেটের<br />
দায়ে করি। লজ্জা তো তাদের পাওয়া উচিত যাদের<br />
সব কিছু থাহার পর ও আমাদের কাছে ছুইট্টা আহে।<br />
- কাজ করে খেতে পারেন না?<br />
- একটা র্গামেন্টস কাজ করতাম। টাকা আনতে গেছি<br />
ও শুয়রের বাচ্চা টাকা না দিয়া আমার উপর<br />
ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই এই পথ বেঁচে নিছি।<br />
হঠাৎ নিধির ফোনটা বেজে ওঠে। আবিরের কল।<br />
- তুমি কোথায়।<br />
- এইতো আসছি। যা জ্যম।<br />
- আমার আর তর সহছে না।<br />
- Wait baby. ও আচ্ছা ভাল কথা প্রোটেকশান আনছো<br />
তো।<br />
- হুম।<br />
- দেখ কিন্তু। পরে যদি কিছু হয়ে যায় আমি<br />
ফ্যামিলিতে মুখ দেখাতে পারবো না।<br />
- আরে কিছু হবে না।<br />
- ওকে বেবি বাই।<br />
- আপনি ওকে ভালোবাসেন আপা।<br />
- হুম কেন?<br />
- না।<br />
- কোথাও যাবেন?<br />
- না ও বাসায় একা। ওর বোরিং লাগছে তাই আমি<br />
যাচ্ছি।<br />
- হেসে দেয় কল র্গাল।<br />
- হাসছো কেন?<br />
- না আপা। আমি না হয় পেঠের দায়ে। কিন্তু আপনি<br />
কেন? আপনার কিসের অভাব।<br />
- What do u mean?<br />
- আপা আমি এত ইংরেজি বুঝি না।<br />
- তুমি কি বলতে চাও।<br />
- আপা আপনার সাথে ওর যদি বিয়ে না হয়।<br />
- তো কি হয়েছে?<br />
- আপা আমি না প্রতি নিয়ত আল্লাহর দোয়ারে<br />
শুকরিয়া করি যেন আল্লাহ আমার এই অভিশপ্ত জীবন<br />
থেকে মুক্তি দেয়। জানি না কল গার্লের ডাক<br />
আল্লাহ শুনেন নাকি। আর আপনি ভালোবাসার নামে<br />
সে পথে নামলেন।<br />
- চুপ কর। call girl হয়ে এত বড় বড় কথা বলছো। আমারি<br />
ভুল হয়েছে তোমাকে রিস্কায় বসানো। নামো…… এই<br />
মামা নামিয় দাও তাকে। এই যে মামা,নামিয়ে দাও<br />
ওকে।<br />
নিধির দমক<br />
- শুনে রিস্কাওয়ালা নামিয়ে দেয় তাকে। একা একা<br />
চলে যায় নিধি।<br />
লিখা: অনুভূতিহীন রনি।<br />
বি:দ্র: হয়তো ধমক দিয়ে তার মুখ বন্ধ করলেন। কিন্তু<br />
প্রেমের নামে যে বেশ্যামি আপনি করছেন। তা কি<br />
আপনাকে call girl হিসেবে প্রমান করছে না। হয়তো<br />
আপনি সে নামটাকে আরো মডিফাই করে বলেন<br />
প্রেমিকা। কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন<br />
করেন তো ভালোবাসার নামে দেহ বিলানোটাকে<br />
কি ভালোবাসা বলে?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[- এই খালি যাবা?<br />
- কোথায়?<br />
- মগবাজার চৌরাস্তা।<br />
- না।<br />
প্রায় ১ ঘন্টা যাবৎ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিধি। কোন<br />
রিস্কা নেই থাকলে ও কেউ যেতে চাই না। আজ তার<br />
আবিরের সাথে ডেট আছে। তাই একটু তাড়া।<br />
- এই খালি যাবা।<br />
- কোথায়?<br />
- মগবাজার চৌরাস্তা।<br />
- হুম<br />
- কত টাকা?<br />
- ৮০ টাকা।<br />
- চলো।<br />
রিস্কায় উঠছে নিধি । পাশ থেকে একটা মহিলা<br />
কন্ঠ,<br />
- আপা আপনি কি মগবাজার যাবেন?<br />
- হুম কেন?<br />
- আমি ও যামু যদি আপনার সাথে যেতে দিতেন। হাফ<br />
ভাড়া দিমু।<br />
- কোথায় যাবেন আপনি।<br />
- মগবাজার যামু।<br />
উঠুন।(রিস্কা চলতে শুরু করল।)<br />
- আপা আপনি কি করেন?<br />
- পড়াশুনা।<br />
- কিসে পড়েন আপা।<br />
- এই তো ইউনির্ভাসিটি ২nd ইয়ার।<br />
- ও মা আপা এত দূর পড়ছেন।<br />
- আপনি কি করেন ?<br />
- আমি গতর বেছে খায়।<br />
- What?<br />
- বুঝেন নাই তো?<br />
- আপনারা যাকে বলেন call girl.<br />
- What I mean u call girl.<br />
- হুম আপা।<br />
- ছি আপনার লজ্জা করে না। আবার বলেছেন?<br />
- আমাগো লজ্জা করবে কেন? আমরাতো পেটের<br />
দায়ে করি। লজ্জা তো তাদের পাওয়া উচিত যাদের<br />
সব কিছু থাহার পর ও আমাদের কাছে ছুইট্টা আহে।<br />
- কাজ করে খেতে পারেন না?<br />
- একটা র্গামেন্টস কাজ করতাম। টাকা আনতে গেছি<br />
ও শুয়রের বাচ্চা টাকা না দিয়া আমার উপর<br />
ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই এই পথ বেঁচে নিছি।<br />
হঠাৎ নিধির ফোনটা বেজে ওঠে। আবিরের কল।<br />
- তুমি কোথায়।<br />
- এইতো আসছি। যা জ্যম।<br />
- আমার আর তর সহছে না।<br />
- Wait baby. ও আচ্ছা ভাল কথা প্রোটেকশান আনছো<br />
তো।<br />
- হুম।<br />
- দেখ কিন্তু। পরে যদি কিছু হয়ে যায় আমি<br />
ফ্যামিলিতে মুখ দেখাতে পারবো না।<br />
- আরে কিছু হবে না।<br />
- ওকে বেবি বাই।<br />
- আপনি ওকে ভালোবাসেন আপা।<br />
- হুম কেন?<br />
- না।<br />
- কোথাও যাবেন?<br />
- না ও বাসায় একা। ওর বোরিং লাগছে তাই আমি<br />
যাচ্ছি।<br />
- হেসে দেয় কল র্গাল।<br />
- হাসছো কেন?<br />
- না আপা। আমি না হয় পেঠের দায়ে। কিন্তু আপনি<br />
কেন? আপনার কিসের অভাব।<br />
- What do u mean?<br />
- আপা আমি এত ইংরেজি বুঝি না।<br />
- তুমি কি বলতে চাও।<br />
- আপা আপনার সাথে ওর যদি বিয়ে না হয়।<br />
- তো কি হয়েছে?<br />
- আপা আমি না প্রতি নিয়ত আল্লাহর দোয়ারে<br />
শুকরিয়া করি যেন আল্লাহ আমার এই অভিশপ্ত জীবন<br />
থেকে মুক্তি দেয়। জানি না কল গার্লের ডাক<br />
আল্লাহ শুনেন নাকি। আর আপনি ভালোবাসার নামে<br />
সে পথে নামলেন।<br />
- চুপ কর। call girl হয়ে এত বড় বড় কথা বলছো। আমারি<br />
ভুল হয়েছে তোমাকে রিস্কায় বসানো। নামো…… এই<br />
মামা নামিয় দাও তাকে। এই যে মামা,নামিয়ে দাও<br />
ওকে।<br />
নিধির দমক<br />
- শুনে রিস্কাওয়ালা নামিয়ে দেয় তাকে। একা একা<br />
চলে যায় নিধি।<br />
লিখা: অনুভূতিহীন রনি।<br />
বি:দ্র: হয়তো ধমক দিয়ে তার মুখ বন্ধ করলেন। কিন্তু<br />
প্রেমের নামে যে বেশ্যামি আপনি করছেন। তা কি<br />
আপনাকে call girl হিসেবে প্রমান করছে না। হয়তো<br />
আপনি সে নামটাকে আরো মডিফাই করে বলেন<br />
প্রেমিকা। কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন<br />
করেন তো ভালোবাসার নামে দেহ বিলানোটাকে<br />
কি ভালোবাসা বলে?]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[কে বলে দেশে গণতন্ত্র নেই!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=488</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 14:10:03 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=488</guid>
			<description><![CDATA[দেশে গণতন্ত্র নেই বলে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে<br />
বিরোধী দল। অথচ আমরা গবেষণা করে দেখেছি,<br />
বাংলাদেশে সুস্থ গণতন্ত্রের চর্চা চলছে অনেক<br />
আগে থেকেই। বিশ্বাস হলো না? তাহলে নিচের<br />
লেখাটি পড়ুন।<br />
কেবল বাংলাদেশের নাগরিক বলেই আপনি যদি<br />
চান, এ মুহূর্তে ব্যস্ত সড়কের সব গাড়ি থামিয়ে<br />
রাস্তা পার হবেন, তাহলে সেটাই হবে। এমনিতে<br />
ট্রাফিক পুলিশ নির্দিষ্ট সময় পর পর লাল আলো<br />
জ্বালিয়ে গাড়ি থামান। কিন্তু রাস্তায় নামলেই<br />
দেখা যায়, আপনি, আমি, আমরা নিজেরাই দল বেঁধে<br />
হাত দেখিয়ে থামিয়ে দিই চলন্ত গাড়িঘোড়া! তার<br />
মানে, আপনি রাস্তা পার হলে সেটাই ট্রাফিক<br />
সিগন্যাল।<br />
কেবল এই দেশের নাগরিক বলেই আপনার কথাই শেষ<br />
কথা। রাস্তায় যানজট দেখলেই রং সাইড দিয়ে<br />
গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনি<br />
রাখেন। এমনকি মোটরসাইকেল থাকলে সেটা<br />
ফুটপাত দিয়েও চালাতে পারেন। দেশটা তো<br />
আমাদের, ফুটপাতও আমাদের!<br />
কেবল আপনি বাংলাদেশের নাগরিক বলেই আপনার<br />
সিদ্ধান্তের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত নেই। আপনি যদি<br />
চান ব্যস্ত রাস্তার পাশের ফুটপাতে প্রাকৃতিক কর্ম<br />
সারবেন, তবে সেটাই হবে। সরকার কিংবা প্রশাসন<br />
কিছুই করতে পারবে না।<br />
বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনার ক্ষমতা এত<br />
প্রবল যে শহরের যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময়<br />
আপনি হাত দেখালেই বাস সেখানে দাঁড়িয়ে পড়তে<br />
বাধ্য! আপনি যেখানেই বাস থামাতে বলবেন, চালক<br />
সেখানেই বাস থামিয়ে আপনাকে নামিয়ে দেবে।<br />
বাসস্ট্যান্ডের ধার বাংলার জনগণ ধারে না!<br />
অতএব গণতন্ত্র নিয়ে আন্দোলন বাদ দেওয়া উচিত।<br />
যে দেশের মানুষ ইচ্ছা করলেই যেখানে–সেখানে<br />
প্রাকৃতিক কর্ম সারতে পারে, সে দেশে গণতন্ত্র<br />
নেই—এমন কথা অতি হাস্যকর নয় কি?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[দেশে গণতন্ত্র নেই বলে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে<br />
বিরোধী দল। অথচ আমরা গবেষণা করে দেখেছি,<br />
বাংলাদেশে সুস্থ গণতন্ত্রের চর্চা চলছে অনেক<br />
আগে থেকেই। বিশ্বাস হলো না? তাহলে নিচের<br />
লেখাটি পড়ুন।<br />
কেবল বাংলাদেশের নাগরিক বলেই আপনি যদি<br />
চান, এ মুহূর্তে ব্যস্ত সড়কের সব গাড়ি থামিয়ে<br />
রাস্তা পার হবেন, তাহলে সেটাই হবে। এমনিতে<br />
ট্রাফিক পুলিশ নির্দিষ্ট সময় পর পর লাল আলো<br />
জ্বালিয়ে গাড়ি থামান। কিন্তু রাস্তায় নামলেই<br />
দেখা যায়, আপনি, আমি, আমরা নিজেরাই দল বেঁধে<br />
হাত দেখিয়ে থামিয়ে দিই চলন্ত গাড়িঘোড়া! তার<br />
মানে, আপনি রাস্তা পার হলে সেটাই ট্রাফিক<br />
সিগন্যাল।<br />
কেবল এই দেশের নাগরিক বলেই আপনার কথাই শেষ<br />
কথা। রাস্তায় যানজট দেখলেই রং সাইড দিয়ে<br />
গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনি<br />
রাখেন। এমনকি মোটরসাইকেল থাকলে সেটা<br />
ফুটপাত দিয়েও চালাতে পারেন। দেশটা তো<br />
আমাদের, ফুটপাতও আমাদের!<br />
কেবল আপনি বাংলাদেশের নাগরিক বলেই আপনার<br />
সিদ্ধান্তের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত নেই। আপনি যদি<br />
চান ব্যস্ত রাস্তার পাশের ফুটপাতে প্রাকৃতিক কর্ম<br />
সারবেন, তবে সেটাই হবে। সরকার কিংবা প্রশাসন<br />
কিছুই করতে পারবে না।<br />
বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনার ক্ষমতা এত<br />
প্রবল যে শহরের যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময়<br />
আপনি হাত দেখালেই বাস সেখানে দাঁড়িয়ে পড়তে<br />
বাধ্য! আপনি যেখানেই বাস থামাতে বলবেন, চালক<br />
সেখানেই বাস থামিয়ে আপনাকে নামিয়ে দেবে।<br />
বাসস্ট্যান্ডের ধার বাংলার জনগণ ধারে না!<br />
অতএব গণতন্ত্র নিয়ে আন্দোলন বাদ দেওয়া উচিত।<br />
যে দেশের মানুষ ইচ্ছা করলেই যেখানে–সেখানে<br />
প্রাকৃতিক কর্ম সারতে পারে, সে দেশে গণতন্ত্র<br />
নেই—এমন কথা অতি হাস্যকর নয় কি?]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[“ বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=487</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 14:09:22 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=487</guid>
			<description><![CDATA[“বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”<br />
... একটা ‘পরেরদিনের’ স্ট্যাটাস<br />
নেপালের মতো, আজ আমার দেশে যদি একই মাত্রার<br />
ভূমিকম্প হয়, আমরা সবাই জানি দেশের কি অবস্থা<br />
হবে<br />
ঢাকা শহরের নিচ দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে গ্যাস<br />
লাইনগুলো গিয়েছে<br />
৫ মিনিটও লাগবে না ঢাকার বিল্ডিংগুলো হুড়মুড়<br />
করে ধ্বসে পড়তে ... বিল্ডিং এর চাপে, গ্যাস লাইন<br />
ফাটবে<br />
আর তারপর?<br />
মুহূর্তে এই শহর একটা অগ্নিকূপে পরিণত হবে<br />
জাস্ট অগ্নিকুন্ডের একটা গোলা<br />
... সেদিন হয়তো স্ট্যাটাস দিতে পারব না... তাই<br />
পোষ্টডেটে স্ট্যাটাসটা, আজকেই দিয়ে নিচ্ছি<br />
“বাংলাদেশের এই পরিণতির জন্য, বাংলাদেশের<br />
সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তিদায়ী”<br />
কি বিএনপি... কি লীগ ... সবাই দোষী<br />
এরা ক্ষমতায় আসলে, পকেটে টাকা ভরতে ব্যস্ত<br />
ঢাকা শহরের নিচ দিয়ে যে অপরিকল্পিতভাবে<br />
গ্যাস লাইন গিয়েছে, তা এদের অনেকেই জানে না<br />
এরা শুধু জানে, খাটের নিচে পরিকল্পিতভাবে টাকা<br />
লুকাতে<br />
... তা না হলে; মাত্র ৯ মাসেই দেশ স্বাধীন করে<br />
ফেলতে পারলে ... দেশের এই সিম্পল জিনিসটা<br />
গুছাতে, ৪৪ বছর লাগার কথা না<br />
যেদিন ঘটবে, সেদিন তো আর স্ট্যাটাস দিতে পারব<br />
না... তাই, আজ পোষ্টডেইটে স্ট্যাটাস দিয়ে এদের<br />
সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে গেলাম<br />
সেদিন... বিশ্ব মিডিয়া যেনও আমাদের নিয়ে<br />
রিপোর্ট করার সময়; এই হেডলাইনটা অন্তত দেয় যে,<br />
“বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”<br />
লেখা:<br />
Arif R Hossain]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[“বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”<br />
... একটা ‘পরেরদিনের’ স্ট্যাটাস<br />
নেপালের মতো, আজ আমার দেশে যদি একই মাত্রার<br />
ভূমিকম্প হয়, আমরা সবাই জানি দেশের কি অবস্থা<br />
হবে<br />
ঢাকা শহরের নিচ দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে গ্যাস<br />
লাইনগুলো গিয়েছে<br />
৫ মিনিটও লাগবে না ঢাকার বিল্ডিংগুলো হুড়মুড়<br />
করে ধ্বসে পড়তে ... বিল্ডিং এর চাপে, গ্যাস লাইন<br />
ফাটবে<br />
আর তারপর?<br />
মুহূর্তে এই শহর একটা অগ্নিকূপে পরিণত হবে<br />
জাস্ট অগ্নিকুন্ডের একটা গোলা<br />
... সেদিন হয়তো স্ট্যাটাস দিতে পারব না... তাই<br />
পোষ্টডেটে স্ট্যাটাসটা, আজকেই দিয়ে নিচ্ছি<br />
“বাংলাদেশের এই পরিণতির জন্য, বাংলাদেশের<br />
সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তিদায়ী”<br />
কি বিএনপি... কি লীগ ... সবাই দোষী<br />
এরা ক্ষমতায় আসলে, পকেটে টাকা ভরতে ব্যস্ত<br />
ঢাকা শহরের নিচ দিয়ে যে অপরিকল্পিতভাবে<br />
গ্যাস লাইন গিয়েছে, তা এদের অনেকেই জানে না<br />
এরা শুধু জানে, খাটের নিচে পরিকল্পিতভাবে টাকা<br />
লুকাতে<br />
... তা না হলে; মাত্র ৯ মাসেই দেশ স্বাধীন করে<br />
ফেলতে পারলে ... দেশের এই সিম্পল জিনিসটা<br />
গুছাতে, ৪৪ বছর লাগার কথা না<br />
যেদিন ঘটবে, সেদিন তো আর স্ট্যাটাস দিতে পারব<br />
না... তাই, আজ পোষ্টডেইটে স্ট্যাটাস দিয়ে এদের<br />
সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করে গেলাম<br />
সেদিন... বিশ্ব মিডিয়া যেনও আমাদের নিয়ে<br />
রিপোর্ট করার সময়; এই হেডলাইনটা অন্তত দেয় যে,<br />
“বাংলাদেশ জানতো, বিপদ আসছে”<br />
লেখা:<br />
Arif R Hossain]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জ্বলিতেছে বটে, কিন্তু আনন্দে নাচিতেও হইতেছে !!!!]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=486</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 14:08:40 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=486</guid>
			<description><![CDATA[একবার এক বিজ্ঞ ব্যক্তি তাহার শিষ্যদের বলিলেন,<br />
এই নাও কাঁচামরিচ। একটা বিড়ালের দিকে আঙ্গুল<br />
দেখাইয়া বলিলেন, বিড়ালটিকে কাঁচা মরিচ<br />
খাওয়াইতে হইবে।<br />
প্রথম শিষ্য বিড়ালকে ধরিয়া তাহার মুখে কাঁচা<br />
মরিচ ঠেসিয়া দিতে লাগিল। সে ব্যর্থ হইলো,<br />
বিড়ালের নখের আঘাতে কিছু আহতও হইলো।<br />
পরের শিষ্য এক বাটি দুধ আনিয়া তাহাতে মরিচ<br />
মিশাইয়া দিল। বিড়াল আসিয়া গন্ধ শুঁকিয়া চলিয়া<br />
গেল।<br />
এইভাবে প্রত্যেকেই চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হইলো।<br />
শেষে বিজ্ঞ ব্যক্তি বলিলেন, আমাকে দাও।<br />
তিনি একটি মরিচ নিয়া বিড়ালের পশ্চাৎদেশে<br />
ঘষিয়া দিলেন।<br />
সকলে অবাক হইয়া দেখিল, বিড়াল নিজের<br />
পশ্চাৎদেশের মরিচ স্বেচ্ছায় চাটিয়া খাইতেছে।<br />
..........................<br />
পাকিস্তানীরা আমাদের জোর করিয়া উর্দু<br />
খাওয়াইতে চাহিয়াছিল। ব্যর্থ হইয়াছে।<br />
ভারতীয়রা আমাদের পশ্চাৎদেশে হিন্দি ডলিয়া<br />
দিয়াছে। জ্বলিতেছে বটে, কিন্তু আনন্দে নাচিতেও<br />
হইতেছে।<br />
(copied)]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একবার এক বিজ্ঞ ব্যক্তি তাহার শিষ্যদের বলিলেন,<br />
এই নাও কাঁচামরিচ। একটা বিড়ালের দিকে আঙ্গুল<br />
দেখাইয়া বলিলেন, বিড়ালটিকে কাঁচা মরিচ<br />
খাওয়াইতে হইবে।<br />
প্রথম শিষ্য বিড়ালকে ধরিয়া তাহার মুখে কাঁচা<br />
মরিচ ঠেসিয়া দিতে লাগিল। সে ব্যর্থ হইলো,<br />
বিড়ালের নখের আঘাতে কিছু আহতও হইলো।<br />
পরের শিষ্য এক বাটি দুধ আনিয়া তাহাতে মরিচ<br />
মিশাইয়া দিল। বিড়াল আসিয়া গন্ধ শুঁকিয়া চলিয়া<br />
গেল।<br />
এইভাবে প্রত্যেকেই চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হইলো।<br />
শেষে বিজ্ঞ ব্যক্তি বলিলেন, আমাকে দাও।<br />
তিনি একটি মরিচ নিয়া বিড়ালের পশ্চাৎদেশে<br />
ঘষিয়া দিলেন।<br />
সকলে অবাক হইয়া দেখিল, বিড়াল নিজের<br />
পশ্চাৎদেশের মরিচ স্বেচ্ছায় চাটিয়া খাইতেছে।<br />
..........................<br />
পাকিস্তানীরা আমাদের জোর করিয়া উর্দু<br />
খাওয়াইতে চাহিয়াছিল। ব্যর্থ হইয়াছে।<br />
ভারতীয়রা আমাদের পশ্চাৎদেশে হিন্দি ডলিয়া<br />
দিয়াছে। জ্বলিতেছে বটে, কিন্তু আনন্দে নাচিতেও<br />
হইতেছে।<br />
(copied)]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[প্রেস্টিজের উপর ইট আর বালুর ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=485</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 14:08:06 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=485</guid>
			<description><![CDATA[রমজানের শুরুর দিকে নিজের বোনকে কবর দেওয়ার<br />
সময় এক ছেলে সেলফি তুলে তা ফেসবুকে আপলোড<br />
দিয়েছে !!<br />
.<br />
অবাক হয়েছিলাম.........<br />
.<br />
এইতো সেদিন চাঁদ দেখা কমিটির প্রধান সাহেব এক<br />
মডেল অভিনেত্রীর সাথে অত্যন্ত আপত্তিকর<br />
ভঙ্গিতে সেলফি তুলেছিলো!<br />
.<br />
গত বছর নামাজরত অবস্থায় তোলা এক মেয়ের<br />
সেলফি তো রিতিমত অনলাইনে তোলপাড় অবস্থা।<br />
.<br />
কিছুদিন আগে দেখলাম এক ছেলে তার মায়ের জন্য<br />
খোড়া কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছে!<br />
.<br />
তারও এক ছেলে তার মৃত দাদার লাশের সাথে<br />
সেলফি তুলেছিলো...<br />
ক্যাপশন- 'গুড বাই দাদু'<br />
.<br />
কিছু কিছু মানুষ আছে, রমজানের দিনে ইফতার<br />
পার্টি করে সেলফি তুলে সেই সেলফি ফেসবুকে<br />
আপলোড না দিলে যেন তাদের রোজাই বৃথা।<br />
.<br />
আবার তারাই রমজান মাসে প্রতিদিন ইফতারের আগ<br />
মুহূর্তে এত্ত এত্ত গুলা ইফতার আইটেমের ছবি<br />
আপলোড করে। দেখে মনে হবে পুরো ইফতারের হাট-<br />
বাজার। তাদের এই কাজ থেকে সেহেরীও বাদ যায়<br />
না কিন্তু!<br />
.<br />
অনেক মিডিয়া পারসনদের দেখি মাঝেমাঝে<br />
ইফতার পার্টির গ্রুপ সেলফি আপলোড করে। দেখে<br />
বুঝাই যায় না এটা কি ইফতারের পার্টি, নাকি কোন<br />
ফ্যাশন শো। অর্থাৎ, সব জায়গায় বুক উঁচিয়ে আর<br />
কোমরে হাত রেখে সেলফি ছবি তুলতেই হবে।<br />
.<br />
প্রতিদিন ইফতারের টাইমে নামী দামী রেস্টুরেন্টে<br />
বসে সেলফি আর চেক-ইন দেখতে দেখতে অবস্থা<br />
খারাপ....এরা ইফতার করতে যায়, নাকি চেক-ইন<br />
দিতে যায় বুঝা মুশকিল!<br />
.<br />
আবার অনেকেই আছে কতিপয় প্রিয়<br />
সেলেব্রিটিদের সাথে সেলফি তোলার জন্য<br />
মরিয়া। পারলে নিজের প্রানের বিনিময়ে হলেও<br />
সেলফি তুলতেই হবে। ফেসবুকে আপলোড দিতেই<br />
হবে।<br />
.<br />
ঈদ না আসতেই সুন্দরী আপুদের নতুন জামা পরা<br />
সেলফির ভিড়ে তো ফেসবুকেই ঢুকা যায়না!!<br />
.<br />
গতকাল, এক ছেলে মসজিদে মিলাদ পড়তে বসে<br />
হুজুরের সাথে সেলফি তুলে নিজেকে ঈমানদার<br />
দাবি করতে দেখলাম। আবার সেই ছবিতেই নিজের<br />
গার্লফ্রেন্ডকে ট্যাগ করেছে। বুঝেন অবস্থা!<br />
.<br />
এখন আমি যদি বলি ভাইয়া-আপুরা ক্যামেরার<br />
ল্যান্সটা এবার একটু অন্য দিকে ঘুরান।<br />
.<br />
এএএই যেমন ধরুন, একজন পথশিশুর হাতে ৩০০/৫০০ টাকা<br />
দিয়ে একটা নতুন জামা তুলে দেন। তার সাথেই একটা<br />
সেলফি তোলেন।<br />
.<br />
এখানেই শুরু হবে আপত্তি, দান করে দেখাবো কেন?<br />
ছবি তুলবো কেন??<br />
.<br />
আরে ভাই ছবি তুলে গ্যালারিতে রাখেন না। মাঝে<br />
মাঝে ওই সেলফি দেখে নিজেকে সুখী ব্যাক্তি<br />
হিসেবে আবিষ্কার করা তো যাবে!!<br />
.<br />
অথবা, একজন পথশিশু বা গরিব ব্যাক্তিকে নিয়ে<br />
কোন রেস্টুরেন্ট ঢুকেন। তাকে নিয়ে একদিন ইফতার/<br />
ডিনার করেন। চেক-ইন দেন!<br />
.<br />
......তখনি চেতনায় আঘাত লাগবে, প্রেস্টিজের<br />
ব্যাপার চলে আসবে।<br />
.<br />
কিন্তু, মরা ব্যাক্তির পাশে কিংবা কবরের পাশে<br />
অথবা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধ<br />
ী স্টাইলে যেখানে সেখানে যখন সেলফি তুলি।<br />
আবার সেই ছবিই যখন বেহায়ার মতন ফেসবুকে<br />
আপলোড করি, তখন আমাদের বিবেক আর প্রেস্টিজ<br />
ভোতা হয়ে যায়।<br />
.<br />
তখন মানবতা/বিবেক/প্রেস্টিজের উপর ইট আর বালুর<br />
ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[রমজানের শুরুর দিকে নিজের বোনকে কবর দেওয়ার<br />
সময় এক ছেলে সেলফি তুলে তা ফেসবুকে আপলোড<br />
দিয়েছে !!<br />
.<br />
অবাক হয়েছিলাম.........<br />
.<br />
এইতো সেদিন চাঁদ দেখা কমিটির প্রধান সাহেব এক<br />
মডেল অভিনেত্রীর সাথে অত্যন্ত আপত্তিকর<br />
ভঙ্গিতে সেলফি তুলেছিলো!<br />
.<br />
গত বছর নামাজরত অবস্থায় তোলা এক মেয়ের<br />
সেলফি তো রিতিমত অনলাইনে তোলপাড় অবস্থা।<br />
.<br />
কিছুদিন আগে দেখলাম এক ছেলে তার মায়ের জন্য<br />
খোড়া কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছে!<br />
.<br />
তারও এক ছেলে তার মৃত দাদার লাশের সাথে<br />
সেলফি তুলেছিলো...<br />
ক্যাপশন- 'গুড বাই দাদু'<br />
.<br />
কিছু কিছু মানুষ আছে, রমজানের দিনে ইফতার<br />
পার্টি করে সেলফি তুলে সেই সেলফি ফেসবুকে<br />
আপলোড না দিলে যেন তাদের রোজাই বৃথা।<br />
.<br />
আবার তারাই রমজান মাসে প্রতিদিন ইফতারের আগ<br />
মুহূর্তে এত্ত এত্ত গুলা ইফতার আইটেমের ছবি<br />
আপলোড করে। দেখে মনে হবে পুরো ইফতারের হাট-<br />
বাজার। তাদের এই কাজ থেকে সেহেরীও বাদ যায়<br />
না কিন্তু!<br />
.<br />
অনেক মিডিয়া পারসনদের দেখি মাঝেমাঝে<br />
ইফতার পার্টির গ্রুপ সেলফি আপলোড করে। দেখে<br />
বুঝাই যায় না এটা কি ইফতারের পার্টি, নাকি কোন<br />
ফ্যাশন শো। অর্থাৎ, সব জায়গায় বুক উঁচিয়ে আর<br />
কোমরে হাত রেখে সেলফি ছবি তুলতেই হবে।<br />
.<br />
প্রতিদিন ইফতারের টাইমে নামী দামী রেস্টুরেন্টে<br />
বসে সেলফি আর চেক-ইন দেখতে দেখতে অবস্থা<br />
খারাপ....এরা ইফতার করতে যায়, নাকি চেক-ইন<br />
দিতে যায় বুঝা মুশকিল!<br />
.<br />
আবার অনেকেই আছে কতিপয় প্রিয়<br />
সেলেব্রিটিদের সাথে সেলফি তোলার জন্য<br />
মরিয়া। পারলে নিজের প্রানের বিনিময়ে হলেও<br />
সেলফি তুলতেই হবে। ফেসবুকে আপলোড দিতেই<br />
হবে।<br />
.<br />
ঈদ না আসতেই সুন্দরী আপুদের নতুন জামা পরা<br />
সেলফির ভিড়ে তো ফেসবুকেই ঢুকা যায়না!!<br />
.<br />
গতকাল, এক ছেলে মসজিদে মিলাদ পড়তে বসে<br />
হুজুরের সাথে সেলফি তুলে নিজেকে ঈমানদার<br />
দাবি করতে দেখলাম। আবার সেই ছবিতেই নিজের<br />
গার্লফ্রেন্ডকে ট্যাগ করেছে। বুঝেন অবস্থা!<br />
.<br />
এখন আমি যদি বলি ভাইয়া-আপুরা ক্যামেরার<br />
ল্যান্সটা এবার একটু অন্য দিকে ঘুরান।<br />
.<br />
এএএই যেমন ধরুন, একজন পথশিশুর হাতে ৩০০/৫০০ টাকা<br />
দিয়ে একটা নতুন জামা তুলে দেন। তার সাথেই একটা<br />
সেলফি তোলেন।<br />
.<br />
এখানেই শুরু হবে আপত্তি, দান করে দেখাবো কেন?<br />
ছবি তুলবো কেন??<br />
.<br />
আরে ভাই ছবি তুলে গ্যালারিতে রাখেন না। মাঝে<br />
মাঝে ওই সেলফি দেখে নিজেকে সুখী ব্যাক্তি<br />
হিসেবে আবিষ্কার করা তো যাবে!!<br />
.<br />
অথবা, একজন পথশিশু বা গরিব ব্যাক্তিকে নিয়ে<br />
কোন রেস্টুরেন্ট ঢুকেন। তাকে নিয়ে একদিন ইফতার/<br />
ডিনার করেন। চেক-ইন দেন!<br />
.<br />
......তখনি চেতনায় আঘাত লাগবে, প্রেস্টিজের<br />
ব্যাপার চলে আসবে।<br />
.<br />
কিন্তু, মরা ব্যাক্তির পাশে কিংবা কবরের পাশে<br />
অথবা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধ<br />
ী স্টাইলে যেখানে সেখানে যখন সেলফি তুলি।<br />
আবার সেই ছবিই যখন বেহায়ার মতন ফেসবুকে<br />
আপলোড করি, তখন আমাদের বিবেক আর প্রেস্টিজ<br />
ভোতা হয়ে যায়।<br />
.<br />
তখন মানবতা/বিবেক/প্রেস্টিজের উপর ইট আর বালুর<br />
ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সুন্দর একটি জীবনকে সুনামির মত ধ্বংস করে দেয]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=484</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:17:41 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=484</guid>
			<description><![CDATA[একটি সচেতনতা মূলকপোষ্ট ।শেয়ার করে<br />
অন্যকেসচেতন করা আপনার দায়িত্ব ।.<br />
মিতু ইউনিভার্সিটির হল থেকে বের হওয়ার সময়<br />
হলের গেইটের। পাশের দেয়ালে "শিক্ষিকা চাই"<br />
নামে একটা পোস্টার দেখতে পেল।.{{"ইংলিশ<br />
মিডিয়াম স্কুলের ২য় শ্রেণির ছাত্রকে পড়াতে<br />
হবে,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবা বুয়েটের যে<br />
কোন ডিপার্টমেন্টের ছাত্রী আবশ্যক"}} মিতুর একটা<br />
টিউশনি খুবই প্রয়োজন।অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা আর<br />
ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা চালিয়ে নেয়ার জন্য এই<br />
মূহূর্তে একটা টিউশনি তার জরুরি দরকার। তাই<br />
পোস্টারে প্রদত্ত ফোন নাম্বারটিতে সে<br />
যোগাযোগ করলো ,মোটামুটি সব কিছুই নির্ধারন।<br />
করে দেয়া হল....সপ্তাহে ৩ দিন পড়াতে হবে। মাসে<br />
৫০০০ টাকা।.<br />
মিতু অনেক খুশি হয়ে গেল , এই ৫০০০ টাকা দিয়ে এখন<br />
সে তার মা-ভাইয়ের জন্য অনেক কিছুই করতে<br />
পারবে। তো নির্ধারিত দিনেই মিতু তার ছাত্রের<br />
বাসায় গিয়ে উপস্থিত হলো। কলিং বেল চাপার পর<br />
কেউ একজন দরজা খুলে দিল,সে ঘরে ঢোকার পর এমন<br />
কিছু ঘটলো যার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। দু-<br />
তিনজন লোকআগে থেকেই মিতুকে দেখতে<br />
পেয়েছিল। সে বাসায় ছিল দরজা দিয়ে প্রবেশের<br />
সাথে সাথেই তার উপর পশুর মত ঝাপিয়ে পড়ে<br />
সেইলোক গুলো, কয়েক ঘন্টা পাশবিক নির্যাতনের<br />
পর। জীবন নাশের ভয় দেখিয়ে তারা বাসা থেকে<br />
মিতুকে বের করে দেয়। তবে ঘটনা এখানেই শেষ নয়।<br />
কারন এর পর শুরু ভিডিও টেপ করা সেই দৃশ্য,যা দিয়ে<br />
তাকে ব্লাক মেইল করে। ফলাফল<br />
আত্মহত্তা.........আপনাদের সবারি জানা টিউশনির<br />
নাম করে এমন ঘটনা আমাদের চারপাশে হর হামেশাই<br />
ঘটছে। কয়েকটা নির্দিষ্ট গ্রুপ আছে যারা এইসব<br />
অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে, কিন্তু এরা ধরা ছোয়ার<br />
বাইরে। তাই নিজেদের সচেতন হতে হবে, একা একা<br />
অপরিচিত জায়গায় টিউশনিতে গেলে অবশ্যই সাথে<br />
কাউকে নিয়ে যাওয়া উচিত। আরও একটা বিষয়,<br />
ক্লাশ"টু" এর বাচ্চা পড়াতে ঢাবি, বুয়েটের স্টুডেন্ট<br />
কেন লাগবে? তাও আবার তাও আবার ছাত্রী<br />
আবশ্যক!!! সময়ের তুলনায় টাকার পরিমাণ কি একটু<br />
বেশি? ইত্যাদি বিষয়ে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষন<br />
করে টিউশনিতে যাওয়া উচিত।.মনে রাখবেন, ছোট্ট<br />
একটি বাজে ঘটনা সাজানো গুছানো সুন্দর একটি<br />
জীবনকে সুনামির মত ধ্বংস করে দেয়...........<br />
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একটি সচেতনতা মূলকপোষ্ট ।শেয়ার করে<br />
অন্যকেসচেতন করা আপনার দায়িত্ব ।.<br />
মিতু ইউনিভার্সিটির হল থেকে বের হওয়ার সময়<br />
হলের গেইটের। পাশের দেয়ালে "শিক্ষিকা চাই"<br />
নামে একটা পোস্টার দেখতে পেল।.{{"ইংলিশ<br />
মিডিয়াম স্কুলের ২য় শ্রেণির ছাত্রকে পড়াতে<br />
হবে,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবা বুয়েটের যে<br />
কোন ডিপার্টমেন্টের ছাত্রী আবশ্যক"}} মিতুর একটা<br />
টিউশনি খুবই প্রয়োজন।অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা আর<br />
ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা চালিয়ে নেয়ার জন্য এই<br />
মূহূর্তে একটা টিউশনি তার জরুরি দরকার। তাই<br />
পোস্টারে প্রদত্ত ফোন নাম্বারটিতে সে<br />
যোগাযোগ করলো ,মোটামুটি সব কিছুই নির্ধারন।<br />
করে দেয়া হল....সপ্তাহে ৩ দিন পড়াতে হবে। মাসে<br />
৫০০০ টাকা।.<br />
মিতু অনেক খুশি হয়ে গেল , এই ৫০০০ টাকা দিয়ে এখন<br />
সে তার মা-ভাইয়ের জন্য অনেক কিছুই করতে<br />
পারবে। তো নির্ধারিত দিনেই মিতু তার ছাত্রের<br />
বাসায় গিয়ে উপস্থিত হলো। কলিং বেল চাপার পর<br />
কেউ একজন দরজা খুলে দিল,সে ঘরে ঢোকার পর এমন<br />
কিছু ঘটলো যার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। দু-<br />
তিনজন লোকআগে থেকেই মিতুকে দেখতে<br />
পেয়েছিল। সে বাসায় ছিল দরজা দিয়ে প্রবেশের<br />
সাথে সাথেই তার উপর পশুর মত ঝাপিয়ে পড়ে<br />
সেইলোক গুলো, কয়েক ঘন্টা পাশবিক নির্যাতনের<br />
পর। জীবন নাশের ভয় দেখিয়ে তারা বাসা থেকে<br />
মিতুকে বের করে দেয়। তবে ঘটনা এখানেই শেষ নয়।<br />
কারন এর পর শুরু ভিডিও টেপ করা সেই দৃশ্য,যা দিয়ে<br />
তাকে ব্লাক মেইল করে। ফলাফল<br />
আত্মহত্তা.........আপনাদের সবারি জানা টিউশনির<br />
নাম করে এমন ঘটনা আমাদের চারপাশে হর হামেশাই<br />
ঘটছে। কয়েকটা নির্দিষ্ট গ্রুপ আছে যারা এইসব<br />
অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে, কিন্তু এরা ধরা ছোয়ার<br />
বাইরে। তাই নিজেদের সচেতন হতে হবে, একা একা<br />
অপরিচিত জায়গায় টিউশনিতে গেলে অবশ্যই সাথে<br />
কাউকে নিয়ে যাওয়া উচিত। আরও একটা বিষয়,<br />
ক্লাশ"টু" এর বাচ্চা পড়াতে ঢাবি, বুয়েটের স্টুডেন্ট<br />
কেন লাগবে? তাও আবার তাও আবার ছাত্রী<br />
আবশ্যক!!! সময়ের তুলনায় টাকার পরিমাণ কি একটু<br />
বেশি? ইত্যাদি বিষয়ে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষন<br />
করে টিউশনিতে যাওয়া উচিত।.মনে রাখবেন, ছোট্ট<br />
একটি বাজে ঘটনা সাজানো গুছানো সুন্দর একটি<br />
জীবনকে সুনামির মত ধ্বংস করে দেয়...........<br />
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[এরাই তো দেশের ভবিষ্যৎ।]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=483</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:17:10 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=483</guid>
			<description><![CDATA[আমাদের Young Generation।<br />
বিজ্ঞরা বলেন, এরাই তো দেশের ভবিষ্যৎ। এদের<br />
হাত ধরেই তো দেশ এগিয়ে যাবে।<br />
কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে কিভাবে? ?<br />
যারা পড়ার টেবিলে সময় কাটানোর চাইতে<br />
গার্লফ্রেন্ডের সাথে সময় কাটাতে আর ফেসবুকে<br />
থাকতে বেশি ভালোবাসে। বাবা-মায়ের কস্টের<br />
টাকায় এরা নানাভাবে ফুর্তি করতে ভালোবাসে।<br />
আবার এরাই নিজেদের গড়ার সময়টা নস্ট করে<br />
পরবর্তীতে আফসোস<br />
করতে করতে অক্কা পায়।<br />
আর, Young Generation এর এই অবস্থার কারণে দেশটা<br />
চলে বুড়োদের হাতে, অথচ যাদের বাচার সময়টাই<br />
ফুরিয়ে যাচ্ছে।<br />
এভাবেই দেশ চলে যায় রসাতলে। তরুণ প্রজন্মের<br />
উদ্দেশ্যে শুধু এটুকুই<br />
বলার, মৌসুমী বা নির্দিষ্ট দিন গুলোয় দেশপ্রেমিক<br />
না সত্যিকার অর্থে দেশটাকে ভালোবাসতে।<br />
আনন্দ ফুর্তির জোয়ারে জীবনটাকে ভাসিয়ে না<br />
দিয়ে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে। তবেই তো গড়ে উঠবে<br />
সোনার বাংলাদেশ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[আমাদের Young Generation।<br />
বিজ্ঞরা বলেন, এরাই তো দেশের ভবিষ্যৎ। এদের<br />
হাত ধরেই তো দেশ এগিয়ে যাবে।<br />
কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে কিভাবে? ?<br />
যারা পড়ার টেবিলে সময় কাটানোর চাইতে<br />
গার্লফ্রেন্ডের সাথে সময় কাটাতে আর ফেসবুকে<br />
থাকতে বেশি ভালোবাসে। বাবা-মায়ের কস্টের<br />
টাকায় এরা নানাভাবে ফুর্তি করতে ভালোবাসে।<br />
আবার এরাই নিজেদের গড়ার সময়টা নস্ট করে<br />
পরবর্তীতে আফসোস<br />
করতে করতে অক্কা পায়।<br />
আর, Young Generation এর এই অবস্থার কারণে দেশটা<br />
চলে বুড়োদের হাতে, অথচ যাদের বাচার সময়টাই<br />
ফুরিয়ে যাচ্ছে।<br />
এভাবেই দেশ চলে যায় রসাতলে। তরুণ প্রজন্মের<br />
উদ্দেশ্যে শুধু এটুকুই<br />
বলার, মৌসুমী বা নির্দিষ্ট দিন গুলোয় দেশপ্রেমিক<br />
না সত্যিকার অর্থে দেশটাকে ভালোবাসতে।<br />
আনন্দ ফুর্তির জোয়ারে জীবনটাকে ভাসিয়ে না<br />
দিয়ে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে। তবেই তো গড়ে উঠবে<br />
সোনার বাংলাদেশ।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জীবনের ৬টি বাস্তবতা যত কঠোরই হোক আপনাকে মানতেই হবে]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=482</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:15:57 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=482</guid>
			<description><![CDATA[১)পৃথিবীতে আপনিই একমাত্র দুঃখী ব্যক্তি নন ।<br />
নিজের দুঃখটা সকলেই প্রথমে এসে পড়ে। এটা<br />
জানা কথা। কিন্তু তাই বলে আপনিই যে পৃথিবীর<br />
একমাত্র দুঃখী ব্যক্তি তা কিন্তু নন। আপনি যা<br />
নিয়েও সুখী নন সেটুকুর জন্য অনেকে আরও বেশি<br />
দুঃখে আছেন এমন ব্যক্তির<br />
সংখ্যাই পৃথিবীতে বেশি। যখন আপনি নিজেকে<br />
সামনে এগিয়ে নিতে চাইবেন তখন আপনি নিজের<br />
থেকে বড় অবস্থানের দিকে তাকাবেন, কিন্তু আপনি<br />
যখন নিজেকে দুঃখী এবং ছোট মনে করছেন তখন<br />
নিজের চাইতে নিচের অবস্থানের<br />
মানুষটিকে দেখুন। দেখবেন আপনি অনেকের চাইতে<br />
অনেক বেশীই ভালো আছেন।<br />
২)আপনি যা চান তার সব কিছু সহজেই পাওয়া<br />
সম্ভব নয ।<br />
আপনি যা চান তা আপনি চাইলেই হাতের মুঠোয়<br />
চলে আসবে না কখনোই। এবং আপনি যতোটা সহজে<br />
পেতে পারবেন বলে ভাবছেন তা আপনি ততো সহজে<br />
পাবেন না কোনোভাবেই। আপনি হয়তো ভাবছেন<br />
সহজেই কাজটি করে আপনার স্বপ্ন পূরণ করে নেবেন।<br />
কিন্তু যখন আপনি কাজটি করতে যাবেন তখন বুঝবেন<br />
কতোটা কঠিন জীবনে সফলতা আনা। এবং হাল<br />
ছেড়ে দেয়া তো একেবারেই সম্ভব নয়। হাল ছেড়ে<br />
দিলে জীবনেও সফলতার মুখ দেখবেন না।<br />
৩)বাহ্যিক সৌন্দর্যই সব কিছু নয ।<br />
যারা নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে অনেক বেশি<br />
গর্বিত এবং যারা সব সময় বাইরের চাকচিক্যকে<br />
প্রাধান্য দিয়ে অভ্যস্ত তাদের বুঝে নেয়া উচিৎ<br />
বাহ্যিক সৌন্দর্যই সব কিছু নয়। কারণ এই বাহ্যিক<br />
সৌন্দর্য কিছুদিনের মধ্যেই মলিন হয়ে যাবে। যা<br />
চিরকাল থাকবে তা হলো ভেতরের সৌন্দর্য।<br />
৪)আপনি যাই করুন না কেন ।<br />
আপনাকে সমালোচনার মুখে পরতেই হবে আপনি যাই<br />
করুন না কেন আপনার কাজের মধ্য থেকে খুঁত বের<br />
করা হবেই। একেকজনের অভিমত একেক ধরণের হয়ে<br />
থাকে। আপনি একজনের কথা শুনে নিজেকে<br />
পরিবর্তিত করে নিলেন,<br />
কিন্তু দেখবেন আপনার পরিবর্তিত রূপটিই অন্য<br />
একজনের কাছে অপছন্দের। সুতরাং আপনি যাই করুন<br />
না কেন আপনাকে কথা শুনতেই হবে। তাই শোনা কথা<br />
কান দিলে জীবনে উন্নতি করতে পারবেন না।<br />
৫)কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে বসতে নেই<br />
কাউকে বিশ্বাস ।<br />
না করতে পারলে আপনি জীবনে কখনোই শান্তি<br />
পাবেন না। সব সময় অস্বস্তির মধ্যে জীবন যাপন<br />
করতে হবে। কিন্তু আবার আপনি যদি একেবারে<br />
অন্ধভাবে বিশ্বাস করে বসে থাকেন তাহলেও কিন্তু<br />
আপনাকে ঠকতে হবে। তাই মানুষকে বিশ্বাস করুন<br />
তবে একেবারে অন্ধভাবে নয়। কিছুটা সন্দেহ নিজের<br />
মধ্যেই রেখে দিন<br />
৬)আপনার জীবনে সব সময় সুখ থাকবে না<br />
জীবনের সব চাইতে বড় বাস্তবতা হচ্ছে আপনি সব<br />
সময় সুখে থাকতে পারবেন না। আমারা যতোই<br />
সারাজীবন সুখের পিছনে ছুটে থাকি না কেন, সুখ<br />
কিন্তু সারাজীবনই আমাদের হাতে ধরা দেবে না।<br />
কারণ জীবনটা সুখ দুঃখ মিলিয়েই তৈরি। আবার<br />
আপনি যদি নিজেকে সব সময় দুঃখী ভাবতে থাকেন<br />
তাহলেও আপনি সুখ পাবেন না। তাই কোনো কিছুর<br />
পিছনে না ছুটে নিজেকে সব ধরনের পরিস্থিতির<br />
জন্য তৈরি করে নিন। এতেই সঠিকভাবে জীবনযাপন<br />
করতে পারবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[১)পৃথিবীতে আপনিই একমাত্র দুঃখী ব্যক্তি নন ।<br />
নিজের দুঃখটা সকলেই প্রথমে এসে পড়ে। এটা<br />
জানা কথা। কিন্তু তাই বলে আপনিই যে পৃথিবীর<br />
একমাত্র দুঃখী ব্যক্তি তা কিন্তু নন। আপনি যা<br />
নিয়েও সুখী নন সেটুকুর জন্য অনেকে আরও বেশি<br />
দুঃখে আছেন এমন ব্যক্তির<br />
সংখ্যাই পৃথিবীতে বেশি। যখন আপনি নিজেকে<br />
সামনে এগিয়ে নিতে চাইবেন তখন আপনি নিজের<br />
থেকে বড় অবস্থানের দিকে তাকাবেন, কিন্তু আপনি<br />
যখন নিজেকে দুঃখী এবং ছোট মনে করছেন তখন<br />
নিজের চাইতে নিচের অবস্থানের<br />
মানুষটিকে দেখুন। দেখবেন আপনি অনেকের চাইতে<br />
অনেক বেশীই ভালো আছেন।<br />
২)আপনি যা চান তার সব কিছু সহজেই পাওয়া<br />
সম্ভব নয ।<br />
আপনি যা চান তা আপনি চাইলেই হাতের মুঠোয়<br />
চলে আসবে না কখনোই। এবং আপনি যতোটা সহজে<br />
পেতে পারবেন বলে ভাবছেন তা আপনি ততো সহজে<br />
পাবেন না কোনোভাবেই। আপনি হয়তো ভাবছেন<br />
সহজেই কাজটি করে আপনার স্বপ্ন পূরণ করে নেবেন।<br />
কিন্তু যখন আপনি কাজটি করতে যাবেন তখন বুঝবেন<br />
কতোটা কঠিন জীবনে সফলতা আনা। এবং হাল<br />
ছেড়ে দেয়া তো একেবারেই সম্ভব নয়। হাল ছেড়ে<br />
দিলে জীবনেও সফলতার মুখ দেখবেন না।<br />
৩)বাহ্যিক সৌন্দর্যই সব কিছু নয ।<br />
যারা নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে অনেক বেশি<br />
গর্বিত এবং যারা সব সময় বাইরের চাকচিক্যকে<br />
প্রাধান্য দিয়ে অভ্যস্ত তাদের বুঝে নেয়া উচিৎ<br />
বাহ্যিক সৌন্দর্যই সব কিছু নয়। কারণ এই বাহ্যিক<br />
সৌন্দর্য কিছুদিনের মধ্যেই মলিন হয়ে যাবে। যা<br />
চিরকাল থাকবে তা হলো ভেতরের সৌন্দর্য।<br />
৪)আপনি যাই করুন না কেন ।<br />
আপনাকে সমালোচনার মুখে পরতেই হবে আপনি যাই<br />
করুন না কেন আপনার কাজের মধ্য থেকে খুঁত বের<br />
করা হবেই। একেকজনের অভিমত একেক ধরণের হয়ে<br />
থাকে। আপনি একজনের কথা শুনে নিজেকে<br />
পরিবর্তিত করে নিলেন,<br />
কিন্তু দেখবেন আপনার পরিবর্তিত রূপটিই অন্য<br />
একজনের কাছে অপছন্দের। সুতরাং আপনি যাই করুন<br />
না কেন আপনাকে কথা শুনতেই হবে। তাই শোনা কথা<br />
কান দিলে জীবনে উন্নতি করতে পারবেন না।<br />
৫)কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে বসতে নেই<br />
কাউকে বিশ্বাস ।<br />
না করতে পারলে আপনি জীবনে কখনোই শান্তি<br />
পাবেন না। সব সময় অস্বস্তির মধ্যে জীবন যাপন<br />
করতে হবে। কিন্তু আবার আপনি যদি একেবারে<br />
অন্ধভাবে বিশ্বাস করে বসে থাকেন তাহলেও কিন্তু<br />
আপনাকে ঠকতে হবে। তাই মানুষকে বিশ্বাস করুন<br />
তবে একেবারে অন্ধভাবে নয়। কিছুটা সন্দেহ নিজের<br />
মধ্যেই রেখে দিন<br />
৬)আপনার জীবনে সব সময় সুখ থাকবে না<br />
জীবনের সব চাইতে বড় বাস্তবতা হচ্ছে আপনি সব<br />
সময় সুখে থাকতে পারবেন না। আমারা যতোই<br />
সারাজীবন সুখের পিছনে ছুটে থাকি না কেন, সুখ<br />
কিন্তু সারাজীবনই আমাদের হাতে ধরা দেবে না।<br />
কারণ জীবনটা সুখ দুঃখ মিলিয়েই তৈরি। আবার<br />
আপনি যদি নিজেকে সব সময় দুঃখী ভাবতে থাকেন<br />
তাহলেও আপনি সুখ পাবেন না। তাই কোনো কিছুর<br />
পিছনে না ছুটে নিজেকে সব ধরনের পরিস্থিতির<br />
জন্য তৈরি করে নিন। এতেই সঠিকভাবে জীবনযাপন<br />
করতে পারবেন।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইভটেজিং / ধর্ষন করতেছেন → বিয়ের আগে / পরে ??]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=481</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:15:22 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=481</guid>
			<description><![CDATA[→ আপনি কোনো মেয়েকে ইভটেজিং করতেছেন।<br />
ঠিক সেই রকম ভাবে আপনার ও বোন কোনো না<br />
কোনো বখাটেদের কাছে ইভটেজিং এর শিকার<br />
হচ্ছে।<br />
→ বিয়ের আগে/পরে কোনো মেয়েকে ধর্ষন<br />
করেছেন। বিয়ের আগে/পর আপনার স্ত্রী কে ভালো<br />
ভাবে জিজ্ঞেস করুণ সে কোনো বখাটেদের হাতে<br />
ধর্ষনের শিকার হয়েছে কিনা। আসা উত্তর টা পেয়ে<br />
যাবেন।<br />
→ বিয়ের আগে কোনো মেয়ের সাথে প্রেম<br />
করেছেন টাইম পাস করার জন্য। সাথে আবার রাত ও<br />
কাটিয়েছেন। বিয়ের পর আপনার স্ত্রী কে শুধু<br />
জিজ্ঞেস করুণ সে প্রেম করেছে কিনা।<br />
• "যদি প্রেম করে থাকে তাহলে রাত যে কাটায়নি<br />
তার নিশ্চয়তা কি?"<br />
• (বর্তমান যুগের সব ছেলে মেয়েরাই চায় ওদের<br />
স্বামি বা স্ত্রী বিয়ের আগে প্রেমহিন মুক্ত হউক। hi<br />
:-D আপনি যে প্রেম করেছেন সেটার ফল যাবে<br />
কোথায় শুনি ?)<br />
#মোড়াল: যেমন কর্ম তেমন ফল তবে এটার বেলায়<br />
আলাদা আপনি করবেন কাজ কিন্তু তার ভাগী হবে<br />
আপনার বোন বা স্ত্রী।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[→ আপনি কোনো মেয়েকে ইভটেজিং করতেছেন।<br />
ঠিক সেই রকম ভাবে আপনার ও বোন কোনো না<br />
কোনো বখাটেদের কাছে ইভটেজিং এর শিকার<br />
হচ্ছে।<br />
→ বিয়ের আগে/পরে কোনো মেয়েকে ধর্ষন<br />
করেছেন। বিয়ের আগে/পর আপনার স্ত্রী কে ভালো<br />
ভাবে জিজ্ঞেস করুণ সে কোনো বখাটেদের হাতে<br />
ধর্ষনের শিকার হয়েছে কিনা। আসা উত্তর টা পেয়ে<br />
যাবেন।<br />
→ বিয়ের আগে কোনো মেয়ের সাথে প্রেম<br />
করেছেন টাইম পাস করার জন্য। সাথে আবার রাত ও<br />
কাটিয়েছেন। বিয়ের পর আপনার স্ত্রী কে শুধু<br />
জিজ্ঞেস করুণ সে প্রেম করেছে কিনা।<br />
• "যদি প্রেম করে থাকে তাহলে রাত যে কাটায়নি<br />
তার নিশ্চয়তা কি?"<br />
• (বর্তমান যুগের সব ছেলে মেয়েরাই চায় ওদের<br />
স্বামি বা স্ত্রী বিয়ের আগে প্রেমহিন মুক্ত হউক। hi<br />
:-D আপনি যে প্রেম করেছেন সেটার ফল যাবে<br />
কোথায় শুনি ?)<br />
#মোড়াল: যেমন কর্ম তেমন ফল তবে এটার বেলায়<br />
আলাদা আপনি করবেন কাজ কিন্তু তার ভাগী হবে<br />
আপনার বোন বা স্ত্রী।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[জেনে নিন ফোন সেক্সের নোংরা অভ্যাস দূর করার কার্যকরী উপায়]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=480</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:14:52 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=480</guid>
			<description><![CDATA[বর্তমানের আধুনিক যুগের নানা অনৈতিক ও অশ্লীল<br />
কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম ফোন সেক্সের মতো<br />
নোংরা একটি জিনিস। শুনতে অদ্ভুত শোনালেও<br />
বিভিন্ন জরিপে জানা যায় অনেক প্রেমিক-<br />
প্রেমিকাই এই কাজটি করে থাকেন। অনেকের মতে<br />
এই কাজটি ভালোবাসার বন্ধনকে আরও অনেক বেশি<br />
গভীর করে তোলে, যা সম্পূর্ণ একটি ভুল কথা।<br />
ভালোবাসার সম্পর্ককে গভীর করার জন্য দুজনের<br />
কমিটমেন্ট এবং সততাই যথেষ্ট, এইধরনের নোংরা<br />
কাজগুলো নয়। কিন্তু আজকাল এই কাজটি এক ধরণের<br />
ফ্যাশনে পরিনত হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কে জড়ালে<br />
এই কাজটি করতে হবে বলে অঘোষিত নীতি হয়ে<br />
দাঁড়িয়েছে যা একটি মানবিক ও সামাজিক<br />
অবক্ষয়ের পর্যায়ে পড়ে। এই নোংরা কাজটি থেকে<br />
বিরত থাকা উচিৎ সকলেরই। চলুন তবে দেখে নেয়া<br />
যাক ফোন সেক্সের নোংরা অভ্যাস থেকে বের<br />
হয়ে আসার কিছু কৌশল।<br />
১. মন শক্ত করুন<br />
অভ্যাস ত্যাগ করার জন্য প্রথমেই শক্ত হতে হবে<br />
দু’পক্ষকে। প্রেমিক চাইলেও প্রেমিকাকে<br />
সামলাতে হবে পুরো ব্যাপারটা। উল্টোটি ঘটলেও<br />
সামলে নিতে হবে প্রেমিককে। মনের জোর এবং<br />
একে ওপরের প্রতি ভালোবাসার গভীরতাই পারে এই<br />
কাজটি বন্ধ করতে। সবচাইতে বড় কথা, পরস্পরের জন্য<br />
সম্মান থাকলে এই ব্যাপারটি মাঝে এসে দারাতেই<br />
পারবেন না।<br />
২. বেশি রাতে কথা বলবেন না<br />
রাত গভীর হলে অনেকেরই মন অন্যরকম হয়ে যায়। আর<br />
তাই বেশি রাতে বিছানায় শুয়ে প্রেমিক বা<br />
প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করুন। তাহলে<br />
দেখবেন আস্তে আস্তে ফোন সেক্সের মতো নোংরা<br />
কাজটি বন্ধ হয়ে যাবে। প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলুন<br />
খোলামেলা জায়গায় দাঁড়িয়ে। বাড়ির বারান্দা বা<br />
ছাদকে বেছে নিন কথা বলার জন্য। এবং রাত খুব<br />
বেশি গভীর করবেন না। বরং দিনে কথা বলুন।<br />
৩. কথা বলার বিষয় বদলান<br />
পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা<br />
বলুন। কথা বলার মতো অনেক বিষয়ই রয়েছে। প্রেমের<br />
কথা থাকলেও তাতে যেন যৌনতার উসকানি মুলক<br />
কোনো কথা না থাকে। এতে করেই সূচনা হয় এই<br />
খারাপ কাজটির।<br />
৪. বিয়ের কথায় সাবধান<br />
প্রেমিক প্রেমিকার কথা বার্তায় বিয়ের কথা<br />
উঠতেই পারে। তবে তার মানে এই নয় যে ফুলশয্যার<br />
কথা আলোচনা করতে হবে সবসময়। এর চেয়ে বরং<br />
সংসার গোছানোর কথা বলুন। কে কী ধরণের<br />
জীবনসঙ্গী চান তা নিয়ে কথা বলুন।<br />
৫. গান একটি সুন্দর মাধ্যম<br />
উত্তেজনা মূলক কথার পরিবর্তে সিনেমা, সাহিত্য,<br />
গান-বাজনা নিয়ে কথা বলুন। দরকার পড়লে গান শুনুন<br />
বা শোনান। এতেও ভালোবাসা প্রকাশ হবে। একজন<br />
আরেকজনকে গান শুনিয়ে মনে ভাব প্রকাশ করতে<br />
পারেন।<br />
৬. বিরতি দিন<br />
এক টানা কথা না বলে কথার সময়কে ভাগ করে নিন।<br />
ধরুন কিছুক্ষন কথা বললেন, তারপর খানিকটা বিরতি<br />
নিয়ে আবার কথা বলা শুরু করলেন। তাহলে দেখবেন<br />
খুব সহজেই যৌনতার কথা উঠবে না।<br />
৭. ফোনে ব্যালান্স কম রাখুন<br />
একটানা কথা বলা এড়াতে চাইলে কথা বলার সময়<br />
ফোনে অল্প পয়সা রিচার্জ করুন। যাতে দরকারি<br />
কথা শেষ হওয়ার পর নিজে থেকেই ফোনটা কেটে<br />
যায়। এতে করে অন্তত একজন আরেকজনকে<br />
দোষারোপ করতে পারবেন না এবং অনেক<br />
আপত্তিকর কোথাও এড়িয়ে যেতে পারবেন।<br />
৮. সাহায্য নিন<br />
ফোন সেক্সের নেশা বাড়াবাড়ি পর্যায় গেলে<br />
অবশ্যই মনোরোগ বিশষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন।<br />
কারণ এটি এক ধরণের মানসিক ব্যাধির পর্যায়ে<br />
পড়ে।<br />
৯. স্বাস্থ্যকর জীবন<br />
সুস্থ জীবন গড়ে তুলুন। প্রোডাক্টটিভ কাজে ব্যস্ত<br />
হয়ে পড়ুন। যে সময়টুকু প্রিয়জনের সাথে ভালো কথা<br />
বলতে পারবেন ঠিক ততোটুকু সময়ই কথা বলুন। বাকি<br />
সময়ে অন্য কিছু করুন। উত্তেজনা অনুভব করলে<br />
মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিন। এতে করে নিজের<br />
ভেতর থেকে উত্তেজনা কমে যাবে।<br />
১০. ইচ্ছাশক্তি<br />
সব শেষে ইচ্ছাশক্তিই বড় শক্তি। দু’জনেই দু’জনের<br />
সাহায্যে হাত বাড়ান। ভালবাসার গল্প হয়ে উঠুক<br />
সুখের গল্পের। তাতে প্রযুক্তি নির্ভর যৌনতার<br />
কালো রং না ধরাই ভাল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[বর্তমানের আধুনিক যুগের নানা অনৈতিক ও অশ্লীল<br />
কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম ফোন সেক্সের মতো<br />
নোংরা একটি জিনিস। শুনতে অদ্ভুত শোনালেও<br />
বিভিন্ন জরিপে জানা যায় অনেক প্রেমিক-<br />
প্রেমিকাই এই কাজটি করে থাকেন। অনেকের মতে<br />
এই কাজটি ভালোবাসার বন্ধনকে আরও অনেক বেশি<br />
গভীর করে তোলে, যা সম্পূর্ণ একটি ভুল কথা।<br />
ভালোবাসার সম্পর্ককে গভীর করার জন্য দুজনের<br />
কমিটমেন্ট এবং সততাই যথেষ্ট, এইধরনের নোংরা<br />
কাজগুলো নয়। কিন্তু আজকাল এই কাজটি এক ধরণের<br />
ফ্যাশনে পরিনত হয়েছে। প্রেমের সম্পর্কে জড়ালে<br />
এই কাজটি করতে হবে বলে অঘোষিত নীতি হয়ে<br />
দাঁড়িয়েছে যা একটি মানবিক ও সামাজিক<br />
অবক্ষয়ের পর্যায়ে পড়ে। এই নোংরা কাজটি থেকে<br />
বিরত থাকা উচিৎ সকলেরই। চলুন তবে দেখে নেয়া<br />
যাক ফোন সেক্সের নোংরা অভ্যাস থেকে বের<br />
হয়ে আসার কিছু কৌশল।<br />
১. মন শক্ত করুন<br />
অভ্যাস ত্যাগ করার জন্য প্রথমেই শক্ত হতে হবে<br />
দু’পক্ষকে। প্রেমিক চাইলেও প্রেমিকাকে<br />
সামলাতে হবে পুরো ব্যাপারটা। উল্টোটি ঘটলেও<br />
সামলে নিতে হবে প্রেমিককে। মনের জোর এবং<br />
একে ওপরের প্রতি ভালোবাসার গভীরতাই পারে এই<br />
কাজটি বন্ধ করতে। সবচাইতে বড় কথা, পরস্পরের জন্য<br />
সম্মান থাকলে এই ব্যাপারটি মাঝে এসে দারাতেই<br />
পারবেন না।<br />
২. বেশি রাতে কথা বলবেন না<br />
রাত গভীর হলে অনেকেরই মন অন্যরকম হয়ে যায়। আর<br />
তাই বেশি রাতে বিছানায় শুয়ে প্রেমিক বা<br />
প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করুন। তাহলে<br />
দেখবেন আস্তে আস্তে ফোন সেক্সের মতো নোংরা<br />
কাজটি বন্ধ হয়ে যাবে। প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলুন<br />
খোলামেলা জায়গায় দাঁড়িয়ে। বাড়ির বারান্দা বা<br />
ছাদকে বেছে নিন কথা বলার জন্য। এবং রাত খুব<br />
বেশি গভীর করবেন না। বরং দিনে কথা বলুন।<br />
৩. কথা বলার বিষয় বদলান<br />
পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা<br />
বলুন। কথা বলার মতো অনেক বিষয়ই রয়েছে। প্রেমের<br />
কথা থাকলেও তাতে যেন যৌনতার উসকানি মুলক<br />
কোনো কথা না থাকে। এতে করেই সূচনা হয় এই<br />
খারাপ কাজটির।<br />
৪. বিয়ের কথায় সাবধান<br />
প্রেমিক প্রেমিকার কথা বার্তায় বিয়ের কথা<br />
উঠতেই পারে। তবে তার মানে এই নয় যে ফুলশয্যার<br />
কথা আলোচনা করতে হবে সবসময়। এর চেয়ে বরং<br />
সংসার গোছানোর কথা বলুন। কে কী ধরণের<br />
জীবনসঙ্গী চান তা নিয়ে কথা বলুন।<br />
৫. গান একটি সুন্দর মাধ্যম<br />
উত্তেজনা মূলক কথার পরিবর্তে সিনেমা, সাহিত্য,<br />
গান-বাজনা নিয়ে কথা বলুন। দরকার পড়লে গান শুনুন<br />
বা শোনান। এতেও ভালোবাসা প্রকাশ হবে। একজন<br />
আরেকজনকে গান শুনিয়ে মনে ভাব প্রকাশ করতে<br />
পারেন।<br />
৬. বিরতি দিন<br />
এক টানা কথা না বলে কথার সময়কে ভাগ করে নিন।<br />
ধরুন কিছুক্ষন কথা বললেন, তারপর খানিকটা বিরতি<br />
নিয়ে আবার কথা বলা শুরু করলেন। তাহলে দেখবেন<br />
খুব সহজেই যৌনতার কথা উঠবে না।<br />
৭. ফোনে ব্যালান্স কম রাখুন<br />
একটানা কথা বলা এড়াতে চাইলে কথা বলার সময়<br />
ফোনে অল্প পয়সা রিচার্জ করুন। যাতে দরকারি<br />
কথা শেষ হওয়ার পর নিজে থেকেই ফোনটা কেটে<br />
যায়। এতে করে অন্তত একজন আরেকজনকে<br />
দোষারোপ করতে পারবেন না এবং অনেক<br />
আপত্তিকর কোথাও এড়িয়ে যেতে পারবেন।<br />
৮. সাহায্য নিন<br />
ফোন সেক্সের নেশা বাড়াবাড়ি পর্যায় গেলে<br />
অবশ্যই মনোরোগ বিশষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন।<br />
কারণ এটি এক ধরণের মানসিক ব্যাধির পর্যায়ে<br />
পড়ে।<br />
৯. স্বাস্থ্যকর জীবন<br />
সুস্থ জীবন গড়ে তুলুন। প্রোডাক্টটিভ কাজে ব্যস্ত<br />
হয়ে পড়ুন। যে সময়টুকু প্রিয়জনের সাথে ভালো কথা<br />
বলতে পারবেন ঠিক ততোটুকু সময়ই কথা বলুন। বাকি<br />
সময়ে অন্য কিছু করুন। উত্তেজনা অনুভব করলে<br />
মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিন। এতে করে নিজের<br />
ভেতর থেকে উত্তেজনা কমে যাবে।<br />
১০. ইচ্ছাশক্তি<br />
সব শেষে ইচ্ছাশক্তিই বড় শক্তি। দু’জনেই দু’জনের<br />
সাহায্যে হাত বাড়ান। ভালবাসার গল্প হয়ে উঠুক<br />
সুখের গল্পের। তাতে প্রযুক্তি নির্ভর যৌনতার<br />
কালো রং না ধরাই ভাল।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সাংস্কৃতিক আগ্রাসন]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=479</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:14:12 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=479</guid>
			<description><![CDATA[একটি দেশের সংস্কৃতি সেই জাতির পরিচয় বহন<br />
করে। জাতিগতভাবে বাংলাদেশের একটি নিজস্ব<br />
সংস্কৃতি আছে। সেটাই আমাদের পরিচয়। কিন্তু<br />
ভিনদেশীয় সংস্কৃতি আমাদের ওপর এতবেশি প্রভাব<br />
বিস্তার করছে যে আমরা কখনো কখনো যেন ঐ<br />
সংস্কৃতির দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। আমাদের<br />
জাতীয় জীবনে মূল্যবোধের অবক্ষয়েরও এটি অন্যতম<br />
কারণ।<br />
গত ফেব্রুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে<br />
অনুষ্ঠিত হলো ট্রাইনেশন বিগ শো। এতে পারফর্ম<br />
করতে ভারত থেকে এসেছিল এক শ পঞ্চাশ সদস্যের<br />
একটি টিম। সংস্কৃতি বিনিময়ের নামে ভারতের<br />
সংস্কৃতি এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এই সাংস্কৃতিক<br />
আগ্রাসন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর<br />
হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতিকে ধ্বংসের মুখে<br />
ঠেলে দেবে একথা সহজেই বলা যায়।<br />
আমাদের দেশে চল্লিশটির মতো ভারতীয় চ্যানেল<br />
দেখানো হয়। এর মধ্যে ত্রিশটি চ্যানেলের ভাষাই<br />
হিন্দি। এসব চ্যানেলে আমাদের শিশুরাও হিন্দিতে<br />
ডাবিং করা কার্টুন দেখে। এছাড়াও ভারতীয়রা<br />
তাদের সনাতন ধর্মের বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনিও<br />
কার্টুনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে শিশু-কিশোরদের<br />
মধ্যে। এখনকার শিশুদের সবচেয়ে প্রিয় টেলিভিশন<br />
অনুষ্ঠান 'ডোরেমন'। এই কার্টুনটি দেখে আমাদের<br />
কোমলমতি শিশুরা কী শিখছে? তারা শিখছে যে,<br />
কী করে অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে নিজের<br />
কৃতিত্ব জাহির করা যায় এবং অল্প পরিশ্রমে কী<br />
করে নাম-যশ কামানো যায়। আর সেই নাম-যশ দ্বারা<br />
কীভাবে ভালো লাগার মানুষকে আকৃষ্ট করা যায়।<br />
.<br />
হিন্দি চ্যানেলগুলোর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে।<br />
বিউটি পার্লার তথা সৌন্দর্যশিল্পেও এর প্রভাব<br />
লক্ষ করার মতো। হিন্দি সিরিয়াল ও নায়িকাদের<br />
মতো ফিগারের প্রতি এক ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি<br />
হয়েছে সমাজে। স্লিম হওয়ার জন্য অনেকে না<br />
খেয়ে থাকে, বমি করে পাকস্থলি খালি রাখে,<br />
চোয়ালকে তার দিয়ে বেঁধে রাখে এবং মেদ বের<br />
করে ফেলে। এছাড়াও মেয়েদের দাঁত, ত্বক ও নখের<br />
সৌন্দর্য বর্ধনে বিউটি পার্লারে চলছে নানা<br />
কসরত্। এসবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণে চলছে নানা<br />
ধরনের প্রচারণাও। তবে বাস্তবতা হলো অন্ধ অনুকরণ<br />
ও অবৈজ্ঞানিক চর্চার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই<br />
হিতে-বিপরীত ফল লক্ষ করা যায়।<br />
তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ আজ আকাশ সংস্কৃতির<br />
প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ওপার থেকে<br />
অপসংস্কৃতির বিষবাষ্প ছড়িয়ে প্রজন্মের<br />
মস্তিষ্ককে কালচারাল কলোনি বানানো হচ্ছে।<br />
আর এর প্রভাব পড়ছে আমাদের জাতীয় জীবনে।<br />
দুঃখজনকভাবে হলেও সত্য আমরা জাতীয়ভাবে এর<br />
কোনো প্রতিকার করতে পারছি না। বিশ্বায়নের<br />
এই যুগে আমরা একে অপরের সংস্কৃতি জানবো<br />
—সেটা দোষের কিছু নয়। কিন্তু আমাদের মৌলিক<br />
চেতনাকে নস্যাত্ করে এমন সংস্কৃতি ধারণ করা হবে<br />
আত্মঘাতী সিদ্ধাস্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[একটি দেশের সংস্কৃতি সেই জাতির পরিচয় বহন<br />
করে। জাতিগতভাবে বাংলাদেশের একটি নিজস্ব<br />
সংস্কৃতি আছে। সেটাই আমাদের পরিচয়। কিন্তু<br />
ভিনদেশীয় সংস্কৃতি আমাদের ওপর এতবেশি প্রভাব<br />
বিস্তার করছে যে আমরা কখনো কখনো যেন ঐ<br />
সংস্কৃতির দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। আমাদের<br />
জাতীয় জীবনে মূল্যবোধের অবক্ষয়েরও এটি অন্যতম<br />
কারণ।<br />
গত ফেব্রুয়ারি মাসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে<br />
অনুষ্ঠিত হলো ট্রাইনেশন বিগ শো। এতে পারফর্ম<br />
করতে ভারত থেকে এসেছিল এক শ পঞ্চাশ সদস্যের<br />
একটি টিম। সংস্কৃতি বিনিময়ের নামে ভারতের<br />
সংস্কৃতি এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এই সাংস্কৃতিক<br />
আগ্রাসন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর<br />
হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতিকে ধ্বংসের মুখে<br />
ঠেলে দেবে একথা সহজেই বলা যায়।<br />
আমাদের দেশে চল্লিশটির মতো ভারতীয় চ্যানেল<br />
দেখানো হয়। এর মধ্যে ত্রিশটি চ্যানেলের ভাষাই<br />
হিন্দি। এসব চ্যানেলে আমাদের শিশুরাও হিন্দিতে<br />
ডাবিং করা কার্টুন দেখে। এছাড়াও ভারতীয়রা<br />
তাদের সনাতন ধর্মের বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনিও<br />
কার্টুনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে শিশু-কিশোরদের<br />
মধ্যে। এখনকার শিশুদের সবচেয়ে প্রিয় টেলিভিশন<br />
অনুষ্ঠান 'ডোরেমন'। এই কার্টুনটি দেখে আমাদের<br />
কোমলমতি শিশুরা কী শিখছে? তারা শিখছে যে,<br />
কী করে অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে নিজের<br />
কৃতিত্ব জাহির করা যায় এবং অল্প পরিশ্রমে কী<br />
করে নাম-যশ কামানো যায়। আর সেই নাম-যশ দ্বারা<br />
কীভাবে ভালো লাগার মানুষকে আকৃষ্ট করা যায়।<br />
.<br />
হিন্দি চ্যানেলগুলোর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে।<br />
বিউটি পার্লার তথা সৌন্দর্যশিল্পেও এর প্রভাব<br />
লক্ষ করার মতো। হিন্দি সিরিয়াল ও নায়িকাদের<br />
মতো ফিগারের প্রতি এক ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি<br />
হয়েছে সমাজে। স্লিম হওয়ার জন্য অনেকে না<br />
খেয়ে থাকে, বমি করে পাকস্থলি খালি রাখে,<br />
চোয়ালকে তার দিয়ে বেঁধে রাখে এবং মেদ বের<br />
করে ফেলে। এছাড়াও মেয়েদের দাঁত, ত্বক ও নখের<br />
সৌন্দর্য বর্ধনে বিউটি পার্লারে চলছে নানা<br />
কসরত্। এসবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণে চলছে নানা<br />
ধরনের প্রচারণাও। তবে বাস্তবতা হলো অন্ধ অনুকরণ<br />
ও অবৈজ্ঞানিক চর্চার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই<br />
হিতে-বিপরীত ফল লক্ষ করা যায়।<br />
তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ আজ আকাশ সংস্কৃতির<br />
প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ওপার থেকে<br />
অপসংস্কৃতির বিষবাষ্প ছড়িয়ে প্রজন্মের<br />
মস্তিষ্ককে কালচারাল কলোনি বানানো হচ্ছে।<br />
আর এর প্রভাব পড়ছে আমাদের জাতীয় জীবনে।<br />
দুঃখজনকভাবে হলেও সত্য আমরা জাতীয়ভাবে এর<br />
কোনো প্রতিকার করতে পারছি না। বিশ্বায়নের<br />
এই যুগে আমরা একে অপরের সংস্কৃতি জানবো<br />
—সেটা দোষের কিছু নয়। কিন্তু আমাদের মৌলিক<br />
চেতনাকে নস্যাত্ করে এমন সংস্কৃতি ধারণ করা হবে<br />
আত্মঘাতী সিদ্ধাস্ত।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[আধুনিকতা মানে কি ?]]></title>
			<link>http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=478</link>
			<pubDate>Sat, 14 Jan 2017 13:13:36 +0000</pubDate>
			<dc:creator><![CDATA[<a href="http://forums.likebd.com/member.php?action=profile&uid=1">Hasan</a>]]></dc:creator>
			<guid isPermaLink="false">http://forums.likebd.com/showthread.php?tid=478</guid>
			<description><![CDATA[› আধুনিকতা মানে কি কোমরের নিচে প্যান্ট পরা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি দাড়িয়ে প্রস্রাব করা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি ছেলেদের বুকের লোম বের<br />
করে সবাইকে দেখানো?<br />
› আধুনিকতা মানে কি মেয়েদের বুকের ওড়না গলায়<br />
ঝুলানো?<br />
› আধুনিকতা মানে কি মেয়েদের সর্ট জামা কাপড়<br />
পরিধান করা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি মেয়েদের জিন্স আর আটো-<br />
সাটো ড্রেস পরিধান করা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি এমন ড্রেস পরা যেটা দিয়ে<br />
আপনার শরীরের গোপন অঙ্গগুলো দেখা যায়?<br />
যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এমন আধুনিকতা দরকার<br />
নেই। যেই আধুনিকতা মানুষকে বেহায়া নির্লজ্জ<br />
বানায় সেটা আধুনিকতা নয়, সেটা অশ্লীলতা। সেটা<br />
নির্লজ্জতা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[› আধুনিকতা মানে কি কোমরের নিচে প্যান্ট পরা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি দাড়িয়ে প্রস্রাব করা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি ছেলেদের বুকের লোম বের<br />
করে সবাইকে দেখানো?<br />
› আধুনিকতা মানে কি মেয়েদের বুকের ওড়না গলায়<br />
ঝুলানো?<br />
› আধুনিকতা মানে কি মেয়েদের সর্ট জামা কাপড়<br />
পরিধান করা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি মেয়েদের জিন্স আর আটো-<br />
সাটো ড্রেস পরিধান করা?<br />
› আধুনিকতা মানে কি এমন ড্রেস পরা যেটা দিয়ে<br />
আপনার শরীরের গোপন অঙ্গগুলো দেখা যায়?<br />
যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এমন আধুনিকতা দরকার<br />
নেই। যেই আধুনিকতা মানুষকে বেহায়া নির্লজ্জ<br />
বানায় সেটা আধুনিকতা নয়, সেটা অশ্লীলতা। সেটা<br />
নির্লজ্জতা।]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>